11. ম্যাচিং গেম
# ম্যাচিং গেম
সমস্ত মিডিয়া বা গণমাধ্যম স্বপ্ন বিক্রয় করে। তারা যে স্বপ্ন বিক্রী করে আমরা তাদের সংগ্রহ করি ও তারা মিটানো জন্য আমাদের মনে তাদের চালাতে থাকি। তা কি সম্ভব? তোমার জলের তেষ্টানো যায়? না! বরং তোমার তেষ্টা বেড়ে যাবে।
তুমি যদি সতর্ক ও সচেতন হও, বিজ্ঞাপনগুলি তোমাকে বোকা বানাতে পারবে না। কোন সন্দেহ নেই যে সেগুলি দেখে তুমি বাজারের সর্বশেষ অবস্থার সাথে ওয়াকিবহাল হবে, কিন্তু সেগুলি তোমাকে ঠকাবে না।
তুমি সেখুনি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। তুমি সেখুনিস্টভাবে দেখতে সমর্থ হবে ও তাদের সেখানেই ছেডে দেবে। তুমি সেঞ্জুর বিরুদ্ধে এক তাৎক্ষণিক ও অচেতন আক্রান্ত অনুভব করবে না। কেবল যখন তোমার প্রভাবিত মনকে সিদ্ধান্ত নেবার কর্তৃত দাও, তুমি সমস্যায় আছ। তোমার প্রভাবিত মনকে বুদ্ধি দ্বারা প্রতিষ্ঠাপন করা প্রয়োজন যাতে তুমি সর্বদাই সচেতন থাকা। এই ব্যাপারে ধ্যান খুব সাহায্য করে।
একদিকে মিডিয়া তোমাকে তোমাকে স্বপ্ন গেলায়, অন্যদিকে সমাজ তোমাকে দমন করে। সমাজ যত তোমার কল্পনা ও বাসনা দমন করতে চেষ্টা করে, কল্পনা তত বাড়ে, কারণ সমাজ তার মলকে সম্বোধন করে না। তুমি যখন একটা গাছের কেবল ডালপালা কেটে ফেল এবং তার মূল এমনি ছেড়ে দাও, কি হয়? গাছ আরও সতেজ হয়ে বাড়ে।
এই কয়েক বছরে. চোদ বছর বয়স পর্যন্ত আমরা সমস্ত প্রকার মিডিয়া থেকে আদর্শ নারী বা আদর্শ পরুষের ধারণা নেই। প্রতিটি মানুষ থেকে আমরা সবচেয়ে ভাল চোখ, সবচেয়ে ভাল চোখ, সবচেয়ে ভাল ব্যক্তিত এবং আমাদের 'আদর্শ মানুষ' সঙ্গি করি। আমরা একটা 'কাট অ্যান্ড পেস্ট মেথভ' ব্যবহার করি! কম্পিউটারে তো তুমি অনেক কাট-অ্যান্ড-পেস্ট কর।
এই অবস্থা প্রায় সাত বছর ধরে থাকে, তারপর আমরা ২০ বা ২১ বছরের হই। সেই সময়ে মিডিয়ার সাথে সমীকরণ কমতে থাকে - কিন্তু ভাবনাগুলি ইতঃপূর্বে আমাদের মনে গভীরভাবে গেঁথে গেছে। তখন আবার নতুন করে খোঁজা শুরু হয় - আমাদের সেই আদর্শ মানুষকে পাবার জন্য। 'এরকম হওয়া উচিত' এই ভাবনা নিয়ে এই খোঁজ। এখান থেকেই প্রত্যাশা শুরু হয়।
পরের সাত বছর, সেই খোঁজ চলে। মানুষ আমরা চেষ্টা করি এবং হতাশ হয়ে পড়ি। কিছু বুদ্ধি মান মানুষ পরে বোঝে যে এই স্বপ্নগুলি বাস্তব হতে পারে না। যেহেতু স্বপ্ন বাস্তব হতে পারে না, তাদের স্বপ্ন বলা হয়। কিন্তু বেশীরভাগ মানুষই খুঁজতে থাকে।
একটা ছোট গল্প :
একজন ৯০ বছরের মানুষ সমুদ্রতীরে একটা বেঞ্চে বসে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লোকেদের আসা-যাওয়া দেখত। আরেকজন এটা লক্ষ্য করে তাকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করে, 'আপনি এখানে রোজ বসে বসে কি করেন?' লোকটি উত্তর দেয়, 'আমি একজন মহিলা খুঁজছি যাকে আমার পতী বানাতে পারি।' অন্যজন অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করে, 'আপনি যৌবনে তা খোঁজেন নি কেন?' বেঞ্চে বসা লোকটি বলে, 'আমি তো ৩০ বছর বয়স থেকে খুঁজে যাচ্ছি।' অন্য লোকটি আরও বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞাসা করে, 'আপনি কি রকম মহিলা খুঁজছেন?' সে উত্তর দিল, 'আমি এক আদর্শ মহিলা খুঁজছি।' অন্যজন বলে, 'আর আপনি একটাও পেলেন না।' ্রামি একজন মহিলাকে পেয়েছিলাম যে আমার মনের মত মানানসই ছিল কিন্তু তার জন্য ব্যাপারটা ঠিক কাজ করে নি.' সে উত্তর দেয়।
অন্য লোকটি জিজ্ঞাসা করে কেন। বেঞ্চের বুড়ো বলে, 'সে এক আদর্শ পুরুষ খুঁজছিল!'
এটাই হয় যখন আমরা মনের বহন করা ছবি অনুযায়ী নিখুত পাত্রপাত্রী পাবার চেষ্টা করি।
কিন্তু লম্বা খোঁজের পর, আমরা হঠাৎ একজনকে পাই যে আমাদের মনের ছবির সাথে মেলে - দুর থেকে। আমাদের মনের ছবিটা সবুজ এবং মানুষটির যে ছবি আমরা দেখি সেটাও সবুজ - তখন সবই সবুজ! মনে হয় যে সঠিক পাত্র বা পাত্রী পাওয়া গেছে!
এই সময়ে যা হয় তাকে বলা হয় প্রেমে পড়ার এটাই বিজ্ঞান। লক্ষ্য কর যে এটা সর্বদাই 'পড়া', কখনই প্রেমে 'ওঠা' নয়! কারণ আসলে আমাদের বিরাট প্রয়োজন ও প্রত্যাশার জন্য, আমরা জিনিষগুলিকে সেভাবে দেখি যেভাবে আমরা তাদের দেখতে চাই। আমরা আমাদের মানসিক প্রতিচ্ছবি অপরের ওপরে অভিক্ষেপ করি।
यारे रशक, भयो उनन मनुष्क उ गांद करव याय वर जीवन वक कवित्रा राय या। मदमास जातारक थाँज ट या वर् सदस्क আমরা কবিতা লেখা, ছবি আঁকা ও আরো কত কি শুরু করি।
যতক্ষণ পর্যন্ত এই দুরতু বজায় রাখা হয়, জিনিষ্ণুলি নির্বাটে চলে। আমরা আমাদের কল্পনা অন্যের অভিক্ষেপ করতে शाकि। किल सेवन सेवा का कारण का कारण कर राशन जाता का वित्य यादक वर्णा मनुष्य करणों मनुष्य मण्डल সবুজ নয়, সে মলিন সবজ। কিন্তু সেটা ঠিক আছে মনে হয় ও আমরা চলতে থাকি। তারপর আমরা আরও সামনে আসি এবং মনে করি এটা তো মলিন সবুজও নয়, এটা হলুদ রঙের একটা শেড।
এই পরিস্থিতিতে আমরা মেনে নিতে চাই না যে আমাদের কল্পনা মিথ্যা হয়ে গেছে, তাই আমরা সেই পরিস্থিত দিতে থাকি। আমরা নিজেদের বলি, 'এটাই জীবন! সবকিছু নিখুঁত হতে পারে না!' এবং আনও কত কি। বাস্তবে বাস করার জন্য অনেক সাহস, অনেক বুদ্ধি চাই। তাই আমরা এই অজুহাতগুলিকে একটা বাফার (buffer) সিস্টেম হিসাবে ব্যবহার করি।
সবশেষে আমরা যখন একদম সামনাসামনি এসে পড়ি, আমরা দেখি যে এটা কেল সাদা! যেটা আমাদের ভিতরে সবুজ বলে গণ্য করেছিল, বাইরে সেটা সাদা। কল্পনা ও বাস্তবতা একেবারেই আলাদা।
একটা ছোট গল্প :
একটা লোক তিনতলা থেকে রাস্তায় পড়ে গেল। এক পথচারী তার দিকে দৌড়ে গেল ও জিজ্ঞাসা করল, 'পড়ে যাওয়া ব্যাপারটা নিশ্চয়ই বেদনাদায়ক।'
লোকটি উত্তরে বলে, 'না। পড়তে থাকার সময় কোন ব্যথা নেই; কেবল হঠাৎ থেমে যাওয়াতে ব্যাথা লাগে!'
যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা ভালবাসায় ভাসতে থাকি, যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা দুরত্ব বজায় রাখি ও মিলনসময় ছোট রাখি, আমরা ঠিক আছি; আমরা এক অলীক কল্পনার জগতে আছি; আমরা ব্যবহারিক স্তরে সেই। এই ভাসমান অবস্থা বন্ধ হয়ে প্রকৃত সম্বন্ধ শুরু হলে যখন দুরত্ব কমে ও একসাথে থাকার সময় বাড়ে , তখন সমস্যা শুরু হয়!
जलीक क्लबना या जश्द्द्र कवरव, सामिल्क घाटन कर बनी मात्र शत्र भएक शाकर बना राज्य बना राशि जान रहा है जान रहा। সংগ্নীত অলীক কল্পনা যত কম হবে, তাদের তত কম জিনিয়ের সাথে তুলনা করতে হবে এবং তাতে বিপদ কম হবে। কিন্তু তোমার যদি কোন অলীক কল্পনা না থাকে, তোমার আদর্শ জীবনসঙ্গীর সাথে অবিলম্বে দেখা হবে। যদি তোমার অলীক কল্পনা না থাকে, যাকেই বিয়ে কর সে তোমার আদর্শ জীবনসাথী হয়ে যাবে।
আমাদের এটা বুঝতে হবে যে আমাদের মনের কল্পনার ছবির মত জীবন্ত কোন মানুষই হতে পারে না, কারণ ছবিটি বাস্তবতা থেকে সঙ্টি হয় নি। আমাদের স্বপ্নজগতের নানা স্থান থেকে কাট অ্যান্ড পেস্ট করে ছবিটি হয়েছে। বাস্তবতা এর সাথে মিলবে না কারণ এটা তো একটা ছবিমাত্র, একটা অলীক কল্পনা!
যদি তুমি তোমার ছবিগুলি সংগ্রহ কর বাস্তব জগতের চরিত্রদের থেকে , যারা তোমার আশেপাশে আছে, তবে তা ঠিক আছে। কিন্তু তুমি তো সেগুলি মিডিয়া বা গণমাধ্যম থেকে সংগ্রহ কর।
মিডিয়া নিজেই বাসনায় ভুগছে! তারা কিভাবে তোমায় পথনির্দেশ করবে বা স্বস্তি দেবে?
তাই সমস্ত তথাকথিত প্রেস প্রায়ই বেদনাতে শেষ হয়। শেষে মনে হয় আমরা ঠকেছি বা আমাদের থেকে সুযোগ নাওয়া হয়েছে। আমাদের প্রাথমিক উপজ্ঞা বা সহজপ্রবৃতি (basic instinct) হ'ল, যা হয়েছে তার জন্য অন্যজনকে দোষ দেওয়া।
কিন্তু সেটা কি অন্যের দোষ?
না। কারণ আমরা কিছু আশা করেছিলাম, নিজের কল্পনা অন্যের মাধ্যমে সামগ্রী তো সমস্যার সত্রগাত।
দ্যাখো, অনেক সময় কেউ অযৌক্তিক ও খামখেয়ালি ব্যবহার করতে শুরু করে। সেই ঘটনাগুলি ব্যতিক্রম এবং তখন তোমায় ঠিক করতে হবে তামি এইপ্রকার ব্যবহারের সাথে বাস করতে থাকবে কিনা। আমার আগের প্রয়োগ করতে পার না। ব্যতিক্রম সবসময় থাকে।
কিন্তু আমি যা বলছি তা বাস্তবে বহু ঘরে হচ্ছে যেখানে দুজনেই স্বাভাবিক এবং তা সত্ত্বেও ঘরে অশান্তি। কিন্তু আমরা কখনই এতে গভীরভাবে দেখি না। আমরা সত্যের সাথে কাজ করতে কখনই পছন্দ করি না।
আমি কি বলতে চাইছি তা বোঝ। তোমার কল্পনা মুছে ফেল এবং বাস্তবতার সাথে বাস করা শুরু কর।
একটা ছোট গল্প :
একজন তার বন্ধুকে একটি কক্সছানা বিয়েতে উপহার দিল। তিন মাস পর তাদের রাস্তায় দেখা হল। 'বিবাহিত জীবন কেমন চলছে?' একজন অন্যকে জিজ্ঞাসা করে। 'ও, কিছু ছোট পরিবর্তন হয়েছে, ব্যাস', উত্তর এল। 'কিসের পরিবর্তন?' পরের প্রশ্ন। 'প্রথমে কুকুরছানাটি আমার দিকে যেউবেউ করত এবং আমার জন্য পত্রিকা নিয়ে আসত। এখন স্ত্রী আমায় লক্ষ্য করে চেঁচায় আর কক্সবছানা আমার জন্য পত্রিকা নিয়ে আসে !', বিবাহিত লোকটি উত্তর দিল।
একবার মধ্যস্ত্রিকা (honevmoon) শেষ হয়ে গেলে কি হয়? আশ্চর্যের কিছু নেই, এটাকে মধুপুর্য (honevsun) না বলে মধুচন্দ্রিকা বলা হয়! সুখ ব্যতিক্রমহীনভাবে কেবল এক পক্ষকাল (১৫ দিন) থাকে! আমি বলছি তুমি যদি এক সপারষডেল বিয়ে কর, তোমার চোখ থেকে তার সৌন্দর্য ১৫ দিনেই মলিন হয়ে যাবে, কারণ তুমি ইতঃপূর্বে অপর কোন সুন্দরী সম্মন্ধ কল্পনা করতে শুরু করেছ! আর তুমি অলীক কল্পনা করতে থাক, কারণ আসলে তুমি নিজের ভিতরে পরিতৃপ্তি চাইছ, কিন্তু সেটাকে এই সব তৈরী করা ছবির মাধ্যমে বাইরে খুঁজে বেড়াচ্ছ।
এক মহিলা তার মেয়েকে বিবাহ বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছিল। 'শোন সোনা, যখন তুমি কাউকে ভালবাস, সেটা জীবনভোর হওয়া উচিত: কেবল তবেই সেটা আসল প্রেম।'
মেয়ে মায়ের কথা শুনছিল।
া বলে চলে, 'আমার কথা উপদেশ হিসাবে নাও। আমি জানি আমি কি বিষয়ে কথা বলছি। আর যাই হোক আমি তিনবার বিয়ে করেছি।'
সমস্যা হল সবাই পরামর্শ দিতে তৈরি, কিন্তু নেবার কেউ নেই!
Section 2
যাই হোক, নিদেশক্ষে আমরা যখন দেখি যে বাইরের জিনিষটা সাদা, যদি আমরা বাস্তবতা গ্রহণ করি, তবে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু আমরা কি চুপ করে থাকি? না! আমরা আমাদের তুলি ও রঙ দিয়ে সাদাকে সবুজ করার চেষ্টা করি। আমরা আমাদের মানসিক নকশার মানানসই করে অন্য মানুষটিকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করি। যেভাবে আমরা তাকে কল্পনা করেছি সেভাবে তার ভাস্কর্য করার করার চেষ্টা করি। আমরা অন্যকে বলে আনার চেষ্টা করি এবং তাদের বস্তুতে বদলে ফেলি। আমরা শক্তিকে বস্তুতে নামিয়ে আনি। এখানেই সমস্যা শুরু হয়!
একটা ছোট গল্প :
একজন লোক পেশায় ছিল চিত্রশিল্পী বা পেইন্টার। সে তার বন্ধুকে বলছিল, 'একবার আমার কাছে একটি মেয়ে গাঢ় নীল রঙের টকরা নিয়ে এসে বলে যে আমাকে একই রঙের একটি বাড়ির মডেল আঁকতে হবে। আমি ভাবলাম এই রঙ মেলাতে গিয়ে আমাকে তো আমার পেশাই ছেডে দিতে হবে। মেয়েটি কিছুতেই সন্তুষ্ট হচ্ছিল না।' বন্ধু জিজ্ঞাসা করে, 'অবশেষে রঙ মিলল?'
সে উত্তর দিল. 'আমার ভাগ্য ভাল। তার মোবাইলে একটা কল এল এবং সে যখন কথা বলছিল আমি তাড়াড়ি সেই টকরাটিকেই রঙ করে ফেললাম!
সমস্ত দিন ধরে, প্রত্যেক বাড়ীতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাবার্তা যত্ন সহকারে শোন। তুমি দেখতে পাবে ছেনি-হাতুড়ির কাজ চলছে। আমার মনে হয়, বিয়েতে মঙ্গলসূত্র ও আংটির সাথে ছেলি-হাতুডি উপহারে দেওয়া যায়।
আরেকটা ছোট গল্প :
একটি লোক তার বন্ধুর সাথে সন্ধ্যাবেলা চা খাচ্ছিল। লোকটি তার বন্ধুকে বলে, 'আমি আমার বউকে ভিভোর্স করার পরিকল্পনা করছি। গত ছয় মাসে সে আমার সাথে একটা কথাও বলে নি।'
বন্ধু বলে, 'এরকম সিদ্ধান্ত নেবার আগে ভাল করে ভেবে দেখা তুমি এরকম বউ পাবে না।'
জীবনে যদি আমরা আমাদের ভিতরের ছবিগুলি মুছে ফেলি, আমরা অসীম সম্ভাবনা পেয়ে যাব!
তুমি যদি অবিবাহিত হ'লে তোমার অলীক কল্পনা ছেড়ে দাও, যাতে তুমি তোমার জীবনসাথী পছন্দ করতে পার, স্বপ্নসাথী নয়। যখন কাউকে পছন্দ কর, নিজেকে মনে করাও যে তুমি সারা জীবন তার সাথে থাকবে, কিছু মাসের জন্য নয়। এটা কোন মজার ঘটনা নয়। এটা একটা সারা জীবনের ব্যাপার।
এখন পর্যন্ত যে কোন কালো জীনস বা নীল টী-শার্ট তোমার কল্পনার জগতে থাকবে এবং তুমি তার দিকে আকৃষ্ট হবে। কিন্ত বোঝার চেষ্টা কর যে কালো ও নীল ছয় মাসের মধ্যে বিবর্ণ হয়ে যাবে!
তুমি যদি বিবাহিত হও; অলীক কল্পনা ছাড়; তবেই তুমি কারোর সাথে বাস্তব সম্বন্ধ স্থাপন করতে পারবে। তুমি ছেনি -হাতুড়ি নিয়ে র বেড়ালে বাস্তব সম্মক হতে পারে না। ছেনি-হাতুড়ি দিয়ে খোদাই করার সময় কি হয়? তুমি খোদাই শুরু করলে এবং যখন ভাবলে খোদাই শেষ হয়েছে, তোমার কল্পনাও পরিবর্তিত হয়েছে; তাই তোমার পরিবর্তিত কল্পনাকে রূপ খোদাই-কাজ বেডে যায়। এই চক্র কখনও শেষ হয় না।
যতক্ষণ অলীক কল্পনা আছে, প্রকৃত সম্মদ্ধ কখনই হতে পারে না। যদি তুমি লক্ষ্য করে, একই ঘরে চলিশ ঘণ্টা কারোর সাথে থাকলেও তুমি তার চোখের দিকে তাকাও না, কারণ বাস্তবের সাথে না থেকে তুমি অলীক কল্পনার সাথে বাস করছ। আসলে তুমি সত্যিকার মানুষটার সাথে বাস করছ না। অন্য মানুষটি যা করে তা তোমার কল্পনা দ্বারা দেখছ এবং সিদ্ধান্তে আসছ যে ভগবান তোমায় শাস্তির জীবন দিয়েছেন।
তুমি যদি অবিবাহিত হও, অলীক কল্পনা (fantasy) ছাড়, তোমার রক্ত ঠাণ্ডা হবে।
তুমি যদি বিধবা হও, তোমার কল্পনা (imagination) ছাড়, তুমি নিঃসঙ্গতার বেদনা অনুভব করবে না।
ছোটদের অলীক কল্পনা না করা শেখাও। সেটা না শিখিয়ে তাদের টিভিতে স্ত্রী-পুরুষের মিলিত সংগীত দেখতে দিয়ো না। যদি তারা কেবল গান উপভোগ করে ও তার সাথে নাচে, তো ঠিক আছে; কিন্তু ব্যতিক্রমহীনভাবে তারা যা দেখে তা ভিতরে হজম করে মলাধার প্রস্তুত হয়ে যাবে।
আশা-প্রত্যাশার নিছক ভার থেকে বিশঙ্খলতার সঙ্গি হয়। এইপ্রকারে এই চত্রটি তালাবদ্ধ থাকে। যখন তোমার অলীক কল্পনা অন্য মানুষের মারফৎ বা টিভি দেখে পুরণ করতে চেষ্টা কর, যখন তুমি তোমার আশা-প্রত্যাশা ও অলীক কল্পনা অন্য মানুষের ওপরে চাপাও বা অভিক্ষেপ কর, তার অর্থ এই চক্রটি তালাবদ্ধ আছে।
জীবনের বাইরের অবস্থার সাথে এর কিছুই করার নেই। এর সাথে ব্রক্ষার্য বা কুমার-ব্রতের কোন সম্পর্ক নেই। এর সাথে তোমার ভিতরে খণ্ডিত হওয়া স্বরূপের সম্পর্ক আছে।