Books / Guaranteed Solutions For Lust Fear Worry... Bengali merged

47. জ্ঞানের আমিত

# জ্ঞানের আমিত

আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ আমিতে যাওয়া যাক - জ্ঞানের সাথে যে আমিত্ব আসে।

বড় হতে থাকলে, বই পড়ে বা লোকের সাথে কথা বলে তুমি নানা বিষয় সম্বন্ধ বিচার ও তথ্য সংগ্রহ কর। এই দুটি মিলিয়ে তৈরি হয় তোমার জ্ঞান, তোমার পুরো মানসিক গঠন। যা কিছু দেখ, তুমি সেই মানসিক গঠন দিয়ে দেখ।

या किछू दर्श वा जातान रेलिया कि विकास करना का कारविकास का नाम को बना रहा है। कुलि मनमस्य একটা নির্দিষ্ট রঙীন কাচ দিয়ে দেখতে থাক - একটা রঙ যেটা তুমিই লাগিয়েছ! এই বিষয়ে ভরা পথিবীতে তাই তুমি বহু কিছু দেখতে পাও না।

একটা ছোট গল্প :

একজন মানুষ তার বন্ধুকে বলছিল, 'তুমি জান? আমি সত্যি সত্যি নিজেকে বোকা বানিয়েছি।' বন্ধু জিজ্ঞাসা করে, 'কেন, কি হয়েছে?' লোকটি বলে, 'আমি বাড়ীতে দশটা ফাটা জানালা পরিবর্তন করলাম এবং পরে আবিষ্কার করলাম যে আমার চশমাটা ফাটা ছিল!'

यदि वास्ता एक सुरूर्णव जना चित्र जानार, जासना सेमनकि कवर या जाता या किकू मन्त्रि का वास्ता या किकू करण का कि किनिष्ठो

সবকিছুতে আছে। কিন্তু যে করেই হোক আমরা ভিতরে কখনও দেখি না। আমরা ভাবি যে আমরা সব কিছু জানিং: সেখানেই সমস্যার শুরু। আমাদের পার্থির জ্ঞান আমাদের বিকশিত হবার সুযোগ দেয় না।

এতে সবচেয়ে বিপদের ব্যাপার হল, তুমি অনুভব করে যে কেবল তোমার জ্ঞান সহ তুমি ঘনীভূত হয়ে গেছ। তোমার জানের গুণ দ্বারা দঢ় চরিত্র হয়েছ বলে তুমি ভাব। তুমি জানই না যে তুমি কেবল তোমার সত্তার বোঝা হয়ে গেছ।

তোমার সত্তা এক স্লোতম্বিনী নদী, আর তুমি তাকে তথাকথিত জ্ঞান দ্বারা স্নোতহীন করেছে। তোমার পথে যে জ্ঞান আসে তাকে েলে দেবার জ্ঞানই হল আসল জ্ঞান। সহকারে প্রবহমান হয়ে শিশুর মত বাস কর। আমিত থেকে অতঃক্ষততার দিকে তোমার যাত্রা করা উচিৎ।

জীবনে যা দেখি সেগুলিকে আমরা শ্রেণীবিভক্ত করতে ও তাতে লেবেল লাগাতে প্রস্তত। তা করতে গিয়ে আমরা সহজেই জীবনের সৌন্দর্য হরণ করি। মানুষ, জায়গা, পরিস্থিতি, সবকিছু যা আমাদের রাস্তায় পড়ে তাকেই আমরা শ্রেণীবিভক্ত করি।

একটা ছোট গল্প :

একটা লোক সিনেমা দেখতে একটা সিনেমাহলে গেল। মুভি শুরু হল এবং পর্দায় প্রথমেই একটা বিখ্যাত আন্তর্জাতিক স্ট্রডিওর শিরোনামা দেখানো হল। লোকটি নিজের মনে বলল, 'ও! আমি তো এই মুভি আগে দেখেছি!' সে উঠে বাইরে বেরিয়ে এল।

সেই প্রাডাকশনের সমস্ত মুভি তাদের স্ট্রভিওর শিরোনামা নিয়ে আসে এবং সেই লোকটি মনে করল যে সে আগে সেই মুভি দেখেছে। সে তো ব্যাপারটাই হারিয়ে ফেলল, ব্যাস।

আমরা সবাই এই প্রকার, বিশেষ করে যারা বড় হয়েছে। বাচ্চারা সেরকম নয়। তারা সবকিছু সতেজতা সহকারে দেখে। তারা জীবনীশক্তিতে এতই ভরপুর; তারা আমাদের মত মৃত নয়।

যখন সমুদ্র সৈকতে যাও, কেবল বাচ্চাদের দেখ, তারা কেমন উদ্দীপিত। এদিকে তুমি যখন সেই সৈক্ষতে যাও, তুমি ভাব তুমি সেই জায়গাটিকে ইতিমধ্যে জান। প্রকৃতির অতুলনীয় সতেজতা ও সৌন্দর্য তুমি কালো চশমা দিয়ে দেখ। সমুদ্র সৈকত সহজেই শুধুমাত্র আরেকটি জায়গা হয়ে যায়। বেদি অনুভব কর যে জীবনকে উপভোগ করছ না, তার কারণ তোমার মন, তোমার কঠিন আমিতু; তার কারণ এই নয় যে জীবন সুন্দর নয়।

একজন মানুষ সুইজারল্যান্ডে ছুটি কাটাতে গেল ও এক মাস পর ফিরে এল। এক বন্ধুর সাথে তার দেখা হল এবং তারা একসাথে ভোজন করতে গেল। বন্ধু তাকে জিজ্ঞাসা করে, 'তাহলে তুমি কি সুইজারল্যান্ডের সুন্দর প্রাকৃতিক দশ্য উপভোগ করলে?'

মানুষটি উত্তর দিল, 'হ্যা, মোটামটি। কিন্তু পাহাডগুলি মাঝে এসে যাচ্ছিল।'

আমরা প্রকৃতি সম্বন্ধে এত সংবেদনহীন! আর আমরা নালিশ করি যে উপভোগ করার কিছুই নেই।

উপভোগ করার সামর্থ্য তোমার ভিতরে আছে। ছোটবেলায় তুমি চারপাশে সবকিছু উপভোগ করতে। তারপর কি হল ? তুমি গম্ভীর হয়ে গেলে ও উপভোগ করতে ভুলে গেলে। তুমি তোমার তথাকথিত জ্ঞান দ্বারা ভোঁতা হয়ে গেলে।

তোমাদের আগে বলেছি, লোকেরা প্রায়ই আমায় জিজ্ঞাসা করে, 'স্বামীজী, আপনার এত জ্ঞান নিয়ে কিভাবে আপনি শিশুর মত থাকেন? প্রত্যেকবার যখন আপনি কোন রসিকতা করেন, আপনি কত স্বতঃক্ষতভাবে হাসেন এবং আমরা আপনার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকি! যখন কোন জোক বলেন, আমরা হয়ত সেই জোক আপনার কাছে আগে খুনেছি এবং তাই আমরা হাসি না: কিন্তু আপনি তাকে এত উপভোগ করেন যেন অন্য কেউ আপনাকে জোকটা প্রথমবার বলছে!'

দ্যাপো, আমি এটাই বোঝাচ্ছি যখন আমি বলি যে তুমি তোমার স্বতঃমূর্ততা এবং উপভোগ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। তোমার জ্ঞান নিয়ে তুমি এক 'সবজান্তা' মনোভাব অর্জন কর।

এখন যেহেতু আমি এটা বললাম, তোমাদের একটা গল্প বলি যেটা আমি আমার ভাষণে বার বার বলি এবং প্রত্যেকবার বলার সময় সেটা আমায় হাসায়!

আমার জন্মস্থান দক্ষিণ ভারতে তিরুভান্নামালাইতে মন্দির-উৎসবের সময় খোলা জায়গায় একটা অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি

করা হয়। সেখানে বিখ্যাত নাট্যদল যাত্রা মঞ্চস্থ করে, বেশীরভাগই হিন্দু মহাকাব্য মহাভারত ও রামায়ণের গল্প থেকে। আমি যেতাম ও নাটকগুলি দেখতাম।

একবার তারা মহাভারতের দশ্যপট মঞ্চস্থ করছিল যেখানে দুঃশাসন দ্রৌপদীর বস্ত্রহণ করার চেষ্টা করে এবং তাকে ভগবান কৃষক রক্ষা করেন।

দৌপদী চরিত্রের অভিনয়ে ছিল একজন শাড়ি পড়া পুরুষ। তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী তার একটার ওপরে একটা क'द्व माण्डी भाषि भड़ाव कथा वर घूटनामन उनकि करत जामन मासिक बल जोनमी সাহায্যের জন্য ভগবান কৃষককে জোরে জোরে ডাকবে ও কৃষ্ণের আবির্ভাব হবে।

যে করেই হোক দ্রৌপদী চরিত্রটি একটি শাড়ি পড়তে ভুলে যায় এবং কেবল ছয়টি শাড়ি পড়ে।

মঞ্চে দুঃশাসন শাড়ি টানা শুরু করে ও হঠাৎ ষষ্ঠ শাড়িতে টান পরলে দেৌপদী নিজের ভুল বুঝতে পারে! সে চেঁচাতে থাকল, 'ওহে, ছেড়ে দাও! ছেড়ে দাও!'

দুঃশাসন ভাবল দ্রৌপদী তার ভূমিকা খুব ভাল ভাবে করছে এবং শাড়ি টানতেই থাকল !

  • অবশেষে দ্রৌপদী স্টেজে শুধুমাত্র হাফপ্যান্ট ও ব্লাউজ পরে দাঁড়িয়ে, আর তার মেক্সাপ্ মেয়েদের! কিন্তু তার উপস্থিত বুদ্ধি ছিল এবং সে চেঁচিয়ে বলল, 'ও কৃষ্ণু! তুমি কত করুণাময়; আমাকে লজ্জা থেকে রক্ষা করার জন্য তুমি আমার লিঙ্গ পরিবর্তন করে দিলে!'

সেই দশ্যটির কথা চিন্তা করলে এখনও আমি হাসি থামাতে পারি না !

তাই বোঝ যে জ্ঞান অর্জন করা ঠিক আছে, কিন্তু তারা দিজেকে ঘনীভূত বা কঠিন বানিয়ে ফেলার জন্য ব্যবহার কোরো না। উন্মুক্ত হয়ে প্রতিটি মুহূর্তের সম্মুখীন হও। কোন পূর্বনির্ধারিত ধারণা রেখ না। যদি তুমি এই উন্মুক্ততার সাথে বাস কর, তোমার কাছে কিছুই নীরস হবে না। তবে তুমি দেখবে যে এমন কি তোমার নিজের স্ত্রী, যার সাথে তুমি রোজ বাস করছ, তাকেও কত সতেজ ও আনন্দদায়ক লাগে।

তোমার মনোভাব এরূপ হলে, পুরো সম্ভাবনা আছে যে অন্য মানুষেরা তোমার মধ্যে উম্মুক্ততা অনুভব করবে এবং সেও তোমার কাছে আরও বেশী আনন্দে উন্মক হবে। তখন সেটা এক সকারাত্মক চক্র হয় এবং প্রতি মহুতে তুমি সতেজতা থেকে আরও সতেজতাতে প্রবেশ করবে। তাহলে সর্বত্র কেবল সতেজতা থাকবে; কিছুই বাসি বা নীরস হয়ে থাকবে না।