Books / Guaranteed Solutions For Lust Fear Worry... Bengali merged

7. প্রশ্ন : আমাদের এত দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগের মূল কারণ আপনি কি বলেন ?

# প্রশ্ন : আমাদের এত দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগের মূল কারণ আপনি কি বলেন ?

উত্তর : এই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করছ মানে তুমি সমাধানের জন্য প্রস্তত।

দ্যাপো, সবকিছু সম্মেল্ট আমাদের অবিশ্রাম কিছু কল্পনা থাকে - আমাদের চারদিকের লোকজন সম্পর্কে. যেখানে থাকি সেই স্থান সম্পর্কে. বিভিন্ন পরিস্থিতি সম্পর্কে এবং আমাদের জীবনশৈলী সম্পর্কে। আমরা একটানা অলীক কল্পনা করে যাই অথবা আশা করে যাই যে ঘটনাগুলি নির্দিষ্ট ছকে ঘটবে। কিন্তু বাস্তবতা সবসময় এই অলীক কল্পনা থেকে আলাদা। বাস্তবতা ও অামাদের কল্পনার মধ্যে তফাত আমাদের জীবনে উদ্বেগ বা টেনশন সষ্টি করে।

আমরা আমাদের ভিতরে একটি কাল্পনিক জগৎ সষ্টি করেছি এবং অবিশ্রা ম তাকে বাস্তবে দেখতে চাইছি। বাস্তবতা এবং আমাদের অলীক কল্পনার মধ্যে তফাত আছে। যত বেশী কল্পনা করি, তত বেশী তফাত এবং টেনশন বাড়বে।

আমরা সর্বদাই ভাবি যে আমরা কল্পনান্তরিত করতে চলেছি, কিন্তু যখন তা হয়, আমরা দেখি আমাদের কল্পনা আরও বেড়ে গেছে এবং আমরা তাই তাকে কখনই পরণ করতে পারি না। এতে আমাদের মধ্যে সঙ্গি হয় হতাশা , টেনশন এবং দুশ্চিন্তা।

ঘটনা হল, আমরা জানিই না যে আমরা কল্পনা নিয়ে কাজ করছি। নিজের কল্পনা আমাদের ভিতরে এত ঘন ও দ্যু হয়ে গেছে যে আমরা তাকে কল্পনা বলে দেখতেই পারি না। আমরা তাতে পুরো আটকে গেছি। কিছু কাজ করার জন্য যদি তোমার মধ্যে টেনশন হয়, তাহলে তুমি বাস্তবতার সাথে কাজ করছ না; তুমি তোমার কল্পনার অঞ্চল থেকে কাজ করছ।

প্রতিটি মহর্তে বহির্জগতে আমাদের প্রত্যাশগুলি পরণ করার জন্য আমরা চেষ্টা করে। প্রত্যাশা হতে পারে - মানুষস্বন্ধীয়, বস্তগত সুখ, নাম ও যশ ইত্যাদি। লোকেরা যদি আমাদের কল্পনামত সাড়া না দেয় আমাদের প্রত্যাশা কষ্ট পায়। ছোট থেকে বড় জিনিষ্ সর্বদাই আমরা আমাদের কল্পনার অনুরূপ খুঁজে চলেছি। আমাদের ভিতরে এটা এক অচেতন প্রক্রিয়া। সেজন্য এটা করার ব্যাপারে আমরা সজাগ নই, আর তাই আমরা টেনশনের কারণ বুঝি না। কারণটা এত সম্মুভাবে পুরো জিনিষে বোনা হয়ে গেছে যে সেটা বোঝা যায় না।

তুমি তোমার চেতনাকে যদি এই পয়েন্ট পর্যন্ত নিয়ে আস এবং নিজেকে কিছু ঘন্টা লক্ষ্য কর, তোমার পুরো মন কিভাবে কাজ করে তা বুঝবে। নিজের মনের ও আশেপাশে মানুষের কেবল দ্রষ্টা হও। তুমি দেখবে যে, তোমার দেখা ও করা প্রতিটি ছোট জিনিষ থেকে মন অবিশ্রাম কিভাবে কত সম্মুভাবে প্রত্যাশা সাঙ্গি করছে এবং প্রত্যাশার সাথে বাস্তব্য কিভাবে কখন মিলছে ও কখন মিলছে না এবং এসব হবার সময় কিভাবে দুশ্চিন্তা ও টেনশনের ভাবনা আসছে।

চেতনা দিয়ে পুরো জিনিষটাকে ভরিয়ে দেখতে পারবে তোমার মন কিভবে খেলা করে ও টেনশন সঙ্গি করে। একবার দ্রষ্টা হওয়া শিখে গেলে, তোমার দুশ্চিন্তা মুছে যাবে ও বহির্জগতের কোন ঘটনাকে অন্তর্জেশনের না। যখন বহির্জগতের

ঘটনাকগুলিকে অন্তর্দেশে নাও. তমি শব্দের আরও বড় তথ্য-ভাণ্ডার বা ডাটাবেস সঙ্গি কর, যা থেকে নতুন দুশ্চিন্তা আসবে।

যখন তুমি কালানুক্রমে পরিকল্পনা করে এবং কোন সময় নষ্ট না করে তোমার কালানুক্রমিক পরিকল্পনা সার্থক করার জন্য কাজ কর, তমি বাস্তবতার পথে আছ। যদি দেখ যে তোমার কাজের চেয়ে দুশ্চিন্তা বেশী হছে এবং কিছুই ঠিকমত হচ্ছে না , তমি মনসাতক দুশ্চিন্তার পথে আছে। তাহলে বাস্তবতা ও তোমার মধ্যে একটি তফাত আছে। এখন সময় এসেছে ভিতরে দেখার ও চিন্তাগুলিকে সরল করার।

কালানুক্রমে পরিকল্পনা করার চিন্তা ঠিক সেই পরিকল্পনা তুমি কি ভাবে সম্পাদন করবে সে সম্বন্ধে চিন্তা ঠিক নয়। এটা মনস্তাত্তিক দুশ্চিত্তা হয়ে যায় এবং তার থেকে টেনশন ও দুশ্চিন্তা সঙ্গি হয়।

যদি পরিকল্পনা করতে ২ ঘণ্টা লাগে, তাহলে বাকী ২২ ঘণ্টা সেই পরিকল্পনাকে সম্পাদন করার জন্য পরে থাকে। তাহলে সেই পরিকল্পনা সম্পাদিত হচ্ছে না কেন? কারণ তুমি ৮০%-এর বেশী সময় পরিকল্পনা কিভাবে সম্পাদন করবে তার দুশ্চিন্তায় কাটিয়ে দাও।

যখন পরিকল্পনা নিজের কাছে পনরাবত্ত করতে থাক, তখন তুমি আসলে তোমার শক্তি অপচয় করছ। পরিকল্পনা সম্পাদনে সেই শক্তি ব্যবহার না করে তুমি তো তার অপচয় করছ। তোমার কাজটা কি করে হবে ?

আরেকটা জিনিষ : তুমি যদি সত্যি কাজটা হোক চাও, তুমি সেটাকে কোন দুশ্চিন্তা না করেই করবে। প্রকৃতপক্ষে টেনশন बर प्रकिलो काज (शुक्ल भालिया यावाद जन्म निश्क वज्र्वाण रोनमन बन्द प्रक्रियाद वजनवर परियर उपस्य करण कर को कारण (शुक्ल कर क পালাও।

প্রতিটি সমস্যা সমাধানে গর্ভবতী থাকে। তুমি যদি সত্যি তার সমাধান চাও, তুমি তা পারবে। তোমাকে কেবল সমস্যার দিকে গভীর চেতনা দিয়ে দেখতে হবে. তবেই সমাধান বেভিয়ে আসবে। একমাত্র যখন তমি তার সমাধান চাও না . তন্ত্র সম্পর্কে কথা বলে আরাম পাবে। আর তৃমি নিজেকে মহান ভাববে যে তোমার কত কিছুতে দুশ্চিন্তা করার আছে।

দায়িত বেড়ে ফেলার জন্য সবচেয়ে ভাল উপায় হল দুশ্চিন্তা এবং টেনশনের অবস্থায় যাওয়া। প্রায়ই যারা বিষাদে ভোগে তারা সেই অবস্থায় আরাম পায় কারণ তাদের কোন দায়িত নিতে হয় না।

একটা ছোট গল্প :

একজন মহান হীলার (healer) এক গ্রামে এলেন। তাড়াতাড়ি অনেক গেল। একটি লোকের ঘাড়ে স্প করলেন ও তাকে সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গে স্পন্ডেলাইটিস থেকে মুক্ত করলেন।

তার পর আরেকজনের মাথায় হাত দিলেন ও তার মাথাব্যথা সেই মহুর্তেই ঠিক করে দিলেন।

কিন্তু একজন যে ক্রাচ নিয়ে খুঁড়িয়ে আসছিল সে বলে উঠল, 'আমাকে স্পর্শ করবেন না!'

হীলার অবাক হল ও কেন তা জিজ্ঞাসা করল।

লোকটি বলল, 'আমি অসামর্থ্য-সুবিধা (ডিসেবিলিটি বেনেফিট) পাবার জন্য এই তো হ'ল আবেদন করেছি।'

আমরা অনর্গল আমাদের সমস্যার কথা বলে যাই, কিন্তু যখন আমাদের একটা সমাধান দেওয়া হয়, হঠাৎ আমরা প্রচণ্ড অব্যাহতিপ্রাপ্ত হই! আমরা কখনই আমাদের সমস্যার বাইরে ভাবি নি, তাই সমস্যা চলে গেলে আমরা এক শন্যতা অনভব করি।

তাই জীবনশৈলী, মানুষ ইত্যাদি সম্বন্ধে তোমার সমস্ত কল্পনা ত্যাগ করে এবং বর্তমান করে থাক , দেখবে জিনিষগুলি নিজে নিজেই হবে। মনে রেখে : তুমি এই আরামের অবস্থায় বেশী সময় থাকতে পারবে না। কোন একটা সময় বাস্তবতা তোমাকে ধরে ফেলবে। তাই সচেতনভেবে বাস করতে শুরু করে, সচেতন সিদ্ধান্ত নাও এবং প্রতিটি সিদ্ধান্তের হন্য দায়িত্বশীল হও।

অপরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা এবং শেষে তাদের দোষ দেওয়া সোজা। এটা সবচেয়ে বড় বোকা ও ভীতুর কাজ। কাউকে কিছুর জন্য নিন্দা করো না। মনে রেখা, কেবল যখন তুমি কিছু চালাতে অসমর্থ হচ্ছ, তুমি অপরকে দায়িতু নিতে দেবে এবং তাদের নিন্দাও করবে।

প্রশ্ন : স্বামীজী, কি করে আমরা সর্বদা স্বন্দা স্বন্দ্রিতে (রিল্যাক্সড়) থাকব?

তোমার চেতনা সর্বদা সজাগ থাকলে তুমি সব সময় রিল্যান্ড থাকবে। ধ্যানই এই অবস্থায় আসার চাবিকাঠি। প্রথমে কমপক্ষে

বুদ্ধির স্তরে এটাকে বোঝা ছোট ছোট সময়কাল ধরে তুমি এটার অভিজ্ঞতা লাভ করতে থাকবে। সেই সময়কাল বাড়বে এবং সেটা তোমার চিরস্থায়ী অবস্থা হয়ে যাবে।

আমি সব সময়ে লোকেদের বলি যে প্রকল্প সংযোগ তিনি পুর্ণরূপে স্বজিতে থাকবেন এবং তাঁকে খুব সুন্দর দেখতে লাগে। তখন তিনি এক শিশুসুলভ নিষ্পাপতা বিকিরণ করবেন। অন্যদিকে একজন সাধারণ মানুষকে ঘুমিয়ে থাকার সময় উত্তেজনাপূর্ণ ও আঁটসাঁটি লাগবে।

একজন মাস্টার সর্বদাই অতিচেতন (super-consciousness) অবস্থায় থাকেন এবং তিমি ঘুমান কেবল শরীরকে বিশ্রাম দেবার জন্য। তুমি যখন সর্বদা এক উচ্চতর সচেতন অবস্থায় আছ, তুমি উত্তেজিত হতে পার না। কেবল যখন তুমি নিজেকে অচেতন অবস্থায় নিয়ে যাবে, এক বিভ্রান্ত অবস্থায় নিয়ে যাবে, তুমি নিজের জন্য টেনশন সঙ্গি করবে। রিল্যাক্সড় থাকার একমাত্র রাস্তা হল তোমার ভিতরে ও বাইরে যা কিছু হচ্ছে তার প্রত্যেকটিতে সর্বদা সচেতন থাকা।

চেতনা সহকারে রিল্যান্স করতে শেখ। তুমি যখন কোন মাস্টারের সাথে আছ ্যদি তুমি নিজেকে রিল্যাক্সড় থাকার অনুমতি দাও, তিনি তোমার ভিতরে প্রবেশ করবেন; তাঁর অবস্থা তোমাকে ভেদ করবে। তুমি যদি বন্ধ থাক ও উত্তেজিত হয়ে থাক , তিনি তোমার ভিতরে প্রবেশ করতে পারবেন না।

'উপনিষদ' শব্দটির অর্থ. 'মাস্টারে পদয়গলের সামনে বসা।' যদি তুমি উন্মক ও স্বচ্ছদ মন নিয়ে মাস্টারের পায়ের কাছে বসতে সমর্থ হও, তাঁর উপস্থিতি তোমার ভিতরে ঢুকবে এবং তোমার ওপরে অসীম করুণা নিয়ে কাজ করবে।

যখন এক মাস্টারের উপস্থিতিতে স্বস্তিতে আছ, তুমি প্রকৃতপক্ষে তোমার শরীরে শান্ত হচ্ছ; তুমি তোমার ব্যক্তিস্বভাবে শান্ত হচ্ছ এবং নিজের ব্যক্তিগত অবস্থায় স্বস্থ বোধ করছ। তখন তোমার ভিতরে কোন কীলক বা গোঁজ নেই এবং তোমার একাঙ্গীভবন হয়েছে। তাই মাস্টারের উপস্থিতিতে রিল্যাক্স করা অভ্যাস কর।

প্রশ্ন : স্বামীজী, আপনি কি সব সময়ে আনন্দ অনুভব করেন? আপনি কি কখনও ভাবনার দোলা অনুভব করেন না?

উত্তর : হ্যাঁ! আমি সর্বদাই আনন্দে, ২৪ x ৭ তোমাদের ভাষায়! কারণ আমার সত্তা থেকে বহুত-ভাব চলে গেছে। যখন আনন্দ আছে, বহুতু থাকতে পারে না। বহুতু মুছে গেলেই আনন্দ ঘটে।

আমার সত্তায় কোন লালসা, ভয়, আসছি, ঘুণা বা কোন নকারাত্মক ভাবনা নেই। একমাত্র ভাব হল আনন্দ ! এই অভিজ্ঞতা না হলে তোমার পক্ষে এটা বোঝা শক্ত। তুমি হয়ত এটাকে এক বুদ্ধির স্তরে বুঝবে। এখন কেবল বুঝে নাও যে আমি সদাই আনন্দপূর্ণ, সেটাই যথেষ্ট!

আনন্দে যাবার প্রথম পদক্ষেপ হল দ্রুষ্টা হওয়া। সহজভাবে জীবনকে লক্ষ্য করে যে এটা একটা নাটক। যখন লক্ষ্য করে তখন তোমার মন শান্ত হবে। যখন মন শান্ত হয়, তুমি হয়ত জিনিষ্টার সূত্র ধরতে পারবে। যদি সেই শান্তভাব একবারমাত্র উপলব্ধি করেছ, তুমি তো তার সত্র ধরে ফেলেছ।

সেই সূত্র তোমাকে আরও বেশী সময়ের প্রশান্তিতে নিয়ে যাবার জন্য পরিচালিত হবে। প্রশাস্ত-ভাব তোমার অন্তরের মাস্টার। বাইরের মাস্টার তোমায় ভিতরের মাস্টারকে পেতে সাহায্য করে। যখন তুমি প্রশান্ত -ভাবকে পেয়েছ, তুমি বুঝবে যে তোমার সমস্ত আবেগগুলি স্রেফ মনের খেলা।

Section 2

এটা বোঝ যে তুমি কোন আবেগকে সচেতনতার সাথে মুছে ফেলতে পারবে না। যত বেশী মুছে ফেলতে ে পারে তার করে তত বেশী তুমি তার পারে। আর ভাবনাটি তোমাকে তাড়া করে বেড়াবে। একমাত্র উপায় হল তোমার ভাবনাগুলিকে লক্ষ্য করা। যখন ভাবনাগুলিকে লক্ষ্য কর, ভাবনাগুলি সহজেই মুছে যাবে।

ঠিক এখন তুমি তোমার ভাবনাগুলির সাথে এত বেশী জড়িয়ে পড়েছ যে নিজেকে তাদের থেকে আলাদা করে দেখতে পারছ না। यथन लक्ष्ठ कवा उन्ह कर, जूसि उ जानाव जनार्थनिव स्था একদিন দ্রষ্টা দৃশ্যপট থেকে অদৃশ্য হয়ে যাবে।

তখন তোমার ভাবনাকে মুছে ফেলার জন্য তোমাকে কোন প্রচেষ্টা করতে হবে না। তারা সহজেই নিজে নিজে মুছে যাবে। তুমি তাদের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে আর সমর্থ হবে না। তারা তোমার সত্তা থেকে অদশ্য হয়ে যাবে। চেতনার পরিবর্তন ঘটনে । তুমি এক নতুন মানুষ হবে।

যখন তুমি দ্রষ্টা হও, তখন দুশ্চিন্তা বা বেদনার কোন স্থান থাকবে না। তোমার মধ্যে কেবল এক সুন্দর শক্তি শোভা পাবে , যার নাম প্রেম। তুমি তখন অস্তিত্বের প্রেম প্রণিধান করতে পারবে, অসীম প্রেম যা তোমাকে প্রতি মুহূর্তে আবত করে।

একটা ছোট গল্প :

একটি মানুষের খব দুর্বল হওপিণ্ড ছিল। তার পরিবার তাকে কোনরকম আকস্মিত খবর সর্বদাই অনেক যত্ন করে দিত। একদিন তারা জানতে পারল যে তার এক ধনী কাকা তার জন্য এক কোটি টাকা রেখে গত হয়েছে। তারা খুব উৎফল্ল হ'ল এবং একই সময়ে তারা চিন্তা করতে লাগল কিভাবে এই খবরটা তাকে দেওয়া যায়। তারা ভয় পাচ্ছিল যে এই খবর শুনে তার হার্টফেল হতে পারে। একজন পরামর্শ দিল, 'আমার মনে হয় আমরা পরিবারের ডাক্তারকে ডাকি ও তাকে এটার সমাধান করতে বলি।' তারা সবাই রাজী হল এবং পরিবারের ডাক্তারকে ডেকে সব কথা বলল। ডাক্তার বলে, 'চিন্তা কোরো না, আমি ব্যাপারটা দেখে নেব। সেটা যত কঠিন ভাবছ ততটা নয়।' जनवर बाज़ी के बाद का का कारण कर का कि जिसका कबल, 'बाभनारक यदि रोग बना रहा थ কেউ আপনাকে এক কোটি টাকা দেবে, তাহলে কি করবেন?' লোকটি উত্তর দেয়, 'ডাক্তারবাবু, আপনাকে তার অর্ধেক দিয়ে দেব।' ডাক্তার অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেল ও মারা গেল।

ওপরের ক্ষেত্রে আমরা জীবনকে নাটক হিসাবে দেখতে তৈরি, কিন্তু নিজের ক্ষেত্রে সেটাকে হজম করা কঠিন হয়ে পড়ে। আমরা সর্বদাই অপরকে উপদেশ দিতে প্রস্তুত। একটা বইয়ে পডেছিলাম যে সবাই উপদেশ দিতে ভালবাসে কিন্তু কেউ তা নিতে চায় না।

তোমার নিজের জীবনকেও দ্রষ্টার মত দেখতে পার। তুমি একটি কমল ফলের মত হতে পার - জলে থেকেও ভিজে যাবে না। তবেই তুমি এই জীবনের খেলা খেলতে শিখবে। একটা জিনিষ বোঝ : অস্তিত্ব নিজেকে নানাভাবে প্রকাশ করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। এটা বোঝা ও গভীর সচেতনতার সাথে প্রবহমান হওয়াই আমাদের ভূমিকা।

এটা বোঝ যে সম্পূর্ণ সৃষ্টি অস্তিত্ব অনুসারে বয়ে চলেছে। তাহলে তুমি নিজেই তোমার দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগ ঝেড়ে ফেলবে। তোমাকে একটা স্থানে পৌঁছাতে হবে যেখানে তোমার চারপাশের ঘটনা স্পর্শ করতে পারে না। এটা হবে যদি বোঝ যে অস্তিত্ব অবিশ্রাম পরিবর্তন হচ্ছে।

বাইরে তুমি হয়ত নানা ভাবনা প্রকাশ করবে, কিন্তু তোমার অন্তর্জেশন কেন্দ্রে, তোমাকে বহির্জগতের সমস্ত ঘটনাগুলিকে অবিশ্রাম একই অস্তিত্বের সুতায় গাঁথা পুঁতি বা গুটিকা হিসাবে দেখতে সমর্থ হতেই হবে। সুতাটি তাদের একসাথে ধরে রেখেছে।

প্রশ্ন : কিন্তু আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে দুশ্চিন্তা করি না। আপনি কি করে বলেন যে আমরাই আমাদের ওপরে 'দ্বন্দিন্তা' নিয়ে আসিং

দুপ্চিন্তা তোমার মনের অচেতন অবস্থা হয়ে গেছে। তোমাকে এর ভিতর কোন ইচ্ছা ঢোকাতে হবে না। এটা সহজভাবে হয়, ব্যাস! তোমাকে সচেতনভাবে কোন প্রয়াস করতে হবে না: এটা তোমার ভিতরে সর্বদা আছে।

একটা ছোট গল্প :

এক মহিলা হোটেলের রিসেপশন ডেঙ্কে কল করে সাহায্যের জন্য চীৎকার করল।

রিসেপশনিস্ট তার রুমে এল।

মহিলাটি চ্যাঁচাল, 'আমি আমার জানালা দিয়ে একটা উলঙ্গ লোককে রাস্তার ওপারের জানালাতে দেখতে পাচ্ছি।'

রিসেপশনিস্ট জানালা দিয়ে দেখল ও বলল, 'ম্যাডাম, তার দেহের ওপরের অংশ খালি। আপনি কি করে বলেন যে সে উলঙ্গ?'

মহিলাটি চেঁচিয়ে বলে, 'আলমারির ওপরে ওঠ, আর ঠিক করে দেখ!'

यामि मन किश्र किक शादक, जासना प्रणाला राजि बास्ता बनी क कथन र रेक्टाक्टजाद कवि ना। जागना बजे একদম স্বাভাবিকভাবে করি - সেটাই সমস্যা! আমাদের মানসিক অবস্থাকে ১৮০ ডিগ্রী ঘুরতে হবে (পুরো উল্টাতে হবে)।

আরেকটা ছোট গল্প :

এক জায়গায় পুলিশ রাতে পাহারা দিচ্ছিল ও গলিতে একটা মরা গরু দেখল। সে গরুটিকে পাশের রাস্তার দিকে টানতে লাগল। একজন পথচারী তাকে জিজ্ঞাসা করে সে কেন গরুটিকে হিচড়ে নিয়ে যাচ্ছে।

পলিশ উত্তর করে, 'কাল এই ব্যাপারে রিপোর্ট লিখতে সবিধা হবে, কারণ আমি ঐ রাস্তাটির নাম জানি।'

যেহেতু আমরা স্তঃস্ফূর্ত হতে জানি না, আমরা সর্বদাই দুঃশিল্পগঞ্জ থাকি! আমরা জিনিমগুলিকে আমাদের নকশায় মেলাতে গিয়ে জটিল করে ফেলি। আমরা নমনীয় হয়ে বাস করি না। নমনীয় হয়ে থাকলে তোমাকে অযথা কাজ করতে হবে না। তমি সহজে উপভোগ করবে ও এগিয়ে চলবে।

উদাহরণস্বরূপ, যদি এখন তোমায়ে সর্বদা আনন্দে থাকা উচিত, তুমি দ্বন্দ্বিতা করতে শুরু করবে কিভাবে আনন্দে থাকা যায়! যে কোন জিনিষ তুমি দেশে শুরু করতে জান: সেটাই সমস্যা। সেজন্য বেশীরভাগ সময়ে তুমি যখন কিছু জিজ্ঞাসা কর, আমি কখনই তোমাকে সিধাসিধা বলি না। আমি সাদামাটাভাবে তোমায় কিছু ভাবমলক (অ্যাবস্ট্রাক্ট) কথা বলি যাতে তোমার মন কোন দুশ্চিন্তার রাস্তায় না ঢুকে পডে কিন্তু একই সময়ে আমি তোমায় সেটাকে বুঝতে ও বাস্তবায়িত করতে শক্তি দিই।

প্রশ্ন : আমরা তাহলে যদি আপনার কথা অনুসরণ করার জন্য দুশ্চিন্তা না করি, তো কিভাবে শুরু করব?

কেবল আমার কথার পিছনে যে শক্তি ও অনুপ্রেরণা আছে তাকে আত্মভূত কর এবং বর্তমানে বাস করা শুরু কর , ব্যাস। যখন যক্তিকে ভিতরে আসতে দাও, সমস্যা শুরু হয়।

কেবল আমার কথার শক্তি অনুভব কর, যাকে আমি নীরবতা বলি, যে নীরবতা নিয়ে আমি তোমার ভিতরে সর্বদা ঢোকার চেষ্টা করছি। এই নীরবতা অবশেষে তোমাকে যেখানে নিয়ে যাবে। কখনও আমার কথার আমার কথার আক্ষরিক অর্থ খুঁজতে যেও না। আমার নিজের ডিক্সনারী আছে, যা তোমারটা থেকে একটি ভিন্ন : ঠিক ম্যাচ হবে না। কেবল শক্তি আত্মভূত করে। শক্তিই বদ্ধি। সে তোমাকে গাইড করবে।

কখনও শব্দ সংগ্রহ কোরো না। কেবল বুদ্ধিজীবী পাগলেরা বেশী ক'রে শব্দ সঞ্চয় করে। তারা শব্দ সঞ্চয় করে ও আরও বেশী বিভ্রান্ত হয়ে যায়। তার ভাবে যে একসময় তাদের বা সবকিছু পরিষ্কার করে জানবে , কিন্তু তা কখনও হয় না।

আমি যাই বলি, তা যদি পরম্পরবিরোধীও মনে হয়, সেটা কথনের মুহূর্তের জন্য সম্পূর্ণ সত্য। আমার বলার সময় সেটা পূর্ণ সত্য। কেবল আমার কথা দ্বারা তুমি সিদ্ধান্তে আসতে পার না। তাই সেই মুহূর্তে পরীক্ষা করার মেজাজ নিয়ে সেটাকে গ্রহণ করে। তা তোমাকে অনুসরণ করতে শক্তি ও বুদ্ধি দেবে।

তাই তোমার বিচারবন্ধি দিয়ে শুন না। গভীর ধ্যান দ্বারা শোন। সেই সময় তোমার ভাবনা বা পথ যাই হোক না কেন, কেবল তার গভীরে যাও এবং আমাকে মন দিয়ে শোন। তাহলেই যুখেষ্ট। তমি শক্তি ও স্পষ্টতা দ্বারা ভরে যাবে। প্রাথমিক এইসব গোপন কথা আমি তোমাদের বলে দিচ্ছি।

যখন আমার কথাগুলির সাথে এঁটে থাক, তুমি দুশ্চিন্তায় থাকবে যে সেই কথাগুলি ভুলে যেতে পার। তুমি তাদের লিখতে শুরু করবে। আমি বলি, আমার কথা লিখতে থাকলে, তুমি পুরোটাই হারিয়ে ফেলবে। আমার কথার শক্তি আত্মভূত করতে পারবে না এবং আমার সব কথাও লিখে নিতে পারবে না। তুমি বাড়ী ফিরে যাবে কিছু হিজিবিজি নোট নিয়ে এবং সেগুলিও কয়েক বছর ধরে য়ের এক কোণায় পরে থাকবে। পরে কখনও যদি সেগুলি পাও, তুমি তা পড়ে কিছুই বুঝতে পারবে না।

এটা এরকম : ধর একটা বই পড়ছ এবং বইয়ের শেষের দুটি পাতা রেখে দিলে। এই শেষের দুটি পাতা দিয়ে কি পুরো বইটিকে ধরে রাখতে পারবে? না! একইভাবে আমার কিছু কথা লিখে নিয়ে তা থেকে পুরো জিনিষটা মনে করার চেষ্টা কোরো না। যখন আমি বলছি, তখন কেবল সম্পর্শক্তপে উপস্থিত থাক। তাহলেই যথেষ্টা

প্রকৃতপক্ষে তোমার সমস্ত আবেগগুলি হল তোমার সাথে অচেতনতার খেলা। পূর্ণ সচেতনতা নিয়ে বাস করলে ভাবনাগুলি তোমাকে কখনই দোলাতে পারে না। তাই আমি বারংবার তোমাদের বলি যে নিজেকে সচেতনতা দিয়ে ভরিয়ে দাও।

দ্যাখো, তোমার দুন্দিন্তা, তোমার জীবনকে গড়তে বা ভাঙ্গতে পারে। তাদের এতটা বল আছে - তোমাকে ও অন্যদের প্রভাবিত করার। উদাহরণস্বরূপ, যখন আমি 'গরু' শব্দটা বলি, সাথে সাথে কি হয়? চার পা, ছুই শিং ও একটা লেজ নিয়ে একটা আকার তোমার মনে দুষ্টিগোচর হয়। একটা ছোট শব্দ তোমার মনে পরো ছবিটা নিয়ে এল ! শব্দ এতই বলবান। শব্দগুলিকে সম্মান না করে এবং তাদের ভুল ব্যবহার করে কিন্তু আমরা ঝঞ্ঝাট চাইছি।

একটা ছোট গল্প :

বীরবল ছিলেন এক জীবনমুক্ত মাস্টার। একদা বীরবল ও তাঁর রাজা আকবর একসাথে রাস্তায় হাঁটছিলেন। একজন চন্দনকাঠের ব্যবসায়ীকে রাস্তায় দেখে আকবর বলে উঠলেন। 'জানি না কেন আমার এই লোকটিকে ফাঁসিতে চড়াতে ইচ্ছা হচ্ছে।'

এক মাস পরে সেই লোকটিকে আবার দেখা গেল এবং আকবর এবার বললেন, 'অদ্ভত, কিন্তু আমি এবার এই লোকটিকে কিছু সম্পদ দিতে চাই।'

লম্বা বিরাম নিয়ে বীরবল বলেন, 'একমাস আগে লোকটির চন্দনকাঠের ব্যবসা ভাল যাচ্ছিল না এবং সে তখন আপনাকে দেখার পর মনে মনে ভেবেছিল যে আপনি মারা গেলে আপনার শেষকত্যের জন্য সভাসদেরা তার থেকে অনেক চন্দনকাঠ কিনবে। সে এই প্রকার নকারাত্মক স্পন্দন ছড়াচ্ছিল এবং তাতে আপনি তাকে যণা করতে বাধ্য হয়েছিলেন। আমি তৎক্ষণাং তার থেকে প্রচন চন্দনকাঠ কিনে আমাদের রাজ্যের জন্য অনেক চেয়ার টেবিল বানিয়েছিলাম। আজ সে আপনার কাছে খুব কতজ্ঞ মনে করছে। আপনি তার সেই সকারাত্মক স্পন্দন অনুভব করতে পেরেছেন এবং তাকে ভাল কিছু দিতে চাইছেন।'

বোঝ যে তোমার চিন্তায় প্রচুর বল আছে। তাই তোমার সকারাত্মক চিন্তা ও দুশ্চিন্তামুক্ত মানসিক গঠন খব দরকারী।

Section 3

প্রশ্ন : অনেক বইতে আছে 'ছোট জিনিষে ঘাম ঝরিও না।' কিন্তু ছোট জিনিষও তো গুরুত্বপূর্ণ, তাই নয় কি?

যখন তুমি বুদ্ধি দ্বারা কাজ কর, তুমি ছোট জিনিষের জন্য ঘাম ঝরানোর শ্রেণীতে পডবে না।

একটা ছোট গল্প :

এক অল্পবয়স্ক লোক তার বন্ধুকে দেখতে গেল। সে বন্ধুকে দেওয়াল থেকে ওয়ালপেপার চেঁছে তুলছে দেখল। সে জিজ্ঞাসা করল, 'তুমি কি আবার ঘর রঙ করবে?' বন্ধু উত্তর দিল, 'আমি বাড়ী পরিবর্তন করছি।'

দ্যাপো, আমরা ছোট জিনিষ উপেক্ষা করতে পারি না। কিন্তু যথেষ্ট বুদ্ধিমান হয়ে যতটা মনোযোগ চাই ততটাই দেওয়া উচিৎ , নতুনা তুমি ঘাম ঝরাতে থাকবে। যারা ছোট ছোট ব্যাপারে মনোযোগ না দিতে বলে, তাদের কথা কখনও খুনবে না। মনে রেখ बक्को काफे कूटणी बक वड़ आशास पूर्विद्य किटक भारत। थालि बूकि अ महाराजन किया का कारण करव या उन्हे क्या किनियोदक চিনতে পারবে।

স্বীরোধীতা ছাড়া তোমার যদি দৃঢ় প্রত্যয় হয় যে তোমাকে ঐ ছোট জিনিষগুলি করতে হবে। তখন স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেগুলিকে সম্পাদন করার শক্তি পাবে। পুরোপুরি দ্যু প্রত্যয় না হলে সেগুলি সম্পাদন ক রার জন্য তোমার যথেষ্ট বিশ্বাস ও শক্তি হবে না। তোমার বুদ্ধি তোমাকে পূর্ণরূপে সাহায্য করবে না, কারণ বুদ্ধি শক্তি এবং শক্তিই বুদ্ধি।

ছোট ব্যাপারে যদি তুমি ঘেমে যাও, কোথাও কিছু ভুল আছে। পরিষ্কার করে বোঝ যে সমস্ত কষ্ট আসে স্বরোধীতাঙ্গল থেকে। নিজেই পরিষ্কার নও যে তুমি কি করতে চাও, তাই তুমি সেটা করতে অসমর্থ। সেই স্পষ্টতা হবার জন্য, তোমাকে নিজের বুদ্ধিকে প্রতিপালন করতে হবে।

यथन बढ़क रहा, सब्दिबासी के बाद किसी को किसी को किसी कर को किसी कर रहे हुए है कि आदेश बाल करने को कारण शासन करना कर रहे हैं। এই চক্রে তোমাকে প্রবেশ করতে হবে। এই চক্রই তোমার দুশ্চিন্তাগুলি মুছে দিতে পারে।

যদি সত্যি সত্যি তোমার ভিতরের কিচিরমিচির ও দুশ্চিন্তা মুছে ফেলতে আগ্রহী হও , তাহলে একটি ছোট অনুশীলন চেষ্টা করতে পার। যে সব জিনিষ তোমাকে প্রফুল্লতা প্রদান করে তাদের ভাব। মনস্থির কর যে তুমি তোমার মনকে কেবল এই সমস্ত জিনিষের মধ্যে রাখবে, আর কিছুতে নয়। অন্য কিছু মনে এলে তাদের করার জন্য পর্যাপ্ত শক্তি দেবে ও তারপর তাদের ভুলে যাবে। এই অভ্যাসটি কর, সেখবে তুমি অনেক শক্তি সংরক্ষণ করছ।

বোঝ যে তুমি তোমার দুশ্চিন্তাগুলি সম্পর্কে বারবার কথা বলে তাদের অনেক শক্তি দিয়েছ। উদাহ রণস্নরূপ, ঘরের বউ যখন টেলিফোন ওঠায় ও তার বন্ধুকে পায়, সে তার বন্ধুকে বলে যে তার কাজের লোক পেদিন আসে নি। সেটা তার পেদিনের ডিপ্লেশন। তুমি যদি সত্যিই কাজের লোক না আসার বিষণতা থেকে বাঁচতে চাও, তাহলে তুমি নিজেই ঘরের কাজ শেষ করে ফেলবে! এটা কি বেশী যুক্তিপূর্ণ শোনাচ্ছে না?

কিন্তু তুমি কি কর? তুমি সে সম্বন্ধে কথা বলতে থাক এবং আশা কর যে তোমার বান্ধবীও তোমার বিষয়ণতায় খোরাক দেবে। সে यदि जाताब कुछे जमत का काना ज्यादा का यामि बल व्य जीवन द्वारा कर काम कर काम कर राज्य करण करना करना करना करना करना करना करना करना करना करना करना करना करना करना करना करना करना क আরেক বান্ধবীকে ফোন লাগাবে এবং তাকে বলবে যে আগের বাধ্যবিষ্ণ করে ভাব, যদি তমি সত্যি সত্যি জীবনে এগিয়ে যেতে চাইতে, তমি তোমার প্রথম বন্ধুর কথাগুলির দাম দিতে, তাই নয় কি?

কিন্তু তুমি অন্যভাবে সাড়া দিচ্ছ কেন? কারণ, দুশ্চিন্তাগুলি সম্বন্ধে কথা বলতে তুমি খুব আরাম পাও এবং সেগুলি থেকে বার হয়ে আসার পথ খুঁজছ না।

এই ছোট অভ্যাসটি শুরু করলে দেখবে যে তোমার সমস্ত দুলিন্তা মুছে যায় এবং তমি এক নতুন মানসিক গঠন লাভ করে তোমার ভিতরে এক শক্তির উচ্ছাস আবিষ্কার করবে কারণ যে শক্তি আগে দুঃশিন্তায় অপচয় হচ্ছিল তা এখন তোমার কাছে হঠাৎ করে উপলব্ধ।

সততার সাথে নিজেকে পরীক্ষা করে দাখি যে তুমি গুপ্তভাবে তোমার দুপ্তিষ্ঠান্তনিকে প্রতিপালন করছ কিনা অথবা তুমি রূপান্তরিত হতে প্রস্তুত কিনা।

यथन जाताब मूक्तिबाधनित शिष्टन या उपा वक्त करने कर र किछादव जनाना परे का कि जनवरी का कि আছে। তুমি দেখতে পাবে কিভাবে লোকেরা তাদের দুশ্চিন্তা সম্বন্ধে অবিশ্রাম কথা বলে বলে দুশ্চিন্তাগুলিকে অতিরঞ্জিত করে ফেলে। দুপ্তিতা সম্মেল এইভাবে কথা বলাকে আমি বলি 'দুশ্চিন্তা'! কেবল এটাকে লক্ষ্য করতে পারলেই এটা বন্ধ হবে। ্ৰাম্পৰাগত বিশ্ববিদ্যালয় অসমৰ বাবে প্ৰথম বিশ্বাস কৰিছিল। তেওঁ প্ৰথম কৰিছিল। তেও

আমি তোমার দুঃখিল্লা বিশ্বকে দৌড়ে পালাতে বলছি না। আমি বলছি, তাদের সম্মন্ধে কথা বলতে বলতে সেগুলিকে বড় করে ফেল না। তাদের ওপরে তোমার শক্তি খরচ কোরো না। বরঞ্চ তাদের জন্য যেটা করা উচিত সেটা কর যাতে সেগুলি তোমাকে দুশ্চিন্তায় ফেলা বন্ধ করে। এই কাজ কোন সময় নষ্ট না করে করে ব্যাস।

নিজেকে পরীক্ষা করে দেখ যে তুমি তোমার দুশ্চিন্তাগুলিতে আরামলাভ করতে শুরু করেছ কিনা। সেই স্কেলে বুঝতে পারবে যে দুশ্চিন্তাগুলি তোমাকে নিয়ন্ত্রণ করছে, নাকি তুমি দুশ্চিন্তাগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করছ। তুমি যদি তাদের সমন্ধে কথা বলতে আরাম পাও, তার অর্থ দুশ্চিন্তা তোমায় নিয়ন্ত্রণ করছে। যদি তুমি তাদের সাথে জড়িয়ে না পড় এবং তাদের জন্য সঠিকভাবে কাজ কর, তবে তো তুমিই তাদের নিয়ন্ত্রণ করছ!

প্রশ্ন : স্বামীজী, আগে আপনি মদাপান সম্বন্ধে বলেছিলেন। আমার পতি প্রায়ই মদ্যপান করে ও বলে যে সে তার দুশ্চিত্রা থেকে মুক্তি পাবার জন্য পান করে। আমি কি করি?

উত্তর : আমি বলেছি যে এটা একটা সাধারণ সমস্যা এবং তোমার পতি এখানে থাকলে সাহায্য হত। মদ্গোনের অভ্যাস বিশ্লেষণ করলে দেখবে যে এই অভ্যাসে তোমরা কত পরস্পরবিরোধী। সেটা ব্যঝিয়ে বলার চেষ্টা করি :

তুমি খুশী হবার জন্য মদ্যপান কর, কিন্তু শেষে শোচনীয়ভাবে দুর্দশাগ্রস্ত হও। তুমি সামাজিক হবার জন্য পান কর, যাতে সমাজ তোমাকে গ্রহণ করে, কিন্তু শেষে তর্কপ্রিয় হয়ে পড়!

তুমি অভিজাত হবার জন্য পান কর, কিন্তু শেষে অসহনীয় হয়ে ওঠ। সব দুশ্চিন্তা ভোলার জন্য তুমি পান কর কিন্তু পরের দিন সকালে সবচেয়ে বেশী পরিশ্রান্ত হয়ে ওঠ ! তমি খশী পাবার জন্য পান কর. কিন্তু শেষে বিষাদগ্রস্ত হয়ে পড়। তুমি আত্মবিশ্বাসী হবার জন্য পান কর, কিন্তু শেষে নিজেকেই ভয় পাও। তুমি বার্তালাপ চালু রাখার জন্য মদ্যপান কর, কিন্তু শেষে অসংলগ্ন বলতে থাক। সমস্যা সমাধানের জন্য পান কর, কিন্তু শেষে দেখ সেগুলি অনেক বেডে গেছে।

এই সত্যটি আমার চেয়ে তোমরা ভাল করে জান! এখন সততার সাথে বলবে কি? মদ্যপান করার কি কোন অর্থ আছে? এইভাবে তুমি খালি এই বিষয়েই নয়, জীবনের সমস্ত ব্যাপারেই তুমি পরস্পরবিরোধী। যদি তুমি পরিষ্কার করে জান যে তুমি কি করতে চাও এবং সমস্ত শক্তি সেইদিকে খরচা করতে, তবে তুমি নিয়মিতভাবে বার্জিত হতে পারতে এবং আনন্দের অভিজ্ঞতা লাভ করতে। তুমি কখনই পরস্পরবিরোধী হতে না।

প্রত্যেকবার মদ্যপান করার সময় সম্পর্শ সজাগতা সহকারে পান করার সময়, সচেতন হয়ে পান কর ধীরে ধীরে, নিজের প্রতিটি গতিবিধি লক্ষ্য কর, প্রতিটি ফৌটার স্বাদ নাও এবং দেহ কিভাবে সাড়া দিচ্ছে লক্ষ্য করে। সুস্থ চেতনা দ্বারা এটাকে একটা প্রক্রিয়া বানিয়ে ফেল। আমি আশ্বাস দিছি, প্রতিবার মদ্যপান করার সময় এটা করলে, তোমাকে অভ্যাস ছাড়তে হবে না, অভ্যাস তোমায় চিরদিনের জন্য ছেডে দেবে।

কোনকিছুতে নেশা এক অচেতন বা যন্ত্রবৎ প্রক্রিয়া। খালি মদ বা তামাকের নেশা নয়। যারা অচেতনভাবে ও যন্ত্রবৎ প্রার্থনা করে, রুটিন মাফিক, তারা মাত্র একদিন প্রার্থনা না করতে পারলে খুব দোষী বোধ করে। তাদের জন্য এটা এক লেশা এবং তাই একদিন প্রার্থনা না হলে উদ্বিগ্ন হয়। একইভাবে সরাসক ব্যক্তি পান না করতে পারলে অসহায় হয়ে কাপতে থাকে, যন্ত্রবৎ ধার্মিক মানুষ তার রুটিন প্রার্থনা না করতে পারলে বিরাট শন্যতা অনভব করে।

সচেতনতার সাথে কাজ করা ও ভয়ে যন্ত্রবৎ কাজ করা, দুটির মধ্যে পার্থক্য বোঝা গুরুতপূর্ণ। সচেতনতার কাজ করলে কিছুই তোমাকে বেঁধে রাখতে পারবে না। এটা তোমাকে স্থান ও কালে বাঁধতে পারবে না। তুমি মাস্টার হয়ে যাবে। অচেতন হয়ে কাজ করলে তৃষ্ণি বন্ধনে থাকবে এবং দুঃখকষ্ট পাবে। তমি কেনা গোলাম হয়ে যাবে।

নেশা ছাড়তে গেলে তাকে সচেতনতা দিয়ে ভরিয়ে দাও। সেটা ঠিকভাবে রূপান্তরিত হবে। কখনই ভেবো না যে তোমাকে নেশা ছাড়তে হবে। যা কিছুকে অবরোধ করবে তা নাছোড়বান্দার মত অটল থাকবে। তোমাকে সহজভাবে তাকে সচেতনতা দিয়ে রূপান্তরিত করতে হবে। যখন তমি রূপান্তরের ভাষা বোঝা, তুমি ঠিক পথে আছ: তমি উন্মক্ত হবার পথে আছে।