2. পথিবীতে প্রথম ও সবচেয়ে প্রামাণিক গ্রন্থাবলী
# পথিবীতে প্রথম ও সবচেয়ে প্রামাণিক গ্রন্থাবলী
উপনিষদসমূহ হল পথ্থীগ্ৰহে লিখিত প্ৰথম গ্ৰন্থাবলী। যখন ঋষিরা অন্তর্ধান করেন, অস্তিত্ব মহাজাগতিক সত্যসকলকে অভিব্যক্ত করে। অপৌরষেয়ত্ব বা গ্রন্থকার বিহীনতা এই সত্যসকলের শক্তি প্রমাণ করে ও উপনিষদসমূহকে সর্বাধিক প্রামাণিক শাস্ত্র হিসাবে প্রকাশ করে
13
বে কোন সত্য, ধারণা, ধর্মতত্ত্বে যদি ব্যক্তি থাকে, তবে তা কেল সেই ব্যক্তিবিশেষের জন্য বেশী উপযোগী হয়, তা সবার জন্য, মানবতার জন্য, সমাজের জন্য, সমাজের জন্য অত উপযোগী নয়। ব্যতি যত কম উপস্থিত থাকবে, তত বেশী সত্য, ধারণা, ধর্মতত্তু, দর্শন সমস্ত মানবতার জন্য, সবার জন্য উপযোগী হবে। ব্যক্তির প্রভাব করল সম্ভবতারে জন্য হওয়া উচিত্, কখনও সেই ব্যক্তির পরিচিতিকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নয়।
and the country of the country of the county of the county of the county of the country of the country of the country of the country of the country of the country of the coun
যুদ্ধে বিজয়ীরাই সদা ইতিহাস লিখেছে। সেইজন্য কোন বলছেন সংগ্রামে ঘটেছিল - তা নয়। যখন কিছু নির্দিষ্ট ভাবাদেশের ওপরে লেখকের নিজের কারেনী স্বাগ, ভয় ও লোভ থাকে না, কেবল তখন ইতিহাস বাস্তব ও পূর্ণ হয় এবং তা সমগ্র বিশ্বের জন্য ও সম্পূর্ণ মানবজাতির জন্য উপযোগী হয়।
কোন কায়েমী সাথ বিনা যে ইতিহাস লেখা হয় তাকে বলে পুরাণ। কায়েমী যাগ সহকারে লিখিত ইতিহাসের চেয়ে পুরাণসমূহ অনেক বেশী বাস্তব। যে পুরুষে লেখক বেশী করে উপস্থিত, সে পুন্ধক পড়বে না। যদি গ্রহ্মার তার নিজের অন্তর্ভিত হয়ে থাকেন এবং তাঁর কোন কায়েমী পার্থ, ভয় বা লোভ থাকে না, তাহলে নেই মানুষটিকেও অধ্যয়ন কর, কেবল তাঁর গ্রন্থই নয়। সেই ব্যক্তির জীবন অধ্যয়ন করা তাঁর আশেপাশে থাক এবং শেখ, তুমি সত্য জানতে পারবে।
যদি প্রকার তার নাম প্রতিষ্ঠিত করতে চায়, সেখানে কলুমি কারেনী স্বার্থ, ভয় বা লোভ আছে। কখন কখন লেখকেরা নিজের নাম ব্যবহার না করে কোন জনপ্রিয় নাম ব্যবহার করে, কারণ জনপ্রিয়তার দ্বারা তারা। কেবল খেন ব্যক্তি অনুপস্থিত , তার নিজস্ব কায়েনী যাগ, তর ও লোভ অদশ্য হয়, দ্রবীভূত হয়ে যায়। সে তখন অস্তিত্বের নিজের বিদ্যমানতার গীত প্রকাশিত হবার জন্য এক বিশুদ্ধ চ্যানেল হয়ে যায়।
অপৌরষেয়ত। উপনিষদ হল অস্তিত্বের নিজের অস্তিত্ব সম্পর্কে গান! নিজের অস্তিত্ব সম্পর্কে অস্তিত্বের গান! উপনিষদসমহ এতই অসাধারণ যে কেউ তাতে মালিকানা ঘোষণা করতে পারে না।
মানুষ মানবতার শুরু থেকে পথ্যীয়ারের চারিদিকে বহু নগর নির্মাণ করেও আমরা কি পৃষ্ঠান্তের ওপরে মালকা না দাবি করতে পারি? না। এতে মালিকানা দাবি করা হয়। এর বিশাল বাসায় ও দুর্যোগঞ্জল হল বারংরার আমাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া প্রকৃতির 'লীগাল নোটিস', যা বলে, 'কেল যেহেতু তোমরা এতগুলি নগর নির্মাণ করেছে, তার মালিকানা দাবি করে না। উপনিষদে অভিযান খুবই বিশাল। তোমার মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়া সত্ত্বেও তুমি তার মালিকানা দাবি করতে পার না। কোন একটি দেশে পৌঁছানের সন্মুদ্রপথ আবিষ্কার করা নেই দেশের ওপরে মালিকানা দাবি করা তো এক বোকামি । যেহেতু তুমি আবিষ্কার করেছে যে পথিবী গোল, সেজন্য তুমি পথিবীর ওপরে মালিকানা দাবি করতে পার না।
উপনিষদে অভিযুক্ত সত্যগুলি ধুবই বিতীর্ণ, বিশাল: ঋষিকানা দাবি করেন নি, আবার তাঁরা লেখক হিসাবে তাঁদের নামগুলিও সেখানে রেখে যেতে ইচ্ছাপ্রকাশ করেন নি। নেই কয়েকজন মহায়া যাঁরা ব্রহ্মণের অনুরণিত করার হন্য উদ্বিত করেছিলেন , তাঁরা তো সেই ব্রঙ্গণের সাথে একীভূত হয়ে মিলিয়ে গেছেন। সেভাবে একীভূত হবার পরে তাঁরা যে সকল সত্য পেয়েছিলেন, যে সবু তারা নিজেদের মধ্য দিয়ে অভিযান্ত করতে পেরেছিলেন, তা উপনিষদসমূহ হয়ে লিপিন্ধ হয়ে যায়। এই
র প্রায় বুঝি পারে পারে। তাঁরা নিজেরা মিলিয়া সামাজিক সংযোগ করার স্পষ্ট নির্ণয় তাঁরা নিয়েছিলেন।
and the country of the country of the comments of the comments of the comments of the comments of
যে পোয়ালা জীবিকা নিমিত কয়েকটিনাত্র গরু নিয়ে এক ছোট গোশালা চালায়, যদি সে তার সমস্ত দ্বপ কোন বিপ্রহের অভিযেকের (গণ্য স্নান) জন্য দান করে দেয়, সেটা সর্বোত্তর সমর্গণ, কারণ সেই দুধ ছিল তার সম্পূর্ণ জীবনের প্রচেষ্টার কোন লেখকের পক্ষে তার নাম ও গ্রন্থকারিতা বর্জন করা, নাম উল্লেখ না করা - অপৌরয়েত্ব - হুব সর্বোত্তম সমর্পণ যদি তুমি প্রকার হও, তবে এটা বুঝতে পারবে। আর উপনিষদের খাবিরা এমন সুউচ্চ ধারণা অভিযাক্ত করার পরেও নিজেদের নাম জানান নি। কোন ধুলিকণাও যদি উপনিষদসমূহ আত্মভূত করে, তা মহাদেব হয়ে উপবেশন করবে, তা মহাদের হয়ে যাবে!
কোন শব উপনিষদসমূহ আত্মভূত করলে, তা হয়ে যাবে শিব!
তেজ, শতি, উৎসাহ, উদ্দীপনা, জীবন, আনন্দ, বুদ্ধিমণ্ডা - এসব তোমার মধ্যে উপনিষদসহ হেভাবে সঞ্চার করে তাতে যে কোন শব্দ শিব হয়ে যাবে। এজবে তুমি অথবা य कान बालि मशास्व, मित्र राय यटक भारता।
এই অপৌরেরতু, গ্রন্থকার বিতীনতা উপনিষদ সম্প্রদাণিক শাস্ত্র নিয়েছে। ইতিহাসবেতার ব্যক্তিগত গার্থ অন্যান্য হলে , পেই ইতিহাস সভা ও বাস্তব হয়। যখন বৈজ্ঞানিকের কায়েমী সাথে না, বিজ্ঞান তখন সর্বজনীন ও উপযোগী হয়। বিজ্ঞানের প্রথম অনেক কিছুই বিজ্ঞানসম্মত নয়। এখন বেশির ভাগ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ও গবেষণার উদেশ্য হল কোন ভাবনা বা ধারণাকে প্রমাণিত করা যাতে সেই গবেষণায় যারা টাকা ঢেলেছে তাদের সার্থনিদ্ধি হয়। সিদ্ধান্ত আগেই ঠিক হয়ে আছে এবং তারপর হাইপোখেসিসকে খুটিয়ে না দেখেই গবেষণা করা হচ্ছে। সত্য অনেকণে তো যে কোন হাইপোশেসিসকে খুঁটিয়ে দেখা উচিত্য কায়েমী স্বার্থ প্রবেশ করলে সত্য বিনয় হয়। সত্য কোথাও লক্ষ্য নয়। কাচিৎ মানুষ আসনা যান তুমি সত্য জানতে চাও, তবে সেই সব বিজ্ঞনীদের কাছে যাও যাদের কেউ নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য वर्थ माशया एयर ना।
and the country of the country of the comments of the comments of the comments of the country of the country of the country of the county of the country of the county of the
এই অপোরবেশন করে বি বি নির্বাচন করে কার্যাকে প্রদান করে, কারণ শ্রমিক করে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কোনভাবেই আগ্রহী নন, লাভ বা অলাভজনিত আগ্রহের কথা তো ওঠেই না। সত্যের মহানতা হারা অভিভত হলে বুঝতে পারবে তুমি সেই সত্যের মালিকানা নিতে পার না। তুমি জানতে এ সত্য তামার চেয়ে অনেক বড। তুমি সত্যের ওপরে দাঁড়িয়ে আছ, সত্য তোমার ওপরে নির্ভর ক'রে নেই।
মহান ঋষিণা আবিষ্কার করেন যে এই সত্যসকল কোন ব্যক্তির সাথে চিহ্নিত করে কলুষিত করা উচিত নয়। ব্যক্তি সময় ব্যক্তি সময় ব্যক্তি সম্পর্কে তোমার মতামত সর্বদাই তার বলা কথাকে তুমি কিভাবে নেবে তা প্রভাবিত করে। স্বামী বিবেকান কথিত কিছু মহান সত্য বিশ্বজনীন ; কিন্তু বেই মুহূর্তে তুমি ঠিক কর যে 'তিনি এক হিন্দু সরাসী', তুমি তাঁকে শোন না, সমগ্র বিশ্ব তাঁকে শোনে না, কেবল হিন্দু সানুষ সম্পর্কে তোমার বাবির করে এবং তাদের অভিযুক্ত মহান সত্যজন তুমি শুনতে পাও না। উপনিষদের ঋষিণা এই প্রকার হানি নি, যে হানি লিখিত ধারণাগুলির ওপরে লেখকের জন্য হয়। উপনিষদের ঋষিদের কি দারুণ মহানভবতা ও তাঁদের সমর্পণের কি নিদারুণ নিদর্শন!
যদি তুমি কোন ব্যবহার করে হয়েছে দেখাতে হবে না, কিন্তু তুমি টাকা পেতে থাকবে', সে তা মানবে, কারণ টাকার জন্য সে অনেক কিছুই ছাড়তে খুশী হয়। কিন্তু সে টাকাকে ছাড়বে না কারণ সে তার সম্পর্ণ বানিয়েছে। একইভাবে একদল নেতা টাকা ছাড়তে পারে প্রচার ও খ্যাতির জন্য, কারণ সে তার পুরো জীবনকে খ্যাতি ও প্রচার দিয়েই তৈরি করেছে। কিন্তু নেতা তার না। এক লেখক খাবার, মুন্স, টাকা সবকিছু ছাড়তে পারে, কিন্তু গ্রহত পারে, কিন্তু গ্রহণ সে তার পুরো জীবন তো সেটা দিয়েই নির্মাণ করেছে। কিন্তু উপনিষদের প্রস্থকারেরা মহত্তম।
and the mail of the country of the county of the county of the county of the county of the county of
পত্রীর্থে প্রথম গ্রন্থ হল উপনিষদস্য। প্রথম গ্রন্থর এঁরাই রুমিতা। কি তাঁদের পরিপক্থতা: তাঁরা তো ত্যাগরাজা, তাগের রাজা: যতদিন উপনিষদের ধারণাগুলি স্বারণাখলি স্বারণাপন স্বারণাপন থাকবে, তা এই পরীক্ষার্থীর, অভিত্বান রাখবে। তাই উপনিষদসমূহ কেল প্রথম গ্রহ্ন নয়, উপনিষদসমূহ পরিবীতে শেষ গ্রহণ বটে, কারণ যতদিন এই সত্যসকল জীবিত থাকবে, পৃথিবীও টিকে থাকবে। এই সত্যসকল মুছে গেলে, পথিবীও শেষ হয়ে যাবে!
মানবজাতির জন্য করে পরেও যদি এই পথিবী টিকে যায়, তা কেবল এই উপনিষদের সাতাগুলিকে সজীব রাখার জন্য হবে, কারণ এই সত্যসকল কেন্দ্র প্রতিষ্ কাছে আছে, দেবতা ও অসুরদের কাছে নেই। এই সত্যসকল প্রাপ্ত ক'রে বিকিরণ করার জন্য কেবল মনুষ্যতন্ত্রই উপযোগী।
বিজ্ঞান পূর্ণ হয় যখন বৈজ্ঞানের সত্যে নিজেকে উৎসর্গ করেন। উপনিষদের খুবিরা তারা সর্বোতন উৎকৃষ্ট সত্তাধারী ও সর্বোচ্চ সিদ্ধির অধিকারী।
25
18

প্রথম ও প্রধানতম পরিত্র গ্রন্থাবলী
বৈদিক প্ৰথায় উপনিষদসমূহ প্ৰথম ও প্ৰধানতম গ্ৰন্থাবলী। বৈদিক প্রথাই বিশ্বের প্রথম ও প্রধানতম প্রথা। উপনিষদের জীবনশৈলী ষড়দর্শন অর্থাৎ ছয়প্রকার মুক্ত চিন্তাধারার জন্ম দেয় যা থেকে পরে অগণ্য সম্প্রদায়, পরম্পরা, প্রথা ও ধর্মের জন্ম হয়।
পন্থীহে বৈদিক প্রথা হল সর্বপ্নম ও প্রধানতন আধ্যাত্মিক প্রথা। একইভাবে উপনিষদস্যুত হন বৈ দিক প্রথার সর্বপ্নান ও প্রধানতম প্রকাশ্লিক চিন্তাধারা, সমস্ত আধ্যাত্মিক চিন্তাস্রোতের উৎস।
and the country of the country of the county of the same of the county of the county of the county of
Section 2
বৈদিক প্রথায় আমরা মুক্ত চিন্তার জন্য ছয়টি উপায় পান এক চিন্তাশিলী যা আমাদের সর্বদা সত্রিয়, উৎপাহী, প্রযুদ্ধ, নিজেকে নবতেজোদীন্ত, স্বভাবত বুদ্ধিতাশীল, জীবনের সাথে যাতাবিত্তাবে সারিবন্ধ এবং প্রকৃতগতভাবে আনন্দিত করে রাখে। তোমার আদি প্রকৃতি অনুযায়ী তুমি তো আনন্দময়, বুদ্ধিমতাশীল, সচেতন ও সজাগ। তোমাকে এমনভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে যাতে তুমি সর্বাধিক সম্ভা বনা ও সর্বোচ্চ অভিজ্ঞতা করতে পার।
যে চিতাধারা তোমার সর্বাধিক সভাবনার সর্বাচ্চ সম্ভাবনা বাস্তবায়িত করে, যা তোমাকে পুরোপুরি সক্রিয় করে, তরপুর আনন্দ প্রদান করে, সম্পূর্ণরূপে জাগ্রত করে, পূর্ণ সজীব রাখে, সেই চিন্তাধারাকে আমরা মুক্ত চিন্তাধারা বলছি।
বৈদিক প্রথা হারা নির্মিত ছয়টি মুক্ত চিন্তাপারা হল - সাজ্জ্ব নীমাংসা, ন্যায় ও বৈশেষিকা। এগুলি বৈদিক প্রথা সুষ্ঠ প্রধান ছয়টি মুক্ত চিন্তাধারা।
সাঞ্চা : অতিত্ব, প্রকৃতি যে নিয়মাবলী হারা তা উৎস ও চেতনার সাথে যুক্ত : সেই নিয়মাবলীকে বোঝা এবং তার সাথে নিজেকে সারিক্ষকরা এবং এদের মাধ্যমে মুক্ত চিন্তা করা হল সাঙ্খ্য।
and the country of the county of the county of the county of the county of the county of the former of the forme of the former of the former of the former of the former of th
যোগ : তুমি যাকে 'তুমি' বলে চিন্তা কর, তোমার দেহ ও মন - এই দুইটিকে অস্তিত্বে সাথে সুর বাঁধা ও সারিবন্ধ করা, তার মাধ্যমে পরম পূর্ণি, পরিপূর্ণ, জান, উত্ত্বাল্লতা, माकियाण, वरिणू, वानकानून कि वाण्डिक कवा, बरे सूक्क फिलासादक बना र या यांग।
পূর্ব মীনাংসা : তোমার কার্যের মাধ্যমে মহাজগঞ্জ শতির সাথে সারিবদ্ধ হওয়া এবং পরমকে অভিজ্ঞতা করা, জীবনমুক্তি, পরিপূর্ণিতা ও পূর্ণতু অভিজ্ঞতা করা – এই প্রকার মুক্ত চিন্তাধারার অভিজ্ঞতা হল পূর্ব মীমাংসা (কর্মকাণ্ড)।
উত্তর মীমাংসা : কেবল তোমার বুদ্ধির জীব-ঈশ্বর-জন্ম এই তিনের সাথে সারিবদ্ধ জীবনযাপন করা হল উত্তর মীনাংসা (বেদান্ত)। ন্যায় : যুক্তি দ্বারা কেবল ভাগ করতে করতে বেশ্লেষণ করতে বোঝা এবং মুক্ত চিন্তা করা হল ন্যায়। বৈশেষিকা : সংযুক করতে করতে করতে অভিজ্ঞতা করা ও তার মাধ্যমে মুক্ত চিন্তা করা হল বৈশেষিকা।
সাঞ্চা, বোগ, পুর্ব মীমাংসা, ন্যায় ও বৈশেষিকা - বৈদিক প্রথা থেকে আসা এই ছয়টি মুক্ত চিন্তাপারা, মুক্ত চিন্তাপাতের প্রতিটি স্বতন্তারে তোমাকে মুক্ত চিন্তার সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা দেওয়ার জন্য পূর্ণ।
and the many of the county of the county of the county of the county of the many of the many of the many of
যদি তুমি সাঙ্গা অভ্যাস কর, তোমার যোগ বা অন্যান্য থেকে কোন সাহায়ের প্রয়োজন নেই। তুমি এখন থোনে আছ সেখান থেকে তোমার যেখানে যাওয়া উচিত্ তার জন্য সাম্প্যই যথেষ্ট। তুনি বেখানেই থাক না কেন পৌছে যাবে এবং তোমার বেখানে নিয়ে যাবে। এটা প্রারীন, বুদ্ধিসম্পন্ন, যথেষ্ট স্বত্ত্ব চিতাধারা, যার মাধ্যমে তুমি মুক্তিতা অভিজ্ঞাত করতে পারে। আছে এবং তুমি যেখানে আছ সেখান থেকে তোমার যেখানে যাওয়ার কথা সেখানে নিয়ে যাবার জন্য সাঙ্গা একাই সক্ষম। সাঙ্গা অভ্যাস করলে তোমাকে অন্য কোন চিন্তাধারা অভ্যাস করার দরকার নেই।
উপনিষদসমূহ, সমস্ত মুক্তিচিন্তাধারাগুলি বা দর্শনের উৎস
আমরা মুক্তিযোগ সংস্কৃত বলি দর্শন, উপলব্ধি করার সামগ্রী। 'দর্শন'কে ইংরাজীতে ফিলোসফি' (philosophy) অনুবাদ করা যায় না। ফিলোসিফ খুবই দুর্নল, অগভীর শব্দ। আমি একটা নতুন শব্দ ব্যবহার করব - ফিলোসিয়া (philosia), দেখার এক নতুন সম্ভাবনা।
বৈদিক প্রথা যে ষড় দর্শন বা ছয়টি ফিলোমিয়া নির্মাণ করেছে, তার সব কয়টি উপনিষদ হল মাতা যিনি মড় দর্শনের জন্ম দিয়েছেন। প্রতিটি চিন্তাধারা, প্রতিটি মুক্তির ধারা হাজার সম্প্রদায়, পরপরার জন্ম দিয়েছে, যেগুনির প্রত্যেকটি পাশ্চাত্য অভ্যাস অনুযায়ী একেকটি ধর্ম (religion) শবের সমতলুণ। তোমরা পাঁচাত্য জগতে রিলিজিয়ন (religion) বলতে যা বুঝেছ, সংস্কৃত তার সমতল্যা পদ হল সম্প্রদায় (Order); কারণ সনাতল ধর্ম বা বৈধিরায় রা মাতা এবং তাঁর থেকেই সমস্ত রিলিজিয়নের জন্ম হয়েছে। বৈদিক প্রথা বা হিন্দুরিসম-কে (Hinduism) বিলিজিনে' নামের এক ছেটি গ্রেসে ধরে রাখা যায় না। এটা খুবই ছোট একটি ফ্রেম কারণ প্রতিটি রিলিজিয়ন একটি জীবনশিলী। বৈদিক প্রথা, উপনিষদের জীবনশৈলী, ছয়টি মুক্ত চিন্তাধারা বা ষড় দর্শনের জন্ম দিয়েছে, আবার বড় সর্শন থেকে পালাক্রমে অসংখ্য সম্প্রদায়, পরম্পরা, প্রথা ও ধর্মের জন্ম হয়।
and the country of the county of the county of the county of the county of the county of the county of the county of the county of the county of the county of the county of t
উপনিষদসমহ এত বিক্তীর্ণ যে তাদের কোন একটি রিলিজিয়নে রাখা না। সর্বোত্তম সমস্ত চিন্তাধারা উৎস হল উপনিষদ। অভিযান থাকার প্রণালী, নানা বৈচিত্রের পছন্দ সহকারে বাস করার পদ্ধতি এবং সম্ভাবনাগুলির উপনিষদ নানা পছন্দ (choice) গভীরতা প্রমাণ করে, বিভান্তি নয়। বেদনাতার মহিমা দেখা তিনি কি ভাবে মানবতার জন্য তাঁর কত অবদান। আজ পৃথিবীতে তোমরা যা কিছু দেখ, যা তুমি কদর কর, উদ্যাপন কর, তা বেদমাতার অবদান। এখন তার দেওয়া উপহার। প্রতির্বিজ্ঞান, শরীরবিদ্যাল, শরীরবিদ্যাল, শরীরবিদ্যালয়ের করা কেন, সমস্য চিন্তার প্রোড, চিন্তাধারা, যা কিছু ভাল তুমি দেখ ও শোন, তা বেদমাতা প্রদত্ত উপহার - উপনিষদ থেকে আসা চিন্তাধারার উপহার।
উপনিষদসমূহ হল বৈদিক প্রথার সর্বোত্তম গ্রহ্ম বৈতি শাস্তবির মধ্যে উপনিষদসমূহকে সর্বোচ্চ শিখরে রাখা হয়েছে এবং তা অ-বিতর্কিত। সকল সম্প্রদায়, ষড় দর্শন - সাঙ্গ্য, যোগ, নাগ, বৈশেষিকা, উত্তর মীনাংসা - এই ছয়টি মুক্তচিতাধারার প্রতিটি উপনিষদসমূহকে চূড়ান্ত, প্রথম ও অপ্রণী প্রস্তু বলে স্বীরার করে। ইতিহাসবেতারা উপনিষদসমূহকে একটি রিলিজিয়নের (ধর্মের) ত্রেনে শ্রেণীভূত করে বিরাট ভুল করেছে। আধুনিক বৈদিক প্রথাতে ঢুকিয়ে তাকে হিন্দুর্ন বলে বর্ণনা করে। যদি আমরা উপনিষদস্যহকে কোন এক বিশেষ বিলিয়নে প্রেণীভূক্ত করি, তাহলে আমরা উপনিষদেস্যহুরে গরিনা ও সম্ভাবনাকে অশ্রফা করে। প্রথমত উপনিষদস্যহকে শ্রেণীভুক্ত করা যায় না। যদির প্রেণীভুক্ত করতে হয়, আমি তাদের শ্রেণীতুত করব এই বলে - সমস্ত মুজতিকে উচ্চতর স্তরে বিকশিত করাবার উপযোগী সমস্ত জীবনদেশীর উৎস। মেহেতু উপনিষদস্যহ সকল মুক্তচিপ্তারার উৎস এবং মানুষকে বিকশিত করে, তাই সুস্পষ্টরণে উপনিষদসমূহ প্রথম ও অগ্রণী ঐশ্বরিক গ্রন্থাবলী।
and the same of the state of the state of the same of the same of the state
উপনিষদস্যু হল, অঞ্চিত্ব নিজেকে নিজের সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে ও উদ্যোপন করছে, অস্তিত্ব নিজেকে প্রদর্শন করাচ্ছে কিভাবে নিজসতা হওয়া যায়। উপনিষদের প্রতিটি শ্লোক একেকটি মুক্তচিন্তাধারার জন্ম দেয় এবং যা পালাক্রমে অসংখ্য মানুষকে মুক্ত করে।
উপনিষদসমূহ হল প্রথম ও অগ্রণী ঐশ্বরিক গ্রন্থাবলী যার ওপরে ভিত্তি ক'রে তোমার জীবনশৈলীকে সারিবদ্ধ করা উচিত্। উপনিষদসমূহ বারংবার পাঠ ক'রে বুঝে তাদের আত্মভূত ও উপলব্ধি ক'রে তার আদর্শে জীবনযাপন করা উচিত্ত, আমাদের মাধ্যমে তাদের বিকিরণ ক'রে প্রচার করা উচিত্ত ও পূজা করা উচিত। উপনিষদসমূহ হল পবিত্রতম আদি সত্যসকল।
and the country of the country of the county of the county of the county of the county of


and the country of the state of the state of the states of the states of
মহাজগতের নিজের কাছে স্পন্দনময় প্রকাশ
উপনিষদ অর্থ কেবলমাত্র উপবেশন করা (বসে থাকা)। উপবেশন করলে সত্য প্রকাশিত হয়। যখন ঋষিগণ মন্ত্রদ্রষ্টা হয়ে সমাধিতে উপবেশন করলেন, তখন তাঁদের সত্তায় মহাজাগতিক পবিত্র সত্যসকলের স্পন্দন শুরু হয়। এই অভিযাক্তি হল উপনিষদসমূহ। যেভাবে উপনিষদসহ তোমাকে 'তামার' কাছে উপস্থাপিত করে, যেভাবে তারা বিশ্বকে 'তোমার' কাছে উপস্থাপিত করে, যেতাবে তারা 'তোমার' কাছে ঈশ্বরকে উপস্থাপিত করে, যেভাবে তারা 'তোমার' কাছে জীবনে তার কোন তুলাই অন্য কিছুর সাথে হয় না। উপনিষদস্যু প্রদত্ত বিষয়বস্তুর বিশ্বরূপের বিশ্বব্যবহার বিশ্বব্যাপা অথবা কেবল ধ্বনিশ্বলি যার মধ্যে কুপুর সুন্দরভাবে নিহিত করা হয়েছে - সবই ঐশ্ববিক অবদান। কেবল ভাষাবিদ্যাগত ও কার্যিক গুরুত্ব নয়, উপনিষদস্যহের ধ্বনিগত গুরুত প্রচুর। ধর্মের ইতিহাসনেতারা উপনিষদের প্রতি অনেক শ্রদ্বপূর্ণের প্রতি অনেক শ্রদ্ধা জাপন করেছে। অবশ্যই হিস্বুরা এর উত্তরাধিকারী কিন্তু হিন্দুদের উপনিষদ অনুযায়ী জীবনা পাতে শেয়ার করা উচিত। আমরা এর উত্তরাধিকারী, কিন্তু কেবল আমরা এর অধিকারী নই, সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ড এর অধিকারী!
and the control of the country of the comments of the comments of the country of the county of the county of the county of the county of the county of the county of the count
উপনিষদ অর্থ উপরেশন করা (বসা), ব্যাগ মাহমুদা (তুমি) উপরেশন কর - আমি তোমার দেহের মাহাটির সত্য প্রকাশিত হয়। একমাত্র সঠিক প্রসঙ্গ থেকে উপনিষদসমূহের শিক্ষা প্রদান করা উচিত্।
উপনিষদসমূহ! যখন ঋষিগণ তাঁদের মধ্যে সমাধিতে উপবেশন করলেন, তাঁদের সম্পূর্ণ সত্যা পবিত্র সত্যসকলের সাথে স্পন্দিত, অনুরণিত হতে শুরু করল। মহাজগৎ তাঁদের মধ্য দিয়ে গাইতে লাগল ও বিকিরণ করতে লাগল। এই অভিব্যক্তিই উপনিষদসমূহ।
সেইজন্য সংস্কৃত আমরা 'পাখি'র সন্ধ্রটা - 'যাঁরা মন্ত্রকে দেখতে পান'; 'যাঁরা মন্ত্র নেখেন বা শোনেন' নয়। তার অর্থ যখন তোমরা অভিজ্ঞতা করছ, তখন ধরিষদিও চক্ষু হারা অনুভূত হবে। যদি ধ্বনি কান দিয়ে শোনা হয়, তুমি শুনছ। যদি ধ্বনিকে পাঁচটি ইন্দ্রিয় অনুভূত কর, তবে তুমি অভিজ্ঞতা করছ।
Section 3
the submit the country of the submit of the county of the county of the first of the first of the first of the first of the first of the first of the first of the first and
তাই ধরনি দশমান হলে মন্ত্র দেখা যায়। যখন তোমার চক্ষু বে রেখাগুলি তুমি অভিজ্ঞতা করে তাদের বলে 'অক্ষর'। আমাদের ঋষিণা প্রতিটি ধর্মি বা শব্দ অভিজ্ঞতা করেছেন। 'অ', যখন তাঁরা এই ধনি অভিজ্ঞতা করেন, যে রেখার মাধ্যমে তাঁদের চক্ষু সেই রেখা হয়ে যায় অক্ষর। তাঁরা অত্যন্ত বিলিত ছিলেন, একদম দুশ্চিন্তামুক্ত ছিলেন, বেঁচে থাকার জন্য প্রাচুর্য ছিল এবং তাঁরা এক সুউচ্চ স্তরে বাস করতেন। তা ছিল কতই না সুন্দর!
গঙ্গা নদীর জন্য উপনিষদসমূহ সম্ভব হয়। গঙ্গামাতা গাঙ্গের করেছেন। মৌলিক সমস্ত আবশ্যকতা তিনি পুরণ করেছেন। সৌভাগবশত, কোন যুদ্ধ হয় নি এবং বেঁচে থাকার জন্য ঋষিদের লড়াই করা সকল প্রাকৃতিক শক্তিযুদি সহায় ক ছিল, যাবতীয় প্রয়োজনীয়তা পুরণ করা হয়েছিল। সেই আকাশ তাদের জন্য এক চমৎকার সভাবনা সৃষ্টি করেছিল উপরেশন করার – নিজের সাথে, প্রকৃতির সাথে। অভিতু নিজের সম্মন্ত গান গাওয়া আরম্ভ করেছিল।
প্রতিটি উপনিষদের প্রেক্ষাপটের বিন্যাস আলাদা কিন্তিত সত্যসকল করে সুন্দরভাবে সমলয়ে আছে। একটি ব্রকাণ্ডের সত্য অনাবত্ত করছে , একটি মানুষের সত্য প্রকাশিত করছে, আরেকটি মৃত্যুর সত্যের রহমানে জীবন সম্পর্কে সত্য অভিযাত করছে। যেন তোমার সমস্ত প্রশ্নগুলিকে সুজে ফেলা হচ্ছে এবং তুমি আছ মহাজগতের চেতনায়, আর সম্পূর্ণ মহাজগৎ আছে চেতনাতে। মহাজাগতিক চেতনায় মহাজগৎ আছে, তুমি মহাজগতের চেতনায় থাকা মহাজাগতিক চৈতনা! মানুষকে মহাজাগতিক চেতনায় নিয়ে আসার জন্য বা কিছু বোধ প্রয়োজন , তা সবই সুন্দরভাবে প্রকাশিত ও পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে এবং সম্ভব্য সম্ভব্য সম্ভব্য সম্ভব্য সম্ভব্য সন্দেহের উত্তর দেওয়া হয়েছে। তাই উপনিয়মায় আছে। এগুলি আমাদের কাছে থাকলেও তা প্রকৃতপক্ষে সারা বিশ্বের। আম রা উপনিষদস্যুত্বে উত্তরাধিকারী হতে পারি, কিন্তু তার মালিকানা সমগ্র বিশ্বের। বারা ও বিজ্ঞান করা উচিত্ত, তাদেরকে উপনিষদ প্রদান করা উচিত, তাদের সাথে আমাদের উপনিষদ শেয়ার করা উচিত।
and the country of the county of the county of the county of the county of the county of the county of
উপনিষদসমূহের প্রতিটি ধনি, প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি পর্যা করে শতিশালী চেতনা সহকারে স্পন্নান। শক্তিশালী চেতনা। এখনও উপনিষদসমূহ ভারতবর্ষকে সজীব রেখেছে। উপনিষদসমূহে ভারতের ধারণা। আমাদের সমস্ত আধ্যাত্মিক আকঙ্কা ও উপলব্ধিজ্ঞলি একসাথে হল উপনিষদসমূহ। উপনিষদসমূহ হল কোটি কোটি মানুষের লাখ লাখ বছরের আধ্যাত্মিক উপলব্ধির মূর্তপ্রকাশ।
উপনিষদসমূহের ভাষ্য, টীকা বা সম্পাদনা (editing) সম্ভব নয়
উপনিষদে অনুভবাণিত কিছুই নেই; তাতে একটা শব্দও অনাবশ্যক নয়। তুমি তাদের সম্পাদনা (এডিটিং) করতে পার না, আবার তার ওপরে টীকা বা ভাষ্যও নিখতে পার না। ভাষ্য অর্থ কিছু জিনিষ অবধিত থেকে গেছে, তোমাকে তার বাখ্যা করতে হবে। এভিটিং মানে অতিরিক্ত বা অনারশ্যক কিছু শনাক্ত করা। এডিটিং সম্ভব নয়, আবার তার কোন অনুমতিও নেই। ভাষ্য করার অনুমতি আছে, কিন্তু কারণ অব্যাথাত কিছুই দেখানে নেই। সমস্ত ভাষ্য, তা সে শংকরাচার্য হোন কি রামানুজ বা মাধবাচার্য হোন, সবই একই ধারণাঙ্গলির পুনরাবাহিনী বিশ্ববিদ্যালয়ের সবায় দুষ্টিতে নিয়ে এসেছেন, হাইলাইট করা হয়ত সম্ভব, কিন্তু জানান, মুখ কারণ উপনিষদসমূহে অব্যক্ত কিছুই নেই। উপনিষদের ভাষ্য করা সম্ভব নয়। ধর্ম অনুযায়ী তার অনুমতি আছে, কিন্তু সম্ভব নয়।
এডিটিং (সম্পাদন) সম্ভব নয় এবং তার অনুমতিও নেই। সমস্ত আচার্যো (আধ্যাত্মিক শিক্ষক), এমনকি যারা হিন্দুর্ধা গীতার করে না, তারাও 'এডিটিং করা হবে না' এই সৌলিক নৈতিকতা স্বীকার করেছেন। উদাহরণস্থরপ, রামানুজার কিছু অনুচ্ছেদ হয়ত খীকার করেন নি, কিন্তু তিনি কোন এভিটিং করেন নি। একইভাবে চার্ক, এক বন্তবাদী, কিছু শ্লোক হয়ত গ্রহণ করতে পারে নি. কিন্তু কোথাও এডিট করেন নি। এমনকি বেছিরাও একটি উপনিষদ স্বীকার করে না, এমনকি তারাও কখন কোন এডিটিং করে নি। তোমরা দেখতে পারে, যে কোন বৌদ্ধ বিহুর বা বিশ্ববিদ্যালয়ে তালগঞ্জলি হিন্দু মঠের রাখা আছে। এই
আদি লেখনে কোন প্রকার বিভান্তির অবকাশ নেই; কোন উদ্দেশ্য সাধনের কোন ব্যাপার নেই, কোন বিকৃতি নেই। একইভাবে যদি শংকরাস্টের (স্প্রদের) রেক্ষিত সম্মদিত তালপত্রের সংরক্ষণাগারে গিয়ে পুরোপুরি মত্য অবস্থান করে নেতৃত্বে পাবে। তারা হয়ত বৌদ্ধমর্ম স্বীকার করে না, কিন্তু কেউ নিজের উদ্দেশ্যসাধনের জন্য হস্তক্ষেপ ক'রে তাতে কোন শব্দ প্রবেশ করানো বা মুছে দেওয়ার সাহস করবে না।
the country of the county of the county of the county of the county of the may be and
এই সহান ভারতীয় সংস্কৃতি, জীবনশিলী ও প্রথাতে তুমি বে সব বা , তুমি তাদের পরিবর্তন, এডিট অথবা বিকৃত কর না। কি সুন্দর সততা ও সায়ুতা! কল্পনাতীত সাধুতা এবং বাণী (বাক) বা মাতা সরকটার প্রতি শ্রদ্ধা! সরকটি হলেন পরিত্র কাপদেরী)। বৈদিক প্রথার, হিন্দু প্রথার ও ভারতবর্ধের জীবনরেখা এই উপনিষদসমূহকে তো কেবলমাত্র স্মরণ করেও মহানন্দ পাওয়া যায়।
মহাজাগতিক চৈতন্য! যখন তোমার চেতনায় মহাজগৎ থাকে, তখন মহাজগতের চেতনাতে তুমি থাক।
25

and the first of the state of the state of the state of the states of the states