16. সম্বন্ধে বন্ধভাব নিয়ে এস
# সম্বন্ধে বন্ধভাব নিয়ে এস
একবার নিজের ও অন্যের শরীর সম্পর্কে কল্পনা করা ছেডে দিলে তুমি অন্যের শরীরের প্রতি করুণা ও বন্ধভাব প্রদর্শন করা শুরু করতে পারবে। বন্ধুভাব যৌনতা থেকে প্রেমে রূপান্তরের অ্যান্ধেমি প্রক্রিয়ার এক উপাদান।
হিংসা কোন পথ নয়। সমাজে, রাজ্যে ও দেশে হওয়া হিংসা সম্বন্ধে আমরা আলোচনা করি। কিন্তু নিজেদের দেহ ও মনের ভিতরের হিংসা? আমি বলছি : হিংসা ঘরে শুরু হয়।
তুমি বলতে পার, 'স্বামীজী, আমরা দৈনন্দিন জীবনে হিংসাপরায়ণ নই।' নিজেকে ভাল করে লক্ষ্য করে। যখন রাস্তায় বা তোমার বাগানে হাঁট, তুমি কি করা তুমি অচেতনভাবে গাছ, পাতা ও ফলগুলিকে ছেঁড়; চারপাশের পাথরে লাখি মার এবং লতাজলৈকে টান এবং আরও কত কি কর। এগুলি সবই হিংসার কাজ!
একবার নিজের বাগানে যাও এবং একটা ফুল বা পাতার দিকে যথাসম্ভব সম্ভব ও ভালবাসে তাকাও। তার সৌন্দর্য তোমার হৃদয়ে অনুভব কর এবং তার দিকে প্রেম সহকারে দেখ। অনুভব কর যে এটা জীবন্ত। এর মাধ্যমে অস্তিতের চমৎকারের সাথে নিজেকে সংযুক্ত করে তাকে নবজাত শিশুর মত দেখা তোমার গভীর থেকে উথলে ওঠা ভাবকে অনুভব কর।
এখন ভাব সেই গাছগুলির পাশ দিয়ে চলার সময় তুমি কতবার সেই ফুল বা পাতাকে অচেতনভাবে ছিঁড়েছ। দুটো ভাবনার, ছেটো মনোভাবের পার্থক্য বুঝতে পারছ কি? এখন আমাকে বল, তুমি কি প্রকৃতপক্ষে তোমার চারিদিকে সব মানুষ ও সবকিছুর প্রতি বন্ধুভাবাপন্ন?
সবকিছু সচেতন হয়ে দেখ। এখন তুমি অচেতন হয়ে কাজ করছ এবং তুমি হিংসা সহকারে তাদের সাথে ব্যবহার করছ। তাদের দিকে সচেতন হয়ে দেখলে তুমি তাদের মধ্যে অপরিমেয় সৌন্দর্য প্রত্যক্ষ করবে এবং তাদের প্রেম সহকারে দেখবে।
নিজের শরীরের সাথে তুমি কত দুর্ব্যবহার কর? তুমি বেশী খেয়ে ফেল ও তোমার ভিতরের সুন্দর পাচন-প্রক্রিয়াতে বিশখলার কারণ হও। শরীর আকুল হয়ে বিশ্রাম চাইলেও বেশী রাত জাগো ও শরীরের ওপর অত্যাচার কর। ধমুপান শরীরের জন্য খারাপ জেনাও সে কাজে লিপ্ত হও। এই সব কাজ কি শরীরের সাথে তোমার বন্ধুভাব দেখায়? তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ নিজের শরীরকে ঘণা কর এবং তাই তাকে অবহেলা কর।
তাই এটা তোমার ভিতরের হিংসাকে সময়। আপনা আপনি বাইরের হিংসা বন্ধ হয়ে যাবে। আমরা সর্বদাই আমাদের বাইরে অঙ্গলিনির্দেশ করার জন্য তৈরি। কিন্তু আমাদের নিজেদের অসম্পর্ণতা কে দেখবে?
একটি লোক একবার আমার কাছে আসে এবং আমায় তার পরিবার সম্বন্ধে বলে। সে বলে যে তার স্ত্রী এক উকিল। আমি জিজ্ঞাসা করি, 'ও! সে কি আদালতে তর্ক করে?' সে বলে, 'না স্বামীজী, সে ঘরেই তর্ক করে!'
আমরা সর্বদাই অপরের দিকে অঙ্গলিনির্দেশ করতে তৈরি ও তর্ক করি। তার বদলে চল আমরা আমাদের নিজেদের অশুদ্ধতা দর করা শুরু করি এবং তাহলে স্বতক্ষলভাবে বাইরে তর্ক করার প্রয়োজন হবে না।
তোমাকে ও অপরকে নিরাময় করে, এমন শব্দাবলী নিজের সাথে রাখা অপরের দেহ, মন ও সত্তার প্রতি প্রেমভাবনা দেখাও। এটাই 'ব্যবহারিক আধ্যাত্মিকতা।' পূজাঘরে নিয়ম করে ঘন্টা বাজানো ও দেবী লক্ষ্মীর কাছে ধন কামনা করা আধ্যাত্মিকতা নয়। দেবী লক্ষ্মীর গুণ যেমন, মাধুর্য ও প্রীতিপূর্ণতা মনোমধ্যে গ্রহণ করাই আধ্যাত্মিকতা। সম্পদ আপনা আপনি হবে।
আমরা সবাই ভাবি যে আমাদের কেবল আচারঅনুষ্ঠান করা উচিত এবং আমরা তাতে ফল পাব। না। তুমি যদি নিজে রূপান্তরিত হবার ইচ্ছা ছাড়া 'রাম রাম' দিনে হাজারবার বল, জেনে রাখ তা 'কোকা-কোলা' দিনে হাজারবার বলার মত। আচারঅনুষ্ঠানের া করে পারে কার্যালয় বাবা ও তার সার অবলম্বন করা যাতে তুলি নিজেকে রূপান্তরিত করতে পার এবং তাহলে বস্তুগত সুফল অবিশ্রাম আসতে থাকবে।
একবার তুমি অপরকে হৃদ্যতা দেখাতে সক্ষম হলে, তোমার রূপান্তরিত অনুভূতিকে প্রসেস্ করার জন্য ধৈর্য ও দূঢ়সংকল্প রাখ। শেষে তুমি প্রেম নামক সর্বোচ্চ ও পারস্পরিক অনুভূতির অভিজ্ঞতা লাভ করবে। অন্যজনও তোমার রূপান্তরিত অনুভূতির
প্রতিদান দেবে এবং তার মানে তুমি সঠিক পথে আছ ! তোমার সত্য তখন হয়ে গেছে আনন্দ! তার অর্থ, তুমি তোমার ধ্যান সঠিকভাবে করেছ!
প্রেমের সৌন্দর্য
প্রেস যখন তোমার সত্তার কেন্দ্র হয়, যৌনতা হয়ে যায় দুটি সত্তার গভীর মিলন। সমস্যা হল, আসল প্রেম আছাদনের নীচে হারিয়ে যায় এবং যৌনকামনা তার জায়গা নিয়ে নেয়। তার ফলে সত্তারা কখনই কাছাকাছি আসে না: কেবল দেহ একসাথে হয়। সম্বন্ধ একদম অগভীর থেকে যায়। যা কিছু অগভীর, তাকে সহজেই ঝাঁকানো যায়।
যৌনকামনা তোমাকে অন্ধ করে দেয়। এটা তোমাকে অচেতন উন্নততায় নিয়ে যায়। প্রেমও তোমাকে নেশাগ্রস্ত করে, কিন্তু প্রেম তোমাকে গভীর সচেতনতায় নিয়ে যায়। যৌনকামনা ও প্রেম একই বর্ণছটার (spectrum) হুটি বিপরীত প্রান্ত। যা কিছু তোমাকে গভীর সচেতনতায় নিয়ে যায় তা হল ধ্যান। যা কিছু তোমাকে অচেতন অবস্থায় নিয়ে যায় তা সহায়ক নয়। তুমি যে অভিজ্ঞতা পাচ্ছ তা তোমার জন্য ভাল কিনা বোঝার জন্য এটা হল এক মাপদণ্ড বা স্কেল।
আবার দেখা যখন তুমি গভীরভাবে ভালবাস, সেখানে ঈর্ষার কোন জায়গাই থাকবে না। ঈর্ষা আছে কারণ তুমি ভয়ে আছ যে অগভীর মল উৎপাদিত হয়ে যাবে। মল গভীরে গেলে তুমি ভয় পাবে কেন? তুমি ঈর্ষান্তিত হবে কেন? তোমার সাথীর সাথে সম্বন্ধ অগভীর বলে তার ওপরে বিশ্বাসে ঝাঁকনি আসে. এই সম্বন্ধের ভিত্ত তো অলীক-কল্পনা ও যৌনকামনায় আছে।
রোমান্স আসলে রোমাঙ্গ নয় যদি তুমি তা কেবল একটি মানুষের প্রতি অনুভব কর। জীবন নিজেই একটি রোমাঙ্গ ! তোমার সত্তাকে রোমান্স বিচ্ছুরিত করতে হবে - অস্তিত্বের দিকে।
যখন তোমার সত্তা নিজেকে মস্তিষ্ক থেকে প্রকাশ করে, তা বন্ধু: যখন সত্যা নিজেকে হৃদয় থেকে প্রকাশ করে, তা করুণা: যখন সত্তা নিজেকে দেহ থেকে প্রকাশ করে, তা শক্তি এবং যখন সত্তা নিজেকে প্রকাশ করে না কিন্তু কেবল আছে, তা হল আনন্দ!
এই পর্যায়ে পৌঁছালে তমি আনন্দের জন্য বাইরে কার্কর রেশন করে না। সর্বদা তমি সহজেই নিজের ভিতরে আনন্দে অনুরণিত হতে থাকবে। অবশ্যই তুমি সেই আনন্দ বাইরে অপরের সাথে শেয়ার করে তাকে অনেক বাড়াতে পারবে।
यथन जूनि कार्वा भारत অনুভূতি সংযোজনেই তুমি খুশী ও পরিবেশ তামিনির মধ্যেই পর্ণতার অনুভূতি পাবে এবং পর্ণতার জন্য বাইরে কোন কিছু চাইবে না। এই সংযোজন থেকে বিচ্ছেদ বা সেরকম কিছু হবে না।
সম্বন্ধতা হল কারোর সাথে গভীরভাবে সংযোজিত হওয়া - সমস্ত জিনিষ পেরিয়ে। তুমি এটা না বুঝে নিজেকে মানুষের সাথে বহু শর্তে বেঁধে ফেল এবং তুমি তাকে সম্মতা বল। সেটা হয় নড়বরে এবং তুমি তাকে বহাল রাখার জন্য মেহনত করে এবং সিদ্ধান্তে উপনীত হও যে সম্বন্ধতা সমস্বন্ধতা সমস্যাসংকুল !
লোকেরা আমায় বলে, 'স্বামীজী, আমি আশ্রমে এসে থাকতে চাই। আমার বাড়ীতে থাকতে ভাল লাগে না।'
আমি সবসময়ে তাদের বলি যে ঘরে চারজনের সাথে খুশীতে না থাকতে পারলে আশ্রমে একশ লোকের সাথে খুশীতে থাকতে পারবে না। তুমি কি মনে কর যে আশ্রম পলায়নবাদীদের আস্তানা ?
পরিষ্কার করে বোঝ যে ঘর তোমার বাইরের কিছু নয়। তোমার আশেপাশের ঘটনা নির্বিশেষে সর্বদা আনন্দে থাকাই 'ঘরে থাকা।' এটা না করতে পারলে কোথাও তুমি ঘর খুঁজে পাবে না।
মাসের পর মাস যখন ৮ ফুট ঘরে ছিলাম, আমি তখন ততটাই আনন্দে ছিলাম যেমন আনন্দে এখন এই সিংহাসনে বসে আছি। দুয়া করে এটা বোঝার এটা বোঝার ক্ষমতা চাই যে তোমার আনন্দের সাথে বহির্জগতের জিনিষের কোন সম্পৰ্ক নেই।
কল্পনা কর একটা কুকুর হাড়ি চিরাজে এবং তার মুখের ভিতরে রক্তপাত হচ্ছে। সে ভাবছে রক্ত হাজ্জি থেকে আসছে , তাই আরও চিবায় ও আরও বেশী রক্তপাত হয় এবং তা চাটতে থাকে। কুকুরটার কি হবে ? তার কেবল বেদনা হবে। একইভাবে আমরা মনে করি যে সুখ বা দুঃখ আমাদের বাইরের জিনিষের সাথে সংযুক্ত এবং তাদের আরো বেশী প্রশ্রয় দিই এবং দুর্দশাহাঙ্গন্ত হই।
প্রশ্ন : আমরা আমাদের সন্তানদের এইসব জটিলতা জন্মানো ও বদ্ধি পাওয়া থেকে কিভাবে রক্ষা করতে পারি ?
উত্তর : খোলাখুলি বলতে গেলে তুমি পুরোপুরি এই প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করতে পার না। তুমি বাচ্চাদের ক্ষেত্রে সমাজের সাথে সবরকম মিথস্তিরা (interaction) নিয়ন্ত্রণ করতে পার না। কিন্তু কিছু জিনিষ তুমি ঘরে অভ্যাস করতে পার।
যেটা আমি আগে বলেছি বাচ্চার অন্য অর্ধেকটাকে দমিয়ে রেখে। না। তাকে স্বচ্ছন্দে প্রকাশ করতে দাও এবং নানাভাবে তাকে অনুভব কর। তাকে ছেলে মেয়ে সম্বন্ধে সচেতন হতে শিখিও না।
বাচ্চাকে নিজেকে অনুসন্ধান করার যথেষ্ট সুযোগ দিয়ে তাকে নিজের স্বাভাবিক স্বরূপে থাকতে দাও। যখন সামাজিক নিয়ন্ত্রণ ছোটদের ছোঁয় না, তখন তারা স্বভাববশত নিজের সীমার ভিতরে আনন্দে থাকে।
ছোটদের তাদের যৌনাঙ্গ নিয়ে খেলতে বা তাদের পায়ের বুড়ো আঙুল মুখে দিতে অথবা এইপ্রকার জিনিম করতে দেখে থাকবে। এই ঘটনাগুলি কেবল দেখায় যে তারা নিজের সীমারেখার ভিতরে অনুসন্ধান করতে ও উপভোগ করতে কত ভালবাসে ও আনন্দ পায়। কিন্তু আমরা তাদের এসব করতে দিই না। আমরা তাদের সঙ্গে থানাই এবং বলি যে এসব করা খারাপ। তাদের অনুসন্ধান করতে দেওয়াটা ভাল।
আর যখন তাদের পরিধানের কথা আসে, তাদের দুই টুকরা কাপড়ের জায়গায় সর্বদাই এক ফালি কাপড় পরা উচিত। প্রথমটি তাদের দেহকে দুই ভাগে ভাগ করার বোধ দেয় এবং সময়ের সাথে তারা দেহের নীচের ভাগকে ভুলে যায় ও অসংবেদী হয়ে ওঠে। এটা যেন তাদের চেতনার বিভক্তিকরণ। আজ তাই তোমাকে যদি নিজেকে প্রত্যক্ষরণ করতে বলা হয়, কেবল দেহের উপরভাগই তোমার মনে আসবে। তুমি নীচেরভাগটাকে অবহেলা কর।
ছোটদের তাদের নিজের মত স্বাধীন থাকতে দাও, তাতে যদি কিছু ঝুঁকি থাকে তা ও। বাচ্চাদের কিছু সজ্জা ও উপজ্ঞা (intuition and instinct) আছে। তাই তুমি আবশ্যক সতর্কতামূলক পদক্ষেপগুলি নাও এবং তাদের অন্বেষণ করতে দাও।
আবার দেখো. ছোটরা তাদের প্রকাশে কত পরিপণ। তাই তাদের দমিয়ে রেখ না। তারা তাদের মনকে সামনে নিয়ে আসতে জানে না এবং ভাসাভাসা ও ভণ্ড ব্যবহার করতে পারে না। আমরা সবাই মনকে নিয়ন্ত্রণ করে ভগুমি করার কলা ভাল করে আয়ত্ত করে ফেলেছি। আমরা কখনই পূর্ণরূপে প্রকাশ করি না।
Section 2
এছাড়া তাদের দুটি হাত স্বাধীনভাবে ব্যবহার করতে দাও। আমারা তাদের অনেক কেতে বাঁ হাত ব্যবহার করতে নিরুৎসাহিত করি। ছোটরা সব্যসাচী কেন হতে পারে না? তাতে কোন ভুল নেই। মহাভারতে অর্জন সব্যসাচী মানে যার দুই হাত সমান দক্ষ। আমরা যখন এসব খনি, আমরা সম্ভুমের সাথে শুনি। কিন্তু আমরা বুঝতে অক্ষম হই যে আমাদের মধ্যেও এই সম্ভাবনা আছে এবং যদি আমরা নিজেদের সুযোগ দিই, সেই সম্ভাবনা বাস্তবায়িত হতে পারে!
আবার লক্ষ্য করে থাকবে ছোটরা ঘুরপাক খেতে ভালবাসে। এই ঘূর্ণন তাদের নিজেদের এক প্রক্রিয়া যার দ্বারা তারা নিজেদের শক্তিকে কেন্দ্রীভূত হ'তে দেয়। একমাত্র তোমার দুশ্চিন্তা-কেন্দ্র পরিষদ খালুদে ঘরপাক খেতে পার। বাচ্চারা কত নির্মল ও চিন্তামক এবং তাই তারা অতি পারে। কিন্তু তাদের ঘরপাক খেতে দেখলে আমাদের মাথা ঘুরে যায় ও তাদের থামিয়ে দিই! আমরা তাদের বলি, 'এক জায়গায় বসো! এটা স্বস্থের পক্ষে কাল নয়,' আরও কত কি। আমি বলি তাদের ঘরপাক খেতে দাও। তাদের নীচে কমল রেখে দিতে পার, তাই পরে গেলেও তারা ব্যাথা পাবে না।
কখনই বাচ্চাদের ভিতরে ভয় ঢোকাবে না! তাকে স্বাধীন থাকতে দাও, তাকে চড়তে দাও ও কয়েকবার পড়ে যেতে দাও। যদি অবিশ্রাম তাকে নিরুদ্যম করতে থাক, তার মধ্যে নানা আতঙ্কের (phobia) সঙ্গি হবে, যেমন উচ্চতা বা অন্ধকার থেকে আতঙ্গ, সেগুলো থেকে পরে সে উঁচু কোথাও উঠতে ভয় পাবে অথবা নতুন কোন সিদ্ধান্ত নিতে ভয় পাবে ইত্যাদি। এই সহজ জিনিষগুলি মনে রেখো, তাহলেই যথেষ্ট।