Books / Guaranteed Solutions For Lust Fear Worry... Bengali merged

10. ন-কামনার সারকথা

# ন-কামনার সারকথা

সবচেয়ে বেশী আলোচনা, চিন্তাভাবনা ও লেখালেখি হয়েছে যৌনতা বা সেক্স নিয়ে। আবার সেক্স বিষয়টি সবচেয়ে বেশী ভুল বোঝা হয়েছে, ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং বিভান্তি সঙ্গি করেছে। আমরা এই বিষয় এডিয়ে যাই অথবা একে প্রশ্রয় দিই। আমাদের অচেতন মনে সেক্স গভীরভাবে সমাহিত আছে। শুরু থেকেই আমরা এমন মানুষ দেখি না যে এই বিষয়ে আমাদের সঠিক জ্ঞান প্রদান করতে পারবে।

যৌনতাকে, অন্য যে কোন বিষয়ের চেয়ে, চেতনার আলো দিয়ে আলোকিত করা প্রয়োজন!

হয়েছে।

বে পারে পুরোপুরি এড়িয়ে যেতে চায় সে পুরো অচেতন অবস্থায় আছে ; সে তো জানেই না সেই গর্তটি কোথায় আছে - তাহলে সে কিভাবে তাকে এড়িয়ে যাবে?

া মানুষটি একে প্রশ্রয় দেয় সে গ্রাম বাংলাদেশ করে পারে। এই প্রায় কাঁপ কেওয়া ছাড়া অন্য কোন রাস্তা দেখতে পারে না।

এই দুটির মধ্যে একটিও কি কোন সমাধান হতে পারে?

জানা দরকার যে গর্তটা কোথায় আছে এবং তারপর সঠিক পদক্ষেপ নিয়ে তার পাশ দিয়ে চলা উচিৎ।

সেক্স বিষয়টি সর্বদা ঝাড়ু মেরে কার্গেটের নীচে রাখা হয়। এটা একটা নিষিদ্ধ বিষয়। বাবামায়েরা এটা বাচ্চাদের সঙ্গে আলোচনা করতে চায় না। প্রথমত বাবামায়েরা নিজেরাই এই বিষয়ের অন্তর্নিইত সত্যগুলি জানে না! যে কোন বিষয়ে তোমাকে কোন বিশেষজ্ঞকে জিজ্ঞাসা করতে হবে, নতুনা তুমি সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে পারবে না এবং বিষয়টিকে ভুল বুঝবে।

একটা ছোট গল্প :

এক মহিলা তার ছেলের স্কুল-টীচারের কাছ থেকে চিঠি পেল।

টীচার চিঠিতে লিখেছেন যে ছেলেটি বোর্ড ঠিক করে দেখতে না পারার দরুণ লিখতে ভল করছে। মহিলা সঙ্গে সঙ্গে ছেলেকে এক চোখের ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেল। ডাক্তার তাকে পরীক্ষা করে প্রেসক্রিপশন লিখল। তাতে লেখা ছিল, 'চল কাটতে হবে।'

আমরা এতে হাসছি, কিন্তু আমি তোমাদের বলছি, জীবনে যদি ঠিক লোকের কাছে প্রথমেই চলে যাও, তুমি সঠিক সমাধান পাবে, নতবা তথাকথিত নানা বিশেষজ্ঞের চারপাশে গোল গেল ঘরতে থাকবে এবং তারা অযথা তোমার সময় নষ্ট করবে।

আরও খারাপ হল, তমি এই ভুল নকশাঙলি পরের প্রজন্মকেও শেখাও। আর এইভাবে রীতি বা প্রথা শুরু হয়। যখন প্রথা চাল হতে দাও, সেটা ভেঙ্গে বেডিয়ে পড়া এক বিশাল কাজ হয়ে দাঁড়ায়, কারণ প্রথাটি তোমার কাছে অনেক বছর পর এক সত্য হয়ে গেছে।

यथन वक साम्रेज़ वाटनन, जाँव श्री का का रूप लाभा कना राज राज़ राज़ कि विद्यु निया था। या किसी निया या था। কেবল তাহলেই তিনি তোমায় দেখাতে পারবেন যে তুমি আসলে কি। এটা তাঁর জন্য এক কঠিন কাজ কারণ তুমি তোমার রাস্তায় এতটা চলে গেছ যে তুমি ভাবতেই পার না যে তোমার রাস্তাটা ভুল হতে পারে!

বিষয়টিতে ফেরা যাক, 'সেক্স বা যৌনতা কি?'

সেক্স এক বিশাল স্জনশীল শক্তি। এটা এক ধ্যানশীল শক্তি। পুরো বিশ্বের উদয় হয়েছে এই সেক্স -এনার্জী থেকে।

আমাদের দেশে আগেকার দিনের জীবনমুক্ত মাস্টারেরা, ঋষিগণ, আমাদের এই বিষয়ে পুরো স্বচ্ছতা দিয়েছেন। তোমরা কি জান, বাৎসায়ন, যিনি কামসূত্র লিখেছিলেন, একজন সন্নাসী ছিলেন? তিনি কুমার-ব্রতী (ব্রক্ষারী) ছিলেন!

এমন কি তিনি কামসুত্র তাঁর নিজের মাতাকে নিবেদন করেছিলেন।

জীবনমুক্তি লাভ করার পর, তিনি একদিন ঘরে মার কাছে ফিরলেন। মা তাঁকে বললেন যেহেতু তিনি জীবনমুক্ত তাঁর নিশ্চয় ই

পথিবীর সমস্ত বিষয়ে গভীর জ্ঞান আছে। বাংসায়ন মানলেন ও জিজ্ঞাসা করলেন যে মা তাঁর কাছ থেকে কি শুনতে চান।

া বললেন, 'আমি তোমার মা এবং জানি যে তুমি জন্ম থেকেই কুমার-ব্রত ধারণ করে আছে। কোন সুযোগই নেই যে তুমি সেক্স বিষয়টি কোন অভিজ্ঞতা থেকে জেনেছ। কিন্তু আমাকে এই বিষয়ে কিছু বলতে পারবে?'

বাৎসায়ন মদু হাসলেন ও নিবেদন করলেন কামসত্র - সেক্সের বিজ্ঞান!

বাৎসায়নকে একবার জিজ্ঞাসা করা হয়, 'এই বিষয়ে বলার জন্য আপনার কি অধিকার আছে?'

একটা স্বাভাবিক প্রশ্ন! আমি জানি তোমাদের অনেকেই এই প্রশ্নটি নীরবে আমাকেও করছ।

বাৎসায়ন যে উত্তর দিলেন, আমি তাকে আধনিক ভাষায় আধনিক সাদশ্যতা দিয়ে অনবাদ করছি।

একজন ইলেক্টিশিয়ান ঘরে এলে সে ঘরের প্রতিটি সুইচ অফ ও অন হলে কি হবে তা জানে। সে দেওয়ালের ভিতরে লক্ষানো সমস্ত ইলেকটিক তারগুলি সম্বন্ধে জানে। যদি কোন সমস্যা হয়, সে তার কারণ সঠিক নির্ধারণ করে সেটার সমাধান করে।

সে বিদ্যুৎ বা ইলেকটিসিটির বিজ্ঞান বোঝে।

जनामिक्क, আমি ঠিক বলছি তো?

আমাদের বেশীরভাগই অফ আর অন করা ছাড়া কিছুই জানি না। তাই আমরা মাঝে মাঝে ইলেক্টি ক শক পাই! তাই বোঝ যে আমরা বাবা. মা বা ঠাকুরদা হতে পারি - কিন্তু আমরা সেক্স সম্বন্ধে হয়ত কিছুই জানি না।

আমাদের সবার ওপর অবিশ্রাম হর্মোনের চলছে। টেলিভিশন ও অন্যান্য গণমাধ্যম যৌনতা নানা ভাবে দেখায় এবং আমরা তা দেখে ভাবি আমরা সেক্স ও প্রেম সম্বন্ধে সবই জানি।

কেবল একজন জীবনমুক্ত মানুষই তোমাকে সেক্স বিজ্ঞান দিতে পারেন।

ভারতব্য তার অদ্যেল সম্পদ ও জমির জন্য বারবার লুণ্ঠিত হয়েছে। এইসব লুণ্ঠনে ভারতের কোন বড় প্রতি হয় নি এবং প্রতিটি আক্রমণের পর ভারত আবার নিজের জায়গায় ফিরে আসে ও ভারতীয় সমাজ উঠে দাঁড়ায়। সবশেষে, আমাদের গুরুকল প্রথা, গুরুর পায়ের কাছে বসে শিক্ষার প্রথাকে ব্রিটিশরা ধরংস করে এবং কামসূত্র বাচ্চাদের আর শেখানো হয় না। এতে ভারত সবচেয়ে বড় আঘাত পায়। এইসময় লোকেদের অর্থ বোঝা হয়ে উঠল না এবং তারা কামাগ্নিতে জলতে শুরু করল।

কখনও দুটি মানুষকে দাবা খেলতে দেখেছ? যখন খেলাটা দেখ, অনেক সময় ঠিক চালটা তোমার মনে আসবে - কিন্তু দুই খেলোয়ারের মাথায় সেটা আসে না! তোমরা কজন এটা লক্ষ্য করেছ? তোমরা এর কারণ কি মনে কর?

কারণ আমরা খেলাটিতে জড়িত নই, স্বামীজী?

হ্যাঁ! আসলে যে মানুষটি লক্ষ্য করছে সে জিতবার চাপে নেই। মানসিক চাপ মনকে ভোঁতা করে দেয়। তাই খালি যে মানুষটি খেলা থেকে বেড়িয়ে এসেছে, যে এক নিছক প্রত্যক্ষদর্শী, তোমাকে এর সম্পর্কে ঠিক ধারণা দিতে পারবে। মাস্টার তিনিই হন যিনি পুরোপুরি জানেন। সেইজন্য তিনি যে কোন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হন।

তাহলে সেক্স কি?

আজ বায়োলজি প্রমাণ করেছে যে, কোন পুরুষ ১০০% পুরুষ নয় এবং কোন মহিলা নয়। এখন পুরুষ ৫১% পুরুষ ও ৪৯% মহিলা। তেমনি, একজন মহিলা ৫১% মহিলা ও ৪৯% পুরুষ; ৫০% থেকে খালি ১% এর পার্থক্য।

তোমার জন্ম হয়েছে তোমার বাবার (সেক্স-এনার্জী কেন্দ্র) এবং মায়ের মূলাধার থেকে। তাহলে তুমি কিভাবে কেবল পুরুষ বা কেবল মহিলা হবে? দুজনের বিশিষ্ট গুণগুলি তোমার ভিতরে থাকতে বাধ্য!

ভগবান শিবের অর্ধনারীপ্তর রূপের তাৎপর্য এটাই, যাঁর শরীরের অর্ধেক নারী। আমরা স্বীকার করি কি না করি, আমরা নারী ও পুরুষ দুই শক্তিরই মূর্তপ্রকাশ। আমরা পূর্ণ, বিভাজিত নই।

সেপ্লের পুরো ধারণা তন্ত্র সুন্দরভাবে বর্ণনা করে। শান্তে ভগবান শিব এই বিষয়ে দেবী পার্বতীকে বলেন। হাজার হাজার বছর আগের সেই লিখিত অন্তর্দষ্টি আজও জীববিজ্ঞানে প্রাসঙ্গিক।

পরিপূর্ণ ও অটুট হবার জন্য আমাদের প্রকৃতির দ্বন্দ, পুরুষ ও নারী, দুটোই গ্রহণ ও প্রকাশ করতে সমর্থ হওয়া অপরিহার্য।

কিন্তু সত্যি কি তা হয়? আমাদের কি ছুটি রূপ প্রকাশ করতে অনুমতি দেওয়া হয়?

জন্মের সময় থেকে সমাজ তোমাকে লেবেল করে দিয়েছে ছেলে বা মেয়ে বলে এবং তুমি তদন্তরপ ব্যবহার করবে বলে সমাজ আশা করে। সমাজ ছেলেদের নারীভাব প্রকাশ করতে দেয় না, আবার মেয়েদেরও পুরুষভাব প্রকাশ করতে দেয় না। একদম ছোটবেলা থেকে আমাদের সত্তার একটি ভাগ দমন করে রাখা হয়।

সাত বছর বয়স পর্যন্ত, সমাজের নিয়ন্ত্রণ গভীরে প্রবেশ করার আগে, বাচ্চারা নিজে মেয়ে কি ছেলে, সে সম্বন্ধে সচেতন নয়। তাই একদম ছেলেবেলায় বাচ্চাদের পূর্ণতার ভাব থেকে। সে কেন্দ্রিত ও সুরক্ষিত। তাকে দেখতে কত সুন্দর ও আনন্দময় লাগে ! সাত বছরের কাছাকাছি হ'লে বাচ্চা সমাজের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

একটা বাচ্চা ছেলেকে পুতুল ও রান্নাঘরের খেলনে নিয়ে খেলতে উৎসাহ দেওয়া হয় না। বাচ্চা মেয়েকে রেসিং কার ও রকেট নিয়ে খেলতে উৎসাহ দেওয়া হয় না। এমনকি তাদের কাপডের রঙ ও অন্যান্য বস্তুর বেলাতেও বৈষম্য আছে। ছেলেদের জন্য নীল পছন্দ কর ও মেয়েদের জন্য গোলাপি, তাই না?

আগেকার দিনে বাবা-মায়েরা বাচ্চাকে রেখে আসত। গুরুত্বল ছিল আবাসিক স্কুল এবং তার প্রধান বৈদিক -মাস্টার হতেন। গুরুকুলে বাচ্চাদের শেখান হত গায়ত্রী মন্ত্র - সাত বছর বয়সে ব্যদ্বি উদ্দীপ্ত করার জন্য এক মন্ত্রদীয়া। যদি চৌদ্দ বছর বয়সের আগেই তাদের কোন আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা হয়ে থাকে তবে তাদের পড়ানো হত ব্রক্ষসত্র - বিশ্ববর্শনের সবচেয়ে মহান পুস্তক। নয়ত তাদের শেখান হত কামসূত্র - সেক্স-বিজ্ঞান, যাতে তারা পরিবার জীবনের কলা শেখে। একুশ বছর বয়সের আগে কেউ জীবনমুক্ত হলে, তাকে সন্নাস দীক্ষা দেওয়া হত। তা না হলে তাকে যোগসূত্র পড়ানো হত। এইভাবে মাস্টারের নির্দেশ ও প্রেম দ্বারা একটি শিশুকে তার নিজের মত করে বিকশিত হতে দেওয়া হত।

কিন্তু আজকাল বড় কঠিনভাবে শিশুকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং তা শিশুর পক্ষে হানিকারক। বাচ্চা তার সেই অংশটিকে চেপে রাখে যেটাকে সমাজ অনুমোদন করে না। আমরা সেটা বুঝি না, কিন্তু সেই সময়টি বাচ্চার পক্ষে অতি কষ্টদায়ক। সে হঠাৎ মূল থেকে ছিন্ন বোধ করে, যেন তার সত্তার অন্য কেটে ফেলা হয়েছে। তার চেপে রাখা অর্ধেক অংশকে সে বাইরে খুঁজতে শুরু করে।

মানুষের স্বাভাবিক প্রকৃতি হল সম্পর্শতা। সে পর্ণ থেকে এসেছে এবং তাকে পুনরায় পেতে চায়। তাই ছেলেবেলায় সে তার হারিয়ে যাওয়া অর্ধেক অংশটিকে অচেতনভাবে খোঁজা শুরু করে। সে বহির্জগতে তার হারিয়ে যাওয়া অর্ধেক অংশটির বিকল্প খোঁজা শুরু করে। ছেলেরা খোঁজে মেয়েদের সংস্পর্শ ও মেয়েরা খোঁজে ছেলেদের সংস্পর্শ।

এখানেই সেক্সের পুরো ধারণার শুরু। সেক্সের ধারণার মূল এটাই।

া থেকে চৌদ্দ বৎসর বয়স পর্যন্ত, বাচ্চারা তাদের বাবা-মায়ের খুব কাছে থাকে।

বাবা-মার কাছ থেকে বাচ্চারা আদর্শ পিতা ও আদর্শ মাতা কেমন হওয়া উচিত তার ছবি সংগ্রহ করে। ছেলের জন্য, তার ব্যক্তিতের দমিত অর্ধেক অংশ তার মায়ের ছবি ছারা প্রতিস্থাপিত হয় এবং একটি মেয়ের ব্যক্তিতের দমিত অর্ধেক অংশ তার বাবার ছবি দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।

তাই সমস্ত ছেলের প্রথম হিরোইন হল তার মা এবং প্রতিটি মেয়ের প্রথম হিরো হল তার বাবা। এই গভীর অন্ধেশন ফ্রয়েডের মনস্তত্তর ইডিপাস ও ওফেলিয়া কমপ্লেক্স। একটি ছেলে আশা করে যে তার পত্নী তাকে তার মায়ের মত সেবা করবে এবং একটি মেয়ে আশা করে যে তার পতি তাকে তার পিতার মত সুরক্ষা করবে ও আশ্বাসন দেবে।

মৃত্যু বা ডিভোর্সের জন্য ভেঙ্গে যাওয়া যুবে, যেখানে বাচ্চা মা অথবা বাবার উপস্থিতি থেকে বঞ্চিত, সেখানে বাচ্চা এক অপর্ণতার ভাব বহন করে। এমনকি সাবালক হবার বহু বছর পরেও, বাবা-মায়ের সাথে যতই মতভেদ হোক া কেন, তুমি তাদের ছাপ তোমার সত্তা থেকে মুছে ফেলতে পার না। তাই বাবা-মার সান্নিধ্য ছোটবেলায় না পেলে, শিশুর মধ্যে এক শন্যতার সঙ্গি হয়।

চৌদ্দ হলে বাচ্চা শারীরিক পরিপক্ষতা লাভ করে। স্বাভাবিকভাবে সামাজিক নিয়ম তাকে আগের মত বিপরীত লিঙ্গের মা-বাবার সাথে একই রকম ঘনিষ্ঠতা করতে দেয় না. তাদের কাজকর্মও বিভিন্ন রকম হয়ে যায় এবং তারা বাবা-মায়ের সাথে বেশী সময় থাকে না।

তাই চৌদ্দ বৎসর বয়স হলে, অথেষণ চালু থাকে, কিন্তু এবার বহির্জগত। আজকাল এটা চৌদ্দ হবার অনেক আগেই হয়ে যায়। রাজারা টেলিভিশন ও ইন্টারনেট কম বয়স থেকেই জেনে যায়। তাই তারা মানসিকভাবেও তাড়াতাড়ি বড় হয়ে যায়। প্রায় চৌদ্দ বৎসর বয়সে বহির্জগতে অন্যেষণ শুরু হয়।

বাচ্চা এখন বাইরের মানুষ ও গণমাধ্যম (media) থেকে ছবি সংগ্রহ করে। মিডিয়া সেটা ভাল করে জানে। তাই দেখবে যে সমস্ত বিজ্ঞাপনে যৌনতার অন্তঃপ্রবাহ থাকে।

র সঙ্গে প্রতির করে বিজ্ঞাপনে মেয়েরা থাকে, যদিও খুব কম মেয়েরাই সেই সব বাইক চালায়। যে কোন উৎপন্নদ্বন্দ্বীয় বা কেন দেখবে যে হাসিমুখের মেয়েরা সেটাকে সুপারিশ করছে। বাজারে গেলে তুমি সেই উৎপন্নদ্রব্য উঠিয়ে নাও যে তার সাথে সেই মেয়েটি আসবে না। মিডিয়া তোমার দমিত বাসনাকে ব্যবহার করতে ভাল করেই জানে।