Books / Guaranteed Solutions For Lust Fear Worry... Bengali merged

17. প্রশ্ন : স্বামীজী, আপনি বলছেন যে আদর্শ সঙ্গী বলে কিছু নেই। তাহলে বিবাহের আগে জেলার করে আদর্শ জু ড়ি খোঁজা হয় কেন?

Section 1

প্রশ্ন : স্বামীজী, আপনি বলছেন যে আদর্শ সঙ্গী বলে কিছু নেই। তাহলে বিবাহের আগে জেলার করে আদর্শ জু ড়ি খোঁজা হয় কেন?

উত্তর : এখন যদি এই বিষয়ে বলা শুরু করি তাহলে আমাকে জ্যোতিষশাস্ত্রের কাঠামোটাকে নীচে নামিয়ে আনতে হবে। আজকাল আমরা যেভাবে তাকে অনুসরণ করি তা বোকামি ও অর্থহীন।

বোঝ, এটা তোমার জীবন। তুমি এটাকে ধারণ করেছ, তার ভালমন্দ তোমার জানা উচিৎ। কিন্তু তুমি নিজের জীবন সম্পর্কে কিছুই জান না এবং তাই তুমি অপরের কাছে জিজ্ঞাসা কর! তোমার বুদ্ধি কোথায়?

একজন আগন্তকের কাছে নিজেকে সমর্পিত করা ও তাকে তোমার জীবনের দিকনির্দেশ করতে দেওয়া, এসব দেখায় যে তমি নিজের জীবন চালাতে জান না। তোমাকে নিজের জীবনের জন্য দায়িত নিতে হবে।

যখন লোকেরা তাদের ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে প্রশ্ন নিয়ে আমার কাছে আসে, আমি তাদের বলি : তোমার ভবিষ্যৎ বলার জন্য আমার কাছে এসো না। তোমার ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য কাছে এলো। সমস্ত ভবিষ্যৎবাণী দুর্বলচিত্তের জন্য এবং সেটা স্বচ্ছভাবে ব্যব নাও।

পরাতন জ্যোতিষতত এক শুদ্ধ বিজ্ঞান। তাতে সত্য ছিল।

তোমাদের বলি কিভাবে জ্যোতিষ বিকশিত হয়।

অতীতে যখন কোন বাচ্চাকে গুরুত্বল মাস্টারের কাছে অধ্যয়নের জন্য পাঠানো হত ্রে সেই বাচ্চার ব্যবহার করে সেই বাচ্চার ব্যক্তিত্ব মনোভাব ও প্রবণতা বোঝা হত এবং সেই হিসাবে তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হত।

মাস্টার দেখতেন বাচ্চার স্বাভাবিক ঝোঁক কোন দিকে। যদি তার 'বাঙ্গণ প্রবণতা' থাকে, যার জন্য বদ্ধি হল প্রাথমিক উপাদান, তাকে বেদ-বিদ্যায় দীক্ষিত করা হত - বৈদিক গ্রন্থাবলী পড়ানো হত। তার যদি 'ক্ষত্রিয় ব্যক্তিত' হত, যা সাহসিকতা ও বল প্রধান, তাকে সামরিক শিক্ষা দেওয়া হত। সে যদি 'বৈশ্য-প্রবত্তি' প্রকাশ করত, সেই বিষয়ে সে নানা দক্ষতা দেখাত, তাকে ব্যবসা শেখান হত। যদি তার শদ্র-খণ থাকত ও তার সময় নিয়মমাফিক কায়িক শুম অর্পণ করে সন্তুষ্ট হত, তাকে সেবায় দীক্ষা দেওয়া হত। চারটি ভমিকার একই মল্য ছিল এবং তা একই প্রকার সম্মান আদায় করত।

এই উদ্দেশ্যেই জোাতিষ্ ব্যবহার করা হত। প্রসঙ্গত্রমে জোাতিম মানমের জীবনে কিছু গুরুতপূর্ণ ঘটনার ভবিষ্যৎয়াণী করতে সাহায্য করত। জ্যোতিষ এক বিজ্ঞান, যা অধিকন্তু এইপ্রকার নির্ণয়নে স্বায়তা করত। তোমার চারিদিকে আজ দেখ। যে স্বভাব রশত ডাক্তার, হয়ে গেছে ইঞ্জিনীয়ার। স্বভাব-বশত ইঞ্জিনীয়ার হয়ে গেছে কেরানী এবং এরকম অনেক উদাহরণ আছে। তাই সমাজে এক সম্পর্শ বিভ্রান্তি বোধগম্য হয়।