তোমার চিন্তার প্যাটার্ন তোমার তিন প্রকার কর্মকে নির্ধারণ করে
তোমার চিন্তার প্যাটার্ন তোমার তিন প্রকার কর্মকে নির্ধারণ করে
চিন্তার যে প্যাটার্নকে তুমি উপভোগ কর না, সেটাকে সেকেলে ভাব बदर फिलान य भाणिन जातारक थणिनियन मामद्वास कबर उ সঙ্গুচিত করছে, তা হল সঞ্চিত কর্ম।
চিন্তার যে প্যাটার্নে তুমি আটকে গেছ বলে অনুভব কর, কিন্তু যেগুলি দ্বারা তুমি কিছু জিনিষকে তোমার জীবনে বাস্তবায়িত করতে পারছ, তা হল আগম্য কর্ম। তোমার জীবনে দুই একটি জিনিষকে বাস্তবায়িত করার জন্য যে চিন্তার প্যাটার্নকে তুমি স্বীকার করেছ. তা যদি তোমার जोवटन अनूक, वक्लनीय, अम्वणामिण बक्कन, भार्म- वर्णि- वर्षिकिया ववर বিলম্বিত প্রতিক্রিয়া নিয়ে আসে - তা হল আগম্য।
কেবল যেহেতু তুমি একটি ঘরের মালিকানা চাও, কখনো কখনো তুমি वारकव द्वार (मांस कबर्ज कबर्ज बढ़कर बाज़ी वाज़ी बर्बन्ध बर्ब আটকে যাও। তুমি একটি ঘর চাও - সেই বাস্তবতা তুমি ঘটাতে চাও -কিন্তু সেটা বাস্তবায়িত করার সময় তুমি যে চিন্তাস্রোত স্বীকার কর এবং निर्जन उमरव थावन कव वर या मायिणू कूलि भुरुण कन, जा जातारक वकब्रनोद्य, वर्षणामिक, वकशिक उ अलक्षिण बन्दविश् केभार्य শ্বাসরোধ করতে ও বন্ধনে ফেলতে পারে। এটা আগম্যের উদাহরণ।
একটা রসিকতা আছে : পতি এমন এক মানুষ যে তোমার পাশে সমস্ত मरमणा, वज्राणाव, फूल्यूनमा उ विमनाव मतद्य मौड़ाय, व्यथनि থাকবেই না যদি তোমার জীবনে পতি না থাকে! সেটাই আগম্য কর্মের সংজ্ঞা। তুমি তোমার জীবনে সমাধান করতে ও কিছু বাস্তবায়িত করতে চেষ্টা কর এবং তোমার জীবনশৈলীতে নির্দিষ্ট কিছু চিন্তান্ত্রোত অথবা
किसान भाजान थुरुण कव। वन (शरक वावाउ वर्ष्ट वक्कब्रनोय, অপ্রত্যাশিত, অনুক্ত ও অবর্ণিত শাসরোধ এবং বন্ধনের কারণ হয়।
প্রারব্ধ কর্ম অর্থ, সেকেলে শ্বাসরোধী চিন্তার প্যাটার্নকে অথবা তোমার बांखबजादक घाश्मिकलाव घण्टानाव किसान भारतीय ना ( তোমার বাস্তবতাকে পূর্ণভাবে ঘটাতে যাচ্ছে না, সেগুলিকে নির্ভয়ে ত্যাগ করতে থাকার নির্ণয় নেওয়া।
তুমি যদি প্রত্যাখ্যান করতে থাক, প্রত্যাখ্যান করা জীবনশৈলী হয়ে যাবে। সেই খারিজ করার চিন্তার প্যাটার্ন, চিন্তার প্রবণতা বা চিন্তাস্রোত হল প্রারব্ধ। তার অর্থ তোমার বিদ্যমান কর্মকে কেবল নিঃশেষ করা बदर घना कान कर्म मश्रू ना कन्ना। जान वर्थ वास्ववाय आश्र्वण হওয়া।
কোন চিন্তাপ্রোত বা চিন্তার প্রবণতা তোমার সমস্ত বাস্তবতা ঘটাতে পারে না - এই বোধে আসা এবং বাস্তবে জাগ্রত হওয়া হল জীবনমুক্তি ! কোন চিন্তান্তোত বা চিন্তার প্রবণতা তোমার সমস্ত বাস্তবতা ঘটাতে পারে না -এই বাস্তবতায় জাগ্রত হওয়া হল জীবনমুক্তি (পরমজ্ঞানালোক প্রাপ্তি)।
কোন চিন্তাপ্রোতে আটকে না যাওয়ার ইচ্ছা হল হল মুক্ত চিন্তার স্লোত। কোন চিন্তার প্রোতকে শ্রদ্ধা বা সম্মান করার ইচ্ছা না থাকা হল মুক্ত किसारमाण वर्थवा जारक वासि भूषणू बलि। कान फिलास्थ्याणक জীবনশৈলী হিসাবে গ্রহণ করার ইচ্ছা না করা হল চিরস্থায়ী পূর্ণত্য।