8. আমি যা বলছি তা খুবই ব্যবহারিক (প্র্যাক্টিকাল)!
# আমি যা বলছি তা খুবই ব্যবহারিক (প্র্যাক্টিকাল)!
লোকেরা আমায় বলে, 'সামীজী, আপনাকে খুনে খবর অনুপ্রাণিত লাগে। এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সেগুলি প্রয়োগ করতে হবে এবং দেখতে হবে তা কাজ করে নাকি।'
আমি কেবল প্র্যাক্টিকাল জিনিষই বলি। কখনই ভেবো না যে আমার কথাগুলি দৈনদিন জীবনে করা যায় না।
यनि वासि वटन शाक्य बन रहे हैं कि विश्व कर रहे हैं कि विश्व को कर को मान कर को किस এখানে আমি সারা বিশে এক রূপান্তরের অন্দোলনের কথা বলছি। প্রকল্পক্ষে আমি পরাতন গ্রন্থ বেদান্তের কথাই কেবল নতুন শব্দে, আধুনিক পরিস্থিতিতে পুনরায় বলছি; যাতে তোমাদের তা শুনতে ভাল লাগে; যাতে তুমি বোঝ যে এটা এখনও প্রাসঙ্গি এবং তাকে অনুসরণ কর। যদি তুমি বইয়ের এই ভাবনাগুলি পড়, তা লেখকের মস্তিষ্কে প্রবেশ করে। তাতে অভিজ্ঞতার কোন সুযোগ নেই। কিন্তু যখন তুমি এই কথা একজন জীবনমুক্ত সত্তা, যে আত্মজ্ঞানী, তাঁর কাছ থেকে শোন, কথাগুলি তোমার গভীরে প্রবেশ করে এবং ঈশ্চিত ফল দেয়।
আমি তোমাদের সাথে আমার জ্ঞান শেয়ার করছি না। আমি শেয়ার করছি আমার অভিজ্ঞতা, আমার জীবন। যখন আমি আমার সত্তা থেকে কথা বলি, তাকে তো তোমার জীবনকে রূপান্তরিত করবেই করবে। আর কোন পথ নেই।
বিবেকানন্দ শিকাগোতে বিশ্বব্ধমহাসভায় প্রথমবার বলেছিলেন, 'আমার প্রিয় আমেরিকান ভ্রাতা ও ভগ্নীরা…' এটা রেকর্ডে আছে যে তার পর অডিটোরিয়াম হাততালিতে ফেটে পড়ে! এক মহিলা লিখেছিল, 'সেটা কেবল হাততালি ছিল না। তিনি পুরো দেশটিকে জিতে নিয়েছিলেন। আমরা অনভব করলাম যেন এক প্রেমের তরঙ্গ দেয়ে গেল আমাদের মধ্য দিয়ে। . ' া পরে বিবেকানন্দকে জিজ্ঞাসা করেছিল যে সেটা কিভাবে হয়েছিল এবং তিনি উত্তরে বলেছিলেন, 'কারণ সেটা আমার সত্তা থেকে এসেছিল।
বিবেকানন্দ তাঁর সত্তা থেকে বলেছিলেন। যখন শবাবলী মস্তিষ্ক থেকে নির্গত হয়, সেটা অপর মানুষের মস্তিষ্ক ছোঁরে এবং তাকে বলে বার্তালাপ বা 'কমিউনিকেশন' (communication)। যখন শব্দাবলী হৃদয় থেকে নির্গত হয়, তা অপরের হৃদয়কে ছোঁয় এবং তাকে বলে ভাবের আদান-প্রদান বা 'কমিউনিয়ন' (communion)। বার্তালাপ যথেষ্ট নয়। আমাদের ভাবের আদান-প্রদান করা জানতে হবে। আমি আমার হৃদয় থেকে বলছি, তাই তোমরা পরো হয়ে দেয়ে শুনবে।
যখন বক্তা পূর্ণতা নিয়ে বলে, শ্রোতা পূর্ণতা নিয়ে জীবন রূপান্তরিত হতে বাধ্য। যদি তোমার জীবন আমার কথার ছোঁয়া না পায়, তাহলে তো আমার বলার কোন অধিকার নেই। তুমি আমার অভিজ্ঞতার সত্যতা সম্বন্ধে সন্দেহ করার জন্য স্বাধীন। যদি তুমি অনুভব যে আমার কথা তোমার জীবন রূপান্তর করতে সমর্থ হয় নি . তোমাকে তোমার ভাবনা লক্ষিয়ে রাখতে হবে না। সেটাকে খুলে বল। কিন্তু তোমাকে ছোঁবে না, তার কোন সম্ভাবনাই নেই।
হৃদয় দিয়ে শ্রবণ করলে দেখবে সময়কালে এই কথাগুলি তোমার জীবনে স্বতক্ষলভাবে কাজ করছে। যে শিক্ষক নিজের সম্পর্কে সংশয়িত কেবল সে তার শিষ্যদের ফিরে গিয়ে তার কথাগুলিকে অভ্যাস করার জন্য জোর দেয়। যখন এক মাস্টার বলেন, কেবল শ্রবণ করলেই হবে। পূর্ণ শ্রবণ কর, রূপান্তর ঘটবে।
ছান্দোগ্য উপনিষদ এটাকে সুন্দরভাবে বর্ণনা করে। মাস্টার শিষ্যকে বলে : তৎ তুম অসি - সে হচ্ছে তুমি। কেবল শুনেই শিষ্য
প্রকৃত আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা লাভ করে! যখন মাস্টার ও শিষ্য দুজনেই পর্ণতা নিয়ে কাজ করে, এটা সম্ভব।
যখন তমি মাস্টারের আশেপাশে আছ. শব্দ পরোপরি অপ্রাসঙ্গিক। কেবল মাস্টারের আশেপাশে নীরবে থাকা ও তাকে আত্মভত করা - এতে তোমার মধ্যে আসল রূপান্তর ঘটে। কিন্তু কি করা যায়? তুমি তোমার ভিতরের কিচিরমিচিরে এত জড়িয়ে পড়েছে। তাই আমি তোমাকে নীরব করতে শব্দ ব্যবহার করি। কারণ আমি যদি কথা না বলি, তুমি অবিশ্রাম নিজের ভিতরে কথা বলতে शाकरव, वर्ण करण करण करण, जवार मुक्क पूर्ण करण करण करण, मिकाख निर्ण निर्ण, विषाव कबूर करण এবং কি নয়। যদি আমি কথা বলি, তমি আমাকে হারানোর ভয়ে তৃত্যু তন্যয় হয়ে আত্মভত করতে থাকবে এবং সেই সময়ে আমি তোমার ভিতরে প্রবেশ করতে পারি!
যখন মাস্টার বলেন, তিনি প্রক্রপক্ষে নিজের ভিতরে নীরব থাকেন। কিন্তু অন্যদের ক্ষেত্রে, যদিও তারা নীরব, তারা ভিতরে निर्णयन्त्र माथ्य कथा वटन करन्दू - लिकित्रिकित शाक्त। তোমার ভিতরে কি চলছে। তোমার নীরবতা ব্যতিক্রমহীনভাবে কেবল এক হুড়াহুড়ি যা কর্ণগোচর নয়। তোমার ভিতরে তুমি এক বিষয় থেকে অন্য বিষয়ে কোন পারস্পরিক সম্পর্ক না রেখে বাঁদরের মত লাফিয়ে বেড়াও।
এখন আমরা এক ধ্যান-প্রক্রিয়া করি, যাকে বলে 'মণিপুরক শুদ্ধি ক্রিয়া।' এটা মণিপুরক চক্রকে বিশোধন করবে।
আবেগ : দুশ্চিন্তা চক্র : মণিপুরক চক্র অবস্থান : নাভি অঞ্চল
সংস্কৃতে মণিপুরক মানে 'রত্নের নগর'
यथन उत्ति वरिष्ठा पूर्णिखा कव, वर् राज्यम वक्त जाताव पूनिसा मुक्ति का मानव पूर्णिखा माम्यदक पून्निज्ञा করা বন্ধু করলে এই চত্র প্রস্ফটিত হয়।
দুশ্চিন্তা মছে ফেলার ধ্যান-প্রক্রিয়া : মণিপরক শুদ্ধি ক্রিয়া - খ্রিস্ট-ধর্ম থেকে নাওয়া
মণিপুরক শুদ্ধি ক্রিয়া