Books / Guaranteed Solutions For Lust Fear Worry... Bengali merged

27. প্রিয়জন হারাবার ভয়

# প্রিয়জন হারাবার ভয়

তুমি প্রিয়জন মরে যেতে পারে বলে ভয় পাও, তার একমাত্র কারণ তুমি ভাব যে সেই সম্বন্ধকে তোমার জীবনে তুমি পুরোপুরি ন্যায়তা প্রতিপাদন করা নি। তুমি অনুভব করে যে সেই সম্বন্ধতে সম্পর্শভাব ছিল না, তাই তুমি বিচ্ছেদের জন্য প্রস্তুত নও। শারীরিক বিচ্ছেদ ভয়ের এক অভিমুখ। আসল কারণ হ'ল সম্বন্ধে পূর্ণতার অভাব।

সম্বন্ধে 'ন্যায্যতা প্রতিপাদন করা' কথাটি বলা হ'ল কারণ তোমাকে সর্বদা শেখানো হয়েছে অপরের জন্য বাঁচতে, তাদের প্রয়োজন ও বাসনা পরণ করার জন্য বাঁচতে। আর যদি তা না কর, তুমি অপরাধবোধ ও ভয়ের আবর্তে ঢুকে পড়। যদি তুমি সম্পর্ণতার সাথে বাঁচ, সমাজের খেলা একদম স্পষ্ট ভাবে বোঝ, তুমি কখনই এইসব বাধ্যবাধকতায় জড়িয়ে যাবে না।

তুমি সম্পূর্ণতার সাথে বাস করতে পারে সম্মেল্ডলিতে ভালবাসা হারাবে না। যদি সম্পর্শভাবে বাঁচ . লেনদেন সম্মদ ছাড়া অপরের দিকে প্রেমশক্তি বিক্রীরণ করতে বাঁচ, তাহলে অপরাধবোধ ও ভয়ের কোন জায়গাই থাকবে না। যদিও মানুষটি মারা যায়, তুমি তার প্রতি প্রেম অনুভব করতে থাকবে, বিচ্ছেদের ভীতি কখনই থাকবে না।

একে অপরকে হারাবার দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের জন্য সম্বন্ধ প্রায়ই ক্ষতিগ্রন্ত হয়। তুমি যদি গভীরভাবে কোন সমন্ধে যুক্ত ভয়কে

বিশ্লেষণ কর, বুঝবে, যেহেতু আমাদের সম্বন্ধ কেবল লেনদেনের সম্পর্কের মত, তাই এই ভয় পরিব্যাগু।

স্থানী-স্ত্রীর মধ্যে একটা ভয় থাকে বে একজন বিবাহের বাইরে সম্বন্ধ শুরু করতে পারে। মা-ছেলের মধ্যে একটা ভয় থাকে যে ছেলে বিয়ের পর মায়ের থেকে বউকে বেশী যত করা শুরু করতে পারে। বাবা-ছেলের মধ্যে ভয় থাকে যে বাবা তার সম্পত্তি ছেলেকে নাও দিতে পারে অথবা ছেলে পরিবারের মর্যাদা নাও রাখতে পারে।

এইভাবে আমাদের যে কোন সম্বন্ধে একটা মূল প্রত্যাশা আছে যেটাকে পরিতপ্ত করতে হবে ও সুরক্ষিত রাখতে হবে এবং তা থেকেই ভয়ের উৎপত্তি। কিন্তু তুমি কোন সম্বন্ধেই পুরোপুরি পরিতৃপি দিতে পার না। যে মানুষটি পরিবারে সবাইকে সন্তক্ষিপত্তা করতে চেষ্টা করছে, সে ব্যর্থ হবেই।

এটা বোঝ : ভয় সবসময় কয়েদ করে, কিন্তু প্রেম সর্বদাই মক্ত করে। কিন্তু সমাজ তোমার ভিতরে ভয় না ঢকালে তুমি সমাজকে শুনবে না এবং তাই সে তোমার ভিতরে যথাসম্ভব ভয় ঢুকিয়ে দেয় - নিরাপত্তাহীনতা, আইনকানন, পজা এসব মারফৎ।

ভয়ই সম্মন্ত্রণালয় বাবা করে। ভয় আমাদের বেশীরভাগ কাজ ও ভাবনার ভিত্তি। সর্বাধ, লোভ - এই আবেগগুলির মূল হ'ল ভয়। কিন্তু আমরা সে সম্পর্কে সচেতন নই। আমরা জানি না যে ভয় এই সবগুলির উৎসের কারণ। সেটাই সমস্যা। আচরণগত দিক থেকে তাই আমরা অন্ধকারে পডে থাকি। সম্বন্ধুপুলি তাই জটিল হয়ে পডে।

এটা বোঝ যে প্রেম ও ভয় কখনও থাকতে পারে না। সম্বন্ধে যদি পরিত্র প্রেম থাকে, সেখানে ভয় থাকে, সেখানে ভয় থাকে, সেখানে ভয় থাকবে না। যদি ভয় থাকে, তবে পবিত্র প্রেম কখনই থাকবে না। সম্মন্ধে ভয় থাকা মানে কোন কায়েমি স্বার্থ আছে। তখন সম্বন্ধে আছে কোন উদ্দেশ্য বা কোন অভীষ্ট লক্ষ্য বা বিনিময়ে নিরাপত্তা ও বাসনা পরণের প্রত্যাশা।

আমরা সমস্ত সম্বন্ধে নিরাপতা খুঁজি। আমাদের জীবনটাকে গুছিয়ে নেবার জন্য কিছু নিরাপত্তা চাই । এটা এক প্রকার কারাবন্ধন যা আমরা উপভোগ করি। লোকেরা স্বাধীনতার কথা বলে, কিন্তু আমি তোমাদের বলি, তারা স্বাধীনতাকে ভীষণ ভয় পায়! তারা কেবল কয়েদ পছন্দ করে। কারাগারের আরামদায়ক ব্যবস্থায় তারা নিজেদের স্বাধীন ভাবে।

একটা ছোট গল্প :

একটি ছোট মেয়ে তার বাবাকে একদিন জিজ্ঞাসা করে, 'বাবা, গ্যারান্টি শব্দটার মানে কি?' বাবা বলে. 'তার মানে কোন একটা জিনিষ ভাল করে তৈরি করা হয়েছে ও সেটা বহুদিন চলবে।' সেই রাতে ঘুমাতে যাবার আগে মেয়েটি বলে উঠল, 'শুভরাত্রি, গ্যারান্টি করা বাবা!'

আমরা সবাই জীবনে লাগাতার নিরাপতা চেয়ে আসছি। কিন্তু আমরা স্বাধীনতা খুঁজছি। সত্যি যদি স্বাধীনতা চাই, আমরা নিরাপত্তা খুঁজছি কেন? ভয় কেন? যতক্ষণ তোমার ভিতরে ভয় আছে, তুমি নিরাপত্তা খুঁজবে এবং তখন স্বাধীনতা চাই বলে তুমি নিজেকে কেবল বিভ্রান্তই করবে।

একজন মাস্টার তোমাকে জীবনের ঘোর নিরাপতাহীনতার দিকে ঠেলে দেবেন। একমাত্র তিনিই তোমাকে সম্পর্ণরূপে স্বাধীনতা প্রদান করেন। তাই তাঁর সাথে তুমি প্রথমদিকে নিরাপত্তাবোধ কর না , তুমি ভয় পাও। স্বাধীনতা ভয় সঙ্গি করে।

অন্যান্য সম্মন্ধ তোমার নিজেকে কখনই ঘোরতর নিরাপত্তাহীন মনে হবে না কারণ সেখানে সর্বদাই লোভ, ভয় ও কোধের টানাপোডন আছে আর সম্বন্ধ বিষয়ক এই আবেগগুলির সাথে তুমি খবই পরিচিত। কিন্তু মাস্টারের সাথে তুমি একেবারে সাধারণ তাই তুমি ভীত হয়ে পড়।

একটা ছোট গল্প :

একজন মানুষ ২০ বছর কারাগারে ছিল। ছাড়া পাবার দিন তাকে খুব চিন্তিত ও উদ্বিগ্ন দেখাচ্ছিল। জেলের ভিতরে তার বন্ধু জিজ্ঞাসা করে, 'কি ব্যাপার? তুমি এত চিন্তিত কেন?' লোকটি উত্তর দেয়, 'আমার ভয় লাগছে। ছাড়া পেয়ে বাইরে গিয়ে আমি কি করব?'

কারাগার মানুষটির মনে এইপ্রকার একটা নিরাপত্তার ছক সুষ্টি করেছে যে সে জেলের বাইরে বেরিয়ে কি করবে তা বুঝতে পারছে না! ছক (pattern) ও নিরাপত্তায় আটকে যাবার এটাই বিপদ।

মাস্টার কখনও তুমি যে নিরাপত্তা চাইছ তা দেবেন না। তিনি কখনও তোমার চাওয়া নক শা (প্যাটার্ন) তোমায় দেবেন না। যখন তোমার চাওয়া নিরাপত্তা পাও না, তুমি নিজেকে গভীরে কেন্দ্রিত করে বিকশিত হও। তুমি ভয়হীন হয়ে বিকশিত হও কারণ তুমি

রঝে ফেল যে তোমার হারাবার কিছুই নেই। আর যখন তুমি জান যে হারাবার কিছুই নেই, তুমি নির্ভর হও।

কিছুই যে হারাবার নেই তার জন্য মাস্টার তোমাকে যোগ নিরাপত্তাহীনতার দিকে ঠেলে দেন। তোমার প্রতি অগাধ করুণা ও তোমার বিকাশের গভীর চিন্তার জন্য তিনি তোমাকে নিরাপত্তা প্রদান করেন না। তুমি যখন নীরস নিরাপত্তা পাও না , তুমি ভগবান লাভ কর!

তোমার সমস্ত ভয়ঙলির কারণ হ'ল তুমি পরিষ্কার করে জান না যে হারাবার জন্য কিছুই নেই। মৃত্যুর নির্কটি একমাত্র একটি च को कारण कर राज शासनाव जना कि रूप कि राज को कि कि विश्व को किस्तार को किस्तान को किस्तान करना कर रहे हैं। बाल कर रहे हैं कि कि क করে তোমাকে এই অভিজ্ঞতা দেন।

তাই মাস্টারের কাছ থেকে পালিয়ে যেও না। বোঝা যে তিনি এখানে আছেন কেবল তোমাকে দেখাবার জন্য যে তুমি আসলে কে। তোমার স্বাভাবিক প্রকৃতি হ'ল ভয়হীনতা। বছরের পর বছর তোমার ভিতরে ভয় ঢোকানো হয়েছে। তুমি নিজেকে যেসব নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় নিয়ে গেছ, মাস্টার সেগুলিকে ভাঙ্গার চেষ্টা করেন। তুমি বিশ্বাস ও প্রেম সহকারে তাঁকে তোমার ওপরে কাজ করতে দাও, তুমি তোমার চোখের সামনে নিজেকে রূপান্তরিত হতে দেখবে।

আমার এক পরিচিত স্বামীজী সম্বন্ধে তোমাদের বলি :

এই স্বামীজীর ঘরে অনেকগুলি ঘডি ছিল এবং প্রত্যেকটি ঘডি আলাদা আলাদা সময় দেখাত!

একদিন আমি তাঁকে সে সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলাম।

তিনি উত্তর দিলেন, 'সময় আমার মাস্টার নয়। আমিই মাস্টার! আমার যে সময় চাই, সেই মত আমি ঘড়ি পছন্দ করি।'

এই স্বামীজী আগে থেকেই ঠিক জানতেন করে ও কখন তিনি দেহ ছেড়ে যাবেন। মত্যুর আগের দিন তিনি সব শিষ্যদের তাঁর সামনে ডেকে ঈশ্বরবদ্দনা করতে বললেন। একজন গায়ক তার গান গাইবার সামর্থ্যের জন্য খুব উদ্বত ছিল। সে এই উপলক্ষে গাইল না। প্রথা অনুযায়ী স্বামীজী একটা কাগজে কিছু লিখে তাকে পাস করে দিলেন। শিয়্যটি া কৰিছিল। তেওঁ পাৰে তাৰ কোনো বিশেষ গান গাইতে বলা হয়েছে। সে যখন কাগজটি খুলে দেখে দেখল স্বামীজী লিখেছেন, 'দয়া করে আমি মরবার পরে গেয়ো না।'

এমন কি তাঁর মত্যশয্যাতেও তিনি রসিক মেজাজে ছিলেন !

পরে রাত্রিবেলা তিনি তাঁর শিষ্যদের অনাথদের ভাল করে দেখাশুনা করার নির্দেশ দিলেন। তিনি বললেন, 'বিশেষত আগামীকাল তোমরা সবাই আমার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় ব্যস্ত থাকবে; কিন্তু এই শিশুদের খাবারের বন্দোবস্ত করতে ভলে যেও না!'

শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত যাদের ছেড়ে যাচ্ছেন তাদের সম্পর্কে তাঁর করুণা ছিল। পরদিন সকালে ঠিক যে সময় তিনি আগে বলেছিলেন, ঠিক সেই সময়ে তিনি সবাইকে নমকার জন্য হাতজোড় করলেন ও তারপর তাঁর হাত পড়ে গেল, একদম নাটকের মত।

কত সুন্দর, শান্ত ও সাহসী ভাবে মৃত্যুর মুখোমুখী হওয়া। এইভাবে আমাদের মত্যুর কাছে যাওয়া উচিৎ এবং এইভাবেই আমাদের পরিজন ও আত্মীয়দের মৃত্যুকেও গ্রহণ করা উচিৎ। এটা বুঝলে তোমার ভয় সম্মন্ধে ভাবনা ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাবে , কারণ আমি यामन घाटन बटनकि, जयुन जिलि र'ल सज्य निर्ज़्ड।

প্রশ্ন : স্বামীজী, ভয় কি সাধারণত স্ত্রীজাতির সাথে বেশী সংযুক্ত?

উত্তর : পুরুষেরা প্রধানত যৌনকামনার বন্ধনে এবং স্ত্রীজাতি প্রধানত ভয়ের বন্ধনে আটকে থাকে। বাস্তব হ ল, তারা দুজনেই এটা জানে ও পরস্পরকে নিজের স্বার্থের জন্য যথাযথ ব্যবহার করে!

পরুষ জানে স্বীজাতির দুর্বল জায়গাটা টিক কোথায়। সে তার নিরাপত্তা ও ভয়বোধ নিয়ে খেলা করবে ও তাকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করবে। একইভাবে মহিলা জানে পুরুষের চাবিকাঠি কোথায় ! মহিলা তার খেলবে ও পুরুষকে নিজের সার্থে ব্যবহার করবে। বিবাহে সর্বদাই এটাই হয়ে আসছে।

আসলে হিন্দু বিবাহের সময়, স্বামী ও স্ত্রী পরস্থারের কাছে শপথ নেয় যে তারা এই জীবনে আরও কর্ম পুঞ্জীভূত না করে অপূর্ণ কাজ ও বাসনাগুলি স্বছন্দে মিটাবার জন্য কাজ করবে – একে অপরের কর্ম নিঃশেষ করার জন্য কাজ করবে।

কিন্তু আজকাল মানুষেরা জানেই না যে তারা বিয়ের সময় এই শপথ নিয়েছিল, কারণ বিবাহ তো তারা করছে না। কেবল

। কল্পনায় তারিি োরথ গভীি েরিতনতা ও শান্তভাব েহকারি মুরিামুিী হও। েতযেবৎ । ।