কর্ম - কারণপ্রভাবের মহাজাগতিক বিধান
কর্ম - কারণপ্রভাবের মহাজাগতিক বিধান
"কারণ"-এর সংজ্ঞায় বলা যায় কান কার্য, কথা, ক্রিয়া বা ফিল হিসাবে, যা তোমার ও অন্যের মধ্যে কিছু নির্দিষ্ট অপূর্ণতা সৃষ্টি করে। যা তোমাকে অপূর্ণতার ফলপ্রাপ্তির দিকে ঠেলে দেয়, তা হল "কারণ" -তোমার মধ্যে ঘটা একটা চিন্তা, কথা বা কার্য তোমাকে অপূর্ণতা প্রদান করव, वनगानार्मादव मार्थ वर्भूषणा वाल्क्क्का कन्नाय ववर जानारक পূর্ণতার দিকে চালিত করে!
"প্রভাব"-এর সংজ্ঞার্থ দেওয়া যায় পূর্ণতার দিকে চালিত হবার পরিবর্তে অপূর্ণতার অবিরাম বৃদ্ধি হতে থাকা। এটা হল পূর্ণতা ও অপূর্ণতার
কোন কারণ নেই এবং কোন প্রভাবও নেই।
অন্য এক প্রসঙ্গে "কারণ" ও "প্রভাব"-এর সংজ্ঞা হল :
যা কিছু তোমার মধ্যে পূর্ণ প্রভাব ঘটায় নি, তা হল "কারণ"। य कान कावन कावान सत्या भूषण घाणित्याद्य का रूल "প্ৰভাব"।
তৃতীয় প্রসঙ্গে "কারণ" ও "প্রভাব"-এর সংজ্ঞা হল :
যে কোন সংস্কার (প্যাটার্ন) যা তুমি পূর্ণ কর নি, যতক্ষণ সেটা তোমার মধ্যে সংস্কার হয়ে থাকে, তা হল "কারণ"। यथन क्वण निर्जिक कार्य घाना थकान करव, जा रल "শ্বচার"।
চতুর্থ প্রসঙ্গে "কারণ" ও "প্রভাব"-এর সংজ্ঞা হল :
যেটা তোমার মমকারে (অন্তরাকাশ) ঘটে, সেটা হল "কারণ"। "প্রভাব" তোমার বাইরে ঘটে। সেটা সর্বদাই ভিতর থেকে বাইরে!