13. প্রশ্ন : স্বামীজী, আপনি কি বলছেন যে আমাদের অন্য মানুষটিকে তার সমস্ত দোষসহ গ্রহণ করতে মেনে নাওয়া উচিৎ
Section 1
প্রশ্ন : স্বামীজী, আপনি কি বলছেন যে আমাদের অন্য মানুষটিকে তার সমস্ত দোষসহ গ্রহণ করতে মেনে নাওয়া উচিৎ
উত্তর : না!
এমনকি 'মেনে নাওয়া' কথাটিতে একটা দোষারোপের ভাব আছে। যখন তুমি বল 'সমস্ত দোমসহ তাকে মেনে নিতে রাজী হও', এটা যেন একটা নীরবে অভিযোগ করা। এটা যেন বলা হচ্ছে, 'কি আর করা যায়, আমাদের এর সাথে বাস করতে হবে।' না! আমি বলছি, সেই মানুষটি যেমনই হোক, তাকে তোমার জীবনে সাদরে অভ্যর্থনা জানাও। মেনে নাওয়া ও অভ্যর্থনা করার মধ্যে পার্থক্য আছে। মেনে নাওয়া যেন একটা সমঝোতা করা যেন নিঃশর্তভাবে, কোন প্রত্যাশা না রেখে, তোমার সত্তাকে অপরজনের কাছে উন্মুক্ত করে মেলে ধরা।
অস্তিত তোমাকে সম্পূর্ণ সঙ্গি উপহার দিয়েছে। তাকে অনুগ্রহ ও বিনম্রতার সাথে নাও। এটা করলে মূলাধার চক্রের বিরাট শক্তি তোমার কাছে উন্মুক্ত হয়। এই চক্রকে জাগরিত করা মানে এক অফুরন্ত শক্তির উৎসকে স্পর্শ করা। সেই বিরাট শক্তি যা কল্পনা , প্রত্যাশা এবং লোভে তালাবদ্ধ ছিল, সেই শক্তিকে সজনশীলতা, ব্যবসা, জীবন ও বাস্তবতার জন্য উপলব্ধ করা যায়।
स्थू जारे नया, कूलि मन्त्र व जायदा पद्म सेक्टर एक मालित क्यून, मालिब एक सन्दि। वासारमन घटनव रखना के रि ধর্মক্ষেত্র, কিন্তু তা হয়ে গেছে কুরুজের! আর তা যুদ্ধক্ষেত্র হল কেন? কারণ আমরা মানুষদের ছেনি হাতুড়ি দিয়ে খোদাই করে যাচ্ছি। আমরা যদি মূর্তি বা কাঠ খোদাই করি, সুন্দর আকার এবং আসবারপত্র তৈরি করতে পারি, কিন্তু যদি মানুষকে খোদাই করি, কেবল কষ্টভোগই তো হবে।
একজন আমায় জিজ্ঞাসা করে, 'স্থামীজী, আপনি কি বলতে পারেন, আঠারো হাতের দেবীর সাথে কি ভাবে সম্পর্ক স্থাপন করা যায়?'
আমি তাকে বলেছিলাম, 'প্রথমে তুমি তোমার দ্বই হাতবিশিষ্ট পত্নীর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করার চেষ্টা কর ; তারপর আমরা আঠারো হাতবিশিষ্ট দেবীর সাথে কিভাবে যোগাযোগ করা যায় দেখব!'
আরেকজন আমার কাছে এসে ডিভোর্সের জন্য আশীর্বাদ চায়।
আমি তাকে বলি যে আমি বিবাহের জন্য আশীর্বাদ দিই, ডিভোর্সের জন্য নয়।
আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম সমস্যাটা কি এবং আমি তা সমাধান করতে পারি কিনা।
সে আমায় বলে, 'সামীজী, আজ সকালে আমি কফি চাই। আমার পত্নী কফি এত তাড়াহুড়ো করে নিয়ে এবং আমার কাপড়ে পড়ে গেল।'
আমি অবাক হয়ে গেলাম এবং তাকে বললাম যে এই ঘটনাটি ডিভোর্সের জন্য খবই ত চ্ছ।
সে বলে চলে, 'স্বামীজী, আপনি জানেন না। সে আজ কফি ফেললো, কাল তো আসিড ফেলবে।'
আমি হতবাক। আমি তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলাম, 'ভাই আমার, তমি কফি থেকে আসিডে কোন কারণ ছাড়াই চলে যাচ্ছ কেন? সে তো কেবল একটি রাগ করে তাড়াহুডো করে কফি ফেলেছে এবং আর যাই হোক, তোমার সেই নোংরা কাপডটটাকে ধোবে তো তোমার পত্নীই!'
সে বলে চলে, 'স্বামীজী, আমাদের বিয়ের সময় এক প্রথা আছে যে তিন পাত্রে জল রেখে তার সবগুলিতে হাত ঢুকিয়ে নতুন দম্পতিকে একটা আংটি খুঁজতে হবে। সেই সময়েও সে নোখ দিয়ে আমার হাত আঁচড়ে দিয়েছিল !'
নতুন দম্পতির মধ্যে দরত ঘোচাবার জন্য, এই প্রকার খেলা ভারতীয় বিবাহে প্রচলিত আছে। আর এই পুরুষটি দশ বছর ধরে এই ধরণের তৃচ্ছ ঘটনাবলীর হিসাব রাখছিল।
আমি তাকে প্রশ্ন করি. 'ভাই আমার, তুমি যদি পুলিশের মত এই রকম হিসাব রাখ তাহলে তোমার সাথে কেউ কিভাবে থাকবে ?'
দ্যাপো, আমরা দুটি জিনিম করি : প্রথম, যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে বিচারের অপেক্ষা করে; ফ্রে তাকে সমর্থন করার জন্য যুক্তিতর্ক সংগ্রহ করি। ৯৯% সময় আমরা দ্বিতীয়টি করি।
আমাদের চারিদিকে অনেক কিছু ঘটছে কিন্তু আমরা যেগুলিকে তালিকাভুক্ত (রেজিস্টার) করি, যেগুলি রাস্তবে ঘটছে তা কখনও নয়। তাই আমরা বাস্তবকে হারাই। বাস্তব সর্বদাই বিদ্যমান কিন্তু আমরা যা দেখতে চাই কেবল তাই পরিপ্রেক্ষিতে একে অন্যকে দেখা শুরু করে, অন্যজন যাই করুক না কেন। তাদের সেই বিচার বজায় রাখার জন্য তারা যুক্তিতর্ক খোঁজে ও সংগ্রহ করতে থাকে।
তাই তুমি যদি ঠিক কর যে তোমার বউ বোকা, তাহলে সে যাই করুক না কেন, সবসময়ে তুমি তাকে বোঝাই দেখবে। তুমি যদি মনে কর যে তোমার বর তোমাকে নিয়ম্রণে রাখে, সে যাই করুক না কেন, তাকে সর্বদা তোমার তেমনিই লাগবে।
यदि वन्तक्ष्म कर रूप जानाव संगीत जान देनिष्ठाणन देव বিচারগুলিকে সমর্থন করে, কেবল তাদের দেখতে পারবে। যেমন কুখার্ত হলে রাস্তায় কেবল রেস্ট্রেন্ট চোখে পড়ে। একইভাবে , একটা কুকুর মারার আগে আমরা কি করি? আমরা তাকে পাগল বলে ঘোষণা করি ও তারপর তাকে মারি।
এরকম মনোভাব পরিচালক বিশ্ববিদ্যালয় করেই তোমার কাছে আসা যে কোন মানুষ বা জিনিমে এক বিশেষ সজীবতা লক্ষ্য করবে।
একটা ছোট গল্প :
একটি লোক পলিশ স্টেশনে গিয়ে অভিযোগ করে যে তার স্ত্রী তিন ঘন্টা ধরে হারিয়ে গেছে। পুলিশ জিজ্ঞাসা করে, 'আপনার স্ত্রীর উচ্চতা, ওজন, এসব বর্ণনা করতে পারবেন কি?' লোকটি বলে, 'তা তো জানি না।' পলিশ প্রশ্ন করে, 'ঘর ছাড়ার সময় তিনি কি পরেছিলেন?' লোকটি বলে, 'তা দেখিনি। কিন্তু দাঁড়ান। সে কুকুরটিকে সাথে করে নিয়ে যায়। সেটা আমি জানি।' পলিশ জিজ্ঞাসা করে, 'কি রকম কুকুর?' লোকটি উত্তর দেয়, 'ডালোশন প্রজাতির। কালোর জায়গায় ছাইরঙের দাগ। তার ওজন ২৩ কিলো এবং লেজটি ধরধবে সাদা ও লেজে কোন দাগ নেই। তার কলারটা বাদামী রঙের ও রূপোর চেন। তার নাম স্পট।' পুলিশ বলল, 'যথেষ্ট। আমরা তাদের খুঁজে বার করব।'
বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রী একে অপরের সাথে কয়েক মাস কিছু সজীবতা নিয়ে বাস করে আর সেই কয়েক মাসে , তারা একে অপরের সম্বন্ধ রায় বা বিচার সংগ্রহ করে। তারপর তারা একেবারেই একে অপরের সাথে সম্মন্ধে থাকে না। তারা অপরজনকে আসলে দেখেই না। তাদের সম্বন্ধ থাকে কেবল নিজের বিচারগুলির সাথে, ব্যাস।
পতি তার স্ত্রীর সম্পর্কে সংগ্রহ করা বিচারগুলির সাথে সম্বন্ধ রাখে এবং স্ত্রী তার পতির সম্পর্কে সংগ্রহ করা বিচারগুলির সাথে সম্বন্ধ রাখে। প্রকৃত পতি ও প্রকৃত স্ত্রী থাকল আলাদা। তারা বাড়ীতে চারজন হয়ে গেল।
সততার সাথে একটা পরীক্ষা করা করে দেন যে তুমি তোমার স্ত্রীর বা পতির চোখে চোখ রেখে কথা বল নি? নিশ্চয় রহুদিন হয়ে গেছে। আর আমরা ভাবি যে প্রথমের দিনগুলি সোনার দিন ছিল এখন একজেয়ে হয়ে গেছে। যদি তুমি সত্যি সত্যি দেখ, তোমার মনোভাবই ব্যাপারটাকে একঘেয়ে করে ফেলেছে।
তুমি একটি মানুষকে বিকশিত হবার জায়গাই দাও না। তুমি তাদের টাইপকাস্ট করতে এতই ব্যস্ত। তুমি তাদের জন্য নতুন কিছু ভাববে না। আমি বলি, বিয়ের কিছু বছর পর তুমি স্ত্রী বা স্বামীকে দেখ না কারণ তোমার তৈরি তাদের ছবির সাথে তমি সম্পর্ক স্থাপন করে বেশ খশীতেই আছে।
তাহলে কি হবে? তাহলে তোমার সেই লোকটির মত অবস্থা হবে যে তার স্ত্রীর বিস্তারিত বিবরণ সম্পর্কে কোন ধারণা রাখে না! স্ত্রীর বিবরণ না জানা এক উপরিগত স্তরের সমস্যা। আমি যে জানার কথা বলার চেষ্টা করছি তা আরো অনেক গভীরের ব্যাপার। যে প্রকৃত মানুষটা তোমার সাথে বাস করছে তুমি তাকে হারিয়ে ফেলেছ। সেই মানুষটি সম্পর্কে তোমার ধারণা সহকারে তুমি বাস করছ।
কেবল ২৪ ঘন্টার জন্য মনস্থির কর যে তুমি তোমার স্বামী বা স্ত্রীকে দেখবে যেন তাকে প্রথমবার দেখছ। কোন সিদ্ধান্তে না এসে, তার সমস্ত কথা ও কাজ সজীবতা ও সরলতার সাথে গ্রহণ কর। তোমার ভিতরে তার প্রতি এক প্রেম অনুভব কর। তার कथाय क्या का जाता है कि कि कर्माणुलि मार्कन राय बनान बन र राशानी के बाद मान करना मान करना मान करना बना र ভালবেসে সাড়া দাও। তুমি দেখবে যে তুমি তোমাদের দুজনের জন্য নতুন রাস্তা খুলে দিচ্ছে: তোমাদের দুজনের মধ্যে এক নতনভাবে সম্বন্ধ স্থাপন করছ।
হঠাৎ তুমি বুঝতে পারবে যে তোমার মনোভাবের জন্যই জিনিষগুলিকে দুর্বিষ্ণ লাগছিল। অবশ্য তুমি বলতে পার যে অন্য মানমটিকেও একইভাবে সাড়া দিতে হবে। নিজেকে ও অপরকে রূপান্তরিত করার ক্ষমতা তোমার মানসিক কাঠামোর একটি পরিবর্তন করে তুমি কত কিছু করতে পার। তুমি যখন পরিবর্তিত হবার জন্য সিদ্ধান্ত নাও, অন্য মানুষটিও স্বতশ্চলভাবে তার পথ বদলাবে।
একটা ছোট গল্প :
কবরস্থান দিয়ে যাবার সময় একটি লোক সজোরে কান্নার আওয়াজ শুনল। সে ভাবল যদি কিছু সাহায্য করা যায় এবং ভিতরে গিয়ে দেখল যে একটি লোক একটি কবরের কাছে বসে জোরে জোরে কাঁদছে। সে বারবার বলছে, 'তমি কেন চলে গেলে? তমি কেন চলে গেলে?' लाकणिव कान्ताया राज पूर्वशिक रून उ जान काटक शिद्य जिज्जामा कवल, 'मशान्य, किछू सतन कबरवन ना। जिनि कि আপনার স্ত্রী?' লোকটি উত্তর দিল, 'না। সে আমার স্ত্রীর প্রথম পতি।'
কল্পনা ও বাস্তবের মধ্যে নিহুক গরমিলের জন্য সম্বন্ধ থেকে গভীর ক্ষত সঙ্গি হয়। আরও খারাপ হল, লোকেরা একটা সম্বন্ধ থেকে আরেকটা সম্বন্ধে এই ভেবে যায় যে নতুন সম্মক্ক তাদের কল্পনার সাথে মিলবে। কিছুদিন তা চলে এবং পরে দেখে যে সেখা নাও কিছু ঘাটতি আছে এবং তখন আরেকটা সম্বন্ধের দিকে চলে। কখনও তাদের মনেই হয় না যে অন্যজন বে ঠিক নয়।
আজকাল অল্পরয়ক্ষদের একে অপরকে সহয করা আরও বেশী করে কঠিন হয়ে পড়ছে এবং বিবাহ সহজেই ভেঙ্গে যাচ্ছে। এসব ঘটনা খবই দুঃখদায়ক। এখন এক জাগরণ প্রয়োজন। একমাত্র এক গভীর বোধশক্তি এই জাগরণ নিয়ে আসতে পারে।
তুমি যদি আজ পর্যন্ত লেখা সমস্ত প্রেমকাহিনী পড়, দেখবে যে বাস্তবে কোথাও পুরুষ ও নারী একে অপরের সাথে কার্যক্ষেত্রে সব সময় একত্তে বাস করে নি!
রবীন্দ্রনাথ ঠাকরের চিরন্তন প্রেন্সের গল্পে নায়ক ও নায়িকা গঙ্গার দুই তীরে চিরন্তন প্রেমিক -প্রেমিকা হয়ে বাস করার সিদ্ধান্ত নেয়। মাঝে মধ্যে তারা নৌকায় করে আসে, দুজনে মেলে ও পরে নিজের নিজের জায়গায় চলে যায়।
এরকম করলে, তারা মিলিত হবার সময় নিশ্চিত শাকবে। প্রত্যেক সময়ে তারা যখন মিলিত হয়, সেখানে এক সজীবতা থাকবে কারণ তারা জানে যে এই মিলন কিছু ঘন্টার জন্য: তাই প্রতিটি ক্ষণ মল্যবান হয়ে ওঠে !
সব চিরন্তন প্রেমী, তারা রোমিও ও জুলিয়েট হোক অথবা অস্বিকাপতি ও অমরাবতী হোক, কখনই একসাথে বাস করে নি!
Section 2
া কৰিছিল। তেওঁ পাৰে জীৱন কৰিছিল। তেওঁ পাৰে প্ৰায় প্ৰায় প্ৰায় প্ৰতি প্ৰথম কৰিছিল। তেওঁ প্ৰায়ক প্ৰকাৰ প্ৰকাৰ প্ৰথম কৰিছিল। তেও তাতে সর্বদাই পার্শ্ব-সংগীত থাকে এবং তমি সহজেই এক কল্পনার জগতে ঢাকা বিশ্বাস করে প্রেমের দশাগুলিতে পার্শ্ব-সংগীত থাকবেই। পার্শ-সংগীতের জন্য তমি তাদের খুব উপভোগ কর। টেলিভিশন-স্ট জগত দ্বারা তমি একেবারে সম্মোহিত হয়ে পড়।
বাস্তব জীবনে তুমি সেই সংগীত খোঁজ এবং তা পাও না। কিন্তু তুমি যদি সেই সংগীত নিজের ভিতরে পাওয়া গুরু হয়ে আর খুঁজবে না। নিজের ভিতরে তাকে পাওয়া মানে নিজের ভিতরে এক সুন্দর স্থান সঙ্গি করা যেখানে সবকিছুকে অক্টিতের এক সুন্দর অংশ বলে অভিজ্ঞতা হয়।
মনে রেখ তোমার স্বামী বা স্ত্রী ভগবানের সৃষ্টি তোমার সৃষ্টি সাথে প্রতিযোগিতা করতে পারে না। তাঁর সঙ্গি সর্বদাই জিতবে!
আজ সমাজে অশ্লীল বিষয়, অলীক কল্পনা, স্বপ্ন ও বিকতি বেশী করে দেখা যায়। অলীক কল্পনা (ফ্যান্টাসি) সার্থক করার জন্য লোকেরা সন্তা বিকল্পের দিকে যাওয়া শুরু করেছে। অশ্লীল জিনিম যৌনজীবন পূর্ণ করে না ; তা থেকে আরও বেশী অলীক কল্পনা ও বিকতির সঙ্গি হয়। কিন্তু অলীক কল্পনা করা ছাড়া আমরা যেন থাকতেই পারি না। একটা জিনিষ্যা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠান করে পারেন করে পারে। তার প্রকল্প না হও, কিছুতেই তোমার বাধ্যবাধকতা থাকবে না। শক্তিমান হলে তুমি যে কোন কিছু ফেলে দিতে পার।
(একটি মহিলা তার দুষ্টিভঙ্গি জানাচ্ছিল) স্বামীজী, আপনি আমাদের যেমন আছি তেমনি থাকতে বলেন। কিন্তু সমাজে আমরা নিজের মত কিভাবে থাকব? আমার মনে হয় আমাদের পরিবার ও সমাজের পরিপ্রেক্ষিতে পরিবর্তন হওয়া উচিৎ।
হ্যাঁ, সবাই ব্যবহারিক স্তরে এই সমস্যার মুখোমুখি হয়। তুমি বল, 'স্বামীজী, আমাকে অন্যজনের সাথে খাপ খাইয়ে কাজ করতে হবে।' আমি জিজ্ঞাসা করি, অন্যজন তোমার ইচ্ছানুসার কাজ করুক, সেটাও কেন নিশ্চয় কর না? সত্যকথা, সমাজে আমাদের একে অপরের উপরে নির্ভর করতে হবে। আর কোন পথ নেই। তোমার সীমারেখা ভাল করে বুঝে নাও।
স্বাধীনভাবে পরাধীন হও!
পরিষ্কার করে বোঝ, কোন জায়গাটা তোমার এবং কোন জায়গাটা অন্যের ক্ষতিসাধন না করে, তোমার নিজের জীবনকে সমন্ধ করার প্রবল প্রচেষ্টা করে যাও।
প্রশ্ন : অন্যের মূলাধার চক্র কি উন্মুক্ত করা যায় না, যাতে সে তার প্রত্যাশাগুলি ফেলে দেয়?
উত্তর : সেটা কি করে করবে? তুমি কেবল নিজের প্রত্যাশাগুলিকে ফেলে দেওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পার, তাহলে ঘরে চারজনের জায়গায় তিনজননমাত্র থাকবে!
অন্য মানুষটিকে কিভাবে পরিবর্তন করা যায়...? আজকাল বিবাহ-উপদেষ্টা সম্মোহনবিদ্যারও পরামর্শ দেয়!
একবার পড়েছিলাম এক মহিলা তার পতির কোখ কমাতে চেয়েছিলাম যে চিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় মানুষের মঙ্গিজে ইলেকট্রোড লাগিয়ে তার কোধ পুরোপরি নিয়ন্ত্রণ করার পরীক্ষা করে। যখন তারা স্বেচ্ছাকর্মী চায় , কয়েকশ' মহিলা জোর করে তাদের স্বামীদের নিয়ে আসে!
পরীক্ষার পর, ৭২ মহিলা, সত্যি সত্যি ৭২ জন মহিলা ফিরে এসে বিশ্ববিদ্যালয়কে বলে, 'দয়া করে এই ইলেক্টোডগুলি সরিয়ে ফেলুন। আমরা আমাদের পুরানো পতিকে ফিরে পেতে চাই! আমরা আমাদের পুরানো রাগী পতিকে ফিরে পেতে চাই।' যখন জিজ্ঞাসা করা হয় কেন, তারা বলে, 'জীবনে কোন রস নেই! লড়াই না করলে কোন আদানপ্রদান হয় না। পতিরা আমাদের দিকে কোন মনোযোগ দিচ্ছে না!'
সবার মনোযোগ পাওয়া চাই। আচরণ বিষয়ক মনোবিজ্ঞানীরা বলে যে একজন স্বাভাবিক মানুষ খাবার ছাড়া ১০ দিন বাঁচতে পারে, কিন্তু মনোযোগ ছাড়া সে কেবল ১৪ দিন বাঁচে! তার বেশী হলে সে পাগল হতে থাকবে।
আমরা একে অপরকে ভালবাসতে ভুলে গেছি, যত্ন করতে ভুলে গেছি! প্রেম এক ভুলে যাওয়া ভাষা! তাই একে অপরের সাথে লড়াই দ্বারা আমরা আশা করি আমাদের মধ্যে আদানপ্রদান হবে ও একে অপরের মনোযোগ আকর্ষণ করবে!
আমার মনে হয় যারা এখানে বসে আছ এবং নালিশ করছ যে তোমাদের পতিরা বা পত্নীরা আধ্যাত্মিক নয় ... যদি তোমাদের পতি বা পত্নীরা আধাত্মিক হয়ে পড়ে, তোমরা হয়ত ফিরে আসবে এবং অভিযোগ করবে যে তোমাদের পুরানো সাথীকে ফিরে পেতে
ରୀଓ।