Books / Guaranteed Solutions For Lust Fear Worry... Bengali merged

5. প্রতিক্রিয়া করা বন্ধ কর

# প্রতিক্রিয়া করা বন্ধ কর

কিভাবে এর থেকে আমরা মুক্তি পাব? আমাদের কি প্রকার মনোভাব হওয়া উচিত?

দুটো প্রশ্নেরই একই উত্তর : যাই কর, একটা আনন্দ ভাবনার সাথে কর, ব্যাস। তোমার অন্তর্গে তোমার জীবনের বৈশিষ্ট্য বা কোয়ালিটি ঠিক করে। এই স্থানটি সর্বদাই পবিত্র ও আনন্দময় হওয়া চাই।

এটা প্রমাণিত হয়েছে যে একজন বৈজ্ঞানিকের পরীক্ষানিরীক্ষার ওপরে তার চেতনা অনেক প্রভাব ফেলে। দেখা গেছে নিয়ন্ত্রিত পারিপাশিক অবস্থায় একইভাবে কিছু পরীক্ষা করে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিকেরা ভিন্ন ফল পেয়েছে। তারা পরিষ্কার ভাবে প্রসাণ করেছে

যে মানুষের ভাবনা তার কাজ ও কাজের ফল নিয়ন্ত্রিত করে।

আনন্দ সমদ্ধি আকর্ষণ করে। এটা পরম সত্য। যখন তুমি আনন্দময় , সতঃক্ষতভাবে অস্তিত্ব তোমার ওপরে বর্ষণ করে। ধন-সম্পদ তোমার দিকে আসে। তুমি সর্বদা কতজ্ঞতা সহকারে থাক। বাকী সব স্বতঃস্ফর্তভাবে হয়।

একদম ঠিক কর যে কোনপিন্ডতেই দুর্দশাগ্রস্ত হবে না। যদি কোন দুঃখের ঘটনা মনে আসে , তখন তার দিকে কেবল তাকাও, স্মিত হেসে বল, 'না, তোমার দ্বারা প্রভাবিত হব না। তুমি করবেনা কি?' দেখবে সেই ঘটনা বা দোষ তোমার ওপরে কোন প্রভাব ফেলতে পারবে না। সেটাকে তোমার ওপরে আক্রমণ করতে দিয়ে তুমি কি কিছু লাভ করবে ? না। তার দিকে তাকিয়ে এবং তাকে আক্রমণ করতে দেবে না বলে ব্যক্ত করে, তমি দুঃখকষ্ট থেকে মুক্তি পাবে। আমি সমস্যা থেকে পালিয়ে যেতে বলছি না। আমি তোমাকে সমস্যার দিকে তাকাতে এবং চেতনা সহকারে প্রতিক্রিয়া না করার সিদ্ধান্ত নিতে বলছি।

তুমি যদি ভাবনাকে চাপতে যাও. সেটা তোমার মনের কোন কোণায় ওৎ পেতে থাকবে এবং যে কোন সময়ে ফিরে আসার ভয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাবে।

জ্ঞান – অপরাধী

যা কিছু তোমায় শরীর, মন ও আত্মায় বলপ্রদান করে, তা আধ্যাত্মিকতা এবং তা তোমাকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে আনন্দের দিকে নিয়ে যাবে। যা তোমাকে দুর্বল করে দেয়, তা আধ্যাত্মিকতা নয় এবং তা কখনও অনুসরণ করবে না। এই সোজা নিয়মটি অনুসরণ করবে। কখনই ভুলবে না যে আনন্দ তোমার আসল প্রকতি।

আরেকটা জিনিষ : সুন্দর যা কিছু দেখ, তাকে তোমার জ্ঞান দ্বারা কেবল নাম না দিয়ে উপলব্ধি কর। তুমি কি আশ্রমে বা অন্য কোথাও সুর্যোদয় বা সুর্যান্ত দেখেছ? তুমি কি দাঁড়িয়ে দেখেছ কিভাবে আকাশের রঙ বদলাতে থেক? আমাদের বেশির ভাগই সর্য অস্ত যাচ্ছে বলে হয় জানে না অথবা বলে, 'হ্যাঁ, সুয অস্ত যাচ্ছে: তো কি হল? সে তো রোজই অস্ত যায়!'

জ্ঞান নির্মলতা নষ্ট করে দিতে পারে এবং জীবনকে নীরস করতে পারে। তুমি যখন সুযোদয় বা সুর্বাস্থ্য দেখ, তা এক সুন্দর ধ্যান হতে পারে। তুমি যদি তার এক অংশ হও, দেখবে যে তুমি এই বিরাট অস্তিত্ব, যে সর্বক্ষণ উদযাপন করছে, তার এক কণা। তুমি তাহলে স্বতঃস্ফর্তভাবে এই উদযাপনে যোগদান করবে।

কিন্তু তথাকথিত জ্ঞান আমাদের ভোঁতা করেছে। এই জ্ঞান তো কেবল কতিপয় শব্দের সমষ্টি। আমরা অনেক শব্দ সংগ্রহ করেছি এবং আমরা ভাবি যে এই শব্দগুলিই চূঢ়ান্ত। আর তাই কিছুই আমাদের বিস্মিত করে না। এমন কি ভগবানও যদি আমাদের কাছে আসেন ও ভগবান বলে নিজের পরিচয় দেন, আমরা জিজ্ঞাসা করব, 'তাতে কি?' জানের জন্য সবকিছুই অবধারিত বলে মেনে নাওয়া হয়।

জ্ঞানের জন্য সমগ্র অভিতুকে অবধারিত বলে মনে করা হয়। আমরা পার্থির বস্তুর পিছনে দৌড়াই যা খালি আমাদের বেশী ও আরও বেশী লোভ. দুশ্চিন্তা ও ভয় দেয়। এগুলি আমাদের অন্তর্জেশের কেন্দ্র থেকে আরও বিচ্ছিন্ন করে দেয়; তারা আমাদের ভিতরে না দেখতে দিয়ে বাইরে দেখাতে তৈরী করে দেয়। তারা আমাদের চিরস্থায়ী আনন্দে কেন্দ্রিত না হয়ে, বিষাদ ও খুশির মধ্যে পালা করে দোদুল্যমান রাখে।

আমরা ভাবি যে সব কিছুই বাইরে হচ্ছে এবং দেরী হবার আগে দৌড়ে গিয়ে তাকে ধরতে হবে। তাই সব সময়েই আমাদের তাড়া থাকে ও সর্বদাই ভিতরে কিচিরমিচির করে যাচ্ছি।

জ্ঞান হল সাধারণ তথ্য বা ডাটা, ঘটনা, পরিসংখ্যান বা স্টাটিস্টিক্স: এরা তো মত। জ্ঞান সংগ্রহ কর, কিন্তু তারা যেন কোনভাবে তোমার জীবন নিয়ন্ত্রণ না করে। তাদের পাশে রেখে দিতে শেখ এবং জীবনকে বিস্ময়তা সহকারে দেখা মন যা দেখে তা থেকে সর্বদাই উপসংহারে আসতে চায়, সার সংগ্রহ করতে চায়, বিচার করতে ও তথ্য সংগ্রহ করতে চায়। মন শব্দ ও আরও বেশী শব্দ সংগ্রহ করে, ব্যাস। তা কি কোন কাজের হয়?

আমি কিছু শিষ্যদের নিয়ে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান মথুরায় গিয়েছিলাম। কি সুন্দর। যমুনা নদীতে নৌকায় চড়লাম , কৃষ্ণের দিনগুলিতে আবার বাস করলাম। আমি আমার আনন্দ শেয়ার করছি শিষ্যদের সাথে - সব ভীষণ বুদ্ধিজীবীর দল। এদিকে আমি কুষের দিনগুলিকে মনে করছি, তাদের দেখাচ্ছি কোথায় রাসলীলা হয়েছে, আমি তো পরমানন্দে পর্ণ; আর এই শিয়ারা আমায় বলে যে এখানকার টালিগুলো দেখে মনে হচ্ছে যে সেগুলো নতুন করে হয়েছে ! আমি আশ্চর্য হলাম। আমি তাদের বললাম যে আমি হয়ত এমন কিছু মানুষদের সাথে নিয়ে এলে ভাল করতাম যাদের জ্ঞান কম কিন্তু বিস্ময় বেশী - তাদের সাথে

। ।

। েমাণ কিরত পাি ত্মক এই ত্মিক হরে পূবুত্মিক

। ।

থেকে আলাদা। আনন্দ তোমার ভিতরে এক সুন্দর ও সুগভীর ভাবনা , যেন তুমি অস্তিত্বের অন্য এক মাত্রায় আছে। সুখ বা আমোদ বাইরের জগতের বস্তর সাথে সম্পর্কিত এবং তা আমাদের জন্য অবিশ্রাম বেদনারও সঙ্গি করে।

সুখ হ'ল আপেক্ষিক, কিন্তু আনন্দের কোন বিপরীত নেই। যখন তুমি সুখে আছ. দুঃখ কোন একটি কোণায় অপেক্ষা করছে। যখন তুমি খুব বেশী ভোগসুখে আছ, তুমি বেদনার দোরগোড়ায় আছ৷ কিন্তু যখন আনন্দে আছ. তুমি একমাত্র 'আছ' এবং তার কোন বিপরীত নেই। সুখ ও দুঃখ পেন্ডুলামের দোলার মত, ফিরে আসার আগে অন্য প্রান্তের শেষে যায়।

আনন্দ পেন্দ্রলাম নয়; এটা দ্বৈততার উর্দ্ধে; কখনই দোদুল্যমান নয়। এটা কেবল 'আছে।'

বারবার মনকে বিশ্লেষণ করে দেখ যে তুমি আনন্দ কোথা থেকে পাও। তারপর তাকে অনুসরণ কর। একবার যদি তোমার ভিতর থেকে বলে যে তুমি চিরস্থায়ী আনন্দের দিকে অগ্রসর হচ্ছ, একবার সেই দুঢ় প্রত্যয় হয়ে গেলে, তোমার জীবনের ঘটনা ও বিষয়বস্তুগুলিকে পুনরায় সাজাও ও তাদের এই আনন্দের দিকে ঘুরিয়ে দাও। তোমার প্রতিটি কাজ ও ভাবনাকে এই আনন্দের দিকে মুখ করে রাখা যতটা শক্তি খরচ করবে, ততটা শক্তি লাভ হবে। তুমি সর্বদাই শক্তিপূর্ণ থাকবে।

দুশ্চিন্তা ছাড়া কেউ কেউ শান্তিতে থাকতে চায়। যে শান্তির কথা তারা বলে সেটা জীবন্ত শান্তি নয়, তা তো মৃত শান্তি। জীবনের প্রাচর্যকে সামলাতে না পারার ফল হিসাবে এটা তো এক জীবনহীন ও নিজ্জির শান্তি। জীবনকে সামলানো বড় কঠিন দেখে তারা এইপ্রকার শান্তি কামনা করে। যেন 'আঙ্গুরফল টক' বলে চলে যাওয়া হচ্ছে।

আসল শান্তি তোমার ভিতরে সর্বদাই আছে, বাইরে যাই হোক না কেন; তুমি সহজে নিজের সাথে খুশী থাক; তুমি সবকিছুকে ও সবাইকে এমনভাবে দেখ যেন তারা বাতাসের মত তোমাকে ছুঁয়ে চলে যায়। তোমার সামনের মানুষটি বা বস্তুটি যাই হোক না কেন, তোমার শান্তি তোমার সঙ্গেই থাকে। লোকজন অথবা ঘটনা তাকে কোনভাবেই পরিবর্তন করে না।

তোমার ভিতরে অনুভব করা আনন্দই হল শান্তি আনন্দ থেকে জন্ম নেয়, তা তোমাকে ও অপরকে শান্তিপূর্ণ অবস্থায় রাখবে। একবার তুমি যদি এই শান্তিকে অন্তরে পেয়ে থাক, তুমি কখনই বলবে না 'আমাকে শান্তিতে থাকতে দাও', 'আমি শান্তি চাই' ইত্যাদি। যেই মুহূর্তে এসব বল, তুমি অন্যদের কুপায় শান্তি পেতে চাও, তা শান্তি হতেই পারে না।

শান্তি এক অবিভক্ত কেন্দ্র যা তোমার ভিতরে বদ্ধি পায় ও তোমাকে তোমার সাথেই খুশী রাখে। বাইরে যা কিছু ঘটে তা কেবল বাইরের আরও একটি ঘটনা। তুমি তাকে তোমার শান্তির সাথে সম্পর্কিত করবে না। ভাল করে বুঝে নাও, যে মুহূর্তে তুমি কোন ঘটনাকে তোমার শান্তির সাথে সম্পর্কিত করছ. আসল শান্তি তোমার ভিতরে হয় নি।

অভিযোগ করা - দুশ্চিন্তার এক উপজাত (বাইপ্রোডাক্ট)

আমাদের বাৎসরিক হিমালয় যাত্রায়, কোন কোন অংশগ্রহণকারীরা কষ্টকর ও অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি সম্মেল অভিযোগ করে। বারবার আমি লোকেদের বলেছি যে হিমালয়ের সাথে থাকাই একটা আশীর্ষাদ যা অনেক মানুষ পায় না এবং তাদের কেবল হিমালয়ের সান্নিধ্য উপভোগ করতে হবে এবং অন্যান্য তুষ্ঠ ব্যাপারগুলি ভুলে যেতে হবে। যেভাবেই হোক , কিছু লোক অস্থির ও চঞ্চল হয় এবং এসব ব্যাপারে কথাবার্তা বলে।

একবার এমন এক ঘটনার সময়, দুইজন কমবয়সী শিষ্য আমাকে বলছিল, 'স্থামীজী, এরা এখানকার কষ্ট সম্মন্ত বলছে এবং সেঞ্চলিতে বিরক্ত না হবার চেষ্টা করেছে বাংলা কেই দেখছি না! সর্বক্ষণ আমরা নিজেরা খুশীতেই আছি।' নিজের খুশীতে থাকা বলতে আমি এটাই বলতে চাইছি। 'আমার শান্তি' বলে কিছুই নেই। যাই আছে, আছে, ব্যাস। তুমি আছ, অন্য ঘটনা আছে এবং কিছুই সম্পর্কিত নয়। তুমি কেবল এক শান্তিপূর্ণ ও আনন্দ অবস্থায় এগিয়ে চল।

जनवर को कुल के बाद किसी का किसी के बाद कर बाद मन का निकल भाज्य करण करण करण करण का क ভিক্ষুকদের একটি ছোট জলের পাত্র ও দুটি কাপড় নিয়ে ঘুরে বেড়াতে দেখ, তুমি বুঝবে যে তোমার যা আছে তার থেকে তোমার আর বেশী কিছু চাই না এবং তাহলে তো অভিযোগ করার কিছুই নেই।

অভিযোগ কর কেন? যারা নালিশ বা অভিযোগ করে তাদের অনেক বেশী বেশী জিনিম আছে; অন্য কি ব্যাপারে কথা বলা যায় তারা জানে না এবং তাই তারা অভিযোগ করে। যখন তোমার কাছে অনেক আছে ও জীবনধারণের জন্য লড়াই করতে হয় না, তোমার অভিযোগ করার সময় আছে। যখন তোমায় বাঁচার জন্য লড়াই করতে হয়, তুমি তোমার কাজে কেন্দ্রীভূত হবে ও অভিযোগ করবে না, কারণ অভিযোগ করা শুরু করলে কাজ করবে কে?

হিমালয়ে, সবচেয়ে যোগ্যই বাঁচে। তোমাকে সর্বদা সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে। তোমার ওপরে যে কোন সময়ে পাহাড় থেকে

ধুস নামতে পারে। হঠাৎ বরফ পড়বে ও চেনা জায়গাগুলিকে ঢেকে দেবে। খাদ্য ও অন্যান্য রেশন কমে যাওয়ার জন্য হঠাৎ সীমিত করা হবে।

Section 2

এরকম পরিস্থিতিতে, সেখানকার লোকেদের তোমার লক্ষ্য করা উচিৎ। তারা অভিযোগ ছাড়া কত সরল, প্রীতিকর ও উষ্ণ। তাদের থেকে অনেক শেখার আছে। তারা কোন কিছুতেই বেঠিক দেখে না, তারা কেবল খুশীতে থাকে, ব্যাস। চারদিকে কি হচ্ছে তা বুঝে তারা তাদের কার্যকলাপ বারবার সাজিয়ে গুছিয়ে নেয়। তারা দুশ্চিন্তা করে না এবং অভিযোগও করে না।

কেন তুমিও যা আছে তা নিয়ে চলে বেড়াছ না? ভারতে জন্মে ও বড় হয়ে অনেকে আমেরিকা যায়, তারা ফিরে এসে ভারতের তার প্রতিযোগ করতে থাকে। বাথরুম থেকে রাস্তায়টি, সব কিছুতেই তাদের অভিযোগ। এটা কেবল দেখায় যে তোমার সমস্ত বিদেশ-শিক্ষা তোমায় বিশালতা ও প্রস্ফুটিত করার জায়গায় আরও খুঁতখুঁতে ও অভিযোগী করে ফেলেছে।

যখন তমি বোঝ যে অস্তিত তোমার ওপরে বর্ষণ করেছে এই কারণে নয় যে তমি তার যোগ্য . সে তো সবার ওপরে ও সব কিছুর ওপরেই সমানভাবে বর্ষণ করে; তখন তুমি অভিযোগ করা ছেড়ে দেবে। তুমি নালিশ কর কারণ তুমি কিছু পাবার যোগ্য, কিন্তু পাও নি।

পরিষ্কার করে বোঝ : কেউ যোগ্য বা অযোগ্য নয়; কেউ সাধু বা অসাধ নয়। সবকিছুই আছে প্রকৃতিকে উপলব্ধি ও তার সাথে সুর মিলিয়ে চলাতে, যাতে তুমি অস্তিত্ব ও তার উপহারকে পেতে পার। এটা সর্বদাই একটা গভীর উপলব্ধি যা তো মার চেতনাকে আরও জাগ্রত করে।

যদি তুমি উম্মুক্ত হও, অস্তিত্ব বর্ষণ করে। অস্তিত্ব অবিশ্রাম বর্ষণ করছে, আমরা কেবল তা কি করে নিতে হয় জানি না। আমরা শব্দ সঞ্চয় করাতেই ব্যস্ত!

নিজের সাথে থাকা শেখ

নিজের সাথে থাকা শিখলে তুমি অস্থিতের সাথে একাত্ম হতে পারবে। কিন্তু আমরা নিজের সাথে কখনই থাকি না। আমরা সবসময়ে আছি লোকেদের সাথে, শোরগোলের সাথে। আমরা নিজেদের অপরের সাথে চিহ্নিত করি, নিজের সাথে থাকতে আমরা একাকী বোধ করি ও ভয় পাই।

তুমি মায়ের গর্ভে একলা ছিলে এবং সেটাই তো তোমার আসল প্রকৃতি। কিন্তু তার পরে কি হল ? তুমি ভাবলে যে তোমায় খুশী করার জন্য তোমার চারপাশে লোকজন চাই। তুমি লোকেদের সাথে হাসলে, তাদের সাথে বার্তালাপ করলে, তাদের জন্য কষ্ট পেলে এবং আরও কত কি। তুমি কেবল নিজেকে নিয়ে উদযাপন করতে জান না।

যেই মুহূর্তে তুমি নিজেকে একলা দেখ, তুমি ভিতরে হুড়াহুড়ি করতে থাক। তোমার ভিতরের কিচিরমিচির বেড়ে যায়, তামার দুপ্তিতা বেড়ে যায় এবং তুমি ভাবে শোরগোল স্থি করা যায় অথবা কাকে ডেকে কথা বলবে বা কার সাথে কম্পিউটারে চ্যাট করবে।

তুমি ভিতরে দেখতে ভয় পাও এবং তাই বাইরে দেখ। যখন এক ধ্যানী হও, ধীরে ধীরে বুঝতে পার যে নিজেকে খুশী রাখার জন্য কোন সম্বন্ধতা চাই না। তুমিই তোমার জন্য যথেষ্ট। যখন নিজের সাথে শান্তিতে থাকতে পার না , তথাকথিত সম্বন্ধতায় আটকে গিয়ে তমি তোমার সত্তার বাহ্যসীমাতে থাকবে।

প্রথমে তোমাকে নিজের সাথে সম্পর্কস্থান করতে হবে। সেটা যখন দূঢ় ও অটল হয়, অন্যের সাথে সম্বন্ধতা করা নৈশিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। এখন যেটার পরিধিতে থাকার কথা তাকে কেন্দ্র বলে দেখা হচ্ছে এবং যেটার কেন্দ্র হওয়া উচিং তাকে পরিধি বলে গণ্য করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিটাকে উলটো করতে হবে, এর জন্য তোমাকে তোমার দৃষ্টি ভিতরে নিতে হবে।

মনের পিছু যাও... এবং তাকে পেরিয়ে যাও

নিজের সাথে সম্পর্কস্থাপন করার জন্য, তোমাকে মনের পিছু যাবার সাহস করতে হবে। তুমি সবাইকে সময় দিতে রাজী, কিন্তু নিজেকে নয়। তুমি অপরকে সময় দাও তামার আমিতুকে ভরে দেয়। তুমি নিজেকে সময় দিতে ভয় পাও কারণ তুমি भारत वा जनवर का जानक रणारक बज़िया यात्र्या यादि कूलि मान्य जानक भटक छात्र , कूलि जा भारत। किलु তোমার সাহস চাই।

আসলে আমরা সবাই একই জিনিষ খুঁজছি... তা হল আনন্দ। কিন্তু তা আমরা অবিশ্রাম ভুল জায়গাতে খুঁজছি। যদি এক অল্পবয়সীকে জিজ্ঞাসা করা হয় সে কোন জিনিষে সুখ পায়. সে হয়ত বলবে 'ড়াগা' সেও আনন্দ খুঁজছে, চিরস্থায়ী শান্তির জন্য, কিন্তু ভল রাস্তায়!

আমরা আমাদের রাস্তা থেকে এতটা সরে গেছি যে আমাদের আদি চিন্তা-পদ্ধতি নকারাত্মক ভাবনার নকশা দিয়ে পুরোপরি প্রতিস্থাপিত হয়ে গেছে। আমাদের জীবন যা হওয়া উচিৎ তা থেকে ভীষণভাবে অন্যরকম। ড্রাগ খেয়ে কি আনন্দ পেতে পার? ড্রাগ খেয়ে তমি নিজের কাছ থেকে পালিয়ে বেড়াছ এবং তোমার স্বাস্থ্যও বিপন্ন হচ্ছে।

ড়াগ খাওয়া খবই বোকামি বলে হয়ত তোমার মনে হবে কারণ এটা অত্যন্ত কঠোর ব্যাপার। এটা নৈতিকতার কেলে আঘাত করে, তাই তোমাকেও আঘাত করে। কিন্তু খুশী খুঁজবার তোমার অন্যান্য সম্মু কার্যকলাপও তো একই প্রকার প্রচেষ্টা , কেবল অন্য ে অতটা অনৈতিকতার স্কেলে নয়, তাই তুমি তাদের বোকামি ভাব না। যখন সময় পাও, মন পরিষ্কার করে তাহলে তুমি বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয় প্ৰথম বিশ্ববিদ্যালয় প্ৰথম বিশ্বাস কৰা হয়। তথ্যসূত্ৰ

দুশ্চিন্তা তোমাকে অনেক মিথ্যা অনুমান করাতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, তোমার ছেলে একদিন দেরীতে বাড়ী এলে, তুমি ধরে নাও সে হয়ত কোন কুসঙ্গে পড়েছে। এটা তোমার ভিতরে রেকর্ডিং হয়ে যায়। পরের বার যখন সে কলে দেরীতে ঘরে ফেরে, এই রেকর্ডিং সামনে আসবে ও তোমার ছেলেকে দোষী ঠাওরাবে।

তোমার ছেলে বিরক্ত তো হবেই এবং সে তোমার বিরোধিতা করার জন্য অন্য খারাপ রাস্তাতেও চলে যেতে পারে। তোমার বোঝা উচিত, সবাই বিকশিত হচ্ছে এবং পরিবর্তনশীল। তুমি নিজের মত কল্পনা করতে থাকলে তাতে কোন সাহায্য হবে না।

কল্পনার সাথে বাস করা সোজা। কিন্তু তোমাদের বলি, তোমরা যা বিশ্বাস কর তার ৯৮% ভুল। তুমি বুঝতে পারবে যে তুমি ও অন্য মানুষটির মধ্যে একটি বড় পর্দা আছে। যদি সবুজ চশমা পড়, তাহলে পুরো দুনিয়াই সবুজ দেখবে।

মহম্মদ নবি বলেন, 'যখন তুমি বিশ্বকে কিছু একটা ভাবে দেখছ, সেই কিছুই হল তুমি।' তুমি আমার কাছে কারো সম্পর্কে নালিশ কর আর দাবী কর যে তুমি উদ্বিগ্ন, তাই এই কথাগুলি বলছ। কিন্তু আসলে তুমি তোমার নিজের মনকে দেখাছ, কারণ তুমি ি প্ৰথম কৰিছিল। তেওঁ প্ৰথম কৰিছিল। তেওঁ প্ৰথম কৰিছিল। তেওঁ প্ৰভাৱে দেখা নাম কৰিছিল। তেওঁ পাৰে পাৰে পাৰে পাৰে পাৰে পাৰে পাৰে। পাৰে পাৰে পাৰে পাৰে। পাৰে পাৰে পাৰে পাৰে। পাৰে তা দেখ, তমি অনেক কিছু হারিয়ে ফেল।

তোমাদের একটা সত্যি ঘটনা বলি :

কিছু বছর আগে প্রায়ই আমি একই ডাইভারের সাথে আশ্রম থেকে ব্যাঙ্গালোরে সিটি সেন্টারে যেতাম। একদিন আমি এক নির্দিষ্ট রাস্তায় যেতে চাইলারকে সেই রাস্তার কাছে একটা বড় মসজিদ আছে বলে মনে করিয়ে দিলাম।

সে বলে যে সেখানে কোন মসজিদ নেই।

আমি তাকে মনে করাবার চেষ্টা করলাম যে সেই মসজিদের পাশে একটা বিখ্যাত হোটেল আছে, কিন্তু তাও সে মানতে রাজী হল না।

আমি শেষে তাকে বললাম যে সেখানে একটা হনুমান মন্দির আছে। সঙ্গে সঙ্গে তার মুখ উজ্জুল হল ও জায়গাটা চিনতে পারল।

সে তারপর সেই রাস্তায় গেল ও আমি তাকে মসজিদ দেখালাম যেটা মন্দিরের পাশেই এবং মন্দিরের চেয়ে পাঁচগুণ বড়। সে অবাক হয়ে গেল।

সে এত গোঁড়া হিন্দু ছিল যে মসজিদের দিকে আগে তার কখনও নজর যায় নি।