Books / Guaranteed Solutions For Lust Fear Worry... Bengali merged

48. সাজসরঞ্জাম সহ বাস করা আমিত

# সাজসরঞ্জাম সহ বাস করা আমিত

यथन जासिद्धित माथ वाम कन, जायान कोर किछू माजमद्रकार, किछू मार्शन, मरमस्य कार्यावना किछू सानूस। वर् ममर्थन তোমাকে পরিচিতি দেয়। সেটা ছাড়া তুমি কেউ না। রাজা রাজ্য আছে। অন্যদিকে একজন পরমহংস এক আমিত-বিহীন সত্য, একজন নিজেই নিজের রাজ্য। তাঁর কোন রাজ্যের প্রয়োজন নেই! তিনি ঘুমান যখন তিনি তাঁর পা ছড়িয়ে দেন এবং আহার করেন যখন তাঁর হাত বিস্তারিত করেন। তিনি শুধুমাত্র অস্তিত্বের প্রবাহকে অনুসরণ করেন। তিনি আত্মজ্ঞানী।

কিন্তু যখন তুমি এক পরমহংস হও, তোমার চারপাশে এক বিরাট রাজ্য তৈরি হবে এবং তা তোমাকে স্পর্শ করতে পারবে না অথবা তোমাকে কলুষিতও করতে পারবে না। কেবল দুর্বল ব্যক্তিরা নিজেদের জন্য রাজ্য গঠন করে এবং সেই রাজ্য থেকে তাদে র সাহায্য ও বল আহরণ করে। কেবল দুর্বল ব্যক্তি সাহায্যের জন্য তাদের আমিতু প্রয়োজন। একজন পরমহংসের জন্য, তাঁর 'সত্য'-ই (state) তাঁর জন্য সবকিছু করে; তাঁর চারপাশের 'অবস্থা' (status) তাঁকে স্পর্শ করতে পারে না।

তুমি সাজসরঞ্জাম খোঁজ কারণ তুমি জীবনকে বড় শন্য ও নীরস অনুভব কর। আর তুমি ভাব যে জীবন বড় নীরস কারণ তুমি সর্বদাই অলৌকিকতা খুঁজে বেড়াছ। অন্টিতের সর্বশ্রেষ্ঠ অলৌকিকতা প্রতিটি মুহূর্তে তোমার চোখের সামনে হচ্ছে। কিন্তু তুমি তোমার আমিত্বকে নিয়ে এতই আচ্ছন্ন আছ যে সেটা হারিয়ে ফেলছ!

তোমার দেহই এক অলৌকিক ঘটনা। সেটা যে কোন আরও উন্নত সুপার -কম্পুটার, যা হয়ত এখনও আবিষ্কার হয় নি, তার চেয়েও মহান। শরীরের কোটি কোষ এবং হাজার হাজার হাজার তাল মেলানো কাজ, আমাদের পথিবী গ্রহে সবচেয়ে বড় অলৌকিকতা। যদি তুমি মনকে মুছে ফেলতে জান এবং অস্তিত্বের সাথে ঐকতানে বাস কর, তুমি উপলব্ধি করবে যে যাকে তুমি অলৌকিকতার নামে অনেষণ করছ তা আর কিছুই নয়, তা কেবল অস্তিত্বে সমলয়ে ঘটা স্বাভাবিক কার্যকলাপ। তোমার আমিতু তাদের কেবল সাধারণ বানিয়ে ফেলে, ব্যাস। তোমার জ্ঞান তাদের নীরস যুক্তিতে নামিয়ে নিয়ে আসে।

প্রশ্ন : জেনাও আমরা কেন দুঃখ পাবার সিদ্ধান্ত নিই?

সুন্দর প্রশ্ন! আমাদের যখন খুশী হয়ে বাস করাকে পছন্দ করতে পারি, আমরা দুঃখকষ্ট কেন বেছে নিই?

দ্যাপো, তুমি তোমার সত্যকে জান না, যেটা তোমার আসল পরিচয়। সময়কালে তুমি বহির্জগতের সাথে সম্বন্ধ শুরু কর এবং নিজের এক ক্রিম পরিচয় সঙ্গি কর। এই মিথ্যা পরিচয় দ্বারা তমি বহির্জগতের সাথে সম্বন্ধ স্থাপন করতে পার। এই ি পার্টির তোমার আমিত। তোমার ওপরে অন্যদের সেঁটে দেওয়া লেবেল দিয়ে নিজের পরিচয় তের হয়েছে। তামি জান না আসলে তমি কে।

ধর, যদি জিজ্ঞাসা করি যে তুমি কে বলবে? তুমি বলবে. 'আমি অমুকের বাবা' অথবা 'আমি অমুকের বোন' অথবা' আমি ডাক্তার' বা এরকম সব বলতে থাকবে। কিন্তু এই সব পরিচয়গুলি কেবল তোমার সম্মদ্ধতা ও পেশা। তুমি তোমার বাবার মেয়ে, পতির পতী, বাচ্চাদের মা। কিন্তু তুমি নিজের কি?

তুমি এখন বিদ্যমান আছ কেবল সম্বন্ধে ও পেশায়। তাকে ভিত্তি করে তোমার আমিতু তৈরি হয়েছে। তোমার পরিচয় কেবল এর মধ্য দিয়েই হয়। তাই সর্বদাই তোমার পরিচয় হারাবার ভয় থাকে। এটা একটা মনুষ্য নির্মিত ভঙ্গর জিনিম এবং তাই এটা যে কোন মুহূর্তে ভেঙ্গে যেতে পারে। তাই তাকে অক্ষণ রাখতে তোমায় এত বেশী পরিশ্রম করতে হয়।

তোমার সহজাত স্বভাব হল 'একাকী থাকা' যখন তুমি তোমার মায়ের পর্ভে ছিলে, তুমি একা ছিলে। প্রকৃতপক্ষে তুমিই নিজের জন্য যথেষ্ট। এটাই তোমার স্বতন্ত্র অস্তিত্ব বা স্বকীয়তা। সময়কালে তাকে ব্যক্তিত্ব ছেয়ে ফেলেছে। স্বতন্ত্র-অস্তিত্ব স্বাভাবিক; ব্যক্তিত্ব সামাজঘটিত।

এটা এরকম, একটা পার্সেল এক জায়গায় যায় এবং প্রতিটি জায়গায় তাতে নানা বিষয় লিখে সিলমোহর লাগানো হয়। পার্সেলে লেখা ও মোহরগুলি কিন্তু পার্সেল নয়, তা তো ভিতরের জিনিষটা, তাই নয় কি? একই ভাবে তোমার ওপরে লোকেরা যে সিলমোহর লাগায়, সেগুলি তুমি নও: তুমি তো তার ভিতরের জিনিষ।

র বাবে এক বিশ্বাস করে বিশ্বকাপ বিশ্বকাপ বিশ্বাস বিশ্বাস বিশ্বাস করে পারেন প্রতিষ্ঠান করে তোমার বেশী ও আরও বেশী লোকের দরকার। তাই লক্ষ্য করে থাকবে যে তুমি একেবারেই একা থাকতে পার না . নিজের সাথে থাকতে পার না। যখন নিজের সাথে থাক, তুমি অপরের কথা শোন না ও আমিতকে পরিপোষণ কর না। তোমার আমিত অভুক্ত থাকে। তাই তুমি কি করে ? তমি কমপক্ষে টেলিভিশন চালিয়ে দেখতে থাক!

একটা ছোট গল্প :

এক দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক দলের এক নেতা মত্যুমখে পডেছেন।

তার বন্ধুরা জানতে পারল সে তার আসন্ন মৃত্যুকালে বিরোধী দলকে সমর্থন জানিয়েছেন। তারা অবাক হ'ল ও তাকে জিজ্ঞাসা করল সে এমন কেন কেন করল।

  • নেতা উত্তর দিল, 'ও! আমি চাইছিলাম বিরোধীদলের কেউ মারা যাক!' আমাদের ক্রিম পরিচয় এতই দ্যু! তা আমাদের কাছে এত কঠিন বাস্তবে রূপান্তরিত হয়েছে যে তা আমাদের অন্ধ করে অন্যকিছ দেখতেই দেয় না। এমনকি মত্যুর সময়েও আমরা আমাদের মানসন্ত্রম বা প্রেস্টিজ ফেলতে পারি না ! আমরা অচেতনভাবে বাঁচি ও মরি।

ব্যক্তিত্ব, যা তোমার একমাত্র নোওর স্থান, সেটা হারাবার ভয়ই হল যেভাবে ব্যবহার করছ তার কারণ। তাই আমরা বলি যে তোমার আমিত তোমার সাথে খেলছে। আধ্যাত্মিকতা ব্যাপারটা হল তোমার ব্যক্তিতকে মছে ফেলা, তোমার নকল পরিচয়কে ফেলে দেওয়া।

এটা হতে পারে যখন তুমি প্রত্যক্ষ করা শুরু কর। যখন প্রত্যক্ষ করা শুরু কর, তুমি উপলব্ধি কর যে তুমি সেই পার্সেলের ভিতরের জিনিষ্য, তাতে লাগানো লেবেলগুলি নও। যখন এই জাগরণ কোন লেকচার বা উপদেশ বা শিক্ষা বা ধর্মোপদেশের প্রয়োজন হয় না।

প্রশ্ন : আমাদের মাস্টার, যদি আমরা আপনার কাছে সমর্পণ করি, আমাদের আমিতের কি যত্ন নেবেন?

প্রথমত যদি সত্যি সত্যি সমর্পণ কর, তুমি জীবনমুক্ত হবে। সেখানে 'যদি সমর্পণ করি' কথাই উঠবে না। কিন্তু তর্কের খাতিয়ে,

যদি তুমি আমাকে তোমার ওপরে কাজ করতে দাও, আমি তোমার আমিত ছেঁটে ফেলব এবং তাকে একটা বনসাই গাছের মত রাখব, যতক্ষণ না তুমি আমিতুকে সম্পূর্ণরূপে হারাও ও জীবনমুক্ত হও।

ব্যবসা চালাবার জন্য, দৈনন্দিন কাজ করার জন্য, অপরকে আঘাত না করার জন্য যথেষ্ট আমিত তোমার থাকবে। তোমার আমিত হবে ভাজা বীজের মত যা থেকে আর গাছ হবে না।

যে মানুষ এখনও জীবনমুক্ত হয় নি, তার মধ্যে আমিত কোন না কোন ভাবে আছে, এটা বোঝা কিন্তু তোমার আমিত সক্রিয় বা অক্রিয় হোক, যত বেশী প্রত্যক্ষ করতে থাক, তত তোমার আমিত দ্রবীভূত হবে। এখনের জন্য এটা বুঝলেই যথেষ্ট।

সাধারণ মানুষের সাথে তুমি সহজেই তোমার আমিতুকে রক্ষা করে রাখতে পারবে এবং সেই পরিস্থিতি থেকে বেড়িয়ে আসবে। কিন্তু মাস্টারকে কখনও প্রতারিত করা যায় না। মাস্টারের সাথে প্রতারণা করেছ ভেবে তুমি কেবল নিজেকেই প্রতারিত করতে পার। নিজের আমিত ও ধর্ততাকে যতই ভাল করে ঢেকে রাখ বা লুকিয়ে রাখ, মাস্টারের স্থিরদঙ্গির সামনে সর্বই অনাবত হয়ে যায়। যখন তুমি তা রক্ষা করতে আপ্রাণ চেষ্টা কর, মাস্টার তা নিরাময় করতে চেষ্টা করেন। কেবল তিনিই জানেন আমিতের ক্যান্সার কি জিনিষ।

তোমাদের ভগবৎ গীতা থেকে কিছু বলি। ভগবৎ গীতা হ'ল বিশ্বের জন্য ভগবান শ্রীকষ্ণ প্রদত্ত শিক্ষণ।

ভগবৎ গীতায় শুরুতে অর্জন বিভ্রান্ত ছিল।

তিনি বলেন, 'হে ভগবান! আমি জানি না জীবনে কি করতে হবে। দয়া করে আমাকে গাইড করুন।'

কম্প তাকে সাংখ্যযোগ ব্যাখ্যা করেন - আত্মায় পৌঁছুবার পথ।

তারপর তিনি কর্মযোগ ব্যাখ্যা করেন, তারপর কর্মসন্যাসযোগ, তারপর জানকর্মযোগ, পরে রাজবিদ্যাযোগ এবং আরও অনেক।

১৮ অধ্যায়ে ৭০০ শ্লোকের মাধ্যমে তিনি নানাপ্রকার ধ্যানপ্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন।

সবশেষে অর্জুন বলেন, 'কৃষ্ণু, তুমি যখন বাংলা করে শুরু করলে, তার থেকে এখন আমি আরও বেশী বিভ্রান্ত। এখন আমি কোন প্রক্রিয়া অনুসরণ করব? কোন প্রক্রিয়াটি সবচেয়ে ভাল ও শীঘ্রতম?

কষ্ণ তার উত্তর দেন সবশেষে অষ্টাদশ অধ্যায়ে।

যে কোন মাস্টারের ক্ষেত্রে যে কথা দিয়ে তিনি শেষ করেন, তাই চড়ান্ত, অটল ও চরম সত্য।

কুষ্ণ বলেন, সর্ব ধর্মম পরিত্যাজ্য মামেকম শরণম ব্রজ, অহম্ তু সর্বপাপেভ্য মোক্ষ্যয়িয়ামিনা সুচঃ।

আমরা যদি সমস্ত ধর্ম, দর্শন ও আধ্যাত্মিক গ্রন্থকে পাত্রে দুধ বলে ভাবি, তার থেকে নির্মাণিত মাখন হ'ল কুমের বলা এই শ্লোকটি।

তিনি বলেন, 'আমি সর্বপ্রকার বিচার তোমায় ব্যাখ্যা করেছি। সব কিছু আমাতে শুধুমাত্র সমর্পণ করে দাও। আমাতে সমর্পিত থাক এবং আমি তোমার যত্ন নেব। আমি তোমার সকল পাপ থেকে মুক্ত করব এবং তোমাকে মুক্তিতে উন্নীত করব।

কৃষ্ণ এই শ্লোকে আসলে এক সুন্দর প্রতিজ্ঞা করছেন।

এই পংক্তিতে কৃষ্ণ বিশ্বকে দেখাচ্ছেন যে সমর্পণ হ'ল চূড়ান্ত, দ্যু ও চরম প্রক্রিয়া - আমিতুহীন অবস্থায় যাবার সর্টকাট. মক্তির পথ।

কষ্ণ ও অর্জুনের আরেকটা সুন্দর গল্প :

এক সন্ধ্যায় কষ্ণ ও অর্জুন একসাথে সময় কাটাচ্ছন। কষ্ঠ হঠাৎ একটা কাকের দিকে নির্দেশ করে বললেন, 'অর্জন, সবুজ কাকটা দেখ!' অর্জুন সেই দিকে দেখে বললেন, 'হ্যাঁ কুষ্ণু, আমি তা দেখছি!' কয়েক মিনিট পরে কৃষ্ণ অকস্মাৎ বলেন, 'অর্জুন, ঐ কালো কাকটা দেখ!'

অর্জুন বলেন, 'হ্যাঁ কুষ্কু, আমি দেখছি।'

কৃষ্ণ কেবল অর্জুনকে পরীক্ষা করার জন্য বললেন, 'অর্জুন, তুমি কেমন বোকা! সবুজ কাক তো হয়ই না। প্রথমে কিভাবে তমি তা দেখলে?'

অর্জন বললেন, 'কুষ্ণু, যখন তুমি বললে ওটা সবজ কাক, আমি সেটাকে সবজ কাক দেখলাম।'

অর্জনের বিচারবুদ্ধি কৃষ্ণুতে সমর্পিত ছিল। মাস্টারের কাছে নিজের বিচারবুদ্ধি সমর্পণ সবচেয়ে কঠিন কাজ। মাস্টার নিজেই অস্থিত: তিনি আকারের মধ্যে নিরাকার। মাস্টার যা বলেন তা যখন তোমার বিচারবদ্ধি হলে কার্যালয় করে, তুমি সমর্পণের সর্বোচ্চ স্থানে পৌঁছেছ।

সমর্পণ কি? এই শব্দটির এক গভীর অর্থ আছে। এই অর্থ সঠিকভাবে না বুঝলে আমরা সমর্পণকে ভুল বুঝব ! আমরা এক ভীষণ ভল করব। আমরা গভীর সত্যকে ভল ব্যব।

একটা ছোট গল্প :

Section 2

দুই মাতাল রাস্তা দিয়ে একটা হ্যালোজেন লাইটের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। একজন তা দেখে বলে ওঠে, 'দ্যাখ, আমাদের জন্য সর্য উঠেছে!' অন্যজন বলে, 'না। এখন তো রাত্রিবেলা: এটা চাঁদ।' প্রথম জন বলতে থাকে, 'এটা হলুদ রঙের এবং তাই এটা সর্য।' ততীয় আরেকটি মাতাল তাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। তারা তাকে জিজ্ঞাসা করে, 'মশাই, দয়া করে বলুন, এটা সুর্য না চাঁদ।' লোকটি উত্তর দিল. 'আমি এই পাডায় নতন: আমি জানি না।'

তাই যে জানে না তাকে জিজ্ঞাসা করলে, তমি হয় উত্তর পাবে না অথবা ভুল উত্তর পাবে।

কেবল যারা অভিজ্ঞতা লাভ করেছে, তারা পরিষ্কার করে ব্যাখ্যা করতে পারে। যদি তুমি সমর্গণের মানে এমন একজনকে জিজ্ঞা সা কর যার অভিজ্ঞতা হয় নি, সে বলবে, 'কেবল সবকিছু ঈশ্বরকে দিয়ে দাও, ব্যাস।'

তা তো সমৰ্পণ নয়।

একজন আমার কাছে এসে জিজ্ঞাসা করে, 'যদি আমি সবকিছু ভগবানকে সমর্পণ করি, তাহলে কি সব ঠিক হয়ে যাবে?' আমি উত্তর দিই, 'হ্যাঁ, যদি তুমি ভগবানকে সত্যি সত্যি সমর্পণ কর, সব মঙ্গল হবে।' সে তিন দিন পরে ফিরে এলো ও বলল, 'স্বামীজী, আমি সবকিছু ভগবানকে সুঁপে দিয়েছি।' আমি খুশী হলাম ও তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, 'এখন কোথায় যাচ্ছ?' সে উত্তর দিল, 'পানশালায়।' সে বলতে লাগল, 'আমি যা কিছুই করি, এখন থেকে ভগবানই দায়ী।'

এটা আসলে একটা নিজেকে ধোঁকা দেবার প্রক্রিয়া। যদি সে সত্যি সত্যি সমর্পণ করে থাকত, সে তার পান করার অভ্যাসও সমর্পণ করে থাকত। সে আর পান করতে পারতই না।

ভারতের জীবনমুক্ত মাস্টার পরমর্থস শ্রীরামকম্ব সুন্দরভাবে বলেন, 'যখন আসল সমর্পণ হৃদয় থেকে আসবে, ঈশ্বর তোমাকে জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে গাইড করবেন এবং তুমি কখনও খারাপ কাজ করতে পারবে না।' যখন সমর্পণ অন্তর থেকে হয় না এবং কেবল কথায় হয়, তখন তমি নিজেকে ও অন্যদের ধোঁকা দাও।

সমর্গণ সর্বদা তোমায় অস্তিত্বের কথা মনে করাতে থাকবে। ধীরে ধীরে তুমি তোমার পরিচয় হারিয়ে ফেলবে , আমিত মুছে যাবে। পুরাতন হিন্দু মহাকাব্য ভাগবতম-এ একটি পংক্তিতে এক কক্ষপ্রেমী গোপী বলেন, 'আমি কৃষ্ণ চিন্তা করতে পারছি না। আমি আমার মন তাঁকে সমর্পণ করে ফেলেছি। যদি আমাকে আর কিছু চিন্তা করতে হয়, আমাকে আমার মনকে তাঁর কাছ থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে হবে। তা আমি কি করে করি?'

পরমহংস শ্রীরামকফ শেষ কয়েকদিন ক্যান্সারে ভুগছিলেন। তিনি বহু মানুষকে নানা রোগ থেকে নিরাময় করেছিলেন।

কেউ তাঁকে জিজ্ঞাসা করে, 'আপনি আপনার মনকে নিজের রোগের দিকে একটু সময়ের জন্য রেখে তা নিরাময় করুন না কেন ?'

তিনি উত্তরে বলেছিলেন, 'আমি আমার মন অসীম শক্তিতে সমর্পণ করেছি। কিভাবে আমি তাকে ফিরিয়ে নিয়ে এসে আমার রোগের ওপরে রাখি!'