Kritajnyata KiChapter 7 of 17
Chapter 7

কার্যকলাপ

1 sections

কার্যকলাপ

১৩ তোমার আবেগগুলি তোমার ডিএনএ-কে নবরূপ দিতে পারে 26 তোমার চিন্তা ও আবেগগুলি তোমার ডিএনএ পরিবর্তিত করতে পারে। বৈজ্ঞানিক ড্যানিয়েল ইউইটার এবং তার হার্ট কোহেরেন্স টিম নাকি প্রমাণ করেছে যে মানুষের আবেগগুলি তোমার ডিএনএ-কে নবরূপ দিতে পারে এবং তোমার রোগ-প্রতিরোধক ক্ষমতার উন্নতিসাধন করতে পারে। আবার বিজ্ঞানী ও গবেষক গ্রেগ ব্রাডেন প্রমাণ দিয়েছে কিভাবে তোমার আবেগ তোমার ডিএনএ পরিবর্তিত করতে পারে। কৃতজ্ঞতা, প্রেম ও তারিফ করার ক্ষেত্রে ডিএনএ নাকি স্বস্তিতে থাকে ও আরও লম্বা হয়। Balancedexistence.com এমন আরও একটি ওয়েবসাইট যা এই প্রকার ডিএনএ বিজ্ঞান সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে। বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করেছে যে আবেগের পরিবর্তন ডিএনএ-র আকার পরিবর্তিত করতে পারে। তারা সিদ্ধান্তে আসে, আবেগ আমাদের শুল ডিএনএ-কে পরিবর্তিত করতে পারে এবং আমরা পরিবর্তিত হলে আমাদের চারপাশে বিশ্বও পরিবর্তিত হয়। তাহলে বোঝা যায়, আবেগগুলি আমাদের ডিএনএ পরিবর্তিত করতে পারে এবং যখন আমরা পরিবর্তিত হই আমাদের চারপাশে বিশ্ব পরিবর্তিত হয়। আমি সর্বদা লোকেদের বলি, 'আনন্দময় হও, ধনসম্পদ তোমার 26 দিকে আকর্ষিত হবে। ভাল জিনিষ, সঠিক পরিস্থিতি ও সঠিক ঘটনা আকর্ষিত করবে। তোমার চারপাশে বিশ্ব পরিবর্তিত হবে।' বিজ্ঞানীরা একই কথা ভিন্ন ভিন্ন শব্দে বলছে। বোঝা, এমনকি রোগগুলিও তোমার আবেগের সাথে সংযুক্ত। যদি মধুমেহতে (ডায়াবেটিস) ভুগছ, তা সেই কষ্টের সাথে সংযুক্ত বাসনা ও চিন্তাগুলি তোমাকে পরিপূর্ণ করেছে না। উচ্চ রক্তচাপের জন্য ভয় দায়ী। অনবরত ভয় রক্তচাপ বাড়ায়। যদি তোমার বেঁচে থাকার সহজ প্রবৃত্তিকে অনবরত চ্যালেঞ্জ করা হয়, তোমার রক্তচাপ বেড়ে যাবে। অপরাধবোধের সংকুচিত চিন্তায় অনবরত কষ্ট পাওয়া থেকে আর্থরাইটিস হয়। যদি তুমি শারীরিক, মানসিক ও আবেগের বেদনার স্মৃতিগুলির জন্য কষ্ট পাচ্ছ, তা তোমার সন্ধ্বতা কে প্রভাবিত করে; তুমি জীবনে নিজেকে সম্প্রসারিত করতে অসমর্থ হও। বোঝ, কিছু আবেগ সংক্রান্ত বেদনা তোমার মধ্যে বেশী করে বহন করলে তোমাকে সম্প্রসারিত হতে বাধা দেয়। তাই মানুষের প্রধান রোগগুলির সাথে কোন না কোন আবেগ সংযুক্ত থাকতে পারে। তোমার আবেগ পরিবর্তন করলে তোমার ডিএনএ পরিবর্তিত হয় এবং তাতে তোমার রোগ নিরাময় হতে পারে। 27 ১৪ ধ্যানে কৃতজ্ঞতা 28 যখন তুমি অনবরত ধ্যান কর, তুমি কোমল ও ভেদ্য হও। তুমি বহুরন্ধ্র, সংবেদনশীল ও সজাগ হও। তুমি দেখবে যে তোমার চেতনা প্রতিটি মুহূর্তে সম্প্রসারিত হচ্ছে। তোমার চেতনা তোমার ভাবনা ও কার্যসকল নির্ধারণ করে। সেইজন্যই বারংবার আমি তোমাদের ধ্যান করতে বলি। সেটা তোমার চেতনাকে বিশুদ্ধ করবে। তোমার কাছে জিনিষগুলি স্পষ্ট হবে। তুমি অনুভব করতে সমর্থ হলে যে তোমার কেন্দ্র মন থেকে হৃদয়ে সরে যাচ্ছে। যখন তোমার মন ও ‘তুমি’-র মধ্যে ব্যবধান বাড়ে, তোমার সমগ্র সত্তা এক ভিন্ন অনুভূতি সহ স্পন্দিত হতে শুরু করে। এই অনুভূতি হল এক গভীর পরিপূর্ণতা, পূর্ণের প্রতি কারনরহিত এক গভীর প্রেম, আনন্দ ও উৎফুল্লতার এক ক্রমাগত অনুভূতি। নকারাষ্মক চিন্তায় ও অসন্তুষ্ট থাকার জন্য আগে তুমি যত শক্তি খরচা করেছ তা উন্মোচিত হয় এবং তুমি আনন্দিত ও সুসংহত অনুভব কর এবং শক্তিতে ভরে যাও। কৃতজ্ঞতা তখন তোমার প্রার্থনা হয়ে যায় এবং ‘ধন্যবাদ’ হয়ে যায় তোমার মন্ত্র। ঘুমাতে গেলে এক কৃতজ্ঞতার ভাবনা নিয়ে যাও যে আরও একটি দিন অস্তিত্বের সাথে কাটালে। জেগে উঠলে আরও একটি দিন অস্তিত্বের সাথে কাটাবার ভাবনা সহকারে জাগো! এটাই সবচেয়ে সহজ এবং সর্বাধিক ফলপ্রসূ ধ্যান যেটার অভ্যাস তোমার সত্তাকে কৃতজ্ঞতা বানিয়ে ফেলতে পার। যখন প্রত্যেকে কৃতজ্ঞতা অনুভব করে ও বিকিরণ করে, কোন হিংসা, ঈর্ষা ও লোভ থাকবে না। 28 আমি তোমাদের বলি, তোমার সত্তায় কৃতজ্ঞতা অনুভব করে অন্তর ক’রে তা বিকিরণ করলে, তুমি পূর্ণপ্রভাবে পরিবর্তন নিয়ে আসতে পার। সবার মধ্যে কৃতজ্ঞতা নিয়ে আসার প্রয়োজনীয়তার সজাগতাকে বিস্তার ক’রে সমস্ত আত্মবাদ, আত্মশ্লাঘ্য, নারদ্র ইত্যাদি নির্মূল করা যেতে পারে। 29 যদি সকাই কৃতজ্ঞতা অনুভব করে ও বিকিরণ করে, কোন হিংসা, কোন ঈর্ষা, কোন লোভ থাকবে না। বিশ্বের সমস্ত নকারাষ্মকতার সমস্ত মূলকে এই একটি অনুভূতি দ্বারা ধ্বংস করা যায়, কারন সমস্ত নকারাষ্মকতার কারনগুলি এর সাথে মিলিয়ে যাবে। সেটাই কৃতজ্ঞতার সৌন্দর্য। 29