Books / Guaranteed Solutions For Lust Fear Worry... Bengali merged

33. এখন আত্ম-অনুসন্ধানের সময়

# এখন আত্ম-অনুসন্ধানের সময়

এই বিশ্বে, মানুষেরা তোমায় শ্রদ্ধা করবে যদি তুমি বহির্জগতে ধরা -ছোঁয়ার মধ্যে কিছু সাফল্যলাভ করতে পার। কলেজের ডিগ্রী, সুন্দরীর খেতাব, কোম্পানীর উচ্চপদ, পেপার পারিশ, ব্যাঙ্ক ব্যালাঙ্গ, এই সব মাত্রায় সমাজ তোমায় শ্রেণীভুক্ত করে।

দ্যাখো, তোমাকে কারো থেকে গ্রেড (grade) নেবার দরকার নেই। নিজের বুদ্ধিতে বিশ্বাস রাখ ও নিজে নিজেকে গ্রেড দাও।

কিন্তু এটা বোঝ যে অন্তর্জগতে অনেক কিছু লাভ করার আছে। বহির্জগতের সাফল্যগুলি তো আনুষঙ্গিক। তারা তোমায় তাৎক্ষণিক নাম, যশ ও ধন পাইয়ে দেবে। আসল সাফল্য তো অন্তর্জগতের বিকাশে হয়।

নিজেকে সুতীক্ষা সচেতনতার সাথে কেন্দ্রীভূত কর ও বহির্জগতের কাজে লিপ্ত হও : যেভাবে কমল পক্ষরে অস্পষ্ট থাকে। চৌহুদ্দির কার্যকলাপ নির্বিঘ্নে হতে থাকুক, কিন্তু নিজেকে নিজের সত্যায় কেন্দ্রীভূত রাখা। তবেই তুমি বহির্জপতের কাজ অনেক ভাল করে সম্পাদন করতে পারবে, কারণ তোমার অন্তর্বাদ্ধি বদ্ধি পেতে থাকবে ও তা তোমাকে গাইড করবে।

তাহলে তুমি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বহির্জগতের সাফল্যলাভে প্রভাবিত হওয়া থেকে থামবে এবং তোমার সত্তার কেন্দ্রে সুস্থিত ও আনন্দ অনুভব করবে। তুলনা ও ঈর্ষার এই আবর্ত থেকে বেড়িয়ে আসার একমাত্র উপায় হল নিজের কেন্দ্রকে খুঁজে পাওয়া।

কতজন সফল ব্যবসায়ী আজ 'সাফল্য-বিষণতা'-র মুখোমখি? তারা যা চায় সব পেয়েছে। সাথক হয়েছে তাদের নিজের স্বপ্ন, ধার করা স্বপ্ন ও সবকিছু। কিন্তু তারা পরিপূর্ণ বোধ করে না। এত পাওয়ার পরেও তাদের ভিতরে একটা রিক্ততা আছে।

তারা অবাক হয় যে নিজেরা এত দৌড়াল কেন? কারণ সচেতন না হয়ে, নিজেকে সময় না দিয়ে, আত্ম-অনুসন্ধান না করে তারা দৌডে চলেছিল। ফলে যখন তারা দেখুন তারা হঠাৎ আর দৌড়াতে পারে না, তখন তারা পশ্চাদপসরণ করে निर्कित मिटक जाना वर एक्श र जाना मुमर्शनिक तरे 3 निर्जन मार्श घ -मूश् मन्ना चाहि। बजेर रूप माँज़ाय বিষণ্ণতা বা অসুখ।

সাফল্যের বিষণাতায় পড়লে, তুমি তিনটি পথ অবলম্বন করতে পার। এক হল, ড্রাগ নাওয়া - যার নেশা আরও বিষণতা দেবে। দিতীয়টি হল আত্মহত্যা - যেটা হল পলায়নবাদ। ততীয়টি হল ধ্যান - সমাধানের জন্য অন্তর্জগতে খোঁজ করা। বুদ্ধিমানেরা ততীয়টি বেছে নেয়।

আত্ম-অনুসন্ধান তোমাকে বিশ্বাস থেকে মুক্ত করার পথ। সমস্যা ভিতরে আছে আর তুমি সমাধানের জন্য বাইরে খুজছ। তমি তোমার সত্তাকে অনেক লম্বা সময় ধরে অবহেলা করেছ এবং বিষণাতাবোধ আসলে তোমার সত্তারই ডাক। তাই নিজের অন্তঃস্থলে কেন্দ্রিত হবার জন্য ও স্লেফ নিজের চৌহদ্দিতে কাজ করার জন্য মাস্টারেরা বারবার অনেক প্রকার প্রক্রিয়া দিয়ে গেছেন।

পেশার শীর্ষে থাকাকালীন তোমায় যখন এই একই জিনিম বলা হয়, তুমি তা গ্রাহ্য কর না, কারণ তখন তোমার যথেষ্ট শক্তি আছে। এবার তোমার শক্তি ক্ষীণ হতে থাকলে তুমি বোঝ যে কোথাও কিছু একটা ভুল হয়েছে। এই ব্যাপারটাই মাস্টারেরা তোমাদের বারংবার বলার চেষ্টা করেন।

মহান পদার্থবিদ এলবার্ট আইনস্টাইন মত্যশয্যায়। তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন পাশে বসে আছে। তাদের মধ্যে একজন জিজ্ঞাসা করে যে তিনি আবার জন্ম নিলে কি হয়ে জন্ম নিতে চাইবেন। সবাই আশা করছিল যে তিনি আবার একজন বিরাট বড বিজ্ঞানী বা সেরকম কিছু হতে চাইবেন। আইনস্টাইন বলেছিলেন, 'আবার জন্মালে জলের মিস্ত্রি (প্লাম্বার) হয়ে জন্মাবার ইচ্ছা।'

তিনি অনভব করেছিলেন, যা কিছু অর্জন করার সবই অর্জিত হয়েছে, কিন্তু 'যার' জন্য অর্জন করেছেন, 'তাকে'-ই অর্জন করে উঠতে পারেন নি। তিনি পরো পথিয়ী বাংলা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যে তাঁর পরো জীবনটাই মিথ্যা হয়ে গেছে।

দ্যাখো, তুলনা ও দৌড়ের এই প্রক্রিয়ায়, তুমি আসলে মেশিন কার্যকলাপ অচেতন অবস্থায় হয়। তুমি গাড়ি চালান সম্পর্কে সজাগ না হয়েই গাড়ী চালাতে সমর্থ হও। তমি ঠিক গাড়ীটার মতই মেশিন হয়ে যাও।

সকালে দাঁত মাজা থেকে শুরু করে বিছানায় যাওয়া, নিজের প্রতি কোনরকম সচেতনতা ছাড়াই তুমি এক প্রোগ্রাম করা রোবটের সামাজে করা। কোন সন্দেহ নেই, যা করছ তাতে তুমি খুবই সুদক, কিন্তু তুমি মানবতা হারিয়ে ফেলেছ! যে উদ্দেশ্য নিয়ে পথিবীতে জন্ম নিয়েছিলে তা থেকে তমি অনেক দরে সরে গেছ। তমি নিজের সত্তা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

जनवरी के बाद कर रहे हैं कि कि कि कि कि कि कि कि किसी को किसी को किसी में किसी में किसी में कि को क সম্পূর্ণতার সাথে করবে, একটা পরিপূর্ণতার ভাব নিয়ে করবে, কারণ তুমি-রূপী 'ক্ষুদ্র জগৎ' অস্তিত্ব-রূপী 'নিখিল বিশ্ব-এর সাথে সঙ্গতি সাধন করবে এবং নিজের শিক্ষ্য পথিবীতে গেড়ে তুমি উড়বে। শিকড ছাড়া উড়লে সর্বদাই যে কোন সময়ে তোমার আঘাত পাবার আশঙ্কা থাকে। তাই বোঝ, সচেতনভাবে কাজ করলে কেবল তোমার দক্ষতাই বদ্ধি পায় তা নয় , কিন্তু নিশ্চিত করে যাতে তমি তোমার সত্তার উদ্দেশ্য থেকে পথভ্রষ্ট না হও।