19. প্রশ্ন : তার মানে কি যারা জ্যোতিষ অনসরণ করে তারা সবাই দুর্বল-চিত্ত?
# প্রশ্ন : তার মানে কি যারা জ্যোতিষ অনসরণ করে তারা সবাই দুর্বল-চিত্ত?
উত্তর : না, সেটা তুমি বলতে পার না। কিন্তু অধিকাংশই দুর্বল-চিত্ত। এমনকি যে মানুষটি সাধারণত বুদ্ধিমান সেও মাঝে মাঝে এই ব্যাপারে বোকার মত ব্যবহার করে। তারা এসে আমায় জিজ্ঞাসা করে, 'স্বামীজী, এরকম এরকম রতু ধারণ করলে কি আমি ভাগ্যবান হব? তমি একটা পাথরের ওপরে কিভাবে নির্ভর করবে? তমি চেতনা। তমি ভগবান ছাড়া কিছুই নও। আমি কল্পনা করতে পারি না ... আমি তোমাদের মহাজাগতিক শক্তিকে আহরণ করার বিজ্ঞানের শিক্ষা দিচ্ছি, আর তুমি আমাকে পাথর সম্মে জিজ্ঞাসা করছ!
তোমরা হয়, আমি যতীশ্বরাদদের নাম শুনেছ। তিনি এক মহাপরুষ ছিলেন। তিনি যখন বিদেশে প্রথমবার যান, তিনি রাহুকালে যাত্রা করেছিলেন। রাহুকাল দিনের অশুভ সময় যা গ্রহের অবস্থান দেখে হিসাব করা হয়।
কেউ তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিল, 'স্বামীজী, আপনি রাহুকালে কিভাবে যাত্রা করলেন?'
তিনি উত্তর দেন, 'আরে বোকা! আমিই সেই শক্তি যে গ্রহগুলিকে গাইড করে! তারা কিভাবে আমায় নিয়ন্ত্রণ করবে?'
তাঁর সাহস দেখ! এই সাহস গভীর উপলব্ধি থেকে আসে।
আমি তোমাদের সমস্ত গ্রহদের নিয়ন্ত্রণ করার শিক্ষা দিচ্ছি! তাই তুমি কোন গ্রহ কোথায় তা সম্পর্কে চিন্তিত কেন? তারা তোমায় কিভাবে প্রভাবিত করবে? ধ্যান বিজ্ঞান অনুসরণ কর, তাহলেই হবে। তখন কিছুই তোমাকে ছুঁতে পারবে না।
চেতনার সাথে যাও
আমাদের সমস্ত মূল্যবোধ চেতনার বিকল্প।
তমি যদি সচেতন থাক. যা করছ তার সম্বন্ধে সচেতন থাক. তাহলে কি করতে হবে তার জন্য মুল্যবোধের দরকার নেই। তোমাকে কোন বিধিনিয়ম মানতে হবে না। নিয়ম তোমাকে মানবে। যদি তমি সচেতন হও, সকল গুণ, শঙ্খলা ও আধ্যাত্মিকতা তোমার মধ্যে হবে এবং তুমি স্বাভাবিকভাবে আধ্যাত্মিকতার শীর্ষে প্রস্ফুটিত হবে।
যে করেই হোক, যখনই আমরা চেতনা বা আধ্যাত্মিক উন্নতি এসব শব্দাবলী শুনি, আমরা সর্বদা ভাবে, 'না, না, এটা আমার জন্য নয়।' কোনরকম ধ্যান প্রক্রিয়া বা চেতনাকে উচ্চতর স্তরে নিয়ে যাবার ব্যবহারিক উপায় অভ্যাস না করেই, আমরা সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে এসব আমার জন্য নয়। তাই আমরা এক বিকল্পের দিকে যাই, ক্রত্রিম চেতনার জন্য - যাকে বলা হয় নৈতিকতা, নীতিবোধ, মল্যবোধ।
उन्हाज मुलारवास ठिक घाटक, किलु स्वास नय!
বিবেকানন্দ সুন্দর বলেছিলেন, 'চার্চে জন্মানো ভাল, কিন্তু সেখানে মরা ভাল নয়।'
আমাদের প্রথমে এই ধারণা ত্যাগ করতে হবে যে আধ্যাত্মিক হওয়া খুবই কঠিন ও ভিন্নতর। ভারতের এক জীবনমুক্ত পুরুষ ভগবান রামানা মহর্ষির একটি গান আছে :
'আইয়ি, অতি সুলভম, আত্মবিদ্যায়ি, আইয়ি, অতি সুলভম!' তার মানে, 'ও, এত সোজা, এই আধ্যাত্মিকতা: ও. এত সোজা!'
পরের এক লাইনে তিনি গান :
টাকাপয়সা চাইলে তোমাকে মেহনত করতে হবে। নাম যশ চাইলে তোমাকে মেহনত করতে হবে। আত্মজ্ঞান চাইলে, তোমাকে কেবল স্থির হয়ে থাকতে হবে!
তুমি যদি গভীর অলসতায় ডুবে যাও, তুমি দেবতুলাভ করবে! এই অলসতা তা নয় যাকে আমরা সাধারণত অলসতা বলে জানি। - নিজেকে শান্ত করতে পার, তুমি যথার্থই আধ্যাত্মিক হতে পার।
আধ্যাত্মিক হওয়া সোজা নয়, আবার কঠিনও নয়। এটা তোমার ধারণা। সোজা ভাবলে সোজা। কঠিন ভাবলে কঠিন। নিজের মত হতে আবার কি চাই? সেটা কি সোজা না কঠিন?
তুমি 'সোজা' শব্দটাও প্রয়োগ করতে পারে না। এটা তুমি বেরকম আছ. ঠিকা তুমি ইতিপর্বই সেটা. তাহলে তুমি কিভাবে বল যে সেটা হওয়া সোজা?
কেবল ভিতরে তাকাও। অন্তর্দেশে ফের। আধ্যাত্মিকতা ও ধ্যানে একটু বিশ্বাস রাখ; তবেই হবে! আধ্যাত্মিক হওয়া খুব কঠিন কাজ - এই ভয় যখন তুমি মুছে ফেল, তোমার আত্মবিশ্বাস হয়, 'হ্যাঁ, আমি আধ্যাত্মিক হতে পারি।' তাহলে 'मुलारवास एक्टन फरवरा वासान भटक ठिक रद्द किता' भ्रनाणित कान मुलारे थाकरव ना।
এখন তুমি তোমার মূল্যবোধ ফেলে দিতে ভয় পাও কারণ ধরে থাকার জন্য তোমার আর কিছু নেই ! আমরা জানি, যেই তুমি মূল্যবোধগুলি ফেলে দেবে, সমস্ত চেপে রাখা বাসনাগুলি লাফিয়ে লাফিয়ে পড়বে যেন প্যান্ডোরার বাক্স খোলা হয়েছে। আর আমরা জানি, এই বাকা খুললে কেবল বিশঙ্খলা সষ্টি হবে। আমরা আমাদের অবচেতন মনকে ভয় পাই।
অবিশ্রাম ধ্যান করলে তোমার অবচেতন মন পরিষদের সেই প্যান্ডোরার বাক্স খুললেও সেখান থেকে লাফিয়ে
বাইরে আসার কিছুই নেই। তুমি সেখানে তোমার মুখের প্রতিচ্ছবি দেখবে, এক স্বচ্ছ আয়না দেখবে!
এখন এক ধ্যানপ্রক্রিয়া করা যাক যার নাম দুঃখহুরণ ধ্যান। এটা মূলাধার চক্রের ওপরে কাজ করে ও তার শক্তি জাগ্রত করে।
আবেগ : যৌনকামনা, বাসনা, লোভ চক্র : মলাধার চক্র অবস্থান : মেরুদণ্ডের মূলে
সংস্কৃতে, মলাধার মানে মূল ও অস্তিতের আধার বা ভিত।
এই চক্রটি অলীক-কল্পনা দ্বারা তালাবদ্ধ থাকে এবং অলীক-কল্পনা করা ছেড়ে দিলে ও বাস্তবকে মেনে নিলে এই চক্র প্রস্ফুটিত হয়!
যৌনকামনাকে প্রেমে রূপান্তরিত করার ধ্যান প্রক্রিয়া : দুঃখহরণ ধ্যান। এটি কলার্ণব তন্ত্র থেকে নাওয়া হয়েছে।