Books / Guaranteed Solutions For Lust Fear Worry... Bengali merged

12. ব্রহ্মচর্য বা কমার-ব্রত কি?

# ব্রহ্মচর্য বা কমার-ব্রত কি?

তোমার ভিতরে দমিত অর্ধেকের জন্য ব্যাকুল না হওয়াই ব্রক্ষচর্য বা কুমার -ব্রত বা কৌমার্য-ব্রত (celibacy), ব্যাস। তুমি যদি পুরুষ হও, তোমার নিজের এমনই পরিপূর্ণ অভিজ্ঞতা হওয়া উচিৎ যে তুমি তোমার ভিতরে দমিত নারীভাবকে আর হারিয়ে ফেল না। একইভাবে, নারী হলে তুমি নিজে এতই পরিপূর্ণ থাক যে তুমি সেই পরিপর্ণতার অভিজ্ঞতার জন্য বাইরে তাকাও না।

যদি এটা অর্জন কর, তুমি নারীর সাথে বা নারী বিনা বহির্জগতে বাস করতে পারবে। এটা অর্জন না হলে , বিবাহিত হলেও, তোমার ওপরে সর্বদা হর্মোনগুলি অত্যাচার করতে থাকবে। হুমোনগুলির অত্যাচার পরিপর্ণতা পাবার আ কুলতা ছাড়া আর কিছু নয়, সেই পরিপূর্ণতা তো পাওয়া যায় ভিতরে. বাইরে নয়।

যখন তমি এই পরিপর্ণতা পাও, তমি বিয়ে করেছ কি কর নি, তোমার মনে শান্তি থাকবে। তখন তমি বিবাহিত জীবনাও ব্রক্ষচারী হতে পারবে। এটাই আসল ব্রক্ষচর্য।

এর পরিবর্তে লোকেরা জবরদস্তি ব্রহ্মচারী হতে গিয়ে আরও দমিত ও বিকতমস্তিষ্ক হয়ে পডে।

মন্তব্য : কিন্তু স্বামীজী, আমরা তো হৃদয়ঙ্গম করতে পারছি না যে আমরা আমাদের ভিতরে একটা ছবি বহন করছি …

হ্যাঁ, কারণ আমরা কখনও ভিতরে তাকাই নি। আমরা সবদিকে যাই, কিন্তু ভিতরের দিকে যাই না। আমাদের ৮০% পর্যন্ত শফি এই শক্তিচক্রে তালাবদ্ধ আছে! এই শক্তিচক্রে শক্তি সঞ্চার করার কোন প্রয়োজন নেই। একে কেবল খুলতে ও সত্রিয় করতে হবে এবং এখান থেকে প্রবাহিত শক্তির বন্যা তোমার সম্পর্ণ জীবনকে রূপান্তরিত করতে পারবে!

নিজের ভিতরে গভীরভাবে দেখলে বুঝবে যে 'তুমি যা দেখতে চাও' তাদের মধ্যে কিছু গরমিল আছে বলে সবসময়ের ভাবনাই তোমার কষ্টের কারণ। এই তুমি যা দেখতে চাও' ছবিটিকে তুমি ভিতরে বহন করছ।

নিদেনপক্ষে এখন থেকে সচেতন হয়ে লক্ষ্য করার চেষ্টা কর, লক্ষ্য করে যে তুমি যাই দেখ তাতে তোমার মন কিভাবে খেলা করে। মন প্রবেশ করে রায় দেবার আগেই, দশ্যগুলি যেমন আছে ঠিক তেমনিভাবে তাদের ধরার চেষ্টা কর। তাহলে দেখবে তোমার মন কিরকম সম্ম ও দিরবঙ্গিরভাবে যাই দেখ তার সাথে খেলা করে এবং তোমাকে বিশ্বাস করানোর কারণ হয় যে তমি যা দেখ তাতে কিছু ভুল আছে।

সংস্কতে দুটি কথা আমাদের বাস্তবতা শেখায় : 'দুষ্ট সৃষ্টি' মানে বিশ্ব যেরকম আছে সেরকম দেখা, তা যেভাবে আসে সেভাবে নাওয়া; যা আছে তাকে বাস্তব গণ্য করে স্বাগতম করা। 'সঙ্গি দানে বিশ্বকে সেভাবে দেখা, যেভাবে আমরা চাই, আমাদের রঙীন কাচের মধ্য দিয়ে, আমাদের অলীক কল্পনা মারফৎ। প্রথমটি শান্তিপূর্ণ জীবনের দিকে নিয়ে যায়, পরেরটি নিয়ে যায় দুঃখকষ্টের দিকে।

একটা ছোট গল্প :

একবার একটি লোক এসে আমায় বলে, 'স্বামীজী, আমরা বাড়ীতে দুটিমাত্র মানুষ, আমার স্ত্রী ও আমি। কিন্তু তাও ঘরে কোন শান্তি নেই!'

আমি তাকে বললাম, 'কে বলেছে ঘরে দুটি মানুষ? তোমরা চারজন।'

লোকটি একদম অবাক।

আমি বুঝিয়ে বললাম, 'তুমি, তোমার ভিতরের নারী, তোমার স্ত্রী এবং তার ভিতরের পুরুষ! তাই আমি বলি তোমরা চারজন। কেবল তোমাদের ভিতরের নারী ও ভিতরের পুরুষকে শেখ - আর দ্যাখ ঘরে কি পরিবর্তন হয়।' লোকটি চুপচাপ চলে গেল।

প্রশ্ন : স্বামীজী, আমরা অন্যদের সম্বন্ধেও সমস্যা অভিজ্ঞতা করি, যেমন বাবা-মা ও বাচ্চাদের মধ্যে...

উত্তর : হ্যাঁ, যে কোন সম্বন্ধেই প্রত্যাশা থাকে। আমি মনে করি না যে প্রত্যাশা ছাড়া কোন সম্বন্ধ আছে।

বাবা-মায়েরা ছেলেমেয়েদের ছেনি হাতুড়ি দিয়ে খোদাই করে এবং ছেলেমেয়রাও বাবা -মার সাথে একই চেষ্টা করে।

বাবা-মায়েরা তাদের অপরিপূর্ণ অভিলাষ বাচ্চাদের মধ্য দিয়ে পুরো করতে চায়। বাবা -মায়েরা স্বপ্ন দেখে যে তাদের ছেলেমেয়েরা ডাক্তার কিংবা ইঞ্জিনীয়ার হবে। কেন ছেলেমেয়েদের জিজ্ঞাসা করে জেলে নাও না যে তারা কি হতে চায় এবং তারপর তা প্রণ করার স্বপ্ন দেখ? তাতে তোমার সন্তানের অনেক সাহায্য হবে।

যে দিন তোমার সন্তান তোমাকে পালটে উত্তর দিতে শুরু করে, সেইদিন সে বড় হয়েছে। তখন তোমাকে তার সাথে অনেক সতর্ক হয়ে ব্যবহার করতে হবে। তার সাথে সময় কাটাও, কথা বল, ভাল বন্ , ভাল বল, ভাল বন্ধু হও এবং খুঁজে বের কর সে জীবনে প্রকল্প ক্ষে কি করতে চায়। গভীর প্রেম ও ভরসা দিয়ে তাকে গাইড কর। তারপর তার উচ্চাকাঙ্কাকে তোমার বাস্তবতা বানাও এবং তাকে সেটা অর্জন করতে সাহায্য কর।

जनवर मुखानना जाता बना जा जाति वक जाणाद रहे हैं। जानाव बाता जाता जाता जाता जाता जाता जाता हो गया है। यह वल छन् অবশ্যই, সন্তান যদি নিজে কিছু ঠিক করতে না পারে এবং সে তোমায় জিজ্ঞাসা করে যে সে কি হবে , তুমি তার প্রতিভা ও সামগ্র লক্ষ্য করে তাকে পরামর্শ দিতে পার।

তুমি সর্বদাই পরামর্শ দিতে পার. কিন্তু তার দলা দিয়ে কিছু ঠেলে দিয়ো না। আবার তোমার সন্তানকে বুঝতে দাও যে তুমি তাকে কিছু করার জন্য স্বাধীনতা ও পরিপক্ষতা দিচ্ছ এবং তাকে পরিষদ দাও যে শেষে তাকে দোষ দেওয়া হবে না। তাকে সেটা স্বচ্ছভাবে ব্যবহার হবে।

আজকের হোমওয়ার্কের জন্য আমি চাই যে তোমরা তোমাদের ধারণাগুলি লিখে ফেল যে এক সঠিক প্রী, এক সঠিক পিতা, এক সঠিক মাতা, এক সঠিক সন্তান এবং এক সঠিক বন্ধু কি রকম হওয়া উচিৎ। তোমার প্রাসঙ্গিক যে কোন পাঁচটি সম্মদ বেছে নাও এবং লিখে ফেল। সত্যের সাথে করা যখন তমি তোমার কাগজটা পড়বে, আমি নিষ্ঠিত, তাম দেখবে যে অচেতনতার গভীরে তোমার সমস্ত ধারণাগুলি জনপ্রিয় গণমাধ্যম বা মিডিয়া থেকে নাওয়া হয়েছে।

কোন টেলিভিশন সিরিয়াল দেখছ ও তাতে একটি চরিত্রকে ভাল লাগছে। সেই চরিত্র তোমার জন্য এক সুদৃঢ় বাস্তব্য হয়ে যায়। অচেতনভাবে তুমি তোমার বাস্তব জীবনে জড়িত কিছু মানুষের কাছ থেকে সেই রকম ব্যবহার আশা কর।

এমনকি লোকেরা 'আদর্শ গুরু'-র ছবি মনে নিয়ে যোৱে। সাধারণতঃ সেটা এক বুডো মানুষের ছবি, সাদা চল এবং লম্বা দাড়ি - যা তোমরা বইতে ও টেলিভিশন সিরিয়ালে দেখ! আর যখন তারা আসে ও আমাকে দেখে, তারা মেনে নিতে পারে না যে একজন যুবা 'প্রক্ত মাস্টার' হতে পারে। তাই আমি একই সমস্যার মুখোমুখি হই ! লোকেদের আমায় গ্রহণ করার আগে, আমাকেও গুরু সম্বন্ধে প্রত্যাশা থেকে তাদের মুক্ত করতে হয়।

প্রশ্ন : কিন্তু মাঝে মাঝে আমাদের খোদাই করতে হবে... যেমন আমরা যখন আমাদের কর্মচারীদের পরিচালনা করি। তখন আমরা কি করি?

উত্তর : সচেতন হয়ে খোদাই করা কি করছ তা সম্বন্ধে সচেতন থাক - তাহলে দরকারের চেয়ে বেশী খোদাই করবে না। এই কর্মচারীদের থেকে তোমার প্রত্যাশাগুলি বাস্তব কিনা, তা দ্যাখো। অন্য কোন সমাধান আছে কিনা যাচাই করে দ্যাখ্যা একমাত্র ভীষণভাবে প্রয়োজন হলে পরে তমি কাউকে ছাঁচে ফেলার চেষ্টা করতে পার।

যখন তোমাকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তাকে সচেতনতার সাথে প্রয়োগ করতে শেখ! এমনকি ক্রোধ ও যৌন-কামনাও ভগবান প্রদত্ত মহান শক্তি। তোমার যখন সেই শক্তির ওপরে শ্রদ্ধা থাকে, তুমি তার অপচয় বা অব্যবহার করবে না।

আমরা কি টাকা অপচয় করি? তুমি কখনও টাকা অপচয় কর না কারণ তুমি তা শ্রদ্ধা কর। যদি কেউ দশ টাকার কাজ করে , তুমি কি তাকে এক পয়সা বেশী দেবে? কিন্তু কোধ হলে তুমি সর্বদা বেশী খরচা করে ফেল। যদি কেউ দশ টাকার কোধের প্রাপ্ততা লাভ করে, তমি তাকে পঞ্চাশ টাকার ক্রেশ দেখিয়ে দাও! কেন? কারণ তমি অচেতন হয়ে জানু করে টাকা খরচের মত কর না। যদি তুমি তোমার কোন সচেতন হয়ে ব্যবহার কর, তা আসলে তোমার কাজে আসবে এবং পরে তোমার সে সম্বন্ধে দোষীভাব হবে না, আমি আশ্বাস দিচ্ছি।

কখনও নিজের কোধ থেকে বিপর্যস্ত হওয়া উচিত নয়। যদি বিপর্যস্ত হও, তার মানে তুমি সচেতনভাবে ক্রোধ প্রয়োগ কর নি ; তুমি কোখকে তোমাকে ডিঙ্গিয়ে যেতে দিয়েছ। এই কেল দিয়ে বোঝা যায় যে তুমি ক্রোধ সঠিকভাবে ব্যবহার করেছ কিনা।

একটা ছোট গল্প :

একবার এক পরিব্রাজক সাধু এক গ্রাম দিয়ে যাচ্ছিলেন এবং সেখানে তিনি শুনলেন যে একটি গোখরা সাপ সেই গ্রামকে তটস্থ করে ফেলেছে।

সাধুর জীবের সাথে ভাবের আদান-প্রদান করার শক্তি ছিল। গ্রামবাসীরা সাধুর কাছে মিনতি করল যে সাধু যেন সাপটিকে ব্যবিয়ে দেন এবং সেটি যেন তাদের না কাটে।

তাই সাধু সাপটিকে বোঝালেন এবং সাপটি প্রতিজ্ঞা করল যে সে আর কাউকে কাটবে না।

কিছু মাস পর সাধাটি একই গ্রাম দিয়ে যাচ্ছিলেন এবং গোখরাটির দেখা পেলেন। সে একদম জীর্ণ হয়ে গেছে , দেহে অনেক আঘাতের চিহ্ন, প্রায় মর-মর অবস্থা।

'তোমার কি হয়েছে? এত আঘাত কেন?', সাধু প্রশ্ন করলেন।

গোখরা কেঁদে বলে, 'হে সাধুবর! আপনি আমাকে প্রতিজ্ঞা করিয়েছিলেন যে গ্রামবাসীদের কাটবো না! আমি আজ পর্যন্ত

আমার প্রতিজ্ঞা রেখেছি। এদিকে গ্রামবাসীরা যারা আগে আমাকে ভয় পেত, আমার নরমপ্রকৃতিকে দুর্বলতা হিসাবে দেখছে। আমি কামড়াই না দেখে তারা আমাকে রোজ অত্যাচার করতে শুরু করেছে। দেখুন আমার এখন কি নিদারুণ অবস্থা!'

সাধু উত্তর দিলেন, ' হে আমার বুদ্ধু বন্ধু! আমি তোমাকে কেবল কামড়াতে বারণ করেছি। ফোঁস করতে বারণ করেছিলাম কি?'

ক্রোধ সঠিকভাবে ও সঠিক পরিমাণে ব্যবহার করা দরকার। সঠিকভাবে ব্যবহার করতে জানলে ক্রোধ এক প্রচণ্ড শক্তি।

ক্রোধ সম্পর্কে জ্ঞান ক্রোধ লাঘব করে।

অনেকে আমার কাছে এসে বলে, 'স্বামীজী, আমি আমার স্ত্রীকে এত ভালবাসি। তাই আমি চাই সে আরও ভালতে পরিবর্তিত হোক। তাই আমি তার সাথে লড়াই করি।'

আমি তাদের বলি, 'তুমি তোমার পত্রীকে ভালবাস না: তুমি তোমার মনের ছবিটিকে ভালবাস।'

তুমি তোমার ছবিটিকে ভালবাস এবং যখন তোমার স্ত্রী সেই ছবির সাথে মেলে, তুমি তাকে ভালবাস। তোমার আসল প্রেম তোমার जीव जना नयः जा जनवरी के साथ তোমার ছবিকে পরিবর্তন করতে। তুমি তাকে তোমার ছবির সাথে মাননসই হবার আশা করবে না।

আমারা বেশীরভাগই আমাদের ছবিগুলির সাথে প্রেম করে অশান্তির তাতেই সত্রপাত। তাতেই এক অন্তরঙ্গ যুদ্ধের সত্ত্বাত। সততার সাথে বলছি প্রেমীরা অন্তরঙ্গ কিন্তু সর্বদা অস্ত্র নিয়ে তৈরী। তারা সর্বদাই অপরের ওপরে আধিপত্য স্থাপন করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যায়।

প্রকত অন্তরঙ্গতা হল যখন তুমি অপরের সাথে পুরোপুরি স্বস্তিবোধ কর। সেটাই প্রকৃত অন্তরঙ্গতা।