তোমার মূল চিন্তার প্যাটার্নের সাথে পূর্ণত্ব করা
তোমার মূল চিন্তার প্যাটার্নের সাথে পূর্ণত্ব করা
নিজের ভিতরে মূল চিন্তার সংস্কার (প্যাটার্ন) নিয়ে বাস করতে থাকলে, তুমি ডিফল্ট (গতানুগতিক) ভবিষ্যৎ পাবে যাকে আগম্য কর্ম বলা হয়, আর সেটা খুবই ধ্বংসকর হবে।
যদি তুমি সমস্ত মূল চিন্তার সংস্কারগুলির সাথে পূর্ণত্ব কর এবং পূর্ণত্বের এক নতুন আকাশ সৃষ্টি করে তোমার সমস্ত অপূর্ণতাকে পূর্ণ করতে করতে জীবন যাপন কর, সেটা হবে তোমার প্রারব্ধ নিয়ে জীবনযাপন।
যদি তুমি জানো জীবনটাকে কিভাবে পুনর্বিন্যাস করতে হয় এবং তোমার ভবিষ্যৎকে পুনর্বার লেখ, সেটা হল ঈশ্বরত্ব, এক লীডার হওয়া। লীডার হওয়া অর্থ তোমার ভবিষ্যৎ পুনর্লিখন করা।
স্থিতাবস্থা জীবনে তুমি চিন্তার জালে প্রায় ধরা পড়ে আছ এবং সেটা হল মানসিক দাসত্ব যা তোমাকে বাস্তবতার সাথে সম্বন্ধতা করতে দেয় না।
তোমার নিমতর প্রত্যক্ষকরণকে নিয়ে এসে উচ্চতর প্রত্যক্ষকরণে সম্প্রসারিত করা হল কর্মের প্যাটার্নকে ভেঙ্গে ফেলা।
যদি তোমার একটা বাস্তবতাকেও ঘটাতে না পার, তাহলে তুমি তোমার স্মৃতিকে দোষারোপ করো না। শুধু বর্তমানে নিজের সমস্ত চিন্তাস্ত্রোতগুলি সম্পর্কে প্রশ্ন কর।
নেতি নেতি - না ইতি, না ইতি - এটা নয়, এটা নয়।
বদলে তোমার সমস্ত সংগ্রামের লক্ষ্য হয়ে যায়।
কিন্তু যদি তোমার একঘেয়েমি ও অবসন্নতার চিন্তার প্যাটার্ন বা চিন্তাস্রোতকে ভেঙে না ফেল, তাহলে তো তুমি শুধু একটা ভাল অভ্যাস বানিয়েছ, মুক্তি নয়। হ্যাবিট (HABIT) হল হ্যাবিট। HABIT থেকে H সরিয়ে ফেললে A BIT পড়ে থাকে; B সরিয়ে ফেললে IT পড়ে থাকে। যদি B সরিয়ে ফেলো, তবে এটি ব্যর্থ হবে।
যদি তুমি একঘেয়েমি ও অবসন্নতার চিন্তাস্রোতের ওপরে পূর্ণত্ব না করে থাকো এবং হয়ত পয়তাল্লিশ বছর বয়সে মারা যাবে। পঁয়তাল্লিশ বছর পরে যদি ভগবানের কিছু বাকী থাকে, তাহলে সে পূরণ করতে পারে।
যদি তুমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করো তাহলে তুমি তোমার এই দেহের অস্তিত্বের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাজ করতে পারবে এবং তুমি ভবিষ্যৎকে রক্ষা করবে না, যেখানে ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যদি তুমি তাতে বিরক্ত হও, নিজেকে ও নিজের চিন্তান্ত্রোতকে বোর (ছিদ্র) কর। যদি তুমি ভয় পাও, তাহলে নিজের কিছূ না কিছূর জন্য শিক্ষা গ্রহণ করো।
একবার তুমি পূর্ণত্ব করলে, তোমার কার্য সমূহ আর কর্ম তৈরি করবে না। কর্ম হল অপূর্ণতা থেকে কার্য সমূহ যা আরও অপূর্ণতায় নিয়ে যায়।
তুমি যত বেশী করে পূর্ণতত্ত্বের আকাশ বহন করবে, ততই কম কর্ম সৃষ্টি করবে। যদি তুমি পূর্ণের বিদ্যমান থাকো, যদি তুমি কোন কর্ম করো, তবে ভবিষ্যতে তার কোনো পরিণামই হবে না। কিন্তু যে আকাশ তুমি বহন কর, তা প্রভাবিত হবে। তাৎক্ষণিক কর্ম হল পূর্ণতত্ত্ব পরে তোমার বহন করা আকাশমাত্র। সেটা তোমার বহন করা আকাশের ওপরে ভিত্তি করা।
যত বেশী অপূর্ণতা তুমি বহন কর, কর্ম তোমার ভিতরে বাস করে এবং তুমি তা দীর্ঘ সময় ধরে বহন কর। দীর্ঘ সময় ধরে বহন করা অর্থ এই নয় যে তার প্রভাব অনেক দেরীতে আসে। প্রভাব অবিরাম আসছে! অবিরাম দুঃখকষ্ট! তাই তাৎক্ষণিক কর্ম এবং কর্মের প্রভাব তোমার বহন করা আকাশের ওপরে ভিত্তি করা।