Books / Guaranteed Solutions For Lust Fear Worry... Bengali merged

35. প্রশ্ন : আমরা অধিকার করার মনোভাব ও ঈর্ষাপরায়ণতা কিভাবে কাটিয়ে উঠতে পারি?

# প্রশ্ন : আমরা অধিকার করার মনোভাব ও ঈর্ষাপরায়ণতা কিভাবে কাটিয়ে উঠতে পারি?

হ্যাঁ, কিভাবে তাদের থেকে রেহাই পাই? বাস্তবিক তুমি এই প্রশ্নটি করেছ মানে তুমি উচ্চতর উপলব্ধির জন্য প্রস্তুত।

মানুষকে কখনও অধিকার করা যায় না। যখন কাউকে অধিকার করতে চেষ্টা আসলে তাকে এক বস্তরূপে নামিয়ে আনো। তুমি মানুষটিকে মৃত বস্তু বানিয়ে দেখা কেবল মৃত জিনিষ অধিকার করা যায়। যদি তুমি এটা বোঝ, তুমি অধিকার করার বাসনা ও তার থেকে উৎপন্ন ঈর্ষা থেকে মুক্ত থাকবে।

তুমি কি একটি নদীকে অধিকার করতে পার? তুমি যদি নদীর জলকে হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে নদীকে অধিকার করতে চা ও, তুমি বোকার মত কাজ করবে, তাই নয় কি? একই প্রকারে মানুষকে অধিকার করতে চেষ্টা কোরো না; তারা যেমন সেভাবে উপভোগ কর এবং তুমি ঈর্ষাকাতরতার দঢমটি থেকে মুক্ত হবে।

यथन बनका मानुष्क वर्षिकाव कवरण या उन्होंने बाहरी करिया का कारण करिया कुल जाणान मुल जनना जान ওপরে অভিক্ষেপ করবে। তাকে তোমার অভিক্ষিপ্ত ভাবনাগুলি অবলম্বন করে কাজ করতে হবে। সে নিজেকে বন্দী ভাববে। সে তোমার জন্য তার স্বাভাবিক সত্তায় থাকতে পারবে না। তখন সেটাকে আর কোন সম্বন্ধ বলা চলে না!

যদি তুমি সত্যিই কাউকে ভালবাসো, তাকে অধিকার করতে যেও না। তার ওপরে কোন টান বা আসক্তি ছাড়াই তাকে ভালবাসো।

একটা গল্প মনে আসছে :

দক্ষিণ ভারতে এক দূরের গ্রামে সভ্যতা আছে বলে কোন ধারণা ছিল না। সেই গ্রামে এক বয়স্ক দম্পতি ছিল। সেই গ্রামে প্রথমবার একটি মেলা বসল। লোকটি মেলায় গেল এবং সেখানে নানা রকম জিনিম দেখল। সে একটি আয়না তুলে দেখল এবং অবাক হয়ে গেল! সে তার জীবনে কখনও আয়না দেখে নি। সে একটি আয়না ঘরে নিয়ে এল। প্রায় সে আয়নাটাকে বার করে দেখত ও তার বউ দেখার আগে সেটাকে রেখে দিত। তার বউ ব্যাপারটা লক্ষ্য করেছিল এবং একদিন লোকটি ঘর থেকে বাইরে গেলে তার বউ আয়নাটি নিয়ে দেখল। বউ অবাক হয়ে বলল, 'আরেকটি মহিলা! আমি যা ভেবেছিলাম!'

অধিকার করার বাসনা ও ঈশ্চাকাতরতার জন্য আমাদের কল্পনার কোন শেষ নেই।

অবশ্যই তুমি বলতে পার, 'স্বামীজী, আমার স্বামী বা স্ত্রী অন্য কারো পিছু নিলে আমি কিভাবে চুপ থাকব ?' যদি তোমার স্বামী বা

স্ত্রী সত্যিই অন্য করোর দিকে আকর্ষিত হয়, ঘটনাটির দিকে সচেতনভাবে তাকাও এবং ব্যাপারটা তোমার স্বামীর সাথে সমাধান করে নাও। এই ব্যাপারটা অধিকার করার প্রবণতা থেকে আলাদা।