41. প্রশ্ন : একবার ঈশ্বা ছাড়া হতে পারলে কি আমরা আমাদের ঘাটতির একটা দিক থেকে পুরোপরি মুক্ত হয়েছি ?
# প্রশ্ন : একবার ঈশ্বা ছাড়া হতে পারলে কি আমরা আমাদের ঘাটতির একটা দিক থেকে পুরোপরি মুক্ত হয়েছি ?
া কৰিছিল। তেওঁ পাৰে পাৰে পাৰে পাৰে প্ৰথাৰে সম্পাদক সংগ্ৰহ প্ৰেম থাকতে পাৰে, তেখেতে পাৰে, তেখেতে পাৰে, তেখেতে পাৰে, তেখেতে পাৰে, তেও এগিয়ে গেছ। কিন্তু সম্পূর্ণ সচেতনতার সাথে এগিয়ে চলতে থাক কারণ তুমি খুব সহজেই পুরানো অচেতন পথে পিছলিয়ে ফিরে যেতে পার এবং নিজেকে আবার সেই পুরানো ভাবনাচিন্তার মধ্য দিয়ে চলছ বলে দেখতে পাবে।
নতুন আবিষ্কৃত চেতনাকে আঁকড়ে থাক এবং তাকে সাথে নিয়ে চল। তাহলে অনুসন্ধান করার জন্য তোমার সামনে আরও অনেক সন্দর প্রশস্ত পথ খুলে যাবে। নিশ্চল হয়ে যেও না। কয়েকটি অভিজ্ঞতাকে বিরাট ভেবে তাদের আঁকডে থাকাই সবচেয়ে বড় বিপদ।
অন্বেষণ গভীর থেকে গভীরতর হয়। যারা দেব দেবীর দর্শন পায়, প্রায়ই তারা আধ্যাত্মিক পথে নিশ্চল হয়ে পড়ে। তারা ভাবে আর কিছু দেখার নেই এবং তাই তারা সেই অভিজ্ঞতাকে আঁকড়ে থেকে সেখানে পড়ে থাকে। ক খনই এটা ঘটার অনুমতি দেওয়া উচিত নয়।
नित्र वानस्व वरशाय भोंड़ाला ना भर्यक कुलि य कान मतदा जनवर वाद्या कार लगेंद्र राज कर राजन स्थान था का व शाक
গভীরতর উপলব্ধির জন্য তোমার সজাগতাকে অবিশ্রাম প্রতিপালন কর।
একটা জিনিয় বোঝ : একজন মাস্টারের কাজ কতই সুস্থ। তাঁকে তোমাদের সকলকে অনেক যত্ন ও সুস্থতা সহকারে তৈরি করতে হয়। তাঁকে দেখতে হয় কোন পথে তোমরা সবাই বিকশিত হবে এবং তোমাদের সেই পথে প্রস্তুতিত করান। তোমরা সবাই কত জন্ম ধরে কত অজ্ঞতা সঞ্চয় করেছ। তাঁকে সেই সবের মধ্য দিয়ে কাজ করতে হয় এবং তোমাকে জাগ্রত করতে হয়।
জীবনে অনেক সমাধান পাওয়া যায়, কিন্তু তার মধ্যে কিছু তোমার জন্য উপযুক্ত হয়। সেটাকে খুঁজে পাবার জন্যই বুদ্ধির দরকার। নিজের বদ্ধি প্রয়োগ করে তা খুঁজে পেলে তুমি তার উপভোগ করবে। অন্যদিকে তুমি অপরের দিকে তাকাতে থাকলে এবং তাদের জন্য উপযুক্ত সমাধান নিজের ওপরে প্রয়োগ করতে শুরু করলে, তুমি নিজের রাস্তা হারিয়ে ফেলবে।
একটা ছোট গল্প :
দরের গ্রামে এক বন্ধা তার প্রানো বাড়ী সাফ করছিল। হঠাৎ দরজা খুলে গেল ও এক সেলস ম্যান ঢুকে পড়ল। সে বদ্ধাকে ধলা ঝাড়তে দেখে ব্যস্ত হয়ে বলে যে তার কাছে নানা যন্ত্র আছে যা দিয়ে বাড়ী পরিষ্কার করা যা যা।
বদ্ধা বলল, 'কিন্তু ...'
লোকটি তাকে বাধা দিয়ে ব্যাগ থেকে অনেক নোংরা বার করে মেঝেতে রাখল।
বদ্ধা বলতে চাইল, 'কিন্তু ...'
লোকটি তাকে পাশে দাঁড়িয়ে লক্ষ্য করতে বলল। সে একটা মেশিন বার করে ব্যাখ্যা করতে থাকল, 'এই মেশিন দেখছেন? এটা যে কোন পরিমাণ ধুলা নিমেষে পরিষ্কার করে দেয়। এটা কত হালকা এবং আপনার এই বয়সে তা ব্যবহার করা খুব সোজা। আমাকে প্রমাণ করতে দিন।'
বদ্ধা বলতে চেষ্টা করল, 'কিন্তু ...'
সেলসম্যান বলে, 'খালি আমায় প্লাগ-পয়েন্ট দেখিয়ে দিন।'
বদ্ধা সবশেষে বলতে পারল, 'কিন্তু ... আমাদের গ্রামে এখনও বিদ্যুৎ আসে নি!'
জীবনে আমাদের বার করতে হবে কোন জিনিষ্টা আমাদের সবচেয়ে উপযোগী! যদি আমরা সে সম্বন্ধে স্পষ্ট হই, আমরা কোন দুপ্চিন্তা ছাড়াই বিকশিত হব। কিন্তু বেশীরভাগ সময়ে আমরা অন্যের সমাধান লোভ করি ও তা নিজেদের জন্য ব্যবহার করি এবং পরে কষ্ট পাই।
আমরা যদি সুনিশ্চিত হই যে আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি ও আমাদের কি প্রয়োজন্য, আমরা নিয়মিতভাবে এগিয়ে যাব। এমনকি এই পথে বাধা বিপত্তিও আমাদের আরও বুদ্ধি সহকারে কাজ করা শেখাবে। এইভাবে, আমরা অন্তত নিজের বুদ্ধি দ্বারা কাজ করব এবং তাই তা এক অভিজ্ঞতামূলক উপলব্ধি হবে।
তুমি অপরের সমাধান অনুসরণ করলে তোমার ভিতরে কিছুই হয় না; তুমি তখন তোমার বাহ্যসীমা থেকে কাজ করছ। যখন তোমার ভিতরে কিছুই হয় না, তুমি প্রসারিত হতে পার না; সেটা মনে রেখা যখন আমি বলছি যে তুমি প্রসারিত হচ্ছ না, তার মানে তোমার অন্তরের বিকাশ ঘটছে না। বস্তুগত লাভ হতে পারে, কিন্তু তুমি ভিতরে মতবৎ থেকে যাও।
মনে রেখা যে কেবল যখন তুমি ভিতর থেকে বিকশিত হও, তুমি সত্যি বিকশিত হচ্ছ। বহির্জগতের দৌড়ে বিপজ্জনকভাবে জড়িয়ে যেও না। তাদের নিছক খেলা বলে দেখ এবং তাদের ভাল করে খেল। বেঁচে থাকার জন্য বস্তগত লাভ দরকার, কিন্তু এইসব যেন কেবল বাহ্যসীমায় থাকে। তোমার অন্তঃস্থল যেন নিয়মিতভাবে বিকশিত হয়। এটাই তোমাকে বাইরের খেলায় গাইড করবে।
তোমার অসীম বুদ্ধিকে আবিষ্কার করার প্রক্রিয়াই জীবন। তাই আমি সবসময়ে বলি, 'জীবন এক পথ, কোন লক্ষ্য নয়।' তোমার রদ্ধি বিকশিত হতে থাকলে তুমি আরও হুর্ষোৎফল্ল হবে এবং জীবনের খেলা আরও কার্যকরভাবে খেলতে পারবে। তাই তলনা করা বন্ধ কর এবং আবিষ্কার করা আরম্ভ কর - সেটাই তোমার আসল বিকাশের উৎস।
বিশুদ্ধি চক্র উচ্চতর সজনশীলতার পীঠ। এই চক্রের শক্তি উন্মুক্ত হলে, দেখবে যে সজনশীলতার এক প্রচণ্ড প্রবাহ তোমার কাছে লভ্য হয়েছে।
তুমি যখন তোমার সত্তার গুণমান পরিবর্তন কর, স্ভাবত তোমার ক্রিয়া -র গুণমানও পরিবর্তিত হয়। তুমি যাই কর, আরও বেশী দক্ষতার সাথে কর, আরও বেশী সুজনশীলতার সাথে কর। এর ফলে, তোমার (ভোগ-র গুণমানও বদলে যায়। তোমার পথে যা আসে তাতেই তুমি খুশী হবে এবং তুমি দেখবে যে বস্তগত ধনসম্পদ ও সফলতা তোমার দিকে স্বাভাবিকভাবে প্রবাহিত হচ্ছে।
তাই তলনা করা ছাড় এবং তোমার সত্তায় ফিরে যাও এবং আবিষ্কার কর শাশ্বত চিরন্তন আনন্দ , নিত্যানন্দ।
এখন আমরা একটা ধ্যান প্রক্রিয়া করি যাকে বলা হয় 'শক্তি-সাগর।' এটা তোমাকে অভিজ্ঞতা দিয়ে বোঝাবে যে বিশুদ্ধি চক্র ছারা তোমাতে উপলব্ধ অসীম শক্তির উৎসকে কিভাবে আহরণ করা যায়।
আবেগ : তলনা এবং ঈশ্বা চক্র : বিশুদ্ধি চক্র অবস্থান : কণ্ঠস্থান
সংস্কৃতে বিশুদ্ধি মানে 'শুদ্ধ ও অশুদ্ধের উদ্ধো' নাম থেকে বোঝা যায় যে এই চক্র অশুদ্ধ হতে পারে না এবং তাই শোধন করার কখনও প্রয়োজন নেই। তাই তুলনা' যা এই চক্রকে তালাবদ্ধ করে, তা যেন এক বস্তু বিনা ছায়া। তলনা নামক ধারণার কোন ভিত্তি নেই। এটা কেবল আমাদের কল্পনা দ্বারা সঙ্গী।
এই চক্র তলনা ও ঈর্ষা দ্বারা তালাবদ্ধ। এটা প্রক্ষুটিত হয়, যখন অপরকে ঈর্ষা না করে আমরা আমাদের স্বতন্ত্র অস্তিত প্রদর্শন করি এবং আমাদের ক্ষমতা, অনন্যতা ও সজনশীলতা সম্পর্ণভাবে প্রকাশ করি।
নিজের অনন্যতা ও শক্তির অসীম ভাণ্ডার উপলব্ধি করার জন্য ধ্যান প্রক্রিয়া : শক্তি-সাগর ধ্যান - জেল বৌদ্ধদের প্রক্রিয়া।