1. Why Feeling-Connection
অনুভূতির সংযুক্তির মাত্রাগুলি
-
- প্রার্থনা ও অনুভূতির সংযুক্তি
-
- প্রক্রিয়া : ঐশ্বরিক স্পন্দনের সাথে সুর মেলানো
-
- উপনিষদ ও অনুভূতির সংযুক্তি
-
- মৃত্যুর মুহূর্তে অনুভূতির সংযুক্তি তোমার সহায়তা করে
-
প্রক্রিয়া : অবিশ্রাম উপনিষদে থাকা
-
অলৌকিকতা ও অনুভূতির সংযুক্তি
-
অনুভূতির সংযুক্তি দুঃখকষ্ট দুর করে
অনুভূতি সংযুক্তির গভীরতর সত্যসকল
-
প্রক্রিয়া : হৃদয়কে উন্মুক্ত করা
-
হিলীং ও অনুভূতির সংযুক্তি
- অনুভূতির সংযুক্তিকে কখনও হারিয়ে ফেলো না
- অনুভূতির সংযুক্তি অটল আস্থার দিকে নিয়ে যায়
-
- মাস্টারকে ধরা
-
- মাস্টারকে হারানো
-
- মাস্টারের নিন্দা করা
-
- প্রক্রিয়া : অস্তিত্তের শক্তির সাথে সংযোগ কর
অনুভূতির সংযুক্তির ওপরে প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
- অনুভূতির সংযুক্তি কি পরের জন্মে বহন করে নিয়ে যাওয়া হয় ?
-
- অনুভূতির সংযুক্তি কি পরের জন্মে বহন করে নিয়ে যাওয়া হয় ?
-
- আরও আলোকপাত করবেন?
-
- আগে আমি অনেক পূজা করতাম, মন্দিরে মন্দিরে যেতাম, কিন্তু আপনার কাছে আসার পরে আমি ঐসবে রুচি হারিয়ে ফেলেছি। আমি কেবল আপনার ভিডিও ও বই নিয়ে বসতে ইচ্ছা করি! এটা কি ভাল না খারাপ?
-
- আপনি ঈশ্বর ও গুরুর সাথে অনুভূতির সংযুক্তি সম্পর্কে বলেছেন। অনুভূতির সংযুক্তি প্রকৃতপক্ষে কি? সেটা কি শুধুমাত্র গুরুকে চেতনা সহকারে সর্বদা চিন্তা করতে থাকা?
-
- আমার চেয়ে উচ্চতর কোন কিছুর সাথে অনুভূতির সংযুক্তি কি ভাবে सूर्य कलत्व?
-
- প্রবল অনুভূতির সংযুক্তি অভিজ্ঞতা করার পথ কি?
-
- वासारमन्न वास्ताज्यिक व्यण्डम द्वारण का केन्न्विद्य कान भर घाटक कि?
অনুভূতির সংযুক্তির জন্য ধ্যান
-
- প্রক্রিয়া : নিজের সাথে সংযুক্তি
-
- প্রক্রিয়া : অপরের সাথে সংযুক্তি
-
- প্রক্রিয়া : প্রকৃতির সাথে সংযুক্তি
-
- প্রক্রিয়া : জীবনের সাথে সংযুক্ত হওয়া
-
- প্রক্রিয়া : অস্তিত্তের সাথে সংযুক্ত হওয়া
অনুভূতির সংযুক্তি কি?
আমি অনুভূতির সংযুক্তির কিছু সত্য শেয়ার করব।
অনুভূতি–সংযুক্তির গ্রন্থ
অনুভূতি সংযুক্তি আর কিছুই নয়, সেটা হল ঈশ্বরের সাথে সংযোগের অনুভূতি।
তোমার জীবনের জন্য চরম প্রক্রিয়া হল ঈশ্বরের সঙ্গে সংযুক্তির অনুভূতি। যে কোন সমস্যা থেকে তোমার বার হয়ে আসার জন্য অন্য কোন সমাধান অথবা প্রক্রিয়ার প্ৰয়োজন নেই - তা সেটা দৈনন্দিন সমস্যাগুলি হোক বা প্রতিকূল গ্রহাদি দ্বারা সুষ্ট সমস্যা হোক বা রোগ বা মানসিক নকারাত্মকতা বা কালোজাদু দ্বারা সৃষ্টি সমস্যা হোক - যে কোন সমস্যার সমাধান পাবার জন্য অনুভূতির সংযুক্তিই যথেষ্ট।
অনুভূতির সংযুক্তি ছাড়া, ধ্যান বা অসাধারণ ক্ষমতা বা পথে অর্জিত আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা, এগুলি সবই তোমাকে আরও অহংবাদী ও উদ্ধত করে ফেলবে।
অনুভূ তি-সংযুতির গ্রন্থ অনুভূ তি-সংযুতির গ্রন্থ
।
। আন ক্লাত ং বা ধ্যান দ্বারা যয সমস্ত সমসযাগুতির সমাধ্ান করা যায় না ।
। এখানন বাংিাভাষীনের
। িীক্ষ্ণ িকক সবকোই যিামানক তবিকক প্রোন কনর।
।
অনুভূতি – সংযুক্তির গ্রন্থ
ভারতে গ্রামের বাচ্চারা ঠিক করে না খেলে বড়রা সাধারণত তাদের ভয় দেখায়, 'যদি ঠিক করে না খাও তোমাকে কুয়োতে ফেলে দেওয়া হবে।' ভারতে সমস্ত গ্রামের বাড়ীতে খোলা কুয়ো থাকে। আর সচরাচর সেটাই হল ভয় দেখানোর পদ্ধতি।
जारे वासि भटनमटक बकरे जय द्वाराव जना निर्वयू निर्णय निलास। किलु क्या द्वार्थानाव भट्व एम माड़ा मिल ना! ज्यन वासि ভাবলাম, 'আমি সত্যি সত্যি তোমাকে কুয়োতে রাখব, তোমাকে দেখাব আমি যা বলি তা করি।'
তাই গণেশের মূর্তিটিকে একটি বালতির ভিতরে রাখলাম। এই वालाजिकि मिट्य कूट्या (शटक जल ट्वाला रण। वालणिकीक्क मज़ि দিয়ে নীচ্চে করতে থাকলাম। যখন বালতি জল স্পর্শ করল আমি চীৎকার করলাম, 'আমি সত্যি তোমাকে ডুবিয়ে দেব!'
তাও কোন সাড়া পেলাম না। তাই আমি ভাবলাম হয়ত সে কুয়োর ভিতর থেকে আমার কথা শুনতে পাছে না। তাই স্টোভে करवाणिन जानाव बकणी यात्वनन संशा मिट्य काँकित्य वलटक থাকলাম, 'না খেলে কিন্তু সত্যি সত্যি তোমাকে আমি ডুবিয়ে দেব!'
মনে হয়, সেই ফানেলটা হল আমার ব্যবহার করা প্রথম লাউডস্পীকার বা মাইক! কিন্তু গণেশ কোন সাড়া দিল না।
তারপর বুঝলাম যে আমি তো বালতিতে গণেশের জন্য কোন খাবার রাখি নি। ভাবলাম জলের কাছে গেলে হয়ত মন পরিবর্তন করে সে খাবে। তাই আমি বালতিতে খাবার রাখলাম ও গণেশকে নীচে করলাম। কিন্তু তা সত্ত্বেও সে খেলো না। আমি এটা তিন চারবার করলাম কিন্তু কিছুই হল না। আমি আবার গণেশকে
প্রকৃতপক্ষে জলে ফেলতে চাই না! শেষে আমি তাকে কুয়ো থেকে ওপরে নিয়ে এলাম।
তারপর ভাবলাম সে হয়ত আমার মায়ের রান্না ভালবাসে না। তাই আমি মন্দিরে গিয়ে সেখানে গণেশকে যে খাবার নৈবেদ্য হিসাবে প্রদান করা হয়, সেই খাবার নিয়ে এলাম ও তার সামনে রেখে বললাম, 'ঠিক আছে, এটা তো তোমার নিয়মিত খাবার, এখন তাহলে খাও।' কিন্তু তাও সে খেলো না।
बाब, बजेटकर बटन कूछक। वासि जाटक वज्राणाव कवरिलास। আমি তাকে অত্যাচার করে জোর করে খাওয়ানোর চেষ্টা করছিলাম।
वक्रमिन रोड़ वासान माध्या बन्को क्लिक घोल - ' (र जगवान! नामियान्मान नामि निर्जन उभरव वज्राणाव करवरिल, भट्टनाटक नय! वायाव करण्ट का वासि भटवर्टनन उभरव वज्राणाव कवर्ण। তাই আমাকে অন্তর্দেশে দেখতে হবে ও নিজেকে পরিবর্তন করতে হবে; গণেশকে পীড়ন দিলে হবে না। কেবল তাহলেই সে খাবে।'
সেই ক্লিক্ককে আমি বলি বিতর্ক, সঠিক যুক্তি, সঠিক সুর বাঁধা (টিউনিং)। এটা ঠিক যুক্তিও নয়, যুক্তির উদ্ধে, এটা সঠিক से बाद विकर्त विकर्त यथार्थ वर्थ - यूकि शाज़िया मणिक সংযুক্তি।
मरे किक मरकारव, एक भजीव जनून्छूणिव मश्यूकि मरयूकि मरकारव, আমি নির্ণয় নিলাম, 'হ্যাঁ, সে না খাওয়া পর্যন্ত আমিও খাবো না।'
প্রায় আড়াই দিন না খেয়েদেয়ে আমি তার পাশে বসলাম। শেষে আমি সজাগতার এক উচ্চ অবস্থা অভিজ্ঞতা করতে আরম্ভ করলাম। আমি সেখানে প্রবেশ করলাম ও বাহ্যিক জ্ঞান হারালাম।
সেই অবস্থায় আমি দর্শন করলাম গণেশ সত্যি খাচ্ছে। আমি আমার চোখ খুললাম এবং দেখলাম যে প্লেটে কোন খাবার নেই। সেটা ছিল একটা বিরাট শক্তিশালী অভিজ্ঞতা।
লোকেরা কখনো কখনো আমাকে প্রশ্ন করে, 'কে জানে গণেশ খেয়েছিল নাকি আপনি যখন সেই অবস্থায় ছিলেন কোন ইঁদুর এসে খেয়ে গেলে?' গণেশ আমাকে যে প্রসাদ দিয়েছে - আমার মধ্যে ঘটা সুখাবস্থা, প্রফুল্লতা ও আনন্দ - সেই প্রসাদগুলির জন্য আমি নিশ্চিত জানি গণেশই খেয়েছে। আমার মধ্যে ঘটা গভীর বিশ্বাস, গভীর বিতর্ক ও গভীর অভিজ্ঞতার জন্য আমি নিশ্চিত যে গণেশই সেই খাবার খেয়েছে।
বড় সমস্যা হল আমরা ভাবি যে ভাবুক লোকেরা বোকা। না। যাদের অনুভূতির সংযুক্তি থাকে না তারাই বোকা - কারণ অনুভূতির সংযুক্তি थाका बक चित्र कार्तना।
শুধুমাত্র বুদ্ধিবৃত্তি দিয়ে বিশ্লেষণ করা হল প্রথম চ্যানেল। যে কোন বুদ্ধুই তা করতে পারে। সমালোচনা আর অবিশ্রাম বিশ্লেষণ তো যে কোন মূর্খই কব्राज भारत। लाणे कवान जना बूकिसाजान भार्याजन निरे। किल्ड অনুভূতির সংযুক্তি কেবল বুদ্ধিমতা সম্পন্ন মানুষের জন্য ঘটে।
जार विकर जाताव फूड्यक्षे 3 मश्रीस जनक कािया जय वर অবিলম্বে জিনিষগুলিকে তোমার জন্য অনেক সহজতর করে ফেলে।
প্রক্রিয়া : বিতর্ক অভিজ্ঞতা করা
বিতর্ক অভিজ্ঞতা করার জন্য একটি শক্তিশালী প্রক্রিয়া দেওয়া হল :
এই প্রক্রিয়াটি সম্বন্ধে
विकर्क रूल वेश्वविकणन माथ्यूकित एक संसूब 3 मवर्ष्ठ अन्यत्व मूनन উপায়গুলির মধ্যে একটি। এটি অন্যান্য যে কোন আধ্যাত্মিক অভ্যাসের থেকে আলাদা এবং এখানে পথ ও লক্ষ্য সমানভাবে আনন্দপূর্ণ। নি জেকে बेन्द्रिकणाय शाविद्य एक्ना वाणावणीरे बक घानका लगाया लागिरे जा लाणाव পুরস্কার।
यथन जूसि कारवा मार्थ भजीव विजक वाण्डिक्का कब, ल्र्ड मानूषाणि তোমার জন্য ঈশ্বরপথের দ্বার হয়ে যায়। যখন তুমি নিজেকে অপরের मर्था शवाउ, एसि निर्जन वारेटन एक बाँभ मा उ। निर्जन मोमारवर्थान বাইরে যাওয়ার ও অন্যের সাথে মিশে যাওয়ার আনন্দ অভিজ্ঞতা কর।
। । । । ।
বলছি 'সব', তাতে আমার সমস্ত বই, ভিডিও অন্তর্ভুক্ত - এগুলি সবই শুধুমাত্র তোমার ভিতরে প্রেরণা সুষ্টি করতে পারে; তোমাকে অভিজ্ঞতা मिट्ठ भारत ना। वर्णिख्या मोट्यन्न मण। क्वन वकणि श्रृष्णुलिक मौभ (श्क्रिक ू সঞ্চারিত করতে হবে।
একইভাবে জীবনমুক্তিকে কেবল এক জীবন্ত শরীর থেকে অন্য জীবন্ত मनीति मक्याव कवा याया। यदि वकणि मनीबरक जोवनसूर्छि (भटक रूप, তাকে সেটা এমন এক পার্থিব উৎস থেকে পেতে হবে যা ইতিমধ্যে জীবনমুক্ত।
দয়া করে বোঝ, মাস্টারের প্রয়োজনীয়তা আমি পরিষ্কার করে বর্ণনা করছি। যদি পেশী, মন ও চিন্তা দ্বারা নির্মিত একটি শরীর জীবনমুক্তির অগ্নিকে ধারণ করতে চায়, তাহলে যে রক্তমাংসের শরীর সেই কম্পাঙ্কে আছে, যিনি ইতিমধ্যে জীবনমুক্ত, শুধুমাত্র তাঁর কাছ থেকে সেই অগ্নিকে ধারণ গ্রহণ করা যায়।
পরিষ্কার করে বুঝে নাও, মাস্টার পার্থিব শরীরে না থাকলে তিনি তোমাকে জীবনমুক্তি প্রদান করতে পারেন না। দয়া করে বোঝা, আমি একটা শক্ত কথা বলছি, কিন্তু সেটা সত্য। তিনি তোমাকে জীবনমুক্তি দিতে পারেন না। তিনি কেবল তোমাকে প্রেরণা, অভিজ্ঞতা এবং হয়ত এক ঝলক প্রদান করতে পারেন। কিন্তু তিনি যদি তোমাকে জীবনমুক্তি প্রদান করতে চান, তাঁকে তোমাকে এক সশরীরে বিদ্যমান মানুষের কাছে গাইড করে নিয়ে যেতে হবে।
শরীরে বিদ্যমান থাকাকালীন তাঁরা যাদের কথা দিয়েছিলেন তাঁরা তাদের যত্ন করবেন। উদাহরণস্বরূপ, ধর শ্রীরামকৃষ্ণ শরীরে থাকাকালীন তুমি ছিলে এবং তাঁর সাথে তোমার সরাসরি সংযুক্তি ছিল এবং তিনি তোমাকে আশীর্বাদ করেছিলেন। তারপর তিনি দেহত্যাগ
करवन, किन्तु पूर्ति भारिवोद्य (शटक (शटन 3 जिनि जामान याजू तरवन। किलु जिनि एक रूढ़ यावाद भट्न कान नजून मश्याजन मखन नय ; সেটা সম্ভব নয়।
শ্রীরামকৃষ্ণ, রামানা মহার্ষি, মহাবতার বাবাজী, ওশো এবং জে কুষ্ণমূর্তি - এনারা সবাই দেহধারণকালে যাদের কথা দিয়েছিলেন তাদের যত্ন করার জন্য মহাজাগতিক স্তরে এখনও তাঁরা উপলব্ধ। যদিও সেই শিষ্য আরও একটি বা বহু জন্ম নেয়, মাস্টার তাদের গাইড করার জন্য থাকবেন। কিন্তু দেহ ছেড়ে চলে যাবার পরে তাঁরা কোন নতুন শিষ্যকে জীবনমুক্তি সঞ্চার করতে পারেন না। আমি কি বলতে চাইছি তোমরা সবাই তা বুঝতে পারছ তো?
यदि कूलि वर्त्वस्थकावी र उ वर প্রার্থনা কর যিনি দেহ ত্যাগ করেছেন, তিনি তোমাকে এমন কোন মাস্টারের কাছে নিয়ে যেতে গাইড করবেন যিনি শরীরে বর্তমান, ব্যাস। তিনি নিজে তা তোমাকে দিতে পারবেন না, কারণ সেটাকে এই স্তরে मकाव कवट्ट रव, ब्रक्तारम (शटक ब्रक्तारत्ना (मरेजना जीवनसूक মাস্টারের প্রয়োজনীয়তা। বারবার, বারবার তিনি ফিরে আসেন।
কোন সংগঠন এক জীবন্ত মাস্টারকে প্রতিস্থাপিত করতে পারে না
এই কারণে, একজন মাস্টার যেভাবে আধ্যাত্মিকতাকে প্রকাশিত করেন সেভাবে এক বিরাট সংগঠনও আধ্যাত্মিকতাকে প্রকাশিত করতে সমর্থ হয় না। আজ আমার চারপাশে অন্বেষণকারীরা আছে, কারণ এটাকে রক্তমাংস থেকে রক্তমাংশে, পেশীস্মৃতি থেকে পেশীস্মৃতিতে সঞ্চার করা যায়।
এমনকি আমার ক্ষেত্রেও, দেহ ত্যাগ করার পরে আমি জীবনমুক্ত হয়ে शाकव। किसु वासाव भार्थिव मनीन ना शाकान मन्नून भार्थिव मनीवर्षानी অন্য কাউকে আমি জীবনমুক্তি সঞ্চার করতে পারব না।
यदि वर्थन जातारक मोका भुमान कवि ववर जामादक जन्मा मिरे, কেবল তবেই আমি দেহত্যাগ করার পরেও তোমার যত্ন নিতে পারব। তাই তুমি যদি শ্রীরামকৃষ্ণ, রামানা মহর্ষি, ওশো বা অন্য কোন মাস্টারের পার্থিব জীবনকালে তাঁদের আশ্বাসন পেয়ে থাক, তাহলে তোমার অন্য কোন মাস্টারের কাছে যাবার প্রয়োজন নেই।
কিন্তু তা সত্ত্বেও তাঁরা সাধারণত তোমাকে কোন জীবন্ত কোন মাস্টারের কাছে গাইড করে নিয়ে যান, কারণ মাস্টারের আশেপাশে বাস করা যে কেবল জীবনমুক্তি আস্বাদন করা তা নয়, সেটা এক আনন্দ। সেটা এক পরমানন্দ। সেটা এক জীবনশৈলী।
সেইজন্য এক জীবন্ত মাস্টার প্রয়োজন এবং তাঁকে প্রতিস্থাপিত করা याय ना। वसनकि আছে, ঠিক যেভাবে শিব এই পুরো জিনিষ্টা কয়েক লাখ বছর আগে শুরু করেছিলেন।
শুধুমাত্র যে জিনিষটা সেকেলে হয় নি, যা কখনও সেকেলে হতে পারে ना, जा रल जीवन्त मान्यासनीयाजा। बरे भुश्विवी राजा व शाजाव जिनिष व्यविद्यास मरकरन रूप्य व्यवर्शाद्रिक रूय यात्र्वाद्यानिक वर्तन यात्र्य वर भुजिशामित राष्ट्र, किन्तु जीवन्त माम्णेदवन भूर्याजनीयण कथन उ অব্যবহারিক ও প্রতিস্থাপিত হতে পারে না।
তুমি তোমার মাস্টারের সাথে সম্বন্ধতা বেছে নাও
যখন লোকেরা আমায় প্রশ্ন করে, 'আপনি কি ভগবান?' আমি তাদের বলি, 'সেটা তোমার ওপরে নির্ভর করে!'
সেটা তোমার ওপর নির্ভর করে। আমি সর্বদা উপলব্ধ, উন্মুক্ত। যদি তুমি আমাকে শিক্ষক মনে করে আমার সাথে সংযুক্ত হতে চাও , তুমি
আমার সাথে সংযুক্ত হবে ও আমার থেকে জ্ঞান নিয়ে যাবে। যদি তুমি আমাকে মাস্টার মনে করে সংযুক্ত হতে চাও, তুমি আমার থেকে দীক্ষা নিতে পার। দীক্ষা কেবল একজন মাস্টার দিতে পারেন; শিক্ষক পারেন না। শিক্ষক শিক্ষা প্রদান করেন; কিন্তু কেবল মাস্টারই দীক্ষা প্রদান করতে পারেন।
यदि कूलि वासारक डगवान वा विश्वविक वा कवस मण्डि मटन करव मश्यूक र उ, रूसि जारटल मोक्का वाज़ा वाज़ा वाल्ज्यादक निद्या यादव। এগুলি নির্ভর করে তোমার অন্তর্জেশের ওপরে ও তোমার অন্তর্জেশে আমার জন্য কতটা জায়গা উপলব্ধ করা হয়েছে, ব্যাস।
जामार्मन व कण्ण जिनिय भविष्ठान करव वलटक माउ, जासि व शान প্রমাণ করতে আসি নি যে আমি ভগবান। আমি এখানে প্রমাণ করতে এসেছি যে তুমি ভগবান। আমি এখানে তোমার ঈশ্বরত প্রমাণ করার জন্য আছি।
यदि रूसि उन्हूला वूकि माना मस्मर्क श्राभन कन्न, जूनि खान वरुन कन्द्व। यदि वक्तू वादवन मश्कारव, बक्कू व्यक्त मण्डकादव मण्डक স্থাপন কর তুমি দীক্ষা নিয়ে যাবে; তার মানে, যা যা আমি শব্দাবলী घाना श्रकाम कवरण भावि ना जा जानान माथा भरवन कवरव -সফট্ওয়ার তোমার মধ্যে সঞ্চারিত হবে। যদি তুমি সত্তার সাথে গভীরভাবে সম্পর্ক স্থাপন করতে সমর্থ হও, তোমার দীক্ষার দরকার নেই; অভিজ্ঞতাই সঞ্চারিত হয়ে যাবে। তা প্রত্যেক মানুষের ওপরে निर्डन करव य रम (कान खटन मश्यूक रख, कान खरव वाल्डिक वा করবে।
মাস্টারের সাথে সংযুক্ত হবার পাঁচটি উপায়
भाँक প্রতিটি মনোভাবের সাথে একেকটা পথ খুলে যায়, তোমাকে তোমার আরও কাছে নিয়ে যায়।
। যতে িু তম িানি দ্রবীভূ ি হও
। ।
।
। ।
অনুভূতি – সংযুক্তির গ্রন্থ
ও সেখানে চলেফিরে বেড়ান।
ভক্তি হল সেটিকে ধরে রাখা যা কখনও পরিবর্তিত হয় না - নিরাকার চৈতন্য।
কিন্তু নিরাকার অস্তিত্বের শক্তির সাথে সরাসরি সংযুক্তি অনুভব করা আমাদের পক্ষে সহজ নয়।
মাস্টার এমন এক আকার যা আমাদের বারংবার নিরাকারের স্মরণ করিয়ে দেয়।
তোমার জৈবস্যুতি পরিবর্তিত করার জন্য এটা অত্যন্ত ফলপ্রসু প্রক্রিয়া। এটা অভ্যাস করতে থাকলে, তোমার দেহ ও মন সহজেই জীবনমুক্তির ভাষা শিখে যাবে।
সময় : প্রযোজ্য নয়
নিৰ্দেশাৰলী
যেকোন অবস্থাতেই থাক না কেন, নিজেকে প্রশ্ন কর, 'আমার মাস্টার এই পরিস্থিতিতে কিভাবে ব্যবহার করবেন?' তারপর সেটাই কর।
यदि जानाव सन भन्न निर्यु भारत कन्नतः' वर्थवा 'मण्णे साम्र्गेद्रवद् अना ठिक वाट्यू। आसि कि ज করতে পারব?' - তাহলে প্রশ্ন কর, 'মাস্টার এই সন্দেহতে কিভাবে সাড়া দেবেন?'
তিনি সহজেই মনকে নীরব করে দেবেন, ব্যাস।
তাই তুমিও সেটাই কর।
কোন সমস্যার মুখোমুখী হতে পার, তা নিয়ে তুমি বিব্রত হয়ো না।
।
-
। । ।
।
।
। যখন িু তম প্রতিতনয়ি গুরুমন্ত্র স্তব কর
। এই প্রকার গ্রুনে মাস্টানরর উেতিতির সমতিগি য িনা থাকনব। েয়া কনর যবাঝ
। যতে িু তম জীবনমুতির স্তনর থাক
।
।।।
।।।
প্রক্রিয়া : হৃদয়কে উন্মুক্ত করা
হৃদয়স্থলে অনাহত চক্রকে উন্মুক্ত করার জন্য এবং ভক্তি ও অনুভূতির मश्यूकि वर्णिकाणा कवान जना नोटक बर्बाज मुक्तिमाली ध्रान भक्ता দেওয়া হল।
প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে
মহামন্ত্র ধ্যান এমন এক প্রক্রিয়া যার দ্বারা তোমার মনকে কেন্দ্রিত ও সংহত করা যায় এবং তোমাকে শক্তি দিয়ে ভরিয়ে দেওয়া যায়।
मशासन्त्र वात एक वर्णावमाक स्वतन या जनूननिष्ठ रूप क्वनल তোমার সত্তায় নয়, সম্পূর্ণ অস্তিত্ত্বেও। এই পদ্ধতিকে গুঞ্জনের মাধ্যমে তোমার সম্পূর্ণ শরীরকে মহামন্ত্র তৈরি করার জন্য উদ্ভাবন করা হয়েছে।
তোমার সজাগতাকে বর্তমান মুহূর্তে নিয়ে আসার জন্য গুঞ্জন এক শক্তিশালী উপায়। যদি তুমি প্রগাঢ়ভাবে গুঞ্জন কর, সেই সময়ে তোমার চিন্তাসংখ্যা স্বতশ্চলভাবে কমে যায়।
গুঞ্জন দ্বারা উৎপাদিত শক্তি দেহ-মন তন্ত্রে শক্তিপ্রবাহের বাধাগুলিকে দূর করে।
यथन रूसि थ्रनाज़्जादव श्रक्षन कन, निर्जन मम्भरक जानान मास्ख ধারণাগুলিকে ঝাঁকানো হবে। ভূমিকম্পের অনুরূপ এই পদ্ধতিটি হল 'মনকম্প'!
এই পদ্ধতিটি তোমাকে কানায় কানায় শক্তিতে ভরপুর করবে, যাতে তুমি অপরের থেকে মনোযোগ পাবার প্রচেষ্টা বন্ধ কর।
মনোযাগ পাবার চাহিদা এক নিম্নস্তরের শক্তি।
মনোযোগ এক শক্তি।
উচ্চশক্তির স্তরে থাকলে তোমার জন্য অপরের কাছ থেকে মনোযোগের শক্তির প্রয়োজন হয় না।
পরিবর্তে, তুমি শক্তিতে উচ্ছ্বসিত হবে এবং তা তুমি অন্যদের ওপরে বর্ষণ করতে শুরু করবে!
মহামন্ত্র উচ্চারণ হল এমন এক মন্ত্রপাঠ যা কোন বাচনের উদ্ধে, যা কোন লিখন বা অভিব্যক্তিকেও ছাড়িয়ে।
এটা হল অনাহত ধ্বনি অর্থাৎ না-শোনা শব্দ।
यथन बरे थाटन मुकि वर्णिकाण कन, बूबादव व्य कूमि घरे जनाश्ण ধ্বনিকে ভিত্তি করেই বিদ্যমান।
এই ধ্যান অভ্যাস করলে তোমার সমস্ত শক্তি তোমার মধ্যে কেন্দ্রিত হয় এবং তা ভক্তি ও অনুভূতির সংযুক্তি অভিজ্ঞতা করার জন্য তোমার হৃদয়কেন্দ্রকে জাগ্রত করে।
সময় : ৩০ মিনিট
নির্দেশাবলী
এটি খুব সকালে অভ্যাস করা সবচেয়ে ভাল এবং তখন তোমার মনোনিবেশ বিপুল থাকে। বাদ্যযন্ত্র তোমার নিদ্রায় হস্তক্ষেপ করতে পারে।
এই ধ্যান করার সময় তুমি মালা (যেমন রুদ্রাক্ষ) গলায় পরতে পার। তাহলে ধ্যানে সুষ্ট শক্তি তাতে সঞ্চিত থাকতে পারে।
ধাপ ১ (২০ মিনিট)
আরাম করে পা ভাঁজ করে হাঁটুর ওপরে হাত রেখে বসো। হাতের তালু ওপরদিকে থাকবে।
মেরুদণ্ড সোজা রাখ। তোমার মাথা, ঘাড় ও মেরুদণ্ডকে একই সরলরেখায় থাকতে হবে।
চোখ বন্ধ কর। বাস্তবিকভাবে চোখ বন্ধ কর। সাধারণত চোখ বন্ধ করা যেন বাইরের টিভি বন্ধ করা এবং ভিতরের টিভি চালিয়ে দেওয়া। তাই কেবল চোখের পাতা বন্ধ করবে না - তোমার চক্ষুকে বন্ধ কর!
এটা করার একটা ভাল উপায় আছে : কল্পনা কর তোমার অক্ষিগোলকদ্বয় পাথর হয়ে গেছে! আমাদের চোখের নড়াচড়ার সাথে আমাদের মনে চিন্তার চলাফেরার এক গভীর সম্পর্ক আছে। সেইজন্য তোমার অক্ষিগোলকের নড়াচড়া বন্ধ করতে বলা হয়েছে।
ছবিগুলি মুছে যাবে। তোমার চিন্তাগুলিও বন্ধ হবে অথবা ধীরে হবে। নিয়ে অগ্রসর হও।
এখন তোমার মুখ বন্ধ করে গুঞ্জন করা শুরু কর।
কেবল মমমমম ধ্বনি সৃষ্টি কর।
অন্য কোন মন্ত্র উচ্চারণ করবে না, ওম বা হুম উচ্চারণ করবে না।
কল্পনা কর, তোমার শরীর এক খালি পাত্র। খালি পাত্রে মুখ পূর্কিয়া উন্ন কবল ক্যন ক্যনি উন্নতর ভুকান সৃষ্টি কর।
যত জোরে পার, যত গভীরভাবে পার, যত লম্বা পার গুঞ্জন কর। তোমার পূর্ণ উদ্যম গুঞ্জনে লাগাও। ধ্বনিকে তোমার নাভি -কমল থেকে আসতে হবে।
শ্বাসের কোন প্রকার নিয়ন্ত্রণ করার প্রচেষ্টা করবে না। তোমার শ্বাসপ্রশ্নাস নিজে থেকেই হবে।
কেবল প্রগাঢ়ভাবে এবং স্বস্তি সহকারে গুঞ্জন করতে থাক।
তোমার সম্পূর্ণ শরীর গুঞ্জনের স্পন্দনে ভরে যাক।
গুঞ্জন হয়ে যাও!
অনুভূতি – সংযুক্তির গ্রন্থ
যা কিছু কিছুক্ষণের রয়, সেগুলি মিলিয়ে যাবে।
কিছু সময় পরে অনুভব করবে যে তোমার প্রচেষ্টা ছাড়াই গুঞ্জন চলছে এবং তুমি তার শ্রোতা হয়ে গেছ!
তুমি অজপা অবস্থায় প্রবেশ কর - যেখানে তোমাকে জপ করতে হয় না, জপ নিজের থেকেই ঘটে। তোমার মন্ত্রের পুনরাবৃত্তি করতে হয় না , মন্ত্র তোমাকে পুনরাবৃত্তি করবে।
এটা কুড়ি মিনিট ধরে কর।
ধাপ ২ (১০ মিনিট)
হঠাৎ তোমার গুঞ্জন বন্ধ কর।
এক মহান নীরবতা তোমার সত্তাকে প্লাবিত করে।
মুহূর্তের জন্য সময় থেমে যায়।
এই নিরবতাকে প্রত্যক্ষ কর। তোমার ভিতরে ও চারপাশে বিরাট প্রশান্তিকে অভিজ্ঞতা কর।
নকারাত্মকতাগুলিকে মুছে ফেলার জন্য, স্পষ্টতা আনার জন্য এবং সজাগতাই তো প্ৰয়োজনীয়।
কিছুক্ষণ পরে, নীরবতাতে চিন্তাগুলি প্রবেশ করা আরম্ভ করবে। তাদের
বাধা দিও না; তাদের মধ্যে প্রবেশ করবে না। শুধুমাত্র এই চিন্তাগুলিকে প্রত্যক্ষ কর। নীরব ও আনন্দময় হয়ে থাক।
সজাগতা বজায় রাখ।
অনুভব করবে।
এটা দশ মিনিট ধরে কর।
এটাকে একুশ দিন রোজ কর।
অনুভূতি–সংযুক্তির গ্রন্থ
অনুভূতির সংযুক্তি অটল আস্থার দিকে নিয়ে যায়
একটা ছোট গল্প :
একজন জীবনমুক্ত মাস্টার তাঁর উত্তরাধিকারী হবার জন্য একটি ছোট বালককে প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন।
মাস্টারের সাথে এই ছোট বালকটির এক গভীর প্রেমের সংযুক্তি ছিল, সে তাঁকে নকল করার চেষ্টা করত ও তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে তাঁকে নিয়ে মজা করত।
কোন বিষয়কে জোর দেবার জন্য সবসময়ে বুড়ো আঙ্গুল ওপরে দাঁড়িয়ে একই অঙ্গভঙ্গী করত।
একদিন মাস্টার তা লক্ষ্য করলেন।
তিনি তাঁর ছুরি বার করলেন ও ছেলেটির বুড়ো আঙ্গুল কেটে ফেললেন!
বোঝ : গল্পটি সুন্দরভাবে বলে, বালকটির আস্থা ও অনুভূতির সংযুক্তি এত গভীর ছিল যে সে একবারও ভাবে নি তার সাথে খারাপ কিছু করা হয়েছে।
শিষ্য স্পষ্টভাবে অনুভব করেছিল, যদি মাস্টার কিছু করেন, সেটা তো তার জন্য ভালই হবে।
শুধুমাত্র এই গভীর আস্থা ও উন্মুক্ততার জন্য, সেই মুহূর্তের ভীষণ যন্ত্রণাতে বালকটি পরম জ্ঞানালোক প্রাপ্তি করল।
মৃত্যুর মুহূর্তে অনুভূতির সংযুক্তি তোমার সহায়তা করে
প্রথমত, তোমার জানা প্রয়োজন যে তুমি কোটি কোটি দেহ ধারণ করেছ ও মানবদেহ ধারণ করার আগে কোটি কোটি জীবনযাপন করেছ!
তাই তোমার জানা প্রয়োজন তুমি কিভাবে বর্তমান শরীরটি সৃষ্টি করতে পার এবং কিভাবে জ্ঞানালোকপূর্ণ জৈবস্মৃতি সৃষ্ট করতে পার।
বোঝ : দ্যাখ তা তোমার তন্ত্রে রেকর্ড হয়ে যায়। এই খোদিত স্মৃতিগুলি হল সংস্কার। পাঁচটি ইন্দ্রিয় দ্বারা যা কিছু দ্যাখ, শোন বা অভিজ্ঞতা কর তা তোমার মধ্যে সংস্কার হয়ে যায়। মৃত্যুর মুহূর্তে জীবনে দেখা সর্বোত্তম জিনিষকে স্বাভাবিকভাবে তুমি স্মরণ করবে এবং সেটাকে পরের জন্মে তোমার বাস্তবতা করার নির্ণয় নেবে।
প্রথমে আমি সেই উদাহরণ দিয়ে শুরু করব, যখন তুমি মৎস ছিলে - যখন তুমি মাছের শরীর নিয়ে বাস করছিলে।
মাছ মহাসাগরের চারদিকে দেখলে কি দেখবে? সে হয়ত আরও বড় সার্ক দেখবে, সে বিভিন্ন জীব ও গাছপালা দেখবে। তার সমস্ত জীবন ধরে সে যা দেখে তা তার ভিতরে সংস্কার হয়ে রেজিস্টার হয়ে যায়।
মৃত্যুর মুহূর্তে অর্জিত সমস্ত সংস্কারগুলি তার সামনে আসবে -আরও বড় মাছ, কচ্ছপ, সবকিছু। পরবর্তী জন্মে কি প্রকার শরীর নিতে হবে সে সম্পর্কে তার এক পছন্দ থাকবে।
গুরু অথবা THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর সাথে তোমার অনুভূতির সংযুক্তিকে ভিন্ন করার কাজ শয়তান করে।
অনুভূতি-সংযুতির গ্রন্থ
প্রক্রিয়া : অস্তিত্তের শক্তির সাথে সংযোগ কর
মাস্টারের সাথে সর্বদা অনুভূতির সংযুক্তিতে থাকার জন্য নীচে একটি শক্তিশালী ধ্যান প্রক্রিয়া দেওয়া হল।
এই প্রক্রিয়া সম্পর্কে
আমাদের গভীরতম সত্তার সাথে পুনরায় সংযুক্ত হবার জন্য এবং সম্পূর্ণ অস্তিত্ব বা মাস্টার ও আমাদের মধ্যে গভীর সংযুক্তি পুনরায় আবিষ্কার করার জন্য এখানে আমরা মুহূর্তকে ব্যবহার করি।
যখন তুমি কোন মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ দিকটি আবিষ্কার কর, জেনে রাখো, সেই ব্যক্তি তোমার কাছে ঈশ্বরকে স্পর্শ করার নিশ্চিত এক সেতু হয়ে যেতে পারে।
যখন আমরা সজাগতার শীর্ষবিন্দুতে ঈশ্বরের সাথে সংযুক্ত হই, আমরা বিশ্বজনীন চৈতন্য অভিজ্ঞতা করি। যখন আমরা THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর সাথে ভক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত হই, তখন আমরা ঈশ্বরকে অভিজ্ঞতা করি।
নিৰ্দেশ্যৰলী
এমন একজনকে স্মরণ কর যে তোমার মধ্যে গভীর ভক্তির অনুভূতি সৃষ্ট করে। এমন একজনকে স্মরণ কর যার সাথে তুমি গভীরভাবে সংযুক্ত হতে চাও, যে তোমাকে এক নতুন জীবনে পথ দেখিয়েছে। একাধিক ব্যক্তিকেও স্মরণ করতে পার, দুই বা তিনজন মানুষ যারা তোমার জীবনে স্মরণীয় যেমন, তোমার স্নেহময়ী মাতা, তোমার দীপ্তিমান মাস্টার, তোমার প্রিয় দেবতা বা তোমার প্রিয় বন্ধু।
ধাপ
চোখ বন্ধ কর এবং মেরুদণ্ড সোজা করে আরাম করে বসো।
এমন একজনকে স্মরণ কর যে তোমার মধ্যে গভীর ভক্তির অনুভূতি সৃষ্ট করে। এমন একজনকে স্মরণ কর যার সাথে তুমি গভীরভাবে সংযুক্ত হতে চাও যখনই তুমি আধ্যাত্মিকভাবে নবতেজোদ্দীপ্ত হতে চাও।
সে তোমার মাতা বা পিতা, তোমার শিক্ষক বা তোমার গুরু বা তোমার ইষ্ট দেবতা - যা কারোর ক্ষেত্রে রুচিগত ব্যাপার।
তারা তোমার জীবনে যে রুপান্তর সৃষ্টি করেছে তা স্মরণ কর। তোমার সম্পূর্ণ সত্তা দিয়ে তাদের সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত অনুভব কর। তোমার সম্পূর্ণ সত্তাকে ভক্তিতে গলে যেতে দাও।
গভীর ভক্তির এই মেজাজে তোমার অন্তর্গামী ও বহির্গামী শ্বাসের মধ্যে বিরতির প্রতি সজাগ হও। প্রতিটি অন্তর্গামী ও বহির্গামী শ্বাসের মাঝে ঐশ্বরিক ভাস্বরতা অভিজ্ঞতা কর।
বাইরের ঈশ্বরত্ব থেকে অন্তরের ঈশ্বরতের দিকে ঘোর।
বুঝে নাও, তুমিই সেই ঈশ্বর যাকে তুমি অভিজ্ঞতা করতে ইচ্ছা কর!
যখন তুমি ঈশ্বর অভিজ্ঞতা করে, তুমি যা অভিজ্ঞতা করছ তা হল তোমার নিজের সত্য প্রকৃতি।
ভক্তির প্রস্ফুটনের সাথে তুমি সকলের ও নিজের মধ্যে ঈশ্বরকে অভিজ্ঞতা করা প্রকৃতপক্ষে যখন তুমি কারো সাথে সত্য গভীর প্রেম কর, যখন তুমি তাকে স্পর্শ কর, তুমি দুটি পথক শরীর বলে অনুভব করবে না। তুমি ঠিক জান যে সেটা তোমারই সম্প্রসারণ।
কয়েক মিনিট পরে, ছোট পাখীটি আরও সামনে যাবার সময়, সে অনুভব করে সে কেবল সম্প্রসারণ নয়, সে সেই পক্ষীটির কেবল প্রতিচ্ছায়া! সে যে এক ভিন্ন ব্যক্তি, তা তো কেবল এক ভ্ৰম ছিল।
কিছুক্ষণ পর, যখন জ্ঞান নিকটে আসে, তখন সেই প্রতিচ্ছায়াও বিলুপ্ত, কেবল স্বর্ণময় পক্ষীটি আছে - এবং সে নিজেই সেটা!
অনুভূতির সংযুক্তির এগুলি বিভিন্ন ধাপ।
প্রাচীন প্রথাতে বলা হয় তুমি চার প্রকার মুক্তি অভিজ্ঞতা করতে পার এবং সেগুলি অনুভূতির সংযুক্তির ধাপগুলিতে ভিত্তি করে : সালোক্য মুক্তি, সামীপ্য মুক্তি, সারূপ্য মুক্তি এবং সাযুজ্য মুক্তি।
যখন প্রথম অনুভব কর, 'আমি তাঁর সাথে সংযুক্ত, আমি তাঁর', মানে সালোক্য মুক্তি - তাঁর লোকে বাস করছ, তার কম্পাঙ্কতে বাস করছ।
যখন তুমি অনুভব কর, 'তিনি আমারই সম্প্রসারণ'. সেটা সামীপ্য মুক্তি কেবল তাঁর সমীপে থাকার জন্য যে মুক্তি ঘটে।
যখন তুমি আন্তরিক কও, 'আমার কোন আলাদা পরিচয় নেই', তখন তুমি সারূপ্য মুক্তি অভিজ্ঞতা কর।
যখন তুমি স্বমহিমায় কও, 'আমি কখনই ছিলাম না, কখনই বিলীন হইনি; কেবল তিনি বিদ্যমান ছিলাম', এটা হল সায়জ্য মুক্তি।
প্রশ্ন : প্রিয় স্বামীজী, আগে আমি অনেক পূজা করতাম, মন্দিরে মন্দিরে যেতাম, কিন্তু বর্তমানে আর ভাল লাগে না। আমি কেবল আপনার ভিডিও ও বই নিয়ে বসতে ইচ্ছা করি! এটা কি ভাল না খারাপ?
দয়া করে বোঝা, জীবনে উভয়ের প্রতি তোমার অনুভূতির সংযুক্তি বহন কর।
তুমি প্রশ্ন করতে পার, গুরু কি যথেষ্ট নয়? বা ঈশ্বর কি যথেষ্ট নয়? দয়া করে বোঝা, তুমি যতই শক্তিশালী হও না কেন, কোন না কোন সময়ে তুমি গুরুর প্রতি সম্পূর্ণ আস্থা রাখতে পারবে না। গুরুর প্রতি তোমার অনুভূতির সংযুক্তি প্রয়োজন; তোমার আধ্যাত্মিক অভ্যাস ও আধ্যাত্মিক জীবনকে সজীব রাখার জন্য ঈশ্বরের প্রয়োজন।
তোমার দৈনন্দিন সমস্যা সমাধানের জন্য কখনো কখনো ঈশ্বরের সাথে তোমার অনুভূতির সংযুক্তির ব্যবহারিক মূল্য থাকে না। সেই সময়গুলিতে গুরুর সাথে অনুভূতির সংযুক্তি সাহায্য করবে।
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর সাথে ঘনিষ্ঠ সংযুক্তি ও ঈশ্বরের সাথে ঘনিষ্ঠ সংযুক্তি বজায় রাখতে হবে। যখন সেটা ঘটে, ঘটনে দাও।
কিন্তু এখন, যখন তোমার অভ্যাস আরম্ভ কর, যখন তুমি তোমার আধ্যাত্মিক জীবন আরম্ভ কর, সর্বদা ঈশ্বর ও গুরু উভয়কেই রাখ, যাতে তুমি রক্ষা পাও। আমি যখন বলি, 'যদি তুমি বাসনা কর', তার অর্থ, তুমি জীবনকে বর্জন না করা অবধি! এটা সবার জন্য! আমি দেখেছি যাদের জীবনে কেবল ঈশ্বর আছে তারা কিভাবে জীবনে কখনও এগিয়ে যেতে পারে নি এবং যাদের কেবলমাত্র গুরু ছিল তারা কিভাবে কখনো কখনো (আধ্যাত্মিক পথ) ছেড়ে দেয়। যদি উভয়ই থাকে, যদিবা তাদের একজনের ওপরে তোমার আস্থা ও অনভুতির সংযুক্তি টলে যায় অন্যজনের ওপরে তোমার আস্থা ও অনুভূতির সংযুক্তি তোমার আধ্যাত্মিক অগ্রগতিকে সজীব রাখবে।
উদাহরণস্বরূপ
Part 2: Why Feeling-Connection_Bengali_part_2.md
অনুভূতি-সংযুতির গ্রন্থ
সময় : ২১ মিনিট
নিৰ্দেশাৰলী
আরাম করে পা ছড়িয়ে দাঁড়াও ও চোখ বন্ধু কর।
তোমার ভিতরের সমস্ত ধ্বনিগুলিকে নিজে থেকে প্রকাশিত হতে দাও।
কখনো তোমার গুঞ্জন করতে ইচ্ছা হবে, কখন গান, কখন কিছু চিৎকার করতেও ইচ্ছা হতে পারে। কখন রুক্ষ কোনো অর্থহীন আওয়াজ করতে পার।
যে ধ্বনি আসছে আসতে দাও।
আগে কখনও কর নি এমন শব্দ করলেও অপ্রতিভ হবে না!
সেগুলি তোমার ভিতরে আছে, সেইজন্য সেগুলি বার হয়ে আসছে।
আর যাই হোক, অস্তিত্বে কোন ভাল বা খারাপ বা অর্থপূর্ণ বা বোকাটে শব্দ নেই। প্ৰতিটিতে সমান শব্দশক্তি আছে, ব্যাস।
বুঝে নাও, এটা কোন বিশোধক প্রক্রিয়া নয়।
তুমি এখানে পাগলের মত চীৎকার করে বা আর্তনাদ করে চাপমুক্ত হবার চেষ্টা করছ না। তুমি এখানে অন্তরের সুর বাঁধছ, সুর বাঁধ এবং তোমার ভিতরের স্পন্দনকে উপভোগ কর, ব্যাস!
প্রক্রিয়াটি তোমার দিনেতে এক নির্দিষ্ট ছন্দ আনে।
তোমার ভিতরে হিংসা কমে যাবে এবং বন্ধুভাব ও করুণা বাড়বে।
প্রক্রিয়া : অপরের সাথে সংযুক্তি
অন্যদের সাথে সংযুক্তি অনুভব করার জন্য নীচ্চে একটি শক্তিশালী ধ্যান প্রক্রিয়া দেওয়া হল।
প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে
সম্পূর্ণ বিশ্বের সাথে সংযুক্ত হবার আগে কোন এক ব্যক্তির সাথে সততা সহকারে সংযুক্ত হওয়া যাক !
যদি গভীরভাবে তাকাই, আমরা দেখব এমনকি আমাদের সবথেকে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কও মিথ্যা ধারণার ওপরে স্থাপিত।
সেই ব্যক্তির সাথে প্রথম কয়েকটি মিথস্ক্রিয়াতে আমরা বাস্তবিক সম্পর্ক এক ধারণা সৃষ্টি করি। তারপর থেকে সেই প্রতিচ্ছবির মানুষটির সাথে আমাদের ধারণা সম্পর্কিত কবি, প্রকৃত মানুষটির সাথে নয়! একইভাবে অন্য মানুষটিও আমাদের সম্পর্কে ধারণা সৃষ্টি করে এবং সেই ধারণাটির সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে।
অন্যজনের চোখে তুমি এমন কিছুর একটা আভাস পাও যা তুমি অন্তরঙ্গভাবে জান, এমন একটা জিনিষ যার সুগন্ধসার সর্বত্র আছে এবং কোথাও নেই।
তুমি অবাক হও, তুমি কি অন্যজনের দিকে নাকি নিজের দিকে তাকাচ্ছ।
নাকি তোমাদের দুজনের মধ্যে কোন পার্থক্যই নেই?
যদি কারোর মনে হাসি আসে, আসতে দাও।
হাসি এলে আসতে দাও।
যদি অন্যজনকে আলিঙ্গন করতে চাও, কর!
কিন্তু কোন কথা বলবে না।
ধাপ ৪
যখন তুমি এই নীরব আদানপ্রদান পুরোপুরি অভিজ্ঞতা করেছ , অন্যজনকে ধীরে ধীরে ছেড়ে দাও এবং তোমার চোখ বন্ধ কর।
কিছুক্ষণ নিজের সাথে বাস কর।
তারপর উঠে পড় ও চলে যাও।
তোমার সাথীর সাথে কথা বলবে না, অন্যদের সাথেও নয়।
দিনের বাকী সময়টা নিজের গভীরে প্রশান্তিতে আরাম করে, এই অভিজ্ঞতাকে আস্বাদন করতে করতে, নীরবে কাটাও।
প্রক্রিয়া : প্রকৃতির সাথে সংযুক্তি
প্রকৃতির প্রধান পাঁচটি উপাদানের (পঞ্চভূত) সাথে অবিশ্রাম অনুভূতির সংযুক্তিতে থাকার জন্য এখানে একটি শক্তিশালী ধ্যান প্রক্রিয়া দেওয়া হল।
প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে
মানবদেহ সম্পূর্ণরূপে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সাথে গভীর ও অখণ্ড সংযুক্তিতে আছে।
তৈত্তরিয় উপনিষদে একটা সুন্দর শ্লোক আছে :
তস্মাদ বা এতস্মাদ্ আত্মন আকাশঃ সম্ভূতঃ আকাশাদ্ বায়ুঃ, বায়োর অগ্নিঃ, অগ্নের অপঃ, অদভ্যঃ পথিবী পথিব্যা ঔষধয়ঃ ...
শোকটি বর্ণনা করে কিভাবে পঞ্চভূত - ক্ষিতি (পথ্যী, মাটি, অপ (জল), তেজ (অগ্নি), মরুৎ (বায়ু), ব্যোম (আকাশ)- এই মহাবিশ্বের মূল ভিত্তিগুলি সৃষ্ট হয়েছে।
পরিবেশক্রম, যিনি বাতাসের মূল নীতিগুলির সাথে সংগতিপূর্ণ, বায়ু আমাদের শ্বাসপ্রশ্নাসের সাথে সংগতি
| বকাণি মূल्ন থাকৃষ্ণিক মূমা थ্রণকোকন্ন कन्न; বন, বক অরণ্য বা একটা উপত্যকা।
| সেই স্থানে দাঁড়িয়ে নিজেকে সেই দৃশ্যের অংশ হিসাবে দ্যাখ। | | এখন ধীরে ধীরে প্রত্যক্ষ কর তোমার শরীর অল্প অল্প করে ভেঙ্গে মাটিতে মিশে যাচ্ছে। | | তুনি পৃথ্যী হয়ে যাচ্ছ! | | তুমি হয়ে গেছ পৃথিবী, মাটি। | | তোমার নিজের ঠাণ্ডা অন্ধকারময় গভীরতা অনুভব কর। | | পৃথ্যী এক খুবই গোপন রহস্য! | | ঠাণ্ডা বৃষ্টিকে তোমার গভীরে চোয়ানো উপভোগ কর। | | মাটির সুবাস নিজে উপভোগ কর। | | তোমার ভিতরে জীবনের উচ্ছলতা অনুভব করছ কি? | | স্পষ্টভাবে অনুভব কর তোমার ওপরে বৃক্ষসকল বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাদের শিকর তোমার গভীরে যাচ্ছে। | | তুমি কি তাদের নড়াচড়া তোমার ভিতরে অনুভব করতে পারছ? | | তারা বাতাসে আন্দোলিত হচ্ছে, কিন্তু তারা সুরক্ষিতভাবে তোমার মধ্যে শিকর গেড়ে আছে। | | তুমি কঠিন ও অনড়। তুমি রক্ষাকর্তা ও জীবনদাতা। |
তুমি পৃথ্বীমাতা।
এই অভিজ্ঞতা সহকারে কিছুক্ষণ থাক।
ধীরে ধীরে নিজেতে ফিরে আস।
কিছুক্ষণ চোখ বুজে থাক ও নিজের আকারকে পুনরায় প্রত্যক্ষ করে।
যখন জুसि निर्जन मनीतिवन স্বস্তিতে থেকে তোমার চোখ খোল।
জলের ধ্যান
সময় : ২১ মিনিট
নিৰ্দেশাৰলী
একটা নীরব জায়গায় চোখ বুজে বসো।
তোমার নিকটে জলস্রোতের মৃদ্ধ ধ্বনি কল্পনা কর।
তুমি এক প্রবাহ বা নদীর কুলকুল ধ্বনি শুনতে পাচ্ছ।
তুমি এই শব্দে মিশে যাচ্ছ।
তোমার শরীর ধীরে ধীরে জলে দ্রবীভূত হয়ে যাচ্ছে।
তুমি নদী হয়ে গেছ!
নিজেকে প্রবহমান জল হিসাবে অভিজ্ঞতা কর।
তরল হবার নির্মল আনন্দ অনুভব করা!
অনুভূ তি-সংযুতির গ্রন্থ অনুভূ তি-সংযুতির গ্রন্থ
অগ্নি ধ্যান
সময় : ২১ মিনিট
নিৰ্দেশাৰলী
भुজাक कव অগ্নিশিখা তোমার হৃদয় অঞ্চলে উজ্জ্বলভাবে জ্বলছে।
প্রত্যক্ষ কর সেই শিখা আকারে বাড়ছে। সেটা তোমার শরীরের ভিতরে ছড়িয়ে পড়ছে।
তোমার অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলিকে সেই শিখা ভরিয়ে দিচ্ছে।
তুমি কোন উত্তাপ বা বেদনা অনুভব করছ না কারণ তোমার দেহ হয়ে গেছে অমূলক।
এখন কোন দেহ নেই, কেবল অগ্নিশিখা।
তুমি অগ্নিশিখা হয়ে যাচ্ছ!
তুমি বিশাল অগ্নি হয়ে গেছ, তোমার শিখাগুলি উজ্জ্বল কমলা রঙের।
তোমার শত শত নৃত্যরত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও জিহ্বা !
তোমার শিখার জিহ্বা বায়ুকে লেহন করছে।
তুই কি নিজের হিসহিসানি শুনতে পাচ্ছ?
দ্যাখো, স্বর্ণবর্ণ দীপ্তি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে।
তোমার থেকে বিকিরিত উষ্ণতাকে অনুভব কর।
জীবন बजाय वाथाव जना जातान वालाव वालाक उ জেখ্যা প্রদান করার ক্ষমতা আছে।
পুড়িয়ে ফেলার ও ধ্বংস করার ক্ষমতাও তোমার আছে।
তোমার নৃত্যের গতিবিধি, শক্তি ও ক্ষমতাকে উপভোগ কর!
এই অভিজ্ঞতা সহকারে কিছুক্ষণ থাক।
ধীরে ধীরে নিজের মধ্যে ফিরে আস।
কিছুক্ষণ আকারকে আবার প্রত্যক্ষ করে।
নিজের শরীরের ভিতরে আরাম বোধ করলে স্বস্তিতে তোমার চোখ খোল।
বায়ু ধ্যান
সময় : ২১ মিনিট
নিৰ্দেশ্যৰলী
চোখ বন্ধ করে পা ভাঁজ করে বসো।
निर्जन দোলাও, যেন বাতাসে একটি ফুল।
তোমার মধ্য দিয়ে বাতাসের তরঙ্গায়িত হওয়া অনুভব কর।
তোমার দেহ পালকের মত হালকা হয়েছে; তাকে হাওয়া বহন করে নিয়ে যাচ্ছে। তোমার দেহ বাতাসে সুরভির মত মিশে যাচ্ছে।
তুমি তোমার দেহকে আর অনুভব করতে পারছ না !
তুমি বায়ু হয়ে গেছ।
নিজের লঘুতাকে, নিজের ক্রীড়াপরায়ণতাকে অনুভব কর।
খালি জায়গাতে তুমি যে শণ শণ আওয়াজ করছ তা শ্রবণ কর।
তোমার হৃদয়ে যে সূক্ষ্ম সুবাস তুমি বহন করছ তা উপভোগ কর।
তুমি ঝাঁপ দিচ্ছ, ক্ষিপ্র বেগে বইছ, কেবল নিজের সাথে ক্রীড়া করছ।
দ্যাখো, একটা পালক!
তুমি সেটাকে উঠিয়ে নিলে এবং তোমার প্রবাহে তাকে উড়িয়ে নিয়ে চলছ।
তোমার কোনও আকার নেই, তাই তুমি যে কোন জায়গাতে যেতে পার, সর্বত্র ছড়িয়ে যাচ্ছ।
তোমার কোন অভিমুখ নেই!
তুমি স্বতন্ত্র।
তোমার ক্রীড়া কিছুক্ষণ উপভোগ কর।
ধীরে ধীরে নিজের মধ্যে ফিরে আস।
কিছুক্ষণ তোমার চোখ বুজে থাক এবং প্রত্যক্ষ কর যে তুমি আবার তোমার আকারে ফিরে আসছ।
যখন জুसि জান मनीদवन স্বস্তিতে তোমার চোখ খোল।
আকাশ ধ্যান
সময় : ২১ মিনিট
নিৰ্দেশ্যৰলী
তোমার ধ্যানের জন্য এক নীরব জায়গা বেছে নাও।
চোখ বন্ধ কর এবং কিছুক্ষণ একদম স্থির হয়ে থাক।
এখন হাতের দুটি তালুকে মাথাতে আন ও তোমার কানদুটিকে ধীরে বন্ধ কর।
তুমি কি তোমার ভিতরে আকাশের প্রতিধ্বনি শুনতে পাচ্ছ? সেই প্রতিধ্বনি তোমার সম্পূর্ণ দেহের ভিতরে অনুরণিত হচ্ছে। তোমার শরীর শূন্য হয়ে গেছে। তার ভিতরে কেবল আকাশ আছে।
তোমার শরীরের সীমা ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাচ্ছে।
ভিতরের আকাশ ও বাইরের আকাশ মিশে যাচ্ছে ...
তুমি আকাশ হয়ে গেছ!
তুমি হয়ে গেছ আকাশ, বিশুদ্ধ ও প্রসারণশীল।
তোমার চরম আকারহীনতা, তোমার নীরবতাকে অনুভব কর।
তুমি সব দিকে, অসীম!
তুমি সুক্ষ্ম, অদৃশ্য ও স্পৰ্শাতীত।
তুমি সর্বত্র ও কোথাও নেই।
তোমাকে কে অভিজ্ঞতা করতে পারে?
তোমার একাকীত্বের মহিমাকে উপভোগ কর।
এই নীরবতায় কিছুক্ষণ স্থির হয়ে থাক।
ধীরে ধীরে নিজের মধ্যে ফিরে আস।
কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ করে থাক এবং প্রতক্ষ কর যে তুমি আবার তোমার আকারে ফিরে আসছ।
যখন তুমি তোমার শরীরের ভিতরে আরাম বোধ কর, স্বস্তিতে চোখ খোল।
প্রক্রিয়া : জীবনের সাথে সংযুক্ত হওয়া
জীবर्तन मार्थ मश्यूकि जनून कनाव जना वर्थाटन वर्काणि শক্তিশালী ধ্যান দেওয়া হল :
এই প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে
একটি অনির্বচনীয় সুন্দর ধ্যান; এটা ধ্যানের চেয়ে বরং এক প্ৰাৰ্থনা!
সমগ্র অস্তিত্বের শক্তির সাথে সংযুক্ত অনুভব করার জন্য এই शानाणि वक मनामवि भक्ति। वाणि जामाদक जूनीय বায়राव সীমাতে নিয়ে যায় যেখানে তুমি সম্পূর্ণ সজাগতার অবস্থায় কোন চিন্তা ছাড়া থাক।
এই ধ্যানটি অভ্যাস করার সবচেয়ে ভাল সময় হল রাতে ঘুমাতে यावाव घाटन। यदि मिटनव दिलाय कन, निष्ठिक कब या धानिरित भट्व भटनव सिनिणे विद्यास कवर्त याटक माकिटक वजील्टूण कबा याय, तजूना कर्यक घण्टी धरव रूसि तनমাংগ্রত্যन्स মণ वन्श्राय থাকবে!
এই ধ্যান শরীরের মধ্যে শক্তির সঞ্চলনের অসাধারণ উন্নতিসাধন করে।
बरे थान कवटल त्यन्न सम्बन्ध मन्भाकिक मतल मामणा मरखारे सिलिया यादव, यररणू व्यव्यवस्थान मूल्य मूलाशान करक्क वरण मर्वाधिक मण्डि याया।
এটা সাতবার পুনরাবৃত্তি কর।
প্রতিবার সাতটি প্রধান চক্রতে শক্তির সঞ্চার হয়।
यदि वर्ण माणवादवन विभी कन, जूसि র্যাণ ব্যবিদ্যালয় বিক অনুভব করবে এবং অস্থির হবে।
তোমার প্রার্থনা শেষ করলে সেই প্রার্থনাময় অবস্থায় ঘুমাতে যাও। সেই শক্তির মধ্যে থেকে ঘুমাতে যাও। যখন জেগে উঠবে নিজেকে ঝরঝরে ও নবতেজোদ্দীপ্ত লাগবে।
এই প্রক্রিয়া অভ্যাস করার সময় অস্তিত্ব এবং তোমার মধ্যে এক মুক্ত 3 जीवन मश्यूकिन मुष्टि রয়। কুলि কানবাদশিক वानक অনুভব কর এবং প্রতিটি দিন হয়ে যায় উৎসব উদ্যাপন!
প্রক্রিয়া : অস্তিত্তের সাথে সংযুক্ত হওয়া
অস্তিত্বের সবকিছুর সাথে সংযুক্তি অভিজ্ঞতা করার জন্য এখানে একটি শক্তিশালী ধ্যান দেওয়া হল।
এই প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে
তোমার সমস্ত দুঃখদুর্দশার মূল হল তোমার চারপাশে সবকিছু (श्क विष्णित रूय निर्जाक एक कठिन माऊ मण्डा जनून कबा। সেজন্য বিশ্বে তোমার চারপাশে সবার সাথে অনুভূতি সহকারে তোমার সাড়া দেবার সম্ভাবনা বন্ধ থাকে।
প্রকৃত সংবেদনশীলতা হল তোমার মধ্যে মহাজগতের সুক্ম काजधुलिटक वनून कवान मामर्थ; ममा-भविवर्णनगोल मशाऊनरजव मटन বেक्काटन कलान मामय। যখন कूलि মमाथ মহাজগতকে চৈতন্যের একটি বিরাট প্রকাশ বলে অভিজ্ঞতা কর, যখন कूलि जानाव कानमार्मन मनकिछूटक जीवर्तन स्मून অনুভব করতে পার, তুমি প্রকৃত সংবেদনশীলতা লাভ করেছ।
এটা যখন ঘটে, তুমি তোমার ব্যক্তিত্বের ভার ফেলে দেবে এবং এক হালকা ও পরমানন্দময় সত্তা হয়ে জীবনযাপন করবে।
সময় : ২১ মিনিট
নিৰ্দেশ্যৰলী
তোমার চোখ বন্ধ করে আরাম করে বসো।
मुखिट्ठ थाक, किन्तु मण्क उ मजाग थाका छूति मटठकनजारव সজাগতা অভ্যাস করতে চলেছ!
প্রথমে নিজেকে নিয়ে শুরু কর।
তোমার শরীর সম্পর্কে সজাগ হও।
তোমার শরীরের সজীবতা অনুভব কর।
তোমার ভাবা মত দেহ তেমন অনমনীয় নয়! যখন তোমার চোখ বন্ধ, তুমি সজাগ হবে যে তোমার শরীর সুক্ষুভাবে আকারআকৃতি পরিবর্তন करव, जानी वा लघु रय, भुजाबिक वा मरকুर्णि रया। বর্ণलि मम्भटक তোমার ধারণা অটল থাকে, আর সেইজন্য তুমি এই পরিবর্তগুলিকে লক্ষ্য কর না।
যখন সজাগ হও। অনুভব কর, তোমার নাসিকাছিদ্র দিয়ে জীবনীশক্তি প্রবেশ করছে। তোমার ভিতরে প্রাণ-এর স্পন্দন অনুভব কর।
তোমার দেহের প্রতিটি কোষে প্রগাঢ়ভাবে জীবন্ত অনুভব কর।
তোমার শরীরে মধ্যে জীবনের স্পন্দনকে স্বাগত কর।
এখন তোমার সজাগতাকে তোমার বাইরে নিয়ে যাও।
यदि क्यात्व वटन घाण, जब क्यानवि मम्भर्क मजाग र उ, यन लिंग्टन থেকে।
भण्यक कव छूसि रमरे क्यारबन सत्या मजोव। जनून कन, ত्यून চেয়ারের মধ্যে তুমি জীবন্ত, যেভাবে তুমি তোমার নিজের তুকের ভিতরে সজীব অনুভব কর।
যেভাবে তুরকর ভিতরে সজীব অনুভব কর, একই প্রগাঢ়তা সহকারে সেই চেয়ারটির ভিতরে জীবন্ত অনুভব কর।
याजादव द्वासान मनोदवन कित्वन कोवन स्वास्थ्य राज्य बनरे कारव करे
क्यावाजिक ভিতরের জীবনের মত সেই চেয়ারেও জীবন বিকিরিত হচ্ছে।
যদিও প্রথম প্রথম ব্যাপারটা বিস্ময়কর লাগবে, তবু প্রত্যক্ষীকরণ করতে থাক।
এটা কল্পনা নয়; এটাই সত্য। তোমার চোখ সাধারণত যে সত্য দেখতে পারে না তা উপলব্ধি করা করার জন্যই এই প্রত্যক্ষীকরণ।
বक्वान निर्जाक बरे क्यारबन किक्टन मजोव वनुस्त कबरण भावल ধীরে ধীরে তোমার সজাগতা অন্য জিনিষগুলির দিকে নিয়ে যাও।
তোমার চারপাশে বসে থাকা মানুষদের উপস্থিতি অনুভব কর এবং जारमन कित्रत निर्फतक वकरेंडारव जीवन्स वनून कब राजादव কूसि নিজের শরীরের ভিতরে কর।
তুমি প্রতিটি মানুষের ভিতরে জীবন্ত আছ তা অভিজ্ঞতা করার জন্য কিছু সময় নাও।
এখন তোমার সজাগতাকে আরাম করে প্রসারিত কর।
जनून कव य जूसि घटनव मनकिकूट विशाण्ड़ता मजोव घार - घरवन আসবাবপত্তগুলিতে, মেঝেতে, বাইরে বাগানে ফুলগুলিতে, এমনকি আকাশেও।
এই অভিজ্ঞতাকে তোমার সাথে সর্বদা বহন কর।
এই প্রক্রিয়া ২১ দিন পুনরাবৃত্তি কর।
অবিশ্রাম অনুভূতির সংযুক্তি সহকারে বাস করার জন্য তোমার ক্ষমতার এক বিরাট রূপান্তর দেখতে পাবে।
- Yogic science of inter-converting energy and matte impossible to duplicate in modern science
- Vibhooti, kumkum, honey etc. materializing on sacred objects and deities worldwide by a blessing from THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM
- People worldwide are experiencing these miracles from thousands of miles away
- Materialized objects have strong positive vibrations and healing properties
Living Without Eating Niraahaara Sammyama
- Hundreds worldwide are successfully living without food since August 2012!!
- Personal initiation by THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM into hunger-free sammyama
- Awakens the body's ability to live on prana like trees and p.
- Breaks deep-rooted food patterns without the need for fasting
- An effortless weight loss technique & powerful spiritual practice
অনুভূতি – সংযুক্তির গ্রন্থ
INTERNATIONAL HEADQUARTERS OF NITHYANANDA DHYANAPEETAM located near Bangalore, Asia's fastest growing city
Ancient Banyan Tree
- A kalpa vriksha (boon giving tree) that has manifested millions of sincere proyers till date Body and mind are calmed and refreshed by the powerful positive vibrations here Thousands experience miraculous healing of diseases by meditating under this tree Lord Dakshinamurti graces the space and radiates blessings to all
Nithyanandeshwara-Nithyanandeshwari Temple
- · Deities of Shiva & Devi measuring 7 1/2 feet in height and weighing 2 1/2 tons
- · Deities are made out of panchaloha (combination of five metals)
- A rare ancient swayambhu lingam found under the banyan tree is consecrated here
- · Thousands gather for worship here on special occasions
Nithyananda Lingam & Vaidya Sarovar
heal many diseases
- Majestic 21-foot shivalingam which has beenmade using Nava Pashana (a strong natural medicine made of healing herbs) and 1008 sacred herbs.
-
Water from six fountains bathes the lingam and falls into Vaidya Sarovar, the healing pool below Even a single dip in this medicinal water can