1. WHY KARMA
কর্ম - কারণপ্রভাবের মহাজাগতিক বিধান
"কারণ"-এর সংজ্ঞায় বলা যায় কান কার্য, কথা, ক্রিয়া বা ফিল হিসাবে, যা তোমার ও অন্যের মধ্যে কিছু নির্দিষ্ট অপূর্ণতা সৃষ্টি করে। যা তোমাকে অপূর্ণতার ফলপ্রাপ্তির দিকে ঠেলে দেয়, তা হল "কারণ" -তোমার মধ্যে ঘটা একটা চিন্তা, কথা বা কার্য তোমাকে অপূর্ণতা প্রদান করव, वनगानार्मादव मार्थ वर्भूषणा वाल्क्क्का कन्नाय ववर जानारक পূর্ণতার দিকে চালিত করে!
"প্রভাব"-এর সংজ্ঞার্থ দেওয়া যায় পূর্ণতার দিকে চালিত হবার পরিবর্তে অপূর্ণতার অবিরাম বৃদ্ধি হতে থাকা। এটা হল পূর্ণতা ও অপূর্ণতার
কোন কারণ নেই এবং কোন প্রভাবও নেই।
অন্য এক প্রসঙ্গে "কারণ" ও "প্রভাব"-এর সংজ্ঞা হল :
যা কিছু তোমার মধ্যে পূর্ণ প্রভাব ঘটায় নি, তা হল "কারণ"। य कान कावन कावान सत्या भूषण घाणित्याद्य का रूल "প্ৰভাব"।
তৃতীয় প্রসঙ্গে "কারণ" ও "প্রভাব"-এর সংজ্ঞা হল :
যে কোন সংস্কার (প্যাটার্ন) যা তুমি পূর্ণ কর নি, যতক্ষণ সেটা তোমার মধ্যে সংস্কার হয়ে থাকে, তা হল "কারণ"। यथन क्वण निर्जिक कार्य घाना थकान करव, जा रल "শ্বচার"।
চতুর্থ প্রসঙ্গে "কারণ" ও "প্রভাব"-এর সংজ্ঞা হল :
যেটা তোমার মমকারে (অন্তরাকাশ) ঘটে, সেটা হল "কারণ"। "প্রভাব" তোমার বাইরে ঘটে। সেটা সর্বদাই ভিতর থেকে বাইরে!
কর্ম - মহাজগতের অভিও রেকর্ডিং
कर्म वर्थ बरे नया व्य जानाव कार्यव मुनावणूनि जामान काटक ভবিষ্যতে ফিরে আসবে। মহাজগতে কোন সিসিটিভি (ccTv) রেকর্ডিং कलटक ना याटक जाताव कार्यमकल स्विस्टर जामारक फूर्शक्त एव। किसु অবিরত অডিও রেকর্ডিং চলছে, ভিডিও রেকর্ডিং নয়।
ভিডিও রেকর্ডিং মানে তোমার কার্যগুলিকে নথিভুক্ত করা হচ্ছে। অভিও রেকর্ডিং অর্থ তোমার চিন্তার স্লোতকে নথিভুক্ত করা হচ্ছে। মহাজগতে কেবল অডিও রেকর্ডিং হয়, ভিডিও রেকর্ডিং নয়! মহাজগতে কোন সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। সেটা হল ভিডিও মিউট (বন্ধ) করা কেবল অডিও রেকর্ডিং।
কোন ভিডিও রেকর্ড দেখে শাস্তি হল তুচ্ছ ও লমুপ্রকৃতির। ভগবান তাতে উৎসাহী নন। ভগবান জজসাহেবের ভূমিকায় নেই। তোমার কার্যের ওপরে ভিত্তি করে কখনও তোমাকে বিচার করা হয় না। সেটা লঘুপ্রকৃতি ও অপরিপক্ষতার পরিচায়ক। যদি ঈশ্বরকে সেই কাজ করতে হত, তোমার ঈশ্বরের প্রয়োজন নেই। তোমার কেবল এমন মানুষ চাই যারা তোমার জীবনের সিসিটিভির ফুটেজ বিশ্লেষণ করে বিচারকের রায় দিতে পারে।
যেহেতু তোমার দেখার দেহযন্ত্রটি তোমার শ্রবণ করার দেহযন্ত্রটির চেয়ে তোমাকে এত বেশী প্রভাবিত করেছে যে তুমি চিন্তা কর যে মহাজগৎও কার্যের ওপরে ভিত্তি করে বিচার করে। না! কেবল চিন্তার লোত কর্ম হয়ে ফিরে আসে, কার্যের স্লোত নয়।
তুমি একই চিন্তাস্থোতের পুনরাবৃত্তি করছ
जिफि व वकर्णि- व मनाशलि क्यांगण नजून; वणि उ व्यक्ति - व लांग সর্বদাই একক প্রবাহ। যদি তোমার মনের অডিও রেকর্ডিং করা হয়, কখনও ভাবতে যেয়ো না সেটা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে একটা লম্বা জিনিষ হতে যাচ্ছে। २८ घण्णेय लाणे भौज्जी विवृत्ति द्वनी किछू राव ना! ल्यू वकर भाँठणा বিবৃতি যেন পুরানো অর্থহীন গ্রামাফোন রেকর্ডের মত বিভিন্নভাবে আটকে গিয়ে বারবার পুনরাবৃত্তি হয়ে চলেছে।
সেটাই হল তোমার ভিতরের অডিও রেকর্ডিং-এর পুরো ব্যাপার। যদি তুমি ভাব যে তোমার বহু চিন্তামোত আছে, তুমি ভুল করছ। তুমি নিজেকে জান না। তুমি ভাব যত তুমি অস্থির হও, তত বেশী তোমার চিন্তান্তোত থাকে। না! यथन कूलि वर्मी वर्शिव र 3, जान वर्थ रूल कूरि वकरे किलाय वर्णी मासय আটকে গেছ, বেশী চিন্তান্দ্রোতে নয়। তোমার বেশী চিন্তাস্রোত নেই; তুমি একই চিন্তা বেশী সময় ধরে পুনরাবৃত্তি করছ।
যেখানেই তুমি আটকে পড় সেটা কর্ম
य कान किलास्थान वर्थवा फिलान भारतीय यादव जूसि वाणिक भड़ , তা হল কৰ্ম।
य किसारमाण वर्थवा किसान भाणिन जामादक घाण्टिक भड़ाव वा শ্বাসরোধ হবার বা ধরা পড়ার অনুভূতি দেয়, তা হল কর্ম।
এই সংজ্ঞাটি তোমার জীবনের যেকোন অঞ্চলে বা জীবনের যে কোন মাত্রায় প্রয়োগ কর।
স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে, তোমার যে সব চিন্তার প্যাটার্ন তোমাকে স্বাস্থ্য প্রদান করছে না, তা হল কর্ম।
ধনসম্পদের ক্ষেত্রে, তোমার যে সব চিন্তার প্যাটার্ন বা চিন্তান্ত্রোত তোমার জন্য ধনসম্পদ নিয়ে আসছে না, তা হল কর্ম।
তোমার সম্বন্ধতা, তোমার বাসনা, তোমার চাহিদা, তোমার পরিতৃপ্তি, তোমার পূর্ণতু - সমস্ত ক্ষেত্রেই যে সব চিন্তারোত বা চিন্তার প্যাটার্নে তুমি আটকে আছ, তা কর্ম।
সেটা মহান আধ্যাত্মিক গ্রন্থে পড়া অথবা মহান আধ্যাত্মিক শিক্ষকের থেকে শোনা এক সুন্দর, নিগুঢ়, যুক্তিগতভাবে বিশ্বাসযোগ্য তত্ত্ব হতে পারে; কিন্তু या किछू जातारक सूक्क कबर ना, या किछूट्ठ छूनि घाणेटक ब्रत्यू, जा कर्त। জুনि रवाण मण्ड मण्ड उन शाकरव, श्यण लाणे मन्भर्क फिला करव शाकरव, ल्योग्दक विद्यावर करव शाकरव, लाणेव बार्शादव भटड़ शाकरव वश्वा र्याण राज्यक वार्वाकारण विद्यालय करव शाकरव; किलु ज्यांन यदि তোমার বাস্তবতার কারণ না হতে পারে, তাহলে সেটা কর্ম।
উদাহরণস্বরূপ, তুমি হয়ত ভেষজবিদ্যার (মেডিসিন) বহু বই পড়েছ, কিন্তু যদি তুমি কোন অসুস্থতা থেকে নিরাময় না হয়ে থাক, তাহলে তোমার জ্ঞান দ্বারা চিন্তার যে প্যাটার্ন বা চিন্তার যে প্রোত তুমি তৈরি কর, তা হল কর্ম।
তুমি হয়ত প্রতিটি পরিস্থিতির জন্য অনেক অনেক জীবন-সমাধান জান, যেমন নিজের সাথে পূর্ণত্ব, অপরের সাথে পূর্ণত্ব, শ্রদ্ধা, সম্পূর্তি, দায়িত্ব, সমৃদ্ধকরণ এবং শ্রবণ - কিন্তু তা যদি তোমার জীবনে ঘটা শুরু ना रूट शारक, जारटन ल्याण जानाव जना करनन कर्म। वन वर्थ কোথাও একটা তোমার যুক্তি উন্মুক্ত হয় নি।
তুমি হয়ত ঐ সমস্ত ধারণা শুনেছ এবং সেগুলিকে যুক্তি দ্বারা উপভোগ করেছ, কিন্তু তবুও তুমি যদি কোন চিন্তার প্যাটার্ন দ্বারা আটকে থাক या जातारक वावरवाद वकरे वरण्याय किनित्य वात वर यदि कूमि তোমার বাস্তবতা ঘটাতে না পেরে থাক, এগুলি সবই তোমার জন্য কেবল কর্ম।
তাই কর্ম তোমার কেবল এক অংশ নয়; সেটা হল পুরো জালটা যেখানে তুমি আটকে গেছ।
তোমার চিন্তার প্যাটার্ন তোমার তিন প্রকার কর্মকে নির্ধারণ করে
চিন্তার যে প্যাটার্নকে তুমি উপভোগ কর না, সেটাকে সেকেলে ভাব बदर फिलान य भाणिन जातारक थणिनियन मामद्वास कबर उ সঙ্গুচিত করছে, তা হল সঞ্চিত কর্ম।
চিন্তার যে প্যাটার্নে তুমি আটকে গেছ বলে অনুভব কর, কিন্তু যেগুলি দ্বারা তুমি কিছু জিনিষকে তোমার জীবনে বাস্তবায়িত করতে পারছ, তা হল আগম্য কর্ম। তোমার জীবনে দুই একটি জিনিষকে বাস্তবায়িত করার জন্য যে চিন্তার প্যাটার্নকে তুমি স্বীকার করেছ. তা যদি তোমার जोवटन अनूक, वक्लनीय, अम्वणामिण बक्कन, भार्म- वर्णि- वर्षिकिया ववर বিলম্বিত প্রতিক্রিয়া নিয়ে আসে - তা হল আগম্য।
কেবল যেহেতু তুমি একটি ঘরের মালিকানা চাও, কখনো কখনো তুমি वारकव द्वार (मांस कबर्ज कबर्ज बढ़कर बाज़ी वाज़ी बर्बन्ध बर्ब আটকে যাও। তুমি একটি ঘর চাও - সেই বাস্তবতা তুমি ঘটাতে চাও -কিন্তু সেটা বাস্তবায়িত করার সময় তুমি যে চিন্তাস্রোত স্বীকার কর এবং निर्जन उमरव थावन कव वर या मायिणू कूलि भुरुण कन, जा जातारक वकब्रनोद्य, वर्षणामिक, वकशिक उ अलक्षिण बन्दविश् केभार्य শ্বাসরোধ করতে ও বন্ধনে ফেলতে পারে। এটা আগম্যের উদাহরণ।
একটা রসিকতা আছে : পতি এমন এক মানুষ যে তোমার পাশে সমস্ত मरमणा, वज्राणाव, फूल्यूनमा उ विमनाव मतद्य मौड़ाय, व्यथनि থাকবেই না যদি তোমার জীবনে পতি না থাকে! সেটাই আগম্য কর্মের সংজ্ঞা। তুমি তোমার জীবনে সমাধান করতে ও কিছু বাস্তবায়িত করতে চেষ্টা কর এবং তোমার জীবনশৈলীতে নির্দিষ্ট কিছু চিন্তান্ত্রোত অথবা
किसान भाजान थुरुण कव। वन (शरक वावाउ वर्ष्ट वक्कब्रनोय, অপ্রত্যাশিত, অনুক্ত ও অবর্ণিত শাসরোধ এবং বন্ধনের কারণ হয়।
প্রারব্ধ কর্ম অর্থ, সেকেলে শ্বাসরোধী চিন্তার প্যাটার্নকে অথবা তোমার बांखबजादक घाश्मिकलाव घण्टानाव किसान भारतीय ना ( তোমার বাস্তবতাকে পূর্ণভাবে ঘটাতে যাচ্ছে না, সেগুলিকে নির্ভয়ে ত্যাগ করতে থাকার নির্ণয় নেওয়া।
তুমি যদি প্রত্যাখ্যান করতে থাক, প্রত্যাখ্যান করা জীবনশৈলী হয়ে যাবে। সেই খারিজ করার চিন্তার প্যাটার্ন, চিন্তার প্রবণতা বা চিন্তাস্রোত হল প্রারব্ধ। তার অর্থ তোমার বিদ্যমান কর্মকে কেবল নিঃশেষ করা बदर घना कान कर्म मश्रू ना कन्ना। जान वर्थ वास्ववाय आश्र्वण হওয়া।
কোন চিন্তাপ্রোত বা চিন্তার প্রবণতা তোমার সমস্ত বাস্তবতা ঘটাতে পারে না - এই বোধে আসা এবং বাস্তবে জাগ্রত হওয়া হল জীবনমুক্তি ! কোন চিন্তান্তোত বা চিন্তার প্রবণতা তোমার সমস্ত বাস্তবতা ঘটাতে পারে না -এই বাস্তবতায় জাগ্রত হওয়া হল জীবনমুক্তি (পরমজ্ঞানালোক প্রাপ্তি)।
কোন চিন্তাপ্রোতে আটকে না যাওয়ার ইচ্ছা হল হল মুক্ত চিন্তার স্লোত। কোন চিন্তার প্রোতকে শ্রদ্ধা বা সম্মান করার ইচ্ছা না থাকা হল মুক্ত किसारमाण वर्थवा जारक वासि भूषणू बलि। कान फिलास्थ्याणक জীবনশৈলী হিসাবে গ্রহণ করার ইচ্ছা না করা হল চিরস্থায়ী পূর্ণত্য।
ভাল কর্ম কি মন্দ কর্মকে মুছে দিতে পারে?
ভাল মানসিক প্যাটার্ন সুষ্টি ক'রে এবং তোমার জীবনে ঘটা প্রতিটি পরিস্থিতি ও সঙ্কটে সঠিকভাবে সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা তৈরি ক'রে कूसि जान कर्म शर्ब बाथ। मठिक मिटक मम्भुमानिक रख्या बनर সমস্ত সমস্যাতে প্রশান্ত সজাগতা দ্বারা সাড়া দেওয়া হল ভাল কর্মকে ধরে রাখার সবচেয়ে ভাল উপায়।
भूतवा किसान भारतिर्व वा किसारमाण्टक वाणिल करव रूसि या क्वान কর্ম মুছে ফেলতে পার।
यदि जातान किसारमार्टन एक (शाण वर्शन काफ़टक ना भाव बन्द তোমার বাস্তবতাকে আংশিকভাবে ঘটিয়েছ, তাহলেও সেটাকে মন্দ কৰ্ম বলা হয়।
यदि कूलि ছেড়ে দিতে সক্ষম হও এবং তোমার বাস্তবতাকে আংশিকভাবে বাস্তবায়িত কর, তালে ভাল কর্ম বলা হয়।
यदि कूलि मस्भूर्ण किसारमाण्टक सूरण कलटक भाव बन्द कर किछा-প্রবণতাকে অতিক্রম কর, তাকে বলা হয় পূর্ণত্যু।
তাই ভাল কর্ম মন্দ কর্মকে মুছে ফেলতে পারে না। মুছে ফেলা তখন হয় যখন তুমি সম্পূর্ণ চিন্তাপ্রোত ভেঙ্গে বার হয়ে আস।
তোমার আকাঙ্কাসমূহ পরিপক্ষ হচ্ছে
কর্ম বন্ধনে ফেলে না যদি তুমি প্রসঙ্গটি বুঝতে পার। তুমি অনুভব কর যে কর্ম বন্ধনে ফেলে কারণ তোমার প্রসঙ্গ পরিপক্ষ হয়েছে এবং তোমার আকাঙ্কা পরিপকু হয়েছে। আকাজকা পরিপকু হওয়াকে উদ্যাপন করা উচিত, তাকে অভিসম্পাত করা উচিত নয়। সেগুলিকে হতাশা দিয়ে মোকাবিলা করা ঠিক নয়। তোমার কর্ম কিন্তু তোমার জন্য কোন অভিশাপ নয়।
কর্ম হল অসম্ভবতায় তোমার বিশ্বাস
কর্ম হল অতীতের অপ্রীতিকর পরিণাম।
যখনই তুমি কিছু শুরু কর, তুমি সর্বদা অনুভব কর যে জিনিষণ্ডলি व्यमस्व, कानव वजी वजयल रायणिला। किस रूसि छूटन या अणीत कन कूसि वार्थ रायरिल्ल। ना; या भुरयाजन जा रुग्ण जानाव काटक छिल ना। क्वन व्यट्यू প্রয়োজনীয় জিনিষ তোমার কাছে ছিল না এবং ব্যর্থ হয়েছিলে, তার वर्थ वरे नय या ठूसि कित्रकाल व्यमयल राज याष्ट्र।
रूल बड़े जिनमित्र मुम्बाद्य व्यण्टिक श्टब बाद्य वाजू র্যাকমেলকারী - যেন গান্ধারী।
গান্ধারী এই তিনজনকে একসাথে ধরে রেখেছিল - ধতরাষ্ট্র, শকুনি ও দুর্যোধন - কারণ তিনি এই তিনজনেরই নিকট-আত্মীয় ছিলেন। তিনজনের পরিবারে তিনি ছিলেন প্রধান।
গান্ধারী না থাকলে শকুলি দুর্যোধনের সাথে থাকত না এবং ধতরাষ্ট্র শকুনিকে থাকতে অনুমতি দিত না। গান্ধারী নামক আত্ম -র্যাকমেল (প্রতারণা) প্যাটার্ন ধৃতরাষ্ট্র, শকুনি ও দুর্যোধনকে একসাথে রাখে।
এমনকি তোমার মধ্যেও আবিরত আত্ম-ব্ল্যাকমেল প্যাটার্ন আছে।
আমাকে আত্ম-ব্ল্যাকমেল প্যাটার্ন বর্ণনা করতে দাও : "যদি জিনিষগুলি একইভাবে চলতে থাকে, তাহলে আমার পরিচয়ের কি হবে? আমি তো 'কেউ-না' হয়ে যাব। কোথায় আমার জীবন শেষ করব? আমাকে রুখে দাঁড়াতে হবে।" এর জন্য তুমি রুখে দাঁড়াও। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, রুখে দাঁড়ানোর পরিবর্তে তুমি বোকার মত ভুল करव बटना! बरे करथ मौज़ाटना वाभावणिक वासि बलि वाणू-ব্ল্যাকমেলের প্যাটার্ন (সংস্কার)। তুনি সবসময়ে ভাব, "আমি যদি রুখে না দাঁড়াই সেটা অন্য দিকে চলে যাবে। সেটা ভিন্ন পথে যাবে। আমার পরিচয়ের কি হবে?" অবিরত, সর্বত্র তুমি চিন্তা কর, "আমাকে একইভাবে বেঁচে থাকতে হবে।" বোঝ, কোন কিছুকে नियन बनरेंडारव जीवनशासन कबान कान मनकान तरे। जामान দুশ্চিন্তা করা নিষ্প্রয়োজন।
আত্মসংশয়, আত্মঘণা ও আত্মবর্জনকে একসাথে ধরে রেখেছে আত্ম-র্যাকমেল প্যাটার্ন এবং তা ধ্বংসের দিকে পরিচালিত করে। কেবল শুদ্ধ, সুন্দর অদ্বৈত-আকাশে তুমি দুঃখকষ্ট প্রদানকারী আত্ম-ब्राकर्तमन भारतीनिश्चलित्क व्यक्तिक्य करव जाकारण जानत्व। वायु-ब्लाकर्तमन भारतीनरक जानाव जीवनस्थिती रवान वावनाक्का तरे। জীবনে এগিয়ে চলার জন্য ও জীবনকে উপলব্ধি করার জন্য আত্ম-ব্ল্যাকমেলকে চলার পথ হবার প্রয়োজন নেই।
তোমাকে অদৈত আকাশের প্রসঙ্গ প্রতিনিয়ত স্মরণ করিয়ে দেওয়া হল মাস্টারের আকাশের গঠন। তিনি যাই করেন, তিনি নিরন্তর जामारक वर्षरण्ड वर्मण स्वानाव वर्वानाव ववर मशाजाभाजिक অদ্বৈতের আকাশে বিরাজমান থাকতে স্মরণ করানোর ভাবমূর্তি।
শক্তিহীনতা কর্ম নিয়ে আসে
वश्रिकशट या किछू जातारक मन्त्रिशन करव जा कर्त निर्द्य घाटन -मणि वक्तो माधावन (शालाभजास रशक वश्वा विवार वशिष्ण জটিল এক সম্পৰ্ক হোক।
কোন কিছু তোমাকে শক্তিহীনতা প্রদান না করলে তা তোমার জন্য কর্ম নিয়ে আসে না। সেটা যুদ্ধে গিয়ে লাখ লাখ মানুষ হত্যা করার मण आणिल वाभाव राज भारत वर्थवा भान किवानाव सर बक সাধারণ কাজ হতে পারে। সেটা যদি তোমাকে শক্তিহীন না করে. তা তোমার জন্য উত্তরোত্তর মহিমা নিয়ে আসবে। তা তোমাকে উত্তরোত্তর পরিপূর্ণতার দিকে নিয়ে যাবে।
भ्वणिन रूसि किछू मण्डिशन सूर्यूज जनून - बकर्यायासि, ক্লান্তি এবং নিজেকে প্রশ্ন কর, 'জীবনটা এই রকম কেন?' কিন্তু তুমি কখনও সেটা এক যৌক্তিক সিদ্ধান্তে নিয়ে যাও না। উত্তর না পাওয়া পর্যন্ত তুমি নিজেকে 'কেন? কেন? কেন?' প্রশ্ন করতে থাক না।
তুমি তোমার চিন্তা, কথা, এবং কার্যকে যৌক্তিক সিদ্ধান্তে নিয়ে যাও না। তোমার ভিতরে সেই 'কেন' প্রশ্নটিকে আগুনের মত সজীব রাখতে হবে। যদি সেই "কেন" সজীব থাকে - আমি কেন শক্তিহীন অনুভব করছি? কেন আমি ক্লান্ত অনুভব করছি? কেন আমি অসুস্থ অনুভব করছি? কেন আমি বিষণ্ণ অনুভব করছি? - এগুলি তোমাকে যুক্তিগত সিদ্ধান্তে সমাধান হয়ে যাবে।
কর্ম ও ধর্ম
কর্ম হল আমাদের বহন করা অপূর্ণতাগুলি এবং যেগুলিকে অতীত জীবন ও বর্তমান জীবন থেকে বারংবার নিয়ে এসে লালন করি। বারংবার অপূর্ণতাগুলির লালিত হওয়া হল কর্মপ্রভাব। যদি আমরা অপূর্ণতাগুলির সাথে পূর্ণত্ব করি, কর্ম আমাদের ছেড়ে যায় এবং আমরা ধর্মের জীবন যাপন করি। ধর্ম অর্থ জীবন যাপন করার সঠিক বুদ্ধিমত্তা।
যদি তুমি অন্যদের আক্রমণ না কর ও তাদের ক্ষতি না কর, সেটা ভাল কর্ম। যদি তুমি জেনেশুনে অন্যদের ক্ষতি কর, সেটা মন্দ কর্ম।
অপরের জন্য না করলে সেটা কর্ম।
জীবনের এক সহজ সাধারণ প্রবাহ হল ধর্ম ও কর্ম। তুমি অন্যদের সম্পর্কে কি ভাব ও অন্যেরা তোমার সম্পর্কে কি ভাবে - সেটার স্বাভাবিক নিয়মে চলে আসা হল ধর্মের বিষয়! যখন তুমি অস্তিত্বের স্বাভাবিক নিয়মে আয়ত্ত হও, এটি সঠিক কর্ম। তুমি কখনও বেঠিক কর্ম করতে সমর্থ হবে না।
যখন তুমি স্মৃতি ও সংস্কারের গভীরে থাক এবং সম্পূর্ণরূপে জীবনের মানবিক নিয়মগুলির সাথে যুক্ত থাক, তখন যদি তুমি অতীতে অসৎ কর্ম করে থাক, তার শক্তি চলে যায়!
অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে, অতীতের ব্যাপারে চিন্তা করা নয়, বরং সেই অভিজ্ঞতা কর্ম হয়ে যায়।
কর্ম হল জীবনশৈলী ও বুদ্ধিমত্তা। কর্ম অর্থ অপূর্ণতা। পূর্ণত্ব ক্রিয়া করলে কর্ম ধর্ম হয়ে যেতে পারে।
জীবন তোমার ভিতরে বহন করা আকাশ ও স্পন্দনে সাড়া দেয়, কেবল তোমার দ্বারা কৃত কার্যসমূহে নয়। যদি তুমি তোমার অন্তরে বহন করা আকাশকে বদলে ফেল, তাহলে পূর্বের তথাকথিত বেঠিক বা নকারাত্মক কর্মও মুছে যাবে এবং তোমার ওপরে সেগুলির প্রভাব মিলিয়ে যায়। তোমার ওপরে সেগুলির প্রভাব আর থাকবে না।
তোমার মূল চিন্তার প্যাটার্নের সাথে পূর্ণত্ব করা
নিজের ভিতরে মূল চিন্তার সংস্কার (প্যাটার্ন) নিয়ে বাস করতে থাকলে, তুমি ডিফল্ট (গতানুগতিক) ভবিষ্যৎ পাবে যাকে আগম্য কর্ম বলা হয়, আর সেটা খুবই ধ্বংসকর হবে।
যদি তুমি সমস্ত মূল চিন্তার সংস্কারগুলির সাথে পূর্ণত্ব কর এবং পূর্ণত্বের এক নতুন আকাশ সৃষ্টি করে তোমার সমস্ত অপূর্ণতাকে পূর্ণ করতে করতে জীবন যাপন কর, সেটা হবে তোমার প্রারব্ধ নিয়ে জীবনযাপন।
যদি তুমি জানো জীবনটাকে কিভাবে পুনর্বিন্যাস করতে হয় এবং তোমার ভবিষ্যৎকে পুনর্বার লেখ, সেটা হল ঈশ্বরত্ব, এক লীডার হওয়া। লীডার হওয়া অর্থ তোমার ভবিষ্যৎ পুনর্লিখন করা।
স্থিতাবস্থা জীবনে তুমি চিন্তার জালে প্রায় ধরা পড়ে আছ এবং সেটা হল মানসিক দাসত্ব যা তোমাকে বাস্তবতার সাথে সম্বন্ধতা করতে দেয় না।
তোমার নিমতর প্রত্যক্ষকরণকে নিয়ে এসে উচ্চতর প্রত্যক্ষকরণে সম্প্রসারিত করা হল কর্মের প্যাটার্নকে ভেঙ্গে ফেলা।
যদি তোমার একটা বাস্তবতাকেও ঘটাতে না পার, তাহলে তুমি তোমার স্মৃতিকে দোষারোপ করো না। শুধু বর্তমানে নিজের সমস্ত চিন্তাস্ত্রোতগুলি সম্পর্কে প্রশ্ন কর।
নেতি নেতি - না ইতি, না ইতি - এটা নয়, এটা নয়।
বদলে তোমার সমস্ত সংগ্রামের লক্ষ্য হয়ে যায়।
কিন্তু যদি তোমার একঘেয়েমি ও অবসন্নতার চিন্তার প্যাটার্ন বা চিন্তাস্রোতকে ভেঙে না ফেল, তাহলে তো তুমি শুধু একটা ভাল অভ্যাস বানিয়েছ, মুক্তি নয়। হ্যাবিট (HABIT) হল হ্যাবিট। HABIT থেকে H সরিয়ে ফেললে A BIT পড়ে থাকে; B সরিয়ে ফেললে IT পড়ে থাকে। যদি B সরিয়ে ফেলো, তবে এটি ব্যর্থ হবে।
যদি তুমি একঘেয়েমি ও অবসন্নতার চিন্তাস্রোতের ওপরে পূর্ণত্ব না করে থাকো এবং হয়ত পয়তাল্লিশ বছর বয়সে মারা যাবে। পঁয়তাল্লিশ বছর পরে যদি ভগবানের কিছু বাকী থাকে, তাহলে সে পূরণ করতে পারে।
যদি তুমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করো তাহলে তুমি তোমার এই দেহের অস্তিত্বের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাজ করতে পারবে এবং তুমি ভবিষ্যৎকে রক্ষা করবে না, যেখানে ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যদি তুমি তাতে বিরক্ত হও, নিজেকে ও নিজের চিন্তান্ত্রোতকে বোর (ছিদ্র) কর। যদি তুমি ভয় পাও, তাহলে নিজের কিছূ না কিছূর জন্য শিক্ষা গ্রহণ করো।
একবার তুমি পূর্ণত্ব করলে, তোমার কার্য সমূহ আর কর্ম তৈরি করবে না। কর্ম হল অপূর্ণতা থেকে কার্য সমূহ যা আরও অপূর্ণতায় নিয়ে যায়।
তুমি যত বেশী করে পূর্ণতত্ত্বের আকাশ বহন করবে, ততই কম কর্ম সৃষ্টি করবে। যদি তুমি পূর্ণের বিদ্যমান থাকো, যদি তুমি কোন কর্ম করো, তবে ভবিষ্যতে তার কোনো পরিণামই হবে না। কিন্তু যে আকাশ তুমি বহন কর, তা প্রভাবিত হবে। তাৎক্ষণিক কর্ম হল পূর্ণতত্ত্ব পরে তোমার বহন করা আকাশমাত্র। সেটা তোমার বহন করা আকাশের ওপরে ভিত্তি করা।
যত বেশী অপূর্ণতা তুমি বহন কর, কর্ম তোমার ভিতরে বাস করে এবং তুমি তা দীর্ঘ সময় ধরে বহন কর। দীর্ঘ সময় ধরে বহন করা অর্থ এই নয় যে তার প্রভাব অনেক দেরীতে আসে। প্রভাব অবিরাম আসছে! অবিরাম দুঃখকষ্ট! তাই তাৎক্ষণিক কর্ম এবং কর্মের প্রভাব তোমার বহন করা আকাশের ওপরে ভিত্তি করা।
কিছু না করে কি তুমি কর্মকে এড়িয়ে যেতে পার?
না, তুমি তা পার না - কারণ 'কিছু না করা' বলে কিছুই নেই।
তুমি সেই আকাশটিকে জানো না।
যদি বলা হয় "কিছু না করলে আমি কর্ম সঞ্চয় করব না।" ভবিষ্যতে তুমি বলবে : "আমি কিছু না হ'লে আমি কর্ম সঞ্চয় করব না।"
তুমি কিছু হ'লে, এমন কখনও হয় না যে তুমি কিছুই করছ না। শুধুমাত্র যদি তুমি কিছুই না হও, তুমি কিছুই না করতে পার। তাই 'কিছু না করা' বলে কিছুই নেই।
তাই তুমি যদি বিবৃতি দাও : "যদি কিছু না করি, আমি কর্ম সঞ্চয় করব না", সেটা একটা ভুল এবং অলীক বিবৃতি।
যদি বলা হয় : "যদি আমি কিছু না হই, আমি কর্ম সঞ্চয় করবো না", সেটা হল বাস্তবতা।
তোমার কি কর্মকে পরিবর্তন করা উচিত?
স্মরণ রেখো, কর্ম অর্থ যে চিন্তাস্রোতে তুমি আটকে গেছ। যে চিন্তাস্রোতে তুমি আটকে গেছ তা হল কর্ম। তাকে প্রত্যাখ্যান কর এবং সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তিত কর।
কর্ম তোমার রুদ্রাক্ষ মালার মত নয়। মালা ছিঁড়ে গেলে তুমি সেটাকে গেঁথে আবার পরিধান করতে পার এবং ভেঙ্গে যাওয়া গুটিকার জায়গায় একটা নতুন গুটিকা গেঁথে ফেলা যায়। কর্ম তোমার রুদ্রাক্ষ মালা নয়। সেটা হল তোমার ডায়াপার (diaper)! সেটাকে পুরোপুরি পরিবর্তন করতে হবে। ডায়াপারকে ধুয়ে আবার ব্যবহার করতে পার না।
মেরামত করা, ধোয়া ও পুনরায় ব্যবহারের জন্য কর্ম তোমার সাবান বা শ্যাম্পু বা মালা নয়। কর্ম হল তোমার ডায়াপার। যখন সেটা থেকে গন্ধ বার হয়, তাড়াতাড়ি সেটাকে পুরোপুরি পাল্টাতে হয়। যা আগে স্পর্শ করেছিল সেই জায়গাটাকেও ধুতে হতে পারে! যদি তুমি আটকে গেছ অনুভব কর, তোমাকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তিত হতে হবে। এমনকি যে হাত দিয়ে তুমি পরিবর্তন করলে, সেটাকেও ধোওয়া প্রয়োজন।
গুরু গুরুরাধিকরী নয়। গুরু অর্থ হল, ধারণা।
গ্রহদের স্থিতি চলনশীল, পরিবর্তনশীল, পরিবর্তন হতেই থাকে। যদি তুমি গ্রহদের স্থিতিতে থাক, তুমি গৃহস্থ। গৃহস্থ অর্থ, বিমানটি গ্রহদের মত চলার জন্য পরিচালিত।
কিন্তু গৃহাধিকারী শব্দটির প্রসঙ্গ ভিন্ন; গৃহ-অধিকারী। সেটা যেন বিমানটি মাটিতে নামার পরে সেটিকে নাটবোল্ট দিয়ে রানওয়েতে সীল করে বন্ধ করেছ!
তাই যা কিছু পরিবর্তন করা যায়, তা পরিবর্তিত কর। প্রতিটি চ্যালেঞ্জের সাথে পরিবর্তিত হও। যা কিছু বলে "আমি পরিবর্তিত হব না" তাকে চ্যালেঞ্জ করতে থাক। পরিবর্তনকেই পরিবর্তিত করতে থাক।
যা কিছু "আমি পরিবর্তিত হব না" বলে, তাকে চ্যালেঞ্জ করো। যখন কেউ ব্যক্ত করে, সবকিছু পরিবর্তন করার জন্য ভয়ঙ্করতা হল অন্ধেষণ। তোমার জীবনের প্রতি কালভেরব হও, কালী হও। তোমার জীবনের প্রতি সদাশিব হও। যা চাও তা সৃষ্টি কর, যাদের চাও তাদের লালনপালন কর, নিজের চাওয়া অনুসারে ধ্বংস কর, তোমার ইচ্ছামত গোপনে রাখ বা বিভ্রান্তিতে ফেল এবং যেখানে চাও শোভা বাড়াও অথবা তোমার আশীর্বাদ প্রদান কর। তোমার জীবনের জন্য সদাশিব হও। সেটা হল THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর সত্য উদ্দেশ্য ও সর্বোচ্চ সম্ভাবনাতে জাগ্রত হওয়া।
তোমার জানা কোনকিছুকে পরিবর্তন করার নির্ণয়ই তোমাকে সমস্ত কর্ম থেকে মুক্তি প্রদান করে। নিজের জন্য, নিজেকে পুনরায় সৃষ্টি করার জন্য সদাশিব হও। নিজের জন্য, নিজেকে পুনরায় আবিষ্কার করার জন্য মহাদেব হও।
মহাজগতের চারাটি তত্ত্ব
তুমি জান কি না জান, সমগ্র মহাজগৎ চারটি তত্ত্ব বা জীবনসত্য দ্বারা পরিচালিত। যখন তুমি এই তত্ত্বগুলির সাথে নিজেকে সারিবদ্ধ কর, তুমি কর্ম আকর্ষণ কর না এবং তোমার জীবন নির্ঝঞ্জাট হয়। যদি তুমি এই তত্ত্ব সমূহের বিরুদ্ধে কাজ কর, স্বাভাবিকভাবে তুমি নিজের জন্য কর্ম আকর্ষণ কর।
তোমার কথাতে অসম্পূর্তি কর্ম নিয়ে আসে
তোমার বলা কথা তোমার জীবনকে গড়তে পারে বা ভাঙ্গতে পারে। যা কিছু ঘটে তা কোন আকস্মিক ঘটনা নয়। অন্যেরা তোমার উদ্দেশ্যে যে শব্দাবলী ব্যবহার করে তার জন্য অন্যের ওপরে তোমার প্রয়োগ করা শব্দাবলীই দায়ী। যে শব্দাবলী তুমি তোমার ভূত্যের প্রতি নিক্ষেপ কর, সেগুলি তোমাকে তোমার বসের কাছ থেকে গ্রহণ করতে হবে। যে শব্দাবলী তুমি প্রতিবেশীদের ওপরে ছুঁড়ে মার, তা জীবনে পাশে থাকা কারও কাছ থেকে তোমাকে শুনতে হবে। আক্ষরিকভাবে যে শব্দাবলী তুমি উচ্চারণ কর, তা তোমার জীবনের কর্মের রেখা টেনেছে, সেটা তোমার গন্তব্য নির্ধারণ করছে। তোমার উচ্চারিত শব্দাবলী তোমার জীবনের কর্মস্রোত নির্ধারণ করে। তা তোমার জীবনকে গড়তে বা ভাঙ্গতে পারে।
কর্ম অর্থ নিজের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হওয়া
যে কোন অপূর্ণ কর্মকে পূর্ণ না ক'রে সেই অপূর্ণতা থেকে কৃত কার্য হল 'বিবৃদ্ধি' - মানে অতিরিক্ত হওয়া!
জীবন সম্পর্কে নিজের ধারণা সহকারে তোমার অপূর্ণ কার্যগুলির সম্পাদন ও বর্জন দ্বারা সৃষ্ট বন্ধন হল কর্ম। যদি তুমি ভাব অর্থ হল জীবন, তাহলে যে সব কার্য করার পরেও তুমি অর্থ উপার্জন করতে পার নি অথবা যে কার্য সকল তুমি না করার জন্য তুমি অর্থ থেকে বঞ্চিত থেকেছ - নির্দিষ্ট কিছু কার্যের সম্পাদন ও বর্জন, যা তোমার জীবনের ধারণা সহকারে অপূর্ণ - তা হল কর্ম। কার্যের সম্পাদন ও বর্জন তোমার জীবনের ধারণা অনুযায়ী অপূর্ণতা নিয়ে এলে সেটা হল কর্ম।
কার্যসমূহের সম্পাদন ও বর্জন তোমার জীবনের ধারণার সাথে সুসংগত ও পূর্ণ হলে তোমার জন্য কোনও কর্ম নিয়ে আসে না। তা তোমার জন্য কোন অপূর্ণতা আনে না।
দায়িত্ব তোমাকে কর্মযোগে নিয়ে যায়
তোমার সত্তায় দায়িত্ব নিয়ে এস।
সেটা হল তোমার সত্তার সম্প্রসারণের সর্বোত্তম উপায়।
তোমার সত্তায় দায়িত্ব না থাকলে তোমার সমস্ত কার্য হল শুধুমাত্র কর্ম-ভোগ।
সত্তায় দায়িত্ব নিয়ে এলে তোমার সমস্ত কার্য হয়ে যায় কর্ম-যোগ।
সমৃদ্ধকরণ দ্বারা তোমার কর্ম দগ্ধ কর
অন্যদের সমৃদ্ধ করলে তোমার অতীতের কর্মসকল দগ্ধ হয়। যখন তুমি অন্যদের সম্পূর্তি, শ্রদ্ধা ও দায়িত্ব সহকারে জীবনযাপন করতে সমৃদ্ধ কর, তোমার অতীতের কর্ম সহজেই দগ্ধ হয়ে যায়! যখন অন্যদের সমৃদ্ধ কর, কেবল তোমার নয়, তোমার পাশের সবার কর্ম দগ্ধ হয়।
যদি সমৃদ্ধকরণ ছাড়া অন্য কিছু কর, তা হবে অপূর্ণতা এবং কর্ম। দৃষ্টান্তস্বরূপ, যদি তুমি দশজনকে পূর্ণতু অনুসরণ করার জন্য সমৃদ্ধ কর, তোমার প্রায় সমস্ত কর্ম দগ্ধ হবে কারণ তুমি তাদের বহন করা অনেক বেদনা, দুঃখদুর্দশা ও কর্মের ভার লাঘব করছ। তাই মহাদেব তোমাকে অবিলম্বে আশীর্বাদ করেন। তুমি তাঁর কার্য করছ ...!
জাগ্রত কুণ্ডলিনী যে কোন পরিমাণ কর্ম ও প্যাটার্ন দগ্ধ করতে সক্ষম। তাই বাসনা বলি দেওয়া মাত্র, উপরের সাত পুরুষ জীবনমুক্ত হয়।
Part 2: WHY KARMA
যেখানে তুমি স্বয়ং কর্মের সাথে সরাসরি পৌঁছে যাও। অবিলম্বে সাত পুরুষ কর্মভার থেকে নিস্তার পায় এবং তারা পরমজ্ঞানালোক প্রাপ্তি (জীবনমুক্ত) করে। তারা মুক্ত হয়।
পূর্ণত্ব দ্বারা কর্ম অতিক্রম করতে পার
কর্ম কি? নিজের জন্য ও অপরের জন্য সৃষ্টি করা অপূর্ণ কার্য, চিন্তা, বাসনা এবং প্যাটার্ন (সংস্কার) সকল হল কর্ম। কর্ম তোমার জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করে - তোমার ব্যবসা, সম্বন্ধতা, জীবন ও সবকিছুকে -এমনকি ধনসম্পদ আকর্ষণ করাকেও।
জীবনে বহুবার তুমি হজম করার সামর্থ্যের অতিরিক্ত গিলে ফেল। হজম করার সামর্থ্যের চেয়ে বেশী খেয়ে ফেললে অসুস্থতা হল কর্ম। যদি তুমি কিছু সিদ্ধান্ত নাও নিতে পারো, যদি তুমি শান্তি ফিরে পেতে না পারো বা শান্তি অনুভব করতে না পারো তবে সেটিও কর্ম। যদি তুমি সেটাকে পূর্ণ করতে পার এবং সমাপ্ত কর, সেটা কর্ম থেকে মুক্তি - বিকর্ম!
কর্ম অর্থ, তোমার চাই পূর্ণত্ব, পূর্ণত্ব, পূর্ণত্ত্ব! যখন তুমি তোমার পতি বা পত্নীর সাথে পূর্ণতু কর, হঠাৎ তোমার ব্যবসা উন্নতি করতে শুরু করবে। তুমি ভাবতে পারো : "এ দুটোর মধ্যে সম্পর্ক কি?" যদি আমি আমার ক্লায়েন্ট ও গ্রাহকদের সাথে পূর্ণতু করি, আমার ব্যবসা উন্নতি করবে। সেটা বুঝলাম। কিন্তু আমার পতি বা পত্নীর সাথে পূর্ণতু করার জন্য আমার ব্যবসা কিভাবে উন্নতি করবে ? তুমি জানো না একটা অপূর্ণতা কিভাবে তোমাকে অপ্রত্যাশিতভাবে প্রভাবিত করতে পারে। যদি সকালের যোগ-এর সাথে তোমার অপূর্ণতা থাকে, তা তোমার সন্ধ্যার অবকাশ প্রভাবিত করতে পারে। তাই অপূর্ণতা তোমাকে যে কোন জায়গাতে যে কোন ভাবে আক্রমণ করতে পারে। পূর্ণতা সব কর্ম থেকে স্বাধীন ও মুক্ত রাখে, তাই স্বাভাবিকভাবে তোমার ব্যবসা, তোমার জীবন, তোমার সম্বন্ধতা এবং সবকিছু সম্প্রসারিত হয়। সবকিছু বর্ধিষ্ণু হয়।
অন্যের সাথে নিরন্তর পূর্ণতত্ত্ব থাকা তোমার বহন করা মনস্তাত্ত্বিক বোঝা কমায়।
তোমার বহন করা মনস্তাত্ত্বিক ভারকে আমরা সংস্কৃতে কর্ম বলি। কর্ম মনস্তাত্ত্বিক উন্মাদনা ছাড়া আর কিছুই নয়। কর্ম সেই বোঝাকে সরিয়ে ফেলে।
জন্মের সময় তুমি পূর্ণত্ব ঘোষণা কর এবং পুরো জিনিসটাকে আবার নতুন করে শুরু কর। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় প্রারব্ধ কর্ম। যে কর্ম তুমি অতীত জীবন থেকে নিয়ে আস তা নতুন। যদি তুমি সর্বদা পূর্ণ আকাশের বহাল থাক, তুমি একেবারেই অপূর্ণ হও না। তখন তুমি এক অবতার!
পূর্ণত্ব সরাসরি তোমাকে কর্ম থেকে মুক্ত করে।
যারা পূর্ণত্ব জানে না তাদের সাথে বাস করবে না , কারণ তারা কর্ম চক্র সৃষ্টি করতে থাকবে। যখন কারও ভিতরে ক্রোধ অপূর্ণতা থাকে এবং সে সেই অপূর্ণতাকে ছড়ায়, তারা অন্য কাউকে উত্তেজিত ক'রে তার মধ্যে ক্রোধ সৃষ্টি করবে। আর সেই মানুষটির মধ্যে কর্ম চক্র সৃষ্টি হবে।
পূর্ণত্বের বিজ্ঞান শেখ। নিজের সাথে পূর্ণত্ব কর এবং অপরের সাথে পূর্ণতু কর। পুনরাবৃত্তি ক'রে এবং মুক্ত ক'রে তোমার দুঃখদুর্দশার জন্য দায়ী কার্মিক প্যাটার্নগুলির সাথে পূর্ণতত্ত্ব কর। একমাত্র পূর্ণতত্ত্বের পরে অন্যদের ও জীবনকে সমৃদ্ধ করার সংকল্প বাস্তবায়িত হয়।
পূর্ণত্ব, পূর্ণত্ব! পূর্ণত্ব হল জেসাস। পূর্ণত্ব হল জীবন। পূর্ণত্ব তোমাকে মহাজগতের দিকে নিয়ে যায়। আক্ষরিকভাবে পূর্ণত্ব তোমাকে সবকিছু প্রদান করে। পূর্ণত্ব তোমাকে সমস্ত কর্ম থেকে মুক্ত করে। সেটা নাশ-দোষ হোক, মণি-দোষ হোক, বাল-দোষ হোক, বাক্য-দোষ হোক বা যে কান আদিশ-দোষ হোক না কেন, তুমি সমস্ত দোষ থেকে মুক্তি পাবে যদি বসে বসে কেবল পূর্ণত্ব অভ্যাস করে।
জীবনের নির্ণয় নিলে সমস্ত কর্ম মুছে যায় কর্ম কি?
কর্ম হল জীবনের বিরুদ্ধে তোমার নির্ণয়সমূহ যা তোমাকে উৎপীড়ন করে এবং তোমাকে অপূর্ণতা প্রদান করে। জীবনের বিরুদ্ধে তোমার নির্ণয়সমূহ যেগুলি তোমার মধ্যে গেঁথে গেছে এবং তোমাকে অপূর্ণ করছে, তা হল কর্ম! জীবনের পক্ষে তোমার নির্ণয়গুলি তোমাকে সকল কর্ম, সমস্ত ভয় ও সব নকারাত্মকতা থেকে মুক্ত করে।
তাহলে তুমি নিজেকে কর্ম থেকে কিভাবে উদ্ধার করবে ? কিভাবে নিজেকে কর্ম থেকে মুক্ত করবে?
যখন তুমি জীবনের নির্ণয় নাও, যখন জীবনের পক্ষে নির্ণয় নেয়, স্বতক্ষলভাবে তোমার আলস্য ও একঘেয়েমি অদৃশ্য হয়। বারংবার, বারংবার নিরলসভাবে উঠে দাঁড়াও!
বারংবার সজীব থাকার নির্ণয় নেওয়া, বারংবার নিরলসভাবে উঠে দাঁড়ানো জীবনের ধারণার সাথে সারিবদ্ধ করে। কার্যের সম্পাদন ও বর্জন তোমার জীবনের ভাবনার সাথে মিলিত হয়। তোমার কার্য সম্পাদন ও বর্জন জীবন সম্পর্কে তোমার ধারণার সাথে পূর্ণ হয়।
বারংবার জীবনের পক্ষে নির্ণয় নেওয়া! অলসতা ও একঘেয়েমিকে প্রশ্রয় না দেওয়া! নিরন্তর উচ্ছুাসের আকাশে বিরাজমান থাকা! নিত্য প্রেম, করুণা ও উচ্ছুসিত অবস্থায় বিরাজমান থাকা! কার্যসমূহ ও ক্রিয়াকলাপ দ্বারা সষ্ট বন্ধন ও কর্ম থেকে স্বাধীন হবার একমাত্র উপায় হল, জীবনের পক্ষে নির্ণয় গ্রহণ! জীবনের পক্ষে নির্ণয় নাও!
নিজের জীবনের দিকে তাকাও। কর্ম থেকে স্বাধীন হবার জন্য কার্য কর। জীবনের জন্য কার্য কর! জীবনের জন্য চিন্তা কর! জীবনের জন্য জীবনে থাক!
জীবনের জন্য প্রতিটি পদক্ষেপে সচেতনভাবে নির্ণয় নেওয়া তোমাকে কর্ম থেকে মুক্ত করবে। মানুষকে মুক্ত করার জন্য আর কোন পথ নেই। একমাত্র এই পথেই তোমার অতীতের কর্ম থেকে তুমি নিজেকে মুক্ত করতে পার। জীবনের জন্য এখনই নির্ণয় নাও। জীবনের জন্য কার্য কর।
কর্ম সম্বন্ধে গভীরতর সত্যসকল
কর্ম, মৃত্যু এবং পুনর্জন্ম
যদি তুমি এক সচেতন মৃত্যুর মধ্য দিয়ে যাও , তুমি মৃত্যু ও পুনর্জন্মকে অতিক্রম করতে পার। যদি তুমি অচেতন মৃত্যুর মধ্য দিয়ে যাও, তুমি অতি বিষণ্ণ মেজাজে থাক। অসাধারণ উল্লাস অথবা অসাধারণ বিষণ্ণতা, উভয় ক্ষেত্রেই ক্রমবিকাশ ঘটে না।
অসাধারণ উল্লাসকে স্বর্গ বলে গণ্য করা হয়। অসাধারণ বিষণ্ণতাকে নরক বলা হয়। কর্মের সচেতন নিঃশেষণ নরকে সম্ভব নয়, এমনকি স্বর্গেও নয়। স্বর্গ বা নরকে কর্মকে নিঃশেষ করা যায় না, কারণ উভয়ের মিশ্রণের সম্ভাবনার আকাশ যাকে ভূলোক বা পৃথ্বীগ্রহ বলা হয়, সেটা তোমার সচেতন ক্রমবিকাশের জন্য প্রয়োজন।
মৃত্যু ও পুনর্জন্মের মাঝের আকাশ ও কালকে সচ্চেতনভাবে বিকশিত হবার জন্য ব্যবহার করা যায় না। তাই সচেতন ক্রমবিকাশের জন্য যা কিছু প্রয়োজন তা জন্ম ও মৃত্যুর মাঝের সময়ে করতে হবে এবং সেটা মৃত্যু ও পুনর্জন্মের মাঝে করা যায় না।
তোমার কর্ম দ্বারা তোমার জীবনের মেয়াদ মাপা হয়
একটি চিন্তার প্যাটার্নে (সংস্কার) তুমি যত সময় আটকে থাক সেটা তোমার জীবনের এক বছর বা একটি ঋতু। তোমার লম্বা জীবনে একটি মুহূর্ত হল জীবন ও মৃত্যুর মধ্যেকার সময়। বুঝো নাও, তোমার জীবন বা মৃত্যু - তোমার জীবনের মেয়াদ - সেটা তোমার একটি দেহ ধারণ করে কত সময় কাটাও, তার ওপরে ভিত্তি করা।
যখন সচেতনতা ঘটে, তোমার এক নতুন জন্ম শুরু হয়। উদাহরণস্বরূপ, ধর জীবনের প্রতিটি পরিস্থিতিতে তুমি ভয় পেয়ে, পিছু হটে, মুখোমুখি হয়ে মুকাবিলা না করে বা সম্মিলিত না হয়ে মারা যাও। কিন্তু নির্ণয় নিলে, আজ থেকে আমি সাড়া দেব মুখোমুখি হয়ে ও গ্রহণ করে। আমি তোমাদের বলি, আজ থেকে তোমার নতুন জন্ম আরম্ভ হল !
তুমি বহু দেহ ও বহু মন ধারণ করেছ। তুমি বহু মনের মধ্যে বহু বছর বাস করেছ, বহু বছর ধরে কর্ম সাধারণভাবে মন ধারণ করেছ। যৌনকামনার এনগ্রাম (সংস্কার) অতিক্রম করার জন্য তুমি হয়ত কুড়িটা শরীর ধারণ করেছ। কেবল একটি শরীর ধারণের সময় তুমি হয়ত অনেক মন ধারণ করেছ। বুঝো নাও, আমি পুনরায় সংজ্ঞায়িত করছি। কখনো কখনো একটি দেহ সহকারে তুমি কুড়িটা মনের মধ্য দিয়ে যাও, কখনো কখনো একটা মন পরিবর্তন না ক'রে তুমি কুড়িটা দেহের মধ্য দিয়ে যাও।
বোঝা, আমি কেবলমাত্র বহু দেহের কথা বলছি না। যদি তুমি তা ভাব, তাহলে বলবে - ও, আমি কচ্ছপ ছিলাম, তারপর হরিণ, এখন মানুষ। বোঝা উচিত যে বহু দেহের তুমি একটি মন নিয়ে বাস করেছ এবং বহু মন সহকারে তুমি অনেক দেহে বাস করেছ। কখনো কখনো বহু মন সহকারে, তুমি মুক্ত হও নি। কখনো কখনো একটি মন সহকারে, তুমি বহু প্যাটার্ন (সংস্কার) থেকে মুক্ত হয়েছ। সেইজন্য আমরা বলি, মাস্টারের সাথে প্রতিদিন হল এক নতুন জীবন। তোমাদেরকে আমার শেখানো প্রতিটি সাড়া দেওয়া হল জীবনযাপন করার এক নতুন পথ। স্বভাবতই তুমি নতুন শরীর থেকে মুক্ত হবে।
সেইজন্য কোন নির্দিষ্ট চিন্তাস্রোতকে পূর্ণ ক'রে তুমি নতুন চিন্তাস্রোতে প্রবেশ কর বা যখনই সেই নতুন চিন্তাস্তোতের দীক্ষা পাও, তখন বৈদিক প্ৰথা তোমাকে 'দ্বিজ' বা নবজাত বলে।
তোমার কার্যসমূহের প্রভাব নির্ধারণ করে
যদি তুমি অপূর্ণতা থেকে কিছু সংঘটিত কর, যা তুমি ফিরে পাবে সেটা হবে যন্ত্রণাদায়ক। যদি তুমি পূর্ণত্ব থেকে কিছু সংঘটিত কর, যা তুমি ফিরে পাবে সেটা হবে অলৌকিক। আর যদি তুমি এক বিরাট দাতব্য কার্য অপূর্ণতা থেকে করে থাক, যেটা তুমি ফিরে পাবে তা হল নরক। এমনকি তথাকথিত নৈতিক, উত্তম এবং সঠিক কাৰ্য যদি অপূর্ণতা থেকে করা হয়, তবে নিশ্চিতভাবে কুপ্রভাব নিয়ে আসবে!
এমনকি দানের মত মহান কার্যকে অপূর্ণতা থেকে সম্পাদন করলে তা কেবল খারাপ পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে। যদি কোনকিছু অপূর্ণতা থেকে সংঘটিত কর, তুমি গম্ভীর কুপ্রভাব প্রাপ্ত করবে। আর পূর্ণতা থেকে কিছু সংঘটিত করলে কেবল শুভ ও সুন্দর প্রভাব ঘটাবে ! তাই যে আকাশে তুমি আছ, সেটা কারণ (সংঘটন) ও প্রভাবের বিধির চাইতে গুরুত্বপূর্ণ।
লোকেরা প্রশ্ন করে : "খারাপ মানুষেরা সুখী কেন, আর ভাল মানুষেরা দুঃখকষ্টে কেন ভোগে?" সেই তথাকথিত ভাল মানুষেরা হয়ত নিশ্চিত কিছু কার্য করছে যেটা ভাল মনে হতে পারে। বাইরের থেকে সেটাকে ভাল মনে হতে পারে এবং মানুষটিকে বিরাট দানশীল লাগতে পারে, কিন্তু কেবল সেই মানুষটি জানে যে সে সেটা অপূর্ণতা থেকে করছে; অথবা সে নাও জানতে পারে এবং হয়ত ভুলে গেছে। অপূর্ণতা থেকে তুমি ভাল কার্য করলেও তার ফল খারাপ হবে। পূর্ণের আকাশ থেকে, তুমি যাই কর না কেন তা তোমার কাছে পূর্ণ হয়েই ফিরে আসবে!
তাই কারণ ও প্রভাবের বিধিতে, যে গুরুত্বপূর্ণ জিনিষটা তোমাকে বুঝতে হবে, সেটা হল, কোন আকাশ থেকে কার্যাটিকে সংঘটিত করা হচ্ছে। কারণ হও। কারণ, যদি নিজসত্তায় না থেকে কারণ (cause) ঘটাও, তুমি এমন প্রভাব সংঘটিত (cause) করবে যার কারণ (because) তুমি জানবে না। তোমার সত্তা পূর্ণতত্ত্ব থাকুক ও সংঘটিত (cause) করুক! প্রভাব (effect) হবে পূর্ণত্ব!
যদি জাগতিক মূঢ়তার বশে অপূর্ণতা থেকে কিছু কর, প্রণব হল এই হবে যে তুমি কোন উত্তর দিতে পারবে না। যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে, "কেন?", তুমি বলতে পারবে না "কারণে..."। পূর্ণত্বে থাক যাতে তুমি সঠিক প্রভাবে কারণ হও ও যথার্থ ওজন সহকারে সংঘটিত কর। পূর্ণ হও এবং কারণ হও। পূর্ণতত্তে থাক এবং সংঘটিত কর!
একই কার্যের বিভিন্ন কার্মিক প্রভাব থাকে
বিভিন্ন মানুষের নানা ধরনের কার্যের ভিন্ন কার্মিক প্রভাব পরে, কারণ কর্মের জন্য কার্য দায়ী নয়। কর্মের জন্য কার্যের পিছনের চিন্তাস্পোত দায়ী। তোমার কার্যে কিছু এসে যায় না; তোমার চিন্তাম্রোত গুরুত্বপূর্ণ। তুমি মায়ের সাথে লড়াই কর, শ্বাশুড়ির সাথে লড়াই কর, তুমি দেবরের সাথে লড়াই কর, তুমি জামাইয়ের সাথে লড়াই কর অথবা তুমি তোমার নাতনীর সাথে লড়াই কর - এসবে কিছু যায় আসে না; তুমি লড়াই কর - সেটাই গুরুত্বপূর্ণ!
তাই বিভিন্ন মানুষের একই কার্য বিভিন্ন কার্মিক প্রভাব দেবে।
এই সত্যটি স্মরণ রেখ : এটা সদাশিব প্রদত্ত কর্মের এক তাজা নতুন সংজ্ঞা। এই সত্যটিকে অন্তর-বিশ্লেষণ কর। তুমি আজকেই পূর্ণ হয়ে যেতে পার ও মুক্তি লাভ করতে পার।
কর্মকে বদলানো যায় না।
গুরুর হস্তক্ষেপ
রমনা মহর্ষি একটা শ্লোকে বলেন : "তোমার কার্য ফল প্রদান করে কারণ ঈশ্বর, বা চৈতন্য তা অনুমোদন করেন, তা ঘটতে দেন: সেটা তোমার কর্মের জন্য হয় না। যদি কর্মই ফল দিতে পারে, তাহলে কর্মই তো ঈশ্বর হয়ে যাবে, সেটা তো সত্য নয়।"
যদিও মহাপুরুষ নানারকম অলৌকিক কার্যাবলী দ্বারা অনেক জিনিস ঘটাচ্ছেন, কখনও ভেবো না যে কর্ম ফলাফল নিয়ে আসতে পারে, কারণ কর্ম ঈশ্বর নয়। চেতনার নির্ণয় থেকে ফলাফল ঘটে।
যদি কর্তৃত্ব বিধি অনুযায়ী তোমার বাসনা, তোমার মুক্তি, তোমার আকাশ, তোমার বাসনা, তোমার কার্য এবং তোমার ফলাফল হয়, সেটা হল জীবন। যদি হঠাৎ সেটা পরিবর্তিত হয় এবং অপ্রত্যাশিত ফলাফল নিয়ে আসে যেটা তুমি নিজের জন্য খারাপ বলে অনুভব কর তাহলে সেটাকে দুর্ঘটনা বলা হয়। যদি সেটা হঠাৎ পরিবর্তিত হয় এবং অপ্রত্যাশিত ফলাফল নিয়ে আসে যেটা তুমি নিজের জন্য ভাল বলে অনুভব কর, সেটা হল অলৌকিকতা।
জীবনমুক্ত সত্তাগণ (সিদ্ধ) হস্তক্ষেপ করতে পারেন এবং নিজের ইচ্ছানুসারে সবকিছু পরিবর্তন করতে পারেন, কারণ সবকিছু চৈতন্যে কেন্দ্রিত। যদি তুমি যোগ কর, ব্যায়াম কর, দৌড়াও এবং সব প্রয়োজনীয় জিনিসগুলি কর, তাহলে স্বাস্থ্য অর্জন করতে পার - এগুলো হল কার্য মাত্র। যদি কোনও মহাপুরুষ তোমার মাথায় হাত রাখেন এবং স্বাস্থ্য ঘটে, সেটা হল চেতনার হস্তক্ষেপ এবং এটা কার্য ও কারণের দায়িত্ব থেকে স্বতন্ত্ৰ। এটাই হল দীক্ষা।
প্রতিটি সত্তায় কেবল যদি চেতনার হস্তক্ষেপ ঘটে, তাহলে এক নতুন জীবন শুরু হয় এবং জীবনসূত্রের মধ্যে যথার্থ জ্ঞান আসে। কর্তৃত্ব বিধির মধ্যে সবকিছু স্বাভাবিক নয়, কারণ তুমি কখনও ছোট বা কার্যের উপর নির্ভরশীল থাকতে না। কারণ তুমি ফলাফল পরিবর্তন করতে না পারলে আধ্যাত্মিক নও। কেবলমাত্র আধ্যাত্মিক হস্তক্ষেপ এবং চেতনার হস্তক্ষেপ দ্বারা ফলাফলগুলি পরিবর্তিত হতে পারে এবং তুমি পরমজ্ঞানালোকে (জীবনমুক্তি) পৌঁছাতে পার।
এটা হল কার্য, আকাশ, দায়িত্ব ও প্রকৃতি থেকে স্বতন্ত্রভাবে ফলফল পরিবর্তন করা। গুরু তোমাকে নতুন শক্তি, অনুপ্রেরণা, বোধ এবং সম্ভাবনা দিতে পারেন। যদি তুমি সর্বময় সম্ভাবনাকে আস্বাদন করার সুযোগ পাবে না। সম্ভাবনার স্বাদ তোমাকে দেওয়া যেতে পারে কেবল যখন ঐশ্বরিক হস্তক্ষেপ ঘটে।
মহাদেব মাস্টারের (গুরু) আকারে তোমার জীবনে হস্তক্ষেপ করেন। তিনি মানুষকে কর্মচক্র থেকে মুক্ত করার জন্য এবং প্রেরণা , আনন্দ, সুখ, অলৌকিকতা ও জীবনমুক্তি ঘটানোর জন্য মাস্টারের রূপ ধারণ করেন।
গুরু তোমাকে চিরতরে মুক্ত করেন
"প্রথা অনুযায়ী একজন সন্ন্যাসীর এক জায়গাতে তিনদিনের বেশী থাকা উচিত নয়। এই নিৰ্দেশ দেওয়া হয় যাতে তুমি কোথাও খুঁটি না গেড়ে ফেল। খুঁটি গাড়লে তোমার অগ্রগতি বন্ধ হয়ে যায়।
কিন্তু এক জীবন্ত মাস্টারের সাথে তুমি কখনও খুঁটি গাড়তে পার না।
আমি আমার শিষ্যদের অনুরোধ করছি - তোমরা আমার শিষ্য - এই ধারণাটিকে কখনও লালন করবে না।
আমার এটা বলার অর্থ : তুমি চেতনা - এটা ছাড়া অন্য কোন সম্বন্ধতাকে কখনও লালন করবে না।
সর্বশেষ যে সম্বন্ধতা তোমাকে ভাঙ্গতে হবে সেটা হল - তুমি আমার শিষ্য। এমনকি সেটিকেও এসো এবং এটাকেও ভাঙ্গো।
শুধুমাত্র এই একটি স্পষ্টতা সহকারে থাক : "আমি বিশুদ্ধ চৈতন্য। তাই আমার দায়িত্ব, আমার সত্তা, আমার প্রকৃতি, আমার আকাশ, আমার কার্য, আমার ফলাফল, সবকিছু এই চৈতন্যকে কেন্দ্র করে; সবকিছুর মালিক এই চেতনা, আমি কিছু না। বাসনা যা কার ওপর নির্ভর করে যা পরিবর্তন করার জন্য চেতনার কাছে সমর্পণই যথেষ্ট।"
প্রশ্ন : স্বামীজী, যদি বারবার জন্ম নেওয়া আমার কর্ম হয়, তাহলে বারাণসীতে আসা অথবা বারাণসীতে দেহত্যাগ করা সেটাকে বাতিল করতে পারে?
উত্তর : হ্যাঁ। যদি তোমাকে বারাণসীতে আসতে না দেওয়া হয় - যদি কিছু ঘটে এবং তুমি বারাণসীতে আসতে ব্যর্থ হও, তাহলে বুঝে নাও তোমার কর্ম হল বারংবার জন্ম নেওয়া। যদি বারাণসীর রাস্তায় স্বাভাবিক মৃত্যুও হয়, তাহলে তোমার কর্ম শেষ, কারণ কাউকে বারাণসীতে মুক্ত করা হল মহাদেবের ধর্ম। মহাদেবের ধর্মের সামনে তোমার কর্ম কোন জায়গা খুঁজে পায় না। কোন জায়গা খুঁজে পায় না।
বারাণসীতে শিবোহম্ প্রক্রিয়ার দ্বারা তোমাদের মুক্ত করা আমার ধর্ম, কারণ আমি সেটা ঘোষণা করেছি।
আমার ধর্মের শক্তির সামনে তোমার কর্ম টিকতে পারবে না।
তাই উদ্বিগ্ন হয়ো না!
The Supreme Pontiff Of Hinduism Bhagawan Sri Nithyananda Paramashivam সম্পর্কে
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM একজন সুস্পষ্ট, রীতিসিদ্ধ, রাজনীতি উদাসীন প্রবক্তা হিসাবে স্বীকৃত। বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের কাছে তিনি অতিচেতনার জীবন্ত অবতার বলে পূজিত। THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর কয়েক কোটিবার দেখা হয়েছে। তিনি ২০টির বেশী ভাষায় প্রকাশিত কয়েক হাজার বইয়ের রচয়িতা। THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM প্রতিদিন ভিডিও কনফারেন্সিং করে।
চেতনা ও কুণ্ডলিনী জাগরণের ক্ষেত্রে THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-কে আজ বিশ্বের বিশিষ্টতম বিশেষজ্ঞ বলে গণ্য করা হয়। যোগ বিজ্ঞানসমূহ যেমন, বিনয়ন, আশ্রয়, স্থানান্তরন (টেলিপোর্টেশন), মেটেরিয়ালাইজেশন, বার্দ্ধক্য বিপরীতকরণ, এবং তাঁর দর্শন ও উপনিষদগুলোতে তিনি রহস্যমুক্ত করেছেন।
তিনি এক আধ্যাত্মিক প্রতিভা এবং ম্যানেজমেন্ট থেকে মেডিটেশন (ধ্যান), বিজ্ঞান থেকে ধর্ম (religion) বদলানো থেকে আধ্যাত্মিকতাতে তাঁর প্রবুদ্ধ অন্তর্দৃষ্টি আছে এবং তিনি আমাদের জন্য সবরকম রিজার্ভ নিরাময়ক ও আধ্যাত্মিক ট্রান্সফরমেশন, ধ্যান-প্রযুক্তি এবং অন্তরের স্থায়ী রূপান্তরের জন্য পদ্ধতিসমূহ উন্মোচন করেছেন।
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM বিশ্বজুড়ে কল্যাণীয় ও স্বাস্থ্য বিষয়ক মিশনের আধ্যাত্মিক অধিকর্তা। এই সংস্থাগুলি ব্যক্তিগত রূপান্তরের প্রোগ্রাম ও কোর্স, প্রকাশন, বৈদিক বিজ্ঞান ও জ্ঞানের প্রসারণ, আধ্যাত্মিক নিরাময় এবং লোকহিতকর সেবার মাধ্যমে বহু জীবনকে সমৃদ্ধ করে।
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর আধ্যাত্মিক মিশনে পথিবীব্যাপী বহু আশ্রম ও কেন্দ্র আছে। সেগুলি আধ্যাত্মিক স্বতঃস্ফূর্তস্থান, যেখানে বাস্তব বিকাশ ঘটে।
সেবাকার্যগুলির মধ্যে আছে ধ্যান ও নেশামুক্তির ক্যাম্প, দরিদ্রদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা শিবির ও ক্রত্রিম অঙ্গ দান, শিক্ষা সহায়তা ও ব্যিষ্ঠানকে প্রশিক্ষণ, গ্রামাঞ্চলে শিশুদের সহায়তা, কারাবাসীদের জন্য ধ্যানশিবির এবং দুর্যোগে ত্রাণকার্য।
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM হিন্দু বৈদিক প্রথা সম্পর্কে একটি অন্তরাষ্ট্রীয় সজাগতা সষ্টি করার জন্যও গভীরভাবে সমর্পিত। অতীন্দ্রিয় জীবনমুক্ত, আধ্যাত্মিক বিবর্তনবাদী, প্রশিক্ষিত যোগী, শক্তিশালী হীলার এবং সিদ্ধপুরুষ THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মানুষের জন্য এক অনুপ্রেরণা। তিনি আধ্যাত্মিকতাকে ব্যবহারিক ও উপভোগ্য উভয় বানিয়ে ফেলার বিরল প্রতিভার জন্য তাঁর শিক্ষা দূরে দূরে ছড়িয়ে পড়েছে।
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM হাজার হাজার মানুষের নানাবিধ রোগ নিরাময় করেছেন - প্রায়ই কেবল তাঁর একটি ছোঁয়াতেই। প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী বহু মানুষের সাথে কার্য ও শেয়ার করতে করতে THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM 'অতিচেতনা'-তে নিয়ে যাবার জন্য সাহায্য করতে বদ্ধপরিকর।
বৈদিক হিন্দু ঐতিহ্য
-
· Protecting, preserving and promoting Vedic Hindu tradition through Vedic Temples in Bharat, USA, Canada, Malaysia and other countries
-
· Inspiring families to live the Vedic tradition through over 400 Paduka Mandirs housing 3720 energized deities where daily worship is performed in the authentic Vedic tradition
-
· Thousands of people worldwide simultaneously perform Vedic rituals during the daily morning satsang, creating powerful positive vibrations
-
· Reviving Bharat's pilgrimage culture by regularly leading yatras to spiritual energy fields like Kailash-Manasarovar, Char-Dhaam, Varanasi, Bodh Gaya, Angkor Wat, Kumbh Mela, etc.
-
· THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM Sacred Arts to promote, support and preserve ancient temple arts and sculpture as the largest producer of metal, wood and stone deities in Bharat
Inspiring A Global Vedic Renaissance
- · Daily morning live satsang by THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM viewed online in over 40 countries through two-way video conferencing and TV.
- Daily spiritual talks by THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM viewed on various TV channels
- Over 20 different types of meditation programs at various levels offered in corporates, schools, prisons, etc.
- · Nithya Yoga & Nithya Kriya authentic yogic solutions for 108 physical & mental disorders
- · Scientific & safe initiation into mystical yogic sciences like kundalini awakening, levitation, hunger-free Sammyama etc.
- · The THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM Sannyas Order for spreading and continuing the sannyas parampara (tradition)
- THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM Gurukuls and eN-Vidyalayas offering holistic traditional and modern education in a healthy environment
- · Inspiring the youth to be the ambassadors of Vedic tradition by enriching them through scripture study, rituals and kriyas
Annadaan : Free Food For All
- More than free meals served each day in THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM ashrams and centers worldwide.
- · Nutritious vegetarian meals cooked using authentic sattvic methods in a hygienic environment
- Chanting of vedic mantras or keertans while cooking . infuse high-energy vibrations into the food.
- · Free meal schemes are also offered in schools, prisons and temples.
Disaster Relief : Helping To Heal
- · Emergency relief to victims of natural calamities such as tsunami, earthquake, floods etc
- · Distribution of free through various relief measures, by offering clothes, food, water and most importantly, psychological support and trauma counseling.
Free Medical Services : Health With Care
- · Fortnightly and monthly multispecialty medical camps offering all services
- · Weekly mobile medical services including free consultation and medicines in rural areas
- · A 100% free dialysis clinic with dialysis machines catering to patients per day in the pipeline
- · Free hospital with all amenities planned for the needy
Ralpatara Kshetra - Bidadi
Ancient Banyan Tree
- · A kalpa vriksha (boon giving tree) that has manifested millions of sincere prayers till date
- Body and mind are calmed and refreshed by the powerful positive vibrations here
- Thousands experience miraculous healing of diseases by meditating under this tree
- Lord Dakshinamurti graces the space and radiates blessings to all
Nithyanandeshwara-Nithyanandeshwari Temple
- Delties of Shiva & Devi measuring 7 1/2 feet in height . and weighing 2 1/2 tons
- Deities are made out of panchaloha (combination of five metals)
- A rare ancient swayambhu lingam found under the banyan tree is consecrated here
- Thousands gather for worship here on special occasions
The Supreme Pontiff Of Hinduism Bhagawan Sri Nithyananda Paramashivam Lingam & Vaidya Sarovar
- Majestic 21-foot shivalingam which has been made using Nava Pashana (a strong natural medicine made of healing herbs) and 1008 sacred herbs.
- Water from six fountains bathes the lingam and falls into Vaidya Sarovar, the healing pool below
- Even a single dip in this medicinal water can heal many diseases
পরমপজ্য পরমহংস THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM আজ সনাতন হিন্দুধর্মের এক সুস্পষ্ট, রীতিসিদ্ধ, রাজনীতি উদাসীন প্রবক্তা হিসাবে স্বীকৃত। বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের কাছে তিনি অতিচেতনার জীবন্ত অবতার বলে পুজিত। হিন্দুদের সবচেয়ে প্রাচীন শীর্ষস্থানীয় আখাড়া মহানির্বাণী भोट्ठेव সৰ্বাধিক জনপ্ৰিয় আধ্যাত্মিক শিক্ষক शिमारव जाँव विजिन्न হয়েছে। তিনি ২০টির বেশী ভাষায় প্রকাশিত ৩০০টির বেশী গ্রন্থের রচয়িতা। তাঁর ভাষণ প্রতিদিন লাইভ দেখা याया एव, बर्श् वर्ष् वर्ष् वर्त्वन्द्रीय চ্যানেলে এবং ভিডিও কনফারেন্সিং করে।
চেতনা ও কুণ্ডলিনী জাগরণের ক্ষেত্রে পরমহংস THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM কে আজ বিশ্বের বিশ্বিতম বিশেষজ্ঞ বলে গণ্য করা হয়। যোগ বিজ্ঞানসমূহ যথা, ত্রিনয়ন জাগরণ, আধ্যাতিক (লেভিটেশন), টেলিপোর্টেশন, বাদ্ধিক্য বিপরীতকরণ, এবং খাদ্য প্রয়োজনীয়তার উদ্ধে যাওয়া - এগুলিকে তিনি সফলভাবে রহস্যমুক্ত করেছেন।