Books / Guaranteed Solutions For Lust Fear Worry... Bengali merged

39. প্ৰকৃত আধ্যাত্মিকতা

# প্ৰকৃত আধ্যাত্মিকতা

আধ্যাত্মিকতা হ'ল জীবন-ইঞ্জিনীয়ারিং। কলেজে তোমাদের নানারকম ইঞ্জিনীয়ারিং আসাদের সকলের শেখা উচিৎ। আধ্যাত্মিকতা পরমহংসের মত বাস করা শেখায়, বস্তজগতে গলা পর্যন্ত জল, কিন্তু তা থেকে অম্পষ্ট।

কোন মানুষকে বা কোন বিষয়কে লঙ্ঘন না করে জীবন-ইঞ্জিনীয়রিং তোমাকে এক প্রগায় ও পরিপূর্ণ জীবনযাপন করতে শিক্ষা দেয়। তা তোমাকে তোমার বুদ্ধি থেকে বিচ্ছিন্ন হতে শেখায় এবং অস্থিতের বিষয়গুলিকে অতি সরলভাবে ও নিষ্পাপতার সাথে দেখতে শেখায়। তা অস্তিত্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে শেখায় এবং তা অভিজ্ঞতা দেয় সমকালীনতার (coincidence) কমতার - তোমার অন্তর্দেশের আনন্দে সাড়া দিয়ে স্বতক্ষলভাবে ঘটনাগুলি ঘটে।

वास्थानिकका मुनार অন্তর্দেশের গভীর থেকে উপভোগ করতে সাহায্য করে। তা জীবনকে প্রতি মুহূর্ত খুশীতে উদ্ যাপন করতে দেখিয়ে দেয়।

তা তোমার অন্তর্জুদি উদ্দীপ্ত করে এবং বহির্জগতে কার্য সম্পাদন তুরান্তিত করে। তা তোমার সচেতনতা জাগরিত করে এবং তোমাকে গভীরতর চেতনায় নিয়ে যায়। তা তোমায় নিয়ে যায় যৌনলালসা থেকে প্রেমে, দুষ্টিন্তা থেকে বিষয়ে যেকে বিশ্বয়ে, মিথ্যা থেকে সত্যে, বেদনা থেকে মহানন্দে, ঈর্ষা থেকে খুশীর উদযাপনে।

লোকেরা ভাবে আধ্যাত্মিকতার জন্য আলাদা করে সময় ভাগ করে রাখা উচিৎ। একদম নয়! আমি যা বললাম তা থেকে বুঝবে তার দরকার নেই। যে আধ্যাত্মিকতার হেতু আলাদা সময় বার করার জন্য বলে, সে আধ্যাত্মিক নয়, সে তো ধর্মীয় ব্যাক্তি।

ধর্মাচরণের জন্য সময় চাই, কারণ তাতে আচার অনুষ্ঠান আছে। সময়ের পরিমাণের সাথে আধ্যাত্মিকতার কোন সম্পর্ক নেই। তার সাথে তোমার জীবনের গুণমানের সম্পর্ক। সত্য অন্ধেশ করার সৎ ইচ্ছা থাকলেই যথেষ্টা তাহলে তোমার পুরো সময়কে ঐকান্তিক ধ্যান হিসাবে সমস্ত কাজ করার জন্য তুমি সমর্পণ করতে পারবে এবং তোমার লক্ষে উপনীত হবে। নিজের ভিতরে শক্তিপ্রবাহের কোন অবরোধ ছাড়াই স্বচক্ষকারে তুমি উদ্ভাসিত হবে কর্মকর্তে, বাড়ীতে এবং আন্তঃর্যক্তিগত (interpersonal) সম্পর্কসাধনে।

তুমি যে কোন পরিবেশে নিজেকে খাপ খাইয়ে নেবে। তুমি যে কোন মানুষের সাথে স্বচ্ছন্দে থাকবে। যে জায়গায় থাক, কেবল সেটা তোমার ঘর হবে তা নয়, সমস্ত অভিত্ত তোমার ঘর হয়ে যাবে। তুমি মানসিক ও শারীরিক সর্তকরণ (conditioning) থেকে বেডিয়ে আসবে এবং অস্তিতের সাথে এক হবার জন্য ও তাতে মিশে যাবার জন্য উখিত হবে।

সমস্যা হ'ল লোকেরা কেবল আচার অনুষ্ঠানের সাথে সংযুক্ত। তাতে তারা কিছু নিরাপতা উপভোগ করে। আচার অনুষ্ঠানের পিছনের বিজ্ঞান সম্বন্ধে লোকেদের জানা নেই, কিন্তু এই আচার অনুষ্ঠানে তাদের আমিত-সন্তুষ্টি ঘটে। আচার অনুষ্ঠানগুলি জাটিল এবং জটিল জিনিষ করতে আমরা সর্বদাই একটা চ্যালেঞ্জ পাই।

লোকেরা আমার কাছে তাদের সমস্যা নিয়ে এসে তার সমাধান জিজ্ঞাসা করে। আমি তাদের বলি যে আমি তাদের যত্ন নেব এবং আশ্রমে থাকার সময় তাদের কিছু সময় বটগাছের নীচে বসতে বলি। আশ্রমে বটবক্ষ এক শক্তিস্থল। কিন্তু তারা সেই উত্তরে খুশী নয়। তারা জিজ্ঞাসা করে যে কি কি আচার আনষ্ঠান করলে তাদের সমস্যার সমাধান হবে।

আমি যদি তাদের বটগাছের চারিদিকে ১০৮ বার প্রদক্ষণ করতে খুব খুশী হবে। দ্যাখো, বটের চারিদিকে ১০৮ বার ঘুরলে তোমার আমিতের সন্তুষ্টি হয়। তুমি তখন ভাব যে তুমি অনেক খেটেছ এবং তুমি তার উপকার পাবার যোগ্য হয়েছ।

এমনকি ধর্ম ও অনুষ্ঠানে আমি দেখেছি লোকেরা কিভাবে একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করে। তোমার প্রতিবেশী যদি কোন মন্দিরে কোন নৈবেদ্য দিয়ে আসে, তুমিও পরের দিন সেই মন্দিরে গিয়ে আসবে। ফোকাস কোথায়? ঈশ্বর নাকি প্ৰতিবেশীতে?

লোকেরা বলতে গর্ববোধ করে যে তারা বিশ্বের নানা পরিত্র মন্দির দর্শন করেছে। সঙ্গে সঙ্গে, যারা তা শুনছে, তারা সেই বাহাদুরিকে ছাপিয়ে যাবার পরিকল্পনা করে।

এত মন্দির দর্শনের পরেও তোমার চক্রগুলি তালাবদ্ধ! কখনও কি সেটা ভেবেছ? মন্দির দর্শন করা হয় কেবল অন্তর্জগতে এগিয়ে যাবার জন্য, তুলনা, ঈশা ইত্যাদি থেকে মুক্তি পাবার জন্য, কিন্তু এখানাও তুমি আসল জিনিয়টা হারিয়ে ফেলেছ। তুমি বহির্জগতের জন্য কাজগুলি করছ।

আমি দেখেছি যে দেবতার মর্তির সামনে কেউ স্তব করছে৷ তারা কিছু লাইন পড়ে ও কাজের লোককে ডেকে জিজ্ঞাসা করে যে তার নির্ধারিত কাজ শেষ হয়েছে কিনা। অথবা কিছু লাইন পড়বে ও দেখবে যে শেষ করতে আর কত পাতা বাকী ! তারা এইভাবে ভগবানের সাথে সম্পর্ক জোড়ে এবং স্তব পাঠ করে সন্তষ্ট হয়।

তার ওপরে তারা এই পাঠ ২১ দিন ধরে পুনরাবৃত্ত করবে কারণ তারা এটা করার জন্য আগে একটা মানত করেছিল। তারপর তারা গর্বভরে যাবে এবং প্রতিবেশীদের ও আত্মীয়-স্বজনদের বলবে যে তারা এক দুঃসাধ্য মানত পরিপূর্ণ করেছে !

প্রতিটি জিনিষ যা আমরা করে তা বেশীরভাগই কেবল মানুষকে বলার জন্য করি এবং তাদের মধ্যে একটা তুলনার বীজ বপন করি। যদি তুমি কোন আচার অনুষ্ঠান করতে চাও, তা একদম সততার সাথে কর, অস্তিত্বের সাথে এক গভীর সংযোগ ভাবনা নিয়ে কর। যখন তুমি এভাবে কর, তুমি তা নিয়ে বাইরে কোন কথাও বলবে না।

আচার-অনুষ্ঠান, ধ্যান ও সাহস

প্রশ্ন : আমরা যখন আচার-আনুষ্ঠান বিষয়ে আছি, আপনি কি আমাদের অনুষ্ঠানের পথ ও ধ্যানের পথ সম্বন্ধে কিছু বলবেন?

যখন আচার-অনুষ্ঠানের পথ বেছে নাও, তখন অঙ্গীকার ও আন্তরিকতাকে তোমার সর্বশোল চাবি (master key) হওয়া উচিত। তাই তা একদম আন্তরিকতা ও সততার সাথে করে তাহলে আচার-অনুষ্ঠানও আধ্যাত্মিকতা হয়ে যায়। আজকের দিনে আচার -আনুষ্ঠান সহ পজা করার কয়েকশ' পথ আছে। কোনটা অনুসরণ করবে তা নিয়ে গুলিয়ে ফেলার দরকার নেই। যে কোন একটি অনুসরণ করার নির্ণয় নাও এবং তা অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে কর। এই অঙ্গীকার তোমায় সুফল প্রদান করে, কেবল অনুষ্ঠানটি নয়।

আবার তাৎক্ষণিক ফল চেয়ো না। আজকাল সবাই ইন্সট্যান্ট চা বা কফির মত তাৎক্ষণিক ফল চায়। আমরা অনেকেই ভাবি যে অপরের প্রার্থনা আমাদের প্রার্থনার চেয়ে পাচ্ছে এবং তাই আমরা আমাদের পুজার প্রক্রিয়া বদলে তাদের মত করা উচিৎ বলে মনে করি। পুজাতেও এত তুলনা! যা করছ তা অঙ্গীকার ও বিশ্বাস সহকারে কর এবং বাকিটা খোলা রেখে দাও। স্বতশ্চলভাবে জিনিষগুলি হবে।

যে কোন ধর্ম বা আচার-অনুষ্ঠানের চরম লক্ষ্য হ'ল অস্তিতের সাথে ঐক্যানে থাকা। আচার-অনুষ্ঠান ভগবানকে যুগ্ম দেবার কোন ব্যাপার নয়।

আমার একটা গল্প মনে পড়ছে :

তিনজন মিলে একটা ব্যাবসা শুরু করল। তারা ভগবানকে এক পার্টনার বানানোর সিদ্ধান্ত নিল। তারা রাজী হল যে লাভের এক প্রতিশত (পারসেন্টেজ) ভগবানকে দেবে। তারা ব্যবসা শুরু করল ও অপ্রত্যাশিতভাবে অনেক লাভ হল। সমস্যার শুরু তারপর থেকে : ভগবানকে কিভাবে এত দিয়ে দেওয়া যায়? সবাই একটা করে প্রস্তাব দিল। প্রথমজন বলে, 'ঠিক আছে, চল একটা ব্যক্ত আঁকা যাক এবং সমস্ত টাকা ওপরে ছোড়া হবে। যা বতের ভিতরে পড়বে তা ভগবানের হবে আর যা বাইরে পড়বে তা আমাদের।' দ্বিতীয়জন বলে, 'না। আমার প্রস্তাবটি আরও ভাল। আমরা একটা বিরাট বৃত্ত আঁকব ও সব টাকা ওপরে ছুড়ে দেব। যা ভিতরে পডে তা আমাদের, বাইরের টাকাগুলি ভগবানের। তৃতীয়জন বলে ওঠে, 'দ্যাখো, ভগবান আমাদের ওপরে। আমরা সব টাকা ওপরে ছুড়ুর। তিনি যা চান, তাকে তা রাখতে দাও। যা নীচে পডবে তা আমাদের!'

যতক্ষণ আমরা কিছু চাই, আমরা ভগবানকে তার জন্য উৎকোচ বা ঘুষ দিই। যেই আমরা কাওয়া জিনিয় পেয়ে যাই, আমরা তাঁকে ফেলে রাখি, যতক্ষণ না পরবর্তী বাসনা জাগ্রত হয়! আমাদের এইভাবে কাজ করতে শেখানো হয়েছে।

আচার-অনুষ্ঠানের বিষয়ে ফিরি। সেগুলির বিষয়ে কিছু নির্দিষ্টতা আছে। সেগুলি ছকে বাঁধা এবং তুমি জান যে তা ঠিক কখন শুরু করতে হয়, কখন শেষ হয়, কোথায় সেটা করতে হয় ইত্যাদি। আচার-আনুষ্ঠানের নিয়মগুলি তুমি পালন কর ও শেষে একই মানুষ হয়ে ফের। পুরো প্রক্রিয়ায় বেশ নিরাপত্তা আছে। তাই তা এত বেশি ছড়িয়ে পডেছে। যাই সুনির্দিষ্ট , তাই ছড়িয়ে পডে।

কিন্তু ধ্যানের বেলায় কি হয়? প্রথমত আচার-আনুষ্ঠানের তুলনায় ধ্যান খুবই সোজা বলে মনে হয়। লোকেরা আমায় জিজ্ঞাসা করে যে আমি আশ্রমে এত আচার অনুষ্ঠান করি কেন। আমি তাদের বলি , 'যদি আমি লোকেদের বলি যে আশ্রমে আস আর বটগাছের নীচে বসে ধ্যান কর, যা নাকি আসলে যথেষ্ট, তারা তা শুনবে না।'

যদি আমি মন্দির না বানাই, সেখানে প্রতিমা না রাখি, আমাকে হয়ত কেবল একাএকা বটগাছের নীচে বসে থাকতে হবে ও সেখানে ধ্যান করতে হবে!

মানুষকে অন্তর্যাত্রার দিকে প্রথম পদক্ষেপ নেবার জন্য আমাকে তাদের কিছু জিনিম দেখাতে হবে যা তাদের মনের ভিতরে আছে। আমাকে তাদের ভাষা ব্যবহার করতে হবে।

তারা বটগাছের নীচে 'দক্ষিণামর্তি' দেখে খুশী হবে। যদিও দক্ষিণামূর্তি ছাড়াই এই বটগাছের চারিদিকে যে শক্তিক্ষেত্র আছে তা সম্বন্ধে তারা মহানন্দে অনবহিত থাকবে। এই বটগাছ এক জীবন্ত শক্তি। তার নীরবতা এক স্পন্দনশীল নীরবতা। তার নীচে কেবল ধ্যানে বসলেই যথেষ্ট। তোমাকে কোন জটিল জিনিষ করতে হবে না। এখানে প্রতিটি পাতা ও ডাল কথা বলে।

দ্যাখো, যখন তুমি প্রতিমা পুজা করতে থাক, তোমাকে আরও বেশী করে অভিতের ঐকান্তিত সম্পর্কে সচেতন হতে হবে, এই অস্তিত্বের সাথেই তো তুমি প্রতিমা মারফৎ সংযোগসাধন করার চেষ্টা করছ েন তার করেই তুমি স্বতক্ষণের ক দেখতে শুরু করবে। তুমি বুঝবে যে কেবল এই প্রতিমাই নয়, সমগ্র সঙ্গি স্থিতিতে পর্ভবতী। তারপর তুমি সম্পর্শ অস্তিত্বের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে।

ধ্যানের বিষয়ে তুমি যদি সত্যা সহকারে প্রবেশ কর, তার পরিণতি সুনির্দিষ্ট নয়। ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন হতে পারে। তুমি হয়ত এক অন্য মানুষ হয়ে উদ্ভত হলে এবং তা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ লাগতে পারে। এটা জয়া খেলার মত। রূপান্তর ঘটনে শুরু হয়। আসলে তুমি এই রূপান্তরই খুঁজে বেড়াচ্ছ, কিন্তু যখন সেটা ঘটতে থাকে, তুমি ভয় পাও।

তুমি আচার-অনুষ্ঠানের সুরক্ষাতে আরামবোধ কর। আচার-অনুষ্ঠান তোমার দৈনন্দিন রুটিনের অংশ হয়ে যায়।

Section 2

যখন ধ্যান কর, তোমার সচেতনতা বৃদ্ধি পায় এবং যখন তা হয়, নিজের চারিদিকে যে বেড়া তুমি কল্পনা করেছিলে, যে বেড়া আসলে সমাজ তোমার চারপাশে লাগিয়েছিল, তা ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায় এবং তুমি নিজেকে বিদ্রোহীন মত মনে করা হয়েছ সমাজের বিরুদ্ধে নয়, কিন্তু তোমার নিজের অচেতন ও অজ্ঞ অবস্থার বিরুদ্ধে। এই বিদ্রোহী তোমাকে বিদ্রোহের কারণের আরও

গভীরে অনুসন্ধান করতে ঠেলে দেয় এবং তোমার জন্য আরও প্রশস্ত পথসমহ খুলে দেয়।

এইভাবে তুমি গভীর থেকে গভীরতর জায়গায় চলে যাবে, যেখানে তুমি আগে কখনও যাও নি; যে স্থান সম্বন্ধে সমাজ জানেই না; যে স্থান সর্বক্ষণ তোমারই ভিতরে ছিল, কিন্তু তালাবদ্ধ ছিল: এমন এক স্থান যেখানে প্রবেশ করার জন্য তুমি অজান্তে তার তালা খোলার জন্য চাবি খুঁজে চলেছিলে। যখন সেই জায়গা খুঁজে পেয়েছ, তুমি পৌঁছেছ!

এটা এরকম :

बक्के भवन क बने भारत मार्थ मणि मित्र वाँसा राजा राजार किंगन बार्मार्कन बुर घुवाण भारत। ल চারপাশে ঘরতে থাকে ও তার বদ্ধি দ্বারা সে সেই বত্ত সম্পর্কে পরিপক্ষ ও সচেতন হয়।

এখন দড়িটা একটু টিলা করা হ'ল, যাতে ব্যত্তর ব্যাসার্দ্ধ কিছু মিটার বাড়ে। তখন গরু আরও একটু বেশী জায়গায় ঘোরে ও আরও বেশী বন্ধিমান হয়। তারপর তাকে আরও জায়গা দেবার জন্য দুড়িটা আরও ঢিলা করা হয়।

গরুর বাড়ন্ত বুদ্ধি ও সচেতনতার ওপরে নির্ভর ক'রে এক সময়ে তাকে পুরোপুরি ছেড়েও দেওয়া যায়!

মানুষের ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার ঘটে। তার সচেতনতা যত বাড়ে, সে তত বেশী স্বাধীনতা উপভোগ করে এবং এই আবর্ত চলতে থাকে।

মাস্টার কিভাবে সাহায্য করেন

প্রশ্ন হ'ল যে তোমার শক্তির রূপান্তর ঘটানোর জন্য তুমি কতটা ইচ্ছুক।

কিন্তু সেটা যখন ঘটে, সমাজ তোমাকে বলবে যে তুমি দরে সরে যাচ্ছে। তোমাকে কেবল অস্তিত ও নিজের ওপরে বিশ্বাস রেখে সাহস করে এগিয়ে চলতে হবে।

এখানে, কোন পুন্তক বা ভাষণের চেয়ে একজন মাস্টার তোমার জন্য 'যোগ-দণ্ড' হয়ে সেবা করতে পারেন, যে দণ্ড বা লাঠি তোমাকে নিজের জন্য দাঁড়াতে সাহায্য করে। প্রতিবার তুমি যখন তোমার আধ্যাত্মিকতার পথে সমাজ হারা গ্রহত হয়েছ বলে মনে করেছ বা মনে করেছ যে তুমি সংখ্যাগরিষ্ঠের বিরুদ্ধে, মাস্টার তাঁর নিজের উপায়ে তোমাকে উঠিয়ে নেবেন ও তোমাকে এগিয়ে চলতে বলবেন।

তার মানে এই নয় যে তুমি মাস্টারের ওপরে নির্ভরশীল। এটা এরকম : তুমি কোন একটা জায়গায় রাস্তা খোঁজার চেষ্টা করছ। তোমার ওপরে ছেড়ে দিলে তুমি বহু জায়গায় সঠিক রাস্তার জন্য জিজ্ঞাসা করবে। কখনও হয়ত কেউ তোমায় ভুল পথ দেখাবে ও তোমাকে আবার আগের জায়গায় ফিরে আসতে হবে। অনেক সময় অপচয় করার পরে তুমি তোমার গন্তব্যস্থলে পৌঁছাও। হয়ত বহু সময় লাগল, কিন্তু সবশেষে তুমি পৌঁছে যাবে। কিন্তু তোমার কাছে একটা মানচিত্র বা একজন গাইড থাকলে কি হয়, ? তুমি কোন সময় অপচয় না করেই গন্তব্যস্থলে পৌঁছাবে! তার মানে কি এই যে তুমি ম্যাপ বা গাইডের ওপরে নির্ভরশীল? না। এটা ইতঃপূর্বেই তোমার খোঁজা জায়গাটায় গেছেন এবং তোমার গাইড হবার জন্য প্রস্তুত।

সাহস ও দৃঢ় প্রত্যয় দ্বারা এটা হয়

যখন তোমার কাছে কেবল উৎসর্জন আছে, কোন সন্দেহ নেই যে তুমি তোমার লক্ষ্যে পৌঁছুবার জন্য কঠিন পরিশ্রম করবে। কিন্তু যখন তোমার উৎসর্জনের সাথে সাহস থাকে, তুমি তোমার লক্ষ্যের দিকে এক ঝাঁপ দেবে। এই সাহস আসবে যদি তুমি অপরের मिटक ठाकाताना वक्त वर (वर (कवन निर्फन मिक्क मन्द्रव माथ रूनना कवा शुरू वा कवा शुरू वर निष्ठाक সচেতনভাবে প্রত্যক্ষ কর এবং নিজের মধ্যে আবশ্যক পরিবর্তনগুলি নিয়ে আস।

তোমাকে নিজের পথে দৃঢ় প্রত্যয়ের সাহস সহকারে দাঁড়াতে হবে। তোমার মধ্যে দুঢ় প্রত্যয়ের সাহস তখন তুমি নিজেকে অপরের সাথে তুলনা না করে দৃঢ়বূপে নিজেতে কেন্দ্রীত হও।

সমাজ তোমাকে টানার চেষ্টা করছে সমাজের চেনাজানা ছকের (pattern) ভিতরে, পরিচিত দ্বংখকষ্ট যা সে পরিচালনা করতে পারে তার ভিতরে, অনেক-চলা ও ক্ষয়গ্রাপ্ত পথেতে। এটা খুব সোজা এবং এই পথে আসতে সাহসের আবশ্যকতা হয় না। কিন্তু আধ্যাত্মিকতার কম-চলা পথে আসার জন্য সাহসের প্রয়োজন। যখন আমি সাহস বলছি, আমি সাধারণ সাহস বলছি না, আমি সম্পূর্ণ সাহস বোঝাচ্ছি।

জিপ্সি শুটি (gypsy bead) পরার জন্য সাহসের দরকার নেই, কিন্তু রুদ্রাক্ষ মালা পরার জন্য সাহসের আবশ্যকতা আছে। আমি

। । ।

। ।

যখন রূপান্তর ঘটছে, তখন অতীতের কিছুই একেবারে গ্রাহ্ণ কোরো না। অতীত বারবার তোমায় টেনে আনার চেষ্টা করবে আগের পরিচিত ছকে ও বন্দীদশাতে। যদি তুমি তার কথা শোন, তুমি নিজেকে বন্দীদশায় যাবার অনুমতি দিচ্ছ। কেবল পরমানন্দে থাকার সিদ্ধান্তকে আঁকডে থাক এবং তোমার মধ্যে যে রূপান্তর ঘটছে তাতে দুঃ প্রত্যয় রাখ। এটা তোমার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা, সম্পর্শ রূপান্তরিত হবার জন্য অধ্যবসায়ের পরীক্ষা। যতক্ষণ না রূপান্তর সম্পূর্ণ হয় ও পরিপক্ষ হয়, আঁকড়ে থাকা।

जन को कारण के बाद बना कर बना कर बन एक मालि वाला का कामाय भविष्ण करना कामान करें मुक्ति माथ মহাজাগতিক শক্তির জীবন্তু সংযোগসাধনই আধ্যাত্মিকতা। যখন তোমার ব্যক্তিগত চেতনা বিশ্বজনীন চেতনায় নির্মিত হয়, তম জীবনমুক্ত হও।

কেবল জীবনমুক হবার বাসনা থাকলে হবে না। সেটাকে সচেতন সিদ্ধান্ত হতে হবে। দ্যাপো, সাধারণ বাসনাগুলি হ'ল লোভ যা আসলে তোমাকে তোমার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে চালিত করে না। সচেতন সিদ্ধান্ত তোমাকে সফল হবার জন্য কাজ করাবে।

লোকেরা এইসব সঠিকভাবে বুঝতে পারে না এবং ভাসা-ভাসাভাবে কথা বলে। যখন তুমি ভুল বোঝ। কিন্তু তুমি ভাব যে তুমি ব্রবোছ এবং সেখানেই সমস্যার শুরু।

অবিরত লেগে থাক এবং তা হবে

আধ্যাত্মিকতা এক বিজ্ঞান যা আমাদের দেহ, মন ও আত্মা সম্বন্ধে গভীর উপলব্ধি দেয়। এতে সচেতন হয়ে প্রবেশ করলে বহির্জগত ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায়। যখন লোকেরা তোমায় বাইরে থেকে দেখে, তারা ভাবে তুমি ত্যাগ করছ। একমাত্র তুমিই বোঝ যে তুমি কিছুই ত্যাগ কর নি: বহির্জগতের জিনিষগুলি আপনা আপনি মিলিয়ে যাচ্ছে। মায়ার অন্তর্ধান হয় ও তুমি আর সম্মোহিত থাক না।

আমাদের এক প্রোগ্রামে আমি অংশগ্রহণকারীদের জিজ্ঞাসা করি যে তাদের মধ্যে যে আমি তাদের সম্মোহিত করেছি। আশী জনের মধ্যে তিনজন হাত তোলে। একটি মেয়ে হাত তুলল। পাশে বসা এক মহিলা মেয়েটিকে দেখে হাসল। আমি মহিলাটিকে হাসির কারণ জিজ্ঞাসা করলাম। মেয়েটি তো সততার সাথেই হাত তলেছিল।

আমি নিশ্চিত যে সেই দলে আরও অনেকে হাত তুলতে চেয়েছিল, কিন্তু আমি কি বলব তার ভয়ে আর হাত তোলে নি! যাই হোক, তিনজন হাত তুলেছিল। তাদের বললাম যে আমি তাদের সম্মোহন করি নি, কিন্তু আসলে তাদের সম্মোহিত অবস্থা থেকে বার করে নিয়ে আসছি।

তারা মায়া বা বিভ্রম অন্তর্ভব করতে শুরু করেছে। কিন্তু কি হয়, তুমি মায়ায় থাকতে এতই অভ্যন্ত হয়ে গেছ যে তা মুছে যেতে থাকলে, তুমি কিছু একটা ভুল হচ্ছে বলে ভাব! সমস্যা হ'ল, মানুষকে বেশী বেশী সত্য কথা বললে তাদের মধ্যে এক প্রকার ভয় ঢুকে যায়। যে আরাম তারা অজ্ঞতার আশ্রয়ে উপভোগ করছিল, তা কষ্ট পায়।

দ্যাপো, তোমার অজ্ঞতা যতটা মেটে, ততটা পরিমাণ ভগবান বা অস্তিত্ব তোমার ভিতরে ঢোকে। তুমি তোমার দৈনন্দি ন জীবনে যাই প্রচেষ্টা কর তা নিজেকে খালি করার দিকে চালিত কর, যাতে তুমি অস্তিত্বে ভরে যেতে পার। অন্য কোন প্রচেষ্টা নিছক নৈমিত্তিক ও নগণ্য। এটা মনে রেখ।

তোমার প্রতিটি শাসপ্রশ্নাস নিজের চেতনা প্রসারণের জন্য নাওয়া উচিৎ। একমাত্র তবেই তুমি অস্তিত্ব বা ঈশ্বরের অভিজ্ঞতা লাভ করার জন্য সত্যি সত্যি সচেতন সিদ্ধান্ত নিচ্ছ। তোমার মধ্যে এই দ্যু সঙ্গল্প না হওয়া পর্যন্ত তুমি অন্ধেশ করার ভাব করে যাবে , ব্যাস। তুমি সাদামাটাভাবে নিজেকেই ঠকাছ। এক মুহূর্তের জন্য কখনও ভেবো না যে তুমি অন্যদের ঠকাছ। তুমি নিজেকে ঠকাচ্ছ।

বাইরে না রেখে ভিতরে পদক্ষেপ রাখা শুরু করাই প্রথম ধাপ। ঘুরে দাঁড়ানোর সেই মুহূর্তটি সবচাইতে অর্থপূর্ণ। তুমি জানবে কখন তোমাকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে বা ইউ-টার্ন নিতে হবে। সেই সময় পর্যন্ত, জনতাকে, অবস্থাকে বা বহিজগতের পরিস্থিতিকে, নিজেকে একীভূত করতে না পারার কারণ হিসাবে দেখিয়ে তোমার মন নানা কৈফিয়ৎ দিতে থাকবে। একবার ইউ-টার্ন নিলে এই সমস্ত চিন্তাসমুহ তাৎপর্যইনতায় নির্মজ্জিত হয়ে যাবে। তারা ধীরে ধীরে তাদের প্রাধান্য হারাবে। চিন্তাগুলি সেখানে থাকবে, কোন সন্দেহ নেই, কিন্তু তাদের দিকে ভুক্ষেপ না করে তুমি সহজেই নিয়মিতভাবে এগিয়ে চলবে। চিন্তাগুলি তাদের কাজ যথাযথ করে যাবে, কিন্তু সেগুলি তোমাকে আরও বাস্তবিক প্রত্যক্ষদর্শী হতে সাহায্য করবে।

প্রথম পদক্ষেপ বা ঘুরে দাঁড়ানোই সবচেয়ে কঠিন কাজ। ঘুরে দাঁড়ালেই অর্ধেক কাজ হয়ে যাওয়া। তখন তুমি অজিতের পথে আরও নমনীয় হও।

যখন তুমি ইউ-টার্ন নাও সবকিছু ধ্যান হয়ে যায়। হাঁটা, কথা বলা, গান করা, নাচা, কাপড পড়া, সবকিছুই ধ্যান হয়ে যায় এবং তা করা হয় বর্দ্ধিত সচেতনতা সহকারে।

তুমি কেবল নিজেকে এসব করবে এবং আন্তে আসে আন্তে বুঝবে যে সম্পূর্ণ বিশ্ব একটা মায়া বা ভ্রম। তুমি যখন ভিতরের দিকে প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছ, বস্তুত তুমি এক লাফ দিয়েছ, কারণ প্রথম ধাপের জন্যই আসল লাফ দরকার। তার আগে পর্যন্ত তুমি দর্শনশাস্ত্রের কথা বলবে, অন্যদের ও নিজেকে বোঝাবে যে তুমি অনেষণ করছ; এদিকে দিনের পর দিন দাসঙ্গল্প দ্বর্ল হয়ে যাবার জন্য সবকিছু আরও গুলিয়ে ফেলতে থাকবে।

যখন তুমি প্রথম পদক্ষেপ নাও, তুমি নিজেকে জয় করার জন্য প্রস্তত। অপরকে জয় করা খুব সোজা - কেবল কিছু অস্ত্রশস্ত্র নাও বা জিহ্বা ব্যবহার কর এবং তাদের ধ্বংস কর, ব্যাস। কিন্তু নিজেকে জয় করতে প্রকৃত সাহস লাগে। এই বিশ্বদ্ধি চক্র হ'ল নিজেকে জয় করা সম্বন্ধে।

Section 3

यथन जूसि सितंबर अन्य कुलाव जया कवाद जना देवनी जवगारे यथन चिकव्यव भारत कुल जार আশেপাশের লোকেরা ধরা-ছোঁয়ার মধ্যে কিছুই জানতে পারবে না। কেবল তুমি বুঝতে পারবে, যা হচ্ছে সব ভিতরে, বাইরে নয়। তোমার ভিতরে ঘটা বিপ্লব সম্পর্কে তুমি কেবল সজাগ থাকবে। কেবল তুমিই তোমার ভিতরে বিকাশমান বুদ্ধি সম্পন্ধে বলতে পারবে।

তোমার যে অভিজ্ঞতাগুলিতে আনন্দ পাচ্ছ তা আশেপাশের লোকেরা বুঝতে পারবে না। আমি তোমাদের বলি : তুমি যে ভিতরে বিকশিত হচ্ছ তা অন্য কাউকে কখনও বোঝাতে যেও না। নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে তুমি তোমার আধ্যাত্মিক বন্ধুদের সাথে আলোচনা করতে পার, যারা তোমার মানানসই হয়। কিন্তু সেই অভিজ্ঞতা তুমি যদি এমন কারো সাথে আলোচনা করে যে এই অন্তর্দেশ-যাত্রা সম্পর্কে অচেতন, তোমারই অনেক কষ্ট হবে।

তোমার ভিতরে অভিজ্ঞতাগুলি ঘটতে দাও; তাদের ধরেও থেকো না আবার তাদের পিছনে দৌড়িও না। তাদের তোমার ওপরে বাংলার মত কাজ করতে দাও যাতে তুমি পুরোপুরি সিদ্ধ হও। তাদের ধরে রাখলে তুমি কোন সময়ে নিশ্চল হবে এবং পুরো জিনিষ্ঠাই হারিয়ে ফেলবে।

মনে রেখ, তুমি যে অন্তর্যাত্রায় গমন করেছ, এই সকল অভিজ্ঞতা তারই লক্ষণ। সেখলি রাস্তায় দেখা সাইনবোর্ডের মত। তুমি কি সাইনবোর্ডে থেমে যাও আর বল যে গন্তব্যস্থলে পৌঁছেছ? না। তাদের আঁকড়ে থেকো না। লক্ষের দিকে এগিয়ে চল।

সম্পূর্ণ অঙ্গীকার ও দ্যুসংকল্প আবশ্যক এবং তা স্বতক্ষলভাবে আসবে যখন তুমি প্রস্তুত হও; যখন তুমি মন অর্থাৎ সমাজকে ফেলে দিয়ে হৃদয় সহকারে জীবন্ত থাকতে প্রস্তুত হও; যখন তুমি যে কোন পরিস্থিতিতে অন্যের দিকে অঙ্গুলিনির্দেশ করা বন্ধ করে নিজের দিকে নির্দেশ করতে প্রস্তুত হও; যখন তুমি অভিজ্ঞতা দ্বারা শেখ যে তোমার মন হ'ল সামাজিক এবং তোমার হৃদয় হ'ল প্ৰাকৃতিক।

আবার যখন লোকেরা তোমার অভিজ্ঞতার প্রমাণ চায়, একদম বুঝে নাও যে তাদের তা প্রমাণ করার কোন দরকার নেই। তোমার অভিজ্ঞতা এতই প্রগাঢ় ও নিজস্ব যে তুমি তা কার্যকরভাবে অপরকে বুঝিয়ে উঠতে পারবে না। বস্তুত যদি তুমি তা অপরকে বোঝাতে যাও, তুমি তোমার পুরো অভিজ্ঞতাকে নামিয়ে আনবে। আবার অন্য মানুষটিরও তোমার কথা বিশ্বাস করার ইচ্ছা নাও থাকতে পারে। তারা হয়ত তোমাকে বলবে যে তুমি নিজে কে বিভ্রান্ত করছ। তারা হয়ত পুরো জিনিষ্টা তোমায় যুক্তি দ্বারা ব্যাখ্যা করতে বলবে।

যুক্তি এইসব অভিজ্ঞতাগুলিকে ব্যাখ্যা করতে পারে না। ভগবান যুক্তির উদ্ধে। যদি যুক্তি ভগবানকে বোধগম্য করাতে পারত, তবে তো যুক্তি ভগবানের চেয়ে শ্রেষ্ঠতর হয়ে তা তো একদমই হতে পারে না! তাই স্বস্তিতে থাক এবং তোমার ভিতরে অভিজ্ঞতাগুলি হতে দাও। যদি তোমায় কেউ প্রশ্ন করে, কেবল মদ্দ হেসে এগিয়ে চলার পরিপক্ষতা রাখ। একটু মতুহাসি অনেক কথার চেয়ে বেশী বুঝিয়ে দেবে।

মহান জীবনমুক মাস্টারেরা অস্তিত্বের সাথে যোগাযোগ করে পরমানন্দ অভিজ্ঞতা করেছি লেন। লোকেরা আমায় নিজস্ব অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে বলে। কিন্তু তোমাদের বলি, এগুলি এতই ব্যক্তিগত ও প্রগাঢ় যে তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। আমি তোমাকে গাইড করতে পারি; আমি তোমাকে পথ দেখাতে পারি - অভিজ্ঞতা লাভের জন্য তোমার পথ। যেই মুহূর্তে আমি তা ব্যাখ্যা করা শুরু করি, তা নীরস হয়ে যাবে।

কিন্তু আমি তোমাদের সর্বোচ্চ প্রতিশ্রুতি দিতে পারি যে তুমি তা অভিজ্ঞতা করবে , যদি তোমার ভিতরে সেই আগুন থাকে। তোমার

তা পাবার জন্য মাস্টারের দেওয়া প্রতিশ্রুতিই যথেষ্ট শক্তি।

তোমার ধ্যান ও আধ্যাত্মিকতার প্রশ্নের উত্তরে আমি এত কথা বললাম। তোমরা মনে করতে পার যে আমি প্রকৃত বিষয় থেকে দুরে সরে যাচ্ছি। না। এই বিশুদ্ধি চত্র নিজেকে প্রসারিত করার বিষয়: জীবনে তলনা ও ঈশ্বার যে কোন স্থান নেই সে সম্পর্ক সম্পর্শ সচেতন হয়ে ও উপলব্ধি ক'রে তোমার অনন্য সত্যকে আবিষ্কার করার বিষয়। আমি যা বলছি সেটাকে অনুরো প্রকাশ করাও এবং সেটার পিছনের শক্তিকে তোমায় রূপান্তরিত করতে দাও। আমি বলছি, তোমার ভিতরে অলৌকিক ঘটনা ঘটতে পারে! তা তোমার সম্পর্শ সত্তার গুণমান পরিবর্তিত করে দেবে।