Books / Guaranteed Solutions For Lust Fear Worry... Bengali merged

15. যৌনকামনা থেকে প্ৰেম, এক অ্যান্ধেমি প্ৰক্ৰিয়া

# যৌনকামনা থেকে প্ৰেম, এক অ্যান্ধেমি প্ৰক্ৰিয়া

কোধের মত যৌনকামনাও এক প্রচণ্ড শতি। আসলে যৌনতা সম্মন্ধ বোঝা ও তাকে কিভাবে রূপাল্লারভ করা যায় তা না জানা পর্যন্ত, তুমি যাই কর তা হল যৌনতা-জনিত। এমনকি যখন একটা পেন উঠিয়ে নিচ্ছ বা কোন শিশুকে আদর করছ, তা সবই योनवा-जनिक। वर्क बढ़को विद्यार का कारण का का का का का का का का का केक्टर बना के कारण का केक्टर बन कर क রূপান্তরিত হয় নি।

যেভাবে ক্রোধ সম্বন্ধে জ্ঞান ত্রোধ কমিয়ে দেয়, একইভাবে যৌনকামনা কমায়, কারণ দুটো একই শক্তি! কামনা ও যৌনতা সম্মন্ধে মুশকিল হল, তাদের বাস্তব থেকে অনেক বাড়িয়ে দেখা হয় ও কল্পনা করা হয়। দমিয়ে রাখার জন্য, যৌনতা আসলে যা তার থেকে অনেক বেশী হয়। সেখানেই সমস্ত জটিলতার সঙ্গি হয়। এই ব্যাপারটিকে গণমাধ্যম বা মিডিয়া অনেক দুষিত করে ফেলেছে।

যখন তোমার যৌনকামনায় অপর ব্যক্তি সাড়া দেয় না, তখন কামনা সেই ব্যক্তির ওপরে কোধে পরিবর্তিত হয়। তাই তোমরা খবরের কাগজে পড় কোন কলেজের একটি ছেলে প্রেমে ব্যর্থ হয়ে মেয়েটির দিকে আসিড ছুঁড়েছে।

মন্তব্যজাতিকে উচ্চ-নীচ ভেদে সমাজ সর্বদাই বিভাগিত করে। কোন মানুষের যৌনকামনা থাকলে তাকে মানুষের মধ্যে নীচে মনে করা হয়। উচ্চ-নীচ বলে কিছু নেই, কেবল রূপান্তর ঘটাতে হবে, ব্যাস।

যারা এরূপ নৈতিক মানদণ্ড নিরূপণ করে, তারা নিজেদের নীতিজ্ঞ বা নীতিবিদ বলে দাবী করে। তারা এইসব ভাবনার পভীরে সমাজে নিজেদের মানদণ্ড দিয়ে উচ্চনীচ স্থির করে।

এটা বুঝে ফেল যে উপর নীচ বলে কিছু নেই। যেই মুহূর্তে তুমি ভাববে যে তুমি নীচ, তুমি সেই ভাবনার সাথে লড়াই করা শুরু করবে এবং তখন তোমার পক্ষে তা থেকে বেড়িয়ে আসা খুব শক্ত।

যখন মানুষেরা তোমার মধ্যে নিকট ও উৎকষ্ট ভাবনা চাপাবার চেষ্টা করে, মনে রেখো যে প্রতিটি মানুষই অস্তিত্বের অংশ এবং কেউই কারো থেকে নিকট বা উৎকষ্ট নয়। এই সত্যটি ভুলে থাকলে তুমি এই প্রকার শব্দ ব্যবহার করবে।

যৌনকামনা গভীর অজ্ঞানতা থেকে আসে। যৌনকামনাকে প্রেমে পরিবর্তিত করা এক অ্যান্ডেনি (alchemy) প্রতিকে মল্যবান খাততে পরিবর্তন করার প্রক্রিয়া হল অ্যান্ডের যৌনকামনা নামক অপক ভাবনাকে প্রেম নামক উচ্চতম ভাবনায় পরিবর্তিত করা এক অ্যান্ডেমি প্রক্রিয়া। এটা এক চড়ান্ত অ্যান্ডেমি।

আমার হিমালয়ে পদযাত্রার সময়ের একটা সত্য ঘটনা বলি :

रिसालय यथान यावाद रेखा र'छ. मिथानने वालि भारत रुँद्र रण्डास। घासान जिनिस्शन वायर রাত্রে যেখানে ইচ্ছা ঘুমতাম। শিকড় ও ডালপালা ধরে আমি গাছেও চড়তাম। এই সময়ে আমি বহু সাধুর সঙ্গ পাই। बक्वाव बक माधून माथ द्वारा राज्य केलम्, अज्ञान द्वारा मा रिल एक नाभावा, नाभा সম্প্রদায়ের সাধু।

তাঁর দিকে আকস্ট হয়ে আমি কাছে গেলাম।

সেইসময় আমি ভাল হিন্দি বলতে পারি না, ভাঙ্গা হিন্দি শব্দে কথা বলতাম। আমি তাঁর সাথে কয়েকদিন ছিলাম। সারাদিন তিনি হুঁকা খান। আমি তাকে অবাক হয়ে দেখতাম। তিনি হুঁকাতে দুটি তামার পয়সা ফেলতেন ও পরে সেখান থেকে দুটি সোনার মদ্রা বার করে নিতেন! তিনি সেই স্বর্ণমদ্রা দোকানে বিক্রি করে আরও তামার মুদ্রা নিয়ে আসতেন ও প্রক্রিয়ার পুনরাবত্তি করতেন। আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম এটা কিভাবে সম্ভব।

তিনি কোন উত্তর না দিয়ে আমাকে পাইপটা এগিয়ে দিলেন। তামাক ও মদের গন্ধ আমি কখনই সহয করতে পারতাম না, তাই আমি কয়েক পদক্ষেপ পিছিয়ে গেলাম। আমি তাঁকে বললাম যে আমি হিমালয়ে ধ্যান ও জীবনমুক্তির জন্য এসেছি এবং আমি ধুমপান অথবা স্বর্ণমুদ্রায় আগ্রহী নই।

তিনি আমার দিকে তাকালেন ও প্রথমবার স্পষ্ট তামিলভাষায় বললেন, 'অঙ্গম পাজতাল তঙ্গম পাজুকুম' তার অর্থ : 'তোমার সত্তা পরিপক্ষু হলে, সোনা পরিপক্ষ হবে।'

আমি তো নির্বাক। অবাক হলাম যে উনি বুঝেছিলেন যে আমি তামিল।

তিনি খেলার ছলে ফুঁ দিয়ে ধোঁয়ার ব্যু বানিয়ে আমার মুখের দিকে ছাড়লেন। তারপর তিনদিন ধরে আমি পরম আনন্দে ছিলাম।

তামা থেকে সোনা বানানো অ্যান্সেমি প্রক্রিয়া। এটা বহির্জগতের অ্যান্ডেনি প্রক্রিয়া। অন্তর্জগতের অ্যান্ডেমি হল আমাদের সাধারণ শক্তিগুলিকে উচ্চতর আধ্যাত্মিক শক্তিতে পরিবর্তন করা। যখন তুমি সাধারণ শক্তিগুলিকে উচ্চতর আধ্যাত্মিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা শিখে ফেল, তুমি তামাকে অনায়াসে সোনায় পরিবর্তিত করতে পারবে: এটা কোন বড় ব্যাপার নয়। অন্তর্জগতের অ্যান্ডেমি প্রক্রিয়া আয়ত্তে এসে গেলে, বহির্জগতের অ্যাল্কেমি খুবই সোজা, যেন নিছক ছেলেখেলা।

আমি এই ঘটনা তোমাদের বললাম আনেক্ষির ধারণা দেবার জন্য, বহির্জগতের অ্যান্ধেমি করার জন্য নয়! বহির্জগতের অ্যান্ডেমি সাধারণ ব্যাপার। একমাত্র অন্তর্জগতের অ্যান্ধেমি তোমাকে আসল মাস্টার তৈরি করবে।

ধাতুর অ্যান্সেমি প্রক্রিয়ায় আসলে কি হয়? প্রথমে প্রাথমিক ধাতু (base metal) থেকে অপদ্রব্য (impurity) দুরীভুত করা হয়। তারপর কিছু উপাদান যোগ করা হয় ও পুরো জিনিষ্টাকে এক প্রক্রিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। শেষে প্রাথমিক ধাতু উচ্চতর ধাতু হয়ে যায়।

আমাদের পাশবিক ভাবকে দৈবিক ভাবে রূপান্তরিত করতে হবে। আমাদের যৌনকামনা হল এক পাশবিক ভাব। অন্ততপক্ষে পশুর যৌনকামনা পরিত্র। তারা সমস্ত জগৎ ভুলে যায় যখন তারা যৌনকর্মে লিপ্ত হয়। কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে, আমাদের যৌনকামনাও খাদহীন নয়। যৌনকামনার সাথে সর্বদা অপরাধবোধ ও অনিশ্চিত বাসনা মিশে থাকে।

হয় আমাদের নিয়ন্ত্রিত অতীতের জন্য অপরাধবোধ আসে এবং আমরা সরে যাই, অথবা ভবিষ্যতে চলতে থাকার তীব্র বাসনার জন্য সেই কর্মে লিগু হই - শুধু অপরাধবোধে আবার জড়িয়ে পড়ার জন্য। এটা টানাহিঁচড়ার এক দুষ্টচক্র যার দরুণ যৌনকামনা দুৰ্ঘিত হয়। তা অশুদ্ধ হয়।

সর্বদা লক্ষ্য করে থাকবে, যে মুহূর্তে তোমার কল্পনা সার্থক হয় তুমি অপরাধবোধে জড়িয়ে পড়। তাই যৌনতা তোমায় দোষী ভাবায়। পরিবার প্রথম তোমার ভিতরে অপরাধবোধের বীজ বপন করে। তারপর তুমি নিজেই নিজের জন্য অপরাধবোধ সঙ্গি করায় পারদর্শী হয়ে ওঠ!

অপরাধিবোধ প্রথমে বোঝ

প্রথমে অপরাধিতবোধকে বোঝ। যে তোমাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় দে প্রথমে তোমার ভিতরে অপরাধবোধ জাগাবে। তারা তোমাকে যে কোন প্রকারে নিমতর ভাবাবে। তারপর তুমি নিজে থেকেই তাদের কথা শুনবে।

সমাজ কেবল অপরাধবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করতে জানে। বাচ্চাদের জন্য কানুন দিয়ে শুরু করা ভাল। কিন্তু বড় হলে নিজের বুদ্ধি দ্বারা চালিত হওয়া দরকার। নিজেকে সুসংহত (integrate) করলে, তোমার ভিতরে অপরাধবোধ ঢোকানো যায় না এবং তুমি তখন ব্যদ্ধিমান হও।

আসলে কোন ঘটনাই অপরাধবোধ দেয় না। ঘটনার পরিণতি থেকে অপরাধবোধের সুষ্টি হয়।

মানুষ অন্ধভাবে এক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বিধিনিয়ম দিয়ে যেতে থাকে এবং সেই বিধিনিয়মের সাথে অপরাধবোধও দিয়ে যায়। রাজমুকুটের মত, অপরাধবোধ পাস করে দেওয়া হয় - ঠাকুরা থেকে বাবা, বাবা থেকে ছেলে, ছেলে থেকে নাতি এবং চলতেই থাকে।

সমস্ত সৌন্দর্য-বর্দ্ধনের সামগ্রীর বিজ্ঞাপন তোমাকে বলতে থাকে যে তুমি পর্যাপ্ত সুন্দর নও। নিজের অপর্যাপ্ত দেহ সম্বন্ধে তোমার অপরাধবোধ শুরু হয়। তুমি কি করা তুমি সেই সামগ্রী কিনে নাও ও ব্যবহার কর। তুমি তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাও। একবার তাদের ব্যবহার করলে আবার এক নতুন অপরাধবোধে ডুবে যাও, 'আমি কি কেবল এসবের জন্য এত সমস্যার মুখোমুখি হলাম? যেই মুহূর্তে তুমি কিছু অর্জন কর, প্রথম ভাবনা যেটা আসে সেটা হল অপরাধবোধ।

মস্তিষ্ণ-স্তরকে ফেলে দাও

যৌনকামনা বিষয়ে ফেরা যাক। এই বিষয়ে তোমরা টেলিভিশন, ইন্টারনেট ও বই দেখে সেগুলি থেকে কল্পনা সংগ্রহ করে মস্তিষ্কে এক ভারী স্তর সঙ্গি করেছে। তোমরা মানসিকভাবে সরসময়ে এই স্তরে বাস করা এমনকি যখন কোন সম্বন্ধে আছ , তুমি এই স্তরের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করছ করছ, তুমি বাস্তব পত্নী বা পতির সাথে সম্পর্ক স্থাপন করছ না। আসল পতিপত্নী তোমার মনে ধরে রাখা প্রতিচ্ছবির তুলনায় নিস্তেজ বিকল্প হয়ে যায়। তোমার যৌনকামনা তখন দুষ্টিত হয়।

এইভাবে নিজেকে প্রশ্রয় দিতে থাকলে, তুমি এক দুষ্টচন্দ্রে জড়িয়ে পড় এবং তাই তুমি এর ভিতরে পুরোপুরি ঢুকে আর বেড়িয়ে আস না, বরং কামনা বাড়াতে বাড়াতে ভিতরে ঢুকতেই থাকা। এই বিষয়ের গভীরে গেলে তুমি সেখান থেকে প্রকুটিত হবে !

তাই আগেকার দিনে মানুষ চললি পেড়িয়ে গেলে যৌনকামনা ফেলে দিতে পারত। তাদের মনে কোনরকম জটিল প্রতিচ্ছবি ছিল না। তারা সরাসরি নিজেদের বাস্তব পারে সাথে সম্পর্ক স্থাপন করত। তাই তারা কম বয়সেই এর থেকে প্রকৃতিতে হত। তারা যৌনকামনার গভীরে যেতে পারত থেকে বার হয়ে আসতে সক্ষম ছিল। যৌনকামনা তাদের থেকে সরে যেত। তাদের যৌনকামনা সরাতে হত না।

ভারতীয় বিবাহে পুরোহিত দম্পতিকে এক সুন্দর পংক্রি উচ্চারণ করায়। পত্নী পতিকে বলে , 'তুমি আমার এগারতম পুত্র হও' এবং পতি পত্নীকে বলে, 'তুমি আমার এগারতম কন্যা হও।' তার মানে বিবাহের এগার বছর পর তারা একে অপরকে পুত্র কন্যা হিসাবে দেখবে। এই কয় বছরে সম্বন্ধ এতটা রূপান্তরিত হয়ে যায়।

তোমার পুত্রকন্যাদের দেখে তুমি কত খুশী হও, ঠিক কি না? পতিপত্মীরা একে অপরকে দেখে একই রকম খুশী হবে, কারণ সময়ে পতিপত্তীর সম্পর্কে অনেক রূপান্তর ঘটেছে। পতি মহিলাটির পুত্র হয়ে গেছে এবং পত্নী পুরুষটির কন্যা হয়ে গেছে।

যখন তোমার কল্পনা সম্বন্ধে তোমার পরিষ্কার ধারণা থাকে না, তুমি দুঃখকষ্ট পাও। উপলব্ধিই এর থেকে বেড়িয়ে আসার চাবিকাঠি। দুঃখকষ্ট ছাড়া যখন বাঁচতে শিখেছ, তুমি আধ্যাত্মিক জীবন যাপন করছ। দুঃখকষ্ট এড়িয়ে চলতে না জানলে তুমি বন্ধগত জীবন যাপন করছ। দুই প্রকার জীবন আছে - উপলব্ধির জীবন এবং অনুপলব্ধির জীবন। বুদ্ধ-জীবন।

তুমি তোমার কামনাবাসনা ও অলীক-কল্পনা সম্বন্ধে গুলিয়ে ফেলেছ এবং তাই তুমি কোথাও খুশী নও। যখন মেঝেতে মাহুরে বসে আছ, তুমি খুশী নও কারণ তুমি চেয়ারের কথা চিন্তা করছ। চেয়ারে বসে থাকলে, সিংহাসনের কথা ভাবছ। এমনকি সিংহাসন পেলেও তুমি তা উপভোগ করতে অসমর্থ হবে !

Section 2

তোমার যৌনতা যদি কোন অপরাধবোধ বা বাসনা ছাড়া শুদ্ধ হয়, তুমি এই বিষয়ে কোন অপরাধবোধ বা কল্পনা ছাড়াই গভীরে প্রবেশ করবে এবং এর থেকে প্রকৃতিত হবে। তোমার মস্তিষ্কু-ম্ভরটি কাজ করা শুরু করলেই তুমি সংগৃহীত কল্পনা ও অলীক -কল্পনাগুলিকে নিয়ে আস এবং যৌনতা থেকে প্রস্ফুটিত হতে পার না।

মস্তিষ্কের স্তরটিকে সরিয়ে ফেল এবং তোমার নিজের ও অপরের শরীরের প্রতি প্রেমভাব শুরু কর। তোমার শরীরের ভিতরে অবিচ্ছিন্নভাবে আনন্দ হয়ে চলেছে কিন্তু তুমি তা বুঝতে পারছ না কারণ তুমি তোমার কল্পনাজালে আটকে আছে। যখন তুমি তোমার ও অপরের দেহ সম্বন্ধ কল্পনা মুছে ফেল, তোমার যৌনতা দুষণমুক্ত হয় এবং অ্যাল্ডেনির প্রথম পর্যায় ঘটে, অঙচিতা দূর হয়।

প্রতিটি দেহই সুন্দর

যখন তুমি তোমার দেহ সম্পর্কে স্বস্থিরোধ কর, তোমার মধ্যে এক সহজ মাধুর্য ঘটে। এটা বোঝ যে চর্মরোগের প্রধান কারণ দেহের প্রতি ঘুণা। চর্মরোগ হয় কারণ নিজের দেহ সম্বন্ধে তোমার আত্মমর্যাদা ও শ্রদ্ধা খুবই কম।

তুমি এটা বোঝা না এবং চর্মরোগ উপশ্যমের উপায় চারদিকে খুঁজতে থাক। তার মূল আছে তোমার মস্তিষ্ণ -মন্তরে যা তুমি কয়েক বছর ধরে নির্মাণ করেছ। তুমি সর্বদাই অন্য মানুষের দেহ দেখে তার মত দেহ চাও। যখন তুমি তোমার দেহকে ভালবাস, যখন তুমি তোমার দেহ সম্বন্ধে আরামবোধ কর, তোমাকে সুন্দর দেখাবে ও সুন্দর অনুভব করবে।

ভারতের মহাকাব্য তুলসীদাসের রামায়ণে লেখা আছে যে সীতা যখন জনকরাজার দরবারে হেঁটে এলেন, বশিষ্ট ও জনক সমেত সমস্ত ঋষি মুনির্ণা সীতাকে শ্রদ্ধা জানাবার জন্য উঠে দাঁড়ালেন। সীতার থেকে এমন মহিমান্বিত মাধুর্য বিচ্ছুরিত হত।

তন্ত্রে এক প্রক্রিয়ায় তুমি রোজ সকালে উঠে শরীরের সকল জায়গায় গভীর প্রেম সহকারে স্পর্শ করে এবং জাগরণে সম্মু শরীরকে

স্থল শরীরে স্থির হতে দাও।

যাই হোক, যত বেশী প্রতিচ্ছবি বাইরে থেকে সংগ্রহ কর, তোমার মস্তিষ্কের স্তর তত বেশী ঘন হয়। আগেকার দিনে মানুষ এত জটিল ও পাগল ছিল না: তারা সরল ছিল। মস্তিষ্কের এই স্তরটি ছিল না অথবা স্তরটি ছিল খুবই পাতলা।