Books / Guaranteed Solutions For Lust Fear Worry... Bengali merged

36. ঈর্ষাকে কিভাবে জয় করা যায়?

# ঈর্ষাকে কিভাবে জয় করা যায়?

র্মা কোরো না বললে তুমি কখন কে বলে তার বে না। কেবল তুমি যদি পুরো ব্যাপা রটায় সচেতনতা নিয়ে আস এবং গভীরভাবে বোঝা, তবেই সাহায্য পাবে।

ঈর্ষা দমন করার জন্য দেখ যে ঈর্ষা তোমার ভিতরে কিভাবে এসেছিল। যে চিন্তা ও ভাবনাগুলি তোমায় ঈর্ষার দিকে নিয়ে গেছে, সেই চিন্তা ভাবনাগুলির অনুক্রম বিশ্লেষণ কর।

শীঘ্ন বুঝতে পারবে যে ঈর্ষা, বস্তু বিনা ছায়ার মত এবং ঈর্ষা তোমায় নিদেরুণ যন্ত্রণা দিচ্ছে। কারো জীবনে ঈর্ষা থেকে মুক্তি হল এক মহান মুক্তি।

দ্বিতীয়ত, তোমার ঈর্ষার বস্তুটিকে নিন্দা কোরো না। কেবল ঈর্ষার বস্তুটিকে দোষ দিয়ে তুমি ঈর্ষায়ুক্ত হতে পারবে না।

ইউরি বস্তুটিকে নিন্দা করে তুমি হয়ত সেই বস্তু থেকে মুক্ত হবে, কিন্তু তুমি আরও অন্য কোন স্বর্গার বস্তর সাথে জড়িয়ে পড়বে, ব্যাস। এটা যেন 'আঙুর ফল টক' বলে আরেকটা আঙুর-রাগানে চলে যাওয়া! তাই ঈশ্বার বস্তু থেকে মুক্তি পাওয়া সমাধান নয়। তোমাকে কর্তার ওপরে কাজ করতে হবে আর সেই কর্তা হ'ল 'তুমি।'

যদি তুমি মনে কর যে তুমি একটি আবেগের বশীভূত এবং সেই আবেগ থেকে তুমি ছাড়া পেতে চাও কারণ তুমি বুঝেছ যে সেই আরেগ তোমার অগ্রগতির সহায়ক নয়, তাহলে সেই আরেগকে বাধা দিলে তুমি সেই আবেগে আরও শক্তি প্রদান করবে। যখন তুমি বল যে 'আমার ঈশ্বাসা' তার কার্যালয়ের সামনিকে একই ক্ষমতা প্রদান করবে, যতটা কমতা তুমি 'আমার উচিত নয়' কথায় দাও।

তার পরিবর্তে নিজেকে বল, 'আমি যেন সবার প্রতি সর্বদা করুণাময় হুই।' কখনই 'ঈশ্বা' শব্দটা ব্যবহার কোরো না। এই প্রসঙ্গে কেবল কিছু সম্পূর্ণভাবে সকারাত্মক শব্দ ব্যবহার কর, ব্যাস।

আবার, ঈর্ষাকে না এড়িয়ে বা তার থেকে পালিয়ে না গিয়ে, তার মধ্য দিয়ে সম্পর্ণ সচেতনতার সাথে যাও। যখন তাকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা কর, সে অন্য কোন সময়ে আগের চেয়ে বেশী তীব্রভাবে তোমার মুখোমুখি হবে। কেবল মনে রেখ যে ঈর্ষা তামার বাস্তব প্রকৃতি নয়। সমাজ তোমাকে ঈর্ষাপরায়ণ হতে শিখিয়েছে।

সংখ্যা তোমার আসল রূপ নয়। এটা বুঝতে পারলে তুমি ঈশ্যান করবে। যখন তাকে পরিহাস করতে পার, তার মানে তুমি ঈর্ষার অংশ না হয়ে তাকে প্রত্যক্ষ করেছ। আর যেই নিমেষে তুমি প্রত্যক্ষদর্শী হও, তোমার পক্ষে যে কোন জিনিষের ঊর্ধ্বে চলে যাওয়া সহজ হয়।

এছাড়া, যদি তুমি দেখ যে সম্পূর্ণ অভিযু এক ঐশ্বরিক খেলামাত্র, তুমি ঈর্ষাপূর্ণ ভাবনাকেও এক ঐশ্বরিক খেলা হিসাবে দেখবে।

যদি বোঝ যে তমি অনন্য এবং তোমার মত এই বিশ্বে কেউ নেই, তখন তোমার তলনা করার স্বভাবকে অর্থহীন মনে হবে এবং স্বতশ্চলভাবে তোমার ঈর্ষার ভাবনা বন্ধ হবে। সর্বদা মনে রেখে : অস্তিত্ব সবাইকে ও সব বস্তুকে সমানভাবে ভালবাসে।