1. Living Enlightenment (Gospel of Paramahamsa Nithyananda)
মুখবন্ধ
বৈজ্ঞানিক সহ বহু বিখ্যাত বুদ্ধিজীবীরা ব্যক্ত করেছেন যে সাম্প্রতিক কালে মানব চেতনার জন্ন कि राज को ब्रक श्रम्भव मुनमुण्डिक एथा कुम्बन्धित यून (बज़ घर व्याकासाबियाम) হোক অথবা মায়ান-দের রূপকার্থে বিশ্বের সমাপ্ত হবার ভবিষ্যৎবাণী হোক - সেটা প্রশ্ন নয়।
প্রশ্ন হল, আমরা চেতনাকে কিভাবে সংজ্ঞায়িত করি? সামাজিক সত্তা হিসাবে আমাদের সারাজীবন তো নৈতিক ও আইনগত অনশাসন দ্বারা চালিত। নীতিবোধকেই সর্বদা वार्वाद्वत (কন্দশাস্তনেস) ভিন্ন।
আমাদের চাওয়া পার্থিব সুখের চেয়েও আমাদের জীবনে আরও কিছু আছে - চেতনা হল সেই সজাগতা। চেতনা আমাদের মধ্যে এমন এক প্রসারণ যা আমাদের বলে যে আমরা যা দেখি, তার থেকেও উচ্চতর কিছু আছে। সেটা অন্তরের সজাগতার এক আলোকসংকেত যা আমাদের এক অস্তিমান অবস্থায় গাইড করে এবং আমাদের উপলব্ধি করায় যে আমরা নিজেদের যা ভাবি তার থেকেও আমরা আরও অনেক বেশী কিছু।
মানুষ এক জৈব-মেশিনের চেয়েও অনেক বেশী কিছু। সেইজন্য সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পিউটার মানুষকে প্রতিস্থাপন করতে পারবে না। সেটা মন ও দেহকে প্রতিস্থাপন করতে পারে, কিন্তু মানব সত্তার শক্তিকে নয়। এটা হয়ত সত্য যে আমরা পশু থেকে আরোহণ করেছি, কিন্তু এটা সত্য যে আমরা আরও এগিয়ে যেতে পারি।
স্মরণাতীত কাল থেকে সমস্ত সংস্কৃতির জ্ঞানী ব্যক্তিরা এই সহজ অথচ দুরধিগম্য ব্যাপারটাকে নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করেছেন যে 'আমাদের ভিতরে কি আছে'। 'আমি কে' - বহু সন্তগণ তাতে কেন্দ্রিত ছিলেন। অনেকে সেই উত্তর পেয়েছেন। তাঁদের উত্তরগুলি হল অভিজ্ঞতামূলক। মহান ধর্মশাস্তকলি হল আমাদের জন্য এই মহান মাস্টারদের অভিজ্ঞতার প্রকাশ। মাস্টারগণ সশরীরে থাকাকালীন তাঁরা নিজেরাই হলেন অভিজ্ঞতা যা আমরা শেয়ার করতে পারি।
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM এমনই এক অভিজ্ঞতা।
এখন (২০০৯ সাল) পর্যন্ত THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM দ্বারা প্রকাশিত প্রাজ্জতার সুগন্ধসারের প্রথম খণ্ড হল এই বইটি। তিনি নানা সুসংবদ্ধ প্রোগ্রা মে ভাষণ দিয়েছেন। তিনি ভগবদগীতার মত মহান শাস্ত্রের ওপরে ভাষ্য রেখেছেন এবং গত পাঁচ বছর ধরে বিরাট জনসভায় ও ছোট একান্ত গ্রুপে ভাষণ দিয়েছেন। এই বইটি তাঁর শিক্ষার সুগন্ধসার।
আমরা যেভাবে ব্যবহার করি, তা কেন করি? - এই বইটি আপনাকে সেই বোধের মধ্য দিয়ে নিয়ে যাবে এবং ব্যাখ্যা করবে যে কিভাবে আমরা আমাদের কার্য করার ধরণ পরিবর্তন করতে পারি যাতে আমরা মহাবিশ্বের শক্তির সাথে সমলয়ে থাকি। এই বইয়ে দেওয়া ধ্যান প্রক্রিয়াগুলি আপনাকে এই সমলয় অভিজ্ঞতা করতে সহায়তা করবে।
আমরা আমাদের বাইরের শক্তির সাথে একতে আছি - এই বোধ ও অভিজ্ঞতা আমাদের वासना सेनाली कवि य वास्ता थ्रणिकि वालिब माथ जान मरकार, बढ़, जाया, धर्माणवत्ता वा जाणि निर्विट्यात्व बना जाति कार्य का कि य আমরা সবাই একই মহাবিশ্বের মহাসাগরে ওঠা তরঙ্গহিল্লোল।
এই অভিজ্ঞতাই জীবনমক্তি (লিভিং এন লাইটেনমেন্ট)। এই অভিজ্ঞতাই THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM।
यामिड व्यायाणुलिक एक विनारम गठन कवा रायरर, घाननि जाभवान भूषण्ड विषय অনুসারে আগে-পিছে ইচ্ছামত পড়তে পারেন। সমস্ত অধ্যায়গুলি জীবনমুক্তির সাধারণ সত্র দ্বারা পরস্পরসংযুক্ত। প্রতিটি অধ্যায় হল অভিজ্ঞতা করার জন্য এক স্বতন্ত্র পথ, তা আনুক্রমিক ধাপ নয়। এই বইতে উল্লেখিত বিভিন্ন ব্যক্তি ও স্থানের নাম সহ বিভিন্ন শব্দের ব্যাখ্যা বইয়ের শেষে টীকাপুঞ্জে করা হয়েছে।
আপনি অভিজ্ঞতার আরও গভীরে প্রবেশ করলে এবং একই মানসিকতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের সাথে মিশতে পারবেন। আপনি বিশ্বব্যাপী THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM সঙ্গের শত কেন্দ্রের যেকোন কেন্দ্রে যোগদান করতে পারেন এবং যারা বাস্তবিক এই পথে আছে, তাদের সাথে মিথস্ক্রিয়া করতে পারেন।
এই বইটি হল অস্তিমান সত্যের পথে এক চমকপ্রদ যাত্রা এবং এই সহস্রাব্দের এক জীবনমুক্ত মাস্টার প্রদত্ত এক উপহার।
- নিত্যানন্দ প্রকাশনা
ভূমিকা
যদি তুমি এখানে আছ, তার মানে এই যে অস্তিত্ব চায় তুমি এখানে এই আকারে থাক। তুমি এক দুৰ্ঘটনা নও, তুমি এক ঘটনা। তুমি অস্তিতের এক সচেতন অলৌকিক ঘটনা। ভেবো না যে এটা পসিটিভ থিঙ্কিং অর্থাৎ সকারাত্মক চিন্তা। এটা অকপট ও সরল সত্য। যদি তুমি এই সত্যের ওপরে আস্থা রাখ, তুমি জীবনকে তার চরান্তে অভিজ্ঞতা করতে আরম্ভ করবে।
এটা বোঝ, অস্তিত তোমার মধ্য দিয়ে নিজেকে অভিযুক্ত করার চেষ্টা করছে। যাকে তুমি তোমার সম্ভাবনা (পোটেনশিয়াল) বল তা তোমার মধ্য দিয়ে অস্তিত্বের প্রকাশ হওয়া ছাড়া আর কিছুই নয়। যখন তুমি অস্তিত্বের সাথে একাত্ম হতে শুরু করবে, যখন তুমি অস্তিত্বের পরিপূর্ণতা হতে শুরু কর, তুমি শক্তিযোগ হয়ে যাও, যা তোমাকে জীবনমুক্তি দেয়। জীবনমুক্তি হল বাস্তবিক মহাবিশ্বের সাথে একাত্ম হওয়া, জীবনের অলৌকিক ঘটনাবলীর সাথে সমলয়ে থাকা।
এভাবে জীবন যাপন করলে দেখবে, কোন ব্যক্তিগত বাধা নেই, কোন আবেগের বোঝা নেই, জীবনে তোমাকে কিছুই আটকে রাখে না। জীবন নদীর মত অবিশ্রাম বয়ে চলে, প্রতিটি মুহূর্তে আনন্দ ও পরিপূর্ণতা সহকারে।
এই বইতে, ব্যক্তিগত বাধা অতিক্রম করার জন্য ও আবেগজনিত দন্দ্বের সমাধান করার জন্য তুমি গভীরতর সত্য ও শক্তিশালী প্রক্রিয়া পাবে। যে সত্যসকল এই অসীম মহাজগতে তোমার প্রাসঙ্গিকতার রহস্য উন্মোচন করে, এখানে তুমি তাদের সন্ধান পাবে ও তুমি সচেতনতার আরও উচ্চতর স্তরে চলতে শুরু করবে।
যে এক পরিপূর্ণ জীবনযাপন করতে আকাঙ্কা করে, এই বই তার জন্য। এটা অহং, অস্তিত্ব ও অভিজ্ঞতার মধ্যে এক সেতুবন্ধন তৈরি করে। এর মাধ্যমে তুমি সচেতনভাবে জীবনকে অভিজ্ঞতা করা শুরু করার জন্য প্রস্তুত হবে। এই বইটি নিম্নলিখিত অভিজ্ঞতাগুলি দেবার জন্য :
শক্তি : জীবনে যা কিছু তোমার পরিবর্তন করা দরকার সেগুলিকে বোঝার ও পরিবর্তন করার শক্তি
বুদ্ধি : জীবনে যা কিছু তোমার পরিবর্তন করার দরকার নেই সেগুলিকে বোঝার ও মেনে নেবার বুদ্ধিমতা
যুক্তি : তুমি যতই পরিবর্তন কর না কেন, যাকে তুমি বাস্তবতা বলে দেখা তা নিজেই অবিশ্রাম পরিবর্তিত হচ্ছে - এটা স্পষ্ট করে বোঝা ও উপলব্ধি করার যুক্তি
ভক্তি : যা অপরিবর্তনীয়, নিত্য ও পরম, তার সাথে গভীর সংযোগ অনুভব করার জন্য ভক্তি মুক্তি : এই চারটির একাঙ্গীভবন ও জীবনমুক্তিতে পরম মুক্তি।
-THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM
মনস্তত্ত্ব ব্যাখ্যা করে যে চিন্তার উদয় হয় মস্তিষ্কে এবং আবেগ আসে হৃদয় থেকে। তাদের যেখান থেকেই উদয় হোক না কেন, চিন্তা ও আবেগ অবিচ্ছেদ্য। প্রাচীন শাস্ত্রসমূহ বলে যে চিন্তা আমাদের সৃষ্টি করেছে। আবেগও তাই করেছে। আমাদের আবেগ অনুযায়ী আমরা 'আমরা' হই। আমাদের আবেগগুলি পরিচালনা করা আমাদের জীবন রূপান্তরিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জীবনমুক্তি হল সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মুক্তি
প্রেম কি?
যখন আমরা কারো দিকে তাকাই, প্রথমেই আমরা হিসাব করতে থাকি যে সে আমাদের জন্য কি করতে পারে অথবা সেই ব্যক্তি আমাদের কাছ থেকে কি চায়, তাতে কিছু যায় আসে না। ভয় অথবা লোভের মধ্য দিয়ে আমাদের চিন্তা কাজ করতে থাকে ও আমরা ভাবি ভবিষ্যতে আমাদের জন্য কি অপেক্ষা করছে। আমাদের মনোযোগ কেবল সেই বস্তুতে বা মানুষটিতে কেন্দ্রীভূত হয়।
এটা সম্ভব যে আমরা আমাদের মনোনিবেশ আমাদের অন্তর্জগতের ঘোরাই ও জিজ্ঞাসা করি, 'আমি কি প্রদান করতে পারি?', 'আমি কি মূল্যায়ন করতে পারি?', 'আমি কিভাবে অন্যদের সমৃদ্ধ করতে পারি?'। কেবল প্রক্রিয়াটিকে লালসা পরিচালিত করছে। যদি প্রক্রিয়া জিজ্ঞাসা করে 'কিভাবে আমি তাকে সমৃদ্ধ করতে পারি?', তাহলে সেটা প্রেম দ্বারা চালিত! লালসা এক শক্তি যা দাবী করে। প্রেম এক শক্তি যে প্রদান করে।
সত্যকথা বলতে গেলে, প্রেমের সঠিক সংজ্ঞা দেওয়া খুব কঠিন। নিছক শব্দ তাকে সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করতে পারে না। তবে এখানে ওখানে কিছু শব্দ ব্যবহার করার চেষ্টা করব যাতে তোমরা ধারণা করতে পার যে প্রেম আসলে কি।
মানুষের জীবনে প্রেম এক দুর্লভ ঘটনা। বাসনা ঘটনার থেকে অনেক বেশী ব্যক্ত। বাসনা এক পছন্দ। আমরা ভাবি যে প্রেমের অভিজ্ঞতা ও অভিব্যক্তি হ'ল এক পছন্দ। আমরা ভাবি যদি আমরা বাসনা অনুভব করি তবে আমরা বাসনাকে গ্রহণ করতে পারি; নতুবা আমরা প্রেমকে যেতে দিতে পারি। না! আমাদের ভাবা অনুযায়ী প্রেম কোন বেছে নেওয়ার ব্যাপার নয়। এটা জীবনের এক মৌলিক আবশ্যকতা।
যখন আমি বলি জীবন, আমি কেবল শ্বাসপ্রশ্বাস নেওয়া ও বেঁচে থাকার কথা বোঝাচ্ছি না। আমি একদম অন্তরতম সত্তাস্তরে জীবন থাকার কথা বলছি। জীবন তখনই সম্ভব হয়ে ওঠে যদি তুমি প্রেম প্রকাশ করতে পার, যদি তুমি প্রেম অভিজ্ঞতা করতে পার, সেটাই সচেতনতা হয়ে জীবন্ত থাকার একমাত্র উপায়। যদি তুমি প্রেম অভিজ্ঞতা ও অভিব্যক্ত না কর, তবে তুমি শ্বাস নাও ও প্রমাণ দাও যে তুমি জীবিত আছ, কিন্তু তুমি নিজেকে এক জীবন্ত সত্তা বলতে পার না। কত রকম জীব, জন্তু, গাছপালা ও অন্যান্য জিনিষ রোজ শাসপ্রশ্বাস নেয়। তুমি তাদের মতই বিদ্যমান থাকবে, ব্যাস।
একটা ছোট গল্প :
এক শিষ্য জেন মাস্টারকে জিজ্ঞাসা করল, 'জীবনমুক্ত মাস্টার কি কথা বলেন? '
মাস্টার বললেন, মাস্টার কখনও কথা বলেন না। একমাত্র যে ব্যক্তি জীবনমুক্তি জানে না সেই কথা বলে। '
তারপর শিষ্য জিজ্ঞাসা করে, 'তাহলে একজন জীবনমুক্ত মাস্টার কি নীরব হয়ে থাকেন?'
মাস্টার বললেন, 'না, জীবনমুক্ত মাস্টার কখনও নীরবে থাকেন না। যদি তিনি নীরব হয়ে থাকেন তিনি জীবনমুক্ত নন।'
শিষ্য রাগান্বিত হয়ে জিজ্ঞাসা করল, 'আপনি বলছেন তিনি কথা বলেন না আবার নীরবও থাকেন না, তিনি তবে করেন কি?'
মাস্টার উত্তর দিলেন, 'তিনি গান করেন! তাঁর সত্তা গান করে। তিনি বলেন না, আবার নীরবও থাকেন না। তাঁর শুদ্ধ সত্তা গান গায়।'
প্রেম হ'ল মানুষের চরম অভিজ্ঞতা। তুমি সেই অভিজ্ঞতাকে পরিচালিত করতে পারবে না, সেই শক্তি স্বয়ম্ভূ। মাস্টার তাই বুঝিয়েছেন। যখন সেই অভিজ্ঞতা আমাদের আবিষ্ট করে, আমরা যাই করি, তা সুন্দর হয়ে যায় এবং মুক্ত হয়। যা কথা আমরা বলব, তা হয়ে যাবে কবিতা। আমাদের সত্তা অনেক হালকা হয়ে যাবে। আমরা সহজেই অন্যদের সাথে যোগাযোগ করতে পারব। আমাদের দেহের ভাষা সাবলীলতা ও মাধুর্য বিকিরণ করবে। আমাদের সমস্ত প্রকাশ হয়ে যাবে মহান মানবসেবা।
সব মানুষই প্রেম-সত্তা হয়ে জন্ম নেয়। এক নবজাতক শিশু কারণরহিত প্রেম বিকিরণ করে। সে কি তার জন্মের সময় আশেপাশে কাউকে চেনে? না! তার শক্তি হ'ল কারণহীন প্রেম। আমরা যখন বড় হই, সমাজ ধীরের ধীরে আমাদের ভিতরে ভয় ও লোভ সঞ্চারিত করে এবং লোভ ও ভয় দ্বারা আমাদের প্রেম চালিত হয়। তখন সেটা আর কারণরহিত প্রেম হয় না। সেটা হয় কারণ সহকারে প্রেম। তাতে দম আটকে যায়। আমরা অন্যান্য আবেগগুলি অনুভব করতে শুরু করি, যেমন ঈর্ষা, ভয় ও ঘৃণা। বাসনা কারণ সরবরাহ করে, যুক্তি সরবরাহ করে কিন্তু প্রেম কারণহীন। সজাগতা ও সচেতনতা সহকারে আমাদের আদি প্রেমকে ফিরে পাওয়া সম্ভব।
প্রেম সৃষ্টি করা যায় না
কেবল আমাদের যুক্তিসম্মত মীমাংসা দ্বারা কখনও প্রেম ঘটানো যায় না। আমাদের মানসিক গঠন এইভাবে সৃষ্টি করতে হবে যে আমরা প্রেম হয়ে যাই ও আমাদের কাজ প্রেম প্রকাশ করে। আমাদের যুক্তিকে এক প্রেম বিকিরণ করতে দাও। যুক্তিকে সেন্সর কোরো না! যখন আমাদের মধ্যে আসল প্রেম ঘটে, আমরা অবগত থাকব না যে আমরা প্রেম করছি। একমাত্র অন্যেরা অবগত থাকবে যে আমরা প্রেম বিকিরণ করছি।
যখন আসল প্রেম হয়, তখন আমরা আমাদের যা আছে তা অপরের সাথে শেয়ার করতে সাহস পাই। আমরা ভীষণ আস্থা লাভ করি কারণ আমরা জানি যে প্রেম আমার মধ্যে ঘটছে! মনি, মানি, প্ল্যানিং বা মানুষ -এগুলিকে আমরা কেবল তখন শেয়ার করতে পারি যখন আমরা উচ্ছ্বসিত হই। একইভাবে, প্রেম স্বতঃস্ফূর্তভাবে ঘটে, কখনো বাধ্যবাধকতা দ্বারা হয় না। যদি আমরা প্রেম সঙ্গীর চেষ্টা করি, সেটা হবে জোর করে কুঁডির পাপড়ি খুলে তাকে প্রস্ফুটিত করানো। তাকে কি প্রস্ফটন বলা যায়? না। প্রেম এক পুষ্প যা তোমার সত্তার গভীরে প্রস্ফটিত হয় এবং তার মিষ্টি গন্ধ চারদিকে ছড়ায় যা আমরা অপরের সাথে শেয়ার করি।
প্রেম পাঁচ প্রকার অস্থিরতা নিরাময় করে
'প্রেম' ব্যাখ্যা ও টিপ্পনি করে ভারী করে ফেলা হয়েছে। প্রথমে, স্বার্থহীন ও আধ্যাত্মিক প্রেমের ধারণাটা আনব না। সাধারণ সাদাসিধা প্রেমকে তার সমস্ত আধিপত্যপ্রবণতা, ঈর্ষা ও তার সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ভার্য্য বৈশিষ্ট্য সহকারে বিবেচনা করা অনেক ভাল করতে পারে। পরে আমরা স্বার্থহীন, আধ্যাত্মিক প্রেম ও পরিণত প্রেম আলোচনা করব।
একদিন আমি ম্যাগাজিনে একটি লেখা পড়ছিলাম। যার শীর্যক ছিল 'কিভাবে ধীরে ধীরে বুড়ো হয়'। জীবনকাল কমসে কম কুড়ি বছর বাড়াবার জন্য বিজ্ঞানীরা বারোটা পদ্ধতি আবিষ্কার করেন এবং তা স্টাটিস্টিক্স (পরিসংখ্যান) ও সার্ভে রিপোর্ট দ্বারা প্রমাণিত। এগারোটা পদ্ধতি প্রেমের সাথে সংযুক্ত। সেখানে লেখা ছিল যে একটা পোষা প্রাণীর যত্ন নিলেও আমাদের শরীরে কিছু হরমোন নিঃসৃত হয় যা আমাদের শরীরের পক্ষে আরামদায়ক। যদি পোষা প্রাণীকে ভালোবেসে এত কিছু লাভ করা যায়, পতি বা পত্নীকে যত্ন করলে তার চেয়ে বেশী উপকার হবে!
পরে নিবন্ধটি ব্যাখ্যা করে যে মানুষেরা কিভাবে যথাসময়ের পূর্বে মারা যায়। জীবনকে প্রেম দ্বারা কিভাবে প্রসারিত করা যায়। যাদের জীবনে ভালোবাসার কেউ থাকে তাদের হঠাৎ করে মারা যাবার সম্ভাবনা কম হয়। এমনকি যাকে আমরা সাধারণ প্রেম বলি, সেই প্রেমান্ধতা আমাদের দেহ ও মনের জন্য অভূতকাণ্ড করতে পারে; তা আমাদের নিরাময়তার ও সুস্থতার গভীর অনুভূতি দিতে পারে।
তন্ত্রমতে মানুষের পাঁচপ্রকার অস্থিরতা হয় এবং তাদের সবকটাকে নিরাময় করা যায় সাধারণ প্রেমের দ্বারা। এখানে আমি আধ্যাত্মিক প্রেম বা ভক্তি বা স্বার্থহীন প্রেমের কথা বলছি না। সেটা পরে আসে।
একটা ছোট গল্প :
স্কুলে একটি ছেলে তার ক্লাসের একটি মেয়ের সাথে প্রেমে পডল। একদিন ছেলেটিকে উগ্রবাদীরা অপহরণ করল এবং সীমা পার করে একটি ক্যাম্পে ট্রেনিংয়ের জন্য পাঠাল। কয়েক মাস পরে সন্ত্রাস ছড়ানোর জন্য সে তার দেশে ফিরে এল।
সে তার গ্রামে গেল ও দেখল যে তার প্রেমিকার পরিবারকে সন্ত্রাসবাদীরা মেরে ফেলেছে। সে মেয়েটির সাথে দেখা করল। মেয়েটি বলল যা কিছু হচ্ছে তা সে কত ঘৃণা করে এবং ছেলেটিকে সরকারের কাছে আত্মসমর্পণ করতে অনুরোধ করল। সে জানাল যে কেবল ছেলেটি সরকারের কাছে আত্মসমর্পণ করলেই সে তাকে বিয়ে করবে।
ছেলেটি সঙ্গে সঙ্গে আত্মসমর্পণ করল এবং স্বেচ্ছায় নিজের নাম লিখিয়ে আর্মিতে যোগদান করে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করল।
আমরা প্রথমে সরল ব্যবহারিক প্রেম সম্পর্কে আলোচনা করি যা তুমি কারো সাথে কোন কারণে শেয়ার কর। কারণটা হতে পারে, সেই ব্যক্তি তোমাকে কিছু সমস্যার সময়ে সাহায্য করবে অথবা তুমি সেই ব্যক্তিটির সাথে কেবল ভাল সম্বন্ধ বজায় রাখতে চাও। এইসব কোন কারণে তুমি প্রেম দেখাতে পার। এমনকি এই ধরণের প্রেমও তোমাকে নিম্নলিখিত পাঁচ প্রকার অস্থিরতা থেকে নিরাময় করে।
প্রথম প্রকার অস্থিরতা ঘটে তোমার পরিস্থিতির জন্য। কখনও এক নির্দিষ্ট স্থানে বা পরিস্থিতিতে তুমি অস্থিরতা অনুভব কর। সেই সময় যা ঘটা উচিত বা যা ঘটা কুলিং হওয়া উচিত, তা ঘটেনা। যখন তুমি কারো প্রতি প্রেমের ইশারা করে, অবিলম্বে তাতে তোমার ভাল হতে পারে, তাতে তোমার নিরাময় হতে পারে!
দ্বিতীয় প্রকার অস্থিরতা হল শারীরিক। শারীরিক অস্থিরতা হ'ল কোন কারণ বিনা তোমার শরীরে একটানা টেনশন। বলা হয় যে এই প্রকার টেনশন আলগা করা যায় যখন তুমি কারো প্রতি প্রেম প্রকাশ কর। তুমি জিজ্ঞাসা করতে পার, 'প্রেম কিভাবে শারীরিক টেনশন কমাতে পারে?'। কিন্তু একজন মা তার সন্তানের জন্য প্রেম অনুভব করা সত্ত্বেও মা সর্বদাই নবতেজোদ্দীপ্ত অনুভব করে। মায়েরা শিশুদের পালন করার জন্য মা তার টেনশনকে মানিয়ে নেবে। নতুবা শিশুদের যত্ন করা সোজা কাজ নয়!
নবতেজোদ্দীপ্ত হওয়া সম্ভব হয়, কারণ মা শিশুর জন্য প্রেম ও উৎসাহিত বোধ করে। যখন তুমি কারো দিকে হাসো, যখন কাউকে হাসিমুখ দেখাও, যখন কাউকে একবার হলেও, তোমার শারীরিক ভাষায় প্রেম জানাও, তখন শরীরের যে কোন টেনশন ও অস্থিরতা দুর হয়।
যখন তুমি প্রকৃতির নির্জন রূপকে ভালোবাসো, তাকে বলে বুদ্ধিমত্তা। যখন তুমি নির্জন রূপের মধ্যে বিশ্রাম কর, তখন আনন্দ অনুভূত হয়। যখন তুমি নিজেকে সত্তার মধ্যে বিশ্রাম করাও, সেটাকে গভীর রিলাক্সেশন অভিজ্ঞতা করা হয়। যখন তুমি কোন প্রকাশ না করে সত্তাতে রিলাকা কর, সেটা আনন্দ! প্রত্যেকটা একই শক্তি, কিন্তু চারটি ভিন্ন ভাবে অভিব্যক্ত।
জানো যারা যত্ন নেয়, তারা কুলিং শক্তিও প্রকাশ করে। প্রেম হ'ল ঘনীভূত যত্নশীল রূপ। সুতরাং যখন তুমি সহানুভূতি প্রকাশ কর, কুলিং শক্তিও তোমার মধ্যে ব্যক্ত হয়।
তুমি যখন কুলিং ঘটানোর রূপ, তুমি কেবল অন্যদের নিরাময় কর তা নয়, নিজেকেও নিরাময় করে।
তৃতীয় প্রকার অস্থিরতা হ'ল মানসিক। যে কোন মানসিক অস্থিরতা প্রেম দ্বারা নিরাময় করা যায়। গবেষণায় দেখা গেছে যে তুমি যখন পোষা প্রাণী বা বাচ্চাদের সাথে খেল ও তাদের যত্ন কর, প্রাণঘাতী রোগের সম্ভাবনা কমে যায়।
চতুর্থ আবেগজনিত। আবেগজনিত অস্থিরতা আলাদা। মানসিক অস্থিরতাকে মনস্তাত্ত্বিক পদ্ধতি অথবা যোগ দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিন্তু আবেগজনিত অস্থিরতাকে কেবল কয়েকটি সান্তনার শব্দ দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। তা নিরাময় করা যায় একমাত্র প্রেমের রূপে। যখন প্রেম বিকিরণ করা শুরু কর, তা তোমার মনকে নিরাময় করে। তোমার সত্তা এরূপ উচ্চতর শক্তির জন্য উন্মুক্ত হয়, তা আবেগজনিত অস্থিরতা নিরাময় করে।
সর্বশেষটি আধ্যাত্মিক অস্থিরতায়। অনেক মানুষ আছে যারা অপরের সাথে বসে থাকতে পারে, যারা টেলিভিশনের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটাতে পারে, কিন্তু তারা নিজেদের সাথে বসতে পারে না। তাদের আধ্যাত্মিক অস্থিরতা রয়েছে। আধ্যাত্মিক অস্থিরতা মানে তুমি নিজের সাথে বসতে ভালোবাসো না। নিজের সাথে কাটানোর থেকে তুমি অন্য সবাইকে সাক্ষাৎকারের জন্য সময় দাও!
তোমার শিক্ষক বা মাস্টারের প্রতি প্রেম তোমায় আধ্যাত্মিক অস্থিরতা থেকে নিরাময় করতে পারে। অনেকে আমায় বলে, 'স্বামীজী, কেবল আপনার সামনে বসে থাকলে আমাদের শান্ত অবস্থায় নিয়ে যায়, কিন্তু বাড়ী ফিরে গেলে সেই শান্তি বজায় রাখতে পারি না। এরকম কেন হয়?' যখন এক জীবনমুক্ত মাস্টারের সাথে সম্পর্কিত হও, তার প্রতি তোমার প্রেম প্রকাশ কর। তা তোমার আধ্যাত্মিক অস্থিরতাকে নিরাময় করে।
আমার কথা বলার সময় যদি লক্ষ্য করে থাক, আমি প্রায়ই শব্দের মাঝে লম্বা বিরতি দিই। আধ্যাত্মিক অস্থিরতাকে শান্ত করার জন্য কাজে লাগে। তুমি টেলিভিশনের সামনে আরামে বসে থাকতে সমর্থ হও কারণ কোন বিরাম ছাড়াই তথ্যসকল তোমার সত্তায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। তোমাকে তোমার অস্থিরতা অভিজ্ঞতা করার সুযোগ দেওয়া হয় না। যদি আমি তোমাদের কারণরহিত অস্থিরতাকে অনুভব করতে দেওয়া হয়, তুমি তা অভিজ্ঞতা কর না ও খুব সুখকর অনুভব করা।
কিন্তু যদি তোমরা বর্তমানে শব্দগুলি ও তার মাঝের বিরতিগুলি মন দিয়ে শোনো, তবে তোমাদের আধ্যাত্মিক অস্থিরতা কমে যাবে। যখন তোমরা সচেতনভাবে শব্দগুলি শোনো, শব্দগুলি কেবল তোমার মস্তিষ্ককে ছোঁবে তা নয়, এগুলি সরাসরি তোমার হৃদয়কেও স্পর্শ করবে। যদি তোমরা খুব বেশী চিন্তা ছাড়া আরামে থাক, তোমার সত্তা উন্মুক্ত হবে, তা সব কিছু আত্মভূত করবে ও তার নিরাময় হবে।
যদি তোমরা মন দিয়ে শোনো, তবে শ্রবণ করাই যথেষ্ট। তাহলে আলাদা করে ধ্যান করারও প্রয়োজন নেই। শ্রবণই তোমার ভিতরে একাগ্রতা সৃষ্টি করতে পারে। যদি তোমরা মন দিয়ে শুনতে না পার, তবে একাগ্র হওয়া কঠিন। মহান দার্শনিক জে কুষ্ণমূর্তি বলেন, 'শ্রবণই ঈশ্বর।' অস্থিরতা বিনা গভীর ও পূর্ণ শ্রবণ বিশ্বব্যাপী। তোমার সত্তায় গভীরভাবে তাকাও, মাস্টারের শুধুমাত্র উপস্থিতি যা তোমার মধ্যে প্রেম ঘটায়, তা আধ্যাত্মিক অস্থিরতা নিরাময় করে।
তাই এমনকি সহজ, স্বাভাবিক প্রেম সমস্ত পাঁচ প্রকার অস্থিরতাকে নিরাময় করে।
প্রেম বিরাট সাহস নিয়ে আসে
রামানুজের জীবনে একটি সুন্দর ঘটনা ঘটেছিল। রামানুজের জীবনকথা পড়লে জানবে কিভাবে তিনি তার জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ জীবনমুক্তির দিকে এগিয়ে যাবার জন্য নিতেন। রামানুজের জীবনে এই ঘটনাটি শোন :
রামানুজের গুরু তাঁকে দীক্ষা দিয়ে একটি বিশেষ মন্ত্র স্তব করতে শিখিয়েছিলেন। গুরু তাঁকে সেই মন্ত্রটি কাউকে বলতে বারণ করেছিলেন এবং বলেছিলেন যে রামানুজ সেটা করলে নরকে যাবে। রামানুজ জিজ্ঞাসা করলেন যে যাদের সাথে তিনি সেই মন্ত্র শেয়ার করবেন তাদের কি হবে। গুরু বলেন যে তারা মুক্তি পাবে।
আমরা হলে কি করে থাকতে পারি? স্বভাবত আমরা এই ভেবে চুপচাপ থাকতাম যে অনর্থক নরকে কেন যাব।
রামানুজ কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে মন্দিরের মঞ্চে দাঁড়িয়ে গ্রামের সমস্ত লোকেদের ডাকলেন। তিনি জোরে জোরে গুরুর দেওয়া সেই মন্ত্রের স্তব করতে লাগলেন এবং বললেন, 'তোমরা সবাই স্বর্গে যাও! আমি আমার নরকযাত্রা নিয়ে বিব্রত নই। তোমরা সবাই মুক্ত হও! '
यथन कूलि भड़ीनजादव (ভুটক घाণ, एकूलि অনুভব কর যে তোমার সমস্য সত্তা উন্মুক্ত এবং তুমি যে কারো জন্য যে কোন চরমসীমায় যেতে প্রস্তত। যেহেতু তোমার সত্যকে রক্ষা করার জন্য কিছুই নেই, তুমি যে কোন সীমায় যেতে তৈরি। তোমার সত্তা সম্পর্ণরূপে উন্মুক্ত। প্রেমে উন্মত হয়ে তুমি নিজেকে অরক্ষিত মনে কর না। সেইজন্য যারা প্রেমে আছে, তারা ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে। তারা ঝুঁকি নেয়, কারণ তারা মনে করে যে হারাবার কিছুই নেই। কোন কিছুতেই নিরাপত্তাহীনতা নেই। তারা প্রসারিত অনুভব করে। প্রেম ভীষণ সাহস ও শক্তি দেয়। তা তোমাকে খুলে ধরে। তা তোমাকে সবশেষে তোমার কাছে উপলব্ধ করায়। এখন অবধি তুমি নিজের কাছে উপলব্ধ নও। প্রেম তোমায় নিজের কাছে উপলব্ধ করাতে পারে।
उन याथन द्वारा मिश्रालन वासानुज कि করেছেন, তিনি স্বীকার করলেন যে তিনি তাঁর মিয়া করলেন যে রামানুজ তাঁর থেকে উচ্চস্তরে। তিনি বললেন, 'তুমি এখন ভিন্ন জগতে আছ।'
উম্মুক্ত হও - দার্শনিকের মত চিন্তা কোরো না
यदि দৈনন্দিন বাস কর, তাদের প্রতি তোমার এক নির্দিষ্ট মানসিক গঠন থাকে। তুমি ও তাদের মধ্যে কার্যকারিতা সর্বদা বজায় থাকে।
তুমি একটি নির্দিষ্টভাবে কথা শুরু করলে, অন্য ব্যক্তিটি কিভাবে সাড়া দেবে! তুমি অন্যভাবে কথা বলতে পারো না। তুমি সবকিছু আগে থেকেই জানো যেন তোমার মাথায় আছে।
কেবল যদি কেউ এক নতুন সংলাপ বা ব্যবহার নিয়ে আসে, তুমি একটু ঘাবড়ে যাও বা বিরক্ত হও এবং তুমি জান না যে কিভাবে উত্তর দেবে বা সাড়া দেবে। কেবলমাত্র সেই কয়েক মিনিট তুমি কিভাবে সাড়া দেবে বলে অবাক হতে শুরু কর। নতুবা তুমি সারা দিনের সংলাপ জানো। কখন হাসতে হবে, কখন সেটা একটা মোড নেবে ও কিভাবে সমাপ্তি ঘটবে। এটা কোনো সংলাপ নয়। তাতে কোনো জীবন নেই।
সমস্যা কার্যকরীভাবে দার্শনিক হয়ে গেছি। আমরা বুঝি না যে জীবন এক মূহূর্তের ব্যাপার। জীবন এক মূহূর্তের ব্যাপার, কারণ প্রতিটি মূহুর্তে তা নবীন। দর্শনশাস্ত্র হল পুরানো একই জিনিষগুলিকে বিভিন্ন ভাবে পুনরাবৃত্তি করা, ব্যাস। তাতে টাটকা তাজা কিছুই নেই। জীবন প্রতিদিন সূর্যের মত তাজা। দর্শন জীবন থেকে সজীবতা হরণ করে।
একটা ছোট গল্প :
একদিন কয়েকজন কয়েদিকে একসাথে রাখা হয়েছিল। তারা ঠিক করল যেভাবেই হোক কারাগার থেকে পালাবে। তারা একটা বড় পরিকল্পনা করল। তারা কারাগারের ডুপ্লিকেট (অনুরূপ) চাবি বানালো।
পরের দিন তারা তাদের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করল। পুরো প্ল্যান পরিষ্কার করে সামনে রাখা হ'ল। তারা ঠিক করল একটি নির্দিষ্ট রাতে তারা ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে কারার তালা খুলবে এবং অন্যান্যদের সংকেত দেবে। অন্যেরা পালাবে ও এই দুইজন পিছনে তালা লাগিয়ে অন্যদের পিছু পিছু আসবে।
পালাবার দিন এল এবং দুইজন কারার তালা খুলতে গেল। অন্যেরা সংকেতের জন্য অপেক্ষারত। তারা অপেক্ষাই করতে থাকল, কিন্তু কোনো সংকেত পেল না। তিন ঘন্টা পার হয়ে যাওয়ার পরে যখন তাদের অপেক্ষা করতে করতে খারাপ লাগছিল, তারা ফিরে গিয়ে বলে, 'আমাদের পালাবার পরিকল্পনা ছাড়তে হবে। আজ সেটা হতে পারবে না। অন্য কোনোদিন করা যাক। পালাবার জন্য আমাদের পুনঃপরিকল্পনা করতে হবে।'
অন্যরা জিজ্ঞাসা করল, 'কেন, কি হয়েছে?'
উত্তর এল, পাহারাদারেরা কারাগারের দরজা লাগাতে ভুলে গেছে!'
যারা দার্শনিকগিরি করে, তারা নতুন কিছু চিন্তা করতে পারে না। সবকিছুকে একই মানসিক গঠনে হতে হবে। কোনো পরিবর্তনে বা নতুন একদম চিন্তা করতে পারে না, কারণ তারা যেন এক বৈদ্যুতিক সার্কিট (বর্তনী সার্কিট) এর মত।
নিজের জীবনের সাথে আচরণ করার সময় আমরা দার্শনিক হয়ে যাই। আমরা ভাবি যে আমরা সবকিছু জানি।
আমরা ততক্ষণ সেই সাগরে ফোঁটা হয়ে থাকি, আমরা জীবনকে 'না' বলি। আমরা প্রেম করি না, ভরসা করি না। আমরা পরমানন্দ অনুভব করি না, যেহেতু যারা প্রেম করে ও ভরসা করে, কেবল তাদের পক্ষেই পরমানন্দ সম্ভব। এটা কেবল তাদের হয় যারা নিজেদের মহাসাগরের অংশ বলে অনুভব করতে জানে। পরমানন্দ তখন হয় যখন আমাদের হৃদয় বলে 'হ্যাঁ', যখন 'না' আমাদের সত্তা থেকে একদম মুছে যায়। 'না' হল অন্ধকার, 'হ্যাঁ' আলো। 'না' হল আমিত্ব, 'হ্যাঁ' হল আমিতুহীনতা।
'না' হল সর্বজনীন মানুষের ভয়। 'হ্যাঁ' হল জাগরিত সচেতন মানুষের পথ। তোমার জীবন তোমাকে মূল্য দেয়, তোমাকে 'না' বলার জন্য প্রলোভিত করে। 'না' হল এক লড়াই, অস্তিত্বের সাথে লড়াই। 'হ্যাঁ' হল প্রেম, অস্তিত্বের সাথে সন্ধি ও শান্তি। 'হ্যাঁ' হল আমাদের সম্পূর্ণ বাস্তবতার সাথে, পরাণাশিবের সাথে, জীবনের সাথে একাত্মতার আরেক নাম।
ভগবান বলছেন, ভয় পেও না; জানোয়ারের মত থেকো না, কিন্তু লড়াই করার সময় শক্তিমান থেকো। আমিত্ব সমস্ত কষ্টের মূল। যখন আমিত্ব বিলুপ্ত হয়, তখন প্রতিটি কোণা থেকে পরমানন্দ আমাদের কাছে আসে, যেন সে কেবল আমাদের আমিত্ব মুছে যাবার জন্য অপেক্ষা করছিল।
কল্পনাও এক ধরনের বাস্তবতা। মানে আমরা যা জানিনা তাই বাস্তব। জীবন রুঢ় হয়ে যায় যখন আমরা জীবনকে বিচ্ছিন্নভাবে অন্তরীত ও ক্যাপসুলের ভিতরে দেখি।
আমিত আমাদের ক্যাপসুলের মত ঘিরে ফেলে। আমাদের অহং এক সীল করা ক্যাপসুলের মত; কোনো কিছু তাতে প্রবেশ করার জন্য কোনো ফাঁক নেই। তা নিজেকে ভয়ের জন্য বন্ধ করে ও নিজেতেই সংকুচিত হয়। এভাবে আমরা নিজেদের জন্য দুর্দশার সৃষ্টি করি।
ভ্রম হল সর্বজনীন মানুষের ব্যবহার, যা মানুষকে সম্মান জানায়। বাসনা যেন জমা বরফ। প্রেম হল তরল জল। কেবল তরল হয়েই আমরা মহাসাগরের সাথে মিশে তার অংশ হতে পারি। তখন আমাদের কোনো ইচ্ছার প্রয়োজন হয় না। সর্বক্ষণ প্রতিটি মুহূর্তই হয় উচ্ছাসপূর্ণ।
মন আমিত্বের অংশ। মন বন্ধ করতে জানে, কিন্তু খুলতে জানে না। প্রেম করা মানে খুলে ধরা, উন্মুক্ত হওয়া, সমর্পণ করা। তার মানে সবকিছুকে উন্মুক্ত রাখা, যেন সে ফুলদের কাছে, ভ্রমরদের কাছে, আকাশের তারাগুলির কাছে খোলা। আমরা কিভাবে এই সুন্দর পৃথিবীর ঐকতানকে ঘৃণা করি যা মানে সবকিছু বিদ্যমান? আমরা কিভাবে সবকিছুকে ঘৃণা করি? আমরা কিভাবে সবকিছুকে ঘৃণা করি এবং মনে করি যে সবকিছু ভুল? আমরা কিভাবে উৎসব উদযাপনের কাছে নিজেদের বন্ধ করে রাখি, যে উৎসব চিরন্তন -বাতাসে নৃত্যরত ফুল, বায়ুকে উপভোগ করতে থাকা বৃক্ষ এবং সর্বদা বিরাজমান তারাবৃন্দ? কেবল মনুষ্য ছাড়া সমস্ত কিছু ঐকতানে আছে বলে বোধ হয়।
মানুষ সেই ঐকতান থেকে সরে আসে কারণ তার 'চৈতন্য' আছে, যা অন্য প্রাণীর নেই।
চেতনা দুটি জিনিষ করতে পারে। তা আমিত্ব সৃষ্টি করতে পারে অথবা আমিত্বহীনতা সৃষ্টি করতে পারে। যদি তা আমিত্ব সৃষ্টি করে,
আমরা নরকে বাস করি। যদি তা আমিতুহীনতা সৃষ্টি করে, আমরা স্বর্গে থাকি। পুরো বিশ্ব না জেনেই স্বর্গে আছে। যখন মানুষ স্বর্গে প্রবেশ করে, সে তা সম্পর্ণ জেনে প্রবেশ করে। সেটাই মানুষের মহিমা ও সৌন্দর্য। সেটা আবার বিপজ্জনক, কারণ স্বর্গে প্রবেশ না করা খুব সহজ।
সমস্যা হল আমরা ভুলে গেছি আমরা কে এবং আমরা কি জন্য সৃষ্টি হয়েছি। আমরা হলাম প্রেমের মহারাজা, কিন্তু আমরা ভাবি যে আমরা ভিখারী। অস্তিত্বের সম্পূর্ণ রাজত্ব আমাদের সত্তার মধ্যে আছে এবং তাও আমরা মামুলি জিনিসের জন্য ভিক্ষা করতে থাকি। আমাদের সত্তাতে অসীম, অফুরন্ত ভাণ্ডার আছে তা না জেনে আমরা মামুলি জিনিষ সঞ্চয় করতে থাকি। আমরা মহাসাগর হয়েও তৃষ্ণার্ত, কারণ আমরা আমাদের নিজের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছি। কিন্তু বাসনা যা-ই হোক না কেন, যতই আমরা যে কোন সময় ধরে ভুলে যাই না কেন, তা এক মুহূর্তে স্মরণে নিয়ে আসা যায় এবং আমরা সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে যেতে পারি।
প্রেম এক সংযোগকারী।
পরমানন্দ প্রেম থেকে আসে। প্রেম এক কবিতা যা সংযুক্ত করে। প্রেম এক তলোয়ার যা তোমার আমিত্তকে শেষ করে এবং তোমাকে মহাসাগরে বিলীন করে দেয়। যখন রুক্ষ বাস্তবতা বিলুপ্ত হয়ে যায়, সমস্ত জীবন এক গদ্য থেকে পদ্যে রূপান্তরিত হয়, কারণ প্রতিটি জিনিস মূল্যবান বোধ হয় এবং বৈসাদৃশ্য সমাপ্ত হয়ে ঐকতান হয়।
কেবল বিদ্যমান থাকাতেই আনন্দ। কেবল 'বিদ্যমান থাকা'-ই যথেষ্ট। কিন্তু আমাদের বিদ্যমান থাকার আনন্দ অনন্দ অনুভব করার জন্য সংবেদনশীল বা সম্মেবেদী হতে হবে। প্রেমের জন্য আমাদের অজস্র অনুভূতি -এন্টেনা নির্মাণ করতে হবে, যা সেই প্রেমকে গ্রহণ করবে। প্রেম কেবল 'বিদ্যমান থাকা'-য় আনন্দ অনুভব করে। প্রেমের জন্য অজস্র অনুভূতি-এন্টেনা জন্মালে জীবন আর স্বতন্ত্র চিন্তাসমূহ দ্বারা নির্মিত থাকে না, জীবন হয়ে যায় এক নিরবচ্ছিন্ন অনুভতি। তখন আমিতের গলে যাওয়া শুরু হয়। একবার আমরা চিন্তন থেকে বিলুপ্ত হতে শিখলে, আমাদের কোনো সাহায্যের প্রয়োজন হয় না অনুভূতি থেকে 'বিদ্যমান থাকা'-তে বা সত্তাতে চলে যেতে। সেটা খুব সহজ।
প্রথম ধাপটি শক্ত, চিন্তন অনুভূতিতে চলে যাওয়া। আমিত্ব মনকে এত বেশী চিন্তা করতে শিখিয়েছে, তাই এটা কঠিন। দ্বিতীয় ধাপটি আবার সহজ, প্রায় কিছুই করতে হয় না। জাস্ট রিল্যাক্সড থাকলেই হয়। কবি যে কোনো মুহূর্তে অতীন্দ্রিয় (mystic) হয়ে যেতে পারেন। আসল সমস্যা হল কিভাবে আমাদের চিন্তন থেকে বিলুপ্ত হয়ে অনুভূতিতে প্রবেশ করা যায়।
কেবল হৃদয়কে অনুসরণ কর। বেশী করে প্রেম কর, ব্যাস। আরও বেশী অনুভব কর। আরও বেশী আনন্দ কর, যাতে তোমার হৃদয় খুলে যায়। মৃত্তিকা, সুর্যাস্ত, মেঘ, রামধনু, পাখি, ফুল, প্রাণী, পাথর ও মানুষদের দেখ এবং তাদের সজাগতার সাথে প্রত্যক্ষ কর। তাদের চোখের ভিতরে দেখ। অস্তিত্ব কত বহুমাত্রিক। প্রতিটি মাত্রাকে এক কবির মত দেখ। তার প্রশংসা কর। তাকে ভালোবাস।
যদি তুমি তোমার জীবনের সবক্ষেত্রে এক প্রেমময় আচরণকে নিয়ে আসতে পারো, তাহলে তোমার বন্দীত্ব নিশ্চিত। এমনিতেই তোমার জীবনে সবকিছু মাস্টারের অভাব।
তুমি এক আলোকভেদী, নিত্যসজীব উপস্থিতি হিসাবে অনুভব কর। তোমার অসাধারণ বুদ্ধি আছে। কোন পরিস্থিতির সাথে কিভাবে সংযোগ সাধন করতে হয়, তা তুমি জানো। এ রকমই প্রেমের শক্তি।
আসল প্রেম তোমায় মুহূর্তে রেখে দেয়। তা তোমায় অসাধারণ সজাগতা দেয়। তাই তা এত শক্তিশালী। মুহূর্তে বিদ্যমান থাকার চেয়ে বড় আর কিছুই নেই। জীবনকে থিওরি করা বিজ্ঞান নয়, জীবন হল সম্পর্ণতায় বাস করা। আর তা দুটি মানুষ অথবা কোনো বস্তু সম্পর্কে নয়। প্রেম কেবল প্রেম, কেবল এক ঝলক। প্রেমের ঝলক অভিজ্ঞতা কর, তাহলে তুমি তাকে নিজের ভিতরে প্রতিপালন করতে পার এবং তাকে বুদ্ধি করিয়ে তোমার পূর্ণ সত্তা ও জীবনকে আলোকিত করতে পার। এটাই যথেষ্ট।
কারণ প্রেমশক্তি সজনী-শক্তি। সেইজন্য কবিরা এমন সজনশীলতা প্রকাশ করেন। তারা প্রেমে সম্পূর্ণরূপে সজীব হয়ে ওঠেন। সেই মুহূর্তের সজীবতা থেকে সৃষ্টি ঘটে।
সূফি দরবেশ জালাল-উদ্দিন রুমি বলেন, 'তুমি যেই হও না কেন, তোমার পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, সর্বদা প্রেমী হবার চেষ্টা কর!' সম্পূর্ণ অস্তিত্ব নিজের সাথে এক সুরে বাঁধার জন্য তৈরি। কেবল এটা জেনে তুমি এক স্বর্গে। স্বর্গে হওয়া তোমার এক স্বাভাবিক প্রকৃতি। একমাত্র সেটা হয়ে তুমি তোমার আদি প্রকৃতির আসল পরিতপ্তি অভিজ্ঞতা করতে পার।
প্রথমে নিজেকে ভালবাসো
আজকের দিনের বিরাট সমস্যা হল লোকেরা কখনও শেখায় না যে নিজেকে প্রেম করা সম্ভব। বোঝা যে যদি নিজেকে প্রেম না কর, তুমি অন্য এক ব্যক্তিকে সম্ভবত প্রেম করতে পারবে না। কেবল যখন তুমি নিজেকে নিজের কাছে হারাও, তুমি নিজেকে অন্যের কাছে হারাতে পারবে। আমাদের শিক্ষা দেওয়া হয় যে আমরা নিজেকে প্রেম করতে পারি যদি কেবল তার এক কারণ থাকে। যদি আমরা কোনো কাজ ভাল করে সম্পাদন করি, আমরা নিজেকে ভালবাসি। অসফল হলে আমরা নিজেদের ঘৃণা করি। সেই একই যুক্তি আমরা অন্যের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করি। আমরা তাদের কেবল কোনো কারণে ভালবাসি, কখনও বিনা কারণে নয়।
যখন তুমি নিজেকে ভালবাসো না, তুমি সবসময় অন্য লোকেদের থেকে ভালবাসা চাও ও জীবনের প্রতি নির্ভরশীল থাকো। যখন মানুষ একা ছিল, প্রথমে সে প্রেমময় ও আনন্দময় ছিলে। সেখানে তোমার একাকীতে তুমি পরম আনন্দিত ছিলে। তাই যখন কেউ নিঃসঙ্গতায় ভয় পায়, বুঝতে হবে যে সে তার আদি প্রকৃতিকে হারিয়ে ফেলেছে। পরমানন্দময় একাকীত তোমার আদি প্রকৃতি। পৃথিবীতে আসার পর সমাজ তোমায় বিশ্বাস করতে শিখিয়েছে যে সেহময় ও সুখী হওয়ার জন্য তোমার বন্ধু ও টেলিভিশন চাই। সমাজ কখনও তোমার আদি গুণমানকে প্রতিপালন করে নি। তোমার আদি গুণমান হল পরমানন্দময় প্রকৃতি। যদি তুমি তার সাথে পুনরায় সম্পর্ক স্থাপন করতে পার, তুমি স্থির হবে এবং শান্তি অনুভব করবে ও নিজের মধ্যে রিল্যাক্স করবে।
রোজ কয়েক মিনিটের জন্য কেবল নীরব ও শান্তিতে বসো এবং নিজের ভিতরে উচ্ছ্বসিত প্রেম অনুভব কর। অনুভব কর যে তুমি কত সুন্দর এক সত্তা। অনুভব কর যে তুমি নিজেকে কতটা অবধারিত বলে মেনেছ। নিজেকে অস্তিত্বের অংশ বলে অনুভব করে ও সেইজন্য নিজেকে ভালবাসো। নিজের প্রতি প্রেম ও মনোযোগ অভ্যাস করলে দেখবে, একসময় তুমি যদিও কঠিন ছিলে তবুও কোমল ও প্রেমনয় হয়ে গেছ।
শান্তি ও প্রেম সহকারে নিজের ভিতরে গভীরভাবে স্থির হ'লে তোমার মধ্যে পরমানন্দ বিস্ফোরিত হবে। যখন তোমার সায়গুলি শুদ্ধ, তখন পরমানন্দ বিস্ফোরিত হবে। THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর শরীরের ভাষায় যে পরমানন্দ প্রকাশিত হয়, তুমি সেই পরমানন্দ প্রকাশ করা শুরু করবে।
তারপর যখন ভালবাসে, তুমি অপরাধী বা অযোগ্য অনুভব কর না, কারণ যখন লোকেরা তোমায় প্রেম করে, তুমিও নিজেকে প্রেম কর। তুমি অন্যের থেকে প্রেমের প্রসাদ (সাধারণত অন্যেরা তোমাকে করলে, তুমি অপরাধী বা অযোগ্য অনুভব কর, কারণ তোমার মনে হয় এটি প্রাপ্য নয়) খুব সহজে গ্রহণ করবে। একবার নিজেতে গভীর প্রেম অনুভব করে স্থির হ'লে, তুমি সবকিছু স্বাভাবিক ভাবেই গ্রহণ করবে।
অস্তিত্বকে প্রেম কর ও অনুভব কর যে অস্তিত্ব তোমায় প্রেম করে
অস্তিত্ব কোনো জিনিষ বা বস্তু নয়। সে এক জীবনীশক্তিপূর্ণ সত্তা। প্রতিটি গাছ, গাছে র প্রতিটি বৃন্ত তোমার প্রেম ও ঘৃণায় ও প্রতিটি চিন্তায় সাড়া দেয়।
স্যার জগদীশ চন্দ্র বোস মানুষের আবেগ ও চিন্তায় উদ্ভিদের সাড়া দেওয়ার ওপরে অনেক পরীক্ষা করেছেন। তিনি আবিষ্কার করেছেন যে উদ্ভিদ মানুষের চিন্তায় অনেকটা মানুষের মতই সাড়া দেয়। গাছের পাতা পুড়িয়ে ফেলার কথা মানুষ চিন্তা করলেই বোস গ্রাফে তার প্রমাণ পেয়েছেন। তিনি আরও একটি বিষয় আবিষ্কার করেছেন, যাকে তিনি 'উদ্ভিদ সংবেদনশীলতা বা উপলব্ধি' বলেন - কোনো চিন্তার জন্য উদ্ভিদ, প্রাণী ও মনুষ্যকোষের সাড়া দেবার ক্ষমতা।
একবার ব্যাকস্টার কিছু গাছের গ্রাফ রেকর্ড করছিলেন, যা কিনা একরকম ক্লাইম ইউগাণের মত ছিল, যা তাদের আঘাত পাবার অবস্থায় ছিল। সে গাছটির মালিককে জিজ্ঞাসা করল সে কি গাছটিকে আঘাত দিয়েছিল কিনা। মহিলাটি বলে, 'আমি শুকনো ওজন জানার জন্য গাছটির কিছু পাতা রোস্ট করেছিলাম।'
যখন তুমি সবকিছুকে (শ্বস কওরন) উন্মুক্ত কর, তা তোমার সাথে সুন্দরভাবে সাড়া দিতে থাকে। বিদ্যমানুষ্ঠান কেটে যায় - মানুষের মধ্যে, পরিস্থিতির মধ্যে, আবেগ ও অন্য যে কোন কিছুর মধ্যে বৈসাদুশ্য। সব কিছু একতে মিশে যায়, সবাই যেন এক মন্ডল। মানুষ কেবল এই পরিস্থিতির একটি অংশ। আর একমাত্র প্রেম তোমাকে এই সত্য উপলব্ধি করাতে পারে।
প্রাচীন ভারতে পরিব্রাজকদের এক ঐতিহ্যপূর্ণ প্রথা আছে। পরিব্রাজক পায়ে হেঁটে সমস্যা দেশ ভ্রমণ করত, নানা মন্দির ও তীর্থস্থান ভ্রমণ করত।
Love alone knows how to find what seemed dead,
The frozen snake of passion. Love alone
By tearful prayers and fiery longing fed,
Reveals a knowledge schools have never taught.
প্রেম মিথ্যা বলা বা ছলনা করতে জানে না, কিন্তু প্রেম সত্য। প্রেমের সাথে, সম্মান করা দরকার ও তা দিতে হয়। শুধুমাত্র সম্মান করলে, প্রেমের প্রকাশকে জোর করা হয় এবং তা খাঁটি হতে পারে না।
প্রেম সমস্ত ধর্মের মূল
প্ৰেম হল আদি ধর্ম। তা সমস্ত আধ্যাত্মিকতার মূল। অন্য সমস্ত ধর্মগুলি তার শাখা-প্রশাখা। প্রেম যেন বৃক্ষের মূল এবং সমস্ত ধর্মগুলি এমনকি কেবল এক বডসড ডাল!
প্রেমের কোনো মন্দির বা শাস্ত্র নেই। তা যেন মাটির ভিতরে থাকা শিকভের মত, কিন্তু তা জীবনকে পুষ্টি যোগায়। শিক ড় ছাড়া পুরো গাছ বাঁচতে পারে না। ডালপালা ও পাতা সঙ্গি করা যায়। কিন্তু আমরা কি করি? শিকড়কে না ধরে আমরা ডালপালা ও পাতা আঁকড়ে থাকি। যখন আমরা ডাল ধরে থাকি, আমরা অনুভব করি যেন আমরা পুষ্টিকর কিছু উপভোগ করি। যখন তুমি আরও প্রেমী হও, তুমি প্রেমের অদৃশ্য মন্দিরে প্রবেশ করবে।
গাছের শিকড়গুলিতে বিশ্বের সমস্ত মহাসাগরের তথ্য আছে। পৃথিবীর সমস্ত মহাসাগরের জলের তথ্য আছে। যদি বাসনা সমস্ত জীবনের একীভূত গুণ বুঝি, আমরা পৃথিবীর সব মহাসাগরকে পুরো বুঝে যাব। আমরা জল নামক যৌগিক পদার্থটিকে জানব ও বুঝব। যা কিনা তার রাসায়নিক গঠন ছাড়া আর কিছুই ধারণ করে না। কিন্তু প্রতিটি মানুষের মধ্যে প্রতিটি বিভিন্ন রকমের ব্যক্তিত্ব রয়েছে।
একইভাবে মানুষ প্রেমের এক পরমাণু। আর প্রেম হল অস্তিত্বের গুণমান। যদি প্রেমকে জানো, সম্পূর্ণ বিশ্বকে ব্যাখ্যা করা যায়। এটা বোঝা যে মানুষের গঠন ভৌত বা বস্তুগত, রাসায়নিক বা মনস্তাত্ত্বিক নয়, মানুষের গঠন আধ্যাত্মিক। শেখাতে পারে না। আমাদের তা নিজেকে আবিষ্কার করতে হবে। অন্য মাস জ্ঞান হস্তান্তরযোগ্য, যেমন ভৌত, রাসায়নিক, বৈজ্ঞানিক ও মনস্তাত্ত্বিক জ্ঞান। এই সব জ্ঞান হস্তান্তরযোগ্য। কেবল আধ্যাত্মিক জ্ঞান সেরকম নয়। যা অন্যকে শেখানো যায় না, কিন্তু যাকে অভিজ্ঞতা করা যায়!
একটা ছোট গল্প :
একদিন মাস্টার তাঁর শিষ্যকে জিজ্ঞাসা করলেন যে কখন রাত্রি শেষ হয় ও কখন দিন আরম্ভ হয়, তা তুমি কিভাবে বলবে।
একজন শিষ্য বলল, 'যখন দূরে এক প্রাণীকে দেখে তাকে গরু বা ঘোড়া বলে শনাক্ত করতে পারব।' মাস্টার বললেন, 'না।'
আরেকজন দুরের গাছের দিকে তাকিয়ে বলতে পারব সেটা পাইন গাছ নাকি আম গাছ।' মাস্টার বললেন, 'না।'
তারা মাস্টারকে বলল, 'তাহলে উত্তর কি, মাস্টার?'
মাস্টার উত্তর দিলেন, 'যখন তুমি যে কোন পুরুষ মানুষের মুখের দিকে তাকিয়ে তার মধ্যে তোমার ভাইকে চিনতে পারবে। যখন তুমি যে কোন মহিলার মুখের দিকে তাকিয়ে তার মধ্যে তোমার বোনকে দেখতে পাবে। যদি তুমি তা করতে না পার, তখন সেটা দিনের যে কোন সময়ই হোক না কেন, তখনও রাত্রিবেলা।'
মাস্টার কিছু আভাস দিতে পারেন, ছোট ছোট ইঙ্গিতে, এখানে সেখানে। তারপর আমাদের পথ নিজেদেরকে খুঁজে বার করতে হবে, ধীরে, সাবধানে। যদি বাসনা অনুসরণ করি, খুব ধীরে, আমরা অবাক হব যে ঈশ্বর বেশী করে, আরও বেশী করে বাস্তব হতে থাকেন। তিনি বাদ্য কান কামনা নন, আর কোন ধারণা নন, কিন্তু আমরা তাঁকে অনুভব করতে পারি। প্রেমের আরও গভীরে গেলে, অনুভতির আরও কাছে আমরা চলে যাই। যেইদিন আমরা প্রেমে বিলীন হই, আমরা একতে মিশে যাই।
প্রেম সমস্ত ধর্মের রহস্য। তা সত্ত্বেও লোকেরা যুক্তি ও ধর্মতত্তে হারিয়ে আছে। অনেক দুরত। ঈশ্বর সম্বন্ধে কোন যুক্তি হয় না, কেবল ব্যাখ্যা। তিনি আছেন সঙ্গীতে ও নৃত্যে, কিন্তু যুক্তিতে কখনও নয়।
যে তোমাকে সেখানে পৌঁছাতে গেলে ও আবিষ্কার করতে গেলে, একলা যেতে হবে।
উপনীত হয়েছেন যে পদার্থ ও প্রেম একসাথে সেঁটে আছে। এক অদৃশ্য শক্তি পরমাণু ও বস্তুকে এক সাথে ধরে আছে। সেই চরম শক্তির জন্য তারা আলাদা হয় না। এই চরম আকর্ষণী বিজ্ঞান বর্তমান আধ্যাত্মিকতার চরম স্টেটমেন্ট। বিজ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতা চরম অভিব্যক্তির খোঁজ পেয়েছে, যেমন, মাধ্যাকর্ষণ বা বিদ্যুৎশক্তি। কিন্তু এগুলি স্থল প্ৰকাশ। যেদিন বিজ্ঞান একই ভাষায় ধর্ম নিবিড়ভাবে ভাব বিনিময় করবে।
যাই হোক, এখন আনন্দ কর কারণ প্রেম সম্ভব। আনন্দিত হও যে প্রেম তোমার অন্তরের সম্ভাবনা। তুমি প্রেমের সাথে চরম উচ্চতায় উত্থিত হতে পার। প্রেমের দ্বারা কিছুই রূপান্তরিত করতে পারে।
জিন থুকাব (একাঙ্গীভবন
অনেকে ভাবে সে শারীরিক স্তরে আটকে থাকে। সে কখনও তার ওপরে যেতে পারে না। তার চেয়ে উচ্চ স্তর সম্পর্কে তার কোন ধারণাই নেই। সে বাড়ীর অট্টালিকার সর্বনিম্ন তল বা বেসমেন্টে থেকে যায়। সেক্স হ'ল বেসমেন্ট। সে জায়গাটা কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পার, কিন্তু তা তোমার ঘর হতে পারে না। তোমার ঘর তার ঊর্ধ্বে।
মানুষের তিনটি স্তর -পাশবিক, মানবিক ও ঐশ্বরিক। প্রথমটি হ'ল কামনা। কাম বাসনা। লোভ ও কামনাতে, ব্যাস।
। যদি যেয়মর উয়েলযয়ে দরয় যো
প্রথম জিনিষ যেটা আমাদের বুঝতে হবে তা হ'ল সম্বন্ধতা কারণরহিত ঘটেতে পারে, কোন কারণ ছাড়াই। কেবল তখন আমরা বুঝব যে কর্ম কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
তোমার জীবনে হয়ত কমপক্ষে একটা এমন কারণরহিত সম্বন্ধ থাকা দরকার। যদি তোমার এরকম সম্বন্ধতা না থাকে, প্রকৃতপক্ষে তুমি গরীব।
আজ থেকে কারো সাথে কোন কারণ বিনা সম্পর্ক তৈরী কর। যাতে আর্থিক ও শারীরিক ফয়দা না থাকে। যদি তুমি কারণ বার করতে পার, তারপর যদি টাকা শেয়ার করা হয় বা দেহ শেয়ার করা হয়, তা ঠিক আছে। সেই গুণমান আলাদা। আমি শারীরিক সম্পর্কের বিরুদ্ধে নই, কিন্তু তা যদি তোমার জীবনের কেন্দ্র হয়ে যায়, আমি এখানে জ্ঞাপন করতে চাই। তুমি সত্তার এক জরুরি মাত্রা অথবা শক্তিকেন্দ্রকে হারাও।
আমার একটা ছোট গল্প মনে আসছে :
একটি অন্ধ মেয়ে নিজেকে ঘুণা করত সে অন্ধ বলে। সে সবাইকে ঘুণা করত কেবল তার এক ছেলেবন্ধুকে ছাড়া।
মেয়েটি তার প্রেমিককে বলেছিল যে কেবল পথিবীকে দেখতে পারলে সে ছেলেটিকে বিয়ে করবে।
কয়েকদিন পরে তার ডাক্তার বলে যে কেউ একজন তার দুই চোখ মেয়েটিকে দান করেছে। তার সার্জারি হ'ল এবং সে তার ছেলেবন্ধুটিকে ও অন্য সবকিছু দেখার জন্য চোখ খুলল।
তার ছেলেবন্ধু তাকে জিজ্ঞাসা করল, 'এখন যে তুমি দেখতে পাচ্ছ, তো তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে?' মেয়েটি অবাক হয়ে দেখল যে তার ছেলেবন্ধুটি অন্ধ। মেয়েটি বলে, 'আমি দুঃখিত, কিন্তু আমি তোমায় বিয়ে করব না।'
তার ছেলেবন্ধুটি কষ্ট পেয়ে চলে গেল। সে যাবার সময় মেয়েটিকে বলে গেল, 'প্রিয়ে, আমার দুটি চোখকে যত্ন করে রেখ।'
তাই বলা হয় যে তোমাকে তোমার সত্তা সঙ্গি করতে হবে। তোমাকে তোমার প্রেমের জন্য কোন আশ্রয় খুঁজতে যাওয়া উচিত না জীবন কমমত্যা বা কাম, সম্পত্তি বা খ্যাতি অথবা আর্থিক বা শারীরিক সুখ বা নাম ও যশ, যাই হোক না কেন। কমসে কম একটি সম্বন্ধতা তৈরী কর - তা এক গভীর বা কোন মূর্তির সাথে হোক। তাহলে তোমার কোন ফয়দা হবে না। একমাত্র তখনই তুমি 'টুইস্ট' অনুভব করবে। তখন তখনই তোমার প্রেম কেন্দ্র জাগ্রত হবে।
আমি সর্বদাই লোকেদের বলি, 'রোজ আধা ঘন্টা এমন কাজ কর যা তোমায় টাকা বা নাময়শ দেয় না। কেবল আধা ঘন্টার জন্য কোন মন্দির বা চার্চে যাও, মেঝেতে ঝাড়ু দাও ও পোছা লাগাও, কোন সেবা প্রদান কর। সেখানে কোন কমিটির সদস্য হবার পরিকল্পনা কোরো না! ভেবো না যে সেই কাজ তোমায় পণ্য প্রদান করবে ও স্বর্গে তোমাকে স্থান দেবে! না। সেই আধা ঘন্টা কাজ ছাড়া অন্য কিছু ভেবো না।
প্রথমে তুমি ভাবতে পার, 'এই আধা ঘন্টা হ'ল সম্পূর্ণ ব্যবহারিক!' কিছুদিন পর দেখবে যে একমাত্র সেই আধা ঘণ্টাই তুমি আসলে জীবন্ত! কেবল সেই আধা ঘন্টা তুমি ভয় ও লোভ দ্বারা চালিত নও। তুমি কোন হিসাব না করেই তোমার আশেপাশের মানুষের দিকে স্বাভাবিকভাবে তাকাও। তুমি বাস্তবিকতাপূর্ণ আন্তরিকতাপূর্ণ অনুভব কর ও তেমনটি তুমি আগে কখনও অনুভব কর নি।
যদি তুমি নিজেক জিজ্ঞাসা কর, দেখবে যে কিছু মানসিক হিসাব করার পরেই তুমি হাস। এমনকি হাসার আগে তুমি দেখবে কোন মানুষটা তোমার পাশে আছে। তার ওপরে ভিত্তি করে তুমি নির্ণয় নেবে যে সামাজিক বিশ্বাস করে, তুমি তার প্রতি কেমন ব্যবহার করবে। বর্তমান অবস্থাকে অতিক্রম করার জন্য, কেবল আধা ঘন্টা ধরুন এমন একটা কাজ করুন, যা তোমাকে টাকা এনে দেয় না, নাম যশ নিয়ে আসে না, কোন সামাজিক প্রতিষ্ঠা দেয় না, যা বিনিময়ে তোমাকে কিছুই দেয় না। তখন তুমি অনুভব করবে 'কারণরহিত সম্পর্ক' বলতে আমি কি বুঝাচ্ছি। তুমি দেখবে যে শীঘ্রই সেই আধা ঘন্টা তোমার জন্য প্রকৃত জীবন হয়ে উঠছে !
এখন অবধি তোমার সমস্ত কাজই ভয় ও লোভ দ্বারা চালিত। ভয় ও লোভ তোমার ইন্ধন। তাই তুমি একাকী ও কলন্ত বোধ কর।
যদি তুমি এমন একটা কাজ করুন, তুমি হঠাৎ দেখবে যে ভয় ও লোভের প্রয়োজন ছাড়াই তোমার শরীর ও মন কাজ করছে। যদি একবার তুমি কেবল ভয় ও লোভ বিনা শরীর নাড়াচাড়া করতে পার, তুমি বুঝতে পারবে যে তুমি প্রেমে প্রবেশ করতে পার। তুমি প্রেমের শক্তিকে কিভাবে আহরণ করা যায়, তা শেখ। প্রেমের সুন্দর শক্তি দ্বারা কিভাবে জীবন চালিত করা যায় তা শেখ। কেবল তখনই তুমি জানবে 'প্রেম' বলতে কি বোঝায়।
তোমার ভিতরে একটি নতুন কেন্দ্র জাগরিত হবে। এক নতুন শক্তি তোমার মধ্যে বিকশিত হবে। তখনই তুমি বুঝবে কিভাবে প্রেম ও কারণরহিত সম্বন্ধতা সম্ভব।
প্রেম, ঘণা ও মনোযোগ - পাবার-চাহিদা
যতক্ষণ প্ৰেম শৰ্তাধীন, ঘৃণা ও প্রেম একই মুদ্রার দুই পিঠ। যখন আমরা অনুভব করি যে আমাদের আশাপূরণ হবে না, আমাদের প্রেম ঘণায় পাল্টে যায়। এই প্রকার প্রেমে, প্রেম ততক্ষণ থাকে যতক্ষণ শর্তগুলি বহাল থাকে। যখন শর্ত পরিবর্তিত হয়, প্রেমও পরিবর্তিত হয়।
প্রায়শ আমরা যাকে প্রেম বলে ভাবি, আসলে তা স্থান-কাল সম্পর্কিত। যতক্ষণ প্রেমীদের মধ্যে দূরত্ব বেশী থাকে এবং সময়ের সংস্পর্শ কম থাকে, তারা একে অপরের প্রতি প্রেম অনুভব করে। কিন্তু যদি তারা কাছাকাছি আসে ও আরও বেশী সময় একসাথে কাটায়, তারা অনুভব করে যে তাদের মধ্যে অতটা মিল নেই। তাই জানা আছে, 'ঘনিষ্ঠতায় উপেক্ষার জন্ম হয়'। ঘনিষ্ঠতা প্রেমকে ঘণাতেও বদলে দিতে পারে। প্রেম ও ঘুণার ঊর্ধ্বে যেতে গেলে আমাদের প্রত্যাশা ঝেড়ে ফেলা দরকার। প্রত্যাশাই প্রেমের প্রথম শত্রু।
আমরা আমাদের জীবনে সম্বন্ধতার বহু স্তর দিয়ে যাই। যদি তুমি খুব কাছ থেকে লক্ষ্য কর, যে কোন স্তরেই তুমি থাক না কেন, যখন আমরা প্রেম চাইছি আমরা আসলে কেবল অন্য মানুষটির মনোযোগ চাইছি। যখন আমরা বলি যে কোন একজন আমাকে ভালবাসে না, আমরা আসলে বোঝাই যে অন্য মানুষটি আমাকে যথেষ্ট মনোযোগ দেয় না। মনোযোগ আমাদের প্রাথমিক চাহিদা। এই মনোযোগের প্রাথমিক চাহিদা ও বাঁচার জন্য আমাদের অন্যের ওপরে নির্ভর করতে হয়।
অপরের ওপরে নির্ভরতা মানসিক, মানবিক অথবা বাস্তবিক হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যখন তুমি আশা কর যে অন্য একজন তোমার কান্নার কথা শুনবে, তুমি মানসিকভাবে তার ওপরে নির্ভরশীল। যখন তুমি কারোর ওপরে আশা কর যে সে তোমায় টাকা দেবে অথবা শারীরিক সুখ পরিতপ্তি দেবে, তুমি তার ওপরে শারীরিকভাবে নির্ভরশীল। ঘটনা যেমনই হোক না কেন, তুমি যদি নির্ভর কর, তার অর্থ হ'ল তুমি ভালবাসার সংজ্ঞা জানো না। ভালবাসার পুরো ধারণাটাই হ'ল, আর কিছুই নয়, কোন ভাবে শুধুমাত্র অপরের মনোযোগ পাওয়া।
আমাদের ধ্যানশিবিরের প্রথম সেশনে আমি লোকেদের এক বা দুজনের একটা লিস্ট সৎভাবে বানাতে বলি যাদের তারা সত্যি সত্যি ভালবাসে। সাধারণত প্রথমে তারা এক লম্বা লিস্ট নিয়ে আসে : পতি, পত্নী, পিতা, মাতা, কার, বান রেণ্ডামি রেণ্ডামি ইত্যাদি। নিজেদেরকে সুখী করার জন্য তারা, যাদের সুখী করতে ভাল লাগে বা যাদের সুখী করতে দরকার মনে করে, তাদের লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করে। আর আমার কাছ থেকে প্রকৃত প্রেম সম্বন্ধে শুনতে শুনতে তারা এক এক করে সেই লিস্ট থেকে নাম কাটতে থাকে! শেষে হয়ত যদি কেউ কারো নাম রাখে, জানো সেটা প্রথমে সত্যি ছিলই না।
অনেকে তাদের সেই প্রেমের লিস্টে এমন অনেকের নাম লেখে যারা তাদের 'ভাল লাभा'-র অনুভূতি দেয়। অনভূতি বলতে আমি কি বোঝাতে চাইছি? সেটা একটা সার্টিফিকেট যে 'তুমি ভাল। তুমি এটা, তুমি সেটা ... ' ইত্যাদি। আমরা তাদের ভালবাসি যারা আমাদের তোষণ করে, প্রশংসা করে, তাই নয় কি? তাদের সাথে তর্ক করার আগে আমরা দুবার ভেবে নেই। ভালবাসার নামে আমাদের ভাল নামকে প্রতিপালন করি। যদি তারা আমাদের তোষণ করা ছেড়ে দেয়, আমরা হতাশ হতে পারি, তাই আমরা সর্বদাই তাদের সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করি। এর অর্থ হল সবসময় আমাদের ভালবাসার কোন না কোন গোপন কারণ থাকে।
কেউ কেউ আমাকে বলে, 'না স্বামীজী, আমি আমার ছেলে বা মেয়েকে ভালবাসি।' আমি তাদের জিজ্ঞাসা করি, 'ঠিক আছে, যদি তোমার ছেলে রুঢ় হয়, নির্দয় নিষ্ঠুর নির্মম হয়, যদি সে তোমার প্রত্যেকটা ইচ্ছার বিরুদ্ধে যায় বা তোমার শাসন মত না চলে, তার প্রতি তোমার প্রেম কি একই প্রকার থাকবে?'
তারা আমায় বলে, 'না, তা থাকবে না। আমার প্রেম একটু কমে যাবে! '
তার মানে কি দাঁড়ায়? আমরা আমাদের পছন্দের বিজ্ঞানকে ভালবাসি কারণ তারা আমাদের জীবনের সম্প্রসারণ হয়ে থাকে। যখন তারা আমাদের জীবনের অংশ না থাকে, তখন আমরা তাদেরকে ভালবাসি না।
- । তাই মস্ত দরকার ঈশ্বর জুয়ড় অল্পবস্করা বভিাই দবয়রা েয়র। োচয বা পাশ্চাতয
উপনিষদে এক সুন্দর উদাহরণ দেওয়া আছে :
এক মাস্টার তার শিষ্যুকে জিজ্ঞাসা করলেন, 'তুমি কি তোমার পঞ্চ-ইন্দ্রিয়ের সবকটিকে উপভোগ কর?'
শিষ্য বলল, 'হ্যাঁ।'
মাস্টার জিজ্ঞাসা করেন, 'যদি তোমার একটি ইন্দ্রিয় সরিয়ে নেওয়া হয়, তুমি কি আগের রকম খুশী থাকবে?'
শিষ্য বলে, 'না, তা বিশ শতাংশ কম হবে এবং আমার দুটি ইন্দ্রিয় চলে গেলে গেলে তা চল্লিশ শতাংশ কমে যাবে।'
মাস্টার বলেন, 'যদি আরও পাঁচটা ইন্দ্রিয় পেলে কি হবে?'
শিষ্য উত্তর দেয়, 'স্বভাবত আমার সুখ অনেকগুণ বেড়ে যাবে। যদি আমি বাস্তবিক দেহ পাই আমি সবকিছু দ্বিগুণ উপভোগ করব অথবা আমাকে পাঁচটা শরীর দেওয়া হলে স্বভাবতই আমি পাঁচ গুণ উপভোগ করব।'
যদি তুমি বিশ্বের সমস্ত শরীরের মধ্যে জীবন্ত আছ বলে অভিজ্ঞতা করতে সমর্থ হও, কল্পনা কর তোমার কত খুশী বা আনন্দ অভিজ্ঞতা হবে! সেটা তো অপ্রমেয়, মাপা যায় না, তা হবে চিরন্তন ও চরম। জীবনমুক্তেরা সর্বদা এটাই অভিজ্ঞতা করেন। তাঁরা নিজেদের মধ্যে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে অনুভব করেন। তাঁরা বহির্জগৎ থেকে কিছুই চান না। তাঁরা নিজগুণে তৃপ্ত। তাঁরা সর্বকালে প্রতিষ্ঠিত।
কারণরহিত প্রেম, তা হ'ল ঐশ্বরীয় প্রেম যা গোপীদের সাথে কৃষ্ণের শারীরিক সম্বন্ধ বলে পরিচিত। এখানে কৃষ্ণ একজন অতিচেতন সত্তা এবং রাসলীলার মূল আবেগ হল এক কারণরহিত পবিত্র প্রেম।
কমের প্রেমী রাখা কম্পের অন্যরক ছিল, কিন্তু রাধার বিশুদ্ধ আনন্দের অভিজ্ঞতা হয় নি। অধিকার করার প্রবণতা ও ঈশ্বা বা মাৎসর্যে তাঁর মন অবিশ্রাম আন্দোলিত হ'ত। অতিচেতন কৃষ্ণ রাসলীলায় প্রত্যেক গোপীর সাথে দেখার অভিজ্ঞতা দিলেন। তিনি কেবল নিজের শরীরেই নন, তিনি যে সব নারী চেয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যেও মিশে যেতে চেয়েছিলেন। ঐশ্বরিক প্রেমী সত্যদের এইরূপ প্রকাশ হয়!
সুফি অতীন্দ্রিয়বাদী জালালুদ্দিন রুমির আরেকটা কবিতা আছে। তিনি লিখেছেন,
একজন তার প্রিয়ার বাড়ীতে গিয়ে দরজা খটখট করে।
এক আওয়াজ এলো, 'কে ওখানে?'
সে উত্তর দিল, 'এটা আমি।'
আওয়াজ বলে, 'আমি ও তুমির জন্য কোন জায়গা নেই।'
দরজা বন্ধ থাকল।
এক বছর একাকীত ও বঞ্চনার পর সে ফিরে এল ও সেই দরজা খট্খটালো।
ভিতর থেকে আওয়াজ এলো, 'কে ওখানে?'
পার্ট ২: লিভিং এনলাইটেনমেন্ট (গসপেল অফ The Supreme Pontiff Of Hinduism Bhagawan Sri Nithyananda Paramashivam)_বেঙ্গলি_পার্ট_২.এমডি
। । -
। যখন যেখানে যাব, যেন কুকুরটি বাঁধা আছে। বন্ধনই তুমি আছ। যখন যেখানে যাব, যেন কুকুরটি পালাতে পারবে না।
।
।
তশতরির মূল্য বুঝতে পারল এবং সেটাকে কিনতে চাইল।
সে দোকানদারকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করল, 'ভাই, আমি এই বিড়ালটা দুশ টাকায় কিনতে পারি?' দোকানদার মানা করে বলল যে সে বিড়ালটিকে বিক্রি করতে চায় না। শিল্প সংগ্রাহক বলল, 'আমার বাড়ী ইঁদুরে ভরা, তাই আমার একটি বিড়াল চাই। আমি হাজার টাকা দিতে তৈরি।'
দোকানদার বলল, 'তাহলে কথা, আমি রাজী। নিয়ে যান।'
এখন সংগ্ৰাহক বলল, 'আমি তো বিড়ালটিকে নিচ্ছি কিন্তু আপনি কি তশতরিটাও দেবেন? তাহলে আমাকে আর একটি বিড়াল খুঁজতে হবেনা। বিড়ালটিও খুব খুশী থাকবে কারণ সে এই তশতরিতে প্রশিক্ষণ পেয়েছে। এই তশতরিটাও দিন না?'
দোকানদার বলে, 'না! ওটা আমার পয়মন্ত তশতরি। কেবল ওটার জন্যই আমি গত সাত দিনে আটিষটিটা বিডাল বিক্রি করেছি!'
শিল্প সংগ্রাহক চেয়েছিল তশতরি, কিন্তু পেল বিড়াল। বাসনা অধিকাংশ সময় যা অভিজ্ঞতা করতে হবে তা মিস করি কারণ আমরা বিষয় নয়, শুধুমাত্র সেই বস্তুর পিছনে দৌড়াই।
যখন তুমি কারোর সাথে আছ, যখন কোন বন্ধুর সাথে বা মানুষ হিসাবে তুমি প্রক্রিয়াটি করতে স্মরণে রেখো।
কেবল তার পাশে বস। তুমি কি করতে যাচ্ছ বা বলতে যাচ্ছ, সে ব্যাপারে মাথা ঘামিও না। কেবল বসো, ব্যাস! সেটাই প্রক্রিয়া। আসলে, কথা বলা মানে সেই মানুষটিকে এডিয়ে যাওয়া। কেন তুমি মানুষটার চোখের দিকে তাকাতে পার না, তুমি কথা বলে যাও। সেটাই সমস্যা। অন্য ব্যক্তিটি তোমার দিকে তাকিয়ে থাকেন যদিও সে অন্যকিছু চিন্তা করছে অথবা সে তার উত্তর তৈরি করছে। সে সেখানে বলে আছে যাতে করে তুমি শেষ করলে সে শুরু করতে পারে।
এখন তুমি যদি এই প্রক্রিয়াটি চেষ্টা কর, তাহলে জরুরি কামনার একটা স্রোত নিভে যাবে। যখন তুমি তোমার মাস্টার বা তোমার বন্ধু বা তোমার প্রিয়তমের সাথে আছ, যার সাথে তুমি ফ্রী- অনুভব কর, এক্ষুনি এই প্রক্রিয়াটি ক্রিয়েট করতে ভাবতে পার। তাহলে লাজগুলো তোমায় জীবনমুক্তির দিকে নিয়ে যাবে। স্পষ্ট করছি, আমি তোমাদের আরও ভাল সম্বন্ধ বানাবার জন্য বা তোমাদের ব্যক্তিত্ব আরও বিকশিত করার জন্য শেখাচ্ছি না। না! এটা আমি তোমাদের দিচ্ছি অবিলম্বে বিশুদ্ধ প্রেম অভিজ্ঞতা করার জন্য যা তোমাকে জীবনমুক্তির দিকে পরিচালিত করতে পারে।
বড় সমস্যা হ'ল তুমি কখনও আরাম করে স্বস্তিতে বসো না। হয় তুমি লোভ দ্বারা চালিত, মানে তুমি তড়িঘড়ি করে কিছু বলতে বা কিছু করতে যাচ্ছ, অথবা তুমি জান না যে তুমি কি করছ এবং তাই তুমি ভয়ে আছ। তুমি কেবল তোমার কাজ শেষ করে পালাতে চাও! হয় তুমি লোভে আছ অথবা আছ ভয়ে। কিন্তু যখন কেবল বিশ্রাম করছ, সেখানে কামনা বা ভয় থাকা দরকার না, লোভেও থেকো না।
কেবল বর্তমানে বস! শুধুমাত্র অন্য ব্যক্তিটির উপস্থিতি অনুভব কর। অন্য ব্যক্তিটি যা সেই সত্তাবে গ্রহণ কর, স্বীকার করে এবং অনুভব কর যা তাদের নিকটে ঘটে। সেটা কিছুদিন ধরে চেষ্টা কর। হঠাৎ তুমি এক পৃথক স্থান অভিজ্ঞতা করবে, এমন এক জায়গা যা তুমি জীবনে আগে কখনও অভিজ্ঞতা কর নি।
এই প্রক্রিয়াটি শিবসত্র থেকে নেওয়া। শিবসূত্র জীবনমুক্তি জন্য বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে এসেছে। এই প্রক্রিয়া এক কোয়ান্টাম (quantum) লাফন মধ্য দিয়ে তোমাকে নিয়ে যাবে আকার থেকে নিরাকারে, অধিকার করার প্রবণতামূলক ভালবাসা থেকে কারণরহিত প্রেমে।
তুমি হয়ত তোমার প্রিয়জন বা ভগবান বা মাস্টার বা বন্ধু বা যে কোন ব্যক্তিতে আসক্ত আছ। সেই আসক্তি থেকে সরে আসার জন্য, আকার থেকে নিরাকারে যাবার জন্য এই প্রক্রিয়া। এটা দ্বারা তুমি প্রেমে এক কোয়ান্টাম ঝাঁপ দিতে পার। এই ঝাঁপ দিয়ে তুমি দেখবে যে কোন নির্দিষ্ট বস্তুর ওপরে আসত্তি রূপে প্রেম হয় না, কিন্তু সেটা হয় বহির্জগতে কোন আসক্তি ছাড়াই এক উচ্ছুসিত শক্তিরূপে। এটা কেবল তোমার নিজের উচ্ছুসিত হওয়া যা তুমি শেয়ার কর, ব্যাস। এই কারণরহিত উচ্ছুাস যখন ঘটে, সেই বস্তুটি সেখানে থাক কি না থাক।
यदि प्रेमाद् वासनारहितो भवति तदा स्वयं अन्य व्यक्तिं वा बद्धं न करोति। किन्तु तद् अन्यमानुषं युष्मान् उभौ मुक्तिं ददाति। तत् ते अन्य व्यक्तिं वा स्वातंत्र्यं ददाति।
আমি পৃথিবী ভ্রমণে গেলে লোকেরা জিজ্ঞাসা করে, 'আপনি গতরাতে ভাল করে ঘুমিয়েছেন কি? এটা তো আপনার জন্য নতুন জায়গা।' আমি তাদের বলি, 'যখন তুমি কোন নির্দিষ্ট বাড়ির প্রতি আসক্ত, অন্য বাড়ী তোমার জন্য নতুন স্থান হয় এবং তুমি সংগ্রাম কর। যখন তোমার কোন বাড়ীর প্রতি আসক্তি নেই, তুমি যেখানেই যাও স্বচ্ছন্দ্রবোধ কর। '
আমি কখনও কোন জায়গা আমার অথবা আমার নয় বলে অনুভব করি না। আমি যে কোন জায়গাতে স্বচ্ছন্দ্রবোধ করি। স্বাচ্ছন্দ্য আমাদের ভিতরের ব্যাপার, কখনও বাইরের নয়। যখন আমাদের ভিতরে স্বস্তি নেই, আমরা আমাদের বাইরে স্বাচ্ছন্দ্য খুঁজি। নিজের মধ্যে স্বস্তি থাকলে কোন বাড়ীর সাথে আসক্তি না হলে পুরো বিশ্বে আমরা কোন জায়গায় আমরা রিল্যাক্সড থাকি।
ব্যবসার জন্য যারা অনেক ঘুরে বেড়ায়, এই প্রশ্নটি সাধারণত তারাই করে। তারা বলে, 'যদি আমরা এক বা দুই জায়গায় গিয়ে ফিরে আসি, তাহলে আমরা ক্লান্ত হয়ে পড়ি। আপনি এত অবিশ্রাম ভ্রমণ করেন কিভাবে? এর রহস্য আমি তোমাদের আগেই বলেছি। আমি কোন একটি বাড়ীতে আসক্ত বা সংযুক্ত অনুভব করি না, তাই আমি সমস্ত পৃথিবীর সাথে সংযুক্ত অনুভব করি! সম্পূর্ণ বিশ্বের সাথে স্বস্তিতে থাকার এক গভীর অনুভূতি আছে। এই অনুভূতি নিয়ে যেখানেই যাও, তুমি এক প্রগাঢ় স্বচ্ছন্দের আনন্দ ও উচ্ছুাসের অভিজ্ঞতা লাভ করবে, কারণ সেই আনন্দ বাইরের ঘর থেকে আসে না, তা আসে অন্তরের ঘর থেকে।
সম্পর্কতায় প্রেম
প্রকৃত জীবনে আমরা সর্বদা আমাদের প্রেমকে বোধগম্য উপায়ে প্রকাশ করার চেষ্টা করি। কেবল যদি বাহ্যিকভাবে প্রেম প্রদর্শন করা হয়, তবেই আজকাল তাকে প্রেম বলে গণ্য করা হয়।
সত্য প্রেম এক মহামিলন। তা দুই সত্তার মধ্যে এক অনুরণন। তা কোন প্রকাশ ছাড়াই অনুভব করা যায়। তাতে বার্তালাপের প্রয়োজন নেই, কেবল এক মহামিলন হয়ে ঘটছে।
যদি তুমি সত্যি সত্যি কোন মানুষকে প্রেম কর, তোমার শারীরিক ভাষায় তা দৃষ্ট হবে। তা কথায় প্রকাশ করার দরকার হবে না। কিন্তু যদি তুমি বাধ্য হয়ে প্রেম প্রকাশ কর, তাহলে সেই প্রেম আসলে ঘটে নি। যখন তুমি প্রেম প্রকাশ করার জন্য শব্দ ব্যবহার কর, তুমি কেবল শব্দ ব্যবহার করে মিথ্যাকে অলক্ষ্যত করছ।
সত্য প্রেম মুক্ত করে কারণ তা কখনও তোমাকে প্রেম প্রকাশ করতে বাধ্য করে না। তা কেবল আছে। সত্য প্রেম তোমাকে তুমি যা প্রকাশ করতে চাও তা প্রকাশ করার স্বাধীনতা প্রদান করে। তুমি সহজেই কোন কিছু প্রকাশ করতে পার, যেমন অসমর্থন বা রাগ এবং তাতে প্রেম কমে গেছে বলে ভুল করা হবে না।
কেবল তাই নয়, আসল প্রেমের সম্বন্ধতায় কোন আধিপত্য বা ক্ষমতা প্রদর্শন হবে না। প্রতিটি মানুষ যেন তার অনুপম সুগন্ধ ছড়াবার জন্য প্রস্ফুটিত এক সুন্দর ফুল, ব্যাস।
যখন কোন ব্যক্তি মানসিক বা শারীরিকভাবে নিরাপত্তাহীনতা ভালবাসায়, দুজনের পার্থিব দূরত্বে অনেক অভাব হয়।
একটা ছোট গল্প :
এক অল্পবয়সী সৈনিক এক অফিসারের কাছে গিয়ে বলে, 'স্যার, আমার বন্ধু এখনও যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ফেরে নি। আমাকে বাইরে গিয়ে তাকে খুঁজে নিয়ে আসার অনুমতি দিন।'
অফিসার বলে, 'অনুমতি নেই। তোমার বন্ধু খুব সম্ভবত মৃত। আমি চাই না সেখানে গিয়ে তুমি তোমার জীবন বিপন্ন কর। '
অল্পবয়সী সৈনিক সেখানে গেল ও ভীষণ আহত হয়ে তার বন্ধুর শব বহন করে নিয়ে আসল।
অফিসার প্রচণ্ড রেগে ফেল। সে চেঁচিয়ে বলল, 'আমি বললাম যে সে মারা গেছে। এখন আমি তোমাদের দুজনকেই হারাব। বল, ওখানে গিয়ে মৃতদেহ নিয়ে আসার কোন অর্থ হয় কি? '
মৃতপ্রায় সৈনিকটি উত্তর দিল, 'অর্থ হয়, স্যার। যখন আমি সেখানে গেলাম সে তখনও বেঁচে ছিল। সে আমাকে বলে, সে নিশ্চিত ছিল যে আমি আসব।'
সত্য প্রেম উপযোগিতা দেখে না। তা স্থান কালের ঊর্ধ্বে।
আজকাল আমি দেখি যে প্রেম নিবেদন করার জন্য মানুষেরা পরস্পরকে কত কিছু দেয়। কিন্তু তা যদি কোন শর্ত পূরণ করার জন্য হয়, তা এক সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়! তাহলে তা হয় সত্য প্রেমের এক দুর্বল বিকল্প।
যদি তোমার অফিসে কেউ মারা যায়, তোমার জীবনে বাস্তবে কিছুই থেমে যাবে না। অন্যদের সাথে তুমি তার পরিবারবর্গকে সান্ত্বনা জানাবে ও জীবনে এগিয়ে চলবে, ব্যাস। কিন্তু যে সহকারী মারা গেল, যদি তার সাথে তোমের প্রেমের সম্বন্ধ থাকে, তাহলে কি হবে? তোমার জীবন আর কখনও আগের মত হবে না, ঠিক কি না? যার সাথেই প্রেম কর অথবা কেউ তোমাকে প্রেম করে, সম্পূর্ণ সম্মান অনন্যতা প্রদান করে।
এক আশ্রমবাসী আমায় একদিন প্রশ্ন করে, 'THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM, আপনি আমাদের প্রত্যেককে রোজ দেখেন, আমাদের সমস্ত ভুল ও বিভ্রান্তি দেখেন। সেটাতো আপনার পক্ষে রোজ একই ব্যাপার। আপনি আমাদের ওপরে বিরক্ত হন না?'
আমি বললাম, 'জীবনমুক্ত সতারা কেবল তাঁদের প্রেমের জন্য দেখতে পান যে সবাই অনন্য। তাঁরা কারও দোষ দেখেন না। তাঁরা প্রত্যেককে অনন্য বলে দেখেন।'
তাই এত বৈর্যের সাথে মাস্টার সবার সাথে কাজ করতে পারেন। যদি এটা কোন সংখ্যার ব্যাপার হ'ত, তা একেবারে আলাদা হত। যখন তোমার এই প্রেম থাকে, তোমার অন্তর্জগৎ এমন হয়ে যায় যে তাতে তোমার কাজের পিছনে কোন যুক্তিগত কারণ থাকে না। তুমি শুধুমাত্র সংযুক্ত অনুভব কর এবং প্রেম বিকিরণ কর, ব্যাস!
শুধু তাই নয় কারণরহিত উচ্ছুাস তার প্রকাশে সর্বদাই পূর্ণ। তা ভয় ও লোভের কোন অশুদ্ধতা বহন করে না। তাই যাকে তুমি প্রেম কর, কোন আপত্তি ছাড়াই তুমি সম্পূর্ণক্ষণে প্রেম করবে। সে কেমন তা নির্বিশেষে তুমি তাকে প্রেম করবে। যখন তুমি এই রূপে প্রেম কর, তখন সেই ব্যক্তি তোমাকে ছেড়ে চলে গেলেও তুমি কষ্ট পাবে না। যখন কোন মানুষ দেহত্যাগ করে, তুমি শোক কর কারণ তুমি তাকে সম্পূর্ণরূপে প্রেম করতে পার নি বলে অনুতাপ কর। যখন তোমার প্রেম পূর্ণ, তখনই মানুষকে পূর্ণরূপে প্রেম করতে পার। তাতে অন্য মানুষটির কিছু করার নেই। সে কি রকম মানুষ তাতে কিছু যায় আসে না। সত্য প্রেমের সেটাই সৌন্দর্য। প্রেম কর কেবল প্রেমের জন্য, অন্য মানুষটির জন্য নয়।
যদি তুমি কোন ব্যক্তিকে হারিয়ে শোক কর, তবে তাকে পূর্ণরূপে প্রেম না করতে পারার জন্য শোক করছ। যদি তুমি তাকে পূর্ণরূপে প্রেম করতে, তুমি তাকে বিদায় জানাবে। তোমার শোকের কারণ হল তুমি তার কাছ থেকে কিছু গ্রহণ করেছ, তাই তুমি রুষ্ট। কারণ তুমি কিছু হারিয়েছ। তা সে তোমার নিজের পিতা, পতি বা পত্নীই হোক। তাদের জীবদ্দশায় যদি তুমি তাদের প্রতি তোমার কারণরহিত প্রেম বিকিরণ করে থাক, তাহলে তারা চলে গেলে কোন শোক থাকবে না। কিন্তু তুমি যদি তাদের যুক্তিপ্রয়োগ করে প্রেম করে থাক, তাহলে তারা চলে গেলে তাদের প্রতি তোমার প্রেমের অপূর্ণতা তোমায় কষ্ট দেবে আর সেই কষ্টই তুমি শোক হিসাবে অনুভব কর।
ধ্যান - অনুভব কর যে প্রেম তোমার ভিতরে উচ্ছুসিত হচ্ছে
নিজের সাথে আরাম করে বস ও চোখ বন্ধ কর। তোমার হৃদয় অঞ্চলে ফোকাস কর। অন্য মনকে কিছু বলতে বারণ কর। কোন কমর্য কেন্দ্ৰীভূত হও।
প্রত্যক্ষরৎ স্মরণ কর যে তোমার হৃদয় এক উজ্বলিত স্থানে পরিণত হয়েছে। এইবার অনুভব কর সেই প্রগাঢ় ভালবাসা এবং সেই প্রেম তোমার শরীর এবং মনের প্রতিটি অংশে প্রবাহিত হচ্ছে। এই প্রেম যেন শান্তির ঝর্ণা। এই অনুভব কর।
তোমার দেহ, মন ও আত্মার গভীরে প্রেমশক্তি স্বীকৃত হবার জন্য অপেক্ষা করছে। সেই প্রেমকে আমন্ত্রণ কর এবং তোমার দেহ, মন ও আত্মাকে গভীর পর্যন্ত ভরাট করে ফেল।
ধীরে ধীরে চোখ খোল।
দুশ্চিন্তা করার কিছুই নেই
জীবনে যদি রস না থাকে তবে জীবন উন্মাদনাপূর্ণ হতে পারে না।
পূর্ণিত্যা কি?
এতক্ষণ আমরা বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছি। প্রেম হ'ল অন্যদের সাথে আমাদের সম্বন্ধ-সম্পর্কিত। প্রেম আবার আমাদের নিজের সাথেও সম্বন্ধ-সম্পর্কিত। নিজেদের প্রেম না করে আমরা অপরকে প্রেম করতে পারি না। আমাদের নিজের ভিতরে সৃষ্ট অবিশ্রাম দুশ্চিন্তা ও বিরক্তি আমাদের নিজেদের পূর্ণিত্যা কমিয়ে দেয়। পূর্ণিত্যা হল স্বয়ংক্রিয়মান মনঃক্রিয়া যা সর্বক্ষণ চলতে থাকে।
একটা ছোট গল্প :
একটি বিরক্তভাবাপন্ন ও দুশ্চিন্তাগ্রস্থ ব্যক্তি পানশালাতে গেল।
পরিবেষক তাকে জিজ্ঞাসা করে, 'কি ব্যাপার? তুমি এত দুশ্চিন্তায় কেন? '
লোকটি বলে, 'আমার স্ত্রীর সাথে এক লড়াই হয় এবং সে বলেছে আমার সাথে এক মাস কথা বলবে না।'
পানাগারিক তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলে, 'ঠিক আছে। এক মাস খুব একটা লম্বা সময় নয়।'
লোকটি বলে, 'জানি। আজকেই মাস শেষ!'
প্রত্যেকের কাছে তার নিজের দুশ্চিন্তা থাকে। কাউকে যদি জিজ্ঞাসা করলে তুমি আমায় বল, 'আমার চাকরি নেই, সেটা আমার দুশ্চিন্তা। তোমার প্রতিবেশী বলবে, 'আমার চাকরি আমার পূর্ণিত্যানুভূতির পথে অন্তরায়!' অন্য কেউ বলবে, 'আমাদের ছেলেমেয়ে নেই, সেটাই আমাদের পূর্ণিত্যা!' তুমি কখনও এর শেষ খুঁজে পাবে না।
পূর্ণিত্যা বলতে কি বোঝায়? যা তুমি চাওয়ামত জিনিষগুলি না ঘটলে দুশ্চিন্তার উদয় হয়। এটা তোমার প্রত্যাশা ও বাস্তবের মধ্যে পার্থক্য। উদাহরণস্বরূপ, তুমি অনুভব কর যে তোমার ছেলে তোমার সাথে ঘরে থাকবে, পক্ষান্তরে সে নিজেকে নিয়ে তোমার থেকে দুরে থাকতে চায়। তুমি চাও আরও কিছু হাজার টাকা বেশী হোক। তোমার বস তোমাকে বলে যে সে একটি কাজ কোন নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করতে চায়। কিন্তু তা ঘটছে খুব ধীরে এবং তাকে এক অসম্ভব কাজ মনে হচ্ছে। বর্তমানে তুমি চাও ও আশা কর তা অন্যের চাওয়া ও আশার সাথে মেলে না।
এবং সকাল থেকে রাতে বিছানায় যাওয়া পর্যন্ত আমাকে যত্ন করে।'
শিক্ষিকা বলে, 'তোমার সমস্যা কি? তুমি দুশ্চিন্তায় কেন? '
বালকটি উত্তর দেয়, 'আমার ভয় লাগে যে তারা চলে যেতে পারে।'
মন কষ্টের সাথে একাত্ববোধ করে, আনন্দের সাথে নয়! তাই আনন্দসচক ঘটনাগুলিকে মনে করা একটি কষ্টকর কাজ হয়ে দাঁড়ায়।
আনন্দ কখনও চিন্তা হয়ে রেকর্ড হয় না, কিন্তু কষ্টের ঘটনাগুলি রেকর্ড হয়। এটাই আমাদের নকারাত্মক চিন্তা। আনন্দ যেন ফাঁকা রেকর্ডিং! উদাহরণস্বরূপ, যদি তোমার সমস্যা জীবন এক সময়-দণ্ডের (time shaft) মত হয়, সেই দণ্ডে আনন্দপূর্ণ মুহূর্তগুলি কেবল ফাঁকা জায়গা! যেন কোন ঘটনার ঘটেনি। কিন্তু পূর্ণিত্যা ও কষ্টের মুহূর্তগুলিকে কালো ছাপে পরিষ্কারভাবে রেকর্ড করা হয়েছে।
এক সুন্দর সাদা দেওয়ালে যদি একটা ছোট কালো বিন্দু থাকে, তবে তুমি কাকে দেখবে? যদি কেউ তোমাকে জিজ্ঞাসা করে, তুমি কি দেখছ, তুমি কি বলবে? তুমি বলবে যে তুমি কেবল কালো বিন্দু দেখছ। তুমি চারপাশের সাদা জায়গা দেখবে না! আমাদের সময়দণ্ড কেবল দুশ্চিন্তা ও কষ্ট দিয়ে নির্মিত।
যা ঘটছে তাকে যেমন আছে তেমনই দেখ এবং এগিয়ে চল
জীবনমুক্ত মাস্টার বুদ্ধ 'তথাত' বলে একটা শব্দ ব্যবহার করতেন, তার মানে যা ঘটছে তাকে যেমন আছে সেইভাবেই দেখা। কোন বিচার বা ব্যাখ্যা ছাড়াই।
কিন্তু জিনিষগুলিকে কেবল আমাদের দুশ্চিন্তার মধ্য দিয়ে দেখি। যখন আমরা সবকিছু যেমন আছে তেমনই দেখি, তখন শুধু আনন্দ থাকবে এবং যখন আনন্দ আছে, কোন চিন্তা তোমার ভিতরে রেকর্ড হবে না। সেখানে কেবল খালি জায়গা আছে। সেইজন্য তুমি আনন্দে থাকলে তোমার নিজের প্রতি তোমার আস্থা থাকে, কারণ কিছুই রেকর্ড হয় না। মানসিক দুর্বলতার দরুন তোমার ভিতরে বেশী করে চিন্তা রেকর্ড হয় এবং নিজেকে ভারী লাগে।
কথায় বলে, 'আমরা জিনিষগুলি যেমন আছে সেরকম দেখি না, আমরা জিনিষগুলিকে আমরা যেরকমভাবে চাই সেরকম দেখি।' যদি তুমি অনুভব কর যে যা দেখছ তাতে কিছু ভুল আছে, তাহলে তোমার নিজের দিকে ফিরে যাওয়া উচিত এবং উপলব্ধি করা উচিত যে এটা কেবল তোমার অন্তরের প্রতিফলন। যদি তুমি অন্তরে সত্য প্রেম অনভব কর, তবে তুমি যা দেখছ তার ওপরে নয়।
যা ঘটছে তার থেকে কিভাবে মুক্তি পেতে পার? কিভাবে সর্বদা প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করতে পার?
তোমার রায় দেবার বাধ্যবাধকতা থাকে। কিন্তু যখন তুমি যেভাবে আছে সেভাবে দেখে মহান শক্তিকে বিমুক্ত করে তার অভিজ্ঞতা করবে; তখন তুমি পূর্ণিত্যা ও কষ্ট থেকে মুক্ত রূপে বাঁচতে চাইবে।
যখন তুমি স্বর্গে আছ। যখন তুমি যেটা দেখতে চাও সেটাই দেখতে চাও, তুমি নরকে আছ। তুমি যদি বোঝা যে সবকিছুই মঙ্গলময়, তুমি প্রত্যাশা করা বন্ধ করে দেবে এবং সবকিছুকে যেমন আছে সেভাবেই দেখবে, কারণ সবকিছুই মঙ্গলময়।
একটা ছোট গল্প :
এক শিষ্য তার গুরুকে জিজ্ঞাসা করে, 'মাস্টার, স্বর্গোদ্যান কোথায়?'
শেষে একদিন মাস্টার তাকে জিজ্ঞাসা করেন, 'তুমি কি তা প্রকৃতপক্ষে জানতে চাও?'
শিষ্য উঠে দাঁড়িয়ে বলে, 'হ্যাঁ!'
মাস্টার বলেন, 'ঠিক আছে, আমার প্রথম শিষ্য হেমচন্দ্র স্বর্গোদ্যানে আছে।' এই কথা বলার পর মাস্টার চোখ বন্ধ করলেন এবং ধ্যানে চলে গেলেন।
শিষ্য জানত যে মাস্টারের চোখ খুলতে অনেক সময় লাগবে। তাই সে অন্য শিষ্যদের কাছে গিয়ে হেমচন্দ্র কোথায় থাকে তা জানতে গেল। দেখা গেল কেউ তা জানে না।
অবশেষে একজন শিষ্য বলল, 'তোমাকে হেমচন্দ্রের কাছে যাবার রাস্তা বলতে পারি, কিন্তু আমি সেখানে নিজে যাই নি। বরফে ঢাকা পর্বতমালা ছাড়িয়ে এক গভীর উপত্যকায় সে আছে।'
শিষ্য মাস্টারের কাছে ফিরে গেল। সে তাঁকে বলল, 'মাস্টার, আমার হেমচন্দ্রের কাছে যাবার ইচ্ছে!'
মাস্টার কোন কাজে গভীরভাবে নিমগ্ন ছিলেন। তিনি ওপরে না তাকিয়েই বলেন, 'যাও।'
শিষ্য রওনা হল। বহুদিন ধরে চলতে থাকল - রোদ, বৃষ্টি, বরফ সব কিছুর মধ্য দিয়ে। সে পরিশ্রান্ত হয়ে পড়ল, প্রায় মৃত্যুর সন্নিকটে। তার উপত্যকায় যেতে একশ' দিন লাগল। সবশেষে সেই উপত্যকায় পৌঁছে সে ভাবল, 'এই উপত্যকা তো সেরকম একটা সুন্দর দেখাচ্ছে না। আমি তো এর চেয়ে বেশী সুন্দর অনেক উপত্যকা দেখেছি। মাস্টার কেন এটাকে স্বর্গোদ্যান বলেছেন?'
সে চারদিকে দেখে আরও এগিয়ে গেল এবং শেষে হেমচন্দ্রের কুটির দেখতে পেল। হেমচন্দ্র তাকে দেখে খুব খুশী। সে তাকে খাবার দিল ও মাস্টার ও অন্য শিষ্যেরা কেমন আছে তা জিজ্ঞাসা করল।
শিক্ষার্থী ভাবছিল, 'মাস্টার এই জায়গাটাকে স্বর্গোদ্যান বলেছেন? আমি বিশ্বাস করতে পারছি না।'
এক সপ্তাহ পর সে সেখান থেকে বেড়িয়ে পড়ল ও মাস্টারের কাছে ফিরে এল। ফিরে আসতে তার আরও একশ' দিন লাগল।
সে সোজা মাস্টারের কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করে, 'আপনি বলেছিলেন যে জায়গাটা স্বর্গোদ্যান। কিন্তু আমি তো সেটা এক অতি সাধারণ স্থান দেখলাম!'
মাস্টার বললেন, 'হায় ভগবান! প্রশ্ন করার সময় তোমার অভিপ্রায় বললে আমি তোমায় সত্য বলে দিতাম।'
শিষ্য জিজ্ঞাসা করে, 'সত্য কি?'
মাস্টার - উত্তর - দিলেন, 'হেমচন্দ্র স্বর্গোদ্যানে নেই। স্বর্গোদ্যান তার ভিতরে আছে!'
যখন তুমি যা দেখছ তার সাথে একাত্ম হও এবং তার মধ্যে মঙ্গলত দেখ, তুমি নিজের মধ্যে স্বর্গ বহন কর! স্বর্গ ভৌগলিক নয়, তা হ'ল মনস্তাত্ত্বিক। তা প্রাকৃতিক নয়, তা হ'ল মানসিক। নির্ণয় নিলে এখনই তুমি স্বর্গে থাকতে পার।
যদি স্বপ্ন ভবিষ্যতের বিষয়ের পূর্বাভাস হয় ও আমার কাছে সেই স্বপ্নের বিশদ ব্যাখ্যার জন্য যাওয়া হয়, তবে স্বপ্ন বাস্তবে যা ঘটবে তা প্রমাণ করতে পারবে না, তাহলে স্বপ্নের বিশদ ব্যাখ্যা করে কি লাভ?
একদিন একজন এক অদ্ভুত স্বপ্ন দেখে এবং সেই স্বপ্নের অর্থ জানার জন্য তার খুব কৌতুহল হয়। সে তার মাস্টারের কাছে গেল, স্বপ্নের কথা বলল এবং তার ব্যাখ্যা চাইল।
মাস্টার তাকে বলেন, 'তোমার জাগ্রত অবস্থায় যে স্বপ্ন আসে, আমার কাছে তা নিয়ে এসো। আমরা তাতে কাজ করব। তোমার নিদ্রার সময়ের স্বপ্ন আমার জ্ঞানের পরিধিতে আসে না। সেটা তো তোমার কল্পনাতেও আসে না।'
যদি পূর্ণিত্যা থাকে, তাহলে যা ঘটছে সেটাকেই স্বপ্ন
মিনন বিলায় জ্ঞাতান মটনব ব্যবস্থান কথা বলে। তোমার স্বপ্ন থেকে শেখো এবং ভাব যে কিভাবে তোমার মনকে দিনের বেলা পরিবর্তন করবে। কারণ, অধিক ব্যবস্থায় তুমি যত বেশি মনোনিবেশ করবে, তত বেশী স্বপ্নগুলি কামলালসাপূর্ণ হবে। যদি তুমি উচ্চ গ্রেড নিয়ে পাস করার জন্য উদ্বিগ্ন থাক, তুমি স্বপ্নে পরীক্ষায় বসে লিখবে! কোন সম্বন্ধ বিষয়ে দুশ্চিন্তায় থাকলে স্বপ্নে তুমি কারো সাথে লড়াই করবে। তাই তোমার স্বপ্ন কি নির্দেশ করে তার জন্য জাগো। তোমার স্বপ্ন থেকে ব্যাখ্যা করার আর কিছুই নেই। জাগো এবং যা যেভাবে আছে তাদের সেভাবেই দেখ।
দুশ্চিন্তা -উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া
উত্তরাধিকার সূত্রে ঠাকুর্দা -ঠাকুমা থেকে বাবামায়ের পাওয়া, আর বাবামায়ের থেকে পাওয়া। শিশুরা তাদের বাবামায়ের শরীরের ভাষা ও তাদের মনোভাব আত্মভূত করে। বাবামায়েরা জানেও না যে এটা ঘটছে। শিশুরা সেই অভ্যাসকে একদম আত্মভূত করে। তারা নিজেদের অজান্তেই বাবামায়ের দুশ্চিন্তাগুলি গ্রহণ করে।
পরিণামে সে সেই দুশ্চিন্তা নিজের সাথে নেয় এবং হয়তো তার স্ত্রীকে একসাথে সেই দুশ্চিন্তার বিহিত করতে হবে, যদিও সেটা মূলত তার মায়ের ব্যাপার ছিল। যদি তারা সেটা বন্ধ করতে না শেখে, পরে তারা সেটা তাদের বাচ্চাদের হস্তান্তর করবে।
এক ব্যক্তি প্র্যানে বা শিশুগাড়ীতে জোরে বারবার বলতে থাকে, 'শান্ত হও, জর্জ। চেঁচিও না। সব ঠিক হয়ে যাবে।'
তার স্ত্রী তাকে চুপ করে থাকতে বলে।
এক মহিলা সব দেখছিল ও স্ত্রীটিকে বলল. 'তুমি তার প্রতি এত কর্কশ কেন? সে তোমার বাচ্চাকে শান্ত করার জন্য খুব চেষ্টা করছে নয় কি?'
স্ত্রী মহিলাটির দিকে বিরুক্ত হয়ে তাকাল আর তার পতির দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে বলল, 'ওর নাম জর্জ।'
পিতামাতারা একটানা জীবন প্রবাহিত হয় কেবল দুশ্চিন্তার জন্য! এটা বোঝ, জীবন আমাদের কারণে চলে না, কিন্তু আমরা থাকা সত্ত্বেও চলে!
একটি লোক গ্রামের একটা দরস্থিত স্থানে চলে গেল। একদিন তাকে তার বাড়ীর চারপাশে শুকনো রুটির টুকরা ছড়িয়ে দিতে দেখা গেল।
তার প্রতিবেশী তাকে প্রশ্ন করে, 'আপনি কি করছেন?'
ব্যক্তিটি উত্তর দেয়, 'আমি বাঘ তাড়চ্ছি।'
প্ৰতিবেশী অবাক হ'ল। সে বলল, 'এদিকে তো কোন বাঘ নেই!'
ব্যক্তিটি উত্তর দেয়, 'ঠিক কথা। কাজটা সার্থক, তাই না?'
আমরা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত! একদিন আমি দুশ্চিন্তা সম্পর্কে পড়ছিলাম। সেখানে লেখা আছে, আমাদের দুশ্চিন্তার চলিশ শতাংশ অতীতের এবং তার জন্য কিছু করার নেই, বার শতাংশ উদ্বেগ হ'ল অন্যের সম্বন্ধে যা আমাদের ব্যাপার নয়, দশ শতাংশ হ'ল রোগসম্পর্কিত যা বেশীরভাগই কল্পনার, আট শতাংশ নিয়ে দুশ্চিন্তা করা যায় কিন্তু সেগুলির জন্য শক্তি খরচা করার কোন মানে হয় না। সেগুলিকে অতিক্রম করতে পারা যায় কাজের মাধ্যমে। তাই বর্তমানের কাজ করার কোন অর্থ হয় না!
যা কিছু মানুষে বিশ্বাস করে! তাই আমি স্টাটিস্টিক বা সংখ্যাতত্ত্ব নিয়ে বলছি। নয়ত কেবল একটি লাইনই যথেষ্ট : দুশ্চিন্তা কোরো না, কেবল কাজ কর। জিনিষগুলির যেভাবে হওয়া উচিৎ, সেভাবেই হবে।
বাচ্চারা দুশ্চিন্তা করুক! দুশ্চিন্তা না করলে তারা বাচ্চাদের অযতলীল বলে। দুশ্চিন্তা না করে কাজ করাই ভালো, দুশ্চিন্তা হ'ল কিচিরমিচির করা। কিচিরমিচির করে কোন লাভ নেই। কিচিরমিচির যেন কোন একটি সেতু আসার আগেই তাকে অতিক্রম করার চেষ্টা করা।
একটি বালক তার মাকে পাশের গ্রামে গাড়ীতে করে নিয়ে যাচ্ছিল। তারা গ্রামের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এমন সময় একটি পুরানো ব্যবহারের অযোগ্য সেতুর কথা তাদের মনে পড়ল।
মা খুব উদ্বিগ্ন হ'ল ও বলল, 'আমি গাড়ীতে করে সেই সেতু অতিক্রম করব না। '
ছেলেটি বলে, 'দেখা যাক সেতুটি এলে কেমন লাগে।'
মা বলল, 'আমি নিশ্চিত যে গাড়িতে করে গেলে সেই সেতু ভেঙ্গে যাবে। '
ছেলেটি বলে, 'দেখা যাক সেটা কত পোক্ত। আমরা অতিক্রম করব না।'
মা বলে, 'যদি আমার বা তোমার কিছু হয়, তোমার বাবা আমাকে কখনও ক্ষমা করবে না।' সে আরও বেশী ও আরও বেশী অস্থির হতে লাগল।
শীঘ্রই তারা সেই সেতুর জায়গায় এসে গেল। দেখা গেল সেখানে একটা নতুন সেতু নির্মিত হয়েছে।
পূরণো জিনিষ বাদ দেওয়া ভালো : কালানুক্রমিক পরিকল্পনা এবং মানসিক দুশ্চিন্তা। কোন কার্য বা প্রজেক্ট সম্পাদন করার উদ্দেশ্যে কাজের সময়তালিকা বানাবার জন্য কালানুক্রমিক পরিকল্পনার দরকার। দুষ্টান্তস্বরূপ, তুমি ঠিক করলে, 'আমি সকাল ছ'টায় উঠব, ধ্যান করব, সাতটার সময় স্নান করব। তারপর অফিসে যাব ও সন্ধ্যে ছ'টায় বাড়ী ফিরব।'
এগুলো সবই ভালো পরিকল্পনা। কিন্তু কার্য সম্পাদনের সময় প্রত্যেকটার আগপাছ বা খুঁটিনাটি ভাবতে থাক। এটাকে বলে মানসিক দুশ্চিন্তা! এটার কোন প্রয়োজন নেই। কালানুক্রমিক পরিকল্পনা ভাল, কিন্তু মানসিক দুশ্চিন্তা নয়। বাজে যেন কোন একটি সেতু আসার আগেই তাকে অতিক্রম করার চেষ্টা করা।
দুশ্চিন্তা করা থেকে মুক্তি পাওয়ার একটাই উপায় আছে যে তুমি দুশ্চিন্তা ছাড়া যত্ন করে, ব্যাস। সেতু আসার আগেই সেটা নিয়ে ভাব কেন?
বোঝা যে সংবেদনশীলতা দুশ্চিন্তা থেকে আলাদা। তুমি মুহূর্তগুলিতে একটুও উদ্বিগ্ন না হয়ে খুব সংবেদনশীল হতে পার। যদি ছোটদের দেখ, তুমি অসুস্থ হ'লে তারা তোমার প্রতি খুব সংবেদনশীল হয়। কিন্তু তারা সেটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করে না। বাচ্চাদের চাহিদার ওপরে সংবেদনশীল, তা একদম ঠিক আছে। তাকে তা প্রদর্শন করার জন্য উদ্বিগ্ন হতে হবে না। আসলে, খুশী হও যে বাচ্চারা বাড়ীতে দুশ্চিন্তা বাড়ায় না!
কিভাবে পরিষ্কার কর? এই স্থান অর্থাৎ আকাশ তোমার বিকিরিত সমস্ত চিন্তাগুলি গ্রহণ করে। তা বাড়ীর মেজাজটা নির্ণয় করে। তোমার দুশ্চিন্তাগুলি বাড়ীর আকাশে জমা থাকে। তাই তুমি বাড়ীতে প্রবেশ করলে, তুমি দুশ্চিন্তার এক পরিচিত প্যাটার্ন অভিজ্ঞতা কর। বোঝা যে তোমার মানসিক গঠন বাড়ীর স্থানে বা আকাশে জমা হয়।
বাড়ীর স্থান অর্থাৎ আকাশকে দূষিত করে, সেই স্থানে অন্যদের তাদের অজান্তে প্রভাবিত কর। সেটাই সমস্যা। অনেকে বাড়ীতে সেই শক্তিকে শুদ্ধ করার জন্য আচার-অনুষ্ঠান করে, কিন্তু তুমি আবার সেই স্থানে তোমার নকারাত্মক চিন্তা করতে শুরু কর। যদি না তুমি তোমার মানসিক গঠন বা দুশ্চিন্তা ভেঙে বেড়িয়ে না আস, বাড়িতে শুদ্ধিকরণের অনুষ্ঠান করার কোন মানেই হয় না। অনুষ্ঠানের সাথে সাথে তোমাকে সকারাত্মক চিন্তা ছড়াতে হবে, তাতে তোমার বাড়ীর শক্তি শুদ্ধ থাকবে।
দুশ্চিন্তা ও উভয়সঙ্কট - আমাদের ভিতরের সফটওয়ার
এক ব্যক্তি গভীর নিদ্রা থেকে এক ঝাঁকুনি দিয়ে জেগে ওঠে। তার বন্ধু জিজ্ঞাসা করে, 'কি হয়েছে?'
সে উত্তর দিল, 'আমার হঠাৎ মনে পড়ল যে ঘুমের ওষুধ খেতে ভুলে গেছি। '
দুশ্চিন্তা আমাদের ভিতরে এক দুঢ়ভাবে গাঁথা প্যাটার্ন (ছক)। এটা স্বাধীনভাবে হয়, তাকে সমর্থন করার জন্য কোন অকাট্য কারণ ছাড়াই হয়। ধুমুপান ও মদ্যপানের মত এটা একটা নেশা। আঠারো বছরে নিকোটিনের ওপরে ভীষণভাবে নির্ভরশীল হয়ে বেড়ে গেছে!
যে কোন নেশা ঘটে কারণ আমরা আমাদের প্যাটার্ন বজায় রাখতে চাই। একই জিনিষ দুশ্চিন্তা করবার বেলায় প্রযোজ্য। এটা তোমার স্বভাব হয়ে যায়।
বোঝা যে মন হ'ল যেন এক হার্ডওয়ার যাকে 'দুশ্চিন্তা' সফটওয়ার দিয়ে প্রোগ্রাম করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ধরা যাক রোজ সকাল দশটায় তুমি অফিসে যাও। রোজ সকাল দশটা তোমার ভিতরে সেই অফিসের কথা মনে করিয়ে দেয়। রোজ সকাল দশটায় তোমার মেজাজে এক বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়, কারণ তোমার মন জানে যে আজ রবিবার, তোমার অফিস নেই। তখন তুমি নিজেকে বল, 'না, আজ রবিবার। আমায় অফিসে যেতে হবে না। আমার অফিস সম্পর্কে ভাবার দরকার নেই।' তখন তোমার উপশম হয় কিন্তু মন বারবার তোমাকে সেই একই মেজাজে নিয়ে যায়, কারণ মন হ'ল কষ্টভোগ ও দুশ্চিন্তার পীড়ন আমাদের সত্তার অংশ হয়ে যায়। যদি দুশ্চিন্তা বা ভোজন আমাদের থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়, আমরা একাকী অনুভব করি। আমরা অস্থিরতা অনুভব করি। আমরা বৃদ্ধ বয়সে প্রবেশ করলে বেশি কিছু দুশ্চিন্তার বিষয় থাকবে না, কারণ আমাদের শরীর কোন সমস্যার সমাধান চাইবে না। যদি তুমি বদ্ধদের লক্ষ্য কর, সেখবে যে তারা ছেলেমেয়েদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে গেছে, প্রতিদিন বসে তারা খবরের কাগজে 'পাত্রপাত্রী চাই' পড়ে যাচ্ছে!
আরেকটা জিনিষ হ'ল এই যে, যখন আমরা বারবার এই দুশ্চিন্তা সফটওয়ারের খপ্পরে পড়ি, আমরা প্রায়ই উভয়সংকটে পডি।
উভয়সংকট কি? কোন নির্ণয় নেবার পূর্বে আগেপিছু করা। এই আগেপিছু হয় কারণ তোমার ভিতরে অনেক চিন্তা তোমার চুড়ান্ত সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে। এই চিন্তাগুলির মধ্যে ভীষণ দ্বন্দ্ব চলে কারণ তাদের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয়েছিল। তাই সিদ্ধান্ত নেবার সময় তারা পরস্পরের মধ্যে দুল্দ করে। এই দ্বন্দ্ব তোমার উভয়সঙ্কট (dilemma) হয়ে যায়। প্রতিটি মানুষের উভয়সঙ্কটের জন্য কোন মানদণ্ড বা বিধি নেই।
একটা ছোট গল্প :
এক বন্ধু অন্য বন্ধুকে বলে, 'আমি দুটি মেয়ের সাথে প্রেমে পড়েছি। একজন সুন্দরী, কিন্তু টাকাপয়সা নেই। অন্যজন তত সুন্দর নয়, কিন্তু অনেক টাকাপয়সা আছে। আমার কাকে বিয়ে করা উচিৎ?'
তার বন্ধু উত্তর দিল, 'আমি নিশ্চিত যে তুমি সুন্দরী মেয়েটিকে ভালবাস, তাই তাকেই বিয়ে কর।'
লোকটি ব্যবহারিক ভাবনা বললে, 'তোমাকে অশেষ ধন্যবাদ!'
এবার বন্ধুটি জিজ্ঞাসা করে, 'তুমি কি আমাকে অন্য মেয়েটির নাম ও টেলিফোন নম্বর দিতে পারবে?'
সঙ্কট বিভিন্ন মানুষের কাছে ভিন্ন, কারণ প্রতিটি মানুষের মন একদম আলাদা আলাদা। উভয়সঙ্কট ভিন্ন হয়। দুশ্চিন্তাও ভিন্ন হয়।
একটি অন্ধ ব্যক্তি ও তার গাইড কুকুর একটি হোটেলে ঢুকে একটি টেবিলে বসল। কিছু খাবারের অর্ডার করে সে উচ্চস্বরে সেখানে লোকেদের বলল, 'তোমরা একটা স্বর্ণকেশীর তামাশা (blonde joke) শুনতে চাও?
সমস্ত জায়গাটা নিঃশব্দ হয়ে গেল। এক ব্যক্তি তার দিকে উঠে গিয়ে বলল, 'সেই জোক বলার আগে তোমার কিছু জানা উচিৎ। এই হোটেলের মালিক স্বর্ণকেশী, নিরাপত্তা রক্ষী স্বর্ণকেশী আর আমি ছয় ফুট লম্বা ১০০ কেজি ওজনের স্বর্ণকেশী ও ক্যারাটেতে ব্ল্যাক-বেল্ট। আমার পাশে যে লোকটা বসে আছে সে একজন কুস্তিগীর। ভাল করে ভেবে নাও। তুমি কি এখনও সেই তামাশা বলতে চাও?'
বৃদ্ধ লোকটি বলল, 'নাং, বলব না কারণ তামাশাটা আমাকে বুঝিয়ে বলতে হতে পারে।'
নির্ভর করে সবার দুশ্চিন্তা ভিন্ন ভিন্ন।
বড় সমস্যা হল, তুমি তোমার সফটওয়্যারের ওপরে নির্ভর করা তোমার এত বেশি অভ্যাসে দাঁড়িয়ে গেছে ও মূল ভূখণ্ডের সুবাস থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছ। তোমার দুশ্চিন্তার জন্য তুমি বাস্তবতাকে ভুলতে বসেছ। আমাদের কমফোর্ট জোন থেকে বের হওয়ার সাহস থাকে না। তুমি হাসি হাসি ভুলে যাও এবং কেবল উদ্বেগ মনে রাখো। তুমি আনন্দ ভুলে যাও ও কেবল নকারাত্মক জিনিষগুলি মনে রাখো।
আরেকটা ছোট গল্প :
একদিন একটা কুকুর এক কসাইয়ের দোকানে গেল। কসাই কুকুরটিকে তাড়ানোর চেষ্টা করে কিন্তু কুকুরটি বারবার ফিরে আসে। হঠাৎ কসাই কুকুরের মুখে একটি চিঠা বা নোট দেখতে পায়। কসাই কুকুরের কাছে গিয়ে সেই চিঠাটা নিল। কেউ তাতে অর্ডার পাঠিয়েছে।
কসাই তারপর দেখল যে কুকুরের গলবন্ধে দশ ডলার লাগানো আছে। সে টাকাটা নিল, অর্ডার অনুযায়ী সবকিছু সুন্দর করে কুকুরের মুখে দিল। সে কুকুরটিকে খুব সম্ভ্রম করল এবং দোকান বন্ধ করে কুকুরটি কোথায় যায় তা দেখার নির্ণয় নিল।
কুকুরটি রাস্তা দিয়ে কিছু দূর গিয়ে রাস্তা পার হবার জন্য থামল। সে ব্যাগটা রাখল, দাঁড়ালো, তারপর মুখে মোড়কটি নিয়ে সে সবুজ সিগ্নালের জন্য ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করল। সিগন্যাল সবুজ হলে সে রাস্তা পার করল। কসাইও তার সাথে রাস্তা পার হ'ল।
তারপর কুকুর বাসস্টপে গেল ও বাসের টাইম টেবলের দিকে তাকাল। সে তা চেক করে বাসের অপেক্ষায় সামনে বেঞ্চে বসে পড়ল। লাফিয়ে নেমে বাসের সামনে গিয়ে তার নম্বর দেখল। এটা তার বাস ছিল না।
আরেকটা বাস এল। আবার কুকুরটি লাফিয়ে নেমে বাসের নম্বর দেখতে গেল। এটা ঠিক বাস ছিল ও সে তাতে উঠে পড়ল। কসাই বিশ্বাস করতে পারছিল না। ট্রাউ বাদ্য করতে লাগল।
কিছু স্টপ পরে, কুকুরটি দাঁড়িয়ে বাস থামার জন্য বোতাম টিপল। সে মুখে মোড়কটি নিয়ে বাস থেকে নেমে পড়ল ও ধীরে ধীরে হাঁটতে থাকল। কুসাই তার পিছন পিছন চলল।
কুকুরটি একটা গেটে প্রবেশ করল ও ব্যাগটা দরজার সামনে নামাল। সে লাফিয়ে উঠে দরজার ঘণ্টা বাজাল। কোন উত্তর নেই। সে জানালাতে লাফ দিয়ে উঠল ও মাথা দিয়ে জানালার কাচে অনেকবার আওয়াজ করল। তারপর সে দরজায় অপেক্ষা করতে থাকল।
কসাই সবকিছু দেখছিল।
একটা মোটা মানুষ এসে দরজা খুলল। কসাই অবাক হয়ে দেখল যে মোটা মানুষটা কুকুরটাকে গালি দিতে শুরু করল। কসাই সেটা সহ্য করতে পারল না। সে দরজার কাছে দৌড়ে গেল ও তাকে প্রশ্ন করল, 'স্যার, আপনি কি করছেন? এই কুকুরটা তো প্রতিভাশালী। সে আপনাকে কত সাহায্য করছে। আর আপনি তাকে গালি দিচ্ছেন?'
লোকটি উত্তর দিল, 'আপনি ওকে বুদ্ধিমান বলছেন? আজকে নিয়ে দ্বিতীয়বার ও চাবি নিয়ে যেতে ভুলে গেছে!'
আমাদের চারিদিকে কত অলৌকিক ঘটনা ঘটছে! কিন্তু সব সময়ে আমরা কেবল আমাদের ভিতরের সফট্টওয়ারের রাস্তায় চলি, তাই আমরা অলৌকিকতা মিস্ করি।
সচেতনতা - সহযদয় ভাইরাস
মনের বড় রকমের মুক্তির উপায় কি? সমাধান কি?
সমাধান হ'ল গভীর সচেতনতা। গভীর সচেতনতা যেন এক মুরুব্বি জাতীয় ভাইরাস, যদি সেরকম কিছু থাকে! একবার সচেতনতা তোমার সিস্টেমে প্রবেশ করলে, যত তুমি মন দ্বারা কাজ কর, তত বেশী সচেতনতা তোমার দুশ্চিন্তা ধ্বংস করে!
আমদের ভিতরে ও চারদিকে হুবহু কি ঘটছে তাতে ফোকাস নিয়ে আসাই সচেতনতা। সচেতনতা স্বয়ং বিজ্ঞান। যা কিছু আমরা সচেতনতা দ্বারা দেখি, তা গলে যাবে, তা সে শারীরিক বেদনা, মানসিক কষ্ট, দুশ্চিন্তা বা যা কিছুই হোক। সচেতনতার এই রকম ক্ষমতা। যখন আমরা সচেতনতা সহযোগে লক্ষ্য করি, আমরা আমাদের মধ্যে কোথাও একটা দ্বন্দ্ব বন্ধ করি। আমরা এক স্বাভাবিক প্রবাহে প্রবহমান হই।
যখন আমরা দুশ্চিন্তাগুলোকে সচেতনতা দ্বারা দেখি, আমরা ফোকাস করি যে দুশ্চিন্তার উৎস কোথায়, কিভাবে তা আমাদের প্রভাবিত করছে। একবার এটা ঘটলে দুশ্চিন্তা গলে যেতে শুরু করে এবং স্পষ্টতা বা নির্মলতা ঘটা আরম্ভ হয়।
বুদ্ধ ও তাঁর শিষ্যদের একটি ছোট গল্প আছে :
একদিন বুদ্ধ তাঁর শিষ্যদের নিয়ে সকালের সৎসঙ্গ করছিলেন। তাঁর হাতে একটি গিঁট লাগানো রুমাল ছিল। তিনি সেই রুমালটা শিষ্যদের দেখিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন যে কেউ সেই গিঁট খুলতে পারবে কিনা।
একজন শিষ্য অনেকক্ষণ ধরে গিঁট খোলার চেষ্টা করল। সে অনেক টানাটানি করল, তাতে গিঁট আরও অাঁটসাঁটি হয়ে গেল। অন্যদিকে THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM সেকেন্ড ধরে দেখল এবং সহজেই খুলে ফেলল।
সে কেবল গিঁটকে ভাল করে দেখল ও সঙ্গে সঙ্গে জানতে পারল যে গিঁটটাকে কিভাবে খুলতে হবে। সে তার দৃষ্টি ঠিক জায়গায় কেন্দ্রীভূত করল ও সেটা খুলে ফেলল! সেই গিঁটই তাকে শিখিয়ে দিল যে তাকে কিভাবে খুলতে হবে।
জীবনে দুশ্চিন্তাগুলো হল রুমালের গিঁটের মতো। যদি আমরা তাদের দিকে ভাল করে তাকাই, আমরা তাদের কিভাবে মুছে ফেলতে হয় শিখব। আমরা দেখব দুশ্চিন্তার উৎস আমাদের কিভাবে শেখাবে তাকে কিভাবে মুছে ফেলা যায়।
মূলত দুশ্চিন্তা কোথাও কিছু ধরে রাখে। জীবন নিজেই সমস্ত সমাধান রাখে, জীবন তো এক সুন্দর স্ব-শক্তিপ্রদ গঠন (self sustaining mechanism)। আমাদের কেবল আমাদের মনকে স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে দিতে হবে। তবেই আমরা জীবনের উচ্চতর বুদ্ধি জাগ্রত করব ও দুশ্চিন্তা মুছে ফেলব।
কেবল তাই নয়, যখন আমরা প্রত্যক্ষ করি, আমাদের মন শান্ত থাকে। দুশ্চিন্তা মনকে দৌড়ায়। যখন সচেতনতা নিয়ে আসা হয়, এই দৌড় মন্দীভূত হয় এবং জিনিষণ্ডলির যেভাবে হওয়া উচিত সেভাবে হয়।
একটি ছাত্র মাশাল আর্ট শিখতে চায়। সে এক শিক্ষকের কাছে গেল ও জিজ্ঞাসা করল,
'আমি মার্শাল আর্ট শিখতে চাই। কতদিনে আমি তাতে দক্ষ হতে পারব?'
শিক্ষক বললেন, 'দশ বছর।'
ছাত্রটি দুঃখ পেল ও বলে, 'আমি তাড়াতাডি শিখতে চাই এবং আমি খুব পরিশ্রম করব। আপনি আমাকে দিনে দশ ঘন্টার বেশী অভ্যাস করতে বললেও আমি রাজী। তা করলে আমার কতদিন লাগবে।'
শিক্ষক বলেন, 'হয়ত কুড়ি বছর।'
শিক্ষক বিকাশ করে বুঝিয়ে দিলেন যে তাড়াহুড়ো কেবল ক্লান্তি আনে, মার্শাল আর্ট শেখা যায় না! তাড়াহুড়ো কেবল উদ্বিগ্নতায় ভরা থাকে। সত্যি বলতে কিছু করতে গেলে কেবল সচেতনতা চাই, আর কিছুই না। সচেতনতা থাকলে সঠিক কাজ হয়। তাড়াহুড়া করলে সবকিছুই ঝাপসা দেখায়।
সচেতনতা থাকলে সবকিছুই আশীর্বাদ হয়ে যায়, এমনকি অসুস্থতাও। অসুস্থ অবস্থায়ও যদি সচেতন থাক। রোগ সম্পর্কে সচেতন থেকো। অসুস্থতাও অস্তিত্বের প্রবাহের এক অংশ। যদি মহাজাগতিক স্তরে ঘটনাবলী সম্পর্কে সচেতন হও, তুমি তা অনুভব করতে পারবে। সচেতনতা সহজেই তোমাকে এক গভীর বোধগম্যতায় রিল্যাক্স করায়।
অন্যের মতামতে দুশ্চিন্তা কোরো না
দুশ্চিন্তার আরেকটা প্রধান কারণ হ'ল অবিশ্রাম আমাদের জন্য অন্যের মতামত মেনে চলা। মজার ব্যাপার হ'ল যখন আমরা আমাদের জন্য অন্যের মতামতে উদ্বিগ্ন হই, তারা তাদের ওপরে আমাদের অভিমতের জন্য দুশ্চিন্তাগ্রস্ত !
সমাজ মতামত শুনে উদ্বিগ্ন হবার জন্য নিয়ন্ত্রিত করে। সেটাই সমস্যা।
কাজের জন্য তোমার উদ্যমকে দুর্বল করে ফেল। তোমার শক্তির বেশীরভাগ তুমি কষ্ট ও দুশ্চিন্তার দিকে সরিয়ে ফেল।
সম্পূর্ণরূপে কর এবং তোমার চড়ান্ত সামর্থ্য দ্বারা কর। সেগুলি পূর্ণবাপে কর। কেবল তখনই তুমি ভালভাবে করতে পারবে। তুমিই তো তোমার দূর্গ। বোঝা উচিৎ যে তুমিই তোমার শক্তির একমাত্র উৎস। তাহলে অন্যেরা তোমার সম্পর্কে কি ভাবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তার প্রয়োজন হবে না।
প্রেরণা থেকে কাজ কর - দুশ্চিন্তা থেকে নয়
যদি তুমি খুব কাছ থেকে দেখ, দেখবে, উদ্দেশ্য সর্বদাই আমাদের মধ্যে দুশ্চিন্তার সঙ্গি করে। যখন আমরা কোন উদ্দেশ্যের দিকে চলি, আমরা কেবল ফল সম্পর্কে দুশ্চিন্তা করতে করতে চলি।
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM বলেছেন, 'যে কোন কিছু থেকে লাভ বা ক্ষতি আশা করে না, সে আনন্দে কাজ করে এবং তাকে বাইরে থেকে প্রেরণা দেবার প্রয়োজন নেই।'
অপরদিকে উচ্ছুসিত শক্তি যা তোমার কাজ করার ক্ষমতা করে, তা তোমার প্রকৃত কাজ করার সামর্থ্যকে অপচয় করে।
সর্বদাই ফল সম্পর্কে বিব্রত থাক। যখন প্রেরণা ফলে পরিণত হয়। যদিও তা আশানুরূপ ফল না দেয়। তুমি তাতে খারাপ অনুভব করবে না কারণ তুমি তা সম্পর্ণরূপে করে পর্ণতা পেয়ে গেছ। 'করা'-তেই তুমি পূর্ণত্ব পেয়ে যাও।
আজকাল দেখবে যে দুশ্চিন্তা এক সময়ের অপচয়। সেটা সবচেয়ে অনুৎপাদক কাজ।
লাস্ট হলে কি হবে? কাউকে তো লাস্ট হতেই হবে! যদি তুমি সবচেয়ে ভাল করে কাজ না করে থাক, তাহলে তাতে মন্দ অনুভব করার কিছুই নেই। যদি তুমি লাস্ট হওয়া সম্বন্ধে উদাসীন থাকতে পার, তবে তুমি ফাস্ট হবার চেয়েও আরও বড় জিনিষ লাভ করেছ। সেটা অসফল হবার সঙ্কেত নয়, সেটা অন্য এক স্তরে সফল হবার লক্ষণ।
পূর্ণিত्वा মিট्य कवावाद जना কান জায়গা রেখো না
তুমি ইতিমধ্যে পরিপূর্ণ। তোমার ভিতরে কোন স্থান নেই। দুশ্চিন্তা না থাকার জন্য তুমি জিনিষগুলি যেমন ঠিক তেমন দেখা কি হতে পারতে। তুমি দুশ্চিন্তা কর না। একমাত্র জায়গা দিলেই দুশ্চিন্তা বিদ্যমান থাকে। দুশ্চিন্তার জায়গা হ'ল ওজন বা কবিতা।
অন্য विषाण्डव ভव्यामारक নেই'-কে অন্তর্ভুক্ত করে। দুষ্টান্তস্বরূপ, তোমার বন্ধুর চাকরি গেলে তুমি তোমার চাকরিতে কি ঘটতে পারে বলে দুশ্চিন্তা কর। এখন তা নিয়ে চাকরি যাওয়া সম্পর্কে? তা তো এখনও ঘটেনি। ঠিক তেমনরে दुশ্চিন্তাকে বাস করতে দেওয়া উচিৎ নয়।
একটা ছোট গল্প :
মা তার বাচ্চা ছেলের জন্য খাবার তৈরি করছিল। সে একটা বীনের টিন সসপেনে খালি করল ও সেটাকে স্টোভে রেখে রান্না করছিল। ঠিক সেই সময় ফোন বাজল। সে ফোন আশা করছিল এবং ফোনটা নিতে চাইল, কিন্তু সে উদ্বিগ্ন ছিল যে সে ঘরটি থেকে বেড়িয়ে গেলে কয়েক মিনিটের জন্য তার ছেলে একা পড়ে থাকবে।
মা তাই জোর দিয়ে বলল, 'আমি ফোন ধরার সময় এখানেই থাক। আমি তাড়াতাডি ফিরে আসছি। দুষ্টামি কোরো না। আর যাই করো, ঐ বীনগুলিকে নাকে ঢুকিয়ো না... '
যা হচ্ছে তা নিয়ে আমরা সর্বদা দুশ্চিন্তা করি, আবার কি হতে পারে তা নিয়েও করি! এখন তার মা তার মনে সেই বুদ্ধির বীজ বপন করে ফেলল। দুশ্চিন্তা এমন অনেক জিনিয়ে জীবনপ্রদান করতে পারে যা প্রথমত ছিলই না। যদি সে বীণ ঢোকায়, মায়ের দুশ্চিন্তা সঠিক প্রমাণিত হবে আর সে সিদ্ধান্তে আসবে যে তার দুশ্চিন্তাগুলি মনগড়া নয়।
ম্যাকডোনাল্ড বলেন, 'যখন আগামীকালের বোঝা আজকের বোঝাতে যোগ করা হয় তখন তাকে বহন করা একজন মানুষের পক্ষে অসহনীয় হয়।'
যদি ভারাক্রান্ত দেখ, অন্তত মনে রেখ যে তা তোমার নিজেরই করা, ভগবানের নয়। তিনি তোমাকে ভবিষ্যৎ তাঁর কাছে ছেড়ে দিতে বলেন এবং বর্তমান নিয়ে সংশ্লিষ্ট থাকতে বলেন।
যখন তুমি একা এই মুহূর্তের যত্ন নিতে পারো, তুমি সুন্দর ভবিষ্যৎ সৃষ্টি কর, কারণ প্রতিটি মুহূর্তেই ভবিষ্যতের জন্ম হয়। যখন তুমি মুহূর্তে বিদ্যমান থাক, তুমি চিন্তা কর না, তুমি কেবল কর। কেবল যখন তুমি চিন্তা করা শুরু কর তুমি দুশ্চিন্তাগুলিকে সঙ্গি কর। দুশ্চিন্তার চিন্তা করার জন্য জায়গা অর্থাৎ আকাশ চাই ও নড়াচড়া করার জন্য সময় চাই।
বোঝা যে যারা দুর্বল তারাই বেশী করে দুশ্চিন্তা করে। তারা এত অসহায় বোধ করে যে তারা আঁকডে ধরে থাকে। দুঃশ্চিন্তা কখনও আশা দেয় না। যা থেকে কিছুই বেড়িয়ে আসে না।
দুশ্চিন্তা করা বন্ধ করলে তুমি সঠিক নির্ণয় নাও। কিছু মানুষ আমার কাছে এসে তাদের জন্য নির্ণয় নিতে বলে। তারা বাইরের পরিস্থিতিগুলিকে তাদের সমস্যার কারণ বলে দেখে। তারা এই প্রভাবগুলিকে তাদের খারাপ নির্ণয় নেওয়ার কারণ বলে ব্যবহার করে এবং আমাকে সঠিক নতুন সিদ্ধান্ত নেবার এক প্রভাব বলে দেখে। কখন কখন তারা তাদের মাতাপিতাদের ঠিক করে শিক্ষা না দেওয়ার জন্য, সঠিকভাবে প্রকাশিত হতে না দেওয়ার জন্য, দায়ী করে। তোমার মাতাপিতা যা সঠিক বলে অনুভব করেছিল, তাই তারা করে গেছে। কৃতজ্ঞতা অনুভব কর। তারা হয় ত তোমাকে সঠিক কলেজে পড়ায় নি, কিন্তু তারা তোমাকে
দুশ্চিন্তা আছে - উভয় কখনও একসাথে থাকে না। একবার সমর্পণ করলে দেখবে যে অস্তিত্ব অন্যভাবে পরিকল্পনা করবে, কেবল বাসনা যা দ্বারা কাজ পাই না।
উপনিষদ বলে, 'যে ব্যক্তি সকল জীবের ভিতরে বাস্তবিক কোনও ভেদাভেদ দেখতে পায়, সে কোনওকিছুতে উদ্বেগ হবে না! '
যা কিছু ঘটছে তা অস্তিত্বেরই স্ফুলিঙ্গ। সেটাই সত্য।
একটা ছোট গল্প :
এক ব্যক্তি এক মাস্টারের সাথে দেখা করে। সে মাস্টারকে কিছু লিখে দিতে বলল যাতে তার পরিবারের সকলে আগামী বছরগুলিতে সুখ উৎসাহিত হয়। জেন মাস্টার একটি বড় কাগজ নিল এবং লিখল, 'বাবা মরে, পুত্র মরের ও নাতি মরে।'
যখন ব্যক্তিটি মাস্টারের লেখা দেখল সে খুব কোধিত হ'ল। সে বলল, 'আমি আপনাকে কিছু লিখতে অনুরোধ করেছিলাম যাতে আমাদের পরিবারে সুখ ফিরে আসে, কিন্তু আপনি এ কি লিখলেন! কেন এমন করলেন?'
মাস্টার জবাব দিলেন, 'যদি তোমার পুত্র তোমার আগে মরে, তাতে তোমার পরিবার প্রচণ্ড শোকাতুর হবে। যদি তোমার নাতি তোমার পুত্রের আগে মারা যায় তাতেও অনেক দুঃখ হবে। যদি তোমার পরিবারে প্রজন্ম ধরে যেভাবে আমি লিখেছি সেইভাবে সবাই মারা যায়, তাতে সত্য সুখ ও সমৃদ্ধি হবে। '
তৎক্ষণাৎ সজাগ হও যে তুমি তোমার অজ্ঞান মানসিক গঠন দ্বারা অস্তিতের গতিপথ ব্যাখ্যা করছ। তখন তুমি দুশ্চিন্তা করা বন্ধ করবে এবং কাজ করা আরম্ভ করবে।
ছদ্মবেশে আমিত্য
যদি তুমি জানতে পারো সত্যি পূর্ণিতার একনিষ্ঠতাও ভিত্তিহীন। কিন্তু সমস্যা হ'ল আমিত তা স্বীকার করতে রাজী নয়। আসলে তুমি পূর্ণিতার একটন বিনিয়োগ করেছো। পূর্ণিতাকে খুব সহজে অগ্রাহ্য করা যায় না! একবার কাউকে বলো তার দুশ্চিন্তাগুলি অমূলক। জানা শুরুরে তুমি রাগ করবে। তুমি ভয় পাবে যদি কেউ তার দুশ্চিন্তাগুলিকে যথাযোগ্য মনে করে স্বীকার না করে, তাহলে বাসিকু রুষ্ট অনুভব করে।
যখন এক জীবিক মণা কেশ্বর্তন মার্থে জানে সম্বন্ধের গঠনমূলক প্রকৃতি ভুলে যায়, তখনই তার মিথ্যা আমিতের কারণ - এই আমিত হ'ল তার শনাক্তকরণ!'
আমিত্ব খেলতে আসে যখন তুমি অস্তিত্বের সাথে তোমার সংযোগ হারিয়ে ফেল। আমিত্বই দুশ্চিন্তাকে ধরে রাখে। অজ্ঞানতার কারণে তুমি সৃষ্টি হয়, কিন্তু বাসিকু জাতি হু ছাটেক ভয় পায়। পূর্ণিলা তেমন জাক বশ রায় যায় যাব কভমিক বাসিকু ভয় দেখায়। যদি পূর্ণিত्वादक মনিষ্ঠ কেনা রয়, বাসিয়ে জ্ঞানীষ্ঠ লাল্গে। কাজের দুশ্চিন্তা এবং দায়িত্যের দুশ্চিন্তা তার সর্বোত্তম উদাহরণ।
কঠীন ভবিষ্যৎ হ'ল আসলে দুশ্চিন্তা প্লাস (যোগ) একটু কাজ, ব্যাস। প্রকৃত কঠোর পরিশ্রম কখনও দুশ্চিন্তার কারণ হয় না। তা কেবল প্রবল সক্রিয়তা ও জীবনের সংস্কারের এক প্রক্রিয়া করন উথেক আর নামে। তা কখনও নিজেকে দুশ্চিন্তার দ্বারা লঘু করবে না।
একটি আট বছরের বাচ্চা মেয়ে খুব রদ্ধিমতী ছিল ও যেভাবেই হোক বুঝেছিল যে তার মা একটা উপহার পছন্দ করবে। সে তার মায়ের জন্য একটা জম্মদিনের উপহার কিনতে মনস্থির করল। মা খুব খুশী। মা ভাবল, 'কসভারেক বাসান व स्वय वासान व वर्ষ্ঠिष्टিক সমাদর করে। আর তো কেউ করে না।'
মেয়েটি মাকে উপহারটি দিয়ে বলল, 'এটা তোমার জন্য কারণ তুমি এত কঠোর পরিশ্রম কর এবং কেউ তার সমাদর করে না।' মা উত্তর দিল, 'সোনা, এটা কিন্তু মনে রেখ যে তোমার বাবাও কঠোর পরিশ্রম করে। সেটা ভুলে যেও না।'
মেয়েই বলে, 'হ্যাঁ, কিন্তু বাবা তো তা নিয়ে কোনরকম হৈ চৈ করে না।'
দুশ্চিন্তা। যদি কিছু মানুষকে লক্ষ্য কর, তারা তাদের ভবিষ্যতের জন্য ব্যস্ত। যদি এক্ষুনি তাদের বিরুদ্ধে যাবার চেষ্টা কর, তারা আঘাত পায়।
এমনকি অন্যেরা আমাদের সম্বন্ধে কি বলবে সেটাও আমিতের সমস্যা। আমিতু সর্বদা এই দুশ্চিন্তায় আছে যে অন্যেরা তার ভাবমর্তি নষ্ট করে দিতে পারে। কেবল আমিতের জন্যই আমরা সবসময়ে বিশেষ কেউ হতে চাওয়া অনুভব করি। নিজের প্রতিচ্ছবির জন্য দুশ্চিন্তা করে আমরা বেশ কিছু সময় অপচয় করি। এটা বোঝা যে সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ হ'ল কেউ না হওয়া এবং তা সত্ত্বেও আনন্দপূর্ণ হয়ে থাকা। সেটাই সবচেয়ে বড় বিশিষ্টতা। বলা হয় যে সবচাইতে অসাধারণ ব্যাপার হ'ল এই যে তিনি ভাবেন যে তিনি একদম সাধারণ! তাই বুঝে নাও যে জীবনমুক্তি হ'ল নিজেতে রিল্যাক্স করার এক যাত্রা। তুমি একজন বিশেষ কেউ, কেবল আমিত্বকে মুছে ফেল।
তোমার আরামের বলয় থেকে বেড়িয়ে পড
যদি সত্যি সত্যি সত্যি দুশ্চিন্তা থেকে বেড়িয়ে আসতে চাও, তোমার কোন দুশ্চিন্তাকে নগন্যাণা বিবেচনা না করে তুমি যখনই জ থেকে বেড়িয়ে পড়বে।
আসলে, আমাদের আরামের বলয় হয়ে যায়। আমরা তার ভিতরে লুকিয়ে থাকি। লুকিয়ে থাকা ও তাদের সম্বন্ধে নিছক কথা বলা আমাদের অলস থাকতে সাহায্য করে।
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর জীবনমুক্ত জৈন মাস্টার মহাবীরকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, 'কার দুশ্চিন্তা আছে?' তিনি সুন্দর উত্তর দিয়েছিলেন, 'যার দুশ্চিন্তা আছে'।
তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, 'দুশ্চিন্তার কারণ কি?' তিনি উত্তর দেন, 'আলস্য।'
তারপর তাঁকে প্রশ্ন করে, 'দুশ্চিন্তা কে শেষ করে?' তাঁর জবাব, 'মানুষ নিজেই।'
তারা তাঁকে জিজ্ঞাসা করে, 'দুশ্চিন্তা কি?' 'আলস্যকে ফেলে দিয়ে।'
যদি আলস্যকে যেলে দাও, তুমি সঠিক কাজ করতে থাকবে। যখন সঠিক কাজ কর, তুমি দুশ্চিন্তা মুছে ফেলবে। অপরের দুশ্চিন্তায় যদি তুমি কিভাবে সাহায্য করবে তা জানতে চাও, তুমি তাদের দুর্বল বানাও। যদি আগ্রহ সহকারে লক্ষ্য কর, দেখবে যে যখন কান মানুষ যখন পূর্ণিতা সম্পর্কে জানায়, তুমি প্রথমে তাদের বল, 'কি করতে পারো'। কখনও সিধা তাদের সমাধান দাও না। এমনটি যখন করো, তুমি কেবল তাদের উৎসাহিত করছ তা নয়, তুমি তাদেরকে আরামের বলয়ে থাকতে অনুপ্রাণিত করছ।
দুশ্চিন্তার কখনও কোন বাহ্যিক কারণ থাকতে পারে না। বাইরের ঘটনাগুলি ঘটতেই থাকে। কিন্তু তোমার অন্তর্দৃষ্টি কিভাবে কাজ করে তার নির্ভয়তার ওপর যদি তুমি দুর্বলতার মাধ্যমে মিটমাট করতে পারো, তুমি ভবিষ্যতের কর্মফলের অলসতার কাছে তুমি সমর্পিত। কিছু না করেই তুমি কেবল বসে থাক ও দুশ্চিন্তা কর। কর্মের খোঁজারকে সঙ্গে সঙ্গেই সিদ্ধান্ত বা কাজ দ্বারা পরিচালনা করতে পারো: নয়ত তুমি তোমার দুশ্চিন্তা সম্পর্কে অবিরাম কথা বলতে মনস্থির করতে পার। তুমি কিসে ফোকাস করতে বাছবে, তা তো শুধু তোমার ওপরেই নির্ভর করে।
আমরা পূর্ণিতাকে খুঁজতে ভালবাসি! বাসনা পূর্ণিকা করতে ও তাদের সম্পর্কে কথা বলতে ভালবাসি। সেটা আমাদের অনুভব করায় যে আমরা অনেক সমস্যা ঘাড়ে নিয়ে আছি। তা আমাদের প্রভাবশালী অনুভব করায়, পথিবী যেন আমাদের ছাড়া তার যত্ন নিতে পারবে না।
এক ব্যক্তি ও তার স্ত্রী সিনেমার বিরতির পরে তাদের সীটের দিকে তাড়াহুড়ো করে যাচ্ছিল। ব্যক্তিটি মানুষটিকে জিজ্ঞাসা করল, 'বেড়িয়ে যাবার সময় কি আমি আপনার পা মাড়িয়ে দিয়েছিলাম?'
'হ্যাঁ, দিয়েছিলেন', মহিলাটি উত্তর দিল।
ব্যক্তিটি বলল, 'ধন্যবাদ, অবশেষে আমাদের রো পেলাম।'
দুশ্চিন্তা আক্ষরিকভাবে 'আমাদের রো' খুঁজে পায়! তুমি তার মধ্যে থাকো, যদিও তুমি দাবী কর যে তুমি তার জন্য কষ্ট পাও। যদি সত্যিই তোমার মধ্যে চাইলে তুমি তা থেকে এক্ষুণি বেড়িয়ে আসবে! প্রশ্ন হ'ল তুমি সেই সমস্যা থেকে বেড়িয়ে আসতে চাও, নাকি তুমি সেই সমস্যাতে থেকে যেতে চাও।
এক বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ডিপার্টমেন্ট স্টোর ছিল। সেখানে ছাত্ররা ক্লাসের জন্য ও নিজের ব্যবহারের জন্য সামগ্রী ক্রয় করতে পারত। সেই দোকানে একদিন এক নতুন ব্যক্তি পরিচালনা করছিল।
এক ছাত্র তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করল, 'আমাকে একটা ব্ল্যাংক টেপ দেবেন?'
ব্যক্তি প্রশ্ন করল, 'তুমি কি পড়ছ?'
ছাত্রটি উত্তর দেয়, 'ফ্রেঞ্চা'
লোকটি বলে, 'দুঃখিত, আমাদের কোন ফ্রেঞ্চ ব্ল্যাংক টেপ নেই।'
ছাত্রটি জিজ্ঞাসা করে, 'আচ্ছা, ইংরাজী ব্ল্যাংক টেপ আছে কি?'
ব্যক্তিটি বলে, 'হ্যাঁ, তা আছে।'
ছাত্রটি বলে, 'কোন সমস্যা নেই। আমাকে তার মধ্য থেকে একটি দিন।'
একটা সমস্যা দেখে যদি তুমি তার সমাধান চাও, তুমি কিন্তু সেই সমস্যার ভিতরে এক টিকিট করে বসো না। তুমি কেবল সরাসরি তার সমাধানে চলে যাও, ব্যাস। একেবারে বাস্তবে পূর্ণিতার সবরকম সমাধান আছে। কেবল তোমার ইচ্ছা হওয়া চাই।
বেশীরভাগ সময়ে দুশ্চিন্তার আরাম-বলয়ে থাকা পছন্দ কর। তা তোমাকে স্থিরীকত রাখে। উদাহরণস্বরূপ, ধর তুমি জানো স্বয়ংশুদ্ধ করনাজ করতে চান। তুমি ফর্সাটা দেখো যে কেউ একজন জিনিসপত্র নোংরা করে রেখেছে অথবা কাপড়চোপড় এলোমেলো করে এখানে সেখানে ফেলে রেখেছে। তুমি শুধু মনে রেকর্ড করে নাও এবং ধরে নাও যে সবকিছু আগের মতনই থাকবে।
তোমার মেয়েকে তার জিনিষপত্র পরিষ্কার করে রাখতে উপদেশ দিলে এবং অন্যের কাপড় পরতে মানা করলে। তোমার মেয়ে যদিও বলে সে সবকিছু গুছিয়ে রাখে ও অন্যের কাপড় পরে না, তুমি কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে তোমার করা রেকর্ডিং মুছে ফেলবে না অথবা নতুনভাবে রেকর্ডিং করবে না। তুমি তোমার আগের দেখা ও করা রেকর্ডিংকেই আঁকডে থাকবে।
র্তকোটল রুয়র বাভর বানক মুন্দ্র জনিয় ব্যকর্ত কবাদ কিল, যাতন বিমার্শীদমন জেবযূনবাদ, জামন মূল্যান ক্রাম্ভাম রেজ্যামি। কিন্তু যথনরে কুলি জানান স্বয়ন মম্ভূটক ভাব, এই একটি রেকর্ডিং তোমার সামনে আসে এবং তুমি তার জন্য দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হও। उन कार नय, याद्र मार्श्यरे एकथा রূয় জারকরে বল যে তোমার মেয়ের হস্টেলে ঘরগুলি কেমন नारवा करव वाथा रूय वर्तर किलाव मनारे একে অন্যের পোশাক পরিচ্ছদ পরিধান করে! সেই রেকর্ডিশ্টাই সত্য নয়। কিন্তু তুমি তাকে তোমার আরাম-বলয় বলে বাছাই কর। তুমি সেটাকে আরও শক্তিশালী করে তোল।
আমি প্ৰায়ই সবাইকে বলি, যদি তুমি ঘরে বসে দুশ্চিন্তা কর, তুমি তাকে হোমওয়ার্ক বল। যদি তুমি অফিসে বলে দুশ্চিন্তা কর, তুমি তাকে অফিসওয়ার্ক বল। যদি তুমি সময়দ সৈকতে বসে দুশ্চিন্তা কর, তুমি তাকে অবকাশ বা ভ্যাকেশন বল, ব্যাস! মন একই, কেবল জায়গাটা বিভিন্ন। কেবল জায়গা পরিবর্তন করে তুমি শান্তি অভিজ্ঞতা করতে পারবে না!
পর্দায় অন্য দৃশ্য দেখার জন্য তোমাকে भूरजन्द्रद्वन सारेड़ भविवर्जन कवरण रख, ভর্মা পরিবর্তন করলে চলবে না! স্লাইড় পরিবর্তন না করে পর্দা পরিবর্তন করলেও একই দৃশ্য দেখা যাবে। धावनारक वजन कवाद क्रिके यान जना मना मुना
যোগীর দ্বারা পরিকল্পিত ট্রানসেনডেন্টাল ধ্যান (TM) সিদ্ধি প্রোগ্রাম সম্বন্ধে গবেষণা করা হয়। यथन कीसन मश्यर्सव आयनाया वरे TM সিফি প্রোগ্রাম অনেকে করে, অপরাধের হার, হিংস্রতা ও দুশ্চিন্তা, সবই কমে এবং তাদের আশেপাশে জীবনের গুণমানের নাটকীয়ভাবে উন্নতি হয়!
ध्रान जाराय कार्यन करवा करवा कूलि কোমল হলে তোমার মধ্যে প্রেম ও কতজ্ঞতা घण्टक उन करव। जानवाद शोदव शोदव श्रीद्व धूर्किलान जना कान स्थान शादक ना। फूम्मिला उ वक প্রকার হিংসা। এটা এক সক্ষ্ম আকারের হিংসা। এটা সিস্টেমে যেন এক গোপন আন্দোলন।
ধ্যান मजागणा वाज़टल, वरिर्जनटर राज्यस्य রাজ্য রাজ পুরোপুরি ব্যস্ত, কিন্তু কোন ঘটনাই তোমার অন্তর্জগৎকে স্পর্শ করতে পারবে না। সেটাই আসল দুৰ্শ্চিন্তামক জীবন।
ধ্যান
पूर्णित्वा एकटल द्वाव जना 3 जर्वना প্রযুল থাকার জন্য আমি তোমাদের এ কটি সরল ধ্যান প্রক্রিয়া দেব। এই ধ্যান তোমাদের আনন্দের সাথে নিজেকে টিউন করাবে। এটা य কান शादन, व्य कान ममत्य, वसनकि অবিশ্রাম দিনে চব্বিশ ঘন্টা অভ্যাস করা যায়।
কেবল একটানা প্রত্যক্ষ করতে থাক যে তুমি আনন্দ ও আলোককে শ্বাসপ্রশ্নাসে নিচ্ছ। মনঃচক্ষুতে দেখ যে প্র তিটি শাসপ্রশ্নাসের সাথে জীবন প্রদানকারী শক্তি প্রাণবায়ু ভিতরে याटक उ वारिव राष्ट्र राज्या रू'ल माकि उ আনন্দ। প্রাণশক্তি বায়ুর দ্বারা আমাদের ভিতরে ভবন करव 3 निर्णण रूया वापनाकि वायरक বাহন হিসাবে ব্যবহার করে আমাদের সিস্টেমে (তবেন) প্রবেশ করে। বায়ু তোমার ভিতরে প্রাণ বহন করে। প্রাণের জন্যই তোমার জীবন বহাল থাকে।
তাই যখনই তুমি শ্বাসপ্রশ্নাস নাও, প্রত্যক্ষরৎ म्यन्न कव रूसि वानक्क्य वालाकरणिकिटक শ্বাসপ্রক্রিয়া দ্বারা গ্রহণ করছ। অনভব করে যে তোমার সমস্ত শরীর যেন আলোক দ্বারা भविष्ण। पूर्णिखा उ विवर्कि वक्त करव करव স্বতক্ষলভাবে আনন্দ বিকিরণ করা শুরু কর। पूर्णित्वा गटल (नट्ट। আনন্দ বিচ্ছুরিত করতে আরম্ভ করে।
জীফনভুক্তি র চা ছাড়া দাক্তত্ব উলবাগ কযা
অভিজ্ঞতা তোমার হয়েছিল, আট বছর আগে যে মন খারাপের অভিজ্ঞতা তোমার হয়েছিল, माण वर्णून घाटन य सन थानारभव वन्धिज्ञ्जा তোমার হয়েছিল আর গতকাল মন খারাপের य विज्ञा विज्ञान जानाव रायणिल, मानुलि একদম সম্পর্কহীন এবং আলাদা আলাদা ্ৰাম্পৰাগত বিশ্ববিদ্যালয় প্ৰথম প্ৰথম পথক উদ্দেশ্যে, আলাদা আলাদা কারণে, বিভিন্ন সময়ে পরিস্থিতিতে ঘটেছে। তুমি এই সব সম্পর্কহীন ঘটনাগুলিকে সংযুক্ত কর এবং বল, 'আমার জীবনটাই এক বিষণতা।'
তোমার এক বছর আগে, এক মাস আগে, এক সপ্তাহ আগে অথবা এক দিন আগে যে মন খারাপ হয়েছিল, সেগুলি সবই অসম্পর্কিত এবং ভিন্ন ভিন্ন ঘটনা। পনের বছর আগে হয়ত খেলনা হারিয়ে যাবার জন্য তোমার মন थानाभ রায়ণিল। नय वर्णून वाटन রাজ বান্ধবীকে হারিয়ে তোমার মন খারাপ হয়েছিল। কিছু বছর আগে ছেলে তোমার কথা শুনছে না বলে তুমি বিষণা হয়েছিলে। কারণ ও পরিস্থিতি সবই ভিন্ন ভিন্ন। কিন্তু যখন তুমি মন খারাপের ঘটনাগুলিকে সংযুক্ত করে সাব্যস্ত করে, 'আমার জীবন বিষণ্ণতায় ভরা,' তখন তুমি নিজের জন্য নরকের সুষ্টি কর!
যেই মুহূর্তে তুমি বিশ্বাস করতে শুরু করেছ যে তোমার জীবন বিষণ্ণতাপূর্ণ, তোমার जोवन वक्कवरण विवरण রায় याया। मया करव বুঝে নাও, তুমি তোমার অতীত যেভাবে ছিল বলে বিশ্বাস কর, তুমি সেভাবেই ভবিষ্যতে পুণর্গঠন করবে। আমরা সবাই অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে জানি যে আমরা উড়তে পারি না। তাহলে আগামীকাল থেকে উড়তে পারব বলে কিভাবে বিশ্বাস করব? না, আমরা তা পারি না। আমাদের অতীত বলে যা বিশ্বাস করি, আমরা তো কেবল সেটাকেই আমাদের
अविवार रूटक भारत बटन विशाम कबना। জারে একবার যদি বিশ্বাস করা শুরু করি যে আমাদের অতীত বিষণাতায় ভরা ছিল, আমরা অচেতনভাবে বিশ্বাস সষ্টি করেছি যে আমাদের ভবিষ্যৎও বিষণ্ণতাপূর্ণ হবে।
যখন আমরা বিশ্বাস করি যে আমাদের মন কেবল একটি বস্তু, একটি জৈবমেশিন. আমরা নিজেদের জন্য নরক সঙ্টি করেছি। সৌভাগ্যবশত মন একটি বস্তু নয়। তাই আশা আছে। সত্য হ'ল, মন এক বস্তু নয়, তা এক প্ৰক্ৰিয়া। মন এক বিশেষ্য নয়, তা এক ক্ৰিয়া।
यथन वासना विश्वाम कवि या मन बक পদার্থ, আমরা এমন সব সমস্যা সষ্টি করি যার কোন কোন অস্তিত্বই নেই।
একটা ছোট গল্প :
এক ব্যক্তি এক মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যায় এবং বলে, 'ডাকারবাবু, আমার জীবন সমস্যাতে ভরা।' ডাক্তার বলে, 'সবার জীবনই সমস্যায় ভরা। দুশ্চিন্তা করবেন না। প্রতি সপ্তাহে আপনাকে তিনবার এখানে फिशारण वामरण रदव वर वासारमन कार्ड ১০০০ টাকা।'
লোকটি বলে, সপ্তাহে তিনবার এবং প্রতিবার ১০০০ টাকায় আপনার সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু আমার সমস্যার কি হ'ল?'
বুঝে নাও, যেই মুহূর্তে মন কেবল এক মেশিন বলে বিশ্বাস করতে শুরু করি, আমরা অসহায় হই। কোন মনের ডাক্তার আমাদের সাহায্য করতে পারবে না। অন্য কোন পদ্ধতি সাহায্য করবে না, কারণ মূলগত বিশ্বাসটাই ভুল। যেই মুহূর্তে আমরা এক ভুল বিশ্বাস নিয়ে আসি, তার ওপরে ভিত্তি করে যাই তৈরি হোক
না কেন, তাকেও ভুল হতেই হবে। তা সত্য रूटक भारत ना। वासारमन्त्र स्वोलिक मण्डलक वूबरण रव रव य मन वक व्यक्तिया; वायवा টেনশনে নেই কিন্তু আমরাই সেই টেনশন।
পরিচয়ে ব্যবধান
যে পরিচয় তুমি বহির্জগতে প্রদর্শন কর তাকে বলা হয় 'অহংকার'। নিজের যে পরিচয় তুমি নিজেকে বিশ্বাস করাও তা হ 'ল 'মমকার'। বারংবার বৈদিক মনোবিজ্ঞান বলেছে যে তুমি बरे पूर्णिटक वर्णिकत्व करना करि क्वित करना बरे দুটি নও। পাশ্চাত্য মনোবিজ্ঞান অনুযায়ী এই দুটিই কেবল তুমি। সেইজন্য তোমার পরিচয় রক্ষা করার জন্য এত কাজ করা হয়েছে। তোমার পরিচয় ধরে রাখার জন্য অনেক মনোযোগ দেওয়া হয়েছে ও শক্তি খরচা করা হয়েছে।
मण्ड रूल, बाखविक कूलि बरे फूणि भविष्ठयन्त वानक विमी। कूलि वर्द घरे घूरि घूरि পরিচয়ের ঊর্ধ্বে।
সর্বোপরি তোমায় বুঝতে হবে তোমার মন এক মেশিন নয়। তোমার ভাবা মত তা मश्यूक नया। यादर्श्यू कुलि फूणि किलान मध्या ফাঁক অভিজ্ঞতা কর না, তুমি বিশ্বাস করতে उन कव रय जाना मश्यूक। कूलि भूनवानुद्धि कवरण थाक व्य कूलि वनाखिटक उ छाटक घाटन वाणू।
कूलि वर्माखिटक लड़े। कुलिरे बक वर्माखि। তোমাকে বুঝতে হবে কোথায়, কোথা থেকে এই সমস্যার সঙ্গি হচ্ছে। মুলে প্রথম সমস্যা হ'ল তুমি নিজেকে একটা শাফট বা বস্তু বলে বিশ্বাস কর। তুমি কোন বস্তু নও। সুখ সম্পর্কে তোমার ধারণা, বেদনা সম্পর্কে তোমার ধারণা, জীবন সম্পর্কে তোমার ধারণা, সবকিছু এই এক মিথ্যার ওপরে ভিত্তি করে নির্মিত - যে তুমি এক বস্তু।
মন এক প্ৰক্ৰিয়া
তোমাকে এই একটা সত্য বুঝতে হবে : তুমি এক প্রক্রিয়া এবং তোমার প্রকৃতির জন্য তোমার চিন্তাগুলি সবই সম্পর্কহীন, অসংযুক্ত, স্বাধীন ও আনক্লাচড।
वाद्य य राजनवर्णजनवर कूलि यादक তোমার পরিচয় বলে মনে কর, তা তোমার जोवन कानावाद जना व्यायाजन नया। जूसि वलटक भाव, 'ना, यदि वासि वानि वानुक्लाफूड़ उ व्यमर्यूक रूरे, वासि किञादव वासान अविषर পরিকল্পনা করব, আমি আগামীকাল সম্পর্কে কিভাবে চিন্তা করব? আমার ডেডলাইন আছে, প্রোজেক্ট প্ল্যান আছে, আরও কত কিছু আছে। आमि किलाव काऊ कवर? वासि वासान প্রোজেক্ট রিপোর্ট কিভাবে পেশ করব? আমার দৈনন্দিন জীবন কিভাবে চালাব?' এই বড় বড় প্রশ্নগুলি তোমাকে হানা দিতে থাকবে।
করা হয়। সামনে দেখা মানুষটি তোমার भविष्ठ वर्थवा वर्षविकित शाक, जाक, जामान সচেতন মন তা রেকর্ড করে। তুমি কিভাবে তার সাথে মিথক্রিয়া করতে চাইবে, তা আর मट्ठकन खटन लिर्मीण रूय ना। लग जाताब পরিচিত হ'লে, তোমার মনের মধ্যে খোদিত ম्याजिশনित उभरव ওপরে তোমার মনোভাব প্রকাশ করবে ও কার্যকলাপ করবে। সে তোমার পরিচিত না হ'লেও তার চেহারা তোমার মধ্যে অচেতন প্রতিক্রিয়ার সত্রপাত করবে। দুই ক্ষেত্রেই এই ফাইলটি वर्षण्डन (क्कट्व घटन याय।
আমাদের প্রায় সবার মনের মনের দশ শতাংশের কম সচেতন। তুমি ইন্দ্রিয় দ্বারা যা অনভব কর তার দশ শতাংশের কম मट्ठकनचारव विकर्ड रूय। वर्ण मुख्य व তোমার বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত হবে।
আমরা তাহলে করি কি? আমরা কি আমাদের অচেতন মনকে আমাদের নিয়ন্ত্রণ করে যেতে দেব অথবা আমাদের দ্বারা চেতনার नियल्वा भूनवरण्याव कवाद जना किछू कवरण পারব?
দুটি - উপায়ে - আমরা - তা - পুনরুদ্ধার कवरण भावि। व्यवस रू'ल करियननिश, या আমাদের বন্ধনে রাখে, তাকে হাস করা। (कृष्णिमनिश् वर्थ रू'ल वासना किजादव প্রতিপালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়েছি।) আমাদের धान ( আমাদের বন্ধনে রাখে তাদের সরিয়ে ফেলা ও সূटर जेनायाणि र'ल मम्भूर्त मजान রূপ्य उ निर्जनक নিয়ন্ত্রণে রেখে বর্তমান মুহূর্তে বাস করা।
আমাদের লাইফ ব্লিস প্রোগ্রামে আমরা এই দুটি উপায়ের প্রক্রিয়ার শিক্ষা দিই। ধ্যানে वाणिकाजन वावस्थाया बरे (शामिल स्थानित्र स्थानिए कि নিয়ে পুনরায় অতীত অভিজ্ঞতা প্রত্যক্ষ করা मुख्य, याटक बरे म्यूजिश्टलि (शटक व्यवार्श्वरणि भाउया याया। जा व्यव्यर्मन भविष्ठान राज সাহায্য করে। অংশগ্রহণকারী বর্তমান মহুর্তের সজাগতায় পৌঁছুবার ও বাস করার দক্ষতা অর্জন করে।
সময়কে অতিক্রম কর - বর্তমানে বিদ্যমান হও
তোমার कवटल किलागुलि व्यमास्किक - या वासना वाटन আলোচনা করেছি। কেবল দশ মিনিট ধরে বসে তোমাদের মনে উদয় হওয়া সমস্ত চিন্তাগুলি लिट्य क्यलटक रखा। ू जुलि किलागुलिन सर्था थाया कान मशयानर निर्द्या गरे निरे। তারা যেন কেবল একটা থেকে আরেকটায় লাফিয়ে বেডায়।
দ্বিতীয় জিনিষ তোমারা লক্ষ্য করবে যে किलागुलि मर्वमारे जानाव व्यकीण वश्वा कवित्ता मन्भटक। कूलि कवन वजी का कि रुट्यूफिल उ कविया कि रूटव, जा निर्द्य किछा করতে পার। অতীতে যা করতে পার নি তাতে তোমার আক্ষেপ হয় অথবা যা করেছিলে তার জন্য অপরাধবোধ হয়। তুমি কি করতে চাও তা নিয়ে হ'ল ভবিষ্যতের চিন্তা।
मया करव (वाद्य, वजी 3 जविष्ण्ड দুটোই বাস্তব নয়। অতীত মত ও চলে গেছে। বেশীরভাগ সময়ে আমরা অতীত থেকে কোন मिका निरे ना। वायवा कवन वजन वजीवरक
वादशव करव डविवार (क कालारण कारे। बजे यन मिश्रण भाड़ी कालात्ना! कूलि जान करवरे जान তাতে তুমি কোথায় গিয়ে পৌঁছাবে!
ভবিষ্যৎ তো আরও বেশী অবাস্তব। তা তো ঘটেই নি। তুমি যে রকম আছ, তাতে তোমার ভবিষ্যতের ওপরে নিয়ন্ত্রণ খুবই কম, কারণ তোমার সমস্ত কার্যকলাপ তোমার অচেতন মন চালনা করে। অতীতের খোদিত स्पूर्णिमकल म्रावा जूसि कालिक र किलागुलि र'ल वजीज उ डविवारणव व स्था তোমার মনের গতিচাঞ্চল্য। তোমার মন কখন विद्याल काय ना। यदि मन विद्यास करव, जानटक পারবে যে তুমি সেটা ছাড়াই চলতে পার।
যদি তুমি মনকে বিশ্রাম করতে দাও বা তাকে বিশ্রাম করতে প্ররোচিত কর, তমি এক আনন্দময় অবস্থা উপলব্ধি করতে পারবে। সেটাই বর্তমান মুহুর্ত। তোমার সমস্ত कविषाश्टक बरे वर्णमान मुठूर्ण र ' क राव। এখন এই বর্তমান মুহূর্তে তুমি যা নির্ণয় কর সেগুলিই তোমার ভবিষ্যৎ নির্মাণ করবে। একবার তুমি এই বর্তমান মুহূর্তের যত্ন নিলে, একবার এই বর্তমান মুহূর্তে সচেতনভাবে বাস করলে, তুমি তোমার অতীত নিয়ে আক্ষেপ করবে না বা তার সম্পর্কে তোমার অপরাধবোধ হবে না।
TPS Thoughts per second
TPS
intuition
উত্তেজিত লোকেদের মত কারো সাথে জোরে কথা না বললেও. আমরা निज्जन माथ নিঃশব্দে কথা বলি। আমাদের মন তো অশান্ত বটেই এবং মন যে চিন্তাগুলির উৎপত্তি করে, সেগুলি আমাদের ভিতরে স্বগতোক্তি অথবা বার্তালাপ হয়ে গঠিত হয়।
এই ভিতরের কিচিরমিচিরকেই আমরা বলি অবিশ্রাম বকবকানি। বারংবার আমরা অতীতকে উল্লেখ করি घंजनाश्टलिक मराठुक करव वजीजदक অভিক্ষেপ করি। তখন আমরা একই জিনিষ ভাৱিয়াতে ঘটেছে বলে মনশচক্ষতে দেখি।
তোমার নবরই শতাংশ দুশ্চিন্তাই তো বাস্তবে পরিণত হয় না। যারা আমাদের কোর্সগুলি করেছে তাদের আমি সেটা দেখিয়ছি। আমি তাদের দুশ্চিন্তাগুলি লিখে ফেলতে বলি ও माग्रनिटक फ्यूमाम भटव सिलिट्य कथटक वलि। भारत मनार वर्ल व व जारमन वायर मन দুশ্চিন্তাগুলি কখনও বাস্তবে ঘটে নি। আর যে দশ শতাংশ ঘটেছে, তা তাদের ভালর জন্যই ঘটেছে।
তোমার আসলে এই দুশ্চিন্তাগুলিকে সত্য হবার জন্য আমন্ত্রণ করে! যদি কোন দুশ্চিন্তা অবিরাম जामादक जुलाजन करव, बाद व्य व्य करे দুশ্চিন্তা তোমার মনের সঙ্গি। মন নিজেই হল ব্যवास्त। मश्याभसूाभन करव जा जा ব্যवास्त। मुठवार দুশ্চিন্তাও অবাস্তব! मकाउनित्क मकानाचाक विवाद प्रावा व्यवर নকারাত্মক চিন্তাগুলিকে সকারাত্মক চিন্তা দ্বারা প্রতিস্থাপিত করতে পার। এটা এত সোজা। এই শব্দগুলির শক্তি আছে।
শব্দ চাপের কারণ হয়
আমরা বুঝতে পারি না আমাদের চিন্তা ও শব্দসকল কত শক্তিমান। আমরা আগেও আলোচনা করেছি, জাপানী বিজ্ঞানী মাসারু এমতো জলের ওপরে নানা পরীক্ষা করে স্পষ্টভাবে দেখিয়েছেন যে আমাদের শব্দ, চিন্তা उ वनुस्त्रण जन निःमद्मद्भर्टर माज़ा प्रमुख আমাদের দেহের সত্তর শতাংশের বেশী হ'ল জল এবং পথীগ্রহের সত্তর শতাংশের বেশী জল দ্বারা বেষ্টিত। তাহলে তমি শব্দের শক্তি কল্পনা করতে পারছ!
এই পরীক্ষাগুলি সন্দেহাতীতভাবে হাজার বছর আগে প্রাচ্যের অতীন্দ্রিয়বাদীদের কথা প্রতিষ্ঠিত করে : যেরকম চিন্তা, সেরকম ইচ্ছা। যেরকম ইচ্ছা, সেরকম কাজ। যেরকম তোমার কার্যকলাপ, তুমি সেরকম হও।
ভেবো না, যার বিরুদ্ধে নকারাত্মক চিন্তা ও শব্দ প্রকাশ কর, কেবল সে তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। भविष्ठान करव दुर्वा नाउ य्य बरे বকরে চিন্তা ও শব্দ তোমাকেও সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত कवर्त, कावन कूलि कान विष्णा जानाव নকারাত্মকতা কেবল অপরকে প্রভাবিত করে না, তা প্রথমে তোমাকেই প্রভাবিত করে।
চাপের শারীরবৃত্তীয় প্রভাব
আমরা দেখলাম শাস্ত্র কি বলে এবং চাপ কেন সুষ্ট হয় তা নিয়ে আমি কি ভাবি। এখন দেখা যাক বিজ্ঞান কি বলে।
আমাদের মস্তিষ্কের শ্বাসপ্রশ্নাস, পাচনক্রিয়া এবং আরও কিছু কাজ या मन्नीन स्वरण्डलसारव उ वर्तनाष्ट्रिक कारव रूप, তা নিয়ন্ত্রণ করে। প্রকৃতি আমাদের মস্তিষ্কে
शर्माश्रालामान नाट्स वक वर्ष वर्ष निर्माण করেছে। এটা এক অব্যর্থ সরকা সিস্টেম। এই অংশে জীববিজ্ঞানীদের নাম দেওয়া সরীসপ -মস্তিষ্ণ (reptilian brain) অন্তর্ভুক্ত।
আচরণ-সম্বন্ধীয় (behavioral) विज्ञानीना প্রতিক্রিয়া সম্বন্ধে বলেন। শরীর ও মন যথন আমাদের প্রাণের জন্য কোন বিপদ টের পায়, হাইপোথ্যালামাসকে তখন অচেতন মন সতর্ক করে দেয়। অচেতন মন সচেতন মন থেকে কোটি গুণ দ্রুত কাজ করে। তাই বিপদ সম্বন্ধে সচেতন ভাবে সজাগ হবার আগেই, আমরা সহজপ্রকৃতিতে (instinctively) সতর্ক হয়ে যাই। रारेट्र शास्त्राम सामग्रीन भारत श्रणास পিটুইটারী গ্রন্থিকে সত্রিয় করে, সেটা সক্রিয় করে অ্যাডেনালিন গ্রন্থিকে। অ্যাডেনালিন গ্রন্থি থেকে অ্যাডেনালিন হরমোন নিঃসত হয় এবং তা আমাদের পা ও হাতকে সুক্রিয় করে। তখন আমরা 'লডাই অথবা পলায়ন'-এর জন্য তৈরি হয়ে যাই - শক্তি আমাদের বিপদের সাথে लड़ारे कबर्द वर्थवा विभाम (शटक भालित्य যেতে প্রস্তুত করে।
আমাদের সুরক্ষার জন্য অচেতন मनीज़ - मरिक्क वासारमन मनीति नामायनिक निःमन्न कवाद मिम्नाल नया। बजे वाणित গুহামানবকে বাঘ সিংহ থেকে রক্ষা করার জন্য খুব ভাল কাজ করে। তাকে লড়াই বা পলা য়ন করা সম্পর্কে চিন্তা না করেই প্রস্তুত থাকতে হ'ত।
আজ মানুষের মধ্যে অ্যান্ডেনালিনের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করার জন্য অ্যাথিলেটদের ওপরে কিছু পরীক্ষা করা হয়। স্প্রিন্টারদের ম्मेণिश ব্লুটক লারেन করव মৌজাটক বटल র'ল। দৌড় শুরু করার নির্দেশ দেবার জন্য পিস্তল ওপরে উঠিয়ে ফায়ার করার ঠিক আগের মুহূর্তে
আম্পায়ার তার হাত হাত নিচে নামালেন। मिश्रणાવર્તન বিকू রাজ্য র 'ল वবর वावाद যথাস্থানে এলো। এরকম ছয় বার করা হ'ল। এক মিটারও না দৌডে স্প্রিন্টাররা স্টার্টিং রকে ভেঙে পড়ল! তাদের দেহে অ্যাডেন্ডনালিনের माना विभक्तकबादव विभी রায় শিষ্যা শিষ্যাণিত্র। জীবন বাঁচানোর অ্যাডেন্ডনালিনকে বিনা কারণে উৎপন্ন করলে তা হত্যাকারী হয়ে যেতে পারে।
আজকাল কোন বাঘ বা সিংহের সাথে मामार र रख्या था। वायर व्यवस्था का मट्ठूउ আমাদের অচেতন মন এই প্রকার বিপদের সংকেত দিতে থাকে। আমি তাদের বলি 'ভয়ের স্টোক্য। মনোবিজ্ঞানীরা অনুমান করেন যে আমরা দিলে প্রায় ছয়বার এই প্রকার ভয়ের স্ট্রোক অভিজ্ঞতা করি। এই ভয়ের স্ট্রোকগুলি আমাদের ভিতরে অনেক অনেক পরিমাণে অ্যাডেনালিন উৎপন্ন করে। প্রমাণ করা হয়েছে विषश्वणा र'ल व्यार्डफुनालिन সেवर नव রवान সরাসরি ফল। বিষণাতা আবার নানা দীর্ঘস্থায়ী ও প্রাণনাশক ব্যাধির কারণ।
স্তুল কা বিজ্ঞান दिना का कानी দেশের অনেক যুবা, এমনকি কিশোরদের ধমনী বা আর্টারী এইভাবে ব্লক হয়ে যাচ্ছে যেন তাদের যাট বছর বয়স! ডাক্তারেরা বুঝতে (भव्यक् य मानीदिक व्यवस्था मतमान कवन बकणी जान। कावर्तन विनीन जानकोर আবেগপ্রবণতার অবস্থার জন্য। এখন বেশ जाल জारव निर्धावन कवा রায়া র रायरर व ব্য আবেগজনিত অবস্থা হাট অ্যাটাক বা সেটাক ঘণটটক বহুদিন ধরে থাকলেও।
আজকাল ছাড়াও হৃৎপিণ্ড-সম্বন্ধীয় ডাক্তারেরা কোন মানুষের হৃৎপিণ্ড-ঘটিত সমস্যার প্রবণতা বোঝার জন্য তাকে নিয়মিতভাবে চাপ বিষয়ে এক প্রশ্নাবলীর উত্তর দিতে অনুরোধ করে।
ডাক্তারেরা দেখেছে বড় বড় ধরণের মানসিক আঘাত চাকরী চলে যাওয়া, অর্থহানি, এমনিকি চাকরীতে স্থানান্তর এবং ঘর পরিবর্তন, চাপের জন্য গম্ভীর উপাদান হয়ে হার্ট-অ্যাটাক ঘটাতে পারে।
শারীরিক দুর্বলতা বিপজ্জনক নয় কিন্তু দৌর্বল্যকর, যেমন ব্যাক-এক, মাইগ্রেন, আলসার ইত্যাদির জন্যও সত্য। মূলগত আবেগজনিত বা মানসিক উপাদান (ফ্যাক্টর) উপরিগত শারীরিক কারণের চেয়ে অনেক বেশী প্রাসঙ্গিক।
চাপ এক হত্যাকারী, কিন্তু সেটা অবস্থান করে মনে।
আমরা দুশ্চিন্তা দ্বারা ভয়ের স্ট্রোক সৃষ্টি করি। আমরা তাদের কন্ডিশনিং বা অভ্যাস बना मडि कवि। এষ बना কুনি জানব সাময়িকভাবে সারাতে পার। মূলগত কারণ সরাতে না পারলে কোন ওষুধই সেই রোগ স্থায়ীভাবে নিরাময় করতে পারে না।
চাপ কি কাজের সাথে সম্পর্কিত?
যদি কোনো কোম্পানীর কিছু এক্সিকিউটিভ কোন এক প্রোজেক্টের খবর (ঘটনা) মনে নিনোটাক ভ্রনবনাব ভারতানন। যা জীব वर বকস (शास्त्रक निर्या আগে কাজ করেছে, তারা সেটি পর্যালোচনা করে বলে যে ছয় মাসে কাজটা শেষ হবে এবং তাতে দশ লক্ষ ডলার খরচা হবে। টীমের ম্যানেজার সেটিকে যাচাই করে ও বলে যে তার টীম কাজটাকে সাডে সাত লাখ ডলারে চার মাসে শেষ করতে পারবে।
প্রস্তাবনা জেনারাল ম্যানেজারের কাছে (গল। রম মনারেটক সিঙ্গ্টিশ্য ল্টক থুন উৎসাহব্যঞ্জক কথা বলল, 'আমরা এটিকে তিন মাসে পাঁচ লাখ ডলারে শেষ করতে পারব।' তারপর তিনি সেটাকে তার প্রস্তাব হিসাবে চিফ এক্সিকিউটিভের কাছে পাঠিয়ে দিলেন।
চিফ এক্সিকিউটিভ ক্লায়েন্টকে ডেকে বলে যে তারা কাজটি পাঁচ লাখ ডলারে দুই মাসে শেষ করবে।
যারা কর্পোরেশনে কাজ করে তারা এই ঘটনার সাথে সম্পর্কস্থাপন করতে পারবে। যারা মিম্নাল নय উ ৱজ়ীকান করৱ জানা থায়রে বাস্তব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকে। সিদ্ধান্ত নেবার বেলায় তাদের আমিত্ব কাজ করে। আমিত্ব ছাড়া যে কোন কিছু উৎসর্গ করা যেতে পারে! কর্মাদবাদ রেজিশামারক মরাজনাত ব্যায়াযন করলে দেখবে কেত কোম্পানী তাদের লীডারদের আমিত্বের জন্য অসফল হয়েছে।
কর্পোরেট ক্ষেত্র থেকে আসা আমার কিছু শিষ্য আমাকে 'লেভেল ৫ লীডারশিপ' সম্পর্কে কিছু বলেছিলেন। মন্যাটন কর্মার্টন কর্মার্বজ্ লীডারগণ কোম্পানী ও কোম্পানীর লোকেদের নিৰ্জিটমন বিদ্যাজনৱ ভিষ্টন বাধ্য। জানা নিজেদের আমিত্বের প্রয়োজনকে সামনে রাখে না। রিসার্চে দেখা গেছে ধারাবাহিকভাবে সফল কোম্পানীগুলির वरिર્જનટક থায়া বর্ষাবিকিত্ত। ৱরে লোখারবনা অনেক বিনয় এবং অন্তর্মুখী।
জীবনে দুই প্রকার মানুষ দেখা যায় : যারা চাপে আছে এবং যারা চাপে নেই। যারা
। তুদম ভয়র চাদর ব্যাবহার কর, েরজা খুেলত পার এবং ওই আনদন্দ েলীন হভয়ে ততামার মত্তা েয়বল েরফুত তদয়ত পার। ওই চাদরটায়ে ধ্যান েও ।
Guaranteed Solution ।
stressed)। desserts
stress-proof
catharsis
তোমার ভয়ের মুখোমুখি হও এবং মুক্ত হও
জীবনমুক্তি হল ভয়ের মুখোমুখি হবার সাহস রাখা
ভয় কি?
ভয় দুশ্চিন্তা থেকে আল্সার হতে পারে। অন্যদিকে জয় জীবনকে ট্ওয়াস করৱ মিটকে ভারত। যারে (শক, ফুমিলা ছা়ড়া জীৱন মখব, কিলু খা আমাদের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। ভয় ছাড়া ভয়ের সম্মুখীন হওয়া সম্ভব। যাকে আমরা সাহসী বলি, এমন নয় যে তার ভয় নেই; কিন্তু সে ভয় ছাড়া ভয়ের মুখোমুখি হতে শিখেছে।
জয় বাসাসম্মন্ন আসে। তাই তাকে ধ্বংস করা যায় না। শক্তিকে সৃষ্টি করা যায় না, আবার ধ্বংসও করা যায় না। তাকে কেবল একটা আকার থেকে অন্য আকারে পরিবর্তিত করা যায়।
যদি নাও, জানাব ভয় মনামৱি জাতাব জীবনীমাকিন মার্গ মস্যূক। যখন তোমার বেঁচে থাকা সংকটপূর্ণ দেখছ, তুমি মন্ত্র যা জানাব কিয়া বৃদ্ধি ভারত্ব ব্যবস্ জামান মণীরৱ ব্যাৰ্থনানিং নিঃমণ রাষ্ট্ৰ রাষ্ট্ৰ। অ্যাড্রেনালিনের নিঃসরণ তোমাকে এত শক্তি দেয় যে তুমি প্রায় উড়তে পার। আমরা তাকে 'লড়াই বা পলায়ন' প্রতিক্রিয়া বলি - হয় তুমি কর্মন্ন সূৰ্থাপূৰ্থি রায় লড়াৱে কব, ব্যথৱা ভালিತ್ಯ ৱা উ। যারে যারে স্বर्ड কোৱন ৱক্কণ সংকটাপন্ন অবস্থায় আসে, তোমার শরীর অটেল শক্তি পাবে। যখন বাস্তবিক সেই সংকট ঘটে, জীবনের অধিষ্ঠান স্বাধিষ্ঠান চক্র পুরোপুরি কেঁপে ওঠে!
তোমার ভিতরে বিগ ব্যাং এবং ব্ল্যাক হোল
যখন কান নির্দিষ্ট বস্তু ছাড়া জানাব সিক্টন নির্মল রেশণ ৱা নিশাম ৱা নিশাম ব্যাকুল ৱাকাসকা রয়, যা মুষ্টিন সেফ্ট্ৰামিণ মণ্ড, প্রসারণের শক্তি বা বিগ ব্যাং (Big Bang) হয়ে যায়! (কান কাৱর ৱিনা করণ্ড ভড়। বকরেবাদৱ যখন কান নির্দিষ্ট বস্তু ছাড়াই তোমার ভিতরে নিখাদ ভয় থাকে, তা শ্ট্য ৱায় মষ্টকাঠন ৱা ব্ল্যাক হোল (Black Hole)।
ভয় তোমার প্রকৃতি, কিন্তু তাকে কোন যখন মিটকে নির্মণ করণা না। জয় শাকা মাজৱিক ভাৱাৱ। কিন্তূ কয়ারক কান বস্তুর সাথে সংযোগ করা হ'ল সামাজিক ব্যাপার। নিশাম হ'ল স্বতঃস্ফূর্ত।
নিখাদ আকুল আকাঙ্কা হ'ল কোন কারণ ৱিনা জাতাব (শটাক ৱিকিতিক রাখ্যা প্রচুর শক্তি। কেবল যদি তা কোন বস্তুর জন্য
শ্য, যা মাথার লাল রায় রায় যায়। বকরে ঘটন তোমার ভিতরে কোন কারণ বিনা শক্তি ফিরে ৱামা র'ল নিশাম ড্যা। যদি যা কান বস্তুব জনা রয়়, যা রায়া মাধাবণ জয়। ব্ল্যাক শ্বাল না ঘণ্টল ৱিশ্ব ৱার ঘণ্টেটক ভারত না। সেটাই জীবনের অংশ, নাটকের অংশ, লীলার অংশ। নিশাম রিল্যাক্স করছ, নিজের ভিতরে অবস্থান করছ। তাকেই আমরা বলি লয় বা ধ্বংস। মহাবিশ্বের জন্ম বিগ ব্যাং থেকে এবং তার ম ত্যু হল ব্ল্যাক হোল। তোমার সত্তার জন্ম তোমার জন্য বিগ ব্যাং। আর তোমার সত্তার মৃত্যু তোমার কাছে ব্ল্যাক হোল। শ্বাস ভিতরে নেওয়া নিখাদ আকুল আকাঙ্ক্ষা। শ্বাস ছাড়া হ'ল নিখাদ ভয়।
বিগ ব্যাং-এর জন্য জীবনীশক্তি, প্রাণ, বায়ুর সাথে তোমার ভিতরে প্রবেশ করে। বায়ুর মাধ্যমে তোমার থেকে প্রাণের বেড়িয়ে যাওয়া হ'ল ব্ল্যাক হোল। যখন তুমি বিগ ব্যাং বা ব্ল্যাক হোলকে বাধা দাও বা তার সাথে লড়াই কর, তুমি তোমার সিস্টেমে গোলমালের সৃষ্টি কর।
যখন জান মান কুনি মালি কার্ৱেড ব্ৰৱর ৱিশ্ব ৱার-য়ুন জনা ভ্ৰমুখ রাজ্য। যখন নিশাম জয় ঘটে, তখন তুমি খুব স্বস্থিতে নবতেজোদ্দীপ্ত হও এবং তা তোমার মধ্যে ভীষণ সাহস ও শক্তি হয়ে তরঙ্গায়িত হয়।
তোমার নকারাত্মক ভঙ্গির মধ্যে লড়াই
যখন কোন জিনিষ হারাবার ভয় হয় বা তুমি কিছু অর্জন করতে পারবে না বলে ভয় পাও, তখন জানাব সদ্য তোমার সম্ভবনা ও তোমার নকারাত্মক ভঙ্গির মধ্যে লড়াই চলেতে থাকে।
যদি তুমি নিশ্চিত হও যে কিছু একটা অর্জন করার কোন সম্ভাবনা নেই এবং তোমার মধ্যে সেই ক্ষমতা নেই, তোমার ভয় থাকবে না। আবার যদি নিশ্চিত থাক যে তুমি কিছু অর্জন করতে পারবে, তাহলেও তোমার ভয় থাকবে না।
জয় র'ল নিরঞ্জন উভৱ বিভাগ উ তোমার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নকারাত্মক ধারণার মধ্যে লড়ারে। ৱাকাৱিকলাৱৱ কুনি নিজের সকারাত্মক ও নকারাত্মক শক্তির সাথে লড়াই করছ।
নিজের ক্ষমতা নেই ও অর্জন করতে পারবে না বলে তুমি যদি নিশ্চিত হও, তাহলে তোমার ভয় থাকবে না। যদি তুমি নিঃসংশয় হও যে তুমি অর্জন করতে পারবে, তাহলেও তোমার ভয় থাকবে না। কিন্তু যদি তুমি কিছু অর্জন করতে চাও এবং নিশ্চিত নও যে তুমি তা অর্জন করতে পারবে কিনা, তাহলে তোমার জয় শাকরৱ। ৱরে কুনি ধাৱনা মধ্যে লজারে উ উভয়সংকটকেই আমরা ভয় বলি।
দ্যাখ, মহাবিশ্বের রাজা হতে পারবে না বলে তুমি ভীত নও। না! তুমি স্পষ্ট করে জান য রুসি যা কখনও রাখ না! কিলু রুপি সিজ য কুনি জাতাব কারেস্যন মণ ময়ন রাৱ পারবে না। যা তোমার নাগালের মধ্যে তা তুমি রুটক পাৱরৱ কিনা ৱা ৱর্জন কৱরণ পাৱরৱ কিনা বলে তুমি ভয় পাও।
সম্ভাবনা ভয় সৃষ্টি করে। তার অর্থ হ'ল জয় জীৱতনৱ মূল! পৃথিবীওগ্যটর জিনিম' বর্ষাৱ বেশী বাস করতে পারবে না বলে কি তুমি ভয় পাও? না, কারণ তুমি নিশ্চিত যে তুমি কখনই
ৱার ৱর্ণন ৱাঁকৰ্ত্ত না। কিলু রুসি স্বয়ং ভাউ ব্য তুমি সত্তর বা আশী বছরের বেশী বাঁচবে না, তোমার হয়ত অকালমৃত্যু হতে পারে। যা কিছু সম্ভবটক অর্জন করতে পারবে না, তা তোমার মধ্যে ভয় সৃষ্টি করবে না। যা কিছু তুমি ভাব সম্ভব এবং যাতে ক করবে।
দুইভাবে ভয়মুক্ত হওয়া যায়। এক হ'ল মতল মখাৱনাটক ৱাণ্যা । জান ৱৰ্থ, কুনি মরতে পার, তারপর আর কোন ভয় থাকবে না।
পুরে রু'ল, মুখাৱনাৱ ভণ্ডিক ক্লুক ভয়ুক্ত হওয়া। অসীম সম্ভাবনা হ 'লে কোন গতি থাকবে না। যদি কোন কিছুই তোমায় সীমাবদ্ধ করতে না পারে, তুমি ভয়হীন হবে।
হয় কিছুই সম্ভব নয়, তাহলে তোমার ভয় থাকবে না কারণ তোমার থেকে কিছুই নিয়ে নেওয়া যাবে না। অথবা সবকিছুই সম্ভব, তাহলে তোমার কোন ভয় থাকবে না কারণ তুমি সর্বশক্তিপূর্ণতা অনুভব করবে।
কেবল ৱৰ্ড সেমলন্নি লাল করৱরে তোমার মধ্যে কিছু একটা ক্লিক করবে এবং তোমার সত্তা থেকে বহু ভয় মুছে যাবে!
মাস্টারেরা আসলে এই দুই সম্ভাবনাকে প্রক্রিয়া মাস্টারেরা বলেন যে 'তুমি কোন কাজই কর না', তা এক চরম সমর্পণ, এক মানসিক মৃত্যু সৃষ্টি করার জন্য বলা হয়। তুমি নির্ণয় কর যে আর কোন সম্ভাবনা নেই, আর কিছু করা যায় না, কেবল রিল্যাক্স করা। একে রমনা মহর্ষি বলেন আত্ম-শরণাগতি। এই পদ্ধতিতেও
সমস্ত সম্ভাবনা বন্ধ করে তুমি ভয়ের ঊর্ধ্বে চলে যেতে পার।
ভয়ের উদ্ধের যাবার দ্বিতীয় পদ্ধতি হ'ল মল রাজ মুখাবনা আত্মজ্ঞান।
একটা সুন্দর গল্প আছে :
এক ব্যক্তি একটি মন্দিরের দেওয়ালে লিখল 'সোহম' - আমিই সে। তার অর্থ হ'ল 'আমার দ্বারা সব কিছু সম্ভব। '
আরেকজন এসে সেখানে লিখল, 'দাসোহম' - ভয় মানা কিছুরে মখব নय, আমি এক দাস।
তৃতীয় ব্যক্তি এসে লিখল, 'সদাসোহম' - সর্বদাই আমিই সে।
যখন বনুন ৱন ব্য কুমি কিছুৱে করতে পার না, তুমি নিজেকে সমর্পণ করতে পার। তুমি নিজের শক্তি অভিজ্ঞতা করতে পার যখন তুমি অনুভব কর যে তুমি সবকিছু করতে ভাৱ। পারে।
যদি তুমি 'আমি কিছুই করতে পারি না ' -এই ধারণার সাথে ঐকতালে থাক, তবে তুমি ভক্তিযোগী, তুমি সমর্পণ কর। যদি তুমি ভাব য 'বাসি মন কিছু কৱরণ ভাৱি', রুসি ছদ্ব জ্ঞানযোগী, তুমি অনুসন্ধান কর ও অভিজ্ঞতা কন। ৱৰ্ড ফুটণী ভটৱন ব্য কান ভট্য কটল জানাব ভটক ক্যাসূক রাখ্যা মখন। কিন্ত তোমাকে যে কোন একটি ভাবাদশের সাথে সম্পর্কদৱ মধ্যেক রুটণ রাখা রুখা রুখ 'বাসি কিছুৱে কৱরণ ভাৱি না' ৱরে জাৱ ৱজ্ৰাম কন বশ্বা 'বাসি মন কিছু কৱরণ ভাৱি' - ঘরে ভাব নিয়ে কাজ করতে প্রস্তুত থাক।
জীবনমুক্তির জন্য বর্ধিত সম্ভাবনা
লারকৱা ৱাসান কাটক ৱটন ৱটন, 'আমার অনেক ভয়। আমি কি করতে পারি?'
আমি তাদের বলি, 'যদি তোমার বেশী ভয় থাকে, তোমার জীবনমুক্তির সম্ভাবনা বেশী। তোমার জন্য বহু দরজা খোলা!'
যা ৱাকিন ৱিভী জয় নৱে, জান সম্ভাবনা ও দরজার সংখ্যা কম কারণ সে এক নিস্তেজ জীবন যাপন করে। নিজেজ হয়ে জীবন যাপন করলে বেশী ভয় থাকবে না। তার বেশী কিছু হারাবার নেই, বেশী কিছু নির্ণয় নেবার নেই। সে বেশী ঝুঁকি নিচ্ছে না।
কিল্থ ৱক জোৱল মণ্ডা ব্য ঘটনক কিছু কৱরণ উ ঘটনক নির্ণয় নিষ্ঠ্ছ, এম্ ছয় ৱাণ্ডিক্কা কৱরৱ। যদি কুমি ৱর্মী কু অভিজ্ঞতা করছ, তবে তোমার জীবনমুক্তির জন্য বহু দরজা খোলা অবস্থায় উপলব্ধ!
আরেকটা জিনিষ : কেবল যদি তাকে খোলা যায়, সেটাকে দরজা বলা যায়। যদি তুমি তাকে খুলতে না জান, তবে সেটা তো মিথ্যাল। যদি জানাব জীৱনন ৱানক ক্য ৱাণ্ডিক্কণ কৱর ৱর কুমি মণ্ডিক ব্যকিয়া জান, তাহলে সেই সমস্ত ভয়গুলি দরজা হয়ে যেতে পারে এবং তুমি মুক্ত হতে পার। নতুবা মল কর করাউনি দিন উদ্যাওলন করন - যন কুরি কারাগারে বন্ধ হয়ে আছ।
তোমাকে কেবল এটা করতে হবে : প্রত্যেকবার যখন ভয় অনুভব কর, নিজেকে অশ্রদ্ধা করো না। আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলো না অথবা নিজেকে এই ভেবে দোষারোপ করো না 'আমি কি ধরনের মানুষ?' আসলে যারা তাদের ভয়ের সম্মুখীন হতে পারে, তাদের এত সমস্যা
হাদিক না। য্য সানুর্যৱা জামনৱ কয় মম্ভটক ভীত, তারাই নিজের জন্য বেশী সমস্যার সঙ্গি করে। ভয় সম্পর্কে বেশী চিন্তা করলে তুমি ভাবতে শুরু কর যে তোমার সমস্যা আছে।
যদি রুসি কর্মন্ন ৱাস্তৱ বন্কৃতি (বাধ্য, তাকে এক আশীর্বাদ বলে ধরে নেওয়া যেতে ভারত। যদি রুসি য়ৱথক্ষ মার্শ্ব বাথ, যা জাতারক সূক্কিন মিটকে চালিত করতে পারে।
কখন কখন তোমার মনোযোগ অন্য কিছুটকে মনিয়া একটল জুমি ছয়া হরদর ওয়াজিয়া আসতে পার। কিন্তু তা নির্ভয়তা নয়। নির্ভয়তা হ'ল চেতনাতে এক কোয়ান্টাম লাফ দেওয়া, যাচারন কান কিছু শনাৱান করণ্ডৱ ৱ বিজ্ঞান তোমার কখনও হবে না।
জীবন সম্পর্কে আছে - ব্যর্থ হবার ভয়, প্রিয়জনদের হারাবার ভয়, ধনসম্পদ হারাবার ভয়, অজানার ভয় -প্রতিটি ভয়কেই জীবনমুক্তির দ্বার হিসাবে ব্যবহার করা যায়।
হয় তুমি টেনশনে ভরপুর অথবা তুমি শক্তিতে পূর্ণ। যদি টেনশনে ভরপুর থাক, তুমি তাহলে তোমার মধ্যের অমর উৎস থেকে প্রক্রিয়াটি না জেনেই জোর করে শক্তি আহরণ করার চেষ্টা করছ। তোমার ভিতরে এক শক্তির উৎস আছে - যার কখনও মৃত্যু হয় না - তাকে বলা হয় আত্মন। যদি সঠিক প্ৰক্ৰিয়া না জেনে জান করৱ ৱরে কেরম (শটক মাকি ৱার্বন করার চেষ্টা কর, তা চাপ বা টেনশনের সঙ্গ করে।
যখনরে কুনি কান কামনা ৱা অতিকল্পনা স্মরণ করে তোমার মধ্যে শক্তি সৃষ্টি কৱাৱদ ক্ষণ কৱ, য়্জন জ্ঞান ল্যান ৱ্যন মন্নজায়া
Part 3: Living Enlightenment (Gospel of THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM)_Bengali_part_3.md
। তুদম ভয়র চাদর ব্যাবহার কর, েরজা খুেলত পার এবং ওই আনদন্দ েলীন হভয়ে ততামার মত্তা েয়বল েরফুত তদয়ত পার। ওই চাদরটায়ে ধ্যান েও ।
।
। মি খাদ য় বাইয়রর লূিযতার ায়থ এে য় যা।
। যতামার যই অবিদমত আয়বয়ের উয়ন্াচিয়ে তু দম ভ বয় অিুভব ের। তু দম ভাব
বিস্তারিতভাবে আলোচনা 'মৃত্যু' অধ্যায়ে করা হয়েছে)
তুমি ঘরে (শনা ৱুবরাজ ভান, রুসি মারাজের নির্মম রে খেলা থেকে বেড়িয়ে আসতে পার।
ক্রোধ - ভয়ের সক্রিয় আকার
জয় ক্বাষ্টৱ মিটকে নিৰ্য়া য়ায়া। শক্তির এক অক্রিয় আকার এবং ক্রোধ এক সক্রিয় প্রকাশ।
একটা ছোট গল্প :
এক ব্যক্তি হাতে কাগজের গোছা নিয়ে ক্লাসিক श्रूय ডাকঘটন (জন। জন ব্লাশিল, 'তাদের কি সাহস যে আমাকে এই প্রকার ভয় দেখিয়ে চিঠি লেখে!' পোস্ট অফিসের কর্মকর্তা বলেন, ' হ্যাঁ, আইনগতভাবে অপরাধ। আপনি কি জানেন এই চিঠিগুলি আপনাকে কে লিখেছে?'
লোকটি চেঁচিয়ে বলে, 'অবশ্যই, আমি জানি! এরা আয়কর বিভাগের লোক!'
যখন তুমি রেগে আছ, কেবল রাগটার দিকে তাকাও। তার মূলে তুমি দেখবে অগাধ ভয়।
এটা নিজে করার চেষ্টা কর : যদি তুমি ভয় অনুভব করছ, সেই সময় ক্রোধ প্রকাশ কর। হাত ছুড়তে থাক, সজোরের পা ঠোক এবং শক্তি প্রকাশ কর। তুমি দেখবে যে ভয় অদৃশ্য হয়ে যায়। রুসি নিরঞ্জন মন্ত্র য মর্শস ৱয় মশ্রূ জয় কিলাৱ কার্য কার্যাৱনিক রায় যায়া। ৱকরেজাৱ ক্যা চুনারণ দ্বারা ৱিৱ শাসনিক শাস্ত্র ভারত। জানারক ক্বন নিজ্জন মন্নুল্ক মজাগ শ্টক শ্রদ্ব ৱৱ ৱিৱাস কন কিনন ৱারৱিধ ৱনা ৱারৱাদ কিলাৱ মৃত্যুকান ৱ ভৱিৱৰ্ণিক রয়। যখন
ভয়-স্ট্রোক
মনোবিজ্ঞানীরা ভয় থেকে স্ট্রোকের কথা বলেন। স্ফলার্য করণ্যদ্ভব, কুনি ৱাণাটন ৱক্কারৱ শৌঁফেড ৱৱর কুনি জনকাণি মণ ভারতেতা ৱর্তনা ৱর্তনা জৱর কর্যা করণার কা মান ভেবে ভয়ে কাঁপতে থাকলে। সেটা দড়ি বোঝার আগে তুমি তাকে সাপ ভেবে যে আকস্মিক ধাক্কা পাও তাকে ভয়-স্ট্রোক বলে। ভয়-স্ট্রোক বেংক বেংক পোলাপ গাছকে মল থেকে মেল থেকে বাঁকারনা। যদি কুনি জাটক ৱর্ষকৃত ৱরুক্তন ৱর্ৱ ঝাঁকাতে থাক, তা মরে যাবে।
বলা রুয় ব্য ৱাসৱা থ্বজিমিম উ ভূজিৱাজ সিলিট্য আধিক উ স্বাস্থ্যায় ক্য (শটক ৱাদৱাণী আমাদের সত্তার কি অবস্থা হয়! ভয়-স্ট্রোক ৱর্ণৱত্ত্বা (শটক মজাগণা উ মটণ্ডনজান মার্ঘ দ্বারা রুয়, তাদের যথেষ্ট কমিয়ে ফেলা যায়।
ভয়-স্ট্রোকের সময় তুমি হয়ত সজাগ হবার সময় পাও না কারণ এটা যেন একটা গজাল বা স্পাইক। কিন্তু ভয়-স্ট্রোক চলে গেলে তুমি তা বিশ্লেষণ করতে পার এবং তোমার ভয়কে গভীরভাবে বুঝতে পার। তাতে তোমার ভয়ের পুরো ধারণাকে মুছে ফেলতে সাহায্য করবে।
আমাদের মূল স্তরের ভয়ের তীব্রতা ও গভীরতাকে হাস করে ভয়-স্ট্রোকের তীব্রতা ও পুনরাবৃত্তির হার অনেক কমানো যায়। একমাত্র এই মূল স্তরের ভয় থেকেই ভয় -স্ট্রোকের উদয় হয়। গভীর জ্ঞান ও স্পষ্টতা দ্বারা আমরা যুল স্তরের ভয় হাস করতে পারি এবং তাহলে ভয়-স্ট্রাকও কমে আসবে।
প্রত্যক্ষীকরণ ও স্বীকার
যখন ভয়ের সম্মুখীন হও, তাকে বাধা দেবে না বা অবদমিত করবে না। কেবল ভয়ের দিকে তাকাও, ভয়টিকে লক্ষ্য করে এবং তাকে গ্রহণ কর। ভয়-স্বীকার ভয়কে মুছে ফেলে। ভয়কে তোমায় ঝাঁকিয়ে ফেলতে দাও। তোমার শরীর কাঁপলে, কাঁপুক। চোখে জল এলে, আসতে দাও। এক ফালি ঘাসের মত হয়ে যাও, সে তো বাতাসে কোন বাধা না দিয়ে কেবল ন্যুয্য যায়া।
একটা ছোট গল্প :
অন্ধকার রাতে এক ব্যক্তি সরু রাস্তা মিয়্য য়ান্ডিল। রঠীৎ টন ৱক্রণি ভারত্ব শীর্ণ ( কো একটি ঝোলা ডাল সে কোনরকমে ধরতে পারল। পুরোপরি অন্ধকার। লোকটি ডালটিকে শক্ত করে ধরে ধরে রাখল। সে সাহায্যের জন্য চীৎকার করতে থাকল। কিন্তু সে কেবল নিজের আওয়াজের প্রতিধ্বনি শুনতে থাকল। প্রতিধ্বনি শুনে সে আরও ভয় পেয়ে গেল এবং ভাবল সে বোধহয় পাতালের প্রবেশপথে আছে।
বাজ সটন রাজ্যুল ব্যৱ্য রাৱ না। লোকটি নিদারুণভাবে ডাল আঁকড়ে ধরে আছে আর সাহায্যের আশায় আছে। সবশেষে ভোর হ'ল। লাঙ্কাি নোটকন মিটকে জাকিট্য ফ্রাঁকিট্য ফিশ্ব চেষ্টা করল যে পাতাল কত গভীর। কোন পাতাল ছিল না। মাত্র দুই ফুট নীচে একটা বিরাট পাথর ছিল!
তোমার ভয়গুলি ঠিক এইরকম, তুমি ভাব পাতাল, আসলে তা মাত্র কিছু ফুট। যদি তুমি তোমার ভয়ের সম্মুখীন হতে পার, তুমি দেখবে তাদের কোন গভীরতা নেই। যেহেত তুমি ভয়গুলিকে অতিরঞ্জিত কর, তুমি তাদের পাতাল বলে কল্পনা কর। ভয়ের ডাল ছেড়েড় দেবে নাকি সেটাকে আঁকড়ে ধরে রেখে নিজের ওপরে অত্যাচার করবে - তা তো তো তোমারই পছন্দ।
অনিবার্য জিনিয়গুলিকে জয় করার বকসাৱ সেবায়া র'ন জারমন স্বীকান করৱ নিউয়া। যখন কমি জামন ঘরন করন কন, রঠীৎ তুমি দেখবে যে ভয় কেটে গেছে। যেই মুহূর্তে তুমি ভয়কে স্বীকার করে নাও, ভয় তার ভয় দেখানোর শক্তি হারিয়ে ফেলে। যখন তুমি তার সাথে লড়াই কর না, তুমি ভয়কে এক গভীর শান্তি হিসাবে দেখবে। ভয়-সেট্রাক হ'লে, তার মধ্য দিয়ে যাও। সেটাই একমাত্র উপায়।
यथन শাादक, छाटक स्वीकान कन। ल्यू सोकान कवान কাজ তোমাকে রূপান্তরিত করবে। যত লড়াই করবে, ভয়কে ততই ক্ষমতাপ্রদান করবে। ভয় থেকে মনোযোগ সরিয়ে নেওয়াও সঠিক উপায় नय कावन कारण का जा जानाव मार्थ থেকেই গেল। তার মানে এই নয় যে তমি ভয় অতিক্রম করেছ।
ভয়কে নিজেকে অধিগ্রহণ করতে দাও। জয়्यव व मथा मिट्यू कूर जिन वाद्य या উ। कानवक्त वास्ति विना क्याचनित्र मध्या বেकालिकलाव बाज কन्ना रुकीএ জনवर व्य ভয়গুলি তোমাকে আর স্পর্শ করে না!
। জাদি িা যোথা যথয়ে
। এয়ত যরােীরা তায়ির ভ অিযািয অবিদমত িোরাত্মে আয়বেমূয়ে েযাথাদভস্ বা দবয়লাধি েদিা তায়ির রার েভীর যথয়ে চীৎোর েয়র বার েয়র যেয়।
ধ্যান প্ৰক্ৰিয়াসমূহ
১) হমস মন্ত্র
बজে चुने দে কে কিয়া व वर्ष किया व वर এটাকে দিনে চব্বিশ ঘন্টা ব্যবহার করা যায়। যখন ভয় তোমাকে আক্রমণ করে, কেবল বসে भड़ 3 विलास्क कवा कवचल निर्भण रखया শ্বাসের প্রতি সচেতন হও। শ্বাস বার করার সময় নীরবে বল 'স'। শ্বাসবায়ু বাইরে বার করা यন আছে তাকে যেতে দেওয়া। শ্বাসবায় ভিতরে নেবার সময় তুমি অবিরত কিছু একটা আঁকড়ে ধরে রাখার চেষ্টা করবে। শাসবায় ছাড়া হ'ল যেতে দেওয়া। শ্বাস ছাড়ার দিকে ফোকাস কর এবং শ্বাস নেবার জন্য বিব্রত হতে হবে না। শ্বাস ভিতরে নেবার সময় নীরবে বল 'হম'।
শাস ছাড়ার ওপরে বেশী সজাগতা ও শক্তি দাও। একদম গভীর থেকে শ্বাস ছাড়ার প্রচেষ্টা কর। শরীর দ্বারা শাস ভিতরে নেওয়াকে म्बजन्मलावर राज राज मा जा जानान नागिक, মনোযোগ এবং উদ্যম কেবল শ্বাস ছাড়ার জন্য দাও।
निःभटक रुस ... म ... '। রমম মर्मन बर्बन बर नीनव মন তোমাকে হঠাৎ নিয়ে যাবে এমন এক मजागणाय उ उ ग्लेशन (relaxation) याव कथनउ सुरु लिरे। या किकून मण्डा वाद्य জারণ জারণ जा জनान मिट्टिम, जानाव व्यकर्टमन (शुट्ड़ করন যাবে।
बरे व विकियाणि यांचन करण्यन সম্মুখীন হও নি, তখনও করতে পার - যখন বেসে আছ, কথা বলছ, হাঁটছ, খাচ্ছ, এমনকি यथन धूरित्य वाणू। वणे थूनरे मणिमाली भूकिया। व्यविद्या भूटवा कवित्व घन्त्रो धर्मद्व
তোমার বার হওয়া শ্বাসের দিকে মনোনিবেশ কর এবং নীরবে হমস মেলের 'হম-স', 'হম-স', 'হম-স' স্বরভঙ্গি করতে থাক। শ্বাস ভিতরে নেবার সময় 'হম' এবং শ্বাস ছাড়ার সময় 'স'।
बজে बाद या विवरण बरे मल्लू नीবর্তন सेमीनग करन (बटन ल्या 'व्यक्त करण करण राय याया। अजभा अन्य कान वर्णाम वित्ता कटल। প্রচেষ্টা থাকলে তাকে 'জপা' বলা হয়। প্রচেষ্টা না থাকলে তাকে 'অজপা' বলা হয় - তার মানে সেটা তোমার ভিতরে স্বতশ্চলভাবে বলতে শাादक। ব্যাস। সুর বেঁধে নাও। পুরো দিন তা তোমার মধ্যে অনুরণিত হতে থাকবে।
या किछू मन्नरण Bharat, যা जानाव সিস্টেম ছেড়ে যাবে এবং তুমি উপলব্ধি করবে যা যা किछू सन्दर्भ लगनान जर्म कथन उ হতে পারে না। যদি তুমি মরণশীল কোন কিছুর সাথে নিজেকে সংযুক্ত করছিলে, সেই সংযোগ বিচ্ছিন্ন হবে এবং তুমি আন ক্লাচড় হবে।
या किछू कथनउ सन्दर्भिल नय, कूमि তার সাথে সংযুক্ত অনুভব করবে। যার মত্য নরে, जा रण जानाव मणा। रूसि সেমনकि कवर्त ' भक्त कूलि'- व सुजू तरे, लाणा मण्ड, जोवनसुकि उ क्रिकना। याथन रूस म मटबूब स्वचनि তখন তমি হও পরমহংস!
এই প্রক্রিয়া কেবল তিনদিন চেষ্টা কর। यथनरे जानाव स्वावरण वामद्व, कूलि माम নেবার সময় নীরবে স্বর কর 'হয়'। আর শ্বাস ছাড়ার সময় স্বর কর 'স'। শ্বাস ছাড়ার দিকে বেশী সজাগ হও। হঠাৎ দেখবে যে ধনসম্পদ, শরীরের অঙ্গ বা স্বাস্থ্য বা প্রিয়জন হারাবার ভয়, বা অজানার ভয় এবং অন্য সমস্ত ভয় কেটে यादव। मान शाम शादाव मिटक मजाग र'टल,
মরণশীল যা কিছু তোমার অংশ সেজে তোমার অন্তর্দেশকে দখল করে আছে, তারা তোমার वाउদर्मन হবে।
২) অন্ধকার-ধ্যান
আমরা অন্ধকার থেকে জলেমছি, যে অন্ধকার মায়ের গর্ভে থাকে। আমরা সচরাচর ভাবনা অনুযায়ী অন্ধকার কিন্তু নকারাত্মক নয়। তা প্রগাঢ় নিরাময়কর, আরোগ্যকর। অন্ধকার মাতৃবৎ সকারাত্মক শক্তি।
মাতৃগর্ভে যে অন্ধকার বিদ্যমান তা এক প্রগাঢ় শক্তি। সেটা কবরস্থানের শুন্য অন্ধকার नया। ज्ञाण भूर्त, या माकि (शटक जूसि वट्मू । তোমার মায়ের গর্ভের অন্ধকার হ'ল এমন এক শক্তি যেখান থেকে তোমার শরীর সঙ্টি হয়েছে। তাকে বলে 'কারণ শরীর'। তোমার শরীরের মূল कावन र'ल वक्ककान। क्वन জारे नया, এমনকি আকাশ वक्तकाव। হ'ল প্রগাঢ় অন্ধকার।
विदिक Bharat बना रायट्स শুরুতে অন্ধকার অন্ধকার দ্বারা আচ্ছাদিত ছিল। সেটা হ'ল প্রারম্ভ, উৎস।
অন্ধকার হ'ল অসীম ভিত্তি। প্লেনে উঠে রাত্রিবেলা জানালা দিয়ে বাইরে দেখলে আমি कि वलण्ड वूनारण भावत्व। मशकाय र 'ल অন্ধকার। অন্ধকার হ'ল একমাত্র জিনিষ যেটা বিদ্যমান। যা किछू ट्राथाटन यूक कवा रूप, छा আসে আর চলে যায়। এটা বোঝ যে, তোমাকে যেভাবে শেখালো হয়েছে অন্ধকার সেই প্রকার नकावाण्यक नया। वासना वानरक निर्थाणि य वक्कान र'ल सुरू, मुजूद भट्न वर् वरे मृत्रण ঘটে। তুমি কখনও উপলব্ধি কর নি যে শূন্যতা
जामान अट्यन्न वाटन 3 फिल, मणेউ जा वक्कान! वर्थन स्वेभनवि भविवर्जन कव। তোমার মত্যুর পরে ঘটা শন্যতা অন্ধকার নয়। वक्काव वक भविष्णण, जानाव जन्मन আগের এক সজনশীল শক্তি যেখান থেকে जानाव जन्म रायरण। बरे मण्डूणा जातारक অন্ধকারের সাথে সংযুক্ত হবার অনুভূতি দিতে পারে।
আমাদের প্রথমে অন্ধকার সম্বন্ধে আরও বেশী স্পষ্টতা ও সকারাত্মকতা সহকারে বুঝতে श्टव, उद्वर वर्ड धान कवटण भावरव। অন্ধকারকে ভয় পেলে তুমি এই ধ্যানে প্রবেশ করতে পারবে না।
এই প্রক্রিয়াটি চারটি জিনিম নিরাময় कवरण भारव : मोर्चमित्नव व्यवमाम, वनिष्चा, वज्यसिक निर्मा बनर विष्णाणा क्ववल बरे बकणि वर्किया माना वाद्यालिन मनकाणिक সরাসরি সম্বোধন করা যায় ও নিরাময় করা যায়।
নিৰ্দেশ্যৰলী :
২৫ মিনিট সময় লাগবে
চোখ বন্ধ করে বস। আমরা সবাই চোখের পাতা বন্ধ করতে জানি, কিন্তু চোখ বন্ধ করতে জানি না। চোখ বন্ধ করা মানে ভিতরে किछूरे ना द्या, बसनकि कार्यन्त भाजाब भिष्टन उ किछू ना द्वारा माधावनण कांथ वक्ष कवटल দেখা আরম্ভ কর। ভিতরের টেলিভিশন কখনই বন্ধ করা হয় না, সেটা অনবরত চালু থাকে।
এখন চোখ বন্ধ কর এবং ভিতরে দেখা भूत्वाभूनि বक्क कब। जिजनवन ट्रेलिकियन व्यक করে দাও!
जन्म তোমার জন্ম তো এই প্রগাদ অন্ধকার থেকেই। মাতগর্ভের সেই অন্ধকার, সেই একই অন্ধকার তমি তোমার অন্তর্দেশে বহন মাতগর্ভের একই আকাশ-শক্তি থেকে সমগ্র विश्व निर्शन रायरण। क्रिस माण्डर्डन करे আকাশ-শক্তির এক টুকরা থেকে মাতৃগর্ভ থেকে বেড়িয়ে আসার সময় তুমি সেই वक्कावरक, सराकार्टनव कर र मरे मण्डिक ইতিমধ্যে নিজের অন্তর্দেশে আত্মভূত করেছ।
यदि रूसि कांच वक्त बन बन बन कित्वद्व দেখা বন্ধ কর, তাহলে তুমি প্রগাঢ় অন্ধকার দেখবে। প্রগাদ অন্ধকারের সাথে কম করে কুডি মিনিট থাক। যদি মন চঞ্চল হয়, নিজমধ্যে আবার কেন্দ্রিত হও। অন্ধকারের সাথে থাক।
কুড়ि একই অন্ধকার বাইরে পাঁচ মিনিটের জন্য নিয়ে এস। চোখ খোলা রেখে সেই একই দশ্য मन या कुलि वक्तकार्व मार्श किल्ल। বেकालिक श्ट्य करे बकरे जिनिष एनथा वन जना बक মাস অভ্যাসের প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু যদি ভিতরে ও বাইরে একই অন্ধকার দেখতে পার, তাহলে দেখবে যে নিজের ইচ্ছামত ত মি মন্তক সুইচ অফ করে ফেলতে পার!
बजे बूटवा नाउ व्य रेण्डामण मनाक সুইচ অফ করার ক্ষমতা তোমাকে মনের সাথে সংযুক্ত সমস্য সমস্যা ও দীর্ঘদিনের অবসাদ, অনিদ্রা, অত্যধিক নিদ্রা এবং বিষণতার মত वासि जिनियागुलि कानवा-मनोरवन मार्थ मम्भविष्ण। কারণ-শরীর হ'ল আমাদের মধ্যে পঞ্চম শক্তি-শরীর। একবার ভিতরের ও বাইরের প্রগাঢ অন্ধকারে প্রবেশ করলে কারণ-শরীরের সাথে সম্পর্কিত সমস্ত রোগের সম্পূর্ণরূপে নিরাময় হবে।
শারীরিক ও মানসিক দিক দিয়ে এই ধ্যান তোমার জীবনকে রূপান্তরিত করবে। এই প্রক্রিয়া কেবল নিরাময় করার জন্য নয়। এটি সরাসরি তোমাকে চেতনার গুভীর থেকে গভীরতর স্তরে পৌঁছে দেবে ও জীবনমুক্তির দিকে নিয়ে যাবে।
৩) স্বাধিষ্ঠান চক্রের সজাগতা
ধাপ ১ :
साधिकानटक स्वन कवा मण्डान वर्त कन्क नाजित फूरे রেকি নোটক थाटक बनर बरे कन्द मन्भटक नजीवनादव मजाগ राउ। গভীরভাবে হুকার স্তব কর। মুখ থেকে শাস ছাড়ার সময় যত জোরে পার ও যতক্ষণ ধরে পার 'হু' আওয়াজ বার কর। এতে তোমার মুখের চারপাশে এক স্পন্দন সঙ্গি হবে। কোন क्या वटल काटक वामटक घामटक मांड। जमि यदि काँम, ঝাঁকুনি হয় বা বিব্রত বোধ কর, তাতে কোন সমস্যা নেই - সেটা ঠিক আছে। গভীরভাবে হুকার মন্ত্র স্তব কর।
ধাপ ২ :
সত্তা কেন্দ্রে রিল্যাক্স করে।
নিখাদ লোভ হ'ল প্ৰগাঢ় আনন্দ। নিখাদ ভয় হ'ল প্ৰণাঢ় শান্তি।
वानत्मन संस्था मिट्स रूसि मयलण वर्ष्कन করতে পার। শান্তির মধ্য দিয়েও তমি সফলতা অর্জন করতে পার। শান্তির মধ্যে রিল্যাক্স কর এবং তুমি দেখবে যে তুমি সম্পূর্ণ রূপে জীবন্ত!
জীবনমুক্তি হল বেদনার কষ্টকে অতিশ্রম করে যাওয়া
প্রায়শ ভয় নিজেকে বেদনা রূপে প্রকাশ করে। বিশ্বে সবচেয়ে বড় আতঙ্কের জিনিষ হ'ল ব্যাথা-বেদনা।
मल्य जोवित मणावा वकणी जिनिष (श्टक वाणिकित्त, जा र'ল विमना। यदि जूसि গভীরভাবে তাকাও, লোকেরা মৃত্যুকেও তত ভয় পায় না যতটা তারা মৃত্যুর সময়কার विक्ता व उ यात्वपादक व क्या करवा! ব্যত্বক দারিদ্রকে ভয় পায়, কেউ ভয় পায় সম্বন্ধতাকে আর কেউ ভয় পায় রোগকে। এইগুলির মধ্য দিয়ে যাবার সময়ে বেদনাই এই ভয়গুলির মূল কারণ। এই সমস্ত ভয়গুলির কারণ হল ব্যাথা-বেদনার ভয়।
বেদনা কি?
বেদনা শারীরিক, মানসিক ও আবেগ-সংক্রান্ত হতে পারে।
শারীরিক ব্যাথা শরীরের এক মৌলিক প্রয়োজনীয়তা। কেবল কল্পনা করে, আমরা শরীরে কোন বেদনা অনুভব না করলে আমরা वासारमन्न पूर्वाजनामुळ রায় निर्जाफरमन्न क्राजि করতাম অথবা আজকাল চুলে স্টাইল করার মত মুখ, হাত এবং পা নিয়েও স্টাইল করতাম! প্রকৃতপক্ষে বেদনা হ'ল দেহ দ্বারা মনকে লেখা এক অনুরোধ পত্র। তাকে লেখা শাादक, 'मया करव वायाव मिटक प्रत्नार्याण দাও!' কারণ মনোযোগ এক শক্তি। যখন কোন অঞ্চলে মনোযোগ দেওয়া হয়, তখন মনোযোগ मरे वर्कटनव ऊना मण्डि রায় याया। यथन শরীরের ব্যাথা জানায়, সে আসলে ব্যাথা নিরাময় করার জন্য মনোযোগ বা শক্তি চাইছে।
মানসিক বা আবেগসংক্রান্ত বেদনা হ'ল এক মানসিক ভাবনা যার উদয় হয় যখন তুমি जन ना लागा कान किछून मम्मूश्यीन रूउ। গবেষণায় দেখা গেছে আবেগসংক্রান্ত বেদনা मर्श्व कार्य कवरण भारत। मण्डा मुख्याबद्धान, योनमश्काल व्यवमसन्तन जना प्रय सानमिक ভাবনার উদয় হয় তা পিঠের ব্যাধির কারণ হয় অথবা বেশী দায়িত্ব নিয়েছ মনে হ'লে কাধে ব্যাথা হতে পারে।
ব্যাথা শারীরিক হোক, বা মানসিক शाक, जासादक वक्त गुन्न करण भूत জিলিস वूबराज श्रद्ध व्य मनममत्य वर्णमान सूर्यूजर् বাধা দিয়েই ব্যাথার জন্ম হয়।
সময় বনাম উপলব্ধি
কারো জীবনে যদি এক বেদনাদায়ক घण्या घटने व्यसन मलात्वानव मुजू, भणि वा भज्तीव वनारक ज्जूल याउया, जारटन टम करेट्डाण करव वर् धोदव शोदव मतदाकाटन का सोकान करव निया। কেউ হয়ত বহু দিনরাত কাঁদবে, কিন্তু একদিন
সে যা ঘটেছে তাকে স্বীকার করে নেয়। সময় निवासय करवा लाणा बक भूकलिए कथा। बजे वूद्या निवासय व्य निवासय कवाद जना मतदाव প্রয়োজন হয় কারণ তুমি ঘটনা ঘটনা ঘটার সময় সচেতনতা ও সজাগতা সহকারে বেদনা ও কষ্টের মুখোমুখি হবার জন্য প্রস্তুত ছিলে না।
যদি তুমি বেদনার দিকে তাকাতে পার, यदि कूलि वार्विक मजानजान कवरण भाव ववर द्वार द्वारा वा व्याशा वाण्डिक्का कवाद मतदा मन किलास्व (शलट्ड, তখন উপলব্ধি হয় ও তাৎক্ষণিক নিরাময় ঘটে। সময়ের দরকার হয় কারণ তুমি উপলব্ধি লাভ করার জন্য প্রস্তুত নও। তাই তুমি অনেক কষ্ট भाउ। मतदाकाटल, किछू मशार वा माम भट्न, वसनकि वर्षकाटल, घण्डनाणि विवर्ष रूपय याय এবং দূরের স্মৃতি হয়ে যায়।
यारे (शक, बमना किलु जामान मिट्यिस (शटक भूद्वाभूनि याय नि। यदि व्यक्त কোন মানুষের সাথে দেখা হয় যে তোমার शविद्य याउया मलान वा भण्डिन कथा ब्रक्ष्ण मटन कवित्य द्या, यद्र यदि जान कथावाणी, शौणिकला वा शामि बकरे थकान रय, जाटक ट्रिक करे जनवर वावाद शुटल याया। लगे। वाया व्याशा द्वार কারণ তুমি অতীতের স্মৃতি বহন করছ। এই কারণে তুমি ভাব যে জীবন এক বিরাট অসহ্য বোঝা। তুমি তোমার সম্পূর্ণ অতীতকে ধরে बाथरण वर्ष्ट नि निर्णयन कूलि (शाणि शिल्ल, यथन जूसि यू विटल, কাজ পর্যায়গুলিকে তাদের সকল অভিজ্ঞতা, বেদনা ও ভুলগুলির সাথে ধরে রাখ। অতীতের সাথে সংযুক্ত আবেগগুলির ভার ও চাপের কারণে সেই স্মৃতিকে প্রতিবার অভিজ্ঞতা করার সময় विद्याला रूया यादि कूलि वर्णीजटक करण्टल मिट्य এক সতেজ দৃষ্টিকোণ দ্বারা প্রতিটি পরিস্থিতিকে
দেখার সিদ্ধান্ত নেও, তোমার এত বেদনা হবে না। অবিলম্বে তোমার নিরাময় হবে। তোমার এত সময় লাগবে না।
বেদনা ও সুখ - একই মুদ্রার দুই পিঠ
একটা ছোট গল্প :
একবার এক শিষ্য তার মাস্টারের কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করে, 'মাস্টার, আমি ধ্যান করছে। আমি বিক্ষিপ্তচিত্ত অনুভব করছি।' মাস্টার বলেন, 'এটা চলে যাবে।'
দুই সপ্তাহ পরে সেই শিষ্য মাস্টারের कारण कित्व ( कित्व ( जनान लग वटन, ' ' वासि সুন্দরভাবে সজাগতা ও সুখ অনুভব করছি। '
মাস্টার আবার উত্তর দিলেন, 'এটা চলে যাবে।'
বেদনা ও সুখের মূল একই। এটা হ'ল पूर्णि नाट्य बन्द जनून जिला व्यन पूर्णल একই মানুষকে দিয়ে শরীর মালিশ করাচ্ছে। একজন বলে সেটা এক সুন্দর তরতাজা হয়ে यावाद विकिया, किलु वनाजननन मटन র্য সেটাতে ব্যাথা লাগে! যে মালিশ নিচ্ছে তার ওপরে নির্ভর করে একই মালিশ বেদনা নাকি সুখ।
जोवटनव কাटक बरे फूणि विभवीण আছে, ব্যাথা ও সুখ। এই দুটি ই মন থেকে वार्मा मन मर्वमारे वक অপরদিকের চরমে যায়। মন মধ্যপন্থা কদাচিৎ व्यवलम्बन करवा। আর ব্যাথা থেকে সুখে যাও। আমরা আগে দেখলাম যে মানুষটি বেদনা বা সুখ অনুভব
मर्बना बलि. 'यदि मवकिष्ठ (করল माउ ववर जान उभरव काज কর। দেখ যে যে মুল নিরাময় হয়েছে। কেবল তবেই তুমি সুরক্ষা-অঞ্চলে থাকতে পার। নয়ত তুমি অথবা তোমার আশেপাশের মানুষেরা সুরক্ষিত অঞ্চলে নেই।'
কোন বেদনাকে সহকারে মোকাবেলা কর, তুমি সজাগ হও যে তুমি কেবল দেহ নও। তুমি সচেতন হও যে কোন বেদনাই প্রকৃত 'তুমি'কে স্পর্শ করতে পারে না। একবার যদি উপলব্ধি কর যে তুমি বেদনার উদ্বের, তুমি বেদনাকে অতিক্রম কর ও দুঃখাতীত হয়ে যাও। তোমার শরীরের ওপরে অনাসক্তির জন্য তুমি এক বিরল স্বাধীনতা वालिकाण कवर्ता कूलि दरे माण्डून्ना मतल जोवनस्थान वर्शन कवर्त। भिष्टन करन बक वायाण्यिक छद्व भूरव भूरवम कवरव। भूतवा भार्थिव जनर ব্যम् ব্যम् व्या वर्ष वादवकणी अन्य वाविस्तुक रूय। व्यकूलनीय সৌন্দর্য, সরলতা, আনন্দ ও করুণায় ভরা সেই নতুন জগৎ।
অন্তরের প্রগাঢ় স্পষ্টতা সহকারে যখন তুমি বেদনার প্রকৃতি ও কারণকে দেখ, বেদনা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে উল্বে যাবে, কারণ স্পষ্টতা তোমার বেদনার কারণকে মুছে ফেলে। এই উপলব্ধি এক পরম আনন্দ নিয়ে আসে, সেটাই জীবনমুক্তির অবস্থা।
জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত বেদনা
जीवन जा विकास मरकारव उन रूप, যাকে বলা হয় জন্মপীড়া। তোমার জন্মের সময় कूसि श्रृष्ठ वाशाव सथा मिट्य (गण्ड वर्वर জন্মনালী থেকে বেড়িয়ে আসার আগেই তুমি कामारण करन या उ। वर्णीन्द्रियावादीद्यवादी मन्न तरण,
भश्रिवीटक भवनन कनान जाटन करि विष्णक চেতনা এবং সেই চেতনা তোমার জন্ম নেবার কারণ জানে। যেহেতু তুমি কোমাতে চলে যাও, তুমি তোমার অতীত জীবনের স্মতিগুলি ও জন্ম जीवन जीव व्यक्ताव मार्थ ट्वास रूय, ज्ञाणे एक् ছেড়ে যাবার বেদনা।
জীবন যেন বেদনা থেকে বেদনা পর্যন্ত এক সেতু। ঠিক যেভাবে আমেরিকার গোল্ডেন (গणे विज्ञ फूणि आयानाटक यूक करव, जोवन उ যেন এক সেতু যা বেদনা থেকে বেদনাকে সেতু দ্বারা সংযুক্ত করে!
বেদনা থেকে আনক্লাচিং
यथन তীব্র শারীরিক বেদনা ও মানসিক কষ্টের সময় निज-मणाय क्लिक रूट भाव, जन्मन म्यदव य कुलि मरखजर विमनाटक वर्णिक्य करव याण्ड। यथन कमि गणीत्व याउ, याथन कृषि আরও সজাগ, আরও সচেতন হও, তুমি হঠাৎ উপলব্ধি কর যে তোমার ভিতরের 'অন্তরীণ বাস্তবতা' দ্বারা তুমি বেশী আক্রান্ত ও উপদ্রুত श्ट्यूक, विमलाव कानन वामल घर्जना माना ততটা নয়। তুমি উপলব্ধি কর, বহির্জগতে যে ঘটনা ঘটেছে তা তোমার ভিতর চলতে থাকা वालिख्याव मार्थ मनामवि मन्भविष्ण नया। কখন কখন তুমি যদি তোমার সবসময়ে বলা 'वाया, व्याशा', 'क्रुष्ट, कुछे, कुछे' वरे भ्रकान मुक्तित्क वर्णिट्य कल, कूलि व्यमना (शटक অব্যাহতি পাবে।
উদাহরণস্বরূপ, তোমার অন্তর্জগতে কষ্ট ও বেদনা সুষ্টি করে এমন এক ঘটনার সা থে প্রথম থেকেই একটু বুদ্ধি ও যত নিয়ে তোমার মर्था बरे किलागुलि वामटक दिउ ना, य्यसन, -
Phantom pain ।
। এেি যস্বোয়বী যুবার পয়র এেটা পরীো েরা । েয়বয়েরা যবিিার োরণ দায়ব তায়ির যচাায়র মাংলয়পলীয়ত োঢ় বণাক্ত রবয়ণর ইয়েক লন্ যি। মদস্তষ্ক দেভায়ব েদতদিা েয়র তা যবাঝার জিয পদদিি এদমলি যটায়মাগ্রাদে বা PET -
PET
PET -
জানেন না তা খুলে ফেলার স্বস্তিতে কি রকম আনন্দ হয়!'
এটা হয়ত বোকাটে লাগছে। কিন্তু যদি আমরা আমাদের জীবনের ভিতরে তাকাই, আমরাও ঠিক একই জিনিষ করছি!
আমরা निर्ज़र्फ़रमन बननारक আমন্ত্রণ করি। আমরা হয়ত সেটাকে বিশ্বাস করতে পছন্দ করি না, কিন্তু জৌবনে অভিজ্ঞতা कवा করেছি। এটা বাড়িতে অতিথি নিমন্ত্রণ করার মত। তাদের বারবার ডাকলে, কিন্তু শেষে তারা এসে গেলে তমি বল যে তমি তাদের আশা করছিলে না! অসংযমী অভ্যাস ও চাপসংকল जोवनर्दिनो माना वासना निर्ज़त्मन बिजन्म विक्ता उ वर्मूखूनारक वासन्त्वन कवि वर्तः তারপর তা ভুলে যাই ও পরে রোগ হ'লে অভিযোগ করি।
বেদনা শরীর
প্রতিবার বেদনা অনুভব করার সময় তা কিছু অবশিষ্ট অনুভূতি পিছনে রেখে যায় যা মনোदव वाण्टिक शादक। बरे भुजी कृष्ण विकास करणना আমাদের চারপাশে এক নকারাত্মক ক্ষেত্র তৈরি করে, তাকে আমরা বেদনা শরীর বলি। বেদনা শরীর কেবল জমা করে তা নয়, বেদনা শরীর বিভিন্ন প্রকার বেদনা সমুহ নির্মাণও করতে শুরু করে।
বারংবার আমরা যা সষ্টি করি তা শেয়ার করি। সেইজন্য আমি সবাইকে বলি यदि रूसि व्यमना मन्नीन (शटक मम्भम सृष्टि করেছ, পরের প্রজন্মকে আমরা সম্পদের সাথে বেদনা স্বচ্ছন্দভাবে ও আনন্দপূর্ণ হয়ে সৃষ্টি করা উচিৎ।
তাহলে সেই সম্পদ যাকে হস্তান্তর করছ, সেও উপভোগ করতে পারবে।
বেদনা শরীর অনবরত একই প্রকার মানুষ ও পরিস্থিতি আকর্ষণ করে এবং তাতে তুমি ব্যাথা অনুভব কর। প্রকৃতির নিয়মে তুমি তোমার জীবনে অনুরূপ পরিস্থিতি আকর্ষণ কর। তুমি যা চিন্তা কর, তুমি তোমার জীবনে তা বাস্তবায়িত কর। যারে তুমি যত বেশী বেদনাকে তুমি আশ্রয় দাও, তত বেশী বেদনা তুমি আকর্ষণ কর।
বেদনা আমিত্বের জন্য
বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে কষ্ট কিছু স্বাভাবিক, যেমন, যখন তুমি অসুস্থ হও, যখন তোমার প্রতিবেশী নতুন গাড়ী কেনে, যখন তোমার প্রিয়জন তোমাকে ছেড়ে যায়, যখন তুমি তোমার ধনসম্পদ হারাও। ধর, কোন রাগ বা বিরক্তিকে আলাদা করে স্বাগত জানানোর নির্ণয় নিলে। তুমি কি ঠিক একই রকম কষ্ট পাবে। না। কিন্তু তুমি পরিস্থিতিগুলিকে সেইভাবে পরিচালনা কর না। যখন বস তোমার ওপরে চীৎকার করে, তুমি ব্যাথা অনুভব কর। ব্যাথা পাওয়ার কারণ হল তুমি মনে করছ যে তুমি সেই চীৎকার পাওয়ার যোগ্য। কারণ এও হতে পারে যে তুমি মনে করছ যে তোমাকে শুধু শুধু বকা হয়েছে।
যদি তোমার আমিত্বকে বকা দেওয়া হয়েছে বলে মনে কর, তাহলে ব্যাথা তোমার আমিত্বকে আঘাত করেছে। নিজেকে জিজ্ঞাসা কর, 'অন্যেরা দেখলে কি হয়েছে? অন্যেরা আমার সম্বন্ধে কি ভাবছে?' নিজের মানদণ্ড দ্বারা নিজেকে মাপি না কেন?' নিজেকে অন্যের দ্বারা মূল্যায়ন করলে তুমি দেখবে যে তোমার সম্পর্কে অন্যের মতামত নিয়ে চিন্তা করে কোন লাভ নেই। তাহলে তোমার বেদনা মুছে যাবে!
যদি কাজ না করে থাকার জন্য বেদনা অভিজ্ঞতা কর, তাহলে সে সম্পর্কে নিবিড়ভাবে সজাগ হওয়া, জানার ও মজা পাওয়ার জন্য যথেষ্ট। তাহলে তুমি ঘটনাটি থেকে কেবল শিক্ষা গ্রহণ করবে, তুমি 'খারাপ অনুভব করা' অংশটি ফেলে দেবে।
তুমি যদি জান যে তুমি কাজটা ঠিক করেছ, তাহলেও কেবল প্রগাঢ় সজাগতা ব্যাথা মুছে ফেলবে। সজাগতা বোধশক্তি নিয়ে আসবে এবং তোমার বসবে স্বীকার করবে। পরে বসের ভুলের কারণ খুঁজে বের করার ধৈর্য তোমার থাকবে।
যদি কঠিন পরিস্থিতিতে ব্যাথা পাও, তবে জেনো যে এটা তোমার আমিত্বকে নিয়ে পড়ে থাকার ভিতরের ইচ্ছা থেকেই হয়। তোমার বস বা তোমার প্রতিবেশী বা তোমার প্রিয়জন বা তোমার ধনসম্পদ দায়ী নয়। বাইরের কেউ তোমার বেদনার কারণ হতে পারে না, কারণ তোমার বেদনা তো বাইরের ঘটনার জন্য প্রতিক্রিয়া এবং তা নির্ভর করে তুমি কিভাবে তাতে কতটা বিনিয়োগ করেছ। তোমার আমিতুকে কোথায় কিভাবে কতটা বিনিয়োগ করেছ, সেই অনুযায়ী কষ্ট হবে। যদি তুমি বুঝতে পার তবে কষ্ট কমে যাবে।
বেদনা শরীরকে অতিক্রম করার জন্য কাজ করা হ'ল তোমার বেদনা শরীরের ওপরে কাজ করা ও বেদনা শরীরকে প্রসারিত করা। প্রসারিত করা মানে আমি বলতে চাইছি, ঘটনাগুলি থেকে ব্যক্তিগতভাবে কম অথবা শন্য বেদনা অনুভব করা।
একটা ছোট গল্প :
পিঠে ব্যাথার চিকিৎসার জন্য এক ব্যক্তি ডাক্তারের কাছে গেল। তার ওপরে অনেক পরীক্ষা করা হ'ল। শেষে ডাক্তার রোগ নির্ণয় করল ও তাকে বলল, 'একটা অপারেশন করতে হবে ব্যাথা কমাতে বা দূর করতে।' রোগী বলল, 'অপারেশন হবে ও আপনাকে হাসপাতালে এক মাস থাকতে হবে যা আমার সাধ্যের বাইরে।' লোকটি বলল, 'ডাক্তারবাবু, সেটা আমার পক্ষে খুবই ব্যয়বহুল হবে।'
ডাক্তার উত্তর দিল, 'সেই ক্ষেত্রে আমি এক্স-রে প্লেটটা দশ ডলারে তুলির পোঁচ লাগাতে পারি।'
যদি আমরা আমাদের জীবনের দিকে তাকাই, আমরাও আমাদের বেদনাকে জিইয়ে রাখি, আমিত্বকে ভোজন করাই, যেন কেবল তুলির পোঁচ দিই। বেদনা জীবন থেকে আসে না, আসে আমাদের আমিত থেকে।
বেদনা থেকে সুন্দরে, বেদনা থেকে পুলকে রূপান্তরিত করা যায় অথবা দুর্দশা থেকে সুখে যাওয়া যায়। দুঃখ থেকে আনন্দে রূপান্তরিত করা যায়, কিভাবে আমাদের মধ্যে
সজাগতা আনতে হয় এবং কিভাবে বাস্তবতা যেভাবে আছে সেভাবে স্বীকার করা যায়।
বেদনা - সত্যসন্ধান - শুরু করার অনুঘটক
নিজের জীবনের দিকে তাকাও। শেষবার তুমি কখন কোন কিছুর জন্য খুশি হয়েছিলে? শেষবার কখন তুমি জীবনের বিস্ময় সম্বন্ধে বিস্ময়বোধ করেছিলে? তুমি কে অথবা জীবন কি ব্যাপার তা জানার জন্য কি তুমি নিজের অন্তর্দেশে উঁকি মেরে দেখেছ? পরম সত্য ও গভীরতা জানার জন্য কি ব্যাকুলতা অনুভব করেছ? যখন ঘটনাগুলি স্বচ্ছন্দে ঘটতে থাকে, তুমি অন্ধভাবে কোন সজাগতা ও চেতনা ছাড়া কেবল একই রুটিন অনুসরণ কর। তোমার রুটিনে তোমাকে সজাগতায় ঠেলে দেবার জন্য কিছুই নেই এবং তুমি কোন সজাগতা ছাড়াই কাজ করে যাও।
কিন্তু যখন বেদনা ঘটে, তা তোমাকে জীবনের দিকে তাকাতে সহায়তা করে। তা তোমাকে জীবনের গভীরে তাকাতে, তোমার বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ার কারণ শিখতে এবং জীবনের আসল রহস্য উদ্মাটন করতে সাহায্য করে। বেদনা ঈশ্বরের দয়াস্বরূপ। বাস্তবতার দরজার অন্য নাম বেদনা। সেই দরজা তুমি খুলবে কিনা সেটা তোমার পছন্দ।
বেদনা সহজেই তোমাকে স্বপ্নাবস্থা ও জাগ্রত-স্বপ্নাবস্থা থেকে ঠেলে সরিয়ে নিয়ে যেতে পারে। দয়া করে বোঝা যে তুমি জেগে থাকলেও তুমি পুরোপুরি বাস্তবের সাথে সংযুক্ত নেই। তুমি তোমার লোভ ও ভয়ের এক দুনিয়ায় বাস কর, তাকে বলা হয় 'জাগ্রত-স্বপ্ন'। তুমি সবকিছুকে কেবল তোমার লোভ ও ভয়ের লেন্স দিয়ে দেখ। বেদনা এক মহান শিক্ষক হতে পারে এবং তা তোমাকে স্বপ্ন থেকে ঠেলে তুলে তোমাকে বাস্তবতা যেভাবে আছে সেভাবে তার সাথে সংযুক্ত করাতে পারে।
বেদনা সহকারে তোমার গতানুগতিক জীবনের দিকে তাকাও এবং দেখ যে তুমি কিভাবে জিনিষগুলি দেখেন। তুমি ও তোমার বেদনার মধ্যে এক সূক্ষ্ম দূরত্ব চিনতে পার। তুমি দেখ যে এটা তোমার প্রকৃত অংশ নয়।
বেদনা ও কষ্টের সোপান
বিদ্যালয়ে যখন কেউ তোমাকে গালমন্দ করে, তাকে গালমন্দ করো না। পরিবর্তে সেটাকে এক আশীর্বাদ হিসাবে ব্যবহার করার সুযোগ শুরু কর, এবং নিজের ভেতরের দিকে তাকাও এবং বিকাশ ঘটানোর কারণ অনুসন্ধান কর। বিকাশ মানে সেই বিশেষ মুহূর্তে ঠিক করে রাখা। যদি তুমি তোমার বেদনার কার্য-কারণ সম্পর্কে ঠিক করে গবেষণা কর, সেটা তোমার জীবনের সবচেয়ে বড় ক্রান্তিলগ্ন ও সন্ধিক্ষণ হবে।
একটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিষ আমাদের বুঝতে হবে যে, বেদনা তোমার কাছে অনিবার্য রূপে আসবে, কিন্তু সেই বেদনার প্রতি তুমি কিভাবে সাড়া দেবে তা তোমার পছন্দ। কষ্টভোগ জীবনের অবস্থা নয়: এটা মনের অবস্থা। ঘটনাই নয়। সেটা ঘটনাতে তোমার প্রতিক্রিয়া। কোন নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তুমি কষ্টভোগ করবে কিনা সেটি তোমার নিজের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে।
কৃষ্ণ্ডবাস কবর্ত
গভীরে লুকিয়ে থাকা জিনিষটাকে শনাক্ত করে উৎপাটন করা হয়েছে।
সত্য 'তুমি'-কে জানার অত্যাকাঙ্ক্ষা
তোমার সত্য প্রকৃতি ঐশ্বরিক। তুমি ঐশ্বরিক, সেটা উপলব্ধি করাই তোমার চরম সম্ভাবনা। তার থেকে কম কোন কিছু তোমাকে তৃপ্ত করতে পারে না। তুমি সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হতে পার, অনেক নাম যশ অর্জন করতে পার, বিরাট ক্ষমতা রাখতে পার এবং শেষে তা সত্ত্বেও নিজেকে শূন্য মনে কর এবং পরিতৃপ্ত না হবার বেদনা অনুভব কর। তোমার ঐশ্বরিক তৃষ্ণা নিবারণ না হলে, তোমার দিব্য কাজ সম্পূর্ণ না করা হলে, তুমি কখনই পরিতৃপ্ত হবে না।
তোমার নিজেকে উপলব্ধি করার জন্য THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM তোমার ভিতরে অসন্তুষ্টির বেদনা সৃষ্টি করেন। তিনি তোমার ভিতরে এক তীব্র আকাজমার সৃষ্টি করেন, কারণ কেবল এই প্রকার দিব্য অসন্তোষের মধ্য দিয়ে তুমি এগিয়ে চলবে, তুমি তোমার মধ্যে ইতিমধ্যে বিদ্যমান বেদনা থেকে মুক্তি পাবে। কেবল তখন জন্মের পর জন্ম ধরে চলে আসা তোমার অর্থহীন স্বপ্ন থেকে তুমি জেগে উঠবে। কেবল তখন তুমি তোমার সমস্ত শক্তিকে সত্য উপলব্ধি করার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়বে।
১) বেদনায় কেন্দ্রিত হও
মনোযোগের অভাবই বেদনা বা আসলে কষ্ট এর কারণ, তাই সমাধান হ'ল 'তোমার উপস্থিতি প্রদান করা'। একটা সহজ ও সুন্দর নিমেষের ধ্যান হল তোমার ভেতরে প্রবেশ করা। পরের বার বেদনা বা দুঃখকষ্ট পেলে এটা চেষ্টা করে দেখ। ব্যাথা উপশমের ওষুধ বা (পেইনকিলারের চেয়ে এটা নিশ্চিত ভাল বিকল্প। (পইনকিলারের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া বা সাইড এফেক্ট অনেক।
নিজেকে শান্ত কর। ধর, তোমার শরীরে ব্যাথা আছে অথবা তুমি কোন বাইরের ঘটনার জন্য কষ্ট পাচ্ছ। যতক্ষণ না ঘটনাটি ঘটে চলেছে ততক্ষণ অপেক্ষা কর। তোমার পুরো শরীর ভুলে যাবার এক সচেতন বুদ্ধি কর এবং কেবল ব্যাথাতে মনোযোগ দাও। যদি মানসিক কষ্ট হয়, তাহলে সমস্ত শরীর ভুলে যাও ও যে ঘটনা কষ্ট দিচ্ছে কেবল তাতে কেন্দ্রিত হও। যখন বেদনা অভিজ্ঞতা করছ, তোমার মন থেকে 'বেদনা' শব্দটি ফেলে দাও।
তোমার মানসিক বকবকানি তোমায় বলতে থাকবে যে তুমি বেদনা অনুভব করছ। সেই বকবকানি বন্ধ কর। বেদনাকে গভীরভাবে অনুভব কর। নিজেকে শান্ত কর। তোমার ভেতরের চিৎকার তোমার ব্যাথাকে শুধুমাত্র অতিরঞ্জিত করছে। তোমার সমস্ত সচেতনতা বেদনার কেন্দ্রে রাখ এবং শীঘ্রই সেটা সংকুচিত হয়ে এক ছোট বিন্দু হয়ে যাবে। ধীরে ধীরে এটি শূন্যে মিলিয়ে যাবে।
হও এবং হঠাৎ তুমি আবিষ্কার করবে যে বেদনা রূপান্তরিত হয়েছে পরম আনন্দে!
২) থাম, জমে যাও!
বেদনা ও দুঃখকষ্ট অনুভব করলে তুমি অস্থির বোধ করতে পার।
চোখ বন্ধ কর। তোমার সোজা হয়ে বসার দরকার নেই। একদম রিল্যাক্স করে বস। পা বিছিয়ে বসতে চাইলে তা কর। দেওয়ালে ঠেস দিতে চাইলে তাও পার। নিজেকে সম্পূর্ণরূপে আরামে রাখ যাতে তুমি আসল বেদনা বা কষ্টের সম্মুখীন হতে পার। যদি তুমি তোমার অঙ্গবিন্যাসের জন্য অস্বস্তিবোধ কর, তোমাকে অস্বস্তিকর অঙ্গবিন্যাসের থেকে সৃষ্ট বেদনার সম্মুখীন হতে হবে। যখন শরীর আরামদায়ক অবস্থানে থাকবে, কেবল তখনই তুমি বেদনা বা কষ্টের মুখোমুখি হতে পারবে।
চোখ বন্ধ কর, প্রত্যক্ষবৎ স্মরণ কর যে মাথা থেকে পায়ের বুড়ো আঙ্গুল পুরোপুরি জমে গেছে। সমস্ত নড়াচড়া বন্ধ কর। একদম জমে গিয়ে পাথরের মত হয়ে যাও। শরীরে কোন বিচলন হবে না। হাত, পা নড়বে না। এমনকি শ্বাসপ্রশ্নাসের জন্য নড়াচড়া নেই। শুধু থাম ও জমে যাও।
তোমার ভিতরে কেবল এই ধারণা থাকবে যে তুমি জমে গেছ। আর কোন ধারণা যেন না থাকে। কেবল এই ধারণাটিকে প্রশ্রয় দাও যে তুমি জমে গেছ।
তার থেকে কোন শিথিলকরণ কল্পনা বা মনে মনে সৃষ্টি কোরো না। শিথিলকরণ বা চেতনাকে প্রত্যক্ষ করা নিজে নিজে হবে। সেই সময় পর্যন্ত একদম জন্মে থাক। দেখবে,
তুমি নিজেকে আনন্দের চরম অবস্থায় প্রতিষ্ঠিত করেছ।
৩) বেদনা প্রত্যক্ষ কর
এই প্রক্রিয়ায় তুমি শরীরের যে কোন অংশের বেদনা উপশম করতে পার।
যখন তুমি শারীরিক বেদনার সম্মুখীন হও, কেবল সেই স্থানে বেদনার অনুভূতিকে বিলীন করতে চেষ্টা করো না (যদি বিদ্যুতের তারে তোমার হাত আটকে যায়) আসলে যেই মুহূর্তে তুমি দেহের কোথাও আঘাত পাও, তোমার শারীরিক বুদ্ধি দ্বারা প্রদত্ত শক্তি নিরাময় করার জন্য সেই স্থানে ধাবিত হয়। সেই নিরাময় ধাবন করাকে তুমি বেদনা বলে লেবেল কর। যদি তুমি মুক্তি মনোযোগ রাখো ও নিরাময় প্রক্রিয়াকে প্রত্যক্ষ কর, তবে বেদনা অদৃশ্য হয় ও নিরাময় ঘটে। যদি আমরা এটা বুঝি, আমরা বেদনাকে বাধা দেব না ও তার থেকে কষ্ট পাব না। আমরা শরীরের স্বাভাবিক নিরাময় করার শক্তির সাথে সহযোগিতা করব।
আমি এটা আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি। একবার একজন গাড়ীর দরজা বন্ধ করতে গিয়ে আমার আঙ্গুল চেপে দেয়। আমার চারপাশের মানুষেরা বিচলিত হয়ে যায় ও চারদিকে ছুটতে থাকে। আমি কেবল তাদের বিব্রত হতে বারণ করলাম।
আমার আঙ্গুল ফুলে যাচ্ছিল, আমি স্পষ্টভাবে দেখতে থাকলাম আমার শরীরের ভিতরে কি হচ্ছে। আমি অনুভব করলাম যে আমার নাভি প্রদেশ থেকে আঙ্গুলে শক্তি ধেয়ে আসছে। আমি স্বচ্ছভাবে দেখলাম শারীরিক বুদ্ধি নিজে থেকেই নিরাময় করে দিচ্ছে। তা নিজে থেকেই নিরাময় হয়ে গেল।
তোমার সিস্টেমকে তুমি বেদনা বল!
বেদনাতে কেন্দ্রিত হয়ে প্রত্যক্ষ করলে উপলব্ধি করবে যে তুমি নিছক শরীর নও, তুমি আরও কিছু। তুমি তোমার শক্তিকেন্দ্রকে স্পর্শ করবে এবং উপলব্ধি করবে যে তুমি দেহ -মন থেকে আরও ঊর্ধ্বে।
বেদনাকে প্রগাঢ়ভাবে প্রত্যক্ষ করে এবং প্রত্যক্ষ করার সময় 'বেদনা' ও 'কষ্ট' শব্দ দুটি মনে এনো না। কম সময়ের জন্য মনে হতে পারে যা ঘটছে তা ভয়ঙ্কর, কিন্তু মোটের ওপর মিলিয়ে যাবে।
আসলে, মনের বকবকানি তোমাকে সবকিছু ভুলিয়ে দেয়। কিন্তু রূপকগুলি মনে রেখো না। শরীরের ব্যাথার জায়গাতে সম্পূর্ণ সজাগতা নিয়ে এসে কৌতূহল সহকারে দেখ। একদম আগন্তুক হও। প্রক্রিয়াতে যোগদান কোরো না। শক্তিকে সেই স্থানে প্রবাহিত হতে দাও ও তার ওপরে কাজ করতে দাও। দেখবে তার নিরাময় হবে।
৪) অমৃতে ভরো
চোখ বন্ধ কর। শান্ত হও। গভীরভাবে শ্বাসপ্রশ্নাস নেও। প্রত্যক্ষ কর যে তোমার শরীর অমৃতে অথবা মধুতে ভরা। তোমার মধ্যে এক মিষ্টি অনুভূতি হচ্ছে, যেন সমস্ত শরীর হাসছে।
যদি মেরুদণ্ডে কোন কষ্ট হয় বা চুলকায়, মনোযোগ দাও ও অনুভব কর যে সেই অংশটিও অমৃতে পূর্ণ। অনুভব কর যে তোমার পুরো পাকস্থলী অমৃতে পূর্ণ। প্রত্যক্ষ কর যে এক সুন্দর অনুভূতি সহকারে মাথা থেকে পায়ের বুড়ো আঙ্গুল পর্যন্ত তোমার শরীর অমৃতে পৰ্ণ।
এখন তুমি যা দেখছ তার প্রতি মনোযোগ নিবদ্ধ করো। সেই স্থানটি সম্পর্কে একটানা সচেতন থাক। কখনো 'বেদনা' শব্দটি মনে এনো না। প্রথমে তুমি মিশ্রিত বিস্ময় অনুভব করতে পার, কষ্টের বদলে হয়তো আনন্দ অনুভব করতে পার। সাময়িকভাবে কিছু ঘটবে না, কারণ মনের সাথে মিশে যাওয়া না, আবেগজনিত উত্তেজনা যেন না হয়। কেবল দেখ সেই বেদনার স্থানে কি ঘটছে। যেভাবে শিশু ঔৎসুক্য সহকারে দেখে। কেবল ভিতরে ঢোক এবং যতক্ষণ অদৃশ্য হয় 'বেদনা' বা 'কষ্ট' এইসব শব্দ প্রয়োগ না করে সেই স্থানে থাক।
৫) নীল আকাশের দিকে তাকাও
শুধু আকাশের দিকে নীল আকাশের দিকে তাকাও। সাধারণত আমরা আমাদের চিন্তা ও স্বপ্ন তাদের সম্বন্ধে বিচার করি - সুন্দর মেঘ, কুৎসিত মেঘ ইত্যাদি। সেখানে নিজেদের জড়িও না। মেঘ হ'ল চিন্তা ও স্বপ্নের মত। মেঘ ছাড়িয়ে নীল আকাশের অসীম শূন্যতার দিকে তাকাও।
যদি তুমি মেঘের দিকে তাকাও তোমার মন কিছু চিন্তা করতে শুরু করবে। যদি তুমি মেঘ ছাড়িয়ে আকাশের দিকে তাকাও, তোমার মন কাজ করা বন্ধ করে দেবে! তারাগুলির দিকে তাকাও না। মেঘ দেখা মানে তোমার চিন্তার সাথে আটকে যাওয়া। তারা দেখা মানে আধ্যাত্মিক
দৃষ্টি ও আধ্যাত্মিক জ্ঞান দেওয়া। লেবেল কোরো না।
কেবল শূন্য, অসীম, উন্মুক্ত নীল আকাশের দিকে তাকাও। তোমার মাথায় যেন কোন ভাব না থাকে। কেবল উপরে ওঠ এবং আকাশের দিকে, বিস্ফোরিত তারামণ্ডলের দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে।
শুধুমাত্র আকাশের দিকে তাকিয়ে থাক। তোমার ভয়ের অভিজ্ঞতা হতে পারে। যদি মেঘ না দেখে বা তারা গুনতি না করে আকাশের দিকে তাকাও, তবে কোন নতুন জিনিসের অভিজ্ঞতা হবে। কি ঘটবে তুমি আগে থেকে বলতে পারবে না। ভয় হবেই। যদি তুমি তাকিয়ে তাকিয়ে ভাবার পরিকল্পনা কর, তুমি ভয় পাবে না, কারণ তুমি তখনও শরীরের সীমায় আটকে আছে। এটা ব্যাক-সীট ড্রাইভিং এর মত, গাড়ীর পিছনে বসে সর্বদা ড্রাইভারকে পরামর্শ দেওয়া গাড়ী কিভাবে চালাতে হবে। এই ক্ষেত্রে তুমি তাকিয়ে আছ এবং তোমার মন চিন্তা করছে।
কেবল স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাক, চিন্তা করোনা। কিছুক্ষণ পর তুমি অনুভব করবে যে তুমি তোমার শরীরকে কিছুক্ষণের জন্য ভুলে গেছ। সাধারণত তুমি যে লিংক, যে চিন্তার শাফট তৈরি কর, তা হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে যাবে। যখন এটা ঘটবে তখন তোমার ভাবনা কঠিন করে ধরবে না। ভেবো না, 'কখন ভাবাগুলি সরিয়ে যাব? কখন মার্কা-জো ভানুমতী আসবে?' কেবল স্থির দৃষ্টিতে কোন কিছুকে বিলীন না হওয়া পর্যন্ত তাকিয়ে থাক।
যখন এক সেকেন্ডের জন্যও কোন চিন্তা ছিল না, চোখ বন্ধ কর এবং সম্পূর্ণ ব্যক্তিগতভাবে ভেতরের দিকে প্রবেশ কর। ভেতরে সেই একই জিনিষ ভিতরে প্রত্যক্ষ কর। হঠাৎ দেখবে যে তোমার ভিতরেও একই জিনিষ আছে। সেখানে কোন মেঘ নেই, কোন তারা নেই। সেখানে কেবল অসীম মহাকাশ আছে।
যদি শরীরে কোথাও ব্যাথা থাকে, তবে প্রক্রিয়াটি অনুসরণ কর। আকাশের দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকাও। হঠাৎ যখন তোমার মনে হবে যে শেষ হয়ে গেছে সেই সম্পূর্ণ মহাকাশকে তোমার বেদনাপূর্ণ শরীরে সেকেণ্ডের মধ্যে মিলিয়ে যাবে।
যখন তোমার মানসিক দুঃখকষ্ট থাকে, এই প্রক্রিয়াটি তোমার নিরাময় হবে। সেই মুহুর্তে তুমি দেখবে যে তোমার ভিতরের নিরাময় ঘটছে। নিরাময় ছাড়াও, তুমি আধ্যাত্মিক উন্নতি অন্বেষণ করলে এতে তুমি প্রচণ্ড শক্তি ও কোয়ান্টাম অভিজ্ঞতা সমূহ পাবে। তোমার উন্নতিতে তুমি কোয়ান্টাম বাঁপ দিয়েছ দেখতে পাবে।
বাসনা এক প্রাণবন্ত শক্তি
ভয় এবং বাসনা হ'ল মৌলিক শক্তি যা আমাদের জীবন চালায়। আমরা কোন কিছু অর্জন করার জন্য বা কোথাও পৌঁছনোর জন্য কোন কিছু অভিজ্ঞতা করতে চাই না। আকর্ষণ ও বিকর্ষণ কেবল অণুদের মধ্যে আছে তা নয়, তা মানুষের ব্যবহারেও অপরিহার্য।
তোমার প্রকৃত বাসনাকে চেন
মানুষের জীবনে এক প্রধান চলৎশক্তি হল বাসনা। যদি জীবনে ভালোভাবে তাকাও, তুমি দেখবে যে বেশীরভাগ সময়েই আমরা সবাই বাসনা অথবা ভয় দ্বারা চালিত হচ্ছি।
আমাদের এত বাসনা আছে এবং প্রায়ই আমরা অনুভব করি যে সেগুলি পূর্ণ করার জন্য আমাদের শক্তি নেই। জৈন প্রথা অনুসারে, ঈশ্বর আমাদের বাসনা পূরণের জন্য যথেষ্ট শক্তি ও সামর্থ সহকারে এখানে পাঠিয়েছেন। কিন্তু বেশীর ভাগ মানুষ সেরকম অনুভব করে না। কেন?
আমাদের প্রকৃত বাসনা ও ধার করা বাসনার মধ্যে পার্থক্য আছে। আমাদের প্রকৃত বাসনা হ'ল আমাদের 'প্রয়োজন'। ধার করা বাসনা হ'ল 'চাহিদা'। আমাদের প্রকৃত বাসনা বা প্রয়োজন মিটানোর জন্য আমাদের যথেষ্ট শক্তি আছে। আমাদের প্রকৃত বাসনা কি?
অনেক সেশন্ থাকে যেখানে সবাইকে তাদের বাসনা, প্রয়োজন ও চাহিদার তালিকা বানাতে বলা হয়। তারপর তারা এই বাসনাগুলির ওপরে ধ্যান করতে বলা হয়। তাদের বাসনার তালিকা স্মরণ করতে বলি। তারা যা লিখেছিল সাধারণত তার এক ভগ্নাংশ তারা মনে করতে পারে! যেন তারা এক পাতা -পাতাগুলি তাদের বাসনাসমূহ। ধ্যানের সময়ে গাছটি থেকে প্রায় সব পাতা ঝরে পড়ে, যেন পাতাগুলি শুকনো ও মৃত। গাছে যা পাতা থেকে যায়, তাই হল তাদের প্রকৃত বাসনা। প্রক্রিয়াটি সচেতনভাবে করলে এই বাসনাগুলি সর্বদাই স্বার্থপূন্য বাসনা হবে। সন্দেহ নেই যে সেগুলি ব্যক্তিটির মঙ্গল করবে, কিন্তু সেগুলি মানবজাতিরও মঙ্গলসাধন করবে। কেবল এই প্রকার স্বার্থপন্য বাসনা তাদের পরিতপ্তির জন্য মহাবিশ্বের শক্তি বহু ন করে।
যখন নিজের প্রকৃত বাসনা, যখন সেগুলি আমাদের অন্তরের শক্তিতে প্রকাশিত হয়, তখন আমরা সেগুলিকে অর্জনের চেষ্টা করার জন্য কোন ভাবেই বেপরোয়া অনুভব করি না। উপলব্ধি আসে যে স্বাভাবিকভাবে ঘটবে। আমরা চালিত হই না, আমরা অস্থির হই না। আমরা মেনে নিই যে এগুলি ঘটবে।
তাকে সত্যভাবে ভালবাসার জন্য, ঘৃণার জন্ম দেবার অভ্যাস নিবারণ করার জন্য, আমাদের 'আমি' ও 'আমার' ভাবনা মুছে ফেলতে হবে। আমাদের অধিকৃত বস্তু বলে গণ্য করি. আমাদের মনে কেবল হিংসার উদয় হয়, প্রেমের নয়। আমরা অনুভব করি যে আমাদের অন্যজনকে নিয়ন্ত্রণ করা উচিৎ এবং আমরা ভাবি যে আমাদের প্রমাণ করতেই হবে যে আমরা মালিক। এমনকি সত্য প্রেমের অর্থ কেবল বোঝার জন্য আমাদের মালিকানার ভাবনাকে মুছে ফেলতে হবে।
খালিল গিব্রান তাঁর প্রেম সম্বন্ধে 'দি প্রফেট'-এ বলেছেন, 'তোমরা একে অপরকে ভালবাস, কিন্তু ভালবাসার বন্ধন সুষ্টি কোরো না। একে অপরকে রুটি দাও কিন্তু সেই একই রুটি থেকে খেয়ো না।'
পরিতৃপ্তির জন্য প্রকৃত বাসনা
তোমার মাথাব্যথা হ'লে তুমি সে অবস্থায় স্বস্তি পাও সেটা তোমার প্রকৃত প্রকৃতি নয়। তোমার সত্য প্ৰকৃতি হ'ল মাথাব্যথা না হওয়া। একইভাবে যখন বিকাশের কিছু বাসনা থাকে, তুমি অবিলম্বে জানতে পার যে বাসনা কারণ হয়।
পূর্ণিমায় মনকে জানতে হবে।
১) সমস্ত জীবনই ঘটনাবলীর এক লম্বা চেন এবং সেই ঘটনাগুলি অনুষ্ঠিত হয় একটি সেটফর্মে। সেই সেটফর্মটি হল ভবিষ্যৎ। তুমি যাই কর না কেন, ভোজন করা বা পান করা বা সম্বন্ধ রাখা বা ধনসম্পদ বা সুখ অর্জন করা, সবই পরিতৃপ্তি অভিজ্ঞতা করার জন্য করছ। তুমি সর্বদাই পরিতৃপ্তিকেই খুঁজে বেরাচ্ছ।
২) পরিতৃপ্তি তোমার নিজের অন্তরে, সেটা তোমার প্রকৃতি। সেইজন্য তুমি অত্পির বাইরে আসার চেষ্টা করছ।
যদি ভবিষ্যতে বিদ্যুতের ঝলক মানে পরিতৃপ্তি তোমার কাছে জানা। নতুবা তুমি তাকে অন্ধেষণ করবে না! জীবনের কোন ঘণ্যায়া বা যদি কিছু ভবিষ্যতে অনুভব না কর, তাহলে তখনই বাসনা খাটে যা তুমি আবার তাকে অভিজ্ঞতা করবে। সেজন্য তুমি তোমার জীবনকে সম্প্রসারিত কর।
বাসনা, জ্ঞান এবং ক্রিয়া
যে বাসনা বিশুদ্ধ এবং কোন নির্দিষ্ট বস্তু নির্মাণ নয়। তেওঁ পাৰে কেন্দ্ৰীয় বিশ্বাস কৰিছিল আৰু প্ৰথম বিশ্ ৰে বিশ্বাস কৰিছিল। তেওঁ প্ৰথম বিশ্বাস কৰিছিল আৰু প্ৰথম বিশ্বাস কৰিছিল। তেওঁ পাৰে প্ৰথম বিশ্বাস কৰিছিল।
যখন এই শক্তি কন্ঠ অঞ্চলে শব্দে পরিণত হয়। যখন এই শক্তি বাড়ে তখন একে বলে 'বাকশক্তি'। যখন বাসনা মুক্তি যখন ভালো লাগে। কিছুদ্মদ্ভ ভালো লাগে সুতো। অথবা তুমি এইভাবে কল্পনা করতে পার : যে শক্তি নাভি থেকে আসে, তা যেন গলা পর্যন্ত প্রসারিত। যেমন লোহার সামগ্রী তৈরি হয়।
বাকশক্তি এরপর মস্তিষ্কে যায়। সেখানে এটি জ্ঞান হয়ে অবস্থান করে অথবা কোন আদেশ বা আজ্ঞায় রূপান্তরিত হয়। মস্তিষ্কে এই 'জ্ঞানশক্তি' হয়ে ব্যবস্থান করে। বাসনাশক্তি শরীরের জ্ঞান হয়ে যেতে পারে।
ত প্ৰকাশ কৰিছিল। তেওঁ প্ৰকাশ কৰে। তেওঁ প্ৰথম বিশ্বাস কৰিছিল আৰু প্ৰথম বিশ্বাস কৰিছিল। তে বা আদেশে রূপান্তরিত হয় এবং নিষ্পন্ন হয়। তোমাকে চালিত করে। একে বলে 'ক্রিয়াশক্তি'। দুষ্টান্তস্বরূপ, বাসনাশক্তি ক্রিয়াশক্তি প্রকাশ করতে পারে।
বিশুদ্ধ ইচ্ছাশক্তি যা তোমার সত্তা থেকে রূপান্তরিত হয়।
যদি শক্তিকে সঠিকভাবে প্রসেস না করা হয় বা সঠিক ধারায় প্রবাহ্ণিত না করা হয়, তাহলে জ্ঞান ও ক্রিয়া বিশুদ্ধ বাসনাশক্তির ক্ষমতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তাহলে সেটা বাসনার ধর্মচক্র হয়ে গিয়ে আরও উত্তম জ্ঞান ও ক্রিয়ার দিকে নিয়ে যায়, যেগুলি পরে আরও শুদ্ধ বাসনার দিকে নিয়ে যায়!
ধর, তোমার দশ কোটি টাকা বানাবার ইচ্ছা। যা যদি বাস্তবায়িত রূপান্তরিত হয়ে যায়, তোমার এক স্পষ্ট পরিকল্পনা থাকবে এবং তুমি কোটিপতি হয়ে যাবে।
যদি বাসনাশক্তি খুব বেশী জ্ঞানে ও কম ক্রিয়ারনে থাকে, তাহলে তুমি কর্মি কেবল ভেবেই যাবে, আকাশকুসুম কল্পনা করবে।
অপরদিকে যদি বাসনাশক্তি বেশী ক্রিয়া ও ক্র ক্ষান কম থাকে, তাহলে তুমি অন্ধভাবে ক্রিয়া করতে থাকবে। উদাহরণস্বরূপ, তুমি কঠোর পরিশ্রম করে লস এন্জেলস থেকে নিউ ইয়র্ক পৌঁছতে পার, কিন্তু তমি কি এইভাবে কোটিপতি হতে পার? এই ক্রিয়ার জ্ঞান নেই। তাই বাসনার জ্ঞান ও ক্রিয়াতে সঠিক রূপান্তর ঘটে না। তার কারণ হ'ল সচেতনতার অভাব।
তুমি বাসনার সাথে সৎ ও সংহত থাকলে, রূপান্তর সঠিকভাবে ঘটে।
একটা ছোট গল্প :
একবার এক ব্যক্তি সন্ত রামানুজের কাছে শিষ্য বিদ্য করতে গেল, 'আমি জীবনমুক্তি অর্জন করতে চাই। আপনি কি আমাকে তার শিক্ষা দিতে পারবেন?'
রামানুজ তাকে জিজ্ঞাসা করেন, 'তুমি কি কখনও প্রেম অভিজ্ঞতা করেছ? কখনও কি তুমি প্রেমে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছ? ' প্রশ্ন শুনে ব্যক্তিটি অবাক হয়ে গেল এবং বলল, 'আপনি কি জিজ্ঞাসা করছেন? আমি এখানে ঈশ্বরের উপলব্ধি করতে এসেছি!'
রামানুজ উত্তর দিলেন, 'যদি তুমি সাধারণ প্রেম উপলব্ধি না করে থাক, তুমি ঈশ্বরকে কিভাবে অভিজ্ঞতা করবে?'
সাধারণ প্রেম অভিজ্ঞতা না করলে তুমি বুঝতে পারবে না। কেবল যখন তুমি বুঝবে, তখন কিছুন এর মাধ্যমে নিজের মনকে নিজের দিকে ঘোরালেই তুমি স্বাভাবিকভাবে তোমার নিজের দিকে মনকে ফিরিয়ে আনতে পারবে। যে কেউ বিষয়ে প্রবেশ করার দ্বার ব্যবহার করেছে, সে জীবনমুক্ত হয়েছেন।
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM বলেছেন, 'মনের তিনটি স্তরের কাজ হল: চিন্তা, অনুভব ও ক্রিয়া। এই তিনটি স্তরকে ব্যবহার করে মন নিজেকে বিষয় থেকে মুক্ত করেছেন।'
জীবনকে প্রতিটি মুহূর্তে অভিজ্ঞতা কর
একটা ছোট গল্প :
একজনকে দুঃখিত দেখাচ্ছিল। অন্যজন বলে, 'কি হয়েছে? মটন রুড্ড যা ন জানা পৃথিবী শেষ হতে চলেছে!'
ব্যক্তিটি উত্তর দিল, 'তিন বছর আগে এক কাকা মারা যায় এবং সে আমার জন্য এক কোটি টাকা রেখে যায়।' তার বন্ধু অবাক হয়ে বলে, 'তোমার কাকার জন্য দুঃখিত। কিন্তু সে তো তোমার জন্য অনেক টাকা রেখে গেছে।'
ব্যক্তিটি বলে, 'পূরে মেশির্শ ভট্ন এক মামাতো ভাই, যাকে আমি জানতামই না, মারা যায় ও আমার জন্য দশ লাখ টাকা রেখে যায়।'
বন্ধু প্রশ্ন করে, 'তাহলে তোমার সমস্যা কি?'
ব্যক্তিটি উত্তর দেয়, 'এই সপ্তাহে আমি কিছুই পাই নি!'
এই পথিবীতে দুই প্রকার মানুষ আছে। এক ধরনের মানুষ জীবনটাকে কল্পনাময়না বাজিক্কণ করে এবং অন্য ধরনের মানুসুষ্যনা জীবনকে নিরন্তর অভিজ্ঞতা করে। যখন মনে কর তুমি আনন্দ অনুভব করছ, পৃথিবীতে সেই কার্যাবলী সুরূর্ণ কন্নু মির্হ্কনা তুমি অনুভব করছ।
মূাধার চি পুয়রা েমতা থােয় এই উচ্চতর চিগুদ োজ েরয়ব িা। বযদক্তটির অয়োচয়রই তার দভতয়রর ুপ্ত অজািা ম্ভাবিা েোদলত য়ব। তা বযদক্তটির ম্ভাবিা বদজভ েয়ত ছদড়য় যিয়ব।
এমনকি সমস্ত সমাজ বাধা দিলেও প্রেমিকেরা তার বিরোধিতা করে। রোমিও ও জুলিয়েটের প্রেম শ্বাশ্বত। বুদ্ধিগত চিন্তা অতিক্রম করার সাহস হ 'ল ও তাদের প্রেমে বাধা প্রদানকারী সমাজের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াল।
তারা প্রেমে না পড়লে করতে পারত না। তারা তাদের সত্তায় ও অনুভূতিতে এক ভিন্ন মাত্রা দেখে।
এই রুপে বিভিন্ন মানুষ তোমার মধ্যে বিশ্ব মানারক মজিয়া করাবে। যদি তোমার কোন প্রণয়ী থাকে, প্রেমের ভাবনা তোমার মধ্যে জাগ্রত হবে। যদি তোমার কোন ছেলে বা মেয়ে থাকে, তাহলে তোমার মধ্যে মাতৃত্বের মমতা আসবে। যদি তোমার মনে বিভিন্ন মাজাদ বন্দিকা গ্রারণ করতে পার, তবে মাত্রাগুলি তোমার মধ্যে প্রস্ফুটিত হবে।
তাহলে গভীরতর সত্য হল এই যে দুই প্রেমীর মধ্যে প্রেমভাবনা ঘটার পর, সেই ভাবনা তাদের অন্যজনের জন্য অনেক জ্ঞানীকাভ কবারব। ভাবনা গভীরতা অনুযায়ী হবে।
তুমি যদি পুরোপুরি খোলা মনের হও, জীবনে তোমার সাথে দেখা হওয়া প্রতিটি মানুষ তোমাকে আরও প্রস্ফুটিত করাবে। কিন্তু তুমি যদি বিশ্বামী থাক, তাহলে স্বামী-স্ত্রী বিশ্বা জানাতে বিকাশ করাবে না। দয়া করে বোঝ, স্বামী-স্ত্রী বা উন্মুক্ত ও নিরহংকারী মন সুষ্টি করার জন্য বিবাহিত মায়িকু ঘটবে। তাহলে করার অনুভবই
করে দেবে। যদি এই চিরন্তন রূপান্তর না ঘটে, তমি তোমার জীবনের এক প্রধান মাত্রা হারিয়ে যাচ্ছ।
যদি স্বামী ও স্ত্রী আমিত ছাড়া থাকার সেই প্রকার ভাবনা সুষ্টি করতে সক্ষম না হয়, তাহলে তাকে সম্বন্ধতা বলা যায় না। তবে সেটা মানবিক সম্পর্ক। প্রকৃত সম্বন্ধতা হ'ল সত্তা স্তরে অথবা ভাবনা স্তরে পারস্পরিকভাবে রূপান্তর ঘটানোর প্রভাব সুষ্টি করা।
আমরা সত্য প্রেম কেন অনুভব করতে পারি না? সেটার কারণ আমাদের অতীত স্মৃতি বা মানসিক দুর্বলুনি। দুষ্টান্তস্বরূপ, তোমার কম্পিউটারের কিছু মেমরী বা স্মতি আছে। এখন সেটা যদি অজন্ম হাই রেসলিয়শন ছবি দ্বারা ভরে থাকে, যেন তোমার আবেগজনিত বহু আসক্তি আছে, তাহলে তোমার সমস্ত মেমরীর জায়গা অধিকৃত থাকবে।
তোমার আগের মন্ত্রি কানবা অতীতের ঘটনাগুলি বা তোমার স্মৃতিতে থাকা মানুষেরা আসক্তি বা ক্রোধ বা অপরাধবোধ হয় মতল বাদবন জনিক মন সম্পূর্ণরূপে নির্য়ান্ড। তোমার সম্পূর্ণ শক্তি, তোমার অন্তর্দেশ অধিকত হয়ে আছে এবং তুমি অস্তিত্বের সাথে সরাসরি সংযুক্ত অনুভব করতে এবং অস্তিত্বকে পাওয়ার না। তোমার মনকে অতীতের সমৃতি শুষে নেবার কারণেই তোমার সমস্ত ভয়, সমস্ত লোভ, সমস্ত অপরাধবোধ এবং এই সমস্ত আবেগ সমুহ আছে। এই হাই -রেজলিয়শন ছবিতে ভরা নেই, মানে যার বেশী আবেগ সংক্রান্ত আসক্তি নেই, সে যে কোন কিছুর সাথে সংযুক্ত বোধ করতে সক্ষম হবে।
বর্তমান মুহূর্তের জন্য উপলব্ধ নয়। তুমি কেবল সেই বস্তুদের ও মানুষদের ভালবাসতে বা তাদের সাথে সংযুক্ত বোধ করতে পার, যদি তারা তোমার অতীতের ভালবাসার স্মৃতির সদৃশ হয়। যদি তুমি অতীতের আবেগ সংক্রান্ত আসক্তিগুলি মুছে ফেলতে পার, হঠাৎ দেখ বে যে তখন তুমি সরাসরি তোমার সামনে আসা যে কান মানুষকে জিজ্ঞাসা না করেই উন্মুক্ত হতে পারবে।
যৌনকামনা থেকে প্ৰেম
প্রকৃতি জীবের ধারাবাহিকতা রক্ষা করার জন্য যে আদি আবেগ দিয়েছে তা হ'ল যৌনকামনা। কামনাকে ছাড়িয়ে মানবজীবনের চরম সম্ভাবনা উপলব্ধি করার জন্য প্রথম পদক্ষেপ।
মনুষ্য চিরকাল প্রেম ও কামনার মধ্যে বিভ্রান্ত। তারা ভাবে কেবল পশুরাই কামনাগ্রস্ত। আসলে কেবল পশুরাই মিলিত হবার সময় বিশুদ্ধ কামনা করতে সমর্থ হয়! মনুষ্য তাদের যুক্তিবন্ধন জন্য কামনা করতে পারে না। তাই তারা অসন্তুষ্টি বোধ করে ও অতপ্ত থাকে।
যখন কামনা কার মানব মন করণ অভিজ্ঞতা হয়, তা তোমার সিস্টেম ছেড়ে চলে যাবে।
হ'লে যৌনকামনা থেকে মুক্ত হত কারণ তারা সেগুলি পূর্ণরূপে উপভোগ করে ফেলেছে।
অন্য মানুষটি ভালবাসছে কিনা যাচাই করার জন্য শারীরিক সম্পর্কতা ব্যবহার করা হয়। কেবল সন্দেহই বন্দীদশা সৃষ্টি করে।
যোনকা যদি কার্বন রূপ, হল হীরা। যৌনতা যদি কাদা হয়, প্রেম হ'ল কাদায় ফোটা কমল। একই পদার্থ, কেবল তোমায় তাকে প্রসেস করতে জানতে হবে। তোমার প্রত্যাশা ছাড়, তুমি শক্তির এক ভীষণ সমুচ্ছুাস পাবে।
তোমার ভিতরের পুরুষ ও নারীকে আবিষ্কার কর
আজকে আমরা জানি যে জীববিজ্ঞানের ভিত্তিতে কোন মানুষই ১০০% পুরুষ নয় এবং কোন নারীই ১০০% নারী নয়। একজন পুরুষ হয়ত ৫১% পুরুষ ও ৪৯% নারী। একইভাবে একজন নারী হয়ত ৫১% নারী ও ৪৯% পুরুষ: কেবল একটু পার্থক্য।
তুমি তোমার পিতা ও মাতার শক্তি থেকে অন্য নির্য়ান্ড। তাহলে কিভাবে তুমি কেবল পুরুষ অথবা কেবল নারী হবে? আমরা স্বীকার করি কি না করি, আমরা পুরুষ ও নারী উভয় শক্তিরই মূর্ত প্রকাশ। আমরা পূর্ণ, বিভক্ত নই।
পুরুষ ও নারীগত অভিমুখ স্বীকার ও প্রকাশ করার মার্শ রুট রাখা হয়। কিন্তু কি বাস্তবায়ন করতে দেওয়া হয়?
ঠিক অন্যের সুরূর্ণ সমাজ তোমাকে ছেলে বা মেয়ে বলে লেবেল করে দেয়। ব্যবহার মতো ব্যবহার করতে শুরু করবে। সমাজ বালকদের তাদের নারীতুল্য অভিমুখ প্রকাশ করতে দেয় না অথবা বালিকাদের পুরুষতুল্য অভিমুখ প্রকাশ করতে দেয় না। একদম ছোটবেলা থেকেই আমাদের অর্ধেক সত্তাকে অবদমিত করা হয়।
গভীরে প্রবেশ করার আগে বাচ্চারা নিজে ছেলে কি মেয়ে তার সম্বন্ধে সচেতন নয়। সেইজন্য একদম থাকে। সে কেন্দ্রিত ও সুরক্ষিত। সে কত সুন্দর ও তাকে দেখতে কত ভাল লাগে! সাত বছরের কাছাকাছি সময়ে বাচ্চা সমাজের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
কিন্তু এখন ছোটদের এত বেশী নিয়ন্ত্রণ করা হয় যে যে সে তার সেই অংশকে অবদমিত করার বাটে যা সমাজ সমর্থন করব না। আমরা অনুভব করে এবং সত্তার অর্ধেক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ট্রমা ওয়ার্ডেটনে বারে জনা বর্ষ খুঁজর্জ শুরু করে।
মানুষের রাজাডিক ও বিক্ষত বারল ভবিষ্যত। জারে টন রাজিটিয় আউয়া বর্ষ বা অবদমিত অর্ধকে অচেতনভাবে অন্ধেষণ করা আরম্ভ করে। সে বহির্জগতে তার হারিয়ে যাওয়া নির্জন বর্ষ দর্শন বিকল খোঁজা শুরু করে। ছেলে খোঁজা শুরু করে মেয়ের উপস্থিতি, আর সে খোঁজে। তাদের মধ্যে ধারণা শিকড় গাড়ে।
সাত থেকে চৌদ বছর বয়স পর্যন্ত. বাচ্চারা বাবা-মায়ের নিকটস্থ থাকে। তাদের থেকে বাচ্চারা আদর্শ মহিলা বা আদর্শ পুরুষ কি রকম হবে তার ছবি সংগ্রহ করে। ছেলেদের ক্ষেত্রে তার নিজের ব্যক্তিতের অবদমিত অর্ধ যখন মার্যন্ নিজ্য বর্ষস্থাপনিক রায় বদর স্বয়্যামন ক্যান জনা ব্যবমনিক বর্ষ প্রতিস্থাপিত হয় তার পিতার ভাবমূর্তি দ্বারা।
সেইজন্য ছেলেদের প্রথম নায়িকা হয়। তাদের নায়ক হয় তাদের বাবারা। এটা এক অলিখিত কানুন! এই গভীর অনুসন্ধানই ফ্রয়েডিয়ান মনোবিজ্ঞানে বর্ণিত হৈছিল ইডিপাস ও ইলেক্ট্রা কমপ্লেক্সের মতন জারিডিক। পুরুষের জান মার্যন্ কাছ থেকে যেরকম যত্ন পেয়েছিল, সেরকম যত্ন সে তার স্ত্রীর কাছ থেকে আশা করে। আর মেয়েরা তার বাবার কাছ থেকে যেরকম সুরক্ষা ও প্রতিশ্রুতি পেয়েছে, সেরকম তার পতির কাছ থেকে আশা করে।
চৌদ্দ বছর বয়স হ'লে মানুষ শারীরিক পরিপক্ষতা লাভ করে। সে বিবিধ কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করে ও তাদের বাবা-মায়ের সাথে বেশী সময় কাটায় না। মানুষ তখন বহিৰ্জগৎ ও গণমাধ্যম (মিডিয়া) থেকে ধারণাগুলি সংগ্রহ করে এবং আদর্শ পুরুষ বা নারীর এক ছবি তৈরি কর। বিভিন্ন মানুষ থেকে তুমি বিভিন্ন জিনিষ সংগ্রহ কর, সবচেয়ে ভাল নাক, সবচেয়ে ভাল চোখ, সবচেয়ে ভাল ব্যক্তিত্ব এবং তা নিয়ে নিজের আদর্শ মানুষ তৈরি কর - যেন ‘কাট ও পেস্ট’ পদ্ধতির মত।
এই অবস্থা চলে সাত বছর ধরে একুশ বছর বয়স হওয়া অবধি। সেই সময় মিডিয়ার ধারণাগুলির শিকড় আমাদের মনের অনেক গভীরে প্রবেশ করে যায়। বাস্তব জীবনে জীবনসাথী খুঁজে বার করার জন্য তখন এক নূতন ব্যাবস্থা শুরু হয়। বাস্তব জীবনের সাথী কেমন হবে তার ধারণা নিয়ে এই খোঁজ শুরু হয়। সেখানেই প্রত্যাশার শুরু।
একটা ছোট গল্প :
এক নব্বই বছরের বৃদ্ধ রোজ সকাল থেকে সন্ধ্যায় বেঞ্চে বসে থাকত ও লোকেদের চলাফেরা দেখতে থাকত। আরেকজন তা লক্ষ্য করেছিল ও তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করল, 'আপনি রোজ এখানে বসে আসলে করেন কি?'
বৃদ্ধ উত্তর দেয়, খুঁজছি যাকে আমার বউ বানাতে পারি।' অন্য ব্যক্তিটি আশ্চর্য হয়ে গেল ও তাকে জিজ্ঞাসা করল, 'আপনি এত বৃদ্ধ বয়সেও কেন?'
বৃদ্ধ উত্তর দেয়, 'আমি তো ত্রিশ বছর বয়স থেকেই খুঁজে যাচ্ছি।' অন্য ব্যক্তিটি অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করে, 'আপনি কি রকম মহিলা খুঁজছেন?'
বৃদ্ধ বলে, 'আমি একজন আদর্শ মহিলা খুঁজছি।' ব্যক্তিটি জিজ্ঞাসা করল, 'আপনি কি একজনকেও পান নি?'
'আমি মনের মত একজনকে পেয়েছিলাম, কিন্তু তার জন্য সেটা হ'ল না,' বৃদ্ধ উত্তর দেয়। ব্যক্তিটি প্রশ্ন করে, 'কেন?'
বদ্ধ তার উত্তরে বলে, 'সে একজন আদর্শ পুরুষ খুঁজছিল!'
আমাদের ভিতরে বহন করা ছবির সাথে আদর্শ মিল করার চেষ্টা করতে গেলে এই রকম অবস্থাই হয়।
অনেকে ভাবে যে বাস্তব মনের ছবির সাথে মেলে, কিন্তু দূর থেকে। আমাদের মনের ছবিটা সবুজ এবং আমাদের দেখা ছবিটিকেও সবুজ মনে হয়। মনে হয় ম্যাচ পাওয়া গেছে!
তখন তাদের মনে হয় যেন লটারি লেগে গেছে ‘প্রেমে পড়া’। প্রেমে পুড়ার পিছলে এটাই বিজ্ঞান। লোকে কেন যে সর্বদাই প্রেমে 'পড়া', কেন ‘ওঠা’ বলে না! বাস্তব জীবনে কার্য ও জিনিষগুলি ক্রমিক আকারে দেখার কারণ হল আমরা তাদের ওপরে আমাদের মানসিক ছবি অভিক্ষেপ করি। তখন পৃথিবী শ্যামলিমায় ভরে যায় ও সঙ্গীতময় হয়ে যায় এবং জীবন এক কবিতা হয়ে যায়। তখন আমরা কবিতা লেখা শুরু করি, একে অপরের ছবি আঁকি এবং আরও কত কি না করি।
আমরা একজন অন্যজনের ওপরে আমাদের কল্পনা অভিক্ষেপ করতে থাকি। কিন্তু ধীরে ধীরে তারা নিকট আসার সাথে সাথে বুঝতে পারি আসলে ফিকা সবুজ, পুরো সবুজ নয়। আমরা তখন মানিক চট্ করে নিৰ্দ্দিষ্ট করতে থাকি। কিছু পরে আমরা পরস্পরের আরও নিকটে এলে বুঝতে পারি যে এটা ফিকা সবুজ নয়, একটা হলদে রঙ।
কিন্তু এই সময়ে আমরা স্বীকার করতে রাজী হই না যে আমাদের কল্পনা মিথ্যা হয়ে গেছে, তাই আমরা কৈফিয়ৎ তৈরি করতে থাকি। আমরা নিজেদের বলি, 'এটাই জীবন! সবকিছু নিখুঁত হতে পারে না!' বরং বাসর করার কি আছে। বাস্তবতার সাথে বাস করার জন্য প্রবল সাহস ও বুদ্ধি প্রয়োজন। তাই বদলে আমরা এই অজুহাতগুলিকে বাফার সিস্টেম হিসাবে নিজেদের বাস্তবতা থেকে ঢেকে রাখার জন্য ব্যবহার করি।
শেষে আমরা যখন একদম নিকটে এসে যাই আমরা দেখি যে সেটা হলুদ নয়,
সেট কেবল সাদা রঙের! আমাদের ভিতরে যেটা, সেটা হ'ল সবুজ এবং বাইরে যা আছে, সেটা সাদা। অলীক-কল্পনা ও বাস্তব দুটো সম্পৰ্ণ ভিন্ন।
একটা ছোট গল্প :
এক ব্যক্তি বাড়ীর তিনতলা থেকে রাস্তায় পড়ে গেল। একজন পথচারী তার দিকে দৌডে গেল ও জিজ্ঞাসা করল, 'পড়ে যেতে খুব ব্যাথা হয় নিশ্চয়?'
ব্যক্তিটি উত্তর দিল, 'না। পড়ে যেতে কোন ব্যাথা নেই। পড়তে পড়তে কেবল হঠাৎ থেমে গেলেই আমার বেদনা হয়!'
যতক্ষণ বাসনা ভাসে, যতক্ষণ আমরা আমাদের দূরত্ব বজায় রাখি ও সময় কম রাখি, আমরা ঠিক আছি। আমরা তখন অলীক-কল্পনার দুনিয়াতে আছি। কেবল যখন ভাসা বন্ধ হয় এবং আসল সম্বন্ধতা শুরু হয়, যখন দূরত্ব কমে এবং সময় বাড়ে, তখন সমস্যা আরম্ভ হয়!
যত কম অলীক-কল্পনা তুমি সংগ্ৰহ কর, তুলনা করার জন্য যত কম জিনিষের থাকে, তত কম সমস্যা থাকে। যদি তোমার কোন অলীক-কল্পনা না থাকে তুমি অবিলঙ্কে তোমার জীবনসঙ্গী পেয়ে যাবে। যদি তোমার কোন অলীক-কল্পনা না থাকে, যাকেই বিয়ে কর, সে তোমার জীবনসঙ্গী হয়ে যাবে।
বাস্তব আর আমাদের মনে বহন করা ছবিটি বাস্তব থেকে আলাদা হয় নি, কারণ অলিক মানুষের সাথে মিলবে না। বাস্তব কোন ছবিরে বাস্তবের সাথে মেলে না, তা তো কেবল একটা ছবি, এক কল্পনা!
চরম আলকেমি
আলকেমি হল জীবনের লাশাদেক রূপান্তরন করা হ'ল আলকেমি। একইভাবে আমাদের সত্তা পরিপক্ষু হ'লে যৌনতার মূল ভাবনা প্রেমে রূপান্তরিত হয়। প্রেমই তো আমাদের সম্ভাব্য সবচেয়ে বড় আবেগ।
আলকেমিতে অশুদ্ধতাকে সরিয়ে ফেলা হয়, এবং তাতে কিছু নতুন উপাদান যোগ করা হয় এবং পরে প্রসেস করে প্রাথমিক ধাতু থেকে সোনায় পরিবর্তিত করা হয়।
একইভাবে, তোমার অলীক-কল্পনার অশুদ্ধতা দুর কর, তোমার বন্ধুতের বিশুদ্ধতা যোগ কর এবং তাকে তোমার ধৈর্য দ্বারা প্রসেস কর। প্রথমদিকে লোকেরা তোমার পরিবর্তন বুঝতে পারবে না। কেবল নিজের বিশ্বাস ও প্রত্যয় সহকারে চলতে থাক। তখন তোমার আন্তরিকতা ও শক্তিমতা তোমার চারিদিকে সবাইকে সকারাত্মকভাবে ছোঁবেই।
যখন আমরা নিজেদের পুরোপুরিভাবে গ্রহণ করি না এবং কাউকে নকল করি, আমাদের খুব সম্ভবত সুন্দর লাগতে পারে, কিন্তু তাতে কখনও সহজ মাধুর্যময় হতে পারি না। মাধ্যয ভিতর থেকে আসে। তুমি যেমন, ঠিক তেমনটি ভাবে নিজেকে গ্রহণ করে এবং তোমার সাথী যেমন আছে, তাকে ঠিক সেভাবে গ্ৰহণ কর।
প্রেমে মিত্রতা যোগ কর। এখন পর্যন্ত, আমাদের যৌনকামনা হ'ল অন্যকে বশে রাখার জন্য গভীরে শিকড়িত হিংসা। সেই সম্বন্ধতায় বন্ধুত যোগ কর। তোমার সাথী যেমন, ঠিক তেমনটি ভাবেই তাকে স্বাগত কর, কেবল তাকে গ্রহণ করলে চলবে না। মন, শরীর ও
সত্তা যেমন আছে সেভাবেই স্বাগত ও গ্রহণ কর। তাহলে দেখবে যে যৌনকামনা প্রেমে রূপান্তরিত হয়ে গেছে এবং তোমার সত্তা চিরন্তন আনন্দে আছে।
যে জিনিসের প্রতি মন আকর্ষিত হয়, তাতে ধ্যান করা' তুমি বলতে পার, 'কিন্তু আমার মন সব রকম নোংরা জিনিষের দিকে যায়।' বিব্রত হয়ো না। ‘নোংরা’ বলে কিছু নেই। সুন্দর অনুভূতি সহকারে সুন্দরভাবে ধ্যান কর। তুমি শ্রদ্ধাশীল ও সংযুক্ত অনুভব করলে যে কোন কিছুই পবিত্র হয়ে যাবে। তুমি কামনাতে পবিত্রতা ও শ্রদ্ধা নিয়ে আস, কামনা হয়ে যাবে প্রেম।
প্রেম মানুষটিকে জীবন প্রদান করে। প্রেম সহকারে মানুষ হয় জীবন্ত! প্রেম বিনা মানুষ এক বস্তুতে, এক উপযোগিতায় নেমে যায়! প্রেম বিনা যখন তুমি কোন সুন্দর পুরুষ বা মহিলার দিকে তাকাও এবং পরিকল্পনা কর যে তার কাছ থেকে কি পেতে পার, তুমি তাকে এক বস্তুতে নামিয়ে আন। কেবল যখন তুমি মানুষ হিসাবে দেখ, মানুষটি তখন হয় এক জীবন্ত সত্তা।
সেইজন্য যখনই কেউ তোমার দিকে কামনাপূর্ণ চোখে তাকায়, তুমি ভীষণ বিরক্ত বোধ কর। কারণ, আমরা চাই কেউ আমাদের মানুষ হিসাবে দেখুক। যদি কেউ আমাদের মানুষ হিসাবে দেখে, সেই মানুষটির চারপাশে সর্বদা থাকতে চাও।
কৌমাৰ্য-ব্ৰত
যৌনতার জন্য ব্যগ্র না করাই হ'ল কৌমার্য-ব্রত, ব্যাস। যদি তুমি পুরুষ হও, তোমার নিজের সাথে এমন পূর্ণতার অভিজ্ঞতা হওয়া চাই যে তোমার ভিতরের অবদমিত অর্ধ অথবা নারীকে তুমি আর হারাও না। যদি তুমি নারী হও, তুমি নিজের দিকে তাকাও না, তুমি বহির্জগতে সঙ্গীর সাথে বা সঙ্গী ছাড়াই বাস করতে পারবে। যদি তা সঠিক না হয়, বিয়ে করলেও তোমাকে তোমার হরমোনগুলি অত্যাচার করতে থাকবে। তোমার হরমোনের যন্ত্রণা আর কিছুই নয়, মানুষ হিসাবে পরিতৃপ্তির বাসনা যা তোমার ভিতর থেকে পাবার কথা, বাইরে থেকে নয়।
যখন তুমি বিবাহিত হও কি না হও, তোমার মনে এক শান্তি থাকা দরকার এটাই সত্য কৌমাৰ্য-ব্ৰত বা ব্ৰহ্মচৰ্য।
কিসের জন্য তোমার ভিতরে কামনা জাগে? কোন বিশেষ সুখ বা বস্তু বা মানুষ হতে পারে।
যা কিছু তোমাকে জাগতিক বাশিভণ্ডন, লোভী বা কামুক বানায়, তা সেই লিস্টে লিখে ফেল।
এরপর পবিত্র অনুভূতি সহকারে ধ্যান কর। যে কোন কিছুই পবিত্র হয়ে যাবে যখন তুমি প্রতিটি বিষয়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সংযুক্ত অনুভব কর। সেই বস্তু বা ব্যক্তিটির প্রতি শ্রদ্ধা নিয়ে আস।
কামনাপূর্ণ মানুষ সর্বদা কোন ব্যক্তিকে বস্তু বানিয়ে ফেল কারণ তুমি তাকে সম্মান করছ না। শ্রদ্ধা ও মুক্তিপূর্ণ মানুষরূপে এক বস্তুকেও জীবন্ত করতে পার। কামনা নয়, শ্রদ্ধার সাথে সূর্যের দিকে তাকাও তখন প্রতিটি মুহূর্তে তুমি এক গভীর আবেগ হয়ে যাবে করুণা। তখন প্রতিটি মুহূর্তে আসল প্রেম অনুভব কর।
ধ্যান-প্রক্রিয়া
১) বিষয় ছাড়িয়ে মনোভাব
বিষয় পরিবর্তন করা কখনও সমাধান নয়। মনোভাব পরিবর্তন করাই সমাধান।
যে সব বিষয়ের প্রতি তোমার আসক্তি আছে ও যে সব বিষয়ের প্রতি তোমার লোভ আছে, তুমি তার একটা লিস্ট বা তালিকা কর।
ত্রিশ মিনিটের ধ্যানপ্রক্রিয়া
এই ধ্যান প্রক্রিয়া তোমার ভিতরের মূল বিশ্বাস কার্যাবলীটাকে বাহ্য করে আনবে।
শ্বাসপ্রশ্নাস মনের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত। যদি তোমার চিন্তা শান্ত হয়, তোমার
শ্বাসপ্রশ্নাস আরামে হবে। তোমার চিন্তা আগ্রাসী হলে, তোমার শ্বাসপ্রশ্নাসও জোরে জোরে হবে।
তুমি এই প্রক্রিয়া খালি পেটে করতে পার। এটা তোমাকে হালকা করতে দেবে এবং তোমার মুখ ও শরীরে এক জ্যোতি নিয়ে আসবে। এটা এক মানসিক স্নান করার মত। তুমি নিজের ভিতরে এক জীবনজাড্যক উপলব্ধি করতে পারবে।
প্রথম ধাপ : ১০ মিনিট
চোখ বন্ধ করে দাঁড়াও। এই ধ্যানের প্রথম ভাগে, গভীর শাসপ্রশ্নাস দ্বারা ও বর্ধিত ব্যক্তি স্বকীয়তা নিয়ে তুমি ভিতরে প্রবেশ করে অনুভব করতে থাকো। তোমার কোষগুলি বেশী শক্তি পাবে এবং তারা বেশী জৈববিদ্যুৎ বা জৈবশক্তি সষ্টি করবে। এটা যেন মেরুদণ্ডের ব্যবধানগুলিকে গলানোর মত গলিয়ে দেবে। এটা যেন মূলাধার চক্রতে হাওয়া দেওয়া হচ্ছে।
মনমধ্যে সূর্য্য এবং পৃথিবীর প্রতি বিশ্বাসভাবে শ্বাস নাও এবং শরীরের গভীর থেকে নাও। হাত নাড়াও, হাঁটু ভাঁজ কর এবং অর্ধেক বসার ভঙ্গিমায় বেঁকে যাও এবং তার পর উঠে দাড়াও। ভারীভাবে অনুভব কর কালনা করা, জেনদ্ব এবং নোটক। রঁফ রঁফ রেমর্ব এবং নোটক, রাজ ওপরে ও নীচে, তোমার শাসপ্রশ্নাসের সাথে তাল মিলিয়ে।
গতিবিধিগুলি মনুভাবে কর এবং শ্বাস ভিতরে নেবার সময় ওপরে ওঠার গতি এবং শ্বাস ছাড়ার সময় নীচ্চে নামার গতি সুসংগত কর। হার্টের কোন সমস্যা থাকলে যতটা পার ততটা কর। একইভাবে গর্ভবতী মহিলাগণ কেবল যতটা পার ততটাই কর।
দ্বিতীয় ধাপ : ১০ মিনিট
তোমার চোখ বন্ধ রাখ এবং তোমার মনোভবন বর্ণনা করতে থাক, বর্ণিনি ব্যক্তক একণাভ ভব বকণী করেব মরুভূমি কুঁচকিয়ে টানটান কর, তারপর তাকে আরাম করতে দাও। একটা অঙ্গ টানটান কর ও আরাম কর, তারপর অন্য অঙ্গে যাও। তোমার পায়ের পাতা থেকে তারপর উরুতে যাও; পরে নিতম্ব; এরপর পেটে ও পিঠের নীচে; তারপর বুকে ও পিঠের
মায়ের ‘না’ বাচ্চার ওপরে একটা বিরাট প্রভাব বিস্তার করে। যা তাকে অপরাধবোধের সঙ্গী করে। এখন, বাচ্চাটি হয় নির্জনে থাকবে অথবা মায়ের চোখের সামনে থেকে পালাতক। কিন্তু দু’জায়গাতেই তার বিকাশ ব্যাহত হয়। যদি টেন নির্জনে জনবর জান করব মার্যব মটেল থাকে, তবে তার প্রকাশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। আর যদি সে চলে যায়, তবে সর্বদাই ভয়, এবার, এরম করিয়া থাকার জন্য তাকে তিরস্কার করবে। আর সেটা কোন বড় ব্যাপারের জন্য নয়, কেবল রোদে খেলার জন্য।
বাচ্চা বড় হতে থাকলে অপরাধবোধের এই এনগ্রাম তার ভিতরে জনেম যাবে। এমনকি সে বড় হয়ে স্বাধীন হয়ে গেলেও যদি কখনও বাগানে রোদের নীচে বসে, তার ছেলেবেলার স্মৃতি যেন সামনে এসে দাঁড়ায়। তার অপরাধবোধ হ’তে পারে এবং বিনা কারণে অস্বস্তিবোধ করতে পারে। বাগানে ঘাসে কেবল বসার জন্য অপরাধবোধের কোন কারণই নেই, কিন্তু পুরানো স্মৃতি যে জেগে উঠেছে।
এই প্রকার ছোট ছোট ঘটনা সংগৃহীত হয় এবং অপরাধবোধ তোমার জীবনের স্বাভাবিক প্রণালী হয়ে যায়।
অপরাধবোধ ও সুখ
বাচ্চা যে স্বাভাবিক আনন্দ ও সুখের মধ্যে থাকে তাকে - উপভোগ - ও উৎসাহিত করতে পারি না কেন?
যদি তুমি একটি শিশুকে কাঁদতে দেখ, অনুভব করো সে শুধু নির্জনে ও স্বাভাবিকভাবে মিশে মিশে একাকার হয়েছে। একটা ছোট বাচ্চা অপরাধবোধ সম্বন্ধে কিছুই জানে না, লাগামহীন ও ব্যক্তিক। সেইজন্য ছোট বাচ্চা দেখা কত মনোমুগ্ধকর হতে পারে। তাকে সভ্যতার মুখোশের সাথে পরিচয় করানো হয় নি। সে এখনও আদিম। সেইজন্য সে এত শক্তিতে পূর্ণ। সে আনন্দ ও ঔৎসুকে্যে উচ্ছুসিত, এবং যেন সবকিছু সেইরকমই অনুরণিত হচ্ছে।
বাচ্চা সবকিছু সহজভাবে গ্রহণ করে, কিন্তু বাবা-মা সামাজিক নিয়মের জন্য অপরাধবোধ, গম্ভীরতা ও ভণ্ডামিতে পূর্ণ হয়ে আছে। বাচ্চা আর নাচতে পারে না; সেটা তার স্বাভাবিক প্রকাশ। কিন্তু বড়রা তাকে থামিয়ে দেয়, ‘এসব করো না! এটা খারাপ আচরণ। তোমাকে সভ্য হতে হবে। তোমাকে আমাদের মত ভাল হতে হবে।’ বাণিদ্ধ স্বাসিন ও মূর্থি রবব ভাবন অপরাধবোধের ভাবনার সাথে যুক্ত হয়ে যায়।
সমাজ সৃষ্ট অপরাধবোধ
সাত থেকে চোদ্দ বছর বয়সে সমাজ তোমার মধ্যে অপরাধবোধ সৃষ্টি করে। নজয় বিদ্যুক অপরাধবোধ সুষ্টি করে সামাজিক আইন।
কাম বর্ষ বয়ুক ভবিবাদ ও সমাজ তোমার জন্য অপরাধবোধ সৃষ্টি করে। একটি গুরু কুর্বাদ্যায় হল যৌনতাবোধ। বাবা-মা অথবা পরিবার যৌনতা বিষয়ে কখনও মুখ খুলে কথা বলতে চান না। যখন তোমার শরীরে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে, তুমি তোমার দেহকে নতুন অনুভব কর। অনেক
মিডিয়া তোমাকে নানা অলীক-কল্পনা দিয়ে অবিশ্রাম আঘাত হানে।
আর সেই বিভ্রান্তি ও বাসনাতে তোমার
থাকে, কিন্তু কেউ তা দেবার জন্য তৈরি নয়।
আরও বিজ্ঞাপনের বাড়াবাড়ি যখন সমাজ জানায় তুমি পর্যাপ্ত নও। তুমি যা হয়েছ এবং তুমি যা করছ, তার জন্য সমাজ তোমাকে অপরাধবোধের অনুভূতি দিতে থাকে। একবার সমাজ যদি তোমার মধ্যে এই বীজ বপন করতে পারে, যা তুমি এক কমজোরি, তাহলে তুমি জীবনের আনন্দ আর উপভোগ করতে পার না।
আমার মতে অপরাধবোধ হ’ল সবচেয়ে বড় পাপ। অন্তত অন্য পাপগুলি তোমাকে মত্যুর পরে শাস্তি দেবে। অপরাধবোধ তো তোমাকে জীবিত থাকা অবস্থাতেই শাস্তি দেয়।
তিব্বতের লোকেরা বলে, ‘বাসান ধর্ম হল জনুণাভ শাডা বাঁচা ও মৃত্যুপ্রাপ্ত করা।’
সমাজ একজন পাপী বলে। যতক্ষণ সমাজ তোমায় খারাপ দেখবে, তুমি একজন খারাপ মানুষ। যদি তুমি সমাজে কাউকে হত্যা কর, তুমি খুনী হয়ে যাও এবং শাস্তি পাও। কিন্তু যদি যুদ্ধক্ষেত্রে কাউকে হত্যা কর, তোমাকে হিরো বলা হবে, তোমাকে বিরাট পুরস্কার দেওয়া হবে। তাই কোন মাপকাঠীজ দিয়ে নির্ণয় করা যায় কোনটা সঠিক ও কোনটা বেঠিক। সেটা সমাজের নিজের যুক্তি।
শোষণের উপায়
যারা তোমার মধ্যে অপরাধবোধ সৃষ্টি করার জন্য আইন কানুন সৃষ্টি করে, তারা তাদের ব্যক্তিগত জীবনকে লুকিয়ে রাখে, কারণ সেটা তাদের সৃষ্ট আইন-কানুনের একেবারে আলাদা। কিন্তু যারা ব্যক্তিগত জীবনে দুর্নীতিগ্রস্ত, তোমার অপরাধবোধের মধ্য দিয়ে তারা তোমাকে শোষণ করতে পারে। একবার তোমার মধ্যে বর্ষানাধরবাদ্যব বীজ বর্ষন করা র’টল, সমাজ তোমায় সহজেই শোষণ করতে পারে। সেইজন্য অপরাধবোধের বীজ বপন করে।
এক অপরাধী ব্যক্তি কখনও নিজের সাথে স্বচ্ছন্দরোধ করবে না। তার আত্মবিশ্বাসের অভাব দেখা দেবে। তার সর্বদাই একজন্য লীডারকে চাইবে। এখানেই সমাজ প্রবেশ করে এবং তাকে শোষণ করে।
সমাজ তোমার অপরাধবোধের বশে কাজ করে। তুমি নিজেকে যত অপরাধী মনে করবে, সমাজ তোমাকে তত বেশি ক্ষমতাবান রাখবে। একদিকে সমাজ তোমার ভিতরে অপরাধবোধ জাগায়, অন্যদিকে সে তোমাকে অপরাধবোধ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য চাবিকাঠিও দেখায়। প্রথমে সে অসুখ সৃষ্টি করে, তারপর সে তার ওষুধ বিক্রি করে।
আরেকটা তাৎপর্যপূর্ণ জিনিষ হ'ল যারা শিক্ষাগুলি অভ্যাস করে না বা অভ্যাস করতে পারে না, তারা নিজেদের দুর্বল মনে করে এবং যারা অভ্যাস করে তারা নিজেদের খুব শক্তিশালী মনে করে। যখন তুমি শিক্ষার শব্দাবলীতে ভরে যাও এবং তুমি সেগুলিকে অভ্যাস করতে পার না, তুমি অন্যকে দুর্বল এবং নিজেকে শক্তিশালী করে শব্দাবলী দিয়ে শিক্ষা দেওয়া শুরু কর! আসলে সেটা অপরাধবোধ থেকে পালানোর একটা সুন্দর উপায়। অন্যদের অপরাধবোধ জাগিয়ে, তোমার অপরাধবোধ হয় না। এটা একটা চেইন প্রক্রিয়া।
একটা গল্প :
একবার চারজন সাধু একটি প্রদীপের সামনে বসে। তারা ঠিক করে যে পাঁচ দিন ধরে একদম নীরব থেকে প্রদীপের দীপশিখার দিকে তাকিয়ে ধ্যান করবে। প্রথম দিনের শেষে, প্রদীপ টিমটিম করতে লাগল।
একজন সাধু বলে ফেলল, 'ও না, প্রদীপটা নিভে যাবে যে!'
দ্বিতীয় সাধু প্রথমজনকে বলে, 'মনে রেখ, আমাদের কথা বলা বারণ।'
তৃতীয় সাধু বলে ফেলে, 'তোমরা দুজন কথা বলছ কেন?'
সবশেষে চতুর্থজন দাবী করে, 'আমিই খালি কথা বলি নি!'
যখন আমরা অন্যদের ওপর আঙ্গুলিনির্দেশ করি, আমরা উপলব্ধি করি না যে আমরাও সেই একই দোষে দোষী হতে পারি। অনেক পরিস্থিতিতে আমরা অন্যদের সংশোধন করি, কিন্তু আমরাও সেই একই ভুল করার জন্য দায়ী। যখন আমরা উচ্চতর পদে আছি, আমরা অপরাধবোধ থেকে অব্যাহতি পাই।
উভয়সঙ্কট
অপরাধবোধ মানে তুমি এমন কিছু একটা করেছ যা অন্যেরা চায় না। যদি তুমি সমাজকে না শোন ও তোমার স্বাভাবিক বুদ্ধিকে শোন, তুমি খারাপ কিছু করার জন্য অপরাধবোধ কর। তুমি ভয় পাও ও নিজেকে রক্ষা করতে থাক। এমনকি তুমি ভান কর যে তুমি সেটা কর নি। তুমি জীবনের সাথে স্বাভাবিক অনুমোদন করে, তা করে তুমি খুশী হও না কারণ প্রায়ই সেগুলিকে স্বাভাবিকভাবে নিজের মনে হয় না। এর উভয়সঙ্কটে তুমি পড়েছ।
অপরাধবোধ এক দৈত ব্যক্তিত্ব তৈরি করে, ভগ্নমনস্কতা সৃষ্টি করে। তোমার মস্তিষ্কের এক অংশ বলে এটা খারাপ, অন্য অংশ বলে তুমি আসলে কি প্রকাশ করছ।
স্বর্গ ও নরক
অপরাধবোধ বপন করার উপায় হ'ল স্বর্গ ও নরকের ধারণা ব্যবহার করা। স্বর্গ ও নরকের ধারণা ব্যবহারকারীরা লোভের সুযোগ গ্রহণ করে। তারা তোমার মধ্যে স্বর্গের লোভ ও নরকের ভয় সৃষ্টি করে। তারা স্বর্গ ও নরক সম্পর্কে অনেক ধারণার সঙ্গি করে ও 'তুমি যদি এই প্রকার জিনিষগুলি অভ্যাস কর তাহলে তুমি স্বর্গে যাবার পুরস্কার পাবে। যদি তুমি অন্যভাবে অভ্যাস কর, তোমাকে নরকে গিয়ে শাস্তি পেতে হবে।' যখন তোমাকে লোভ ও ভয়ের ওপরে ভিত্তি করে কানুন দেওয়া হয়, তুমি স্বত:স্ফূর্তভাবে নিজের ভিতরে অপরাধবোধ সৃষ্টি করতে শুরু কর।
একটা ছোট গল্প :
একবার এক মিলিটারী জেনারেল এক জেন মাস্টারকে জিজ্ঞাসা করেছিল, 'মাস্টার, স্বর্গ ও নরক কি?'
মাস্টার জিজ্ঞাসা করেন, 'তুমি জীবন ধারণের জন্য কি কর?'
জেনারেল উত্তর দিল, 'আমি একজন জেনারেল।'
মাস্টার কেবল হাসলেন, 'কোন বোকা তোমাকে জেনারেল হতে বলেছে? তোমাকে দেখে তো কসাই বলেই মনে হয়!'
জেনারেল অগ্নিশর্মা হ'ল ও তার তলোয়ার বার করে বলে, 'আমি আপনাকে টুকরো করে ফেলবো।'
মাস্টার কেবল হাত ওঠালেন এবং বললেন, 'এটাই নরকের প্রবেশদ্বার।'
জেনারেল তার মূর্খতা বুঝতে পারল ও মাস্টারের কাছে নত হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করল।
মাস্টার বলে চললেন, 'এটাই স্বর্গের প্রবেশদ্বার।'
পরিষ্কার করে বুঝে নেও, স্বর্গ ও নরক কোন প্রাকৃতিক অবস্থান নয়। তারা তোমার মনের মানসিক অবস্থা। এক ক্ষণে মন নরকে, অন্য ক্ষণে স্বর্গে। স্বর্গ ও নরকের প্রবেশদ্বারগুলি পালা করে যে কোন সময়ে খোলে ও বন্ধ হয়।
তোমার দ্বারা সৃষ্টি অপরাধবোধ
একুশ বছর বয়স পর্যন্ত, পরিবার ও সমাজ থেকে পাওয়া জ্ঞান অপরাধবোধ সঙ্গি করে। পরিবার ও সমাজ তোমার মধ্যে যে অপরাধবোধের বীজবপন করেছে, একুশ বছর বয়স হবার পর তা তোমার ভিতরে শিকড় গাড়ে। তখন তুমি কোন কারণ ছাড়াই নিজের জন্য অপরাধবোধ সৃষ্টি কর। অপরাধবোধ তোমার সত্তায় এক স্থায়ী অতিথি হয়ে যায়!
পরিবার অপরাধবোধ হ'ল চাপানো অপরাধবোধ: তারা রাজমুকুটের মত এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে হস্তান্তরিত হয়। তৃতীয় অপরাধবোধ সবচেয়ে খারাপ - সেটা তুমি নিজেই নিজের জন্য সৃষ্টি কর। যখন তুমি লোভ ও ভয়ের ওপর নির্ভর কর, তুমি নিজের জন্য এক নতুন ধরণের অপরাধবোধ সৃষ্টি কর।
যখন তুমি দুর্বল, তোমাকে শোষণ করা যায়। যখন তুমি নিজের সাথে লড়াই শুরু কর, তখন সহজেই তোমার থেকে সুযোগ নেওয়া যায়।
নিজের জীবনের দিকে তাকালে দেখবে, তুমি সূক্ষ্মভাবে কিভাবে প্রতিটি মুহূর্তে নিজের সাথে লড়াই করার জন্য কোন কারণ খুঁজছ, নিজের দুর্বলতার কারণ খুঁজছ। তুমি কোন দ্বন্দ্ব বিনা থাকতে পার না। তুমি নিজের জন্য দুর্দশা সৃষ্টি করতে চাও কারণ তোমাকে সেটাই শেখানো হয়েছে - সুখ এক পাপ।
মনের নদীতে অপরাধবোধ পাথর -বুদ্ধিপ্রবাহে বাধা
তোমাকে দুর্বল হবার মত তোমাকে পরিকল্পনা করা হয়েছে। অপরাধবোধ যেন জলের পথে প্রস্তরখণ্ডের দেওয়া বাধা। সমাজ সুক্ষ্মভাবে সুখকে এক পাপ বলে চিহ্নিত করেছে। সেটাই সমস্যা। তাই লক্ষ্য করবে যখন সব কিছু সহজে ও খুশীতে চলছে, তোমার ভিতরে অপরাধবোধ চুপি চুপি কাজ করে যাচ্ছে। সমাজ দ্বারা তুমি শিক্ষা পেয়েছ যে সুখী হওয়া ও জীবন উপভোগ করা একভাবে তোমার দায়িত্বহীনতার লক্ষণ। তাই তোমার অপরাধবোধ হয়।
কিন্তু তুমি যখন বিমর্ষ ও বিষণ্ণ অনুভব কর, তখন কি কখনও তোমার অপরাধবোধ হয়? না!
তোমাকে শেখানো হয়েছে যে জীবন দুঃখের শিকল, তাতে সুখ কখনোসখনো ঢুকে পড়ে।
সেইজন্য তুমি সর্বদা খুশী ও হাসিমুখে থাকলে লোকে তোমাকে রিজনি মনে করে না। তোমার ভিতরে অপরাধবোধ ঢুকিয়ে তারা তোমাকে তথাকথিত বাস্তবতায় ফিরিয়ে নিয়ে আসার জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করে যায়।
যখন তুমি খুব ভালো জীবন যাপন করছ, হঠাৎ তোমার মধ্যে অপরাধবোধ জেগে ওঠে - বাকি সদস্যদের জন্য, যেগুলিকে পালন করতে হবে।
অপরাধবোধের কোন ভিত্তি নেই, কিন্তু তা তোমার পুরো জীবনকে ধ্বংস করে ফেলতে পারে। যদি তুমি দুর্বলতা বিনা জীবন যাপন করতে পার, তুমি প্রতিটি মুহুর্ত কোন অনুতাপ ছাড়াই উপভোগ করবে, আবার সমস্ত দায়িত্বও নির্বাহ করবে।
সমস্যা হ'ল তোমার সত্তা হয়ে গেছে দুর্বলতার ভাষা, যে আওয়াজগুলি তোমার নয়। তোমার মায়ের আওয়াজ, তোমার বাবার আওয়াজ, কত আওয়াজ একসাথে তোমার ভিতরে আছে! যখন তুমি কেবল বর্তমানের আওয়াজ থাকলে তোমার কোন সমস্যা হবে না। তোমার মন নদীর মত প্রবাহিত হবে। কিন্তু দুর্বলতার আওয়াজ তোমাকে কত কিছু বলে চলেছে এবং তোমার নদীপথে অপরাধবোধের পাথর তৈরি করে চলেছে।
যখন তোমার কোনো দুর্বল মনে হবার দরকার নেই, তুমি জীবনে অসাধারণ বুদ্ধিমত্তা প্রকাশ করবে। প্রতি মিনিটে উচ্ছ্বসিত হওয়া শক্তি সহকারে তুমি বাস করবে। যেই মুহুর্তে তুমি তোমার ভিতরের দুর্বলতাকে অনুভব করছ, যারে মুহুর্তে তোমার স্বচ্ছন্দ প্রবাহ বাধা পায়, তুমি তোমার সত্তাতে শক্তি-জট সৃষ্টি করে ফেল।
নিজেকে নিজে ওঠাও
একবার যদি বুঝে যাও যে অপরাধবোধ তোমাকে কিভাবে চালায়, তুমি তার বাইরে আসার অভ্যাস করা শুরু করতে পার। কিছু অভ্যাস করা শুরু করলে কয়েকবার ত্রুটি হতে পারে। যখন তুমি রুচি ও স্বাদের অভাব অভ্যাস কর, তোমার লোভ ও ভয়ের পুরানো প্যাটার্নে পিছলে যাওয়া স্বাভাবিক। তখন হঠাৎ মনে পড়বে, 'ও, আমি ভয় থেকে কাজ করতে শুরু করেছি,' 'আমি লোভ থেকে কাজ করতে শুরু করেছি।' তাহলে তুমি আবার সতেজভাবে শুরু স্বাভাবিকভাবে তুমি এগুলিকে ঘটতে দেখবে।
একটা ছোট গল্প :
একজন নতুন ধর্মীয় যাজককে একটি মঠের প্রধান করার জন্য পাঠানো হয়। হঠাৎ হেডকোয়ার্টার সেই সন্ন্যাসী সম্পর্কে অনেক নালিশ জানানো চিঠি পেতে লাগল।
সব চিঠি পড়ার পরে অধ্যক্ষ মহোদয় বলেন, 'আমরা সঠিক মানুষকে পাঠিয়েছি।'
সচিব মহোদয় জিজ্ঞাসা করেন, 'এটা কি হল স্যার? আমরা তার সম্পর্কে অভিযোগ পাচ্ছি। আপনি কিভাবে বলেন যে আমরা সঠিক মানুষকে পাঠিয়েছি।'
অধ্যক্ষ মহোদয় সেগুলোর উত্তর বলেন, 'যদি আমরা অভিযোগ পাই, তার মানে সে কাজ করতে আরম্ভ করেছে, সেখানে কিছু ঘটছে।'
যখন তুমি নতুন কিছু শুরু কর, তাতে তিনটি পর্যায় থাকবে। প্রথমটি হ'ল বিরোধিতা। তারপর নিঃস্পৃহতা - লোকেরা পরোয়া করবে না, আবার বাধাও দেবে না। তৃতীয়টি স্বীকৃতি।
একইভাবে যখন যখন তুমি নিজের সিস্টেমের ভিতরে কিছু করা শুরু কর, তুমি বর্তমানেও সেই জিনিসগুলি দেখবে। প্রথমটি বিরোধিতা। তুমি অনুভব করবে যে নতুন জায়গায় বর্ণনার বিভিন্ন অভাব পরিবর্তন। এর কারণ (যা ঘটার কথা), যা র'ল, পরিবর্তনটি অভ্যাস করার সুযোগ তুমি এড়িয়ে যেতে থাক। বারবার তুমি তোমার পুরানো পথে চলে যাও। তোমার তন্ত্র (সিস্টেম) বাধা দেয়, মন নানারকম কান্ড কারখানা ঘটাবে। সুতরাং এমন একটা সময় আসবে যখন বিশ্বাসকারী ব্যক্তি (যাজক) নিজের শত্রু হয়ে যাও।
শ্রীকৃষ্ণ ভগবদ্গীতায় বলেছেন, 'তুমি যেন নিজেকে নিজে উত্তোলন করতে পার। যদি তা না ভাব, তুমি নিজেকে নিচে নামাবে।' এটা তোমার ওপরে নির্ভর করে যে তুমি নিজের সদ্ব্যবহার জানো নাকি সদ্ব্যবহার না করে নিজেকে আঘাত করে।
তুমি না চাইলে কেউ তোমায় আঘাত করতে পারে না। তুমি না চাইলে কেউ তোমায় সাহায্য করতে পারে না।
যদি তুমি খুব দুর্বল হয়ে থাক, স্মরণ কর ও বারবার নিজেকে উত্তোলন কর। বিষণ্ণ হয়ে যেও না, দুর্বল হয়ো এসো না। ভেবো না যে তুমি তা করতে সমর্থ হবে না।
জীবনমুক্ত মাস্টার বুদ্ধের জীবনী পড়লে তাঁর দেহত্যাগ করার সময়ের ঘটনাটি লক্ষ্য করবে। যখন তিনি মারা যাবার একটু আগে তাঁর শিষ্য আনন্দকে তাঁর অন্তিম বাণী শোনাতে বলে। বুদ্ধ বলেন, 'নিজের আলো হয়ে যাও।' তিনি বলেন, একমাত্র তুমিই জানো নিজের গাইড হয়ে ওঠা উচিত।'
বর্তমানের অবিদ্বেষী বাক্যই ত্রাণ। এর মানে মনের খেলা বিনা বাস্তবতাকে দেখা। একবার মন বর্তমানকে কেবল তখনই অনুভব করতে পারে যখন সে বর্তমান থাকে। কেবল বর্তমান মুহূর্তে প্রবলভাবে সজাগ হয়ে তুমি অখণ্ডতা লাভ করতে পার। তখন কেবল একটি ব্যক্তিত্ব থাকবে, দুই বা তিন বা বহু নয়। কেবল যখন মন অতীত ও ভবিষ্যতের মধ্যে অস্থির হয়ে স্থান পরিবর্তন করতে থাকে, তুমি বিভক্ত ব্যক্তিত্ব হও এবং তোমার সম্পূর্ণতা হয় না। মন যদি বর্তমানে অবস্থান করে, স্বত:স্ফূর্তভাবে তুমি একীভূত হও এবং সম্পূর্ণতা বা অখণ্ডতা আসে।
একটা ছোট গল্প :
একদিন এক পূজারী ভগবানের সামনে হাঁটু গেড়ে বসে জোরে জোরে কাঁদতে লাগল, 'আমি এক পাপী। হে ভগবান, আমার ওপরে করুণা কর।' অন্য এক ব্যক্তি যে নীরবে প্রার্থনা করছিল, সেও এই ঘটনায় অনুপ্রাণিত হ'ল ও সেই পূজারীর পাশে হাঁটু গেড়ে বসে প্রার্থনা করা শুরু করল। এখন আরও একজন হাঁটুতে বসল ও কাঁদতে আরম্ভ করল। এইসব দেখে পূজারী কনুইদ্বারা মৃদু ঠেলা দিয়ে প্রথম লোকটিকে বলল, 'ফাঁকি, ওদ্দিকে তাকিয়ে বল কাকে বানাচ্ছ!'
আমাদের সব নম্রতা, সব নৈতিকতা মোটামুটি এক ছলনা। আমরা ছল করি কারণ আমরা নিজের ভিতরে দৃঢ়ভাবে সম্পূর্ণ বা অখণ্ড নই। আমরা জানি না আমাদের ভিতরে কোন ব্যক্তিত্বটি প্রকৃত এবং তাই আমরা এই প্রকার খেলায় আটকে থাকি। অখণ্ড বা সম্পূর্ণ হলে আমরা সমস্ত কাজেই শ্রদ্ধাশীল হব এবং স্বত:স্ফূর্তভাবে আমরা নৈতিক হব।
সজাগ হও, স্বতঃস্ফূর্তভাবে সঠিক হও
দয়া করে মনে রেখ, তুমি কখনও ভুল করবে না যদি তা করার সময় তুমি গভীরভাবে সজাগ থাক। সজাগ হ'লে তুমি এক দুর্দান্ত কাজ করবে, নিশ্চিত রূপে। সজাগতা শারীরিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে যা সামাজিক কানুনের থেকে উন্নতও হতে পারে। দৈনন্দিন জীবনে সজাগতাই একমাত্র পথ।
সজাগতা শারীরিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে যা সামাজিক কানুনের থেকে উন্নতও হতে পারে। নৈতিকতার কোন যথার্থতা নেই, তাকে সমাজ নির্মাণ করেছে। তাই তুমি তার সাথে সংযুক্ত অনুভব কর না। সংযুক্ত অনুভব না করলে তুমি আত্মবিশ্বাস সহকারে কাজ করতে পারবে না। একজন নিজেকে সুসংহত বা সম্পূর্ণ করলে, তুমি সজাগতায় কেন্দ্রিত হবে। যদি খণ্ডিত থাক, তাহলে কোন সজাগতা থাকবে না এবং তুমি দৈনন্দিন কার্যাবলীর সহায়তার ওপরে নির্ভর করবে।
ভালোমন্দকে অতিক্রম কর
অপরাধবোধের মূল কারণ কি? সেটা হ'ল আমাদের ভালোমন্দের ধারণা, কোনটা ঠিক এবং কোনটা বাহ্যিক সম্পূর্ণ বা সাধারণ ধারণা। ভাল বা মন্দ কোন মাপদণ্ড দিয়ে মাপা যায়?
হিন্দুরা করে। খ্রীষ্টানরা আমিষ খাওয়া ঠিক মনে করে।
আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন, আরও ভাল গ্রাহক পরিষেবা -সব বিকল্পগুলি সে চেষ্টা করল। কিছুই কাজ করল না। তখন একদিন সে তার দোকানের সামনে একটি কালো পর্দা ঝুলিয়ে দিল এবং তাতে একটি ফুটো করে রাখল। সেই ফুটোর নীচে লেখা আছে, 'উঁকি মারা একদম বারণ।'
কিছু দিনের মধ্যে দোকানে বহু লোক আসতে লাগল। সবাই সেই ফুটো দিয়ে উঁকি মারার জন্য জানুয়ারী মাসের ঠান্ডায় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকত। মার্কেট নাকি স্বত:স্ফূর্তভাবে বেড়ে গেল কারণ লোকেরা এখন সেই দোকানের বিভিন্ন প্রকার পণ্য সামগ্রী দেখতে পেল।
যখন তোমাকে কিছু করতে মানা করা হয়, মানবীয় স্বভাবে সেটাই করা।
কিছু না বললেই মনে হয় যেন তুমি প্রমাণ করেছ যে তুমি স্বাধীন। 'না' বলে তুমি নিজেকে বিশেষ কিছু ভাব, নিজেকে আলাদা ভাব। আবার যখন তুমি 'হ্যাঁ' বল, তুমি নিজেকে বাচ্চা ভাব। যখন তুমি 'না' বল, তুমি অনুভব কর যে তুমি সাবালক হয়েছ।
বাবাকে 'না' বলে তুমি নিজেকে পুরুষ মনে কর। সেই সময় পর্যন্ত তুমি নিজেকে বাচ্চা বলে ভাব। বড় হয়েছ কেবল সেটা প্রমাণ করার জন্য তুমি বাবাকে 'না' বলা শুরু কর। এটাই প্রাথমিক মনোবিজ্ঞান। যখন 'না' বল, তখন নিজেকে কিছু মনে করতে পার, তার আগে পর্যন্ত তুমি নিজেকে কিছুই মনে কর না। তাই দয়া করে পরিষ্কার করে বোঝা, তুমি যাই বল না কেন, তোমার বড় রূপটা যা-ই হোক তুমি ছোট 'না' বলতে যাচ্ছে, কারণ সে কেউ-একটা হতে চায়।
কেবল জীবনই শিক্ষা দিতে পারে
লোকেরা আমার কাছে আসে ও প্রশ্ন করে, 'কিভাবে (ছোটদের) যা দরকার দিয়ে সেটা কিভাবে করাতে পারি? আমি জানি যে সেটা তার জন্য ভাল, কিন্তু সে আমার কথা শোনে না।'
তাদেরকে ফুটো জিনিষ খুঁজতে দাও। প্রথম জিনিষ, যদি তারা অনুভব করে যে কিছু একটা তাদের আনন্দ দিচ্ছে, সেটা তাদের করতে দাও। কখনও জীবন তাদের শেখানো থেকে ব্যাখ্য করতে পারবে না, একমাত্র জীবন তাদের ট্র্যাকে আনতে পারবে। তুমি তাদের জন্য কিছু করতে পারো যতক্ষণ না জীবন তাদের সেই শিক্ষা প্রদান করে, ব্যাস।
দ্বিতীয় জিনিষ, তারা সাহায্য না চাইলে তোমার সাহায্য তাদেরকে সাহায্য করতে পারবে না। সাহায্য চাইলে তারা তোমার কাছে আসবে। দ্যাখো, তোমার সুখ ও দুঃখের ধারণা নিজের অভিজ্ঞতা থেকে এসেছে। কেবল ভাব, যখন ছোট ছিলে, তুমি কি তোমার বাবার কথা শুনেছ? না। তুমি শোন নি।
কোন ছেলেই বাবার কথা শোনে না। তারা বাবা হলে, তারা ভুলে যায় যে তারা নিজে বাবার কথা শোনে নি এবং তাদের ছেলেকে ছেলেদের শিক্ষা দিতে হবে, তারা কেবল সেই ঘটনাগুলি মনে করে যা তারা যখন বাবার কথা শুনেছিল! তারা সেই ঘটনাগুলি ভুলে যায় যখন তারা বাবাকে 'না' বলেছিল। স্পষ্ট করে বোঝা যায়, তোমরা যা করছ, তোমাদের বাচ্চারা ঠিক তাই করছে।
বলি, এই 'কেন'-র কোন উত্তর কখনও দেওয়া যায় না, কারণ 'কেন' তোমার যুক্তির ওপরে ভিত্তি করা। কিন্তু জীবন ঈশ্বরের যুক্তির ওপরে ভিত্তি করা। তোমার যুক্তি ও ঈশ্বরের যুক্তি পরস্পরের সাথে কখনও মিলতে পারে না। তাঁর যুক্তি অনেক বড়, অনেক বিশাল গভীর।
জীবনের সঙ্গি তিনিই করেছেন। নিয়ম তুমি বানিয়েছ। জীবন তিনি সৃষ্টি করেছেন আর তুমি আইন বানিয়েছ। স্বভাবত তোমার আইন কখনও জীবনের সমকক্ষ হবে না।
জীবন প্রাকৃতিক। আইন সামাজিক। জীবন বাস্তবিক। আইন মানসিক। তোমার সব ধারণা, তোমার সমস্ত করণীয় ও বর্জনীয়, তোমার সকল নৈতিকতা, সমস্ত ভালোমন্দের ধারণা তোমাকে সমাজ দিয়েছে। সমাজে একটা সাধারণ বোঝাপড়ার সাথে সবার সাথে শান্তিতে একসাথে বাস করার জন্য আইন-কানুন দরকার। কিন্তু যা তোমাকে ব্যক্তিগত করতে পারবে, নিজের বাস্তবিক আশ্চর্যের কথা জেনে, যা জীবনকে সর্বোত্তমভাবে বাঁচা যায়।
নিয়ম থেকে বার হবার উপায় - পলায়ন বা প্রতিশোধ
তোমার স্বভাব হ'ল স্বাধীনতাকে খোঁজা। যদি তোমার ওপর কেউ নৈতিকতা চাপানোর চেষ্টা করে, যদি তুমি সেটাকে বর্জন করতে না পার, যারা তোমার ওপরে নিয়ম চাপিয়েছে তুমি তাদের ওপরে প্রতিশোধ নেও। চাপানো নৈতিকতা সর্বদাই তোমাকে প্রতিশোধপরায়ণ বানায় বা অনুভব করায়। তুমি হয়তো সরাসরি প্রতিশোধপরায়ণ হবে না, কিন্তু তা সবসময় তোমার মধ্যে থাকবে।
উদাহরণস্বরূপ, লোকেরা আমাকে বারংবার বলে, 'আমার ছেলে আমার যত্ন নেয় না।' স্পষ্ট করে বোঝা যে তোমার ছেলে হয়তো তোমার প্রধান শত্রু কারণ তুমি তার জীবনে বহু নিয়ম, বহু কানুন দিয়েছ। তাই স্বভাবতই তার মনের এক অংশে তোমার জন্য শ্রদ্ধা থাকলেও অন্য অংশে প্রতিশোধকে আশ্রয় দেবে।
তে পাৰে। তেওঁ পাৰে প্ৰায় কৰিছিল আৰু প্ৰথম কৰিছিল। তেওঁ পাৰে প্ৰথম কৰিছিল আৰু প্ৰথম কৰিছিল। তেওঁ সৰ্বশক্তিমান। সমাজে এটা মৌলিক সত্য। এটা সম্বন্ধে আলোচনা হয় না কাৰণ এই সত্য কথাটা হজম কৰা শক্ত! মই এই কথা ক’লে কোনো ল’ৰা বা কোনো দেউতাকে স্বীকাৰ কৰিব? এইটো এটা গভীৰ শিপাযুক্ত সত্য যি মানুহে মহানন্দে বিস্মৃত। এই সত্যৰ দিশে তোমালোকৰ মনোযোগ আকৰ্ষণ কৰোৱাটো মোৰ কৰ্তব্য।
তুমি নিত্যমুক্ত
তোমাৰ সম্পূৰ্ণ জীৱনসংগ্ৰাম কেৱল মুক্ত হ’বৰ বাবে সংগ্ৰাম। আনকি তোমাৰ অৰ্থ অন্বেষণ কৰাও মুক্ত হ’বৰ বাবে সংগ্ৰাম। যদি তোমাৰ বেছি টকা থাকে, তেন্তে তোমাৰ আৰু বেছি পছন্দ থাকে বা আৰু ডাঙৰ ঘৰ, ডাঙৰ গাড়ী, আৰু আৰাম ইত্যাদি পছন্দ কৰি ল’বৰ বাবে বেছি স্বাধীনতা থাকে। তুমি যিয়েই বিচৰা কিয়, লাগে মানুহ হিচাপে, ধন-সম্পদ বা উপাধি যিয়েই নহওক, সেই অনুসন্ধান কেৱল আৰু স্বাধীনতা বা মুক্তিৰ বাবেই কৰা হয়।
সাধাৰণতে মূলাধাৰ চক্ৰ বা যৌনেন্দ্ৰত কেন্দ্ৰীভূত থাকে আৰু নাৰী সাধাৰণতে স্বাধিষ্ঠান চক্ৰত কেন্দ্ৰীভূত থাকে।
(তেওঁ) তাৰ প্ৰতি কৰুণা প্ৰদৰ্শন কৰা উচিত। ইয়াৰ পৰিৱৰ্তে পুৰুষে নাৰীৰ দুৰ্বলতাৰ সুযোগ লয় আৰু নাৰীয়ে নানাভাৱে পুৰুষৰ কামনাৰ সুযোগ লয়।
যেতিয়া কোনোবাই বিবাহ-বহিৰ্ভূত সম্পৰ্কত জড়িত হৈ পৰে, তেওঁ তেওঁৰ স্ত্ৰী বা আন এজন মানুহৰ অনুভূতিৰ প্ৰতি অশ্ৰদ্ধা কৰে, তুমি তেওঁক নিছক পণ্যদ্ৰব্যলৈ নমাই আনা। যদি স্বামী বা স্ত্ৰী কোনোবাই ভাবি থাকে তেওঁলোকে আনৰ সৈতে তোমাৰ খেল খেলিবলৈ দিব, যদি কোনোবাই ভাবে যে তেওঁলোকে তোমাৰ জীৱনত কিমান অৱদান আগবঢ়াইছে।
যেতিয়া পুৰুষে যৌন বিকাশ কৰে, নাৰীক মাতা হৈ যাব লাগিব। যেতিয়া নাৰী ভয়ত কেন্দ্ৰীভূত হয়, পুৰুষক তেওঁৰ পিতা হ’ব লাগিব।
তোমাৰ পছন্দসমূহৰ বাবে দায়িত্ব
যদি ভাল কি বেয়া নিৰ্ণয় কৰাৰ বাবে তুমি সম্পূৰ্ণ দায়িত্ব নল’ৱা, তুমি কাম কৰা বা নকৰা কিয়, তুমি অসন্তুষ্ট অনুভৱ কৰিবা। যদি যি ধৰণে কোৱা হৈছে সেই ধৰণে কৰা, তেন্তে অনুভৱ কৰিবা, যে তোমাৰ ওপৰে আধিপত্য বিস্তাৰ কৰা হৈছে, আৰু তুমি স্বায়ত্বশাসিত নোহোৱা বুলি ভাবিবা। যদি সেই ধৰণে নকৰা, তোমাৰ অপৰাধবোধ আৰম্ভ হ’ব, হয়তো যি ধৰণে কোৱা হৈছিল সেই ধৰণে কৰিলেই ভাল আছিল।
এই উভয়সংকটৰ কোনো প্ৰয়োজন নাই। কেৱল সৰল হোৱা। বুদ্ধি সহকাৰে সঁহাৰি দিয়া। যা কৰিবলৈ কোৱা হৈছে তাক বিশদভাৱে ব্যাখ্যা কৰা যে তুমি কিয় সেইটো নকৰিবা। ব্যাখ্যা কৰি দিলে আন ব্যক্তিটিয়ে তোমাৰ কথাত কৃতজ্ঞতাও জনাব পাৰে। অথবা সেই কথাৰ বাবে তেওঁৰ ওচৰত তোমাৰ নকৰিব খোজাৰ কাৰণৰ পৰা জোৰদাৰ আৰু ভাল কাৰণ থাকিব পাৰে।
এইবোৰক তুমি বৰ্ণিভূমিত মূৰ্চ্ছাযুক্ত বা বৰ্ণিভূমিত সূৰ্য্যপূৰ্ণ জাতিত তুলি ধৰাৰ বাবে ব্যৱহাৰ কৰিব পাৰা।
উপযোগী অপৰাধবোধ
নিৰ্দিষ্ট কিছুমান অপৰাধবোধ তোমাৰ বাবে উপকাৰী। এই অপৰাধবোধক মাৰাত্মক বুলি নাভাবি কেৱল তুমি জীৱনত কিমান আগবাঢ়ি যাব পাৰা তাৰ বাবে সহায়ক হিচাপে লোৱা। যেতিয়া দুৱাৰ (গেট) আছে, যেতিয়া অনুষ্টুপ্ ছন্দত কয় যে মানুহ ক্ৰমান্বয়ে ঘাটলৈ ঢাল খোৱা যেন লাগে বা তেওঁ বাঢ়ক বাক্যাংশটো ব্যৱহাৰ কৰা নাই, তেতিয়া যদি যুক্তিবান হোৱা, জাতিতকৈ বয়সৰ ওপৰত গুৰুত্ব দিয়া। এই অপৰাধবোধে তোমাক তোমাৰ সম্পূৰ্ণ ক্ষমতা চৰকাৰী কামত নিয়োগ কৰাৰ বাবে অনুপ্ৰাণিত কৰিব।
কাকোনো সময়ত আমাৰ চাৰিওকাষৰ পৰিৱেশ বা অৱস্থাকে পৰিৱৰ্তন কৰাৰ সামৰ্থ্য আমাৰ
তেওঁৰ ঘৃণা ইমানেই গভীৰ আছিল। মই তেওঁৰ সৈতে কথা পতা চলাই ৰাখিলো। লাহে লাহে তেওঁ আৰু বেছি মুকলি হ’ল আৰু তাত তেওঁ তেওঁৰ অপৰাধবোধক বাৰ অপৰাধবোধৰ পৰা মুক্ত হ’ল। মানসিকভাৱে তেওঁৰ নিৰাময় হ’ল।
মই তেওঁক সেই অঙ্গৰ বাবে এটা সৰু কথা ক’লো, ‘সেই মানুহজনৰ প্ৰতি তোমাৰ ক্ৰোধ প্ৰকাশ কৰা। কন্দা, চিঞৰা, মাৰা। দৰজা বন্ধ কৰা, এটা বালিশ লোৱা, ভবা যে সেইটো সেই মানুহজন আৰু তাৰ ওপৰত তোমাৰ ক্ৰোধ ব্যক্ত কৰা। তাৰ পিছত শান্ত হৈ বহা আৰু অনুভৱ কৰা যে তোমাৰ শৰীৰৰ সেই অংশটো তোমাৰেই নিৰ্জন।’
তোমালোকে আচৰিত হ’বা যে মাত্ৰ দহ দিনৰ ভিতৰত সেই টিউমাৰ অদৃশ্য হৈ গ’ল! সেইটো আৰু ঘূৰি নাহিল।
আমাৰ অধিকাংশ ব্যাধি মানসিক অস্থিৰতাৰ পৰা হয় আৰু অপৰাধবোধে তাত এক বিশেষ ভূমিকা পালন কৰে।
বেশিসংখ্যক সময়ত অপৰাধবোধৰ বাবে আমাৰ শক্তিপ্ৰবাহ বাধাগ্ৰস্ত হয়। যদি গভীৰলৈ চোৱা, য’ত তুমি বিনম্ৰ হ’ব পৰা নাই, য’ত তুমি সিদ্ধান্ত ল’ব পৰা নাই, য’ত তোমাৰ ভয় আছে, তাত কিছুমান অপৰাধবোধ লুকাই থাকিব।
স্বীকাৰ কৰা - ওলাই অহাৰ সুন্দৰ উপায়
অতীত আৰু ভৱিষ্যতৰ মাজৰ টনাটনিৰ পৰা নিজকে মুক্ত কৰাৰ বাবে স্বীকৃতি এক অদ্ভুত উপায়। স্বীকৃতি সহকাৰে তুমি পোনপটীয়াকৈ বৰ্তমান মুহূৰ্তত আহি যাবা। প্ৰথম কথাটো হ’ল, বহিৰ্জগত আৰু অন্তৰ্জগতৰ সমস্ত ঘটনাবোৰক স্বীকাৰ কৰি লোৱা। তোমাৰ বহিৰ্জগত আৰু অন্তৰ্জগতত সমস্ত সমস্যাবোৰক তেওঁলোকৰ সম্ভূষণা সহকাৰে স্বীকাৰ কৰা। তুমি যি কিছুকে সমস্যা বুলি অভিজ্ঞতা কৰা সেইবোৰক মান সহকাৰে আৰু বৰ্তমান সম্ভূষণাৰে স্বীকাৰ কৰা।
সমস্ত অপৰাধবোধ, সকলো ভুল আৰু সকলো ব্যৰ্থতাক স্বীকাৰ কৰা। যদি স্বীকাৰ কৰিব নোৱাৰা, স্বীকাৰ কৰা যে তুমি স্বীকাৰ কৰিব পৰা নাই। তুমি তেতিয়াহে ৰিলাক্স কৰিবা আৰু তোমাৰ মনৰ পৰা অপৰাধবোধ মচি যাব।
এই সৰু পৰীক্ষাটো চেষ্টা কৰা :
তিনিদিন সম্পূৰ্ণ স্বীকৃতিৰ সৈতে ৰিলাক্স কৰা। অন্তৰ্জগত আৰু বহিৰ্জগতৰ টনাটনি অবিহনে তুমি যদি তিনিদিন ৰিলাক্স কৰা, তেন্তে কি তুমি জানা মন ধনমান হেৰুৱাই পেলাবা? একেবাৰেই নহয়! গতিকে কোনো সমস্যা নাই। তিনিদিনত তুমি একো হেৰুৱাবলৈ নাই। এবাৰ চেষ্টা কৰি চোৱা না কিয়? কেৱল তিনিদিনৰ বাবে, আন্তৰিকভাৱে, সমগ্ৰ সত্তাৰে তোমাৰ জীৱনৰ সমস্ত কিছুকে শতকৰা এশ ভাগ স্বীকাৰ কৰা!
যদি তুমি গণক বাদ দিব নোৱাৰা, তেন্তে স্বীকাৰ কৰা যে তুমি ব্ৰক্স দান সোঁকান কৰিব পৰা নাই। ‘বাসি নিজকে অন্তৰ্জগত আৰু বহিৰ্জগতত স্বীকাৰ কৰিবলৈ - -
তুমি যদি অপৰাধবোধৰ মূল উৎসক ধ্বংস কৰিব পাৰা, তেন্তে ঠিক আছে।
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAMই মানুহক সাৱধান আৰু স্বতন্ত্ৰতা প্ৰকাশ কৰাৰ বাবে প্ৰেৰিত কৰে। জীৱনমুক্ত মাষ্টাৰসকলৰ দ্বাৰা সৃষ্ট সমাজ আৰু ব্যৱসায়ী সামাজিক গঠনৰ মাজৰ বিৰাট পাৰ্থক্য বুজা।
মাষ্টাৰসকলে তেওঁলোকৰ সংগী কৰা ব্যৱস্থাতে মানুহক ব্যৱহাৰিক ব্যৱস্থাপনা শিকায়। আনকি তুমি অসফল হ’লেও তেওঁলোকে কয়, ‘নাই, জেমিম ৰায়্যা না। কিয়নো ব্যৱহাৰিক তুমি এটা পাপ কৰিছা, তুমি এজন পাপী নোহোৱা। পাপ কৰা এক, পাপী হোৱা সুকীয়া।’ জীৱনমুক্ত মাষ্টাৰসকলৰ প্ৰাচীন বৈদিক ব্যৱস্থাত মানুহক সম্বোধন কৰাৰ বাবে ‘পাপী’ বুলি কোনো শব্দ নাছিল। তেওঁলোকে মানুহক সম্বোধন কৰিছিল ‘অমৃতস্য পুত্ৰাঃ’ বুলি!
তুমি যেনেকুৱা আছা তাতেই তুমি সম্পূৰ্ণ
এটা সৰু গল্প :
এজনে সুধিলে, ‘মাষ্টাৰ, মই কি কৰি উদ্ধাৰ পাম? মই কিদৰে মুক্তিপ্ৰাপ্ত হ’ম?’
মাষ্টাৰে তেওঁক প্ৰশ্ন কৰে, ‘কোনে তোমাক বন্দী কৰিছে?’
শিষ্যই উত্তৰ দিয়ে, ‘কোনেও নহয়।’
মাষ্টাৰে প্ৰশ্ন কৰে, ‘তোমাক বান্ধিবলৈ শিকলি ক’ত?’
শিষ্যই উত্তৰ দিয়ে, ‘মোৰ কোনো শিকলি নাই।’
মাষ্টাৰে কয়, ‘তেন্তে তুমি কিহৰ পৰা মুক্ত হ’বলৈ চেষ্টা কৰিছা?’
কেৱল পশুসকলৰ দিশে চোৱা। তেওঁলোকৰ মাজত কোনো অপৰাধবোধ তুমি দেখিবলৈ নাপাবা। পশুসকল কেৱল আছে। তেওঁলোকৰ কোনো আদৰ্শ নাই, কোনো নিখুঁত হোৱাৰ মনোভাৱ নাই আৰু কোনো অসন্তুষ্টি নাই। সেয়েহে তেওঁলোক সুন্দৰ আৰু নিৰপৰাধ। কিন্তু মানুহে কেনেকৈ কাম কৰে, ব্যক্তিসকল কেনেকৈ চলিব লাগে সেই সকলোবোৰ জিনিবলৈ প্ৰস্তুত, যেনে - নিজ, জান ভৱিষ্যত, ভবিষ্যতীক, সমাজ সহকাৰে সকলোবোৰ কেনেকৈ হোৱা উচিত। সৰ্বদাই যি হোৱা নাই সেয়া আকুলভাৱে আকাঙ্ক্ষা কৰে।
এইটো ভাল হ’ব পাৰে, আকৌ বেয়াও হ’ব পাৰে। যেতিয়া তুমি নিজৰ মূল্যবোধক কাৰ্যকৰী কৰাৰ আকাংক্ষা কৰিছা, সেইটো ভাল আকাংক্ষা। কিন্তু বেশিসংখ্যক সময়ত আমি সমাজৰ দ্বাৰা আমাৰ ধাৰণাৰ ওপৰত ভিত্তি কৰি আৰু আনৰ পৰা ধাৱ কৰা ধাৰণাৰ ওপৰত নিৰ্ভৰ কৰি আকুলভাৱে আকাঙ্ক্ষা কৰো।
যদি কোনোবাই বৰ্তমান কালত বাসনা আৰু ধাৰণাতে আৱদ্ধ হৈ যোৱা, তুমি একোৱেই কৰিব নোৱাৰিবা আৰু উপভোগ কৰিবও নোৱাৰিবা। তুমি মনমস্য ব্যমণ্টণ বা মন্ত্ৰণ শেষ কৰিব পাৰা। আৰু নিজৰ ওপৰত তুমি যিমানেই অসন্তুষ্ট হ’বা, তোমাৰ আদৰ্শত উপনীত হোৱাটো সিমানেই কঠিন হ’ব, এইটো এটা দুষ্টচক্ৰ।
অসন্তুষ্টিৰ মাটিত স্বাধীনতাৰ বীজ বৃদ্ধি হোৱাটো সম্ভৱ নহয়। যি ঘোড়াৰ পাৰ্শ্বদৃষ্টি ৰোধৰ বাবে চকুৰ কাষে ঠুলি লগোৱা হয়, তুমি সেই ঘোড়াৰ দৰে হৈ যোৱা আৰু জিনিষবোৰ কেনেকৈ উচিত সেই সম্বন্ধে তোমাৰ দৃষ্টি সংকীৰ্ণ হৈ যায়।
যদি নিজৰ ওপৰত বিশ্বাস নৰখা, যদি নিজক তুমি ৰিয়েল নহওঁ বুলি স্বীকাৰ কৰা, তোমাৰ আচলতে যি প্ৰয়োজন সেয়া ইয়াত আৰু এতিয়াই পূৰ্ণ হ’ব।
সমাজে তোমাক প্ৰতিনিয়ত শিকায় যে তুমি সম্পূৰ্ণ নোহোৱা। সি তোমাৰ ভিতৰত ভয় আৰু হীনমন্যতা সুমুৱাই, যাতে তুমি আত্মবিশ্বাসী আৰু স্বাধীন নোহোৱা বুলি ভাবা।
তুমি যি হ’ব পাৰ ইতিমধ্যে তুমি তো আছায়েই। আত্মাক কোনো বিলাস্কক কৰিবলৈ অস্তিত্ত্বৰ শক্তিক তোমাৰ মাজেৰে প্ৰবাহিত হ’বলৈ দিয়া।
যদি নিজকে ভাল বনাবৰ কামত ব্যস্ত হৈ থাকা, তুমি ৰিলাক্স কৰিব নোৱাৰিবা। তুমি চাপত থাকিবা আৰু সৰ্বদা উদ্বিগ্ন হৈ থাকিবা যে তোমাৰ মাজত কিবা ঘাটি আছে।
মন্দ ধৰ্ম বচন, তুমি যেনেকুৱা আছা তাতেই তুমি সম্পূৰ্ণ। তুমি তো পূৰ্ণতাৰ পৰাই উদ্ভৱ হৈছা, তেন্তে তুমি আৰু কি হ’ব পাৰা? মানুহৰ শৰীৰ পূৰ্ণ হৈ শেষ হয়। সেয়েহে তাৰ প্ৰকৃত প্ৰকৃতি হ’ল পূৰ্ণতা। মহান ধাৰণাসমূহক লৈ বাজাদাৰ দ্বাৰা কোৱা হয়, ‘তৎ তুমসি’ - সেই তুমি; ‘অহম্ ব্ৰহ্মাস্ট্ৰি’ -মইয়েই ব্ৰহ্মণ।
তুমি পূৰ্ণ আৰু তুমি সমগ্ৰ। তোমাক ক’তো যাব নালাগে, কাৰণ তুমি তাত ইতিমধ্যে আছা। তোমাক কিবা হ’ব নালাগে, কাৰণ তুমি তো ইতিমধ্যেই সেই হৈ আছা। এইটো কেৱল এই সত্য সহকাৰে সাৰে উঠাৰ প্ৰশ্ন।
ভালপোৱাৰ যোগ্য নোহোৱাৰ বাবে অপৰাধবোধ
বহু মানুহে ভালপোৱাৰ যোগ্য নোহোৱাৰ বাবে অপৰাধবোধ বহন কৰে। এই অপৰাধবোধ ঘটে। যেতিয়া (ফেমিলীয়ে) ব্যৱসায়ৰ বাৰ্তালাপত কয় ‘যদি তুমি এইটো কৰা মই তোমাক আৰু ভালপাম। যদি তুমি পঢ়া মই তোমাক লজেঞ্চ দিম। মোৰ কথা শুনিলে তোমাক চিনেমা চাবলৈ লৈ যাম।’ এইবোৰ তোমাৰ শিকৰি মিকড় পাড় বনৰ কাৰণে তুমি এই গভীৰ ধাৰণাৰ সৈতে ডাঙৰ হোৱা যে তোমাক ভালপোৱা পাবৰ বাবে যোগ্য হ’ব লাগিব। কোনো কাম নকৰাকৈ আৰু তোমাৰ ধাৰণামতে যোগ্য নোহোৱাকৈ তুমি যদি কাৰোবাৰ পৰা ভালপোৱা পোৱা, তেতিয়াহে অপৰাধবোধ হয়।
ঘটনাটোত যেতিয়া বৰ্ষা আৰম্ভ হয়, তেওঁলোকে অপৰাধবোধ বহন কৰিয়েই আহে। পৰিষ্কাৰ কৰা কথা, তুমি বৰ্ষাত বা ঘামত বা ব্যায়ামত বহিবলৈ ইয়ালৈ অহা নাই। অস্তিত্ত্বৰ প্ৰবাহৰ এক অংশ হৈ তুমি ইয়ালৈ আহিছা, ব্যস্। ইয়াত যোগ্যতা বা ব্যায়ামৰ কোনো কথাই নাই। বৰ্ষণ দিবৰ বাবে তৈয়াৰ মই তো জলভৰা মেঘ। তোমাৰ ওপৰত বৰ্ষণৰ বাবে তোমাক একো কৰিব নালাগে বা তোমাৰ কোনো যোগ্যতাও নালাগে।
মাষ্টাৰৰ প্ৰেম পাবৰ বাবে তোমাৰ কোনো ধৰণৰ যোগ্যতা থকাৰ কোনো প্ৰশ্নই নুঠে।
যদি তুমি সেউজীয়া ৰখা, যদি মামদৰ পুৰে শাক বাজিট্য মৌড়াও, তুমি জা ভাৱা। ভৱিষ্যতত তুমি যদি বৰ্ষাস্বাস্থ্যদ্যৱ বন শান্ত শস্যৰ তলত সেইটোৰ তলত থিয় হোৱাৰ নিৰ্ণয় লোৱা, স্বভাৱত তুমি বেছি একো নাপাবা।
অপৰাধবোধ বনাম কৃতজ্ঞতা
যদি তুমি নিজৰ ওচৰত বিশ্বাস ৰখা, তুমি কেতিয়াও ঈশ্বৰৰ সৈতে সংযুক্তি অনুভৱ নকৰিবা। অপৰাধবোধৰ পৰা পৰোপরি বাহিৰলৈ অহাৰ একমাত্ৰ উপায় হ’ল তোমাৰ উচ্চতৰ মণ্ডাৱৰ সৈতে সংযোগ স্থাপন কৰা। কিন্তু তোমাৰ অপৰাধবোধ তাতে বাধা হৈ থিয় দিয়ে। এই অপৰাধবোধক অতিক্ৰম কৰাৰ একমাত্ৰ উপায় হ’ল কৃতজ্ঞতাত গলি যোৱা।
যেতিয়া তুমি জিনিষবোৰক যিদৰে আছিল সেইদৰেই তেওঁলোকক স্বীকাৰ কৰা, যেতিয়া তুমি ঈশ্বৰৰ কাৰণবিহীন আশীৰ্বাদ অভিজ্ঞতা কৰা, তুমি তেওঁ আৰু তেওঁৰ বিশ্ব কৃষ্ণ আৰু। কৃতজ্ঞতা হ’ল এনে এক সুবাস যা তোমাৰ বাউদাৰ্মটন অপৰাধবোধৰ গোন্ধক প্ৰতিস্থাপন কৰে।
অপৰাধবোধ সহকাৰে জীৱনৰ উৎসৱ উদযাপন কৰা অসম্ভৱ। অপৰাধবোধে তোমাক বুকুৰ পাথৰৰ দৰে অৱস্থান কৰে। তুমি গধুৰ হৈ যোৱা, জমি যোৱা। তা তোমাকে স্বাধীন হৈ নৃত্য কৰিবলৈ নিদিয়ে, গাবলৈ নিদিয়ে, হাঁহিবলৈ আৰু ভালপাবলৈ নিদিয়ে।
সম্পূৰ্ণ স্বীকৃতি আৰু সমৰ্পণ
বিদ্যাৱৰ সাম্ৰেজন-নিয়ামন্ ঘটক বাসি মাৰ্থাণি ৱ বৰ্ষ ৱায়ৰবাদ মুষ্টি কৰা। মাণ্ডীদ্বৱ মাৰ্থ তোমাৰ সম্বন্ধৰ ব্যাপাৰে তোমাৰ কিছুমান নিৰ্দিষ্ট ধাৰণা আছে, যেনে, কেনেকৈ মাষ্টাৰৰ সৈতে সমন্ন কৰিব, কিদৰে জানি যাব, বৰ্ষ কিয় কৰিব ইত্যাদি। ইয়াৰ ওপৰত ভিত্তি কৰি তুমি নিজৰ বাবে বৰ্ষাণাৱৰণসমূহ সৃষ্টি কৰা। তুমি ৰণ্ডাৰৱ
প্ৰস্তুত সেইদৰে তুমি মাষ্টাৰক গ্ৰহণ কৰা তেতিয়াহে যথেষ্ট। প্ৰতিটো অৱস্থা সঠিক, প্ৰতিটো পৰ্যায় সমুচিত, প্ৰতিটো সম্বন্ধ যথাৰ্থ। কেৱল যি ভাবা তাৰ সম্বন্ধে শ্ৰদ্ধাশীল আৰু অখণ্ড হোৱা। সেইটোৱেই যথেষ্ট।
যিভাবেই অনুভৱ কৰা, সেইটো সম্বন্ধে নিজৰ ওচৰত আৰু মাষ্টাৰৰ ওচৰত সত্যসন্ধ হোৱা। তেওঁ তোমাকে চৰম লক্ষ্যত পৌঁছিয়ে দিব।
আনৰ দিশে চাই আদৰ্শ নিৰ্মাণ নকৰিবা। মাষ্টাৰৰ সৈতে তোমাৰ সম্বন্ধ হ’ল অনন্য, অদ্বিতীয়। তোমাৰ নিজৰ দৰে কৰি তুমি তেওঁৰ ঘনিষ্ঠ। তুমি জাপ মাৰি নিজৰ আগত গুচি নেযাবা। তেনেহ’লে তুমি নিজৰ বাবে দুখকষ্ট সৃষ্টি কৰিবা আৰু অপৰাধী বোধ কৰিবা।
তুমি যেনেকুৱা, নিজকে সেইভাবেই গ্ৰহণ কৰা - সম্ভূষণাৰে আৰু নিঃসৰ্জনৰে। সম্ভূষণা স্বীকৃতি এক মুক্তিৰ উৎস আৰু তাতে তোমাৰ স্বাভাৱিক বুদ্ধিমত্তা প্ৰাকৃতিক ৰখ।
যিমানেই কমান্তুন ঘাটেব, এক্সি তোমাৰ গভীৰে যি আছিলা তাৰ উপলব্ধি ঘটিব। বৰ্ষাকাল দ্বাৰা ব্যৱহাৰিক কলটক উন্মোচন কৰিলে, ভৱাৰিণে ৰাজ উদয় কৰিলে। তুমি সেইলক্ষ্যত নিজকে চলাই দিয়া, যাজাদাৱ নমি কাৰোবা কাৰো কথা শুনি নিয়াস অথবা পথনিৰ্দেশ নোলোৱাকৈ নিজেৰ পৰা সাগৰৰ দিশে বয়ে চলিবা।
শ্ৰান্ত হোৱা আৰু কৰা। যিদৰে আছা নিজকে সেইদৰে স্বীকাৰ কৰি অস্তিত্ত্বৰ ওচৰত চড়ান্ত সমৰ্পণ উপভোগ কৰা। অপৰাধবোধ নানিব, হেৰুৱাই পেলালো বুলি ভয় নাপাবা। তুমি যি বিচাৰিছিলা তা সৰ্বদা তোমাৰেই ভিতৰত আছিল। তুমি সৰ্বদাই পূৰ্ণ আছিলা। তেনেহ’লে তুমি কেনেকৈ হেৰুৱাব পাৰা? যেতিয়া তুমি ৰিলাক্স কৰা, তুমি এই পূৰ্ণতা উপলব্ধি কৰিব পাৰা। কিন্তু তোমাৰ অপৰাধবোধ থাকিলে তুমি
এক ব্যৱধান সৃষ্টি কৰিবা আৰু তেতিয়া তুমি অনুভৱ কৰিবা যে তুমি অসম্পূৰ্ণ আৰু আলাদা - পূৰ্ণৰ পৰা বিচ্ছিন্ন।
সেইমাৰ্জনাসদৃশ, যদি আমি শিশুটিক দৰ্শনশাস্ত্ৰৰ কিছু ধাৰণা সম্পৰ্কে কওঁ, সি তেতিয়া কি কৰিব বুলি তুমি আশা কৰা? সন্তান কাম কি বেয়া সেইবোৰ নাজানে। সি কেৱল জঁপিয়াবলৈ আৰু খেলিবলৈ থাকিব। তুমি কি ক’ব পাৰা তাত কিবা ভুল আছে? নাই।
সেইকাৰণে, তুমি যেনেকুৱা ৰখা তুমি সেইখিনি পোৱা। ব্যখ্যানেন আছা পাৰ, গ্ৰহণ কৰা। যিদৰে গ্ৰহণ কৰা উচিত বুলি কল্পনা কৰিছিলা সেইদৰে গ্ৰহণ কৰিব নোৱাৰিলে অপৰাধবোধ লৈ নানিব।
এটা সৰু গল্প :
এজন ব্যক্তি অসিবিদ্যা শিকিবৰ বাবে মাষ্টাৰ বিচাৰি আছিল। অসি মানে তৰোৱাল। সি শেষত এজন মাষ্টাৰ পাই গ’ল আৰু তেওঁৰ ওচৰত শিষ্য হ’বলৈ গ’ল।
সি মাষ্টাৰক সুধিলে, ‘মাষ্টাৰ, যদি মই সঁচাকৈয়ে খুব পৰিশ্ৰম কৰো, এই কলাত পাৰদৰ্শী হ’বলৈ কিমান দিন লাগিব?’
মাষ্টাৰে কয়, ‘হয়তো সাত বছৰ।’
শিষ্যটিয়ে বহু ভাবি কয়, ‘মোৰ মা অকলশৰে থাকে। মোক তেওঁৰ ওচৰলৈ সোনকালে যাব লাগে। মই যদি সঁচাকৈয়ে খুব পৰিশ্ৰম কৰো, এই কলাত পাৰদৰ্শী হ’বলৈ কিমান সময় লাগিব?’
মাষ্টাৰে উত্তৰ দিলে, ‘সেইক্ষেত্ৰত হয়তো বাৰ বছৰ।’
শিষ্যটি আচৰিত হৈ গ’ল আৰু সুধিলে, ‘প্ৰথমে আপুনি ক’লে সাত বছৰ। কিন্তু যেতিয়া মই ক’লো যে মই অতিৰিক্ত পৰিশ্ৰম কৰিম, আপুনি ক’লে বাৰ বছৰ। মই যিকোনো কষ্ট স্বীকাৰ কৰিবলৈ ৰাজী, কিন্তু মই সম্ভাৱ্য আটাইতকৈ কম সময়ত শিকিব বিচাৰো।’
মাষ্টাৰে উত্তৰ দিলে, ‘অ’, সেইক্ষেত্ৰত ওঠৰ বছৰ লাগিব পাৰে।’
যদি তুমি সোনকালে যাব খোজা, তুমি অযথা চাপ সৃষ্টি কৰিবা। তুমি যি অৰ্জন কৰিব খোজা তাৰ বাবে তোমাৰ আৰু বেছি সময় লাগিব।
জেন কথাত আছে, তুমি যদি কোনো জিনিষক সোনকালে কৰা ইচ্ছা কৰা, তাক এৰি দিয়া।
যেতিয়া তুমি সোনকালে কৰাৰ চেষ্টা কৰা, সেইটো যেন এটা ফুলৰ কুঁড়িৰ পাহিকেইটাক জোৰ কৰি খোলা। তুমি কি সেইটোক আচল প্ৰস্ফুটন বুলি ক’ব পাৰা? নাই। কুঁড়িক জোৰ কৰি কেতিয়াও ফটাব নোৱাৰি।
যেতিয়া পৰিপক্কতা ঘটে, যেতিয়া সময় হয়, যা হোৱাৰ কথা, সেয়া হ’ব। জিনিষগুলি আপোনা-আপুনি ঘটিব। জীৱনক মূল্য দিবলৈ শিকা। মাৰৱ মাৰৱ বাজা ৰুয়া, ৰুচি ৱাসাৰাক বাজাৰাক উল্ক, কিন্তু যা শুনিছা তা মাহ বা বছৰ পাৰ হৈ গ’লে উপলব্ধি কৰা। যি বীজ মই তোমাৰ ভিতৰত বপন কৰিছো সেয়া হয়তো শুকাই যাব, কিন্তু যা বক্কৱিক ৰাৱ আপোনা-আপুনি ঘটিব, সঠিক ঋতুত। সেইটো একদম ঠিক আছে, তাত বিব্রত নহ’বা, তাৰ বাবে অপৰাধবোধ নানিবা। যদি তোমাৰ অপৰাধবোধ হয় অস্থিৰতাত হয়তো বীজটি হেৰাই যাব পাৰে।
কেৱল উইণ্ডো শ্বপিং কৰা। তুমি তেওঁক কেৱল অসুবিধাত পেলাবা আৰু নিজেও অস্থিৰ হ’বা। যদি তুমি ভাবা যে মাষ্টাৰ কেৱল এজন শিক্ষক আৰু তেওঁ পথ নহয়, তেওঁক এৰি দিয়া।
মৌলিক নিয়ম হ’ল যদি তেওঁ সঁচাকৈয়ে তোমাৰ মাষ্টাৰ হয়, তোমাৰ হৃদয় সহজে গলি যাব, তুমি আৰু কাৰো সম্বন্ধে ভাবিবই নোৱাৰিবা।
ধ্যান প্ৰক্ৰিয়া
১) স্বস্তি পাবৰ বাবে অতীত অভিজ্ঞতা পুনৰাপণ কৰা
অতীত অভিজ্ঞতা পুনৰাপণ কৰিলে শান্তি পোৱা যায়। বৰ্ষাৱৰ্তাত (শস্যক) সম্বন্ধি ভাৱাদ অন্নৰাজ্য জল সেনাপতিৰ কল্পনাৰে পুনৰাপণ কৰা। ধ্যান কৰাৰ মেজাজত বহা। চকু বন্ধ কৰা আৰু তোমাৰ সমস্ত অপৰাধবোধবোৰক একৰ পিছত এক সন্মুখলৈ নিৰ্ভয় হৈ ওলাই আহিবলৈ দিয়া আৰু তোমাৰ বিশ্বাসখিনিক সেইবোৰত মিহলি কৰা। নিজকে সেই অপৰাধবোধৰ বাবে সান্ত্বনা দিয়া দিয়া। চকু খোলা আৰু মানসিক মন বিশালকায় কৰি দিয়া আৰু কি কিবা সিথৰ হৈ আছে সেইবোৰক অনুভৱ কৰা।
২) মস্তিষ্কৰ পৰা হৃদয়লৈ
বহা আৰু চকু বন্ধ কৰা। কেইমিনিটমানৰ বাবে ধীৰে ধীৰে ধীৰে আৰু গভীৰভাৱে শ্বাস-প্ৰশ্বাস লোৱা। তাৰ সৈতে অনুভৱ কৰা যে যে তোমাৰ মস্তিষ্ক কঠিন আৰু তোমাৰ বুকৰ অঞ্চলে। একদম মস্তিষ্কহীন হৈ যাব আন যেন নিজৰ কোনো মাথা নাই। তুমি মস্তকহীন।
জনून कव व्य कूमि कमय (श्रद्ध ম্যাম ভারত निष्कू। দেখছ। অনুভব কর যে তুমি হৃদয় দ্বারা আঘ্রাণ নিচ্ছ। হৃদয় দ্বারা শ্বাস নিচ্ছ। হৃদয় দ্বারা শোন, হৃদয় দ্বারা দেখ এবং হৃদয় দ্বারা অনুভব কর।
माँज़ित्य भड़। रुमय (শটক মটণ্ডল रूউ এবং তোমার নড়াচড়া খুব ধীরে ধীরে ধীরে কর। তোমার কেন্দ্র হ'ল হৃদয়, মস্তিষ্ক নয়। বারবার মাথাকে ভুলে যাও। হৃদয় দ্বারা চালিত হও। স্মরণে রেখো, তুমি মস্তকহীন।
এক জায়গায় দাঁড়াও। এবার ধীরে ধীরে তোমার মস্তক ভুলে যাও। তুমি মস্তকহীন হয়ে চলছ।
(কয়েক মিনিট পর)
ছাড়া আছ। কেবল হৃদয়কে নিয়ে বস। আরাম কর।
(কয়েক মিনিট পর)
৩) সাক্ষী হও
অপরাধবোধ নিশ্চিতভাবে নিয়ন্ত্রণ করার উপায় হ'ল প্রত্যক্ষ
তুমি সর্বশ্রেষ্ঠ; তাহলে তুলনা কর কেন?
জীবনমুক্তি হল ঈর্ষা ছেড়ে নিজের অনন্যতা উপলব্ধি করা
তুলনা ও ঈর্ষা
ভয়, বাসনা ও অপরাধবোধের আবেগ रू'ল বিষয়ীকেন্দ্রিক আবেগ। এই আবেগগুলিকে সৃষ্টি করতে আরেকজন মানুষ লাগে। চোখ বন্ধ করে আছ এবং কিছুই স্পর্শ করার নেই বা গন্ধ বা আস্বাদন করার নেই। তুমি তা সত্ত্বেও ভয় ও বাসনার আবেগ অনুভব করতে পার। কিন্তু ঈর্ষা সেইজন্য একটি বিষয়ীকেন্দ্রিক আবেগ। তার জন্য কোন এক বিষয় থাকতে হবে যার ওপর নির্ভর করতে হবে।
একটা ছোট গল্প :
এক সন্ধ্যায় এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে পার্কের বেঞ্চে বসেছিল। তাদের না দেখে একটি যুবক ও যুবতী তাদের পাশে এসে বসল। যুবক তার প্রেমিকার সাথে খুব প্রেমপূর্ণভাবে আলাপ করছিল।
তা শুনে স্ত্রী তার স্বামীকে ফিস্ফিস্ করে বলে, 'আমার মনে হচ্ছে ছেলেটি মেয়েটিকে প্রস্তাব করতে যাচ্ছে। ছেলেটিকে সতর্ক করার জন্য তুমি একটু কাশ না কেন? বা অন্য কিছু কর! '
স্বামী উত্তর দিল, 'আমি কেন তাকে সতর্ক করব? আমাদের তো কেউ সতর্ক করে নি!'
বিভিন্ন ক্ষেত্র যেমন, চেহারা, ধনসম্পদ, জ্ঞান, বন্ধুবান্ধব, নাম-যশ ইত্যাদির জন্য আমরা প্রায়শঃ আমাদের অপরের সাথে তুলনা করি। আমরা যখন আমাদের অপরের সাথে তুলনা করি আমরা অনুভব করি যে তারা আমাদের চেয়ে কিছু বেশী পেয়েছে এবং আমরা ঈর্ষা করা শুরু করি।
তুলনা করা বীজ এবং ঈর্ষা তার ফল!
কেন আমরা অপরের সাথে নিজেদের তুলনা করি?
প্রথমে, আমরা তুলনা করি কারণ আমরা নিজেদের কখনও বুঝতে পারি নি। আমরা সচেতন নই যে আমরা কারা ও আমাদের কি আছে।
আমাদের অন্যদের সাথে তুলনা করে বড় হবার জন্য নিয়ন্ত্রণ করেছে। ছোটবেলা থেকেই তুলনা বাচ্চাদের অন্যের সাথে প্রতিযোগিতা ও তুলনা করতে শুরু করায়।
সামর্থ্য, বিজ্ঞানসংক্রান্ত প্রবণতা, কলাবিষয়ক ক্ষমতা, ক্রীড়াবিষয়ক ক্ষমতা, মানবিক প্রতিভা ইত্যাদি মাপার জন্য কিছু মানদণ্ড আছে। কিন্তু আমরা উপলব্ধি করতে পারি না, যখন আমরা মাপকাঠি হিসাবে ব্যবহার করে বাচ্চাকে মাপা হচ্ছে। পুরস্কারের প্রণালী দ্বারা আমরা সমস্ত বাচ্চাদের আক্ষরিকভাবে শাস্তি দিচ্ছি।
নিজেকে অন্যদের সাথে তুলনা করে নিজেকে বিচার করতে ও জানতে অভ্যস্ত হয়ে যায়। সে নিজে যা সে সম্বন্ধে তার কোন বোধই নেই। সে জানে।
একটা গল্প :
এক ব্যক্তি দুর্ঘটনার মামলায় আদালতে সাক্ষী দিচ্ছিল। হঠাৎ সে লক্ষ্য করে সে যা বলছে আদালতের রিপোর্টার তা লিখতে পারছে না। সে আরও তাড়াতাড়ি বলতে শুরু করুন এবং সে লক্ষ্য করল রিপোর্টার তখনও লিখতে পারছে না!
হঠাৎ রিপোর্টারকে বলল, 'দয়া করে অত তাড়াতাড়ি লিখবেন না। আপনি যা বলছেন আমি তার সঙ্গে তাল মেলাতে পারছি না!'
কোন না কোন তুলনার ওপরে ভিত্তি করে করা হয়। কিন্তু অন্যের সম্পর্কে ধারণা কেন তোমার মনে প্রবেশ করে? তার কারণ তুমি নিজের ভিতরে তাকাও নি এবং 'তুমি' কে তা উপলব্ধি কর নি। তুমি নিজের ভিতরে বিদ্যমান পরমানন্দ ও বিরাট সম্ভাবনা অভিজ্ঞতা কর নি। তুমি অসম্পূর্ণ অনুভব কর কারণ তুমি যেমন আছ সেভাবে নিজেকে প্রকাশ করতে পার নি। তাই ভিতরের শন্যতা ও পরিপূর্ণতার অভাব তোমাকে অন্যের চেয়ে চেয়ে নিকৃষ্টতর অনুভব করায়।
তুলনার অন্তঃসারশন্যতা
বুদ্ধ বলেন, 'সম্বন্ধতা ছাড়া কিছুই বিকাশ লাভ করে।' ধরুন, তুমিই একমাত্র মানুষ, তাহলে কিভাবে তুমি নিজেকে অন্য কারো সাথে তুলনা করবে? তুমি কি নিজেকে লম্বা না বেঁটে, কুৎসিত না সুন্দর, ধনী না গরীব, বুদ্ধিমান না বোকা - এসব কিছু বলতে পারবে? না! যখন নিজেকে তুলনা করার জন্য কেউ নেই, আমরা কেবল 'আছি'!
এমনকি সাথে তুলনা করার জন্য কোন মাপদণ্ড নেই। প্রতিটি ব্যক্তি হ'ল অনন্য, অদ্বিতীয়।
তুমি কি সিংহকে ঘোড়ার সাথে তুলনা করতে পার? আমরা কি কখনও নিজেদের ফুল বা পাখী বা পর্বতমালার সাথে তুলনা করি? তাহলে আমাদেরকে অন্য মানুষের সাথে কেন তুলনা করতে হবে?
একটা সুন্দর জেন্ গল্প :
প্রতিবেশী শক্তিশালী হবার ইচ্ছায় এক রাজা জাদুশক্তি পাবার জন্য এক মাস্টারের কাছে গেল। সে মাস্টারের সামনে বসল ও তার সেখানে আসার উদ্দেশ্য বলতে লাগল।
মাস্টার ধৈর্য ধরে শুনলেন।
তিনি রাজাকে বাগানে যেতে বললেন যেখানে গাছপালা অবস্থান করছে। তিনি বললেন, 'তারা তোমার শিক্ষক। তোমার যা শেখার তোমায় শেখাবে।'
রাজা বাগানে গেল, দুটি গাছ দেখল এবং বুঝতে পারল না যে মাস্টার সেগুলির থেকে শেখা মানে কি বলতে চেয়েছেন।
সে মাস্টারের কাছে ফিরে এল ও জিজ্ঞাসা করল, 'আপনি কি বলতে চেয়েছেন, মাস্টার? আমি তো বুঝতে পারছি না যে সেগুলি আমাকে কিভাবে শিক্ষা দেবে।'
মাস্টার তাকে গাছগুলির কাছে নিয়ে গেলেন ও ব্যাখ্যা করে বললেন, 'এই ক্যাকটাস গাছ বহু বছর ধরে গোলাপ গাছের পাশে আছে। সে কখনও গোলাপ হতে চায় নি। একইভাবে গোলাপ গাছটিও ক্যাকটাস হতে চাউ নি। তাদের নিজের প্রাত্যহিক কাজ হ'ল বুদ্ধি পাওয়া ও ফুল ফোঁটানো এবং ক্যাকটাস। মানুষ যদি ক্যাকটাস হ'ত, সে সর্বদাই নিজেকে গোলাপের সাথে তুলনা করত এই ভেবে যে গোলাপ মানুষকে আকৃষ্ট করতে পারছে দেখে ঈর্ষাকাতর হ'ত। আর মানুষ যদি গোলাপ হ'ত, সে ক্যাকটাসকে দেখত আর ঈর্ষান্বিত হয়ে ভাবত যে সারাদিন মানুষের ছেঁড়াছেঁড়ি থেকে অব্যাহতি পেয়ে সে কত শান্তিতে আছে!'
দুটি গাছ তাদের সমস্ত শক্তি কেবলমাত্র নিজের বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করেছিল। তারা সেই শক্তি নিজেদেরকে অন্যের সাথে তুলনা করার পিছনে নষ্ট করে নি।
যেই মুহূর্তে তুমি তুলনা করা বন্ধ করে, সেই মুহূর্তে তুমি অনুভব করবে যে পরমাত্মা তোমায় এত কিছু দিয়েছে বলে ও তোমাকে যোগ্য বানানোর জন্য কৃতজ্ঞবোধ কর।
যদি তুমি কর, তুমি ভুগবে। তুমি অবিরত অন্যদের সাথে তুলনা করে চলছ। যদি কেউ তোমাকে পরিহাস করে, তুমি ভাব সে তোমাকে পরিহাস করছে। কেউ যদি তোমাকে আঘাত করে, তুমি একাকী অনুভব কর ও সেই ব্যক্তিটিকে ঈর্ষা কর। আসলে অন্য কেউ তোমায় আঘাত করুক বলে তুমি অপেক্ষা করছ। তোমার ভিতরে যেন এক সদ্য ক্ষত। তোমাকে আঘাত করার অভিপ্রায় ছাড়াও যদি কোন কাজ করা হয়, সেই কাজ তোমার ক্ষতকে ছোঁয় ও তোমার ব্যাথা লাগে।
অতএব আঘাতের দায়িত্ব সেই ব্যক্তিটির ওপরে চাপিয়ো না। নিজের ক্ষত নিরাময় করার চেষ্টা কর। যারদল তোমাকে আঘাত করতে পারবে না। তোমার নীরব অনুমতি ছাড়া কেউ তোমাকে আঘাত হানতে পারে না।
তুমি নিজেকে অপরের সাথে তুলনা কর কারণ তুমি অনুভব কর যে তোমার কিছু অভাব আছে। সত্যি কথা হ'ল, তোমার সত্য ও অনন্য সপ্তাশক্তি সম্বন্ধে কোন ধারণাই তোমার নেই! যদি জানতে, তবে কিভাবে তুমি এক সৃজনশীল ও সম্পূর্ণ জীবনযাপন করা যায়৷ তার উত্তর পাবার জন্য তুমি এক সেকেণ্ডও নিজের সত্তা থেকে দূরে থাকতে চাইতে না। তোমার প্রয়োজনীয় সমস্ত আত্মবিশ্বাস, বুদ্ধিমত্তা এবং সম্ভাবনা মুক্তি স্থিতিস্থাপক জ্ঞান বিদ্যমান আছে। এই পৃথিবীতে ভগবানের মত বাস করার সামর্থ্য তোমার আছে। তোমার সম্বন্ধে যে সব সীমিত জিনিষ তোমায় বিশ্বাস করানো হয়েছে, সেগুলি বিশ্বাস করো না। নিজের ভিতরে তাকাও! পরীক্ষা কর, অনুসন্ধান করে এবং উপলব্ধি কর। তুমি সমস্ত গুণাবলী অনায়াসে বিকিরণ করবে।
মইয়ের ওপরে ও নীচে
সংসারে মই আছে। সংসারে কোথাও অবস্থান করবে। অনেক মানুষ তোমার ওপরে, আবার অনেক মানুষ তোমার নীচে। তোমার ওপরের মানুষদের দেখে তোমার ঈর্ষা হয়, তাই তুমিও তাদের মত হবার চেষ্টা কর যাতে মইয়ের আরও ওপরে উঠতে পার।
এখন তোমার জীবনের কোন এক সময়ে এই শেষ না হওয়া খেলার নিরর্থকতা উপলব্ধি করতে পারবে। তখন তুমি সেই মই থেকে লাফিয়ে নামতে চাইবে। মইয়ের দিকে তাকাও, তুমি কি দেখছ? তোমার নীচে কত মানুষ আছে। হঠাৎ তোমার নীচে এত মানুষ দেখে তুমি খুশী হও, কারণ অন্যদের দিকে তাকিয়ে নিজেকে যতটা নিকট মনে করেছিলে ততটা নিকট তুমি নও।
যখন তুমি নীচে দেখ, তুমি খুশী হও। এখন জীবন নামক মই থেকে লাফিয়ে নামতে আরম্ভ করলেও তুমি মই থেকে লাফ দিয়ে নামতে সমর্থ হবে না, কারণ লাফিয়ে এলে তুমি তো একা হয়ে যাবে - তোমার ওপরে কেউ থাকবে না অথবা নীচেও কেউ থাকবে না।
চাহিদা বনাম আবশ্যকতা
যখন তুমি ভাল হও, তুমি ভাব এটা কত সুন্দর ব্যাপার যে তোমার নিজের একটা ভাল বাড়ী ও দারুণ গাড়ি আছে। তুমি নিজের ভিতরে সন্তুষ্টি অনুভব করবে ও উল্লাস করবে। কিন্তু যখন তুমি বাড়ীর বাইরে নিজের গাড়ি নিয়ে যাও, তুমি ট্রাফিক লাইটে থাম এবং লক্ষ্য কর একটা নিদারুণ সুন্দর মার্সেন্ডিস গাড়ি তোমার পাশে দাঁড়িয়ে। কি হয়? হঠাৎ তোমার ভিতরে তোমার গাড়িটা তেমন কিছু নয় বলে একটা ভাবনা আসে। তখন মনে হয়, 'আমারও যদি একটা মার্সেন্ডেস বেঞ্জ থাকত!'
কিছুক্ষণ আগেও তুমি নিজের গাড়ি নিয়ে খুশীতে ছিলে, কিন্তু এখন অন্যের গাড়ি দেখে সেই গাড়িটির জন্য তোমার ভিতরে
একটা বাসনা ঢুকে পড়ল। তুমি সেই গাড়ির মালিকের বাসনা ধার করলে - এটাকে বলে তুলনা থেকে জন্ম নেওয়া 'ধার করা বাসনা'।
এই ধার করা বাসনা হ'ল 'চাহিদা'-র উদাহরণ, এটা 'আবশ্যকতা' নয়। এটা কর : তোমার বাসনাগুলি যখন সামনে আসে, তাদের প্রত্যেকটাকে সততার সাথে বিশ্লেষণ কর। তোমার সমস্ত সুখ্যাতিজনিত সম্মানগুলিকে (prestige) ত্যাগ কর। যখন একা আছ তখন তুমি যদি তোমার প্রেস্টিজ ফেলতে না পার তাহলে লোকেদের সাথে থাকলে সেটা কিভাবে ফেলবে?
মনের তিনটি কষ্ট না হওয়া, খুশি না হওয়া এবং বর্তমান মুহূর্তে না থাকা। মন কেবল অতীত ও ভবিষ্যতে থাকতে পারে। মন বর্তমানে থাকতে পারে না কারণ বর্তমান মুহূর্তে বাস করাই মুক্তি। তাই স্বভাব অনুযায়ী মন বাসনার পিছনে দৌড়াবে। কোন বাসনাগুলি প্রকৃতপক্ষে আমাদের নিজের এবং কোন বাসনাগুলি আমরা অপরের থেকে ধার করেছি, তা আমাদের সচেতন হয়ে দেখতে হবে।
জৈন ধর্মের প্রবর্তক জীবনমুক্ত মাস্টার মহাবীর এক সুন্দর কথা বলেছেন, 'যখন তোমার জন্ম হয়, যতটা পরিমাণ খাদ্য ও শক্তি জীবনকালে তোমার দরকার হয়, তা তোমার সাথে পাঠানো হয়।' তোমাকে এই পৃথিবীতে পাঠানোর আগে অস্তিত্ব তোমাকে তোমার সুখী ও সম্পূর্ণ শক্তি দ্বারা সজ্জিত করেন।
কিন্তু সেই শক্তি তুমি যদি ধার করা বাসনা পূরণ করার জন্য ব্যবহার করা শুরু কর, তুমি অনুভব কর যে তোমার সমস্ত বাসনা পুরণ করার জন্য তোমার কাছে পর্যাপ্ত শক্তি নেই।
তোমার সমস্ত আবশ্যকতা মিটাবার জন্য যথেষ্ট আছে, কিন্তু তোমার চাহিদা মিটাবার জন্য নেই। যেই মুহূর্তে তুমি কারোর সিটে বসো, তখনই তুমি অপরের থেকে আরও বাসনা ধার করে ফেল।
ক্রিয়া, ভোগ, ও সত্তা
'ক্রিয়া', 'ভোগ', ও 'সত্তা' নামক তিনটি অক্ষের চারিদিকে আমরা কাজ করি। 'সত্তা' ব্যতীত, 'ভোগ'-এর জন্য দুঃখদুর্দশার একমাত্র কারণ। 'ভোগ'-এর সাথে 'ক্রিয়া' কখনও ঘটে না! স্বজীবনে তুমি যখন একটা বাসনাকে পরিশ্রম করে তপ্ত কর, রুকার তাতে কমে যায়।
জীবনমুক্ত মাস্টার রমানা মহর্ষি সুন্দর বলেছেন, 'সরষেদানাকে না পাওয়া পর্যন্ত মন সেই ছোট সরষেদানাকে বিরাট পর্বত হিসাবে দেখায়। কিন্তু যখন সেটাকে সে দেখে ফেলে তখন সেটা ছোট হয়ে যায়।'
যখন একটা বাসনা পূরণ হয়, তখন আরেকটা তোমার দিকে ধেয়ে আসে। সেটাকে উপভোগ করে সন্তুষ্ট হবার জন্য তোমার কাছে সময় পর্যন্ত নেই। তুমি ভাবতে পার, 'আমাকে এই জিনিষটা পেতে হবে। তাহলে আমি উল্লাস করব।' মন সেটা কখনও হতে দেবে না।
।
। অন্ধোর যদি দেশকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যায় তবে সেটা দুর্ভাগ্যজনক। অন্ধোর জ্ঞান বা দূরদৃষ্টির অভাব।
দিতে অনুরোধ করল। বন্ধু উপদেশ দেয়, 'যদি এমন একজনকে পাও যে তোমার মায়ের মায়ের মত. তাহলে হয়ত তোমার মা তাকে পছন্দ করবে।' ব্যক্তিটি বন্ধুর পরামর্শমত অনেক খুঁজল ও শেষে একটি মেয়েকে পেল।
তারপর সে ফিরে এল ও তার বন্ধুকে বলল, 'তোমার কথামত আমি আমার মায়ের মত একটি মেয়ে পেলাম। সে একদম আমার মায়ের মায়ের মত কথা বলে, চলে, ব্যবহার করে।' কিন্তু ব্যক্তিটি তা সত্ত্বেও বিষণ্ণ ছিল। তার বন্ধু প্রশ্ন করে, 'ও! সেটা তো ভাল কথা যে তুমি সেরকম মেয়ে পেয়ে গেছ! কিন্তু তুমি এত দুঃখী কেন?'
ব্যক্তিটি উত্তর দিল, 'কারণ আমার বাবা তাকে ঘৃণা করে! '
তুলনা করার কোন শেষ নেই, কারণ তুলনা আছে মনে, বাস্তবে নয়। তুলনা করা ভিত্তিহীন।
কিছু লোক জিজ্ঞাসা করে, 'তাহলে আমরা অন্যের দিকে ও তাদের কীর্তির দিকে না তাকালেই তো তুলনা করার কোন সমস্যাই থাকবে না! সেটাই কি ঈর্ষা থেকে বেড়িয়ে আসার জন্য সবচেয়ে ভাল উপায় নয়?
আমি তাদের বলি, চিন্তাগুলিকে উপেক্ষা করে তুমি তোমার মন থেকে নিস্তার পেতে পার না। যদি তুমি দেখ, কিন্তু যা দেখছ তাতে প্রভাবিত না হও, তাহলে তুমি সঠিক পথে রয়েছ। যদি তুমি যা গ্রহণ ও যা ঘৃণা তাকে স্বীকার ও স্বাগত করতে পার, তাহলে তোমাকে কিছুই টলাতে পারবে না।
ঈর্ষার বস্তুকে দোষ দিয়ো না
একটা ছোট গল্প :
এক ব্যক্তিকে 'আপনি কি ভাগ্যে বিশ্বাস রাখেন?'
সে উত্তর দেয়, 'অবশ্যই! নয়ত যাদের তুমি পছন্দ কর না তাদের সফলতা তুমি কিভাবে ব্যাখ্যা করবে!'
ঈর্ষার বস্তুকে দোষ দিয়ে তুমি ঈর্ষামুক্ত হবে না কারণ যেই মুহূর্তে তুমি অন্য কোন ব্যক্তিকে নিন্দা করছ, তখন তোমার ভিতরে একটি ক্ষত আছে এবং সেই ক্ষতকে তুমি জেনে বা না জেনে লুকিয়ে রাখছ।
যেখান থেকে তুমি ঈর্ষার সেই নির্দিষ্ট বস্তু থেকে মুক্তি পাবে, কিন্তু তুমি ঈর্ষার আরেকটা বস্তুতে আটকে যাবে। সেইজন্য ঈর্ষার বস্তুকে সরিয়ে ফেলা সমাধান নয়। তোমাকে প্রসঙ্গটির ওপরে কাজ করতে হবে, আর সেই প্রসঙ্গ হ'ল 'তুমি'।
যোগের পিতা পতঞ্জলি বলেন, 'যখন কেউ পরমানন্দপূর্ণ, পরমানন্দ ও মিত্র তা অনুভব কর।' রহস্য হ'ল পরমানন্দ এমন এক গুণ যা সবার মধ্যে আছে। সেটা সবার কাছেই শেয়ার করার জন্য আছে, যেভাবে একটি ফুলের সুবাস ছড়িয়ে পরে।
সমকক্ষদের চাপ - ঈর্ষার ছড়ি
পুরাতন শাস্ত্রে একটি সুন্দর শ্লোকে বলা হয়েছে, মায়াশক্তি, যা ব্রহ্মাণ্ড চালাচ্ছে, তা তোমার ঈর্ষাকে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে তোমাকে দিয়ে তার ইচ্ছামত কাজ করায়।
ভারতে রাস্তায় কিছু লোকেরা বাঁদর নিয়ে ঘোরাফেরা করবে। একবার তারা ছড়িটা ওঠালে, তারা যা চায় বাঁদর তাই করবে। বাঁদরকে কেবল অঙ্গভঙ্গি করলে সে শুনবে না। যদিও সে জানে যে লোকটি যে কোন সময়ে ছড়ি ওঠাতে পারে, তাও যতক্ষণ না লোকটি ছড়ি ওঠাচ্ছে, বাঁদর কথা শুনবে না। যদি সে ছড়ি উঠিয়ে বাঁদরটিকে লাফাতে বলে, সে তিনবার লাফাবে।
সমকক্ষ ব্যবহার করে তোমাকে দিয়ে তার যা ইচ্ছা তাই করায়। বুঝে নাও যে সমকক্ষ সহকর্মী বা সঙ্গীদের চাপ কেবল এক বিরাট আমিত্বের খেলা। আসলে তোমার বড় মানুষ হবার কোন দরকার নেই। তোমার মৌলিক আবশ্যকতা পূর্ণ করার জন্য এই পৃথিবীতে যথেষ্ট খাদ্য, বস্ত্র ও পরিধেয় আছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কোন প্রয়োজনই নেই।
ঈর্ষাকে কিভাবে অতিক্রম করা যায়
ঈর্ষা অনেক নকারাত্মক আবেগ যেমন ক্রোধ, লোভ, অধিকারী হবার মনোভাব ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করে। এই আবেগগুলি মুছে যাবে যদি আমরা ঈর্ষার এই চক্রকে ভেঙ্গে ফেলি।
১) প্রত্যক্ষ করা
ঈর্ষা থেকে পালিয়ে গিয়ে অথবা ঈর্ষার বস্তুকে ঘৃণা করে ঈর্ষামুক্ত হওয়া যায় না। যখন জানবে যে ঈর্ষা তাহলে পুরোপুরি মিলিয়ে যাবে।
জীবনমুক্ত মাস্টার বুদ্ধ বলেছেন, 'সেই দ্বেষণা মূলগুলিকে ধ্বংস কর এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তি উপভোগ কর।'
কেবল সচেতন হও এবং তোমাকে তোমার পরমানন্দ প্রকৃতি থেকে সরিয়ে নিয়ে আসার জন্য দায়ী ঈর্ষা, প্রতিদ্বন্দ্বিতা, দ্বেষ এবং তুলনাকে ধ্বংস কর। সচেতনতার আলোক ছায়াসুলভ প্রকৃতিকে অনাবৃত কর। লোকেদের বলি, যদিও তুমি সেই ইঁদুর দৌড়ে জেত, তাহলেও তুমি তো একটা ইঁদুরমাত্র!
ঈর্ষা থেকে বেড়িয়ে আসার পথ তাকে অবদমিত করা অথবা তার অস্তিত্বকে অগ্রাহ্য করা নয়। তাকে প্রকাশ করা ও উৎসাহপ্রদান করাও পথ নয়, কারণ তাহলে তুমি সচেতনতা সহকারে ঈর্ষার মুখোমুখি হতে প্রস্তুত নও।
যেব য়চতি এবং যোি পছন্দ-
ঈর্ষা এলে কিভাবে আয়ত্ত্বে বয় ততামার অভিজ্ঞতা।
২) অসীম প্রেম
ঈর্ষা তোমাকে তোমার আসল প্রকৃতি প্রেম ও আনন্দকে অভিজ্ঞতা করতে দেয় না। জীবন ও নিজেকে ভুল বোঝার জন্য তার উদয় হয়। তুমি ভুল বোঝা যে প্রেম হ'ল তোমার এক বিশেষ জিনিস যা কাউকে বর্ষণ করতে হয়। তুমি ভাব প্রেমের পরিমেয় পরিমাণ আছে এবং তা শেয়ার করা প্রয়োজন। তাই তুমি ভয় পাও, আর ভাব যদি ফুরিয়ে যাবে।
প্রেম তোমার অন্তরের এক গুণমান, কোন সীমিত পরিমাণ নয়। এটা তোমার ভিতর থেকে হওয়া এক অন্তহীন উচ্ছুাসের ঘটনা। তাকে তুমি ছাড়া অন্য কোন কিছু বা অন্য কেউ বাধা দিতে পারে না কারণ সেটাই তোমার আদি প্রকৃতি।
বক্কবাদ (অধিকার করার মনোভাব ইত্যাদি সহজেই মিলিয়ে যায়। যদি তুমি নিজে যেমন আছ ঠিক সেভাবেই নিজেকে স্বীকার কর, তুমি তাদের স্বীকার করতে পারবে।
৩) শক্তির সাগর
এই প্রক্রিয়া তোমার ভিতরের বিরাট এক বিরাট শক্তির সাগর আছে যা আমরা ব্যবহার করি না। যদি তুমি উপলব্ধি করত সেই বিরাট উৎসকে ব্যবহার করতে শেখ, তুমি এখন যাকে তোমার সীমাবদ্ধতা মনে কর তাকে সহজেই ছাড়িয়ে যাবে।
এই ধ্যানের মুখ্য ব্যাপার হ'ল ধ্যান করার পরো সময়ে মনকে কন্ঠ অঞ্চলে স্থির রাখা। এই কষ্ঠ অঞ্চলে বিশুদ্ধি চক্রের অবস্থান। এটা করার সময় মহাজাগতিক শক্তি বিশুদ্ধি চলের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করে এবং তোমার জন্য বিশাল শক্তির উৎস হয়ে যায়।
চোখ বন্ধ করে দাঁড়াও এবং তোমার বিশুদ্ধ চেকে ফোকাস কর। একটা চেয়ার বা অন্য কোন অবলম্বনের পিছনে দাঁড়াও ও তাকে ধর। ধীরে ধীরে হাঁটতে থাক।
এখন ধীরে ধীরে তোমার গতি বাড়াও। নিজেকে থামাতে যেও না। সব সময়ে বিশুদ্ধিতে কেন্দ্রিত থাক। কোনও বিষয়ে ফোকাস করতে যেও না। সব সময়ে বিশুদ্ধিতে কেন্দ্রিত থাক। বিশ মিনিট পরে থাম।
পরের দশ মিনিট যেখানে আছ সেখানে শান্ত হয়ে বস। তোমার চোখ বন্ধ বিশুদ্ধিতে ফোকাস কর। চলার সময় যে শক্তি উৎপন্ন হয়েছে তা তুমি আত্মভূত করবে।
গম্ভীরতা বনাম আন্তরিকতা
অপরের সাথে আমাদের সমস্ত তুলনা আমরা নিজেদের সম্বন্ধে কি ভাবি তা থেকে আরম্ভ হয়। ঈর্ষা অদৃশ্য হয়ে যায় যখন আমরা আমাদের অনন্যতা বুঝতে পারি। এখন তাহলে আমরা আরেকটা সমস্যা সঙ্গি করতে পারি। আমরা নিজেদের বেশী বিশিষ্ট ভেবে নিজেদের খুবই গম্ভীরতার সাথে গ্রহণ করতে আরম্ভ করতে পারি।
গম্ভীরতা কি?
গম্ভীরতা হ'ল যখন মন কিছু করে। কোন জিনিষকে অযথা বেশী গুরুত্ব দেওয়া। জীবন যে প্রতি মিনিটে উদ্যাটিত হওয়া এক নাটক, তা দেখার অক্ষমতা থেকে গম্ভীরতার সৃষ্টি হয়। জীবনের শর্টকাট তৈরি করার ফল হ'ল গম্ভীরতা।
একটা ছোট গল্প :
পূর্ণি বানাচ্ছিল। তাদের মধ্যে হঠাৎ ঝগড়া শুরু হ'ল। একটা ছেলে রেগে গিয়ে লাথি মেরে বালির দুর্গ ভেঙ্গে দিল।
অন্য বালকটি তার এই গম্ভীর সমস্যার জন্য রাজাকে গিয়ে নালিশ করল। অর্থহীন বালির দুর্গ
হতে দেখে রাজা হাসতে লাগল। কিন্তু রাজার উপদেষ্টা একজন জেন্ সাধু রাজাকে দেখে হাসতে লাগলেন।
তিনি বললেন, 'তুমিও তো যুদ্ধ কর আর পাথরের দুর্গের জন্য নিদ্রা হারিয়ে ফেল! তাহলে এই বালকেরা বালির লড়াই করছে বলে হাসছ কেন?'
আমাদের সমস্ত গম্ভীরতা হ'ল কেবল বালির দুর্গের জন্য! বাচ্চাদের জন্য বালির দুর্গ মূল্যবান, বড় হ'লে পাথরের দুর্গকে মূল্যবান লাগে, ব্যাস্। বালির দুর্গ হোক বা পাথরের দুর্গ হোক, জীবনের পিছনে ভরসা একই থাকে। বস্তু আলাদা আলাদা হ'তে পারে কিন্তু গম্ভীরতা একই। তাই বাচ্চারা বালুর দুর্গ নিয়ে খেললে হেসো না।
গম্ভীরতা তোমার মন্তব্য জীবনের জন্মুक्का उ সাधीनाजा (শटक बक्ठ बाদ্য। তা তোমাকে বানিয়ে ফেলে নিস্তেজ ও মৃত। তা তোমার চিন্তাশক্তিকে দমন করে এবং তোমাকে পরিচিত ও ব্যবহৃত প্যাটার্নকে আঁকড়ে থাকতে আকর্ষিত করে।
একটা ছোট গল্প :
এক জেন্ আশ্রমে শিষ্যদের মধ্যে কার বাগান সবচেয়ে সুন্দর তা নিয়ে প্রতিযোগিতা হয়। একজন শিষ্য খুব গম্ভীর ধরণের ছিল। সে
আন্তদরেতা ও गंभीरता এক জিনিস। তবে উদ্দীপনা জীবনের প্রায় প্রতিটা মুহূর্তে যোগ করার দিয়ে কেন্দ্রীভূত থাকে। আন্তরিকতা চায় যে প্রতিটি জিনিস ঠিকঠাক হওয়ার জন্য তুমি যথাসম্ভব চেষ্টা করবে এবং সেই বিষয়ের জন্য উদগ্রীব হবে না।
Perfectionism
নিখুঁতবাদ কখনও তোমাকে আনন্দ দেয় না। সেটা কেবল তোমার আমিতুকে তৃপ্তি দেয়। যদিও তুমি শেষে তৃপ্ত অনুভব কর, সেটা হ'ল তোমার আমিতের তৃপ্তি, তোমার সত্তার নয়। কারণরূপে বিদ্যমান থাকার মাত্রা হারিয়ে ফেলে। যখন তুমি কিছুকে গভীরভাবে প্রবেশ কর। নিখুঁতবাদ কখনও সম্ভব নয় কারণ তা তোমার মনে আছে এবং মন নিখুঁতের সংজ্ঞাকে পরিবর্তন করতে থাকে!
ভুল থেকে শিক্ষা করা
ভুল করার সাহস রাখ। গম্ভীর মানুষেরা ভুল কवरण সর্বদা ভয় পায়। তারা নিজেদের সম্বন্ধে খুব বেশী সিরিয়াস থাকে। ভুল করা ও তাদের ভুলের দিকে কারও অঙ্গুলিনির্দেশ করা -তাদের কাছে এক বিরাট ব্যাপার হয়। আসলে আমি ছোট ছোট ভুল করতে ভয় পায়, তারা শেষে সাংঘাতিক ভুল করে বসে!
আসলে যখন একটা ভুল কর, লোকেরা সেই ভুলের দিকে অঙ্গুলিনির্দেশ করে এবং তুমি তা সহ্য করতে পার না, তোমার আমিত্তু আঘাত পায় এবং তুমি সেই ব্যাপারে ভীষণ সংবেদনশীল। তাই তোমার আমিতুকে আঘাত পাওয়া থেকে রক্ষা করতে গিয়ে, তুমি ভুল না করার খুব চেষ্টা কর।
তোমার আমিত্বকে রক্ষা করার জন্য তুমি অনবরত করেই না অচেতনভাবে পরিকল্পনা কর। কিন্তু তুমি যা জান না তা হ'ল ভিন্ন। এটা এই নয় যে তুমি মিথ্যা
কথা বলছ। বরং তুমি মটলেন না তোমার আমিত সম্মেভাবে কিভাবে কাজ করে।
ভুল কवरण কান ভুল তরে। কারণ কিছু ভুল করলে তুমি ভবিষ্যতে জানতে পারবে জানতে পারবে কিভাবে লড়াই চালাতে হয় বা কিভাবে নিজেকে বাঁচাতে হয়, কারণ তেমনকি রুটেড। ভুল থেকে যা তুমি শেখ, তত বেশী তুমি ভুল কিভাবে করতে না হয়, সে সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করবে। জিনিসগুলিকে উদ্দীপনা সহকারে কর, কিন্তু সেগুলিকে কর কারণ তুমি ভুল হওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন হও।
অস্তিত্বের সমকালীনতা
যখন নিজেকে আঘাত দ্বাণ পারে বলে উদ্বিগ্ন থাক না, তখন যে কোন লাফ দেবার জন্য তোমার সাহস থাকবে। তোমার সমস্ত তথাকথিত দুৰ্গিন্তাগুলি প্ৰকৃতপক্ষে তোমার আমিত্ব আঘাত পাওয়া সম্পর্কে। আমিত থেকে মুক্ত হ'লে, তুমি আরও বেশী স্বাধীনতা ও মার্গ সরকারে কাজ করতে পারবে। আরও বেশী অনুসন্ধান করার জন্য তুমি ইচ্ছুক হবে।
যখন পূর্ণ, তুমি সৃষ্টি করতে পার। অপরদিকে তুমি আমিতে পূর্ণ হয়ে থাকলে সৃষ্টি করতে পার না। সৃষ্টি করলেও সেই সৃষ্টি মৃতবৎ হবে। সেটা এক প্লাস্টিকের গোলাপের মত হবে যাতে সুবাস ও জীবন নেই। যখন এক শিল্পী প্রেম থেকে সৃষ্টি করে, সে সেই সৃষ্টিতে এক বিশেষ গুণমান
প্রদান করে। কিন্তু যদি সে আমিত থেকে সৃষ্টি করে, সেই সৃষ্টি হবে মৃতবৎ।
যখন সম্পূর্ণ অস্তিতের সাথে অনুরণিত হও, তখন জীবনের বিবিধ জিনিসগুলিকে বর্ষিতন বর্ষণ হিসাবের বিশ্লেষণ করতে পারবে। এই অবস্থা প্রাপ্ত করলে তুমি যা খোঁজ তাই পাও কারণ তুমি ওয়ালিটিউন সাথে একাকারণ করছ। জীবন তখনই বড় অলৌকিক ঘটনা রয় যায়। ওয়ানারকর वायरस বর্ষা विवाद অস্তিত্বের সমকালীনতা।
অস্তিতের সাথে অন্যরণন করলে তুমি লাজীন সর্ব জিনিসগুলি শুরুও না। নির্দিষ্ট শুরুর বর্ষটনের বর্ষটি কানাদেক সাম্রাজ্য মিট্ট সম্বন্ধ বাজেয় বাসী (বাণিজ্য কারে যখন বাসী বলি, 'তুমি যা কিছু খোঁজ, তা পাবে।'
ওয়াসিটিউন কাটে নির্জাक যা রাজিত্য ফেল, তুমি ততই আমিতুহীন হবে। আবার যত বিভাগ ওয়াসিক্যোন রাখ, তখন তুমি নিজেকে অস্তিতের কাছে হারিয়ে ফেলবে।
জীবন তোমার যুক্তির ঊর্ধের
আমরা প্রায় সেবাই অচেতনভাবে বিশ্বাস কবি যে জীবন শুধুমাত্র যুক্তি মানা নিয়ন্ত্রিত ঘটনা দ্বারা ভরা। কিন্তু জীবন বারংবার জানায় আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে জীবন যুক্তির চেয়ে অনেক বেশী। মনে করিয়ে দেওয়া হয় যখন তোমার কোন প্রিয়জন মারা যায় অথবা কোন অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে। যদি জামান কাকবি কাটল যায়, শ্রী র তুমি দিন দিয়া যে জীবন জানা व नियल्वरण নেই। তুমি সহসা এই বাস্তবতায় জেগে ওঠ যে
জীবন তোমার যুক্তির ঊর্ধ্বে। তখন তুমি সত্য অনুসন্ধানে তৎপর হও।
বিশেষ করে তুমি যদি শহরে বাস কর, তোমার রুটিন প্রায় বাঁধা থেকে। সকাল থেকে বাজি পর্যন্ত তুমি জান যে জার্মান মিনতি কিভাবে উল্লোচিত হবে। তুমি জান যে কোথায় যাदব, कि कि করব বা কি করব না এবং কি খাবে ও কখন খাবে।
কার্যকরীভাবে, তোমার আমিত এক ধারণা দেয়, তোমার যুক্তি এক অনুভূতি দেয় যা আছে। সেইজন্য যখন এমন কোন ঘটনা ঘটে यণে পর্যদন্ত হয়ে পড়। তুমি তাকে পরিচালনা করতে পার না। তুমি বোঝা না কি করতে হবে। ত্মি বিষণা হও অথবা কষ্ট পাও।
এकণী রহস্য, তোমাকে বুঝতেই হবে। কখনও ভেবো না যে জিনিষগুলি যাওয়ার জন্য ঠিকঠাক চলছে। আসলে তুমি থাকা সত্তেও জিনিয়গুলি ঘটবে। यজমिन रूसि जाव या जानावर जना जिनियचुलि ठिकठीक ও মরাজ कलटक, তুমি আমিতের জন্য নিরন্তর কষ্ট পাবে।
আমিত কি?
উপনিষদ অনুসারে, যতদিন চিন্তা কর যে জোবর্তন এकणी सेटफनगा वाटक वर्वर मने सेटफर्मान विष्टन कर्मि मोड़ाउ, একূলি এক বিশ্বাসী वाली রায় বর্ষণ কতটা যান তুমি জীবনের উদ্দেশ্যহীনতার সৌন্দর্য উপলব্ধি কর, তুমি জানা বাসিকূটক सुरू करलाई।
সাধারণ বনাম অসাধারণ
যখন জীবনযাপন করতে চেষ্টা কর, তুমি তোমার ও অন্যের জীবন দুর্বিষহ করে তোল। তোমার জীবনের বেশীর ভাগ কষ্টভোগের জন্য অন্যেরা দায়ী নয়। সেগুলি অজান্তে তোমারই সৃষ্টি। তুমি সেগুলি থেকে হয়ত কোন উপকারও পাও না। কিন্তু কেবল তোমার আমিতুকে প্রমাণ করার জন্য তুমি তাদের সঙ্গি কর।
একটা ছোট গল্প :
সুজুকি নামে এক জীবনমুক্ত মাস্টার জাপানে বাস করতেন। যখন তাঁর মাস্টার मरणांग करवन, विनि व्यव्याদव काँमट्ठ লাগলেন। একজন তাঁকে প্রশ্ন করল, 'আপনি একজন জীবনমুক্ত মাস্টার। আপনি তাহলে আপনার মাস্টার চলে যাওয়াতে এত কাঁদছেন কেন?' সুজুকি উত্তর দিলেন, 'আমার মাস্টার এই পৃথ্বীগ্রহে সবচেয়ে অসাধারণ মানুষ ছিলেন।' লোকটি হতবুদ্ধি হয়ে প্রশ্ন করে, 'তাঁর সম্বন্ধে কি এত অসাধারণ ছিল?'
मूजूकि দেখन मिटलन, 'वासि कर्शन উ এরকম অসাধারণ মানুষ দেখিনি যিনি ভাবতেন যে তিনি খুবই সাধারণ মানুষ! '
গতানুগতিক জীবনে প্রতিটি সাধারণ মানুষ নিজেকে অসাধারণ ভাবে। যখন অনুভব কর या जूसि मनाकर्या वर्णी पूर्वरणकर (भট्यू, তোমার আমিত্ব ভাল করে অনুভব করে যে তুমি এক কঠিন জীবন সক্ষম হয়েছ। কেবল যখন তোমার শত্রু বিরাট, তুমি বিরাট অনুভব কর। তোমার শত্রু ছোট হ'লে তুমি নিজেকে ছোট অনুভব কর।
বকরে कारण यदि जानाव पूर्शनक्ष्ठ বিরাট হয়, তুমি ভাল অনুভব কর। তোমার
আমিত তথ্য হয়। দুঃখক ষ্টের পরিমাণ দিয়ে তুমি তোমার জীবনকে মাপ। অজান্তে তুমি অন্যদের ও নিজের ওপরে অত্যাচার কর। সুজকির মাস্টার আসাধারণ ছিলেন কারণ তিনি নিজেকে একদম সাধারণ ভাবতেন, भक्ताउन वरे भशिवीरज थाया ব্যক্তি মানূষ নিজেকে অসাধারণ মনে করে।
একটা ছোট গল্প :
ভারতের এক রাজা প্রচণ্ড অহংকারী ছিল। তার আমিতু এত বেশী বেড়ে গেল যে সে বলতে শুরু করল, 'ভগবানের সব কাজ আমি করতে পারি। আমি ভগবানের চেয়ে বড়।' কেউ রাজার ধারণায় আপত্তি জানালে সে তাকে মেরে ফেলার আদেশ দিত।
সেই রাজ্যে এক জীবনমুক্ত মাস্টার ছিলেন। যখন তিনি রাজধানীতে এলেন, তিনি সেই রাজার অহংকারী মনোভাবের কথা শুনলেন এবং রাজাকে সত্য দেখাতে চাইলেন। তিনি রাজদরবারে কवरण ভগবানের সমান। তুমি ভগবান। '
রাজা খুব খুশী হলেন এবং বললেন, 'হ্যাঁ, আপনাকে তো বুদ্ধিমান মানুষ মনে হচ্ছে। आपने আমার সম্বন্ধে কি সেমলাক্সি কवरणून আমাদের বলুন।' মাস্টার বললেন, 'হে রাজা, আপনাকে হবে। আপনি এমন কিছু করতে পারবেন যা भगवान করতে পারেন না!' এখন রাজা গর্বে ফুলে উঠেছে। রাজা জিজ্ঞাসা করে, 'দয়া করে বলুন আমি এমন কি করতে পারি যা ভগবান করতে পারেন না।'
মাস্টার শান্তভাবে উত্তর দিলেন, 'হে রাজন, আপনি কারো সাথে কোধিত হ'লে তাকে আপনার রাজ্য থেকে বার করে দিতে পারেন, কিন্তু ভগবান তা পারেন না!'
भगवान তাঁর রাজ্য থেকে আমাদের বার করতে भारतन ना। भगवाननन बाजा, जोवनसूकि, मन्द्रसान নীवनজা वासारमन জন্মাধিকার!
यदि সাধারণ কিনা, তাহলে এই পরীক্ষাটি কর। যদি তুমি অসাধারণ অনুভব কর পরিষ্কার করে বোঝ : তুমি সাধারণ। যদি তুমি সাধারণ মনে কর, তুমি অসাধারণ!
সঠিক মুখোশ ব্যবহার করা
দৈনন্দিন জীবনে তোমরা সবাই বিভিন্ন ভূমিকা নির্বাহ কর, ভিন্ন ভিন্ন ভিন্ন মুখোশ ব্যবহার কর। মাস্যান্ত জন্য এক মূর্শান, वावाद जन्म অন্য এক মুখোশ, বসের জন্য অন্য আরেকটা মুখোশ এবং আরও কত কি। সঠিক মানুষের জন্য সঠিক মুখোশ ব্যবহার করলে ঠিক আছে। যেই মুহূর্তে ভুল মুখোশ ব্যবহার কর, সজাগ হও যে তোমার আমিত এগিয়ে এসেছে।
তোমাকে - কেবল - মুখোশগুলিকে দক্ষতার সাথে পরিবর্তন করতে হবে ও নাটক से का व कबर्ज रखा जारदल कूलि वक्त वक প্রত্যক্ষদর্শী। তুমি সেটা তখনই করতে পারবে याशन कूलि आनादव या जुलि मुট्याटनव केर्स्क। নजूना कूलि মুট्याটন वामक रूपय यादव ववर जीवर्तन মতল মাংসूर्य राजिट्य कलत्व। यथन कूसि आन व्य कूलि कबल सूट्यान वावश्व করছ, তোমার বাসনাগুলি মুছে যাবে।
বড় হ'লে যেভাবে তুমি খেলনাগুলিকে কর মান্ড, বকরেবাদব यथन कूलि वर् সূर्थामांग्रलिन दिक्क वूकि मशकादव जाका উ, সেগুলির প্রতি তোমার কোন বাসনা থাকে না এবং দরকার মত সেগুলিকে সহজেই ব্যবহার কর।
অসন্তুষ্টি থেকে আমিতের জন্ম হয়
যদি তুমি নিজেকে শাসন করে বিশ্বাসী वार्कि হও, তোমার আলাদা করে নরকের দরকার নেই কারণ মন তো কেবল দ্বন্দ্ব ও অসন্তঃষ্টিতে थाकरण भारत। मल्डास 3 जुलिन मार्थ रूसि তোমার সীমানা হারিয়ে ফেল। সেইজন্য তুমি আনন্দ চাও না। কখনও ভেবো না তুমি আনন্দ চাও। না! আসলে তুমি আনন্দকে ভয় পাও। यानके कूलि कान मालिशुर्ग, পূর্ণিখানীশীন वनुक्ति संस्था मिट्या या उ, जन्मन क्वन निर्जनक থাকলে তুমি অনুভব কর যে তুমি কিছু একটা হারাচ্ছ! কোন বিশেষ ব্যাপারে গভীরভাবে চিন্তা করার কিছু না থাকলে, তোমার অন্তর্জেশে সুস্পষ্ট সীমারেখা থাকে না।
তোমার মন প্রতীয়মান হয় যখন তা দুঃখকষ্টের সীমাতে পৌঁছায়। যথেষ্ট দুঃখকষ্ট না থাকলে তুমি জামান সীমা বেশি সচেতন পরিচয় অনুভব কর না। একটু গভীরে তাকালে তুমি বুঝবে যে অনেক সময় তোমার কোন पूर्णित्वा वा फूड्यक्रुष्ट ना शाकूल जूनि जनवरी অনুভব কর। তুমি নিজেকে সেরকমভাবেই বিশ্বাস कव, कानन मन सजादवना करवल नकानाचाक जिनिष विकर्ण कवरण भारत। पूर्श्यक्ष्ण, বর্ণুষ্ঠি উ বর্ণুখিত मार्थ मन निर्जाक या वाणित्व करव, मन करव, मन करकर कुटलर्यार केठेटर भारत 3 वावर किला मुष्टि करव। वानत्मन व যখন আনন্দে থাক, তুমি তোমার সীমা অনুভব
কর না। যখনই তুমি তোমার সীমা অনুভব কর না, তুমি এক আনন্দ অবস্থায় থাক, এক সন্তুষ্ট ও তৃপ্ত মেজাজে থাক।
দুঃখকষ্ট আমিতের দিকে নিয়ে যায়
দুঃখকষ্ট ছাড়া তোমার আমিত থাকতে পারে না। দুঃখকষ্ট তোমার আমিত্তের মূল। এই গুরুতপূর্ণ জিনিষটা তোমাকে বুঝতে হবে। তুমি সर्यमारे किछा कन या फूड़शक्छ मान वासिकू বিচলিত হয়। না! দুঃখকষ্ট দ্বারা আমিত্ব সম্মদ্ধ হয়। আরেকটা ব্যাপার হ'ল, তোমার দুঃখকষ্ট কম র'टल वासिकू कम रख। कूमि निर्जनक খুব ছোট অনুভব কর, তাই তুমি তোমার দুঃখকষ্ট বাড়াও যাতে তুমি মনে করতে পার যে তুমি একজন বড় কেউ।
यात्र कर फूड्रश्केष्ठ, छूट कर वासिद्ध। তুমি যত বেশী কষ্ট পাও, তোমার আমিত্যও क्ट वर्मी मुक्तिगाली रूख्य उठे। जारे कूलि সर्यमारे जाताव फूड्यक्षेटक वाज़ित्य वाज़िय्य वল। मतमा र'ल, किछू मतय भট्न कूलि छूटन या उ যে তুমি বাড়িয়ে বলেছিলে। তখন তুমিও সেই জালে জড়িয়ে পড়। তুমি অস্বীকার করতে পার ও বলতে পার, 'না, আপনি আমার জীবনকে জানেন না। আপনি আমার দুঃখকষ্ট জানেন না।' কিলু স্থান कवरण दूर्या नाउ, किछू मतदा পরে তুমি তোমার বানানো জালেই ধরা পড়ে যাও।
আমিত্ব ছাড়া তুমি উপভোগ করতে পার যখন জ্যন
আমিত থাকলে তুমি উপভোগ করতে পার না। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে তুমি হয়ত নানা রকম মেকআপ লাগাতে পার যাতে অন্যেরা তোমায় জেন্ট্রাণ কवरण भारत, কিলু নির্जाক कूलि জেन्ট্রাণ কवरण ভাব না। কোন ব্যক্তি আমিত্ব নেই, যে নিজেকে দেহ ও মনের সাথে मनाऊ करव ना, करवल लग-रे निर्जाक जेन्टनान कवरण भारत। यदि कूलि मटन कव, কান किछू वकणी 'टायावर', जारटल कूलि উপভোগ করতে পার না। কারণ যা কিছু তুমি 'নিজের' বলে মনে কর, তুমি সেটাকে বা সেই মम्मूकारक সেমরণা কवाद साथीनाजा शविद्य ফেলেছ!
আমিত্ব ও প্রকৃতির সাথে সংযোগ
আমার জীবনমুক্তির ঠিক পরে এই घटनाणि থাকাকালীন ঘটে।
बक मन्नाया वासि थुव निव्रूटघुन मेजाजे जङ्गले बसे छिलाम। आमार चोख (खाला छिला, किन्दु आमि किछु देखछिलाम ना, कारण कोन तथ्य आमार भितरे याच्छिलो ना ओ तादेर प्रोसेस् करा हच्छिलो ना। आमार तिन फूट सामने एकटा बिराट साप छिलो। येहेतु चोख कोन तथ्य प्रोसेस् करछिलो ना, आमार भितरे कोन भय छिलो ना। आमि बसे छिलाम ओ सापटाओ आराम करछिलो।
तर्पर साजाविक खरव लटस निर्माण वन वनर वासांन द्वक चिन्ता ह'ल। 'ओ, ओटा एकटा साप।' परेर चिन्ता एल, 'आमार एखान थेके सरे याओया उचित्।' यर सुरूर्ण वासान व्यवर्टमटन 'मांभ' फिलांगि
superiority complex । inferiority complex ।
वरिर्ण राज करि र मर्यमारे कर्मचन उभर्तव विद्य कवा रख। मरेजना जानाव ममारक या मण्ड, बजे मर्यनारे का (शटक तमी रख। कुलि व्यविद्यास ताके जीवन्त राखार चेष्टा करबे। ये परिचय तुमि अन्तर्जगते वहन कर ता लोभेर ओपरे भित्ति करा। सेईজন্য तोमार भितरे ये भविष्य वर्शन कव, कूनि जाटक मनममत्य बिकाश करार चेष्टा करते थाक। तुमि अनबरत तोमार विश्वास करा परिचयेर ओपरे काज करते थाक एवं अविश्राम ताके खोदाई करे नतून रूपदान करार चेष्टा करते थाक।
तोमार जीवन ह'ल केवल एई दुई जगतेर मध्ये लड़ाई - अहंकार ओ ममकारेर मध्ये द्वन्द्व। बहिर्जगते प्रकाश करा तोमार व्यक्तित्व ओ अन्तर्जगते अनाबत करा व्यक्तित्वेर मर्था मुल्करक बना रूय काभ वा जननन। वर्त दुई परिचयेर मध्ये अस्वस्तिकर अनुभूति थेके अस्वस्थतार सृष्टि हय।
अहंकार ओ ममकार - उभय परिचयई पुरोपरी काल्पनिक्, उभयई मिथ्या। तुमि तो एई दुई परिचयेर उद्धे।
यदि वर्श्कावरक विकर्मिण कवरण काणित्य माउ, तोमार जीवन वस्तुवादी हय। ये लोकेरा ममकारेर ओपरे काज करे, तारा अनबरत तादेर निजेर व्यक्तित्तेर ओपरे काज करे एवं एमन किछु परिचय सृष्टि करार चेष्टा करे याटक जाना मन्ठण्टि जनून करन। यदि जूसि समस्त जीवनके खोदाई करे नतून रूपदान करते थाक ओ ममकारके विकसित करते थाक, जासान मम्भूर्व जोवन रूट्य याय नैतिक़ता सम्बन्धीय ओ अबदमित।
मल सत्य ह'ल तुमि एई दुटि परिचयेर कर्य वर्तक विशी। बरे फूड़ भविष्ठ (श्टक आनक्लाच करले तुमि हठात् उपलब्धि करबे ये तुमि तादेर बहु उद्धेर। सेट़ा घटले तोमाके आर बेंधे राखा याबे ना।
निम्नतर आमित्व
निष्ठ वाश्वसर्यामान वर्थ रून जूसि या आछ निजेके तार थेके छोटो करे देखा बा कल्पना करा। उच्च आत्ममर्यादा ह'ल तुमि या आछ निजेके तार थेके बड़ करे कल्पना करा। उभयई अपरेर मतामतेर ओपरे भित्ति करा। तमि निजेके विचार करे तोमार जीवनस्थिनीन उन्हाव विदि करव, जायाव जीवनेर ओपरे भित्ति करे नय। तुमि निजेके परिमाप कर तोमार केना गाड़ि ओ जमिनजार भित्तित्ते, तोमार अर्जित सचेतनतार गुणमानेर भित्तित्ते नय।
बड़ समस्या ह'ल, तोमार साम्प्रतिक वाकिकूटक मनिष्ठ भववर्णी वाकिएकुटक कि करव याटक रूय का रुसि आन ना। वाकिए भुलिस्क तुमि कोट़ेर मतो व्यवहार करते जान ना। त्र केवल एकटा व्यक्तित्त्व निएई पड़े आछ।
जून आयनाया जून वाकित्तुक्क वावश्व कराके आमि आमितु बलि। येखाने भद्र ओ नम्र रख्या सेफिट लिथाटन कुलि यदि सेफ्ट 3 से थ रख, लाणेटक वर्श्वामी रखया वटल। वाद्य याना मार्श्री र उया जे हिं, लाथात क्यू उ नम्र ह'लेओ तोमाके अहंबादी बला हवे। एटा बोझ नत्न रूरे वासि कि करव वरश्वामी रलास?' म्भ्रेष्ठ करे बुझे नेओ, आमित आमिटे आमितेर माथाय भर
मिट्य माँफ़ाटल उ लजे वासिक। वर्णाटक वटल 'निम्नतर आमित'।
रामाना महर्षिर जीवनेर एकटि घटना बलि :
रामाना महर्षिर एक शिष्य ताँर एकटा वरे वना वायाय वनुवाम करवाड करवाणिल। वर्राणि प्रकाशित ह'ले देखा गेल ये अनुवादक हिसाब से तार नाम बोईते छापा हयेछे।
शिष्य बोईते ता देखे खूब आबाक हये गेलो। से सम्बन्धित कर्तृपक्खेर काछे गेलो ओ तादेर एई भुलर जन्य बकाबकि करल। से तर्पर रामाना महर्षिर काछे गिये बोलल, 'भगवान्, तारा आमार नाम छापिऐ ठीक करे नि। वासांव नांस व्यावित रू उया ठिक नया। आमि सेई प्रकार मानुष नइ।'
भगवान् बलेन, 'ये आमित नामित नाम छापात चाहे आर ये आमितु नाम छापात चाहे ना, सेई दुटि एक ओ अभिन्न। आराम कर।'
म्भेष्ट करव (वाद्य, या निष्ठक वासिकू नम्रता देखाते चेष्टा करछे, सेट़ाओ आमित्व।
श्रेष्ठमन्त्रता थाकले, उग्र उद्धत आमित थाकले, व्यवस्था माना जानाया मिक्का प्रवास बरे वासिकू मुष्टिटनाकन रूय। नात् वासिकू थाकले जुलि मराजादक वर्णिट्य यारव। आरो भयंकर। एटा एक चतुर आमित या निजेके सुन्दर भावे रक्षा करते जाने।
सक्रिय आमितु बनाम अक्रिय आमित
सक्रिय आमित्वके खूब सहजेई चेना याय। सक्रिय आमित निये मानुष गर्व सहकारे वावश्व कवरव; काना निर्ज़टमन उन्हणून (खालाखुलि जाहिर करबे। तारा उद्धत हवे। मानूस्यन् वरे वासिकूटक माम्णेन मश्रूज़ रे नियन्तिक कवरण भारतेन। जाँदक कायकवाद वन उभर्व वायाण शनटक रख वर जा जन्म जाबे!
एकटा छोटो गल्प :
एक मनोचिकित्सक तार रोगীকে जिज्ञासा करे से निजेर गुरुतेर अलीक कल्पना थेके भुगछे কিনা। लोकटि उत्तर देय, 'एकदम नय। आसले आमि सत्य या, आमि निजेके तार थेके अनेक कम मने करि।'
माकिया वासिकू शाकरण कान वालि कानकारवर जन इच्छुक हवे ना।
अक्रिय आमित्व खूब सूक्ष्म एवं धूर्त। याद्यादव व्यक्तिय वासिकू घाटक छात्रा थुव नाम হবার भान करबे, तादेर मानुषेर मुखोমুখি হবার साहस कम हवे एवं स्वीकृति निते लज्जा पाबे। एते सबचेये खराब व्यापर ह'ल एई य जाता कारव वायर जाना वर्श्वामी नया। वास्तविकताय तारा निजेदेर आमिटे आघात भाउया (शटक यू मरकारव बन्का कबूर वर्ष अचेतनभावे निजेदेर नम्र बले भाबछे!
सक्रिय आमितेर व्यक्तिरा येन शुक्नो मक फाटनव मण। जामन मराजर जाना याया। अक्रिय आमितेर व्यक्तिरा सतेज सब्ज डालेर मतो। प्रतिबार तादेर आमिटे आघात लागले
जाना विक यादव किलु कामदव ना! जामनव आमित एत सुन्दर भावे रक्षित आछे ये तार साथे कारबार करा बेश कठिन। आसले तारा तादेर आमित्वके रक्षा करार जन्य सुन्दर ओ अक्रिय भावे परिश्रम् करे।
तोमार ओपरे अन्येर प्रतिक्रिया ओ मतामतेर प्रति तुमि अनेक यत्न नेओ। बहु वर्ष वर्त व्य वासिठ्युटक कूलि बाज यूजू करव वड़ करवर, जाटक वाघाण कूसि मशु कवरण भाव ना। वरे वासिकू जाताब अन्याव वास्वयून। वर्ण वाण्या नागल व जूसि आश्रयहीन अनुभव कर। ताई नम्र ओ बाध्य रवाद वजूदार दिनियन द्वारिया कुलि माल राय शाक। मास्टरेर उपस्थितिते तोमार आमितुके खुले धरार आरो एकटा सुयोग तुमि हाराओ। प्रस्फूटनेर দিকে एकटा बड़ पदक्षेप नेबार आरो एकटा सुयोग तुमि हाराओ।
सामाजिक आमित्व
आमितेर आरो एकटि खेला आमरा खूब सयतने लालन करि। ताके बले सामाजिक आमित्व। तुमि अनुभव कर ये तोमार जीवन जानाव काटक कारो प्रवेश करा उचित् नय। तुमि भय पाओ ये तोमार भाबमूर्ति नष्ट हये येते पारे एवं तोमाके समाजे तुले धरे धरार जन्य किछुई थाकरव ना। बजे रू'ल सामाजिक वासिक। बजे तोमार निजेर परिचयके अन्यदेर चेये निजे वाणिकाणा कवा! यदि कूलि व्यसनाणि वाण पूनियादक स्वस्तिते थाकबे कारण तखन गोपन करार जन्य आर कोन चाप थाकबे ना।
एकटा छोटो गल्प :
एकबार एक राजनैतिक पदप्रार्थी तार भाषण शेष करे बसे पड़ल। तार पाशे बसा व्यक्ति ताके जिज्ञासा करल, 'सर, आपनि कि कोन पानीय नेबेन? आमादेर काछे हार्ड डिंकओ आछे।'
सेई प्रार्थी उत्तर दिल, 'प्रथम आमाके जानते हवे ये एटा एकटि प्रश्न नाकि एक निमन्त्रण!'
सामाजिक आमिते बा कारणे आमरा सर्वदाई निजेर सम्पर्क से चेतन। आमरा भाबि ये लोकेरा सबसमये आमादेर देखछे ओ वासारमन्न मन्भटक कथा वलट्ड। यूथन कर्मि निर्जन मम्भरक मट्ठजन रू उ जूसि वर्श्वामी हओ। तुमि मने कर ये तुमि एक बिराट केउ एकजन एवं सवार चोख सर्वदा तोमार দিকে। सेईজন্য तुमि निजेर सम्पर्क সে चेतन हओ।
यथन रख, रूसि वर्तक वाणू, वावाद विक्र उन । निजेर व्यापर সে चेतनता तोमार सौन्दर्य ओ माधूर्यव भट्य वाथा राया राय माँज़ाया। जानाव सौन्दर्य सहजे विकसित हय ना। पशुदेर ओ प्रकृतियर দিকে ताकाओ। तारा कत सुन्दर भावे ओ सहज भावे प्रवाहित हय, कारण तारा निजेर मम्भटक मटण्डन नया। जाना वास्टिजन्न माथ बक रवाव जना थुणी। यर सुरूर्ण कु लि मटन कर ये लोकेरा तोमाके देखछे, आमित्तो प्रवेश करेछे एवं तुमि तोमार प्रकृत सत्ता शाविद्य क्या किसी को किसी को किसी को किसी को मिला हो गया है। यह किया था। जिसके बाद किया था। जिसके बाद किया था। जिसके बाद किया था। जिसके बाद किया था। जिसके बाद किया था। जिसके
छोट़रा बड़देर मतो निजेर सम्पर्क সে चेतन नय। तारा यखन खेले, देखबे तारा कर मूक्त उ मन्न। व्यवनकि याथन करणो जाना रुय़, लक्ष्ठ करव शाकरव व्य जाताब
वजन का कारण कर कर करणे करणा कलान कर रे फोट़ोगुलि तोमार कैमरार सामने भङ्गि करे तोला फोट़ोर चेये अनेक बेशी सुन्दर हय।
येई मुहूर्त तोमाके भङ्गि करते बला हय, तुमि निजेर सम्पर्क সে चेतन हये पड़। तोमार आमित भय पाय ये लोकेरा तोमार समुद्क कि वलद्व वा कि जावरवा निर्जन मम्भटक मटण्डन वासिक मर्बना वनारमन মতামত हिसाब करछे ओ मापछे।
एकटा छोटो गल्प :
एक सूफी अतीन्द्रियवादी एक राजार काछे ओपरे रेगे गेलो ओ बोलल ये ताके सेखाने केउ चেনে ना।
अतीन्द्रियवादी हासल ओ बोलल, 'हाँ, आमि मानছি। एखाने केउ आमाके जाने ना। किलु वासि निर्जाक आनि। किलु वाभनान क्षत्रे, सवाई आपनाके जाने। किन्तु आपनि निजेके जानেন ना।'
हिसाब करा बन्ध करे यखन सरल ओ उन्मुक्त हओ, तखन तुमि सर्वदा विस्मय ओ सतेजताते भरे थाकबे। जीवन तोमार जन्य कखनओ नीरस ओ नियन्त्रित हवे ना।
आमि ओ 'आमार
'आमि' ह'ल आमितु, भयेर मूल। आर 'बजे वासान बाज़ी', उजा वासान गाजी', 'बना आमार बन्धु' - एई 'आमार' ह'ल लोभेर मल।
'वासि' माटन व्यविद्वा कवा (किया, doing)। 'आमार' माने अविरत पावा (भोग, having)। अविरत तुमि तोमार सीमा प्रसारित करार चेष्टा कर। तथ्य तमि अविरत बहिर्जगते जिनिषगुलिके परिवर्तन करार चेष्टा कर। तमि 'आमार' सीमाके बाड़ाते चाओ। उदाहरणस्वरूप, तोमार एखन एकटा साधारण भाजि वाट्य, किलु कूलि व क्रण वावर वाव वाव व विलामवश्यूल भाझी का अन्य कवान जना तोमार एकटा बाड़ी आछे, किन्तु तमि आरो वड़ बक्को बाझी का उ। बरे भुकाव वाकिए पावार (भोग, having) ओपरे भित्ति करा। एई प्रकार मानुषेरा सुखी, निरापद ओ रिलैक्सड बोध करे यखन तारा अविरत बेशी ओ आरो बेशी करे जिनिष अधिकार करते थाके।
असुरक्षा ओ भयेर गभीर भावना आमादेर आरो बेशी लोभेर দিকে चालित करे एवं आमरा अविरत बेशी करे जिनिष अधिकार करार चेष्टा करते थाकि। अविराम जिनिय व्यविकान कबान वज्रान वज्राम गजीव निवाभवारीनजान वनुस्त्रण (शटक घाटमा) कूलि देखते पार ये अविराम बेशी ओ आरो बेशी करव जिनिष व्यविकान कवान धावना कर्य उ निरापत्तहीनता थेके आसे।
साधारणत आमरा निरापद अनुभव करि यदि वासारमन्न वावर विभिन्न शादक, विभि आत्मीय थाके एवं आमादेर चारिদিকে आरो विनिधि करव जिलिया थाटक। वानउ विभि निरापत्तर द्वारा आमरा भाबि ये आमादेर एई पथिबी थेके केउ निये येते पारबे ना।
आमित्व बनाम मास्टर
लोकेरा আমায় 'आमादेर मास्टरगणके केन अनुसरण करते हवे?' वासि वार्टमन विलि. ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' मास्टरदेरके अनुसरण करते हवे ना। किन्तु यदि तुमि मास्टरदेरके अनुसरण ना कर, तुमि तोमार आमित्वके अनुसरण करबे, ब्यास्। क्वल पूर्णि विकल्ल वाट्ड : रूय कूसि मास्टरदेरके शोन अथवा तुमि तोमार आमितके शोन।'
मास्टर हलेन एमन एक सत्ता यिनि किन्नुल वानक, निष्ठा वानक्क लांड करवरणन। जाँदक वनुमन्न करव रुसि उ लड़ वर्तना ( तमि जान ये ता एखन पर्यन्त कि कि अर्जन करवरण वर रा जा कान मिटक द्वार्य करनार करनार करनार करनार करनार करनार कर क जानाव वासिक जामारक यारे भट्य निर्य चलेछे ताते यदि तुमि खुशी, सन्तुष्ट, तृप्त ओ आनन्दे थाक, ताहाले तुमि तोमार आमितुके अनुसरण करते पार। ताते कोन भूल नेई। यदि रूसि वकड़े वायरिस्वास कन्न, यदि कूलि परिवर्तन चाओ, ताहाले मास्टरेर पथ अनुसरण कर।
केवल दुटि जिनिष आछे, मास्टर ओ मन। मास्टरके अनुसरण करेले मननके अनुसरण करा याय ना। आबार मनके अनुसरण करले तुमि मास्टरके अनुसरण करते पारबे ना।
एकटा सुन्दर परिभाषा आछे - 'न मह' बा 'नमः'। तार अर्थ, 'आमार नय', 'आमि नइ' - मास्टर बा ईश्वरेर चरणे 'आमि' ओ 'आमार' दुटिके समर्पण करि।
दक्षिणमूर्ति स्वामीेर गल्प
एकटा छोटो गल्प :
बहुदिन आगे एक जीवनमुक्त मास्टर छिलेन, ताँर नाम दक्षिणमूर्ति स्वामी। तिनी एकटि বটবেকের नीचे बसे थाकतेन। ताँर उपस्थिति एत प्रगाढ़ छिलो, ये कोन व्यक्ति ता स्पर्श करते পারত, अनुभव करते পারত एवं प्राय देखते পারত। ताँर नीरव उपस्थिति एतई शक्तिशाली छिलो ये तिनी कथा बलेन ना अथवा अन्येरा कथा बलार प्रयोजन मने करत ना।
मिर दक्षिणमूर्ति स्वामीके निये हाजार पथतिर पद्य लिखेछिलेन। तिनी তাঁके सन्त बलतेन। एई कवि वर्लाणिटलन वय प्रकित्वासुर्व शास्त्र र 'ल्नन 'मर्चट्यूक्ष याम्रा'। वेणिश्र व्यनुमाद्र, क्वन हाजार हाथीके युद्धे हत्या करले 'सर्वश्रेष्ठ योद्धा' उपाधि देवा हय।
दक्षिणमूर्तिर क्षमता ओ वीरोजित गुणাবলীর गुणगान करे एई कवि एक हाजार पंक्ति गायलेन। यखन राजा ता शुनल, से आमिते आघात पेलो कारण सेई अञ्चले सवाई जानत ये केवल सेई राजा एक हाजार हाथी बध करेछिलो। तखन पर्यन्त केवल सेई राजार सर्वश्रेष्ठ योद्धा उपाधि छिलो।
राजा कविকে ডাকल ओ रुष्ट हये बोलल, 'बट गाছের নিচে উলঙ্গ अवस्था बसे भिखारीर प्रशंसाय हाजार पंक्ति गाईबार ন্যায্যতা प्रतिपादन करुण। नतुबा आपनार शिरच्छेद करा हवे!' कवि बलेन, 'आमार काछे कारण देखानोर जन्य किछु नेई। आपनि आमाके बध करते पारেন। किन्तु ताँर उपस्थिति सम्पर्क किछु एकटा आछे। आमि एकटा छोटो अनुरोध
- ।
। ेथमबार राजार यचायख जेउ दधा ताোয়त ा ेरयि। बमय राजा अयिযर यচायखर दिये ताেाি এবং তারা माथा িত েরयর যেय। ेथमबार যেउ दधा तार यচायखर दिये ताे। राजा ভীণ झाँकुदि যখ।
१) দ্রষ্টাকে স্মরণে राख
मटन द्वार द्वारा का यथन रूपि का थ खोल, बोझ ये तुमि चोখের मध्य दिये देखछ। 'तमि देखछो ना। तखन हठात् देखबे ये तोमार समस्त शक्ति भुद्वयेर माझे आज्ञा चले केंद्रित हयेछे। तमि जिनिषगुलिके आरो परिष्कार करव द्वार्थर्व, मण्डलिटक व्यावर विद्यालय विद्यालय विद्यालय का विवास करण कर वामि বিশদভাবে देखबे, ये भावे वृष्टिर परे सबकुछ सतेज देखते लागे। ताहाले तोमार आसक्ति शाकरव ना, वावाद वनामकि अशाकरव ना, तोमार कोन दुःखकष्ट थाकबे ना।
उदाहरणस्वरूप, कखनओ ঘুমिऐ थाकले तुमि जान ये तुमि स्वप्न देखछो, किन्तु तुमि स्वप्न (शटक विजित्य वाम ना। लिरे व्यवस्थाय कूसि स्वप्नगुलिके आरो स्पष्ट भावे देख, एवेनकि स्वप्नगुलिके परिवर्तनओ करते पार। एइ भावेई तुमि यखन उपलब्धि कर, तुमि एखन या वास्तविक बले मने कर ता एक स्वप्नमात्र, तमि ताके भविवर्जन कवाद मण्डि उ वुद्धि भारत! या व! यथन तोमार चेतनतार कम्पাঙ্ক आरो उद्धे ओठे, तुमि उपलब्धि करार जन्य बुद्धिप्राप्त हवे, सेट़ा बक्को स्वभूताज वर राश्र कारक भविर्तन करार कोन प्रयोजन नेई।
२) प्रत्यक्षीकरण
एई प्रक्रियाटि ये कोन समये करा याया। मशविश्वरक बक वाटलाक वार्शी किन्छ वाया (translucent) वर्तर निवालन जीवन्त अस्तित्व बले अनुभव कर। तोमार चारिদিকে सबकुछ जीवन्त अनुभव करार चेष्टा कर। सेट़ा देखार चेष्टा कर। ता अनुभव करार चेष्टा कर।
प्रथम तोमार शरीरेर भितरे जीवनके अनुभव करार चेष्टा कर। तर्पर तृणि ये चेয়ारे बसे आछ तार भितरे जीवन अनुभव करार चेष्टा कर। देख, कि भावे तमि तोमार जूटकव व विद्यालय जनवर कोवल वाणा वकरेणारव प्रत्यक्ष कर ये तुमि चेयरेर भितरे, तार कुशनेर भितरे जीवन्त आछ। तर्पर प्रत्यक्ष कर तुमि तोमार चारपाशे बसे थाका मानुषेर भितरे जीवन्त आछ।
तोमादेर एकटा उदाहरण दिई। मने कन्न नमीतके बक्के बाँग बाँग बाथटल। बाँशेर बाँदिके नदियर एकटा भाग देखबे एवं बाँशेर ডানदिके नदियर आरो एकटा भाग देखबे। किलु जान मान कि नमी फूरे छाटन विज्ञ श्यूट्ड? ना! यदि बाँग मनिर्या एकना रूय, वाँ आर ডান দিক बले किछु नेई। तखन कोन सीमई नेई। सेट़ा केवल एकटा नदि, ब्यास्।
जोवन वक नमीन करण। बाँग र'ल तोमार आमित्व। तोमार आमितेर जन्य तुमि बोल 'आमि' एवं 'तुमि'। तोमार दुट़ो দিক आछे - तुमि एवं विश्व। सेई बाँशेर जन्य तुमि म्बूज वर्ष मन्त्र एक् यदि कुलि वासिर्फ़न बाँमटक सरिऐ फेल। तखन 'आमि' बा 'तुमि' बले किछुई थाके ना। सेट़ा तखन विशुद्ध नित्य -जीवन्त विद्यमानता।
२५ मिनट समय लागेबे।
बजे चूनर मन्त्रिमाली विकिया ववर मास्टरेर उपस्थितिते ओ मास्टरेर चोখের फोट़ोर सामने अभ्यास करले बेशी फलप्रद हय।
धाप १ : ५ मिनट लागेबे
चोख बन्ध रखे केवल चोখের मध्य मिट्य वक्त कार्टन मिश्रूटन या किछु छवि द्वारा कर राज पाओ द्याख।
धाप २ : ५ मिनट लागेबे
एखन तोमार चोख खोल एवं तोमार त्रिनयन द्वारा छबिये मास्टरेर त्रिनयनेर দিকে प्रगाढ़ भावे ताकाओ। तोमार चोখের मध्य दिये द्याख।
धाप ३ : ५ मिनट लागेबे
चोख बन्ध रखे तोमार चोখের मध्य मिट्य वक्त कार्ट्यन या किछु छवि দ্বार्थ , ता द्याख।
धाप ४ : ५ मिनट लागेबे
एखन तोमार चोख खोल एवं तोमार त्रिनयन द्वारा छबिये मास्टरेर त्रिनयनेर দিকে प्रगाढ़ भावे ताकाओ। तोमार चोখের मध्य दिये द्याख।
धाप ५ : ५ मिनट लागेबे
चोख बन्ध रखे केवल तोमार चोख मिट्य वक्त कार्ट्यन्न या किछु छवि द्वारा किछु छवि द्वारा करण्ड करण्ड करण्ड करण्ड करण्ड करण्ड करण्ड को कारण कर किया गया है। यह कि मान किस्तार को बाद कि मान किस्तार को ब केवल ता देख।
কৃতজ্ঞতাই যথেষ্ট!
जीवनमूनि रल प्रणिणि मूशूर्ण अश्विर्ण्य प्रणि कृष्ण कृत्रा करता
কৃতজ্ঞতা - কি ও কেন
যখন আমরা উপলব্ধি করি যে আমরা वाखिट्युन मम्भूर वकरणन बक घरन वर्ष वर्ष वर्ष অস্তিত্ব প্রতিটি মুহূর্তে আমাদের প্রেম সহকারে যত্ন করছে, আমরা তখন কৃতজ্ঞতায় অভিভত रूরে। আমরা ধন্যবাদপূর্ণ হই, এমনকি সেটা আমাদের অঙ্গপ্রত্যুদ্ধ বা ইন্দ্রিয়াগুলি ব্যবহার করার মত মৌলিক ব্যাপার হ'লেও।
वरिष्ठक्व वाण्ड्यटक তোমার সাড়া দেওয়া হ'ল কৃতজ্ঞতা। এটা তোমার ভিতরে এক সুন্দর প্রস্ফুটন বিষয়ক শক্তি। যদি এমন একটা কোন শক্তি থাকে যা তোমার জীবনে সবকিছুর যত্ন নেয়, তা হ 'ল কতজ্ঞতার শক্তি! যদি কখনও ভাব যে তোমার जीवन किछू वकणी शानिर्याण्ड, मणि র्यू তোমার কম কৃতজ্ঞতা অনুভব করার জন্য।
আজ পৃথিবীতে অনেক ধৰ্ম আছে। তারা প্রত্যেকটি কোন নির্দিষ্ট পথের ওপরে জোর দেয় যেমন, প্রার্থনা, তপশ্চর্যা, সমর্পণ রেজ্যামি। किन्तु बक्को जिलिस मन धर्मिन मध्या मर्वजनीन ववर मण्डिन मार्थ यूक करव। लाणे र'ल कृष्ण्डण। कुण्डका रू'ल मवर्ट्ठर्य बड़ ধর্ম। वासि लारकरणव बजे बलटल जाना विष्णिक रूय, 'कुण्डजा किलारव धर्म र'ট Bharat? मण्ड ধর্ম कन রूरव? ल्याणी वकणी मामाजिक वज्रणाम হ'তে পারে, কিন্তু ধর্ম নয়।'
कृष्ठ का উচিৎ, নিছক ধর্ম নয়। কৃতজ্ঞতা এক রূপান্তর ঘটানোর শক্তি। তা তোমার মধ্যে ও চারপাশে ঘটনাগুলির রূপান্তর করে। কৃতজ্ঞতা এক শক্তি এবং তা তোমাকে মহাবিশ্বের শক্তির সাথে ঐকতান করায় ও তোমার জন্য সুপ্রচুর সমুদ্ধি নিয়ে আসে। কৃতজ্ঞতার সাথে দেখবে যে অস্তিত্ব সহজেই তোমাকে সাড়া দেয়, তা যেন এক জীবন্ত সত্তা। এটা এমন এক চ্যানেল যার দ্বারা অস্তিত্বের সাথে একাত্মবোধ করা যায়।
কৃতজ্ঞতা ঘটলে তা আকর্ষণের নিয়মমের মধ্য দিয়ে সুন্দরভাবে কাজ করে এবং তোমার मिटक मूल्यून मतुम्नि वाकर्षिक करव। लজে কিভাবে সম্ভব?
একটা ছোট গল্প :
প্রাচীন ভারতের মহান রাজা আকবরের উপদেষ্টা ছিলেন বীরবল। একদিন তারা একসাথে রাস্তায় হাঁটছিল।
তখন जारमन भाग मिट्या गर्न व्यवर वाकवन বীরবলকে বলল, 'কেন জানি না আমার এই লোকটিকে ফাঁসি দিতে ইচ্ছা হচ্ছে।'
একমাস কেটে গেল এবং আবার সেই চন্দনকাঠের ব্যবসায়ী তাদের পাশ দিয়ে গেল।
এবার আকবর বলে, 'অবাক ব্যাপার। এইবার এই লোকটিকে কিছু বৃত্তিদান করতে ইচ্ছা হচ্ছে! কি করে এটা সম্ভব?'
वीवरल जेऊन फियन, 'একমাস আগে চন্দনকাঠের ব্যবসায়ীর ব্যবসা ঠিক চলছিল না এবং সে আপনাকে পাশ দিয়ে যেতে দেখে আপনার মৃত্যুকামনা করেছিল। সে ভেবেছিল আপনি মারা গেলে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য রাজসভাসদেরা তার কাছে অনেক চন্দনকাঠ কিনতে আসৰে।'
বীরবলে বলে চলে, 'লোকটি এইপ্রকার নকারাত্মক স্পন্দন ছড়িয়ে দিয়েছিল এবং তাতে আপনি তার প্রতি ঘুণা অনুভব করেছিলেন। সেইজন্য আপনি তাকে তখন কোন প্রকৃত কাवन शाण़ा याँजि मिट्ठ क्ट्याण्डिलन। वासि সাথে সাথে সাথে আমাদের জন্য চেয়ার টেবিল বানানো নির্ণয় করে তার থেকে অনেক চন্দন কাঠ কিনে ফেললাম। তাতে সে খুব খুশি হ'ল। সেইজন্য আজ সে আপনার প্রতি খুব কতজ্ঞ বোধ করছে। আর এখন আপনি তার সকারাত্মক স্পন্দন অনুভব করেছেন এবং তাই তাকে কিছু দিতে চাইছেন! '
আকর্ষণের নিয়ম অনুসারে, কোন শক্তি जन वनुक्रव मण्डिटक वाकर्षण करव। ज्ञाण क्रक्काव क्लूटव किसारव शास्त्र? যখন তুমি মানসিক তৃপ্তিবোধ কর তার অর্থ তুমি পরিতৃপ্ত অনুভব কর, তুমি আনন্দপূর্ণ অনুভব কর। তাই তাই তুমি যখন কতজ্ঞতা বিকিরণ কর, তোমার পরিতৃপ্তির মण्डि जामान मिटक वसुना लांड, लांड, लेखक मम्बद्धका, जान राम्यू रेण्डामिन्न व्याकारव भविकृति वाकर्षिक करव। बरेजारव बजे काज করে।
बरे विषट्य उद्युकृत जिनिय र 'ल. বস্তুগত লাভ, উত্তম সম্বন্ধতা ও এইপ্রকার জিনিষগুলি কেবল কৃতজ্ঞতারই উপজাত বা বাইপ্রোডাকট। প্রকৃত ব্যাপার হ'ল কতজ্ঞতা তোমাকে অস্তিতের সাথে অনুরণিত করায় এবং তোমাকে এক সুন্দর মানবসতায় রূপান্তরিত করে।
মনোবিজ্ঞানীরা কতজ্ঞতা অনুভব করার প্রভাব পরীক্ষা করেছে। দুইজন গবেষক, ডালাসের সাদার্ন মেথডিস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ডঃ মাইকেল ম্যাককোলো এবং ডাভিসের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ডঃ রবার্ট এমোন্স, তাদের প্রথম পর্যবেক্ষণের পরে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন যে মানুষের ভাল থাকার জন্য কতজ্ঞতার বড় ভূমিকা আছে।
তারা কয়েকশ' মানুষকে তিনটি দলে विक्क करव वर्व वाद्यन जारमन बनाज सारेविट्ठ लिथटक वटन। भ्रथम मल फारेबिट्ठ मानामित्वनन হওয়া সমস্ত ঘটনা লিখেতে থাকে। দ্বিতীয় দল मितन वर्णिका कवा कितन वर्षिय घण्नाभुलि লেখে। তৃতীয় দল সেই সব ঘটনার লিস্ট वानाया यामव घण्डनाया काजा करण्ड वास করেছে।
बरे भर्तवकरणन कलाकरलव विद्यार्ड জ্ঞাপন করে যে প্রাত্যহিক কৃতজ্ঞতার অভ্যাস থেকে ভবিষ্যতে উদ্যম, সৃজনশীলতা, সেম্নিভনা, দৃঢসংকল্প, আশাবাদ ও শক্তি আসে। উপরন্ত তৃতীয় এই দলটি যে কতজ্ঞতা রেকর্ড করেছে, তারা কম বিষণাতা ও চাপ অভিজ্ঞতা করেছে। তাদের অন্যদের সাহায্য করার ইচ্ছা বেশী ছিল। তারা নিয়মিত ব্যায়াম করে এবং তাদের वाकिशत लक्ष्ठन मिटक
আমাদের মনোভাব অন্য এক স্তরে চলে যাবে। মনে রেখ, যে ছোট ছোট জিনিষের জন্য কতজ্ঞ নও, তুমি বড় ব্যাপারেও তা অনুভব করবে না। এমনকি বড় ব্যাপারকেও অবধারিত বলে ধরে নেওয়া হয়। সম্প্রতি আমরা মনে করি যে আমরা যা কিছু গ্রহণ করি তাতে আমাদের অধিকার আছে। আমাদের এই মনোভাবের জন্যই হিতৈষিতা, দয়াশীলতা দেখতে পাই না। অস্তিত্ব स्बाना वासारमन उभर्तव वर्षिक सेवरावर्थनिर्ण আমরা সংবেদনহীন হয়ে থাকি।
একটা ছোট গল্প :
এক ব্যক্তি তার বন্ধুকে বলছিল সে কিভাবে একদিন মরুভূমিতে হারিয়ে গিয়েছিল।
সে তার বন্ধুকে বলল, 'পুরো হতাশ হয়ে আমি হাঁটু গেড়ে বসলাম এবং প্রার্থনা করলাম যাতে আমি মরুভূমি থেকে বাইরে যাবার জন্য পথ পেয়ে যাই।'
গল্প শুনে তার বন্ধু অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা এবং জিজ্ঞাসা করে, 'তাহলে ভগবান তোমার প্রার্থনার উত্তর দিয়েছিল কি?'
ব্যক্তিটি উত্তর দিল, 'ও, না! তার আগেই একজন এক্সপ্লোরার (ভ্রমণকারী গবেষক) হঠাৎ জানি না কোথা আবির্ভূত হ'ল এবং আমাকে পথ দেখাল।'
আমরা জীবনে এইভাবেই অসংবেদী হয়ে থাকি! আমরা সবকিছুই অবধারিত বলে ধরে নিই। যদি আমরা নিজেদের কতজ্ঞতা দ্বারা সংবেদনশীল করে তুলি, আমরা কোন কিছুই व्यविद्य बटन धर्व द्वाव ना, जा जाणा আমাদের আঙ্গুল হোক, কি ধনসম্পদ হোক অথবা বাস্তবিক কোন সম্পদ হোক প্রতিটি জিনিসের সাথে অস্তিতের ওপরে গভীর সম্ভব সহকারে কাটে।
অন্যদের কৃতজ্ঞতা সহকারে শ্রদ্ধা কর
প্রথমে আমাদের মনে রাখতে হবে যে কেবল আমাদের সেবা করার জন্য মানুষই জন্ম নেয় নি। প্রতিটি মানুষ আমাদের মण जोवनन्द भट्य घाटण। मया वर्षण, অথবা জানা যাক, তোমার জন্য অন্যেরা যা কিছু করে। বর্তমানে তারা তোমাকে সেবা করার এক দয়াপর্শ কাজ করছে. তোমাকে কতকিছু দিচ্ছে, তোমার যত করছে। অবশ্যই বিবাহে দেওয়া নেওয়ার ব্যাপার আছে, কিন্তু সেটাকে কখনও ব্যবসায়িক বলে ধরে নেওয়া যায় না। তাদের কখনও তোমার জন্মাধিকার বলে ধরে নেওয়া যায় না।
বিবাহের মন্ত্রণে এই ধারণাকে কিছু বৈপ্লবিক বলে মনে হতে পারে কিন্তু এই ধারণা আমাদের সমাজে খুব গভীরভাবে শিকড় গেড়ে আছে। বিবাহের আগেকার দিনে বাবা মায়েরা বলতেন, 'ছেলেটি এক মানসিক সম্পর্কের সময়েও অন্যজনের শরীরের জন্য সম্পূর্ণভাবে কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। নিজের দৈহিক সুখের জায়গায় সম্পূর্ণ জিনিসটা এক ঐশ্বরিক প্রক্রিয়া বলে মনে হওয়া উচিত। যখন তুমি নিজের জন্য এত সুখ পেতে পার, তাহলে অন্যজনের জন্য কেন কৃতজ্ঞতা অনুভব করবে না? প্রথম থেকেই যদি অন্যজনকে গভীরভাবে শ্রদ্ধা করা যায়, তাহলে অনেক বিবাহকে রক্ষা করা যায়।
একটা ছোট গল্প :
একজন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করল, 'হে ভগবান, আমার ওপরে করুণা কর। আমি অনেক কঠোর পরিশ্রম করি এবং আমার পত্নী ঘরেই থাকে। সে ঘরে থাকতে পছন্দ করে আর আমি সারাদিন কত খাটি। দয়া করে আমাকে একটা বর দিন যে আমি আমার স্ত্রী হয়ে যাই এবং আমার স্ত্রী আমি হয়ে যাক। আমি তাকে একটা শিক্ষা দিতে চাই যে একজন পুরুষের জীবন কত কঠিন।'
ভগবান তাকে সেই বর দিলেন।
পরের দিন সকালে যে পুরুষটি এখন মহিলা হয়েছে, সে খুব সকালে ওঠে, বাচ্চাদের জন্য খাবার প্রস্তুত করে, দ্বকরণমণ বানায়া, বাকারণব বিষ্ণি করে ঘর সামলায়। তারপর সে ফিরে এল এবং কাপড়গুলো ধুল, ঘরদোর পরিষ্কার করল, চেক ভাঙ্গাল, ইলেক্ট্রিসিটি ও ফোনের বিলের দাম দিল। তারপর সে বাজারে গেল এবং কিছু মুদিখানার জিনিষপত্র কিনল, কাপড় ইস্ত্রি করল, বাচ্চাদের স্কুল থেকে নিয়ে এল, জামন সব মতম্মান মর্যাদাহানি কবল, টেলিভিশন দেখতে দেখতে কাপড় ইস্ত্রি করল। তারপর বাচ্চাদের খাওয়ালো, তাদের ঘুম পাড়ালো এবং খেয়েদেয়ে বিছানায় গেল।
পরদিন সকালে সে আবার ভগবানের কাছে প্রার্থনা করল, 'হে ভগবান, মনে হচ্ছে আমি এটা আগামীকাল আর সামলাতে পারব না। আমি আপনাকে অনুরোধ করছি দয়া করে আমাকে আবার পুরুষ বানিয়ে ফেলুন। '
ভগবান উত্তর দিলেন, 'অবশ্যই আমি তোমাকে আবার পরিবর্তন করে দেব কিন্তু তোমাকে নয় মাস অপেক্ষা করতে হবে কারণ তুমি এখন গর্ভবতী হয়েছ! '
সুতরাং জীবনে অন্য কাউকেই অবধারিত বলে গণ্য করা ঠিক নয়। ভবিষ্যতে সাধারণত অন্যের কাছ থেকে কিছু প্রত্যাশা না করাই উচিৎ।
আমি সর্বদা লোকেদের বলি যখন তোমাদের মধ্যে অর্থাৎ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক ঠিক থাকে না এবং তোমাদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হওয়ার উপক্রম হয়, জানবে এর পরেও তোমার জীবনে ভালো কিছু নিয়ে আসে। তুমি হয়ত ভাবছ এতে কেবল কষ্ট আর যন্ত্রণা কিন্তু আমাদের জীবনে ভাল কিছু নিয়ে আসে। খুব কম লোকই জানে জীবনে নির্জন হওয়ার কত প্রয়োজন। কেবল আমরা তাকে সেইভাবে দেখতে পারি না।
সমস্যা হ'ল আমরা ভাবি যে কোথাও না কোথাও মানুষেরা আমাদের আঘাত করার জন্য অপেক্ষা করছে। ব্যাপারটা সেরকম নয়। কেবল নিজের নিরাপত্তাহীনতা আমরা অপরের উপর বর্ষণ (project) করি। নিজের প্রতিরক্ষার জন্য আমাদের প্রক্রিয়া থাকে যা কারণরহিতভাবে সমস্ত সম্বন্ধতার সাথে খেলা করে। আর অন্যেরা আমাদের আঘাত হানার জন্য অপেক্ষা করছে, এই ভাবনা দ্বারা তা চালিত হয়। যখন তুমি নিজের কৃতজ্ঞতা বিকশিত করতে পার, এই প্রক্রিয়া অদৃশ্য হয়ে যাবে।
একটা ছোট গল্প :
এক দম্পতি তাদের তিন বাচ্চাকে সঙ্গে করে একদিন সমুদ্র সৈকতে গেল। বাচ্চারা বালির দুর্গ বানাচ্ছিল ও আনন্দ করছিল।
তারা এক বুদ্ধাকে ছেড়া কাপড়ে তাদের দিকে আসতে দেখল। সে নীচু হয়ে কিছু জিনিষ ওঠাচ্ছিল ও তার থলিতে রাখছিল। যখন সে বাচ্চাদের সামনে এল, বাবা-মায়েরা চীৎকার করে বাচ্চাদের বুদ্ধার সামনে থেকে সরে যেতে বলল।
বৃদ্ধা তাদের দিকে তাকিয়ে হাসল, কিন্তু তারা বিনিময়ে হাসল না।
কিছুদিন পরে তারা জানতে পারল যে সেই বৃদ্ধা বেলাভূমিতে বালি থেকে কাঁচের টুকরা উঠিয়ে নেবার জন্য জীবন সমর্পণ করছে যাতে বাচ্চাদের পা না কাটে।
আমরা সবসময়ে সম্বন্ধতাগুলিকে ভাল, খারাপ, বিশ্রী ইত্যাদি বলে লেবেল করি। এটা সমস্ত সম্মক্ষতায় হয়, মা ও তার সন্তানের মধ্যে, বস ও তার কর্মচারীর মধ্যে অথবা বন্ধুদের মধ্যেও হতে পারে।
কারও বর্তমানে বিদ্যালয়ে অনিষ্ট হবার জন্য তাদের মাতাপিতা ও সমাজের প্রতি অকৃতজ্ঞ অনুভব করে। আমাদের কৃতজ্ঞতা -ধ্যানগুলির অংশগ্রহণকারীদের প্রথমে মাতাপিতার প্রতি ও অন্য সবার প্রতি যারা তাদের মানসিক গঠন ও মনোভাবের উন্নতি ঘটিয়েছে, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে বলি। দয়া করে বোঝ, তোমার এখন যা বুদ্ধি বিকশিত হয়েছে তা মিথ্যা হতে পারে। যা রুচি মানিক সম্মানিক গঠন দেখেনি ক্বাদ যা ভাভশ্য ক্বাদ বাউ নি। নতুন মানসিক গঠনে রূপান্তরিত হবার চেষ্টা কোরো না। যারা তোমাকে আগের মানসিক গঠন দিয়েছে তাদের অভিসম্পাত করা একদমও ঠিক নয়।
যারা আমাদের এই দেহ ও মন দিয়েছে তাদের আমাদের বঞ্চিত করার বা বিশ্বজ্ঞাল করার জন্য কোনভাবেই উদ্দেশ্য ছিল না। যা কিছু তারা সবচেয়ে ভাল বলে জানত, তারা কেবল তাই আমাদের দিয়েছে, ব্যাস। আমরা তার উদ্ধ্বে যাচ্ছি কারণ আমরা আরও বুদ্ধিমান হয়েছি। তাদের বিজিত করার কোন প্রয়োজন নেই, সেটা হ'লে যথেষ্ট।
আরেকটা ব্যাপার হ'ল যখনই তুমি তোমার প্রকৃতপক্ষে কতজ্ঞ বোধ কর, তুমি কখনও তাদের অধিকার করতে চাইবে না। তুমি তাদের সুন্দর সত্তা হিসাবে দেখবে ও সেখানেই ছেড়ে দেবে। কারণ তুমি অন্য মানুষটিকে এক সত্তা না ভেবে একটি বস্তু বলে মনে কর। কতজ্ঞতার সাথে তুমি সেই মানুষটিকে তার নিজের স্থান নিতে দেবে।
সচেতনভাবে নির্ণয় নাও, এই ক'দিন তুমি যা কিছু করবে ভবিষ্যতে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা সহকারে সাড়া দেবে। ঠিক কর যে কেবলমাত্র দুটি দিন তুমি সেভাবে সাড়া দেবে না যেভাবে আগে আসছিলে। নির্ণয় নাও, তুমি কেবল পবিত্র ও নিরভিমান প্রেম সহকারে সাড়া দেবে। দেখবে তুমি প্রত্যেককে অস্তিত্বের অনন্য সৃষ্টি বলে দেখতে শুরু করবে, তাদের ঈশ্বরের প্রতিফলন হিসাবে দেখবে। তুমি তোমার চারপাশের সবার সাথে ও সবকিছুর সাথে গভীর সংযুক্তি অনুভব করবে।
কেবল তাই নয়, চারপাশের সমস্ত কিছুকে ভালোবাসতে শুরু করবে। যদি তুমি এমন একটি ব্যক্তি হও যার সব কিছু আছে, যেমন অর্থ, সম্মান, খ্যাতি অথবা জ্ঞান, সবকিছুই মুক্ত হবে। তুমি এক করুণাময় ও প্রেমময় সত্তা হয়ে যাবে।
তোমার শরীরকে ধন্যবাদ দাও
একটা ছোট গল্প :
এক মাঝরয়সী মহিলার হার্ট অ্যাটাক হয় ও তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
অপারেশন টেবিলে তার প্রায়-মৃত্যুর অভিজ্ঞতা হয়। সে স্বর্গে ভগবানকে দেখতে পায়। সে তাঁকে জিজ্ঞাসা করে, এটা তার জীবনের শেষ কিনা।
ভগবান উত্তর দেন তার আরও ত্রিশ-চল্লিশ বছর বাঁচার আছে।
আরোগ্য লাভ করার পরে সে আরও কিছু সার্জারী করার জন্য হাসপাতালে থাকার সিদ্ধান্ত নিল। সুন্দর-করণ, চোয়াল পুনর্গঠন, নাক সংশোধন ও অতিরিক্ত চর্বি অপসারণ। সে তার চুল রঙ করল। সে ভাবল যেহেতু সে আরও ত্রিশ -চল্লিশ বছর বাঁচবে, সে এক নতুন সত্যেজ রূপ নিয়ে আরম্ভ করবে।
সেই সার্জারীগুলি শেষ হবার পরে সে হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার সময় হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সে চাপা পড়ল ও মারা গেল।
সে তারপর ভগবানে কাছে গেল ও জিজ্ঞাসা করল, 'ভগবান, আমি ভেবেছিলাম আপনি বলেছিলেন যে আমার আরও ত্রিশ বছর বাঁচার আছে।'
ভগবান উত্তর দিলেন, 'খুবই দুঃখিত। কিন্তু আমি তোমাকে চিনতেই পারি নি!'
প্রত্যেকটি শরীর এক অদ্বিতীয় মহাসৃষ্টি। সেইজন্য কোন দুটি শরীর একরকম দেখতে নয়। ঈশ্বর ইঞ্জিনীয়ার নন। তিনি এক শিল্পী। তাই আমরা সবাই ভিন্ন ভিন্ন মন্ত্রণা। যদি তিনি রেগুলার প্রোডাকশন জিনিস হতেন তবে আমাদের সবাইকে কারখানার উৎপাদনের মত একই রকম দেখাতেন! তিনি আমাদের সবাইকে অনন্যভাবে বানিয়েছেন। কিন্তু আমরা কখনও নিজেদের যথেষ্ট সুন্দর বলে অনুভব করি না। বাসনা বিদ্যালয়ের বর্ষাবনে মানুষ নিজেদের তুলনা করি ও তাদের মত চেহারা বানাতে চাই। আমাদের শরীরকে আমরা কখনও সুন্দর বলে অনুভূতি দিই না।
শরীর সম্পর্কে আমরা যে ধারণা পোষণ করি তার ঘারা আমাদের শরীর প্রভাবিত হয়। প্রতিটি কোষ আমাদের ধারণা ও অনভুতি দ্বারা প্রভাবিত হয়। যদি আমরা নিজের দেহের প্রতি কতজ্ঞতা অনুভব করি, আমাদের দেহ স্বাস্থ্যকে ভাল করে সাড়া দেয়। দেহকে ঘুণা করলে, দেহ রোগগ্রস্ত হয়ে সাড়া দেয়। এটা অন্য মানুষের উপর আমাদের কি রকম মনোভীতি আছে তার উপরেও নির্ভর করে। যদি আমরা মানুষকে দেহ মনে করি, তাহলে আমাদের হৃদয় সেইভাবে কাজ করে।
কেবল তোমার মনের জন্য কর্মি এখানে বসতে পেরেছ ও এই কথাগুলি শুনতে পাচ্ছ। তুমি যদি নবোদিত মারাওয়ের লেখাগুলি এখন পড়তে পারছ। তাহলে কি করে তাকে গালমন্দ কর বা তাকে অবধারিত বলে গণ্য কর? চারপাশে তাকালে দেখবে অনেক মানুষ হাত পা ছাড়াই জন্ম নেয়। অনেকে জন্ম থেকে পঙ্গু থাকে অথবা কোন পূর্বজন্মের মুষ্টিনাগির জন্য দায়ী। আমরা মনে করি শুধুমাত্র ত্রুটিহীন দেহধারী মানুষেরা ত্রুটিপূর্ণ দেহ থেকে বেশি ব্যবসায়িক হতে পারে। কখন কখন ক্রটিহীন দেহধারী মানুষের চাইতে শারীরিক বিকলাঙ্গ মানুষ বেশি কৃতজ্ঞ থাকে। বিকলাঙ্গেরা জানে শরীরের কোন অংশ হারাবার অর্থ কি, তাই সে স্বতঃস্ফূর্তভাবে দেহের অন্য অংশগুলির জন্য কৃতজ্ঞ থাকে।
সুফি প্রথায় একটি সুন্দর ধ্যান প্রক্রিয়া আছে। রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে তারা নিজের মনের উপর মনোযোগ দেয় এবং সেই অঙ্গের জন্য কৃতজ্ঞবোধ করে। অত্যন্ত প্রেম ও কৃতজ্ঞতা সহকারে তারা মাথা থেকে পা পর্যন্ত তাদের কর্মক্ষম প্রতিটি অঙ্গকে স্পর্শ করে। এই সুন্দর ধ্যানটি সবাই অভ্যাস করতে পার। দিনের পর দিন যখন তুমি মনোযোগ দেবে তোমার অঙ্গগুলি আরও সুন্দর হয়ে উঠছে এবং কোনও রকম বর্ষাকালীন (শীতকালীন) রোগ নিরাময় হচ্ছে।
সবকিছুই মঙ্গলময়, কেবল তা উদযাপন কর!
একটা জিনিষ খুব পরিষ্কার করে বুঝতে হবে। ব্যক্তি জীবনের সবকিছুই এক পরম মঙ্গলময় ঘটনা। কার্যাদি ঘঠে সবকিছুই এক, সবকিছুই মঙ্গলময়। এটাই অস্তিত্ব সম্পর্কে সত্য। অস্তিত্বে কোন কিছুই খারাপ নয় সবকিছুই কেবল আশীর্বাদ মাত্র।
বজে বুबाज ভাবটন জীবনন বাণोयांন কवाद अना किছूরে शाদक ना। বজে স্থান করণ্ড করव বুঝলে তোমার চোখ হয়ে যায় কৃতজ্ঞ চোখ। তা সবকিছুকেই অসাধারণ বলে দেখে। কোনকিছুই नोनम लाटक ना। মনकिছূটক घटनोकिक মटन হয়।
একটা ছোট গল্প :
একদিন এক হাঁসের শিকারী হাঁস ধরার কুকুর কিনতে বাজারে গেল। সে অবাক হয়ে একটি কুকুর দেখল। কুকুরটা যেটা জলের
उभरव शौण्टक शाদव! ল্য এক বরण्याष करे কুকুরটিকে ঘরে নিয়ে এল।
সে তার এক বন্ধুকে শিকারের জন্য আমন্ত্রণ করল ও শিকারে কুকুরটি নিয়ে গেল। এক ঝাঁক হাঁস সামনে এলে সে তাক করে গুলি চালাল ও নীরবে দেখতে থাকল। কুকুরটি জলের ওপরে দিয়ে হেঁটে গেল এবং পাখীটিকে নিয়ে এল। সে তার বন্ধুর দিকে তাকিয়ে তার প্রতিক্রিয়া দেখতে চাইল, কিন্তু বন্ধু চুপচাপ হয়ে রইল।
সে বন্ধুকে প্রশ্ন করে, 'আমার কুকুরের অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ্য করলে? '
বন্ধু উত্তর দিল, 'হ্যাঁ, তোমার কুকুর সাঁতার কাটতে পারে না।'
আমাদের চোখের চারপাশে অনবরত वटलोकिक घण्डना घण्टू। কিলু वासना ज একদম দেখতে পাচ্ছি না! তাদের দেখতে না পাওয়ার জন্য আমাদের জীবন নীরস মনে হয়। यूथन वायवा का जेनलाकि कबरण भावि. वासारमन्न मास जीवन व्यालोकिक रूय्य याया। মণ্ড র'ল, वासारमन জোবরন কাव्याटन বর্ণ অলৌকিক ঘটনা ঘটে চলেছে।
আমরা যদি নিজ-সত্তা, মহাবিশ্ব ও जनवर वर्षिकु, बर्र जिनाणि सेम्याभन कवि, তাহলে আমরা সমগ্র অস্তিত্বকে অবিশ্রাম ঘটা बक वामीवीम रिजादव विज्ञान कवन। তোমাদের বুঝিয়ে বলি।
यथन मशविद्यन्त वर्षिकुटक जेफ्याभन कन्न, वर्ड তিনটিই তাদের রহস্য তোমার কাছে প্রকাশ করবে। দয়া করে বোঝা, আমি যখন তোমাদের নিজ-সত্তা, সরাবিশ্ব উ जेनवर्क सेम्याभन করতে বলছি, আমি তোমাদের কোন নৈতিক সে মটন मिलि না। आसि जानारमन बन्कुल আধ্যাত্মিক প্ৰক্ৰিয়া দিচ্ছি।
প্ৰথম ধাপ : যেমন আছ তেমনভাবে নিজেকে গ্রহণ ও উদযাপন না করতে পারা পর্যন্ত তুমি নিজেকে বুঝতে বা উপলব্ধি করতে পারবে না। তমি নিজে যা, তার সাথে লডাই করতে থাকলে, তুমি কখনও উপলব্ধি করতে পারবে না যে তুমি আসলে কি।
সাধারণত আমারা আমাদের মধ্যে দুটি পরিচয় বহন করি। একটা হ'ল বহিজ্ঞগতের भविष्य. वনাণী व वर्ष्णूल्य व व भविष्ठय। বরিজন্ত্র ভবিষ্যৎ रू'ল, वासना वारेद्रब বিশ্বকে যা দেখাই, বহির্জগৎ আমাদের কিভাবে দেখক তা চাই, কিভাবে আমরা স্বীকৃত হ'তে চাই, কিভাবে নিজেদের উপস্থাপিত করতে চাই। এই পরিচয় প্রকল্পক্ষে আমরা যা, সর্বদাই তার চেয়ে বেশী হবে।
वনাণী র'ল वर्ল वर्ल्ड भविष्ठय, নিজের সম্বন্ধে আমরা প্রকৃতপক্ষে যা বিশ্বাস कवि। সর্বদাই তার চেয়ে কম হবে। এটাকে আমরা হীন আত্ম-মর্যাদা বলে উল্লেখ করি।
তোমার সমস্ত জীবন আর কিছুই নয়, কেবল এই দুটি পরিচয়ের মধ্যে সংঘর্ষ। তুমি অবিশ্রাম তোমার বহির্জগতের পরিচয় করার জন্য চেষ্টা কর এবং সেটা তোমার वार्ड করণ্ডন বিদ্যাवर विद्यारी। রাজসি উ তোমার মধ্যে সংঘর্ষ, এই দুটি পরিচয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব, তোমার জীবনকে গ্রাস করে।
এই দ্বন্দ্ব বন্ধ করার সময় হয়েছে। তুমি या, लजेटक डेफयाभन कनाव मतदा वटमट्ड। তুমি যেরকম, নিজেকে সেরকমভাবেই গ্রহণ কর ও উদ্যাপন করে এবং দেখবে যে তুমি
धोदव शोदव जाताव थक्क मणारक সে ভনবি করছ। কেবল এই দুই পরিচয়ের মধ্যে দ্বন্দ্বের জন্যই আত্ম-উপলব্ধি করার কাজ বারংবার ভिष्टिया याया। यारे सूकूर्ण कुलि वरे मन्न वक्त कन्न, प्रमर्व सेजयर সে মানবিত্ব ব্যমনা রায় যায়।
बक्साख जाताव जिज्जन वासीकृष्ठित জন্য এই দুটি পরিচয় বিদ্যমান থাকে। এখন জार रूसि वरिर्जनारण उ वर्ल्डर्लगटक यामन, তাকে একদম স্বীকার কর। নিজে যেমন আছ, তাতে 'হ্যা' বলে নিজেকে সেভাবেই গ্রহণ কর। হঠাৎ দেখবে তোমার জন্য এই দুটি পরিচয়ের কোন উপযোগিতা বা তাৎপর্য নেই। তারা একদম অদশ্য হয়ে গেছে। তারা তোমার শরীর ছেড়ে চলে যায়। তারা তোমার অন্তর্দেশ ছেড়ে याया। जनवर कूलि निर्जन মণা ব্যসন वाट्यू তেমন ভাবেই তাকে স্বীকার করবে ও উদযাপন করবে। তুমি ব্যবহার পারবে যে তোমার সত্তাকে বহিজ্ঞগতে অথবা অন্তর্জগতে, কোন জগতেই विकसित कबराज रख ना। बरे वास (शटक रठी९ তুমি দেখবে যে আত্ম -উপলব্ধি হয়েছে!
भट्वन উদযাপন করার বিষয়ে আসছি। বোঝা যে তমি 3 मराविद्यन्न मास्या मुम्बू व्यमविधा उ মতমাণ्डलिव कानून र'ल रू'ल जूनि कर्मन उ মহাবিশ্বকে এক রহস্য মনে করে তার দিবে विष्यत् मश्कारव जाकाउ ना। कूलि वनवन्त्रण তোমার যুক্তি দ্বারা মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচিত করার চেষ্টা কর। তুমি মহাবিশ্বকে উদ্ যাপন না করে, স্বীকার না করে, উপভোগ না করে, তাকে তোমার বুদ্ধি দ্বারা বুঝতে চাও। তুমি বিদ্যাवरण कन, भुशक भुशक कव बदर जारक তোমার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার চেষ্টা কর। সেটা সম্পাদন করা সম্ভব নয়! মহাবিশ্ব তো অসীম ও বিরাট বুদ্ধিমান! মহাবিশ্ব আছে উপভোগ করার জন্য, বিশ্লেষণ করার জন্য নয়।
ভারতবর্ষের শ্রীরামকফ পরমহংস একটা সুন্দর গল্প বলেন
দুই ব্যক্তি একটা আমবাগানে গেল।
একজন বসে বসে গাছের সংখ্যা গুনল। मा भाष्युलिव वाकारवन विजिन्नজা, जारमन নানারকম ডালপালা, পাতাগুলির ঘনতু এবং মव লাগল। সে আমগুলির বৈচিত্র্য নির্ধারণ করতে চেষ্টা করল। সে চিন্তা করল সেগুলি কোথায় বিক্রি হবে, তাদের দাম কত হবে ইত্যাদি।
অন্য ব্যক্তি কেবল কয়েকটি আম খেল এবং তা খেয়ে নিজের ভিতরে আনন্দ পেল ও চলে গেল!
यथन জেনে রাখ, তুমি আমের বাগানে প্রবেশ করেছ। यदि বিশ্লেষণ কর ও জিনিষগুলিকে তোমার নিয়ন্ত্রণে निया वामान करेण कन, এসि জारदल भूদवा ব্যাপারটাই হারিয়ে ফেলবে।
আমি এমন লোকেদের দেখেছি যারা রিসর্টের (ভ্রমণ বিনোদনের হোটেল) মালিক না र'ल, আইনগতভাবে মালিক না হ'লে তারা কোন কিছুই উপভোগ করতে পারে না। তাদের যুক্তি रू'ल जिनिष गुलिटक जय कवा, কवान जनवर जनवर कथन তারা কিছু উপভোগ করতে পারে। কোন জিনিষকে উপভোগ করার জন্য তার মালিক হ'তে হবে না। মহাবিশ্বকে বোঝার চেষ্টা করা মানে - বৌদ্ধিকভাবে - সম্পূর্ণ - অস্তিত্বের, মহাবিশ্বের মালিক হবার চেষ্টা করা। বুদ্ধিবৃত্তি
দিয়ে বোঝার চেষ্টা করার অর্থ, বুদ্ধিবতি দ্বারা অধিকারী হবার ও মালিক হবার চেষ্টা করা। এই পথে চললে তুমি কখনও উদ যাপন করতে সমর্থ হবে না।
অস্তিত্বকে তার भगवाण्ड (वाभारविद्वासी राज्य करण) সহকারে স্বীকার কর ও উদযাপন কর। কোন কিছু বিচার করার দরকার নেই। তুমি ক্রমাগত विकान कव, या राष्ट्राण्ड का ठिक ना जुल, कान किछू वेजादव रख्या फेडिए नाकि वरेजादव না হওয়া উচিৎ।
সচেতন হও, অস্তিতে যা কিছু ঘটে তা মवরে এক। मश्कूटक 'মিব' মটকান वर्थ 'কারণরহিত মঙ্গলময়তা'। শিব আবার হিন্দুদের এক মহান দেবতা। কোন নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই উन्हाणा, मण्डलसयाणा मर्वमा सेवा सेफ़ट्छ। সে তুমি স্বীকার করে কি না কর, তুমিও অবিশ্রাম প্রসারিত হচ্ছ ও তোমার বুদ্ধি হচ্ছে । প্রতিটি জন্ম, প্রতিটি কার্য, তোমার জীবনের প্রতিটি ঘটনা তোমার কম্পাঙ্ক বাড়াচ্ছে ও তোমার বুদ্ধিমতাকে আরও বিকশিত করছে। কারণরহিত প্রসারণ তোমার ভিতরেও ঘটছে। কিন্তু তমি হয়ত সেটা অভিজ্ঞতা করতে পার বা না পার। সেটা অন্য ব্যাপার।
माम भश्रिवीटर (कवल फूरे वका ব মানুষ আছে। প্রথম প্রকার মানুষ অনুভব করে এই মহাবিশ্বে যা কিছু ঘটছে তা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ঘটেছে এবং জিনিষগুলিকে সর্বদা একট পরিবর্তন করতে হবে। এই প্রকার মানুষেরা জारमन भविवर्जन কवाद क्या कवरव, विकान কवर्त, সমালোচনা করবে ও তৈরি করবে। আরেকটা विव्रल मटल किफू सानूस घाटक, याना जनून করে সমস্ত ঘটনাই মঙ্গলময় - শিব-সমান! যে মানুষ সমস্ত ঘটনাকেই শুভ বলে অনুভব করে,
সে শিব-চৈতন্যে বাস করে, সে বাস করে निजा वानटक, সেট্রমव सेक्याभटन। वाटनव দলটি অবিরাম কষ্ট পায় কারণ তারা সর্বদাই জিনিষগুলিকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করে।
মण्डा উ বাণ মটमण মরमण মনকিকূর আমাদেরকে একটা বার্তা প্রদান করে। मवकिछून মত্যারে वासारमन किछू त्याव घाटक। প্রতিটি ঘটনা আমাদের বুদ্ধিমতার বিকাশ घणेय, वासारमन का करणनाव कम्भाक वाज़ाय। মহাবিশ্বের পুরো নাটকে আমাদের জীবনে যা কিছু ঘটে তা আমাদের জন্য মঙ্গ লময়তা নিয়ে वारमा जन वासारमन करवल मिटक शादक। আমাদের কেবল মহাবিশ্বকে রহস্য বলে म्यूटक रूरव, जाटक वक्त वुक्तिमाजनील वर्णा বলে দেখতে হবে।
একটা ছোট গল্প :
একটা গ্রাম ছিল ও সেই গ্রাম চারদিকে मণ्यूक्य घावा भवित्वर्षण রায় विष्किन्त কিল। मर्द्र রিল বর্ণूटन, ज নিরিবিলি।
একদিন সকালে গ্রামবাসীরা এক সাধুকে দেখল। সেই সাধুকে তারা আগে দেখে नि। जिनि वक বর্ণেশারণ্ডন नीटक वर्माणिलन। তারা তাঁকে জিজ্ঞাসা করল তিনি কোথা থেকে এসেছেন। তিনি বললেন, 'তোমাদের আমি निर्जन তোমাদের সঙ্গে কয়েকদিন কাটাতে এসেছি।'
গ্রামবাসীরা তা শুনে খুশি হ'ল ও তাঁর জন্য একটা ছোট কুঁড়েঘর নির্মাণ করল। শীঘ্রই তিনি গ্রামবাসীদের নিরাময় করতে ও তাদের সমস্যার সমাধান করতে শুরু করলেন।
এবার সেই গ্রামে এক মহামারী হ'ল ও তাতে বহু পাখি মারা গেল। গ্রামবাসীরা সেটা
সাধুকে বলল। তিনি বললেন, 'এটা দুঃখের ব্যাপার তোমরা এতগুলি পাখি হারালে। কিন্তু তোমাদের যদি অস্তিতে বিশ্বাস থাকে ও প্রার্থনা কর, তাহলে এই ক্ষতি লাভ হয়ে যাবে।'
গ্রামবাসীরা তাঁর সাথে পুরোপুরি সহমত হ'ল না, কিন্তু যেহেতু তারা তাঁকে ভালবাসত তারা চুপচাপ চলে গেল।
भव्यवन मास्टर रोड श्रीए थाट्यात्रव मव কুকুরগুলি পালিয়ে গেল। গ্রামের সবাই আবার খুব উদ্বিগ্ন হ'ল কারণ কুকুরগুলি গ্রামটিকে চোরের থেকে রক্ষা করত। তারা সাধুকে তা आनाल। जिनि क्वल वकरे कथा वावाद বললেন, 'যদি তোমাদের অস্তিতের ওপরে वाश्वा थाटक, वसनकि वर्ड क्राज्य লাटक প্রমাণিত হবে।'
कर्याकमित भव्न वक्रण वाख्डूण घण्ना ঘটল। তখনকার দিনে দেশলাই বাক্স ছিল না। লোকেরা অথবা একদিন গ্রামের সমস্ত আগুন নিভে গেল। তারা পাথর ঘষে আগুন জুলোবার চেষ্টা করল, কিন্তু কিছুই হ'ল না। তারা খুব ঘাবড়ে গেল।
তারা আবার সেই সাধুর কাছে গেল ও जाँদक विखानिक वलल। माधू जामनव वर्लन, 'মনে হচ্ছে কিছু বিশেষ ব্যাপার হচ্ছে। '
গ্রামবাসীরা সাধুকে সন্দেহ করতে শুরু করল। তারা অবাক হ'তে লাগল তাদের থেকে সাধু কিভাবে বড় এবং তাঁর কি এইসব বলার জন্য কোনভাবে যোগ্যতা আছে। কিছু গ্রামবাসী পাশের গ্রাম থেকে আগুন নিয়ে আসতে চাইল। সাধু তাদের কড়াভাবে যেতে মানা করলেন।
পরেরদিন খুব সকালে যে করেই হোক, সেই গ্রামের কিছু লোক পাশের গ্রামের দিকে
যেতে থাকল। হঠাৎ তারা দুরে একটা বালির ঝডের মত কিছু দেখতে পেল। কয়েক মহুর্ত পর তারা দেখতে পারল সেটা ছিল আসলে এক আক্রমণাত্মক বিরাট অশ্বারোহী সৈন্যদল। তারা ব্যস্ত ছিল। গ্রামবাসীরা গাছের পিছনে লুকিয়ে পড়ল ও তাদের ওপরে নজর রাখতে থাকল। সৈন্যদল সেই গ্রামের সামনে এসে থামল ও তাদের একজন চীৎকার করে বলল, 'চল, এই গ্রামটাকেও আক্রমণ করি!'
আরেকজন বলল, 'এতে কোন লাভ হবে না। এখানে এত সকালেও কোন পাখি কিচিরমিচির করে না, কোন কুকুরও ডাকে না, কোন চিমনি থেকে ধোঁয়াও ওঠে না। দেখে মনে হয় না এখানে কেউ বাস করে।'
সৈন্যদল পিছনে ফিরল ও চলে গেল।
লুকিয়ে থাকা গ্রামবাসীরা দৌড়ে গ্রামে ফিরে গেল এবং অন্য গ্রামবাসীদের কি হয়েছিল তা বলল। তারা হঠাৎ উপলব্ধি করল যে সাধু সর্বক্ষণ কত সত্য ছিলেন! তারা সবাই সাধুর কুটিরে তাঁকে সব বলতে গেল কিন্ত কুটির ছিল খালি। সাধু চলে গেছেন।
কেউ জানে না তিনি কোথায় গেছেন।
অস্তিত্ব কোন দুৰ্ঘটনা নয়। সেটা এক साधीन दूर्मित्रणा यथन रूपि वूबाटक भाव य অস্তিত্ব এক স্বাধীন বুদ্ধিমত্তা, যখন তুমি বুঝতে भाव या वरिष्ठ व्यविज्ञा कवाद जना वक নিগঢ় রহস্য, সমাধান করার জন্য নয়, তখন তোমার জীবনে সবকিছু নিজে থেকেই খুলে যাবে এবং তোমার কাছে তার সাথে নিয়ে আসা শিক্ষা প্রদান করবে।
पूर्श्यक्षे वटन कूलि करणि यादि वर्षीकृष्टि সহকারে, বাধা প্রদান করে তার মু খোমুখি হও, তাহলে তা তোমার মধ্যে কেবল বেদনার সঙ্গি করবে। তা কেবল তোমার মধ্যে কষ্ট সঙ্গি করবে। যদি তুমি সেই একই দুঃখকষ্টের দিকে গভীর শ্রদ্ধা ও কতজ্ঞতা সহকারে এগিয়ে যাও. হঠাৎ দেখবে যে অস্তিত্ব তার রহস্য তোমার कारण के स्थानिक कवरण। वर्षिक जनवरी क দেখাবে কেন সেটা তোমার জীবনে ঘটেছে এবং जामादक लाणे कि मिक्रमान करवरण। यदि দুঃখক্রেস্টের দিকে স্বীকৃতি ও বুদ্ধিমতা সহকারে वनिर्य याउद्या रूय, रुठाए द्वार द्यार करे क्रे তোমাকে জীবনমুক্তি দিয়েছে। জীবনমুক্তি তোমার জীবনে আনন্দ ও অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
মহাবিশ্বে সমস্ত ঘটনাই মঙ্গলময়, ब्रानकि याटक তাও। অশুভ বলে কোন কিছুই নেই। মানুষের किछू कार्यक्रवादी (शरक विकृत निर्णाटक विनास करव निर्यार विकास कर्माण कार्र মহাবিশ্বের অস্তিত্বকে স্বীকার কর ও উদযাপন কর।
ততীয় ধাপে আমরা ঈশ্বরকে উদ যাপন করি। ঈশ্বর তো আগের দুটি ধাপ, নিজ-সত্তা 3 मराविद्यन्न मल 3 केरম। याजकुण কसि ঈশ্বরের অস্তিত্ব সম্পর্কে সন্দেহ অথবা বিশ্বাস রাখ, তুমি ঈশ্বরকে উপলব্ধি করবে না। मटनार्व विश्वाम उ वक वाया। वासि वर्तकरक দ্বार्थाणि यादा विश्वाम करव किलु क्शन उ ना। जारमन विश्वाम (शटक याय, किलु जन्मूदवन অভিজ্ঞতা কখনও করে না।
তাই এখন ঈশ্বরের আছে কি নেই সে সম্পর্কে তোমার সন্দেহ ও বিশ্বাস সরিয়ে রাখ। यमि তোমার তাঁর সম্বন্ধে কেবল একটি ধারণা থাকবে - যে তাঁর দশ হাত বা আঠারো মাথা
আছে অথবা সে লম্বা না বেঁটে। তোমার যে धावनार धावना गुलि उ ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই বিশ্বাস ও সন্দেহ সরিয়ে ফেল। কেবল স্মরণে রাখ যদি এক সঙ্টি হয়ে থাকে, তার এক স্রষ্টা থাকবেই।
যেই মুহূর্তে তুমি তোমার সামনে এক বস্তু দেখ, সেই মুহূর্তে তুমি জান যে সেই বস্তুর এক স্লেষ্টা আছে, তাই নয় কি? সঙ্টি থাকলে. मुक्ति शाकरव। वसनकि 'मुखें' मन्नजे उ সঠিকভাবে ঈশ্বরকে জন্য মানানসই নয়। তিনি তো কেবলমাত্র কারণ বিনা বিনা - উচ্ছুসিত সুজনশীলতা, ব্যাস! তিনি এবং বাংলা কে এক मजनमोल्का या वविद्यास मम्भुमानिक राष्ट्र राज्य। তিনি এক অবিশ্রাম বিগ্ ব্যাং ... এক অবিরত ৰ প্ৰায় কৰা হয়। তথ্যসূত্ৰ
मुष्टि, मुंड उ ব্যक्रे - वर्ष विवरणि মুজনमील जा রায় व विवाख र রায়। केन्द्रव মুজনमोलणा। জारे मुजनमीलाजाब वर्षिकूटक উদ্যাপন কর। সজনশীলতা না থাকলে সঙ্গি ঘটতে পারে না। সুষ্টির অস্তিত্বই প্রমাণ করে যে म्बेड़ा व्यवा मुजनमोलणा विकासान वाट्ड। সজনশীলতা কতকগুলি মত নিয়ম নয়। তা এক স্বাধীন বুদ্ধিমত্তা। তা বুদ্ধিমত্তা ও স্বাধীনতা। তাই সেই স্বাধীন বুদ্ধিমতাকে উদযাপন কর। জনवर विद्युक्त व्याखिकूटक मुजनमोलण शिकारव উদ্যাপন কর।
यथन ঈশ্বর, এই তিনটির অস্তিত্ব উদ্যাপন কর, হঠাৎ তুমি দেখবে যে কেবলমাত্র তোমার অচেতন মন এই তিনটি অন্তরায় সষ্টি করেছে। সেখানে কোন প্রতিবন্ধক নেই, কোন অন্তরায় नरे, क्वल वाट्ड भविव वर्षिक, विष्णुक চৈতন্য, শুধুই উদ্যাপন।
নিজ-সত্তা, মহাবিশ্ব ও ঈশ্বর তিনটি ভিন্ন নয়, তারা অস্তিতের একই অন্তঃসার -এই স্পষ্টতা সহকারে বাস করা এবং এই এক অন্তঃসারের অস্তিত্বকে উদ্যাপন করাকে আমি বলি জীবনমুক্তি।
যদি তমি নিজ-সত্তা, মহাবিশ্ব ও ঈশ্বর এই তিনটির অস্তিত্ব উদযাপন কর, তুমি হঠাৎ দেখবে যে কেবল উদযাপন বিদ্যমান আছে। অন্য তিনটি উদযাপনে (celebration) মিলিয়ে গেছে!
यथन वर्ड विनाणि स्प्रेमिया भटन सिलिट्य याय, या भटव शादक जाटक वास्क वासि वलि फिन्छन আনন্দ, নিত্য আনন্দ, নিত্যানন্দ।
যতক্ষণ অগ্রাহ্য করার ও লড়াই করার আমিত বিদ্যমান থাকে, ততক্ষণ এই তিনটির মद्या मीठारवर्था शादक। यारे सुरूर्ण व्याश्रण वाद्या राय থারাণা घटने, वासिकु सूटर याया। অকস্মাৎ কেবল উদ্যাপন থেকে যায়।
কেউ কেউ আমায় প্রশ্ন করে, 'কিভাবে আমরা আমাদের সবচেয়ে গভীর কতজ্ঞতা প্রকাশ করব?' আমি তাদের বলি যে তাদের কতজ্ঞতা প্রকাশ করার একমাত্র উপায় হ 'ল জীবনसूक रूट्य वाम कन्ना, व्यकादव वासि এক্ষুণি তোমাদের বর্ণনা করলাম। তুমি আমার জন্য সেটাই সবচেয়ে ভাল করতে পার এবং আমিও সেটা তোমার জন্য সবচেয়ে ভাল করতে পারি।
আমার প্রতি তোমাদের এত কৃতজ্ঞ শ्वाद कावन र'ल जाताव जीवरन वक्रजन জীবনমুক্ত মাস্টার ঘটার পরেই তুমি কতজ্ঞতা जिनियण वूनारण भाव! जान वादश भर्यल क्क्का मासाजिक वज्जाम रूयर वज्राय शादक। यूथन
- । তা যতামা যতামার ত্তা যথয়ে রূপান্তর েরয়ব। যটাই যয়থি। তায় মাস্টায়রর োযভ মাপি য়য়ছ
কতজ্ঞতা - পরম প্রার্থনা ও ধর্ম
यून याय, আকর্ষণ কর। এটাই আকর্ষণের সত্র ও প্রকৃতির বিধান। শক্তি তার অনুরূপ শক্তি আকর্ষণ করে। কতজ্ঞতা এক চরম প্রার্থনা এবং जा वामार्मन जना वामना या कब्रुना कवड़ भावि जान फिट्स विनि भ्रमान करन।
वर्तनक मनन करव व्य वार्थना उ কৃতজ্ঞতা হ'ল দাসত্য। না। এই দুটি সবচেয়ে বড় মুক্তিদাতা। এই দুটি তোমাদের অসন্তুষ্টির বন্ধন থেকে মুক্তি প্রদান করে। অসন্তুষ্টি তোমার भूत्वा जीवनक क्वर्श्म कबर्ज भारत। क्वचल অসন্তোষের জন্য আমরা সর্বদাই কোন না কোন কিছুর পিছনে দৌড়া তে থাকি। কৃতজ্ঞতার প্রস্কটন ঘটলে অসন্তোষের ভাবনা একদম মুছে যায়। তখন তমি জীবনকে ভিন্নক্লপে অভিজ্ঞতা কর। তথ্য অভিজ্ঞতা কর যে জীবন পরিপর্ণ করে।
भविभूषणाव वनुस्त्रण मरकारव वाम করা যে কোন মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। কেবল কৃতজ্ঞতা প্রস্ফুটিত হ'লে भविभूषणा घटने। भविभूषणा घण्टल, जूसि यारे कव 3 याजाद्वर कव, कूलि भविष्ण राय थाक। পরিতপ্ত হবার জন্য তুমি কোন কিছুই কর না। তুমি তো ইতিমধ্যেই পরিপূর্ণ ও পরিতৃপ্ত, তার থেকেই তুমি জিনিষগুলি কর। কতজ্ঞতা যখন जानाव मनाजाब रूस, भविष्णूनजा राय याय তোমার প্রকৃতি। তখন প্রার্থনা সহ প্রতিটি মুহূর্ত রय याय সেफ्ट्रूमिণ ঘোना।
প্রার্থনা भविभूर्तिकान সে भट्ट भड़ा रख्या সেফিশ किछू লোক প্রশ্ন করে, 'আমরা মন্দিরে গিয়ে কেন भार्थना कवि?' (वाद्य या थना र'ल वर्षिट्युन
शिक्षिणान बक स्वयाभन। वासारमन भार्थना এইভাবে হলে অস্তিত সাডা দেয়। অস্তিত সাডা মिटल निया वाटन। भार्थना उ वामीवीटमन बजे बक ধর্মচক্র!
সমস্যা হ'ল আমাদের শেখানো হয়েছে य वार्थना उ जेनवन वक व्यवस्था व्यवनमून। আমাদের শেখানো হয় নি যে তারাই উৎস এবং অবিরাম ঘটা মঙ্গলময়তার ফল।
একটা ছোট গল্প :
একজন যাত্রীদের জন্য ঘোষণা করল, 'দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে আমরা ভীষণ সমস্যায় পড়েছি। কেবল ভগবানই আমাদের এখন রক্ষা করতে পারেন।'
এক যাত্রী তার পাশে বসা ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করে যে পাইলট কি বলছে। ব্যক্তিটি উত্তর দেয়, 'সে বলল যে আর কোন কোন আশাই নেই।'
ভগবান - অনেক - মানুষের - মানুষের - মনে আশাহীনতার শেষ অবলম্বন হয়ে গেছে!
প্ৰকৃতপক্ষে প্ৰাৰ্থনা হ'ল অসমৰ বাবে কেন্দ্ৰীয় কৰিছিল। তেওঁ প্ৰায় কৰিছিল। তেওঁ প্ৰথম বিশ্বকাপে প্ৰায় কৰিছিল। তেওঁ প্ৰথম বিশ্বকাপে প্ৰায় কৰিছিল। তেওঁ প্ৰথম বিশ্বাস কৰিছিল। वासिरजन्न काटक नज रख्या बनर जानाव मम्मान, जय, विज्ञालि, पूर्णिखा ववर मनवकिछू जन काटक ममर्शन कवा। ব্যক্তি যা THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM শরীরের শ্বাসপ্রশ্নাস, মনের চিন্তা এবং সত্তার জীবনীশক্তি, সেই অস্তিত্ব তোমার জন্য যত্ন নিয়ে সাড়া দেয়।
তুমি যখন এমন গভীর শ্রদ্ধার সাথে প্রার্থনা কর, অস্তিত্ব তোমার জীবনের প্রয়োজনীয় চারটি জিনিষ প্রদান করে।
১) শক্তি - যা পরিবর্তন করা দরকার তা পরিবর্তন করার শক্তি।
২) বূক্তিমাণা - কান কান जिनिष পরিবর্তন করার দরকার নেই, সেটা বোঝার বাদ্ধিমতা।
৩) বোধ - যা কিছুই তুমি পরিবর্তন कव ना কেন, বৰ্ষিট্ক নিৰ্জড্ বক निष्ठा পরিবর্তশীল স্বপ্ন - এই বোধ।
৪) মুক্তি - ওপরের তিনটি থেকে আসা মুক্তি।
যথনৰে অনুভব কর, তুমি কতজ্ঞতা অনুভব কর এবং মণে ও বক বাৰ্থনা। भार्थना র'ল বৰ্ষিট্ঠন জেন্ষ্টিকিট্ঠ বুক গণীত লক্कि উ মৰ্যুক্তিৰ উপলব্ধি। পূর্ণের সাথে এই সংযুক্তির উপলব্ধি লালন করাই সৎসঙ্গ ও আধ্যাত্মিক সমাবেশের উদ্দেশ্য।
আসল প্রার্থনা প্রার্থনা-প্রস্তক পাঠ করা নয়, তা ভগবানকে বিভিন্ন দ্রব্যাদি নিবেদন করা নয়, তা মন্দিরে টাকাপয়সা দান করা নয়: আসল প্রার্থনা হ'ল সম্পূর্ণ অস্তিত্বের জন্য অস্তিত্ব যেমন আছে তার জন্য গভীর ও নীরব কতক্ষতা সহকারে থাকা। প্ৰাৰ্থনা হ 'ল এক বকুতকাণ্ড্য वास्था व्य বৰ্ষিক বাসাৰমন্ত্ৰ যজ নিক্ষ। বৰ্ষিট্যূন জনা এক নিত্রশন উ নিৰ্মাণ উ নিৰ্মাণ্ড অপেক্ষমাণতা নিয়ে থাকাই প্ৰকৃত প্ৰাৰ্থনা। এই উচ্ছাসের ফলে যদি অন্য কিছু ঘটে, তাহলেও ঠিক আছে।
আমি অনেকবার লোকেদের এক সুফি মल्डन वक्त वक्त মূল্য বटলাই। মূৰ্যিভাৰ এমন এক ধর্ম যার মূল কতজ্ঞতায়। সেই ধর্ম কেবল সম্পূর্ণ অস্তিত্বের জন্য কৃতজ্ঞতা।
বক মূৰ্ मि মূল ও জাँव মিত্যাৱা পরিব্রজ্যায় ছিল। তার প্রায় তিনদিন খাবার ছাড়াই ছিল। চতুর্থ দিন গ্রামবাসীরা তাদের প্রায় जाज़িद्य ফিট্য এভৰ কৰ ৰজৰে बाटक जाना बनक কবরস্থানে ঘুমায়।
পরদিন সকালে সন্ত রোজের মত তার কৃতজ্ঞতাজ্ঞাপনের প্রার্থনা বলতে শুরু করলেন। তাঁর শিষ্যেরা তা দেখে বিশ্বাস করতে পারল না। তারা আহার ও আশ্রয় ছাড়া কতদিন কাটাল, वाद्य विदिक ভগবানকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছেন। তারা একই পন্থা অনুসরণ করতে অস্বীকার করল।
শিষ্যেরা মাস্টারকে জিজ্ঞাসা করে, 'আমরা ঈশ্বরকে কেন ধন্যবাদ দেব? তিনি তো তিনদিন ধরে আমাদের আহার ও আশ্রয় প্রদান করেন নি!'
मल देखन मिटलन, 'বিন' বৰ্ষ্ব ধৰব তোমরা খাবার ও আশ্রয় পেয়েছ। তার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানানোর কি হ'ল?'
আমাদের ওপরে অস্তিতের অবিশ্রাম বর্ষণের জন্য কৃতজ্ঞতাজ্ঞাপনই প্রার্থনা।
ভেব না আমি তোমাদের কোন খুব পরানো ও সেকেলে প্রক্রিয়া সুপারিশ করছি। না! আমি নিজের জীবনে যা অভিজ্ঞতা করেছি তার থেকে আমি তোমাদের বলছি। আমার জীবনসুকিন वाटन ভৱিৱৰণাৱ মতদা वासि ব্যাপকডাত্ব ভারতবর্ষের উত্তর-দক্ষিণ, পূর্ব-পশ্চিম ঘুরেছি। আমি কেবল দুই খণ্ড বস্ত্র ও একটি ভিক্ষাপাত্র निर्य बता करवाणि। वालि बरे থণিজ্জা উ করেছিলাম যে আমি টাকাপয়সা স্পর্শ করব না এবং এক বেলার বেশি খাবার সাথে রাখব না।
যটা েরার ম দিয়জয়ে অিুভব ের। তু দম িুটি অদভজ্ঞতার ময়ধয পাথভেয েষ েরয়ব। দদ্বতীবার অেস্মাৎ তু দম দিয়জর দভতয়র যোম য় যায়ব
যই অিুরণয়ির ায়থ যতামার লরীর এে মধুর েরুণা িমিীতার ায়থ েবমাি । যতামার মস্ত োযভোপ এই েরুণা যথয়ে উদ্ভূত । যোি দংা থায়ে িা। যেব আিন্দ েবাদত য়ত থায়ে। তখি তু দম যাই ের
যটা যোি োরাত্মে
মনের গোলকধাঁধা থেকে আন্তকাচ্ করতে পার
जीवनमूर्शि रল মন-নিৰে ভাৱৰাল ৱাম কৰনা
এখন পর্যন্ত, যেসব প্রাথমিক আবেগ দ্বারা আমরা চালিত হই তাদের দেখলাম। যখন এই আবেগগুলিকে নকারাত্মকতার সাথে প্রকাশ করা হয়, আমরা আমাদের ভিতরের মণ্ডি বৰ্ষণ্ডয় কবি ব ৱাৰেটৱ (শ্টক মণ্ডি অর্জনে নিজেদের বাধা দিই। আগের প্রত্যেকটি বধাৰ্য ব্য মকল বিকিয়া জন উদ্যা ৱায়ৰণ মণ্ডলি বজনাম করৱ শাকৰল কুলি করণ্ড কিলাৱ বৰ্ড নকানাণ্যক মণ্ডিশনিত্ক মণ্ডলেন্ক ম্ৰমন করা যায় ও নিজেকে বাধামুক্ত করা যায়।
চল, এখন আরও কিছু বিষয়ের দিকে তাকাই যা ঠিকভাবে বুঝতে পারলে আমাদের জীবন भৱিৱৰ্ণিক র'टक ভাৰত। আমাদের রূপান্তরিত করে ফেলতে পারে।
চল, খুব সহজ কিছু দিয়ে শুরু করা যাক, যা বাসনা জনসাৱিক ৱটন সদ্ব নিৰে। আমাদের মন আসলে কিভাবে কাজ করে সেদিকে তাকানো যাক।
দশ মিনিটের পরীক্ষা
একটা দশ মিনিটের সহজ পরীক্ষা চেষ্টা কর।
কাগজ কলম নেও। একা বস। যা কিছু চিন্তা মনে আসে তা লিখে ফেল, যেন তোমার মনের সাথে একটি প্রতিলিপির সম্মতিওয়ার मश्यूक घाटण। या किला कवड़, ठिक जारे लिथ। কোন চিন্তা সম্পাদনা করবে না ও চেপে রাখবে না। পরীক্ষাটা কেবল তোমার জন্য। কেউ দেখবে না তুমি কি লিখেছ। প্রত্যক্ষ কর যে জামান মননন মাৰ্থ বকণি বৰ্কাণি বৰ্ষণিনিভিন্ন মযুক্ত মৰ্যূক কৱা ৱায়ৰণ কৱা ৱায়ৰণ। ঠিক ব্যन्ति একটি প্রতিলিপি (transcribe) সফ্ট্ৰেয়ার কোন রেকর্ড করা বক্তৃতার সাথে সংযুক্ত করলে সবকিছু লিখে ফেলে, ঠিক সেইভাবে তোমার মনে চলা সবকিছু অক্ষরে অক্ষরে লিখে ফেল। মন সিনিণ্ড ভট্ন যা লিট্যাণ কা বকৱাদ ভড়। তুমি অবাক হয়ে যাবে! তুমি পরিষ্কার বুঝতে পারবে, তোমার মনে একের পর এক যেভাবে চিন্তাগুলি তৈরি হচ্ছে, তার পিছনে কোন যুক্তি নেই।
जिमार्वजनवर , জুসি নাখায় ব্যক্তি কূকুন দিণ্ঠ। मटन मटन जातान मटन ভটড় ছেলেবেলায় তুমি কুকুরকে ভয় করতে অথবা যে কুকুরটির সাথে ছেলেবেলায় খেলা করতে তাকে মনে করলে। পরের চিন্তাটি হয়ত তোমার বালকালা मण्टक। জিকাৰবন মণ্ডক উ ক্রূটলন ব্য ঘটন জুসি বসতে। চতুর্থটি হয়ত যে বাড়িতে টিচার বাস করত সেটি সম্পর্কে।
তোমার এখন দেখা রাস্তার কুকুর এবং তোমার কোন যুক্তিগত সংযোগ নেই। যাই হোক, তুমি কয়েক বালকালাটনেৱ বিকাস্তৱ কাৰণ লায়িত্ব কৰন (গটন। জুসি মন্ত্ৰ ভাৰৱ জানাৱ কিলাষ্টলি বক্কো (শটক ঘনাটক ফলটৰ, জেটক্টমা শ্ৰীনজাদৱ ভেসে বেড়াচ্ছে। এমনকি আমরা এটাকে 'চিন্তা করা'-ও বলতে পারি না। এটা কেবলমাত্র এক 'জোট', ব্যাস। তুমি কুকুরটিকে বাল্যকালের সাথে জোট বাঁধ, বাল্যকালকে টিচারের সাথে এবং এভাবে জোট হতে চলে।
প্রকতপক্ষে এই অনুশীলন একবার মাত্র করলেই তোমার নিজের সম্বন্ধে ধারণা भৱিৱৰ্জন রুটাৱ বন্দ নিৰ্জন উ বৰ্ষস্বৱ মাৰ্থ কিলাৱ ৱাৱশন কব যা भৱিৱৰ্জন ৰাৱ। তোমার পুরো জীবন রূপান্তরিত হবে।
আমাদের মন কিভাবে কাজ করে?
আমরা চিন্তা কিভাবে সুষ্টি করি ও তাদের কিভাবে অর্থ দিই?
আমরা জীবনকে কিভাবে অভিজ্ঞতা করি?
মনের প্রকৃতি
তোমাদের একটা সহজ রেখাচিত্র দিই याटक वाৰ্থা কৱা ৰায়ৰহৰ মনন কিলা কিঞ্চাদৱ প্রবাহিত হয় ও তুমি কিভাবে তাদের সংযুক্ত কর।
তোমার মনের প্রতিটি চিন্তাকে এখানে চতুষ্কোণ করে দেখানো হয়েছে। প্রতিটি বিভিন্ন আকার, আয়তন ও রঙের। বিভিন্ন চিন্তা জনৱৰণ একটা হয়ত বেদনা বা বেদনাপর্ণ অভিজ্ঞতার সাথে সম্পর্কিত। অন্যটা হয়ত সুখ বা সুখকর वाণ্ডিকাৱ মাৰ্থ মন্ভাৰ্কিক। ভটৱনাণি ৰ্যাণ সুখ সম্পর্কিত, কিন্তু তুমি তাকে বেদনা বলে মনে কর। তাকে চার্টে 'সু-বে' বলে দেখানো হয়েছে - সুখকর অভিজ্ঞতা, বেদনাময় ছাপ। বকরেবাদৱ জাতাৱ ৰাজ্য কান বিমনাময়া वाৰ্ডিক্কান কিলা ঘাটক, किन्तु রুসি জাতক মূল বট্ল জার। জাৰক বনা ৰায়টৰ 'ৱ-জু' -বেদনাময় অভিজ্ঞতা, সুখকর ছাপ।
সাধারণত তোমার সমস্ত ৱজী वा সম্পর্কিত। বর্তমান সম্পর্কে তোমার কখনও চিন্তা হতে পারে না। বর্তমান মুহুর্তে তোমার কেবল সচেতনতা থাকতে পারে, কোন চিন্তা नয়া। মাথ মম্ভৱিক যা যা জাতাৱ ৱজীদক ঘটনেট্স এবং চাও যে ভবিষ্যতে ঘটুক: অথবা সেগুলি কোন বেদনার অভিজ্ঞতা যা তোমার অতীতে ঘটেছে এবং ভবিষ্যতে সেগুলি ঘটুক, তা চাও না।
এমনকি (কোন সঙ্গিন সমস্যার সময়ে তোমার হঠাৎ একটি সকারাত্মক চিন্তা আসে। এমনকি সুখের চরমে তোমার কোন অসংযজ্ঞ নকারাত্মক চিন্তা আসে। প্রতিটি চিন্তাই স্বতন্ত্র ও পূর্ববর্তী চিন্তার সাথে পুরোপুরি অসংযুক্ত। সেই কারণে দুঃখের চিন্তার মাঝে তুমি এক সুখের চিন্তা পাও এবং তার বিপরীতও সত্য।
वाद्य व्य কান পূর্ণি কিলাৰ যুক্তিগণ্ডাৱৱ মশ্যুক্ত নয়া কান কিলাৰে জনা কিলা মুষ্টিন আনা মায়़ী নয়া। কিলাগুলি মনৰে এলোমেলোভাবে, স্বতন্ত্রভাবে ও অযৌক্তিকভাবে আবির্ভূত হয়।
এই প্রকার এলোমেলো চিন্তার ধারা থেকে কিভাবে 'আনক্লাচ' করা যায়? আমরা এই আনক্লাচ শব্দটি বারবার ব্যবহার করব। এই শব্দটির অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝানো যাক। গাড়ী চালানোর সময় আমরা গিয়ার পরিবর্তন কবি, মিলীয় (শটক ক্বীয়াটক - ব্য কান নিয়ান ভৱিৱৰ্জন কৱৰ্জ (শটল বাসাৰমন ব্যৱিৱাদ নিৰ্ফোতলৱ সমা মিট্য যাটক ৰখা। বাসাৰমন কলচ্চকে পুরোপুরি চাপতে হবে বা 'আনুক্লাচ' कৱৰণ রুটাৱ, নির্ডেজালন সংস্য মিট্যা ব্যটক রুৰৱ এবং তবেই আমরা অন্য গিয়ারের যেতে পারি,
ঠিক কিনা? একইভাবে আমরা যে কোন দুটি চিন্তার মাঝে এক নিষ্ক্রিয় স্থান অভিজ্ঞতা করি। সেই নিষ্ক্রিয় স্থান, সেই নীরবতা যা দুটি চিন্তার মাঝে থাকে, সেটাই শান্তি এবং আনন্দ। যখন আমরা চিন্তাগুলিকে আর আঁকড়ে ধরে তাদের অতীত ও ভবিষ্যতের সাথে সংযুক্ত করি না, তখন আমরা 'আনক্লাচড' অবস্থায় থাকি। আমরা চিন্তাগুলি থেকে যখন 'আনক্লাচড' হয়ে থাকি, আমরা চিন্তাগুলির মাঝের সেই নিষ্ক্রিয় স্থানটি সম্বন্ধে আরও সচেতন হই। চিন্তাগুলির মাঝে ফাঁক স্বতক্ষলভাবেই বাড়বে যদি আমরা চিন্তার ধারা থেকে 'আনক্লাচড' হয়ে থাকি। আমরা নিষ্ক্রিয় স্থানে আরও বেশি সময় ধরে শাকৱ বভৰ वाद्य বিভিন্নালি উ ৱানক্য অভিজ্ঞতা করব।
চরম চাবি
যথন ঠুলি ৱকৰণাৰ মটঠজন ৰূপয় যা উ, তখন যে কোন চিন্তা তোমার সামনে আসলে, তা সেই মুহূর্তের জন্য তোমার জীবন হয়ে যায়। কর, হয় তাকে পুরণ করার জন্য অথবা তা (শ্টক (প্ৰাজেক্টাৰৰ স্লাউন্ডের মত। প্রাজেক্টারের আলোর সামনে স্লাইড রাখলে তাকে পর্দায় যেন বাস্তব হিসাবে দেখা যায়। সমস্যা হ'ল তোমার অন্তর্জগতে প্রোজেক্টারের আলো ব্যবিদ্যালা জানাता शाদक ना। याथन वासि প্রোজেক্টারের আলো বলছি, তার মানে আমি তোমার সচেতনতাকে বোঝাচ্ছি। সেটা কেবল वाटम वाद्य याय, घाटम বভৰ যায় - কুমি পুরোপুরি ও নিরন্তর সচেতন নও।
ব্যতক খোলা ও শরীর চলছে, তুমি তোমার অস্তিত্ব সম্পৰ্কে সচেতন নও। দৈনন্দিন জীবন থেকে তার একটা উদাহরণ হ'ল, আধা ঘন্টা তুমি গাড়ি চালিয়ে অফিসে পৌঁছাও. আর আফিসে (ভাৰণ ভাজি পাৰ্ক কৱৰ ভাঝি (শৰক ৱাৰেট্ৰব বটম কুলি ৰোড ৰেক্টৰ কে কব, '3, वासि ৱৰ্কিটম (ভৌঁট্ৰ (গণি!' জান মানন ভাজি চালাবার সময় তোমার প্রোজেক্টারের আলো অধিকাংশ সময় বোজানো ছিল।
প্রোজেক্টৰ (প্রাজেক্টরের সামনে, তোমার সচেতনতার সামনে, কোন স্লাইড রাখলে, তা তোমার জীবনের অংশ হয় না। তুমি তা পুরোপুরি মনে রাখ না। আলো আবার অন্ হ'লে, তোমার সচেতনতা আবার ফিরে এলে, যে সমস্ত চিন্তা সেই সময় হয়, তা তোমার অংশ হয়। বোঝ, बजे बाद विक्त कुल मुक्यू मण्डा। मটঠজন উ অচেতন অবস্থায় তোমার সমস্ত চিন্তার সমস্টি হ'ল তোমার জীবন।
পূৰ্বাধায়মণ্ড বৰ্তনক মাময় বৰ্ণন বৰ্তন্ত্ৰ বৰ্তনক কিলা वाटম, বৰ্ষ রূপান্তর করার ঘটনা ঘটে। এগুলি তোমার জীবনেরই অংশ, তোমার জীবন-কাহিনীর অধ্যায়। 3 কিলাশলি মমমূল্য মজান নয়ে। জানাব অজান্তেই উল্লেখযোগ্যভাবে অবদান করে চলেছে।
ভৱিষ্ঠান কৰৱ (वाद्य, থ্ৰণিণি সূৰ্যূৰ্ণ যা তোমার জীবনে তোমার অচেতন অবস্থায় ঘটে, তোমার অনুপস্থিতিতে ঘটে, তা হ 'ল কষ্টভোগ। তুমি প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কষ্টভোগের পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে। যেভাবে গাড়ী ঘোরানোর ইন্ডিকেটর জুলে ও নেভে, তোমার সচেতনতাও
জুণৰণ উ সচেতনতার অভাবে, তুমি জান না কখন সেটা জুলছে ও কখন তা নিভছে।
আমি সেইদিন একটা জোক পড়লাম :
এক ব্যক্তি তার গাড়িতে ঢুকে ইঞ্জিন স্টার্ট করে। সে গাড়ি ঘোরানোর ইন্ডিকেটর অন করে তার ছেলেকে দেখতে বলল যে গাড়ির পিছনে ইন্ডিকেটর জুলছে কিনা।
তার ছেলে জোরে বলতে লাগল, 'হ্যাঁ, জুলেছে...না, জুলে নি...হ্যাঁ, জুলেছে...না, এটা অফ...এখন অনু হয়েছে!'
যদি তোমার সামনে চিন্তার প্রবাহ দেখ, অকস্মাৎ তুমি উপলব্ধি করবে, 'হে ভগবান, बरे मन जिनियशुलि वासान किक्टन कलट्ड! वासाव काटक (कान मुद्रर नरे (य वासि কোনদিকে চলছি। আমি জানি না আমার ভিতরে কি ঘটছে!'
তুমি সজাগ নও, কিন্তু অনবরত তুমি বিশ্বাস কৱ ব্য কুলি মজাগ। बजे भ्रथम বিভ্রান্তি।
একটানা সজাগ হ'লে তুমি প্রথমবার বাস্তবতার কাছে উন্মুক্ত হও। সেটা প্রথমদিকে বক্কু ৱনাৰ ৰাজ ৰাজ কানৱ বৰ্তন বৰ্তন ভৰ্যল তুমি মধ্যে কাটিয়েছিলে। পরিণামে, সচেতনতা जाताया कवन वानक বিজ্ঞান মিটক চালিত করবে।
তুমি সচেতন নও
এটা প্রথম সত্য। তোমার সামনে ঘটা সবকিছু সম্পর্কে তুমি সচেতন নও। যে রকম ঘটনেট্স, একূলি জানাব জীবন-কথাটক ট্ৰমজাদৱ ম्मन्ना वाथ ना। সেভাবে তা স্মরণে রাখা।
একটা সাধারণ উদাহরণ নাও। তোমার জীবন সুখ, দুঃখ, অপরাধবোধ, বেদনা ও বিষণ্ণতা সম্পর্কিত বিভিন্ন ঘটনায় ভরা। জীবন যেরকম আছে, তাকে সেভাবে দেখ না। তুমি সাধারণত কি কর? তুমি কেবল যে ঘটনাগুলি क्ट ब्रমান করৱণ জামন মশ্চৰ কব বৰ্ষ তাদের দিয়ে একটা শাফট্ (shaft) তৈরি কর উ তুমি মনে কর যে তোমার জীবন দুঃখকষ্টের এক লম্বা চেন (chain), একটা বেদনা-শাফট।
কमांকি९ কন। বাজ शुरू विद्वल घण्टना ব্য কুলি মুট্যন ঘটনাগুলিকে সংগ্রহ কর ও তাদের দিয়ে একটা শাফট বানাও এবং জীবনকে সুখকর বলে অনুভব কর। এই আনন্দের শাফ টের সংখ্যা কেবল কমই নয়, তাদের গুণমানও তেমন কিছু নয়া। বিভিন্নান মমায়া জুসি মণ্ড বেদনাপূর্ণ স্মৃতিগুলি ও ঘটনাগুলিকে একত্র কর এবং জীবন কেবল বেদনাময় বলে ধারণার সঙ্গি कन्न। यदर সূর্যূটर्ज বিশ্বাস কন ব্য জোভটন অনবরত কক্ষের ঘটনাবলী ঘটেছে, তখন वार्षण्डলসাদ্ৱ কুুলি লিন্দ্ৰামদ্ভকৰ মণ্ডিনালি করার চেষ্টা কর, যদিও সচেতনভাবে তুমি সেই বেদনা-শাফটকে ভাঙ্গার চেষ্টা কর। দয়া করে বোঝ, জীবন এক বেদনা-শাফট্ বা সুখ-শাফ্ট, তোমার এই বিশ্বাস কেবল তোমার অচেতন ব্যবস্থায় শাকৰৱ, রুসি আধিক র 'ল্লন, মটণ্ডন হ'লে তা আর থাকবে না।
যদি স্বভাবত তুমি কামনাপূর্ণ চিন্তা উপভোগ কর, তাহলে যখনই কোন কামনার চিন্তা তোমার মনে আসে, তুমি সচেতন হও যে, 'আমি আছি।' যদি তুমি সাধারণত হিংসার চিন্তা উপভোগ কর, যখনই হিংসার চিন্তা তোমার সিস্টেমে আসে, তুমি সজীব হও ও জান যে তুমি বিদ্যমান আছ। এটাকে আমি বলি এক দুষ্টচক্র : তুমি নকারাত্মকতাকে ক্ষমতাপ্রদান কর এবং নকারাত্মকতা তোমাকে জীবন কা রিভিদ্য ব वाटन, वाटन, कूलि ব ৱাৱৰ উ নকারাজ্জকতাকে ক্ষমতা দাও এবং আরও নকারাত্মকতা অনুভূত উত্তজনাকে জীবন প্রদান করে।
বেদনা শাফট
ভাৰতবৰ্ষের জীবনমুক্ত মাস্টার ৰামানা মহর্ষি একটা সুন্দর উপমা দিয়েছিলেন। একটা কুকুর একটা শুকনো হাড় চিবায়। চিবানোর সময় হাড়ের টুকরা মুখের ভিতরে খোঁচা দেয় ও তাতে মুখের ভিতরে রক্তপাত ঘটে। কুকুর ভাবে হাড় থেকে রক্ত বেরোচ্ছে ও তা উপভোগ কৰৱ। टन बढ़कन साम (ভট্য ৰাজাজি কিবাৰকৰে থাকে! সে জানেই না যে সেই রক্ত তার নিজের মুখের, হাড়টি থেকে নয়!
यदि रिश्मा जातारक সেम्নীভিক কৱৰ, তুমি তোমার জীবনে সেই প্রকার ঘটনার জন্য বৰ্ষকা কৱ। यदि বিমনা জ্ঞানারক মজিয়া কৱৰ, यदि কুুলি বিশ্বাস কন যা জোভন বক্কো বেদনা-শাফ্ট, তুমি তোমার বিশ্বাসকে আরও
মাকিনালি কৱাদ জনা জাতান জোভনন কৰ প্রকার ঘটনার জন্য অপেক্ষা কর। এটা সাধারণ মানুষের মনস্তত্ত। যদিও মানুষেরা দাবী করে যে তারা এই হিংসার শাফট অথবা বেদনা-শাফট ভেঙে - ফেলতে - চায়, - প্রকৃতপক্ষে - তারা শাফটগুলিকে গুপ্তভাবে প্রতিপালন করে।
আমাকে আরেকটু গভীরভাবে বোঝাতে मां या ব্য বিমনা জ্যমান মন বর্ষ্ব ৱাৰণ দিল, য বিকাना जातब नय বহুত ঘাটন ছিল, যা বিকাশ কুলি মাণ বর্ষ वाटन ভाल्ভ वाटण वालिख्यণ করেছিলে, যে বেদনা তুমি তিন বছর আগে वाণ্ডিক্কা কৱৰাণীটৱ ভভৰ যা ব্যমনা জুসি ভজকাল বিজ্ঞা কৰৱণ্ড, মাণ্ডলি মনৰে অসংযুক্ত, স্বতন্ত্ৰ ও পথক ঘটনাবলী। কিন্তু তুমি তাদের সবকয়টিকে সংযুক্ত করতে শুরু কর ও একটা বেদনা-শাফট তৈরি কর। তুমি ভাবতে ও বিশ্বাস করতে আরম্ভ কর, 'আমার জীবন বেদনাপূর্ণ।' সেটা কি সত্য? না! মাঝে মধ্যে যেসব সুন্দর মধুর ঘটনাগুলি ছিল, তাদের কি रू'ल? मार्वा मद्या निक्त्रयरे किछू মুট্যন্ন मुठ्यु আছে, তাই নয় কি? সেগুলিকে বেমালুম ভুলে (গছ। मार्कृते देवि कवान जना लागुलिटक क्शन उ उठातना रूय नि। जारे कान नायक्जे সত্য নয়, কারণ তা তোমার জীবন কাহিনীর কেবলমাত্র কিছু অংশে ফোকাস করে।
প্রথমে তুমি वाৱশৱ কৱাদ কৱাদ জন্ম (সংৰক্ষণাগাৰ) গুছিয়ে রাখ। মেডিকেল হিস্টির জন্য বা ডাক্তারকে বলার জন্য তুমি তোমার ममल वाशाधनिक श्रणित्य बाथ। व्यक्टिव्य वाया। व्यक्तिव द्वसि বিশ্বাস করতে শুরু কর তোমার জীবনে ঘটা এই সব ব্যথাগুলি সংযুক্ত। তুমি নির্ণয় কর যে তোমার জীবন ব্যথায় ভরা, তোমার জীবন কষ্টপূর্ণ। যেই মহুর্তে তুমি নির্ণয় নিয়ে ফেল যে তোমার জীবন ব্যথা-বেদনায় ভরা বা তোমার জীবন দুঃখকেটে জর্জরিত, তুমি তোমার জন্য নরকের সঙ্গি কর।
উদাহরণস্বরূপ, গতকাল পর্যন্ত তুমি কেবল হাঁটছিলে, তুমি উড়তে সক্ষম ছিলে না। তুমি জান যে অতীতে তুমি কখনও ওড় নি, কেবল হেঁটেছ। তাহলে তমি কি বিশ্বাস করতে ভাব ব্য वानासीकाल (শ্টক ক্রিক কেফরণ ভাৱৰৱ? আগামীকালও তুমি কেবল হাঁটবে। তুমি তোমার স্মরণে রাখা অতীতের অভিজ্ঞতাগুলির উভৰ্দৱ নিৰ্ডন কৱৰ ট্ৱাসান কবিষাএ মন্নুষ্ক গণনা কর এবং নতুন সম্ভাবনাগুলিকে সরিয়ে রাখ।
বেদনা সম্পর্কে আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ जिनिष এটাকে বোধাতীত লাগতে পারে, কিন্তু সততার মাৰ্থ वল्रি, भव्यक्लि स्मण्ड करन वर्लन ব্য বেদনাকে জীবনমুক্তির দ্বার হিসাবে ব্যবহার করা যায়। প্রক্রিয়াটি হ'ল, সেটাকে বেদনা বলে লেবেল করবে না। কেবল প্রত্যক্ষ কর এবং মন কি ৰাজ্য। জন্ম, কিলাস্ব বকাণি মিল নতুন কিছুকে প্রবল উম্মা ও ঔষুসুক্য সহ वाণ্ডিক্কা কৱ। ৰেমানীৰ যা ভৱিষ্টিকিত্ব বিকনা ৱটন লেটৱল কৱড জান মাৰ্থ বৰ্ড जिनिष्ण कव ভভৰ প্রৱৰ্ত কিঞ্চাদৱ भूদवा অভিজ্ঞতা রূপান্তরিত হয়।
যথন উত্তি বিমানটাক ভ্রনাক কব, জুসি पूर्णि জিনিষ দুর্গটক ভাব। আবশ্যক, বিমান প্রক্রিয়ায় শরীর নিজে থেকেই নবতেজোদ্দীপ্ত রখ্য, নিৰ্জাক ভুনর্ণাথিক কৱৰণ। জুনি নবতেজোদ্দীপ্ত করার এই প্রক্রিয়াকে ভুল করে লেবেল কর ও তাকে বেদনা বল। দ্বিতীয়ত, তাকে বেদনা বলে লেবেল করা বন্ধ করে তুমি বেদনার অনুভূতিকে বাধা দেওয়া বন্ধ করে এবং তখন তা আরও তাড়াতাড়ি নিরাময় করতে পারে। যখন তাকে বেদনা বলে লেবেল কর, তুমি যে তখন কেবল নিজ -নিরাময়ের প্রক্রিয়ার সাথে লড়াই করছ তা নয়, তুমি প্রক্রিয়াটিকে দীর্ঘতর করছ ও আরও বেদনা সৃষ্টি করছ।
সুখ শাফট্
সে সুখ তুমি দশ বছর আগে অভিজ্ঞতা করেছ, যে সুখ তুমি নয় বছর আগে অভিজ্ঞতা করেছ, যে সুখ তুমি পাঁচ বছর আগে অভিজ্ঞতা করেছ এবং যে সুখ তুমি এক বছর আগে অভিজ্ঞতা করেছ, তারা সবই স্বতন্ত্র। কিন্তু এখন, এই সময়ে, তুমি সেই সব চিন্তাগুলিকে সংযুক্ত কর এবং একটি সুখের বড় শাফট তৈরি কর।
কিন্তু এটা ভেবো না যে তুমি কোন মানুষে বা ছুটির রিসর্টের মত কোন বস্তুকে, সেই মানুষটিকে অথবা সেই জায়গাকে তোমার জীবনে আবার ফিরিয়ে আনতে পারবে। যত পার চেষ্টা কর, কিন্তু তুমি সেই একই সুখ আর পাবে না। সেটা তোমাকে আরও বেদনা দেয়!
জীবনে আমরা অনবরত বেদনা বা সুখের শাফট বানাই। একবার বেদনার শাফট বানালে সেটাকে ভেঙে ফেলার চেষ্টা কর! কিন্তু তুমি বুঝতে পার না, তুমি সুখ-শাফট্কেও দীর্ঘ করতে পার না, আবার বেদনা-শাফট্কেও ভাঙ্গতে পার না। তার সহজ কারণ হল এটা কেবল তোমার বাছাই করা স্মৃতি। শাফট জিনিষটাই তোমার কল্পনা।
চিন্তাগুলি মাছের ট্যাংকে বুদ্বুদের মত
আমাদের একটা চিন্তার সাথে অন্য চিন্তার কোন সংযোগ নেই। চিন্তাগুলির মধ্যে একমাত্র সংযোগ হ'ল যে তারা একই উৎস থেকে আসে।
বুদ্বুদ জলের ওপরে আসার সাথে সাথে বড় হয়। যেহেতু বুদ্বুদগুলি জোর গতিতে উঠছে, তাদের একটা অবিচ্ছিন্ন ধারা বলে মনে হয়! আসলে দুটি বুদ্বুদের মধ্যে ব্যবধান আছে।
বুদ্বুদের মত আমরাও দুটি চিন্তার মাঝে বিরাম দিই। দুটি চিন্তার মাঝে বিরাম বা উদাসীন স্থান খুবই ছোট, আমরা ভাবি যে সমস্ত চিন্তাগুলি সংযুক্ত এবং আমরা একটি শাফট তৈরি করে ফেলি। কিন্তু চিন্তাগুলির মাঝে সর্বদাই বিরাম আছে।
একটা ঘটনা তোমাদের বলি :
এক মাঝবয়সী ব্যক্তি THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর কাছে এসে বলল, 'স্বামীজী, আমি ডিভোর্স করতে যাচ্ছি।' আমি তাকে বললাম, 'আমি কেবল লোকেদের বিবাহ করার জন্য আশীর্বাদ করি। ডিভোর্সের জন্য আমাকে কেন আশীর্বাদ করতে বলছ?' সে উত্তর দিল, 'না, আপনাকে আমাকে আশীর্বাদ দিতেই হবে, কারণ আমি খুব কষ্ট পেয়েছি।'
আমি বললাম, 'কষ্ট কেবল নেওয়ার ব্যাপার নয়। কখনই কেবল নেওয়া হয় না। তুমিও নিশ্চয়ই তোমার স্ত্রীকে অনেক কষ্ট দিয়েছ। আগে আমরা দেখব তুমি তোমার স্ত্রীকে কতটা কষ্ট দিয়েছ এবং তারপর আমরা পরিস্থিতিকে বিশ্লেষণ করব।'
সে উত্তর দিল, কি করে ঠিক করে বলব কোন ঘটনা আছে! প্রথম দিন থেকেই সে আমাকে নির্যাতন করছে। আপনি জানেন না আমার ওপরে কত অত্যাচার করা হয়েছে।' তারপর সে তার বিবাহের দিনের একটি ঘটনা বলল।
ভারতের প্রামগুলিতে বিবাহের সময় কিছু খেলা করে। একটা খেলায় জল ভর্তি এক পাত্রে একটা আংটি ফেলে দেওয়া হয়। স্বামী স্ত্রী প্রতিযোগিতা করে। যে প্রথমে ওঠায়, সে জেতে। এই ছোট ছোট খেলাগুলি দম্পতিদের মধ্যে অপরিচিতি কমাবার জন্য সৃষ্টি করা হয়, কারণ সম্বন্ধ করে বিবাহে বর ও বউয়ের বিবাহ অনুষ্ঠানেই প্রথমবার দেখা হয়। যেহেতু তারা একে অপরের কাছে নতুন, তারা ছোট ছোট খেলা খেলে নিজেদের মধ্যে দূরত্ব ঘুচায়।
এই ব্যক্তিটি বলল, 'সেই খেলার সময় সে আমার হাত আঁচড়ে দিয়েছিল। তার নোখ দিয়ে সে আমার হাত আঁচড়ায়!' আর সেইদিন থেকে বিয়ের প্রথম দিন থেকেই সে ঘটনার এক বিরাট তালিকা ব্যবহারিক উদ্দেশ্যে, পুলিশ রিপোর্ট করার জন্য তৈরি করছিল।
দুই তিনটি ঘটনা শোনার পরে আমি তাকে বলি, 'দয়া করে থাম! যদি এই ব্যাপার হয়, তোমাকে ছাড়লে তারই বেশি খুশী হওয়া উচিৎ। যে ব্যক্তি এত বড় বিস্তারিত ফাইল তার মাথায় রাখে, তার সাথে বাস করাই তো খুব কঠিন!' যে কোন সময়ে তার স্ত্রী কিছু করলে, এই ব্যক্তি তার ফাইলগুলির মধ্য দিয়ে যাবে।
তারপর সে ডিভোর্সের তাৎক্ষণিক কারণ বলে। সে বলে, 'স্ত্রী আমার কাপড়ে কফি ফেলে দিয়েছিল!' আমি বললাম, 'কাপড়ে কফি ফেলে দেওয়া ডিভোর্সের কারণ হ'তে পারে না!'
সে বলে, 'না, আপনি জানেন না। আজ সে কফি ফেলেছে; কাল সে অ্যাসিড ফেলবে!' সে সত্যি এরকম বলেছিল। আমি এর কোন সংযোগ বুঝতে পারলাম না। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম কি করে সে কফিকে অ্যাসিডকে সংযুক্ত করছে। আবার সে বলে, 'না, না স্বামীজী, আপনি জানেন না।'
লোকটিকে হয়ত চরম লাগতে পারে। কিন্তু জীবনের দিকে তাকাও। তুমি একই জিনিষ করছ - অনবরত তুমি চিন্তাগুলিকে স্বতন্ত্র বলে দেখা ভুলে গেছ।
ভয় তোমার মনকে ক্ষমতা দেয়
যথন কোন মানুষ কোন কাজে নামে, তার একটু ভয় থাকে। একবার লোকেরা তার কথা মানা শুরু করলে, যদিও সে দুর্বল অনুভব করে, কিন্তু লোকেরা তাকে মানছে দেখে সে ভরসা পায় ও ভাবে, 'হ্যাঁ, আমি ঠিক আছি!' তার সমস্ত শরীরের ভাষা পরিবর্তিত হয়।
একইভাবে মন যখন আক্রমণ করতে আসে, প্রথমে মনের বেশি প্রত্যয় থাকবে না। কিন্তু যখন মন দেখে যে তুমি ভয় পাচ্ছ, মন তখন ভরসা পায় ও তোমাকে ফাঁদে ফেলে! তোমাকে আক্রমণ করার জন্য তুমি মনকে ভরসা দাও। একবার তুমি মনকে দেখাও যে তুমি খুবই ভঙ্গুর, সেটা তোমার মনের পক্ষে যথেষ্ট এবং তুমি ধরা পড়ে যাও।
যে ব্যক্তি তোমাকে শোষণ করতে চায়, সে প্রথমে তোমাকে বিশ্বাস করায় যে তাকে ছাড়া তোমার জীবন চলবে না। সে তোমাকে আভাস দেয় যে তুমি তাকে ছাড়া টিকে থাকতে পারবে না। একবার তুমি তাতে ধরা পড়লে সে তোমার সাথে খেলতে আরম্ভ করে। যেই মুহূর্তে তুমি বিশ্বাস করতে শুরু কর যে তুমি তাকে ছাড়া বাঁচতে পার না, তুমি তার সাথে মানিয়ে চলতে থাক, এমনকি সে তোমার সাথে অপব্যবহার করলেও।
একইভাবে, প্রথম জিনিষ যেটা তোমার মন করে সেটা হ'ল, মন তোমাকে দৃঢভাবে বুঝিয়ে দেয় যে মন ছাড়া তুমি বাঁচবে না। যেই মুহূর্তে মন তোমাকে তা বুঝিয়ে দেয়, আর কিছু করার দরকার নেই। তখন তুমি কখনও মনকে মুছে ফেলতে চাইবে না!
আমার পরিবরজ্যার দিনগুলিতে আমি এটা দেখেছি। উত্তর ভারতের জঙ্গলে শিকারীরা পাখি ধরার জন্য ফাঁদ পাতে। তারা দুটি গাছের মধ্যে দড়ি টানায়। দড়ির মাঝে তারা একটা কাঠের লাঠি রাখে। কাঠির ঠিক মাঝখানে আঠা লাগানো হয়।
কাঠের লাঠিটি গাছের মধ্যে দড়ি দিয়ে কেবল ঝুলিয়ে দেয়, কিন্তু লাঠির নীচে আঠা লাগানো থাকে না। যখন পাখিটা এসে বসে, কাঠির আঠা উল্টে যায়। পাখিটা তখন উলটে থাকে এবং কাঠিটাকে আঁকড়ে থাকে।
যেই মুহুর্তে পাখি উলটে যায় এবং তার ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে, সে পুরো ঘাবড়ে যায় এবং কাঠিটাকে জোরে আঁকড়ে ধরে। সে জোরে কাঠিটাকে আঁকড়ে থাকে, কারণ সে মনে করে তার জীবন সেই কাঠিটার ওপরে নির্ভর করছে। যদি সে কাঠি থেকে আনক্লাচ্ করি, তাহলে কি হবে? আমি পড়ে যাব ও মরে যাব।'
কোন পাখি পড়ে গিয়ে মাথা ভেঙেছে বলে কোন খবর নেই। কিন্তু পাখির তা বোঝার বুদ্ধি নেই। সে ঝুলতেই থাকে। ছেড়ে না দিয়ে সে কেবল তার স্বাধীনতা হারায় তা নয়, কারণ পরিণামে শিকারী এসে তাকে ধরে ফেলে।
ঠিক পাখির মত তুমিও বোঝা না, যদি তুমি তোমার মনকে ফেলে দাও, সেই মুহুর্তে তুমি মুক্ত হংস, পরমহংস হয়ে যেতে পার। সেই মুহূর্তে তুমি মুক্ত হতে পার। তুমি সহজেই উড়তে শুরু করতে পার।
পাখির কাঠি আঁকড়ে থাকার মতই এখন তোমার ভয়। তোমার ভয় ও উদ্বেগের কারণে তুমি কাঠিটাকে ধরে আছ। একইভাবে তুমি তোমার মনকে ধরে রাখ ও অনুভব কর, 'আমি ছাড়তে পারি না। যদি আমি বিশ্বাস করতে শুরু করি যে আমি দুর্বল, অশান্ত, অধীন ও বয়োজ্যেষ্ঠ, তাহলে আমি হারিয়ে যেতে পারি। '
শিকারী ধীরেসুস্থে চার পাঁচ ঘন্টা পরে আসে, পাখিটাকে ধরে খাঁচায় ঢোকায় ও চলে যায়। যখন পাখি উড়তে পারত বা কাঠি আঁকড়ে থাকার বদলে, তখন সে স্বাধীন ছিল না। আসলে পাখি জানত না যে কাঠিটা ছেড়ে দিলে সে সহজেই উড়ে পালাতে পারত।
একইভাবে তোমার পরিচয় ও সুরক্ষা মনে করে তুমি তোমার শিক্ষা, তোমার মন, তোমার জীবন, তোমার সম্বন্ধতাগুলি ও তোমার ব্যাংক-ব্যালাঙ্গকে আঁকড়ে ধর। পরিণামে যম এসে কাঠিটা সরিয়ে ফেলে, যে কাঠিটা তোমার পরিচয়। তখন যমের কাছে ধরা পড়ে তুমি এক পরমহংস বা মুক্ত আত্মা হতে পার না, আবার নিজের পরিচয়কেও আঁকড়ে ধরে থাকতে পার না। তোমার পরিচয়ের কাঠি যাতে তুমি আঁকড়ে না ধর, কারণ সেই কাঠিটাই তো এক ভ্রম।
তোমাদের বলি, যদি পাখিটা ছেড়ে দেয় এবং ভারসাম্য ফিরে পাবার জন্য ডানা ঝাপটাবে। কিছুক্ষণ লাগবে, কিন্তু সে কখনই পডে যাবে না। কাঠি ছেড়ে দিলে পাখি প্রথমে একটু দুর্বল অনুভব করবে, কিন্তু সে নিজেকে আরও উন্নত ও তেজস্বী করবে।
পরিষ্কার করে বোঝ, ছেড়ে দাও এবং তুমি কখনও পড়ে যাবে না ও মরবে না। তুমি কেবল এক পরমহংস হয়ে যাবে!
আনক্লাচ করবে এবং এই মুহূর্তে মুক্ত হয়ে যাবে।
সমাজ তোমাকে মুক্ত করে না
সামাজিক বিধি-নিষেধের কারণে চিন্তাগুলি নিরবচ্ছিন্ন। সমাজ অবিরত তোমায় হয় বেদনা-শাফট অথবা সুখ-শাফট্টকে আঁকড়ে থাকতে বাধ্য করে। যদি তুমি বেদনা-শাফট্টকে বিশ্বাস কর, পুরো জৌবনকাল ধরে তুমি সেই বেদনা-শাফট্টকে ভেঙে ফেলার জন্য খরচ করবে এবং জীবনকে অপচয় করবে। যদি তুমি সুখ-শাফটুকে বিশ্বাস করতে শুরু কর, তুমি জানো না কত জীবন তুমি সেই সুখ-শাফটকে আরও লম্বা করার চেষ্টায় খরচ করবে এবং জীবনকে অপচয় করেছ। সমাজ তোমার স্বাধীনতা সহ্য করতে পারে না। তাই সমাজ তোমায় কখনও আনক্লাচ করার সাহস যোগায় না। কারণ তুমি একবার আনক্লাচ করলে, তোমাকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না, তোমাকে কেউ স্বকার্যে লাগাতে পারে না অথবা কেউ তোমায় শোষণ করতে পারে না।
যদি তুমি খাঁচায় থাক, সমাজ তোমার মাথা থেকে সমস্ত নিয়ম, সমাজ তোমাকে দিয়ে অনুসরণ করাবে। তোমাকে সে যা চায় তাই ও যখন চায় তখন করতে বাধ্য করে। তুমি জানো যে তুমি আর স্বাধীন নও; তুমি কেবল কিছু উদ্দেশ্য সিদ্ধির মাধ্যম হয়ে যাও।
যেই মুহূর্তে তুমি সত্য উপলব্ধি কর যে তোমার প্রকৃতি অনুযায়ী তুমি এক মুক্ত সত্তা, সেই মুহূর্তে অন্তর-নিরাময় অথবা আনন্দ প্রকাশিত হয় এবং তুমি স্বাধীনতা অনুভব কর। একবার স্বাধীন অনুভব করা শুরু করলেই যথেষ্ট। তা তোমাকে ওড়ার জন্য, আকাশে পাখা মেলার জন্য গভীর আত্মবিশ্বাস ও সাহস প্রদান করবে। তুমি দেখবে যে সহজেই তোমার সত্তা বিশুদ্ধ মহাজাগতিক চৈতন্যে পরমহংস হয়ে গেছে।
অচেতন বা অবচেতন মন - এক কল্পনামাত্র
আমাদের শেখা অনুযায়ী, মানুষের অচেতন অথবা অবচেতন মন বলে কিছু নেই।
আমি যা বলছি, সেটাকে কেউ চ্যালেঞ্জ করতে পারে। অবশ্যই আমার কাছে সমর্থন আছে বৈদিক ঋষিদের, যাঁরা মানব চেতনা গভীরতার বাঁক নিয়ে গবেষণা করেছিলেন।
তাই পরিষ্কার করে বোঝ, অচেতন ও অবচেতন মনের ভাবনা হ'ল তোমার মধ্যে ভয় সৃষ্টি করার জন্য সৃষ্ট এক অন্য ধারণা মাত্র।
একই সময়ে তোমার মধ্যে কেবল একটা চিন্তা থাকতে পারে, ঠিক কিনা? একই সময়ে কি দুই বা তিনটি চিন্তা থাকতে পারে? না, থাকতে পারে না। একই সময়ে কেবল একটি চিন্তাই থাকতে পারে। তাহলে অবচেতন বা অচেতন মন ভ্রমণ করে কোথায়? সেই জায়গাটা কি?
পরিষ্কার করে বোঝা, বেদনা ও সুখের ধারণা মন তৈরি করে। তুমি কোনভাবেই পাপী নও।
সেইজন্য বৈদিক ঋষিরা মানবজাতিকে 'অমৃতস্য পুত্রাঃ' বলে সম্বোধন করতেন - তোমরা অক্ষয় অমৃত। আলাদাভাবে সেই অবস্থা প্রাপ্ত করার প্রয়োজন নেই।
প্রগাঢ় জ্ঞানদীপ্ত অভিজ্ঞতার ফলই মনুষ্য।
আন্ত্রাচ্চ কর! সজাগতা, শক্তি ও বদ্ধিমত্তা বিকিরণ কর
যথন প্রচণ্ড সজাগতা, শক্তি ও বুদ্ধিমত্তা তোমার সিস্টেমে ঘটে।
শক্তি কখনও উৎপাদন করা যায় না। তাকে তুমি সৃষ্টি করতে পার না। তা সমস্ত সত্তার মাধ্যমে বিকিরণ ঘটে। যদি তুমি শরীর নেও, তুমি এক শরীর, তাহলে তুমি বস্তুজগতে বাস করছ। তোমার বাসনাগুলি খুবই দেহসম্বন্ধীয়। তোমার ভয়গুলি শারীরিক উদ্ভব স্বিক যেমন মত্য ইত্যাদি।
যদি তুমি ভাব যে তুমি মন, তাহলে তুমি মানসিক স্তরে বাস কর। তোমার বাসনা, ভয় এবং সবকিছু মনের সাথে সম্পর্কিত, যেমন, নাম ও খ্যাতির বাসনা, ভবিষ্যৎ ইত্যাদি। মানসিক স্তরে বাসনা ও ভয়, উভয়ই সূক্ষ্ম।
আধ্যাত্মিক বা সত্তা স্তরে কোন বাসনা বা ভয় থাকে না। তুমি অবিশ্রাম শক্তি বিকিরণ কর। তোমার উপস্থিতি সর্বদা সেই শক্তি বিকিরণ করে।
আমাদের মন আমাদের দেহ তৈরি করে
কেবল যোগই নয়, চিকিৎসাবিজ্ঞানও প্রতিপাদন করে যে আমাদের দেহ অবিশ্রাম নবতেজোদ্দীপ্ত হয়। আমরা অনবরত নিজেদের পরিবর্তন করছি, প্রতিস্থাপিত করছি। এটাই প্রথম সত্য।
দ্বিতীয়ত, এখন বিজ্ঞানীরা জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিজ্ঞানও তা প্রমাণ করেছে। সেটা হ'ল, আমাদের মন আমাদের শরীর তৈরি করে। আমাদের মন সরাসরি আমাদের শরীরকে গাইড করে।
বিজ্ঞানী ডঃ লিসা র্যাঙ্কিং তাঁর 'মাইন্ড ওভার মেডিসিন (মনের চেয়েও বেশী)' বলে একটা বই লিখেছেন। যিনি বর্ণনা করেন কিভাবে জীববিদ্যা নিয়ে গবেষণা করে তিনি কিছু নতুন সিদ্ধান্তে আসেন। তিনি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করেন যে আমাদের সকারাত্মক ও নকারাত্মক আবেগগুলি ডিএনএ এবং কোষগুলির চেয়েও বেশী করে আমাদের শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করে। আমাদের শরীর বিশ্বাস, আস্থা ও আমাদের সকারাত্মক ও নকারাতাক আবেগগুলি দ্বারা পরিচালিত হয়।
তিনি বলেছেন আমাদের মন দ্বারা শারীরিক গঠন পরিবর্তন করা যায়। ধাপে ধাপে তিনি স্পষ্ট ভাবে প্রমাণ করেন যে আমাদের জেনেটিক, শারীরিক ও মানসিক সমস্যাগুলি কেবলমাত্র মন দ্বারাই সৃষ্ট হয়।
রক্তের সম্পর্কের বাবা-মায়ের থেকে জন্ম থেকে বিচ্ছিন্ন বাচ্চাদের ওপরেও গবেষণা করা হয়। পোষ্যগ্রহণকারী বাবা-মায়েদের আসল বাবা-মা মনে করেই এই বাচ্চারা বড় হয়। এমনকি জন্মগত রোগের উপসর্গ এই বাচ্চাদের মধ্যে প্রকাশ পেতে দেখা গেছে!
নিজেকে নিরাময় করার জন্য আনকাচ কর
একটি কাঠুরের একটি ছোট গল্প আছে:
কোনো এক দরিদ্র ব্যক্তি কাঠ কাটছিল। এক সময়ে তার কুঠার হাত থেকে ফসকে নদীতে পড়ে গেল। হঠাৎ এক দেবী তার সামনে একটি সোনার কুঠার নিয়ে আবির্ভূত হ'লেন ও জিজ্ঞাসা করলেন, 'এটা কি তোমার কুঠার?' কাঠুরে বলে, 'না'।
কিছুক্ষণ পরে দেবী একটা রূপার কুঠার নিয়ে আবির্ভূত হ'লেন ও জিজ্ঞাসা করলেন, 'এটা কি তোমার কুঠার?' কাঠুরে আবার বলল, 'না'। দেবী অদৃশ্য হ'লেন এবং তার লোহার কুষ্ঠারটি নিয়ে ফিরে এলেন ও জিজ্ঞাসা করলেন, 'এটা কি তোমার?' কাঠুরে বলে, 'হ্যাঁ হ্যাঁ, এটাই আমার!'
দেবী তার সততায় খুব খুশী হলেন ও কাঠুরেকে তিনটি কুঠারই দিয়ে দিলেন!
এখন আমি তোমাদের বলি এই গল্পের সম্প্রসারণ, দ্বিতীয় সংস্করণ!
সেই কাঠুরে একই নদীর ধারে কাঠ কাটছে। তার স্ত্রী তাকে সাহায্য করছে। হঠাৎ দুর্ঘটনায় তার স্ত্রী নদীতে পড়ে যায়!
একই দেবী আবির্ভূত হলেন, তাঁর সঙ্গে একটি ব্যক্তি। তিনি কাঠুরেকে জিজ্ঞাসা করলেন সে তার স্ত্রী কিনা। কাঠুরে উত্তর দিল, 'হ্যাঁ, হ্যাঁ, হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ!'
দেবী খুব রেগে গেলেন ও বললেন, 'লোভী মানুষ! কি সাহস তোমার! তুমি মিথ্যা বলছ? আগেরবার তোমার কুঠার নদীতে পড়লে তুমি সত্য বলেছিলে, কিন্তু তোমার স্ত্রী পড়ে গেল, আর তমি মিথ্যা কথা বলছ! '
কাঠিরে উত্তর দিল, 'না, না, না, আপনি আমার সমস্যা বোঝেন নি। গতবার আপনি প্রথমে সোনার কুঠার, তারপর রুপার কঠার ও শেষে আমার লোহার কুঠার দেখিয়েছিলেন। যখন আমি লোহার কুঠারটা আমার বললাম। আপনি আমাকে সব তিনটি কুঠার দিয়ে দিলেন। এখন যদি আপনি আমাকে তিনটি মহিলা দিয়ে দেন, তাহলে আমি কি করব? কেবল একজনকে নিয়ে কত কষ্ট তা আমি জানি! সেই কারণে আমি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছি। যা শোনারে ঠিক না লাগতে পারে, কিন্তু দয়া করে আমাকে কেবল একটা স্ত্রী দিয়ে ছেড়ে দিন, তার বেশী নয়!'
যাইহোক, একইভাবে অস্তিত্ব, তোমাকে প্রতিটি মুহূর্তে জিজ্ঞাসা করে, 'এটা কি তোমার নতুন শরীর?' অস্তিত্ব তোমার জন্য প্রতিটি মুহূর্তে নতুন শরীর সৃষ্টি করে। আমাদের কোষগুলি প্রতিনিয়ত নিজেদের নবতেজোদ্দীপ্ত করে।
যখন অস্তিত্ব তোমাকে জিজ্ঞাসা করেন, 'এই নতুন শরীরটা কি তোমার?' তুমি বল, 'না, না, না! আমার পুরানো শরীরটা দিন!' সেটাই সমস্যা। সেইজন্য নবতেজোদ্দীপ্ত হবার প্রাকতিক প্রক্রিয়া সত্ত্বেও তোমার শরীরে বছরের পর বছর ধরে বিরাট কিছু পরিবর্তন হয় নি।
निर्जनक विकित्तानिक कनाव जनान जना আমাদের শরীরের অনেকে বুদ্ধি আছে। তুমি শ্যক্ জিজ্ঝাসা কবরব, 'যদি বাসান মনীত বাভার্ভাভ নবতেজোদ্দীপ্ত হচ্ছে, তাহলে আমি কেন একই রোগ বহন করছি?'
তুমি একই রোগ বহন কর কারণ তুমি বকরে মনটক্ ভর্শন কবায় ভবনন বিশ্বাস বাথ। য়ার্শ্যূ কুলি বকরে সনটক্ বরন কবূছ, কুলি শরীরে একই সমস্যাগুলি আবার নিয়ে আসছ। ক্লাচিং করে, আঁকড়ে ধরে, সংযুক্ত করে, তুমি তোমার শরীরে সম্ভাব্য নিজ-নিরাময় ঘটানো বন্ধ কর।
যেই মুহূর্তে তুমি অন্তর-নিরাময় ঘটেতে দাও, বাইরের নিরাময় সহজেই ঘটা শুরু হবে। য়ারে সুরূর্ণ কূমি দুয়ারণ ভাব কুলি বক আনক্লাচড় সত্তা, সেই মুহুর্তে বিষণাতা দুর হবে এবং আমি কথা দিচ্ছি তুমি এক সম্পূর্ণ নতুন শরীর তৈরি করবে। তুমি তোমার নতুন শরীরে তোমার আগের রোগগুলি বহন করবে না।
তুমি একই রোগ বহন কর কারণ তুমি বিশ্বাস কব রয় কুলি মশৃক উ বক ব্যবিক্ষিতন প্রবাহ এবং তোমার দ্বারা সৃষ্ট শাফ টগুলি সেটা সমর্থন করে। যখন তুমি নতুন কোষ বা অঙ্গ -
ভ্যণ্ড মণ্ডি কন্ন, জুসি বকরে (বান জাতা ব নতন শরীরেও বহন কর।
তুমি এটা নিজের জীবনে দেখতে পার। সন্, কুলি য়ুথন (শাণি শিল্ল জাতাভ সা তোমাকে সর্দিকাশি হয়। তোমার ছেলেবেলায় বারবার বরে ধাবনাণিক ভজোদভ (শোট্য কলা রুয়া। বড় হয়ে গেলে তোমাকে আর বৃষ্টিতে বার হ 'তে শ্টভ না, ক্বল আনালা মিট্য ৱাণ্ডে প্রথমনরে জামান শৌঁফি উনক রুত্য য়াদব! কিলু রুসি য় আনক্লাচড়, তা বুঝলে, তুমি তোমার শারীরিক ভাষা বিমানশীলি ঠিক কভটণ ভাব। মণ্ডলি জাজাজাড়ি নিবাসয় রাখা। বানউ মণ্ডিবমি করবে না সেই শাফটগুলির, যেগুলি তোমার রোগ ও অবদমনের কারণ।
উদাহরণস্বরূপ, যে হাঁটুর ব্যথা তোমার দশ দিন আগে ছিল, যে হাঁটুর ব্যথা তোমার নয় দিন ঘাটন ছিল, ব্য রাঁফ্রেন বাথা জানাব আটি দিন আগে ছিল সেগুলি সবই অসংযুক্ত ও ম্বুজ বাল্কিকা। কিন্তু কুলি য়াথন জারমন সংযুক্ত কর এবং লেবেল লাগাও 'আমার হাঁটুর ব্যথা আছে,' তুমি একটা শাফট্ তৈরি কর।
যদি তুমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে থাক যে গত দশ বছর ধরে তোমার হাঁটুতে ব্যথা আছে, স্বচনকর জাদা মা বিশ্বাস রাও বাকো জীবন জাতাভ বকরে রাঁফুন বাথা থাকারভ। প্রতিদিন সকালে তোমার সৃষ্ট নতুন শরীরে শৌঁদ্র ভাষা নির্য় বামান জনা পরে বিশ্বাসরে য়াথা য়া বর্ষণু কুলি বনর মনটক্ ক্লাফ কব (আকড়ে ধর), তুমি তোমার প্রতিদিনের সৃষ্ট নতুন শরীরে একই রোগের জন্ম দাও।
একই মন ও একই পরিচয় বহন করা থামালে তুমি নতুন শরীরে একই রোগের জন্ম দেওয়া বন্ধ কর। তখন তুমি নতুন শরীরে
একই বেদনা, একই বিষণাতা, একই কঠিনতা ও একই রোগ পুনর্গঠন করা থামাও। তুমি মুক্ত হও।
যদি তুমি আন্ত্রকাচ্ছ হও, তাহলে তুমি তোমার শরীরকে পুরানো রোগ থেকে নিরাময় ষ্টক ফরব বর বর নজুন মন্ত্রীন, নজুন মিট্ঠোফ সৃষ্টি করবে যেটা হবে সুস্থ, শক্তিপূর্ণ ও সজীব। তুমি শিশুদের মত বাস করবে। শিশুরা কত সজীব, কারণ তারা প্রতিটি মুহূর্তে নতুন শরীর সৃষ্টি করছে। তারা কোন শাফুটে আটকে নেই, তাই তাদের নিজের সম্বন্ধে কোন ধারণাই নেই। মরে কারণ য়ামি উ গঠকাল জারমন মারথ লড়াই করেছ, আজ তারা তোমায় দেখে হাসে, যেন কিছুই হয় নি! তারা তাদের মনে রেকর্ড ভর্শন করব না। জানা নির্জন মম্মূল্য কান ভবিষ্যারে ভর্শন করব না। জানা ভকাটালভ লড়াই, পরশুদিনের লড়াই ও এক মাস আগের লড়াইকে সংযোগ করে না। তারা শাফট় থেকে মুক্ত।
দেহ-মনের পরিচয়কে ছেড়ে দাও
ময়া করব বর্থটস বাদ্য ব্য 'কুলি দেহমাত্র' - এই চিন্তাই একটা বিভ্রম। সেটা একটা প্রথম চিন্তার শাফ্ট্ তুমি তৈরি কর ও তার ফলে কষ্ট পাও।
যদি রুসি বরে মণ্ড বর্ণিখ্যা কবা শুরু কর যে প্রকৃতিগতভাবে তোমার চিন্তাগুলি বয়োকিক, মায়িকুশীন, সজ্জন, ব্যমর্থূক উ আনক্লা়ুড়, তাহলে তুমি এক নতুন সজীব ও মটক্জ দির নির্মাণ কবা বাদ্যস কবরব। আমাদের আমিতুকে সন্তুষ্ট করার জন্য আমরা আমাদের দেহকে অবমাননা ও অশ্রদ্ধা করি। য়ুরে মূর্য়ুটর্জ বাসনা সে কberণ উন কবি আমরা দেহ নই, আমরা দেহকে স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে দিই।
মটরভ বকুণি ভুনুয়ায়ী জন নির্জনক নিরাময় করে। শরীরের নিজের বুদ্ধিমতা আছে। কিন্তু তুমি সেই সুন্দর বুদ্ধিমতার সাথে সংযোগ শাদির্যু ।
তুমি অনবরত শরীরকে অবমাননা ও বজ্যাকাব কব। য়ুরে মুদ্রাজ কুমি জাবটক উনহ কন্ন (য় 'বাসি রনাব (পর', জুতি (মশুক অবমাননা করা আরম্ভ কর। তুমি মনকে সন্তষ্ট কberণ কর কিছু কব, কিছু মটনভ মণ্ডাভ অনুযায়ী মন তো দেহকে আবমাননা করে।
'তুমি দেহ' - এই ধারণাটি যদি তুমি স্বস্তিতে ছাড়তে পার, তুমি দেহকে শ্রদ্ধা করা শুরু করবে। তুমি এমন সব নির্ণয় নেবে যাতে মনীত্বন ৱুকি মুন্নবাদভ কাজ কবর্তা কুলি মনীত্রক সাংসাবিকলাদভ শাকরণ প্রাকৃত্ব প্রত্যা কুলি মজোভ রখ উ গণিত্ব উন্নুন উ সেফট্রূমিণ হবে। যেই বুঝতে শুরু করবে যে তুমি মন নও, তোমার প্রখর বুদ্ধি ও স্বতঃস্ফূর্ততা আসবে।
প্রথম যেটা করা উচিৎ তা হ'ল এটা বোঝা যে তুমি দেহ ও মন নও। তুমি দেহ ও মন নও, তা পুরোপুরি বুঝতে পারলে তুমি উভয়কেই শ্রদ্ধা করতে শুরু করবে। তুমি দেহ ও মনের সাথে বাস করা শুরু করবে, তাদের বিক্রম্ম নয়া। কুলি বাব করকর বাবসাননা করব না বশ্বা বাদ্য দুকিত্রখাটক ব্যমম্ভান করব না। জানান প্রমুখ ম্যনাবিকলাত্ব উ বানন্দর্ভ রুয় শাকরণ মাউ।
অষ্টবক্ত বলেন, 'তুমি দেহ নও, তুমি মন নও। তুমি ভূমি নও। তুমি জল নও। তুমি অগ্নি নও। তুমি বাতাস নও। তুমি আকাশ নও।'
যদি বুদ্ধিমতায় বিশ্রাম করে,
তৎক্ষণাৎ তুমি পরিতৃপ্ত, শান্তিপূর্ণ ও বন্ধনমুক্ত হবে।
প্ৰথমত, তুমি দেহ ও মন নও।
মিলীয়া, যদি কুলি মনীন (শাক বিয়ূক রু বর ৱুক্কিত কারণ বিদ্যাস কন্ন, কুলি তৎক্ষণাৎ সুখী, শান্তিপূর্ণ হবে ও সব রকম বক্কন (শটক সূক রখ। লড়ে সুকূর্ণ কূমি মালিপূর্ণ রাখা রুসি য়ানকা ঘাণ, নির্জাক সেভাবে বুঝতে ও স্বীকার করতে আরম্ভ কর। তাহলে সেই মুহূর্তে তুমি নিজের মধ্যে রিল্যাক্স করা শুরু। তুমি নীরব হও। সেই মুহূর্তটি তোমার জন্য পরমানন্দ নিয়ে আসে।
যেই মুহূর্তে তুমি বোঝা যে তুমি দেহ ও মন নও, তুমি এই সমগ্র সংসার -সাগর বা বসুনা বিমানসানজান মানব (শটক বিলাস্কা কন্ন। যজ্যক্ত কুলি দ্বার উ সটনভ মাট্য নিজেকে সংশ্লিষ্ট কর, তুমি দেহ ও মনের বহন করা সমস্ত দুঃখকষ্টকে অভিজ্ঞতা কর।
ঐকান্তিকভাবে বর্তমানে বাস করা
জানাব বিকৃষি ভুনুয়ায়ী কুলি ব্যণিজি মুহূর্তকে পরিত্যাগ কর
সৌভাগ্যবশত, ভুনুয়ায়ী করতে পার। যেই মুহূর্তে একটি নতুন চিন্তা তোমার সিস্টেমে আসে, তার মানে পুরানো চিন্তা তার শক্তি অথবা তোমার ওপরে প্রভাব হারিয়েছে। নতুন চিন্তা তোমার ভিতরে এসেছে মান ভূবানা কিলাস্ক অভিভিণাভ কবা রায়র, কারণ তুমি একই সময়ে দুটি চিন্তা করতে পার
না। একই সময়ে শুধুমাত্র একটি চিন্তা থাকতে পারে। যদি তুমি বল যে পুরানো চিন্তাও আছে, তার মানে ঠিক সেই মুহুর্তে নতুন চিন্তাটিকে পরিত্যাগ করা হয়েছে!
মোবাসকৃষ্ঠ ভবতররূর্ণন ভক্তি মূল্যান গল্প আছে :
এক বিশাল দুর্গের ভিতরে এক রাজা ছিল। একবার তাকে দুই লক্ষ সৈন্য নিয়ে অন্য একজন রাজা আক্রমণ করে। রাজার আশেপাশে কেবল দুই তিনটি লোক ছিল ও তারা খুব ভয় উপদেষ্টাকে বলে, 'দুই লক্ষ মানুষ আর আমি একা। ওরা তো আমায় মেরে ফেলবে!'
রাজার - উপদেষ্টা - বলে, 'মহারাজ, ঘাবড়াবেন না। ক্বল বক্কণ মন্নজা ( ভারতে রাখুন। একটা দরজা দিয়ে একই সময়ে কেবল একজনই ঢুকতে পারবে। তারা যখন ভিতরে আসবে, দরজার পাশে দাঁড়িয়ে আপনি একটার পর একটাকে বধ করতে থাকুন। ব্যাস ! সবার সাথে একই সময়ে যুদ্ধ করতে যাবেন না। '
যদি তুমি ভাব যে তোমার সমস্ত শত্রুরা একসঙ্গে জড়ো হয়েছে, তোমার অযথা ভয় শুরু হবে। তোমার দুটি চিন্তা একসাথে থাকতে ভারত না। বকরে মমত্য ক্বন বক্রণি কিলা তুমি করতে পার। তার অর্থ, প্রতিটি চিন্তা তার পরবর্তী চিন্তা দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।
আবার বলছি : প্রথমত, একই সময়ে তোমার একটিমাত্র চিন্তা থাকতে পারে।
মিণীয়াণ, ভূজানা কিলাস্ক না মনাল দ্বিতীয় চিন্তা আসতে পারে না।
কুণীয়াণ, যদি করে বটন বাসারক ব্যান (শটক ধাকা মিট্য মনাল ভারত, জ নিক্য লড়ে মমত্য বাসাব (শুটক মুক্তিমালী হবে! একইভাবে নতুন চিন্তা যখন পরানো কিলাসক টেটল মনির্য়া এক্যু, জান বর্থ রু'ল নজুন কিলা ভূনানা কিলান কা কর্মা ব ব মী শক্তিশালী। তার মানে যে চিন্তা এখন আসছে, তা বর্তমান মুহূৰ্তে শিকড়িত। সেই চিন্তা যাই হোক না কেন, সেটা যে চিন্তাটাকে পরিত্যাগ করা হ'ল, তার চেয়ে বেশী ক্ষমতা রাখে।
তোমার প্রকৃতিবশত তুমি পরিত্যাগ করে চলেছ। তোমাকে ত্যাগ করা শিখতে হবে না। এখানে 'ত্যাগ' বলতে কি বোঝাচ্ছি? প্রতিটি মহুর্তে তমি একটার পর একটা চিন্তাকে চলে বেংক বিজ্ঞান কেবল তাহলেই নতুন চিন্তান্তে বিশ্বাস করে বিশ্বাস করে বিশ্বাস করে বিশ্বাস করে বিশ্বাস করে বিশ্বাস করে বিশ্বাস করে বিশ্বাস করে বিশ্বাস করে বিশ্বাস করে বিশ্বাস করে বিশ্বাস করে বিশ্বাস করে বিশ্বাস করে বিশ্বাস করে তোমার সিস্টেমে প্রবেশ করতে দেওয়া সম্ভব। প্রতিটি মুহূর্তে তোমার অন্তর্দেশ থেকে পুরানো চিন্তাকে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে।
চিন্তাগুলি অনবরত নিজেকে পরিত্যাগ করার কাজ করে চলেছে। একমাত্র ব্যাপার রু'ল, য়ুথন রুসি বিশ্বাটমন মণ্ডি কন ব্য চিন্তাগুলি সংযুক্ত, তখন তুমি কষ্টগুলিকে সংযুক্ত করে শাফট্ বানাও। কিছু সমস্যা আছে বলে তোমার বিশ্বাসই একমাত্র সমস্যা।
প্রতি মুহূর্তে তোমার অন্তর্ভেশ আসন্ন নতুন চিন্তা দ্বারা শোধিত হচ্ছে। যদি তুমি এই প্রক্রিয়াকে চলতে দাও, তা নিজে থেকেই হবে ও নিজেকে পরিষ্কারও করবে। তোমার মন্তক পরিষ্কার করার কোন প্রয়োজন নেই। তোমাকে ক্বল মিটিউন (শটক (বজিটিউ ভড়টক রূরব, যাতে সিস্টেম নিজে থেকে এগিয়ে যেতে পারে।
একটা গুরুত্বপূর্ণ সত্য তোমার জানা উচিৎ, তুমি চাইলেও, তুমি সচেতনভাবে অবিশ্রাম চেষ্টা করলেও, লম্বা সময় ধরে তুমি তোমার কষ্টকে ধরে রাখতে পার না।
যদিও তাকে ধরে রাখতে চাও, তোমার কষ্টকে তমি ধরে রাখতে পার না কারণ ক্রমাণজ য়া কিলা কুষ্ঠ মণ্ডি কberণ জা জনা নজুন কিলা মানা ভিজিম্মানিক শ্রদ্য করনার ! আসলে কষ্টকে ধরে রাখার জন্য তোমাকে বর্তক বর্ষ্কণ কberণ রব কানন কিলাগুলি অবিশ্রাম বয়ে চলেছে।
তোমার চিন্তাগুলিকে প্রতিস্থাপিত হতে দাও
পরিষ্কার করে বুঝে নাও, তোমার একটি নতুন চিন্তাকে ভূসান করব য় রুসি ভূনারনা দিতে পার। সমস্যা হ'ল, নতুন চিন্তাকে তোমার মধ্য মিট্য ব্যবহারিক রখ্যা ভজনক কবাদ ভবিবর্ত্ক সিস্টেমে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা কর। এটা যেন ই-মেলের ট্র্যাশ ব্যক্সের মেলগুলিকে আবার রেন-বর্ত্ত মেলগুলিকে আবার ফিরিয়ে নিয়ে আসার কোন প্রয়োজন আছে কি? না! যদি তমি অনবরত ভূজাতানা থাক, তুমি তো কেবল দুঃখকষ্ট সৃষ্টি করবে।
বজে বাদ, যদি রুসি দর্শ বরে মণ্ডরক প্রতিপালন কর যে সতেজ চিন্তার ধারা দিয়ে যেকোন কষ্টকে প্রতিস্থাপিত করা যায়, তাহলে তা তোমার জন্য বাস্তব হয়ে যায়। তাহলে কোন কষ্টই থাকে না। যদি তুমি এই চিন্তাকে পোষ, 'না. য়জরে বাসি কিটন वाटम', जारटन कুলি লজারক वाखव वानिट्या (কलरव। 'ক्रे किटन वामद्व', ওয়ার্ড চিন্তার মাতা হ'লে, কষ্ট আবার জন্ম নেবে। কষ্ট চলে যাবে বলে চিন্তা পোষণ করলে, কষ্ট চলে য়াভভিদে।
ভববর্জী কিলায় কিটন না শিষ্য যদি একবার তৃমি অন্তর্দেশের একটি চিন্তাকে বদলে ফেলতে পার তোমার আস্থা জন্মাবে, 'আমি জারক बनवाद व्यासिक करवाणि वासि ज আবার করতে পারি।' তবে তুমি নিজেকে বলতে পার, 'যদি পুরানো চিন্তা দশবার ফিরে আসে, তাকে আমি দশবার বদলে দেব!' ব্যাস। মোখ্যূরে দ্বার্থটভ য় ভূনারনা কিলা ৱামা বক্ত হয়েছে।
বূদ্যন্ত জীবন বিক্কেন মুন্নভ ঘণ্ডনা ঘটেছিল :
বুদ্ধ বলেন, 'যখনই আমি ধ্যানে বলেছি 'वासि किछू घन्णे भट्न केट्ठे भड़व', वासि जीवनमुळ रूरे लिं। बकवान वासि निर्वाय নিলাম, জীবনমুক্তি না পেলে আমি এই আসন (শটক সেঠেবর না। বরে মনীন ব্যান্নরে উনির্য য়াক। জীবনমুকি না ভাউনা পর্যন্তু আमि ধ্রশান থেকে নড়ছি না।' বুদ্ধ বলেন, যেই মুহূর্তে তিনি এই নির্মল স্বচ্ছ শ্রদ্ধাপূর্ণ সংকল্প সৃষ্টি করেন, পরের সেকেণ্ডে তিনি জীবনমুক্তি লাভ করেন!
য়থন জুতি জানাব ফুঃ শক্যুক্ত ক্লান জনা ভম উ জাব, 'বাজাদক বাসি কষ্টেক মনবাদ মনিষ্য ক্যান। যদি জা এগারবারের বার আবার আসে, তাহলে আগামীকাল তাকে সরাবার চেষ্টা করব,' তাহলে কিছুই হবে না। তোমার কোন क्रमात्रवर रव না। স্মষ্টেজাদভ নির্বয়ু নাউ, 'য়াজকা না নকানাণ্যক কিলা ৱামা বক্ত রুগ বাসি সেটাকে আমি বলি বীরত।
শারীরিক, মানসিক ও আবেগসংক্রান্ত সমস্যার সমাধান
য়থন বাসনা বান্ত্রাণ্ কবি, ব্যথর্স আমরা অন্তর-নিরাময়ের আভাস পাব এবং আমাদের মধ্যে এক গভীর নীরবতা ও শান্তি আসবে।
মিণীয়াণ, মানীৱিক মূল্যাস্তু রায় বিকিতন কবা উনক করবে।
তৃতীয়ত, স্বভাবতই তা আমাদের সম্বন্ধতাতেও বিকিরণ করা শুরু করবে।
চতুর্থত, যেহেতু এই তিনটি সুন্দরভাবে চলছে, তাই আমরা সজনশীল ও ফলপ্রসু হব!
দীর্ঘস্থায়ী রোগের জন্য সমাধান
লাটকবা বাসান কাট্ বট্ন বট্ন, 'সারীজী, ব্যথা।' না, তা হ'তে পারে না। দয়া করে বোঝ য় বাস্তব কা মখব নয়া। বাসি জাতার ক অসম্মান করছি না অথবা তোমার সব সমস্যা তোমার মাথায় আছে, এই কথা বলে তোমার কিছু বাজিাত্য মিল্কি না। বাসি জানায় ক্বন একটা সত্য কথা বলছি : তোমার সমস্ত সমস্যা তোমার মাথায় আছে! সত্যি বলছি।
য় শৌঁদ্র ভাষা ফুরে বর্ষ্ব বাটন অভিজ্ঞতা করেছিলে, যে হাঁটুর ব্যথা তুমি এক বর্ষ্ব বাটন বর্ণিকাণা করৱাণিটল, ব্য শৌদ্রেন ব্যথা তুমি দুই মাস আগে অভিজ্ঞতা করেছিলে বদর (য় শৌঁদ্র ভাষা কুলি পুরে ঘন্তো বাটন বাণিকাণা করবণ্, মাগুলি মবরে म्यूजन বাণিকাণা। ক্বন ব্যারণূ কূমি জামন
মবকণিক मश्रूक করব করব কল, কুল, জুসি মিম্নারল আস : 'ফুরে বর্ণ্ড ধর্ম বাসি শৌঁপুন ভাষায় জন্মণি'। বাজা কি মণ্ডিয় য়া কৃতি ফুঁড়ে বখন শর্ব একটানা হাঁটুর ব্যথায় ভুগছ? মাঝের 'হাঁটুর ভাষা তেরঁ সূর্বাধনিত্র কি র'ল? উনহণুন জিনিষ য়াণে জামারমন বাদ্য সেফিষ, জা র'ল, য়ার্শক অবিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে বলে দেখ, তুমি নিজ-নিরাময়ের সম্ভাবনায় বাধা প্রদান কর।
বিষণতার জন্য সমাধান
যে বিষণতা এক মাস আগে ঘটেছে, যে বিষণ্ণতা বক বর্ষ্ব ঘটন ঘটনাট ঘটনেটর বরবর ব্য বিষণ্ণতা তিন বছর আগে ঘটেছে, তারা সবই সর্ব, ভৃশ্তক, ব্যমর্থূক উ ব্যান ক্লাক্ষ্ণ। সমস্যাটা শারীরিক বেদনার মতই। তুমি তাদের মশুক কberণ শাক ববর মিফ্নাল্ড ৱাম ব্য তোমার একই বিষণাতা কমাগত চলছে। তুমি এক ধারণা সৃষ্টি কর যে তোমার জীবন বিষণা। তখন তুমি তার সাথে লড়াই শুরু কর। তাতে সেই বিষণ্ণ চিন্তাগুলি আরও শক্তি অর্জন করে।
যখন দ্যুভাবে বিশ্বাস কর যে গত দশ বছর কষ্ট ও বিষণ্নতায় ভরা ছিল, তুমি তখন তাকে ঘিরে এক শক্তিশালী মানসিক গঠন সঙ্গি কর। স্বভাবত তুমি চিন্তা করতে শুরু কর যে তোমার ভবিষ্যৎও বেদনা ও বিষণাতায় ভরা হবে।
ধর, তোমার সামনে এক ব্যক্তি বসে আছে যাকে তুমি শত্রু বলে ভাবছ। হঠাৎ যদি তুমি লক্ষ্য করে দেখ যে তার মাথা আলাদা, তার পা আলাদা ও তার হাত আলাদা, তুমি তার সাথে লড়াই করার কথা চিন্তা করতে পারবে? না! তার সাথে লড়াই করার কোন অর্থই হয় না! তোমার আগে ভাবা মত তার তো কোন কোন নিরেট অস্তিত্বই নেই। তাই লড়াই করার কি আছে?
বকরেবাদভ ক্বল য়থন কুলি कब्जना কর কর যে তোমার সামনে বিরাট সমস্যা আছে, তোমার সামনে এক বিরাট ব্যক্তি আছে. তুমি লড়াই শুরু কর ও আরও সমস্যায় জড়িয়ে পড়। যতটা মনে কর, তোমার বিষণতা তোমার তেমন শত্রু নয়। সেটা সেই মানুষটার মণ য়াদ্র বর্ণনাগুলি ৱালামা রায় যায়। কূমিরে মরে বর্ষ্ববিদ্যক মশুক কব জীবনপ্রদান কর। বিষণাতার সাথে লড়াই করাই তোমার বিষণ্ণতার মূল কারণ।
বাসায়টন বকাণি মূল্যায়ন গল্প বাটন। বানররাজ বালীর সঙ্গে কেউ যুদ্ধ করলে, সে জন বর্ষক বর্ষক বালীব কাটণ রাজাণ। বকরেবাদভ য়া বরে কিসান মার্কাজ মারথ লড়ারে উন করব, জান বর্ষক মালি মার্কাৃত্য চলে যায়।
যেই মুহূর্তে তুমি শাফট্ থেকে আনুকাচ কর, তুমি নিরপেক্ষ স্থান অভিজ্ঞতা কর এবং তোমার অন্তর-নিরাময় শুরু হয়। অন্তর-নিরাময় আরম্ভ হ'লে শারীরিকভাবেও তোমার নিরাময় হয়।
তোমার বিষণতাকে পরিত্যাগ করার চেষ্টা করবে না, কারণ তোমার প্রকৃতি অনুযায়ী তাকে পরিত্যাগ করা হচ্ছে, তা তোমার থেকে কাটল য়াটক্যূ। ভুকূণি জনুয়ায়ী ব্যকারভ মুন তোমার মন থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়, বিষণ্ণতাও তোমার মন থেকে অদশ্য হয়। যেই মুহূর্তে তুমি বিষণ্ণতাকে দূর করার চেষ্টা করবে, তুমি তাকে বাড়াবে ও তাতে আরও জীবন প্রদান করবে।
যদি তমি কি অফিসে যাওয়া বন্ধু করবে? না! তমি হয়ত মনে বিষণাতা বহন করবে, কিন্তু তোমার মনীন কলত্ব। ততটা ফলপ্রসূ বা দক্ষ হয়ে কাজ করতে ভাবত্ব না। কিলু জ্যাসান মনীন জা মট্টুউ চলে।
বিবর্ষণাভ মারথ ৱাম না করব, বাসি বলি আনক্লাচ্ছ হয়ে বাস কর।
বিষ্ট রূপ ৱাম কবটন কিলু বায়াসম্মন এইসব প্রশ্ন থাকে না, 'যদি আমি বিষণা হই, আমার দেহ কি করে চলবে? এরকম প্রশ্ন মনেই আসে না। বিষণ্ণতা আমাদের জীবনের বর্ষ রুত্য য়ায়া। বকরেন্ডারভ বর্ষসমিটক রায়ণ জামান ভন্ন শাকরণ ভারত, 'বাসি কিশাদভ আনক্লাচড় হয়ে থাকব? কি করে আমার শরীর কালাভ?' বাদ্য ব্য বানুক্লাফিশ্ট্যবন ব্যবিদ্যাস স্মরণ তোমার মন ও দেহের নড়াচড়ার ব্যাপারে রুক্ক্কন করব না। জা ক্বন বিষণভারক সরিয়ে ফেলে কারণ তা বিষণাতার চিন্তাগুলিকে আসতে দেয় ও চলে যেতে দেয় - তাদের আঁকড়ে না ধরে, তাদের ক্লাচ না করে।
আসক্তির জন্য সমাধান
আসক্তি কি? সেটা হ'ল এমন কিছু আচরণ বা কাজ, যেটা না করলে তুমি খুব খারাপ অনুভব কর ও মনে কর যেন কিছু হারাচ্ছ। কিন্তু সেটা করলে তুমি কোন আনন্দ অনুভব করবে না, কেবল যন্ত্রবৎ সেই কাজ কর। কোন বস্তু, কোন মানুষ বা কোন পরিস্থিতি সুখ বা পরমানন্দ দেবে বলে বিশ্বাস করাই আসত্তি।
আসক্তির এই সংজ্ঞাটা বোঝা : সুখ-শাফটকে পুনরায় নির্মাণ করে তাকে লম্বা করার চেষ্টা করা। তুমি তোমার জীবনে একই মানুষ, পরিস্থিতি, ঘটনাগুলিকে বারংবার নিয়ে আস এবং ভাল করেই জান যে তাতে একই আনন্দ হতে যাচ্ছে না। কিছু মানুষ পার্টিতে আসক্ত, কেউ ধুমপানে আসক্ত, কেউ পানাসক্ত এবং আরও কত যে আসক্তি আছে।
मটन द्वार, या কান জিনिষ या একूलि জীবনে বার বার নিয়ে আস, তা তোমার জীবনে প্রথমবারের উত্তেজনার মত পরে একই প্রকার থাকে না। একজন মানুষের সাথে প্রথমবার আলাপ হবার সময় উত্তেজনা একদমই অন্যরকম থাকে। পরবর্তীকালে উত্তেজনা কমে যায়।
লোকেরা আমার কাছে এসে জিজ্ঞাসা করে, 'কিভাবে আমি আমার অভ্যাস বদলাতে পারি?' এথ, 'habit'-এর প্রথম অক্ষর 'h' সরিয়ে নিলে, 'a bit' (এক টুকরা) থেকে যায়। 'a' সরালে 'bit' (অল্প) থেকে যায়। 'b' সরিয়ে নিলে 'it' মানে সেটা (অভ্যাসটা) থেকে যায়। কেবল যখন তুমি তা থেকে 'I' বা আমিতুকে সরাও, যখন তুমি আমিত্বকে সরাও, তখি তুমি তার ায়থ ড়াই শুরু ের। আদমেয়ে মুয়ছ যেয়ত য়ব বয়ত আদম যতাই যবাঝাদে। যতামার দবশ্বাই যোি অভযা ততদর েয়র। দবশ্বা মুয়ছ যেয় তা েখি আয় আিন্দিাে ি। তু দম দিয়জয়ে ান্ত্বিা িা।
মৃত্যুভয়ের জন্য সমাধান - কেবল এক কাপ কফিপান কর
এক ব্যক্তি একবার আমার কাছে এসে জিজ্ঞাসা করল, 'আমার ধনসম্পদ হারাবার প্রচণ্ড ভয়, আর মৃত্যুকেও ভীষণ পাই। আমাকে সমাধান দিন। আমার ভয় দর করুন।'
আমি তাকে বলেছিলাম, 'দয়া করে এক কাপ কফি পান করা।' সে বলে, 'আপনি কি বলতে চাইছেন?' আমি বললাম, 'কেবল এক কাপ কফি খাবার কথা চিন্তা কর, তারপর এক কাপ কফিপান কর।' সে আমাকে বিশ্বাস করতে পারছিল না। সে জিজ্ঞাসা করে, 'তাতে কি হবে?'
আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, 'যেই মুহূর্তে তুমি এক কাপ কফি খাবার কথা চিন্তা কর ও তা খাওয়া ঠিক কর, ঠিক তখন যে চিন্তাটা আসে, তা কি মৃত্যুভয়কে সিস্টেম থেকে বার করা দেওয়া হয়েছে! ঠিক কিনা? মানে মৃত্যুভয়ের চিন্তাকে সিস্টেম থেকে বার করা দেওয়া হয়েছে!'
মত্যুভয় তার অন্তর্দেশ ছেড়ে না গেলে, সে এক কাপ কফি খাবার চিন্তা করতে পারে না, ঠিক কিনা? এক কাপ কফিপান করার মত সহজ জিনিসও তোমাকে তোমার অন্তর্দেশের মৃত্যুভয় নামক রে-মেলকে ইন-বক্সে সচেতনভাবে ফিরিয়ে আনছে। তাই স্বভাবত, এক কাপ কফিপান করার মত সহজ জিনিসও তোমার অন্তর্দেশের মৃত্যুভয় নামক মনিষ্ঠ ফেলতে পারে।
ব্যক্তিটি বলে, 'না, এটাকে খুব সহজ মনে হয়। আমি তাহলে কি করি?'
যদি ভয় পাও, তাহলে এক কাপ কফি খেয়ে ফেল, ব্যাস।
এটা মোটেও কঠিন নয়, কারণ তুমি অন্য একটি চিন্তা করতে পার। যেই মুহূর্তে একটি নতুন চিন্তা আসে, তার মানে পুরানো চিন্তা তোমার ওপরে ক্ষমতা হারিয়েছে। নতুবা, নতুন চিন্তার উদয় হতে পারে না।
যদি ভয় নামক চিন্তা তোমার ওপরে বসে থাকত ও তোমার অন্তর্দেশ থেকে তোমাকে শাসন করত, তাহলে তোমার ভিতরে অন্য একটি নতুন চিন্তা আসতে পারত না। লাগাম সবসময় তোমার ওপরে তার ক্ষমতা হারায় এবং তোমাকে ছেড়ে যায়। সেই কারণে নতুন চিন্তা তোমার ভিতরে আসে। তাই, যে মুহূর্তে তুমি এক কাপ কফি বা জলপান করার কথা চিন্তা কর, তথাকথিত মৃত্যুভয় তোমাকে ছেড়ে যায়।
লোকেরা জিজ্ঞাসা করেন, 'যদি মাণে यदि कित्व वाटम? आसि बकवान क्वचन बक কাভ কা কি করব?'
আমি বললাম, 'তাহলে এক কাপ জল খাও, ব্যাস্।'
আরও একটা জিনিষ বোঝ, ভয় ফিরে আসতে পারে বলে তোমার ভয়ই, ভয়কে ফিরে আসতে দেয়। সেটা আসলে তোমার সৃষ্টি।
চিন্তা করার বিলাসিতা কেন কর না? যেহেতুত তুমি ভয়ের চিন্তাকে খুব বেশি গুরুত্ব দাও, তাকে এত গুরুত্ব দাও কেন?
তোমাকে তোমার ভয় অথবা লোভ সম্পর্কে দুশ্চিন্তা করতে হবে না। এগুলিই কেবল সমস্যা। তোমার ভয় কোন সমস্যা নয়।
ভয় বিদ্যমান থাকার কারণে ভয় বিদ্যমান থাকে। অসফলতার সাথে ভয় সংযুক্ত নয়। ভয় তোমার অসফল তার ভয়ের সাথে সংযুক্ত।
পেটের গণ্ডগোলের জন্য সমাধান
আয়ুর্বেদ বলে কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি পেটের সমস্যায় ভোগার একমাত্র কারণ হ'ল আমাদের শরীরের সাথে জুড়ে থাকার অভ্যাস। যদি আমরা বুঝতে শুরু করি যে আমরা শরীর নই, তাহ'লে আমাদের কখনও পেটের গণ্ডগোল হবে না।
আমার দেখা হবার ও কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, যদি তোমার পেটের গণ্ডগোল থাকে, একটানা ভাব যে তুমি শরীর নও। আমি তোমাদের আশ্বাস দিচ্ছি, তুমি পেটের গণ্ডগোল থেকে মুক্ত হবে। তোমার পেট একদম নিরাময় হয়ে যাবে।
পেটের আলসার, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট জালা বা পেটের অন্য কোন সমস্যা যদি থাকে, এই প্রক্রিয়া তোমায় সাহায্য করবে। দুই তিন দিন শर्ब अनবत्तক छाव, 'আমি শরীরকে কাজ করে যেতে দাও। আমি বলছি দুই তিনের মধ্যেই তুমি আরোগ্য লাভ করবে।
অ্যালার্জীর জন্য সমাধান
তোমার সমস্ত অ্যালার্জী ও সব আতঙ্কগুলি কেবল স্বতন্ত্র চিন্তাগুলির সংযুক্ত। কেবল আনক্লাচ করার জন্য সাহস থাকা চাই। অনেককে আমি এর দ্বারা নিরাময় করেছি।
যখন আমি ভারতের হায়দ্রাবাদে ভাষণ দিচ্ছিলাম, এক ব্যক্তি মসুরি ডাল থেকে পঁচিশ বছর ধরে অ্যালার্জী আছে বলে অভিযোগ করে। এমনকি এক চামচ রান্নাকরা মসুর ডাল খেলে, তার শরীর ফুলে ওঠে। আমি বললাম, 'মসুর ডাল নিয়ে এস, তা আমার সামনে খাও।'
আমি তার সামনে বসলাম ও সে মসুর ডাল খেল। আমি কেবল তাকে বললাম, 'আমি তোমার যত্ন নেব। আমি তোমাকে নিরাময় করব। দুশ্চিন্তা করবে না।' সে খেল এবং শরীর ফোলে নি। অ্যালার্জী একদম অদৃশ্য হয়ে গেল। এই মানুষদের কেবল আনক্লাচ করার সাহস ছিল। যখন তারা বিশ্বাস করল যে আমি যত্ন নেব, সে অ্যালার্জীর জন্য দায়ী ভয়ের শাফট্টকে ভেঙ্গে ফেলতে পারল!
করা শুরু কর, সেটা তোমার আমিতের জন্য মহা বিপদ। তমি কখনও তা ঘটনতে দেবে না!
যদি তুমি ঘুমোতে ভয় পাও, কারণ ঘুমনোর মানে হল নিজেকে নির্জন ও মটণ্ড করव (ভटक भाव। जबान रखा रमर मममा वाव दिनरे, কিন্তু তুমি বিশ্বাস করতে আগ্রহী নও যে তুমি क्लाखि (शरीर। कूलि करे भूनाना পরিচিতিকে রেখে দিতে চাও। তোমার আমিত তোমার পরিচয় ছাড়া সবকিছু বলিদান দিতে পারে। চতুর খেলা খেল - তুমি কলান্তির বিশ্বাসকে ধরে রাখ ও ক্লান্ত হও।
অপরাধবোধের জন্য সমাধান
অনেক ওয়াসান काट्र वटन वटन, 'আমার ধুমপানের অভ্যাসের জন্য আমি সদাই जूनाणि। यारे सूर्यूटर्ज वासि মकाटन সেইজন্য আমাকে ধুমপান করতে হবে। কিন্তু এক ঘন্টা পরে আমার গভীর অপরাধবোধ হয়। দুই ঘন্টা পরে যখন ওয়াসি কার্ড(वक्रणि, আবার আমাকে ধূমপান করতে হবে - আবার এক ঘন্টার অপরাধবোধে ভুগছি এবং এই অভ্যাস থেকেও ভুগছি। আমি কি করি?'
আমি তাকে বললাম, 'তুমি হয় ধুমপান ছাড় অথবা অপরাধবোধ ছাড়। যে কোন একটা ছাড়। তুমি এই অভ্যাস থেকে মুক্ত হবে। '
মনে কর তুমি বিশেষভাবে রুষ্ট হলে। তুমি বললে, আপনি জানেন যে আমি ধূমপান ছাড়তে পারি না। যদি আমি ছেড়ে দিই, আমি তো আরও বেশী ধূমপান করব! কি করে বলছেন যে আমি ধূমপান ছেড়ে দেব? '
মনে কর, বণে बक पूर्वेष्का जाताब অপরাধবোধ থাকলে তুমি কি করবে? তুমি অনবরত বলতে থাকবে, 'আমার ধুমপান ছাড়া উচিৎ, 'আমার ধুমপান ছাড়া উচিৎ'। স্বভাবত কি হবে? তোমার মনে তুমি 'ধূমপান' শব্দটাকে সিস্টেমে গভীর থেকে গভীরতরভাবে গেঁথে যায়। তুমি কি করে আশা কর যে তুমি ধুমপান বন্ধ করতে পারবে?
যখন তুমি নিজকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পার না, মনে করতে হবে। যখন তুমি অপরকে ক্ষমা করতে পার না, তাকে বলে প্রতিহিংসা। আনুক্লাচ্ করলে অপরাধবোধ ও প্রতিহিংসা উভয়ই মিলিয়ে যেবে। তুমি কেবল ক্ষমা করবে তা নয়, তুমি ভুলেও যাবে, কারণ, তোমার আচরণ ও এই চিন্তাগুলির মধ্যে আর কোন সংযোগ থাকে না।
তুমি প্রশ্ন করতে পার, 'যদি আনুক্লাচ্ করি, তখন वासना वजीरजन वाल्किक्का (श्टक कि करव मिक्का नव?' অতীতের আসল শিক্ষাগ্রহণ তখনই হয়, যখন তুমি অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে আনক্লাচ কর। যখন তমি আনক্লাচ কর, অতীত অভিজ্ঞতা ও শিক্ষার নির্যাস সত্তার অংশ হয়ে যায়।
যখন তুমি অনবরত অতীতকে আঁকড়ে থাক, ভয় পাও, ক্লান্ত হও, কষ্ট পাও ও অপরাধবোধ তোমার সত্তা থেকে প্রতিফলিত হয়। তুমি অতীতের সারমর্ম গ্রহণ করবে না ও বুদ্ধিকে আধুনিক করতে পারবে না। আবার, যদি তোমার অতীতের ওপরে খুব শব্দা থাকে ও অতীতের ওপরে নির্ভর করে থাক, তাহলেও তুমি কখনো বর্তমান মুহূর্তে বাস করতে পারবে না। তুমি
সর্বদাই অতীতের বর্তমানকে দমিয়ে রাখবে এবং বর্তমান ও ভবিষ্যৎকে দমিত করবে। সেটা করলে তুমি কিভাবে আনন্দময় হয়ে থাকতে পারবে? তুমি তা পার না! অতীত সংহত হতে দাও এবং জীবনকে বর্তমান মুহূর্তে উদযাপন কর।
যেহেতু তুমি বিশ্বাস কর যে কিছু চিন্তাসমূহ সংযুক্ত এবং তারা সুখদায়ী, তুমি সেই চিন্তাসমূহকে জীবন প্রদান করতে শুরু কর। যদি বেদনাদায়ক, তুমি তাদের থেকে শক্তি বার করে নেওয়া কমাও। এর কারণ তোমার জীবনকে পূর্ণরূপে যাপন কর না, তুমি বাছাই করতে থাক কোন অংশকে নিয়ে বাস করবে।
তোমার মনকে বিশ্বাস করার ব্যাপারে তুমি এত বেশি দুর্বল হয়ে পড়েছ যে তুমি মন ছাড়া বাস করতে পার না। তুমি ভয় পাও, তুমি হয়ত অন্যদিকের চরমে মনহীন ব্যক্তি হয়ে যেতে পার। তোমাদের বলি, যে মানুষ আদন মवরে व्यमर्यूक, लग साजादिकलात्वरे बक নৈতিক জীবন যাপন করবে, তাকে সামাজিক નિયમોંડલિ आनाटक रूरव ना। কোন মানুষের মধ্যে তুমি সচেতন নৈতিকতার এক প্রবল ও জীবন্ত রূপ দেখবে। তাঁরই জীবনে তুমি অসাধারণ শুঙখলা দেখবে। এই শুঙ্খলা কখনও ঝাঁকানো যায় না এবং তার নৈতিকতা কখনও তার থেকে সরিয়ে কেলা যায় না। সেই নৈতিকতা ভয় ও লোভ থেকে আসে নি। প্রকৃত নৈতিকতা নিজ -সত্তা, স্ববিद्य उ जेनवन्न वजन से शिक्क প্রস্ফটিত হয়।
প্রত্যক্ষ করা
তুমি প্ৰত্যক্ষদৰ্শী চৈতন্য
আদি শংকরাচার্য তাঁর 'ভজ গোবিন্দম' পংক্তিগুলিতে সুন্দরভাবে গেয়েছেন :
'कुट्यावविद्य कांक्रणि यांचांवाद मनुष्य একটানা গতির মধ্যে চাকের কেন্দ্রে কীলক স্থির থাকে।
একইভাবে পরিপূর্ণ মানব কার্যে লিপ্ত হয়েও ধীর ও স্থির থাকে।'
যখন তুমি হঠাৎ উপলব্ধি কর, কোন প্রকার ঘট বানাবার মত কুমোরের চাকের কেন্দ্রে কীলকের মত তুমি অনড় ও অসমৰ্শিত। বোঝা, তুমি চলতে থাকা সিনেমা নও। তুমি কেবল সেই পর্দা, যার ওপরে সিনামাকে অভিক্ষেপ করা হচ্ছে। পর্দা কখনও চলমান আবেগগুলির খেলা দ্বারা প্রভাবিত হয় না!
বালক ঋষি অষ্টবক্র রাজা জনককে বলেন,
'যথাৰ্থই তুমি নিত্য মুক্ত।
তুমি সব কিছুর একজন দ্রষ্টা এবং বস্তুত নিত্য মুক্ত।
যथार्थ वজেদ জार्मान वक्कन, य্য जूমি দ্ৰষ্টাকে অন্যকিছু ভেবে দেখ। '
যখন তুমি দ্রষ্টাকে বিজ্ঞান কর না, বন্ধনের সমস্যা শুরু হয়। তোমার সত্তা বিশুদ্ধ। কিন্তু এটাই তোমার একমাত্র বন্ধন। আর কোন বন্ধন নেই।
আজ যখন তুমি একটা শাফ্ট বানাচ্ছ, वसनकि 'वासि वक्ति नायक्रे वानाष्ट्रि' वरे धावना उ जना वारवकणी भारकृष्ण व्य নार्क् कूমি पन বর্ষ्व বর্ণ वानित्यक, व्य मायक्ट्रे कूलि नय वर्ष्व वाटन বানিয়েছ ও যে শাফ্ট্ তুমি গতকাল বানিয়েছ, জানা मश्यूक नया बरे মন মার্ক फ़िलिटक সংযুক্ত করাও আরেকটি শাফ টু বানাবার কাজ! व्राण्। वरे (वासनाकि जनमान गर्छीन मुद्रव (गटन, তা তোমার যত্ন নেবে। তোমার চিন্তা ও কার্য রূপান্তরিত হবে।
লোকেরা আমায় 'আমাদের কিছু উপায় বলুন যার দ্বারা আমরা সর্বদা কোন শাফট না বানানো মনে রাখব।' যখন তুমি কোন কিছুর সাথে জড়িত হচ্ছ, স্পষ্ট করে বোঝা যে তুমি তখন আরও একটি শাফ্ট বানাচ্ছ। যেই মুহূর্তে তুমি কোন কিছুকে বলতে চাও যে এই জিনিস তোমার সাথে চিরকাল থাকবে, দেখ, তুমি কি করেছ? তুমি আরও একটা শাফ টু সৃষ্টি করতে শুরু करवण। जारल जूनि मतमान्त वाणा। সুখই হোক বা কষ্টই হোক, যেই মুহূ তে শাফ্ট সৃষ্টি করেছ, তুমি সমস্যায় পড়েছ।
আনন্দ হ'ল বাছাইহীন হওয়া
আন্তরাচিং করার সাথে যে পরমানন্দের অনুভূতি আসে তাকে ধরে রাখার চেষ্টা করবে না। 'কিছুই ধরে রাখা যায় না' অনুভব করার গভীর আনন্দ উপলব্ধি করেছ, কারণ তুমি ধরে कवा (श्टक रूख़ रायण, कानन কूसि
किलागुलि य भूद्वाभूवि वजनश्यूक जा जनून्द्र करवण्, कावन रूसि সেমনকি करवर তুমি আনক্লাচড়। এখন পুনরায় কলাচ করতে চেষ্টা করবে না।
यदि कुछ जातारक वटन, 'वासि আনন্দে আছি কারণ আমি টেনিস খেলেছি এবং তা উপভোগ করেছি', তুমি ভাব, 'টেনিস খেললে আনন্দ হয়।' তুমি এক সমীকরণ তৈরি কর। ফলস্বরূপ, জিনিস বদলে যায়। কিন্তু তোমার কিছুই হয় না, কোন আনন্দ হয় না। যে টেনিসের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছে সে তোমায় ঠকিয়েছে। স্পষ্ট করে বোঝ, খেলার সময় সে আনন্দের ব্যাপারে চিন্তানিমগ্ন ছিল না, খেলার সময় সে আনক্লাচ্ হয়েছিল। সেই কারণে, আনন্দ সহজেই ঘটে। কিন্তু যে খেলার সঙ্গে আনন্দকে সংযুক্ত করেছিল, ব্যাস। টেনিসের কারণে আনন্দ হয় নি। টেনিস খেলার সময় সে আনক্লাচ্ছ আকাশে চলে গিয়েছিল ও আনন্দ আবিস্কার করেছিল। যদি ল वान्त्रकार्फ़ অবস্থায় থেকে যেতে পারত, সে টেনিস না খেললেও আনন্দাবস্থায় থাকত।
বাছাইহীন হওয়াই আনন্দ। যদি তুমি আনন্দকে বাছাই করতে যাও, আনন্দ হবে না কারণ তুমি একটা বাছাই করেছ এবং এইভাবে আনත්මন মুখাবনা মून করवण। যখন তুমি বাছাইহীন, যখন তুমি পুরোপুরি রিল্যাক্স করছ, আনন্দ সহজেই তোমার মধ্যে হয়। আনন্দ সম্পর্কে উদ্বিগ্ন হ'লে, তোমার উদ্বেগই নিশ্চিত করে যে তুমি আনন্দ অভিজ্ঞতা করবে না।
আন্তরাচিং করে তুমি তোমার সমস্ত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পার। ভবিষ্যতে বোঝা, তোমার স্বপ্নকে সার্থক করবার
জন্য তোমার যা স্বপ্ন আছে, যদি তুমি রিল্যাক্স করতে পার, যদি তুমি আন ক্লাচ করতে পার, অকস্মাৎ তুমি দেখ যে এক নতুন ধরণের শক্তি তোমার চিন্তা থেকে বিকিরণ হচ্ছে। সেই শক্তি তোমার স্বপ্নকে সার্থক করবে। र'ल মটण्डনজান ব্যবস্থা, वानक्लाफिश र'ल সব কিছু দিতে পারে।
আমিতের দরকার নেই
পশুর শ্বাসক্রিয়ার জন্য তার আমিতের মন্নকাव रूय ना, जान कान भविष्य ব্যবহারের দরকার নেই। কিন্তু মনুষ্য হয়ে তুমি ব্যবহার করতে পারবে না। তুমি ভাব যে তাতে শরীরের খারাপ কিছু হবে।
তুমি ভয় পাও যে তোমার পরিচয় মুছে ফেললে তোমার দেহ ঠিকঠাক কাজ করবে না। তোমার নিজের সম্পর্কে ধারণা আছে, 'আমি কারো পিতা, আমি কারো ভাই, আমি কারো পুত্র'। শরীর ও মনকে সঠিকভাবে চালানোর জন্য তোমার এই ধারণা, তোমার বহন করা অবশ্য এটা বিশ্বাস করা খুবই কঠিন।
শ্বাস নেবার জন্য, হৃৎপিণ্ডকে স্পন্দিত হবার জন্য, খাদ্য হজম করার জন্য ও বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশিত করার জন্য তোমাকে কি চিন্তা कवरण रूय? ना!
সাহায্য করবে যে বেঁচে থাকার জন্য তোমার আমিতের কোন দরকার নেই। আমিতের উদ্ধের কিছু আছে যা তোমাকে জীবিত রাখছে ও কার্য করছে। বিপর্যয়ই না হ'ত! আমরা তাকে পরিচালনা করতে আমিতের চেয়ে কতই না ঊর্ধ্বে, কিন্তু দেখ, তা বিশ্বাস করা কত কঠিন।
একটা ছোট গল্প :
একজন জম্মান্ধ ব্যক্তি ডাক্তারকে বলে. 'কৃপা করে কিছু দৃষ্টিশক্তি দিন।'
ডাক্তার বলে, 'আমি একটা সার্জারী করব ও আপনি দেখতে পারবেন। তখন আপনি লাঠি ছাড়াই হাঁটতে পারবেন।'
অন্ধ ব্যক্তি বলে, 'ডাক্তারবাবু, বুঝলাম আপনি অপারেশন করবেন। এটাও বুঝলাম যে আমি দুষ্টিশক্তি পেয়ে যাব। কিন্তু আমি বুঝতে পারছি না কিভাবে আমি লাঠি ছাড়া হাঁটব!'
আমরা অন্ধ মানুষকে বিশ্বাস করাতে পারব না, কিভাবে লাঠি ছাড়া হাঁটবে! আমরা তাকে বুদ্ধিবৃত্তির প্রক্রিয়ায় বোঝাতে পারব না, কারণ সে সময়কালে লাঠির সাথে সংযুক্ত করে ফেলেছে। কেবল দুষ্টিশক্তি পাবার পরই সে জানতে পারবে লাঠি ছাড়া কিভাবে হাঁটা যায়।
একইভাবে, নিজের দেহ ও মনে বাস করার জন্য তোমার আমিতের প্রয়োজন নেই। আমিত্ব ছাড়াই তোমার দেহ ও মনের ভিতরে বাস করা যায়। যেভাবে অন্ধ ব্যক্তি দৃষ্টিশক্তি লাভ করে লাঠি ছাড়াই চলতে পারে, তুমিও আমিত ছাড়াই বেঁচে থাকতে পারবে।
Part 6: Living Enlightenment (Gospel of THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM)_Bengali_part_6.md
-
।
superiority complex inferiority complex ।
।
living enlightenment
।
।
।
Work Smart, Not Hard
।
। -
। তা যতামার দয়স্টম যথয়ে েয়েদিয়ির ময়ধযই দমদয় যায়ব। তখি তু দম স্বতশ্চভায়ব যতামার জাত বুদিমত্তা োয়র োজ েরয়ত শুরু েরয়ব। তিিদন্দি জীবিযাপয়ির জিয যতামায়ে ভ যাভ দ্বারা চাদত
-
তমি তোমার মধ্যে এক অবিশ্রাম বিরক্তি বহন করবে। তমি কেবল ফেটে পড়ার জন্য একটা কারণ খুঁজে বেড়াচ্ছ। বকট श्रायाরে যট্যक्षे, वाव कुलि वनाजननन उभरव बाँभिट्य পড়ার জন্য তৈরি। তাকে কোন ভুল করতে হবে না, সে কেবল তোমার সামনে আসাতেই তুমি ফেটে পড়বে! ভয় ও লোভের মধ্য দিয়ে জীবন চালাবার কারণে ধকল ও চাপের থেকে এটা হয়।
यदि স্বয়ংক্রিয় বুদ্ধিমত্তা তোমার জন্য তোমার জীবন সুন্দরভাবে চালিত করবে। তোমার কার্যগুলি স্বতক্ষলভাবে অস্তিতের শক্তি দ্বারা চালিত হবে।
প্ৰক্ৰিয়া - 'আমি কাৰ্যকৰ্তা নই
অষ্টবক্ৰ মনি বলেন,
'আমি কার্যকর্তা' - অহংবাদের এই विवाद क्यावर्त मर्मित घाना पर्शनिक श्राय থাকলে, তুমি 'আমি কার্যকর্তা নই' - এই বিশ্বাসের অমৃত পান কর ও আনন্দপূর্ণ হও।
वाद्यक सुनि बरे भूकिया वाव्यवक রাজা জনককে প্রদান করেন। দয়া করে বোঝ, 'আমি কাৰ্যকৰ্তা নই' কেবল এই চিন্তা অথবা 'वासि कार्यकर्ण नरे' কवन बरे विश्वाम তোমাকে মুক্ত করবে না। এই প্রক্রিয়া আপনা আপনি তোমায় মুক্ত করবে না। তা তোমায় কেবল ক্লান্ত করবে! কারণ তুমি কার্যকর্তা নও - এই সত্যটা সর্বদা অবিচ্ছিন্নভাবে মনে রাখতে भावर ना। यारे सुरूर्ण जूसि बूबाटक भाव य 'वासि कार्यकर्ण नरे' वाभावणी मर्वमा मटन बाथटक भावर ना, जूसि भूरवाभूनि रणाम रख बन्द सनक वक्कमल करन मांड। यरे सूकूर्ण তুমি মনকে ফেলে দাও, তুমি যে কার্যকর্তা নও
मरे मण्डाणि मराजने वास्त राय याया! ल्या প্রক্রিয়াই এখানে প্রস্তাব করা হয়েছে।
আনুক্লাচিং - এক নিজ বিশুদ্ধিকরণ ও অভিব্যক্তিমূলক প্ৰক্ৰিয়া
এটা আনকাচিং-এর এক সহজ বোধ। তোমাকে এই জিনিষ্যটা করতে হবে : যখনই পুরনো চিন্তাগুলিকে অর্থ প্রদান করতে শুরু কর वश्वा भवाना किलागुलिक मरयुक करव নিজেকে বিব্রত কর, তখন আনক্লাচ করতে মনে রেখ।
কোন চিন্তাকে সুষ্টি, প্রতিপালন বা क्वरम कवरव ना। यदि जुलि जिनाणि जिनिष्यन একটিও না কর, তুমি হয়ে যাও পরব্রক্ষ!
আনক্লাচিং যেন এক নিজ-শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া। কোন প্রক্রিয়ার নিজ-শুদ্ধিকরণ ও মুক্ত कवाद मण्डि शाकरल, यूरे सुरूर्ण कृति সম্ম হও, প্রক্রিয়াকেও নিজে থেকে সুক্ষ্ম হতে হবে। আনক্লাচিং এমনই এক প্রক্রিয়া।
य थनिकिया निर्जन (शटक मृत्यू रूय ना, তা স্থল স্তরে থেকে যায়। যদি তা নিজেকে বধ করতে না পারে, তা তোমাকে বধ করবে! আনক্লাচিং প্রক্রিয়ার সুন্দরতা হ'ল, তুমি যতই সম্ম হবে, এই প্রক্রিয়াও আপনা আপনি ততই সুক্ম হতে থাকবে। সবশেষে তা মিলিয়ে যাবে।
।
।
। দিেভত া শ্বা অথবা দিরয়পে স্থ্াি ম্পয়েভ দবব্রত য়ব িা। যেব দভতয়র যয শ্বা েয়বল েরয়ছ তার ােী । ােী । দভতয়র যঢাো শ্বা ম্পয়েভ জাে ।
-
-
-
-
-
-
-
-
-
- । িুটি দিরয়পে স্থ্াি ম্পয়েভ েোঢ়রূয়প য়চতি ।
-
-
-
-
-
-
-
-
। যদি তারা যা । যতামার ধারণা যয তু দম দচন্তা েরছ -
-
। আবার েয়ে যয়েয়ের দবরদত য়ব। তারপর আর এেটা দচন্তা আয়ব
কর্মচক্রকে ভেঙ্গে ফেলা যায়
जीवनमूकि रल निर्जन उवियार गर्छन करवाद मामर्थन
আমাদের মনই বেদনা ও সুখের শাফ ট্ বানাবার জন্য চিন্তাগুলিকে সংযুক্ত করে - যদি এই বোধ দ্বারা আমাদের মনকে সত্যি সত্যি চালনা করতে পারি এবং যদি আমরা আনুক্লাচ করে অবস্থান করি, তাহ'লে আমরা বুদ্ধ যাকে 'মনোযোগিতা' বলেছেন সেই অবস্থায় অবস্থান করতে পারব। তাহ'লে আমরা সচ্চেতনতায় বাস করতে পারব ও বর্তমান মুহূর্তে থাকতে भावन। वासारमन किसान विकिया वनवद्वज আমাদের অতীত থেকে ভবিষ্যতে নিয়ে যায় ও আবার ফিরে যায় এবং আমাদের বর্তমান মুহূর্তে বাস করতে দেয় না।
এটা পরিষ্কার করে বোঝা : বর্তমান মুহূর্তে থাকলে আমরা ভয় ও বাসনা ছাড়া সমস্যা থেকে দূরে থাকতে পারি। আমরা ভয় ও বাসনা ছাড়া কার্য করতে পারি। তুমি জিজ্ঞাসা করতে পার কিভাবে? আকাঙ্কমা না करेब किछाटव कान किछू कबान जना आत्मि वनू भाषिक र'टक भावि? जनूर्वन्नवाद्य कान भव्याजन तरे। जूसि कि मटन कव य অনুপ্রেরণা থেকে তুমি শ্বাস নাও বা খাবার श्रक्ष कव? वासारमन किएटन उ वारेदब विकासान मुक्ति वूक्किस वा वासारमन मजोब রাখতে ও বদ্ধি পেতে সম্ভব করে। আমাদের কারণে আমরা বেঁচে নেই, আমরা সমত্ত্বেও আমরা বেঁচে আছি।
यथन वासना निवामक राय कार्य कवि, वासारमव कार्यवन कान कल शादक ना, আমাদের কার্য থেকে কোন কর্মের উদয় হয় লা।
কর্ম কি?
जेनाजाया स्विनियटन बनाने जनवरी मूल्यन পংক্তি আছে :
- ওম পূর্ণমদঃ পূর্ণমিদম্ পূর্ণাৎ পূর্ণমুদচ্যতে। পূর্ণস্য পূর্ণমাদায় পূর্ণমেবাবশিষ্যতে। পূর্ণ থেকে পূর্ণ এসেছে। যদি তুমি পূর্ণ (शटक भूर्त मनिष्ठ एकन, क्वन भूव व्यवन्त्रि शाकरव। वासारमन विकृष्ठि वनुयायी, वायवा भूषणारक वनूमक्षान कवि। वासारमन भुक्ति वनुयायी वायरस वासारमन व मन कार्यदे পরিপূর্ণতা অনুসন্ধান করি।
খাওয়া, পান করা, লাফানো, পড়া, কথা বলা, ঘুমানো বা ধ্যান করা - আমাদের করা সব কিছুতেই আমাদের সত্তা সেই কার্য भूरवाभूनि वाणिकाण कवरण ववर मम्भूर्तकरण লিপ্ত হতে আকুলভাবে আকাঙ্ক্ষা করে। আমরা
কি সব কাজ করার সময় পুরোপুরি সচেতন ? আমরা কি জীবনের প্রতিটি মুহুর্তে সচেতন ?
একটা ছোট গল্প :
এক ব্যক্তি গাড়িতে করে এয়ারপোর্ট যাচ্ছিল। গাড়ির চালক খুব জোরে চালাচ্ছিল, এমনকি মোড়গুলিতেও। তার গাড়ি চালান দেখে যাত্রীটি আতঙ্কিত হয়ে গেল।
व्यवटनार्थ বলে, 'মোড়ে গাড়ি ঘোরানোর সময় আমি যা করি, আপনিও তা করুন না কেন? কেবল চোখ বুজে রাখুন!'
যখন তুমি সম্পূর্ণরূপে সজাগ নও এবং যে কাজ করছ তাতে লিপ্ত না হও, তোমার मणा रजरे काटज वजू वर्ण (शटक याया। लिरे वजन वाल्क वालाव जिज्जन (श्रक याया बदर लड़ कार्य बनाएणान माट्य करव এক হবার জন্য তোমাকে টানতে থাকে। এটাই কর্ম।
कर्त रू'ल जाताव किक्तन व्यवस्थ वाण्डिक्काणुलिन मर्श्वर या जानाया लाग्नलिटक পূর্ণ করার জন্য নিরন্তর টানতে থাকে।
या किछू वामना कवि वर भुगाड़ उ भन्नावाद्य वाणिख्या कवि, जा वासारमन সিস্টেম ছেড়ে যায়। তা আমাদের মুক্ত করে। যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে আমরা পুরোপুরি যাই নি, যাতে আমরা সম্পূর্ণরূপে তৃপ্ত হই নি, যা আমাদের পুরো শক্তি, মনোযোগ ও সজাগতা পায় নি, তা আমাদের ভিতরে কর্ম হয়ে থেকে যায়।
यमि उ वासना किछू कर्म वर्त कवि, মূলত আমরা হলাম পূর্ণ পূর্ণতা, সমগ্রতা। তাই কোন কর্ম যা পূর্ণতা পায় নি, তা আমাদের ভিতরে বেশি সময় থাকতে পারে না। তা পূর্ণতা
পাবার জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করবে। তা আমাদের একই কার্য করার মধ্য দিয়ে বারবার कालिक कवरव, याटक ट्राणी भविभूत राय। व्य কোন বাসনা, যে যে কোন অভিজ্ঞতা, যা আমাদের সিস্টেমে পূর্ণতা পায় নি,তা কর্ম হয়ে থেকে যাবে এবং আমাদের বারবার সেই একই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাবার জন্য ঠেলে দেবে, যতক্ষণ না তা পূর্ণতা প্রাপ্ত করে।
আমরা স্পষ্টতা ছাড়া, পূর্ণতা ছাড়া ও গভীর অজ্ঞানতা সহকারে চিন্তা করি, কথা বলি ও কার্য করি। এই সব চিন্তা, কথা ও কার্য ममतदवजनवर वायासम्बद्ध कार्मिक वावादान ঝোলাতে অবদান করে কারণ তাদের কোনটাই আমাদের মধ্যে পূর্ণতা প্রদান করে না। সেগুলি পুর্ণতা প্রদান না করার জন্য আমাদের কর্ম সেগুলিকে যেকোনভাবে পরিপূর্ণ করার উদ্দেশ্যে ঠেলতে থাকে।
আমাদের নিজের চিন্তা, শব্দ (words) 3 কার্য वासारमन कर्म राय याया ववर কোনভাবে আমাদের পূর্ণতায় পৌঁছাবার জন্য চালিত করে।
वर्णयान নির্ণয়গুলির সমগ্রতা
পরিষ্কার করে বোঝা, তোমার অতীতের নির্ণয়গুলির জন্য এখন তুমি এই বইটি পড়ছ। भनीरज वर्रेण्टिक रूसि लक्का कवाद निर्णय नियमिटल। रूसि ल्या कनाव निर्मय निर्ला। তুমি এখন সেটিকে নিয়ে বলে পড়বার নির্ণয় निर्यूक। जानाव बरे निर्णयाण्डलिन मतद्वजन অবদানে তুমি এখন এখানে বসে আছ।
তোমার অতীতের এই নির্ণয়গুলির সমগ্ৰতা হ'ল বৰ্তমান মহেত্য। এখন একই যুক্তি ব্যবহার করে বলা যায়, তোমার বর্তমান নির্ণয়গুলির সমগ্রতা হবে তোমার ভবিষ্যৎ।
এটাই কর্মতত্ত্বের সারমর্ম : তোমার অতীতের সমগ্রতা হ'ল বর্তমান এবং তোমার বর্তমানের সমগ্রতা হ'ল তোমার ভবিষ্যৎ।
তোমার সম্পূর্ণ অতীতের সমগ্রতা হ'ল বর্তমান। তোমার বর্তমানের সমগ্রতা ভবিষ্যৎ হবে। সমস্যা হ'ল এই যে আমরা প্রায় সমস্ত নির্ণয়গুলিই অচেতনভাবে নিই। আমরা হাজার হাজার নির্ণয় অচেতন অবস্থায় নিই। সেইজন্য আমরা কারণের সাথে ফলাফলকে সংযুক্ত করতে পারি না।
তোমার मजानजा उ वावर व विकित्वा निर्द्य व्यन्ति व्यवस्था वर्ण। তোমার নির্ণয় নেওয়ার সিস্টেমে সজাগতা ও চেতনার বন্যা বইয়ে দাও।
य कान सुरूर्ण जनवरी के विषाण कर दिनिर्मिष्ठ , কিন্তু 'শর্তসাপেক্ষে'। সেই সময় পর্যন্ত घण्डनाएलिन मराठा जनुराय़ी कविषा९ निर्मिष्ठ रव्य; वर्णारे भूवनिर्मिष्ठ जविष्ण वा কিন্তু সেটা শর্তসাপেক্ষ। একটা গুরুত্বপূর্ণ হেত তাকে পরিবর্তন করতে পারে ও করবে : সেটা হ'ল তোমার চৈতন্য, তোমার ইচ্ছাশক্তি।
একটা ছোট গল্প :
দুই ভাই এক সাধুর কাছে গেল। সেই সাধু ভবিষ্যৎ দেখতে পারেন বলে শোনা যায়। দুই ভাই সাধুকে তাদের শ্রদ্ধা জানাল ও তাঁকে जारमन कविष्ण मन्न बलटक बलल। जनना। जनसी তাদের উপদেশ দিলেন, 'ভবিষ্যৎ জানা হয়ত তোমাদের জন্য ঠিক ভাল হবে না। তাছাড়া এখন আমি বললেও তোমাদের ভবিষ্যৎ পরে পরিবর্তন হ'তে পারে।'
তা সত্ত্বেও ভাইয়েরা ভবিষ্যৎ জানার জন্য জোর করল। সাধু তখন বড়ভাইয়ের দিকে তাকালেন उ वलटनन, ' वक वर्णवत मध्या जूसि वाजा হবে।' আর ছোটভাইয়ের দিকে তাকিয়ে তিনি বলেন, 'তোমার ভবিতব্য হ'ল, এক খুনী তোমায় এক বছরের মধ্যে খুন করবে। ' ভাইয়েরা ঘরে ফিরে যেতে লাগল। বড় ভাই উল্লসিত, ছোটভাই খুবই বিষণ্ণা।
এখন বড়ভাই তার রাজা হওয়ার কল্পনার জগৎ সুষ্টি করা আরম্ভ করল। ছোটভাই, যার এক বছরের মধ্যে মারা যাওয়ার কথা, আধ্যাত্মিক কার্যকলাপে লিপ্ত হতে শুরু করল। সে সময়ের সদ্ব্যবহার করে সবার সেবা করতে লাগল এবং শীঘ্রই বিষণ্ণতা থেকে বেড়িয়ে এল।
এগার মাস অতিক্রান্ত হ'ল। একদিন বড়ভাই তার বাড়িতে ছোটভাইকে নিমন্ত্রণ করল। বড়ভাই, কয়েকদিনের মধ্যে রাজা হবে ব'লে, বড় প্রাসাদ নির্মাণ করার জন্য জমি দেখছিল। তারা এক বিশাল বিস্তুত জমির ওপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল। এমনসময়ে ছোটভাই মাটিতে অর্ধেক পৌঁতা একটা ঘটের ওপরে হোঁচট খেল। ভাইয়েরা মাটি খুঁড়ে ঘট বার করল। বড় ঘটটা ছিল স্বর্ণমুদ্রায় ভরা।
বড়ভাই রোমাঞ্চিত হ'ল ও চীৎকার করতে লাগল, 'এই ধন কেবল আমার! এটা আমার রাজপ্রাসাদ বানাবার জন্য ও রাজ্জ্যের জন্য!' ঠিক সেই সময়ে এক ডাকাত পাশের ঝোপ থেকে লাফিয়ে এল, বড় ভাইকে মাথায় এক ঘুষি মারল এবং তার থেকে ঘট ছিনিয়ে নেবার চেষ্টা করল। বড়ভাইকে রক্ষা করার জন্য ছোটভাই দস্যুর ওপরে ঝাঁপিয়ে পড়ল। কিন্তু
, ,
,
, ,
, TPS : Thoughts per second , ;
, । - , , ? । , ?
, - , - - - , -
मास টিপিএস কমিয়ে আনার উপায়, যাতে তুমি সময়-শাফটকে ভেদ করতে পার।
ক্ষণ
ক্ষণের ধারণা বোঝা খুবই দরকার। এর কোন সমতল্য ইংরাজী শব্দ নেই। ক্ষণ শব্দটির वर्थ वावाणिका क्रण र'ल मतदाव भविषाभ। সেটা লোকেদের বিশ্বাস মত সেকেণ্ড বা মিনিট নয়।
পরপর দুটি চিন্তার মধ্যে বিরতি হ'ল এক ক্ষণ। আমরা সময়কে নিয়ে চরম অর্থে (absolute sense) চিন্তা করায় অভ্যস্ত। কিন্তু ক্ষণ হ'ল চরমভাবে আপেক্ষিক (absolutely relative)! প্রতিটি মানুষের চিন্তাসমূহ ও যে গতিতে চিন্তাগুলি সেই মানুষের মধ্যে আসে তা নির্ভর করে সেই মানুষটির ওপরে। ক্ষণ মানুষ থেকে মানুষে ভিন্ন হয়।
यदि कान सानूष वश्यून रूय उ जान बक लटकटउ वर्ण किला रूप, जान क्लून थुव ছোট হয়, কারণ তার চিন্তাগুলির মাঝে বিরতি কম।
যদি কেউ এক ধ্যানশীল ব্যক্তির মত माल 3 शिवर्षिक रूय, जान कान कान निर्मिष्ठ সময়কালে অনেক কম চিন্তা হয়। তার ক্ষণ বেশি লম্বা হয়, কারণ তার দুটি চিন্তার মধ্যে বিরাম অনেক বেশি।
কর্ম – সচেতন পছন্দের সমগ্রতা
তোমার জীবন আর কিছুই নয়, তা কেবল পছন্দগুলির সমগ্রতা। ততুমি চাও কি না চাও, भव्यक्तवादव वा भट्वाकरणारव, कूलिरे मन বাছাই করছ। অন্য কেউ তোমার জন্য পছন্দ করে না। তুমিই পছন্দ কর।
একটা ছোট গল্প :
এক কর্মচারী তার বস-এর কাছে গেল ও বলে, 'স্যার, 'আমার স্ত্রী আমার মাইনে বলতে বলেছে।'
বস উত্তর দিল, 'ও, আজ আমি আমার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করব যে তোমার মাইনে বাডানো উচিৎ কিনা!'
বোঝা, অবিশ্রাম এটা তোমারই পছন্দ, তোমারই নির্ণয়। তুমি ভাবতে পার অন্য কেউ তা নির্ণয় করছে। আসলে কিন্তু তুমিই কেবল নিৰ্ণয় নিচ্ছ।
बक्को মৌলিক সত্যটি বোঝাতে পারবে। যদি কেউ তোমার সমালোচনা করে, তুমি ক্ষুব্ধ হ'তে मनम् कन, जारे कूद रख्या वटणू नाउ। यदि কেউ তোমাকে প্রশংসা করে তুমি তোষামদে थूमी रख्या मनश्रू कब, जारे थुमी रख्या वरण নাও। তোমার অভ্যাসের কারণে তুমি হয়ত তা वा कारणनाव वर्ष्य ना वा जना करणे का তোমার জন্য বাছাই করে না, তুমিই তা বাছাই কর, পছন্দ কর। যেহেতু তোমার এটা ভাবার वजन राय राय (गट्ट व्य वना क्ला करण करे जानाव निर्वयुण्डलिटक वजन का कि करण, कूलि कूल या उ যে তুমিই বাছাই করছ।
প্রত্যেকবার কেউ সমালোচনা করলে তমি বিচলিত হবার নির্ণয় নাও। প্রতিবার কেউ প্রশংসা করলে তুমি অভিভূত হওয়ার নির্ণয় নাও। এগুলি অন্য কারো পছন্দ বা নির্ণয় নয়. वर्णुलि वनाजादव निर्णय निर्णय निर्ण भाव। याथन क्रिके সমালোচনা করে, তুমি বিব্রত না হওয়ার নির্ণয় निर्ण भाव ववर माल रूट्य विलास्क करव थाका পছন্দ করতে পার। এটা কেবল তোমার পছন্দ य रूसि विद्युक रख कि रख ना।
প্রতি भूकुनुन्छलि मासगिक्कारव जानाव जनवरी जोनन निर्धावन करवा यदि रूसि निर्णय ना नाउ वरर यदि जूनि घटनाश्टिक जानाव जीवन নির্ণয় নিতে দাও, তাহলে যেন তুমি পক্ষাঘাতে (paralysis) আক্রান্ত হয়েছ। আমাদের জীবন এখন যেভাবে চলছে তা যেন পক্ষাঘাত। যখন তুমি নির্ণয় নাও যে বাইরের ঘটনা, পরিস্থিতি অথবা নির্ণয় ছাড়াই তুমি বাস করবে, কেবল ज्यन (शटक रूसि भ्रक्त मजोव राय वाँछूटक নিৰ্ণয় নাও।
যতক্ষণ পর্যন্ত তুমি বোঝ না যে জীবন তোমারই পছন্দ করা, ততক্ষণ তোমার জীবন যেন কেবল এক পক্ষাঘাত।
जोवतनव मनकिछू जाताबर वाण्डर করা
আমরা দিনে হাজার নির্ণয় নিই। তা সেটা চিন্তা করা, কথা বলা বা রান্না করাই হোক, আমরা কেবল করার জন্য করি।
यथन কাজে সম্পূর্ণরূপে লিপ্ত হও? তুমি খাবার সময়
পরের ছুটির পরিকল্পনা কর অথবা চিন্তা কর य काकवित्तक किञ्चादव सारेरन बाण्डाना याया। খাবার শরীরের ভিতরে যাচ্ছে, কিন্তু তুমি তার পুরো স্বাদগ্রহণ করছ না এবং যা খাচ্ছ তা भूर्तका मर्कारव वाराव कन, सजम्मूलनाव कूलि জানবে কতটা খাবার তোমার খাওয়া উচিৎ।
তুমি বিশ্বাস কর কি না কর, প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে তুমিই তোমার জীবনে সবকিছু বাছাই করছ।
অন্য কেউ তোমার জন্য বাছাই ক'রে मय ना। 'जूसि'- र वाणारे कव। वनवद्वा, সেগুলি তোমার পছন্দ করা, তোমার নির্ণয়। जूमि निर्मातन कवरण। ना! (कवल रूसिरे मनममत्य নিৰ্ণয় নিচ্ছ।
একটা ছোট গল্প :
वक विज्ञानिक वक वाकिटक जान वाज़िटक নিমন্ত্রণ করল। ব্যক্তিটি মধ্যাহ্নভোজনে বসে দেখতে পেল একটি ঘোডার খুডের নাল সৌভাগ্য নিয়ে আসে। লোকটি অবাক হ'ল ও বৈজ্ঞানিককে প্রশ্ন করল, 'স্যার, আমি বিশ্বাস করতে পারছি না আপনি বিজ্ঞানী হয়ে এই कुमरकाद्व विश्वाम करवन व्य याज़ाद्र नाल আপনার জন্য সৌভাগ্য নিয়ে আসবে!'
বিজ্ঞানী উত্তর দিল, 'না, না! আমি এইসব निर्वाका विश्वास विश्वास ना। किलु या मानुष्ठ या मानुष्ठाणि আমায় এটা দেয় সে বলেছিল আমি বিশ্বাস করি কি না করি, এটা আমায় সৌভাগ্য প্রদান করবে!'
किलास्व माड़ा फरव, कि निर्णय न्वत्व, তা তুমিই ঠিক কর। কিন্তু তুমি নিজেকে ও
,
, , , , ,
- ।
,
,
, , , ।
, , -
, - - , , ।
, negative ,
জমাই ও তাদের বুদ্ধি করতে থাকি। আমাদের मिक (शटक किछू ना कवटल 3 मरमान निर्ज থেকেই বুদ্ধি পেতে পারে।
সংস্কার বিভিন্ন ভাবে শক্তিশালী হ'তে थाटक। किछू मश्कान क्वन कार्य माना मुक्तिगाली रूय, यथन ट्रकार्यव भूनवावर्णि श्य। किछू मरकाव मण्डियाली रूप जारमन সম্পর্কে কেবল তথ্য গ্রহণ করে, যখন তুমি তাদের সম্পর্কে বিশ্ব থেকে খবর পাও। কোন কোন সংস্কার এমন আছে যার জন্য কোন কার্য বা তথ্যের প্রয়োজন নেই, কেবল স্মরণ করাই यरथक्ट वर जाना मंजि (भट्य याया!
আমরা विजिन्न विजिन्न उन अन्यन्त व वर्ड मरकावर्थनिक, (शामिल-स्त्राणि मासूरतक मश्चर করি এবং আমাদের সিস্টেমে জমাই ও তাদের সম্প্রসারিত করি।
কর্ম
সবশেষে, বাসনা দ্বারা চালিত হয়ে তুমি कार्य कवटन का कर्म रूट्य याया। वामनाव माकिटक कालिक राय कूलि त्वास्थ्य कर्ण्डानाज কিনেই ফেল। সেটাই কর্ম।
কোনকিছু অর্ধেক করলে তা সত্তাতে मश्कान ( ( ( ( ( ( ( ( ( ) ( কোনকিছুকে সম্পূর্ণরূপে অতিবাহন না করলে তা তোমার সত্তায় একটা ছাপ বা সংস্কার রেখে যায় এবং তাকে পুরণ করার জন্য সেই সংস্কার বারংবার তোমাকে সেই পথে পুনরায় চলার জন্য টানতে থাকবে, আকৃষ্ট করতে থাকবে।
আসক্তির কারণও সংস্কারের সঙ্গে সম্বন্ধিত। আমি নিজে লাখ লাখ মানুষের সাথে কাऊ करव भाउया वजिज्ज्ञाय कर्णाणि य কমপক্ষে কয়েক হাজার মানুষের আসক্তি ধ্যান দ্বারা নিরাময় হয়েছে। আসক্তির মূল সত্য হ 'ল
कूलि मम्भूषिकरण मण्डान माट्य बाँक नि। व्यभूत বাসনাগুলি তোমার মধ্যে সংস্কার সঙ্গি করেছে এবং সেই সংস্কার তোমার একই বাসনা পরণ করার জন্য অনুরূপ অভিজ্ঞতা লাভ করার দিকে বারবার টানছে।
যে কোন আবেগ নিয়ে প্রগাঢ়করূপে বাস করলে তুমি সেই আবেগ থেকে মুক্ত হও, তা সেটা ক্রোধ, ভয়, খাবার বাসনা অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর ওপরে আসক্তিই হোক না কেন। কোনকিছু নিয়ে সম্পূর্ণভাবে বাস করলে, তুমি তা থেকে মুক্ত হবে। যদি এক ব্যক্তি বারবার वकर मतमाया किटन याय, क्लजान जारभय হ'ল, ব্যক্তিটি সেই সমস্যা নিয়ে সম্পূর্ণভাবে অতিবাহন করে নি।
বেঁচে থাকাকালীন আমাদের অর্ধেক মন जना काशाउ शादक। भज्जुलि मुन्द्रबाटव वटनर्फून, 'यूज वर्षि भविषाण, एक कम उनमान।' यदे सुरूर्ण कान जिनित्यन উপভোগের গুণমান বাড়ে, তার পরিমাণ একই वनूभारण मण्ड वर्तर करता। जारे, एनमान বাড়াতে হবে।
জীবন এক ছোট মোমবাতি নয়। সেটা এক দীপ্ত দ্যুতিমান মশাল। তাকে তোমার জীবনে যতটা সম্ভব জ্যোতির্ময় হয়ে ভাস্বর হতে দাও।
শরীরের সাত স্তরে সংস্কার সমুহ
আমাদের শরীরে সাতটি আছে।
প্রথম স্তরটি রক্তমাংসের স্থূল শরীরের স্তর।
-
, । বাু এে মাধযম যার দ্বারা োণ জীবি ধারয়ণর দিদমত্ত দভতয়র েয়বল েয়র। যতামার লরীয়র োয়ণর চাচয়র জিয পাাঁচটি ধাপ আয়ছ এবং তায়ে োণ-
-
, - ।
-
,
, -
,
-
-
, , , , , , ।
,
, - , , - , , , , , - ।
, , ,
তোমার সেই কল্পনা করা শান্তি পাবে না। याकका ना कुलि शुल मनवीदव वर्शन क वा তমোগুণের এনগ্রাম (সংস্কার) বা আলস্যের এনগ্রাম শেষ না কর, তুমি বিশ্রাম করতে পারবে না। তোমার বিশ্রাম করার বাসনা তোমায় বিশ্রাম করতে দেবে না কারণ বাসনা আসে এনগ্রাম থেকে, সংস্কার থেকে।
বকরে मसूम-টেमकণ, বকরে क्यांন্ন, একই বেঞ্চ, একই জায়গা খুঁজে বার করার क्षण कव वर उद्य भट्य भड़। व्यके सुरूर्ण जूसि বিশ্রাম করা শুরু কর, কয়েক মিনিটের মধ্যে बरे मश्कावधूनि माल रख रख बदर भट्नव उत्पन्न সংস্কারগুলির উদয় হবে। যদি তোমার বিশ্রাম কবাদ निर्मय मश्कारवन विजिटक रूय, এসि বিশ্রাম করতে পারবে না।
আমি বলতে পারি, যখন ছুটির গভীর বাসনা বা বিশ্রাম করার গভীর বাসনা, দীর্ঘস্থায়ী অবসাদ, তোমার সিস্টেম ছেড়ে যায়, তখন তোমার আধ্যাত্মিক যাত্রার নব্বই শতাংশ পথ ममाश राय याया। बरे वर्थस उत्पन्न मरमानरे সবচেয়ে খারাপ সমস্যা।
প্রাণ-স্তর এবং বাসনা সংস্কার সমুহ
भवन्द मम्भविक मराठानुबन्धि जनवरी शादक वाद्य, শ্বাসপ্রশ্নাসে। সেইজন্য যখন তোমার বাসনা পরিবর্তিত হয়, অকস্মাৎ তোমার শ্বাস নেবার भगणन भविवर्णिक रूय। जेमार्शनाम्बन्नभ, यदि তুমি কোন শক্তিশালী বাসনা যেমন যৌনতায় ধরা পড়, তোমার শ্বাসের প্যাটার্ন বদলে যাবে। তোমার শ্বাস হবে বিশঙখল। এই বাসনাগুলিকে জिलि करव रूसि याण কার্য निश्ठ रख, बरे এন্গ্রামগুলি ততই শক্তিশালী হবে।
মন-স্তর ও অপরাধবোধ সংস্কার
তৃতীয় স্তরটি হ'ল মন-স্তর। দ্বিতীয় স্তর প্রাণ-স্তরে তোমার জীবন কেমন হবে সেই সব চিন্তা জমা কর। মন-স্তরে তোমার জীবন किनकम र उद्या जेंद्रि এনগ্রাম জমা কর। এই স্তরটি অপরাধবোধ দ্বারা নির্মিত।
यदि मिट्क थ्रवारिक रूय, जा वामना। यदि जायाव मण्डि वनवन्त वजीरजन मिट्य व्यवारिक रूय, তাহ'ল অপরাধবোধ।
बरे खरवन कर्मा करण्य, बनुधारणुलिटक শক্তিশালী করার জন্য তোমাকে বারবার একই কার্য করতে হবে না। কেবল এই কার্যের জ্ঞাপন वश्वा म्यन्न, वर्र वनुवासदक मण्डिनाली করবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি তুমি একই জায়গা বা একই মানুষকে দেখ বা একই পরিস্থিতিতে ভড়, जार'टन व्यविलस्व जामन माथ्य मर्शिष्ट बनुनासगुलि मण्डियाली रूप्य यादव उ लगुलि জেগে উঠবে।
আবেগ-স্তর এবং বেদনা সংস্কার সময
চতুর্থ স্তর আবেগ নিয়ে কাজ করে। এই স্তরে তুমি বেদনার সমস্ত কল্পনাগুলিকে জনা করে রাখ।
বোঝা, বেদনা সংক্রান্ত এই চতুর্থ স্তরটি খুবই ক্ষমতাশালী স্তর। এই এন গ্রামকে শক্তি প্রদান করার জন্য কোন কার্য বা তথ্যের প্ৰয়োজন নেই। এমনকি বেদনা সম্পৰ্কিত কোন ज्या वा कार्यव्यव व्या भव्याजन न्या जारे তোমাকে একই বেদনা বারংবার অনুভব করতে হবে না। আবার তোমাকে সেই বেদনা সম্পর্কে কোন তথ্যও গ্রহণ করতে হবে না। কেবল সেই এন্গ্রামটাই যথেষ্ট। তারা বুদ্ধি পেতে পারে। তারা সহজেই প্রসারিত হয় ও বৃদ্ধি পায়।
কারণ-স্তর ও গভীর নিদ্রা
পঞ্চম অভিজ্ঞতা কর। যদিও এই স্তরে এনগ্রাম থাকে, किन्तु না, কারণ গভীর নিদ্রায় তোমার মন কিছুই করতে পারে না। এটা এক অচেতন স্তর।
যদি প্রথম চারটি স্তরে তুমি এন গ্রাম বা সংস্কারগুলির গভীরতা কমাও, তবে পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্তর স্বাভাবিকভাবে পরিষ্কৃত হবে। প্রথম চারটি স্তর পরিষ্কৃত হ'লে পঞ্চম সরব পরিষ্কৃত श्टव। यदि भक्त खन्न भविष्कृत रूप, कूलि वर्ष्ण उन्हरक विभि करव विज्ञा कवरण उन्ना उन्न করবে। ষষ্ঠ স্তরটি ধ্যান-স্তর।
यादि প্রবেশ করতে পার, তার মানে প্রথম চারটি স্তর भविकान रायरण। वर्थस काव खन्न भविष्ठान ना र'ल, जूनि भक्त खटन विनि कण्ड भारव। সেইজন্য যখন তোমার বেশি চাপ ও বোঝা থাকে, জীবনে নিদ্ৰা সম্পৰ্কিত অনেক কষ্টভোগ শুরু হয়।
কেবল সেটাই নয়, যদি প্রথম চারটি স্তরে এন্গ্রাম খুব বেশি থাকে, তাহলে পঞ্চম স্তরে 'তুমি' ও তোমার দেহের মধ্যে সম্বন্ধ विष्णून राय याया। भ्रथम काव उद्य उन्नुधास কমিয়ে আনা হ'ল দেহের সাথে বন্ধুত্ব করা।
আমরা করি, তা আমরা উপলব্ধি করি না। বোঝা, তোমার মাত্রাধিক ওজন সরাসরি এই সমস্ত
बनुभारतव मार्थ मरयुक। ভিতরে শন্য অনুভব করলে, তুমি তাকে ভর্তি করতে শুরু কর। তুমি তাকে খাদ্য ও পানীয় मिट्य মেয়েরা খাবার বেছে নেয়। পরুষেরা পান করার निर्णय नवा। ব্যवनारे वासूनिक विकनिष्ठ মमार्जन रूसि माधानव मण्डा मिट्ठ भाव ना! यथन তোমাকে শন্যতাকে কিছু একটা দিয়ে ভরতে হবে।
তোমার জীবনে ঘটা প্রতিটি জিনিষ কোন না কোন এনগ্রামের সাথে সরাসরি मश्यूक। वासि व वलटक এনগ্রামগুলিকে সরিয়ে ফেলা হ'ল দেহের সাথে বন্ধুত্ব করা, তোমার দেহের সাথে এক গভীর বন্ধুত সষ্টি করা। এটাই নিজেকে নিরাময় করার জন্য সর্বোত্তম সাধন।
তিন প্রকার কর্ম
जिन थुकान कर्म वाट्ड - वान्त्रण, প্রারব্ধ ও সঞ্চিত।
সঞ্চিত কর্ম ব্যাঙ্কের মত, যেখানে জমা করা হয়। এটা বোঝা, এটা তোমার প্রথমবার मनीनिशानवा करव भशिवीदर वामा नया। जूसि হয়ত আগে কোটি কোটি শরীর ধারণ করেছ! मरे काणि काणि काणि मनोदव जानाव या किल, তুমি যা বলেছ, তুমি যা করেছ, সেই সমস্ত অপূর্ণ অভিজ্ঞতা তোমার এন গ্রাম বা খোদিত-म्यूकि रूट्य (शट्ड। बक्क करव बना याय, ज्ञाणी यन वक्त वाणि वाद्यक, याव नाम 'मक्षिण कर्म'। যখন আমি 'ব্যাঙ্ক' বলছি, সেটা সঞ্চয় করা বা পাওনা নয়, সেটা হ'ল দেনা বা ঋণ! তোমাকে সমস্ত ঋণশোধ করতে হবে!
এরপর প্রারব্ধ কর্ম। প্রারব্ধ মানে সঞ্চিত
ব্যাঙ্ক থেকে তুমি কিছু কর্ম নেও এবং তা থেকে তুমি তোমার বর্তমান শরীর সঙ্টি কর। তখন সেই নতুন শরীর দ্বারা নিয়ে আসা কর্মগুলিকে তুমি উপভোগ ও নিঃশেষ করার নির্ণয় নাও। जारे भारत रून जानाव मकिक कर्माण्डिक वकाण्यानि वर्श वरे जल्म निर्या वाजा। তোমার এই শরীর দ্বারা তুমি সেগুলিকে উপভোগ ও নিঃশেষ করার পরিকল্পনা করেছ।
ততীয় প্রকার হ'ল সবচেয়ে খারাপ। मण्ड रून वानसा कर्म। बरे कर्म कृषि পথিবীতে আসার পর তোমার নতুন চিন্তা, শব্দাবলী ও কার্য দ্বারা সংগ্রহ করা আরম্ভ কর।
কেউ পথিবীতে এলে তাকে মত্যুর পর্বে জন উদাহরণস্বরূপ, মনে কর সঞ্চিত ব্যাঙ্কে তোমার ১০০০ কৰ্ম আছে। সেই ১০০০ কৰ্ম থেকে কেবল ১০ টি কর্মকে প্রারম্ভ কর্ম হিসাবে নিয়ে जूसि बरे मनीन धावन करवर उ वटलाई, 'बरे ১০টি কর্ম এবার শেষ করা যাক।' যাই হোক, জন্ম নেওয়ার পর প্রারব্ধ কর্ম নিঃশেষ করার জায়গায়, তুমি অন্যদের লক্ষ্য কর ও তাদের বাসনা অনুসারে কর্ম সংগ্রহ করা শুরু কর। वजन बरे वामनाथिलि कुलि वनारमन काण् (श्टक थान कव। बरे धाव कवा वामनाभूनित জন্য, তুমি নিৰ্দিষ্ট চিন্তা, শব্দাবলী ও ক্ৰিয়াকাণ্ড সুষ্টি কর।
উদাহরণস্বরূপ, যদি তুমি দেখ যে অন্য কেউ তোমার চেয়ে বেশি সুন্দর, তুলনা ও जेर्याव जना जातान किला वाद्या वाद्यारा रखा। कूलि চিন্তার ওপরে ভিত্তি করে কর্ম সৃষ্টি কর। কখন সখন তুমি সম্পর্কিত সত্য অবগত না হয়েই অপরের সম্পর্কে মন্দ শব্দ বল। তা করলে তুমি শব্দের ওপরে ভিত্তি করে কর্ম সংগ্রহ কর।
দৈনন্দিন বিরক্তি থেকে বাইরে আসার উপায় : তোমার প্রারম্ভ কর্ম নিয়ে বাস কর
এই তিন প্রকার কর্ম আমাকে অন্য দুষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করতে দাও।
এन्थ, यदि প্রাপ্তিসাধ্য সম্ভাবনাগুলিকে নাও, তাকে 'আগম্য' বলা হয়। নানা রকম সম্ভাবনা আছে। তমি মাছ হ'তে পার বা সাপ হ'তে পার অথবা মানুষ বা ভগবানও হ'য়ে যেতে পার। এগুলি সব সম্ভাবনা সমুহ। আমরা তাদের বলি আগম্য।
অন্যান্য প্রাপ্তিসাধ্য আছে। সেগুলি কেবল তোমার मट्ठकन क्लब्बन मट्या घाटक का नया, व्यक्तन তোমার জানা মাছ, বানর, কুকুর, গাধা ও মানুষ; কিন্তু তোমার অজানা অন্য অনেক ममानना अवारण। मार्गुलिटक वासना मक्किक বলি - জানা ও অজানা সমস্ত রকম সম্ভবনা।
मक्किक र'ल भूदवाणी बन्द जानाव সামনে যে সম্ভাবনাগুলি আছে তা হ'ল আগম্য। দেহধারণ করে, তখন তুমি এই সম্ভাবনাগুলির সীমারেখার মধ্যে খেলার নির্ণয় নাও। এটাকে আমরা বলি প্রারব্ধ। দেখ, যখন তুমি জন্ম নিয়েছ, তুমি কিছু নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে খেলার मिफ्नाल निर्यूक। लिरे मौसादवर्शादक वायवा প্রারব্ধ বলছি।
भश्यिवीटक वामान भट्न कूलि निर्जन সামনে অনেক সম্ভাবনা দেখ এবং তুমি সেগুলি সংগ্ৰহ কৰার চেষ্টা কৰ, অৰ্জন কৰার চেষ্টা কর। সেই সম্ভাবনাগুলিকে বলা হয় আগম্য।
य भारतकरक रूसि मटन निर्या वर्णू , তা তোমার জীবন চালাবার বদ্ধি রাখে।
একটা विज्ञान के मान्य करना करिया का कारण करण करणार তোমার সামনে বহু আগম্য দেখ, বহু সম্ভাবনা তোমার সামনে দেখ। সেইজন্য, প্রারম্যের ওপরে অথবা তোমার দ্বারা আগের বাছাই করা সম্ভাবনাগুলির - ওপরে - বিশ্বাস - কমে - যায়। আগম্যের কারণে অথবা যে সম্ভাবনাগুলি এখন তোমার চোখের সামনে আছে তাদের কারণে তুমি ভাব, তোমার প্রারব্ধ জীবন চালাবার জন্য হয়ত যথেষ্ট শক্তিশালী নয়।
প্রারম্যকে বিশ্বাস করা খুবই শক্তিশালী ব্যাপার। প্রারব্ধ পরণ করার কাজ তোমার জীবনের এক নকারাত্মক জিনিষকে সরিয়ে ফেলবে - তা হ'ল অনবরত বিরক্তিভাব। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যে একটানা বিরক্তিভাব তুমি বহন কর, তা আগমেরের উপহার।
সকাল থেকে রাত পর্যন্ত, বিছানা ছেড়ে उठा (शटक बाद्य घूमिट्य भूमिट्स भड़ा भर्य व, एकूलि একটানা কোনকিছুতে একটু ভুল করা দরকার, ব্যাস, আমরা তার ওপরে ঝাঁপিয়ে পড়ি! আমরা কেবল অপেক্ষা করছি, যে আমাদের সামনে कुल वटन ल्या वासारमन 'वामीवीम' भारव! वानमाटक क्लिक शाकार वायर वासारमन वर् অনবর্ত বিরক্তিভাবের কারণ।
यदि वासारमन न मुकि, वायासम्मन वाल्यून, वाद्यानकार करण्ड कर्मिक राय, वायवा এখনকার মত বিরক্তিভাব নিয়ে থাকব না। এই নয় যে আমরা কার্য করব না অথবা সম্ভাবনার मार्थ मन्भूक बांधव ना। কাজ করা বন্ধ করব। না! আমরা কাজ করতে থাকব, কিন্তু আমাদের ভিত্তি হবে প্রারব্ধ।
मुख्य वनवद्य मनकिकू वर्णाथान করার মেজাজ, একটানা বিরক্তিভাব, ঘটে আমাদের আগম্যের কারণে, যে সম্ভাবনা সমুহ আমাদের চারিদিকে দেখি তার কারণে। আমরা বাছাই করার জন্য দৌড়াচ্ছি, আমরা দৌড়াচ্ছি ममानवाद भिष्टन, वाभर्साव भिष्टन। किलु আমরা ভুলে যাই যে প্রারব্ধ খুবই বুদ্ধিমতাশীল , খুবই শক্তিশালী।
भूतना মানুষ আছে। এক প্রকারের মানুষ আগম্যতে কেন্দ্রিত এবং অপর প্রকারের মানুষেরা প্রারব্ধে (कमिक, वार्णा याद्याद्यव वाल्यान वावरद्या কেন্দ্রিত তারা প্রশান্ত সচেতনায় বাস করে।
যে মন আগম্যতে ভিত্তি করা, সে क्वल क्या उ लाल माना जनवानिक रख। জেগে ওঠার সময় তা দেখতে পার। তোমার म्बन्नावासा (शटक जन्मनरे (वज़ित्य वामद्व यथन তোমার কোন বাসনা থাকে অথবা কোন ভয়ে আক্রান্ত হও। উদাহরণস্বরূপ, তোমার মেয়ের উত্তম শিক্ষা ও উজ্জুল ভবিষ্যতের জন্য তাকে তুমি স্কুলে পাঠাবে বলে সকালে জেগে উঠতে (প্রেরণা পাও। অথবা তুমি অফিসে দেরী হয়ে যাবে বলে চাকরি চলে যাবার ভয়ে ঘুম থেকে উঠে পড়।
सूल मनीवरक क्यू उ लाल्डन जना চালনা করাকে আমি বলি আগম্যকে ভিত্তি করে জীবন নির্বাহ করা।
কর্মচক্র থেকে বেড়িয়ে আসার উপায়
তোমার সমস্ত কার্যসমূহ লোভ ও ভয় माना कालिक वर राजरे मनुष्नि (मार्श कामा- ভাসা অগভীর কার্য হয়ে থানে ও তোমার কর্ম বাড়ায়।
এইভাবে সবশেষে তুমি আরও বেশি কর্ম সঞ্চয় করে ফেল। যখন ফিরে যাও, তখন কি হবে? তোমার 'কর্মের ব্যাঙ্ক ব্যালাঙ্গ' তোমার আগম্য কর্মের সংখ্যা দ্বারা বেডে যাবে।
ধর তুমি দশটি কর্ম নিয়ে এসেছিলে। তুমি তোমার সাথে নিয়ে আসা এই দশটি কর্ম নিঃশেষ কর নি, কিন্তু তুমি আরও ২০০টি কর্ম সংগ্রহ করেছ!
পরের বার শরীর ধারণ করার সময় কি श्टव? घाटनव ২০০ আগম্য যোগ হবে। এখন তাহলে তোমার আগের জন্ম থেকে ২০০ কর্ম বেশি আছে। এখন তুমি সেই সংগ্ৰহ থেকে ১০টি কৰ্ম নাও ও আরেকটা দেহধারণ কর। কিন্তু তুমি केवल मश्चर कन उ वावाद किटन या उ। बजे रूपय याय वक पूर्णेष्ठक। वज्राकर वामना अन्यमनवा চক্র বলি, অনবরত দেহ ধারণ করা ও মত্যপ্রাপ্ত হওয়া ও আবার জন্মানো ও তারপর দেহত্যাগ করা, আবার, আবার ও আবার।
পরিবর্তে, তুমি বেঁচে থাকার সময় যদি कड़ কেবল দেহ ও মন নও এবং কর্ম তোমাকে প্রভাবিত করছে, তাহলে কর্মের প্রভাব তোমার ওপরে কমতে থাকবে। তখন তুমি সাথে করে नित्य वामा भावकू कर्मटक निश्टनाय कवरण সচেষ্ট হবে।
ধরা যাক, এই দেহ ধারণ করার সময় তমি সাথে করে ১০টি প্রারব্ধ কর্ম নিয়ে এসেছ। ধর এই ১০টি প্রারব্ধ কর্মের মধ্যে তিনটি এমন সংস্কার বা এনগ্রাম আছে, যারা তোমাকে विष्ठावणाय निर्द्य याउयान करण बारथ। वर्द এনগ্রামগুলিকে মেনে চলার কাজ চালু রেখে विष्ठ र'লে, जाना क्वन किनाणि रूपय थाकरव ना, किन्तु रुग्ण मन रूप्य यादव। बाज़कि माणि কর্ম হ'ল আগম্য কর্ম। যদি প্রারব্ধকে নিঃশেষ না করে তুমি তাদের সাথে থাকার নির্ণয় নেও , তাহলে তুমি আগম্য সংগ্রহ কর।
অপরদিকে. याथनरे व वरे व वरे विनाणि बनुभार তোমার শেখা কিছু প্রক্রিয়া দ্বারা সেই বিষণ্ণতা থেকে বাইরে আস, তাহলে এই তিনটি তোমার ওপরে ক্ষমতা হারাতে হারাতে শুরু করবে। তাই সময়কালে দশটির মধ্যে তিনটি কর্ম তোমায় ছেড়ে চলে যাবে। যখন তুমি প্রারব্ধের প্রভাব কমিয়ে ফেল, তখন প্রারম্ভ কেবল দপ্ধ হবে তা নয়, নতুন কর্ম বা আগম্য কর্ম সংগ্রহ করার সুযোগও কমে যাবে।
প্রারব্ধ তোমার ওপরে প্রভাব হারালে তমি আগম্য সংগ্ৰহ কৰা বন্ধু কৰা বন্ধু কৰা। যখন তোমার ওপরে এই দশটি প্রারব্ধ এনগ্রামের প্রভাব বন্ধ হয়, আগম্য সংগ্রহ বন্ধ হবে, কারণ এই দশটি এনগ্রাম আরও এনপ্রাম বা কর্ম সংগ্রহ করার জন্য দায়ী।
এখন আমরা সঞ্চিত কর্মে আসি। বোঝা, তমি সরাসরি তোমার সম্পিত কর্মের ব্যাঙ্কের সাথে কিছুই করতে পার না। সঞ্চিত দগ্ধ হবার জন্য, একমাত্র গুরুকপা হওয়া मन्नकान। क्विन मानिस्तन क्रवारे ज्वासान मक्किक कर्म मथ्न कवान जना व्यकान किछू করতে পারে।
মহাজাগতিক কারণ-ফলাফল তত্ত
তোমাকে অন্যেরা বলেছে যে পাপ সংগ্রহ করলে নরকে যাবে ও ভাল কাজ করলে मूर्श यादव। वासि जामार्मन बलि, ममाज সোজাসুজি এই নরকের ভয় ও স্বর্গের লোভের ধারণা ব্যবহার করে তোমাদের নিয়ন্ত্রণ করে।
একটা ছোট গল্প :
वक पूर्वार्थ वक्रण भूवना थांस सूट या था। সমস্ত পুরুষ ও মহিলারা স্বর্গদ্বারে লাইন করে माँज़िट्या। পুরুষেরা দুটি লাইন বানাক। যে সব পুরুষেরা পথিবীতে মহিলাদের ওপরে আধিপত্য করেছে , তারা একটা লাইনে দাঁড়াও। যে পুরুষেদের ওপরে মহিলারা আধিপত্য করেছে, তারা দ্বিতীয় লাইনে দাঁডাও।'
যে করেছে তাদের লাইন বিরাট লম্বা হ'ল। যে পুরুষেরা মহিলাদের ওপরে আধিপত্য করেছে , जादिव लारेटन करवल वक्रजन मौज़िट्यू । ভগবানের কৌতুহল হ'ল ও তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, 'তোমার স্ত্রী কিভাবে তোমার ওপরে আধিপত্য বিস্তার করতে পারে নি?'
লোকটি উত্তর দিল, 'আমি জানি না, আমার স্ত্রী আমাকে এখানে দাঁড়াতে বলল!'
,
,
, , , , , , । েমভ এটু কুই আয়ছ। এটাই মাজােদতে োরণ- cause and effect
, । , , , ,
,
। big bang blackhole ,
, ।
chaos theory butterfly effect । , ,
, , , -
, ,
সে হ'ল প্রভু। তুমি গোলামের মত ব্যবহার করছ। পরিস্থিতিতে তোমার কোন নিয়ন্ত্রণ নেই এবং তুমি শিকার হচ্ছ। কেউ অপমান করলে তুমি তৎক্ষণাৎ তোমার অতীতের অভিজ্ঞতা (शटक व्यक्तिया कवण। वरे वर्णिकियारे कर्म। बजे बढ़क वक्तन मंखि। बजे जानाव जना শঙ্খল বা শিকল সষ্টি করে।
কিন্তু প্রতিক্রিয়া করা এবং সাড়া দেওয়া वरकवादवर वालामा। याथन करण जाना करण जानाया অপমান করে, তোমাকে তোমার ভিতরে ওঠা কোর্ধের আবেগের কাছে সমর্পিত হয়ে যাবার भुरवाजन नरे। लग या वनटण लगणे कृति নিরপেক্ষভাবে কোন বিচার না ক'রে শ্রবণ করতে পার, তা কথাগুলি ভাল হোক বা খারাপ হোক, ঠিক হোক কি বেঠিক হোক। প্ৰথমে অচিরাৎ প্রতিক্রিয়া না করে তুমি তাকে শ্রবণ কর। তারপর তুমি সচেতন হয়ে সাড়া দাড়া দাও। जमि वजी वजन विकिया कन्नत्व ना। व्यथन তুমি वर्जमान (श्रद्क माड़ा फिरव।
यदि वना सानवाणि ठिक रूय, एक्सि তাকে তোমার ভুল ধরিয়ে দেবার জন্য ও निर्जन मम्भटक मटण्डन करव द्वाव जना ধন্যবাদ দেবে। যদি সে ভুল হয়, তুমি সহজেই वार्वनाणिक विज्ञान कवरण भाव ववर প্রতিক্রিয়া করবে না। যদি বিবৃতি সত্য না হয়, তুমি কেন প্রতিক্রিয়া করবে ?
জর্জ গুর্ডজিকের জীবনের একটা সুন্দর গল্প :
জর্জ গুর্ডজিযের ছেলেবেলায় বাবা মারা যান। জর্জের তখন বয়স ছিল নয়। তাঁরা ছিল গরীব ঘরের এবং তাঁর বাবা খুব সৎ ও সুসংহত ব্যক্তি ছিলেন। মত্যুশয্যায় তাঁর বাবা জর্জকে তাঁর শেষ শিক্ষা দিয়ে গিয়েছিলেন।
यदि শোন এবং সে যা বলে তা বিস্তারিত শোন। তারপর লোকটিকে বল, 'আমি কতজ্ঞ যে আপনি আমার জন্য এত আগ্রহ নিয়েছেন। करिविन घन्ते भट्न वासि किटन वामिव उ আপনাকে উত্তর দেব।' জর্জ গুর্ডজিফ তাঁর পিতাকে এই উপদেশ অনুসরণ করার কথা দিয়েছিলেন।
তাঁর বুদ্ধ বয়সে গুর্ডজিফ তাঁর শিষ্যদের বলেন , 'আমার বাবার সহজ প্রক্রিয়া আমাকে অত্যন্ত সাহায্য করে। কারণ চব্বিশ ঘন্টা পরে কে আর রেগে থাকে? চব্বিশ ঘন্টা পর তুমি দেখ, হয় সেই লোকটি ঠিক ছিল বা সে ঠিক ছিল না।
যদি সে ঠিক হয়, তার অর্থ তোমার নতুন কিছু শেখার আছে ও উন্নতিসাধন করার আছে। নিজের সম্বন্ধে তোমার সচেতনতা বেড়েছে। वाव यदि रमरे व्यक्ति कुल रूय, जार्वाश्टल উত্তেজিত হবার কোন প্রয়োজন নেই, কারণ তার বিবৃতির কোন ভিত্তিই নেই। '
কোন বিচারকার্য ছাড়া তোমার সাড়া দেওয়া যেন যেন আয়নাতে এ এক পরিষ্কার প্রতিফলনের মত হয়। তাকে অতীতের কার্মিক বোঝার ভার থেকে আসতে দিয়ো না। পরিবর্তে তাকে বর্তমানের সতেজতা থেকে আসতে দাও। या किछू जाताव वजी व वर्ण्ड वजन (श्टक আসে, তা এক কার্মিক শিকল তৈরি করে। অন্যদিকে বর্তমান থেকে যা কিছু আসে তা তোমাকে মুক্ত করে।
তুমি তোমার নিজের কর্ম সুষ্টি কর। কর্ম তোমাকে সুষ্টি করে না। তুমি তোমার कार्यकलार्मना তোমার কার্যকলাপের চেয়ে 'তুমি' অনেক বড়।
মাস্টারদের কোন কর্ম থাকে না
একটা সুন্দর গল্প :
একটা সুন্দর বাগানে অনেক গাছ ছিল। তাতে নানারকম ফুল ও ফল ছিল। তিন বন্ধু সেই वाभारतव চারিদিকে উঁচ্ছ দেওয়াল। তাদের মধ্যে একজন পাঁচিলে উঠে ভিতরে উঁকি মারল।
সে চেঁচিয়ে উঠল, 'ও, কি সুন্দর বাগান!' সে वाभारत लार्फिय्य भड़ल उ कलण्डलि जेन्द्रजान কवरण উঠল ও বাগানটা দেখল। সেও ভাবল বাগানটা খবরই সন্দর, কিন্তু তার একটি ভদ্রতা ছিল। সে ঘুরে নীচে তৃতীয় ব্যক্তিকে দেখল ও বলল , 'হে বন্ধু, নীচে এক সুন্দর বাগান আছে। তুমিও এস, আমি সেখানে যাচ্ছি।' এই বলে সে লাফাল ও ফলগুলি উপভোগ করতে লাগল।
তৃতীয় ব্যক্তি পাঁচিলে উঠল এবং বাগানটা দেখল। সে তার দুই বন্ধুকে দেখল ও তাদের আনন্দ বুঝতে পারল। তারপর সে নিজেকে বলল, 'আমি নেমে যাই ও ফিরে গিয়ে অন্য সবাইকে এই সুন্দর নন্দনকানন সম্পর্কে বলি। এই বাগানকে উপভোগ করার জন্য আমি তাদের সবাইকে নিয়ে আসব।'
একজন অবতারপুরুষ অবতরণ করে তাঁর অভিজ্ঞতা করা পরমানন্দের স্থান সম্পর্কে সবাইকে বলতে আসেন।
কেবল অভিপ্রায়ই গুরুতপূর্ণ
ভক্তিমূলক বৈদিক শাস্ত্র ভাগবতম -এ একটা সুন্দর গল্প আছে :
कुक यू यूनाव जीवन (शामीण्डन मांथ्य वालन। जाँवा नमी भाव रूट कार्रेटलन, किलु भाव হওয়ার কোন রাস্তা নেই।
কৃষ্ণ ঘোষণা করলেন, 'যদি আমি এক সত্য ব্রহ্মচারী হই, তাহলে আমাদের নদী পার করার জন্য যুমুনা বিভক্ত হয়ে যাক। '
যমুনা বিভক্ত হ'ল।
वारेटव (शटक मटन रख राय कुक्क माधावर सानूस्यन्न सज स्वय्यामन मटक शिल। কিন্তু THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM করে ছিলেন দেহ-মনের উদ্ধে। তার কার্য माधावर सानुष्यन व्यविधाय वरन कवर्णिल ना। कान कार्यव वजिश्वायर उनकूणून, जनरे কাৰ্যটি নয়।
वाद्या वा कर्त र'ल वर्ण्डियाय, कार्याणि নয়। যদি কার্য অভিপ্রায় সঙ্গি করে, সেটা বোঝা रुट्य याया। भवित्वर्ष्य कान उ वजी विना বিশুদ্ধ কাৰ্য হ'ল কৰ্ম।
मान्जादवन के मन्त्रिक वर्णिनायादक भ्रणावित्त করে
দেখ, মাস্টারের উপস্থিতিতে তুমি যাই কর না কেন, তুমি তা মাস্টারের জন্য করছ। তুমি জান যে সে কাজ কোনভাবেই তোমার নাম-যশ তৈরি করবে না। তাই কার্যটি কোন অভিপ্রায় ছাড়াই ঘটে। তোমার কোন অভিপ্রায় নেই। অভিপ্রায় কেবল মাস্টারের। তোমার হ'ল কার্য। অভিপ্রায় তখন সেই মহামানবের সত্তায়, যার কোন অভিপ্রায় নেই!
তুমি দেখ, পুরো সঞ্চিত কর্ম তোমার অথবা আমার হ'তে পারে। আমার ঐশ্বরিক খেলা। তোমার হ'ল কষ্ট পাওয়া। যখন उन रायणिल, जानाव मण्ड मनिष्ठ कर्मउ प्रेमनिक (श्रणा राय राय रायाणिल। किलु वर्षि বেশি করে আগম্য কর্ম কুড়িয়ে নেওয়ার পরে , তা নোংরা হয়ে গেছে।
যেহেতু আমার কোন কর্ম নেই, আমার मार्थ काऊ कवरव। वाणिशाय शाड़ा काज कवारे জীবনমুক্তি বা মুক্তজীবন।
অভিপ্ৰায় ছাড়া কাৰ্য কৰ্ময়ক্ত
यदि वक वाकि मनमाणि चुन करव शारक, তার খুন করার সংখ্যা রেকর্ড করা হয় না। किन्तु रणाव कार्यव विभाग व वकर्ण रूप। কার্মিক বোঝা গুণমান, মানসিক গঠন ও মনোভাবকে বহন করে।
সেইজন্য কুষ্ণু কারবার ভগবদ্ধ গীতায় वटनन व्य विधिभाय कार्यवन कर्याव विभाग विभो গুরুত্বপূর্ণ। সেটাই সম্পূর্ণ গীতার শিক্ষা। তিনি
বলেন, 'যখন তুমি অভিপ্রায় বিনা থাক, আমি তোমার যত্ন নেব।'
कार्य व्यक्त रूप ना। क्वनन वाल्विभाय রেকর্ড হয়ে যায়।
মহাভারতে এক গণিকা ও এক সাধুর সুন্দর গল্প আছে।
এক সাধর ঘরের উল্টোদিকে এক গণিকার ঘর ছিল। সাধু সারাদিন সেখানে লোকদের যেতে আসতে দেখত এবং সেই গণিকার জীবনশৈলী সম্পর্কে নানারকম কল্পনা করত। মহিলাটি তার অবসর সময় কুষ্ণুভক্তিতে কাটাত ও তার দুর্দশার জীবন থেকে উদ্ধার পাবার প্রার্থনা করত।
একদিন जेन्यूर यासव घूयादव (भौजून। यस जारमन জীবনের রেকর্ড দেখলেন ও রায় দিলেন : সাধুটি নরকে যাবে 3 মহিলাটি যাবে স্বর্গে। সাধু হতবাক। সে প্রতিবাদ করে বলল, 'আমি কত পবিত্র জীবনযাপন করলাম, আর সে কত অপবিত্র জীবন যাপন করল! আমাকে কিভাবে নরকে পাঠাচ্ছেন আর তাকে স্বর্গে!'
यस কার্যের কোন মূল্য নেই, কেবল তোমার অভিপ্রায় গুরুতুপূর্ণ। তুমি সাধুর পোশাক পরেছিলে এবং বাইরে থেকে এক উত্তম জীবন धावन करवरिटल, किन्तु जातान व्यव्यान যৌনতায় ভরা ছিল। তাই বহির্জগতে তোমার দেহকে সুন্দরভাবে শেষকত্য করা হচ্ছে, কিন্ত তোমাকে নরকযন্ত্রণা ভোগ করতে হবে। মহিলাটির দেহ বহু পুরুষদের কাছে বিক্রি হওয়া সত্ত্বেও, তার হৃদয় সর্বদাই কৃষ্ণের সাথে ছিল। তাই তার শেষকত্যের সময় কেউ সামনে ছিল না, কিন্তু সে স্বর্গে যাচ্ছে।'
তুমি প্রশ্ন করতে পার, লোকেরা যা চায় তাই কি করতে পারে? তাদের কি অনৈতিক হবার জন্য বা হত্যা করার জন্য লাইসেন্স আছে?
একজন জীবনমুক্ত সত্তা, একজন व्यवजन, वर्ष्ठित्वन मार्थ वक्। वक्तूबर-ज़ीवनसूक मण्डा वर्ष्ठिज्युन मार्थ क्वनलमाज ঐকতানে বা একই সুরে কার্য করতে পারেন। তিনি কখনও বেসুরো হতে পারেন না। জীবনমুক্ত মাস্টারের কার্য কখনও সচেতনতা ও করুণা ছাড়া হয় না।
यररणू वायासमिन्न मण्डलना व वा সজাগতা নেই, আমরা নিজেদের কার্যগুলিকে একজন জীবনমুক্ত সত্তার কার্যের সাথে মিলিয়ে দেখে তাতে ন্যায্যতা প্রতিপাদন করা ঠিক নয়। भविकान करव वाद्य, वारेटव (शटक रायण कार्यागुलिक वक्रूर लाटन, किलु व्यविधाय, অন্তর্দেশ, মনোভাব একেবারেই আলাদা।
আদি সুন্দর ঘটনা :
একবার যখন শংকরাচার্য তার শিষ্যদের নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন, তিনি হঠাৎ খুব তৃষ্ণার্ত বোধ করলেন। তাঁদের আশেপাশে কিছুই ছিল না। তাঁরা আরও এগিয়ে গেলেন ও শেষে একটি দোকান দেখলেন। শংকরাচার্য সেই দোকানে গেলেন ও একটি মানুষকে দেখতে পেলেন ও তার থেকে পান করার জন্য জল চাইলেন। লোকটি বলে, 'আমি দুঃখিত। আমার কাছে मनाव जना किछूरे तरे, किलु मन वार्ष्य। কেবল মদই আছে।'
শংকরাচার্য উত্তর দিলেন, 'ঠিক আছে, তাই কিছু দাও।' তিনি এক গ্লাস মদ্যপান করলেন এবং লাकणिक তাদের মাস্টারকে মদ্যপান করতে দেখে হতবাক হয়ে হয়ে গেল! তফলার্ত শিষ্যেরাও মাস্টারকে অনুসরণ করার নির্ণয় নিল ও মন ভরে মদ্যপান করল।
यथन जाँवा वावाद यावा उन्हे कवटनन শংকরাচার্য স্বাভাবিকভাবে চলতে লাগলেন, किलु निर्मात घाटन मिश्राजा ठिक करव भा ফেলতে পারছিল না। কিছু দূর যাবার পর তাঁরা একটা কামারশালা দেখতে পেলেন।
একটি লোক সেখানে ঢালাই করার জন্য গলন্ত লোহা ঢালছিল। শংকরাচার্য তার কাছে গিয়ে এক গ্লাস জল চাইলেন। লোকটি ক্ষমা চাইল যে তার কাছে জল নেই। শংকরাচার্য বললেন, 'ठिक वाट्यू। वासारक जार्रटन गला जबल লোহাই দাও।'
লোকটি ও শংকরাচার্যের শিষ্যরা অবাক হ'ল। लाकणि শংকরাচার্য সেটাকে মুখে দিয়ে জলের মত পান করে ফেললেন!
তিনি তখন তাঁর শিষ্যদের দিকে ঘুরে তাকিয়ে বললেন, 'তোমরাও এখন পান করতে পার।' শিষ্যেরা তাদের মাথা নীচু করে দাঁড়িয়ে রইল। শংকরা তারপর ব্যাখ্যা করলেন, 'আমি যা করি তা অনুসরণ করবে না। আমি যা বলি তা অনুসরণ করবে। নতুবা, কেবল মন তোমাদের যা বলে তাই অনুসরণ করা পছন্দ করবে। '
বুঝে নাও, যে স্তরে জীবনমুক্ত সত্তারা विकासान शारकन, वा जा माधावन सानूर्यव विकासान शाकान उन (शटक वक्कमर्य किन्न। তাই সাধারণ যুক্তি অনুযায়ী তাঁদের কাজ করার প্রয়োজন নেই ও তাঁরা সাধারণ যুক্তিমত কাজ कवरण भारतन ना। जाँदानव व्याणि र'ल গুরুতপূর্ণ এবং তা সাধারণ যুক্তি দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায় না।
একজন জীবনমুক্ত সত্তার কোন নিজস্ব স্বার্থ নেই, কারণ তাঁর কোন ব্যক্তিগত পরিচয় न्दे। जाँव भविष्य मन्भूर्ण वर्षार्थ्यन् भविष्ठय्य দ্রবীভূত হয়ে গেছে।
অভিপ্রায় ও কার্য
यदि विज्ञान्यन्द्र नजीवना वर्षि रूप এবং কার্য কম হয়, সেই মানুষ অলস। তার অর্থ, সে তমসে আছে, তমোগুণ সম্পন্ন হয়ে আছে।
यदि विधियाय उ उ कार्य, उ कार्य, उपेक्टयन्न भन्ना बना राय, जारदन मानव विभाग बिनाम होन কার্যে লিপ্ত হয় বা রজোগুণ সম্পন্ন হয়।
যদি কোন অভিপ্রায় না থাকে, কেবল কার্য থাকে, তবে সে অভিপ্রায়হীন কার্যে লিপ্ত হয়। সে তখন সত্তগুণ সম্পন্ন হয়।
সেইজন্য ভগবদ্ধীতায় শ্রীকষ্ণ বলেন, 'यूफ कव, एर वर्जून।' 'रणा कना'-व कार्य ब्रकर्फ रूरव ना, किलु जान वाणिश्वाय व्यकर्ण कवा रव। वर्जूननव वाणिभाया र 'ल करकव वाणिश्वाया, वाद्य करण्य रालन वालिभाया विना পরম সত্তা যেহেতু তিনি ব্রহ্মাণ্ডের সাথে এক!
वक्यारउन मार्थ मून मिलिट्य कार्य করলে, সম্পর্ণ ব্রহ্মাণ্ড তোমায় আশীর্বাদ করে। তুমি তোমার চারিদিকে সর্বপ্রকার সকারাত্মক সমস্থানিকতা (positive coincidence) আকর্ষণ কর। সেইজন্য মানুষেরা এই প্রকার মহামানবের কারণে একটু অবদান ক 'রেও সমস্ত দিক থেকে প্রাচুর্যে বর্ষিত হয়।
দৈনন্দিন অভিপ্রায়ের ক্ষমতা
আমাদের সাত স্তর বা সাত শক্তি-শরীর আছে। সেগুলি হ'ল সুল-শরীর, প্রাণ-শরীর, মন-শরীর আনন্দ-শরীর এবং নির্বাণ-শরীর। দয়া করে বোঝ, আমাদের কুড়ানো বা আগম্য কর্ম আমাদের জন্য কারণ-শরীরে পুরোপুরি উপলব্ধ शादक। द्वारा जानाव कानून-मनोदव किरकण, গলফ ও টেনিস খেলার দক্ষতা থাকতে পারে। তমি যদি গভীর নিদ্রা থেকে ক্রিকেট খেলার প্রবল ইচ্ছা বা অভিপ্রায় সহ জেগে ওঠ, তাহলে जनि कानन मनीन (शुटक किरकण (शनाव वाकिस बाद क निर्य वामाव। मानाविकलाव कर लड़ विकान भविष्ठिकि वावशाउया उ वूक्किसजान मिटक भविष्णिलिक र्रव। यदि जमि गल्फ (अनान जीव रेष्ठा मुश बाद घूमारण याउ उ गलुक (शलाव जीव रेक्श मर मकाल आग, जारल जूनि जानाव मध्या গলফ খেলার বুদ্ধিমতা নিয়ে আসবে।
কারণ-শরীর এক বিনিময়ের স্থান। এটা যেন আর্থিক বিনিময়। কারণ-শরীরের তুমি যে কোন জিনিষ বিনিময় করতে পার। যখন তুমি कान- नवीदव या उ, रूसि वर्णिनिन मण्डारव অভিপ্রায় বা সংকল্প করলে এই জন্মের কর্ম পরিবর্তন করা যায়। সেটা প্রকত স্বাধীনতা।
मा मश्कूल वर्ड अन्यन्त भावनक कर्म बदर कुड़िट्स निर्या वानसा কর্ম भविवर्णन করার ক্ষমতা রাখে। তা সমস্ত সঞ্চিত কর্ম भविवर्णन कवरण भारत ना। मकिल কর্ম মাস্টারের করুণা দ্বারা পরিবর্তিত হয়, মাস্টার তো কর্ম ছাড়াই আছেন।
মিশন নাকি মেশিন?
মাস্টারের কাছে যাওয়া, তাঁর কথামত কার্য করা এবং অভিপ্রায় বিনা কার্য করা -मासगिक जात वर्णुलिटकर जीवनन ब সার্থক।
অভিপ্ৰায় বিনা কাৰ্যই মিশন। যদি তুমি অভিপ্রায় সহকারে কার্য কর, তুমি তাহলে এক মেশিনের মত।
অভিপ্রায় বিনা কাজ করলে তুমিই মিশন। মেশিন নাকি মিশন, পছন্দ তোমার হাতে। যতক্ষণ তুমি নিজের অভিপ্রায় যোগ না করে আমার অভিপ্রায় অনুসারে কার্য করে আমি তোমাকে প্রশিক্ষণ দিতে থাকব। আমি যা বলি কেবল তা কর: তোমার অভিপ্রায় থেকে তোমার লোভ ও ভয় থেকে, অনুপ্রেরণা চাইবে না। অভিপ্রায় বিনা বিশুদ্ধ কার্য পূৰ্ণতা বা পরিতপ্তির দিকে চালিত করবে।
এই জন্মের কর্ম কি? তোমার পুরো কর্মের এক ক্ষুদ্র প্রতিরূপ
আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার, দয়া করে এই ধারণাটা বোঝা।
অনুমান কর, তোমার পুরো সঞ্চিত কর্মের পোঁটলার মধ্যে ১০০টি বাসনা তোমার লাল উ শক্তি-চক্রের সাথে সম্পর্কিত; ১০০টি বাসনা जामान कर्मन मार्थ मन्नक्किक साथिकीन मन्कि-চক্রের সাথে সম্পর্কিত; ১০০টি বাসনা তোমার দুশ্চিন্তার সাথে সম্বন্ধিত মণিপুরক শক্তি -চক্রের मार्थ मन्भर्किक, रेज्यामि। धन, बरे भ्रकारव তোমার ৭০০ বাসনা আছে. সাতটি চন্দ্রের প্রতি চলে ১০০টি করে।
প্রতি চলের ১০০টি বাসনা থেকে তমি ১০টি করে বাসনা নিলে এবং এই পথিবীতে वामटल। मशिक कर्म (शटक बरे काणि নির্বাচনই তোমার এই জন্মের প্রারব্ধ কর্ম।
এই জন্মের কর্ম কিভাবে শেষ করা যায়? কেবল শ্বাসক্রিয়া দ্বারা
লক্ষ্য করার আরেকটা দরকারী জিনিষ হ'ল, যদি তুমি এই জন্মের প্রারব্ধ কর্মে কুড়িয়ে নেওয়া আগম্য কর্ম যোগ না কর, তাহলে এই जन्मन कर्म मरखड़र भाजकिया माना सिणिया ফেলা যায়। তা তোমার চিন্তার প্যাটার্নেই শেষ श्ट्य यादव।
जनार्वास कारण काजिक प्रमाण यादि তোমার মধ্যে যৌনতা জেগে ওঠে, সেই वाणिश्वाय उ वार्वाद्यारे वाद्यक् सूर्ण यारव। পরিবর্তে তুমি যখন সেই যৌনতা তথ্য করার জন্য কার্য কর, সেই কার্য তখন আগম্য কর্ম উৎপাদন করে। যদি সেই কার্য না কর, তুমি আগম্য কর্ম সংগ্রহ করবে না। বাসনাকে শ্বাস দ্বারা নিঃশেষ করে এই জন্মের প্রারম্ভ কর্ম মুছে ফেলতে পার। শাস দ্বারা বাসনাতে সজাগতা নিয়ে আসার বাসনাগুলিকে দগ্ধ করে ফেলার ক্ষমতা রাখে ও এই জন্মের কর্ম মুছে ফেলতে পারে।
আমাদের THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM স্ফুরণ প্রোগ্রামের मिलीय धार्थ वर्ष वर्ण ग्रुवादी मन वामनां लि মুছে ফেলার জন্য প্রাণ-স্তরে এক ধ্যানের মধ্য मिट्य निर्य या उया रूय। সংস্কার যা এই শক্তি-স্তরে জমা থাকে। তারা তাদের সমস্ত বাসনার তালিকা লেখে, তারপর ধ্যানের সময় সেগুলিকে ধাওয়া করে এবং শ্বাসপ্রশ্নাস দ্বারা বাসনাতে সজাগতা প্রবেশ করিয়ে তারা এই জন্মের সংস্কারগুলিকে মুছে ফেলে।
একই তলোয়ারকে ভিতরে তাক করা
কর্ম এক 'পুরস্কার ও শাস্তি প্রদানের' তত্ত্ব নয়। এর দ্বারা ভগবান মানুষকে পাপ করার জন্য শাস্তি দেয় না। এটা তোমার মানসিক অবস্থার এক প্রতিফলন যা তোমায় স্বর্গ ও নরকের অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
একটা ছোট গল্প :
प्रोफिक भूलिम वक वाकिटक जाति भाज़ि চালাবার জন্য জরিমানা প্রায় করতে যাবে।
হঠাৎ এক মহিলা পিছনের সীট থেকে চেঁচাতে লাগল, 'দেখ, আমি তোমায় বলেছিলাম যে তুমি ধরা পড়বে! কে তোমাকে এত জোরে চালাতে বলেছিল? আর যখন যখন আমি তোমাকে সতর্ক হ 'তে, ধীরে চালাতে এবং সুরক্ষিত হ 'তে বলি, তুমি আমাকে চুপ থাকতে বল। এখন দেখ, তুমি ধরা পড়েছ!' পুলিশ ড্রাইভারকে প্রশ্ন করল, 'উনি কে?' ড্রাইভার দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে, 'আমার স্ত্রী।'
পুলিশ ফাইনের কাগজটা ছিঁড়ে ফেলল ও বলল, 'গাড়ি চালিয়ে যান। আপনি যথেষ্ট শাস্তি পেয়ে গেছেন!'
यथन जूसि दिन वर्ण या তুমি পাপ কর ও পরের জন্মে সেই পাপের জন্য ভুগবে। তুমি তোমার কক্রোধে এখনই
सून मण्डे नवक बदर म्याटन जूनि कुछ পাচ্ছ! তুমি অন্যজনের ওপরে রেগে গিয়ে তার ওপরে যতটা অত্যাচার করছ, সেই একই কষ্ট তোমার ভিতরেও পাচ্ছ।
य वाश्वन रूसि वारेटव छड़ाज्ड, मिरे আগুন একই তীব্রতার সাথে তোমার ভিতরেও জুলার। জ্বালায় সেটা কোন ব্যাপার নয়, কিন্তু তোমাকে তা ঠিকই জালাবে। যে তলোয়ার দিয়ে তুমি বাইরে কাউকে কাটছ, তা তোমাকে ভিতরে একই প্রচণ্ডতার সাথে কাটবে। মনে রেখ, এটা দুইদিকে ধার করা তলোয়ার।
বুদ্ধের জীবনের একটি সুন্দর ঘটনা :
একবার একটি লোক এসে বুদ্ধের মুখে থু ফেলল। বুদ্ধ মুখ মুছে লোকটিকে জিজ্ঞাসা করল, 'তুমি কি আরও কিছু বলতে চাও , নাকি এটাই সব?
তাঁর এক কাছের শিষ্য আনন্দ খুব রেগে গেল। বিনা কারণে তার মাস্টারের ওপরে থুতু ফেলার জন্য আনন্দ লোকটির ওপরে রাগে ফুঁসতে লাগল। लग रूफ़टक वटल, 'माम्जोन, वार्भनि আজ্ঞা করলে আমি লোকটিকে দেখে নেব।'
বুদ্ধ উত্তর দিলেন, 'তুমি কি ভুলে গেলে যে তুমি এক সন্ন্যাসী? এই বেচারা মানুষটি रेजिस्था जान রাগান্বিত মুখটি দেখ, তার দেহ তো রাগে কাঁপছে। আমার ওপরে থুতু ফেলা র আগে তোমার কি মনে হয় সে খুশিতে নাচছিল? সে তো তার নিজের ক্রোধেই উম্মাদ। সেই উন্মত্ত অবস্থায় সে এসেছে ও আমার ওপরে থুকু ফলেছে।
তার পক্ষে এই অবস্থায় থাকাই কি এক বড় শাস্তি নয়? আর সে আমার কি ক্ষতি করেছে?
আমাকে কেবল আমার মুখটাকে মুখটাকে মুছতে হ 'ল। এখন তমি উত্তেজিত হবে না, নতুনা, তমি তো তোমার ভিতরে একই কোধ সৃষ্টি করবে। তুমি কেন নিজেকে শাস্তি দিচ্ছ? সেটা তো তোমার বোকামি। পরিবর্তে এই মানুষটির জন্য করুণা অনুভব কর।'
लाकणि मन उन उन हिल उ वूकर्क वर्ड जारव আচরণ করতে দেখে সে অবাক হয়ে গেল, আবার বিভ্রান্তও হ'ল। সে ভেবেছিল বুদ্ধ রেগে যাবেন। সে সেটাই চেয়েছিল। পরিবর্তে বুদ্ধ যে করুণা ও বোধশক্তি দেখালেন, তাতে সে প্রচণ্ড ধাক্কা খেল!
বুদ্ধ তাকে বললেন, 'ঘরে যাও। তোমাকে ক্লান্ত দেখাচ্ছে, তুমি নিজেকে যথেষ্ট শাস্তি দিয়েছ। আমাকে কি করেছ তা ভুলে যাও। তুমি আমার কোন ক্ষতি কর নি। এই শরীর তো মাটিতে মিলিয়ে যাবে এবং লোকেরা মাটিতে নানারকম জিনিষ করবে, তাতে থুতুও ফেলবে। ঘরে যাও ও আরাম কর।'
বুদ্ধের প্রতিস্পন্দনে লোকটি পুরোপুরি ঝাঁকুনি খেল। সে ঘরে ফিরে গেল। সেই সন্ধ্যায় সে ফিরে এল, বুদ্ধের পায়ে পড়ল এবং কাঁদল, 'দয়া করুন। আমায় ক্ষমা করুন!'
বুদ্ধ শান্ত হয়ে বললেন, প্রথমত আমি রেগে নেই। তাহলে ক্ষমা কিসের জন্য? কিন্তু তুমি ক্রোধ থেকে মুক্ত হয়েছ দেখে আমি খুশী। আমি খুশী এই দেখে যে তুমি এখন সঙ্গতি পেয়েছ। क्वल मटन वर्थ, वरे थुकान कार्य वाद क्शन उ कवरव ना। नजूना वर्ड जारवर क्रिका वर क्रिक নিজের জন্য নরক সৃষ্টি করবে।'
ধর্ম ও কর্ম
একটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিষ তোমার জানা উচিৎ : যে মানুষ তোমাকে অভিজ্ঞতা করেছে क्वल जान काण्ड (शटक कूलि मम्मान भ्रण করবে। সে তোমাকে কখনও অসম্মান করতে পারবে না। যদিও সে অসম্মান করে, একমাত্র সে-ই কষ্ট পাবে। তুমি কষ্ট পাবে না। নিজের সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা সহকারে ধর্মের পথে বাস কর এবং যারা তোমাকে অভিজ্ঞতা করতে পেরেছে কেবল তাদেরই তোমাকে সম্মান জানारण मा उन र कुमि द्वार्थ मान सम्बना তোমায় অসম্মান করলেও তুমি তাতে প্রভাবিত হবে না कावन, धर्म बजरे मन्त्रियाली। ধর্ম তোমার অন্তর্দেশ ভরে রাখে ও তোমাকে রক্ষা করে।
ধর্ম মানে তোমার কেন্দ্রে ও তোমার বোধশক্তিতে স্বচ্ছ ও সৎ হওয়া।
ধর্ম হ'ল সত্যনিষ্ঠ ও সচেতন আচরণ। সেটা সমাজের দাবী করা নৈতিক আচরণ নয়। যদি তুমি সমাজের নিয়ম অনুসরণ কর, তুমি বহির্জগতে সুরক্ষিত থাক। আর যদি তুমি ধর্মের নিয়ম वनूमन्न कन, তবে তুমি শান্তিতে থাকবে। ধর্মকে অনুসরণ করলে তুমি সর্বদাই সঠিক হবে এবং কখনও বিষণা হবে না।
বহির্জগতে সুরক্ষা পাবার জন্য আমরা नियमकानून वनुमन्न कवा निर्या कर वाथा घासारे। वाद्य, धर्मटक जनुमनना कन्ना करना करि कथनउ वर्ष्णस्था जनवरी अभव विष्ठ विष्ठ भवाया পডবে না।
वरिर्जनार्जन करवा मतम्माणुलि वर्तनक विभि मण्डिमाली, विमि কঠিন ও বেশী ভয়ংকর। অন্তর্জগতে সমস্যা र'ल বহির্জগতে সমস্যা আমন্ত্রণ কর।
তোমার সমস্ত সম্বন্ধতায় সৎ হও, স্বচ্ছ হও। এমনকি দেখবে যে তোমার দেওয়া শিক্ষা অভিজ্ঞতা করেও যদি কেউ তোমায় অসম্মান करव, रूसि जारण विज्ञान राज ना। लिर मानूसमिदेर विवरण राव। याजादव मानवन नियमकानून यूकिनजनादव वानारना रूय उ যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হয়, ঠিক সেইভাবেই ধর্মের আধ্যাত্মিক নিয়মগুলিকে কার্যকরী করে वार्षिक। धर्मरक वासिक मार्गकडात्व कार्यकन्नी করেছে ও ধর্ম এখনও সজীব আছে।
দয়া করে বোঝা, তোমাদের একটি সত্য কেবল স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য জীবনমুক্ত সত্তারা এই পথ্যীগ্রহে বারংবার ঘটেছেন : 'ধর্ম এখনও বেঁচে আছে। মহাজাগতিক নিয়মকানুন এখনও সক্রিয় আছে।'
শাসেন্স সুন্দর বলা হয়েছে : ধর্ম রক্ষতি রক্ষিতাঃ। তুমি ধর্মকে রক্ষা করলে, ধর্ম তোমায় রক্ষা করে। যখন তুমি মহাজাগতিক নিয়মকে সমর্থন कव, तब सृजनाजिक नियल जाताया शक्तिशाली করে। ধর্মের নিয়ম এতই শক্তিশালী।
লোকেরা আমায় 'शासीज़ी, वासि काल मानूसर्मन कड़े (भटक मार्शाणि उ शादाभ लाटकर्मन मूट्य शाकरण मट्याणि व विवाद विद्या নাयाणा किलास्व প্রতিপাদন করবেন?'
সত্যটি বুঝে নেও, প্রথমত ভাল মানুষেরা কখনও কষ্ট পায় না। তারা কষ্ট পাচ্ছে ব'লে মনে হ'তে পারে। যদি কোন কষ্ট থাকে, তাহলে ধর্ম কোথাও হারিয়ে গেছে। এটা একটা বিকৃত উপলব্ধি যে ভাল মানুষেরা কষ্ট পায় ও খারাপ লোকেরা সুখে থাকে।
একটা এক-লাইনের মজা :
ভাগ্য কি? তোমার অপছন্দের মানুষের সফলতার কারণ।
বিকৃত উপলব্ধি ধর্ম নয়।
যদি একটি নির্দিষ্ট সত্তার সাথে নিজেকে যুক্ত করে থাক, তার প্রতি তোমাকে সততা দেখাতে হবে না। না! তোমার নিজের অভিজ্ঞতার জন্য সৎ হও। সেটাই যথেষ্ট।
যদি তুমি সম্পূর্ণরূপে সেই ধর্মের সাথে অবস্থান কর। সেটা হ'ল স্বধর্ম - ধর্মের সাথে ঐক্যানে অবস্থান করা। ধর্ম অন্তঃসার।
তুমি দেখবে যে তাহলে তোমার ভিতরে কোন অনাবশ্যক চলাফেরা হবে না। তুমি মন খারাপ করবে না। ধর্মকে রক্ষা করলে, তা তোমায় রক্ষা করে। আমি তোমাদের বলি, যখন তুমি ধর্মকে রক্ষা কর, তা তোমাকে অনেক শক্তি দেয়, অনেক সাহস দেয়।
দায়িত্ব
বেশীরভাগ সময়ে তুমি সজাগ ও সচেতন নও। তাই তুমি দেখতে পার না যে তুমিই তা করছ।
যদি তুমি দুঃখে থাক, তোমার দুর্দশাকে প্রত্যক্ষ কর ও তার ওপরে ধ্যান কর।
এই জন্ম েমভ বা োরব্ধ েমভ দ্বারা েভাদবত ইো ত । যতামার কুদড়য় যিা বা আেময েমভ দ্বারা েভাদবত ইো ত ।
জীবনীশক্তির পরবর্তী জন্মের জন্য তিন ক্ষণের মধ্যে এমন দেহ পাওয়া কঠিন যা এই তিনটি ইচ্ছাকেই তথ্য করতে পারবে। তাই আমরা এমন এক শরীর বাছাই করে নিই. যা জীবনধারণ করতে পারে। একত্র ইচ্ছাসমূহ ও মানসিক গঠন, যা নিয়ে জীবনীশক্তি আগের দেহ ত্যাগ করে, সেটাই আকাঙ্ক্ষা, কামনা ও লোভের বীজ অথবা এক কথায় বাসনা - এটা আমরা আগে আলোচনা করেছি।
এই তিনটি ইচ্ছাকে, তিনটি চিন্তাকে, তিন ক্ষণে এক ঝলকে একটি বাসনা হিসাবে দেখা যাবে। বাসনা যেন এক টেলিভিশনের চ্যানেল এবং আমাদের দেহ নামক টেলিভিশন সেট বাসনা-চ্যানলকে টিউন করে আকর্ষণ করে। বাসনার গভীরতা ও বাসনার সমকক্ষ শরীর স্যাটেলাইট চ্যানেলের কম্পাক্ষের সাথে টিউন করা তড়িৎচন্দ্বকীয় তরঙ্গকে গ্রহণ করে, একইভাবে শরীর বাসনাকে আকর্ষণ করে।
পর্ববর্তী শরীর থেকে নির্গত জীবনীশক্তি বা আত্মা নির্বাচিত নতুন শরীরে তখন প্রবেশ করে যখন সেই নতুন শরীরটি মাতগর্ভ থেকে বাইরে আসে। সেটা জন্মনালীতে শরীরে প্রবেশ করে। শরীরের অন্ধকার মায়ের জন্মনালীর অন্ধকারের সাথে মিলিত হয়, জारे জীবনীশক্তি পর্ববর্তী শরীর ছাডার সময়কার বাসনাসমহ ও মানসিকতার ওপরে ভিত্তি করে মাতাপিতার সন্তানকে বাছাই করে না। সন্তান মাতাপিতাকে বাছাই করে।
একটা নির্দিষ্ট শরীর বাছাই করার পর আত্মা বা জীবনীশক্তিকে তার বহন করা আরও দুটো ইচ্ছাকে সন্তুষ্ট করতে হবে, কিন্তু জীবাত্মা তার জন্য এবারের উপযোগী শরীর বাছাই করতে পারে নি। যাই হোক, অন্ধকারের মধ্য দিয়ে পরিক্রমণের সময় আত্মার ভীষণ বেদনার অভিজ্ঞতার জন্য, বাসনার সমস্ত সমতিগুলি নষ্ট হয়ে যায়। তাই যে বাসনাগুলি সহকারে মানুষ আগের শরীর ছাড়ে, নতুন জন্ম নিয়ে সে সেগুলিকে আর স্মরণে রাখে না। আগের জন্ম থেকে নিয়ে আসা বাসনাগুলিকে ভুলে যাওয়া হয়েছে, তাই সেই বাসনাগুলিকে প্রশ্ন করার জায়গায় জীবনীশক্তি নতুন দেহতে নতুন বাসনা অনসন্ধান করে ও আরও কর্ম সংগ্রহ করে।
এখন তিন প্রকার কর্মের মধ্যে যদি একটি কর্ম করলে যা পাওয়া যায়, তার দ্বারা বাইরে কাদা মোছা অপেক্ষা করত বর্তমানে বাস করা যায়। কুড়িয়ে নেওয়া আগম্য কর্মগুলিকে ও এই জন্মের প্রারব্ধ কর্মগুলিকে জীবন সম্বন্ধে জ্ঞান ও ধ্যান দ্বারা মুছে ফেলা যায়। আর মাস্টারের করুণা সঞ্চিত কর্ম কমাবে।
একবার সমস্ত সঞ্চিত কর্ম মুছে গেলে আবার দেহ ধারণ করার কোন কারণ থাকে না। তখন আরেকটা জন্ম হ'লেও, তা কোন কারণের জন্য হয় না, তা হয় উচ্ছুসিত খুশী ও পরমানন্দের জন্য। তখন জন্মকে সচেতনভাবে বাছাই করা হয়, কারণ তখন কর্মের কোন টান নেই। জীবন তখন হয় এক অবতারের লীলা বা কারণরহিত খেলা।
জন্মমত্য চক্র কিভাবে শুরু হয় ?
আমাদের সবার জন্য সম্পূর্ণ সঞ্চিত কর্ম আদিতে ছিল এক ঐশ্বরিক লীলা। একজন THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM এর লীলা, যেহেতু তাঁর কোন কর্ম নেই। খেলতে পার বলে খেলা হ'ল ঐশ্বরিক লীলা।
বাসনা বাসনা জন্ম দেয়। আমরা আমাদের প্রারম্য কর্ম ভুলে গেছি আগম্য কর্ম সংগ্রহ করতে আরম্ভ করেছি এবং সম্পূর্ণ মানসিক কর্ম বাড়িয়ে দিয়েছি। জানবান, বাড়তি বোঝাকে নিঃশেষ করার জন্য আমাদের বাসনা ও কর্ম সংগ্রহ করে ফেলি। এইভাবেই জন্ম মত্য চত্র চলতে থাকে।
যা করা হবে, তা কুড়িয়ে নেওয়া আগম্য কর্ম হ'ল তোমার বন্ধন। সম্পর্ণ কর্ম ও এই জন্মের কর্ম এক ঐশ্বরিক লীলা হ'তে পারে। এই লীলার ফল হ'ল সেই জন্মের কর্ম। জন্মের পর যদি আমরা আগম্য কর্ম ত্যাগ করি, যা এক কেন্দ্রীক লীলা র'য়ে যাবে। আগম্য কর্ম থেকেই বন্ধন আসে।
মানুষ কি পশতুন অতন্য ভায়ে, ভারিশ বা পোকা হয়ে জন্ম নেবে, নাকি সে পরের জন্মে মানুষ হয়েই জন্মাবে ?
যা সত্য তাই জানতে হবে। সত্যকে সাহসের সাথে ঘোষণা করতে দাও এবং কর্মচক্রের এই প্রশ্নটিকে ঘিরে রাখা সমস্ত কল্পনাকে স্পষ্ট করে দিই।
যদি কেউ ভালো কাজ করে তবে সে আবার সে মানুষ হয়েই জন্মাতে থাকবে, যদি না সে তার নিজের চেতনার বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে যেমন, অন্যদের অত্যাচার করা অথবা মাস্টার, প্রকৃতি ও মনুষ্য-চেতনারূপী অস্তিত্যের বিরুদ্ধে শারীরিক, মানসিক ও মৌখিকভাবে হিংসার কাজ করা। এই কার্যগুলির প্রগাঢ়তা মহাজাগতিক কার্মিক রেকর্ডে রেকর্ড হয়ে যায়। বোঝ, কার্য নয়, কার্যের প্রগাদতাই গুরুত্বপূর্ণ।
যখন একজন মানুষ সারা জীবন নিম্ন চেতনার স্তরে বাস করে, সে পশু হয়ে জন্মাতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, কেউ যদি সারা জীবন খেয়ে আর ঘুমিয়ে থাকে, সে পরের জীবনে পশু হয়ে জন্মাতে পারে।
কোন একবারও যদি অদ্বিতীয় মনুষ্য -গুণমান, যেমন, (প্রেমে পড়া বা জীবনমুক্তি খোঁজা, এসব অভিজ্ঞতা না করে থাকে, তাহলে সে পরের জন্মে পশু হয়ে জন্মাবে, কারণ সে মনুষ্য মন্নীদব শাকারন উ জান মানব চ্যানেলগুলি জাগ্ৰত হয় নি।
প্রারব্ধ ছাড়া অন্য কিছুর জন্য যদি আমরা ভীষণভাবে অনুভব করি, আমাদের কি পরের জন্মের জন্য অপেক্ষা করতে হবে?
না। তুমি তোমার প্রারব্ধকে এক সহজ ও প্রবল ইচ্ছা বা সঙ্গল্প দ্বারা পরিবর্তন করতে পার। পুনর্জন্ম প্রদান করার কারণ হতে পারে। পরের জন্ম বর্তমানে র'য়ে থাকে। যেসময় লোকেরা, বিশেষ করে গৃহস্থ শিষ্যেরা, যারা ভাবে যে তারা দায়িতে বাধা পড়ে গেছে, তারা এসে আমায় জিজ্ঞাসা করে, 'স্বামীজী, আমাকে আশীর্বাদ করুন যেন কমপক্ষে পরের জন্মে আপনার সানিধ্য পাই।' বহু দুষ্টান্ত আছে, তারা কয়েক মাসের মধ্যে আশ্রমে এসেছে এবং এখানেই বাস করছে। এটা কেবল ইচ্ছাশক্তি।
মুক্তি - ঘরে ফিরে যাওয়া
অস্তিতের মহাসাগরে তুমি কেবল একটি ঢেউয়ের মত। ঢেউ মহাসাগর থেকে সষ্ট হয়, কিন্তু তা সত্ত্বেও মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত থাকে। ব্যক্তিগত অস্তিত্ব আছে, কিন্তু সেটা কেবল এক অলীক কল্পনা। ঢেউ সাগরের ওপরে উঠছে কি নেমে আসছে, সেটা তো সাগরেরই অংশ।
কেবল আনন্দ নিষিত, নিজে থেকে যখন ঢেউ শরীর ধারণ করে, তখন তার কোন কুড়ানো বা আগম্য কর্ম থাকবে না কেবল বিশুদ্ধ সঞ্চিত কর্ম থাকবে। আগম্য কর্ম অর্জন কর্ম চক্রের সুষ্টি করে। এইভাবে কর্মচক্র ঘুরতে শুরু করে।
জীবনীশক্তির সাথে করে নিয়ে আসা প্রারম্ভ কর্মকে অর্জিত নতুন শরীর স্মরণে রাখে না। তাই যে বাসনাগুলির সাথে তুমি আগের দেহ ত্যাগ করেছ, তা মনে রাখ না।
তোমাকে সেই বাসনাগুলিকে আবার স্মরণ করানো ও জার্মন বর্তমান অনুভব করানোর উদ্দেশ্য।
যার দ্বারা তুমি বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের মাধ্যমে এসেছ, তা জন্মের সময় ভুলে গেলে কি হয়? যখন কর্তৃত্ব স্বাভাবিক ও জনম থুভ বর্তমান হয়, তুমি উপলব্ধি কর, 'কোথাও না কোথাও কোন সমস্যা আছে।' সাথে সাথে তুমি জেগে ওঠ এবং আবার পরম জ্ঞানালোক প্রাপ্ত কর। পরমজ্ঞানালোকপ্রাপ্তি মুক্তি (enlightenment)।
যদি কখনো একটি তাব কিছা ওসান 'বাসি স্বভূ এনূ ফির ভ্রশত্ত वाट्न। জনমধূর কুল্লি জন্ম উঠে। 'আমি স্বপ্ন দেখছি', কারে কিছা খানলাটাকভ মিটাক নির্মিনিক। আধার রক্ষা র'ল জ্ঞানালোক প্রাপ্ত করা।
'আমি স্বপ্ন দেখছি; এই পুরো দুনিয়াই এক স্বপ্ন - এই কথা জানার বিশাল পূনিয়াদকে ভবিষ্যৎ জীবনেসুখি বা ভৌত খানলাকথাসি। এই পথিবীতে, একই অভিজ্ঞতাগুলি বারবার হ'লে সেগুলি তোমায় ক্লান্ত করে ও তোমার একঘেয়ে লাগে। তাতে এক সন্দেহ উৎপত্তি হয় - 'আমি এক স্বপ্ন দেখছি'। তথন তুমি দুনিয়াকে সম্মান কৱন ও উন্নত কন্ন, পূনিয়ান এন উন্মুক্ততা ও প্রতিশ্রুতিগুলি সম্পৰ্কে সন্দিহান হও।
এটা একটা সমদ্দতীয়ে রিসর্টের জন্য খবরের কাগজের বিজ্ঞাপনের মত, যা তোমাকে বেলাভূমি, টেবিল, পরিবেশিত খাবার দেখায়, সব যেন স্বর্টনব মण নটন, জার্থ, যা তারক বিলামিणন বর্ণিन्द्रणि দ্বার্থ্যা রয়া। তুমি স্মৃতির প্রতিশ্রুতিকে সন্দেহ কর, কারণ তুমি উপলব্ধি করবে য কর্ম' মানুষ বরে বিজ্ঞানन করথ মন্যাটন (শটন্, বর্তমান জান মানুষ ল্যুন সানুস র র প্রতিশ্রুতি দেওয়া পরমানন্দ বাস্তবে অনুভব করবে না। একইভাবে জীবনেও, তোমার মনের ওজনিভন দিচ্ছন্ বিদ্যুক্কিীলিয়েক মান্যর কর, কারণ সেগুলির তো পুরণ হচ্ছে না।
অব্যাহতি পাবার জন্য পুনর্যাপন
এখন পর্যন্ত আমরা যা আলোচনা করেছি তা হ'ল কর্মের বোঝা বাড়াবার নিবারক বা প্রতিষেধক-মলক উপায়। কর্মের আরোগ্য-সহায়ক হিসাবে আমি তোমাদের একটা সহজ প্রক্রিয়া জানার প্রয়োজন, জীবনের সমস্ত ঘটনাবলীকে স্মরণ করার চেষ্টা কর। ওয়ার্ড সুরূণ (শটাক ভবিষ্যৎনিমিত্তক জানা শৈশবের দিনগুলিতে যাও। যা পার স্মরণ কর।
যা স্মরণ করতে পার না তা নিয়ে বিবরণ হবে না। বোঝা, যা মনে করতে পার না তা কেবল গভীরভাবে স্পর্শ করে নি। তাই সেটা তোমার স্মৃতিতে বর্ণনা দেয়। বর্তমান প্রক্রিয়া এক বহুত স্মরণীয় কর। অতীত পুনর্যাপন অব্যাহতি পাবার এক সুন্দর উপায়।
আমাদের - লাইফ - ব্লিস্ - মেডিটেশন প্রোগ্রামের দ্বিতীয় ধাপ THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM স্ফুরণ (NSP) কর্ম নিঃশেষ করার ধ্যানের প্রক্রিয়ার ওপরে ফোকাস করা। সেটা যেন জীবনসুখ সাম্রাজ্যনভর মামলায়ন একটি সম্পূর্ণ আধ্যাত্মিক স্নান।
বিধিরমর্শ তোমার কর্ম নিঃশেষ করার পথ
কর্ম সংগ্রহ না করার জন্য এবং আগের সংগঠীত কর্মের প্রভাবে বাস না করার জন্য, নির্জনক বাস্তববাদ স্থাপন কৱিতব্য প্রবাদ্য প্রথম থাবা হলো স্মরণ করতে হবে বর্তমান ও একটি নতুন সম্পর্ক তৈরি করতে হবে এবং কর্ম ক্ষমতাহীন।
সাধারণ মাস্টারদের মধ্যে এক গুরুতপূর্ণ পার্থক্য আছে। সাধারণ মানুষজন নির্জন রেন্ডামন মনিনীরক জীবন বাঁচাৱ মাস্টার হয়ে। জান মনিত্র রয় জীবন্ত অথবা মৃত, ব্যাস্। সেটা তার নিয়ন্ত্রণে নেই।
কিন্তু এক জীবনমুক্ত মাস্টারের ক্ষেত্রে , সেটা তাঁর নিয়ন্ত্রণে। তিনি তাঁর শরীরকে জীবন্ত রাখতে পারেন অথবা রিল্যাক্স করতে পারেন। তাঁর সামর্থ্য দ্বারা তিনি আরেকটা শরীরকেও জীবন্ত করতে পারেন! যখন একজন জীবনমুক্ত মাস্টার কোন পাথর বা ধাতুকে জীবন্ত করার সিদ্ধান্ত নেন, সেই পাথর বা ধাতু তাঁরই সত্তার প্রতিরূপ হয়ে যায়।
আমাদের মন্দির গুলিন বিশ্ব- মুর্ণিশ্রনিত্ব জীবনসুখ মাস্টারেরা শক্তিপ্রদান বা প্রাণপ্রতিষ্ঠা করেছেন। এই মাস্টারেরা, যেমন, তিরুভান্নামালাইতে অরুণাগিরি যোগীশ্বর, কিমাস্বরত ভজ্জনী,
তাঞ্জাভোরে কারুরার, তিরুপতিতে কোঙ্গনাভার এবং মাদুরাইতে মীনাক্ষী, এই সকল মন্দিরে প্রাণপ্রতিষ্ঠা করেছেন।
বিগ্রহগুলিকে তাই জীবনমুক্ত মাস্টারের দেহ বলে গণ্য করা হয়। মাস্টারেরা স্থল-শরীর ত্যাগ করার পরেও শিষ্যেরা বিগ্রহগুলিকে সেবা করতে থাকেন। বিগ্রহের দেহকে মাস্টারের নিজের দেহ বলেই গণ্য করা হয়। সেইজন্য মাস্টারেরা যেরকম শ্রদ্ধা পেয়েছেন, বিগ্রহেরাও সেই প্রকার শ্রদ্ধা পায়।
উদাহরণস্বরূপ, অরুণাগিরি যোগীশ্বর বহু প্রজন্ম ধরে আরাধনা করতে থাকবে। তুমি দেখবে যা কিছু মাস্টারকে নিবেদন করা হ 'ত, তা বিগ্রহকেও নিবেদন করা হয়।
মাস্টারেরা তাদের দেহ ত্যাগ করার পর কিস্তর বিচার व मास्त्य मियारमन कार्ट निव्रखन मरखलना রায় রায় থাটকন। উদাহরণস্বরূপ, আমার জীবনকালেও আমার শারীরিক উপস্থিতি সব স্থানে সর্বদা সম্ভব নয়। তাই আমাদের মন্দিরের বিগ্রহগুলিকে প্রোগ্রাম করা হয়েছে যাতে সেগুলি আমি শারীরিকভাবে না থাকলেও আমার কাজ করে যেতে পারে! তারা আমার প্রতিনিধি!
বিধুর্শ্বলি রাজ্য ব্যক্তি বাদ্য বাদ্য বিশ্বর থানবিকিত্ত কনা এক বিনাণ ভ্রাজিয়া। সেটা যেন কোন শিশুকে জন্ম দেওয়া। এই জাগরণ বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের মানামনি জানা বাস্তবায়িত হবে। তারা সরাসরি তোমার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করবে যদি তুমি তাদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে উন্মুক্ত হও।
যদি তুমি আমাদের পূজা ও আশ্রমের কারুণিত দ্বারা সকালে জাগাবার জন্য জেগে ওঠার গান করা হয়। তারপর তারা তাঁর চলের জন্য একটি ছোট কাপে তেল দেয় ও আরেকটি ছোট কাপে দাঁত মাজার জন্য পাউডার দেয়। তারপর তারা তাঁকে সান করায় ও পরিষ্কার ইস্ত্রি করা বস্ত্র প্রদান করে, ঠিক যেভাবে তারা মাস্টারকে করে। তারা খাবার নিবেদন করে ও সন্ধ্যা-আরতি করে। রাতে তারা বিগ্রহকে সাড়ম্বরে শয়ন করায়।
বোঝা, এগুলি বিগ্রহকে বা মাস্টারকে ব্যক্তিগত কিছুরে বিমান করন না। যা কেবল আমাদেরকেই প্রদান করে! এটাই ঈশ্বরের সাথে বাস করা। ঈশ্বরের সেবাই বজ্রাসন করা। মাস্টারের উপস্থিতি অভ্যাস করাই পজা। প্রতিদিন পুজা করা হয়, কারণ এটা প্রতিদিন ঈশ্বরের উপস্থিতি স্মরণ করার এক প্রক্রিয়া।
আচার-অনুষ্ঠান
অনুষ্ঠান সেগুলি শক্তিশালী প্রক্রিয়া। অনেকে আমায় প্রশ্ন করে. 'আপনি জীবনমুক্ত। তাহলে আপনি কেন আচার-অনুষ্ঠান করেন?' আমি তাদের বলি, 'যদি তুমি জীবনসুরু, তবে তুমি মানুষকে শিক্ষা দিই কেন ও কিভাবে আচার-অনুষ্ঠান করতে হয়!' জীবনমুক্ত সত্তার নিজের জন্য কোন অনুষ্ঠানের প্রয়োজন নেই।
একটা ছোট গল্প :
এক ব্যক্তি হোটেলে গিয়ে ইডলি খেতে লাগল। সে আটটা ইডলি খেল ও নবম ইডলি খাবার পর তার ক্ষুধা মিটল। ওয়েটার এসে তাকে নয়টা ইডলির বিল দিল। লোকটি বলল, 'এটা কি হ'ল? আমি কেবল একটা ইড়লির দাম দেব, নবম ইডলির জন্য। কারণ কেবল
আমার ক্ষুধা সিजिट্যটেড! প্রথম আটটা ইড লি তাদের কাজ করে নি। কেবল নবম ইডলি আমার ক্ষুধা নিবন্তির কাজ করেছে। তাই আমি কেবল সেই ইডলিটার দাম দেব!'
লোকটি আটটা ইডলি না খেয়ে থাকলে নবম ইডলিটা কিভাবে তার ক্ষুধা মিটাত? বাসারণ জীবন 3 বায়না ঠিক একইভাবে কাজ করি। যারা আচার-অনুষ্ঠান বর্জন করছে, তারা আসলে প্রথম আটটা ইডলিকে অস্বীকার করছে। যেসব মানুষ মনে করে যে আচারগুলি ফালতু এবং তারা সরাসরি ধ্যান ও আধ্যাত্মিক বালিখ্যায় ব্যয় করতে চান, জানা কেবল প্রথম আটটি ইডলিকে প্রত্যাখ্যান করছে।
বোঝা, নবম ইডলিটা প্রথম আটটা ইডলির জন্যই কাজ করতে পেরেছে। লোকটি প্রথম আটটিটি ইডলি না খেলে, নবম ইডলি জন কুশা বিজ্ঞান কেমন করে? বन्दुल करणार আচার-অনুষ্ঠানের আন্তরিকভাবে যাবার জন্যই তোমার ধ্যান কাজ কৱেত! যদি তুমিগুলি নিয়মাবলী ও শারীরিক জিনিষগুলিকে প্রত্যাখ্যান কর এবং ভাব যে তুমি সরাসরি নবম ইডলিটা তাহলে কি তোমার ক্ষুধা কখনও মিটবে ?
যদি তুমি মহাজাগতিক শক্তির সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে। কেবল তোমার দেহ-চেতনাকে হারালে তুমি ঈশ্বরকে নিরাকার দেখতে পাবে। সেটা না হওয়া পর্যন্ত, তোমার কিছু আকার চাই, স্মরণ করিয়ে দেওয়ার কিছু আচার-অনুষ্ঠান চাই, পূজা করার জন্য কিছু মূর্তি চাই। ধ্যানের সাথে কিছু আচার -অনুষ্ঠান থাকা উত্তম। তাতে সাধনা ও উপবেশন করার শুঙ্খলা অভ্যাস করা হয়।
নতুনা তুমি কোন সাধনা বা ধ্যান নিয়মিত করবে না। প্রথমদিন তমি ভাববে . 'আজ আমার শাশুড়ি এখানে আছেন' অথবা 'আজ আমার অনেক কাজ' এবং তুমি তা বাদ দিয়ে দেবে। দুই দিন পরে তোমার শ্বাশুড়ি চলে গেলে অথবা কাজও শেষ গেলে, তুমি ভাববে, 'শাশুড়িকে বিদায় করে আমাকে ছুটি উপভোগ করতে দাও! আজকে আমি ধ্যান করতে চাই না।' অথবা তুমি খুশী হ'লে তুমি ভাববে, 'আজ তো আমি খুশী, তাহলে ধ্যান কেন?' অথবা বিষণা থাকলে তুমি ভাববে, 'আজ আমি খুবই বিষণ্ণ। কিভাবে আজ ধ্যান কারকাম করব? তোমার মন ধ্যান বাদ দেবার জন্য কোন না কোন যুক্তি খুঁজে বের করবে। কিন্তু যদি সেটাকে একটা অনুষ্ঠানে পরিবর্তিত করা যায়। তুমি তাকে বাদ দেবার জন্য কোন যুক্তি পাবে না। তুমি সহজেই তা করবে।
দীক্ষা
দীক্ষা পাওয়ার মাধ্যমে তুমি প্রারব্ধ কর্মের প্রভাব কমিয়ে ফেলতে পার এবং তোমার সহজাত আনন্দ অবস্থার দিকে যেতে পার। তুমি তোমার বিশুদ্ধ ও অটল অন্তর্দেশকে পুনরুদ্ধার করতে পার। তুমি আগম্য কমি আগম্য কর্ম সংগ্রহ করাও বন্ধ করতে পার।
দীক্ষা হ'ল সেই জ্ঞান বা কিকিক সমূহ যা তোমাকে বিষণ্ণতা প্রদানকারী চিন্তাগুলি থেকে বার করে নিয়ে আসে, যা জারাদেক বাস্তবতায় প্রভাব থেকে বার করে নিয়ে আসে।
পুজা আচার সংক্রান্ত উৎসর্গ। পুজা হ'ল আজ পর্যন্ত তোমার মধ্যে হওয়া সমস্ত ক্লিকগুলিকে প্রতিদিন স্মরণ করার কার্য, যাতে তোমার কোন সমস্যা হ'লে প্রয়োজনীয় ক্লিক (বোধ) স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসে যায়।
মাস্টারের শিক্ষাদান কেবল শিক্ষা নয়, যদি তুমি ব্যবহার কর না, যখন তুমি বারবার সেইসব শাস্ত্র-শস্ত্র (জ্ঞান-অস্ত্র) ব্যবহার কর না - তখন কেবল যে তাদের শক্তিক্ষয় হয় তা নয়, তুমি হয়ত জিনিষটা এখানে বোঝার আছে।
যদি তুমি খাটটা দুই বছর ব্যবহার না কর, পরে সেটা তুমি আবার ব্যবহার করতে পার। কিন্তু জ্ঞান বা দীক্ষা, যদি তুমি ব্যবহার না কর, সেগুলি দুই বছর ধরে তোমার পোবার ঘরে তোমার ব্যবহারের অপেক্ষায় থাকবে না! না! সেগুলি সহজেই অদৃশ্য হয়ে যাবে, ব্যাস্!
তাহলে তোমার সাথে আজ পর্যন্ত ঘটা নিজেকে স্মরণ করাও? প্রতিদিন বলে তোমার পুজা বা আচার-অনুষ্ঠান। পুজা এই উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত।
না চাও, যখন তুমি আচার-অনুষ্ঠানে বস, তুমি রোজ বিশুদ্ধ চেতনায় ফিরিয়ে নিয়ে আসে। এনগ্রামগুলি (সংস্কার) কমতা হারাতে শুরু করে।
যেগুলি তোমার ওপরে ক্ষমতা হারাতে শুরু করলে আরও এনগ্রাম সংগ্রহ করা বন্ধ হয়। যখন কর্মগুলিও তোমার ওপরে ক্ষমতা হারায়, তখন মাস্টার বা যে অতিমানব তোমায় অতিচেতনা অঞ্চলে বারবার ফিরিয়ে নিয়ে আসেন, তিনি তোমার দেহত্যাগের সময় আবির্ভূত হন এবং তোমার সমস্ত সঞ্চিত কর্মগুলিকে দগ্ধ করেন।
ছেলে ব'সে ব'সে একটি ছোট বাড়ী বানাবার চেষ্টা করছে, আর তার বাবা এসে বলছে, 'দাঁড়া! আমি वासि তোমাকে এটা বানিয়ে দেব।' একইভাবে, যখন এক শিষ্য তার প্রারব্ধ ও আগম্য মুছে ফেলার জন্য আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে, মাস্টারের কুপা ফেলেন!
একটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিষ বোঝ। আমরা এখানে মাস্টারের যে কুপার কথা বলছি তা নয়। যদি কেউ আন্তরিকভাবে তপ বা ধ্যান করে, তাহলে আমাকে ছাড়াও তার ওপরে কুপা বর্ষিত হবে! এটা আমার ওপরে নির্ভর করে না। এটা এক স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া !
স্পষ্ট করে বোঝ, এটা একমাত্র তোমার গ্রহণ করার ক্ষমতার ওপরে নির্ভর করে, আমার ওপরে নয়। আমি তো মহাসাগরের মত, প্ৰতিনিয়ত সহজলভ্য, যে কেউ ইচ্ছামত
দদ্বতীবার লাটার যখায় যতামার িীোর ময়। এই ময় লাটারয়ে পুয়রাপুদর স্বাভাদবেভায়ব খুয় রাখা যায়ত েয়র ূয়যভর রদি েয়বল েয়র যতামার মস্ত েমভয়ে মুয়ছ যেয়। যইজিয তু দম যখি এে মাস্টায়রর দ্বারা িীোোপ্ত ের,
কর্ম
নিত্যম (অনন্ত), কারণ তমি এগুলিকে নিত্য (প্রতিদিন) অভ্যাস কর। এই জন্মের কর্ম মছে ফেলার জন্য, তোমার প্রয়োজন ধ্যানম বা ধ্যান। তাই দেখবে আমাদের বেশীরভাগ ধ্যানই শ্বাসপ্রশ্নাসের ওপরে ভিত্তি করা। শ্বাস পরিবর্তন করা, তাকে তাড়াতাড়ি, ধীরে, নীরব ইত্যাদি করা - আমাদের ধ্যান অভ্যাসে করা হয়। কেবল মাস্টারের কুপা বা আনন্দম কর্ম ফেলতে পারে।
তাই বোঝ, কর্ম হ'ল গভীর অজ্ঞতা এবং তোমাকে বারবার তা দুর্দশার পরিচিত প্যাটার্নের পথে টেলে নিয়ে যায়। এই চক্রকে ভাঙ্গার উপায় হ'ল মাস্টারের কাছ এক সম্মন্নত চেতনা স্তরে বাস করা।
কর্ম সম্বন্ধে অতিকথা
প্রশ্ন : যখন কেউ উপদেশ দেয় বা তাদের স্পর্শ করি, আমাদের কি তাদের কর্মের ছোঁয়া লেগে যাবে? আমরা অপরের কর্মের জন্য কতটা অরক্ষিত?
বোঝা তুমি কখনও অপরের কর্ম পেতে পার না! তাই অন্যের কর্ম আকর্ষণ করার কোনও সুযোগ নেই।
স্পর্শ করে বা উপদেশ দিয়ে বা ঘনিষ্ঠ শারীরিক সংস্পর্শে এসে বা শারীরিক নৈকট্য দ্বারা কর্ম পাস করে দেওয়া যায় না। তুমি হয়ত থাকার জন্য, তার মানসিক গঠন অর্জন করতে পার, কিন্তু তার কর্ম কখনও অর্জন করবে না। অবশ্যই তোমাকে তার মানসিক গঠন অনুভব করতে হবে! কিন্তু যদি তোমার মধ্যে ঘটা কিকগুলির এগুলিও তোমাকে কোনভাবেই প্রভাবিত করতে পারবে না।
তোমাদের কর্মতে হস্তক্ষেপ করি না। সুর্য উদিত হ'লে যেমন অন্ধকার আপনা আপনি অদশ্য হয়ে যায়, ঠিক একইভাবে কর্ম দগ্ধ হয়। অন্ধকারের মত কর্মের কেবল নকারাত্মক অস্তিত্ব আছে। তার সকারাত্মক অস্তিত নেই। আমি বলতে চাইছি কর্ম হ'ল আমাদের অন্তরে আলোকের অভাব। এটা কেবলমাত্ৰ অজ্ঞানতা। এটা শক্তিহীনতা।
কিকগুলিকে স্মরণ করে ও কিলগুলির মাধ্যমে বোধশক্তি দ্বারা জীবন যাপন করে যে কোনও কর্মকে দগ্ধ করা যায়। কর্ম হল তাতে ভয়ের ওপরে তোমার বিশ্বাস।
কর্ম বিদ্যমান থাকে না। ভয় তোমার কারণ-শরীরের কারণ-শরীরের শক্তি স্তরে চলে যাও। যদি তুমি শরীরকে স্পর্শ করবে। এতটা গভীরতা কর্মে নেই। কর্ম কেবল তোমার নিজের করা এবং কর্মকে উপলব্ধি ও সজাগতার সাহায্যে মুছে ফেলা যায়। চিন্তা, শব্দ ও কার্যের মাধ্যমে পনরায় কর্ম সংগ্রহ করব না - এই সচেতন নির্ণয় দ্বারাও কর্মকে মুছে ফেলা যায়।
জীবনে কর্মগুলিকে কেবল নিঃশেষ করা হোক এবং আরও কর্ম যেন সংগ্রহ না করা হয় - এইভাবে জীবনযাপন করা অত্যাবশ্যক। এই ধারণাই বৈদিক বিবাহে উন্নীত করা হয়। বৈদিক বিবাহ আধ্যাত্মিক জীবনকে বিবাহিত জীবনের চেয়ে এগিয়ে রাখবে এবং একসাথে বসবাস করবে। কেবল পরস্পরের কর্মগুলিকে নিঃশেষ করার জন্য সহযোগিতা করার এক নির্ণয় নেওয়া।
মহিলা ভয় থেকে পরিচালিত হয়। পুরুষের যৌনতাকে কাজে লাগায়। এই সঙ্গল্প বলে যে তারা কেবল একে অপরের কর্মকে অপরকে শোষণ করা জন্য নয় অথবা কর্ম বর্ধিত করার নয়।
প্রশ্ন : আমাদের কর্ম কি দাতব্য সেবা করে নিঃশেষ করা যায়?
তোমার সমাজসেবার প্রেরণাকে দেখতে হবে। সততার সাথে নিজের মুখটি দেখা তুমি সেবা ক'রে কি চাও?
ভাল কাজ না করার জন্য নরকে যাবার ভয় থেকে কি তুমি সেবা করার প্রেরণা অনুভব কর? সেবা কি নামযশের বাসনা থেকে করতে চাও? অথবা তা করতে চাও কেবল নিজেকে ব্যস্ত রাখার জন্য? সেটা কি মৃত্যুর পরে সুখী জীবনের জন্য? নাকি জন্মের জন্য?
তুমি যদি ভয় ও লোভ দ্বারা চালিত হও, তুমি কখনও তোমার সেবা প্রগাঢ়কপে উপভোগ করতে পারবে না। তোমার এক অংশ সেবার কার্য করবে। অপর অংশ সেবা করার সেই কাৰ্যে একীভূত বা সংহত নও। তুমি সেই কাৰ্যে সম্পূৰ্ণ নও।
এই কার্যও বন্ধুনে ডেকে আনে। বাইরে থেকে সমাজে এটাকে মনে হয় ভাল ও বন্ধন থেকে মুক্ত। কিন্তু তোমার অন্তর্দেশে তুমি দেখতে পার যে প্রকৃতপক্ষে তা নয়। সমস্ত মানবতাবাদী বলে -ভিত্তিক কার্য করতে অভিলাষী। সেটা সেবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। অন্তত সেবার ক্ষেত্রে, টাকা বা যশের কথা চিন্তা করবে না। অন্যদের মনে তোমার জন্য অনুকুল ধারণা সুষ্টি করার পরিকল্পনা করবে না। তোমার উপস্থিতি অনুভব করানোর পরিকল্পনা করবে না।
কাজ কেবল কাজ করার জন্য কর! কোন কিছুই পরিকল্পনা করবে না। যে কোন জায়গায় যে কোন সেবা কর। এই প্রকার সেবা তোমার সত্তায় অনেক কমতা সঞ্চার করবে। তাতে ফলাফল বা নিজের কোন লাভ চিন্তা করবে না। তবেই তুমি সেবার প্রকৃত আনন্দ অভিজ্ঞতা করতে পারবে।
শুধুমাত্র গভীর উপলব্ধি, সজাগতা এবং চেতনার কমপক্ষে এক ঝলক দ্বারা কর্ম নিঃশেষ করা যায়।
প্রশ্ন : আপনি আমাদের ধ্যান শেখান। ধ্যান না করে আমরা তো সেবা করতে পারি।
একটা ছোট গল্প :
এক সময়ে এক রাজা ছিল। সবাই জানত সে দয়াবান। তার রাজ্যে প্রজারা কেমন আছে জানার জন্য রাজা ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াত।
একদিন সে দেখল একটি বালক পায়রা ধরছে। ছেলেটি পায়রাটিকে চেপে ধরে আছে আছে আর পায়রা ডানা ঝাপটাবার চেষ্টা করে যাচ্ছে। রাজা জিজ্ঞাসা করল, 'তুমি কি দেখতে পারছ না যে পাখিটি ভয় পেয়েছে ও কষ্ট পাচ্ছে? এটাকে ছেড়ে দিচ্ছে না কেন?'
বালক জানত না সে রাজার সাথে কথা বলছে। সে বলে, 'স্যার, আমি এই পায়রাটাকে অনেক ছেড়ে দিই?' রাজা একটু ভাবল ও তারপর ছেলেটিকে জিজ্ঞাসা করল সে কবুতরটি বিক্রি করবে কিনা। বালক মটন মটন রাজী র'ল। রাজা পরিবর্তে বালককে একটি সোনার মোহর দিল।
ততক্ষণে রাজার চারিদিকে অনেক লোক জড় হয়েছে। তারা রাজাকে পায়রাটা নিতে দেখল ও পায়রাটাকে হাত ওপরে করে ছেড়ে দিতে দেখল। কবুতরকে মুক্ত হ'তে দেখে রাজা খুব খুশী হ'ল এবং একই সময়ে লোকেরা তার প্রশংসা করছে দেখেও খুশী হ'ল।
রাজা জিজ্ঞাসা করল যদি আর কারো কাছে কোন বন্দী পাখি আছে কিনা। কেউ কেউ এগিয়ে এল। রাজা তাদের পাখিগুলি নিল ও বিনিময়ে স্বর্ণমদ্রা দিল। তারপর রাজা গুর্বভরে পাখিগুলিকে মুক্ত করে দিল।
কয়েকদিন পরে রাজার উপদেষ্টা একজন বিজ্ঞ ঋষি তার প্রাসাদে এলেন। তিনি রাজাকে ছদ্মবেশে তার সাথে আসতে বললেন। রাজা হয়ে দেখল অনেক গ্রামবাসী পাখি ধরার জন্য জঙ্গলে ফাঁদ পেতেছে। এমনকি অনেক পাখি তাদের ত্রুটিপর্শ ফাঁদের জন্য জীবন ও হারাচ্ছে। লোকেরা এখন সুচিন্তিতভাবে পাখি ধরছে, যাতে তারা পাখির বদলে রাজার কাছ থেকে স্বর্ণমুদ্রা পেতে পারে!
ঋষি রাজাকে জিজ্ঞাসা করলেন, 'তোমার তথাকথিত সমবেদনার জন্য পাখিগুলিকে এত দুর্দশায় কেন পড়তে হবে?'
কেবলমাত্র বিশুদ্ধ চেতনা থেকে আসা সেবাই সঠিকভাবে কার্যকর হয়।
যদি বাসনা পূর্যমূর্মমা তাদের দুঃখ মুছে ফেলার কার্য দয়াবশত করি, তবে আমাদের প্রথমে এই প্রসারিত চেতনাকে উপলব্ধি করতে হবে। সবচেয়ে বড় যে সেবা তুমি করতে পার তা হ'ল, নিজে দিব্য-মানব হওয়া! ধ্যান তার জন্য প্রথম পদক্ষেপ!
প্রশ্ন : কারো অকালমূত্যু , আত্মহত্যা বা দুৰ্ঘটনা, হ'লে কি হয়?
অকালমৃত্যুর জন্ম নেবার আগে তার পূর্বনির্দিষ্ট জীবনকালের
মৃত্যু এক উৎসব উদ্যাপন জীবনমুক্তি হল প্রতিটি মুহূর্তে পরমানন্দে পুনরায় জন্ম নেওয়া
কর্ম সম্পর্কে উদ্বেগের মূল আমাদের মত্যুভয়ে আছে। এটা অজানার জন্য এক আদি ভয়। আমাদের জীবনের বেশীর ভাগ কার্যই চালিত হয়, মত্যুর পরে আরও ভাল জায়গায় যাবার বাসনার দ্বারা বা এখনকার চেয়ে আরও খারাপ জায়গায় না যাবার ভয়ের দ্বারা। দেহ ও মন বিদ্যমান।
যযাতির গল্প
হিন্দু মহাকাব্য মহাভারতে একটি সুন্দর গল্প আছে :
যযাতি নামে এক রাজা ছিল। সে একশ' বছর ধরে রাজ্যসুখ, শারীরিক ও মানসিক সুখ উপভোগ করছিল। একশ' বছর সমাপ্ত হ'লে তার পথিবী ছেড়ে যাবার সময় হয় ও মৃত্যুদেব যম তাকে নিয়ে যেতে এলেন। যমকে আসতে দেখে রাজা তাড়াতাড়ি কেন এলেন ও তাও হঠাৎ করে কোন খবর না দিয়ে? আমি এখনও আমি এখনও আমার জীবন পুরোপুরি বাঁচি নি। দয়া করে আমাকে আরও কিছু সময় প্রদান করুন। '
যম উত্তর দিলেন যে কারো জীবনকালের এই রকম সম্প্রসারণ সম্ভব নয়। কিন্তু যযাতি সনির্বন্ধ মিনতি করল এবং যমের কাছ থেকে আরও কিছু সময় ভিক্ষা করল। যম সবশেষে রাজী হ'লেন এবং বললেন যে তার পুত্রদের মধ্যে একজন যদি যযাতির জন্য প্রাণদান করতে পারে, তাহলে রাজা তার পুত্রের বাকি সময় লাভ করতে পারবে।
যযাতি বলল, 'আমি আমার পিতার জন্য প্রাণত্যাগ করতে রাজী। আমার পিতা জীবিত থাকুন।' পুত্র মারা গেল। যম যযাতির আয়ু আরও একশ' বছর বাড়িয়ে দিলেন।
যযাতি আগের মতই সমস্ত বস্তুগত বিলাসিতা উপভোগ করতে লাগল এবং আরও একশ' বছর বাঁচল। সময় শেষ হ'লে যম তাকে নেবার জন্য ফিরে এলেন। এবারও যযাতি যমকে এত তাড়াতাড়ি আসতে দেখে ঘাৰড়ে গেল। সে অনুভব করছিল যে তার জীবনকে উপভোগই করা হয় নি এবং যমের কাছে মিনতি করে যে, সে মরতে চায় না ও ভিক্ষা করে আরও আয়ু চাইল।
যম তাকে বললেন, 'রাজন্! তুমি কি মনে কর, আগুনে তেল ঢেলে আগুন নিভাতে পারবে? তুমি কি মনে কর, করতে করতে বেঁচে থেকে, তুমি তোমার বাসনাগুলিকে পূরণ করতে পারবে? ' এই জীবন সম্বন্ধে বুঝিয়ে দিলেন। যযাতি সবশেষে সত্য উপলব্ধি করল ও যমকে অনুসরণ করল এবং ঈশ্বরের চরণে চিরতরে বিশ্রাম করল।
যদি প্রগাঢ়কুপে বাস না করে থাক, তুমি মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত ব'লে অনুভব করতে পার না। ইন্দ্রিয়গুলিতে সুখ প্রদান করতে থাকা অথবা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তুমি মুক্ত হবে।
মৃত্যুর প্রচলিত ধারণা
'মৃত্যু' শব্দটি সন্তাপ ও ভয় সৃষ্টি করে। একে সর্বদা অন্ধকার ও ঘৃণ্য গণ্য করা হয়। আমরা বিশ্বাস করি যে মৃত্যুকে ফেলতে পারি!
মৃত্যুকে শত্রু বলে দেখা হয়। সেইজন্য মল্য ধর্ম, বাড় দিনা দিনা রূপ। খলনায়ক वटल माथि, नायक वटल कथन উ মিथि না। মুমূর্ষু ধারণাকে সর্বদা নকারাত্মকভাবে দেখা হয়। মত্যু আমরা অনুভব করি। আমরা যা চাই, আমরা যা উপভোগ করি, আমাদের যা আছে, সবকিছু আমাদের থেকে জোর করে নিয়ে নেওয়া হয়। আমরা ভাবি, 'আমরা তার সম্পর্কে এখন কেন চিন্তা করব? মোকাবিলা করব।' অথবা সচেতনভাবে তার সম্পর্কে চিন্তা করাও আমরা এড়িয়ে যাই।
যে কোন প্রকারে আমরা মত্যু থেকে পলায়ন করি। সমস্ত প্রথায়, সমস্ত সভ্যতায় মৃত্যুকে জয় করার জন্য সকল বিজ্ঞান চেষ্টা করছে। প্রাচ্যের অতীন্দ্রিয়বাদীরা ব্যবহার করেন এবং তার থেকে 'সিদ্ধ' প্রথা এবং 'কায়াকল্প'-এর জন্ম হয়। যোগীরা মন্ত্র ও প্রাণায়াম প্রক্রিয়ার জন্ম হয়। বৌদ্ধ লামারা চেষ্টা করেন ধ্যান দ্বারা এবং তা থেকে 'মহামন্ত্র' প্রক্রিয়ার জন্ম। তাই, সব মৃত্যুর ঊর্ধ্বে যেতে চাইছে।
মাস্টার চু াং জু ুন্দরভায়ব বয়য়ছি আমি মৃত্যুকে এড়িয়ে চলি। মাস্টার বলছেন, ধারাবাহিকতাহীনতার ভয়ই মৃত্যু। সেইজন্য কাউকে বা কোনকিছুকে অভিজ্ঞতা করা প্রতিটি হারানোর ঘটনা, সে যেই হোক না কেন বা যাই হোক না কেন, আমি তাকে মৃত্যু বলি।
মৃত্যু সম্পর্কে আমরা কেবল বুঝি যে তা জীবনের বিপরীত। আবার আমাদের ভয়ের জন্য আমরা মৃত্যু সম্পর্কে বেশি বেশি চিন্তা করি। আমাদের ভয়কে আমরা অভিক্ষেপ করি ও তাকে সত্তর ফুট লম্বা করে দেখি! ধারাবাহিকতা বা ধারাবাহিকতাহীনতার ভয়ই মত্যুভয়। 'এরপর কি' - সেটা সম্পর্কে আমরা ভীত হয়ে আছি।
মত্যু রহস্যে জীবনের উত্তর আছে
একবার আমেরিকাতে এক যুবতী হিন্দু সন্ন্যাসী THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAMকে প্রশ্ন করে, 'জীবন কি?' THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM বলেন, 'আমার সাথে ভারতে এস। আমি তোমাকে শেখাব।' যুবতী জিজ্ঞাসা করে, 'আমাকে কি শেখাবেন?'
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM বলেন, 'কি করে মরতে হয় তা শেখাব।'
শুনতে অদ্ভুত মনে হয়! THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM বলছেন, যদি মত্যুর রহস্যবেক জানতে পার, তোমার জীবনের গুণমান আলাদা হবে। সবকিছুই পরিবর্তিত হবে।
প্রকৃতপক্ষে আমরা আমাদের জীবনকে করতে চাই না।
অপরের মৃত্যু দেখার বেদনার জন্য আমাদের রোগের জন্য প্রচণ্ড ধাক্কা অনুভব করার কারণে হ'তে হবে না।
তোমার জীবনের পেয়ে মৃত্যু কেবল এক নিষ্ঠক ঘটনা নয়, এই জীবনের এক অত্যাবশ্যক অংশ। যদি তুমি তাহলে কি করে বাঁচতে হয় জান। বাঁচা ও মরা একই জিনিষের দুই দিক। মত্যু কে বুঝতে পারলে তোমার জীবন সম্পূর্ণভাবে পরিবর্তিত হয়ে যাবে।
মৃত্যুতে প্ৰবেশ
প্রায় সমস্ত প্রথাই মৃত্যুকে জয় করতে চেষ্টা করেছে, মৃত্যুকে অতিক্রম করতে চেষ্টা করেছে। কিন্তু বাস্তবিক কিছু মানুষ একটি দল বহু চেষ্টার পর উপলব্ধি করতে পারল যে আমরা পুরোপুরি ভুল দিক থেকে মৃত্যুকে বোঝার চেষ্টা করছি। তাঁরা ১৮০ ডিগ্রী ঘোরার, পুরো উল্টো ঘোরার সিদ্ধান্ত নিল। তাঁরা মৃত্যু নিয়ে ভিন্নভাবে কাজ করতে শুরু করল।
আগে যেখানে অন্যেরা যেতে সাহস করে নি, সেখানে তাঁরা ধ্যান নামক এক প্রক্রিয়া আবিষ্কার করলেন। এই কয়েকজন হলেন উপনিষদের যুগের ঋষিগণ। মৃত্যু বিষয়ে তাঁদের গবেষণার যে রিপোর্ট তারা নিবেদন করেন তাকে কঠোপনিষদ বলা হয়।
এই ঋষিগণ মৃত্যু নিয়ে গভীর গবেষণা করেন এবং তাঁদের উপলব্ধিতে আবিষ্কার করেন যে মৃত্যুকে বাধা দিয়ে বোঝা যায় না বা অতিক্রম করা যায় না। যুদ্ধ করে তুমি তাকে অতিক্রম করতে পার না। জন্ম-মৃত্যুর এই দুষ্টচক্র থেকে মুক্ত হবার একমাত্র উপায় হ'ল পরম জ্ঞানালোক প্রাপ্তি করে মুক্ত হওয়া, ভয়কে মুছে ফেলে মৃত্যুতে প্রবেশ করা।
যখন তুমি কোন জিনিষ হারাবে, কেবল তখন তুমি সেই জিনিষের মূল্য উপলব্ধি করবে।
ধ্যান কর : ধর, তুমি দুদিনের মধ্যে মরতে চলেছ, তাহলে তুমি কি কি করতে চাইবে? কত কিছু শেষ করার আছে? যখন নিজের জীবনকে খতিয়ে তার মূল্যগণনা কর, কেবল তখন তুমি বুঝতে পার তোমার ওপরে কতকিছু করার আছে, সবকিছুকে অবধারিত বলে ধরে নিয়েছ কারণ তুমি বিশ্বাস কর তুমি চিরজীবন বেঁচে থাকবে। কেবল যখন তুমি মৃত্যুকে জানবে, তখন তুমি জীবনের মহার্যতা অনুধাবন করবে।
অতএব বুঝলে, তুমি বুঝবে মৃত্যু জীবনের শেষ নয়, কিন্তু একটা চরম পরিণতি। এই বোধ একবার হয়ে গেলে তুমি কখনও চিরতরে বেঁচে থাকার জন্য প্রার্থনা করবে না।
বুঝে নাও, তোমার বিশ্বাসের কারণেই মৃত্যু তোমার ওপরে ক্ষমতা রাখে, ব্যাস। এটা কেবল বিশ্বাসের ব্যাপার। মৃত্যুকে ভয়ানক মনে করলে তা আয়না, যা কিছু তাতে অভিক্ষেপ কর তা প্রতিফলিত হয়।
একটা গাধা নিজেকে আয়নাতে দেখলে কি করবে ? সে আয়নার সাথে লড়াই করবে। কারণ সে জানে না আয়নার ভেতরে সে নিজেই আছে। যতক্ষণ তুমি ভাববে জন্ম ও মৃত্যু তোমার জন্য সত্যি সত্যি শত্রু হয়ে যাবে। যদি একটু সময় নাও এবং তোমার মৃত্যুভয়ের দিকে তাকাও, তাহলে তুমি দেখবে যে তোমার জীবনটাকে ধ্বংস করার জন্য মৃত্যুর অনেক ক্ষমতা আছে। তুমি উপলব্ধি করবে যে মৃত্যু জীবনের পরিপূরক, জীবনের বিপরীত নয়।
ছেড়ে-দেওয়ার চরম
আমরা মৃত্যুর মুখোমুখি হ'তে চাই না কারণ আমরা জীবনের সদা-পরিবর্তনশীল প্রকৃতিকে স্বীকার করতে সমর্থ হই না। আমরা জিনিষগুলিকে আঁকড়ে থাকতে চাই এবং সেখানেই সমস্যার শুরু। আমরা ছেড়ে দিতে আতঙ্কিত হই, আমরা জীবন নিয়ে সতর্ক থাকি। জীবনকে আঁকড়ে থাকাই তো বেদনার উৎস এবং আমরা এই সত্যকে এড়িয়ে চলতে চাই!
একটা ছোট গল্প :
একবার এক মাস্টার তাঁর সবচেয়ে ছোট শিষ্য, একটি বালককে শিক্ষা দেবার চেষ্টা করছিলেন। বালকটি যা পেত বা যা লাভ করত তাকে সে আঁকড়ে রাখত এবং তার প্রিয় জিনিষ হারিয়ে গেলে বা তার থেকে নিয়ে নিলে সে খুব কষ্ট পেত ও বিষণ্ণ হ'ত।
একদিন মাস্টার তাকে একটি সুন্দর রৌপ্যমুদ্রা দিলেন। বালকটি খুব খুশী হয়ে মুদ্রাটি নিল। এখন মাস্টার বালকটিকে বলেন, 'পুত্র, এটাকে তোমার মুঠিতে শক্ত করে ধর এবং তোমার হাত বিস্তৃত কর' বালক সেরকম করল। এখন মাস্টার বললেন, 'রিল্যাক্স কর ও তোমার মুঠি খোল।'
বালকটি বুঝতে পারছিল না, কিন্তু মাস্টারের কথা মত কাজ করল। মাস্টার বললেন, 'এখন মুদ্রাটি নাও ও তোমার হাতে রাখ।'
বালকটি তা করল। মাস্টার বলতে লাগলেন, 'এখন আবার মুঠো কর ও হাত প্রসারিত কর। কিন্তু এবার তোমার মুঠো যেন আকাশের দিকে মুখ করে।' বালকটি মানল। তারপর মাস্টার বলেন, 'এখন ছেড়ে দাও ও তোমার মুঠি খোল।' বালক মুঠি খুলল এবং মুদ্রাটি তার হাতে সুর্যের আলোয় চক চক করছিল।
তখন মাস্টার বালককে বললেন, 'পুত্র, যদি তুমি একদম ছেড়ে দিতে শেখ এবং অস্তিত্ব বা যে ঈশ্বর প্রতিনিয়ত তোমার যত্ন নিচ্ছেন, তাঁকে বিশ্বাস করে রিল্যাক্স করতে পার, তুমি জীবন সহজেই উপভোগ করতে পারবে।'
জীবনের বিবিধ ঘটনাগুলিকে যদি আঁকড়ে ধরে থাকতে পার এবং এই পরিবর্তনে রিল্যাক্স করতে পার তাহলে জীবনের বিকাশই ঘটবে, সেই কারণে জীবন এত রঙীন ও চিত্তাকর্ষক। তাহলে, মৃত্যুরহস্য সহ জীবনের রহস্যগুলিকে সুন্দরভাবে উন্মোচন হ'তে দেখবে।
মৃত্যুও এক ধরনের রিল্যাক্সেশন। রিল্যাক্সেশন হ'ল ক্রমাগত ভয়কে এড়িয়ে যাওয়া। রিল্যাক্সেশন হ'ল পুরানোকে ফেলে দেওয়া এবং নুতনকে নিয়ে শুরু করা। যখন তোমার সত্তা মেনে নেয়, এই শরীর দিয়ে তুমি যা চাও তা আর অর্জন করা যাবে না, তখন সে এগিয়ে চলার নির্ণয় নেয়। আর এই 'স্থান অতিক্রম করে যাওয়া'-কেই মৃত্যু বলে।
যখন তোমার পুরোনো বাড়িটি খারাপ হয়ে যায়, তুমি হয় তাকে মেরামত করার চেষ্টা কর অথবা সেটা করা অসুবিধাজনক ও খুবই ক্লেশকর হ'লে তুমি বাড়িটিকে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নাও অথবা আরেকটা নতুন বাড়ি কিনে এগিয়ে চল। যখন তুমি এমন কর, তুমি কি মনে কর যে তুমি কিছু হারাচ্ছ? না!
একইভাবে যখন তুমি অনুভব কর যে তুমি যেভাবে চেয়েছিলে সেভাবে তোমার জীবন সম্পূর্ণ বাঁচ নি, তুমি তখন এই দেহ ছেড়ে অন্য দেহ ধারণ কর। তুমি আবার শুরু করতে চাও। আবার শুরু করার জন্য তোমার বাছাই করাই মৃত্যু।
একটা তরতাজা শুরু
মারা গিয়ে তুমি তোমার দেহ ও মনকে নবতেজোদ্দীপ্ত কর। তুমি নতুন কিছু স্মৃতিগুচ্ছ, একটা নতুন চেতনা, নতুন প্রোগ্রামস্, একটা নতুন জীবন গ্রহণ কর। অন্য কথায়, তোমার অসম্পূর্ণ বাসনাগুলিকে পূরণ করার জন্য তুমি এক নতুন জন্ম নাও। যা কিছু অসম্পন্ন রেখে থাক, তা সুসম্পন্ন করতে তুমি নেমে আস। 'আবার শুরু করার জন্য পছন্দ করা' - এমনটাই আমাদের দিয়েছেন।
কিন্তু ধরে মরার ধারণাটি না বুঝে মৃত্যুকে বিরোধ করার জন্য সবরকম কার্য করে তুমি তোমার সমস্ত জীবন অপচয় কর। জীবনে একবার রিল্যাক্সেশন হওয়াটা ভাবো। যখন সূর্যের আলো আসে, তখন সমস্ত কুয়াশা, সমস্ত তুষার, সমস্ত বরফ সরিয়ে ফেলা হয়েছে এবং তুমি এখন উপলব্ধির ঝলমলে আলোকে স্বচ্ছভাবে ও সুন্দরভাবে প্রবাহিত হ'তে দেখছ।
যখন তুমি মৃত্যুর মুখোমুখি হও, তুমি জানো যে সেটাই তো জীবন। কারণ প্রতিটি মুহূর্তে তুমি পরিবর্তিত হচ্ছ। মৃত্যু ও জন্ম কেবল চক্র। যদি তুমি মর, তুমি জন্মাবে এবং আবার মরবে। যখন এমনটা ঘটবে তোমার ভয় চলে যায়। তুমি তোমার জীবনটাকে বাঁচো, তোমার প্রতিটি শ্বাস-প্রশ্বাস উপভোগ করা আরম্ভ কর।
যখন তুমি তখন তোমার দশ বছর বয়সে যেমন ছিলে তেমন নও অথবা কুড়ি বা ত্রিশ বছর বয়সে যেমন ছিলে তেমন নও। যদি অন্যভাবে দেখো তুমি সম্পূর্ণ ভিন্ন, কিন্তু তুমি অনুভব কর না যে তুমি মারা গিয়েছিলে। এখন তুমি শারীরিক, মানসিক, আবেগের দিক থেকে এবং বস্তুগত ব্যাপারের আগের থেকে ভিন্ন, কিন্তু তবুও তুমি একই জীবন চালিয়ে যাচ্ছ বলে অনুভব কর। মৃত্যুও ঠিক তেমন, তাও একটানা চলে ।
কোনকিছুই মরে না এবং কোনকিছুই শেষ হয়ে যায় না। সেভাবে সবকিছুই চলতে থাকে। যখন তুমি জ্ঞান লাভ কর যে তুমি কখনও মরবে না, তোমার মধ্যে পরমানন্দ প্রস্ফুটিত হয় ও তুমি রূপান্তরিত হও। জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত নির্ভয়তায়, রূপান্তরিত হয়।
ভগবৎ গীতায় শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনের কাছে বলছেন। THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM বলেছেন মৃত্যু কেবল কাপড় পরিবর্তন করার মতো। ঠিক যেভাবে বাসনা নিবারণের জন্য আমরা কাপড় পরিবর্তন করি, আমরা দেহও পরিবর্তন করি। মৃত্যু রূপান্তর ঘটানোর দিকে নিয়ে যায়। মৃত্যু হ'ল জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের শুরু হওয়া ।
রহস্যগুলির মধ্যে রহস্য
ভারতের মহান মহাকাব্য মহাভারতে একটি সুন্দর গল্প আছে :
যুবরাজ যুধিষ্ঠিরকে যক্ষ প্রশ্ন করেন, 'পৃথিবীতে সবচেয়ে রহস্যময় জিনিষ কি?'
যুধিষ্ঠির উত্তর দেন, ' প্রতিদিনই মানুষ মৃত্যুর অধিপতি যমের রাজ্যে যাচ্ছে, কিন্তু তা সত্ত্বেও পৃথিবীর মানুষেরা ভাবে যে তারা এখানে চিরতরে থাকবে।'
আমরা সর্বদা ভাবি যে অন্য কেউ মারা যাবে, আমরা না। শুরু করাটা মৃত্যুর মধ্যে এক রহস্য।
মৃত্যুর কিছু জিনিস নিশ্চিত। একটা হল, বাসনা কখনও ম্লান হয় না। আরেকটা নিশ্চিত জিনিস হল, আমরা কখন ও কিভাবে মরব তা অনিশ্চিত।
যা কিছুর জন্ম হয়েছে, তার মরণ হবে। সেটাই জীবনের প্রকৃতি।
জীবন সম্পর্কে একটি মনোহর ঘটনা :
একবার এক মহিলা তার মৃত পুত্রকে নিয়ে বুদ্ধের কাছে গেল। সে কাঁদতে কাঁদতে বলল, 'মাস্টার, দয়া করে আমায় কিছু ওষুধ দিন যা আমার ছেলের প্রাণ ফিরিয়ে দেবে।'
বুদ্ধ উত্তর দিলেন, 'আমাকে এক মুঠো সর্ষের বীজ এনে দিন।' তারপর বুদ্ধ বলেন, "কিন্তু সরষেদানা আনতে হবে, যে ঘরে কেউ সন্তান, স্বামী, পিতা, মাতা, বন্ধু বা কোন প্রিয়জন হারায় নি।'
মহিলাটি বাড়ি বাড়ি ঘুরল। তাকে কাঁদতে দেখে অনুকম্পা করে অনেকেই তাদের ঘর থেকে সরষেদানা দিল। কিন্তু যখন সে জিজ্ঞাসা করে তাদের প্রিয় কারো মৃত্যু হয়েছে কিনা, সে জানতে পারল তাদের সবারই কেউ না কেউ মারা গেছে।
মহিলা সূর্যাস্ত পর্যন্ত অনেক বাড়িতে গেল, কিন্তু এমন কোন বাড়ি পেল না যেখানে কোন মৃত্যু হয় নি। ধীরে ধীরে তার মধ্যে সত্যের উপলব্ধি হ'তে লাগল - মৃত্যু অনতিক্রম্য। সে তার ছেলের দেহের সৎকার করল এবং বুদ্ধের কাছে ফিরে গেল। সে বুদ্ধের পায়ে পড়ল ও জিজ্ঞাসা করল, 'মাস্টার, আমাকে সত্যের শিক্ষা দিন। মৃত্যু কি? মৃত্যুকে অতিক্রম করে কি আছে? '
মহিলাটি বুদ্ধের শিষ্যা হয়ে গেল ও তার বাকি জীবন বুদ্ধকে অনুসরণ করল।
একটা সুন্দর কথা আছে, 'আগামীকাল অথবা পরবর্তী জন্ম, কোনটা আগে আসবে আমরা কখনও জানি না।'
বুদ্ধ বলেন, 'এই বিদ্যমানতা শরতের মেঘের মত ক্ষণস্থায়ী। মানুষের জন্ম ও মৃত্যু লক্ষ্য করা যেন নৃত্যের চলন নিরীক্ষণ করা। '
যেসব ধর্ম কেবল একটি জন্মের কথা বলে, তারা এই জীবন থেকে সবচেয়ে বেশি নিতে চায় এবং নতুন নতুন জিনিসের সৃষ্টি করে। কারণ তাদের একটাই জীবন, তাই জীবনে কিছুই হারানোর নেই। কেবল একটি জন্মের ধারণা এমন এক বিজ্ঞানের জন্ম দেয়, যে বিজ্ঞান বাসনা বৃদ্ধি করে উপভোগ করার উপায় খুঁজতে থাকি।
প্রাচ্যের সমস্ত ধর্ম বহুজন্মের কথা বলে। তুমি বারবার নাটকে অভিনয় কর। একই ঘটনাগুলি ঘটে, একই সম্বন্ধটা, কিন্তু ভিন্ন সময়ে। তোমার একঘেয়ে লাগে এবং বিরক্ত ও অবাক হও, 'আর কতবার আমাকে একই নাটক অভিনয় করতে হবে?' তুমি মুক্তি চাইতে চাও না। তুমি মোক্ষের জন্য কার্য কর। মোক্ষ তোমার দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে দেয়।
পূনর্জন্মের বিষয় জনপ্রিয় নয় কারণ তা বিজ্ঞান দ্বারা প্রমাণ করা যায় না। জানুয়ারীর নিকট-মৃত্যুর অভিজ্ঞতা (NDE) (Near Death Experience) এখন এক গরম বিষয় এবং অনেক ডাক্তার ও মনোবিজ্ঞানীরা বহু অভিজ্ঞতা রেকর্ড করেছে। প্রায় হাজার NDE রেকর্ড করা হয়েছে এবং মানুষ তাদের আগের জানুয়ারীর ঘটনায় ফিরে যেতে পারছে। তাদের মনের নিকৃষ্ট-স্তরের স্মৃতিগুলিও তাদের মনে পড়ছে। সম্মোহনকারীরা লোকেদের তাদের আগের জন্মে প্রত্যাবত্তি করিয়েছেন। এগুলিও এক প্যাটার্নে পড়ে। এগুলি পাঁচ হাজার বছর আগে আমাদের ঋষিরা, মরে গেলে কি হয় সে সম্বন্ধে যা বলে গেছেন, তার সঙ্গে মেলে এবং কঠোপনিষদে তা বর্ণিত আছে।
আমার লরীরর দভতয়র ঘটা বয়চয় লদক্তলাী অদভজ্ঞতা
আর যদি যটা আয়বেজদিত যবিিা এবং তার ায়থ ংয়যাোধি েয়র তু দম বযাথা বুঝয়ত পার প্রকৃতপক্ষে সে আমার ওপরে অনুরক্ত হয়ে পডেছিল।
ছোটবেলা থেকেই আমি সাধুদের সেবা করতে ভালবাসি। আমি আমার বাড়ি থেকে খাবার ও কাপড় নিয়ে আসতাম ও সাধুদের বিলিয়ে দিতাম! সাধুসেবাতে সর্বদাই আমার উৎসাহ। আমি সবসময়ে অনুভব করেছি, পুরো বৈদিক প্রথা আজও সজীব আছে কেৰুল সাধুদের জন্যই। তাঁরা এই বিজ্ঞানকে জীবন্ত রেখেছে।
যে কোন বিজ্ঞানে গবেষণা করার জন্য, কিছু জায়গা ও মার্শয়াৰ প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ, পাশ্চাত্যে বহির্জগতের বিজ্ঞানে অনেক গবেষণা করা হয়, কারণ বহু মানুষ ও দর্শক আছেন এবং এই ধরণের কোম্পানিগুলি তার ভরণপোষণ ক'রে সহায়তা করে। যদি বায়োলজি বা সরকার তার ব্যয় বহন করে সহায়তা করে।
আধ্যাত্মিক বিজ্ঞানের গবেষণাকে সমর্থন করে। একজন বহির্জগতের মৌলিক প্রয়োজনীয়তাগুলির জন্য বেশি সময় নষ্ট না ক'রে অন্তর্জগতের গবেষণা চালিয়ে যেতে পারেন, তার জন্য সমস্ত দেশ তাঁদের আশ্রয়, সুযোগ ও অর্থ দিয়ে সহায়তা করে। তাঁদের মধ্যে বিজ্ঞানীদের যত্ন নেওয়া আমার দায়িত্ব।
তিনি চাইছিলেন না যে আমি চলে যাই, কারণ তিনি পাশের বিছানায় মানুষটিকে মরতে দেখতে ভয় পাচ্ছিলেন। সেই মানুষটি বিরাট কষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। যখন একজন মরে তখন মনে হয় যেন কেউ শরীরকে ছিঁডে ফেলা হচ্ছে। তোমার আঙ্গল একটু কেটে গেলে কিরকম ব্যাথা হয় কল্পনা কর। এখন কল্পনা কর, তোমার শরীরের সমস্ত চামড়াকে ছাড়ালে কি প্রকার বেদনা হবে। যেন একটা জীবন্ত কাঁকড়া দিয়ে শরীরটাকে মর্সন করা হচ্ছে! লোকটি কি রকম বেদনার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল।
একদিকে সমস্ত বাসনা, লোভ, অপরাধবোধ এসব অপূর্ণ আবেগের সাথে শরীরটা পরণ করার জন্য শরীরে থাকতে চাইছিল, কিন্তু শরীর কান্ত ছিল এবং রিল্যাক্স করতে চাইছিল! জীবাত্মা ও শরীরের মধ্যে এক লড়াই চলছিল। যখন মরণ হয়, তখন কিন্তু জীবাত্মা শরীরটাকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চায়। যদি ডান পা মরে যায়, জীবাত্মা বাঁ পা-টিকে শক্ত করে আঁকড়ে ধরে। শরীরের যে অংশটিকেই ধরা যায়, জীবাত্মা তাকেই আঁকড়ে ধরছিল।
তখন দেখলাম শরীরের নিম্নভাগে বেশি কষ্ট হচ্ছে না। কিন্তু যখন শরীরের উপরি ভাগের বেলা এল, সমস্ত শরীর বেদনাতে কেঁপে উঠছিল।
আসে আস্তে জীবাত্মা স্থুল-শরীর থেকে বেড়িয়ে যেতে লাগল। বোঝ, শ্বাস বন্ধ হওয়ার অর্থ জীবাত্মা আসলে স্থুল-শরীর ছেড়ে চলে যাওয়া। তোমার শরীরে সাতটি স্তর আছে। রক্ত, মাংস ও হাড়ের শরীর যাকে তুমি দেখ তা হ'ল স্থুল-শরীর। তোমার ভিতরে প্রাণ মারফৎ যে জীবনীশক্তি সঞ্চালিত হয় তাকে বলা হয় প্রাণ-শরীর। শরীরে পাঁচ প্রকার প্রাণ প্রবাহ হয় : যে প্রাণ ভিতরে প্রবেশ করে, যে প্রাণ শরীরের ভিতরে চক্রভ্রমণ করে, যে প্রাণ সারা শরীরে জীবনীশক্তি বিস্তার করিয়া পড়ে, যে প্রাণ শরীর থেকে নির্গত হয় এবং যে প্রাণ বিশোধন করে। এগুলি দ্বিতীয় শরীরটি বা প্রাণ-শরীর নির্মাণ করে।
তৃতীয় শরীরটি হ'ল তোমার ভিতরে চলা অনর্গল শব্দাবলী ও চিন্তার প্রবাহ।
চতুর্থ শরীর ভয়, ক্রোধ ও লোভ এইসব আবেগ দ্বারা গঠিত এবং এটি কোন শব্দ (word) ছাড়াই সমস্ত শরীরে অনুভূতি হয়ে ছড়িয়ে থাকে। কোন আবেগ নিজে থেকেই তোমাকে আন্দোলিত করতে পারে। এটা হ'ল আবেগ-স্তর।
পঞ্চম স্তরটি তুমি গভীর নিদ্রার সময় অভিজ্ঞতা কর। এখানে তোমার সমস্ত খোদিত স্মৃতিগুলি বা এনগ্রামগুলি বীজ রূপে ঘুমিয়ে থাকে। বীজ কখনও মৃত নয়-মনের বীজ। এবং এই এনগ্রামগুলি সক্রিয় নয়, কিন্তু মৃতও নয়। এটা যেন একটা গভীর কোমা (coma), যখন তুমিও রু জীবিত নও, আবার কিন্তু মৃত নও। তুমি কেবল এই স্তরে আটকে থাক।
কারণ-শরীর থেকে ব্যক্তিগত আত্মা মহাজাগতিক শরীরে চলে যায়। ষষ্ঠ স্তরটি হ'ল মহাজাগতিক-শরীর, যেখানে তুমি আনন্দ অনুভব কর। যদি তুমি একজন অন্বেষণকারী হও, বোঝ যে এই স্তরটি তোমার মধ্যে শক্তিশালী। এই স্তরটিকে সমৃদ্ধ করলে তোমার জীবন আনন্দময় হবে। এই স্তরে কোন এনগ্রাম শরীরধারণ করার জন্য ফিরে আসতে হবে।
যদি তুমি অবিশ্রাম সুখকর অভিজ্ঞতা অনুভব কর, তখন বলা হয় তুমি স্বর্গে আছ। আর যদি তুমি বেদনাতে আটকে থাকে, তখন তুমি নরকে আছ বলা হয়। তোমার জীবনে কতটা বেদনা অভিজ্ঞতা করেছে, তার ওপরে নির্ভর করে মৃত্যুর পরে তুমি কত সময়ের বেদনা শরীর বা নরকে থাকবে। জীবনে কত সুখ অভিজ্ঞতা করেছ তার ওপরে নির্ভর করে মহাজাগতিক শরীর বা স্বর্গে থাকবে। নরক বা স্বর্গ একদমই মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপার। এটাই সত্য। তোমার কি এনগ্রাম আছে তার ওপরে ভিত্তি করে তুমি স্বর্গ ও নরক অভিজ্ঞতা কর। তাই বিভিন্ন সংস্কৃতি স্বর্গকে তাদের নিজের মত করে দেখে, কারণ স্বর্গ কোন স্থান নয়, তা এক অভিজ্ঞতা।
সপ্তম শরীরটি সর্বকালের আত্মার সাথে সম্পর্কিত।
মৃত্যুর সময়ে মালিক বা জীবাত্মা এবং শরীরের মধ্যে যেন লড়াই হয়। শরীর বলে, 'আমি ক্লান্ত, আমি আর কার্য করতে পারছি না।' মালিক বলে, 'না, আমি তোমাকে ব্যবহার করতে চাই।'
যখন শরীর জীর্ণ হয়ে যায়, স্থূল-শরীরের মৃত্যু হয় এবং জীবাত্মা পরের স্তর প্রাণ-শরীরে যায়। সাধারণত স্বপ্ন দেখার সময় তোমরা এই স্তরে থাক। স্বপ্ন দেখার সময় যুক্তি তোমার ওপরে ক্ষমতা হারায়, কিন্তু বাসনাগুলি সক্রিয় থাকে। স্বপ্নের সংজ্ঞাই হ'ল, এমন এক অবস্থা যখন যুক্তির ক্ষমতা থাকে না, কিন্তু বাসনা ও এনগ্রামগুলি সক্রিয় থাকে। এমনকি যখন তুমি অচেতনে বা কোমাতে থাক, তখনও তোমার যুক্তি সক্রিয় থাকবে না।
যতক্ষণ তুমি স্থল-শরীরের থাক, ততক্ষণ যুক্তি দিয়ে বাসনাগুলিকে বিশ্লেষণ করার বাসনা থাকবে - বাসনাগুলিকে পূরণ করা দরকার কিনা অথবা কোনটা পূরণ করা উচিৎ বা উচিৎ নয় ইত্যাদি। বাসনাগুলি তোমার নিয়ন্ত্রণে থাকে। কিন্তু যখন বাসনাগুলি কোন সমর্থিত যুক্তি বিনাই বিদ্যমান থাকে, তখন বাসনাগুলি জীবাত্মাকে ফুটবলের লাথির মতো লাথি মারতে থাকে। প্রত্যেকটা স্বপ্ন বাস্তব হয় এবং প্রত্যেকটা বাসনা জীবাত্মার সাথে খেলা করবে।
মত্যুপথযাত্ৰী মানুষটিকে দেখলাম, আমি দেখতে পারলাম যে জীবাত্মা স্তরের পর স্তর ছাড়িয়ে চলে যাচ্ছে। আমি তার আত্মাকে ভীষণ কষ্ট পেতে দেখলাম যখন তা উপলব্ধি করছিল, 'আমি জীবনের উদ্দেশ্য ও মিশন পরিপূর্ণ করি নি', অপরাধবোধ আত্মাকে আক্ষরিকভাবে ভক্ষণ করছিল। জীবনের উদ্দেশ্য কেবল মৃত্যুকালে স্মরণ করবে।
যখন তোমার জন্ম হয়, তোমার শরীর সময়কার অনুভূত প্রবল বেদনার জন্য, তুমি কোমাতে বা গভীরতম অচেতনতায় চলে যাও। অনেকটা এরকম : তুমি প্লেনের টিকিট কাটলে, কিন্তু প্লেন ওড়ার সময় তুমি কোমাতে চলে গেলে এবং প্লেন নামার পরে পুরো ভুলে গেলে যে তুমি এই নির্দিষ্ট জায়গায় কেন এসেছ! কেবল যখন তুমি এয়ারপোর্টে চড়লে, হঠাৎ তোমার স্মরণে এল কেন তুমি সেই জায়গায় এসেছিলে!
একইভাবে যখন তুমি মারা যাও, তুমি তোমার জন্মের উদ্দেশ্য বা প্রারব্ধ পুরণ না করার জন্য গভীর অপরাধবোধ অনুভব কর।
এই অপরাধবোধের মধ্য দিয়ে যাবার পর অভিজ্ঞতাগুলি সামনে আসবে। তাই মত্যুর সময়ে, তুমি প্রথমে স্থূল -শরীরের বেদনার মধ্য দিয়ে যাও, তারপর সমস্ত বাসনার মধ্য দিয়ে যাও, তারপর সমস্ত অপরাধবোধের মধ্য দিয়ে, তারপরে আবেগজনিত বেদনার মধ্য দিয়ে এবং সুখের মধ্য দিয়ে যাও।
সাধারণত, যখন তুমি শরীর বা ষষ্ঠ স্তরে যাও, তুমি পরের শরীর ধারণ করার জন্য ফিরে আস, তুমি পরের জন্ম নাও। জীবাত্মা মনোময় আবরণ হয়ে ফিরে আসে। কখন কখন, কদাচিৎ তুমি ষষ্ঠ স্তর ছাড়িয়ে নির্বাণ-শরীরে যাও। তাহ'লে তুমি আবার শরীর ধারণ করতে ফিরে আসবে না।
যখন তুমি কঠিন মনোময় আবরণ দিয়ে যাও এবং তোমার অপর্ণ বাসনা, গভীর অপরাধবোধ, ভীষণ যন্ত্রণা অভিজ্ঞতা কর, তুমি দৃঢ় সিদ্ধান্ত নাও, 'আমি আরেকটা দেহ ধারণ করি, আবার জন্ম নিই। এবার যখন তা করব, আমি আমার জন্মের উদ্দেশ্য ভুলব না। আমি সরাসরি সত্যের পথ অনুসরণ করব।' কিন্তু হায়, জন্ম নেবার সময়ের ভীষণ বেদনার জন্য, তুমি কোমাতে চলে যাও এবং তোমার নির্ণয় বেমালুম ভুলে যাও!
সবশেষে সেই লোকটি মারা গেল। কিন্তু সেই অভিজ্ঞতা আমার ভিতরে একটি গভীর দাগ রেখে গেল, সেটা আমার মনে এক প্রবল ছাপ ফেলল। কিছুদিন পরে সেই লোকটি ভাল হয়ে গেলেন ও হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন। আমি আমার যাত্রা চালু রাখলাম। কিছু মাস পরে আমি আমার নিজের মত্যু অভিজ্ঞতা করলাম এবং জীবনমুক্তি বা পরম জ্ঞানালোক প্রাপ্ত করলাম। আমার জীবনের মিশন ও উদ্দেশ্য উপলব্ধি করলাম। মক্ত সত্তা হয়ে আমার জীবন বারো বছর বয়সে শুরু হয়েছিল, সেই বারো বছর বয়সেই আমার গভীর আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা হয়। কিন্তু আমার মিশনের স্পষ্টতা এবং আমার শরীরের মধ্য দিয়ে ঠিক কি ঘটতে চলেছে, তা উল্মেষিত হ'ল আমার পরম জ্ঞানালোক প্রাপ্তির পরে।
আমার উপস্থিতিতে মত্যু -পরমজ্ঞানালোকপ্রাপ্তির পরে
আমার পরম জ্ঞানালোক প্রাপ্তির পরে আমি দক্ষিণ ভারতে ফিরে আসি। তখন আমি যাদের চাইছিলে আমি তাদের হীলিং বা নিরাময় করছি। সেই সময় এক ভক্তের বড় রকমের ক্যান্সার হয়েছিল ও তাকে হীলিং করার জন্য আমাকে অনুরোধ করা হ'ল।
আবার সেখানে, নিরাময় করার সময়ে দেখলাম যে ভক্তটির পাশের বিছানায় একজন মরতে চলেছে! যেই মুহূর্তে আমি দেখলাম যে লোকটি মরতে যাচ্ছে, আমি কষ্ট এড়িয়ে যাবার জন্য সেখান থেকে সরে যেতে চাইলাম! কিন্তু পারলাম না!
হঠাৎ আমি দেখলাম এই মত্যুপথযাত্ৰী মানুষটি আগের মানুষটির মত কষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে না। আমি অবাক হয়ে গেলাম এবং আমি খুব কৌতহলী হ'লাম। আগের ঘটনাতে, জীবাত্মা খুব দুর্বল ও ভীত ছিল। কিন্তু এই আত্মাটি এত সহজে স্তরগুলির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, যেন বরফের বল পাহাড়ের নীচ থেকে আসছে!
প্রথম স্তরে বা স্থূল-শরীরের একটু ব্যাথা ছিল। তারপর হঠাৎ বেদনা অদৃশ্য হয়ে গেল এবং জীবাত্মা প্রাণ-শরীরে প্রবেশ করল ও স্তর থেকে স্তরে প্রবেশ করতে লাগল, সে যেন এক রাজকীয় অতিথি! সে এত এত ক্ষমতাপ্তাপ্ত করেছিল যে বাসনা, অপরাধবোধ ও বেদনা তাকে একদমই আক্রমণ করতে পারল না। এমনকি কারণ-শরীরেও সে ঘুমিয়ে পড়ল না। তা এত তেজোময় ছিল এবং শেষে নির্বাণ-শরীরে প্রবেশ করল, বিলীন হয়ে অদৃশ্য হয়ে গেল!
আমি ভাবলাম এই মানুষটি নিশ্চয়ই এক ধার্মিক মণা। আমি জানতে পারলাম জিজ্ঞাসা করলাম সে আধ্যাত্মিক ছিল কিনা অথবা ধ্যান করত কিনা। তার পরিবার অবাক হ'ল ও উত্তর দিল সে তার জীবনে কোনরকম ধ্যান অথবা আধ্যাত্মিক ব্যায়াম করে নি! সে পরোপরি বস্তবাদী জীবনযাপন করেছে।
আমি ভাবলাম আমার দেখা প্রথম মৃত্যুটি অত কষ্টের কেন ছিল আর এই মত্যুটি এত সুন্দর কিভাবে হ 'ল। এখন তোমাদের যা বলতে যাচ্ছি তা এক সৎ ও সরল সত্য এবং আমি তোমাদের সেটা বলছি কারণ সেই কথা তোমাদের বলার জন্য আমার ওপরে বিরাট দায়িত আছে। দুটি মত্যুর মধ্যে পার্থক্য জানার জন্য যখন ধ্যান করলাম,
সত্য প্রকাশিত হ'ল : দ্বিতীয় মানুষটির মৃত্যুর সময়ে আমি ছিলাম একজন পরম জ্ঞানালোক প্ৰাপ্ত মনুষ্য বা জীবনমুক্ত সত্তা। দ্বিতীয় মানুষটি একজন জীবনমুক্ত সত্তার উপস্থিতিতে মারা যায়! প্রথম মৃত্যুর ক্ষেত্রে আমার উপস্থিতি ছিল না, কারণ সেই সময়ে জীবনমুক্তি বা পরম জ্ঞানালোকের শক্তি বিকিরণ করতে পারি নি। তাই প্রথম মানুষটির সাধারণত খুব কষ্ট হয়েছিল। বাধ্য হয়ে মানুষকে সুন্দরভাবে মৃত্যুপ্রাপ্ত করে।
যখন এই বিষয়টা আমার ভেতরে ঘটল, আমি আমার সত্তা থেকে এক গভীর করুণা আসতে দেখলাম। আমি অনুভব করলাম যদি আমি এই উপহার প্রতিটি মানুষকে দিয়ে যেতে পারি, তাহ'লে আমার মিশন পরিপূর্ণ হবে। কেবল একজন জীবনমুক্ত সত্তা প্রশান্ত মত্যের মত এক মুক্তি দিতে পারেন। আমি জানতাম যে কেবল শ্মশানে গিয়ে মানুষের মরবার জন্য অপেক্ষা ক রতে পারি না! তাই মৃত্যু বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করলাম এবং বুঝলাম যে মৃত্যুর সময়ে ঠিক কি ঘটে।
আমাকে ব্যাখ্যা করতে দাও :
যখন তুমি জন্ম আঁকড়ে থাক এবং স্থূল-শরীরের থাক, মাস্টারের সাথে বস্তুগত দুনিয়াকে তখন বেশি সারবান ও বাস্তব বলে প্রতীয়মান হয়। কিন্তু যখন তুমি গভীরতর অনুভূতিতে যাও, মাস্টারের অনুভূতি বাস্তব হয়ে যায়, আর বস্তুগত জগৎ অস্পষ্ট ও আবছা হয়ে যায়।
এটা রাতের স্বপ্নে স্বপ্নকে বাস্তব মনে করা এবং সেই সময়ে জাগ্রত জগৎকে অসম্পষ্ট লাগার মত। পক্ষান্তরে যখন তুমি জেগে আছ বা যখন তুমি এক উচ্চতর চেতনা সহকারে আছ, তখন স্বপ্নের জগৎকে কল্পনা মনে হয় ও বাস্তব জগৎ সজীব ও বাস্তব হয়ে যায়। স্বপ্নাবস্থায় তোমার দেখা স্বপ্নজগৎকে সজীব মনে হয়, যেন এক ফোর-ডি (4D) রঙিন সিনেমা! স্বপ্ন থেকে বেড়িয়ে এলে সমস্ত স্বপ্নকে সাদা-কালো মনে হয়।
একেরবাদ যখন তুমি কঠিন পরিস্থিতিতে জেগে ওঠ, তখন বাস্তব জগৎ সজীব ও বাস্তব হয়ে ওঠে ও মাস্টার হয়ে যায় সজীব ও বাস্তব! যখন তুমি মননের শক্তিকে উপলব্ধি করবে, মাস্টার ও অতিচেতনার শক্তি একদম বাস্তবিক হয়ে যাবে।
যখন মত্যু শুরু ঘটে, এক প্রবুদ্ধ মুক্ত উপস্থিতি মানুষটিকে সরাসরি সেই পরমাত্মার সাথে সংযুক্ত করানোর কারণ হয়ে গেল।
বোঝা, এখন এখানে যখন তুমি বসে আছ, তোমাকে মাস্টারের সেই প্রবুদ্ধ শক্তির সাথে সংযুক্ত হতে যাবার পথে বাধা কোথা থেকে আসছে? কেবল তোমার নিজের যুক্তি ও কারণগুলিই সেই বাধা দেয়।
যখন তুমি বর্তমান ঘটনার ছাঁচে, জানাব বর্তমান কিছু ঘটনার ছাঁচে, 'যদি আমি আমার অধিকার করা জিনিষগুলি ছেড়ে দিই তবে আমি নিঃস্ব হয়ে যাব!' এইরকম মনে হয়, বস্তুজগৎকে বাইরের জিনিষটিকে বাস্তব বলে মনে হয়, কিন্তু মাস্টারের কাছে এই জগতের গভীরতায় বাস্তব বলে মনে কর।
তুমি আমাকে বস্তুজগতের কম্পাঙ্কে বাঁধতে পারবে না। মত্যুর সম্মুখীন মানুষটির ক্ষেত্রে, তার মত্যুর সময় তার কাছে বাইরের জগত স্বয়ংক্রিয়ভাবে সরে যায়। সে তার চেকবুকে সই করতে পারে না বা তার গাড়ি চালাতে পারে না! বস্তুজগতে যা তাকে টেনে রাখছিল তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার কাছ থেকে সরে গেছে। যখন সে চারিদিকে তাকায়, সে কেবল আমাকে, সেই প্রবন্ধ শক্তিকে, সেই পরমজ্ঞানালোকের শক্তিকে দেখতে পায়! সে সেই শক্তিশালী আলোক শক্তিকে দুচোখ ভ'রে দেখল ও সহজেই আমায় জড়িয়ে ধরল! তার সমর্পণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে হ'ল, কারণ আমি সেই মুহূর্তে সেখানে ছিলাম। এমনকি তার ক্ষেত্রেও, যদি সে সারা জীবন ধরে করত, সে হয়ত আমার কাছে সমর্পিত হ'তে ও সংযুক্ত হ'তে ধ্বস্তাধ্বস্তি করত! কেবল যখন তার কাছ থেকে সবকিছু নিয়ে নেওয়া হ 'ল, তখন তাকে আমার সাথে সংযুক্ত হওয়া থেকে কোন কিছুই আটকে রাখতে পারল না।
ভাগবতনে একটা সুন্দর গল্প আছে :
একসময় এক ধনী ভক্ত ছিল। সে কুষ্ণুকে প্রশ্ন করল, 'আমি আরও ধনসম্পদ চাই।' কৃষ্ণ তার ইচ্ছা পুরণ করলেন। একজন গরীব মহিলাও ছিল। তার সম্বল কেবল একটি গরু ও তার ছোট্ট কুটীর। কৃষ্ণ তার ঘরে একবার গেলেন, তার পরিবেশন করা খাবার খেলেন এবং তাকে আশীর্বাদ করে চলে গেলেন। ঠিক সেই দিনে মহিলাটির গরু মারা যায়।
পরে একজন কৃষ্ণকে এই অদ্ভুত ঘটনা সম্পর্কে প্রশ্ন করে, কিভাবে একজন ধনী আরও ধন পেল আর একজন গরীব মহিলা তার একমাত্র আয়ের উৎস থেকে বঞ্চিত হ'ল!
কৃষ্ণ সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করলেন, 'রাজা যা করছিল তা সম্পূর্ণরূপে বাইরের দিকে ধাবিত ছিল। তার দেয়ালে টাঙানো ছবিগুলির দিকে দেখ, সে কেবল একটি জিনিমই সত্যি সত্যি চাইত এবং তা হ'ল আমার সাথে সংযুক্ত হওয়া এবং তার সেই পথে কেবল গরুটিই ছিল বাধা। তাই আমি সম্পর্ণভাবে আমাতে মিলিয়ে যেতে পারে!'
একেরবাদ দ্বিতীয় সূত্রানুসারে 'গরু'টিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। স্থল-শরীরে লোকজন সমাধান করতে পারছিল না। কিন্তু প্রাণ-স্তরে চেতনা এক নতুন আকাশে প্রবেশ করল শারীরিক কার্যাবলী দ্বারা মানুষরূপে। মাস্টারের উপস্থিতি এমনই এক তীব্র আলোক। সেটা এই জগৎ থেকে অনেক শক্তিশালী ও উচ্চতর কম্পাঙ্কের হয়।
লোকটি উপলব্ধি করতে পারল যে উচ্চতর কম্পাঙ্কের কিছু একটা আছে এবং তাতে সম্পর্ণরূপে সমর্পণ করল। যখন সে সমর্পণ করল, জানাব বর্তমান স্মতিগুলি তার ওপরে ক্ষমতা হারায়। ব্যক্তিগত চৈতন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়। বাসনা, অপরাধবোধ, বেদনা, সুখ, সবকিছু মাথা নত করে। জীবাত্মার কম্পাঙ্ক সরাসরি বেড়ে যায়।
বাধ্য, যখন তুমি মুক্ত ও স্বাধীন রূপ, তোমার ওপরে দুশ্যের কোন ক্ষমতা থাকে না। এটাই মৃত্যুবিজ্ঞান।
প্রথম মৃত্যুটির ক্ষেত্রে দুশ্য দ্রষ্টার চেয়ে শক্তিশালী ছিল। দ্বিতীয় মত্যুর ঘটনার ক্ষেত্রে, দ্রষ্টা দুশ্যের চেয়ে শক্তিশালী ছিল।
এই বিজ্ঞান কিভাবে অন্যদের মধ্যে সঞ্চারিত করা যায় তা নিয়ে আমি গভীর ধ্যান করলাম। হঠাৎ আমার কাছে এক উন্মোচন ঘটল।
বোঝা, স্থান ও কাল দ্বারা শক্তি সীমাবদ্ধ নয়। শক্তি যেন আকাশে সর্বদা বিদ্যমান থাকা ক্তিম উপগ্রহের তরঙ্গের মত। তোমার একটা মডে-জেনের জন্য জীবন ধারণের জন্য তুমি ক্রান্টিকেল বিজ্ঞান করতে পারতে একটা ফ্যাক্টর হিসাবে। একজন জীবনমুক্ত সমাজের নাকি মাস্টারের মহাশক্তি পরিবার হয়ে থাকে। শুধুমাত্র মানুষই আধ্যাত্মিক রমণে-জেনে বন্দনা করে একজন মহান শিক্ষক স্থাপন। তুমি যখন একটা বইকে একটা বোতাম টিপে বানিয়ে দিলে, মানুষটি এর ছেড়ে যাবার সময় এর সাথে সংযোগ করতে পারবে।
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM হলেন তিনি, যিনি তাঁর আধ্যাত্মিক ও বৈজ্ঞানিক বিজ্ঞানটিকে অপরের অন্তর্দেশে প্রকাশিত করানোর জন্য ফর্মুলা (সুত্র) তৈরি করেন। এমনই এক ফর্মুলা হ'ল 'লাইফ ব্লিস প্রোগ্রাম লেভেল টু', এটাকে 'নিত্যত্ব ক্যুন (Bharat বর্ষের গ্রাহ্য কারোর মন ও বর্ষা নির্মাণ করে পেসমেকার বসানো হয়।
পেস্মেকার বসানোর সঙ্গে আমি Bharat কে কি রায়, তুমি আনন্দিত হতে না কেন, তোমার মধ্যে কোন ভবিষ্যত না কেন, আমি যেখানেই থাকিব তুমি সেখানে থাকিবে ও তুমি যা ডাকবে আমি তা শুনব। আমি যা করব তোমরা তাই দেখিবে। বর্তমান কাল হল এই, যখন যা বলব তুমি যা শুনবে আমি তাই করিব। বর্তমানকালে যখন তুমি মনন এড়াতে (গেললেও, আমি সবসময় সাথে থাকব, কারন যারা সরাসরি আমার এই কথা শুনছে তাদের কাছে এটা আমার অঙ্গীকার।
যখন আমি এই প্রযুক্তি তৈরি করলাম, আমি বুঝলাম, যাদের সাথে আমি তা শেয়ার করলাম, তারা জীবনের শেষদিকে শান্তি পায়, যেখানে যার মন জীবন ও রায় স্থিতিশীল বিশ্বাস, মুক্ত ও আনন্দময়।
বোঝা, তোমার সত্তা থেকে গভীরভাবে ( ( ) মিল স্পূর্ণিলিটক মসৃণ নিলে জানান জীবন ও মন ডেডিউড ওয়ালাকাস রায় উদ্যত। তোমার স্বাস্থ্য ভাল হয়, তুমি ধনসম্পদ ও মুক্ত মন মন্না বাক্যে না করেন কারণ সত্তার কম্পাঙ্কই ভিন্ন হয়ে গেছে।
তোমার ভিতরে পেস্মেকার বসানো হ'লে তুমি নির্বাণ-শরীরে রিল্যাক্স করবে। তখন তোমার পছন্দ করার স্বাধীনতা আছে : সচেতন মন রায় বর্তমান বাধকণী জন্ম নিতাম অথবা ভবিষ্যতের দিকে থাকা। দেহধারণ না করা।
শেষ মুহূর্তগুলিতে তুমি কি স্মরণ কর তা গুরুত্বপূর্ণ
ভবিষ্যৎ বিদিকে সুন্দর গল্প আছে :
জড়ভরত নামে এক ঋষি ছিলেন। তাঁর দ্বারা উদ্ধার করা একটি হরিণের ওপরে তিনি আসক্ত হয়ে পড়েন। তিনি এক ত্যাগীর জীবন যাপন করছিলেন, কিন্তু এই হরিণটির ওপরে আসক্ত হয়ে পড়লেন।
সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তিনি সেই হরিণটির যত্ন করার জন্য বাস্তব শাস্ত্র শাস্ত্র জিনিষ ভুলতে পারলেন না। তিনি হরিণটিকে নিয়ে চিন্তায় ছিলেন, 'আহা! কে হরিণটার দেখাশুনা করবে? আমি মরে গেলে ওর কি হবে?'
তিনি মারা গেলেন ও পরের জন্মে হরিণ হয়ে জন্মালেন।
সুতরাংবা দেবে সুন্দর রায়দের, তোমার শেষ মুহূর্তে তুমি যা ভাব, তুমি তাই হও!
কিছু মানুষ কঠিনভাবে মনে করত, 'আমি যাযাবর কার্ড বানিয়ে মাস্টার জনসমক্ষে জীবন মানব কল্যাণে দিব। ভগবানকে স্মরণ করব এবং তাঁর নাম আওড়ে কোনভাবে স্বর্গে প্রবেশ করব।' দয়া করে স্পষ্ট করে বলা যায়, জানাব যখন জীবাত্মা রূপে যা চিন্তা করেছ, দেহ ছেড়ে যাবার সময় কেবল তাই সামনে আসবে। ভেবো না যে মৃত্যু কালে তুমি সেই খেলাটি খেলতে পারবে! না!
দেহত্যাগ করার সময়, প্রকৃতপক্ষে তোমার সমস্ত শরীর খুব যন্ত্রণায় থাকবে, কারণ তোমার জীবনের আশি বা নব্বই বছর যা তোমার সামনে দিয়ে দুশ্যগুলিকে দ্রুতগতিতে চলে যায়। জানাব যা কিছু অভিজ্ঞতা তুমি পূর্বে অর্জন করেছ, কেবল সেগুলিই মাসদন আসবে। তোমার আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতাগুলি বহু রঙে তোমার সামনে আসবে।
দয়া করে বলা যায়, যখন জীবন 'চিন্তাবিনা সচেতনতা'-ই সবচেয়ে শক্তিশালী অভিজ্ঞতা হতে পারে। এমনকি এক মুহূর্তের জন্যেও যথেষ্ট। স্বভাবত দেহত্যাগ করার সময়ে সেগুলি মাসতন পতন ঘটবে। মন ও চিন্তা কাজ করবে এবং তুমি চৈতন্যে প্রবেশ করতে সমর্থ হবে।
মৃত্যুর সময় সম্পর্কে আরেকটা জিনিষ বোঝার আছে। যদি কোন মানুষ স্বাভাবিকভাবে না ম'রে থাকে, যদি তার অকালমৃত্যু হয় বা সে যদি আত্মহত্যা করে এবং যদি তার মৃত্যুর পূর্বে মডেণ্ডন বর্ণিত না রায় তাহলে, তবে জারক নতুন জন্ম নেওয়ার আগে বারো বছরগুলি অপেক্ষা করতে হবে। আত্মা তখন শরীর ছাড়া বাস করবে।
উদাহরণস্বরূপ, এই দেহধারণ করার সময় যদি কেউ এই শরীরে নব্বই বছর বাঁচার সিদ্ধান্ত সিদ্ধান্ত রায় থাকে তবে জানো ভিন্ন যাচ্ বর্ষ বয়সে আত্মহত্যা করে থাকে, তাহ'লে পরের জন্ম পাওয়ার জন্য তাকে সেই বিষ বছর বছরক্ষণ করতে হবে ও সেই জিনিস বহন করতে হবে যাকে শরীর ছাড়া কষ্ট পেতে হবে। যদি জীবনকালের নরক এড়িয়ে যাবার জন্য মানুষটি আত্মহত্যা করে থাকে, তবে শরীর ছাড়াই নরকে তাকে জোর করে নিয়ে যাওয়া হবে। কেবল কল্পনা করো, শরীরে কি কি কম্পন থাকবে। তাই কখনও কখনও এটিকে জীবনের সমাধান বলে কখনও বিবেচনা করবে না।
সাধারণত মানুষেরা আত্মহত্যার কথা কেন ভাবে? কারণ তারা ভাবে যে জীবন এক যন্ত্রণা, এক কষ্ট। কিন্তু যদি জানা আত্মহত্যা করে, তারা উপলব্ধি করবে যে আত্মহত্যার পরে যন্ত্রণা আরও অনেক বেশী হয়।
এটা এই রকম : ধর, তোমার সামনে মিষ্টি আছে। কিন্তু যদি জানাব স্বাদ নেবার জন্য জিভ না থাকে অথবা মিষ্টিকে ধরে মুখে দেবার জন্য হাত না থাকে, তাহলে তোমার কত কষ্ট লাগতে পারে। একই কারণে, সমস্ত পৃথিবী তোমার সামনে থাকবে, কিন্তু তাকে উপভোগ করার জন্য তোমার শরীর থাকবে না এবং আত্মহত্যা করার কারণে পরের দেহ ধারণ করার জন্য কেবল ভেঙ্গে বেড়াতে থাকবে।
আমার নিজের মৃত্যুর অভিজ্ঞতা
বারাণসীতে আমার নিজের সচেতন মত্যুর অভিজ্ঞতার কথা তোমাদের বলি।
আমি সবসময়ে ভাবতাম যে আমার একটা মত্যুর অভিজ্ঞতা হওয়া উচিৎ, মত্যুর মুখোমুখি হওয়া উচিৎ। কিন্তু সেটা কখনও অগ্রাধিকার হয় নি। কোন অভিজ্ঞতা হওয়ার জন্য, সম্বন্ধিত চিন্তাগুলিকে অগ্রাধিকার পাওয়া সেটাকে কেবল মনের এক কোণায় রাখলে হবে না।
সাধারণত আমাদের তালিকাতে থাকে ধোয়া, পরিষ্কার করা, ভাড়া দেওয়া, ফোনের বিলের দাম দেওয়া এবং সবশেষে সময় থাকলে জীবনমুক্তিও! না! জীবনমুক্তি এইভাবে হবে না। কেবল যখন তাকে উচ্চতম অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, কেবল যখন আকাঙ্ক্ষা হয়ে যাবে তীব্র ও অত্যাবশ্যক তখন তোমার মধ্যে সেই অভিজ্ঞতা ঘটানোর জন্য তোমার চারপাশের সবকিছু নিজে থেকেই মানিয়ে নিবে। বাণীর ক্ষেত্রেও জীবনমুক্তির ব্যাপারেই সত্য।
বোঝা, যদি তুমি অভিযোগ কর যে তুমি যা ইচ্ছা করছ তা ঘটছে না, তার কারণ সেটা তোমার অগ্রাধিকার-তালিকায় সবচেয়ে ওপরে নেই, আর কিছু না। তার জন্য অন্য কিছুকে ও অন্য কাউকে দোষারোপ করা উচিৎ নয়। তুমি যা জানো, তুমি যা খুজছো, তুমি যা মনে করো, সব কিছুই যদি সমান অগ্রাধিকার পায়, সত্তাতে এক শক্তির খেলা হয় এবং সেটা সহজেই ঘটবে। তার আগে পর্যন্ত, সেটা তোমার জন্য অপেক্ষা করতে থাকবে, ব্যাস। মৃত্যুর অভিজ্ঞতা পাওয়াকে আগে আমি উচ্চতম অগ্রাধিকার দিই নি এবং তাই যে করেই হোক তা পিছিয়ে যাচ্ছিল।
আমার পরিব্রজ্যার দিনগুলিতে আমি হিন্দুদের পবিত্র বারাণসীতে রোজ প্রায় দুই লাখ মানুষ প্রতিদিন বাইরে থেকে আসে। আর সেখানে পবিত্র গঙ্গা নদীর তীরে মণিকর্ণিকা ঘাটে মতদেহ দাহ করা হয়। ঐতিহ্যগতভাবে বিশ্বাস করা হয়, যদি বারাণসীতে কেউ মারা যায় অথবা কারো মতদেহ দাহ করা হয়, সে মুক্তি পাবে। তারা সরাসরি পরম জ্ঞানালোক প্রাপ্ত করবে ও মুক্ত হবে।
এটা অতীব্দ্রিয়বাদী শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস জোর দিয়ে বলেন যে সেটা তাঁর নিজের অভিজ্ঞতা। তিনি বলেন, 'আমি স্পষ্ট করে দেখলাম শিব নিজে সমস্ত জ্বলন্ত মতদেহের কাছে যান, তাদের আত্মাকে শরীর ও মন থেকে আনক্লাচ করান এবং তাকে মুক্ত করেন।' তাই তুমি এটাকে পৌরাণিক বিশ্বাস বলে উড়িয়ে দিতে পার না। এটা একজন জীবনমুক্ত মাস্টারের বিরাট এক অভিজ্ঞতা।
আমার মণিকর্ণিকা ঘাটে যাবার সৌভাগ্য হয়েছিল। কেবল ঐতিহ্যগতভাবে বিশ্বাস করাই নয়, কিন্তু এটা সত্য যে গত ২০০০ বছর ধরে সেখানে চিতার আগুন কখনও নেভে নি।
মণিকর্ণিকা ঘাটে মতদেহ নিয়ে আসার সময় মানুষ কখনও আগুন নিয়ে আসে না। আগুন তো সেখানে সর্বদাই জ্বলছে এবং তা থেকে একটু আগুন নিয়েই তাদের মৃতদেহকে দাহ করতে হবে, ব্যাস। আগুন মতদেহগুলিকে অবিশ্রাম দাহ করতে থাকে। কখন সখন আমি দেখতাম দুই বা তিনটি দেহকে একই সময়ে পোড়ানো হচ্ছে, কারণ সেখানে বহু মৃতদেহ আসতে থাকে!
বিশেষ করে সন্ধ্যার সময়ে দেহের সংখ্যা বেড়ে যায়। মৃত্যুর জায়গা থেকে লোকেরা মৃতদেহকে নিয়ে পায়ে হেঁটে আসে। তারা সংকীর্তন করতে থাকে, 'রাম নাম সত্য হায়, রাম নাম সত্য হায়'। তার অর্থ ভগবান রামের নামই পরম ও চির সত্য। সন্ধ্যার মধ্যে তারা মণিকর্ণিকা ঘাটে পৌঁছাবে।
সেখানকার দৃশ্য, সেখানে থাকার অভিজ্ঞতা, আমি তোমাদের ভাষায় বর্ণনা করতে পারব না। তোমাকে সেখানে গিয়ে তা অভিজ্ঞতা করতে হবে!
তোমাদের সততার সাথে বলি, কেবল সেখানে মৃত্যুভয় চলে গেল। তুমি সেখানে রোজ অনেক মৃতদেহ ক্রমাগত দাহ হ'তে দেখবে। তুমি অনুভব কর, 'আমিও একদিন এইভাবে চলে যাব....ঠিক আছে', ব্যাস! তুমি ভাববে তোমাকে সঙ্গ দেবার জন্য অনেকে আছে! এটা যেন তোমার আরও একটি যাত্রামাত্র, ব্যাস্। মৃত্যু সম্বন্ধে তুমি আর একাকী বোধ করবে না।
জীবনে তুমি হয়ত একটি কি দুটি মৃতদেহকে দাহ হ'তে দেখেছ, তাই তোমার মৃত্যুভয় থেকে মুক্তি নেই। তারা দেহটাকে নিয়ে আসে এবং সিধা গঙ্গায় তিনবার ডোবায় 'রাম নাম সত্য হায়, রাম নাম সত্য হায়, রাম নাম সত্য হায়' বলতে বলতে। এই সময়ের মধ্যে আগুন তৈরি এবং কাঠের ব্যবস্থা করা হয়ে যায়। তারা দেহটাকে জল থেকে নিয়ে এসে সিধা তাকে পুড়িয়ে ফেলে, ব্যাস !
একটা অদ্ভুত জিনিষ তুমি সেখানে দেখবে যে মতের কোন আত্মীয়স্বজন সেখানে থাকবে না ও কোন আচার অনুষ্ঠান করা হবে না। যেই মুহূর্তে তারা দেহটাকে গঙ্গায় ডোবানোর পরে দাহ করার জন্য আগুনে রাখে, তারা চলে যায়, ব্যাস! যারা ঘাটে কাজ করে তারাই বাকী কার্য সম্পন্ন করে। তুমি জানবে না তোমার আনা মৃতদেহকে সম্পূর্ণ পুড়তে কতক্ষণ লেগেছিল। সেখানে লম্বা লাইন থাকবে ও দেহগুলিকে একটার পর একটা পোড়ানো হ'তে থাকবে।
আমি মনে মনে ভাবলাম, 'আমি এখানে বসি।' আমি ঘাটে বসলাম। অনুভব করলাম যে মৃত্যু কোন অজানা ঘটনা নয় এবং তা কেবল কিছু আত্মীয় ও বন্ধুদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আমি সেখানে ব'সে ব'সে একটার পর একটা মতদেহ আসতে দেখলাম। সেটা যেন দুনিয়ার নানারকম লাইনের মতই একটা লাইন। নানা আকারের, লিঙ্গের, বয়সের এবং জাতের মৃতদেহ আসতে লাগল কেবল লেলিহান শিখায় পুড়ে ছাই হবার জন্য।
যখন তুমি অনবরত মৃতদেহগুলিকে দাহ হ'তে দেখবে, মৃত্যুর প্রতি তোমার কদর একদম কমে যাবে! এখন পর্যন্ত মৃত্যু বিষয়ে অনেক সম্ভ্রম, অনেক ধারণা আছে। সেটাই সমস্যা। এটাই তো মৃত্যু, যে শ্বাস ভিতরে নেওয়া হ'ল, আর বাইরে এল না, ব্যাস। এর সম্পর্কে আর বিশেষ কিছু করার নেই। তুমি একে তাড়াতাড়ি আগেও করতে পার না, শীঘ্র পিছনেও করতে পার না।
এই দৃশ্য অনবরত দেখতে দেখতে প্রথমদিকে আমার বাকী থাকা সামান্য মৃত্যুভয়ও চলে গেল এবং ধীরে ধীরে আমি ঘটনাগুলিকে দেখতে আরও কৌতুহলী হ'লাম। যারা চিতাগুলি পরিচালনা করছিল, আমি তাদের কাছে গেলাম ও তাদের সাহায্য করতে লাগলাম। তাদের মনে হত যেন 'একদিন আমার এই শরীরটাও এই মৃতদেহটি পোড়ার মত পুড়বে।'
যখন তুমি স্মরণ কর যে তোমারও মৃত্যু হবে, দেখবে, আমিত্বের ওপরে তোমার কদর কমে যাবে। কারণ, যখনই চিন্তা কর, কোন একটা কিছুর কখনও তোমাকে ছেড়ে যাওয়া উচিৎ নয়, সেটা তোমার আমিত্ব ছাড়া কিছুই নয়। যখন আমিত্ব কমে যায়। আমার আমিত্বের ওপরে আমার যে সম্ভ্রম ছিল, তা আমায় ছেড়ে গেল।
তারপর আমি ঠিক করলাম, 'আর যাই হোক আমি তো একদিন মরবই। হয় এখনই আমার আমিত্বকে ত্যাগ করব, নয়ত আমার শরীরটাকে ত্যাগ করব। যদি আমি সত্যি সত্যি এখন মারা যাই, ব্যাস।' আমি সিদ্ধান্ত নিলাম, যা ঘটবে আমার মধ্যে ঘটা মৃত্যুকে দেখতে হবে।
এক কোণাতে শিবের একটা ছোট মন্দির ছিল এবং মন্দিরের ওপরে একটা ছোট টোওয়ার বা মিনার ছিল। কেউ যাতে আমায় বাধা না দেয়, সেটা ভেবে আমি মিনারটিতে উঠলাম ও বসে পড়লাম। মতদেহগুলির দাহ হওয়া দেখতে লাগলাম।
আমার এখনও সেই শক্তিশালী ক্লিক, গভীর উপলব্ধি আছে যা আমাকে এক বিরাট অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
এক বৃদ্ধা মহিলার দেহ জুলোনো হচ্ছিল। তার বিরাট পেট। তার কাপড়চোপড় সব পুড়ে যায় এবং তারপর তার পেটের চর্বি গলতে শুরু করে। বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করার জন্য দুঃখিত, কিন্তু আমার শক্তিশালী অভিজ্ঞতাকে ব্যাখ্যা করার জন্য তা আমাকে করতেই হবে! আমি পরিষ্কার দেখতে পেলাম তার চর্বির জন্য আগুন আরও তেতে উঠল। তা আমাকে একটা খুব শক্তিশালী ক্লিক দিল, 'একদিন তোমার শরীরটার সাথেও হবে!'
সেই ক্লিকৃ আমার ভিতরে মৃত্যুর প্রতি এক গভীর ভয়কে খুলে ধরল। সেই ভয় আমার ভিতরে গর্জন করতে লাগল। আমি সচেতনভাবে সেই ভয়ের মুখোমুখি হ'লাম। আমি স্পষ্ট দেখতে পেলাম ভয় আমার সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে এবং যখন তা আমার সজাগতাতে আঘাত করল, সেটাই আমার মৃত্যুর অভিজ্ঞতা হয়ে গেল। আমি আমার মৃত্যুর এক সচেতন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেলাম এবং তার থেকে ফিরে এলাম।
বোঝ, যখনই তোমার ভয়কে অবদমিত করে রাখ, তা তোমার ভিতরে থেকে যায়।
যখন সেই ভয় সামনে এসে পড়ে এবং তুমি সচেতনভাবে তার মুখোমুখি হচ্ছে না, তা এক ভয়-আঘাত বা ভয়-স্ট্রোক হয়ে যায় এবং সেটা তোমার সমস্ত স্নায়ুতন্ত্রকে ঝাঁকাবে ও ভেঙ্গে ফেলবে।
যখন ভয়-আঘাত অচেতনভাবে ঘটে, তখন হওয়া যায়, তা এক ভয়ের অভিজ্ঞতা হয়ে যায়, ব্যাস।
যদি তুমি মৃত্যুভয় থেকে পালিয়ে যাও, যখন গভীর ভয় ঘটে, তা মৃত্যু হয়ে যায়। যখন তুমি সচেতনভাবে সেই গভীর ভয়ের মুখোমুখি হও, তা মৃত্যুর অভিজ্ঞতা হয়ে যায়।
মৃত্যুভয়ের সাথে অচেতনতা যোগ করলে হয় অবদমন বা বিকৃতি।
মৃত্যুভয়ের সাথে অচেতনতা যোগ করে তুমি যদি অবদমন না কর অথবা তার মুখোমুখিও না হও, তাহ'লে সেটা এক ভয়-স্ট্রেটাক বা মানসিক দেবত্বে পৌঁছে দেয়, কারণ তুমি আতঙ্কপীড়িত ও ত্রাসিত হও।
মৃত্যুভয়ের সাথে সচেতন সজাগতা যোগ করলে মৃত্যুর অভিজ্ঞতা হয়।
আমি স্পষ্ট করে ভয়ের উদয় হতে দেখতে পেলাম। যখন আমি সচেতনভাবে সজাগতা সহকারে তার মুখোমুখি হ'লাম, তা আমার মৃত্যুর অভিজ্ঞতা হয়ে গেল। দেহের মৃত্যু হ'ল। সেটা ছিল অনড়।
আড়াইদিন ধরে আমার কোন আহার, জল, চিন্তা, প্রশ্ন ও সন্দেহ, কিছুই ছিল না। কেবল শরীরটা পড়ে রয়েছে। কেবল সেই অভিজ্ঞতা হয়ে যাবার পরে আমি উপলব্ধি করলাম যে আমি সেইভাবে আড়াইদিন ধরে আছি! আমি চোখ বন্ধ করে দেখতে পেলাম যে দেহটা মৃত এবং তাতে কোন নড়নচড়ন নেই। সেই আড়াইদিন পরে হঠাৎ আবার ক্লিকৃ হয়, 'হে ভগবান! দেহটা মৃত, কিন্তু আমি তা সত্ত্বেও বিদ্যমান আছি! আমি আছি!' সেই স্পষ্টতা যখন ক্লিক করল, যা বর্ণনাতীত পরমানন্দ হয়ে গেল! মৃত্যুভয় আমার সিস্টেম থেকে সর্বকালের জন্য ছেড়ে গেল।
আমি ভাবাবেশে ও পরমানন্দে ছিলাম! ধীরে ধীরে আমি চোখ খুললাম এবং আমি শরীরকে নাড়াতে সক্ষম হ'লাম। প্রথম জিনিষ যেটা অনুভব করলাম তা হ'ল উচ্ছ্বাস ও কৃতজ্ঞতা। আমি উঠলাম, কমণ্ডলুতে গঙ্গাজল ভরলাম, আগুন থেকে কিছু ভস্ম নিলাম এবং সোজা কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে গেলাম। আমি শিবলিঙ্গের কাছে গেলাম, যে ভস্ম নিয়ে এসেছিলাম তা অর্পণ করলাম এবং অবর্ণনীয় কৃতজ্ঞতার সাথে পূজা করলাম। আমি দেখলাম যে সেখানে বিশ্বনাথ জাগ্রত হয়ে অবস্থান করছেন!
বোঝ, যেহেতু আমি মারা গেলাম, বিশ্বনাথ জীবন্ত হ'লেন! তার আগের দিন পর্যন্ত, যেহেতু তখনও আমি জীবিত ছিলাম, বিশ্বনাথ কেবল এক সাধারণ পাথর হয়ে ছিলেন। আমি ভাবতাম যে এই পাথরের টুকরোটাকে স্পর্শ করার জন্য দূর দূর থেকে হাজার হাজার মানুষ আসছে! আমি ভেবেছিলাম যে বিশ্বনাথের বিগ্রহ এক সাধারণ পাথর। 'আমি' বেঁচে থাকার জন্য আমি সেই প্রকার অনুভব করেছিলাম। আমি মরে গিয়ে পরিষ্কার দেখলাম, তিনি জাগ্রত, জীবন্ত!
কেবল একজন বেঁচে থাকতে পারে, হয় তিনি অথবা তুমি। যখন তুমি সত্যকে দেখ, তিনি জীবন্ত হয়ে যান। তখন তুমি, এখনকার জ্ঞান অনুযায়ী, আর আগের মত জীবন্ত থাকবে না। মৃত্যুভয় আমাকে সর্বকালের জন্য ছেড়ে গেছে। আমি বলতে পারি, এটা আমার শক্তিশালী অভিজ্ঞতাগুলির মধ্যে একটি যা জীবনমুক্তির চরম অভিজ্ঞতার খোঁজ করার জন্য আমাকে রূপান্তরিত করে।
মৃত্যুর সময় কি হয়
দেহ ত্যাগ করার সময় ঠিক কি ঘটে? এর উত্তর একজন জীবিত মানুষ দিতে পারে না, কারণ মৃত্যুর অভিজ্ঞতা সে করেনি। একজন মৃত ব্যক্তিও সেই উত্তর দিতে পারে না, কারণ তার অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করার জন্য সে ফিরে আসতে পারে না।
কেবল THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-ই বলতে পারেন মৃত্যুর সময় ঠিক কি হয় সেই সম্মন্ধে বিস্তৃতভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেন।
আমি এখন মৃত্যু রহস্য প্রকাশ করতে চলেছি। হয়তো এটা শুনতে আজগুবি লাগতে পারে। কিন্তু এটা সত্য। তুমি তা বিশ্বাস কর কি না কর, গ্রহণ কর কি না কর, মৃত্যুর সময় এটাই ঘটে।
আমাদের কেবল একটা শরীর নেই। স্থূল-শরীর, প্রাণ-শরীর, মন-শরীর, আকাশ-শরীর, কারণ-শরীর, মহাকারণ-শরীর এবং নির্বাণ-শরীর নামে আমাদের সাতটা শরীর আছে। কেবল স্থূল-শরীরকেই সাধারণ চোখে অনুভব করা ও দেখা যায়। যাই হোক, আমরা বাকি শরীরগুলোকে আমাদের অনুভূতি, উপলব্ধি ও মনের বিকাশের মাধ্যমে অনুভব করতে পারি। এই শরীরগুলি মুক্তভাবে বিদ্যমান, যদিও তাদের সাধারণ চোখে দেখা বা অনুভব করা যায় না।
সাতটি স্তরের এক সহজ বর্ণনা এখানে দেখানো হ'ল।
প্রত্যেকটি শরীর একটি আবেগের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকে। স্থূল-শরীর জীবনে উদয় হওয়া সমস্ত বাসনাকে ধরে রাখে। মন-শরীর জীবনে অভিজ্ঞতা করা সমস্ত অপরাধবোধের অনুভূতিগুলিকে ধরে রাখে। আকাশ-শরীর জীবনে অনুভূত সমস্ত মানসিক বেদনাগুলিকে ধরে রাখে।
আত্মা দেহ ছেড়ে যাবার সময় সমস্ত সাত স্তরের মধ্য দিয়ে যায়। স্থূল-শরীরের মৃত্যু হয়। কিন্তু, বাকি ছয়টি শরীর পরোপরি মারা যায় না। যদি তুমি জীবনে জনক বাসনা ধরে রাখ, তা প্রাণ-শরীরের ধরা থাকে। তাই স্থল-শরীরের মৃত্যু হ'লেও প্রাণ-শরীরের মৃত্যু হয় না। জীবনীশক্তি প্রাণ-শরীর ছেড়ে যাবার সময় সত্তা প্রচণ্ড কষ্ট অভিজ্ঞতা করে।
যখন তুমি স্থূল-শরীর ত্যাগ করতে চলেছ, তোমার চেতনা দেহ থেকে ছিন্ন হবে এবং তুমি প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করবে। ব্যথা অনুভব না করার জন্য কোমা এক স্ব-সুরক্ষামূলক প্রক্রিয়া। যদি বেদনা খুব বেশি হয়, তুমি সহ্য করতে পার না এবং তুমি আপনা আপনি কোমাতে চলে যাও।
তুমি শরীরের প্রথম স্তর থেকে দ্বিতীয় স্তরে গেলে, সমস্ত অপূর্ণ বাসনা সমুহ, তুমি যা করতে চেয়েছিলে কিন্তু পারনি, যা সামনে চলে আসে। এটা ঘটলে যেন দশজন তোমাকে চতুর্দিক থেকে মারছে। সমস্ত কোণাতে কোণাতে কোন বাসনা তোমাকে শরীর ছেড়ে যেতে চেষ্টা করছে, আর তোমার সব বাসনাগুলি তোমাকে শরীরে আবার প্রবেশ করতে জোর করছে যাতে তুমি তাদের উপভোগ করে পুরণ করতে পার।
একদিকে বাসনাগুলি তোমাকে আবার শরীরে ঢোকার জন্য জোর করবে যাতে তুমি সেইসব উপভোগ করতে পার, অন্যদিকে শরীর বলবে, 'না! আমি ক্লান্ত। আমি আর তোমাকে ধরে রাখতে পারছি না, ছেড়ে দাও!' মৃত্যুর সময়ে এভাবে টানাহিঁচড়া চলে। এই টানাহিঁচড়া হ'ল তোমার বাসনা ও দেহের মধ্যে লড়াই।
যে করেই হোক তুমি প্রাণ-শরীর থেকে বেড়িয়ে পড় এবং মন-শরীরে প্রবেশ কর। মন-শরীরে প্রবেশ করার সময় সমস্ত অপরাধবোধ সামনে আসে। যা যা করা উচিৎ ছিল বলে তুমি ভেবেছিলে, কিন্তু সেভাবে না বাঁচার জন্য অপরাধবোধ, সমস্ত ভুলগুলির জন্য অপরাধবোধ, সমস্ত অনুশোচনা, সবকিছু সামনে ভেঙে উঠবে।
মায়া হ'ল বাসনা, বাসনা হ'ল অপরাধবোধ। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে উভয়ই এক। যেভাবে আমরা বাঁচতে চাই তা হ'ল বাসনা এবং যেভাবে বাঁচতে চেয়েছিলাম কিন্তু পারি নি, তা হ'ল অপরাধবোধ। অপরাধবোধ হ'ল আমাদের নিজেদের বিচার করা।
এইভাবে শরীরের বিভিন্ন স্তরের মধ্য দিয়ে যাও।
অপূর্ণ বাসনা যত কম হয় প্রাণ-শরীর তত হালকা হয় ও তাকে ছেড়ে যাওয়া সহজ হয়। একইরকমভাবে যত কম অপরাধবোধ হয়, মন-শরীর তত লঘু হয় ও তাকে ছেড়ে যাওয়া সহজ হয়।
আরেকটা ব্যাপার, যখন বাসনা, অপরাধবোধ ও বেদনা কম গভীর হয়, তুমি যে কেবল সহজভাবে মৃত্যুবরণ করবে তাই নয়, তোমার বদ্ধ হওয়াও মধুরভাবে ঘটতে থাকবে। জীবনের শেষ ভাগে পূর্ণতার সাথে বাস করতে পারা জীবনের চরম উপহার।
আমাদের জীবনে সংগৃহীত সমস্ত অপরাধবোধগুলি মন-শরীর দিয়ে যাবার সময় সামনে আসে। তারপর আমরা আকাশ-শরীরে যাই, যা আমাদের সমস্ত মানসিক বেদনাকে জমা করে রাখে। জীবনে পাওয়া মানসিক আঘাতগুলি এখানে জমা করা আছে।
এইভাবে শরীরের প্রতিটি স্তরে তাদের নির্গমন স্থান পায়। আমাদের শাস্ত্রে বিভিন্ন শরীরগুলোর জন্য আলাদা করে কোন জায়গা নেই। নরক ও স্বর্গ কোন ভৌগলিক অবস্থান নয় কিন্তু সেগুলি নিছক মনস্তাত্ত্বিক আকাশ।
প্রথম চারটি শরীর স্থূল সিস্টেমের সাথে সম্পর্কিত। তারা সেই জীবনে অভিজ্ঞতা করা বাসনা, অপরাধবোধ ও বেদনার সমস্ত এন্গ্রামগুলিকে জমা করে রাখে। পঞ্চম শরীরকে গভীর নিদ্রাতে ও মৃত্যুর সময় অভিজ্ঞতা করা হয়। ষষ্ঠ শরীর সুখ-স্মৃতিগুলির সাথে সংযুক্ত যা তোমাকে সুখী করে ও সুখকে অতিক্রম ক'রে, পরম চৈতন্য দেয়।
দয়া করে বোঝ, সুখস্মৃতির আসক্তিও আমাদের জন্ম-মৃত্যুর চক্রে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। সুখস্মৃতি অভিজ্ঞতা করার বাসনা আমাদের টেনে রাখে ও আমরা বারবার জন্ম নিই।
বোঝ, আনন্দ ও সুখের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। সুখ বাইরের জগতের কারণের জন্য হয়। উদাহরণস্বরূপ, প্রিয় মিষ্টি খাওয়ার সময় অনুভব কর যে মিষ্টিটি তোমার সুখের কারণ। কিন্তু একটি বিশেষ জিনিস যা তোমাকে প্রতিবার খাবার সময়ে সুখ দেবে না? তুমি কি সেই মিষ্টি অনেক বেশি বেশি করে খেতে পারবে? তুমি কি তার থেকে পালাবে!
সুখ হ'ল ক্ষণস্থায়ী একটি অনুভূতি। আনন্দ বা সপ্তম শরীর সত্য ও শাশ্বত। আনন্দ বিনা কারণে ঘটে, আনন্দ স্বতঃস্ফূর্ত ঘটনা। এটা যেন বিনা কারণে ফোয়ারা।
প্রকৃতপক্ষে তোমার প্রিয় মিষ্টি তোমাকে সুখ দেবার কারণ হ'ল তা তোমাকে তোমার ভিতরের আনন্দের সংস্পর্শে যাবার জন্য সচেষ্ট হয়। কিন্তু সেই সুখ বাইরের বস্তু সৃষ্টি করে। সুখ কেবল সেই কয়েকটি মুহূর্তের জন্য, যখন তুমি তোমার ভিতরের আনন্দের সংস্পর্শে আস।
শরীর যত শুদ্ধ হয়, তা তত হালকা হয় এবং সেখান থেকে জীবনীশক্তির বাইরে আসা বিভিন্ন শারীরিক স্তর থেকে তত সহজেই দেহ থেকে বাইরে আসে।
মৃত্যু প্রতিদিনই ঘটে
প্রতিবার ঘুমিয়ে পড়লে সাত শরীরের মধ্যে প্রথম চারটি শরীর - স্থূল, প্রাণ, মানসিক ও আকাশ - কাজকর্ম করা বন্ধ করে দেয়। কারণ শরীর আমাদের নবচেতনার সাথে সম্পর্কযুক্ত, যা আমাদের জাগ্রত ও নবতেজোদ্দীপ্ত ক'রে তোলে। তাই যতক্ষণ না তুমি বাকি শরীরগুলোকে জয় করছ, ধরে নাও 'মৃত্যু' প্রতিদিন ঘটতে থাকে। তোমার দৈনন্দিন ঘুমের অবস্থায় এটাই ঘটে।
যদি তুমি বাকি সব কটা শরীরকে জানতে ও তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পার, তবে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়।
যদি বাকি বাসনাকে পূর্ণ করার জন্য জীবনীশক্তিকে আরেকটা শরীর ধারণ করতে ফিরে আসতে হয়, তা তখন সপ্তম স্তর বা নির্বাণ-শরীরে প্রবেশ করে এবং বাসনা পূরণ করার জন্য আরেকটা দেহ ধারণ করতে ফিরে আসতে হয়, তা হ'ল মৃত্যু।
জাগ্রত দুনিয়া বনাম স্বপ্নের দুনিয়া
যখন তুমি স্বপ্নাবস্থায় প্রবেশ করে ও স্বপ্ন দেখছ, তখন তোমার কাছে মনে হয়, স্বপ্নের দুনিয়া সত্যি। কিন্তু যখন তুমি জাগ্রত হও, তখন সেই স্বপ্নের দুনিয়া সাদা কালো হয়ে যায়, কারণ তুমি স্বপ্নের দুনিয়ার বাইরে। এক্ষেত্রে স্বপ্নের দুনিয়া বাস্তব মনে হয় ও তা বহু রঙে রঙীন হয়ে যায়। স্বপ্ন থেকে বাইরে এসে তুমি যে দুনিয়ায় জেগে ওঠ, তাকে চার মাত্রাতে বা 4D-তে দেখ।
যখন, স্থূল-শরীরে জাগ্ৰত অবস্থায় থাকার সময় তুমি এই সম্পূর্ণ জগৎকে চার মাত্রায় ও বহু রঙে দেখছ। কিন্তু যখন তুমি স্বপ্ন দেখ, তুমি সেই অন্য জগৎকে কেবলমাত্র দুই মাত্রাতে দেখ। তাই তুমি যখন এখানে আছ স্বপ্নের দুনিয়া সাদা কালো হয়ে যায় এবং এই দুনিয়া চার মাত্রার বা 4D হয়ে যায়। আর তুমি যখন স্বপ্নের দুনিয়াতে আছ, সেই দুনিয়া চার মাত্রার এবং এই দুনিয়া সাদা কালো হয়ে যায়।
একইভাবে, যখন তুমি মৃত্যুর সময় স্থল-শরীর থেকে প্রাণ-শরীরে যাও, এই সম্পূর্ণ স্থূল-জগৎ সাদা কালোতে দেখাবে। তোমার সমস্ত কৃতিত্ব, গর্ব, প্রচেষ্টা, দুঃখ, সুখের কোন অর্থই থাকবে না। অবাক হবে, 'আমি কেন এইসব কার্য করলাম? আমি কেন এইগুলিকে আমার জীবনের ভিত্তি বলে মনে করলাম?'
এটা কেন হয় আমাকে ব্যাখ্যা করতে দাও। নাম, যশ, সম্বন্ধতা, তোমার এক বড় গোষ্ঠী আছে ব'লে গর্ব, ইত্যাদি কয়েকটাকে সম্ভব করে তোমার ব্যক্তিত্ব গড়ে তোল।
যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে, 'তুমি কে?' তুমি কি সেইজন যে মরে যাবে? জানো যে উত্তর হবে, 'আমি এক উকিল' অথবা 'আমি চারটি বাড়ির মালিক' বা' আমি তার স্বামী' বা 'আমি তার মেয়ে'। আমাদের ব্যক্তিত্ব এই কয়েকটি সম্ভবের ওপরে নির্মিত।
তুমি স্থল-শরীর থেকে চলে গেলে এই সম্বন্ধগুলি দূরে চলে যাবে। তুমি তোমার চেক-এ আর সই করতে পারবে না। তোমার সই গ্রহণ করা হবে না। তোমার ব্যাঙ্কের টাকা আর তোমার সাথে সম্পর্কিত নয়। তুমি তোমার ইচ্ছামতো সেই টাকাও পরিচালিত করতে পারবে না। তোমার গাড়ি আর ব্যবহার করতে পারবে না।
তোমার ঘর তোমার আত্মীয়-স্বজন দ্বারা ভরে থাকবে এবং তারা তোমার মৃত্যুর জন্য কাঁদবে। কিন্তু তোমার বাড়ী বা প্রিয়জন তোমার প্রিয়জনের সাথে কোন সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে না। তোমার মৃত্যুর পরে কেউই তোমার সাথে আসতে পারবে না।
কেবল সাথে আসতে পারে, তোমার সত্তার যা ভিত্তি। আঁকড়ে ধরার জন্য স্বভাবতই তোমার কিছুই থাকবে না।
এই একটা জিনিষ বোঝ। যদি আমরা হঠাৎ আমাদের ব্যবসাতে কোন লোকসানের খবর শুনি, আমরা অনুভব করি যে আমাদের সমস্ত শরীর কষ্ট পাচ্ছে। কষ্ট কেবল এক অংশে হবে না। পুরো শরীর কষ্ট পাবে। যেন আমাদের সত্তা ভেঙ্গে পড়েছে।
তাই বোঝ, যখন আমাদের কাছ থেকে কিছু সরে যায়, আমাদের মনে কষ্ট পায়। যখন আমরা স্থল-শরীর থেকে সরে যাই, আমাদের মধ্যে সেই একই কষ্ট শুরু হয়। যাকে আমাদের জীবনের ভিত্তি বলে মনে করেছিলাম সেটাই টলে গেল।
এখন অবধি এই পুরো জগৎকে চার মাত্রার মনে হত। সেইজন্য আমি যখন লোকেদের ধ্যান করার জন্য ডাকি, তারা আমায় বলে, 'আমার ধ্যান করার সময় নেই। সমস্ত কাজ শেষ করি, তারপর আসব। আরও কিছু বছর পরে এই নিয়ে চিন্তা করব।'
'আমার ধ্যান করার সময় নেই।' নিজে পরিষ্কার করে বলো, 'ঠিক আছে, ধ্যান আমার জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়।' যদি তুমি ধ্যান করার জন্য তৈরি না হও ও বল, 'আমি মনে করি না, ধ্যান আমার জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ,' তাহলে তুমি সৎ। কিন্তু তুমি যদি বলো, 'আমার সময় নেই,' তাহলে তুমি কেবল নিজেকে ঠকাচ্ছ। সবার কাছেই দিনের কাজ করার জন্য হাতে ২৪ ঘণ্টা করে থাকে। ঘটনাটা এমন নয়, যারা ধ্যান করছে, তারা কাজ ছেড়ে দেয়। যদি বাস্তবতা জীবনে এখন সাদা কালো প্রতীয়মান হয়, তুমি সেইদিকে তোমার শক্তি সঞ্চালিত করবে না, ব্যাস।
কিন্তু চলে যাবার সময় সেটাই হয়। যেসব জিনিষকে বেঁচে থাকার সময় তুমি বাস্তব ও চার মাত্রার মনে করেছিলে, সেগুলি সব সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয়ে যায়। বস্তুগত সবকিছু পুরোপুরি টলে যায় এবং তাদের সাদা কালো মনে হয়! সেই সময়, যে জিনিসগুলি বর্তমান, সেগুলি আর তেমন কাজে লাগে না। মৃত্যু সর্বদাই এক কষ্টভোগ। কিন্তু যদি তুমি জীবনে সচেতন থাকো তাহ'লে মৃত্যুকালে তুমি সজাগতা ও পূর্ণ চেতনা সহকারে মৃত্যুতে প্রবেশ করতে পারবে!
দেখ, আমরা এখন দুই মাত্রায় আছি - বস্তুগত জগৎ ও বাস্তবীকরণ। ঠিক আছে, আমরা যতগুলি স্তম্ভের ওপরে আমাদের ব্যক্তিত্ব নির্মাণ করি না কেন, সেগুলি বস্তু জগতের ওপরে ভিত্তি করা। একটা সচেতন চেতনা বা আমাদের অন্তর্জগতের ওপরে ভিত্তি করা নয়। আমাদের সমস্ত মতামত ভাল হলে আমরা নিজেদের মহান ভাবি। যদি সবাই বলে, 'তুমি কোন কাজের নও', আমরা বিষণ্ণ বোধ করতে আরম্ভ করি।
এটা ঘটার কারণ হ'ল, আমাদের অট্টালিকা, আমাদের অন্তঃস্থল বা আমাদের ধারণা জগতের ওপরে ভিত্তি করা। সেইজন্য যখন সেই স্তম্ভগুলিকে কেউ ঝাঁকায়, আমরা ভীষণভাবে কষ্ট পেতে শুরু করি। যদি আমাদের কমপক্ষে একটা স্তম্ভও চেতনার ওপরে ভিত্তি করে হয়, আমরা তার ওপরে নির্ভর করে কষ্ট না পেয়ে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারি।
আরেকটা জিনিষ : এই বহির্জগতের স্তম্ভগুলির ওপর আমাদের কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। এমনকি যদি একটি ছোট বাচ্চা এসে আমাদের বলে, 'তোমরা বোকা', আমরা একটু উত্তেজিত হই। স্তম্ভগুলি এতই দুর্বল।
তাই ভগবদগীতায় বলেন, 'দেহ ছেড়ে যাবার সময় তোমার মনে যা প্রবলভাবে আসে, কেবল তাই তোমার পরের জন্ম অথবা জীবনমুক্তি নির্ণয় করবে।' যদি বাস্তবতা কোন চেতনার ওপরে ভিত্তি করে নির্মিত থাকে, স্বভাবত কষ্টভোগ করতে হবে না। অন্য সমস্ত স্তম্ভগুলি সাদা কালো হয়ে গেলেও, এই একটি স্তম্ভ বহু রঙে রঙীন থাকবে ও চার মাত্রায় থাকবে এবং আমাদের সাথে করে নিয়ে যাবে।
এখন পর্যন্ত সমস্যা হ'ল, আমাদের সাহায্য করার জন্য কোন স্তম্ভ নেই। আমাদের সমস্ত ব্যক্তিত্ব বহির্জগতের ওপরে ভিত্তি করা। আমাদের সমস্ত স্তম্ভগুলি আমাদের এখনকার ভাবা মত চার মাত্রায় নির্মিত। আমাদের অন্তর্জগতেও সারবান কিছুই নেই। সেইজন্য বহির্জগতে লোকেরা আমাদের একটা ফুটবলে অবিশ্রাম লাথি মারার মত মারতে থাকে। যে কেউ কেবল একটি শব্দ (word) ব্যবহার করে বিচলিত করতে পারে। যদি কেউ আমাদের পাগল বলে, আমরা তাদের ওপরে চ্যাঁচাই ও প্রমাণ করি আমরা পাগল!
দয়া করে বোঝ, যদি আমরা কমপক্ষে একটা স্তম্ভ আমাদের অন্তর্দেশের ওপরে ভিত্তি করে নির্মাণ করি, সেই স্তম্ভটি মৃত্যুর সময়ে সুন্দরভাবে দেহ ত্যাগ করতে সাহায্য করবে।
মৃত্যু লাভ করার কলা
একটা সুন্দর জেন্ উক্তি আছে, 'মৃত্যু লাভ করার কলার শিক্ষা হ'ল প্রকৃত ও চরম জ্ঞান, যা আমরা আমাদের জীবনে শিখতে পারি।'
জেন-এর একটা ছোট গল্প :
এক গুরু ঘোষণা করলেন যে তিনি পরের দিন সকাল ৬-টার সময়ে দেহ ত্যাগ করবেন। অবশ্যই জীবনমুক্ত মানুষেরা সর্বদা তাঁদের মৃত্যু সম্পর্কে জানেন। তাঁরা আগে থেকে তাঁদের দেহ ত্যাগের সময় ঘোষণা করতে পারেন। তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি সকাল প্রায় ৬-টায় মারা যাবেন।
তাঁর শিষ্যেরা বলল, 'না, না, আরও দুই থেকে তিন ঘন্টা অপেক্ষা করুন। অত সকালে খুব ঠাণ্ডা পড়বে। আপনি আরও কিছু ঘন্টা অপেক্ষা করুন না কেন, যাতে আমরা শেষকৃত্যের জন্য প্রস্তুত হ'তে পারি?' মাস্টার রাজী হ'লেন এবং শিষ্যদের বললেন যে তিনি ঠিক ১২টার সময় দেহত্যাগ করবেন। ঠিক দুপুর বারোটায় তিনি সবাইকে অভিবাদন করলেন ও দেহ ত্যাগ করলেন!
আরেকটা ঘটনা :
ইংরেজরা যখন ভারতে উপনিবেশ স্থাপন করছিল, তখন মধ্য ভারতে আদিবাসীদের একটি ছোট গ্রাম ছিল। সেই গ্রাম এখন আর নেই, একেবারেই চলে গেছে! ইংরেজরা সেই গ্রামটিকে তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার চেষ্টা করছিল। পুরো গ্রামে কেবল একশ ' মানুষ ছিল, যারা তাঁরা ভক্তি ও ধ্যানে মগ্ন থাকতেন। তাঁরা প্রাচীন রহস্যময় আচার অনুষ্ঠানে পারদর্শী ছিলেন। বলা হয়, সেই গ্রামে কেউ অসুস্থ হ 'ত না।
এমনকি যদি তাঁরা স্বপ্নে কাউকে আঘাত দিতেন, তাঁরা পরের দিন সকালে সেই ব্যক্তির কাছে গিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করতেন। যদি তোমার সূক্ষ্ম প্রতিহিংসা না থাকে, যদি তোমার অবচেতন মনে কাউকে আঘাত করার কোন চিন্তা না থাকে, তাহ'লে তুমি স্বপ্নেও তাকে আঘাত করবে না। তাই এই মানুষেরা কাউকে স্বপ্নে আঘাত করার জন্যও ক্ষমা চাইতেন, যাতে কাউকে আঘাত করার অচেতন ধারণার সৃষ্টি না হয়। তাঁরা এক আধ্যাত্মিক গোষ্ঠী ছিল। বহির্জগতে তাঁদের কিছুই ছিল।
ইংরেজরা যখন এই গ্রামটিকে শাসন করতে চায়, গ্রামবাসীরা তাদের স্বাধীনতা কারোর কাছে হারাবার জন্য প্রস্তুত ছিলেন না। কিন্তু ইংরেজরা বলে, 'হয় সমর্পন কর অথবা আমরা তোমাদের মেরে ফেলব।'
তোমরা অবাক হবে, এই গ্রামবাসীরা বলেন, 'তোমাদের আমাদেরকে মারতে হবে না। তোমরা বিব্রত হবে না। আমরা কি করে মরতে হয় জানি।' ইংরেজরা ভাবল গ্রামবাসীরা বিষ খেয়ে বা অন্য কোনভাবে আত্মহত্যা করবে।
গ্রামবাসীদের মধ্যে একজন ব্যক্তি এগিয়ে এলেন। তিনি ইংরেজদের সামনে কিছু মন্ত্র উচ্চারণ করলেন, প্রার্থনা করলেন এবং সবাই কেবল পড়ে গেলেন। তাঁরা শরীর ছেড়ে দিলেন ও মৃত্যু প্রাপ্ত করলেন।
ইংরেজরা রেকর্ড করা আছে এবং তারা বলে যে প্রথমবার হত্যা করার জন্য তাদের অপরাধবোধ হয়েছিল। তারা বলে, 'আমরা লোকেদের হত্যা করার জন্য প্রশিক্ষিত। আমাদের কখনও অনেক মানুষকে একসাথে অপরাধবোধ হয় না। কিন্তু এই ক্ষেত্রে আমাদের গভীর অপরাধবোধ হয় কারণ আমরা নিষ্পাপ মানুষদের মারলাম। মানুষগুলি সরল অথচ অত্যন্ত মহান ছিল!'
নতুনের জন্য জায়গা
বৈদিক শাস্ত্রে শিবকে মঙ্গলময় মানা হয়। 'শিব' শব্দটির অর্থ হ'ল 'যা নেই তা নয়'। হবে যে সংস্কৃতে 'সংহার' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ ধ্বংস নয়, তার অর্থ নবতেজোদ্দীপ্ত করা। যে শব্দটিকে আমরা সাধারণত ধ্বংসের জন্য ব্যবহার করি, তার মানে নতুন জিনিষ ঘটার জন্য জায়গা সৃষ্টি করা। এমনকি ধ্বংসকেও নবতেজোদ্দীপ্ত করা অথবা আরও ভাল জিনিষের জন্য নতুন জায়গা সৃষ্টি করার মত ভিন্ন মাত্রাতে দেখা যেতে পারে।
এমনকি তোমার শরীরে যে অসুস্থতা ঘটে, তা কেবল নতুন স্থান সৃষ্টি করার জন্য যাতে তুমি এক নতুন জীবন পাবার জন্য প্রস্তুত হ'তে পার। তুমি সেই প্রক্রিয়া টা আবার শুরু করতে পার। এই, মৃত্যুও তোমার অনেক ক্ষত নিরাময় করতে পারে। কিছু ক্ষত নিদ্রার দ্বারা নিরাময় করা যায়। তুমি জেগে উঠলে তাদের ভুলে যাবে।
কিছু ক্ষতকে নিদ্রা দ্বারা নিরাময় করা যায় না। ঠিক সেই মূহুর্তে তুমি সিদ্ধান্ত নাও, 'আমি সবকিছু সতেজভাবে শুরু করি।' তখন তুমি শরীরকে অসুস্থ হতে দাও যাতে নবতেজোদ্দীপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়া আরম্ভ হ'তে পারে।
বৈদিক দৃষ্টিকোণ থেকে মৃত্যু খারাপ কিছু নয়। যখন তুমি প্রসারিত হচ্ছ, তুমি বৃদ্ধি পাচ্ছ এবং তুমি জ্ঞান অর্জন করছ। যদি তুমি ভাল করে দেখ, তাহ'লে তোমার মৃত্যুও মঙ্গলময় হবে, কারণ তুমি পরবর্তী ধাপে যেতে চলেছ। কেবল যদি তুমি বর্তমান ধাপ সম্পর্কে নিশ্চিত না থাকো, তুমি মৃত্যুভয় অনুভব করবে।
মৃত্যুকে জয় কর, বর্তমানে থাক
বর্তমান মুহূর্ত ভবিষ্যৎ ও অতীতের মধ্যে সংযোগকারী। বর্তমান মুহূর্ত হ'ল সেই বিন্দু যেখানে ভবিষ্যৎ ধীরে ধীরে অতীত হচ্ছে। বর্তমান মুহূর্ত হ'ল নবতেজোদ্দীপ্ত হবার সম্ভাবনা।
যখন তুমি বর্তমানে বাস কর, পরিষ্কার ভবিষ্যৎ তোমার জন্য আসছে ও তোমাকে প্রচুর শক্তি প্রদান করছে। প্রতিটি মুহূর্তে তুমি শক্তিতে একদম উচ্ছ্বসিত আছ।
ভবিষ্যতের কাছে ধরা পড়লে তখন তুমি কল্পনার জগতে বাস করবে, আকাশকুসুম রচনা করবে। বাস্তব জগতে বাস করার জন্য তুমি দুর্বল অনুভব করবে ও আতঙ্কিত হয়ে থাকবে।
যদি তুমি বর্তমানে না থাক, তুমি যা কিছু দেখবে তাই অমঙ্গলময়, জীবন নিস্তেজ ও মৃত। তুমি কেবল একটি বর্তমানে বাস করবে না, যেটার কোন শক্তি নেই ও মৃত।
যদি তুমি বর্তমানে প্রতিষ্ঠিত হও, তুমি অনুভব করবে যা কিছু ঘটেছে তাই মঙ্গলময়। তুমি মৃত্যুর প্রতি কৃতজ্ঞ হবে। যিনি সবকিছু করেন, তিনি নতুন জিনিস ঘটানোর জন্য জায়গা সৃষ্টি করেন।
তুমি সিদ্ধান্ত নাও। যদি তুমি সবকিছু ঘটার জন্য সিদ্ধান্ত নাও, তুমি জানবে যে তোমার চারপাশে যা কিছু ঘটছে তা মঙ্গলময়। একটি প্রবহমান নদীর মত, প্রবহমান শক্তির মত, তুমি তোমার চারপাশের জগতে মঙ্গলময়তা বিকিরণ করবে।
যখন তুমি বর্তমান মুহূর্তে হও, তোমার মধ্যে মৃত্যুকে অতিক্রম করার ক্ষমতা আছে।
মৃত্যুকে জয় করা এক সহজ প্রক্রিয়া। কেবল বর্তমানে বিদ্যমান থাক, সময়কে তোমার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হতে দাও, সময়কে তোমাকে ভেদ করতে দাও ও সময়কে তোমার মধ্য দিয়ে তার কার্য করতে দাও।
যখন ভবিষ্যৎ জীবনের দিকে আসবে, লাজুক হবে না ও তাকে ধরবার চেষ্টা করবে না। তাকে তোমার মধ্য দিয়ে চলে যেতে দাও, তাকে তার নিজের গতিপথ থাকুক। শুধুমাত্র বর্তমানে বিদ্যমান থাক এবং সেখানে বাস করছ।
প্রতিদিন তোমার শক্তির কম্পাঙ্ক বাড়ে। প্রতি মুহূর্তে তোমার জীবন কেবল প্রসারিত হয়। এমনকি তোমার মৃত্যুও তোমার আরেকটা প্রসারণ। এটা এমন এক মাত্রার সম্প্রসারণ যে তোমার যুক্তি তার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে না। কিন্তু তবুও তা এক সম্প্রসারণ।
পূর্ণ 'হ্যাঁ'
তোমার থেকে যা সরিয়ে ফেলা উচিৎ তা সরানো হয়েছে, তোমাকে যা দেওয়া উচিৎ তা দেওয়া হয়েছে। অনবরত মঙ্গলময়তা তোমার মধ্য দিয়ে নিজেকে প্রকাশিত করছে। তোমার মন, যা এই পরিবর্তনে 'না' বলছে, সেটা সবচেয়ে অমঙ্গলের জিনিষ। তোমার মন, যে তোমাকে সরকার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেবার চেষ্টা করছে, সেটাই হ'ল সর্বাধিক অমঙ্গলের জিনিষ।
তোমার জীবনের ভিতরে তাকিয়ে দেখ। তুমি কি কখনও কোন কিছুতে পূর্ণরূপে একবারও 'হ্যাঁ' বলেছ? কমপক্ষে একবার জীবনকে পূর্ণরূপে 'হ্যাঁ' বলাকেই আমি বলি পরমজ্ঞানালোক প্রাপ্তি বা মুক্তি।
এই মূহুর্তে নির্ণয় নাও, তুমি জীবনকে পূর্ণরূপে 'হ্যাঁ' বলবে। তাহলে কি হবে? সিদ্ধান্ত নাও এবং আধা ঘন্টার মধ্যে তুমি পূর্ণরূপে একটা 'হ্যাঁ' বলবে। তোমার মন বলতে পারে, 'না, না। তাহ'লে আমার জীবনের কি হবে? আমি মরে যেতে পারি। আমার যা আছে তা হারাতে পারি'। তোমার মন তোমায় নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য, তোমায় আমিত্বের বশে রাখার জন্য, এই সমস্ত ছলচাতুরী করতে থাকে। সব দুঃখদুর্দশার এটাই তো কারণ।
যদি মন সব সময় 'না' বলতে থাকে, আর যদি তুমি যদি সেই মনকে শক্তিশালী করতে থাক, তাহ'লে মন এতই শক্তিশালী হয়ে উঠবে যে মনকে 'না' বলতে উৎসাহ করবে। কালক্রমে, শুধু 'না' বলতে ইচ্ছা হওয়া যাওয়া হ'ল ক্যান্সারের প্রথম কারণ।
যদি তুমি জীবনের মধ্যে একটা পূর্ণ 'হ্যাঁ' সহকারে যাও, তখন মৃত্যু তোমাকে উচ্চতর কম্পাঙ্কে নিয়ে যাবে। অন্যথায়, জীবনও তোমাকে নিমতর কম্পাঙ্কে চালিত করতে পারে, যদি জীবনের মধ্য দিয়ে তুমি একটা বড় 'না' সহকারে যাও। উচ্চতর চেতনায় প্রবেশ করতে যাচ্ছ, নাকি নিম্নতর কম্পাঙ্কে নেমে আসছ, তা নির্ভর করে তোমার 'হ্যাঁ' অথবা 'না'-এর ওপরে।
মঙ্গলময় মৃত্যু
একটা সত্য ঘটনা :
ভারবর্ষের মহান মাস্টার পরমহংস যোগানন্দ আমেরিকাতে ১৯২০ সালে চলে যান ও সেখানেই স্থায়ীভাবে থাকেন। তাঁর দেহ ছেড়ে যাওয়ার আগে তিনি ধর্মোপদেশ দেওয়া ও প্রোগ্রামে যাওয়া এসব রুটিনের কার্য সম্পাদন করতে থাকেন।
দেহ ত্যাগ করার দিনে তিনি লস এঞ্জেলেন্সে আসা আমেরিকার হিন্দু রাষ্ট্রদূত বিনয় সেন-এর ভোজসভায় অংশগ্রহণ করছিলেন। তিনি তাঁর ভাষণ শেষ করেই শরীর থেকে রিল্যাক্স করলেন ও দেহ ত্যাগ করলেন।
বিংশ দিন পরেও তাঁর মতদেহে কোন প্রকার পচন ধরে নি। তাঁর মতদেহ থেকে কোন সময় কোনরকম দুর্গন্ধ বের হয়নি। তাঁর আত্মজীবনীর পরিশিষ্টে তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে এক সুন্দর বিবরণ আছে। এটা এতই সুন্দর এক অভিজ্ঞতা ছিল। এমনকি মৃত্যুও তাঁর জন্য মঙ্গলময় ছিল।
বাস্তব এক স্বপ্ন
তুমি চোখ নও। চোখ কেবল এক যন্ত্র। অনেক সময় তুমি দেখবে তোমার চোখ খোলা আছে কিন্তু তুমি দেখছ না, যা দেখছ তাতে নিবিষ্ট হচ্ছ না।
অন্য দিনের মত, তুমি কাঠের মধ্যে মৃত্যু দেখছ। যদি তুমি চোখের মধ্য দিয়ে দেখ, হঠাৎ দেখবে যে তুমি সবকিছুই প্রত্যক্ষ করছ। তুমি চোখ নামক দুটি 'কোটর' নও। তুমি কেবল চোখ নামক দুটি কোটরের মধ্য দিয়ে দেখছ।
যদি মনোযোগ কেবল তোমার দিকে ফেরে, তাহ'লে তুমি আমিত্বে আটকে আছ। তোমার মনোযোগ একত্রিত হয়, তুমি স্বপ্ন দেখতে থাকবে। যখন তোমার মনোযোগ তোমার থেকে দ্রষ্টাতে ফেরালো হয়, তুমি জাগ্রত হবে।
যেই মুহূর্তে তুমি উপলব্ধি কর যে তুমি চোখের উদ্ধে কিছু একটা, তোমার মনোযোগ দ্রষ্টার দিকে ফেরে। তখন তুমি উপলব্ধি করে , এই বিশ্ব এমন কিছু জিনিষ দিয়ে নির্মিত যা দিয়ে তোমার স্বপ্নও নির্মিত।
যখন তুমি কিছু দেখছ, সম্পূর্ণ মনোযোগ দৃশ্যের ওপরে থাকে। সেটাকে আমি বলি আমিত্ব। যখন তুমি পিছিয়ে গিয়ে উপলব্ধি কর যে তুমি চোখের মধ্য দিয়ে দেখছ, তখন সমস্ত মনোযোগ দ্রষ্টার ওপরে ফেরে। নির্মলতা হল এমন এক অভিজ্ঞতা যে, বহির্জগতে দেখা কোনকিছু নতুন কিছু নয় কারণ স্বপ্নগুলিও তৈরি হয়।
এগুলি হ'ল বিভিন্ন ধাপ : প্রথমে এই ধারণা পাওয়া, যা কিছু দেখছ তা এক স্বপ্ন। দ্বিতীয়টি হল, তুমি যে স্বপ্ন পরিবর্তন করতে পার তা জানা। তৃতীয়টি হ'ল বুদ্ধিমতা, যার দ্বারা তুমি জানবে যে এই স্বপ্ন এক সত্য, তাই একে পরিবর্তন করার কোন প্রয়োজন নেই!
একটা গুরুত্বপূর্ণ সত্য তোমার জানা উচিৎ : স্বপ্ন সেই পদার্থ দ্বারাই নির্মিত যার দ্বারা জাগ্রত জগৎ নির্মিত। যদি জানো যে স্বপ্নগুলি বাস্তব, তাহলে স্বপ্ন ও বাস্তব জগতের মধ্যে আর কোন পার্থক্য থাকে না। যদি তুমি জানো যে স্বপ্ন বলে বাস্তব বলে কিছু নেই, তাহলে স্বপ্নগুলিও বাস্তব।
এই বোধ তোমাকে তোমার স্বপ্নকে বোঝার জন্য বুদ্ধিমত্তা দেবে, যা কিছুকে তুমি বাস্তব বলে মনে কর তা কেবল আরও একটা স্বপ্ন।
বায়ু ও প্রাণ
এই জগৎ নির্মিত। আমাদের প্রাণ সম্পর্কে ধারণা জীবনীশক্তি যা আমাদের জীবিত রাখে।
বায়ু নাও, তা কেবল এক মাধ্যম যার দ্বারা প্রাণ ভিতরে যায় ও বর্ষিত হয়। বায়ু হল জীবন এবং শক্তি। এই একটি উদাহরণকে বোঝা। যদি এই চতুরের ভিতরে একটি ট্রাক আসে ও কিছু ব্র্যাথ নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে লোকজন জানে এখন বায়ু, মানে প্রাণ যে জিনিষ ব্যবস্থা গেল তা হ'ল প্ৰাণ।
বায়ু ভিতরে প্রাণ রাখছে এবং বায়ু বেড়িয়ে আসছে। আমরা বায়ুর মাধ্যমে অবিশ্রাম প্রাণ নিচ্ছি।
ভারতে কুম্ভমেলা হ'ল পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আধ্যাত্মিক সম্মেলন যেখানে কয়েক কোটি মানুষ আসে। যদি তুমি কুম্ভমেলায় গিয়ে থাক,
হয়ত দেখে থাকবে কোন যোগী তার মাথা তিন দিন পর্যন্ত বালির নিচে রাখে। তারা এটা করতে পারে কারণ তারা জানে সরাসরি শরীরে প্রাণ নেওয়া যায়। যতক্ষণ তুমি বায়ুর মাধ্যমে প্রাণ গ্রহণ করতে থাক, তোমাকে নাসিকা দ্বারা শ্বাসপ্রশ্নাস নিতে হবে। বাতাস ভিতরে রাখতে হবে ও বাইরে ছাড়তে হবে। কিন্তু যখন তুমি বায়ুর সাহায্য ছাড়াই প্রাণকে সরাসরি নিতে পার, তোমাকে নাসিকা দ্বারা শ্বাসপ্রশ্নাস নিতে হবে না। তোমার শরীর সরাসরি মহাজগৎ থেকে প্রাণ নিতে পারবে।
প্রাণের অভিমুখের ওপরে জীবন অথবা মৃত্যু নির্ভর করে
আরেকটা জিনিষ : যতক্ষণ ভিতরে যা উদ্ভাসিত হয়ে বাইরে আসে, ততক্ষণ তোমার জীবন শক্তিশালী হ'তে থাকবে।
যদি বাতাস ভিতরে প্রবেশ করে ও বাতাস বাইরে আসতে থাকে, তার অর্থ মৃত্যু সন্নিকটে। মানুষ যখন মরে তখন বাতাস প্রবেশ করে, কিন্তু যখন তা বাইরে আসে, তা প্রাণ সহকারে আসে।
সেই কারণে সমস্ত মহান মাস্টারেরা তাঁদের প্রাণ বাইরে আসা লক্ষ্য করতে পেরেছিলেন মৃত্যুর ছয় মাস পূর্বেই।
আয়ুর্বেদে এক সুন্দর ধারণা আছে, যা প্রাণবিজ্ঞানের ওপরে ভিত্তি করা। একটি নির্দিষ্ট বয়সের পরে, মানুষ যত তাড়াতাড়ি মরে যায়, শ্বাসের সাথে কম প্রাণ বেড়িয়ে আসবে। যদি কোন অভিজ্ঞ ব্যক্তি মানুষটির শ্বাসের মাধ্যমে কম প্রাণ নির্গত হওয়া লক্ষ্য করেন, তারা জানতে পারে মানুষটি মৃত্যুর দিকে চলেছে।
জাগ্রত, স্বপ্ন ও গভীর নিদ্রা অবস্থাগুলিতে প্ৰাণ
তোমার জাগ্রত অবস্থায় প্রাণ ভ্রদ্বয়ের মাঝে কাজ করে ও কার্য করে। তোমার স্বপ্নাবস্থায় প্রাণ কণ্ঠের চারপাশে ঘোরাফেরা করে।
সেইজন্য মাথা সোজা রেখে তুমি কখনও ঘুমাতে পার না। মাথাকে রিল্যাক্স করে না রেখে কখনও ঘুমানো যায় না। প্রাণের কাজগুলোকে কাজ করতে না দিলে ঘুম আসবে না। তাই মাথাকে রিল্যাক্স না করে কখনও ঘুমানো যায় না। বসনকালে যদি তুমি মাথাকে সোজা ও উত্তেজিত রাখ, তুমি কখনও ঘুমাতে পারবে না।
তুমি অবিশ্রাম চিন্তা করতে থাকলে তোমার মাথা খাড়া থাকবে এবং তোমার কাঁধ চাপে থাকবে। কাঁধে চাপ ও মাথা সোজা, পরস্পরের সাথে সম্পর্কিত। তুমি তা তোমার
জীবনে অনুভব করতে পার। তোমাকে কোন কাজ করতে হবে না। কেবল চেয়ারের বসে এবং সমস্যা নিয়ে চিন্তা করলেই তুমি চাপে পড়বে এবং কাঁধে ব্যাথা হবে!
প্রকৃতপক্ষে সমস্ত বেদনা এবং চাপ প্রথমে তুমি কেবল কাঁধে অনুভব কর। যখন তোমার কাঁধ চাপে থাকে, মাথা কখনও বাঁকবে না, মাথা কখনও রিল্যাক্স করবে না। সেইজন্য যারা বিদ্যালয়ে খেলা করে, যারা মাথাকে রিল্যাক্স করতে পারে না, তারা ভালো ঘুমোতে ও পড়তে পারে না।
সচেতনতার মধ্য দিয়ে জীবন নিয়ন্ত্রণ করা
ভবিষ্যতে জীবন পিছলে যাচ্ছে ও মত্যুতে প্রবেশ করছে। জীবনের মত্যুর দিকে পিছলে যাওয়ার থেকে বাঁচতে হবে। দয়া করে বোঝ, প্রকৃতপক্ষে আমরা বাঁচি না। আমরা কেবল মৃত্যু ঘটার অপেক্ষায় আছি। সাধারণত আমরা বাঁচি না। জীবন কেবল মত্যুর দিকে পিছলে যাচ্ছে, মৃত্যুতে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে। তাই যদি তুমি পরিপূর্ণ অনুভব কর না এবং তুমি অনুভব কর না যে তুমি বেঁচে আছ, তুমি জানো না জীবন কি।
যখন তুমি জীবন সম্পর্কে সজাগ হও, যখন তুমি জীবন সম্বন্ধে ধ্যান কর, যখন তুমি তোমার জীবনে সজাগতা নিয়ে আস, তখন তুমি তোমার সত্তাতে এক নতুন কেন্দ্র সৃষ্টি কর। এই জীবন ও মৃত্যুর মাঝে, জীবনে আরও সজানতা নিয়ে এসে তুমি এক নতুন কেন্দ্র, নতুন আকাশ সৃষ্টি কর - সেটাকে আমি বলি চৈতন্য।
যখনই জীবনে সম্পর্ক নির্ণয় নিতে হয়, উদাহরণস্বরূপ, তুমি যত বেশি সজাগ হবে; কোন পাত্রে খাবে, কি প্রকার জীবন যাপন করবে - এসবের জন্য তুমি তত বেশি পরিকল্পনা ও পছন্দ করতে পারবে। প্রতিটি মুহূর্তে কিচ্ছু মুলতুবী রেখো না : কেমনভাবে কথা বলবে, কিভাবে ব্যবহার করবে, কিভাবে চিন্তা করবে, প্রতিটি ইঞ্চিতে তুমি সজাগ হতে শুরু করবে।
যেই মুহূর্তে সজাগ হতে শুরু কর, তুমি নিশ্চয়ই বুঝতে পারবে এবং জানতে পারবে জীবনটাকে নিয়মনা করার জন্য কি করতে হবে। সম্পূর্ণ রূপে সজাগ হ'লে মত্যুকেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।
জীবন চেতনার স্তরে ঘটে। যদি তুমি সচেতনতার সাথে খেলা কর, সেটাই জীবন। যদি জানো চেতনা চিন্তা করতে না পারে, সেটা মত্যু।
চেতনার মাধ্যমে স্বপ্ন, সুষুপ্তি, জীবন ও মৃত্যুকে নিয়ন্ত্রণ কর
অচেতন স্তরে দুটি জিনিষ ঘটে : স্বপ্ন ও সুষুপ্তি (গভীর নিদ্রা)। অচেতন স্তরে তুমি সজাগ থাকতে পারো না। যদি তুমি স্বপ্নে কোন কিছু দ্বারা প্রভাবিত হও, যদি তুমি স্বপ্নে কোন কিছু উপলব্ধি করতে পার, যদি তুমি স্বপ্নে কোন কিছু অনুভব করতে পার, যদি কোন কার্যকলাপের বিজ্ঞান বিজ্ঞান করতে পার, তাহ'লে তাকে স্বপ্ন বলা হয়। যদি তুমি কোন কিছু সম্পর্কে সজাগ না থাক, যদি তুমি কোন কিছু অনুভব না করতে পার, যদি তুমি কোন
চলাফেরা বুঝতে না পার, সেটা হ'ল গভীর নিদ্রা।
জাগ্রত অবস্থায় যখন তুমি সজাগ হও অথবা মনোবিজ্ঞান বর্ণিত চেতন অবস্থায় থাক, তা হ'ল জীবন। যদি তুমি সজাগ না হও, সেটা হ'ল মত্যু।
যখন জীবনের প্রতি সজাগ নিয়ে আস, তুমি তোমার জীবনের দায়িত্ব নাও। এরপরেই যদি তুমি স্বপ্নের প্রতি সজাগ নিয়ে আস, তুমি তোমার স্বপ্নগুলির ও সুষুপ্তির (গভীর নিদ্রা) দায়িত্ব নেবে।
জীবন ও সুষুপ্তির নিয়ন্ত্রণ এবং সুষ্ঠির নিয়ন্ত্রণ, উভয়ের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ জিনিষ প্রয়োজন : সজাগতা। জীবন-মৃত্যুকে ও স্বপ্ন-সুষুষ্ঠিকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সজাগতাই প্ৰধান আবশ্যক।
স্বপ্নে সজাগতা নিয়ে এলে তুমি কেবল স্বপ্ন ও সুষ্ঠুপ্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য পাবে তা নয়, তা তোমাকে তোমার জীবন ও মুত্যুকেও নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করবে।
বাস্তব ও স্বপ্ন, উভয়ই প্রাণদ্বারা নির্মিত
যখন তুমি কপালে প্রাণ অভিজ্ঞতা করা শুরু করবে, তুমি দেখবে যে প্রাণই তোমার বাস্তব ও স্বপ্ন, উভয় সৃষ্টি করছে।
যা কিছুকে কিছুকে তুমি স্বপ্ন বল, উভয়ই প্রাণ দ্বারা তৈরি। মহান ব্যক্তিরা বলেন যে এই সংসার এক মায়া বা ভ্রম।
এটা বুঝলে নিজের স্বপ্ন ও জীবনাকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তুমি প্রস্তুত হবে। এখন পর্যন্ত তুমি কেবল এক শিকার। তুমি তোমার স্বপ্নগুলিকেও নিয়ন্ত্রণ করতে পার না। তুমি কি ইচ্ছামত স্বপ্ন দেখতে পার? পার না! তুমি তোমার স্বপ্নে একটা ঘটনাকেও নিয়ন্ত্রণ করতে পার না। এখন পর্যন্ত, হয় তুমি সমস্ত স্বপ্নের মধ্য দিয়ে যাও অথবা স্বপ্ন থেকে বাইরে আসতে পার, শুধু জেগে উঠতে পার। কিন্তু তুমি স্বপ্নটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পার না।
যদি স্বপ্নে সচেতনতা নিয়ে আসতে পার, তাহলে অবশ্যই বর্তমানে সজাগতা বাড়াতে হবে। জীবনে সজাগতা, জীবনে সবসময় সজাগ থাকার বৃদ্ধি পাবে। যদি জীবন্ত অবস্থায় সজাগতা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়, স্বভাবত তুমি মত্যুকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।
স্বপ্ন ও জীবন
যদি বেশি করে সজাগতা নিয়ে আস, যদি তোমার মধ্যে প্রতিটি মুহূর্তে সচেতনতা নিয়ে আসতে পার, হঠাৎ তোমার জীবনে চেতনার গুণমান বদ্ধি পায়। যদি তোমার স্বপ্নের গুণমান পরিবর্তিত হয়, যদি তোমার সুষ্যুপ্তির গুণমান পরিবর্তিত হয়, তাহলে তোমার জীবনেরও গুণমান পরিবর্তিত হবে। তোমার স্বপ্নের গুণমান এবং তোমার জীবনের গুণমান, উভয়ই পরস্পরের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
বোঝা, জীবন হ'ল দিবাস্বপ্ন এবং স্বপ্ন হ'ল নৈশজীবন। নৈশজীবন হ'ল স্বপ্ন এবং দিবাস্থপন হ'ল এই জীবন।
একটা ছোট গল্প :
একটি গরীব মানুষ সারাদিন খেটেখুটে এক বর্ষার কালে নির্ঘুম কাটায়। রোদ ও ঝড় থেকে নিরাপদ রাখার জন্য সে চালের বস্তাটা ছাদ থেকে ঝুলিয়ে রাখল। আরও সরক্ষার জন্য সে ঝোলানো বস্তাটার নীচেই শুয়ে পড়ল। শুয়ে শুয়ে সে ওপরে চালের বস্তাটাকে দেখতে থাকল ও স্বপ্ন দেখতে আরম্ভ করল, 'যদি আমি এই চাল একটু একটু করে বিক্রি করতে পারি, আমি অনেক টাকা উপার্জন করতে পারব। তাহলে সেই টাকা দিয়ে আমি আরও ধানের চাষ করব, তা বিক্রি করব ও আমি বড়লোক হব। তারপর আমি এক সুন্দরী মহিলাকে বিয়ে করব এবং আমাদের এক সুন্দর সন্তান হবে।'
ইতিমধ্যে একটা ইঁদুর ওপরে ওঠার রাস্তা খুঁজে পেয়েছে ও বস্তার কাছে যেতে পেরেছে। ইঁদুর মানুষটির ভবিষ্যতের সন্তানের কথা ভাবছিল। এদিকে, ইঁদুর দড়িটা কেটে ফেলল এবং মানুষটির ওপরে বস্তা ফেলে তাকে অবিলম্বে নিধন করল।
অবশ্যই, স্বপ্নের টাকা, স্ত্রী ও সন্তান সবই অদৃশ্য হয়ে গেল।
দিনের বেলা যা কিছু কর তাকে তুমি জীবন বল। রাত্রে ঘুমে যা কিছু কর তাকে স্বপ্ন বল। দিনের বেলা যদি কিছু না করতে পার, তুমি তাকে মৃত্যু বল। রাতে যদি তুমি কিছু না কর, তাকে সুষুপ্তি বল।
দিনের বেলা যদি তিনটি জিনিষ থাকে : অভিজ্ঞতাকারী, অভিজ্ঞতার বিষয় ও অভিজ্ঞতা, যাটাকে জীবন বলা হয়। আমরা কফি পান করার উদাহরণ নিতে পারি, যেখানে এই জিনিষগুলো বিদ্যমান থাকে। যে কফি পান করে, যে মানুষটি কফি পান করে এবং কফি পান করার অভিজ্ঞতা। যদি এই তিনটি অভিজ্ঞতাই দিনের বেলা হয় তাকে বলে
জীবন এবং যদি তুমি জিনিষগুলো অভিজ্ঞতা না কর, তাকে বলে মত্যু। রাত্রিবেলা যদি তুমি তিনটির সবকটি অভিজ্ঞতা কর, তা স্বপ্ন এবং যদি তুমি জিনিষগুলো উপলব্ধি না কর, তাকে বলা হয় সুষুধুপ্তি।
নিদ্রা ও মৃত্যুতে প্রাণের চলাফেরা
এই মুহূর্তে তুমি স্বপ্নে প্রবেশ করে, প্রাণ বিদ্যুতের মতো মেরুদণ্ড দিয়ে নিচে নামতে থাকে। বিশুদ্ধির অবস্থান কণ্ঠ-কেন্দ্রে। এবং অনাহতের দিকে চলতে থাকে।
প্রাণ জীবন ও মৃত্যুর মাঝে একটি ব্যাপার। তুমি যত বেশি সজীব ও তেজোময় তত বেশি কপালে কেন্দ্রীভূত হয়।
যখন নিদ্রা ভরতম করে ও মেরুদণ্ড রিলাক্স হয়ে চলে, তোমার প্রাণ কপালে কেন্দ্রিত থাকে। জীবন থেকে মানুষ যদি কম প্রাণ পায় এবং বাতাসের মাধ্যমে নিঃশ্বাস নির্গত হয়, তাহলে ধীরে ধীরে প্রাণ বিদ্যুতীকরণ, কর্ণ-কেন্দ্রে আসে। ভিতরে আসা শ্বাস যদি একদমই প্রাণ না নিয়ে আসে এবং কেবল প্রাণ সহকারে শ্বাস নির্গত হতে থাকে, তাহলে তুমি হৃদয়-কেন্দ্রে চলে যাবে।
প্রকৃতপক্ষে জীবন থেকে মৃত্যুতে চলে যাওয়া, জাগ্রত অবস্থা থেকে মূর্ছিত অবস্থায় চলে যাওয়া, উভয়ই প্রাণের চলাচলের ওপরে সরাসরি সম্পর্কিত। যদি প্রাণ চলাচলের শ্বাস নেওয়া ও শ্বাস বার করা সঠিকভাবে করা হয়, তাহলে তুমি জীবন ও মৃত্যুকে এবং স্বপ্ন ও মূর্ছিতকে পরিবর্তন করতে পারবে। স্বপ্ন ও
সুষুপ্তি, জীবন ও মৃত্যু, সব এই একটি চাবি দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং তার নাম প্রাণ বলে।
জীবন মৃত্যুর চক্রকে বন্ধ করা
তুমি কখন স্বপ্নাবস্থায় চলে যাও, কখন তোমার চেতনা একটু একটু করে মিলিয়ে যায়, কখন তুমি মেরুদণ্ড রিলাক্স কর - এইসব সম্পর্কে যদি তুমি সজাগ থাক, তাহলে তুমি স্বপ্নটিকেও পরিবর্তন করতে পারবে।
ভবিষ্যতে কর্মের পরিবর্তে, সবসময় পরিবর্তন করতে পারবে। তুমি স্বপ্ন দেখা বন্ধ করবে, কারণ তুমি স্বপ্নের অসারতা জেনে যাবে। তুমি তখন জান যে স্বপ্নে সময় ও শক্তির অপচয় হয়।
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM বলেন, যদি কেউ জীবন সম্বন্ধে সজাগ সে আর কোন জন্ম নেবে না। শাস্তগুলি, তা সে বেদ বা ধম্মপদ বা জৈন সূত্র বা অন্যান্য যা কিছু আছে, তাদের সবার একটাই উদ্দেশ্য : আরেকটা জন্ম না নেওয়া। তাদের সবার একটাই লক্ষ্য হল জন্মমত্যুচক্র থেকে মুক্তি।
যে মানুষ স্বপ্ন সম্পর্কে সজাগ সে কখনও স্বপ্ন দেখবে না। সে সহজেই স্বপ্ন দেখা বন্ধ করবে। যে মানুষ জীবন সম্পর্কে সজাগ, সে সহজেই জন্মমত্যুর চক্র থামিয়ে দেবে। সে আরেকটা দেহ ধারণ করবে না।
যখন আমি 'মৃত্যু' শব্দটা ব্যবহার করি, আমি কিন্তু বোঝাচ্ছি না যে তুমি আত্মহত্যা
করছ।
প্রাণের প্রবাহকে পরিবর্তন করে নিরাময় ও নবতেজোদ্দীপ্ত করা
এখন দুটি জিনিষ বোঝ : আমি যা বলছি তা কেবল তোমাকে স্বপ্ন থেকে সাহায্য করবে তা নয়, তা তোমাকে জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে সাহায্য করবে, তাই ভাববে, 'কিভাবে তা আমাকে প্রতিটি মুহূর্তে সাহায্য করবে?'
প্রকৃতপক্ষে স্বপ্নাবস্থা অর্থ প্রাণের নিম্ন মেরুদণ্ড ব্যবস্থা, যা বর্তমান কর্ম-কান্ডের দিকে যাত্রা। ঘুমের সময় যদি তুমি সজাগ হতে পারো, তাহলে তুমি তোমার সম্পুর্ণত্বকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। কেবল কর্ম নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে তা নয়, তুমি যে কোন মুহূর্তে নিদ্রাকে সক্রিয় করে কৌশিক করতে পারবে।
যখনই তুমি নিম্ন প্রাণ সম্পর্কে সজাগ হও, তুমি তোমার শরীরে প্রাণের পরিমাণ বাড়াতে পারো এবং কর্ম যা ঘটছে তার সম্পর্কে সজাগতার তোমার হৃদয়ে প্রাণ নিয়ে আসার জন্য যা কিছু দরকার। এরপরেই যখন তুমি মাথা ঝাকিয়ে রিলাক্স করছো, যখন প্রাণ নিম্ন হৃদয়ে ক্ষয় হয়ে যায়, তখন তুমি যা করছো তার প্রতি সজাগ থাকার জন্য। প্রত্যেক সময় তোমার প্রাণ অনাহত চলে চলে যায় তা নয়, তুমি অসুস্থ হলেও সেটা হয়। তোমার প্রাণ এক স্থানান্তরিত হতে থাকলে, তুমি ততটাই অসুস্থ হতে থাক। প্রাণের চলাফেরা বন্ধ করে বাতাস ভিতরে আনতে পারলে তবেই তুমি শরীরকে নিরাময় ও নবতেজোদ্দীপ্ত করার জন্য এটাই চরম প্রক্রিয়া।
জীবন ও মৃত্যুর মুখোমুখি হবার সাহস
প্রকৃতপক্ষে প্রাণকে আয়ত্ত করলে, তুমি বোঝ যে তোমার আগের ধারণা মত মত্যু বলে কিছুই নেই। বর্তমান পর্যন্ত তুমি যা দেখেছেন ও জেনেছেন, এটা মৃত্যুর জন্য ভয় নয়, অনিশ্চয়তার জন্য ভয়, আর সেটাই আরও বেশি করে ভয় সৃষ্টি করে।
দেখ, সবাই জানে প্রত্যেকে মারা যাবে এবং সেই সম্পর্কে কিছুই করা যায় না। কিন্তু আমরা জানি না কখন, কিভাবে মারা যাব এবং মরবার পরে কি হবে। এই অজানাগুলি ও অনিক্কততা বাসভবনে মনে এক বিশাল মতমান সৃষ্টি করে। সৃজন ক্ষমতা হ্রাস করলে আমরা যে মনসাতুক কষ্টভোগের মধ্য দিয়ে যাই, তা অনিক্কততার সাথে মিশে সম্ভবনা তৈরি করে বা মানসিক মনন সম্ভবনা তৈরি হলে, মৃত্যুর ধারণা সম্পর্ণরূপে রহস্য মুক্ত হবে। মত্যু-ধারণার জন্য আমাদের সত্তাতে যে নকারাত্মক প্রভাব আছে, তা একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে।
জীবন, স্বাস্থ্য ... ও মৃত্যুকে নিয়ন্ত্রণ কর
মত্যুকে কেবল বাছাই করার জন্য আরও স্বাধীনতাই নয়, তুমি তাকে পিছিয়ে বা এগিয়ে বা গণনা করার স্বাধীনতাও প্রাপ্ত হবে। কোন আধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া থেকে এই চরম উপহারটি তুমি পেতে পার।
সর্বাগ্রে, তুমি বর্তমানে অনাহতে যেতে নাও পারে, কিন্তু তা অনাহতের দিকে যাওয়া শুরু করবে। তুমি জান
যে তুমি বর্তমানে আছ, তুমি যাটাকে স্বক্রিয় নিয়ে আসতে পার।
তুমি এটা চেষ্টা করতে পার : যখন ঘুমাতে যাও, কপাল ও ত্রিনয়ন সম্পর্কে সজাগ রেখো। যখন বিশ্বনয় উদয় হয়, যখন তুমি নির্ণয় নাও, 'হ্যাঁ, আমি এখন ঘমিয়ে পড়তে যাচ্ছি', তখন সজাগ রেখো যে কখন তোমার কল্পনা বহির্ভূত রায় যাচ্ছে, যাচ্ছে, তুমি কখন অন্ধকারে মিলিয়ে যাচ্ছ - সুষ্যপ্তিতে।
পরে, সমস্ত দিন যখনই তোমার মনে পড়ে, মনে কর ও খেলা কর যে সমস্ত জীবনটাই মায়া, জাগ্রত থাকলেও তুমি স্বপ্নই দেখছ। বারবার ভাবার চেষ্টা কর, 'যা কিছু আমি দেখছি তা শুধুমাত্র এক স্বপ্ন।'
তখন তুমি মিথ্যে ক্রিয়ার ন্যায় বাস্তব কিনা তা নির্ণয় করতে বিস্ময় বোধ করবে। তাহলে অবিলম্বে তুমি অবাক হবে, 'আমি তা কিভাবে অনুভব করি? বাস্তব যা আমরা দেখি না, এই বিশ্ব তো বাস্তব।'
দয়া করে স্পষ্ট করে বোঝা, বাস্তব ও সত্য দুটো আলাদা জিনিষ। যখন আমি বলি যে সম্পুর্ণ বিশ্বের সবকিছুই স্বপ্ন, যা তোমার কাছে বাস্তব নাও হ'তে পারে, কারণ তুমি যে স্কেল ব্যবহার ক'রে বিদ্যমান বাস্তবতাকে মাপছো, সেটাই তো বাস্তব নয়।
একবার বিদ্যালয়ে কার্যকারিতা ও বিদ্যালয়ে কার্যকলাপ অভ্যাস করলে এই কথাগুলির পিছনে সত্যকে তুমি বুঝতে পারবে। তা তোমাকে সত্যের দিকে চালিত করবে।
তুমি মন্ত্র মিশিয়ে কাব্যমিষ্টি রুফিয় ভান্ডার এবং তুমি দ্বারা ভারতে কান ভাষায় বা সর্বস্ব সম্পূর্ণরূপে একাকার হবে এবং যখন এই স্বপ্নের ওপরে অভিক্ষেপ করা হচ্ছে, যখন তুমি তা দেখতে শুরু কর, তখন স্বপ্নের ঘুমায় ও মন্ত্র মুগ্ধ হবে। যা বর্তমান উপরের সবকিছুই বিদ্যমান করলে তার সাথে সম্মিলিতকে বাসী চেতনা বলি।
তোমার মন পরের প্রশ্ন করবে, 'যদি আমি জাগ্রত অবস্থায় স্বপ্ন দেখি, তাহলে আমি কেন কার্য করব? কেন আমি কিছু করব? ' তুমি কেন কার্য করবে না? যদি তুমি স্বপ্ন দেখ, তুমি কেন কিছু করবে না?
বোঝ, তুমি কার্য করতে চাও না, কারণ তুমি কার্য করতে চাও, তার সাথে সাথে তুমি তোমার সম্ভবিক। তুমি সেই কার্যে আসক্ত হও। যদি তুমি স্মরণে রাখ যে তুমি স্বপ্ন দেখছ, তুমি তখন সজাগ হও যা কিছু পরিবর্তন হতে যাচ্ছে না। যা ঘটার তা ঘটবে। তুমি তাকে ঘটতে দেবে।
হঠাৎ তোমার বুদ্ধি জাগ্রত হবে। তুমি এই সত্যে জন্ম তোমারই অভিক্ষেপণ।
মৃত্যু কেবল তোমার জীবনের শেষে ঘটে তা নয়; বরং তা জীবনকালে সবসময় বোঝায়। উদাহরণস্বরূপ, তোমার থেকে তোমার সব টাকাপয়সা সরিয়ে নিলে, তোমার পরিচয় যে তুমি এক কোটিপতি তা তোমার মধ্যে মারা যায়। তোমার পিতার মৃত্যু হ'লে, তুমি যে কারো পুত্র, সেই পরিচয়ের মৃত্যু হয়। সেই সব মুহূর্তে তোমার কিছু অংশের মৃত্যু হয়।
তুমি দেখোই পরিচালনা করতে পারো না। এমতাবস্থায় তুমি একটা আঁচড়ও থামাতে পারো না। তুমি যদি জেগে থাকো তবে অবস্থাও থামাতে পারো না।
তুমি হ'লে বুদ্ধিমত্তা জীবনমুক্তি হল নিজের মধ্যে মহাজাগতিক বুদ্ধিমণ্ডা অভিজ্ঞতা করা
হবার জন্য, আমাদের সচেতন হ'তে হবে যে আমরা এই দেহ ও মনের চেয়ে বড়। এটা বোঝার জন্য আমাদের বুদ্ধিমতা চাই। আমরা তখন এইসব প্রশ্নের মুখোমুখী হই :
বুদ্ধিমত্তা কি?
আমাদের মধ্যে কেউ কেউ কি অন্যদের চেয়ে বেশী বুদ্ধিমতাশীল?
আমরা কি বুদ্ধিমত্তা বাড়াতে পারি?
স্বাভাবিক বুদ্ধিমত্তা
বুদ্ধিমত্তাকে অর্জন করতে হয় না। প্রতিটি মানুষ বুদ্ধিমত্তা দ্বারা ভূষিত। আমাদের প্রত্যেকেরই বুদ্ধিমত্তা আছে। এটা জীবনের এক সহজাত ও জন্মগত গুণমান, যেভাবে আগুন গরম ও বরফ ঠাণ্ডা।
একবার চারজন একটা প্রাইভেট প্লেনে যাচ্ছিল। হঠাৎ জরুরী অবস্থা ঘোষণা করা হল, কারণ প্লেনের টেইল বা লেজের দিকে আগুন লেগেছে। তাদের জন্য কেবল তিনটি প্যারাশুট ছিল।
প্রথম মানুষটি আতঙ্কে একটা প্যারাশুট নিয়ে বলে, 'আমার সদ্য বিয়ে হয়েছে। আমার স্ত্রী আমার জন্য অপেক্ষা করছে', এবং সে লাফিয়ে পড়ল।
দ্বিতীয় যাত্রী বলে, 'আমি পৃথিবীর সবচেয়ে বুদ্ধিমান মানুষ। পৃথ্বীগ্রহের আমার বুদ্ধির প্রয়োজন আছে।' এই বলে সে লাফ দিল।
তৃতীয় যাত্রী ছিল এক বৃদ্ধ। সে অন্য যুবতীকে বলল, 'আমি তো বুড়ো হয়ে গেছি, কিন্তু তোমার তো সমস্ত জীবন সামনে পড়ে আছে।'
যুবতীটি সঙ্গে বলল, 'দাঁড়ান, আপনিও আসতে পারেন। আমরা লাফাব। পৃথ্বীগ্রহের সবচেয়ে বুদ্ধিমান মানুষটি এক্ষুণি আমার ব্যাকৃপ্যাক্ (পিঠের ব্যাগ) নিয়ে লাফ মেরেছে!'
বেশির ভাগ স্বাভাবিক বুদ্ধি থেকে বঞ্চিত। সেইজন্য আমরা জীবনের পূর্ণ সম্ভাবনা সৎকার্যে জীবন যাপন করতে ব্যার্থ হই। আমরা আমাদের বুদ্ধিমত্তাকে সন্তুষ্ট করি। সেই ব্যাকপ্যাককে প্যারাশুট মনে করে লাফ দেওয়া মানুষটির মতই।
প্রকৃতির সহজাত বুদ্ধিমত্তা আছে যার দ্বারা তারা উড়তে পারে। পাখীরা (মাইগ্রেটারী বার্ড) আকাশে হাজার হাজার মাইল উড়ে একই জায়গায় বিশেষ ঋতুতে আসে ও ঋতু পরিবর্তন হ'লে একই রাস্তা অনুসরণ করে আগের স্থানে ফিরে যায়!
উদ্ভিদ প্রতিটি জীবই সহজাত বুদ্ধিমতার উপহারকে ব্যবহার করে তাদের জীবন সুন্দরভাবে যাপন করে। কিন্তু উদ্ভিদ ও অন্যান্য বুদ্ধিমত্তা আছে। সেজন্য তারা সরাসরি সুর্য থেকে খাবার বানাতে পারে। মানুষেরও অসাধারণ সহজাত বুদ্ধি আছে। সে হ'ল পাখী, পশু ও গাছের চেয়ে চেতনার অনেক বেশি অভিব্যক্ত, উচ্চতর আকার।
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর জীবনমুক্ত মাস্টার পতঞ্জলি বলেন, গাছ, পাখী ও পশু, সমস্ত নিম্নশ্রেণী চেতনার আকারগুলির বুদ্ধিমত্তা মানুষের মধ্যেও আছে।
মানুষের গাছের মত নিজের খাদ্য বানাবার ক্ষমতা থাকা আবশ্যক। তার নিজের নিজেই বাঁচার সামর্থ্য আছে।
যখন তুমি আরো উচ্চতর জীব হয়ে জন্ম নাও, তোমার জন্ম জন্মান্তর অগণিত মানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লীন হয়ে যায়।
কিছু বিশেষ প্রক্রিয়া জানলে তুমি সেই স্মৃতিগুলিকে যে কোন সময়ে ফিরে পেতে পার।
প্রকৃতি অনুযায়ী আমাদের মানবশরীরে সর্বপ্রকার বুদ্ধিমত্তা আছে। সমস্যা হ'ল আমরা বিশ্বাস করি 'আমরা মূর্খ'। আমরা নিজেরা তৈরি করেছি 'আমরা পারি না...', তাই আমরা এই সত্তার সমস্ত মাত্রাকে স্পর্শ করার প্রক্রিয়ায় অভ্যস্ত নই।
সাঁতার কাটার ক্ষমতা মানুষের আছে। জাপানে এটার জন্য পরীক্ষা করা হয়। নবজাতকককে জন্মাবার সাথে সাথে জলে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং দেখা গেছে শিশু নিজে নিজেই সাঁতার কাটতে শুরু করে!
একটা ছোট গল্প :
একটি বালক স্কুল থেকে ফিরে তার মাকে বলল, 'তুমি বললে যে স্কুলের দাঁতের ডাক্তার বেদনাহীন হবে, কিন্তু সে তা নয়!'
তার মা উদ্বিগ্ন হ'ল ও ছেলেকে জিজ্ঞাসা করল, 'সে কি তোমায় ব্যাথা দিয়েছে?'
motivation
তোমার নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছালে, তুমি উপলব্ধি কর যে গোলপোস্ট সেখানে আর নেই। সেটা আরও দুরে চলে গেছে এবং তুমি এখন অন্য কিছু চাইছ!
শুধু ভিতরে দেখা দেখ, তুমি কি সত্যই ছোটদের লালনপালন করে বড় করছ নাকি শেখাচ্ছ। নিজের দিকে গভীরভাবে তাকাও এবং দেখ যে কেবল ইন্দুর-দৌড়ে দৌড়ানো তোমার গভীরে পরিপর্ণতা দেয় কিনা। তুমি যা করছ তা কি তুমি সত্যি সত্যি করতে চাও ব'লে করছ? নাকি তা করছ কারণ তোমার পরিবার, বন্ধুবান্ধব ও সমাজ তোমার থেকে তা আশা করে।
বোঝ, অন্যেরা কি করছে তা দেখে ও তার ওপরে ভিত্তি করে যদি জীবনযাপন কর, তাহ'লে তুমি কেবল তোমার মূল্যবান জীবন নষ্ট করছ। এটাকে বলে গড্ডলিকা প্রবাহ বা ভেড়ার পালের মানসিকতা - যেভাবে একটা ভেড়া সামনের ভেড়াকে অনুসরণ করে। ইঁদুর দৌড়ে তুমি হয়ত জিততে পার, কিন্তু তুমি তো ইঁদুরমাত্র!
বুদ্ধিমত্তা কিভাবে মাপবো?
আমরা কি বুদ্ধিমত্তা মাপতে পারি? বুদ্ধিমত্তার মাপকাঠি আছে কি?
একদম বুদ্ধির তথাকথিত তীক্ষ্মতা মাপার জন্য কিছু প্রচলিত মাপদণ্ড ব্যবহার করি। প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবহার করে আমরা ছাত্রদের বিভিন্ন দক্ষতা ও প্রবণতা তুলনা করে তাদের গ্রেড করি।
বলা হল একজন বিজ্ঞানে ভালো। আরেকজনের হয়ত সঙ্গীতে স্বাভাবিক প্রতিভা আছে। কিন্তু দুজনকে বিজ্ঞানে এক ক্ষেত্রে গ্রেড করা হয়েছে এবং দুজনকেই সঙ্গীতেও একই মাত্রায় গ্রেড করা হয়েছে। এখন, তুমি কিভাবে নির্ণয় করবে যে কে বেশী বুদ্ধিমত্তাশীল? যদি বিজ্ঞান কৃতিত্বের ওপরে ভিত্তি করে বুদ্ধিমত্তা মাপা হয়, তাহ 'লে বিজ্ঞানে আগ্রহী ছাত্রটিকে বেশি বুদ্ধিমত্তাশীল ব 'লে ঘোষণা করা হবে। যদি সঙ্গীতে কৃতিতে কৃতিত্বের ওপরে ভিত্তি করে বুদ্ধিমত্তা মাপা হয়, তবে স্বভাবতই যে বিজ্ঞান-প্রবণ ছাত্রটির থেকে বেশি বুদ্ধিমত্তাশীল ব'লে দেখা হবে।
ধর, তুমি বিজ্ঞানকে বুদ্ধিমত্তা মাপার মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করলে। তাহলে, শিল্পী শিশুটি নিজেকে অবদমন করে এবং বৈজ্ঞানিক শিশুকে অনুকরণ করার চেষ্টা করে।
বিজ্ঞানী হওয়া একরকম বুদ্ধিমত্তা চাই এবং কবি হ 'তে গেলে আরেক প্রকার বুদ্ধিমতার প্রয়োজন। অলিম্পিকে সাঁতারু হবার জন্য আবার আরেক রকম বুদ্ধিমত্তার কারে! কোন পরিস্থিতির প্রতি সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা হল বুদ্ধিমত্তা। পরিস্থিতি ভিন্ন হলে, সেই পরিস্থিতির প্রতি ভিন্ন মাত্রার বুদ্ধিমত্তা সাড়া দেয়। বৈজ্ঞানিক শিশু কোন নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বুদ্ধিমতার এক নির্দিষ্ট মাত্রা থেকে সাড়া দেয়, বাদ্য শিল্পী অন্য পরিস্থিতিতে বুদ্ধিমতার অন্য মাত্রা থেকে সাড়া মিশ্রী। কোন পরিস্থিতিতে বুদ্ধিমত্তার আরও অন্য এক মাত্রা থেকে সাড়া দেয়!
সবাই জন্ম থেকেই বুদ্ধিমত্তাশীল - এটা কেবল প্রত্যেকের বুদ্ধিমতার অনন্য মাত্রাকে আবিষ্কার করার প্রশ্ন।
স্বতঃস্ফূর্ততা - অকপট বুদ্ধিমত্তা
তুমি নিশ্চয়ই স্বতঃস্ফূর্ত বুদ্ধিমত্তার স্বাদ পেয়েছিলে।
শৈশবে তুমি খুব সহজ ও অকপটভাবে কোন জিনিষকে দেখতে। তাই তুমি তখন এত স্বতঃস্ফূর্ত ছিলে। তুমি বড় হতে থাকলে তোমার স্বতঃস্ফূর্ততা কে সরিয়ে ফেলল? শৈশব থেকেই সামাজিক নিয়মানুবর্তিতা শুরু করে 'কী যা কিছু নয়'। সেই কারণে তুমি কিছু হওয়ার জন্য ও অন্যদের অনুকরণ করে যাচ্ছ এবং তোমার ভিতরের সুন্দর সহজাত শক্তির উচ্ছুাস অপচয় করছ।
আমি একবার এক কোম্পানির নোটিস বোর্ডে মজার এক লাইন দেখেছিলাম :
মৃত্যুর কৈফিয়ৎ গ্রহণ করা হবে, কিন্তু আমাদের দুই সপ্তাহের নোটিস চাই, কারণ আমরা মনে করি যে তোমার মৃত্যুর পূর্বে অন্য কাউকে তোমার কাজ শিখিয়ে দেওয়া তোমার কর্তব্য।
যদি নিজের স্বতন্ত্র বুদ্ধিমত্তা থেকে কাজ না ক'রে তুমি অন্য কারো কাজ বা ব্যবহার অন্ধভাবে নকল কর, তাহলে সুন্দর সম্ভাবনাকে শক্তি নিজেকে প্রতারিত করবে।
একজন মদ্যপিক ট্যাক্সি চালাবার সময় কোন মোড় আসার আসার আগে সবসময় গতি বাড়িয়ে দেয় এবং মোড় পার হয়ে গেলে আবার গতি কমিয়ে ফেলে।
একদিন তার এক বন্ধুকে সাথে করে নিয়ে যাওয়ার সময় বারেবার মোড় ছাড়িয়ে গেল। তার বন্ধু অবাক হয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করল, 'তুমি উল্টো কেন গাড়ি চালাচ্ছ কেন? তোমার তো সেখানে গতি কমানোর কথা।'
পরিসংখ্যানবিদ্যার ছাত্রটি উত্তর দেয়, 'গণিত অনুযায়ী মোড়ের মাথায় দুর্ঘটনা বেশী হয়, তাই আমি সেখানে কমসে কম সময় কাটানোর পরিকল্পনা করি!'
বুদ্ধিমত্তার সাথে কাজে লাগানো হয়। বুদ্ধিমত্তাই জ্ঞান, যা নিজের থেকে আসে। জ্ঞানকে যখন ঠিক জায়গায় ঠিক সময়ে প্রয়োগ করা হয়, যা হল বুদ্ধিমত্তা। ঠিক আয়নায় জ্ঞানকে ঠিক সময়ে প্রকাশ করা; অন্য কথায়, আমাদের বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহার স্বতঃস্ফূর্ততা।
যখন তুমি কিছু না, ধীরে ধীরে তুমি তাকে ব্যবহার করার কলা জানবে। যদি তুমি তোমার বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহার কর না, ধীরে ধীরে তুমি বিশ্বাস করতে শুরু কর সেই মুহূর্তে যা ঘটছে তাকে পরিচালনা করার জন্য বুদ্ধিমত্তা তোমার নেই এবং তুমি অপরের ওপরে অথবা তোমার অতীতের অভিজ্ঞতার ওপরে নির্ভর করা আরম্ভ করে।
নতুন সামর্থ্য হল বুদ্ধিমত্তা । মনি যাণা থেকে আসে, মন থেকে আসা জ্ঞান থেকে নয়।
সজাগতার চাবিকাঠি
একটা ছোট গল্প :
একটি ছোট্ট ছেলে স্কুলে ও বাড়ীতে দুটো নতুন জিনিষ শিখে এসে তার টিচারকে বলল, 'গতকাল আমি তিনিটি মেয়ে মাছি ও দুটো পুরুষ মাছি মেরেছি। '
শিক্ষক ডেকে প্রশ্ন করল, 'তুমি কিভাবে জানলে কোনটা মেয়ে আর কোনটা পুরুষ?'
বালকটি উত্তর দেয়, 'সোজা। তাদের তিনজন ছিল আয়নাতে আর সিগারেটের বাক্সে!'
বুদ্ধিমত্তা হ'ল সজাগ ও স্বতঃস্ফূর্ত হওয়া। একটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিম বোঝা : যখন তুমি গভীরভাবে সজাগ, তুমি ভুল করতে পার না !
সজাগতার সৎকার্য, তুমি অন্যদের শেখানো জিনিয়ের ওপরে নির্ভর কর না। যদি নিজেকে নিয়ন্ত্রন করতে বা অন্যকে ছোট জানতে চাও তাহলে তুমি নিজেকে নিয়ন্ত্রন করনা। যদি সতেজ বুদ্ধিমত্তা সজাগতার সাথে আসে, তুমি কেবল তার থেকে কাজ কর। গভীর সজাগতার সাথে তুমি বর্তমান মুহূর্তে আছ। বর্তমান মুহূর্তে থাকলে তুমি সজীব ও সজ্ঞান রাখো।
বুদ্ধিমত্তা বর্তমান অনুযায়ী যা স্বতঃস্ফর্ত। তার জন্য কোন প্রশিক্ষণ বা শিক্ষার প্রয়োজন নেই। তাকে কেবল অন্তর থেকে জাগরিত হতে হবে।
প্রথম পদক্ষেপ হল নিজেকে লক্ষ্য করা ও দেখা যে তুমি কিভাবে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে প্রতিক্রিয়া কর। যদি তোমার মনোভাবের মধ্যে এবং অতীতের তালিকা থেকে নির্বারিত সিদ্ধান্ত মিশে থাকে। নিজেকে সজাগতার সাথে লক্ষন করা হল প্রথম পদক্ষেপ। সজাগতা সম্পর্কে ভাল খবর হল এই যে, শুধুমাত্র এই পদক্ষেপটা নিতে হবে।
বেশীরভাগ সময়ে আমরা মত অতীতে বাস করতে থাকি এবং জীবনের সুন্দর মাত্রাকে হৃদয়ে কিনি বা ঘটে যাওয়া ঘটনা থেকে আঘাত পাই। উভয় পথেই আমরা এক চরমসীমা সমস্যা থেকে পালিয়ে যাচ্ছি। পরিবর্তে আমরা যদি সমস্যার ভিতরে গভীর সজাগতা সহকারে থাকি, তাহলে বুদ্ধিমত্তার সেই শক্তি সমাধান নিয়ে আসার জন্য যথেষ্ট।
কেবল সজাগতাই জাগ্রত ও বন্ধনমন্ত হবার জন্য যথেষ্ট, এমনকি অতীতের নিয়ন্ত্রণ থেকেও। সেটা হলে আমরা বুদ্ধিমত্তা সহকারে কাজ করতে পারি। এই সজাগতা তোমার সাথে সর্বদা বিদ্যমান বুদ্ধিমত্তাকে সমন্বয় কেন্দ্রীভূত করবে।
অন্ধকারকে দূর করা জন্য সজাগতার আলোক যথেষ্ট। এই অন্ধকার তো সষ্টি হয়েছে বছরের পর বছর অভ্যাস দ্বারা জীবনযাপন করে।
মূল চাবিকাঠি আছে সজাগ হওয়াতেই, যার প্রতিটি মুহূর্ত পূর্ণ সজাগতার সাথে বাস করাই ধ্যান।
নিয়ম ছাড়িয়ে দায়িত্বশীলতাতে
একটা ছোট গল্প :
একবার এক সার্জেন্ট নবাগত সৈন্যদের জিজ্ঞাসা করে যে রাইফেল বানাতে আখরোট গাছের কাঠ কেন ব্যবহার করা হয়।
নবাগতেরা অনেক ভাবল। একজন উত্তর বাদামগাছের চেয়ে শক্ত।'
সার্জেন্ট তাকে নাকচ করে বলে, 'ভুল!'
আরেকজন সাহস করে বলে, 'কারণ সেটা বেশী টেকসই।'
সার্জেন্ট জোর গলায় বলে, 'ভুল!'
তৃতীয় একজন বলে, জলরোধী।'
সার্জেন্ট উত্তরগুলি শুনে পরিশ্রান্ত হয়ে উত্তর দিল, 'তোমাদের দেখছি অনেক কিছু শেখার আছে। সহজ কারণ : সেটাই নিয়মের বইতে লেখা আছে!'
জীবনে যেহেতু অন্যদের ওপরে দায়িত্ব চাপানো সহজ, তাই নিজের বুদ্ধিমতার ওপরে নির্ভর না করে তুমি অন্ধভাবে অন্য লোকেদের নির্দেশ অনুসরণ কর।
তুমি বল যে তুমি অনুগত, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তুমি তোমার কার্যের দায়িত্বকে
এড়িয়ে চলছ। নিয়মের বই অনুসরণ করার এটা এক বিপজ্জনক ও বহু পুরানো অভ্যাস। এটা এইজন্য বিপজ্জনক যে কখনো কখনো তুমি সজাগ নও যে তুমি দায়িত্ব ও বুদ্ধিমত্তা হারিয়ে ফেলেছ। যদি কেউ জানা রায় যায়, বাক্যের জিনিস বারবার মন বহন করে নিয়ে যায়, কারণ কেউ তোমাকে তা বলেছিল।
মায়াময় বাজারে বলাকনা রাজ্যে মটন বন্ধ বন্না কা জনবর বন ব্যক্তির কিভাবে লোকেরা দায়িত্বকে বোঝে :
একবার এক অপরাধী তার উকিলকে ধমক দিচ্ছিল, 'তুমি কোন কাজের উকিল নও। তুমি বুঝতেও পার না যে কখন তোমার কোর্টে অব্জেক্শন্ (প্রতিবাদ) করার দায়িত্ব থাকে।'
রান্ডস্য প্রেকিল থ্যন্ন করব, 'আমি বুঝলাম না। আমার কখন অবজেক্শন করা উচিৎ ছিল, কিন্তু করি নি?'
অপরাধী - উত্তর - দিল, - 'যখন অপরপক্ষের অবজেকশন করলেন। কিন্তু যখন জজসাহেব আমাকে দোষী সাব্যস্ত করলেন, আপনি আপনার বড় মুখটাকে বন্ধ রাখলেন। তখনই তো আপনার অব্জেক্ষুশন্ করা উচিৎ ছিল!'
তোমার জীবনে যা ঘটে তার জন্য পুরো পৃথিবীকে দায়ী করো না। কিন্তু যদি একটু গভীরে তাকাও, দেখবে, তোমার জীবনের ঘটনাগুলির জন্য কিভাবে তুমিই কেবল দায়ী!
যেহেতু তুমি তুমি প্রতিটিটি মুহুর্তিকে সজাগতার সাথে যাপন কর না এবং নিজের কথাগুলি ও কার্যসকলের দায়িত্ব নাও না, তাই বহু জিনিষ তুমি অচেতনভাবে কর। তারপর যখন সেইসব কার্যের ফলাফল ঘটে, তুমি দাবী কর যে সেই ফল তোমার প্রাপ্য নয়!
নিজের বদ্ধিমত্তা থেকে কার্য করা হল তোমার সমস্ত কার্যের জন্য সর্বদা সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেওয়া। এমতাবস্থায়, যখন কারো কথা মেনে চলছ, তুমি মনে কর যে তুমি সেই মানুষটির বাধ্যগত। কিন্তু যদি সেই মানুষটিকে অমান্য করলে তোমার অপরাধবোধ হয়, কারণ তোমার একটা অংশ অনুভব করে যে তাকে মানতে হবে, কিন্তু তুমি তাকে মানছ না। এই মুহূর্তে সেই মুহূর্তে সম্ভবত বোধশক্তি সহকারে অনুসরণ করা যে একমাত্র তুমিই তোমার কার্যের জন্য দায়ী। তাহলে তুমি কাউকে আঘাত দেবে না, নিজেকেও নয়। আর যে মানুষটিকে তুমি অমান্য করছ, তার প্রতিও তুমি বুদ্ধিমত্তা সহকারে সাড়া দেবে।
এখন ও এখানে
একটা ছোট্ট জোক :
এক খদ্দেরের কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করে, 'বস কি আছেন?'
অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট ছিল নতুন। সে প্রশ্ন করে, 'আপনি কি সেলসম্যান, নাকি বিলের দাম নিতে এসেছেন অথবা তার বন্ধু?'
একটু ভেবে তাড়াতাড়ি সেলস ম্যান বলে, 'তিনটেই!'
সহকারী বলে, 'সেই ক্ষেত্রে, তিনি বাথরুমের বাইরে এবং ভিতরে যান ও তার সাথে দেখা করুন।'
প্রশ্নকারীর ওপরে উত্তর নির্ভর করে! বদ্ধিমতাশীল হতে গেলে তোমাকে নিজের মত হতে হবে এবং সেটাতে তুমি অভ্যস্ত নও। তাই তুমি অতীতের অভিজ্ঞতাগুলিকে ভিত্তি করে প্রতিক্রিয়া করতে পছন্দ কর।
সচরাচর আমরা কেবল প্রোগ্রাম করা মেশিনের মত প্রতিক্রিয়া করে। আমরা পরিস্থিতি অনুযায়ী সাড়া দিই না। কেউ তোমার নিন্দা করলে তুমি কি করছ সে সম্পর্কে সজাগ হবার আগেই তুমি রেগে যাও।
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর জীবনের একটা সুন্দর গল্প :
এক ব্যক্তি বুদ্ধকে অপমান করল। তার শিষ্য আনন্দ বলে, 'আমি নিশ্চই লোকটাকে উচিত শিক্ষা দিতাম। আপনি কেন শান্ত থাকলেন? কমপক্ষে আমি তাকে দেখে নিতাম।'
মানুষ, পরিস্থিতি ও জীবন - তাদের স্বাগত কর
वूकिता र'ल जीवन जन्मूक र उपया। मणे रूल मानूस, भविष्ठि उ जीवर्तनव সবকিছুকে স্বাগত করতে থাকা।
অনেক সময় তোমার নিজের প্রত্যাশা ও ধারণা আছে। তুমি আগামীকালের আবহাওয়া কেমন হবে তাতে কি তুমি কোন নিয়ন্ত্রণ করতে পার? না! তাহলে তুমি কেন তোমার ঘরের 'আবহাওয়া'-কে নিয়ন্ত্রণ কর? কেন তোমার স্ত্রীর বা ছেলের মেজাজ কিরকম হওয়া উচিৎ সে সম্পর্কে চিন্তা কর?
বোঝা, আমরা দুটি জিনিষ করতে পারি। একটা হল তথ্য সংগ্রহ করে যুক্তিতর্ক করা। অন্যটা হল একটা বিচার করে ফেলে তারপর সেই রায়কে সমর্থন করে।
বেশিরভাগ সময়েই আমরা আগেই রায় मिट्य क्यालि বन्दर জনवर्ष करन करन घण्यांचलित्व मनार्याण दिर या वासारমন রায়কে সমর্থন করে।
উদাহরণস্বরূপ, তুমি তোমার স্বামী বা স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করলে সে কি বলবে। তুমি জেনে গেছ তোমার স্ত্রীকে তোমার সাথে বসে রবিবারের ফুটবল ম্যাচ দেখতে অনুরোধ করলে সে কি বলবে। এই কয়েকটি ঘটনার ভিত্তিতে তুমি বিচার করে ফেলেছ।
সেইজন্য তাকে কোন কৃতিত্ব দাও না। সমস্যা হল, তুমি নিজেকেও কৃতিত্ব দাও না। সেইজন্য অন্যদের আধুনিকীকরণ হতে পারে বলে তুমি বিশ্বাস করতে পার না।
মস্তিষ্কের - উদ্ধের - আছে প্ৰসময় বদ্ধিমতার প্রবেশদ্বার
একবার এক পিতাপুত্র একটা সস্তা হোটেলে রাত কাটাতে প্রবেশ করল। পিতা লাইট অফ করে পুত্রকে আস্বস্ত করল, 'ভয় পেয়ো না। দেবদূতেরা তোমাকে দেখছে। '
'আমি জানি,' বালকটি বলে। 'তাদের মধ্যে দুজন এইমাত্র আমাকে কামড়িয়েছে।'
যে প্রণালী THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM সাথে কাজ করার প্রণালী। এটা কিছু হওয়ার প্রণালী নয়। এটা নতুন কিছু অর্জন করার জন্য নয়, এটা কেবল তোমার সত্তাকে আবিষ্কার করা। वणे निर्जाक आनाव, निर्जन জানার পথের প্রকৃত দ্বার।
তুমি বুদ্ধিজীবী হ'লে তুমি কার্য কর কেবল মস্তিষ্ক থেকে, যুক্তি থেকে।
একটা ছোট গল্প :
একজন দর্শনশাস্ত্রে ডক্টরেট করার জন্য কাজ করছিল। সে তার পড়াশুনা ও পবেষণায় এত ব্যস্ত ছিল যে তার স্ত্রী ভাবল তাকে মাঝে মাঝে মনে না করিয়ে দিলে সে হয়ত স্ত্রীকে ভুলেই যাবে।
তাই একদিন স্ত্রী তাকে আকস্মিকভাবে বলে ফেলে, 'প্রিয়তম, কি কারণে তুমি আমাকে এতটা ভালবাস?'
লোকটি তার স্ত্রীকে গম্ভীরভাবে জিজ্ঞাসা করে, 'তুমি 'এতটা' বলতে গভীরতা, গুণমান, পরিমাণ অথবা প্রকাশ করার ধরণ - কি বোঝাতে চাইছ?'
যখন তুমি ভাবতে শুরু কর যে তোমার যুক্তি, তোমার মস্তিষ্ক সমস্ত জীবনকে বুঝতে পারে। তুমি মহাবিশ্বের সবকিছুকে তোমার মস্তিষ্ক দ্বারা ছকে ফেলে বোঝার চেষ্টা কর।
আরেকটা গল্প :
এক ছাত্র বিজ্ঞানে গ্র্যাজুয়েট হয়েছিল। সে একবার তার বন্ধুদের সাথে নায়েগ্রা জলপ্রপাত দেখতে যায়।
বিশাল জলপ্রপাত দেখে সে মন্তব্য করে, 'মনে হয়, আমি এটাকে সারাতে পারব ও জলের লীক হওয়া বন্ধ করতে পারব!'
জানার এক ভ্রান্ত ধারণা তোমাকে দেয়। তা তোমাকে তোমার মস্তিষ্কে কেন্দ্রিত রাখে।
যখন তুমি বুদ্ধিবৃত্তি থেকে কার্য কর না, আবার অনাবিল আবেগাত্মক প্রেম থেকেও কার্য কর না। তুমি কেবল প্রেমময় বুদ্ধিমতা থেকে কার্য করে এবং তুমি - স্বতঃস্ফর্তভাবে - তোমার - চারিদিকে প্রত্যেকের জন্য করুণা বর্ষণ কর।
উপলব্ধি কর, চিন্তা নয়
একটা ছোট গল্প :
একবার তিনজন মানুষ জীবন অভিমুখে যাত্রা করল। তারা এক বড় শহরে প্রবেশ করল ও দুরে বিরাট গগনচুম্বী অট্টালিকাগুলি দেখে অবাক হল। তারা ভাবছিল সেগুলি কি হতে পারে।
তারা একসাথে সবাই মিলে আলোচনা করল। তারা সামনে গিয়ে দেখতে ভয় পেল, যদি সেগুলির ভিতরে কোন বিপজ্জনক জিনিষ থাকে। তারা সেখান থেকে বাইরে আসতে না পারলে কি হবে? তাই তারা ঠিক করল যে ভিতরে যাবার আগে সেগুলি সম্পর্কে জানা উচিৎ।
তাদের অতীতের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তারা বিশ্লেষণ করল এবং সেগুলি কি কি হতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করল।
সবশেষে তারা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হল যে সেগুলি মানুষের পক্ষে খুবই বড়, তাই তার ভিতরে নিশ্চয়ই দৈত্যরা থাকে। তাই এই দৈত্যদের শহরে তারা সুরক্ষিত নয়।
এই নতুন জ্ঞানলাভ করায় খুব সন্তুষ্ট হয়ে তারা নিজেদের গ্রামে ফিরে গেল!
তাই দেখ, অতীতের জ্ঞান থেকে তুমি কিছু জানতে পার না। জানার মানে হল সবকিছু জানার চেষ্টা কর। তাকে সম্পূর্ণরূপে জানার জন্য তো তোমকে তাকে দেখতে হবে, জানতে হবে। একজন বুঝে গেল নায়েগ্রা জলপ্রপাত কেমন দেখতে !
তমি চিন্তা করার ওপরে ভরসা রাখ কারণ তুমি স্বাভাবিক উপলব্ধিকে ঘটেতে দাও না। যখন তুমি স্বেন্তঃস্ফূর্ত হও, তোমাকে আর চিন্তা করতে হবে না। কেবল যেটাকে ফিল করতে হয়, সেটাকে ফিল করতে হয়।
আরেকটা জিনিষ, তুমি কেবল সেটা সম্পর্কে ফিল করতে পার, যা তুমি জানো বা যা তুমি লিখেছ। তুমি কি কখনো কিছু সম্পর্কে চিন্তা করেছ? তুমি রায়ণ সম্পর্কে বনীক করতে পার, কিন্তু জিনিষের ভিত্তিতে গড়া।
চিন্তার সাথে বুদ্ধিমতা ও সত্যের শক্তি থাকে না। জারেক সে সবসময় অভিজ্ঞতার ওপরে ভিত্তি করা হবে এবং তা থেকে সর্বদাই আরও প্রশ্ন ও সন্দেহ আসবে।
উপলব্ধি হল বুদ্ধিমতা; সেটা সতেজ ও নবীন।
বুদ্ধিমত্তা হল তুমি ফ্রি, জারেক তে কোনও সন্দেহ নেই এবং আরও প্রশ্ন করায় না। সেটা হল তোমার মধ্যে, জারে লেগে লাগনে ছাড়া কিছু নয়। लेखन यदि 'वासि जानि ना' আসে, তাহলেও সেই অজ্ঞতা জানার ভান করার থেকে সত্যের নিকটে থাকে।
অতীতের স্মতি থেকে আসা উত্তরের ওপরে নির্ভর না করে বর্তমান সচেতনতা থেকে কার্য করাই হ'ল উপলব্ধি।
মন - মাস্টার নাকি হাতিয়ার?
মন থেকে চিন্তার উদয় হয় এবং সেটা এক ধরণের বিষয়গত বিকিয়া। কিন্তু মন তোমার জন্য হাতিয়ার না হয়ে তোমার মাস্টার হয়ে গেলেই সমস্যার সূত্রপাত হয়।
একটা ছোট গল্প :
এক রাজার এক বিশ্বাসী ভূত্য ছিল। কয়েকবার সে নিজের জীবন বিপন্ন করে রাজার জীবন বাঁচায়। সে এতই রাজভক্ত ছিল।
একবার এমনই এক ঘটনায় রাজা সেই ভূত্যের ওপরে খুব খুশী হয়ে তাকে যেকোন কিছু চাইতে বলল। ভূত্য নমুভাবে উত্তর দিল, 'মহারাজ, আমার কিছুই চাই না। আমার প্রয়োজনের সব কিছুই তো আমাকে দিয়েছেন।'
কিন্তু রাজা জোর করল। সবশেষে ভ্যত্য বলে, 'ঠিক আছে, যদি সত্যি আপনি আমাকে কিছু দিতে চান তাহলে আমাকে একদিনের জন্য রাজা করুন।'
রাজা একটু অস্বস্তিবোধ করল, কিন্ত তার কথা দেওয়ার জন্য তাকে সেটা মানতে হল।
পরের দিন সকালে ভরুত্য রাজা হয়েই পুরানো রাজার দিকে অঙ্গুলিনির্দেশ রাজরক্ষীদের বলল, 'ওকে মেরে ফেল!'
রাজা প্রচণ্ড ঘাবড়ে গেল ও তার ভূত্যকে জিজ্ঞাসা করল, 'তুমি কি জান তুমি কি বলছ?'
জুণ মাल्ठारव সেজুন মিল, 'वासि আজকে রাজা। আমি যা কিছু করতে পারি। '
রাজাকে মেরে ফেলা হল ও তার ভৃত্য সারাজীবন রাজা হয়েই থাকল।
একইভাবে যখন - যখন - আমরা - মনকে মোক্তারনামা (পাওয়ার অফ অ্যাটর্নী) দিই, সে পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে।
मन वर्तन वक व्याजित कर काज করে যাকে তুমি বন্ধ করতে জান না। যেহেতু বেতারে সম্প্রচার একটানা হতে থাকে, সেখানে বুদ্ধিমতার শক্তিকে তুমি অনুভব করতে পারবে। সেইজন্য তোমার রিল্যাক্স করার অভিজ্ঞতা হয় না এবং তুমি ক্লান্ত ও নিঃশেষিত অনুভব কর।
মনের গভীরতায়
করে দেখ। প্রকাশিত করতে পারে।
যা চিন্তা আসে, একদম তাই লিখে ফেল। পাঁচ মিনিট ধরে এটা কর। তারপর কি লিখেছ তা পড়।
তুমি হয়ত ভারতের কোন ঘটনা লিখেছ, পরের মুহূর্তে নিজের সম্পর্কে লিখেছ, ছাত্র সম্পর্কে, একটা কুকুরের ডাক সম্পর্কে... এবং আরো কর কিছু! প্রকৃতি অনুযায়ী মন হল কেবল কতগুলি স্বতন্ত্র, এলোমেলো এবং অযৌক্তিক চিন্তার গুচ্ছ।
যাকে আমরা মন বলি, তা নিজেই এক বিজ্ঞপ্তি। মন কেবল অভিক্ষিপ্ত ছবিগুলিকে প্রদর্শিত করতে থাকে। পর্দা নিজে সেই সিনেমা নয়, সে কেবল অভিক্ষিপ্ত ছবিগুলিকে প্রদর্শিত করতে থাকে।
প্রকৃতপক্ষে তখন খাও না! খাবার সময় তোমার সত্তা খাদ্যকে কখনও অনুভব করে না। যদি তুমি সজাগতার সাথে খাও, তুমি কখনও ভারী বোধ করবে না কারণ তুমি কখনও বেশি খেয়ে ফেলবে না। কোন খাদ্য খাবে ও কতটা খাবে তা জানার জন্য কোনো মনের প্রয়োজন নেই। সজাগতা সহকারে খেলে তুমি পরিষ্কার বুঝতে পার। এটাই তো এক মহান ধ্যান।
কখনও তোমার মনকে রিল্যাক্স কর না, তুমি সেদিনের সমস্ত ঘটনাবলীকে বিশ্লেষণ করতে শুরু কর। কেবল বর্তমান মুহুর্তে ও ঘুমিয়ে পড়ার ওপরে ফোকাস করার চেষ্টা কর, সেটাই যথেষ্ট।
নেশা ছাড়ানোর নিশ্চিত উপায়
একটা সত্যি ঘটনা :
একবার এক যুবা আমার কাছে এসে আমাকে তার ধর্মপানের অভ্যাস ছাড়াবার জন্য সাহায্য প্রার্থনা করে। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম সে কিভাবে প্রথমে সেই অভ্যাসটা শুরু করে। সে বলে একবার সে এক বন্ধুদলের সাথে মিশেছিল। মিরে বক্তব্যমন মবারে কিল ধৃমপায়ী।
সেদিন রাস্তায় তার বাবার সাথে দেখা হয়ে যায়। তাকে সেই দলে দেখে তার বাবা ধরে বাড়ী ফিরলে বাবা তাকে প্রচণ্ড বকে এবং বাবা ছেলের কথা শুনলই না যখন ছেলে বোঝাবার চেষ্টা করে সে ধূমপান করে নি।
ছেলেটি বলে পরেরদিনই বাবার ওপরে বিদ্বেষ করে সে পুরো এক প্যাকেট সিগারেট পান করল! সেইভাবে সে ধীরে ধীরে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ল।
যখন সে জিজ্ঞাসা করে সে কিভাবে তা ছাড়াবে, আমি তাকে বললাম, 'তা ছাড়তে হবে না। যাও, ধুমপান কর। কিন্তু তা কাউকে কিছু প্রমাণ করার জন্য করবে না। তা তোমার বাবার ওপরে বিদ্বেষে করবে না। আর কল্পনা করবে না যে ধুমপান করে তুমি পরিণত ও স্বাধীন হয়েছ। প্রত্যেকবার সিগারেট নেবার সময় তা নীরব হয়ে কর। সচেতন হও যে তুমি কেন ধুমপান করছ। সচেতনভাবে দেখ যে ধোঁয়া তোমার মধ্যে প্রবেশ করছে। কিভাবে সিগারেটটাকে ধরেছ, সেটাকে কিভাবে মুখে ঢোকাচ্ছ। তুমি নিজেই উপলব্ধি করবে। '
কিছুদিন পরে ছেলেটি আমার কাছে ফিরে এল। সে বলল, 'স্বামীজী, আমি আর ধুমপান করতে পারছি না! সচেতনভাবে সেটা করে কিভাবে এত ধোঁয়া আমার সিস্টেমে প্রবেশ করাচ্ছি! আমি এটাও বুঝলাম যে ধুমপান আমার জন্য জন্য একদমই জরুরি নয়।'
তারপর সে আরও কিছু বলল যাতে আমি খুব খুশী হলাম। সে বলে, 'স্বামীজী, আমি উপলব্ধি করলাম যে এতদিন ধরে নিজের শরীরে ধোঁয়া ঢুকিয়ে আমি শরীরকে অবমাননা করেছি।'
কি করছি সে সম্পর্কে আমরা সচেতন হলে, অনেক কিছুই আপনা আপনি চলে যায়।
শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করার কোন প্রয়োজন নেই, কারণ যাই নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করি তা নিজেকে অন্যভাবে প্রকাশ করবে। তা নিয়ম্ভিত হতে বাধা দেবে! আমাদের কেবল আমাদের করা প্রতিটি কার্যে সচেতনতা নিয়ে আসা চাই এবং আমাদের প্রাকতিক বদ্ধিমত্তার ওপরে আস্থা চাই। কেবল তাতেই আমাদের নিয়ন্ত্রণের এক्याल ভ্রণাव निर्ज़টमन जन्मा वन्यासारिक कार्य ना করে আমরা জীবনকে সচেতনভাবে যাপন করতে পারব।
তোমার শরীরের প্রতিটি কোষে বুদ্ধিমতা আছে
আমাদের শেখানো হয়েছে যে আমাদের বুদ্ধিমতার কেন্দ্র হ'ল মস্তিষ্ক। আমরা ভাবি যে মুখিক নানা শরীরের অন্যান্য কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
এখন গবেষণা থেকে এপিজেনেটিক্স (epigenetics) নামক এক নতুন বিষয়ের উদয় হয়েছে। এই বিষয়ে ডঃ ব্রুস লিপটন, দশ বছর ধরে এপিজেলেটিক্স বিষয়ে গবেষণা করে যাচ্ছেন। তিনি বলেছেন যে আমাদের মস্তিষ্ক আমাদের নিয়ন্ত্রণ করে না। কার্যক, প্রতিটি কোষে, এমনকি কোষের ঝিল্লিতেও বুদ্ধিমতার প্ৰমাণ আছে।
আমেরিকার ল্যাবোরেটারিসে সাম্প্রতিক গবেষণা সেখানে পরীক্ষা করলেন যে একটা ক্ষতিকর আক্রমণ করলে কোষগুলি তাতে কিভাবে সাড়া দেয়। এমনকি আগে ভাবা মত কোষের ঝিল্লি অত সহজভাবে গঠত নয়।
আমাদের শরীর মস্তিষ্ক দ্বারা নিয়মন্ত্রিত হওয়া বুদ্ধিমতার এক কেন্দ্রিত সহজ সিস্টেম নয়। মানুষের শরীর সন্দর ও সুষ্ঠভাবে সমন্বিত বদ্ধিমতার এক অতি অভিযুক্ত ও আবাণ্টিত সিস্টেম।
বুদ্ধিমতাশীল স্ব-নিরাময় শক্তি
সকেটে বালব লাগালে তা জুলবে। সেই সকেটে লাগাতে না পারলে বালবটা আর জ্বলবে না! কিন্তু তোমার ভিতরের শক্তি সেই প্রকার নয়। সেটা হ'ল এক বুদ্ধিমতাশীল, নিরাময় করার শক্তি। নিরাময়ের শক্তি আছে। তমি তা দেখতে পার, যখন কেটে গেলে বা কোন ক্ষত তোমার কোন থাকে।
তুমি নিরাময় করতে পার
এক স্বয়ংক্রিয় শরীরিক বুদ্ধিমতা আছে যা করছে। যদি শরীরের কোন অংশের ক্ষতি হয়, ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলিকে প্রতিস্থাপিত করার জন্য অথবা মন হস্তক্ষেপ করলে সেই প্ৰাকতিক প্ৰক্ৰিয়াতে বিঘ্ন ঘটে।
আমাদের শেরীর অবিশ্রাম নিজেকে প্রতিস্থাপন করে। তুমি জিজ্ঞাসা করতে পার, 'তাহলে একই রোগ আমার দেহে আবার হয় কেন? যদি আমার দেহ বারবার নিজেকে
যখন শক্তি মস্তিষ্ক থেকে বিকশিত হয়, তা হল বুদ্ধিমত্তা। যখন তা হৃদয় থেকে প্রকাশিত হয় তা হয়ে যায় করুণা। যখন শক্তি নিজেকে সত্তা থেকে বিকশিত করে, তা বিশুদ্ধ আনন্দ। যখন শক্তি বাইরে প্রকাশিত না হয়ে ভিতরেই থাকে, তা হল পরমানন্দ!
তোমার জীবন চালাবার জন্য 'তুমি'-র প্রয়োজন নেই
একটা গুরুতপূর্ণ জিনিষ বোঝার আছে: সেটা তোমাকে আশ্চয়ান্বিত করতে পারে। তা হল, তোমার শরীরের ভিতরেই জীবনকে চালাবার মতো যথেষ্ট বুদ্ধিমত্তা আছে।
এখন তুমি মনে কর যে তোমার জীবন সুখীভাবে চালাবার জন্য তোমাকে তোমার বুদ্ধিসুদ্ধি খাটাতে হবে। কিন্তু শরীরের ভিতরে যে বুদ্ধিমত্তা শরীরটা সৃষ্টি করেছে, তা তোমার জীবন কে তোমার জন্য সুন্দরভাবে চালাতে পারে।
যে বুদ্ধিমত্তা জন্মের সময় তোমার শরীরকে সৃষ্টি করেছে, তাকে বলা হয় বায়ো-মেমরি (bio-memory)। তোমাকে এই গুরুত্বপূর্ণ সত্যটি বুঝতে হবে, তুমিই তোমার শরীরকে কিছু নির্দিষ্ট জিনিয়াস দেওয়ার জন্য, নির্দিষ্ট কয়েক বছর বাঁচার জন্য ও নির্দিষ্ট কিছু কার্য করার জন্য সৃষ্টি করেছ।
যখন জন্ম নাও, তুমি তোমার জীবন ও আমোদপ্রমোদ সমূহ নির্ণয় কর; যাকে তুমি জীবনরস বলে মনে কর তার ওপরে ভিত্তি করে তুমি যা করতে চাও তা করার নির্ণয় নাও।
শরীরের জিনোম-এর ভিতরে জীবনকে চালাবার জন্য ও প্রসারিত করার জন্য যথেষ্ট বদ্ধিমত্তা আছে। তুমি বিশ্বাস কর কি না কর অথবা স্বীকার করে কি না কর, সেই বিরাট বুদ্ধিমত্তা শরীরকে সুরক্ষণ করে চলেছে। কিন্তু আমাদের সীমিত বোধশক্তি আমাদের সেটা উপলব্ধি করতে বাধা দেয় এবং আমরা অবিশ্রাম অনভব করি যে জীবন বর্তমান মহুর্তে যেমন, জীবনকে তার থেকে আলাদা হতেই হবে।
সেই বুদ্ধিমতাতে আস্থা রাখা ও তাতে রিল্যাক্স করাকে আমি বলি ভক্তি। সেই উচ্চতর বুদ্ধিমতার কাছে সমর্পণ করাই সত্য সমর্পণ। আমাদের প্রাকৃতিক বুদ্ধিমত্তার সাথে ঐকতানে বাস করাই আধ্যাত্মিক জীবন যাপন করা।
জীবনের অনিবার্যতাকে স্বীকার করা
আমাদের মধ্যে বেশিরভাগের জীবন কষ্টকর কারণ তা লালসার ওপরে ভিত্তি করে এবং তা হয় যখন আমরা আমাদের বর্তমান জীবনাবস্থাকে স্বীকার করি না। আমরা আরও চাই অথবা ভিন্ন কিছু চাই। ভয় হয় যখন আমরা আমাদের ভবিষ্যতের মুহূর্তগুলিকে স্বীকার করতে চাই না। ভয় অর্থ আমরা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে শঙ্কিত। তুমি বর্তমান মুহূর্তকে স্বীকার করলে তা হয়ে যায় লোভ ও অস্থিরতা। যখন তুমি ভবিষ্যতের মহুর্তগুলিকে স্বীকার করতে প্রস্তুত নও, তা হয়ে যায় ভয়।
উভয় ক্ষেত্ৰেই যদি তুমি দেখ, এটা হল জীবনের অনিবার্যতাকে স্বীকার না করার ফল। 'অনিবার্যতা' শব্দটিকে খুব গভীরভাবে বুঝতে হবে।
ধ্যান প্রক্রিয়া - স্বীকৃতির নিত্যসূত্র
ভয় হয় লালসা রুঢ় হওয়ার জন্য। ভয় কারোর কাছ থেকে কিছু কাড়তে চায়। মনোযোগ সরিয়ে নিও না। মনোযোগ সরিয়ে নিও না।
তোমার জীবনে যা কিছু খারাপ বা দুঃখের হয় তার জন্য ভয় দায়ী।
macrocosm & microcosm
- বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বুদ্ধিমত্তা। বুদ্ধি - এই বুদ্ধিমত্তা কোন মানুষকে কেবল শক্তিভিত্তিক নিরাময়-প্রক্রিয়ায় নিরাময় করতে পারে। শরীরে যকৃৎ বা লিভার কোথায় বসবাস করবে তা জানে। এটাই বুদ্ধিমত্তা। বিশৃঙ্খলায় এই শক্তি ও শৃঙ্খলা উপলব্ধি করি, আমরা পরমানন্দে প্রবেশ করি।
যখন বিশ্বব্রহ্মাণ্ড বিশৃঙ্খল, তখনও এখানে জীবনের মধ্যস্থতা ঘটে। একইভাবে আমাদের মধ্যে যাকে আমরা মধ্যস্থতা বলি, সেটাই বিশৃঙ্খলা! আমরা এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সম্ভাবনার এক অংশ এবং তার বিশৃঙখলা ও শুঙ্খলারও অংশ। ঠিক এখন, আমরা নিজেদের সীমাবদ্ধ মনে করি কারণ আমরা আমদের চারিদিকে এক ছোট সীমানা দেখি - আমাদের ঘর, আমাদের শরীর, কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস। তাই আমরা আমাদের জীবনকে শঙখলায় পরিচালিত করার জন্য অনেক প্রচেষ্টা করি। যারা এই শংখলাকে অনুসরণ করে না তাদের আমারা নিন্দা করি।
কিন্তু শরীরের গভীরে আমরা সুন্দর এক বিশঙখলা। আমরা নিখিলবিশ্বের এক ক্ষুদ্র সংস্করণ, যা এক শৃঙ্খল ও শৃঙ্খলহীন বিশৃঙ্খলার দ্বারা ঘেরা। আমরা লোকেদের নিন্দা করা ছেড়ে দেব। আমরা বুঝতে পারব যে আমাদের ভিতরে প্রকৃত শংখলা হল কেবল মহাজাগতিক শংখলা।
তাই বোঝ, প্রথমদিকে আমরা আমাদের তথাকথিত শুঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা করি কারণ আমরা বিশ্বাস করি যে আমাদের সীমানা আছে। যদি আমরা আমাদের সীমানা অতিক্রম করি তাহলে আমাদের তথাকথিত শৃঙ্খলার প্রয়োজন চলে যাবে, আর তখন আমরা মহাজাগতিক শৃঙ্খলার সাথে ঐকতানে থাকব এবং আমাদের মধ্যে আনন্দ ঘটবে। নিজেদের ভিতরে মহাজাগতিক চৈতন্য উপলব্ধি করতে পারলে আমরা আমাদের ভিতরের সহজাত শৃঙ্খলাকে আবিষ্কার করব। আমরা তখন নির্জন যাত্রনাবাড়ি স্বীকার করব।
মহাজাগতিক বিশৃঙ্খলাকে জানার অভিজ্ঞতা লাভ করলে তুমি পরমানন্দ অভিজ্ঞতা কর।
তোমার উপলব্ধি করলে তুমি করুণা ঝরাবে।
মহাজাগতিক বুদ্ধিমত্তা আমাদের সাড়া দেয়
যদিও তুমি কোন বিষয়কে বিশ্বাস কর, কিন্তু শরীরের ভিতরে যে মহাজাগতিক বুদ্ধিমত্তা আছে তা আমাদের প্রতিটি চিন্তায় সাড়া দেয়। জাপানী বিজ্ঞানী ডঃ মাসারক এমোতো চিত্তাকর্ষক পরীক্ষা দ্বারা এই বিষয়টি দেখিয়েছেন।
তিনি বিভিন্ন উৎস থেকে জলের নমুনা সংগ্রহ করে তার ওপরে বিভিন্ন চিন্তা প্রয়োগ করেছিলেন। তারপর তিনি হিমোগুলিকে বরফের জন্ম দিয়েছিলেন এবং তার স্ফটিকের গঠন মাইক্রোস্কোপের উচ্চ-
ক্ষমতাসম্পন্ন লেন্সের নীচে ফেলেছিলেন।
বাঁধের জলের ওপরে পরীক্ষা প্রথমে উৎকট গঠন দেখাল। কিন্তু এক ঘন্টার প্রার্থনা ও জল পরিষ্কার হয়ে যাক, সেই ইচ্ছার জন্য তা সুন্দর ষ্টকোণের স্কটিকে লক্ষণীয়ভাবে রূপান্তরিত হল।
আমাদের শরীরে ৭০% জল। পৃথিবী গ্রহের ভূতল ৭০% জলে ভরা। জলের ওপরে মানসিক চিন্তার প্রভাব অধ্যয়ন করার পরে একবার কল্পনা করে দেখ পৃথিবী ও আমাদের শরীরের ওপরে কিরূপ প্রভাব থাকতে পারে!
ইতিহাসের একটি সত্য ঘটনা :
ভারতবর্ষ যখন ব্রিটিশদের অধীনে ছিল, তখন ব্রিটিশ সৈন্দেন্যরা লক্ষ্য করল যে ইংল্যাণ্ড থেকে ভারতের পথে জাহাজে জল নিয়ে যাওয়ার সময় সেই জল খারাপ হয়ে যায়। কিন্তু তারা ভারতবর্ষ থেকে জল নিয়ে যাবার সময় সেই জল তাদের সম্পূর্ণ যাত্রাপথেও তাজা থাকত ও ব্যবহার করা যেত! বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করতে গেলে জানতে পারল যে এই জল গঙ্গানদীর জল এবং সেই নদীর জলকে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ পুজা করে। খারাপ জীবাণু মারার জন্য ও নিজেকে শুদ্ধ করার জন্য তার প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ছিল।
কোটি কোটি মানুষ গঙ্গাকে হাজার বছর ধরে পূজা করার ফলে স্বাভাবিকভাবেই তারা তাদের প্রার্থনাপূর্ণ ভাবনার ছাপ এই জলে রেখে গেছে এবং তাই এই জল এত শক্তিময় ও স্ব-নিরাময়ের ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়েছে।
এমনকি মিশরেও মিশরীয়রা হাজার বছর ধরে নীল নদের জলস্তর, উত্তালতা ইত্যাদি মেপে অধ্যয়ন করে। তারা দেখে যে অনেক সময়ে এই পরামিতিগুলি ভূমিকম্প, বন্যা বা এমনকি সুদুরে ঘটতে যাওয়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ সমূহ নির্দেশ করে।
প্রকৃতির সাথে সংযোগ
আমরা কি জন্য প্রকৃতির প্রতি অসংবেদী হই? যেই মুহূর্তে আমাদের আমিত্ব শক্তিশালী হয়, আমরা প্রকৃতির প্রতি অসংবেদী হয়ে যাই।
আমি কবি মানুকা ভাক্তির লেখা পড়ছিলাম। সে ছোটবেলায় তার বাড়ীর বাইরে জঙ্গলে গিয়ে জংলী পশুদের সাথে খেলা করত। তার বাবা তাকে সাবধান করে বলত যে জংলী জানোয়ারেরা তার ক্ষতি করতে পারে। বাবা তাকে পশুদের সাথে খেলা করতে বারণ করত।
কিন্তু সে যখনই সময় পেত জংলী পশুদের কাছে গিয়ে বসত। সে বলত, 'যখন আমি আত্মসচেতন হতাম এবং ভাবতাম যে পশুরা আমার ক্ষতি করতে পারে, তারা কখনও আমার কাছে আসত না। তখন তাদের সাথে আদান-প্রদান ঘটত না এবং সম্বন্ধতা কখনও ঘটত না।
কিন্তু যখন আমার সাহস হ'ত অথবা আমি খুবই খেলার মেজাজে থাকতাম, যখন আমার ভয় বা আত্মসচেতনতা থাকত না, তখন আদান-প্রদান ও সম্বন্ধতা খুব প্রবলভাবে হ'ত।
আমি খুব পরিষ্কারভাবে অনুভব করতে পারতাম যে পশুরা আমার সাথে সংযোগসাধন করছে এবং আমিও তাদের সাথে সংযোগসাধন করতে পারছি।'
বোঝা, যখন আমি বলি যে তোমার আমিত্ব শক্তিশালী হচ্ছে, তখন আমি কি বলতে চাইছি। তার অর্থ হল তুমি নিজেকে এক 'আলাদা মানুষ' বলে নিজের পরিচয়কে প্রবলভাবে অনুভব কর। এটা ঘটলে প্রকৃতির সাথে তোমার সংযোগ বিঘ্নিত হয়। সরলভাবে বলতে গেলে, প্রকৃতির সাথে সংযোগ হারানোর থেকে বড় ধরনের ক্ষতিগুলির মধ্যে এটা একটা খুবই বড় ক্ষতি।
এটা অনেকটা যেন জন্মান্ধকে বোঝানো যায় না যে সে কি হারাচ্ছে, যেহেতু মানুষ হৃদয়ের সাথে সম্বন্ধতা করা ভুলে গেছে, তাকে কখনও বোঝানো যাবে না যে সে কি হারাচ্ছে।
অভিপ্রায়ের ক্ষমতা
লেখক ও ডাক্তার দীপক চোপড়া তার 'বাসনার স্বতঃস্ফূর্ত সম্পূরণ' (দি স্পন্টেনিয়াস ফুলফিলমেন্ট অফ ডিজায়ার) বইটিতে একই প্রকার পরীক্ষার কথা বলেছেন যেখানে রক্তের শ্বেতকণিকাগুলিকে বিভিন্ন উদ্দীপক বা ভিন্ন ভিন্ন চিন্তার দ্বারা সাড়া দিতে দেখা যায়। শ্বেতকণিকাগুলিকে রক্তের নমুনা থেকে আলাদা করে একটি টেস্ট টিউবে রাখা হয়।
হঠাৎ গবেষকের মাথায় একটা ধারণা এলো যে তার হাতের পিছন দিকে একটু কেটে ফেললে টেস্ট টিউবে শেতকণিকা কোষগুলি কিভাবে সাড়া দেবে। লাগাম কাটার সঙ্গে সঙ্গেই সেই টেস্ট টিউবের শেতকণিকা কোষগুলির ক্রিয়াকলাপ শুরু হয়ে গেছে।
কার্যগুলি নব্বই শতাংশ পর্যন্ত শারীরিক স্তরে দ্রুত সাড়া দিচ্ছিল !
মানসিক উদ্দেশ্য ও বিশ্বাস শারীরিক স্তরে কিছু ঘটাতে পারে। সেইজন্য সর্বদাই সঠিক অভিপ্রায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সম্মোহিত মস্তিষ্কের তরঙ্গ
আমি পড়ছিলাম যেখানে কিছু বছর আগে দুইজনের একসাথে ধ্যান করার সময় মস্তিষ্কের তরঙ্গ মাপার জন্য বিজ্ঞানীরা ইলেক্ট্রো-এনসেফ্যালোগ্রাফ (EEG) ব্যবহার করেছিল। বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন, কোন দম্পতি যদি বহুদিন ধরে একসাথে বসবাস করে, তাহলে তাদের দুজনের মস্তিষ্কের তরঙ্গদৈর্ঘ্য একইরকম হয়ে যায়। তাদের প্রবলভাবে পাশাপাশি ধ্যান করতে বলা হল। তারপর তাদের আলাদা আলাদা ঘরে যেতে বলা হল।
তারপর সেই জোড়ার একজনকে ঘরে উজ্জল ইলেক্টো-এনসেফ্যালোগ্রাফ দ্বারা তার মস্তিষ্কের তরঙ্গের রেকর্ডিং প্রত্যাশিতভাবেই হল। কিন্তু অবাকভাবে দেখা গেল যে একই সময়ে অন্য জনের ঘরেও একই প্রকার লক্ষ্য করা হল, যদিও তাকে তার ঘরে আলো দ্বারা উদ্দীপিত করা হয় নি!
বোঝা, তোমার মনে যা ঘটে, তা কেবল তোমায় নয়, তোমার আশেপাশে সবাইকে প্রভাবিত করে। স্থান কাল বলে কিছু নেই। স্থান এবং সময় হল মনের বুনন করা জাল। সেজন্য তোমার ঘরে যদি তুমি দুশ্চিন্তা এবং নকারাত্মক ভাবনা বেশি প্রকাশ কর, ঘরের পরিবেশ পরিবারের সদস্যদের জন্য ভারী হয়ে পড়ে। তারা তোমার বিকিরণ করা নকারাত্মকতা দ্বারা প্রভাবিত হয়।
বুদ্ধিমতা অভিজ্ঞতা নয়, কিন্তু অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া শিক্ষা
তোমার কাছে যে তথ্য (data) আছে, সেগুলির সাথে বুদ্ধিমতার (intelligence) কোন সম্পর্ক নেই। সেগুলি কেবল বুদ্ধিবৃত্তি (intellect)। অন্য শব্দে বলা যায়, বুদ্ধিবৃত্তি হল তোমার স্মৃতির ভান্ডার, কিন্তু সেগুলি থেকে পাওয়া শিক্ষাসমূহই বুদ্ধিমতা। পছন্দ-অপছন্দ বিনা তুমি উন্মুক্ত ও স্বতঃস্ফূর্ত হলে উপলব্ধি ঘটে। যদি তুমি পছন্দ-অপছন্দকে সরিয়ে রাখতে পার, তাহলে স্মৃতি তোমাকে পরিব্যাপ্ত করতে পারবে না। যদি তুমি উন্মুক্ত হও, তাহলে সম্পূর্ণ উপলব্ধি তোমাকে পরিব্যাপ্ত করবে এবং তুমি বুদ্ধিমতাসম্পন্ন হবে।
উদাহরণস্বরূপ, একটি বালক জ্বলন্ত দেশলাই কাঠি ছুঁয়ে শেখে যে দেশলাই কাঠি দগ্ধ করে। তারপর সে গ্যাসের আগুনে হাত দিয়ে শেখে যে গ্যাসের আগুন দেশলাই কাঠির থেকেও ভয়ঙ্কর। যদি একটি শিশুকে কেবল এইভাবে নিজের অভিজ্ঞতা ঘটার জন্য অপেক্ষা করতে হয়, তাহলে তাকে 'আগুন দগ্ধ করে' - এই শিক্ষা করার জন্য তার অনেক বছর লেগে যাবে। আর সবশেষে যখন সে তা শিখল, তখন তো তার শ্মশানঘাটে গিয়ে দগ্ধ হওয়ার সময় হয়ে গেছে!
বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন মানুষ প্রথমবার জ্বলন্ত দেশলাই কাঠি স্পর্শ করেই বুঝে যায়, যে কোন প্রকার আগুনই দগ্ধ করে। কিন্তু আরও বেশি ব্যক্তিমতাশীল ব্যক্তি দেশলাই কাঠি ছোঁবার জন্যও অপেক্ষা করে না; অন্য মানুষকে তা ছুঁতে দেখলেই সে শিখে যায়!
বুদ্ধের জীবনে এক সুন্দর গল্প আছে :
একবার এক দার্শনিক বুদ্ধের কাছে এসে প্রশ্ন করল, 'ঈশ্বর বা পরমাত্মা সম্পর্কে আপনি আমাকে কিছু বলবেন?'
বুদ্ধ নীরবে রইলেন।
দার্শনিক বুদ্ধের কাছে নতমস্তক হল এবং বলল, 'আপনার প্রেমময় কৃপা দ্বারা আপনি আমার বিভ্রান্তি দুর করলেন এবং আমি সত্য পথে প্রবেশ করেছি।'
সবচেয়ে নিকটের শিষ্য আনন্দ বুদ্ধকে জিজ্ঞাসা করল যে দার্শনিক কি লাভ করেছেন।
বুদ্ধ উত্তর দিলেন, 'একটা ভাল ঘোড়া চাবুকের ছায়া দেখেই দৌড়ায়। '
তিন প্রকার ঘোড়া আছে। প্রথমটিকে না ঠেকালে সে এক পাও নড়ে না। যদি তাকে প্রহার কর, সে একটু যাবে কিন্তু আবার থেমে যাবে। তৃতীয় প্রকার ঘোড়াকে প্রহার করার দরকার নেই। তাকে প্রহার করার ভয় দেখালেই সে বুঝতে পারে। জ্ঞানী লোকেরা সর্বদাই বুদ্ধিবৃত্তিশীল। তার কারণ তাদের ভিতরে আকাঙ্ক্ষা এতই তীব্র যে তারা সেই পথ খুঁজে নেয়।
স্মৃতি দিয়েই সব তৈরি হয়। অতীত স্মৃতি তোমার কাছে যা কিছু নিয়ে আসবে, সেটাই মায়া। যদি তুমি সবকিছু ভুলে যেতে পারো, তবেই মুক্তি।
dopamine
বুদ্ধিবৃত্তি বনাম বুদ্ধিমত্তা
আমাদের সম্পূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থা তথ্যের মুল্যায়নের ওপরে ভিত্তি করা, বুদ্ধিমতার ওপরে নয়। যা বুদ্ধিবাদী ও বাস্তবিক মানুষের কাল্পনিক প্রত্যক্ষীকরণ দ্বারা নয়।
যখন তুমি কোন জিনিসের ভালো-মন্দ বিচার কর, তুমি বুদ্ধিমান হবার সামর্থ্য হারিয়ে ফেল। বস্তুত, যদি তুমি যুক্তির সাথে যুক্তিবাদী হও, তুমি বুঝতে পারবে না জীবন যৌক্তিক নয় এবং তাকে নীরস যুক্তি ও বুদ্ধিবৃত্তি দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায় না। জীবন বুদ্ধির চেয়েও এক উচ্চতর স্তরে ঘটে।
বুদ্ধিমতাশীল ব্যক্তি মুহূর্ত থেকে মুহূর্তে বাস করে, যুক্তির মধ্য দিয়ে নয়। সে ধার করা উত্তরে বিশ্বাস করে না। সে পরিস্থিতির চ্যালেঞ্জ দেখে এবং তাতে সরাসরি সাড়া দেয়।
বুদ্ধিবৃত্তিক (intellectual) ব্যক্তি একটা ফটোর মত; তার ওপরে অতীতের ছাপ আছে। বুদ্ধিমতাশীল (intelligent) ব্যক্তি আয়নার মত; সে প্রতিফলন করে ও বাস্তবে সাড়া দেয় এবং তাই সে স্বতঃস্ফর্ত।
ধ্যান এক সুন্দর প্রক্রিয়া। তা যেন নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যম না হয়ে যায়। তুমি তোমার বুদ্ধিবৃত্তিকে সরিয়ে রাখলে এক গভীরতর বুদ্ধিমত্তা তোমার ভিতরে জাগ্রত হয়। তুমি তোমার পরিধি থেকে কার্য না করে তুমি তোমার কেন্দ্র থেকে কার্য করা আরম্ভ কর। তোমার কেন্দ্র এক বিশুদ্ধ বুদ্ধিমত্তাশীল শক্তি।
বুদ্ধিমতাকে পুনরায় আবিষ্কার করা যায়। তার সবচেয়ে ভালো উপায় হল ধ্যান। বুদ্ধিমত্তা বিকাশে প্রতিকুল সমাজ সৃষ্ট সমস্ত বাধাগুলিকে ধ্যান ধ্বংস করে। প্রবহমান নদীর মতই ধ্যান প্রস্তরখণ্ডগুলিকে সরিয়ে দিয়ে কলকল শব্দে প্রবাহিত হয়।
বুদ্ধিমান হওয়ার জন্য ভ্রমণ করতে ভালো লাগে। তার জন্য দুঃসাহসিক অভিযান ভালো লাগা চাই! যখন তুমি সর্বদাই অজানার দিকে যাচ্ছ, বুদ্ধিমত্তা বাড়ে ও তা শাণিত হয়। কেবল প্রতিদিন নতুন সুযোগ অন্বেষণ করলেই বুদ্ধি বৰ্ধিত হয়।
বুদ্ধি কেবল এক মানসিক ধারণা, যা সৃজনশীল রুঢ় হয়। বুদ্ধিমত্তা সৃজনশীল কারণ তা মহাজাগতিক বুদ্ধির এক অংশ।
ভুল থেকে বুদ্ধিমত্তা
একটা ছোট গল্প :
একবার দুজন দুঃসাহসী শিকারী দুর্লভ পশু শিকার করার জন্য বাড়ী থেকে বহু দুরে গভীর জঙ্গলে যাওয়া মনস্থির করল। তারা একটি ছোট বিমানে চড়ে বসল এবং কয়েক ডজন পশু ধরল ও মারল।
বিমানচালক কয়েকদিন পরে শিকারী দুজন ও পশুগুলিকে নিয়ে যেতে ফিরে এল। সে পশুগুলিকে দেখে বলে, 'এই প্লেনটা বিরাট ষাঁড় ও ফুটো হওয়া জানোয়ারগুলিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। আপনাদের এদের ছেড়ে যেতে হবে।'
শিকারী দুজন বলল, 'দ্যাখো, গতবার আমরা ঠিক এই আকারের প্লেনে একই আকারের পশুদের নিয়ে গিয়েছিলাম!'
পাইলট রাজী হল না। কিন্তু শিকারীরা জোর করে যে গতবার তারা এই প্রকার পশুদের একই রকম প্লেলে বহন করেছিল। পাইলট অবশেষে তাদের কথা বিশ্বাস করল ও শিকারীদের এদের সবাইকে নিয়ে যেতে পারবে এবং সবাইকে প্লেনে উঠতে দিল - দুটো জেব্রা ও বিশাল ষাঁড়টাকেও।
প্লেন উড়ল ও একটু উচ্চতা লাভ করার পর কিছুক্ষন পিঠের ওপরে ভর দিয়ে চলতে লাগল। শিকারীরা ও পাইলটের কোন আঘাত লাগে নি। তারা প্লেন থেকে বেড়িয়ে এল।
একজন মুচকি হেসে শিকারী ক্রুকে জিজ্ঞাসা করল, 'কি মনে হয়, আমরা কোথায়?'
অন্যজন দেখল ও বলল, 'মনে হচ্ছে, গত বছর যেখানে ভেঙ্গে পড়েছিলাম তার থেকে কয়েক ফুট দুরে। '
যদি তোমার ডাইরি লেখার অভ্যাস থাকে, তাহলে দেখবে তুমি একই ভুল বারবার করে আসছ! দেখবে গত কুড়ি থেকে ত্রিশ বছর ধরে একই ভুল করছ। স্থান আলাদা, ভুল করার স্থান ভিন্ন, ভুল করার সময় ভিন্ন। কিন্তু ভুলগুলি প্রায় এক প্রকার! এমনকি নতুন ভুল করার জন্যও আমাদের বুদ্ধিমতার প্রয়োজন!
আরেকটা গল্প :
একজন ডাক্তারের কাছে দুই কানে পোড়া নিয়ে এল। ডাক্তার জিজ্ঞাসা করে, 'দুটো কানই কিভাবে পুড়ল?'
व्यक्ति बाजार समय গরম ইস্ত্রিটা রাখা ছিল। ভুল করে আমি ফোনের জায়গায় ইস্ত্রি উঠিয়ে নিই।'
ডাক্তার অবাক হল এবং প্রশ্ন করে, 'ও! কিন্তু অন্য কানটা? ওটাও কিভাবে পুড়ল? '
व्यक्ति व्यान्त कि व्या विद्या वनल, 'लांकणी আবার ফোন করল!'
यथन वृद्धित्राणा मरकारव वाम कव जूसि একই ভুল পুনরায় করবে না। কারণ বুদ্ধিমান श्टल প্রথমবারেই শিক্ষা গ্রহণ করে নাও।
জীবন যে এক স্বপ্ন তা উপলব্ধি করার জন্য বুদ্ধিমত্তা
আমি এখন দুটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলব, তা তোমাদের বুঝতে হবে। প্রথমটা হল, এই বিশ্ব যে জিনিষ দিয়ে মিথ্যে নির্মিত হয়, ঠিক একই জিনিষ দ্বারা তোমার স্বপ্নগুলিও নির্মিত হয়।
এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ উক্তি। যদি তুমি এই কথাটি বুঝতে পার, তুমি তাকে অনেক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পার। যে ক্ষমতা দ্বারা তোমার স্বপ্ন সৃষ্টি কর, তাকে যদি তুমি ব্যবহার कवरण आन, लड़ बकरे करण माना प्रान्ना जूसि म्बन्धनित्क व्यकाम कवरण भाव। जानाव म्बन्धुलि रून बतन बक मण्डि याद्र माना वास्तवा বিশ্ব সৃষ্টি হয়।
मिलीयाणि रूल, या किछू जूनि एकथ व्य जानाव घाना मुंड रायरण, मारे भूरवा জিনিষটাকেই পরিবর্তিত করার ক্ষমতা তোমার আছে !
আমরা সর্বদাই ভাবি যে আমাদের জীবন একটা দুৰ্ঘটনা। না, তা এক দুৰ্ঘটনা नয়, जा वक घण्डना। यदि एक्सि वरे वक्ति जिकिटक वाद्य, जानाव জীবন নানাভাবে পরিবর্তিত হতে পারবে। তা পরিবর্তিত করবে তোমার প্রত্যক্ষীকরণকে, তোমার চিন্তার প্যাটার্নকে এবং তোমার স্বপ্নগুলির সঙ্গিকারী কল্পনাকে।
বেশিরভাগ ভন্নবিদ্वासी विज्ञातिकन स्वश्ल मुष्ठि कवि। व वर्तनाजनीय स्वटन मण्डिन वर्षण राया यदि मानव मण्डिक वर्षण करण ना मिट्या जाएक সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়, তা থেকে এক বাস্তবতার সৃষ্টি হয় যা এখনকার বাস্তবতা থেকে অনেক ভাল হয়।
স্বপ্নকে বাস্তব করার জন্য তোমার এক তাৎপর্যপূর্ণ সামর্থ্য বা শক্তি থাকবে এবং আরও তাৎপর্যপূর্ণভাবে তুমি উপলব্ধি করবে, যা কিছু তুমি বাস্তব বলে দেখ তাও কেবল আরেকটা সুন্দর এক স্বপ্ন!
এই দুটো জিনিষ একসাথে তোমার জীবনকে রূপান্তরিত कवरण ভারত - স্বপ্নকে বাস্তবে রূপান্তরিত করার সামর্থ্য এবং উপলব্ধি করা যে সমস্ত বাস্তবতাই আরেকটা স্বপ্ন।
অভিপ্রায়ের প্রত্যক্ষীকরণের স্বপ্নগুলিকে ব্যবহার করার ক্ষমতা - এগুলি জীবনে তুমি যা চাও তা সৃষ্টি করার জন্য ও বর্ধন করার ক্ষমতাগুলি তোমার জীবন সম্পূর্ণ পরিপূর্ণতার সাথে বাঁচার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি ও মেজাজ मण्डि कवरण ভারত। किलु लगे सुम्बान क्वन वक्रमिक। বিজ্ঞান
উপলব্ধি করার বুদ্ধিমত্তা হারিয়েছে কিছুকে বাস্তব বলে দেখছ তা কেবল এক স্বপ্ন ছাড়া কিছুই নয়! কেবল যখন সেটা বোঝ, তুমি নিজের সাথে সম্পূর্ণ স্বস্তিতে স্থির হতে পার। তা না হলে তুমি সর্বদাই এক অবিচ্ছিন্ন অপর্ণতা অনুভব করতে থাক। এই অপর্ণতার জনस्त्रणिर অবস্থাতে রেখে দেয়।
বুদ্ধিমত্তা ও প্রত্যক্ষীকরণ
वाकिस्त्रणाव প্রত্যক্ষীকরণ। প্রত্যক্ষীকরণ না থাকলে তোমাকে পরিকল্পনা করতে হয়। বিশুদ্ধ ও স্পষ্ট প্রত্যক্ষীকরণ এক বালরকর मम्भू धावराटक थकान करवा यदि আমাদের এই প্রকার প্রত্যক্ষীকরণ না হয়, আমরা রেখাক্কিত পরিকল্পনা করি অথবা ধাপে ধাপে যুক্তিগত প্রক্রিয়া করি।
পরমজ্ঞানালোকপ্রাপ্ত 'ভিতরের কিচিরমিচির' হয় না। অন্য কথায়, তাঁদের ভিতরে অবিশ্রাম চিন্তার রেলগাড়ি চলে না। তাই তাঁরা বিশুদ্ধ ও পরম প্রত্যক্ষীকরণ অভিজ্ঞতা করেন।
কারো স্পষ্ট প্রত্যক্ষীকরণ থাকলে তার পরিকল্পনা করার দরকার নেই। স্বতঃস্ফূর্ততাই কাজটি করার জন্য যথেষ্ট। এই প্রকার মানুষের वार्तवाद के विश्व करण्यास करण्या का वर्णना का कारण करण्या का कारण करण्या का कारण करण्या का कारण करण्या का कारण करण्या का कारण करण्या का कारण करण কোন আবশ্যক আধুনিকীকরণ অথবা উন্নয়নও আপনা আপনিই ঘটে। এমনকি ঘটনাগুলি ভবিষ্যতেও সুন্দরভাবে খাপ খাইয়ে নেয়।
জীবনমূল্য রল यাটনমারণ मर्यক्यून जना मासिएनील रअसा
আমরা কে এবং আমরা এখানে কি করছি এই সম্পর্কে বুদ্ধিমত্তা লাভ করার পর वन्याव विकि मायिकुमीनजान জানnav स्पेमय হয়। আমরা তখন জানি যে আমরা অন্যদের থেকে স্বতন্ত্র নই, কিন্তু পরস্পরের সাথে একই সূত্রে গাঁথা।
किछू वर्ण्ड वाटन जातिलनाफूटक প্রिवি রোগের মহামারী হয়। সবশেষে ওষুধ পাওয়া গেল এবং মহামারী নিয়ন্ত্রিত হল। তাকে নির্মূল করার জন্য দায়বদ্ধ আধিকারিকেরা গর্বভরে मावी करव जामन मायिजनीलजाब अनारे वर्र मशासाबी निर्मुल रूल। কিলু জানা কি ট্রান্ড মহামারীর সমস্ত শহরে ছড়িয়ে পড়ার জন্য মাসিকূ निर्याण्डल? ना! जाना ट्रान्द्र पिवि व्यान छुड़िय्य भड़ाव जनाउ मायी, ठिक? क्वन সংকট নিয়ন্ত্রণ করার প্রশংসা না নিয়ে তারা শুরুতেই যাতে মহামারী ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য প্রচেষ্টা করতে পারত।
একইভাবে আমরা আমাদের জীবনে যা কিছু ভাল ঘটে, জান जना मायिक निरे, কিলু কোন কিছু খারাপ ঘটলে তার দায়িত্ব নিই না। আমরা বাছবিচার করে দায়িত্ব নিই।
यदि घटने जान जना मायिकू निरे, কवल জারদন আমরা উন্নীত হতে শুরু করব।
यथन जूसि वरे सना वाम করা শুরু কর, 'আমি দায়িতুশীল', তোমার সমস্ত জীবন পরিবর্তিত হবে। যদি তুমি বলে তোমার জীবনের সমস্ত ঘটনাকে বিশ্লেষণ কর, স্পষ্ট দেখবে, তোমার জীবনে ঘটনাগুলির জন্য কেবল তুমিই দায়ী। সাধারণত আমরা অন্যদের ওপরव मायिकू काभिर्य मिरे वर्वर वासारमन जोवटन घंटेनागुलिन जना जारमन कार्यादवाभ করি। বোঝ, যারা জীবনে প্রস্ফুটিত হতে চায়, তাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তাদের চারপাশের সমস্ত ঘটনার জন্য দায়িত্বশীলতা অনুভব করতে হবে।
স্বামী বিবেকানন্দ সুন্দর বলেছেন, 'যত भाव काँद्य मायिकू त्वन पर वर्षि मासिकू त्वर, জज्य কूर कूलि मम्भूमानिक र रव। मम्भुमानवर वक्ताव दुक्ति। मम्भुमानव विना তুমি সংকুচিত হবে ও মারা যাবে। '
একটা ছোট গল্প :
बक वालि कान काजवा क्लाव्य ক্লাব্য দায়িত্বশীলতা সম্পর্কে ভাষণ দিচ্ছিল। কয়েক मिन वाटन या घटनेট্র जान (শटक ट्रम वक्रणे উদাহরণ দিল। সে বলল, 'আমার বন্ধু ও আমি একবার পার্কের রাস্তায় হেঁটে যাবার সময় একজনকে রাস্তায় অচেতন দেখলাম।' সে विवरण निल उ उ द्वार्णाटमन स्व সেম্বিশ্র সূर्थाणि দেখল।
তারপর সে বলতে লাগল, 'কেউ তাকে সাহায্য করার জন্য বিব্রত হল না। কেবল তাই नয়, वासना यथन भारक (শटक (शुट्रा वनास তখনও লোকটি সেখানেই পড়েছিল!'
অন্যদের দোষারোপ না করে আমাদের নিজের ভিতরে তাকানো যাক এবং দেখা যাক সমস্যা সমাধান করার জন্য আমরা কি করছি! আমরা অপরের ভুল ধরার জন্য সর্বদাই প্রস্তুত। किन्तु करावाद वासना ट्रारे वाभारतवन जना নিজেরা কিছু করি?
यक विभि मायिक नवर, এক বিভি জন্मीণ श्रद्ध। व्यासान काविदिक मामल किफू ঘটার জন্য যখন তুমি দায়িত্বশীল অনুভব কর, তখন তুমি হও অধিনায়ক বা লীডার। তার আগে পর্যন্ত তুমি কেবল এক অনুচর।
করুণা হল দায়িত্বশীলতা ও শক্তি
একবার আমার এক শিষ্য আমায় প্রশ্ন করে, 'স্বামীজী, আপনার মধ্য দিয়ে কিভাবে এত শক্তি প্রবাহিত হয়?' যখন অপরের কষ্টের जना जिनिष्ठो मायिकूमीलजाब क्रून न्या ववर ज मण्डि রিमारव भवारिक रूय, बाल्गा म्यूजना यथन क्ले पूर्श्यकर्ष्टिन जना मायिक त्वयु, ज्य অবিলম্বে শক্তি বিকিরণ করতে শুরু করে।
योग्ड शिक्यून करणजन मिश्रा বারোজন। রামকৃষ্ণ পরমহংসের কয়জন শিষ্য ছিল? (कवन (यालजन। কত কম শিষ্য ছিল, কিন্তু যেহেতু তাঁরা দায়িত্ব নিয়েছিলেন, তাদের গতিময়তা প্রসারিত হয়।
भविष्ठान करव वावा, कूलि माँज़ारण পারবে কেবল যদি তুমি অপরের উন্নতির জন্য मायिकूमील अनुस्त कव, कवन यदि जामन सेन्वीण कबाब अना मायिकमील अनुस्त कव। यून जूसि वलटक भाव কিছু করতে পারবে তা করবে, যখন তমি मायिकू निर्द्य निर्द्य करण्ड करण्यन वर्ष व वर्ष व वर्षि সম্প্রসারিত হও ও ঐশ্বরিক শক্তি তোমার মধ্য मिट्य व्यारिक रूय। बरे धावनाव उभरव নিবিষ্টভাবে অবলোকন কর যাতে তুমি এটাকে গভীরভাবে ব্রাতে পার।
भाज्यम वाटनव सथा मिट्य कि वाय প্রবাহিত হতে পারে? না! গাঁটসহ বাঁশ শাশানে মতদেহ বহন করার জন্য ঠিক আছে। কিন্তু একই বাঁশ বাঁশরী হয়ে যায় যখন তাকে ফাঁপা করা হয়। যতক্ষণ তামি নিজেতে কেন্দ্রিত, গাঁটিসহ বাঁশের মত মতদেহ বহন করার ক্ষমতা তোমার থাকবে। যখন তুমি আমিত্ব থেকে মুক্ত হও এবং দায়িত্ব সহকারে উঠে দাঁড়াও, তখন সম্প্রসারণ ঘটে এবং তুমি বাঁশের বাঁশীর মত হয়ে যাও। তখন যেভাবে বায়ু বাঁশে প্রবেশ করে মणीज रूट्य निर्शक रूय, मन्दे कार्या তোমার মধ্যে প্রবেশ করে তোমার থেকে শক্তি রায় বর্ষারিক रूय!
এক জ্ঞানীয় পরিবর্তন (Cognitive Shift)
তুমি দায়িত্ব নিলে তোমার ভিতরে এক জ্ঞানীয় পরিবর্তন ঘটে। তোমার মানসিক গঠন বদলায়। আমরা অনেকে গোলামের জীবনযাপন করি। উদাহরণস্বরূপ, যদি অফিসে আট ঘণ্টা কেবল আদেশ পালন করে তাহলে তুমি নিস্তেজ ও কলান্ত অনুভব কর। তার বদলে যদি তুমি দায়িত্ব ও উদ্যোগ নাও, সেই আট ঘণ্টা অনেক সহজ ও আরও উপভোগ্য হবে।
দুষ্টান্তস্বরূপ, ধর একজন নিজের ব্যবসা চালাচ্ছে এবং আরেকজন কোন কোম্পানীর জন্য কাজ করছে। ব্যবসার মালিকের তার ব্যবসার জন্য সম্পূর্ণ দায়িত্ব আছে, কিন্তু যে ব্যক্তি কোন কোম্পানিতে কাজ করছে, সে সম্পূর্ণ দায়িত্ব অনুভব করে না। যদি সে দায়িত্ব অনুভব না করে তাহলে পুরো চাকরিটাই তার জন্য একটা বোঝা হয়ে যায়। তার ক্রিয়া-প্রেরণা খুবই কম অথবা নেই। ছুটির সময়ের জন্য সে বারবার তার ঘড়ির দিকে তাকাতে থাকে। তার জন্য কেবল মাসের প্রথম দিনটি খুব সুন্দর, কারণ সেটা মাইনের দিন! এক মাসে কেবল একদিনের আনন্দের জন্য সে অনবিনা মিনটক वলिश्वমান করন। वाल्किश्रण मायिकरवास या कान भविष्टिकिटक भविवर्णिक কवरण ভারত। वालिशन मायिकूरवास मार्यान কার্যসকল সম্পন্ন করতে পারে।
यथन পড়, তুমি এক মহাবলী হয়ে যাও। তার আগে পর্যন্ত তুমি নিজের ও অপরের জন্য এক বোঝা হয়ে থাক। वासना थायरे जावि य वायवा একদম সাধারণ কাজে আছি। আমরা অবাক হই যে আমরা কেন আরও দায়িত্ব নেব যখন আমাদের কার্যক্ষেত্রে উচ্চতর কর্তৃপক্ষেরা তা নিচ্ছে না।
আমাকে বলতে দাও, অফিসে যখন এক দ্বাররক্ষক তার কাজ নিখুঁতভাবে করে, সে অন্যদের অনুপ্রাণিত করে। দেখ, প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে তার জন্য কোন কৃতিত্ব দেওয়া হয় না! কিন্তু নীচের পদের কেউ উচ্চ দায়িত্বশীলতা প্রদর্শন করলে তা সত্য অনুপ্রেরণা হয়ে যায়।
শ্রীরামকৃষ্ণ বলতেন, 'একজন সন্ন্যাসীকে ঈশ্বরচিন্তা করার জন্য কৃতিত্ব দেওয়া হয়। তাঁকে তার জন্য কোন কৃতিত্ব দেওয়া হয় না।
একজন সংসারীকে প্রতিবার ঈশ্বরচিন্তা করার জন্য কৃতিত্ব দেওয়া হয়! সন্ন্যাসী এক মহৎ ईश्वरक छूटल शाकरल भाभ रয়; किलु बक সংসারী ঈশ্বরকে এক মুহূর্তও চিন্তা করলে তা এক সাধন বলে গণ্য হয়।' वकरेजादव, वक्रजन वर्षिनायकरक मायिकूमील रूटक राव। वधिनायकरक কৃতিত্ব দেওয়া হয় না। যদি একজন দ্বাররক্ষী দায়িত্ববান হয়, এম ল भूटना विजिमनाक অনুপ্রাণিত করতে পারে।
উচ্চপদের মানুষদের চেয়ে নীচের পদের মানুষদের দায়িত্ববান হওয়ার সম্ভাবনা অনুপ্রাণিত করার বেশি সম্ভাবনা আছে। তাই দায়িত্বশীল হওয়ার জন্য কারো নির্দেশের অপেক্ষায় থেকো না।
মিণীয়াণ, करवा ना व्य कूलि वक नोटकव भट्म वाण्ड ववर जारे जारे जारी जानारक দায়িত্ববান হতে হবে না।
ততীয়ত, তোমার ভিতরে জানীয় পরিবর্তন ঘটনে দাও।
তোমার মধ্যে এক মানসিক পরিবর্তন ঘটতে দাও। সম্প্রতি তোমার মন এক 'মিথ্যাম' वर द्याय वाट्य, রাজिट्य वाद्य मायाজাल्ल, वर्ताख्या जाताव मन वनवनज वरिष्णु गरण পূর্ণিত्वा उ दूঃখ গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে উপলব্ধি করবে যে প্রগাঢ়ক্লপে নিজেকে উপভোগ করার সময় তোমার ভিতরে হঠাৎ এক ভয়ের অনুভূতি হয় य পূর্ণিত्वा কवाद जना जानाव कारण किछूरे तरे। उत्तन कुलि व्यविलास् दुनिष्ठा कवाद जिनियश्टलि वटन कूलि जनून कव ववर ववर जाताव দুশ্চিন্তাগুলিকে স্মরণ করতে আরম্ভ কর।
-
cognitive shift ।
শিব বলেন, 'এই সমস্ত বিশ্ব এক নিছক স্বপ্নমাত্র।' কতজন মানুষ তা স্বীকার করতে পারে? তুমি এই বিশ্বকে বাস্তব হিসাবে দেখ কারণ তমি সেইভাবেই তাকে অভিজ্ঞতা করেছ।
কোন কিছুকে কেবল অভিজ্ঞতা করে তাকে আমরা স্বীকার করতে পারি। যা কিছু व्याख्या কবি নি, জাতक वासना स्वीकार করতে সমর্থ হই না। একমাত্র সমাধান হল নির্জন পরমানন্দকে অভিজ্ঞতা করা।
তোমার সমস্যাগুলিকে হাস্যাম্পদ মনে হয়। তোমার ব্যর্থতাকেও যৌবনোন্মাদ মনে হয়। যখন আমরা পরমকে উপলব্ধি করি, আমাদের সবকিছুকেই লীলা মনে হয়। তুমি জীবনের খেলায় কোনভাবে প্রভাবিত না হয়েও, তাতে গলা পর্যন্ত ডুবে সেই খেলা সুন্দরভাবে খেলতে পার।
আস্থা ও ধৈর্য
আমি সর্বদা লোকেদের বলি, 'ভেবো না य जाताब किछू পवित्राटन मुक्ति वाटण वर्वर তুমি সেই শক্তি অনুসারে কার্য করবে। না। যা কিছু কার্য ও দায়িত্ব তুমি নাও, শক্তি সেই অনুযায়ী তোমার শক্তি হবে। या किछू मायिक रूसि निर्जन ग्रुवा कन्न, मन्त्र य जातान वाल्र्यन करे वनुभारण সম্প্রসারিত হয় এবং তোমার মধ্য দিয়ে শক্তি প্রবাহিত হয়।'
যদি তোমার পাশে ঘটা সবকিছুর জন্য তমি দায়িতশীল অনুভব কর, তমি হঠাৎ একজন অধিনায়ক বা লীডার হয়ে যাও। তুমি তোমার ও অন্যের জীবন রূপান্তরিত করা শুরু কর। সচেতনভাবে বুদ্ধি পাবার পথগুলির মধ্যে দায়িত্বশীলতা একটি।
তোমাকে কেবল দুটি জিনিষ করতে হবে : আস্থা রাখ যে জীবন সুন্দর এবং জান যে দায়িত্ব নিয়ে তুমি সম্প্রসারিত হতে পার।
আরেকটা সম্প্রসারণ ঘটে, কেবল ধৈর্য ধর এবং রূপান্তরের প্রক্রিয়ার সময় ধৈর্য রাখা। রূপান্তর ঘটার মত একটা দৈবঘটনার মত। সাঁইবাবার উপদেশে একটা সুন্দর উক্তি আছে : 'শ্রদ্ধা সবুরি' - আস্থা ও ধৈর্য। সেটাই জীবনের নির্যাস।
আস্থা রাখ যে তুমি তোমার জীবনে সফল হবে এবং তোমার নেওয়া সমস্ত দায়িত্ব ও অঙ্গীকারগুলির জন্য সফল হবে। জীবনের ব্যবস্থার সম্প্রসারণ ও রূপান্তর ঘটার সময় ধৈর্য রাখ। ব্যাস্। আর কিছুই করার নেই।
কর্মকাণ্ড সাধারণত বাস্তব ব্যবহার থেকে জন্ম দিতে থাকি। আমাদের জীবনে আমরা বিরাট সাফল্য কেন ঘটতে দিই না? কারণ আমাদের আস্থা নেই যে জীবন আমাদের নতুন স্থানে পরিচালিত করে নিয়ে যায়। আস্থা ও ধৈর্য বাধা সরানোর জন্য যথেষ্ট। যখন তুমি ভাব বিশ্ব তোমার নাও, তখন তোমার মধ্যে প্রকাশিত হয়।
উচ্ছ্বসিত শক্তি থেকে, উচ্ছ্বসিত করুণা
সচেতনভাবে বুদ্ধি পাবার জন্য দায়িত্বশীলতা একটা পথ। অপরের জন্য দায়িত্ব নেওয়া।
তাকেই ভগবদগীতা কর্মযোগ বলে। যখন সত্যি অনুভব কর যে তোমার কর্ম করা উচিৎ, যেখানে কর্ম হল অপরের জন্য দায়িত্ব নেওয়ার কার্য, তুমি তখন ফলের জন্য একদম বিব্রত হবে না। কেবল তোমার করুণা থেকে, কেবল তোমার দায়িতশীলতার অনুভূতি থেকে, তমি কার্য শুরু করবে।
থেকে এবং সমস্ত কিছুর জন্য দায়িত্বশীলতার উচ্ছ্বসিত অনুভূতি থেকে কার্য জীবনকে ঐশ্বরিক করে তোলে। লোভ ও ভয়ের পরিবর্তে উচ্ছ্বসিত দায়িত্বশীলতা থেকে কার্য করাকেই আমরা আধ্যাত্মিক জীবন বলি।
অপরের জন্য দায়িত্বশীলতা
পরমজ্ঞানালোক প্রাপ্তির (জীবনমুক্তি) দায়িত্ব
বোঝ, জীবনমুক্তি এক প্রবল দায়িত্ব নিয়ে আসে। করুণা সহ আসে। 'চালে থাকা' কথাটা ব্যবহার করাই ঠিক! তোমার সমস্ত সত্তা স্পন্দিত হবে এক প্রগাঢ় করুণায়, এক গভীর করুণায়।
একটা ঘটনা তোমাদের বলতে দাও :
একদিন খুব সকালে বিবেকানন্দ হঠাৎ জেগে গেলেন এবং বললেন, 'আমার ডান হাতে খুব ব্যাথা হচ্ছে।' সেই সময় তিনি THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM পাশে একটা দেশে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে কষ্ট পাচ্ছে। দেখ কোথায় আমাদের প্রয়োজন এবং আমাদের স্বামীদের সেখানে গিয়ে ত্রাণকার্য করতে পাঠাও।' পরদিন সকালে তারা খবর পেলেন আশেপাশে কোন দ্বীপে ভূমিকম্প হয়েছে। সমস্ত স্বামীরা সেখানে ত্রাণকার্যে শীঘ্র চলে গেলেন।
গুরু মার্গের মাধ্যমে পূর্ব সান্নিধ্য অনুভব করার জন্য বিবেকানন্দ সংবেদনশীল ছিলেন।
জীবনমুক্তি মার্গের কার্যকারিতা বিশ্বকে উন্নত করি মনোনিবেশ করি কিন্তু তা নয়। জীবনমুক্তি ও বিজ্ঞান মার্গের এক গভীর চাপে থাকা করুণা তোমার ওপরে ব্যবস্থাপন करता बाद, बजे बढ़को विनाश मायिक। बजे क्वलमान साधीनाजा नया बजे একটা বিরাট দায়িত্বও।
অবস্থা, প্রতিষ্ঠা নয়
আমাদের বেশীরভাগই দায়িত্ব নেবার জন্য প্রণোদিত হওয়ার জন্য অপেক্ষা কবি। ভাবিকান করव वाद्य, बजे मन्त्रालय रूय ना। কেবল দায়িত নিলেই প্রতিষ্ঠা আসবে। যারা প্রতিষ্ঠার জন্য অপেক্ষা করে, তারা প্রতিষ্ঠা পেলেও দায়িত্ব নেবে না! তারা শুধুমাত্র কিছু কারণ বা অজুহাত দেখাবে, ব্যাস।
স্পষ্ট হও, দায়িত্বশীলতা এক চেতনা।
অনেক ভণ্ড ব্যক্তি আছেন যারা ভাবেন তারা সিংহাসন পাবে। তারা ভাবে অন্য কেউ তাদের খাবার দেবে ও থাকার জায়গা দেবে। তারা ভাবে লোকেরা তাদের ফটো পূজা করবে। তুমি যদি জীবনমুক্তি স্বয়ংবরণ বর্ণিক হন বছর।
সেইজন্য জীবনমুক্তি পাবার চেষ্টা কর, তাহলে তুমি প্রতারিত অনুভব করবে! যদি তুমি জীবনমুক্তি স্বয়ংবরণ জন্ম অর্জন করার চেষ্টা কর, তাহলে তুমি সফল
সেটাই অবস্থা ও প্রতিষ্ঠার মধ্যে পার্থক্য।
অধিনায়কত্ব এক অবস্থা, প্রতিষ্ঠা নয়
জীবনমুক্তি হল জীবনের সর্বশ্রে প্রাজবিকভাবে কার্যকর অধিনায়ক হওয়া
অপরের জন্য দায়িত নিলে আমরা আর নির্জিতদের উপর ক্লিক থাকি না। वासना অন্যদের সেবা করার জন্য চলি। অপরের সেবা করার বিরোধিতা বা অন্যদের দিকে না তাকিয়ে নিজের চাহিদা মিটিয়ে যাওয়া হল অধিনায়কত্বের অনুপস্থিতি।
পটভূমি
আজকাল অধিনায়কত্ব বা সম্পর্কে বহু বই আছে এবং সেগুলিতে বলা হয় সংগঠনের সফলতার জন্য অধিনায়কের কত প্রয়োজন। বছর আছে यात्रा ব্যविनायकণু विकर्मिण কवावाद জন্য সংগঠনের লোকেদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করে। তা সত্ত্বেও যখন আমরা সেই সব সংগঠনগুলিকে দেখি, তারা লাভ করার জন্য ব্যবসা করুক বা সরকারী কাজে থাকুক বা সামাজিক সেবায় লেগে থাকুক, প্রকৃত অধিনায়কেরা বিরল।
যদি তুমি কোন প্রতিষ্ঠানে দেখ, দেখবে যে সেই প্রতিষ্ঠানে ১%-এর কম কর্মচারীকে অধিনায়ক বলা যায়। যদি কোন ব্যক্তি আধ্যাত্মিক বা বৈজ্ঞানিক যেকোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করে, দেখবে তাদের মধ্যে কেবল ১% প্রতিষ্ঠান সমস্ত ক্ষেত্রে সত্য অধিনায়ক হবার জন্য দাবী করতে পারে - লাভ করা, ভাল পণ্য বানানো, সমাজকে সেবা করা, নিজ কর্মীদের সন্তোষ প্রদান, ইত্যাদি।
তাহলে আমরা বলতে পারি সত্য অধিনায়কেরা প্রতিষ্ঠানের ১%। তার মানে সম্পূর্ণ জনসংখ্যার কেবল ০.০১% -এর মধ্যে অধিনায়কত্বের ক্ষমতা আছে! ব্যবসায় অথবা অন্য যেকোনো প্রতিষ্ঠান সম্পর্কেও একই কথা বলতে পারি।
কেন জিনিষটা এরকম। তার জন্য আমাদের বুঝতে হবে :
১) অধিনায়কত্ব কি?
২) অধিনায়কদের কি সৃষ্টি করা যায়?
৩) সফল অধিনায়ক তৈরি করার জন্য প্রধান উপাদানগুলি কি?
৪) কেন কিছু ব্যক্তি জিনিষটাকে মুশকিল মনে করে?
Leadership
influence
vision
এইসব খুঁটিনাটিতে ঢোকার আগে আমি প্রথমেই বলে দিই যে অধিনায়কত্বের দক্ষতাকে বিকশিত করা যায়। পুরো ব্যাপারটা হল অধিনায়কের চেতনার অবস্থা অর্জন করা নিয়ে এবং সেটা অধিনায়ক হয়ে প্রতিষ্ঠা অর্জন করা নিয়ে নয়।
আমি তোমাদের একটা আধ্যাত্মিক যাত্রার মধ্য দিয়ে নিয়ে যেতে যাচ্ছি! যে প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আমি তোমাদের নিয়ে যাব তা এক ব্যক্তিগত রুপান্তরের সময়-পরীক্ষিত প্রমাণিত বিজ্ঞান। এটা প্রাচ্যের অন্তর্বিজ্ঞানের দশ হাজার বছরের গবেষণা ও উন্নয়নের ফল। আমি এটা বলে কি বোঝাচ্ছি?
প্ৰথমত, প্ৰতিটি সভ্যতাই কোন বিশেষ দিকে মনোযোগ দেয়। পাশ্চাত্যবাসীরা তাদের প্রচেষ্টা কেন্দ্রিত করেছে বহির্জগতের বিজ্ঞানে, নতুনত্বে, আবিষ্কারে এবং জীবনের গুণমান ও আরাম বাড়ানোর জন্য। এর দ্বারা মানবজাতি অনেক উপকার পেয়েছে এবং পৃথিবীতে মানুষের জীবনের গুণমান অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।
ঠিক একইভাবে ভারতেরও বিজ্ঞান আছে, অন্তর্জগতেও এক বিস্তৃত বিজ্ঞান আছে এবং অন্তর্জগতের বিজ্ঞানীরা বা ঋষিরা আমাদের অভিজ্ঞতা করা নানা প্রকার আবেগ সমূহকে এবং আমাদের মনকে পরিচালনা করার জন্য বিভিন্ন সাধনী ও প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করেছেন। গত দশ হাজার বছর ধরে, এই অন্তর্জগতের বিজ্ঞানীরা এমন সব সাধনী ও প্রক্রিয়া সৃষ্টি করেছেন যা আমাদের আবেগ পরিচালিত অবস্থা থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করে। নিজেদের মধ্যে পরমানন্দে থাকার জন্য তাঁরা নানা প্রক্রিয়া সৃষ্টি করেছেন। এই সাধনী ও প্রক্রিয়া গুলিকেই আমি বলি ধ্যান-প্ৰক্ৰিয়া সমূহ।
বেশীরভাগ আলোচনাই মানুষের আবেগ ও মন সম্পর্কে বোধ দেবার জন্য, কিভাবে আমরা এক সফল ও পরিপূর্ণ জীবন যাপনের জন্য ব্যবহার করতে পারি।
বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানে যারা অধিনায়ক হতে চায়, তারা অধিনায়কের অবস্থা অর্জন করতে চায় না। এর মানে কি? তা বোঝার জন্য আমাদের প্রথমে বোঝা যাক কোন প্ৰধান উপাদানগুলি সফল অধিনায়ক তৈরি করে।
কোন কোন প্রধান উপাদান সম্ফল অধিনায়ক তৈরি করে?
একটা ছোট গল্প :
একবার দুই দেশের মধ্যে বিরাট লড়াই শুরু হয়েছিল। সৈন্যরা লম্বা যুদ্ধে ক্লান্ত অনুভব করতে শুরু করেছিল।
এক গরম দুপুরে অসামরিক পোশাকে একজন ঘোড়ায় চড়ে এক ক্লান্ত সৈন্যদলের কাছে এসে দেখল তারা একটা বিরাট গর্ত খুঁড়ছিল। সেই দলের নেতা চেঁচিয়ে তাদের শাসন করছিল ও এক ঘণ্টার মধ্যে কাজটা শেষ না হলে তাদের শাস্তির ভয় দেখাচ্ছিল।
ঘোডায় চড়া অচেনা ব্যক্তি থামল ও জিজ্ঞাসা করল, 'স্যার, আপনি কেবল চেঁচিয়ে আদেশ দিচ্ছেন কেন? আপনি তাদের নিজেই সাহায্য করুন না কেন?'
দলের নেতা তার দিকে তাকাল ও উত্তর দিল, 'আপনি কি মনে করেছেন? আমি এদের দলনেতা। আমি যা বলি এরা তাই করে।' তারপর সে আরও বলে, 'যদি আপনি তাদের সাহায্য করতে এতই ইচ্ছুক, তাহলে আপনাকে তাদের সাহায্য করতে বলছি!'
ব্যক্তিটি তার ঘোড়া থেকে নেমে এল এবং কার্যে রত সৈন্যদের দিকে হেঁটে গেল। দলনেতা বিস্মিত হ'ল। ব্যক্তিটি হাতিয়ার ওঠাল এবং সৈন্যদের সাহায্য করতে শুরু করল এবং কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের সাথে কাজ করতে থাকল!
চ'লে যাবার আগে ব্যক্তিটি সৈন্যদের তাদের কাজের জন্য অভিনন্দন জানাল এবং দলনেতার দিকে গেল ও বলল, 'পরের বার তোমার প্রতিষ্ঠা তোমার লোকেদের সাহায্য করাতে বাধা দিলে, তুমি কতৃপক্ষকে খবর দিও এবং আমি একটা আরও স্থায়ী সমাধান প্রদান করব।'
দলনেতা একদম অবাক হয়ে গেল। কেবল তখন সে ব্যক্তিটির দিকে ভাল করে দেখল এবং বুঝতে পারল যে সেই ব্যক্তিটি ছিল তাদের সেনাপতি!
এখন আমাদের নিজেদের প্রশ্ন করা উচিত যে সেনাপতি অধিনায়কের কি কি গুণগুলি প্রদর্শন করে। আর তোমরা কতজনকে জান যারা সেই সেনাপতির গুণগুলিকে প্রদর্শন করে?
কোন প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠা ব্যতিরেকে, তুমি স্বীকার করবে যে বেশিরভাগ তথাকথিত অধিনায়ক দলনেতার গুণ প্রদর্শন করে। তারা অধিনায়কের অবস্থা অর্জন করতে পারে না।
খুব কম মানুষই আছে যারা সত্যি সত্যি কাজ সম্পন্ন করার জন্য সাহায্য করতে প্রস্তুত।
সেনাপতি প্রকৃত অধিনায়কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু গুণাবলী প্রদর্শন করেছিল :
১) সততা ও দায়িত্ববোধ
২) লোকেদের প্রকৃতই যত্ন করেছিল
৩) আত্মবিশ্বাস
৪) কুশলতা
৫) খুঁটিনাটির ওপরে মনোযোগ
৬) দক্ষতা ও কার্যকারিতা
৭) উদার চিন্তা ও কার্য
আমরা এই বৈশিষ্ট্যগুলি সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব।
অধিনায়ক-চেতনা
অধিনায়কত্ব - ব্যক্তির সচেতন পছন্দের ফল
আমি 'অধিনায়ক-চেতনা' বলতে কি বোঝাচ্ছি?
আমাদের মধ্যে মধ্যে বেশীরভাগই অধিনায়কের প্রতিষ্ঠা লাভ করেছি, অবস্থা নয়। যখন ব্যক্তি জোর করে সমাজ নেতৃত্ব দিচ্ছে, যদি তোমাকে জোর করে কোন দায়িত্ব নিতে বলা হয় অথবা যদি তুমি লোভ বশত কোন দায়িত্ব নেও, তাহলে প্রতিষ্ঠা আসে। কিন্তু অবস্থা পুরোপুরি আলাদা।
অবস্থা হল সেই জিনিস, যা মানসিক দৃঢ়তা এবং সঠিক নির্ণয় নেবার জন্য তোমার অন্তর্দেশকে অথবা তোমার সত্তাকে যথেষ্ট পরিপক্ক হতে হবে। যখন আমরা অবস্থা অর্জন না করে প্রতিষ্ঠা পেয়ে যাই, তখন কর্পোরেট দুনিয়ার সমস্ত সমস্যা শুরু হয়ে যায় - ব্যক্তিগত দিক থেকে চাপ ও টেনশন এবং মনগড়া কূটনীতি। এই সব সমস্যা শুরু হয় যখন তুমি অবস্থা অর্জন না করে প্রতিষ্ঠা পেয়ে যাও।
এখানে আমি তোমাদের প্রাচ্যের মহান ঐতিহ্য থেকে সত্য প্রকাশ করার চেষ্টা করছি, কিভাবে অধিনায়কের অবস্থা অর্জন করা যায়, কেবল প্রতিষ্ঠা নয়। দেখ, প্রতিষ্ঠা তো খুবই সহজ, কিন্তু অবস্থা অর্জন করার জন্য আমাদের সত্যি সত্যি সত্যি অনেক কাজ করতে হবে।
যে অধিনায়কের অবস্থা অর্জন করেছে, তার দিকে প্রতিষ্ঠা তো নিজে থেকেই অনুসরণ করবে। যদিও প্রতিষ্ঠা তার নিজের সময় নেয়, অধিনায়ক তাতে বিব্রত হয় না, সে রাজার মত বাস করে! তার জীবন পুরোপুরি পরিপর্ণ হবে। যে সত্তা অধিনায়কের চেতনা প্রাপ্ত করে, তার মধ্যে পরিপূর্ণতার অমূল্য অনুভূতি ঘটে।
অধিনায়কের অবস্থা বনাম অধিনায়কের প্রতিষ্ঠা
আমি 'অধিনায়কের অবস্থা' বলতে কি বোঝাচ্ছি?
প্রকৃত অধিনায়ক একজন সচেতনভাবে দায়িত্ব নেবার জন্য প্রস্তুত, সে জীবনকে সচেতনভাবে পরিচালনা করার জন্য স্মৃতি, লগ অথবা অন্য কারো ওপরে নির্ভরশীল নয়। যদি নির্ণয় নেবার জন্য তুমি তোমার স্মৃতির ওপরে নির্ভর কর, যদি অন্যের ওপর নির্ভরশীল হও, তাহলে তুমি একজন অনুসারী হবে। অধিনায়ক হতে পারবে না।
পরিস্থিতিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাড়া দেওয়াকে আমি বলি দায়িত্ব নেওয়া।
একজন সত্যিকারের নেতা বর্তমান অবস্থায় থাকে, সে সতেজ ও সর্বদা নিজেকে সজীব রাখে, সে অতীতে আটকে নেই।
তোমাদের এ একটা ছোট্ট রেখাচিত্র দেখাই। এতে দেখানো হয়েছে মন কিভাবে কার্য করে, কিভাবে আমাদের মধ্যে অধিনায়কের চেতনা ঘটে। বোঝা যাক, কিভাবে আমাদের মন কাজ করে।
এখন এই গুরুত্বপূর্ণ জিনিষটা তোমাকে বুঝতে হবে। যদি তুমি 'বর্তমান' অবস্থায় থাকো, তোমার কোন সমস্যা হবে না এবং তোমার জীবনে জিনিষগুলি খুব সহজেই চলতে থাকবে! কিন্তু যদি বর্তমানে থাকতে না পারো। কখনো কখনো জিনিষগুলি অচেতনভাবে হতে শুরু করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি তুমি আগে কোনো কিছুর জন্য আঘাত পেয়ে থাক বা বিরক্ত হয়ে থাক, যদি তুমি এই বইটি দেখ, অচেতনভাবে সেই স্মৃতি জাগ্রত হবে।
দেখ, তোমার জীবনে যদি তুমি কোন নির্দিষ্ট স্থান বা বিদ্যার দ্বারা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি দ্বারা আঘাত পেয়ে থাক বা বিরক্ত হয়ে থাক, তাহলে সেই পরিস্থিতিতে বা সেই রঙের পোশাকে অন্য কাউকে দেখলে আগের মত বিষণ্নতার মধ্যে ফিরে যাবে, যদিও জান যে সেই স্থান, পরিস্থিতি ও ব্যক্তির সাথে তোমার পর্বের অভিজ্ঞতার কোন সম্পর্কই নেই। তোমার মনে সেই একই স্মৃতি আসবে। তোমার একই অভিজ্ঞতা হবে। এটাকেই আমি বলি 'সংস্কার' বা 'খোদিত স্মৃতি'।
এই খোদিত স্মৃতিগুলি তোমার নির্ণয় নেবার ক্ষমতাকে বিকৃত বা বিঘ্নিত করে। দেখ, যদি তোমরা স্মৃতির গভীরে ডুব দিয়াছি, তাহলে অনেক ব্যক্তি ও ঘটনার সম্মুখীন হবে, যাদের সঙ্গে অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতা আছে। এই কারণে যখন তোমরা নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা পরিস্থিতির সম্মুখীন হও, তোমরা বিতৃষ্ণা বোধ করো। সেই স্থানটিতেই অতীতের স্মৃতিগুলি বা এন্গ্রাম্গুলি বসে থাকে এবং তুমি জানতেও পারো না যে তুমি কি নিৰ্ণয় নিচ্ছ!
অচেতন মন সম্পর্কে আরও বোধ পাওয়ার জন্য একটা উদাহরণ দিই। যদি তোমরা যুক্তির বিচারে বিশ্লেষণ করি, তোমরা সবাই জান যে ধর্মপান করা স্বাস্থ্যের পক্ষে হানিকর। তোমার ইন্দ্রিয় দ্বারা সংগ্রহ করা তথ্য অনুসারে, চোখ থেকে মন পর্যন্ত প্রক্রিয়াকে অনুসরণ করলে তুমি স্পষ্টভাবে জান যে ধুমপান করলে স্বাস্থ্যের হানি হয়। কিন্তু সত্যি যদি তোমাদের খুব ধুমপান করতে ইচ্ছে করে, তাহলে যুক্তি ও প্রয়োজনকে ছাড়িয়ে ধুমপান করার নির্ণয় নিয়ে ফেল। এখানেই অচেতন এনগ্রামগুলি বসে থাকে।
যদি ধুমপান করা স্বাস্থ্যহানিকর, যখন সেই তথ্য মস্তিষ্কে যায়, যখন কোয়ান্টাম লাফ দেয়, তুমি ধূমপান করার নির্ণয় নিয়ে ফেল। হয়ত ধূমপান করার সময় অতীতের কোন স্মৃতি অথবা কোন অভিজ্ঞতা তোমাকে আরামবোধ দিয়েছিল। অথবা যৌবনে ধুমপান করার সময় নিজেকে হিরো বা নায়ক মনে করেছিলে। তাই সেই সব ভালোলাগা এই অভ্যাসের সাথে যুক্ত হয়ে গেছে এবং হঠাৎ এই এনগ্রামগুলির কারণে তুমি ধুমপান করার নির্ণয় নেও, যদিও তুমি সচেতনভাবে জান যে সিগারেট পান করা স্বাস্থ্যহানিকর।
একেরকমভাবে, জীবনের যেকোনো ব্যাপারে তুমি যদি কোনো ভুল করো, তুমি তোমার এনগ্রামের জন্য অচেতনভাবে নির্ণয় নিয়ে থাকো।
কিন্তু যদি এন্গ্রামগুলি দ্বারা তুমি ভরাট থাক, এমনকি কেবল দুটি কি তিনটি নির্ণয় নেবার পর তুমি সম্পূর্ণ ক্লান্ত হয়ে যাবে। তোমাকে কাজও করতে হবে না, কেবল চেয়ারে বসে কাজের কথা চিন্তা কর এবং আধা ঘণ্টার মধ্যে জানবে যে তুমি ক্লান্ত হয়ে গেছ। এর মানে তুমি এনগ্রামে বাঁধা পড়ে গেছ। সেগুলি তোমায় নির্ণয় নিতে দিচ্ছে না।
ফাইলটা যখন মন থেকে কোয়াণ্টাম লাফে যায়, বিভিন্ন ধরনের ঘটনা মনের ওপরে তৈরী করে। যা মনের মধ্যে জমা থাকে, এক বিভীষিকাময় মুখাবয়ব। তাই ফাইল আমিতে পৌঁছালে, সেটা পুরাদম্ভর বিভ্রান্ত হয়ে যায়! সেই ফাইলে তিনশ মতামত হলে তুমি কোন নির্ণয় নেবে! তাই তোমার আমি বলে, 'যা ইচ্ছা কর, কেবল আমায় ছেড়ে দাও!' কোন নির্ণয় নেবার ধৈর্য তোমার নেই এবং নির্ণয়গুলি এলোমেলোভাবে কোন স্পষ্টতা বিনাই নেওয়া হয়।
যদি তুমি অনবরত স্পষ্টতা ছাড়া নির্ণয় নাও এবং তুমি অধিনায়কত্বের দাবী করো, দয়া করে বিশ্বাস করো, তুমি কেবল নিজেকেই কষ্ট দেবে তাই না, তুমি অপরকেও কষ্ট প্রদান করবে! প্রত্যেকেই কোন না কোন কার্যের অধিনায়ক। তুমি কোনো দলের অধিনায়ক অথবা তুমি তোমার ঘরের অধিনায়ক। কোন না কোন ভাবে আমরা সবাই অধিনায়ক।
যে সর্বদা মানসিক স্থিরতা পেতে চেষ্টা করছে, সে কখনও রিল্যাক্স করতে পারে না. বা ছুটি উপভোগ করতে পারে না। তুমি নিজের জীবনে হয়তো শুনে থাকবে যে বাথরুমে যাবার সময় তুমি হয়ত দাঁত মাজছ, কিন্তু তোমার মন রেজিস্টারড্ অফিসে চলে গেছে! যদি অফিসে বসে আছ, তাহলে মন পড়ে রয়েছে সন্ধ্যার সময় সমুদ্র সৈকতে। আর যখন সৈকতে বসে, মন চলে গেছে বাড়ীতে। একটা জিনিস সবসময় মনে রেখো, যদি তোমার মন এখানে থাকে, তোমার শরীর এখানে নেই!
তোমার শরীর যেখানে থাকে সেখানে তুমি থাক না। তুমি অবিশ্রাম অন্য জায়গায় আছ। আমি সর্বদা লোকেদের বলি, যদি তুমি ঘরের ভেতরে পূর্ণ হও, তাহলে তুমি যেকোনো ঘটনাই ঘটাতে পারো! যদি তুমি দুশ্চিন্তা কর, সেটা হল তুমি চাকরি করছ। যদি সমুদ্রে ঘুরতে গিয়েও দুশ্চিন্তা কর, তুমি ছুটি কাটাচ্ছ, ব্যাস! জায়গাগুলি হয়ত বিভিন্ন, কিন্তু মানসিক গঠন একই থাকে!
এনগ্রামে ভরা মানুষ কখনও স্বস্তিতে থাকতে পারে না। মানুষ স্বস্তিতে না থাকলে তার দ্বারা সজনশীলতা ও নিরপেক্ষ নির্ণয় কিভাবে সম্ভব? যদি এই ধারণাগুলির ওপর তোমার বিশ্বাস থাকে, তাহলে তুমি ভালো কাজ করতে পারবে অথবা ভালো জীবন যাপন করতে পারবে। মরা, উভয়ই তোমার চেতনার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। তা তোমার কার্যের সাথে সম্পর্কিত নয়, তা তোমার সত্তার সাথে সম্পর্কিত। কেবল যে মানুষ তার সত্তা সম্পর্কে সচেতন, কেবল সে অধিনায়ক-চেতনা অর্জন করতে পারে।
বেশীরভাগ অনুষ্ঠানগুলি জ্ঞান অথবা কোন নিৰ্দিষ্ট দক্ষতা প্রদান করার জন্য সচেতন মনের ওপরে কাজ করে। কিন্তু আমাদের মনে আবেগভরা আগ্নেয়গিরিতে বসে থাকা, যেখানে সবসময় খারাপ ধারণা কাজ করে। এই প্রচ্ছন্ন আবেগগুলিই প্রায়শ আমাদের অদক্ষতার সাথে ও অযৌক্তিকতার সাথে কাজ করায়!
আমাদের নির্ণয় নেবার প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করে; এগুলিকে মনে অবস্থিত অদক্ষতা সমূহ বলা যায়! যত বেশী এনগ্রাম, আমাদের চিন্তার প্ৰক্ৰিয়া তত বেশী মেঘাচ্ছন্ন এবং ফলন ততই কম। সেজন্য কথায় আছে, ব্যক্তি কোনো নির্দিষ্ট কাজ পাবার জন্য বেশী সংস্কার থাকলে আরও বেশী সময় বা মানুষ বা খরচের প্রয়োজন হয়। তাই এর দ্বারা কর্মদক্ষতা নিম্নতর হয়।
অচেতন মন - ফ্রয়েডের উপস্থাপনা
যে পাঠকেরা মনোবিজ্ঞান পড়েছে তারা মন সম্পর্কে ফ্রয়েডের ব্যাখ্যা জানে। নানা প্রতিষ্ঠানে গতানুগতিক প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বিকাশের অনুষ্ঠান কেবল সচেতন মনকে সম্মোধন করে এবং তা তো কেবল তোমার মানসিক ক্ষমতার ১০ শতাংশ মাত্র। কেবল যখন আমরা সংস্কারগুলিকে সম্মোধন করি, সম্ভাবনার বাকি নব্বই শতাংশকে কার্যে পরিণত করতে পারি। বর্তমানকে অনুভব করা যায়।
আমি এখন যা বর্ণনা করলাম তার ওপরে একটা সহজ অনুশীলন দিতে চাই।
একটা সাদা কাগজ নাও এবং তোমার মনে যা আসে তা লিখে ফেল। মনে আসা কোন চিন্তাকেই সম্পাদনা ও ফিল্টার করবে না অথবা বিচার করবে না। শুধু একটা চিন্তা রেকর্ডারের মত ব্যবহার কর, যেভাবে কথা রেকর্ড করা হয়। যখন একটি বিষয়ে মনোনিবেশ করার যাত্রা তোমার সাথে সংযত আছে এবং মনে যা কিছু আসে তা লিখে ফেলছ। এখন পনেরো মিনিটের মধ্যে যা লিখতে পারো লিখে নাও।
যদি তোমরা মনোযোগ দিয়ে তোমাদের মনে যা এসেছিল তা লিখে রেকর্ড করে থাক, তাহলে বুঝবে যে সেই চিন্তাগুলি মেশিনের ঘর্ষণের মতো। তারা মেশিনটাকে খুব অদক্ষ ও অফলপ্রস করে ফেলে। এটাই নিম্ন উৎপাদনশীলতার মূল কারণ।
আমার বহু শিষ্যেরা যারা এই প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে তাদের মনের সংস্কারগুলিকে বর্জন করার জন্য কার্য করেছে, তারা সবসময়ে আমায় বলে যে এখন তারা তাদের জীবনে অনেক সময় পাচ্ছে, যেহেতু তারা অনেক অপ্রয়োজনীয় চিন্তা দ্বারা উপদ্রুত হচ্ছে না।
সংস্কারগুলি থেকে এইসব এলোমেলো চিন্তাগুলিকে বর্জন করার প্রক্রিয়াকে আমি বলি ধ্যান। একবার এই চিন্তাগুলিকে বর্জন করা গেলে তখন স্বাভাবিকভাবেই ঘর্ষণ কমানো যায় এবং আরও উৎপাদনশীলতা বাড়ে।
নানা জাতি, দেশ, সমাজ ও আর্থিক অবস্থার মানুষেরা আমাদের ধ্যান প্রোগ্রামে সংস্কার হটাবার এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছে।
Intuition
স্বজ্ঞা সম্পর্কে আলোচনা করার আগে প্রথমে আমি এই অতিকথাকে মুছে ফেলতে চাই যে স্বজ্ঞা কোনো অলৌকিক ব্যাপার, এটা আকস্মিক ভাবেই আসে। স্বজ্ঞা অন্যান্য দক্ষতার মতই বিকশিত করা যায়। সেটা তোমার থেকেই আসে, অন্য কারো কাছ থেকে আসে না! যেহেতু আমরা আমাদের মনকে অনুভব করিনি, আমরা তাকে ভুলে গেছি।
একজন আমায় ধ্যান অনুষ্ঠানে প্রশ্ন করল, 'জীবনে অনেকবার এমন হয়, যা কাকতালীয় মনে হয়। বাসি ক্রুজজনক মটন কস্নাস বর্ষঃ পরের মুহূর্তে ফোন বাজল ও তারই ফোন ছিল। আমি পার্টিতে কাউকে মনে করলাম এবং পরের মুহূর্তে আমি তাকে দেখতে পেলাম। ' আমি প্রোগ্রামের অংশগ্রহণকারীদের জিজ্ঞাসা করলাম যে তাদের জীবনে কমপক্ষে একবার এইরকম ঘটেছে কিনা। সত্তর শতাংশের বেশী লোক হ্যাঁ বলেছিল! যদি তা একজনের জীবনে बक्वाव रूप्य शादक जूसि जाटक काकजानीय बलटक भाव। কিলু যদি তা অনেক মানুষের সাথে হয়, তাকে কাকতালীয় বলা যায় না! জারণ বাবা কি কি কা বাণ্ড। জান ভিষ্টন কোন যুক্তি আছে।
আমরা হয়ত সেটাকে যুক্তি দিয়ে বুঝাতে পারি না, কিন্তু বাসনা ল্যা মনিষ্ঠ রাখতে পারি না। যখন যুক্তি জান, তখন সেটাকে হয় ঘটনা বলা হয়। যুক্তি না জানলে তুমি তাকে কাকতালীয় (coincidence) বল। কারণ ছাড়া এই পৃথিবীতে কিছুই ঘটে না। তা সর্বদাই কারণ ও ফলাফল। কারণ-ফলাফল সম্পর্ক জানলে তাকে ঘটনা বল। আর তা না জানলে তাকে কাকতালীয় বল।
স্বজ্ঞা প্রক্রিয়াকে জানার চেষ্টা করার পথে व वासारमन भूटर्व।
মানচিত্রকে আবার দেখা যাক। আমরা আগে আলোচনা করেছি কোন ইন্দ্রিয় যেমন চোখ থেকে তথ্য সংগ্ৰহ করার প্রক্রিয়া কিভাবে চক্ষু (ডিজিটাল সিগ্ন্যাল প্রসেসর), চিত্ত (স্মৃতি), মানস (মন) এবং তারপর কোয়াণ্টাম লাফ मिट्य वासिकूटक याया ववर ल्याटन निर्णय नवाद काज কিলারব মश्কান वा (শামিল স্মৃতিসকল দ্বারা মেঘাচ্ছন্ন থাকে।
চোখ প্রক্রিয়াটি সচেতন। তুমি এই প্রক্রিয়া সম্পর্কে সচেতন। তা তোমার সজাগতা সহকারে ঘটে। কিন্তু মন থেকে আমিত প্রক্রিয়া সম্পর্কে তুমি मজান নह। বর্তू মতদা বারে বার্কিয়া জাতাভ মজানকা শামার ঘাটে। কুলি জাতাভ য়ুকিন বিদ্যক্ত নির্ণয় নাও। কুলি জামান কিনা প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নাও। উদাহরণস্বরূপ, তোমার সংগ্রহ করা তথ্য অনুসারে তুমি জান যে ধুমপান করা স্বাস্থ্যের জন্য হানিকর, তা তোমার দেহ ও মনের জন্য ঠিক নয়। কিন্তু যাত্র মন वाट्यकन्नाव वासिट्यू লায় প্রভাস তুমি ধূমপান করার নির্ণয় নিয়ে ফেল!
मट्ठकन বিকিয়া बटन, 'না, বাজে ম্যাস্ত্রাভ ভটক ঠিক নয়া।' কিলু ঘটকজন ব্যকিয়া বাটল... ট্রিকো বরলাকি বরন উ না, লগ ক্বন নির্ণয় নিয়ে ফেলে ও তুমি তা সম্পন্ন কর। এই নির্মাণগুলি অচেতন খুবই শক্তিশালী।
অচেতনকে তিন ভাবে ব্যবহার করা যায় : সরখাএ থ্ববৃদ্ধি বা উপজ্ঞা (instinct) স্তরে, বুদ্ধিবৃত্তি (intellect) স্তরে এবং স্বজ্ঞা বা वाल्र्जन (intuition) खटन। যাजক্ষণ বর্ষণ বর্ষণন নকারাত্মক স্মৃতিসকল ও অস্থিরতা দ্বারা ভরাট থাকে, তা উপজ্ঞা স্তরে কাজ করে। তুমি কেবল তোমার স্বভাব ও প্রবণতা সহকারে নির্ণয় নাও। তুমি জানও না যে তুমি কেন রেগে আছ। হঠাৎ
তুমি ফেটে পড়। কখনো কখনো, তুমি যখন তোমার কোন কার্য বা তোমার বলা কথাকে মন্ব, কুলি বনুন কব ব্য ক্লণো কুলি নাও। তুমি কিছু কর ও তারপর ভাব, 'এটা তো আমি নरे, কি করব বাসি বাজে কবলাস? বাসি কিভাবে এটা ঘটতে দিলাম?' এটা হয় কারণ অচেতন উপজ্ঞা স্তরে কার্য করছে।
বানক মতদা, কুলি বালক কিছুটক কোন যুক্তিগত সংযোগ ছাড়াই যুক্ত কর। মুষ্ঠালবন্दर्भ, মামা কামড় পড়া কড়া যদি জামারক ঘাটন বিদ্যক করব শাদক, জারদল সাদা কাপড় পড়া কাউকে দেখলে তোমার অতীতের স্মৃতি সামনে এসে যায় ও তুমি ক্রোধ वनुस्त कव। বাজা রল মরখার ব্যবি ছন্ন। তোমার সচেতন মন ছাড়া, তোমার কোন বোধ ছাড়াই, এটা ঘটে।
যদি সরকাভ মর্মার ঘানা যারা জারাব বর্ণন জনবর শাদক, যদি জানাভ বর্ষক্কন বাসিব রয়, কুলি সেমাজা বা মরখান ভবনি উদ্ভব শাকরব। ভট্নবাণী বূনিবৃদ্ধি উন্ন। কুলি মটন্দন কিলু জাতাভ য়াথিক কেশ্মার নীরে। জুসি বঢ়ক মটন্দন মন মর্তন য়াউ কিল্ড সজনশীল নও, উদ্ভাবনী নও। তুমি বড় पन्द्रकल नाउ না, কুলি বরড় উঠে না। লজে য়ণ ব্যালভার্ড ওয়ার্ডনমোর্ডেননব বনা বিশ্বর জুটকাভ মণ্ড বুকিনা বিশ্ব বিশ্বর কৃষ্ণ কুলি মানা জীবন বক সুণা রুত্য শাকরণ ভাব। কেবল এক ভৃত্য হতে পার, কিন্তু আরও বড় কিছু তোমার দ্বারা ঘটতে পারে না। তুমি তথ্য সংগ্রহ করবে, তাকে প্রসেস করবে ও তাকে প্রদান করবে, কম্পিউটারের চেয়ে বেশী আর কিছু নয়। যদি তুমি বুদ্ধিবৃত্তি স্তরে থাক, তুমি তোমার সর্বাধিক সম্ভাবনাকে ব্যবহার করছ না। তা যতটা ব্যবহৃত হওয়া উচিৎ, ততটা করছ না।
শেষেরটি হল স্বজ্ঞা বা অন্তর্জ্ঞান। স্বজ্ঞা বোঝার জন্য তোমাকে সম্পূর্ণ বিজ্ঞানের গভীরে যেতে হবে। কেবল তাহলে তুমি বুঝতে পারবে আমি স্বজ্ঞা বলতে কি বোঝাচ্ছি। স্বজ্ঞা তোমার বুকিনুষ্টিক শাণ্ডিয়া কিছু বকণী ঘটনে। রাজার তুমি নিশ্চিত জান যে এটাই সঠিক জিনিষ এবং সেটা করার জন্য তোমার যথেষ্ট শক্তিও আছে। কিন্তু এই সিদ্ধান্তে কিভাবে এলে তার ধাপগুলি তুমি জান না, কিন্তু তুমি নিশ্চিত জান যে সেটা একদম ঠিক।
বারে মাছিন মনকাভ য়াথন কুলি বক নাজিনবিশ্ববিদ্যালন ভবিষ্টিতিন স্যুট্যাত্রাশি রু९, য়াথন তোমার কাছে তথ্য খুব কম এবং তোমাকে निर्णय निर्णय रूटव বश्वा জ্ঞান কারণে বাঁধারে করার জন্য অনেক পছন্দ আছে এবং তুমি কি कवर्त निर्णय নিष्ठ ভাবণূ না। বর্ধ ভবাভ পরিস্থিতিতে স্বজ্ঞাশক্তি তোমাকে সাহায্য করতে পারে। সজ্ঞা বা অন্তর্জ্ঞানের ক্ষমতা তোমাকে মার্শন মিট্ঠি ভারব বর্থবা জ্ঞানারক মাঠিক পছন্দ বাছাই করে দিতে পারে। স্বজ্ঞা তোমাকে কেবল निर्णय নবান মণ্ডি একটব কা নয়া, छा তোমার নির্ণয়কে সম্পাদনও করাবে।
লোকেরা আমায় জিজ্ঞাসা করে, 'আমি কি করব বুঝি যা বাসান মুখ্যা वाट्ड বश्वा আমি কেবল বুদ্ধিবৃত্তিক? মাঝে মাঝে মাঝে আমি विज्ञात রহে য়া বাজা দূর্দিনুছি নাকি রচ্ছা। ' ঘাঁসি তাদের বলি, 'একদম পরিষ্কার করে বোঝ, যদি কুসি विज्ञात, লাণা রল য়ুক্তিবাজি।' বিজ্ঞান্তিরে মার্শিত্য এক্য ব্য ল্যা করবল দূর্দিনুছি। য়াথন তুমি স্বজ্ঞা বা অন্তর্জ্ঞান অভিজ্ঞতা কর, তুমি কেবল বুদ্ধিবত্তিগত স্পষ্টতা বা উত্তর পাবে তা নয়, ছুলি কা মুম্ফামন কওয়াদ্য জনা য়ার্থক্ষে মুকিয়ে ভার্য য়াদব। উথন জাতাভ কিঞ্চনব মুখাবনাব বিকিক্তক আধার কনা রুল। জুসি সেন্যুক র উ বর মশ্রূ জরস্য কর রুসি জা শ্রকারিয়ে
করতে শুরু কর, তাকে সম্পাদন করতে আরম্ভ কর।
এখন পরের প্রশ্ন : স্বজ্ঞাব্কে কিভাবে জাগ্রত করা যায়? স্বজ্ঞার ক্ষমতাকে কিভাবে आभारता याया? যদি রুসি মট্ঠজনজাদব জারক কিছুক্ষণ বিশ্রাম দিতে পার, সেই অচেতন স্তরে যে শক্তি আছে তা উন্মুক্ত হবে। সাধারণত যখন অচেতন স্তরে শক্তি জাগ্রত হয়, যা কিছু আমরা ব্যবমসিক কবি জা ব্যথর্স বারেদব ঘাটম। তারপর, এক পবিত্র শক্তি যাবে আমরা স্বজ্ঞা বলি তা প্রকাশিত হতে শুরু করে।
য়াথন বর্ণ্ডন খড় (শটক ভবিব মণ্ডি ভবার্খিক রুटक उन्न করব, কৃতি वाट्ठजनक সহজাত প্রবৃত্তি স্তরে বা বুদ্ধি স্তরে ব্যবহার কর না। সেক্টরবিবি বিকিক্ত কামান মাথা ঘাটেটক উনক করে। আর অবশ্যই সর্বোপরি অতীন্দ্রিয়বাদীরা হাজার হাজার বছর ধরে আমাদের প্রদর্শন করে গেছেন যে উচ্চতর শক্তি তোমাকে শরীর, মন ও আবেগ নিরাময় করে। নিরাময় ছাড়াও, এটা চাপ কমাতে সাহায্য করে এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্ণয় নিতে সাহায্য করে।
যে তথ্য তুমি সংগ্ৰহ কর, তার সাথে স্বতঃস্ফূর্ততার কোন সম্পর্ক নেই; তার সম্পর্ক, তুমি কিভাবে তথ্য প্রসেস কর, তার সাথে। বকরে খানা, বকরে কথা বিজিন্নজাদব বর্ষমম করা যায়। তুমি কিভাবে প্রসেস কর এবং বুদ্ধির উদ্ধের তুমি কিভাবে নির্ণয় নাও - এগুলি স্বজ্ঞার ওপরে নির্ভর করে।
বারে মন্নজা মন্ত্রিত্ব ধ্যান ব বার্কিয়ান সাহায্যে আমরা নিজেদের তৈরি করতে পারি, निर्जिटमन মুন বর্তদ্ব নির্ণ ভাবি। ভাষ্মূম্মর্ম আমরা ধ্যান শব্দটা ব্যবহার করি আমাদের সত্তায় থাকা উচ্চতর শক্তির সাথে সুর বাঁধার
জন্য। করার জন্য আমাদের আমন্ত্রণ করে। যখনই মত্য ভাউ নির্জন মার্ঘ বর্ত্রা। সর্বমা এনথ, আমরা সবাইকে সাক্ষাৎকারের জন্য সময় দিই, কিন্তু নিজের সাথে সাক্ষাৎকারের জন্য কখনও মলয় দিরে না। যদি কৃষি নিরজন মাঘ মাম্যা কার্তন জনা মময় মিত্য শাক, সর্বমারে দেখবে, তোমার সত্তার কিছু অংশ প্রকাশিত হতে চাইছে, আরও কিছু কার্য করতে চাইছে, কিন্তু আমরা সত্তার সেই অংশকে কখনও সুযোগ দিই না। আমরা আমাদের বুদ্ধিবতিতে একদম আটকে গেছি। আমরা ভাবি আমাদের বদ্ধিবত্তিই চরম, কিন্তু বারংবার অতীন্দ্রিয়বাদীরা প্রমাণ করেছেন যে বুদ্ধিবৃত্তির চেয়ে বেশী কিছু একটা সম্ভব।
য় কান বাবিকাস্তবন বিলায় ক্যব সেখানে স্বজ্ঞা বা অন্তর্জানের একটা বিরাট कृतिका वाट्यू। ট্রম ব্যালভার্ড ওয়ার্ডনমোর্ডন হোক বা আইস্যাক নিউটন হোক, তাদের বাদিবারিক কের্দ্ধ কিণু কিণু কিল। জারমন ব মধ্যা বুদ্ধিবতি ছাড়িয়ে কিছু ঘটেছে। এই একই শক্তি আমাদের সবার মধ্যে বিদ্যমান। আমরা এই মিকিত মার্ঘ মুন বৈদ্য নিটল, করে মজি আমাদের সবার মধ্যে প্রকাশিত হতে পারে। সেই শক্তির সাথে সুর বাঁধাকেই আমি বলি ধ্যান।
এই অধ্যায়ের শেষে আমি তোমাদের মরকাবণূলি (শটক নির্জাক বিদ্যাসন কওয়াদ বদর করন কर्यक मिटনব वज्राटम বারে মূल्ঠ মিকিতক আশ্চর কওয়ান বক মরখ বিকিয়া মিট্যুকি। कर्याकृति সানন বাসি ফুরে বা জিন মিন বাবাণি। মুখ্যান মার্ঘ মুন বাঁধাভ জনগ তাই যথেষ্ট। এখন অবধি আমরা এই অচেতন মণ্ডিক রুস মর্সনজ ব্যবাজি স্বত্ব বश्वा বুদ্ধিবৃত্তি স্তরে ব্যবহার করছি। তাকে সুরে বেঁধে
।
। এয়েই আদম বদ ধ্যাি বা স্বজ্ঞা অথবা দচন্তাদবীি জােতা। এই অবস্থ্াে মাদধ অবস্থ্া বা । যদি তু দম এই অিটিয়ে । এই অবস্থ্ায়তই আয়ছ পরমািন্দ বা লাদন্ত বা স্বজ্ঞা।
Part 9: Living Enlightenment (Gospel of THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM)_Bengali_part_9.md
এই চতুর্থ অবস্থার ব্যবহারিক প্রয়োগ হল এই যে, এই অবস্থা তোমাকে অনেক সজনশীলতা, সাহস ও আত্মবিশ্বাস প্রদান করব এবং কূসি সরকরণ্যুকজনবর নির্ণয় সিদ্ধান্ত निर्ण পারবে। স্বতঃস্ফূর্ত নির্ণয় নেবার সামর্থ্যকে আমি বলি দায়িত্বশীলতা। স্বতঃস্ফূর্তভাবে যত বেশী निर्णय নিঠ মমর্থ রুঠব, জ্ঞা বর্গি জমি মায়াজবান রাখা। ঘটনক ভবিষ্ঠিকিত্ব উপসুরাজ তথ্য দ্বারা কার্য করা যায় না। প্রথমত তথ্য থাকবে না অথবা খুব কম তথ্যই পাওয়া যাবে। পরিস্থিতিটির কোন পূর্ব নজির নেই যেমন তোমার অগ্রজ বা অন্যেরা কি নির্ণয় নিয়েছিল। জারে বারে ভবিষ্টিক্টর, কুলি যাটক য়ুক্তিবাজ বল, তার চেয়ে বেশী কিছু চাই, শুধু তথ্যের চেয়ে বেশী কিছু চাই। তখন যেটা তোমার চাই তাকে আমি বলি 'চিন্তাবিহীন সজাগতা'। যদি সেটা তুমি কেবল এক ঝলক অভিজ্ঞতা কর, তাহলে কেবল তোমার অফিস জৌবন, কর্মার্ভজ্ জীবন, ব্যবনকি মন্মূক্কাণুলি পরিবর্তিত হবে তা নয়, তা তোমাকে পুরোপুরি রূপান্তরিত করে দিতে পারে।
বারে বর্তন্ত্রা বালিখানা কওয়াল বনা নানামুকাব মুক্ল ব ঘাটে। ক্রমি প্রতিষ্ঠানে, তোমার ব্যক্তিগত জীবনে, সর্বস্তরে তোমার সম্বন্ধতায় অনেক উন্নতি দেখতে পাবে। আমাদের অচেতন মনের জন্যই সম্বন্ধতায় ব্যর্থতা আসে। অচেতন মনকে কখনো কখনো প্রতিক্রয়াশীল মন বলা হয়। প্রতিক্রিয়াশীল মন নিয়ে আমরা সর্বদা যুক্তি সংগ্রহ করি এবং তারপর কোন মানুষ বা কোন নির্দিষ্ট ঘটনাকে বিচার করে রায় দিই। সে ভুল বলে তুমি রায় मिट्य एकल, वाद्र জনবর কাভিমিতক শিষ্য তোমার রায়কে সমর্থন করার জন্য যুক্তি সংগ্রহ করতে থাক। তার অর্থ তুমি কেবল উপজ্ঞা বা সহজাত প্রবৃত্তি স্তরে কার্য করছ।
মাঝে মাঝে উপজ্ঞা ও স্বজ্ঞাব্দে একই মনে হয়। লোকেরা আমায় জিজ্ঞসা করে তাদের কিভাবে আলাদা করা যায়। স্বজ্ঞাতে তোমার নিজেকে খুব শক্তিপূর্ণ ও সজীব নাগরব। নিঃশেষিত অনুভব করবে। যখন তুমি তোমার বদ্ধিবত্তি ব্যবহার কর এবং নিঃশেষিত অনুভব কর, স্পষ্ট করে বোঝা তুমি উপজ্ঞা স্তরে কার্য কান্না বার্তাক মুমায় য়াথন কুলি ক্লাস উ অন্যান্য আবেগ থেকে কার্য করে ও কেবল উপজ্ঞা সহকারে নির্ণয় নাও, তখন তুমি বোঝা ও ভাব : আমি কেন এটা করলাম? তখন তোমার অপরাধবোধ হয়। অপরাধবোধ হল वार्षण्डन व्यवा वाट्ठजन निर्णय नाउया বক উপহার।
যদি বাসনা বারে কঠুর্থ বর্ষাটক অভিজ্ঞতা করি যাকে আমি ধ্যান বলি, নিশ্চিত আমরা আমাদের সত্তায় থাকা শক্তিকে যাকে আমি ভবান। বারে কুঠূর্ত ব বর্ষাটক ব য়ুব্যাস্ক ব য়ুক্যাস্থন্ন মটনাবিজ্ঞানন মিটম্পেটর ব্যবস্থা কয়া রুই নি। এই তুরীয় বা সমাধির চতুর্থ অবস্থা যেখানে চিন্তাবিহীন সজাগতা আছে, সেখান থেকেই স্বজ্ঞা ও বুদ্ধিমত্তা প্রকাশ পায়। বেশীরভাগ মানব উ বর্ষ বিকিত্তন করণ্ড বণে বজ বনাভিক্কুল বরণ্ডা। য়াতা মটণ্ডলারব ব ব অবস্থাকে বাকিশ্বজনভ ও সুফল পেতে পারে।
জেনমর্শ্বর, শ্রকূণ বর্ষিনায়ক রুফয়া অর্থ হল, যুক্তির স্তরের ঊর্ধ্বে স্বজ্ঞার স্তর থেকে কার্য করতে সমর্থ হওয়া, নির্ণয় নেবার জন্য মम्ভূष মण्डेजा बांधा बनर बरेबादव निर्वयुण्डलि न उद्या ववर मुफ्तकारव, यशायश्रवादव वर्षः চাপমুক্ত উপায়ে কার্য নির্বাহ করা।
মহামন্ত্ৰ ধ্যান
রুফয়া করন্দ্র व्यवस्थित जनारण करकरक জাগ্রত করার জন্য মহামন্ত্র ধ্যান তিব্বতের বৌদ্ধদের এক প্রাচীন ধ্যান প্রক্রিয়া। এই ধ্যান তোমার মনকে দুঢ় ও স্থির করবে। তোমার মন চিন্তা সমূহ দ্বারা সর্বদাই দোদুল্যমান। এই ধ্যান তোমার মনকে 'মন-নেই' অঞ্চলে প্রবেশ कवित्य कारक মাল করন। বাজে য়ান বজনীত্ব লাফ দেবার জন্য জাম্পিং বোর্ড।
এটা খালি পেটে করা উচিৎ। সকালে করলে ভাল। খাবার দুই ঘণ্টা পরেও করা যায়। এটাকে একা করা যায়, আবার অনেকের সাথে একসাথেও করা যায়। দলের সাথে করলে, তা সেই স্থানটিতে শক্তি সঞ্চার করে।
নিৰ্দেশ্যৰলী
সময় : ৩০ মিনিট
ধাপ ১ : সময় ২০ মিনিট
মাটিতে আরাম করে আড়াআড়ি ভাবে পা ভাঁজ করে বলে পড়। মাটিতে বসতে না পারলে চেয়ারে বসতে পার। তোমার মাথা, ঘাড় উ রিল্যাক্সড অনুভব কর এবং তোমার চোখ বন্ধ কর। চোখ বন্ধ করার পরেও আমরা চোখের ভাজাব ভিষ্টন নানা বাকান উ ছবি द्वार्थ। এটাকে পরিচালনা করার জন্য কল্পনা কর যে তোমার চোখের গোলক দুটি পাথর হয়ে গেছে। মনের বল দিয়ে অক্ষিগোলক দুটিকে পাথর বানিয়ে কেবল, कार्रटल আমাদের মনে চিন্তার চলাফেরা অক্ষিগোলকের নড়াচড়ার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্বন্ধিত। সেইজন্য তোমাকে অক্ষিগোলকের নড়াচড়া বন্ধ করতে
বলা হচ্ছে। কিন্তু তাদের নড়াচড়া বন্ধ করার জন্য বেশী উদ্বিগ্ন হবে না। ধ্যানে এগিয়ে চল।
তোমার ঠৌঁট দুটি লাগিয়ে রাখ এবং 'মমমম ...' আওয়াজ করে। যদি যদি এক অ্যালুমিনিয়াম পাত্রের ভিতরে মুখ রাখ এবং গুঞ্জনধ্বনি কর তাহলে সেই রকম আওয়াজ হবে। লক্ষ্য করে যে এটা 'হম...' অথবা 'ওম ...' নয়, কেবল 'মমমম...' শব্দ বার করা। পরবর্তী শ্বাস নেবার আগে পর্যন্ত এই গুঞ্জন যতটা লম্বা হয় কর। তা য়ন বক্রমল গজীব (শটক রুই - নাজিকল্য থেকে। গুঞ্জন যতটা জোরে পার কর। প্রতিটি 'মমমম ...'-এর পরে গভীর শাস নেবার চেষ্টা করবে না, প্রয়োজন হলে শরীর নিজেই শাস নবন। কান বাক্ত কার্টন (শরকা না। বর্ধ স্পন্দন সষ্টি করার জন্য তোমার সমস্ত সত্তা ও মণি লাগিট্য মা উ। उन् उन्न राय या उ তোমার সমস্ত শরীরকে গুঞ্জনের স্পন্দনে ভরে মাউ। কিফুর্ফত ভট্ন, জানান ভটক ছা ছাডারে গুঞ্জন হচ্ছে এবং তুমি কেবলমাত্র তার শ্রোতা হয়ে গেছ!
বর্তমান মুহূর্তে সচেতনতা নিয়ে আসার জন্য প্রগাঢ়ভাবে গুঞ্জন কর, সেই সময়ে তোমার কোন চিন্তা থাকবে না। তাই তোমার টিপিএস (TPS, thought per second) বা প্রতি সেকেণ্ডে চিন্তাসংখ্যা আপনা আপনি কমে যায়। গুঞ্জন দ্বারা সৃষ্ট শক্তি দেহ-মন সিস্টেমে শক্তি প্রবাহের বাধাগুলিকে বিশোধিত করে ফেলে।
য়াথন জুসি ভুগাএ জনব উন্ ন করব, নির্জন মন্মূূল্য জানান মমল ধানবাণুলি পুরোপুরি ঝাঁকুনি খাবে। ভূমিকম্পের মতই এই প্ৰক্ৰিয়া যেন এক 'মনকম্প'!
ধাপ ২ : সময় : ১০ মিনিট
ভুক্ত বাক্ত করব, কাং বাক্ত বর্ষ, তৃর্থ বক হাসি রেখে ও আনন্দপূর্ণ মনে শান্ত ও নিষ্ক্রিয় রুত্য থাক। কান কিলা কিলা বাল বামরণ মাউ। ফিলারক বাসা না ফিটস বর্থবা ফিল্মাদক বিষ্টান না করব মশ্রণ্ড জ্যান মনাক নকা কবরণ শাক, য়ন জিলিম্মিন প্রমুখ। নোভব শাক উ পরমানন্দে থাক। এই সময়ে গুঞ্জন দ্বারা সৃষ্ট মণ্ডি প্রবেশ করবে এবং তা গভীরভাবে বিশোধিত করবে। এতে তুমি বর্তমান মুহূর্তের সজাগতায় প্রতিষ্ঠিত হবে। এই সজাগতাই প্রয়োজন সমস্ত নকারাত্মকতা মুছে ফেলার জন্য, স্পষ্টতা নিয়ে আসার জন্য এবং তোমার সত্য সম্ভাবনাকে অভিজ্ঞতা করতে সমর্থ হবার জন্য।
জীফনভুক্তি র ফক্তকছুলি স্ফূক্তিষ প্রগাঢ় ওা
Intense
Intensity,
। এখি দলয শ্বা যিবার জিয ছটেট েরয়ত াে। মাস্টার তায়ে যছয়ড় দিয়ি।
।
।
প্রশাদতা ভিতরে ও বাইরে দ্বন্দ্ব সঙ্গি করব না। প্রবলভাবে প্রবাহিত হয়।
আমরা সর্বদা ভাবি যদি তা নদীর মত প্রবাহিত হয় তাতে প্রগাদতা থাকবে না এবং তা একটা পাথরের মত প্রগাঢ় হলে স্বচ্ছদেদ প্রবাহিত হবে না। না। প্রগাঢ়তা এক বন্যার মত প্রবল ও প্রবহমান।
বাসি মুহূর্তে প্রগাঢ়রূপে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করছে। তুমি তাদের যা কিছু করব বল, জানা বকণী ঘন্য সৃষ্টি করতে প্রস্তুত।
একটা ছোট গল্প :
বারো বছর জেলে থেকে এক কয়েদী জেল থেকে পালিয়ে গেল ও তার ঘরে গেল। তার স্ত্রী দরজা খুলেই চীৎকার করতে থাকল, 'কি মার্श्ম, এসি বজ মন্নী করব ঘটন! কুরি জা জল (শটক কவித்து চুন্যা বার্থনে পালিয়েছিলে। কোথায় গিয়েছিলে? তোমার তো সিধা ঘরেই আসার কথা!'
লোকটি পালিয়ে কেন সোজা বাড়ি যায় নি, মহিলাটি শুধুমাত্র তা নিয়ে বিব্রত ছিল।
ব্যবনার সর্ভিলাণি কেবল দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করার জন্য।
প্রকৃত প্রগাঢ়তা দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে না। তা প্রবাহ্যিক হয়, কিন্তু প্ৰগাঢ়।
প্ৰগাঢ়তা হল একীভবন। প্ৰগাঢ়তা হল ফোকাস করা। প্রগাদতা হল আন্তরিকতা।
যোগপিতা পতঞ্জলি বলেন, 'সফলতা তাদেরই নিকটে যারা প্রগাঢ় ও আন্তরিক।'
যদি দিকে থাকে, তাকে বলা হয় অস্থিরতা। যদি তা অন্তর্জগতের দিকে যায়, তাকে বলে প্রগাঢ়তা।
প্ৰগাঢ়তা অৰ্থ হল, দঢ়মুষ্টি থেকে মুক্ত রওয়াव অবিলম্বে কিছু করার এক মরিয়া অনুভূতি।
প্রকান্তিকতা বা প্ৰগাঢ়তা আবেগ নয়। য়াথন রুসি ভুগার রূত, জান বকণী বর্ণ রাজ্য বার্বন ভূর্ত ভাদবন বনা যায় না। বাজে কে কেজর্মন প্রণ। প্রগাঢ়র যে অংশ গলে যায় এবং বেরিয়ে আসে তাকে বলে আবেগ। উদাহরণস্বরূপ, যখন তুমি প্রগাঢ়তার সাথে নিজেকে সংহত কর, তোমার বক্কো বর্ষ ভটল য়ায়া। धन, রুফয়া গটন য়ায়, তাহলে সেটা হল আবেগ। তোমার হাদয়ের সাথে তোমার বুদ্ধিও গলে যাবে, তোমার সত্তাও ভন্তব। আবেগ। তোমার প্রগাঢ়তা কি সম্বন্ধে হবে তা নিত্য বিবরণ রুট রাখ রাব না। 'কিটমন জনা' জা নির্মাণ বিদ্বার রাজ রাব না। জা ব্যন বক গুণমান হয়ে যায়। যা কিছু কর, সে তুমি কোন বস্তুকে বা কোন ব্যক্তিকে স্পর্শ কর, সেই স্পর্শেও প্রগাদতা বা ঐকান্তিকতা রাখা।
यामि रूशि कथा वल, ल्याटन व्यन প্রগাঢ়তা তোমার - নির্ণয়গুলিতে, তোমার - স্মৃতিতে, তোমার চিন্তাতে, তোমার বাসনাতে, এমনকি তোমার ভয়েও, এই মুহূর্ত থেকে পলায়ন না করে প্রগাদ হও। এটাকেই আমি প্রগাদতা বলি।
প্রগাঢ়তা অর্থ শক্তি বিকিরণ করা এবং সেই শক্তি বাইরে ও অন্তরে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে না। বিদ্যমান থাকা।
দেখ, কোন নদীরই সাগরে যাবার জন্য নাবিকের প্রয়োজন হয় না। সাগরে যাবার জন্য নদীর কোন সাইনবোর্ডের দরকার হয় না -'মানव वज किसि मुद्र'। সাগরে পৌঁছে যায়। তারা গন্তব্যস্থলে পৌঁছায়। তোমার সমস্ত শক্তি একই দিকে অখণ্ডভাবে পরিচালিত হলে তুমি সহজভাবে চলতে পার। তুমি প্রগাদ হলে ও প্রবহমান হবার জন্য প্রস্তুত হলে, তুমি লক্ষ্য অর্জন করবে, ব্যাস।
সচরাচর কিন্তু প্রগাঢ়তা হারিয়েছ।
দেখ, তুমি প্রগাদ হয়েও প্রবাহিত হবার পরিচালিত হচ্ছ। তুমি যেটা চাও সেটা অর্জন করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, কিন্তু তা অর্জন করার জন্য তোমার নিজের অনমনীয় ধারণা আছে। তুমি বুঝতে অসমর্থ হও যে অস্তিত্ব তোমার দক্ষভাবে ঘটনাগুলিকে ঘটাতে পারে।
আমি আমার শিষ্যদের বলি, সবচেয়ে ভাল করে তোমার সমস্যা সামর্থ্য দিয়ে পরিকল্পনা কর। তারপর ছেড়ে দাও। মনে হতে পারে তুমি যা পরিকল্পনা করেছ তার থেকে অনেকে বেশি সুন্দর জিনিষ জীবনে আসবে।
অন্য সম্ভাবনা হল, তুমি হয়ত প্রবাহিত, কিন্তু সংহতি নেই ও যারা সব কিছুতেই বিক্ষিপ্তচিত্ত।
(জল বাস্ক রূপে ১০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে বাঙ্গে পরিবর্তিত হয়। এমনকি ৯৯ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে সেটা জল হয়েই থাকে। তা বাঙ্গে পরিবর্তিত হয় না। একইভাবে, তুমি যদি অন্ধেষণে সংহত না হও, তবে সম্পূর্ণ রূপান্তর ঘটনে পারে না।
কিছু একটা নাও ও তাকে সম্পূর্ণ প্রগাঢ়তা সহকারে অনুসরণ কর। প্রগাঢ়তা পরিবর্তন করার সুযোগ ছাড়া অনমনীয়তার কারণ হয়। যখন তুমি পরিবর্তনের জন্য উন্মুক্ত, তুমি সাগরের দিকে পথ তৈরি করতে পারবে।
একটা ছোট গল্প :
এক ব্যক্তি এক সুদুর প্রদেশে গেল। একদিন গাড়ী চালিয়ে যাবার সময় সে পেট্রেল ভরার জন্য একটা পেট্রল স্টেশনে থামল। সেই পেট্রল স্টেশনের মালিক আকস্মিকভাবে স্থানীয় মেয়র সম্পর্কে নিন্দা করতে লাগল। শহরে নবাগত ব্যক্তি কেবল শুনল ও উত্তর দিল না।
কিছুক্ষণ পর লোকটি পূর্ব দিকে রাস্তা খুঁজে পাবার জন্য জিজ্ঞাসা করার জন্য থামল ও একজনের কাছে রাস্তা জানতে চাইল। সেই মানুষটিও মেয়রের নিন্দা করতে লাগল। সেখানেও লোকেরা মেয়র সম্পর্কে বাজে বাজে কথা বলছিল ও তার নিন্দা করছিল।
পরের দিন ব্যক্তিটি ঠিক করল মেয়রের সাথে দেখা করবে। সে মেয়রের সাথে সাক্ষাৎ জন্য সময় পেল। মেয়রের সাথে কথা বলতে বলতে ব্যক্তিটি তাকে উৎসুক হয়ে জিজ্ঞাসা করে, 'স্যার, 'জিজ্ঞাসা' করতে পারি কি যে আপনি আপনার কাজের জন্য কত মাইনে পান?'
মেয়র উত্তর দিল, 'মাইনে? আমি তো এই কাজটা আমার সম্মানের জন্য নিয়েছি!'
বোঝা ব্যাপার। মেয়র ভাবছে সে কাজটা করছে তার সম্মানের জন্য, কিন্তু সেই প্রদেশের মানুষদের অভিজ্ঞতা একেবারে অন্যরকম।
তুমি কিছু করার নির্ণয় নাও। কিন্তু তুমি যাচাই কর না যে সেই নির্ণয়কে কার্যকর করা এখনও প্রাসঙ্গিক কিনা।
প্রজুলিত প্রগাঢ়তা
প্রাচীন বেদে এক সুন্দর গল্প আছে :
এক শিষ্য এক মাস্টারের কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করে, 'আমাকে জীবনমুক্তি দিন।' মাস্টার কেবল নয় বার 'তৎ তুমসি' বলেন।
'তৎ তুমসি' অর্থ 'তিনিই তুমি'। এটাকে বলা হয় মহাবাক্য অর্থাৎ যে বাক্য সরাসরি জীবনমুক্তি দেয়। যে বাক্য সরাসরি তোমাকে 'তুমিই সেই' এই বোধ দেয়, সেই বাক্য হল 'মহাবাক্য'।
মাস্টার নয় বার 'তৎ তুমসি' বলেন এবং শিষ্য জীবনমুক্তি প্রাপ্ত করে। গল্প শেষ হল।
কিন্তু কেন আমাদের সাথে হচ্ছে না কেন? আমাদের মধ্যে কি হারিয়ে আছে? আমাদের ও সেই শিষ্যের মধ্যে কি পার্থক্য?
শিষ্য উন্মুক্ত ছিল, এবং সত্য গ্রহণ করার জন্য প্রজুলিত ছিল।
ঝিনুকের দিকে তাকাও। মুক্তা বানাবার জন্য সে বৃষ্টির জলের জন্য অপেক্ষা করেছে। বৃষ্টি হলে সে বৃষ্টির জল তার গর্ভে ধারণ করে ও সাগরের গভীরে চলে যায়। বৃষ্টির জলে এক প্রক্রিয়া ঘটে ও মুক্তা তৈরি হয়।
ঝিনুক তার মুখ খুলে সাগরের ওপরে বৃষ্টির জলের জন্য অপেক্ষা করে। তার অপেক্ষা কেবল বৃষ্টির জলের জন্য। নোনা জল দিয়ে সে মুক্তা বানাতে পারে না। তার পরিষ্কার বৃষ্টির জল চাই। তার মুখে বৃষ্টির জল পড়লেই সে সাগরের গভীরে যায় এবং মুক্তা তৈরি করে।
একইভাবে মাস্টারের বাণী কেবল সেই ব্যক্তিটির ভিতরে প্রবেশ করবে যে প্রগাঢ়কুপে অন্তেষণ করছে ও দীক্ষার জন্য উন্মুক্ত সত্তা হয়ে আছে। সে তার অন্তরে সেই বাণীকে ধারণ করে ও তারপর নির্বাণ ঘটে। প্রক্রিয়াটি ঘটে এবং জীবনমুক্তির মুক্তা ফলে।
অল্প শব্দাবলী যথেষ্ট। অকস্মাৎ সে দেখবে যে সে মগ্ন, এবং তা প্রকাশিত করছে।
বিষয়টা ঝিনুকের মুখ খুলে থাকার মত।
মাস্টারের কথাগুলি বৃষ্টির জলের মত। যখন সেই কথাগুলি তোমার ভিতরে পতিত হয়, তখন জীবনমুক্তির মুক্তা ফলে।
তেওঁ প্ৰথাৰ বাবে প্ৰথাৰ প্ৰথম বিশ্বকাপ কৰিছিল। তেওঁ প্ৰথম বিশ্বকাপ কৰিছিল। তেওঁ প্ৰথম বিশ্বকাপ কৰিছিল। তেওঁ প্ৰথম বিশ্বকাপ কৰিছিল। তেওঁ প্ৰথম বিশ্বকাপ কৰিছিল। তেওঁ প্ৰথম বিশ
যখন তুমি প্রগাঢ়, তুমি কেবল 'আছ'। তোমার কিছু 'হওয়া'-র প্রয়োজন নেই, তোমার প্রয়োজনীয়তা কেবল 'থাকা'। (তুমি 'কিছু হয়েছি' ছেড়ে শুধু 'আছি'-র দিকে যাও।)
কিছু 'হওয়া'-র ব্যাপারে আমরা নানা পথ জানি। কিন্তু 'থাকা'-র (being) ব্যাপারে আমরা কিছু জানি না। ডাক্তার 'হওয়া'-র জন্য আমরা জানি কি করতে হবে, উকিল 'হওয়া'-র জন্য আমরা জানি কি করতে হবে, রাজনীতিজ্ঞ 'হওয়া'-র জন্য কি করতে হবে আমরা জানি। আমাদের সমগ্র শিক্ষা কেবল কিছু 'হওয়া'-র জন্যই।
'হওয়া' (becoming) সরাসরি মনের সাথে সম্পর্কিত। 'থাকা' (being) সরাসরি তোমার সত্তার সাথে সম্পর্কিত। 'হওয়া' সমাজের সাথে সম্পর্কিত, 'থাকা' তোমার সাথে সম্পর্কিত ('থাকা' বা বিদ্যমানতা সত্তার সাথে সম্পর্কিত)। কি করে কিছু 'হওয়া' যায়, আমরা কেবল সেটাই জানি। বাসনা এবং উন্ননয় আমাদের থেকে এই জিনিষ ভুলিয়ে দিয়েছে, কিভাবে 'থাকা' যায়।
আমাদের মধ্যে কিছু 'হওয়া'-র ধারণা এত কঠিন রূপে ঢুকে গেছে, আমরা 'থাকা'-র ধারণা প্রায় হারিয়ে ফেলেছি। আমাদের যথার্থ সত্য, যা প্রকৃতপক্ষে আমাদের সত্তা, তার সাথে আমাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
থাকা'-র নিরাময়-স্পর্শ
তুমি যদি তোমার সত্তাকে একবার অভিজ্ঞতা করতে পার, বহু জিনিষ যা তুমি কিছু 'হওয়া'-র বাসনার জন্য অনুভব করেছ যেমন, শারীরিক অসুস্থতা, মানসিক বিক্ষেপ, যন্ত্রণা, পূর্বে তুমি যে আঘাত পেয়েছিলে সেগুলিও মুছে যাবে। তুমি অন্তর নিরাময় অভিজ্ঞতা করবে। যা কিছু তোমাকে বিরক্ত করছিল ও সমস্ত ক্ষত মুছে যাবে।
সর্বোপরি কিছু 'হওয়া'-র জন্য তোমার এক আসল পোক্ত ভিত্তি তৈরি হবে। এমনকি কিছু 'হওয়া'-র পথে যদি বাধার সম্মুখীন হও, তাও তুমি তোমার সত্তাকে অভিজ্ঞতা করার পরে কর। 'থাকা' বা সত্তাকে অভিজ্ঞতা না করে যদি তুমি কিছু 'হওয়া' শুরু কর, তাহলে তুমি বিরাটভাবে অসফল হবে।
র প্রথাৰ প্রথাটিতা
'থাকা' কি? পূর্বে, সম্পূর্ণ, সম্পূর্ণরূপে রূপায়িত হয়ে থাকা ও তোমার সম্পূর্ণ শক্তিকে প্রকাশ করাকে আমি বলি 'থাকা'। তোমার অভিজ্ঞতায় বা প্রকাশ করায় তুমি যদি অসম্পূর্ণ হও, পরিষ্কার করে বোঝা যে তুমি ভণ্ডামি করছ।
ক্রোধে প্রগাদতা
এমনকি তোমার কোধও এক ভণ্ডামি। তুমি কেবল বাছাই কর যে তোমার কোধ প্রকাশ করবে কি করবে না। তোমার কোথও সরাসরি তোমার যুক্তির সাথে সম্পর্কিত।
যদি তুমি কোনও কারণে উত্তেজিত হও না। তা সর্বদাই তোমার যুক্তি দ্বারা পরিচালিত হয়। তুমি বিশ্লেষণ কর, 'আমি কি এই পরিস্থিতিতে কিছু হারাব?' যদি নিশ্চিত হও যে তুমি কিছু হারাতে যাচ্ছ, তবে তুমি তোমার কোধকে অবদমিত কর। যদি তুমি স্পষ্ট
হও, 'আমি কিছুই হারাতে যাচ্ছি না। আমি এই লোকটির ওপরে চ্যাঁচাতে পারি। সে কি করতে পারে?', তবে যা কিছু তোমার জমা করা আছে, তুমি তা খুলে ফেল ও প্রদান কর!
প্রকাশ করা নয়, দমিত করা নয় - কেবল 'থাক' ও মুক্তি পাও
স্পষ্ট করে বোঝ, যখন তোমার যুক্তি তোমার ক্রোধ পরিচালনা করে, তোমার দুটি পথ খোলা থাকে। প্রথমত, হয় তুমি তাকে প্রকাশ করবে অথবা অপ্রয়োজনে অযথা রাগ দেখাবে। দ্বিতীয়ত, তুমি তাকে কেবল ভেতরে জমা করে রাখবে।
প্রথমত, তুমি যদি প্রকাশ কর, তুমি বেশি বেশি প্রকাশ করবে এবং সেটা দরকারের চেয়ে বেশি হতে পারে। দ্বিতীয়ত, যদি তাকে প্রকাশ না কর, তুমি তাকে দমিত রাখবে। স্পষ্ট করে বোঝ, দুটোই ভুল।
দমন ও প্রকাশ, দুটোই সাহায্য করবে না। তুমি জিজ্ঞাসা করতে পার, 'তাহলে আমাদের কি করা উচিত?' তোমাকে কিছু করতে বলা হয় নি, কেবল 'থাক'।
জে কৃষ্ণমূর্তি সুন্দর বলেন, যখনই কোনও আবেগের দ্বারা তুমি তাড়িত হচ্ছ, এমন সময় যদি কোনও বাহ্যিক কারণে শরীরকে না নাড়িয়ে তুমি কেবল 'থাকতে' পার, তুমি সেই আবেগ থেকে মুক্তি পাবে।
কোন আবেগ দ্বারা প্লাবিত ও বশীভূত হয়ে, এমনকি কেবল একবারমাত্র যদি তোমার শরীর না নাড়িয়ে থাকতে পার, অবিলম্বে তু মি সেই আবেগ থেকে মুক্তি পাবে। আমি বলছি না এটা সহজ হবে। না, কেবল একবার, একবারমাত্র এবং তুমি সেই আবেগ থেকে মুক্ত হবে।
প্রগাঢ়ভাবে বাস করা
রেললাইনের ওপর রেলগাড়ি যেমন চলে, তুমি ভবিষ্যতে তেমন করে বাস করতে পার না। প্রগাঢ়ভাবে বাস করার মানে হল তুমি যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে বাস করা।
কেউ জিজ্ঞাসা করতে পারে, 'আমরা কেন উন্মুক্ত হব না, কেন আমরা দাওয়া, পান ও স্ফূর্তি করব না?'
সেটা একদম ঠিক আছে। প্রগাঢ় হও, ব্যাস্। ঐকান্তিক হয়ে খাও। যখন খাচ্ছ কেবল খাও। যখন ঘুমাচ্ছ, কেবল ঘুমাও। যখন পান করছ, কেবল পান কর। যখন আমোদ করছ, কেবল আমোদ কর। যদি তুমি প্রগাঢ় হতে পার, তোমার তো আর কিছুই চাই না।
তোমার মুক্তি বিষয়ে এত কিছু শিক্ষা ও ধারণার প্রয়োজন নেই।
দেখ, তাই এখানে তুমি ভাব, 'আমরা কেবল খাওয়া দাওয়া, পান ও আনন্দ করব না কেন?' তুমি ভাব তা খুবই সহজ। না! সমস্যা হল তুমি আনন্দ পাও না, তাই তুমি এমন জিনিষ পান কর যা তোমার শরীরের সরাসরি প্রয়োজন নেই, যা তোমার শরীর স্বীকার করতে চায় না।
বোঝ, মাস্টারের কথাগুলি প্রগাঢ়তা ও সম্মানের সাথে গ্রহণ করো, অগভীরভাবে নয়। তোমার ভাবা মত খাওয়া দাওয়া, পান করা এবং আনন্দ করা অত সহজ ব্যাপার নয়। যদি তুমি তা প্রগাঢ়ভাবে কর, তা একদম ঠিক আছে।
এই প্রগাঢ়তা ও বোধের ওপরে একটা ছোট গল্প :
বিবাহিত জীবনের পঁচিশ বছর পর, পতির ঘরে আলমারীতে পত্নী তিনটি সয়াবীনের বীজ ও ত্রিশ ডলার আবিষ্কার করল।
সে পতিকে ডেকে জিজ্ঞাসা করল, 'এসব কি? কেন এখানে তিনটি বীজ ও ত্রিশ ডলার? কিসের (ঘটনার) মানে এটা?'
পতি বলল, 'আমাকে এখন তোমার কাছে কারণ স্বীকার করতে হবে। যখনই আমি অন্য মেয়েদের সাথে প্রেম করি, তখনই আমি সয়াবীনের বীজ বাক্সে রাখি।'
পত্নী বিস্মিত হল, কিন্তু এই ভেবে আমিস্ত হল সে কেবল পাঁচিশ বছরে কেবল তিনবার ঠকেছে। তারপর সে প্রশ্ন করে, 'আর এই ত্রিশ ডলার?'
পতি দেখেন এবং বলেন, 'যখন সয়াবীন কেজিতে দশ ডলার হয়, আমি তা বেচে দিই।'
তাই খাওয়া দাওয়া, পান করা ও আনন্দ করা, এই তিনটি বিষয়কে যদি তিনটি সয়াবীনের বীজের মত বুঝে থাক, তাহলে তুমি মুক্তি বুঝতে পারবে না। তোমাকে জানতে হবে তিনটি বীজ ও তিনটি ডলারের মানে কি! তবেই তুমি সত্য বুঝতে পারবে, তুমি বুঝবে মুক্তি কি।
প্রণাটভাবে বাস করলে স্বতক্ষলভাবে তুমি মুক্তি পাবে।
কর্ম ও সংস্কার
প্রগাঢ়ভাবে কোন মুহূর্ত বাস না করলে কি ঘটে?
তোমার মন সেই মুহূর্তে সেই কার্যাটি আবার করার জন্য ইচ্ছা করে। কেন? কেন? কেন তোমার মন তোমাকে একই অভিজ্ঞতার দিকে বারবার টানে?
তুমি কোন নিৰ্দিষ্ট মিষ্টি আকুলভাবে আকাঙ্ক্ষা কর অথবা তুমি কোন কিছুতে হয়ত আসক্ত। কেন? বস্তুত তুমি যদি গভীরে তাকিয়ে দেখ, প্রগাঢ়ভাবে, তুমি সম্ভবত সেই মিষ্টি খাও নি বা সেই আসক্তিতে সম্পূর্ণরূপে মগ্ন হও নি। তুমি সবসময় নিজেকে দেওয়া থেকে নিজেকে আটকে রাখেছ।
হয়ত সেই প্রসঙ্গে তোমার অপরাধবোধ আছে বা তা নিয়ে সেই সময়ে বহু বিভ্রান্তিকর চিন্তা তোমার আছে। তাই তোমার সুখের পথে আসা চিন্তা ও অনুভূতিগুলিকে অবজ্ঞা করে তমি সেই কার্য করার নির্ণয় নাও।
তুমি দেখ, তোমার একটা অংশ সেই কার্য করতে উদ্যত। অন্য এক অংশ তর্ক করে যে তুমি এটা কেন করবে না। তুমি ঘটনাকে চিন্তায় জড়িয়ে পর, তাদের মধ্যে অনেকগুলিই পরস্পর বিরোধী। তুমি নিজের সাথে লড়াই করে শক্তি অপচয় করে যাও। পরিশেষে তুমি সংহত নও, কাজটা কর কি না কর।
তুমি প্রগাড় নও। তাই বাসনা সম্পূর্ণরূপে তৃপ্ত হয় নি এবং
তাদের কারণে তোমার স্মৃতিতে কিছু অসম্পূর্ণ বার্তা তৈরি হয়, যাদের বলে সংস্কার।
তোমাকে ফিরিয়ে নিয়ে আসার এবং তোমায় একই পথে চালিত করার ক্ষমতা এই সংস্কারগুলির থাকে। তা সে শ্যাম্পেন বা ধূমপান হোক, যা কিছু এন গ্রাম বা সংস্কার তুমি সৃষ্টি কর, যতক্ষণ না তুমি সেই বাসনা বা লাগ বা সুখ সম্পূর্ণরূপে পরিতৃপ্ত অনুভব কর, সেগুলির তোমাকে একই কার্য বারংবার করানোর ক্ষমতা থাকে।
যদি কেবল একবার, পূর্ণরূপে উপভোগ করে থাক, তুমি যা সম্পূর্ণরূপে সুখ অনুভব করেছ। তাহলে এন্গ্রাম তোমাকে আবার একই পথে যাবার জন্য বলবে না। তা তোমায় মুক্তি দেবে।
অসম্পূর্ণ এন্গ্রামকে আমি বলি কর্ম। তুমি তোমার দেহকে জীবন্ত রাখ, তুমি তোমার মনকে বাঁচিয়ে রাখ, কারণ তুমি অনুভব ও বাসনা কর যে তোমার শরীর তোমার কিছু দিতে পারে, তোমার মন জানায় কিছু মিষ্টি হতে পারে। তোমার তখনও আশা আছে যে কিছু উপভোগ করতে পার অথবা দেহ ও মন দিয়ে কিছু পূর্ণ করা দরকার। সেটাকেই আমি বলি কর্ম।
তোমার সত্তার ভিতরে থাকা অপরিপূর্ণ এন্গ্রাম ও বাসনাগুলিই কর্ম। সেগুলি তোমাকে অনবরত একই পথে চালিত করে এবং তোমার অন্তরের সত্তাকে পূর্ণতার অভিজ্ঞতা প্রদানের চেষ্টা করে।
যদি সংশ্লিষ্ট হয়ে কর, যদি তুমি তোমার বাসনাকে সম্পূর্ণরূপে অনুসরণ কর, তাহলে পুনরাবৃত্তির কোন আকাঙ্কাই থাকবে না এবং তুমি সেই বাসনা থেকে পুরোপুরি মুক্ত হবে।
জীবনের নতুন অন্যান্য অভিজ্ঞতাগুলিকে অনুসন্ধান ও উপভোগ করার জন্য তুমি এখন তোমার শক্তিকে নির্দেশ দিতে পার। তুমি দুষ্টচন্দ্রে আটকে যাবে না, তোমার জীবন বুদ্ধি ও পরিপূর্ণতার দিকে চলবে। তুমি অনুভব করবে জীবন খুব সুন্দর ও পরিপূর্ণ কিছু নতুনত্বের সাথে মিশে আছে। একটাই জিনিষ চাই : প্রগাঢ় হয়ে বাস কর।
पूर्वे जाता हो गए है।
একটি হল, জীবন কোন ব্যবহারণ এবং প্রবল উৎসাহ ছাড়া মহিষের মত কেবল বেঁচে থাকা ও শ্বাস নেওয়া। অন্যটি হল, বুদ্ধের মত, বর্ণয়ান সম্পূর্ণরূপে মগ্ন হয়ে প্রগাঢ়ভাবে বাস করা।
তোমার কি দুঃস্বপ্ন অভিজ্ঞতা করেছ? দুঃস্বপ্নের সময় তুমি অভিজ্ঞতা করবে যে চোখ খুলতে চাইলেও তুমি খুলতে পারছ না। তুমি তোমার হাত নাড়াতে চাইলেও নাড়াতে পারছ না।
তারপর দুঃস্বপ্ন কত প্রগাঢ় হয়ে যায়। যতক্ষণ না শরীরের জাগতিক চাহিদা পূরণ না হওয়ার কারণে অথবা এমন কোন জীবন সংকটের মধ্যে পড়ো (গড়। যখন যন্ত্রণা চরম সীমায় আসে, সেই প্রগাঢ়তা তোমায় জাগিয়ে দেয়।
পূর্বের মত তোমাকে প্রেরণা দেয় না রাখাল, এছাড়া নিজেকে জাগাতে পার না ও তার থেকে বাইরে আসতে পার না। সেটা যদি খুব প্রগাঢ় হয়, তাহলে সেই প্রগাঢ়তাই তোমাকে জাগিয়ে দেবে এবং অকম্মাৎ আর কোন দুঃস্বপ্ন নেই। সেটা ছিল কেবল একটা স্বপ্ন, কিন্তু তুমি ভাবছিলে সেটা এক বাস্তবতা।
বোঝা, এমনকি যখন তুমি মিছামিছি ভাবছ যে এটা ঘটেছে, বস্তুত তুমি সেটা থেকে বাইরে এসেছ। সেটা যেন তোমার সামনে চলা কেবল এক চলচ্চিত্রের মত।
প্রগাঢ়তা কার্যের প্রকৃতি থেকে স্বতন্ত্র
কার্যের প্রকৃতির ওপরে প্রগাঢ়তা নির্ভর করে না। যা হয়তো কালি পরিষ্কার করার মত সহজ জিনিষ হতে পারে। 'কি' মনে গুরুত্বপূর্ণ নয়, কিন্তু 'কিভাবে' সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।
যা করছ তা যদি পূর্ণতা ও প্রগাঢ়তার সাথে করতে পার, যেন সেই কার্যে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে হারিয়ে ফেলেছ, তুমি যেন সেই প্রগাঢ়তার সূত্রে ধরা পড়েছ।
যদি সম্পূর্ণরূপে তুমি কার্য সমাধা করতে পার, তুমি অস্তিতের ঠোঁটে এক বাঁশীর মত হয়ে যাও। যা বায়ু বাঁশীর ছিদ্র দিয়ে প্রবেশ করিয়ে তাকে মধুময় সুরে বিজড়িত করে তোলে, কারণ তোমার মধ্যে অস্তিত্বের শক্তি প্রবাহিত হবার জন্য তুমি এক সাহস হয়ে যাও। স্বার্থ ও ব্যুথতার রূপ। লক্ষ্য যাই হোক না কেন, তাতে তীর মারার জন্য এটাই চাই।
আগ্রহ বনাম প্রগাঢ়তা
কাকে প্রগাঢ়তা বলা যায়? প্রগাঢ়তা ও আগ্রহের মধ্যে পার্থক্য কি?
কারও আগ্রহ থাকতে পারে, কিন্তু প্রগাঢ়তা কখনও নয়। আগ্রহ মন থেকে আসে। ঐকান্তিকতা আসে সত্তা থেকে।
কিছু সময় পরে, কম বা লম্বা সময়, তুমি হয়তো আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। প্রগাঢ়তা হল তোমার সত্তার তৃষ্ণা। তা তোমার যুক্তিগত বিচারের অপেক্ষা রাখে না। অন্তর থেকে আসা এক ডাক। তার জন্য যত বাধা অতিক্রম করতে হয়, সেই আগুন তত ঝলসে ওঠে।
আলো ও লেসারের পার্থক্য নিরীক্ষণ। এই প্রগাঢ়তার আলোকরশি ভীষণ শক্তি পায় ও লেসার হয় এবং লেসার ধাতুতেও ফুটো করতে পারে। একই সাথে এটা একটা নিয়ন্ত্রিত কেন্দ্রীভবন। সেইজন্য তাকে চোখের ছানি কাটার মত সুক্ষ্ম কাজেও ব্যবহার করা যায়।
বায়াজিদের গল্প
জীবনমুক্ত মাস্টার বায়াজিদের জীবনের এক সুন্দর গল্প :
বায়াজিদ তাঁর মাস্টারের সাথে বারো বছর ছিলেন, কিন্তু মাস্টার তার সাথে একটা কথাও বলেন নি।
লম্বা বারো বছর পরে, বায়াজিদের সাথে মাস্টার কথা বললেন, 'হলঘরে যাও। সেখানে একটা বই আছে। আমাকে সেই বইটা এনে দাও।' রোজ মাস্টারের দর্শন পাবার জন্য বায়াজিদ সেই হলঘরের মধ্য দিয়ে বারো বছর ধরে যেতেন।
তিনি উত্তর দিলেন, 'আমি কখনও সেখানে বই দেখি নি। বস্তুত আমি কখনও হলের দিকে তাকাই নি। আমি কেবল আপনার জন্য আগ্ৰহী ছিলাম, অন্য কিছুতে নয়। কিন্তু আপনি যদি বলেন আমি যাব।' মাস্টার উত্তর দিলেন, 'না। থাকা'
বায়াজিদের সমস্ত আগ্রহ এক কেন্দ্রিত প্রগাঢ়তায় রূপান্তরিত হয়েছিল। তাঁর সম্পূর্ণ আগ্রহ ছিল কেবল মাস্টার। মাস্টার বলেন, 'वर्देणाव कान मन्नकान नरे। आसि क्वल দেখছিলাম তুমি কতটা কেন্দ্ৰিত। '
সেই বললেন, 'আজ রাতে এখানে ঘুমাও।' বায়াজিদ ঘুমাতে পারলেন না। তিনি প্রগাঢ়তায় এত ভরে ছিলেন যে তাঁর মন সম্পূর্ণরূপে থেমে ছিল।
পরের সকালে বায়াজিদের মৃত্যু হল। এক নতুন মানুষের জন্ম হল। আর কোন নির্দেশ কখনও দেওয়া হল না। তাঁকে কেবল বলা হল, সেটাই প্ৰক্ৰিয়া ছিল।
বছর ধরে মাস্টারের থেকে কোন কথা ছাড়া বায়াজিদ সেখানে থাকতে পারতেন না। খুব স্বভাবতই তাঁর মন প্রতিবাদ করত ও বলত, 'তুমি এখানে কি করছ? তুমি কেবল সময় নষ্ট করছ। তিনি তো তোমার প্রতি আগ্রহী নন। আর কত সময় তুমি এভাবে অপচয় করবে? '
প্রগাঢ়তাই তোমাকে ধরে রাখে কারণ তোমার গভীরে তুমি বোঝ যে মাস্টারের কাছ থেকে পরম প্রাপ্তির জন্য বারো বছর নয়, বারো হাজার বছরও প্রকৃতপক্ষে সস্তা হবে।
যদি মন সত্যি প্রগাঢ় হয়, তুমি তাহলে এক গ্লাস জলের জন্য তোমার সারা জীবনের উপার্জন প্রদান করতে পারো এবং সেই সত্যের জন্য তোমার জীবন পর্যন্ত দান করতে প্রস্তুত হও।
জেন থেকে নেওয়া একটা সুন্দর গল্প :
এক ছাত্র এক জেন শিক্ষকের কাছে জেন শিখতে এল। শিক্ষক তাকে বলেন, 'এক হাতে তালি বাজার শব্দ শোন।'
ছাত্রটি তিন বছর চেষ্টা করল এবং কথামত করতে পারল না। সে কেঁদে শিক্ষকের কাছে বলল যে তাকে চলে যেতে হবে কারণ সে শিক্ষকের কথামত চলতে পারল না।
শিক্ষক বললেন, 'আরও এক সপ্তাহ অপেক্ষা কর। অবিশ্রাম ধ্যান কর।' ছাত্রটি আরও এক সপ্তাহ থেকে গেল ও ধ্যান করল। শিক্ষক বললেন, 'আরও পাঁচ দিন চেষ্টা কর।'
ছাত্রটি আরও থাকল, তাও কিছু ই ঘটল না। হতাশ হয়ে ছাত্রটি ছাড়া পাবার জন্য ভিক্ষা করল। তখন শিক্ষক বললেন, 'আরও তিনদিন ধ্যান কর। যদি তুমি জীবনমুক্তি না পাও, তোমার নিজেকে হত্যা করাই শ্রেয়।'
দ্বিতীয় দিন ছাত্রটি জীবনমুক্তি পেয়ে গেল।
পরমকে জানার জন্য যখন তোমার সমগ্র সত্তা প্রগাঢ় ইচ্ছায় প্রজুলিত হয়, তোমার রূপান্তরের যাদু ঘটবেই। কেবল তখনই তুমি তাঁকে গ্রহণ করতে উন্মুক্ত হবে। তার আগে পর্যন্ত সেটা কেবল একটা আগ্রহ।
যা কিছু কর তাতেই প্রগাচ হও
ধ্যান প্রক্রিয়ার নিগূঢ় বিজ্ঞান হল তন্ত্র। তন্ত্রে বলা হয় যে সত্য জানার জন্য কেবল একটি যোগ্যতা চাই, তা হল প্রগাঢ়তা। তুমি যা এবং যা কিছু কর তাতে পূর্ণতা রাখ।
প্রতি মুহূর্ত প্রগাঢ়তার সাথে বাস কর এবং প্রকৃত জীবনকে আস্বাদন কর। নতুবা, তুমি জীবন্ত নও। তুমি কেবল মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছ।
খাবার সময় প্রগাঢ় হয়ে খাও। তোমার মনোযোগ ও চিন্তাকে বিক্ষিপ্ত করবে না আগামীকাল কি কাজ করতে হবে বা পরের ছুটি কোথায় কাটাবে এসব দিকে।
তোমার সমস্ত ইন্দ্রিয়গুলি দ্বারা খাদ্যুকে উপভোগ কর। তোমার মুখের ভিতরে খাদ্যের স্বাদ নাও, খাদ্যকে প্রেম সহকারে স্পর্শ কর এবং তার সুগন্ধ নাও। যখন এইভাবে সম্পূর্ণতা অনুভব করবে এবং তোমার সমস্যে সিস্টেমে খাদ্যের প্রকৃতপক্ষে যে জীবনী শক্তি দেবার কথা তা প্রদান করবে।
যদি তুমি জল পান কর, তা প্রগাদতার সাথে কর। জলের প্রতিটি বিন্দু যা তোমার মুখে প্রবেশ করে, তা যেন তোমায় পরিতৃপ্তি দেয়।
প্রাচীন পুরাণসমূহে নয়নমারদের গল্প আছে। নয়নমারেরা অতিশয় সাধারণ কাজ, যেমন শিবের মালা গেঁথে পরম অভিজ্ঞতা লাভ করার মত অনেক ঘটনা বর্ণিত আছে। তারা অতি সাধারণ কার্যগুলি করতেন, যেমন পূজার ফুল তোলা, মালা গাঁথা, বাগান লাগানো ও ধোয়ামোছা করা এবং মন্দিরের প্রদীপ জালিয়ে রাখা। কেবল এই সহজ জীবন তাকে পরমে পৌঁছিয়ে দেয় এবং তার নাম হয়ে যায় সেবকদের (গণ) প্রধান (নাথ)।
যখন প্রার্থনা কর, তখনও প্রগাঢ় হও। যা কিছু তুমি অনুভব কর, তা সম্পূর্ণরূপে অনুভব কর এবং তা ঈশ্বরকে উৎসর্গ কর। নিজেকে প্রতারিত করবে না এবং যা অনুভব কর ঈশ্বরের কাছ থেকে কোন কিছুই লুকিয়ে রাখতে পারবে না। ঈশ্বর তোমায় তার চেয়ে বেশি করে জানেন।
তোমার প্রগাঢ়তাই একমাত্র জিনিষ যা নির্ণয় করে কখন তোমার অন্তেষণের জিনিষ ঘটবে। যদি তোমার প্রগাঢ়তা থাকে, সেই মহুতেই ঘটবে। যদি প্ৰণাঢ়তা সংহত ও সম্পর্ণ না হয়, তা আরও সময় নেবে কারণ প্রগাঢ়তাকে সেই সময় ধরে শক্তিলাভ করতে হবে।
একটা সুন্দর গল্প :
সুফি অতীন্দ্রিয়বাদী জুনেদ সকালে হাঁটছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে প্রশ্ন করে, 'আমি এই রাজ্যের রাজধানীতে যেতে চাই। তাতে কত সময় লাগবে?'
জুনেদ সেই ব্যক্তির দিকে তাকালেন ও হাঁটতে লাগলেন। লোকটি ও ভাবল তিনি হয়ত তার কথা শোনেন নি তাই সে আবার জুনেদকে জিজ্জাসা করে, 'আপনি কি দয়া করে আমাকে বলবেন যে এই রাজ্যের রাজধানীতে যেতে আমার কত সময় লাগবে?'
জুনাইদ চলতেই থাকলেন। লোকটি জিজ্ঞাসা করা ছেড়ে দিল। কিছু দূর গিয়ে জুনাইদ বললেন, 'আপনাকে কমপক্ষে আরও ছয় ঘণ্টা হাঁটতে হবে।' লোকটি অবাক হয়ে গেল ও বলল, 'আপনি আমাকে তা আগে বলতে পারতেন!'
জুনাইদ উত্তর দিলেন, 'আমি সেটা কি করে আগে বলতাম? আমাকে তো প্রথমে আপনার গতি লক্ষ্য করা দরকার। কেবল তবেই তো আমি বলতে পারব যে রাজধানীতে পৌঁছাতে আপনার কত সময় লাগবে।'
একইভাবে তোমার পরম উপলব্ধির সময় তোমার ঐকান্তিকতা বা প্রগাদতার ওপরে নির্ভর করে।
যদি তুমি যা কিছু কর তাতেই প্রগাঢ় হও, গন্তব্যে পৌঁছাবার জন্য সময়ের প্রয়োজন নেই। তুমি কোথায়, তুমি কে - তা সবই অপ্রাসঙ্গিক। এখানে ও এখনই তুমি পৌঁছাতে পার।
একটা সুন্দর গল্প :
এক রাজ্যে এক ভয়ংকর ডাকাত ছিল। বহু মানুষকে সে হত্যা করেছে ও লুটেছে। এক সময় সে তার কাজের জন্য অস্থির ও অস্বস্তি অনুভব করা শুরু করল। সে এক মাস্টারের কাছে গিয়ে অনুরোধ করল, 'মাস্টার, আমি এক পাপী। আমার কি কোন গতি আছে? আমি কি মুক্তি পেতে পারি?'
মাস্টার তার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন সে কোন কাজে ভাল। দস্যু উত্তর দেয়, 'কিছুই নয়।' মাস্টার প্রশ্ন করেন, 'কিছুই নয়? তুমি নিশ্চয় কোন কিছুতে ভাল! ' দস্যু অনেক সময় চিন্তা করে বলে, 'মাস্টার, আমি কেবল চুরি করতে জানি; সেটাই আমি সারা জীবন করে এসেছি।'
মাস্টার হেসে বলেন, 'ভাল! তাহলে তুমি এখন ঠিক সেটাই ব্যবহার করবে। এক শান্ত জায়গায় যাও এবং তোমার সমস্ত উপলব্ধি, ধারণা ও মতামতগুলিকে হরণ কর, ছিনিয়ে নাও। পৃথিবীর সমস্ত বৃক্ষ, প্রস্তর ও নক্ষত্রকে চুরি করে নেও। আর তাদের সকলকে তোমার ভিতরের বিস্তৃত শূন্যতায় মিশিয়ে দাও।'
দস্যু আন্তরিকভাবে অনুসরণ করল।
আমরা সুষ্ঠুপ্তির সময় ছিলাম না। আমরা তখন ছিলাম, কিন্তু আমরা আমাদের পরিচয় সম্পর্কে সজাগ ছিলাম না।
বোঝা, যে মানুষ এই তিনটি অবস্থা সম্পর্কে সজাগ, সেই সচেতন। যদি আমরা এই তিনটি অবস্থায় পরিচয় সম্পর্কে সজাগ, তাহলে আমরা যথেষ্ট সচেতন, আমাদের অন্ধেষণ যথেষ্ট প্রগাঢ় এবং আমরা উত্তর পাবার জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছি; আমাদের যথেষ্ট প্রগাঢ়তার জন্য দীক্ষা ও আশীর্বাদ পাবার জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছি।
যদি তুমি এই তিনটি অবস্থায় সজাগ না হও, যদি তোমার জিনগত স্মৃতির গভীরে তিনটি অবস্থার মধ্যে পার্থক্য বিজ্ঞান না থাকে, তাহলে তোমার অন্বেষণকে এখন আরও প্রগাঢ় করতে হবে।
এক একাধিকবার যদি তুমি নির্জনে সর্বাংশে বহন করেছ। যদি একবার বা দুইবার স্বপ্নের খাদ্যাভাবাদা ব্যবস্থান বিষয়ে বিজ্ঞান করেছ, তবে তুমি প্রগাঢ়।
যদি স্বপ্নাবস্থায় বহন করা বিষয়গুলি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করে থাকে, তাহলে তুমি প্রগাঢ়। যদি জাগ্রত, স্বপ্ন ও সুষুপ্তির মধ্যে পার্থক্য বিজ্ঞান না থাকে, তাহলে তোমার স্বভাবে দ্রষ্টার সাথে স্বপ্নের দ্বারে বর্ণহীন মধ্য মিত্র মিশে যাবে। যদি প্রগাঢ় ছাত্রের মতন প্রথটব বদর রীতিমত জানা নির্জনতম আধিক ব্যবস্থান পরিচয়ের সাথে শনাক্ত করবে। তারপর তারা বলবে, 'স্বপ্ন সত্য নয়, এটা কিছুই নয়।'
যদি স্বভাবন্দ্রায় জ্ঞানাঞ্জন আচম্বিত ব্যবস্থান পরিচয় অভিজ্ঞতা করে থাক, তাহলে তোমার ঐকান্তিকতা আছে। তোমার অন্বেষণ প্রগাঢ়।
জাগো!
দুঃস্বপ্নের সময়, এক বন্য স্বপ্নের সময়, কেবল একটা চিন্তা বা একটা ক্লিক যেমন, 'ওহে, এটা একটা জঘন্য স্বপ্ন! ওহে, আমি জন্ম সেজেছি দেব। আমি স্বপ্ন দেখছি। আমি বারেবারে বাজার করব। বারেবারে আমি বর্জন ব্যাঘাত করব, যা আমি করব। যখন বলা হবে রয় জাগরণ বিশ্ব, মনে আঘাত বিদ্যমান, তুমি সেই স্বপ্ন থেকে নির্গত হবে!
যদি কিছু প্রক্রিয়া প্রয়োজন, ' তাহলে তুমি দুঃস্বপ্ন বা ঘুমের স্বপ্ন মধ্যে মিশে যেতে পারবে না। জানবে কেবল কিছু খাপছাড়া চিন্তার ধারা আছে।
অন্যান্য ঘটনা স্বভাবগতভাবে স্পষ্টতা ছাড়াই দেখবে। সেখানে কিছু খাপছাড়া দেখা যাবে, অথবা সেখান থেকে চলে আসতে চাইবে না। তুমি যদি সেই প্রকার স্বপ্নে থাক, তাহলে তুমি কেবল তোমার সময় অপচয় করছ।
যদি সত্যি সত্যি সত্যি প্ৰগাঢ় না হও, তুমি তাহলে এই প্রকার স্বপ্ন দেখবে। তুমি নীচেও পড়বে না, অথবা উপরেও উঠবে না। সেই প্রকার অবস্থায় থেকো না। বোঝা, তুমি যদি এই প্রকার মধ্যবর্তী অবস্থায় থাক, তাহলে কোনো শক্তিশালী পরিবর্তন হবে না।
বেলা বেলা কেউ বিদ্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে ওঠার প্রগাঢ় ইচ্ছা নিয়ে তুমি ঠিক সেই সময়ে জেগে ওঠ, তুমি কোটি জন্মের এই গভীর নিদ্রা থেকেও জাগ্রত হতে পার। যদি জাগ্রত হবার এক প্রগাঢ় সামগ্রিক বাসনা তোমার থাকে, তুমি তবে এই মুহূর্তেই জেগে উঠবে।
কবীর জোর দিয়ে সুন্দরভাবে বলেছেন, 'তুমি যখন তাঁকে খোঁজ, তাঁকে অচিরাৎ পেয়ে যাবে।'
কিছু লোক বলে, 'আমাদের হাতে কি আছে? ঈশ্বর যখন আমাদের জাগাতে চান, তিনি আমাদের জাগিয়ে দেবেন। এ তো ঈশ্বরের অভিপ্রায়।' মনের দুষ্ট ছলচাতরী। ভগবান প্রতিটি মুহুর্তে তোমার নির্মিত তোমার জন্য কারাগারে টোকা দিচ্ছেন। যদি তুমি না খোল, তাহলে কি করা যায়?
আমি সর্বদা লোকেদের বলি, ঈশ্বর এক ভদ্রলোক। তিনি তোমার স্বাধীনতাতে কখনও হস্তক্ষেপ করবেন না। তিনি তোমাকে ভালবাসেন। যতক্ষণ না তুমি জেগে ওঠা পছন্দ কর, তিনি তোমার জেগে ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। তিনি তোমার স্বাতন্ত্র্যকে সম্মান করবেন। যতক্ষণ না তোমার জগৎকে তোমার একঘেয়ে লাগে ও যতক্ষণ না তুমি সেই জগতের নির্থকতা উপলব্ধি কর, তিনি ধৈর্যশীল হয়ে অপেক্ষা করবেন।
জানি, কত যুগ ধরে তোমার এই কল্পনার জগতে ঘুমিয়ে থাকা তুমি ঘুম ভাঙানোর জন্য ঈশ্বরের দরজায় টোকা মারছে, কিন্তু আমরা তাকে উপেক্ষা করা পছন্দ করেছি। আমরা আমাদের স্বপ্নের জগতে এত বেশি অভ্যস্ত হয়ে গেছি যে আমরা জেগে উঠতে চাই না।
তাই মাস্টার যখন তোমায় বলেন বাস্তবতা আরও বেশী সন্দর ও বাস্তব্য, তুমি তখনও নিমগ্ন জিলায়াতে ভাট্ট থাক। বুঝতে হবে, তোমার এই লম্বা স্বপ্ন থেকে জেগে ওঠাকে কেবল তোমারই পছন্দ ও তোমারই দায়িত্ব।
নিদ্ৰাৰস্থায় প্ৰগাদতা
তুমি কি কখনও এই সহজ পরীক্ষাটি করার চেষ্টা করেছ? ধর, তুমি ভোর চারটের সময় উঠতে চাও। ধর, তোমার কাছে অ্যালাম ঘড়ি নেই। রাতে ঘুমাতে যাবার আগে তুমি এক গভীর ও প্রগাঢ় ইচ্ছা করলে, 'আমি কাল চারটের সময় উঠে পড়ব।' ঠিক চারটের সময় তুমি দেখবে যে তোমার চোখ খুলে গেছে এবং নিদ্রা চলে গেছে। তোমার শরীরের ঘড়ি তোমার ইচ্ছার প্রগাদতা ও আন্তরিকতায় সরাসরি সাড়া দেয়।
যদি তুমি বাস্তবিক না হও ও গণনাদেব চিন্তা কর, 'আমি এটাকে একটা পরীক্ষা হিসাবে চেষ্টা করব। আমি জেগে না উঠলেও চলবে,' তাহ'লে এটা ঘটবে না। আন্তরিক ও প্রগাঢ় হও, তাহলে এটা সহজেই ঘটবে।
তোমার অচেতন অবস্থাগুলিকে ভেদ করার ক্ষমতা প্রগাঢ়তার আছে - সুষ্যুপ্তি সেই অচেতন অবস্থাগুলির মধ্যে পড়ে।
অবস্থা থেকে দ্রষ্টার দিকে মনোযোগের স্থানান্তর
সমস্ত অবস্থাতে একটি উপাদান বিদ্যমান।
যদি তুমি আরও একটি গভীরে দেখ, দেখবে যে জাগ্রত, স্বপ্ন ও সুষুপ্তি - তিন অবস্থায় আমরা বাস্তবতাকে আমরা প্রতিটি মুহূর্তে ঘটা দুশ্যপটকে বদল করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।
একটা ছোট গল্প :
একটা ছোট ছেলে তার বাবামায়ের সাথে সিনেমা দেখতে গেল। সে একটা ছোটদের সিনেমা দেখছিল। সেখানে জঙ্গলে সিংহশাবক শিকারীদের ফাঁদে ধরা পডে ও ভীষণ ভয় পায়।
বালকটি এই দুশ্য সহ্য করতে পারল না। সে তার সীট থেকে লাফ মেরে দৌড়ে গেল সিনেমার পর্দার দিকে। যে শিকারী সিংহসাবককে খাঁচায় ঢোকাতে যাচ্ছে, ছেলেটি তার প্রতি হাত পা ছুড়তে লাগল। যাই হোক, অন্যান্য পশুরা একত্র হল এবং শিকারীকে ভাগিয়ে দিয়ে সিংহশাবককে উদ্ধার করল।
বালকটি দৌড়ে মায়ের কাছে গেল ও গর্ভরে মাকে বলল, 'মা, দেখ কিভাবে আমি প্রথমে গেলাম এবং অন্য সমস্ত পশু আমায় অনুসরণ করল এবং আমরা সিংহ-শাবককে উদ্ধার করলাম!'
এটা হয়ত শিশুসলভ লাগতে পারে যে সীটি থেকে পর্দার দিকে লাফ মেরে তুমি দশ্য পরিবর্তন করতে পারবে। একটু গভীরভাবে তাকাও। ছোট ছেলেটির মত, তোমার জীবনেও তুমি এক বিভ্রান্তিতে আছ যে তুমি তোমার জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করছ। জীবন বস্তুত এক চলচ্চিত্ৰ, এই তিন অবস্থায় চলাচল করা।
তুমি হলে দ্রষ্টা এবং তুমিই অভিক্ষেপক (প্রোজেক্টার)। তুমি বিশ্বাস করে কি না কর, স্বীকার কর কি না কর, তুমিই তোমার বাস্তবতা সেষ্টি কর। যখন তুমি বাইরের পথিবীকে ও ঘটনাগুলিকে পরিবর্তন করার চেষ্টা কর, তখন তুমি পর্দার সামনে লাফিয়ে মারামারি করছ। দশ্যগুলিকে পরিবর্তন করার জন্য তোমাকে প্রোজেক্টারের ফিল্ম পরিবর্তন করতে হবে।
যখন তুমি উপলব্ধি কর এবং এই তিনটি অবস্থার দুশ্যপট পরিবর্তনের ক্রিয়ান্বিত নিষ্ক্রিয়তা অনুভব করবে, তখন তোমার সম্পর্ণ মনোযোগ দ্রষ্টার দিকে চলে যাবে। তখন জাগরণ ঘটবে। পরিবর্তে যদি তুমি ভাব যে এই তিন অবস্থার কিছু উপযোগিতা আছে। তোমার মনোযোগ তাদের দিকেই থাকবে। তুমি তাদের মধ্যেই আজিদ্য থাকবে এবং তুমি মুনা পরিবর্তন করার চেষ্টা করতে থাকবে।
যদি তোমার বাসনা সজাগ হয়, তাহলে এই নিদ্রা থেকে জেলে ওঠার জন্য একটির বেশী ক্লিকের দরকার হয় না, তা সে স্বপ্ন নিদ্রা বা গভীর নিদ্রা বা জাগ্রত নিদ্রাই হোক। সজাগ হও, এবং কিক করে বলো, 'ওহে, এটা একটা স্বপ্ন!' ব্যাস। আমরা জাগ্রত হবো।
চতুর্থ অবস্থার প্রবেশদ্বার
কিছু মানুষ গভীর নিদ্রাতেও বহন করে। তাদের জন্য যখন তিনটি অবস্থার বাসনা ঘটে, অকস্মাৎ তারা কেন্দ্রে ফিরে এসে নিজেদের চতর্থ বা তরীয় অবস্থায় জাগ্রত করে।
একটা ছোট গল্প :
একদিন খুব সকালে এক জেন মাস্টার ঘুম থেকে উঠেই কাঁদতে লাগলেন। শিষ্যেরা একদম অবাক। তারা জিজ্ঞাসা করে, 'মাস্টার, আপনি কাঁদছেন কেন?'
মাস্টার বলেন, 'গত রাতে আমি স্বপ্ন দেখলাম যে আমি একটা প্রজাপতি।' হতবুদ্ধি শিষ্যেরা প্রশ্ন করে, কিন্তু সেটা তো একটা স্বপ্ন। এখন তো আপনি আমাদের সামনে বসে আছেন। আপনি কাঁদছেন কেন?'
মাস্টার সুন্দর উত্তর দিলেন, 'জানি না, আমি প্রজাপতি হবার স্বপ্ন দেখেছিলাম, নাকি সেই প্রজাপতিটা এখন স্বপ্ন দেখছে সে একজন মাস্টার হয়েছে।'
বোঝা, এটা বিরুল হলেও সত্য যে কিছু মানুষ একই প্রগাঢ়তা মনের তিনটি অবস্থাতে বহন করে এবং বর্তমানেও ভবিষ্যৎ বর্তমান করে নেয়। যদি তুমি এক অনুসন্ধানী হয়েছ।
তখন ব্যক্তিগত চৈতন্য জাগ্রত হয়। প্ৰত্যাগাত্ম চৈতন্য জাগ্ৰত হয়। এগুলি সংস্কৃতে কিছু শব্দ। আমি তোমাদের জানাতে চাই যে বৈদিক প্রথায় এমন বহু জিনিষ আছে যাদের কেবল সংস্কৃতেই বোঝানো যায়, তারা অবহনীয়। অবহনীয় অর্থ হল ভাষায় ভাষায় প্রকাশিত হওয়া।
কোন কোন মাত্রাকে ইংরাজীতে অনুবাদ করার প্রয়াস করে প্রকাশ করা যায় না। সংস্কৃত শব্দ অভিজ্ঞতার বিভিন্ন মাত্রার উপলব্ধি প্রকাশিত করে।
কিভাবে জীবনমুক্তি পাওয়া যায়? আমি চাই....ভীষণভাবে ও জরুরিভাবে
প্ৰশ্ন এক শব্দ। খোঁজ এক অনুভূতি।
মানুষ খোঁজ হয়েই জন্মায়। অস্তিত্ত্বের বাকি অংশ মানুষের মত ঈশ্বরকে প্রতিফলিত করতে পারে না। মানুষ এক আয়নার মত। সে ঈশ্বরের প্রতিফলন করার পছন্দ আছে অথবা সে মুখ ফিরিয়ে থাকতে পারে। মানুষ এক সচেতন পছন্দ করতে পারে, সেইজন্য সে বুদ্ধি পেতে পারে। মানুষ তার মনুষ্য আকৃতির মধ্য দিয়ে Bharat। অস্তিত্ত্বে অন্য কোন সত্তার এই পছন্দ নেই।
যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে, 'আমি কিভাবে জীবনমুক্তি পাব? আমি তা চাই...ভীষণভাবে ও জরুরীভাবে।' যখন তোমার মধ্যে এই জিজ্ঞাসা এসেছে, তাহলে তোমার আর কিছু চাই না।
কেবল ফুটতে (সিদ্ধ) থাক, তোমার সমগ্র সত্তাকে এই খোঁজের সাথে দগ্ধ কর। সেটাই যথেষ্ট, আর কিছু করার নেই। এই ফুটন্ত কার্যকে প্রগাঢ় হতে দাও।
এই জরুরী অবস্থাকে হতে দাও। তোমার অন্তর্দেশকে ভক্ষণ করতে দাও।
লোকেরা আমায় প্রশ্ন করে, 'আপনি কি বৈশ্ববিক নাকি ব্যক্তিগত অন্বেষণ দ্বারা জীবনমুক্ত হয়েছেন?'
আমি তাদের বলি, তোমার মধ্যে তীব্রতা কপালাভ না করে তোমার অন্বেষণ করা হবে না।
তোমার ভিতরে শ্বাসরুদ্ধ অবস্থায় আছে, তা উন্মুক্ত হয়ে গাছ হতে পারছে না।
যখন স্মরণের বীজ জন্ম নেয় এবং যখন স্মরণের জ্ঞান তোমার ভিতরে উন্মুক্ত হয়, তার মানে তুমি তাকে প্রকাশিত করা শুরু করেছ।
যদি শ্রদ্ধা থাকে, তবেই বিশ্বাস দৃঢ় হয়। তোমার ভিতরের বুদ্ধি জাগতে শুরু করেছেন। তোমাকে কেবল চোখ খুলতে হবে!
এই খোঁজকে হতে দাও। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তাকে ফুটতে দাও, তাকে তোমার ভিতরে এক গভীর অসন্তোষ সৃষ্টি করতে দাও। তোমার ত্বকের প্রতিটি রক্তকে, তোমার শরীরের প্রতিটি কণাকে তীব্রতায় স্পন্দিত হতে দাও। তাকে তোমার জীবনের সমস্ত বিষণ্নতা ও কষ্টকে গ্রাস করতে দাও। জীবনে বহু জিনিষ না থাকার জন্য হয়ত তোমার আরও অনেক বিষণ্নতা ও কষ্ট আছে। সেই সব কষ্টকে এই একটি কষ্টই যেন গ্রাস করে ফেলে।
একটা সুন্দর জেন্ গল্প :
এক জেন্ ছাত্রী তার মাস্টারের কাছে ঐকান্তিক হয়ে শিক্ষা গ্রহণ করছিল কিন্তু সে বহু সময় ধরে প্রকৃত ধ্যান অভিজ্ঞতা করতে পারছিল না।
এক পুর্ণিমার রাতে সে একটি বাঁশের বালতিতে জল ভরছিল। হঠাৎ বাঁশটি ভেঙ্গে গেল।
বালতির জল মাটিতে ছড়িয়ে পড়ল। চাঁদের প্রতিফলন অদৃশ্য হল ও ছাত্রীর আমিত্বও মিলিয়ে গেল।
তীব্রতা প্রগাঢ় হলে তা তোমার আমিত্ব থেকে নির্যাস বার করে আনবে। সবুজ ঘাস পোড়ানোর জন্য একটি দেশলাই কাঠিই যথেষ্ট। এক পলকে এক সাধারণ ঘটনার মধ্য দিয়ে চরম ঘটতে পারে।
তাই বোঝা : এই খোঁজ, এই অন্বেষণ, 'কিভাবে জীবনমুক্ত হওয়া যায়? আমি চাই.... ভীষণভাবে ও জরুরীভাবে' - তোমার এই জিজ্ঞাসা, এই অন্বেষণ যেন তোমার অন্য সমস্ত কষ্ট, অন্য সকল বিষণ্ণতা, অন্য সব বাসনা ও জীবনের সমস্ত মানেগুলোকে জ্বালিয়ে দেয়।
যদি আপনি আমার দিয়ে এটিকে যাচাই করেন।
ঈশ্বর ইচ্ছার তালিকার পথ দেখেন।
বস্তুত আপনি অনুভব করেন, 'যদি আমার আহারের জন্য ভাল খাবার থাকে, যদি আমার বাস করার উপযুক্ত একটা ঘর থাকে এবং আমার পরিবারকে সাহায্য করার পর যদি সময় থাকে, তবে আমি আমার অন্বেষণের তালিকাতে ঈশ্বরকে যোগ করব।' ইচ্ছার বিরাট তালিকাতে ঈশ্বর শেষে আছেন। অবশ্যই সেই তালিকা আর শেষই হয় না।
এটা একটা ধারণা এবং ঈশ্বর কখনোই সেই তালিকার উদ্ধের স্থান পান না। তুমি একটি বাসনা পূর্ণ করার জন্য কিছু কার্য করো। আরও অনেক বাসনার বীজ তখন বপন করা হয় কারণ তুমি সেই কার্যে পূর্ণ হও নি। তখন ঈশ্বর সেই তালিকার আরও নীচে চলে আসেন।
ঐকান্তিকতা বয়স নির্ধারণ করে
একটা ছোট গল্প :
একবার কেউ এক মাস্টারকে জিজ্ঞাসা করল, 'আপনার বয়স কত?' তিনি উত্তর দিলেন, 'চিরন্তন।' লোকটি তা বিশ্বাস করতে পারল না। সে অবাক হয়ে বলল, 'কি! আপনাকে দেখে তো মনে হয় আপনার বয়স হবে মাত্র ষাট!'
মাস্টার উত্তর দিলেন, 'শারীরিকভাবে হয়তো আমি ষাট বছর বেঁচেছি। কিন্তু যেদিন আমি এই জীবনের সার উপলব্ধি করেছি সেদিন থেকে আমি চিরন্তন জীবন বাঁচছি।'
জীবনের পরিমাপে কিছু যায় আসে না, কিন্তু জীবনের গুণমান ও প্রগাঢ়তা গুরুত্বপূর্ণ।
প্রগাদতা তোমাকে চরমের জন্য প্রস্তুত করে
দীক্ষা
প্রাচীনকালে ঋষি ও অতীন্দ্রিয়বাদীদের কাছে যা কিছু উন্মোচিত হয় তা বৈদিক গ্ৰন্থ উপনিষদে আছে। তাঁরা বলেন দীক্ষিত ব্যক্তির কাছে সমগ্ৰ পৃথিবী হল স্বৰ্গ। দীক্ষা শব্দটি বোঝা। তার অর্থ কোন আচার অনুষ্ঠান নয়।
দীক্ষা তখনই ঘটে যখন এক মাস্টার সত্য প্রকাশ করেন, এবং তুমি আকস্মাৎ অনুভব কর, 'হে ভগবান! তিনি ঠিকই বলছেন। আমিও তো একদম এই প্রকার ভাবছিলাম। তিনি এটাকে সঠিকভাবে বললেন,' সেটাই দীক্ষা। যদি তুমি অনুভব কর যে তুমি যা বলতে চেয়েছিলে, কিন্তু আমি সেটাকে সঠিক শব্দপ্রয়োগ করে কথায় বলছি, তাহলে দীক্ষা ঘটেছে।
দয়া করে বোঝা, কেবল সমস্ত রকম প্রস্তুতি করার পরে এবং কেবল যখন তুমি সম্পূর্ণরূপে উন্মুক্ত হও, তখনই সত্য ক্লিক করে।
যখন মাস্টার বলেন যে তোমার আর কোন কিছুর প্রয়োজন নেই এবং সম্পূর্ণরূপে তোমার মধ্যে তোমায় মুক্তি প্রদান করেন, তখন সেটা ঘটে কেবল যখন তুমি নিজের মধ্যে প্রগাঢ়তা সৃষ্টি করেছ। এটা এক আপাতবিরোধী ঘটনা !
প্রক্রিয়া হল প্রগাঢ়তার সঠিক মনোভাব তৈরি করা। প্রকৃতপক্ষে যদি তোমার তীব্র প্রগাঢ় শক্তি থাকে, স্বতঃশ্চলভাবে তোমার উপলব্ধি ঘটবে।
পাবার অপেক্ষায় থাকবে। তুমি শুধু শ্রবণ করার অপেক্ষায় থাকবে। তুমি আত্মভূত করার অপেক্ষায় থাকবে।
সেজন্য মাস্টারেরা বারবার বছরের পর বছর ধরে বলে যান। আমি কেবল কিছু বছর আগে বলা শুরু করেছি। বুদ্ধ চল্লিস বছর ধরে বলেছিলেন। কিন্তু বাণী ছিল একই। তাঁর প্রথম ধর্মোপদেশ ও শেষ ধর্মোপদেশ একই ছিল।
তুমি তাহলে চিন্তা করতে পার কেন হাজার হাজার নিষ্ঠা ব্যক্তি প্রতিদিন বারংবার একই ধর্মোপদেশ শুনত। কারণ সেই ক্লিক ঘটকে কেবল যখন তুমি সম্পূর্ণরূপে উন্মুক্ত থাকো। কেবল প্রগাঢ়তার সাথে সেটা ক্লিক করে। তুমি শিখাটি ধরে ফেল, আর জাগরণ ঘটে।
আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতার জন্য প্রয়োজনীয়তা
বাস্তবভিত্তিক আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা ঘটাতে হলে দুটি শর্তকে পূরণ করতে হবে। এক হল, তোমাকে সম্পূর্ণরূপে উন্মুক্ত থাকতে হবে এবং গ্রহণযোগ্য হতে হবে। অন্যটি হল, প্রগাঢ় শক্তিক্ষেত্র।
যখন পর্যন্ত তোমার আমিত্বের নারিকেলের প্রথম চিড়টা ঘটে না। প্রথম আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা যেন নারিকেল ফাটানো। একবার প্রথম চিড়টা ঘটলে, বাকি নারিকেলটা ফাটিয়ে খুলে ফেলা শক্ত নয়। প্রথম চিড় শক্তি ক্ষেত্র আবশ্যক।
আমার প্রথম আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতাতে এই দুটি জিনিষ ঘটেছিল। আমি উন্মুক্ত ছিলাম ও পারিপার্শ্বিকের কাছে সহজলভ্য হয়ে ছিলাম এবং আমি সেই অবস্থানে অবস্থান করছিলাম। সৌভাগ্যবশত আমি সেই পাহাড়কে অবধারিত বলে গণ্য করি নি। সাধারণত, যদি তুমি একটা পাহাড় বা নদী বা সমুদ্র দেখ, তুমি তাকে অবধারিত বলে গণ্য কর। যে কারণেই হোক, আমি কখনও সেই পাহাড়গুলিকে অবধারিত বলে গণ্য করি নি। আমি কখনও ভাবি নি যে আমি তাঁর সম্পর্কে জানি। আমি নির্বাচিত হয়েছিলাম।
নিজেকে খুলে ধরা ও গ্রহণসাধ্য হওয়া, তাকে (অরুণাচল) রোজ সকালে সতেজ চোখ অথবা উন্মুক্ত মন দিয়ে দেখা। অনেক সময় আমরা সমাজে নিজেদের সম্পূর্ণরূপে রুদ্ধ করে রাখি।
আমরা কিছু উপসংহারে আসি, কিছু বোধ অর্জন করি এবং তারপর সেই ফলাফলের সাথে নিজেদের আধুনিকীকরণ করি না।
প্রতিদিন সেই অরুণাচল পাহাড় আমার জন্য জীবন্ত ছিল। প্রতিদিন সেই পাহাড় আগের দিনের একই পুরানো পাহাড় ছিল না। আমার একটা খুব মজার নিত্যকর্ম ছিল। সকালে ঘুম থেকে উঠে আমি চোখ খুলব না। আমার ঘর অন্ধকার করে রাখতাম। এভাবে আমি এমন এক জায়গায় এসে দাঁড়াব যেখানে অরুণাচল পাহাড় দেখা যাবে। একমাত্র তখন আমি চোখ খুলব, যাতে সকালে প্রথমে আমি পাহাড়টিকেই দেখি।
আমার ভাইয়েরা জানত যে আমি সকালে প্রথমে পাহাড়টিকে দেখতে চাই। তারা মজা করে আমায় ক্ষেপাতে চাইত। যখন তারা জানত যে আমি বিছানা থেকে উঠে গেছি এবং ধীরে ধীরে হাঁটছি, তারা এসে আমার সামনে দাঁড়াত।
যদি আমি চোখ খুলে ফেলতাম ও পাহাড় না দেখে তাদের মুখ দেখতাম, আমি ফিরে এসে আবার শুয়ে পড়তাম। আবার আধা ঘন্টা ঘুমিয়ে যেতাম। তারপর চোখ বুজে হেঁটে গিয়ে অরুণাচল পাহাড়কে দেখতাম। সেই পাহাড়কে প্রথমে দেখতাম, আমি আমার বাকী নিত্যকর্ম করতাম।
এটা হয়ত মজার ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন লাগতে পারে, কিন্তু আমি সর্বদা অনুভব করতাম, আমি এই শরীরধারণ করেছি এই পাহাড়ের জীবনমুক্ত সত্তাদের আকর্ষণ ও টেনে রাখার কারণে।
শাস্ত্রে এমন একটি কবিতা আছে যেখানে এই পাহাড়কে বর্ণনা করা হয়েছে 'এই পাহাড় জীবনমুক্ত সত্তাদের আকর্ষণ করে'। এই পাহাড় বিশেষভাবে শ্রদ্ধা করা হয় কেবল এই পৃথিবীর জীবনমুক্ত সত্তাদের আকৃষ্ট করার জন্য তা নয়, এই পাহাড় অন্যান্য গ্রহ ও মহাকাশ থেকেও আত্মাদের আকৃষ্ট করে। আমি কখনও পাহাড়টিকে অবধারিত বলে গণ্য করি নি। এটা এক সদা জীবন্ত উপস্থিতি।
ঈশ্বর সাক্ষাৎ
আমি একদিন বসে ধ্যান করার চেষ্টা করছিলাম। সেদিন ছিল পূর্ণিমা ও সুর্যাস্তের সময় চাঁদ উঠছিল। আমি অরুণাচল পাহাড়ের একটা পাথরে বসেছিলাম এবং রামানা মহার্ষির শিষ্য স্বামীগাল থেকে দীক্ষায় পাওয়া ধ্যান প্রতিক্রিয়া অভ্যাস করছিলাম।
আমি পাথরে বসে 'আমি' ভাবনার বিশেষভাবে সেই উৎসের সন্ধানে বহুক্ষণ ধরে বসেছিলাম।
প্রায় কিছু ঘন্টা ধরে আমি অনুভব করলাম আমাকে ভিতরে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আমি সবকিছু খুলে দেখলাম যে কিছু একটা ভিতরে খুলে গেল। যখন সবকিছু খুলে গেল, আমি চারপাশে (৩৬০ ডিগ্রী) দেখতে পারছিলাম। আমার চোখ বন্ধ, তবুও, আমি চারিদিকে যা কিছু হচ্ছে তা দেখতে পারছিলাম - সামনে, পাশে, পিছনে, ওপরে ও নীচে।
আমি কেবল দেখছিলাম তা নয়, কিন্তু একই সময়ে অনুভব করতে সমর্থ হলাম, যেভাবে আমরা ত্বকের ভিতরে জীবন্ত থাকি, সেভাবে যা কিছু দেখতে পারছি তার ভিতরেও আমি জীবন্ত আছি।
পাথর, গুল্ম, গাছ যা কিছু আমার চারপাশে ছিল আমি তাদের দেখতে পারছিলাম। আমি অনুভব করছিলাম যে আমি সবার মধ্যে জীবন্ত আছি। সাধারণত আমরা আমাদের শরীরের ভিতরে নিজেকে জীবন্ত ভাবি, আমি সমস্ত মহাবিশ্ব, সমগ্র অস্তিত্বের মধ্যে জীবন্ত অনুভব করলাম।
সেই সময় পর্যন্ত আমি নিছক এক শরীর ছিলাম। তারপরে আমি উপলব্ধি করলাম যে আমি এক মহাবিশ্ব, 'আমি, আমি এক শরীরও'।
যখন শুধু গভীর অনুভূতি ছিল। যদি সেটা একটা কথা বা কল্পনা হত, তা অন্তর্দেশে প্রবেশ করত না। এটা এক বাস্তব সচেতন অভিজ্ঞতা ছিল।
দেখ, এখন তুমি জান তুমি তোমার ত্বকের ভিতরে আছ। যতক্ষণ না তুমি বিরক্ত হও তুমি সব কিছুই শুনবে। স্বভাবত তুমি নিজেকে রক্ষা করতে জান কারণ তুমি ভিতরে জীবন্ত থাকার জ্ঞান অনুভব করেছ।
'আমি এই সম্পূর্ণ অস্তিত্য' - আমার এই অভিজ্ঞতা আমার জন্য সত্য হয়ে গেল। তাই আমি সেটা ওপরে ভিত্তি করে বাস করতে লাগলাম।
লোকেরা অবাক হয় আমি এত কম বয়সে এত গভীর জীবন যাপন করি। জানি তাদের জন্য অচিন্তনীয়। কারণ সেটা তোমার মতন ব্যক্তির জন্য অচিন্তনীয়। কিন্তু সেই অনুভূতির অভিজ্ঞতা আমার ভালভাবে হয়েছিল।
রামানা মহার্ষির মৃত্যুর অভিজ্ঞতা
জীবনমুক্ত মাস্টার কিভাবে দেহত্যাগ করেন তার এক সুন্দর উদাহরণ আছে।
তিনি যখন দেহত্যাগ করছিলেন, তখন এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটে। মৃত্যুর আগে কান্দাকা তামিলনাড়ুর মাদুরাইতে তাঁর দেশের বাড়ির বারান্দায় তিনি ছিলেন। হঠাৎ একদিন তিনি অনুভব করতে শুরু করলেন যে তিনি মারা যাবেন। তাঁর মধ্যে ভীষণ মৃত্যুভয়ের উদয় হল।
আমরাও এই মৃত্যুভয় অনুভব করি যখন আমরা কোন ভয়ানক খবর পাই বা কোন দুর্ঘটনা দেখি বা কোন মুমূর্ষু মানুষকে দেখি। আমরা আমাদের ভয়কে দমিত রাখতে ও নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এত সুদক্ষ ও প্রশিক্ষিত হয়েছি যে এই ভয়কে আমরা কখনও বাইরে আসতে দিই না।
আমরা এতই ভণ্ড যে আমরা জানিই না যে আমরা নিজেদেরকে কতটা ভয় পাই! অনেক সময় আমরা দেখি যে এই ভয়ের উদয় হচ্ছে, কিন্তু তাকে দমিত করার এক স্বয়ংক্রিয় প্রণালী আমাদের কাছে আছে।
সময়কালে আমরা নিজেদের সন্তলন করতে ও দমিত রাখতে শিখে যাই। আমরা নিজেদের দমিত রাখি ও সেটার ব্যাপারে ভুলে যাই অথবা অন্য কিছু কল্পনা করি। আমরা মনোযোগ অন্য দিকে ঘুরিয়ে নিই।
কিন্তু রামানা মহার্ষি কিছুই করেন নি। তিনি সেই দরজা দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করলেন। আমরাও এই দরজার সামনে বারংবার যাই। যখনই আমরা অন্য কারো মৃত্যুর কথা শুনি বা যখনই আমরা কোন মুমূর্ষু মানুষকে দেখি, আমরা সেই দরজাটা বন্ধ করে দিই। কিন্তু আমরা ভেতরে প্রবেশ করতে ভয় পাই। আমরা নিজেদের ভণ্ড হবার জন্য অথবা প্রগাঢ় না হবার জন্য বহু প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আমরা যেভাবেই হোক সম্ভলন করে পালিয়ে যাই। আমরা টেলিভিশন অন করি অথবা নিজেদের মনোযোগ অন্য কিছুতে দিই।
রামানা মহুর্ষি সেই দরজাকে ব্যবহার করে মৃত্যুহীনতার দিকে এক কোয়ান্টাম লাফ দিলেন। তিনি মেঝেতে কেবল শুয়ে থাকলেন এবং তার শরীর নাড়ালেন না এবং মৃত্যুকে ঘটতে দিলেন।
জীবনমুক্তির পরে তিনি তাঁর এই অভিজ্ঞতা সম্পর্কে সুন্দরভাবে বলেছেন :
হঠাৎ কোন কারণ বিনা আমি গভীর ভয় অনুভব করলাম যে আমি মরতে যাচ্ছি। আমি অসুস্থ ছিলাম না। আমার কোন মানসিক অসুবিধা ছিল না। শারীরিক ও মানসিকভাবে আমি সুস্থ ছিলাম। হঠাৎ চিন্তাটি এল, 'আমি মরতে যাচ্ছি।'
আমি মরতে চলেছি। আমি থামানোর চেষ্টা করলাম না, আমি পালিয়ে যাবার চেষ্টা করলাম না এবং আমি অন্য কিছুর জন্য বিব্রত ছিলাম না। আমি কেবল বসে থেকে সেই অনুভূতিকে ঘটতে দিলাম। আমি কেবল বসে থেকে আমার সত্তার মত্যু ঘটনে দিলাম। আমি শুয়ে পড়লাম এবং কি হয় তা দেখার নির্ণয় নিলাম। কি করা যায়? কিছুই করার নেই ভেবে আমি সেই ভয়ের মধ্যে আমি প্রবেশ করলাম। ভয়
আমার মধ্যে কাজ করা শুরু করল। আমি দেখলাম আমি মরে গেছি। আমার শরীর নডছে না, আমার মধ্যে কিছুই ঘটেছে না। আমি স্পষ্ট দেখতে পেলাম আমি শরীরের বাইরে। অকস্মাৎ একটা ঝলকের মত বুদ্ধিমত্তা বা সত্য আমার সামনে প্রকাশিত হল যে আমার শরীরের মত্যু হয়েছে, কিন্তু আমি জীবন্ত। 'আমি' মরি' নি। আমার দেহের মত্যু হয়েছে, কিন্তু আমি দেখতে পারছি। আমি অনুভব করতে পারছি, তথাপি আছি। তার অর্থ আমি দেহের ঊর্ধ্বে।
সত্যের সেই একটিমাত্র অভিজ্ঞতা আমাকে পুরোপুরি ঝাঁকিয়ে দিল এবং আমি সেইনকিমাত্র জানলাম যে আমি কেবল এক শরীর নই, আমি তার চেয়েও বেশী কিছু। তারপর আমি কখনও মুত্যুভয় বা অন্য কোন ভয়ের মুখোমুখি হই নি। বরাবরের মত সমস্ত ভয় আমার সত্তা থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়। যেই মুহূর্তে আমি বুঝলাম যে আমার শরীরের মৃত্যু হবার পরেও আমার ভিতরে কিছু একটা আছে যার মত্যু হয় না, তাহলে আমি আমার দেহের মৃত্যু নিয়ে কেন বিব্রত হব?
দেহের মৃত্যুর জন্য আমি কেন বিব্রত হব? কারণ যদি আমার দেহ মারাও যায়, আমি তো চলতে থাকব, আমি তো বিদ্যমান থাকব, আমি যা নিজেকে যা মনে করি, আমি তার চেয়ে বেশী কিছু। আমি এই শরীর থেকে বেশী কিছু। এই উপলব্ধি আমাকে কখনও ছেড়ে যায় নি। সেই দিনের উপলব্ধি থেকে আমি কখনও সরে আসি নি।
একটি ভয় কিভাবে রামানা মহার্ষির মধ্যে এই প্রকার বিরাট রূপান্তর সৃষ্টি করতে পারত এবং আমরা সেটার দ্বারা পরিবর্তিত কেন হই না? সেখানে মূল বিভাজন। এর মূল কারণ হল তোমার প্রগাঢ়তা।
সমাজ সেবার জন্য প্রেরণা
যদি তুমি মন থেকে সমাজ সেবা করতে চাও, প্রথম যেটা তোমার নিজেকে জিজ্ঞাসা করা উচিত, যে কেন্দ্রস্থলে তুমি কার্য করছ তার কারণ কি।
আমি বহু মানুষকে দেখেছি যারা সেবার নামে কিছু করে, কারণ তারা নিজের সাথে বসে থাকতে পারে না। স্পষ্ট করে বোঝ, যদি তুমি নিজের সাথে বসতে অসমর্থ হও এবং সমাজ সেবা কর, যেমন মন্দিরের কাজ বা অন্য প্রকার কোন সেবা কর, তুমি তাহলে সত্যকে কখনও অভিজ্ঞতা করতে পারবে না।
মন্দিরে যাওয়া অথবা কোন সমাজ সেবা করা যেন সেফটিরার মত কাজ করে। তুমি এত ভরাট অনুভব কর, তুমি অনুভব কর আর কিছুই করার নেই এবং ভাব, 'আমার কাছে এত সময়, আমাকে সমাজে কিছু সেবা করতে দাও। কত সুন্দর সেটা।' তাহলে তা তোমাকে জীবনমুক্তির দিকে চালিত করবে।
নিজের ভেতরের জায়গাকে বিস্তারিত করুন এবং ভবিষ্যতকে উজ্জ্বল করুন। তুমি উচ্ছ্বসিত অনুভব কর ও ভাব, 'THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM আমাকে কত কিছু দিয়েছেন, এই সম্পূর্ণ জীবনটাই কত সুন্দর,' এবং তুমি কোন মন্দির বা গীর্জায় গিয়ে তোমার কৃতজ্ঞতা অর্পণ কর। যখন তুমি নিজের ভেতরের জগতকে সূক্ষ্ম করবে তখনই তুমি জীবনমুক্ত হবে।
প্রগাঢ়তার ক্ষমতা - রামকৃষ্ণ পরমহংস
वक्रमटन बक्कमल मानूष घाटक यादा विश्वाम करव कर रूटनन बक्साज भुक्तव वर्षः যারা তাঁকে অনুসরণ করে তারা সবাই মহিলা, শারীরিকভাবে তাদের লিঙ্গ যাই হোক না কেন। তারা কর্মকে তাদের প্রেমী হিসাবে দেখে। जारमन वरे ममन्न बजरे बेकालिक व्य পুরুষেরাও মহিলার মত সাজে।
বাংলার জীবনমুক্ত মাস্টার রামকৃষ্ণ পরমহংস এই পথ ছয় মাস ধরে অনুসরণ करवरिटलन। ছিল এই যে তিনি যা কিছু করতেন তিনি তা मम्भूण उ वर्णाण्डाव मार्थ कवरणन। जिनि মহিলার পোশাক কেবল রাত্রে নয়, দিনের বেলাও পরিধান করতেন, কারণ তিনি দিনের বেলা এক মানুষ আর রাত্মে অন্য এক মানুষ হতে পারতেন না।
তোমরা হয়ত এই কথা শুনে অবাক श्टव, किन्तु जिनि मण्डि मण्डिना राय গিয়েছিলেন। মহিলার মত হওয়া নয়, তিনি मरिला राय शिष्याणिटनन। जाँव कुर्श्वन भविवर्णिक रूय, जाँव कलनसकि भविवर्णिक रूय। भनागणा वजर वर्णी हिल या जाँद्र उन वर्षि পেতে থাকে। এমনকি তাঁর মাসিক পর্যন্ত শুরু হয়ে যায়!
बरे वज्जाटमन क्यू माम जिनि मरिला হয়ে গেলেন। এই অভ্যাস বন্ধ করার ছয় মাস পরে তিনি আবার পুরুষ হতে পারলেন।
তাই বোঝ, তোমার প্রগাঢ়তার ক্ষমতা এমন করতে পারে, তোমার ডিএনএ-কে বদলে দিতে পারে!
বুদ্ধের ঐকান্তিকতা
বুদ্ধধর্মের প্রবর্তক জীবনমুক্ত মাস্টার গৌতম বুদ্ধের জীবনচরিত দেখ। তিনি লম্বা ছয় वर्ष्मन धरव घटनाया कवटनन। जिनि विजिन्न भट्य भटके बाद कबलनन, किलु भुणिणि भयारमदे তিনি তাঁর সমগ্র সত্তাকে লাগিয়ে দেন।
তিনি যা কিছু অনুসরণ করার নির্ণয় নিলেন তা তিনি সমগ্র ও অবিচলিত প্রগাঢ়তার मार्थ कबलन। जिनि विजिन्न वाकिया कड़ी করলেন যেমন, উপবাস, অবিশ্রাম তপস্যা, স্তকি এবং অন্য নানা প্রণালী। সম্ভব সমস্ত প্রণালী তিনি চেষ্টা করলেন কিন্তু কিছুই কাজ করল না।
অন্বেষণ করার সময় এক শিক্ষক তাঁকে তিন মাস ধরে দিনে কেবল একটি দানা চাল খেতে বলেছিলেন। বুদ্ধ আন্তরিকতার সাথে তাঁর নির্দেশ অনুসরণ করলেন। তিনি চর্মসার হয়ে গেলেন এবং খুব দুর্বল হয়ে গেলেন।
একদিন তিনি নদীতে স্নান করতে গেলেন। তিনি এত দুর্বল হয়ে গিয়েছিলেন যে হাঁটতে পারছিলেন না এবং নদীর স্রোতে ভেসে গেলেন। তিনি একটি গাছের ডাল ধরলেন এবং তা ধরে ঝোলার সময় তিনি হঠাৎ এই সব প্রচেষ্টার নিষ্ফলতা উপলব্ধি করলেন। তিনি তো শরীরকে পীড়া দিচ্ছিলেন, আর তাতে তাতে তাতে তিনি তো তার শরীরের শক্তিই হারিয়ে ফেললেন।
তিনি খুব বিষণা অনুভব করলেন যে তিনি অন্তর্দেশে কিছুই অর্জন করতে পারলেন না এবং বহির্জগতে তাঁর জন্য অর্থপূর্ণ কিছুই নেই।
जिनि नमी (शटक सेट्टे बालन ववर वक्रणि भार्डव नीटक वमलन। जिनि श्रणाम হয়েছিলেন, কিন্তু সাধারণ হতাশা ও বুদ্ধের श्रणमान स्था भार्थका रण হতাশাতেও সমগ্ৰতা ও প্ৰগাদতা সহকাৰে ছিলেন।
এক দানা আশাও তাঁর ছিল না। তিনি मम्भूविकर्त वामा কিছুই অর্জন করার নেই, সামনে আর কিছুর দিকে তাকাবার নেই।
বলা হয়, সেদিন রাতে যখন ঘুমাবার জন্য তিনি আকাশের দিকে তাকালেন, তিনি নির্বাণ লাভ করলেন।
যে গুণমান বুদ্ধকে বুদ্ধত অর্জন করায়, তা হল ঐকান্তিকতা বা প্রগাঢ়তা। আমাদের অনেকেই দাবী করি আমরা বহু কিছু করছি,
কিন্তু কিছুই ঘটলছে না। একটু গভীরে তাকাও এবং দেখ যে তোমার তৃষ্ণা ও অন্ধেষণে তমি करण्या मरर्ण। या किछू जूसि घटनायन कव, তোমার শক্তি পর্ণরূপে সংহত কর এবং এগিয়ে চল। তখন দেখবে, বিশ্বব্রহ্মাণ্ড তোমার কাছে সম্পূর্ণ করে উন্মুক্ত হয়।
আমার প্রথম আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতার জন্য প্রণাঢ়তা
অস্তিতের সাথে একাত অনুভব করা बदर वासाव काविमिटक मनकिकू (७७० जिन्दी) দর্শনে করা - আমার এই গভীর আধ্যাত্মিক वाणिकाणा मन्भटक घाटन सेटलन्य करवाणि। करण মানুষ কত বিভিন্ন প্রকার ধ্যান প্রক্রিয়া অভ্যাস करव। जार कि भार्शका? घान बनका बढ़का दि शांज বালকের এই অভিজ্ঞতা হবার কারণ কি?
আমি একটা গুরুতপূর্ণ কারণ বলতে পারি, আমার সমগ্র অন্তর্দেশ পরিণত হয়েছিল, তা এই ছোট প্রক্রিয়াটি দ্বারা জাগ্রত ও উন্মজ্ঞ रुआव जना সজাগতা বিনাই নিরন্তর আমি মাস্টারদের সেই উচ্চ কম্পাঙ্কে অবস্থান করতাম।
जन्य, विद्यास करव कम वय्रत्य, व्य তোমাকে উদ্বদ্ধ করে বা তোমার মনে অনুকূল व्याभार करव, ल रणाराव वाउद्घटन बक नायक रुट्य याया। बरे मशन माम्जेदबना আমাকে এত প্রভাবিত করেছিলেন যে প্রতিটি भविष्ठिकित्व वासि कावव, ' बरे साम्मेदवना কিভাবে ব্যবহার করবেন?' উদাহরণস্বরূপ, যদি আমার কোন ভয় থাকে আমি স্মরণ করব. 'वावासालार राशि किलास बरे जयान মুখোমুখি হতেন? তিনি বিব্রত হবেন না। তিনি তো জীবনমুক্ত। আমাকেও সেরকম হতে দাও। '
এই মহান মাস্টারদের দ্বারা অন্তর্দেশ এত বেশী উদ্বদ্ধ ও প্ৰভাবিত ছিল যে জীবনে कान भमर्किश नवान वादश वादिव किसा করতাম, 'তিনি কিভাবে ব্যবহার করতেন? আমাকেও ছেলেবেলাতেও অন্তর্জেশ এত বিশুদ্ধ ছিল যে এই মাস্টারেরা ছাড়া আমার কোন নায়ক বা হিরো ছিল না। প্রতিটি পদক্ষপে আমি ভাবতাম, 'जिनि किलारव वावश्व कवरवन? वासिउ সেভাবে ব্যবহার করি। তিনি কিভাবে করবেন? আমিও সেভাবেই করব।'
শাশানঘাটে চলা
আমি व्यवस्थान विवादी के विकास को किसी के बाद किया था। किसी के बाद किया था। किसी के बाद किया था। इस कारण को किसी के बाद किया है कि वह किया है कि वह किया है कि वह किया है कि वह किया था। इस क कवरण याणाम। जनरे विक्कसा वर्थ वादवा किल्लासिजादवन विभी। वासि बार्ड मन्नी करव যেতাম। একটু ভয় পেলে বলতাম, 'অরুণাচল স্বামী কিভাবে ব্যবহার করতেন? তিনি তো ভয় সম্পর্কে বিব্রত হতেন না। তাহলে আমিও সেই রকম হয়ে যাই।'
তোমাদের একটা ঘটনা বলি।
অরুণাচল मुत्रय मिन जादित वृष्टि भड़किल। मुखलशादव বষ্টি ও বজ্রপাত দেখে আমি একটু ভয় পেলাম। অবিলম্বে আমি ভাবলাম, 'আন্নামালাই স্বামী কিভাবে ব্যবহার করবেন? তিনি বিব্রত হবেন না। তিনি কেবল হেঁটে চলবেন। আমিও তৰে সে রকম করি।'
আমি গতানুগতিক শুশানের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম। ভারতে কোথাও কোথাও একই স্থানে শব জালানো হয় আবার কবরও দেওয়া श्य। व वर्तनाकल भविकासान वर्थाणि শুশানের মধ্য দিয়ে যায়।
হঠাৎ আমি দেখলাম একটা কুকুর কিছু চিবিয়ে খাচ্ছে। আমি সামনে গেলাম ও কুকুরটা আমার দিকে চীৎকার করতে লাগল। প্রথমে ভয় কিভাবে ব্যবহার করবেন? তিনি বিব্রত হবেন না। আমিও তাহলে চলতে থাকি।' আমি এগিয়ে যেতে থাকলাম। আমি চলতে শুরু করলে কুকুরটি ভয় পেল ও দৌডে পালাল।
काट्य शिष्य वक्रण मण्डर प्रथट्य পেলাম, সেটাকে ভাল ভাবে কবর দেওয়া হয় নি। বর্ষায় সেটা বেড়িয়ে এসেছে এবং রাস্তার মাঝে সেটা রাখা আছে। কল্পনা কর, একটা বারো তের বছরের ছেলে, মধ্যরাত্তে একাকী একটা মণ্ডহীন মতদেহ দেখছে, কারণ কুকুরটা তার মাথা আলাদা করে দিয়েছে।
ভয় শুরু হল, কিন্তু তা আমার সত্যায় পরোপরি পৌঁছায় নি। সেই আতঙ্ক বা ভয়ের অভিঘাত পূর্ণরূপে ঘটে নি। যেই মুহুর্তে প্রথম চিন্তা আসতে শুরু করল, প্রগাঢ় সচেতনতার সাথে আমি ভাবলাম, 'আন্নামালাই স্বামী এই সময়ে কিভাবে সাড়া দেবেন। তিনি কেবল शौद्यन उ वर्तिय्य कलद्वन। वासिउ जारे করব।'
আমি চলতে থাকলাম, ব্যাস। আমি একটা থাকলাম। আমি ঘুরেও পিছনদিকে তাকালাম না। বুদ্বদের মত ভয়ের যে অভিযাত প্রায় শুরু হয়ে याण्डिल, তা শুরুই হতে পারল না এবং আমার শরীরে সেই ভয়ের উত্তাপ বা কম্পন একদমই ছিল না। সেটা একদম মরে গিয়েছিল।
মাস্টার বসে থাকতেন, কি করতেন? স্বভাবতই নীরবতা। তাহলে তুমি চিন্তা করছ কেন? নীরব হও!' ব্যাস। আর কিছু না।
যদি তোমার মন বলে, 'না, না, আমি জানি এটা সত্য। আমি এটা জানি, কিন্তু এটা वानक विश्व करण्याटकार कार्यालय काव, 'यदि মাস্টারের মন এটা বলে তাহলে তিনি কিভাবে ব্যবহার করবেন?' তিনি সেই মুহূর্তে মন্তক শেষ করে দিতেন! ব্যাস। স্পষ্ট করে বুঝে নাও।
बरे वक्त वर्कण के करण्य नाउ व वर्षर जीवनसूक्ति वरे के मदमन्दक जासान जीवन হয়ে যেতে দাও। বোঝা, দশ বছর বয়স থেকে যখন আমি আন্নামালাই স্বামী দ্বারা অনুপ্রাণিত ও প্রভাবিত হয়েছিলাম, আমি এই প্রক্রিয়া শুরু কবি। वासि उन्हन आनजार ना व्य बजे একটা ধ্যান প্রক্রিয়া।
बजे करन क्यान वाद्यस रायणिल, 'আন্নামালাই স্বামী এই পরিস্থিতিতে কিভাবে ব্যবহার আমার বাড়িতে আমার ভাইদের ও পরিবারের অন্যদের কোন কিছুর জন্য লড়াই করতে मार्शाणि ववर वासि जानजात, 'वान्तामालारे शासी किलारव वावश्व कवरणन? किनि कानकारवर विवरण राजन ना। जारदल वन সম্বন্ধে ভুলে যাও। ওরা করুক।' ব্যাস্।
মাস্টারের সাথে প্রকৃত সম্বন্ধ
भक्तवन कर बजेटकरे वासि माम्जादवन সাথে সম্বন্ধ বলি। মাস্টারের সাথে সম্বন্ধ কেবল পুজা করা বা পুষ্প অর্পণ করা বা তাঁকে মাঝে মাঝে পূজা করা নয়। না!
मन्नका रूय यथन रूसि मम्भूर्वकरण মাস্টারের ঘারা প্রভাবিত হয়েছ। যখনই কিছু घटने, धन्न कय वा वजनका वा लाल बा क्वास, কেবল করবেন?' সহজেই তা অদৃশ্য হয়ে যাবে, তা কেবল মিলিয়ে যাবে।
অনেক বার আমি লোকেদের বলি, मान्जादवन मार्थ कवन जीवनजादव मश्यूक অনুভব করাই যথেষ্ট। তোমার অন্য আর কিছু চাই না। সেটা কেবল তোমার সাধারণ সম্বন্ধ नया मासावन ममुद्रक रूपि वू बाटक उन्हाउ का उ ना আবার তাঁকে আত্মভূতও কর না। কেবল কিছু अनुश्रणि वाण्ड। आमि जारक मन्नुक्का वनाज भावि ना। माना मानावन नियमिण मिथश्चित्रया।
মাস্টারের সাথে সংযুক্ত অনুভব করা वर्थ क्वल जाँव मटन बाम कन्ना। यथन कूमि মাস্টারকে অন্তরে রেখে মাস্টার হয়ে বাস কর, जन कुलि जाँव मार्थ वनाएका व मश्यूक অনভব করবে। কেবল তবেই তুমি সম্প্রসারিত হচ্ছ। কেবল তখন তোমার মধ্যে কিছু একটা श्ट्छ। वर्णू वन्ताना मन्नुक्काव कावरण जा আমাদের মধ্যে হয় নি। অন্য অনেক মানুষ তোমার অন্তর্জেশ অধিকার করে আছে এবং অন্য কত মানুষ তোমাকে অনুপ্রাণিত করেছে অথবা প্রভাবিত করেছে অথবা তোমাকে ধারণা দিয়েছে যে তারা সবাই হিরো। কেবল মাস্টার দ্বারা তোমার অন্তর্দেশকে ভরে দাও এবং লক্ষ্য কর যে তোমার সমস্যা সহজেই মিলিয়ে যায়।
প্রগাঢ়তা দ্বারা চালিত
প্রথম অভিজ্ঞতা আমাকে সত্যের এই প্রকার এক প্রগাঢ়, সুন্দর ঝলক দিল যে আমি পরম অবস্থা বা জীবনমুক্তি ছাড়া কিছুই প্রাপ্ত
করতে পারলাম না। জীবনমুক্ত হবার ইচ্ছা এতই প্রগাদ ছিল যে আমার ভিতরে একমাত্র প্রশ্ন ছিল 'কিভাবে?'
मण्डल जानान विभाग कर वासारक भूजा, কোন ছেলেবেলা থেকেই যা কিছু প্রক্রিয়া চেষ্টা করি, তা আমি সম্পূর্ণ আস্থা ও প্রগাঢ়তার সহকারে করি। কিশোর অবস্থায় দৈনিক পজার্চনায় আমি ভোর চারটের সময় উঠতাম ও ঠাণ্ডা জলে স্নান করে আচার-অনুষ্ঠান সহ দেবী পূজা করতাম।
( প্রগাদতাই আমাকে ঘর ছাড়ার নির্ণয় নেবার बन्द वासान वास्तारिक याद्याय विभाग थान অভ্যাস করার সাহস যোগায়। প্রগাদতার জন্যই আমার পক্ষে পরিত্র মন্ত্র ১০০০০ বার স্তব্য, আধ্যাত্মিকত যাত্ৰায় সংযমী জীবনযাপন এবং সমস্ত भारत ভ্রমণ করা সম্ভব হয়।
काजेटक स्ववन कवटन जान मम्भटक একটিমাত্র গুণমান তোমার মনে আসবে। আমি বলতে পারি, যদি কেবল একটি গুণমান বা জিনিষ যার সাথে আমি নিজেকে শনাক্ত করতে পারি, তা হল প্রগাদতা বা ঐকান্তিকতা।
চাও এবং তোমাকে দেওয়া হবে
योग व वटन किटनन, ' ' का उ व व তোমাকে প্রদান করা হবে। অন্তেষণ কর ও তুমি তা পাৰে।'
চল, আমরা একটু থামি ও নিজেকে भन्न कवि, वासारमन व वर्था कय़जन कार्डरण जानि? कर्शना वासारमन्न वरश्कारवन्न जन्म, কখনো আমাদের বিভ্রান্তির জন্য এবং কখনো
আমাদের অলসতার জন্য আমরা অজ্ঞানতার জালে জড়িয়ে পড়ি। আমরা নিজেরাই স্পষ্ট নই যে আমরা কি চাইতে ইচ্ছা করি।
আমাদের সমস্ত এনগ্রাম ও মিথ্যা भविष्याणले वासारमन में द्वव विव व्यवस्थ ব্রুয়ে দেয় না। আমরা সেই করুণাময় অস্তিত্ব যে আমাদের রক্ষা করছে ও আমাদের চাওয়া সবকিছু দিচ্ছে, তার সাথে লড়াই করি। যদি আমরা নিজেদের কেবল সংহত করি এবং वास्तविकास्व ककि मरकारव कारे, जारदल আমাদের সত্তা সত্যি কি চায় তা চাইবার জন্য বুদ্ধিমত্তা হবে। আমরা তা পাবই।
প্রগাঢ়তা - চরম প্রক্রিয়া
या किछू कब छाटक थ्रनाए रख। या किछू খাও, গান কর, নাচ কর, প্রার্থনা কর বা কার্য কর, তাতে সেই মুহূর্তে পূর্ণরূপে থাক।
প্রগাঢ়তা জীবনমুক্তি। এখনকার মত, जानाव किछू वर्श्व वना वनाए ववर किछू वर्श অলস। ১০০% প্ৰগাঢ় হওয়াই জীবনমুক্তি।
जोवनमुकिन जना প্রগাঢ়তা। প্রগাঢ়তা এক এমন তলোয়ার যা দিয়ে তুমি মনকে টুকরো করতে পারবে।
बजे किक यन सभी (शटक ज़्मूल उठा। প্রথমে তোমার দরকার প্রগাঢ়তা, জাগ্রত হতে হবে - সেই ধারণা। তাই তোমার এখন জেগে ওঠার প্রগাদ ধারণা চাই।
বোঝ, যে প্ৰগাঢ়তা সহ তুমি ধনসম্পদ, সম্বন্ধতা ইত্যাদি বানাও, তা যদি যদি একটু জীবনমুক্তির দিকে দাও, তুমি জাগ্রত হবে।
প্রগাঢ়তা সহকারে নির্ণয় নাও, 'যাকে আমি এখন জীবন বলি, সেই জীবন থেকে আমি জেগে উঠব।' এক প্ৰগাঢ় ইচ্ছা বা প্ৰাৰ্থনা সুষ্টি কর। যখন তুমি একটি ইচ্ছা সচি করে তাকে নিজের দিকে চালিত কর তাকে বলে সঙ্গল। যখন তমি এক সঙ্গল্প সঙ্গি কর ও তাকে ঈশ্বরের দিকে চালিত কর, তাকে বলে প্রার্থনা।
প্রগাঢ়তা হল জেগে ওঠার প্রবল ইচ্ছা, भविष्ण रवाव, जोवनसुरक रवाव 3 निष्ठा আনন্দের প্রবল ইচ্ছা। তুমি এবং জীবনমুক্তির মাঝে একমাত্ৰ ব্যবধান হল প্ৰণাঢ়তা।
ধ্যান প্রক্রিয়া - মাস্টারের সাথে একীভূত হয়ে বাস কর
এই প্রক্রিয়াটি চেষ্টা করে দেখ : যা किछू मटन घाटम, भूम कन 'मान्जान किशादव ব্যবহার করবেন?' তুমিও একই জিনিষ কর।
আরেকটা জিনিয় পরিষ্কার করে বোঝা, তুমি যখন আমার মত ব্যবহার কর, আমার যা আছে তা তোমার হবে। সেটা অস্তিতের এক প্রতিশ্রুতি। আমার কাছে এমন কিছু জিনিষ নেই আমি যার যোগ্য নই। তাই আমার ভয় নেই যে আমার থেকে কিছু নিয়ে নেওয়া হবে।
একইভাবে, তুমি যখন এই উপদেশটি नियन या उ, माम्णेदवन मण जीवनयाभन कन्न। তুমি যা কিছুর যোগ্য তা তোমার চারপাশে জড় হবে এবং তা সর্বদাই তোমার সাথে থাকবে। তা সর্বদা তোমার মধ্যে থাকবে।
यट्यक्ट मार्की रूटल मानूसाजि वलव्य, 'माम्जान किलारव जीवनयाभन करवन? আমাকেও সেভাবে থাকতে দাও।' তোমার মনে यदि जना कान वर्ष्यन्न भूनवावृद्धि रय़, 'क
জানে মাস্টার কিভাবে ব্যবহার করবেন?', প্রশ্ন কর, 'মাস্টার এই প্রশ্নে কিভাবে সাড়া দেবেন?' जिनि मशर्जने मनटक नोवन करव मनवन। তাহলে, একই জিনিষ কর, ব্যাস।
তোমাকে কেবল সেটাকে বহন করতে হবে। যখন তমি তোমার মধ্যে এই একটি সত্য वर्शन कव, कूलि वासारक वर्शन कवर्ण। মাস্টারকে বহন কর! তুমি নিজেকে জন্ম দেবে।
कान व्यमुविधा निर्द्य विवरण रख ना। খুব বেশী হলে কি প্রতিবন্ধক আসতে পারে? মত্য। কেবল মনে রেখ, 'মাস্টার কিভাবে মারা यादवन? जिनि मुन्मन्नजादव मनीनरक করবেন। আমাকেও একই জিনিষ করতে দাও, वाणि।' क्वल मटन ब्रथ, जिनि किञ्चादव जोवनयाभन कवरवन? जिनि किञ्चादव करन यादवन?' वकरे जिनिय कन। वर्कारकर बरे মাস্টারের সাথে সংযুক্তির অনুভূতির আমাকে সত্য প্রদান করে এবং আমাকে সতেজ, প্রগাঢ় ও তেজোময় তৈরি করে।
তোমার সাথে এই একটি বাণী বহন কর, 'মাস্টার কিভাবে ব্যবহার করবেন?' যে कान मामगारक वर्र वक्ति व्यक्ति व्यक्तिया माना ममाधान कवा याया। व्यळद्मिटनव व्य कान সমস্যা সমাধান করা যায়, কারণ THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM তিনি, যিনি সমস্ত অভিজ্ঞতা দর্শন করেছেন। (कवन जाँदकरे भन्नमर्श्म वना रख़। जिनि यादि (कान वक्तो निर्मिष्ठ वाणिख्या ना (भट्य शारकन, অস্তিত্ব তাঁকে সেই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে নিয়ে যায়, যাতে তিনি পরমহংস হতে পারেন।
তাই তুমি যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছ, গেছ বা वर्थन उ यटक वाकि, घासि जान संशा मिट्य ইতিমধ্যে গেছি। তাই এমন কোন স্থান তুমি দেখাতে পারবে না যার মধ্য দিয়ে আমি যাই নি!
প্রগাঢ়তা পাবার ধ্যান
তুমি যদি প্রবল প্রগাঢ়তা না পাও, তবে প্রগাঢ় হবার জন্য প্রগাঢ় হয়ে প্রার্থনা কর। তা তিক বিশ্বাস কৰে।
মনে রেখ, তোমাকে যা সুখ দেয় তার পিছনে তুমি কিভাবে প্রগাঢ় হয়ে ও কত জোরে প্রার্থনা করবে তারা এক কোটি ডলার পুরস্কার পাবে, তুমি তোমার জীবনের প্রগাঢ়তা দেখাবে, তাই নয় কি? কেবল যেহেতু তুমি ভাবলে যে তোমাকে পরিপর্ণ করার জন্য কিছু বস্তু আছে, তুমি প্রগাঢ় হলে। তুমি জান, টাকাকড়ি দ্বারা তুমি তোমার জীবনে কিছু যোগ করতে পার। একইভাবে জীবনমুক্তিও তোমার জীবনে কিছু যোগ করতে যাচ্ছে।
জীবনসূত্রের জন্য, যে জিনিষগুলির প্রতি বাসনা অভিজ্ঞতা করেছ তাতে প্রগাঢ়তা সঙ্গি করে শুরু করতে পার। ধনসম্পদ বাসনা কর, সেই সম্পর্কে প্রগাঢ় হও। সেই আকুল আকাঙ্কা সংহত হবে এবং পরিচালিত হবে অজানার দিকে, জীবনমুক্তির দিকে। বাসনা প্রগাঢ়তা দ্বারা সহজেই দগ্ধ হয়ে যেতে পারে।
যা কিছু তুমি পরিতৃপ্তি বলে অভিজ্ঞতা কর, তার জন্য আকুল আকাঙ্ক্ষা কর। প্রগাঢ় বাষ্পীভূত করবে। আর যে পরিতপ্তির অভিজ্ঞতা হবে, পরিতৃপ্তির চেয়ে অনেক বেশী হবে।
শিবসূত্রে জীবনমুক্ত মাস্টার শিব তাঁর মনন ক্রিয়া প্রকাশ করেন।
শিব বলেন, ‘অনুধাবন কর তোমার মনন সম্বন্ধিত আলোকরশ্মি হয়ে উত্থিত হচ্ছে, আর তোমার মধ্যে সতেজতা বাড়ছে।’
এই প্রক্রিয়ার গুরুত্ব বোঝা। আমি এই একই অংশ আমাদের লাইফ ব্লিস মেডিটেশন বা নিত্যধ্যান প্রণালীতে তৃতীয় ধাপ হিসাবে যোগ করেছি।
তুমি নিজেকে যা ভাব তাকে আলোক বলে প্রত্যক্ষ কর এবং চক্র থেকে চত্রে চলে যাও, সতেজতা ও প্রগাঢ়তা উত্থিত হয় ।
মনে কর, তোমার সুগন্ধসার প্রগাঢ় আলোক হয়েছে এবং তা শক্তি চক্র থেকে শক্তি চলে থেকে সত্তাকেন্দ্র স্বাধিষ্ঠান চলেন, স্বাধিষ্ঠান চক্র থেকে নাভি অঞ্চলে মণিপুরক চনেক ইত্যাদি।
তুমি মনে করতে পার কিভাবে প্রত্যক্ষীকরণ তোমাকে প্রত্যক্ষীকরণের উর্দ্ধে নেয়। বোঝা, তুমি প্রত্যক্ষীকরণ করতে পার। তখন হঠাৎ দেখবে প্রত্যক্ষীকরণকে জাম্পিং বোর্ড হিসাবে ব্যবহার করছ।
প্রগাঢ় হবার জন্য ধ্যান প্রক্রিয়া
এটা শিবসূত্র থেকে নেওয়া এক খুবই শক্তিশালী প্রক্রিয়া।
এই সূত্র বলে :
অসীম শূন্যে, যেখানে তুমি আর নেই. মৃত্যুপ্রাপ্ত কর চৈতন্য।
এই ভঙ্গিতে বেশী সময় ধরে থাকা কঠিন হবার জন্য তুমি মাটিতে বসতে পার ও আরামের জন্য তোমার হাত চেয়ারে রাখতে পার। তুমি তোমার সামনে একটা চেয়ার রাখতে পার এবং তোমার হাত দুটিকে রাখার জন্য চেয়ারটাকে ব্যবহার করতে পার। সামনের চেয়ারে সামনের চেয়ারে রাখতে পার।
প্রবেশদ্বার বন্ধ করে দেয়। যাদের ধ্যান করার অভ্যাস করা উচিত। অন্য সমস্ত ধ্যান করার মতই আরাম করে পা দুটি আড়াআড়ি ভাঁজ করে মাটিতে বসবে বা চেয়ারের বসবে। ধ্যান করার সময় যেন পিঠ, ঘাড় ও মাথা একই উল্লম্ব রেখায় থাকে।
যখন ষন্মুখী মুদ্রায় আছ, মুখের সাতটি ছিদ্র (দুই কান, দুই চোখ, দুই নাক ও একটি মুখ) প্রতিরোধ করা হয় এবং তাকে ভিতরদিকে ধাবিত করা হয়। শক্তিশালী। শক্তিশালী যে তারা শক্তি প্রবাহকে বন্ধু করতে পারে এবং একে আলোকধারাতে পরিবর্তিত করে আজ্ঞাচক্র বা ত্রিনয়নের দিকে পরিচালিত করতে পারে।
সাধারণত আমাদের শ্বাস বিশৃঙ্খলভাবে আংশিকভাবে বন্ধ করে তুমি বায়ুর প্রবাহ কমাতে পার ও তার সুষমতা বজায় রাখতে পার।
শক্তিপ্রবাহ বন্ধু করে।
ভিতরের দিকে ঘুরিয়ে নিচ্ছি।
তৃতীয়ত, আমরা তাদের ত্রিনয়নের দিকে ঘনীভূত করছি।
নির্দেশাবলী :
যদি তোমার আঙুলগুলিকে কিভাবে রাখবে তা নীচে বলা আছে :
রাখ যতক্ষণ না এক গুঞ্জন ধ্বনি শুনতে পার।
তর্জনী - দুটি - আলতো - করে - উভয় চোখের ওপরে রাখ।
মধ্যমা দুটি নাকের পাশে।
ষণ্মুখী মুদ্রা ধরে এবং যতটা সম্ভব ধীরে ধীরে গভীর ভাবে শ্বাস নিতে থাকো। ধীরে ধীরে মুখ আঁটাআঁটিভাবে বন্ধ রাখো। এটা ভেবো না যে তোমার দুটি ঠোঁট পাথরের ন্যায় শক্ত হয়ে গেছে এবং তারা নড়তে পারছে না।
সরলতা ফিরে পেলে জীবনের অনেক দ্বার খুলে যায় জীবনমুক্তি হল বিমল সরলতা সহ গভীর বুদ্ধিমণ্ডা
কিন্তু আমরা প্রগাঢ় বা ঐকান্তিক হতে পারি না, যদি না সরলতা না থাকে। আমি শিশুসুলভ সরলতার কথা বলছি। শিশু যা করে তার ওপর বিশ্বাস রাখে।
সরলতা কি?
অবিশ্রাম আমাদের ভাল হতে বলা হয়, পবিত্র ও সরল হতে বলা হয়। সরলতার ধারণা আমাদের মধ্যে জোর করে ঢোকানো হয়েছে। সমাজ ( কোনটা অপবিত্র, ভালমন্দ কি, কোনটা সরল ও ভালমন্দের ধারণা শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। ভাল জিনিস বা সমাজ যাকে জনমানসে ভালো মনে করে বর্তে অভ্যাস করতে আমাদের জোর করা হয়।
কিন্তু সমাজ যা বিশ্বাস করে তার সাথে জীবন ভিন্ন। একটা সুন্দর কথা আছে, 'তুমি সাধারণীকরণ করতে পার না।' এটা যেন মার্কেটিংয়ে বলা বাণীর মত, 'বিশ্বব্যাপী চিন্তা কর কিন্তু স্থানীয়ভাবে কার্য করে।'
পরিস্থিতিগুলিকে সাধারণীকরণ করা যায় না। যেখানে সাধারণীকরণ করা যায় না, যেখানে লোকপ্রিয় নির্দেশাবলীর ওপরে ভিত্তি করে কি ক্তব্য এবং না ক্তব্য তার সিদ্ধান্ত তুমি নিতে পার না। নৈতিকতা, ঠিক ও বেঠিক, এসব বিষয়ে তোমার সমস্ত ধারণাগুলির কোন বাস্তবিক ভিত্তি নেই। কি ভাষায় বলব, "THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM"-এর পুরোনো শাস্ত্র সম্পর্কে কিছু বলে না কেন? কেবল মহাকাব্যে সে সম্পর্কে বলা আছে।'
যদি জুয়া খেলা ছিল না, তাহলে তুমি কিভাবে আশা কর যে জনমানবের মানবিদ্যা বা জয়ার্থনা সম্পর্কে বলতেন? স্বভাবতই কোন হিন্দু শাস্ত্র জুয়া ও ড্রাগ সম্পর্কে নিয়েধাজ্ঞা জারি করে নি কারণ সেই সময়ে এই সমস্যা ছিল না। লৈতিকতা সর্বদাই ভবিষ্যতের ওপর নির্ভর করেন।
সরলতা হল অন্তর্দেশের পবিত্রতা, চিন্তা বা খোদিত স্মৃতিসকল দ্বারা প্রভাবিত না হওয়া। যদি তুমি ঘৃণা, লোভ ও রিরংসা প্রকাশ না করছ, যদি সেগুলি তোমার অন্তর্দেশে থাকে, তুমি কিন্তু এখনও পর্শ ও সরল মানুষ হও নি। সামাজিকভাবে তুমি হয়তো রুষ্ট হবে। যদি জনসমাজে ঘৃণা, বিরক্তি ও লালসা প্রকাশ কর তবে কি হবে? তোমার অন্তর্দেশকে কিছুই স্পর্শ না করে এবং তুমি এক সরল শিশুর মত বাস কর, তাহলে পরিষ্ণার করে বোঝা, তুমি এক পবিত্র সত্তা।
তুমি লোভও দিও না। শিশুরা তাদের 'আমার' মনোভাব সম্পর্কে এত সজাগ ও সতর্ক হন। কোনও শিশু যখন খেলনা নিয়ে নেবার চেষ্টা করে দেখা শিশুটি এমন ব্যবহার করবে যেন তার থেকে জীবন কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তখন সে কাঁদতে শুরু করবে। কারণ তার সমগ্র ব্যক্তিত্ব 'আমার' মনোভাবের ওপর নির্ভর করে। শিশুদের লোভ ও ভয় আছে, কিন্তু তুমি তাদের অপবিত্র বলতে পার না। তার কারণ তুমি যাকে অপবিত্র বলে ভাব, তা শিশুদের অন্তর্দেশকে প্রভাবিত করবে না। তারা চলে যাবে। তারা তাদের ভিতরে কিছুই ধারণ করবে না। তারা তাদের ভিতরে শুধুই পবিত্র।
তারা কিছু চুরি করেলেও তুমি তাদের চোর বলতে পার না, কারণ তাদের কোন ধারণাই নেই, কেউ কোন জিনিসের অধিকারী হতে পারে এবং কেউ তা তাদের থেকে কেড়ে নিতে পার না। কোন জিনিসের ওপরে যে কারো মালিকানা হতে পারে এই ধারণাই তাদের মধ্যে নেই। সরলতা পবিত্র। কোন বস্তুর মালিক অন্য কেউ জেনে যদি তুমি তা চুরি না কর, কিন্তু সেটা কোনভাবে আকাঙ্কা কর, তাহলে তুমি চোর হও নি কেবল পুলিশের জন্য, ব্যাস।
সরলতা সরাসরি অন্তর্ভেশের সাথে সম্পর্কিত। সম্পর্কিত নয়। শিবের জীবন লক্ষ্য কর, তুমি তাতে তাঁর মধ্যে কোন সামাজিক বা প্রথাগত সরলতা দেখতে পারবে না। কিন্তু তাঁর মধ্যে পবিত্র ও পরম বাস করেন অথবা তিনি যেভাবে বাস করেন, তা তাঁর প্রিত্রতা ও সরলতার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। তিনি ভূতপ্রেত বেষ্টিত।
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM বলেন ‘কাউকে সঙ্গে না’। যেখানেই তিনি ঘটেন, পরমানন্দ সঙ্গি করার জন্য অন্তর্দেশ থেকে উদয় হয়।
বৈদিক প্রথায়, উপনিষদ নামক শাস্ত্ৰ আছে। মাস্টারের সামনে বসা শিষ্যদের মাস্টার প্রদত্ত শিক্ষাকে উপনিষদ শব্দ নির্দেশ করে। ছান্দোগ্য উপনিষদ একটি সুন্দর গল্প বর্ণনা করে :
সত্যকাম নামে এক বালক জীবনমুক্তি পাবার জন্য মাস্টারের কাছে যায়। মাস্টার তাকে গরুগুলিকে নিয়ে যাও। জঙ্গলে গিয়ে বসবাস কর ও তাদের দেখাশুনা কর। এগুলি সংখ্যায় এক হাজার হয়ে গেলে, তাদের আমার কাছে নিয়ে আসবে।'
সত্যকাম জঙ্গলে গেলেন ও গরুদের সাথে থাকলেন ও তাদের সংখ্যা বাড়ার জন্য অপেক্ষা করলেন। তাদের সংখ্যা এক হাজার হবার জন্য বহু বছর চলে গেল। সেই কয়েক বছর তিনি কারো সাথে কথা বললেন না এবং কেবল গরুদের সাথে থাকলেন। শীঘ্রই তিনি মানুষের ভাষা ভুলে গেলেন। গভীর নীরবতায় কোন মানুষের সাথে সম্পর্কতা স্থাপন না করে, তিনি ধীরে ধীরে তাঁর বহির্জগতের পরিচয় হারিয়ে ফেললেন। যখন গরুর সংখ্যা এক হাজার হয়ে গেল, তিনি তখন গণনা করা ভুলে গেছেন। পরমানন্দের এক সুন্দর অনুভূতি সহকারে বসে তিনি শুধু অপেক্ষা করছেন।
অবশেষে একটি গরু তার কাছে এসে বলে, 'স্যার, আমরা এখন এক হাজার হয়ে গেছি। আমরা এখন মাস্টারের কাছে ফিরে যেতে পারি।'
সত্যকাম উত্তর দেন, 'ও তাই নাকি? ঠিক আছে।'
সত্যকাম তো পরমানন্দে আছেন। তিনি তাঁর ফেরার পথ ভুলে গেছেন। গরুগুলি তাঁকে পথ দেখাল। ফেরার পথে পশু, পাখী, এমন কি রান্না করার জন্য জ্বালানো অগ্নিও তাঁকে ব্রহ্মণ্ বা পরম সত্যের প্রকৃতি সম্পর্কে শিক্ষা দিল।
যখন সত্যকাম মাস্টারের কাছে ফিরে এলেন, মাস্টার তাঁর দিকে তাকালেন ও হেসে বললেন, 'সত্যকাম, তোমাকে সত্যজ্ঞানীর মত ভাস্বর দেখাচ্ছে। তোমাকে কে সত্য প্রদান করেছে?'
সত্যকাম মাস্টারকে বললেন কিভাবে পশু ও পাখী থেকে তিনি সত্য জেনেছেন এবং মাস্টারকে মাস্টারেরর নিজের কথায় সত্য বলতে অনুরোধ করলেন।
মাস্টার বলেন, 'তুমি তো ইতিমধ্যে জেনে গেছ,' এবং মহাকাশকে থামিয়ে দিলেন।
গল্পে বলা হয়, কেবল বিদ্যমান থেকে, সত্যকাম নিজেকে সত্যে প্রতিষ্ঠিত করলেন। তিনি জীবনমুক্তি প্রাপ্ত করলেন।
পূর্ণ সরলতা জীবনমুক্তি প্রদান করে।
সত্যকাম মাস্টারকে জীবনমুক্তির জন্য সংখ্যাবদ্ধি করতে বলেন! তোমাদের মধ্যে অনেকেই জিজ্ঞাসা করবে যে জীবনমুক্তি র জন্য গরুর কি দরকার? সৌভাগ্যবশত সত্যকাম প্রথাগত বুদ্ধিবৃত্তিক শিক্ষা প্রাপ্ত করেন নি। তিনি ছিলেন সহজ, সরল ও বিনম এবং রূপান্তর ঘটার জন্য প্রস্তুত ছিলেন। প্রয়োগ করার জন্য কোন যুক্তিবিদ্যা তাঁর কাছে ছিল না।
যদি তুমি যুক্তি খাড়া না করে এবং শুধু যুক্তি খাটানোর জন্য প্রস্তুত হও নি, তুমি জীবনমুক্তির জন্য প্রস্তুত হও নি। যুক্তি এমনকি তোমার নিজের জীবনকে বুঝতেও সাহায্য করতে পারে না। যুক্তি এমনকি তোমার নিজের মনকেও বোঝার জন্য সাহায্য করতে পারে না। তা কিভাবে তোমায় রূপান্তরিত হতে সাহায্য করবে?
লোকেরা আমায় প্রশ্ন করে, 'স্বামীজী, আপনি যুক্তির বিরুদ্ধে কেন?' আমি যুক্তির বিরুদ্ধে নই। আমি কেবল বলছি যে যা কিছু সমস্ত দুঃখদুর্দশার কারণ হল বুদ্ধিমত্তা বিনা যুক্তি। থেকে রাত পর্যন্ত কত কুটনীতি সুষ্টি করে।
কুটনীতি কি? সেটা হল একই বিষয়ে মতভেদ, তাই নয় কি? এখন তোমার মন্তক লকা কব। কান উ বিষ্ঠয় মন মকাটল বক কথা বলে. আবার সন্ধ্যায় ভিন্ন কথা বলে। এটা মনে দেওয়ানে জন্মকরণ্ড সৃষ্টি করত। জিমান মনে হয় যেন এইরূপ উভয়সংকট।
রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানে অনেক কুটনীতি আছে। আমি তাদের বলি, 'তোমরা কি বলতে চাও?'
যারা এই বক্তব্য করে তাদের ভিতরেই কুটনীতি আছে! কুটনীতি করার জন্য তোমার দুইজন মানুষের দরকার নেই। একজন যথেষ্ট। যুক্তি সহ কেবল একজন মানুষ যথেষ্ট, কারণ মকাটল জন যুক্তি কিছু বলত এবং সন্ধ্যায় যুক্তি ঘন কিছু বলত! সুতরাং রুচি ও রুচির মাধ্যমে লড়াই হল কৃষ্ণনীতি। এটা ঠিক কিনা? তাহলে কেন আধ্যাত্মিক প্ৰতিষ্ঠানগুলিতে কুটনীতি আছে?
যদি নির্ণয়গুলি ও সন্ধ্যার নির্ণয়গুলি তোমার সামনে একমাত্র বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে তোমার ভিতরে একজন কুটনীতিজ্ঞ বসে আছে!
যুক্তি নয়। যা সমাজকে ক্রমঙ্কন ঘটানোর জন্য প্রস্তুত নয়। রূপান্তরকে ঘটানোর জন্য যুক্তিকে অতিক্রম ক্তব্য। কেবল যখন কোন যুক্তি নেই, সেখানে সরলতা আছে। সরলতা হল রূপান্তর ঘটার আকাশ।
তিনি সত্যকামের পর ক্ষেত্রে, সৌভাগ্যবশত যুক্তির কামড় খান নি।
যদি একজন শিষ্য THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর কাছে জীবনসূত্রের জন্য যায় এবং মাস্টার তাকে বলেন, 'ঠিক আছে, এই গরুগুলিকে নিয়ে জঙ্গলে যাও এবং সেখানে এই গরুগুলির সংখ্যা এক হাজার না হওয়া পর্যন্ত থাক। তারপর ফিরে আস!'
যদি শিষ্যের জায়গায় হত, সে বলত, 'আমার মনে হয় মাস্টার আমাকে শোষণ করার চেষ্টা করছেন। তিনি আমাকে দিয়ে এই কার্য করাচ্ছেন। তিনি আমাকে দিয়ে নিজের কার্যসিদ্ধি করছেন।' যুক্তির কারণে সাধারণত আধুনিক যুগের অন্তেষণকারীরা এই প্রকার অদ্ভত প্রক্রিয়া প্রাপ্ত করে না।
এর পিছনে বিরাট সত্য আছে। সরলতা সহকারে সত্যকাম মাস্টারের কথা অনুসরণ করেছিলেন। তিনি অনুভবও বিনি গণনা করার যুক্তি শব্দে শব্দে করেছিলেন। তিনি সম্পূর্ণরূপে সেফট্রাম ও আনন্দে ভরে গিয়ে অবস্থান করছিলেন। মন কার্য করা বন্ধ করল। তিনি এক হাজার না দুই হাজার, সে সম্পর্কে বিব্রত ছিলেন না। কেবল সরলতা ও স্বীকৃতি তাঁর মধ্যে জীবনমুক্তির মত সর্বোচ্চ সশন ঘটানা ঘটাতে পারে যায়! যখন তুমি পূর্ণভাবে স্বীকার কর, তোমার মনের প্রয়োজন নেই। কেবল বিবাদের সাথে থাকলে, কেবল লড়াই করতে থাকলে, মনের প্রয়োজন হয়।
বহির্জগতে ও অন্তর্জগতে স্বীকার কর। তুমি জীবনমুক্ত হয়ে যাবে।
এত বছর ধরে মাস্টারের কথা পর্ণরূপে স্বীকার করে সত্যকাম কেবল 'ছিলেন'। তাহলে তাঁর জীবনমুক্তি ছাড়া আর কি হতে পারে?
তুমি ভাবতে পার, 'কিভাবে এই প্রকার সমস্যাটির সমাধান করব?' সমস্যা হল, আধ্যাত্মিক জ্ঞানের দিকেও আমরা বুদ্ধিবৃত্তিক মনের স্থান থেকে অভিগমন করি। সেই বুদ্ধিবৃত্তিক স্থান থেকে আমরা 'কিভাবে' প্রশ্নটি করি। বুদ্ধি সর্বদাই প্রশ্ন করে। সরলতা সরাসরি মাস্টার যা বলেন তা অভ্যাস করা শুরু করে। সেটাই পার্থক্য।
শিব শিবসুত্রতে বলেন, 'পরম সত্যুকে আত্মভূত কর, ইন্দ্রিয়গুলিকে বন্ধ কর এবং মুক্ত হও।'
তিনি বলছেন 'ইন্দ্রিয়গুলিকে বন্ধ'? কিভাবে বুঝবে তুমি কিছুতে পর্ণক্ষদে হারিয়ে গেছ কিনা? তোমার ইন্দ্রিয়গুলি কার্য করবে না! তুমি তো দেখতে বা শুনতে পারবে না! বোঝার জন্য যদি তোমার ইন্দ্রিয়গুলি কাজ করে, তাহলে তো তুমি হারিয়ে যাও নি।
শিব বলেন, 'পরম সত্যুকে আত্মভূত কর, ইন্দ্রিয়গুলিকে বন্ধ করে ও মুক্ত হও। ' যখন তোমার ইন্দ্রিয়গুলি কার্য করবে, সেগুলি আবরণ পার তুমি শুনছ, কিন্তু হয়তো প্রকৃতপক্ষে শ্রবণ করছ না। ইন্দ্রিয় কাজ করার কারন হয়তো, কিন্তু যে শক্তি তাকে চালিত করে তা হয়তো নয়। শোনা আর শোন, বুদ্ধি তখনও কার্য করছে। যদি তুমি শ্রবণ করছ, তুমি হারিয়ে গেছ। তখন বুদ্ধিবতি আর নেই। ক্লিক ঘটবে।
মান্যতা ও রুচি ধারণা রুচি মনকে দাও। সত্যকামের মত তুমি একেবারেই সরল ও উন্মুক্ত হও। তখন মাস্টারের কেবল একটা শব্দই যথেষ্ট এবং তুমি জীবনমুক্ত হও!
তিনি বোঝাতে চেয়েছেন সেই চরম সরল ও উন্মুক্ত অবস্থায় দীক্ষাই মুক্তি। একটা শব্দই পরমজ্ঞানালোক প্রাপ্তি বা জীবনমুক্তির জন্য যথেষ্ট। THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM মোকারকরে প্রক্রিয়া হিসাবে দিচ্ছেন। তিনি বলেন, 'মাস্টার যখন সত্য প্রকাশ করেন, তখন কেবলমাত্র তা শ্রবণ কর এবং জীবনমুক্ত হও! '
কিভাবে শুধুমাত্র শ্রবণ জীবনমুক্তি দিতে পারে? আমাদের তা হচ্ছে না? প্রথম জিনিস, তিনি ছিলেন সরল এবং তাই মাস্টারের নির্দেশ গ্রহণ করার জন্য তাঁর বুদ্ধিমত্তা ছিল। দ্বিতীয়ত, সেই সত্যের সাথে বাস করার জন্য তাঁর সম্পেষ্ট সাহস ছিল। তাঁর মাস্টারের প্রতি সম্পূর্ণ আস্থা ছিল। সরলতা সর্বদাই আস্থা সহকারে আসে।
আমি তোমাদের আমার জন্য এক হাজার গরু নিয়ে আসতে বলছি না। না! আমি তোমাদের কেবল সত্যকামের মত মনোভাব নিয়ে আসতে বলছি। একই সরলতা নিয়ে এস। তোমাকে ঠিক যা যা ক্তব্য তা জানতে হবে না। কিন্তু তোমাদের সত্যকামের মত হতে হবে। যদি তোমার সত্তা সেরকম হয়, তাহলে সুরের সূচনা ঘটতে পারে। ঠিক সেই মুহূর্তে আলোকের সঞ্চার ঘটনতে পারে।
মন রায় থাক
উপনিষদ পদতলে বসা'। প্রাচীন ভারতে গুরু (মাস্টার) ও
দ্বারা পরিপূর্ণ বার স্থিত।
বাবা প্রশ্ন করে, 'কাকে?'
'আমাকে,' সে উত্তর দেয়।
'চিঠিতে কি লেখা আছে?' বাবা প্রশ্ন করে।
মেয়েটি উত্তর দেয়, 'আমি কি করে জানব? আমি তো সেটা এখনও ডাকে পাঠাই নি এবং আমি চিঠিটা এখনও পাই নি।'
সরলতার পিছনে এত সতেজতা আছে। মন্নলাজা बেট্যাণिক বరుణা রায় याয়া। এক নিত্য উল্মোচিত রহস্য। মন তাকে টাইপকাস্ট করে। মন সর্বদা জীবনকে তার নির্জন নিৰ্দিষ্ট মর্জাবলীকৃত কায়া। মনলণা জীবনকে জীবনের শর্তে আলিঙ্গন করে। মনকে সঙ্গে নিয়ে জীবন তার রহস্যের প্রবেশদ্বার খুঁজে পায় না। সরলতা সহকারে, জীবনকে রহস্য শেয়ার করার জন্য স্বাগত করা হয়।
যদি তুমি শিশুদের সাথে লুকাচুরি খেল, তবে শিশুরা সেখানেই লুকাবে! কেবল একবারই নয়, বারংবার! এর কি কারণ হয় : তারা সরলতা সহকারে চলে। তাদের নিজের মাথা সম্পর্কে কোন ধারণা নেই। তারা একমাত্র তাদের হৃদয়কে অনুসরণ করে। তাদের তোমার ওপরে অনেক বিশ্বাস আছে, তাই তারা তুমি যেখানে লুকিয়েছিলে সেখানে লুকায় এবং তাদের কোন সন্দেহ থাকে না যে তুমি সেখানে খুঁজবে। সেটাই দারুণ ব্যাপার।
শিশু-মনোবিদ্যাতে ম জাগণা निर्ধাবন कवान जना বকণী मरখা ভবীকা কवा रूয়। মিলিতক वকো भूकूलচন দেখানো হবে ও সেখানে বাবা, মা, ও তাদের ছেলে ও মেয়ের পুতুল দেখানো হবে। উপদেষ্টা বাবা উ সাৰ্যবন ভুজুলরক নিৰ্যা যাদব বর্ষঃ শিশুকে বলবে যে বাবা ও মা কাজে বেড়িয়ে গেছে বা দোকানে গেছে। শিশুকে সেই কথা নিশ্চিত করতে বলা হয়। তারপর শিশুকে সেই ব্যাপার থেকে তার মনোযোগ হটানোর জন্য অন্যকিছু দেখানো হয় এবং বাবা ও মায়ের ভুজুলরক ভুজুলঘটন কিনিত্য वाনা রূপ यादव মিन्छনি কা দ্বারা ভারত। মিলিতক वर्थन বিশ্ব করা হয় যে বাবা ও মা পুতুল কোথায় এবং মিলিত জার যুবরে (কোজুরলাম্মীভক মাড়া (ময়া।
काব বর্ষক বর্ষণ वযুক্ত ব্যাটমন নিষ্ঠনা সাধারণত বলে যে মা ও বাবা এখনও কাজে বা দোকানে আছে, যদিও তারা তাদের পুতুলঘরে পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছে। কেবল সেই বয়সের পূর্বে, র্থাৎ বৌদ্ধিক বিকাশের পূর্বে, মিথ্যে या বাস্তবে যা দেখে তার সাথে সংযুক্ত করে। তার আগে পর্যন্ত শিশুকে যা বলা হয় সে সেটাকে বিশ্বাস করে।
মন্নজান বজের জোন্ময়। মন্নজা বিশ্বাস করবা। মননণায় শাদক না। মায়ুরেব খানিরকনা वर्क वार्था করেছেন। তারা বলেন যে পাঁচ বা ছয় বছর পর্যন্ত মিলিত মণ্ডिक्কन জনস্ংথন হিন্দুন গুলि ডেল্টা বা থিটা অবস্থায় থাকে। এগুলি মনের খুবই কচি অবস্থা, খুবই অনুভূতিপ্রবণ অবস্থা এবং এই অবস্থায় আমরা স্বপ্ন দেখি ও ঘুমাই। এই অবস্থায় কোন পরিচয় থাকে না। বার বছর বয়স পর্যন্ত মস্তিষ্ক-তরঙ্গ আলফা অবস্থায় থাকে।
দলশুরা বদেছু তায়ির চাদরদিয়ে বাইয়ে স্পয়ের মত শুয় যি। যইদিায়ে দেছুই বাধা যি িা। যইজিয োচীি তবদিে েথা অিুযাী াত বছর বয়ই তায়ির মাস্টায়রর োয়ছ দিয় যাা ত। দলোর মুখয রয রতার অবস্থ্া যথয়ে োযভ েরা।
দিয়জর বযাখযা েরা যথয়ে দলশু স্বতন্ত্র থােয়ত পায়র।
জে কৃষ্ণমূর্তি বলেন, 'জ্ঞান হল প্রথা ও সংস্কার विविध, जेजयरे।' जिनि বঠ কি বলতে চেয়েছেন? ধরা যাক তুমি এক হিন্দু পরিবারে জন্ম নিয়েছ। তখন তোমার আহরণ করা জ্ঞান হল এক নির্দিষ্ট প্রথা। জাতাব প্রতিক্রিয়া ও তোমার কার্যগুলি হিন্দু প্রথা ও জনবর্মণ মু বিদ্যামণ্ডলি দর্শন ক বারব। সচেতন ও অচেতন, উভয় স্তরেই তুমি সেগুলি স্ৰবা নিয় মিশ্ব রত্ব। বর্ষণन ব্যাক্তিক্যা রুপয় याয় जারাव 'মশ্রুআণ ব্যবাজি' वा লেক্ষণ (instinct)। এই জ্ঞান পার্মন জ্ঞান জিনিত্যন वाলিখ্যন ঘটने, সেটা যেমন তেমন অভিজ্ঞতা নয়। আর তার কার্রण काबुद्ध, एसि जिनिष्ठुलि ठिक व्यवक्तू, সেরকম জানতে পার না। তুমি তাদের কেবল তোমার জ্ঞান দ্বারা জানতে পার। সেইজন্য আমরা বলি, জ্ঞান হল জানার পথে এক অন্তরায়।
একবার জন্য সত্তাতে জনে গেলে অভিজ্ঞতা করার আর কোন স্থান থাকে না। जनन কেবল वाটনव জ্ঞানनन भूনবাवर्तिक সুযোগ থাকে। সবকিছুই অতীতের কোন জ্ঞান বা অতীতের কোন উপসংহারের প্রতিফলন হয়। ভবিষ্যৎ অতীতের প্যাটার্ন ও অভিজ্ঞতার এক ধারাবাহি कथा রায় याয়া। তুমি রেণিस्था वकणि ইউটনव कूনक জান। কুলি রেজিस्था ঢেউয়ের আওয়াজ জান। তুমি সুর্যোদয় জান। একেবারে প্রথমে, শৈশবের প্রথম অভিজ্ঞতার সময়, বর্ণুলি মণ্ড मन्न वाলিখ्या রিল। কিন্তু বাসনা বড় হুটক শাকরন বড়े মনবল অভিজ্ঞতাগুলি নীরস প্রথা হয়ে যায়।
বোঝা, কোনকিছুর ধারাবাহিকতা নয়। সেটা প্রতিটি মুহূর্তে সতেজ। তাই এর কারণ কি रত্ব रण मम्भर्क এক্সি কি आन? এটা বুঝলে সমস্ত জানার কার্য ছেডে দেওয়া যায়। (wisdom) শাদক वाণিকাণা। যা যা জাতনब বায়। রাজ़ाদ वार्ड करणारक घोण्य कथन वायावाद, য আত্মাকে ঘিরে আছে এবং তাদের উভয়ের সংযোগকারী রহস্য সময়ের মহান আবিষ্কার ঘটে।
জে কুষ্ণমূর্তি ঠিকই বলেন যে বিশ্বাস বহু সম্ভাবনাকে প্রত্যাখ্যান করে এবং তোমাকে একটি নির্দিষ্ট কার্যে চালিত করে। যেহেতু মন সর্বদা কার্য করতে চায়, তুমি বিশ্বাসের পিছনে যাও। আমরা আমাদের সম্পূর্ণ জীবন বিশ্বাসের উপরে কার্যকলাপে (activity) ডুবে আছি, কর্মোদ্যোগ (action) নয়। কার্যকলাপ করার জন্য অবিশ্রাম বিশ্বাসের জ্বালানি চাই। কার্যকলাপের থামার সামর্থ্য নেই। যদি তা থামে, মন বিষণ্নতায় চলে যায়। কর্মোদ্যোগ যখন প্রয়োজন তখন ঘটে ও তাই কার্যকলাপে বিশ্বাস থাকে ঘটে। কর্মোদ্যোগ ঘটে উপলব্ধি থেকে। কার্যকলাপ অবসাদের কারণ হয়, আর কর্মোদ্যোগ শক্তি ও প্রেরণা সৃষ্টি করে। তোমাদের কর্মোদ্যোগ চাই, কার্যকলাপ নয়।
কেবল বুঝে নেও, বিশ্বাস আর কিছুই নয় কিন্তু কোন কিছুতে তোমার বোধ, সত্যতে নয়। यাদকান भविष्टिक्टि, কান্নজন মানুষ চারটি ভিন্ন বিশ্বাস সহকারে ভিন্ন ভিন্ন ভিন্ন চারটি সিদ্ধান্তে আসতে পারে। বিশ্বাসে কোন চরম বাস্তবিকতা নেই। সেটা কেবল এক ব্যক্তিগত ধারণা। কিন্তু মনলণা রাখে। সেটাই তার সৌন্দর্য। সে কোন সিদ্ধান্তে আসে না এবং তার দরজা কোন কিছুতে বন্ধ করে না।
এখানে এই ছবিটা দেখ।
Part 10: Living Enlightenment (Gospel of THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM)_Bengali_part_10.md
তুমি কি দেখ? তুমি এক বুদ্ধা মহিলা দেখছ। কিন্তু তুমি একজন যুবতীকেও দেখতে পার! বুদ্ধার নাক হল যুবতীর বাম গাল। বুদ্ধার মুখবিবর যুবতীর পোশাকের ঘাড়! বুদ্ধার বাম চোখ যুবতীর বাম কান হয়ে যায়।
य कान जिनिर्मित व वजरथा वार्था रूয়। কোন একটি ব্যাখ্যাকে আঁকড়ে ধরে না থাকাই मन्नलाव मूनक्कमान। সজীব উপ मটণ্ড এভাবেই থাকা যায়।
নীরবতা হল ভোলার ও শেখার স্থান
পরমহংস যোগানন্দ বলেন, 'দিনের বেলা হল শয়তানের খেলার মাঠ।' দিনের বেলা অনবরত আমরা আমাদের মনকে শব্দাবলী जन्म कवारे। वामटल रूसि यदि लक्ष्ण कव, उदाहरणस्वरूप, এখন তোমরা আমার সামনে বসে আছ। তোমাদের অনেকে আমি কি বলছি বুঝতে পারছ না কারণ আমি তোমাদের কাছে বিদ্যমি কিলু আমার কাছ থেকে শব্দের মধ্য দিয়ে শিক্ষা করা সম্ভব নয়। আমি কেবল তোমাদের নীরব করার জন্য চেষ্টা করি। যদি আমি কথা না বলি, कूलि निर्जन किञ्चन कथा बला उनक कवर्त। ছারে वालिরে कथा বালি। কিলু कू कूलि কেবল নীরবতার মধ্য দিয়ে আমার কাছ থেকে ঘটনেক কিছু মিথटक भाव। मनावलोटक वृद्धि শারক। बूकि कथनउ মণ্ড ঘরণ ক बरণ भारत না, তা কেবল সরলতা পারে।
এখানে কেবল সরলতার সাথে বল, মণिর যাথি। জারল कूलि करवा কে कब সে কে बाद कि গ্রহণ করতে পারবে। আমার শব্দগুলির মাঝে ব্যবধানেই আসল শিক্ষা থাকে। মাস্টার এক নিছক কবিতা, অস্তিত্তের কবিতা। তার প্রকাশ হল অস্তিতের এক উচ্ছ্বাস। মাস্টার বলেন কারণ তুমি শুনতে চাও। তিনি কথা বললে সেখানে এক সুন্দর নীরবতা পালিত হয়, সেটা তো তাঁর অন্তঃপ্রবাহ। উন্মুক্ত হলে অনুভব করবে, তা যেন তোমায় স্পর্শ করছে। শব্দগুলি যে ব্যবধান সৃষ্টি করে, নীরবতা তাদের মধ্যে সেতুবন্ধন করে। নীরবতা হল সতেজ শিক্ষার জন্য রূপান্তর ঘটানোর জায়গা। নীরবতায় তুমি সেনিউक रू व बर জামাৰ্মন मশ্রুজ्ड का वाउनिक कबरण भावि। রূপান্তরের সাথে তুমি তোমার পূর্ণ সরলতা পুনরায় প্রাপ্ত কর।
বার্তালাপে আদান-প্রদান communication रয় पूर्णि माथाव मर्था। আদান-প্রদানের মাধ্যমে তুমি সহজেই আমাকে বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বাস করা হয়। তথ্য সংগ্রহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম বিশ্বাস করিছিল। তেওঁ প্রথম আৰু প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম বিশ্বাস করিছিল। তেওঁ প্রথম আৰু প্রথম আৰু প্রথম কৰ রক্ষা ঘট्ने फूणि কুমर्यन्न মर्था। জা রয়া পূরিণ মণ্ডাব मद्या। वामान- वर्माननव मामय তোমার বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিরক্ষা সহকারে কার্য কর। একীভূত হওয়ার মাধ্যমে তুমি সরাসরি वार्डिक्कार मोक्या वायर कव। वকীल्ड রায় কুলি মন্নাवली পরিপূর্ণ কর। আমার কাছে ঠিক সেটাই আছে। সেটাই তোমাকে নিতে হবে।
মম্ভূষ ধাৰ্মन ব্যकिया রূন বকোल्क হওয়া শুরু করা এবং নিজের ভিতরে নীরবতা शुरू भाउया। वाলিখाना करनाউ স্বर्थ কवरण भारत ना। অন্তরের নীরবতা হল সেই সরলতা যাকে তুমি খুঁজছ। সেইজন্য মানুষ হিমালয়ে বা বনে গিয়ে নিজের পাশে বসার জন্য আকুল আক্রাঙ্ক্ষা করবা। জানা वार्डवन्द नोनवणान মथा मिट্য অন্তরের নীরবতা পাবার আশা করে। যখন তা ঘটে, তুমি সমস্ত অস্তিত্বের সাথে একীভূত হতে শুরু কর। এই নীরবতা থেকে যা কিছু ঘটে তা সর্বদাই অস্তিতের অনুবর্তী হবে।
চীনদেশে এক মাস্টারকে দর্শন করতে গেল।
মাস্টার তাকে প্রশ্ন করেন, 'তুমি কি খুঁজছ?'
শিষ্য উত্তর দেয়, 'জীবনমুক্তি।'
মাস্টার বলেন, 'তোমার তো নিজের সম্পদের ভাণ্ডার আছে। তাহলে বাইরে খোঁজ কেন?'
শিষ্য জানতে চাইল, 'আমার সম্পদের ভাণ্ডার কোথায়?'
মাস্টার উত্তর দিলেন, জিজ্ঞাসা ভাণ্ডার।'
শিষ্য সেই মুহূর্তে জীবনমুক্তি লাভ করল।
অন্তরের জ্ঞানদ্বন্ন বর্ণ্ণল। জাতারক জন্मो मिश्रि দেওয়া মাস্টারের কাজ। তাই পরের বার তুমি দুঃখ করবে না যদি আমি কি বলছি তা বুঝতে না পার। সরল হয়ে থাক এবং শব্দের ভিতরে নীরবতায় মিলিয়ে যাও। ভোলা ও শেখা তখন রব, याजाদब জার্মন রক্ষা जेकिণ। ল্যুন নোনवणाय সর্শন লাল লড় নरे वा নवरकव कय তरे বর্ষা देव जैसा तरे, তरे ভালবাসার চাহিদা বা কোন দুশ্চিন্তা। আছে কেবল মন্নজান মার্থ, মান্যাদবন মার্থ, অনুরণন। সরাসরি প্রেষণ transmission তখন ঘটে।
সরলতা সহকারে উপলব্ধি কর
সরলতা এক সূক্ষ্ম সুবাস, আর জ্ঞান হল এক শক্তিশালী ছাঁকনি। সেটাই পার্থক্য। সরলতার সুবাস সমস্ত বিশ্বকে তোমার কাছে এনে দেয়। জ্ঞানন বার্কনি ঘটনেক কিছুটক তোমার কাছে আসতে বাধা দেয়। যখন তুমি আটকে আটকে গেছ, তুমি সর্বদা তাড়াহুড়ো কর, কারণ সেখানে অনেক জ্ঞান আহরণ করার আছে।
যখন তুমি সহজেই মুহূর্তটিকে উপভোগ কর। যদি তুমি সরল মানুষদের লক্ষ্য কর, দেখবে, তাদের কোন বিরাট উদ্দেশ্য আছে বলে মনে হবে না। তারা কেবল সেই মুহূর্তে সমগ্রতা ও সরলতা সহকারে আনন্দ করে। সরলতা সেই মুহূর্তকে উপলব্ধি করে, আর জ্ঞান তা হারিয়ে ফেলে। জ্ঞান কখন কি কারমিনা জাতন, বাদ সরলতা উদ্দেশ্যহীনতার সৌন্দর্য জানে।
যদি তুমি তোমার জ্ঞানকে সরিয়ে রাখ, তুমি মুহূর্তকে ও সত্যকে উপলব্ধি করার জন্য প্রস্তত। বর্তমান তার মধ্যে সত্যকে ধরে রাখে। সমস্যা হল, আজকাল শিক্ষাব্যবস্থা কেবল জ্ঞানের শিক্ষা প্রদান করে ও কিভাবে চালাক হওয়া যায় তা ব্যাখা। যা মননণ মন্নবার সম্বদ্ধা শেখায় না। কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে সরলতা শেখানো হয়?
একটা ছোট গল্প :
একটা ছোট ছেলে মাছের বাজারে গিয়ে ছয়টা ট্রাউট মাছ চাইল।
মাছওয়ালা উৎসাহ নিয়ে ট্রাউট বাছতে শুরু করল। সে সেগুলিকে মোড়কে রাখতে যাচ্ছিল।
ছেলেটি বলল, 'দাঁড়ান, তাদের এখন প্যাক করবেন না। আপনি কি তাদের একটা একটা করে আমার দিকে ছুঁড়ে দিতে পারবেন? আমি যেমন বগ্কে बকकণ করে ধব? তাহলে আমি বাড়ি গিয়ে বাবা মাকে বলতে পারব, আমি আজ ছটা ট্রাউট মাছ ধরেছি।'
মাছওয়ালা বলল, 'অবশ্যই করব, কিন্তু কেন?'
ছেলেটি উত্তর দিল, 'তাহলে আমি বাড়ি ফিরে বলতে পারব আমি আজ নিজেই ছটা ট্রাউট মাছ ধরেছি।'
আজকাল চালাক হবার জন্য বিরাট চাপ। চালাক চতুর হবার শিক্ষায় ছোটরা তাদের সরলতা হারিয়ে ফেলে। সময়কালে, এই ছোট বালকের মত, সরলতাকেও চতুরতা বজায় রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়!
বাবা অফিসের সহকর্মীদের সাথে আলাপ করিয়ে দেয়।
তার সমস্ত সহকর্মীরা বালকটির কর্মকান্ডিক ফল্ডিটিউ। বাবা বলল, ''মানা, সবাইকে তোমার বয়সটা বলে দাও তো?'
ছেলেটি কড়েবাझ जनाब মিল, 'ঘরে থাকলে আমার বয়স সাত। কিন্তু বাসে উঠলে আমার বয়স পাঁচ হয়ে যায়।'
আজকাল ছোটদের এইভাবে প্রশিক্ষণ मिख्या रया। জামনब মনকিকুরঝর সে ভয়ানिणा দেখতে শেখানো হয়। আজ শিক্ষা তোমাকে তোমার নিজের উপযোগিতা দ্বারা পরিমাপ করে। কিন্তু তুমি তো তোমার উপযোগিতা নও। তুমি তোমার সত্তা। সত্তাকে কখনও পরিমাপ করা যায় না। কেবল মনের জন্য তা পারা যায় এবং মন তো এক অতিকথা! সমাজ একটা অতিকথা সৃষ্টি করে এবং সেটা হল তোমার মন এবং সমাজ সেই মনকে তোমার মূল্যায়ন করার জন্য ব্যবহার করে। সেইজন্য জ্ঞান আজকে এত জনপ্রিয়।
একটা ছোট গল্প :
চার বন্ধু এক শহরে বাস করত। তারা বহু সময় একসাথে কাটাত। তাদের মধ্যে তিনজন অনেক শিক্ষিত ছিল। চতুর্থ জন অত শিক্ষিত ছিল না কিন্তু সে বিচক্ষণ ছিল।
একদিন তারা তাদের জ্ঞান প্রদর্শন করে টাকা রোজগার করার জন্য অন্য দেশে ভ্রমণ করার নির্ণয় নিল।
চতুর্থ বন্ধুর গর্ব করার কিছুই ছিল না, কিলু टম वनार्मन मन दावान রেष्ठ্যা थকাম করল।
প্রথম বন্ধু বলল, 'তুমি তো বেশী কিছু জান না। যদি তুমি আমাদের সাথে আস, আমাদের শুধুশুধু আমাদের টাকা তোমার সাথে শেয়ার করতে হবে।'
দ্বিতীয় বন্ধু বলল, 'হ্যাঁ, তা ঠিক। তোমার এখানে থেকে যাওয়াই ভাল।
তৃতীয় বন্ধুটি আরও দয়ালু ছিল। সে বলল, 'আমরা এত বছর একসাথে বড় হয়েছি। তাই আমাদের সাথে আসা উচিত।'
তাই তারা চারজন যাত্রা শুরু করল।
তারা এক গভীর জঙ্গলের মধ্য দিয়ে গেল। তারা অনেক জংলী পশু দেখল এবং কিছু রোমাঞ্চকর সময় অভিজ্ঞতা করল। হঠাৎ একদিন তারা এক জায়গাতে পশুর হাড়ের স্তপ দেখল।
তাদের একজন বলল, 'এটা আমাদের জ্ঞান পরীক্ষা করার এক সুন্দর উপায়। চল আমরা এই পশুটিকে জীবিত করে ফেলি।'
অন্য দুইজন বন্ধু রাজী হল, কিন্তু চতুর্থ জন বলল, 'আমার মনে হয় এই হাড়গুলি এক বিরাট পশুর, তাই আমাদের তা করা উচিত হবে না।'
অন্য তিনজন তাকে উপহাস করল ও जाटक বक ডোন বলল। জানা বলল, 'যদি তোমার আমাদের মত জ্ঞান থাকত, তাহলে তুমি এই ব্যাপারে এত ভয় পেতে না। শান্ত থাক এবং আমাদের লক্ষ্য কর।'
তিনজন পরীক্ষা করতে লাগল।
তাদের মধ্যে একজন সেই হাড়গুলিকে সাজাল যাতে সেটাকে একটা পশুর মত লাগে।
তারপর সে কিছু মন্ত্র উচ্চারণ করল, সেগুলির উপরে ভবিষ্যৎ आल फ्रिजेन बनर राज्युलि राष्ट्र একটা কঙ্কালের রূপ নিল। তারা নিজেদের জ্ঞানের ক্ষমতায় অবাক হল।
দ্বিতীয়জন কাছে এল, সে আরও কিছু মন্ত্র পড়ল এবং সেটার ওপরে কিছু পবিত্র জল ছিটাল। কঙ্কালটি হঠাৎ মাংশপেশী, রক্ত ও পশমের চাদর দিয়ে ঢেকে গেল। সেটা ছিল একটা সিংহ এবং তাতে তখন জীবন ছিল না।
বন্ধুরা নিজেদের কাজে অবাক হল।
তৃতীয় বন্ধু এগিয়ে এল এবং সে তাতে জীবন দান করবে বলল।
চতুর্থ বন্ধু আরও একবার সতর্ক করে मिल कितु জানা जाटक দেবগ্রাম कवल। ल তখন আস্তে আস্তে একটা গাছে উঠে পড়ল ও সেখান থেকে দেখতে লাগল।
তৃতীয় বন্ধু সিংহটির শরীরে জীবন প্রদান করল এবং সিংহটি জীবন্ত হয়ে উঠল।
একটা গর্জন করে সিংহটি তিন জনের দিকে তেড়ে গেল। তারা ওপরে তাকিয়ে দেখল চতুর্থ বন্ধুটি কোথায়। সে তো গাছে উঠে সমস্ত দৃশ্য দেখছে।
বিदिक ফলল।
ज्ञान সরাসরি বুদ্ধিমত্তার দিকে চালিত করে না। সেটা কেবল वक्त वक्त রাজियान। याजकान जनवरी क আমরা একটা শক্তিশালী সাধনী হিসাবে ব্যবহার कवि, जयक्त किक वाट्यू, जा विश्यकत जिनिष्ठभव कवरण भारत। আমরা করি সেটা হল, আমরা আমাদের সমস্ত জীবন জ্ঞানের শাদক ( সরলতা সরাসরি শুদ্ধ বুদ্ধিমতার দিকে চালিত করে।
আরেকটা ছোট গল্প :
थाट्स मिष्किल। ভার্ডव नीटक वक्रण गर्न उ क्राइंথ কুকুর ছিল। সেখানে একজন লম্বা দাড়িওয়ালা বন্ধ তার সামনে পা ছড়িয়ে গাছের গুঁড়িতে পিঠ লাগিয়ে বসেছিল।
গাছটি দুটি রাজ্যের সীমানাতে ছিল।
এক পথিক সেখান দিয়ে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাচ্ছিল। মণ্ড বর্ণ মানুষটাকে দেখে মন্তব্য করল, 'ছদ্মবেশটা বেশ ভাল হলেও কাজ করে না। আমিও কিছুদিন আগে সোনার চেন চুরি করার সময় একই ছদ্মবেশ ধরেছিলাম। এক প্রহরী আমাকে ধরে ফেলে ও চেনটা নিয়ে নেয়। সে আমাকে অনেক মার মেরেছিল। দেখা যাক তুমি তোমার ছদ্মবেশে কিভাবে পালাও।'
তারপর একটা মানুষ ঘোড়ায় চড়ে এল। সে ছিল এক গুপ্তচর ও রাজ্যে প্রায় প্রবেশ করছিল। সে বুদ্ধকে দেখে থামল ও ভাবল, 'কে জানে এই বুড়ো কি উদ্দেশ্যে শুয়ে আছে? সেও হয়ত হয়ত আমার মত গুপ্তচর।' সে তাড়াতাড়ি চলে গেল, যেহেতু গুপ্তচরের কাজে সময় নষ্ট করার সময় তার ছিল না।
এক ঘণ্টা পরে আরেকটা লোক বুদ্ধের দিকে টলতে টলতে এল। সে ছিল মাতাল। সে বুদ্ধের দিকে তাকিয়ে হাসল ও জোরে জোরে জিজ্ঞাসা করল, 'চুটড়া, কজ পান করবো? আমায় দেখ। আমি একটা পুরো ভাণ্ড পান করে ফেলেছি এবং আমি এখনও সোজা আছি, যদিও মাঝে মাঝে মাথাটা ভারী লাগছে।' তা বলে সে চলে গেল।
मीখुर बाज रूल ववर भट्टबा जायनाणा शांत হয়ে গেল।
এখন চতুর্থ মানুষ সেখান দিয়ে যাচ্ছিল এবং বদ্ধকে দেখল। সে তার দিকে কিছুক্ষণ তাকাল ও তার সামনে গিয়ে প্রণত হল। সে বলল, 'কি ভাগ্য আমার। আপনাকে দেখার আমার সৌভাগ্য হল।' সে তখন একটা বড় পাতা নিয়ে বদ্ধকে হাওয়া করতে লাগল এবং বদ্ধের শরীর থেকে পিঁপড়ে ও পোকাগুলিকে সরাল।
বুদ্ধ তপস্বী তাঁর সমাধি থেকে চোখ খুললেন দেখলেন ও হাসলেন।
যুবक्रि জিজ্ঞাসা করব, 'দর পরশ্যা, আমি খুবই ভাগ্যবান মনে করব যদি কাছেই আমার বাড়ীতে রাত কাটাবার জন্য আপনি আমার নিমন্ত্রণ স্বীকার করেন।'
তপস্বী বলেন, 'সেটা যদি ঈশ্বরের ইচ্ছা হয়, তাই হোক,' এবং তিনি যুবকটির সাথে তার বাড়িতে গেলেন।
চতুরতা যে মাত্রাকে হারিয়ে ফেলে, সরল তথ্যগুলি নাও পেতে পারে কিন্তু তা সত্যকে স্থির करन। कठूनका जथा গুলित्ক नित्य व्यस्त থাকে। যখন চতুরতা সরলতার সাথে মিলিত হয়, সেটা বুদ্ধিমতা ও সরলতার এক বিরল সমন্বয় হয়। সরলতার খাতিরে জ্ঞানকে मनिया बांधार वूकিস छा। वासि কারণ कारে কি না যে জ্ঞান আহরণ করা বন্ধ করবে। কেবল বুদ্ধি নাও জ্ঞান সরলতাকে বর্ণিসম্ভীর করতে পারে না।
যদি সে দেখবে যে তারা শুদ্ধ বুদ্ধি মত্তা প্রদর্শন করে। তাই দেখবে যে তুমি আটকে গেলে, গ্রামবাসী অনায়াসে এসে যায় ও তোমাকে সাহায্য করে! সরল বুদ্ধিমতার সেই ক্ষমতা আছে।
কঠিন জিনিস বোঝা শক্ত ব্যাপার নয়। তোমাকে কেবল তোমার মন্তক একটু বেশী খাটাতে হবে, ব্যাস। তোমাকে কেবল আরও ভাগ ভাগ করে ও বিশ্লেষণ করে দেখতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, বিমানচালনবিদ্যা শক্ত লাগে না, কিন্তু সহজ জেন কোয়ান বোঝার ব্যাপারে কি হবে? জেন কোয়ান জেন বৌদ্ধদের সহজ শিক্ষা। তুমি কোথায় বা তুমি কি কর তা নিয়ে তারা বিব্রত নয়, কিন্তু 'তুমি' কি দিয়ে তৈরি সেটাতে তারা আগ্রহী। এগুলিতে সত্তাস্তরে জাগরণ ঘটায় এবং তারা কেবল সেটাতেই আগ্রহী, অন্যকিছুতে নয়। তারা কোন ধারণা প্রদান করে না। তারা সরাসরি সত্তার জন্য সমাধান প্রদান করে। কিন্তু সেগুলি খুবই সাদাসিধা ও সহজবোধ্য!
আজ সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ব্যদ্ধিবৃত্তি বিকাশের জন্য কাজ করে। তারা আমাদের উপযোগী করা যায় এবং কিভাবে উৎপাদনক্ষম হওয়া যায় সেই বিষয়ে শিক্ষা দেয়। উৎপাদনক্ষম হওয়াতে কোন ভুল নেই, কিন্তু সেই প্রক্রিয়ায় আমরা সরল ও গ্রহণোম্মুখ হওয়া ভুলে যাই। আমরা মহাবিশ্বের কাছে, অস্তিতের কাছে উন্মুক্ত হওয়া ভুলে যাই। ফলে আমরা মহাবিশ্বের পরিকল্পনার সাথে সুর মিলিয়ে উৎপাদনক্ষমতা ঘটাতে পারি না। মহাবিশ্বই তো সমস্ত উৎপাদনক্ষমতার উৎস। এরকম হয় কারণ আমরা 'ক্রিয়া' ও 'ভোগ'-এ আটকে আছি, আমরা আমাদের 'সত্তা'-কে ভুলে গেছি।
তিনটি জিনিস, 'ক্রিয়া', 'ভোগ' ও 'সত্তা'। ঠিক এখন, আমরা 'ক্রিয়া' করি ও তারপর 'ভোগ'-এর দিকে যাই। আমরা অনবরত 'ক্রিয়া' করি। আমরা শিখি ও সেই অনুসারে কাজ করি। তারপর আমরা যা চাই তা পেয়ে 'ভোগ' করি : টাকাকড়ি, সম্বন্ধতা, আরাম এবং কত কি। তারপর আমাদের আরও ভাল জিনিস চাই এবং তাই আমরা 'ক্রিয়া' করতে থাকি। আমরা সর্বদাই 'ক্রিয়া' ও 'ভোগ'-এর মধ্যে থাকি। আমরা 'সত্তা'-কে ভুলে যাই। এই কারণেই, আমরা যতই 'ক্রিয়া' করি ও 'ভোগ' করি, আমরা তবুও প্রশান্তি খুঁজে বেড়াই। এই অনভৃতিই 'সত্তার ডাক'।
যদি আমরা সত্তাকে সযতো লালন করি এবং সত্তার গুণমান থেকে ক্রিয়া করি, তাহলে ভোগের জন্য আমাদের এত ক্রিয়া হবে না। সেটাই অস্তিতের রহস্য। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়গুলি এটাকে সমাজের জন্য সরাসরি উপযোগিতা বলে দেখে না। সেটাই সমস্যা। কিন্তু এটাই তো ব্যক্তি, সমাজ এবং পর্ণ মহাবিশ্বের জন্য আসল উপযোগিতা। আমাদের সমগ্রতার জন্য আগ্রহী হওয়া উচিত।
প্রাচীন হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে, যেমন তক্ষশীলা ও নালন্দাতে, ছাত্রদের প্রস্তুতি সবসময়ে সত্তার সরলতাকে প্রতিপালন করার দিকে নজর রাখত কারণ কেবল তাতেই সত্তা মুক্তিলাভ করে, যেকোন কিছু অর্জন করা যায়।
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM আধ্যাত্মিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিতেন। তিনি বলতেন, মানুষের প্রতিটি কোষই বুদ্ধিমতাসম্পন্ন সত্তার মত। ভবিষ্যতে শরীর ও মস্তিষ্ক বানাবার তথ্য ও বুদ্ধিমত্তা আছে। এই সুপ্ত বুদ্ধিমত্তাকে জাগ্রত করতে হবে যাতে মন দুঃখক্ষেত্রের দিকে না যায় এবং পরমানন্দে থাকে।
তিনি আরও বলতেন যা আধ্যাত্মিক শিক্ষা মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের চারিদিকে জীবন-শক্তির পার্টিকেলগুলির স্থান পরিবর্তন করে ব্যক্তির অভিব্যক্তিমূলক অগ্রগতি নিশ্চিত করে। এর ফলে মস্তিষ্ক-সজীব হয় এবং জ্ঞানের প্রতিটি অংশকে উপলব্ধি করতে প্রস্তুত হয়। এই প্রকার জাগ্রত মস্তিষ্ক মানসিক ক্রমণ উন্নত করে এবং বিভিন্ন প্রকার থেরাপীর থেকে অনেক বেশী আরামদায়ক হয়! আধ্যাত্মিক শিক্ষার এমনই প্রভাব।
গ্রীসের সময় আলেকজান্ডার পৃথিবীর তিন চতুর্থাংশ জয় করেছিল এবং এশিয়ার দক্ষিণ দিক জয় করতে এল। ভারত জয় করার জন্য তিনি সিন্ধু নদীর তীরে থামলেন।
একই নদীর তীব্রে এক তপস্বী বাস করতেন।
যখন আলেকজান্ডার ও তার সৈন্যদল সেখান দিয়ে গেল, তপস্বী ধ্যান করছিল ও সম্রাটকে অভিবাদন করার জন্য উঠে দাঁড়াল না।
আলেকজান্ডার অপমানিত বোধ করল ও তপস্থীর দিকে চিৎকার করে বলল, 'তোমার কি সাহস আমায় অভিবাদন করলে না!' এবং সে তার তলোয়ার বার করে তাঁর গলা কাটতে গেল।
তপস্বী তার দিকে তাকাল ও হাসল।
আলেকজান্ডার বলল, 'আমি তোমাকে মেরে ফেলতে যাচ্ছি আর তুমি হাসছ?', সে প্রশ্ন করল।
তপস্বী বলল, 'আমি অবাক হচ্ছি যে তুমি কি মারার চেষ্টা করছ! আমাকে কখনও মারা যায় না! আমি শাশ্বত, অনন্ত অনন্ত ও অবিনশ্বর। এই আত্মাকে অস্ত্র কাটতে পারে না, অগ্নি দগ্ধ করতে পারে না, জল সিক্ত করতে পারে না, বায়ু শুষ্ক করতে পারে না।' তিনি ভগবত গীতা থেকে উদ্ধতি করছিলেন।
আলেকজান্ডার তার তলোয়ার রেখে দিল এবং তপস্বীকে প্রণাম করে বলল, 'ভারতে এমন মহান মানুষেরা আছে যাদের মত্যুভয় নেই। আমি এই মহান দেশকে প্রণাম জানাই।' ভারত ছেড়ে যাবার সময় আলেকজান্ডার কিছু জ্ঞান আহরণ করে গেল।
প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়গুলির শিক্ষাব্যবস্থা ব্যক্তির পরম জ্ঞান ও আত্মবিশ্বাস প্রস্ফুটনের সাথে সাথে সরলতাও সংরক্ষিত রাখত। তখন প্রতিটি ছাত্র সরল ছিলেন। তাঁদের মধ্যে চূড়ান্ত সরলতা থাকে।
গুরু মূল্যবোধের ওপর জোর দিতেন :
এমনকি ঋষিদের,
যাদের ইন্দ্রিয়াগুলি তাঁদের সুশিক্ষিত ঘোড়ার মত মান্য করে
এবং যাঁরা গর্ব থেকে মুক্ত।
পথীর দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে।
তাঁরা নির্মল, যেন কাদা ছাড়া সরোবর, এবং জন্ম-মৃত্যু-চক্র থেকে মুক্ত।
ঋষি বহির্জগতে যে কোন কিছু করার জন্য যোগ্যতাসম্পন্ন।
প্রাচীন গুরুকুল প্রথার শিক্ষাব্যবস্থায়, শিক্ষা এক সম্পূর্ণ ভিন্ন স্তরে ঘটত। সজনশীল ব্যক্তির মধ্যে সরলতাকে আমন্ত্রণ করা হত এবং 'ক্রিয়া' ও 'ভোগ'-এর সর্বতোভাবে ভিন্ন নির্যাস ছিল।
একটা ছোট গল্প :
একটা ছোট ছেলেকে খুব নির্বোধ গণ্য করা হয়েছিল এবং তার বাবা তাকে একদিন সংস্কৃত স্কুলে নিয়ে গেলেন যেখানে বালকেরা শিক্ষাপ্রাপ্ত করছিল।
সে শিক্ষকের সাথে দেখা করে বলল, 'আমার ছেলে মেধাবী ছাত্র নয়। আপনি কি দয়া করে এমন একটা বিশেষ ক্লাসের ব্যবস্থা করবেন যেখানে সে উপযুক্ত পরিবেশে থাকে? আমি জানি আপনি দয়ালু ও করুণাময়। দয়া করে তাকে গাইড করুন। সে কিছু শিখলে ভাগ্যবান হবে।'
শিক্ষক অবিলম্বে রাজী হয়ে গেলেন।
ছোট ছেলেটি স্কুলে যোগদান করল। অন্য ছাত্রেরা আসার আগেই সে রোজ উপস্থিত হত ও ঘরটিকে ঝাড়ু পোছা করত এবং শিক্ষকের কাঠের টেবিল চেয়ার গুছিয়ে রাখত এবং মন দিয়ে ক্লাস শোনার জন্য এক কোণায় বসে থাকত।
কেউ আশা করে নি যে সে ক্লাস থেকে কিছু লাভ করবে।
একদিন সে বিনয়ের সাথে পিক্ষককে জিজ্ঞাসা করল, 'স্যার, আপনি যে আপনি যে আমাকে গাইড করার কথা বলেছিলেন, সেটার কি হল? আমি সেটা কখন পাব?'
শিক্ষক বললেন, 'এইখুনি! এটা শ্রবণ কর : অহম ব্রহ্মাস্মি (আমিই তিনি)। এটাকে জোরে বা নীরবে বলে যাও, কিন্তু অবিশ্রাম বলে যাও।'
দৃঢ়সংকল্প ও অনুপ্রেরণার সহকারে সে এই শব্দসমষ্টি শিখে ফেলল এবং তার অর্থ জানার জন্য এতটুকু বিব্রত হল না। তার শিক্ষকও তাকে অর্থ জানালেন না। তিনি তা করার প্রয়োজন মনে করেন নি।
'অহম্ম ব্রক্ষাস্মি' ছেলেটি তা বাড়ীতে বারবার বলতে থাকে।
তার বাবা জিজ্ঞাসা করল, 'তুমি কি এই শব্দাবলীর মানে জান?'
বালকটির চোখ বিস্ফারিত হল। 'মানে?' সে জানত না যে শব্দগুলির একটা মানে থাকতে পারে।
বাবা ছেলেকে বলল, 'এর অর্থ, আমিই সেটা।'
বালকটি পরের দিন তার মামাবাড়ীতে গেল এবং বলে যেতে লাগল 'অহম ব্রহ্ম ব্রহ্মাম্মি, যার অর্থ বাবা হল ব্রহ্মণ।'
মামা সেটা শুনল এবং বলল, 'এটার মানে তা নয়! এর মানে : আমি ব্রক্ষণ।'
বালকটি বিভ্রান্ত হল, কিন্তু চুপ করে থাকল। ঘরে ফেরার সময় সে বলতে লাগল, 'অহম ব্রহ্মাস্থি, তার অর্থ মামা হল ব্রহ্মণ।'
গ্রামের পুরোহিত তার পাশ দিয়ে গেল ও তার জপ শুনতে পেলেন। তিনি থামলেন ও বললেন, 'বাবা, তোমার মামা ব্রহ্মণ নয়, তার অর্থ আমি ব্রহ্মণ।'
বালকটি আরও বিভ্রান্ত হল। কিভাবে শব্দের এত অর্থ হতে পারে, বাবা, মামা ও গ্রামের পুরোহিত সবাই ব্রহ্মণ! '
তার মাথা ঘুরছিল এবং সে সামনে একটি পাথরের খণ্ডে বসল। সে এমন মেজাজে ছিল যেন প্রত্যেককে তাদের অর্থ জিজ্ঞাসা করছে।
সূর্য অস্ত গেল। আকাশে চাঁদ, তারা উজ্জুল হল। বালকটি অহম্ম ব্রহ্মাস্মি স্তব করে যেতে লাগল তার প্রকৃত অর্থ জানার জন্য।
ঊষাকালে সে পরম জ্ঞান প্রাপ্ত করল, জানল বাবা, মামা বা গ্রামের পুরোহিত নয়, কিন্তু সে নিজেও এবং সবাই ব্রহ্মণ।
সে এক আত্মজ্ঞানী হয়ে গেল।
বোঝ, যেই মুহূর্তে বালকটি বুঝল সে জানে, সেটা অজ্ঞতা। যখন তুমি জান যে তুমি জান না, সেটা সরলতা। তখন জানা সম্ভব।
জ্ঞানের ধারণাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। জানা মানে শুধু জানা নয়। যতক্ষণ না তুমি জানছ সেটা তোমার অভিজ্ঞতা হয়ে গেছে। যে জ্ঞানকে এখনও অভিজ্ঞতা কর নি সেটা তোমার নয়। সেটা ধার করা। সেটা মস্তিষ্কে কেবল কতগুলি শব্দের সংগ্রহ।
একজন মানুষ এখানে ওখানে বিভিন্ন জিনিস ধার করে এবং নির্জনে চিন্তা করে সেটা কেমন হত। যদি জ্ঞান বাস্তব হত। যদি কেউ কেবল পুস্তকপাঠ করে, সেটা এক উত্তম চিত্তবিনোদন হতে পারে, কিন্তু জীবনমুক্তি নয়। আমোদপ্রমোদ ও জীবনমুক্তি আলাদা। কেবল যেহেতু কিছু বই তার চিত্তবিনোদন করেছে, তার অর্থ এই নয় যে সে জীবনমুক্তি লাভ করেছে। বইগুলি তোমার যুক্তিতে শান দেয়, সেগুলি জানাকেও জটিল করে তোলে। সেখানেই সমস্যার সূত্রপাত।
এমনভাবে কার্য কর যাতে সবকিছুই তোমার এক গভীর অভিজ্ঞতা হয়ে যায়। তখন তুমি এক সরল মানুষ হবে। সরলতা ভারহীন। তা কখনও তোমাকে নীচে নামিয়ে রাখবে না ও দেবে না। তা কেবল তোমার নির্মলতার প্রস্ফুটনেই সাহায্য করবে, ব্যাস্।
মনের যা সংবেদন কি করে প্রকাশ করা যায় না, কারণ তা শব্দাবলীর থেকেও বেশী কিছু। কিন্তু যা চোখে দেখা যায়। চোখ হল আত্মার জানালা। তাই তুমি যদি কোনও সরল মানুষকে দেখ, তুমি জানতে পারবে সে এক মহামানবের দৃষ্টি দ্বারার প্রকাশিত। যা কিছু বর্ণনা করা যায় না। তাকে বর্ণনা করা যেন জুতার বাইরে থেকে পায়ের তালু চুলকোবার চেষ্টা করা।
সরলতা আধুনিকীকরণকে ভগবান কৃষ্ণ বলেন, 'আমি সময়।' যখন কৃষ্ণ তা বলেন, তুমি বুঝবে যে আধুনিকীকরণও শাশ্বত। আধুনিকীকরণ ব্যাপারটাকে সঠিক আলোকে বুঝতে হবে। মানুষ যেন সেটাকে বৃদ্ধির প্রাচীন বুনিয়াদের প্রতিস্থাপন হিসাবে না নেয়।
ভেদ্য হও
যখন যা ঘটছে বা যা কিছু ঘটছে তার কাছে ভেদ্য হও! যদি তুমি নিরুদ্ধ হও, তুমি তোমার চারপাশে এক দেওয়াল খাড়া কর। সেই দেওয়াল সতেজ হাওয়াকে তোমার সত্তাকে ছুঁতে দেয় না, আবার তা তোমাকে বাইরে এসে অন্যদের সাথে যোগ স্থাপন করতেও দেয় না। ভেদ্য হওয়া মানে হল নিজেকে অন্যদের জন্য খুলে দেওয়া। ভেদ্য হওয়া হল আমন্ত্রণ করা যে যা ঘটার ঘটুক।
ভেদ্যতা হল সমস্ত কিছুকে তোমার সাথে ঘটার অনুমতি দেওয়া। সমগ্র বিশ্বজগৎ তোমার কাছে আসে।
ভেদ্যতা জাগরণ ঘটায় কারণ কোনও ক্ষতি হবার ভয় থাকে না। তুমি মিথ্যা ধারণার দ্বারা চালিত হও বাস্তবতা অনাবৃত হয়ে যাবার ভয়ে। তোমার মধ্যে কতই না ভয় পাও। তোমার গভীরে তুমি জান যে তুমি সরলতায় ডুবে যাবে। তাই তুমি নিজেকে নিরাদ্ধ করে রাখ। কিন্তু ট্রুথের মিথ্যাটনের থেকে শক্তি বেশী, কারণ ট্রুথ হল মুক্তবায়ু। তুমি একই প্যাটার্নগুলি অভিজ্ঞতা কর যেগুলি মন জানে। তাহলে পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা কোথায়? এর চেয়ে যখন লীন হওয়া ভালো নয়, যদি সে মনে করে তোমাকে ছেড়ে যায় না। বরঞ্চ তুমি কেবল একটি জিনিস লাভ করবে - জীবনের সতেজতা।
২০০৯ সালের সুন্দর শরতের দিনে রাস্তায় দুইজন জ্যোতিষীর দেখা হল। তাদের মধ্যে একজন মন্তব্য করল, 'কি সুন্দর শরৎ। আমরা আগে এরকম দেখি নি।'
অন্যজন উত্তর দিল, 'সত্যি। আমার ২০৭০ সালের শরতের কথা মনে পড়ল।'
যখন তুমি ভেদ্য, তখন তুমি সবকিছুই ঘটার অনুমতি দাও। মন এক কাব্য, মস্তিষ্ক এক গদ্য। আর পদ্য হল জীবন।
এক রাতে স্ত্রী দেখে তার স্বামী শিশুর দোলনার সামনে দাঁড়য়ে আছে। সে নীচু হয়ে তার মধ্যে অবিশ্বাসের মিশ্রণের প্রকাশ লক্ষ্য করল।
স্ত্রী ধীরে কাছে গিয়ে তার কাঁধে হাত রেখে বলল, 'কি ভাবছ জানতে পারি কি?'
স্বামী উত্তর দিল, এই দোলনা বানাতে পারে!'
মস্তিষ্ক দিয়ে তুমি ভেদ্য হতে পার না! যখন তুমি হৃদয় দিয়ে অনুভব কর তখনই সবকিছু ঘটে।
ভেদ্যতা সহকারে তুমি সত্যের দিকে এক ভিন্ন পথে যাও। সেই পথটি আনন্দময় কারণ প্রতিটি মুহূর্তে তুমি সরাসরি অস্তিত্ব থেকে গ্রহণ করছ। অস্তিত তোমাকে দিতে পারছে কারণ তুমি ভেদ্য এবং তা গ্রহণ করতে ইচ্ছুক! জীবনমুক্ত মাস্টারদের নিজের নীতি আছে। যখন ভেদ্যতা থাকে, সেগুলি সহজেই তোমার মধ্যে প্রবেশ করে। যখন হৃদয়ে দেওয়াল থাকে তা দুরূহ হয়। তাঁদের নীতি দেওয়ালকে ভেদ করার অনুমতি দেয় না। তাই তাঁরা দেওয়াল ভেঙ্গে পড়ার অপেক্ষায় থাকে।
যখন তুমি লীন হও, তুমি অস্তিত্বকে 'হ্যাঁ' বল। অস্তিত্ব মানেই বাড়ন্ত অবস্থা। যখন তুমি তাকে হ্যাঁ বল, তোমার শক্তি এক নতুন দিকে প্রবাহিত হয়। তা মস্তিষ্ক থেকে হুদয়ে চলে যায় এবং তুমি তোমার সত্তার জন্য শিক্ষা প্রাপ্ত করতে শুরু কর। আগে যা কিছুকে তুমি 'না' বলেছ, তা এখন 'হ্যাঁ' হয়ে যায়। জন্ম মরণ, বিশ্বের ঘটনা বা জ্ঞান কোনো কিছুই আলাদা নয়।
একবার তুমি হ্যাঁ বলা শুরু করলে, তুমি প্রেম প্রকাশ করা শুরু কর এবং সেটা চরমপর্যন্ত কাজ করে। এই ধরনের ভালবাসা বোঝা যায় না। তাকে কেবল অন্যকে 'হ্যাঁ' বলতে শেখায়, যা কোন উপযোগিতার জন্য করা হয় না, কেবল প্রেমের জন্য করা হয়। তাকে কেবল অন্যজনের জন্য গভীর আস্থার মধ্য দিয়ে জানা যায়। যখন তুমি অন্যদের ওপরে মহান আস্থা রাখবে।
মাস্টারের বা THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর উপস্থিতিতে 'থাকা' যায়। কেবল পূর্ণতা সহকারে তোমার সত্তায় তুমি সরাসরি সত্যকে প্রাপ্ত হতে পার। মাস্টার অস্তিতের এক বিশুদ্ধ প্রকাশ। তাঁকে অনুমতি দিয়ে, তুমি অস্তিত্বকে তোমার ভিতরে প্রবেশ করতে দিচ্ছ। যখন অস্তিত্ব প্রবেশ করে তা তোমার সত্তায় মধ্যে এক ছাপ নাথেরव। তুমি যদি মাস্টারকে বা THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-কে স্পর্শ কর, সেই স্পর্শ তাঁর দেওয়া কোন শিক্ষার চেয়ে মহত্তর।
একদিন বুদ্ধ এক শিষ্যকে বললেন, 'মাম্মেন, আমি তোমাকে সেই প্রশ্নগুলির জবাব এখনও দেন নি, বিশ্ব চিরন্তন কিনা, তা অসীম কিনা, আত্মা ও শরীর অভিন না আলাদা।'
বুদ্ধ তার দিকে তাকালেন ও জিজ্ঞাসা করলেন, 'আমি যদি তোমাকে এই মুহূর্তে মেরে ফেলি তাহলে তুমি কেমন অনুভব করবে?'
শিষ্য বললেন, 'না।
তখন বুদ্ধ তাকে প্রশ্ন করলেন, 'ধর, একজন মানুষের বুকে একটা তীর বেঁধে আছে। আর তুমি যখন সেটাকে তার দেহ থেকে সরিয়ে ফেলতে যাচ্ছ, সে তোমায় অপেক্ষা করতে বলে। সে তীরন্দাজের জাতি, উচ্চতা, ওজন, তার ভবিষ্যৎ, সে কিসের তৈরী এসব না জেনে সে তোমাকে বিদ্ধ তীরটিকে অপসারণ করতে দেবে না। এখন তুমি এই মানুষটি সম্পর্কে কি ভাববে? '
শিষ্যটি লজ্জামুখে বলল, 'সে একটা বোকা হবে মাস্টার। তার প্রশ্নগুলির তীব্রের সাথে কোনও সম্পর্ক নেই এবং সেই উত্তরগুলি পাবার আগেই সে তো মরে যাবে।'
তখন বুদ্ধ বললেন, 'তুমি ঠিক বলেছ। একইভাবে আমিও, বিশ্ব চিরন্তন কিনা, তা অসীম কিনা এবং আত্মা ও শরীর অভিন্ন না আলাদা, এই সম্পর্কে শেখাই না। আমি সরাসরি তীরটাকে অপসারিত করতে শেখাই কারণ তোমার সমস্ত কষ্টের মুল ঐ তীরটা, যাকে বলা যায় অজ্ঞানতা।'
বোঝা, আধ্যাত্মিকতা শেখাতে পারে না, কিন্তু তুমি তা মিথ্যার আবরণ সরিয়ে দিতে পারে। তাঁর শব্দাবলীর সাথে আধ্যাত্মিকতার কোন সম্পর্ক নেই। তাই, তোমাকে তা আত্মভূত করতে হবে মাস্টারের মনোনিবেশ দ্বারা। সচেতন থাকলে তুমি তা বুঝতে পারবে।
যদি তুমি সরল না হও, তাহলে প্রশ্নগুলিই তোমাকে সত্য প্রাপ্ত করতে বাধা দেবে। যদি তুমি দৈবভাবে সরল হও তবে তুমি জীবনমুক্তির সুবাস পাও, প্রশ্নগুলি দ্রবীভূত হয়ে যাবে। তোমার মধ্যে তার উত্তর ঘটে যাবে। মাস্টারের সাথে থাকার চেয়ে সহজ বিজ্ঞান আর কিছু নেই। সেইজন্য মাস্টারেরা শরীর ধারণ করেন এবং পৃথিবীতে আসেন যাতে বিশ্বের সকল জীব জীবনমুক্তির সুবাস নিতে পারেন।
তুমি ভেদ্য হলে, সাড়া দেওয়ার পুরো সম্ভবনা তোমার কাছে থাকে। মাস্টার হলেন সেই সম্ভবনা।
বুদ্ধিমত্তাকে তোমার মধ্য দিয়ে কাজ করার জন্য তুমি স্থান প্রদান কর।
একটা ছোট গল্প :
একজন চাষীর নদীর ধারে ছোট জমি ছিল ও সেখানে এক সাধু থাকতেন। গ্রামের প্রধান সেই সাধুকে পছন্দ করত না এবং সেই জমিটা সে কিনতে চাইছিল। চাষী জমিটাকে ছাড়বে না।
গ্রামের প্রধান যে কোন দাম দেওয়ার জন্য তৈরি ছিল।
চাষী তাকে বলেছিল, 'যদি আমি জমিটা আপনাকে বিক্রি করি, জমির মালিক হয়ে আপনি সাধুকে তাড়িয়ে দেবেন। '
গ্রামের প্রধান রেগে বলল, 'তুমি তাকে সাধু কেন বল? যেহেতু সে গেরুয়া কোপড় পরে? সে নিশ্চয় তোমার ও আমার মতই সাধারণ।'
চাষী বলে, 'না বাবু, আমি তাঁর মধ্যে সাধুগণের লক্ষণ প্রথম দেখি। সেইজন্য বলছি, আমি তাঁকে কখনও রাগতে দেখি নি।'
গ্রামের প্রধান বলে, 'তুমি কিভাবে এই সিদ্ধান্তে আসতে পার? রাগ প্রকাশ করার জন্য হয়ত সুযোগ সে পায় নি, ব্যাস্স। আগামীকাল তার কুটিরের সামনে এস। আমি তোমায় দেখাব সে কিভাবে রেগে যায়।'
পরের দিন সকালে চাষী সাধুর কুটিরের কাছে গেল ও লক্ষ্য করতে থাকল।
একটি বালক সাধুর কুটিরে এল। মনে হয়, তাকে গ্রামের প্রধানই পাঠিয়েছে। এদিকে সাধু মাথা নীচু করে তালপাতায় লিখছিলেন।
বালকটি তার পিছনে গিয়ে তাঁর গায়ে থুতু দিল।
माधू रिजन जाकाटनन, एनथल वक्रणि वालक्कव काऊ। जिनि सेटठे भड़टलन व वर्वश নদীতে ডুব লাগিয়ে ফিরে এসে বসলেন।
বালকটি আবার তাঁর গায়ে থুতু ফেলল। সাধুও আবার নদীতে দিয়ে ডুব লাগিয়ে ফিরে এসে বসলেন।
চাষী এই দুশ্য সহ্য করতে পারছিল না। গ্রামের প্রধান গাছের পিছনে লুকিয়ে লক্ষ্য করছিল। সে সাধুর শান্তভাবে অবাক হচ্ছিল।
প্রতিবার সাধু নদীতে ডুব লাগিয়ে এলেই বালকটি তাঁর ওপরে থুতু ছিটায়। আর প্রতিবারই সাধু তার দিকে হেসে নদীতে আবার ডুব লাগাতে যান।
বালকটি সাধুর দিকে একশ' সাতবার থুতু ফেলেছে। এদিকে বালকটির মুখ মলিন হয়ে যাচ্ছিল। সে আর সহ্য করতে পারল না। সে সাধুর পায়ে পড়ল এবং কেঁদে বলল, 'দয়া করে আমাকে ক্ষমা করুন। আমার পাপ হয়েছে। আমি আপনাকে এইভাবে কষ্ট দিলাম কারণ আমি এর জন্য টাকা পেয়েছি। আমার जय राष्ट्र वासनि वासारक व्याजिया मिट्ठ পারেন!'
সাধু তাকে শান্তভাবে প্রশ্ন করলেন, 'তাহলে তুমি আমার ওপরে আর থুতু ফেলবে না?'
ছেলেটি বলে, 'আমি বরং মরে যাব কিন্তু আর থুতু ছিটাব না।'
সাধু তাকে উঠিয়ে বললেন, 'তোমাকে একটা গুপ্তকথা বলি। আমার আসলে তোমাকে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত কারণ বহু বছর আগে वासि भविज्ञ नमोटक वक्रम' वाण्वांव द्वान লাभाव। আজ সেটা পূর্ণ হ'ল। পূর্ণ করার জন্য আমাকে কেবল আর একটা ডুব লাগাতে হবে। এবার আমি তোমার জন্য প্রার্থনা করব।'
সাধু আরও একবার ডুব লাগালেন এবং যখন তিনি বাইরে এলেন, গ্রামের প্রধান তাঁর পায়ে পড়ল ও ক্ষমা প্রার্থনা করল। সে বলল, 'আমিই আসল পাপী। আমি ছেলেটিকে जोका दिया वजन कवित्याणि। वासि ধ्रुমাণ করতে চেয়েছিলাম যে আপনি ক্রোধিত হবেন।'
माधू शमल ववर वलटनन, 'वालकणि তার আসল অভিপ্রায় প্রথমে বললে আমি হয়ত ক্রোধ করতাম ও তাকে তার পুরস্কার দিতাম! '
গ্রামের প্রধান সাধুর শিষ্য হয়ে গেল।
সাধুর প্রতিক্রিয়া পক্ষে ছিল না, আবার विभटक 3 रिल ना। जिनि क्वन सेन्यूक श्रिलन। म्बजन्मनावादव सर्शाविद्युन मण्डिशनि वक्तव रूप बन्द बड़े घटनाव समा मिट्य जाँव भूनाएन সঙ্গলকে পরিপূর্ণ করায়। আমি বলছি না যে তোমার ওপরে থুতু ফেলতে কাউকে অনুমতি দেবে! তোমার সাড়া দেওয়ার কার্যে উন্মুক্ত शाकान उन्हणू সেই মুহূর্তে সবচেয়ে ভাল জিনিষ ঘটার জন্য অসাধারণ আকাশ সুষ্টি কর। শীঘ্রই, তোমার माज़ा दिख्यान भूटना मिट्र्मिटक वावाद श्रूणिट्य निर्ण भाव ववर छाटक जाताब जीवनशासार বদলে যায়।
একটা ছোট জেন্ গল্প :
জেন্ শিক্ষকেরা তাদের ছোট ছাত্রদের নিজেদের প্রকাশ করতে দেন এবং তাদের সেখানে ছেড়ে দেন। রোজ সবজি কিনতে
যাবার সময় জেন মন্দিরের এক শিশুর সাথে রাস্তায় আরেকটি মন্দিরের শিশুর দেখা হত।
একদিন প্রথম জিজ্ঞাসা করে, 'তুমি কোথায় যাচ্ছ?'
'আমি সেখানে যাচ্ছি যেখানে আমাকে দুই পা নিয়ে যায়,' অন্যজন সাড়া দিল।
এই উত্তর প্রথমজনকে ধাঁধায় ফেলল ও সে তার শিক্ষকের কাছে গিয়ে সহায়তা চাইল।
শিক্ষক তাকে বলেন, 'আগামীকাল সকালে সেই ছেলেটির সাথে দেখা হলে একই প্রশ্ন কর। সে তোমায় একই উত্তর দেবে। তারপর তুমি তাকে জিজ্ঞাসা কর, 'ধর, তোমার পা নেই, তাহলে তুমি কোথায় যাচ্ছ?' সেটা তাকে স্থির করবে।'
শিশুটি পরের দিন সকালে অন্যজনকে দেখতে পেল। সে জিজ্ঞাসা করল, 'তুমি কোথায় যাচ্ছ?'
অন্যজন উত্তর দিল, 'আমি সেখানে যাচ্ছি যেদিকে বায়ু বইছে।'
প্রথমজন হতবাক হয়ে আবার তার শিক্ষকের কাছে ফিরে গেল।
শিক্ষক তাকে বলেন, 'আগামীকাল তাকে প্রশ্ন কর বায়ু না বইলে সে কোথায় যাবে।'
পরের দিন ছেলেটি অন্যজনকে রাস্তায় দেখল ও জিজ্ঞাসা করল, 'তুমি কোথায় যাচ্ছে?'
দ্বিতীয়জন উত্তর দিল, 'আমি বাজারে সবজি কিনতে যাচ্ছি।'
কেবল ভেদ্যতার সাথে প্রকাশ করা হল পাখীর মত স্বাধীন হওয়া, অতীত ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে দুশ্চিন্তা না করে কেবল বিদ্যমান থাকা - সেটাই জেন মাস্টারেরা শিষ্যদের শেখান।
আস্থা সহকারে সমর্পণ কর
অপরিমেয় আস্থা সমর্পণের দিকে নিয়ে याया। मतर्भव रून श्रमर्थन मनलणा। ज्याण रल এইরূপ জানা যে তোমাকে সত্য সম্পর্কে নির্ণয় निर्ण रव ना, जारादक क्वन जान माथ চলতে হবে। यूখन তুমি সত্যের শক্তিশালী উপস্থিতিতে জাগ্ৰত হও, সমৰ্পণ ঘটে।
যদি তুমি তোমার পোষা ককুরকে লক্ষ্য কর, দেখবে যে তুমি তাকে মাঝেমাঝে প্রতারণা कवटने 3 जन जानान काटक माम्भू वास्थ সহকারে ফিরে আসে। তার আস্থা হল চরম ও निर्मल। टनरे वार्श कान कानन शाड़ारे वाटम। তার কোন প্রশ্ন নেই, তাই তাকে কোন উত্তর म्बाद मन्त्रकाव निरे। लग कान किछूटकरे উপযোগিতা দেখে না। সে কেবল একটা খোলা খাতার মত থাকে, ব্যাস।
দুটো जलाशांवि করল, 'তুমি কি ভগবানে বিশ্বাস কর?'
অন্যটি উত্তর দিল, 'অবশ্যই। আমাদের জল রোজ কে পরিবর্তন করে বলে তোমার মনে হয়?'
কেবল সরলতাই আস্থা ও সমর্পণে লাফ দিতে সমর্থ। জান যে কোন কারণেই मवकिष्ठूट कावन ( (थाँट्ज। ममभर्ग उ कानून भावन विकलाव स्वजन। मार्मण रून वास्तुत
। তার অথভ বুদিমত্তা intelligence intellect
attitude । ।
- ।
जाँदाब ज्वान ज्यान नय, किन्ड সত্যের এক প্রবহমান অভিজ্ঞতা।
আমাদেরও জ্ঞান আছে। কিন্তু সমস্যা হল আমরা ভাবি যে আমাদের জ্ঞানই একমাত্র সঠিক জ্ঞান এবং অন্য সমস্ত জ্ঞান ভুল। বোঝ, পরম জ্ঞান সবার জন্যই এক। তার মাঝের কিছু হল এক গুচ্ছ ধার করা ধারণা। যদি এটা माण्डारव आना याय, ममर्भव घोटव वर्ष আমরা জ্ঞানের বোঝা ফেলে দেব ও সরল হব।
किलारव आनटक আমরা জানি না? আমরা জানি না - এই নিছক म्भेष्ठा याथिक्षे। क्वन व्यक्तिजन उभवन ধান কর, অস্তিতুই সমস্ত জ্ঞানের উৎস। সব সময়ে তার প্রতি প্রার্থনাপূর্ণ ও সমর্পণের ভাব নিয়ে থাক। অস্তিতের জন্যনের কাছে সমর্পণ করাতে वविकलिक रूख। द्वाराव जनवरी का विमिटक অলৌকিক ঘটনাবলী ঘটনে আরম্ভ হয়েছে।
হিন্দু পৌরাণক কাহিনীতে রামভক্ত হনুমানের একটা গল্প আছে।
शनुसानद्क वक्रवाद कान (कानउ व क्रिजि দিনের তিথি জিজ্ঞাসা করা হয়।
তিনি উত্তর দিলেন, 'আমি মাসের কোন দিন অথবা নক্ষত্রের অবস্থান জানি না। আমি কেবল রামকে স্মরণ করি।'
यून जूनि मटण्डन विम्यूनकवण्या প্রতিষ্ঠিত, তুমি সরল হও এবং তোমার জীবন ধ্যানময় ও অলৌকিক হয়। হনুমান রাম নাম জপ করতে করতে করতে এক লাফে ভারত থেকে मोलकाय गिर्याण्डल। विदिक नामक वास्क वाँव সেনাবাহিনী নিয়ে সেই সাগর পার করার জন্য সেতু নির্মাণ করতে হয়! অস্তিত্ব ও তার সমস্ত আকারের কাছে সরল সমর্পণের এতই ক্ষমতা।
यथन क्ले के केन्द्रन-मार्भट्ट व्यविष्ठिक, অলৌকিক ঘটনাবলী প্রতি মহতে ঘটনে থাকে। लारकवा मर्चमा वर्लोकिक घण्ना ( मुमर्शनव मार्थ मर्वाक वर्लोकिकण घटने। ভারতের মহান জৌবনমুক্ত মাস্টার শির্ভি माँदेवावाद जोवन (शटक बकणों मूल्न गन्न সোনা যাক।
মসজিদে শির্ভি সাঁইবাবা সব সময়ে দীপ জালাতেন। মানুষের অজ্ঞানতার অঙ্কানতার অন্ধকার मुन कवाव अना जिनि व्यणीक शिमारव फ़ोभ জ্বালাতেন। কিন্তু লোকেরা ভাবল তিনি দীপ জালাতে ভালবাসতেন।
বাবা তেলের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তেল বণিকেরা ঠিক করল যে তারা বিনামূল্যে তেল দেবে না। তারা সবাই একসাথে ঠিক করল যে তারা বাবাকে আর তেল দেবে না।
वावा यामि यामि वाद्यव्य वर्ड निर्भय़ জানতেন, তিনি ভান করলেন যেন কিছুই জানেন না এবং বণিকদের কাছে তেল নিতে গেলেন। ব্যবসায়ীরা তেল দিতে অস্বীকার করল।
বাবা হেসে মসজিদে ফিরলেন।
গ্রামবাসীরা ও তেলের বণিকেরা জানার জন্য কৌতুহলী হল বাবা কিভাবে দীপ জালাবেন। তারা তাঁর চারদিকে জড় হল।
বাবা দীপগুলিকে জল দিয়ে ভরলেন ও তাদের পলিতাগুলিকে জুালালেন। সেগুলি অন্য সময়ের চেয়ে আরও উজ্জুল হয়ে প্রজুলিত হল। বিকিরণ করছিল।
।
।
। তায়ত মি স্বদস্তয়ত থায়ে। ।
। জীবিোয় েমপয়ে এেবার দমায় যাো েরয়ব। আমরা যোমুয়খ দেয়দছাম। যোমুখ পদবে িিী েঙ্গার উৎ। পাাঁচ ঘন্টা যাা আর পাাঁচ ঘণ্টা ধয়র দেয়র আার এই ুিীঘভ িুেভম পথ পাদড় যিা খচ্চয়রর দপয়ঠ চয়ড়। পথটি যেব চার েু ট চড়া। যোি পিয়েপ ভু য় িীয়চ েবয়বেী ে
निय्य राशान (शटक (गलास। या मलाणि रिक्टव এল তারা গোধুলিতে রওনা দিল। আমি তাদের सेमिश्र रूट वावन कवलास उ वलनात व्य वासिकू जामन यूजू तरव। मन्भूर्ष वक्तवाद्वन মধ্য দিয়ে খচ্চরগুলি পাহাড়ের বাঁকগুলিতে ঠিক করে যাচ্ছে নাকি সোজা অন্ধকারের মধ্যে চলে याटक्छ, जा ना জেনেই भूदवा मलाणि भद्वन मिन वासि जाटमन जिज्जामा कवनास वाण्डिक्का क्रिन। जारमन माथा बक्कन বলল, 'স্বামীজী, আমরা পূর্ণ আস্থার অর্থ वाण्डिक्कण कवलाल!' यदि मरे वाशुन सुरूर्णुलिटक তোমার জীবনের সুগন্ধসার হয়ে যেতে পারে। ज्यन অস্তিত্বের ওপরে ছেড়ে দাও।
হিমালয় পর্বত সাহায্য করতে পারে -কেবল সেটা দেখলে আস্থা ও সমর্পণ তোমার ভিতরে শিকর গাড়ে। পর্বতমালা সরাসরি जामारक वटन व्य वर्षिकु वूकिनुष्ठित करय वलमाली! जाना जाता जाता वाल व्य व्यक्तिवाज তাদের মহিমা পরিমাপ করতে পারে না। যখন এই সত্য ঘটে, সংগ্ৰাম সমাপ্ত হয়। মন থামে। यदि रूसि शिलालय किछू मतदा घूटन वड़ाउ, তুমি অভিজ্ঞতা করবে যে পরমানন্দ কোন लकार्य नय, त्यू, लड़ भरणोरे भव्रतानमा। कूलि जेनलिकि कबरव य भवरात्म सूर्यूक्टर घाटक ववर कान लक्कान बनाने का वायर करण्यास कूलि বর্তমান মুহূর্তে আস তুমি উন্মু ক্ত ও সরল হও কারণ বর্তমানে মন থাকে না। মনকে বিদ্যমান शाकरण (गटन वजीज वा स्विवारणव मिटक চলাফেরা করতে হবে। বর্তমান মুহূর্তে কোন অতীত অথবা ভবিষ্যৎ নেই। সেটা কেবল আছে, ব্যাস্।
আস্থা রাখা এবং সমর্পণের কার্য যেন 'वासि' उ 'वासान' शविद्य कला। वासिए
'वासाव' मिट्य वावसु रय वर जानभन 'वासि'-তে যায়। 'আমি'-র পরিচয় আসার আগেই 'আমার' ব্যাপারটা শুরু হয়ে যায়। ছোট শিশুকে লক্ষ্য করলে দেখবে, তার মধ্যে 'আমি' বোধ আসার আগেই সে 'আমার'-এর জন্য সংগ্রাম করবে। তার হাত থেকে একটা খেলনা ছিনিয়ে নেবার চেষ্টা কর। সে বাধা দেবে! এটা 'তার', তুমি তা নিতে পার না। 'আমি' বলার আগে সে 'वासान' वलद्व। मतमिन रूल 'वासि' वा 'वासाव'- वन মিলিয়ে যাওয়া।
मसर्व रूल मटनव मुजू, वासिर्जन मुणू। वासिकू वाद्य किछूरे नया, क्वन वरिष्ठ থেকে পথক স্বতন্ত্র সত্তা হবার অনুভূতি। এই অনুভূতি ঘটে 'আমি' ও 'আমার'-এর প্রবলতার দ্বারা।
मण्डान मार्थ मनामवि मन्य रूल मन। मणा मर्वमारे वर्खिट्ठन मार्थ वक्तवा मन নিয়ত মাঝে এসে যায়। সত্তা জানে। মন সন্দেহ করে। সত্তা সর্বদাই বলে 'হ্যা'। মন বেশীরভাগ সময়ে বলে 'না'। সত্তা সরল কিন্তু মন চতুর। মনের কাছে 'হ্যা' বলা যেন মনের মৃত্যু। তাই মন 'না' বলতেই থাকে। প্ররোচনার সাথে সে 'হ্যা' বলে। তাকে নিজের মত ছেড়ে দিলে, সে বলবে 'না'।
এখন তুমি প্রশ্ন করবে, মনকে কিভাবে শান্ত করা যায়?' তুমি মনকে মন দ্বারা শান্ত করতে পার না। এটা যেন আশা করা যে দোষী निर्जिड धन्ना एक्टव! का कथनउ श्टव ना। তোমাকে কেবল বুঝতে হবে যে মন এক वास्वज्ञा नया। बजे क्वल बन्ना व्यक्ति व्यक्ति वर्षा करण्या का कारण करणार (myth)। তুমি অবাস্তব কিছু একটাকে আঁকড়ে আছ আর তাকে শান্ত করার চেষ্টা করছ। যদি তোমার ভিতরে ঘটা এই প্রক্রিয়াতে সজাগতা निर्य वाम, कूलि द्वारा मान राव राव मन
কোথায় 'না' বলছে। তারপর তমি তাকে শান্ত করতে পারবে যাতে তোমার সত্তার 'হ্যাঁ'-কে শোনা যায়। সজাগতাই কোন কিছুর চাবিকাঠি। কেবল সজাগতা নিয়ে আস। মনের বিরোধিতা চলে যাবে। তুমি তখন সত্তাতে স্বস্তিতে থাকবে। সেখান থেকেই সরলতার প্রকাশ শুরু হয়।
সরলতা না ঘটলে অন্তরঙ্গতা ঘটিতে भारत ना। वर्तन्त्रणारे वर्षिट्ठून जाया। मन অন্তরঙ্গতা জানে না। কেবল সত্তা তা জানে। অন্তরঙ্গতার সাথে উন্মুক্ততা আছে এবং তুমি যা কিছু প্রকৃতপক্ষে আন্তরিকভাবে অনভব কর তা বলতে ও করতে পার। তোমার কথা ও কাজে শব্দা থাকবে। তুমি এমন এক শক্তি বিকিরণ করবে যা তোমার চারিপাশে মানুষদের সরল ও जन्मूख राज राज जाज़िक कब्रत्व। जयन वश्विष्ठव আসল সৌন্দর্য অভিজ্ঞতা করা যেতে পারে।
আধ্যাত্মিকতা - সরল প্রণিপাতের পথ
একটা বিখ্যাত কথা আছে, 'যদি তুমি পূর্ণিলা कव, जारल जूसि भार्थना कन नि। प्रार्थना করলে তুমি দুশ্চিন্তা করবে না।'
আধাত্মিকতা হল দুশ্চিন্তা সমর্পণ করার 3 सूक्र रवाव लाजा भथ। वाणा वायनिक মানুষের জন্য এক বিরাট পরিত্রাণ। এটা এক প্রমাণিত বিজ্ঞান। আজকালকার বিজ্ঞান ও জ্ঞানের দুদুনিয়ায় সম্ভার সম্ভার ভাককে কক্সণা मर्कारव विवरण मुख्याधन कवारण रावारण राव। আধ্যাত্মিকতাই পথ। আধ্যাত্মিকতা ব্রহ্মাণ্ডকে जान भविवरण उ वर्णीस्क्यवाद मशकारव পুনরধিষ্ঠিত করে। তা মানুষকে স্মরণ করায় যে সে গ্রেফের সবচেয়ে মহান প্রাণী নয়। তা বিশ্বব্ৰহ্মাণ্ডব্যাপী
অস্তিত্বশক্তির কথা মানুষকে স্মরণ করায়। তা মনেতে না-জানার ও সরল সমর্পণ সষ্টি করে।
আধ্যাত্মিকতা नया। जा रल वर्खिट्युन मार्थ सिलिट्य यावान বিজ্ঞান। অনাদিকাল থেকে পথিবীর সমস্ত ধর্ম ঈশ্বরকে জীবনের অংশ হবার জন্য আকাশ मण्डि करव। सम्मिन रून ट्रारे थकान वाकांग যেখানে মহাজাগতিক শক্তির সাথে পুনরায় मम्भक कवा याया। सेटफ़नगा। मश्यान नजीव रूटल जा वाल्किन जिजन्दर वक वानत्कन स्थान राय याया। ধর্ম হল আধ্যাত্মিকতায় যাবার এক স্পষ্ট সোপান।
প্রাচীনকাল থেকে, যবে থেকে মানুষেরা একত্ব হয়ে গোষ্ঠী বা দলে বাস করছে, তারা তাদের বসবাসের স্থানে বিভিন্ন জায়গাকে ভিন্ন ভিন্ন কার্যের জন্য নির্ধারিত করেছে। প্রায় সমস্ত সভ্যতাতেই এই দলগুলি কেবল পুজার জন্য विद्याव आयना मण्डि करवरण। व्यवस्थि भव्यक्तवा वाविकान करवटण जना थानी वापीदा उ একই জিনিষ করে। তারা কেবল বিশ্রাম করার জন্য একটি জায়গা আলাদা করে রাখে এবং সেখানে তারা অন্য কিছু করে না। অবশ্য তারা পুজা বা প্রার্থনা বলে কিছু জানে না। তাই তারা সেটাকে বিশ্রাম করার জন্য ব্যবহার করে। যদি তারা জানত তারা এই স্থান পজা করার জন্য वावशव कवण। मश्यान কোলে বিশ্রাম করার জন্য। মানুষ তার জীবনের গতির জন্য যা হারায়, অন্য প্রাণীরা তা म्यासीविकासव उ निर्शुण्डादव करता यदि कूलि भन्दमन कार्र्यन मिटक जानाउ, कूलि वक গভীর সরলতা দেখতে পার কারণ তারা অস্তিতের কাছে গভীরভাবে সমর্পিত হয়ে বাস করে।
- । অদভবািয়ির ায়থ য়তজ বুদিমত্তা আয় এবং তায়ত মাজােদতে তচতিযয়ে মস্ত োয়যভর যেন্দ্র দায়ব যিখা যা। তায় মািু েখি অীম ব্রহ্মাে ম্পয়েভ আর ভ েরয়ব িা। য য়জই তার ায়থ ুর যবাঁয়ধ যিয়ব অোধ ভদক্তর ায়থ
। ।
।
। এটাই মাি
মাস্টার दलযয়ির ধমভ। যটা তয আধযাদত্মেতা।
। তয আধযাদত্মেতা জীবয়ির ুেন্ধারয়ে তরুণ রায়খ
পান যখন মাস্টার তাকে কেবল আশীর্বাদ করেন। সে নিশ্চয় খবই অভিব্যক্ত আত্মা ছিল।
আমি তাকে বলেছিলাম, 'না, এটা খুবই বিকশিত আত্মাদের জন্য নয়। এটা খুবই मन्न वायासम्बन्न जन्मा!' बजे वावा। विकर्मिक নেই। এটা যেন তোমাদেরকে THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর সেদিনের বলার মত। সন্ত পতঞ্জলির অষ্টাঙ্গ যোগের প্রকাশ করে আটটা প্রক্রিয়াকে এক কার্যা থেকে আছে। এক সাথে वज्जाम कबर्ज रूटव। बजे बड़े नया व्य कृति প্রথম প্রক্রিয়াটা শেষ করলে তুমি এক ধাপ उभरव (भटन 3 मिर्जीयाणित जना देवनि राल। না। এমনকি প্রথম প্রক্রিয়াটিও একই শক্তিশালী যে সেটির পূর্ণ দক্ষতা অর্জন করতে भावटल, जानाव मिलीयाणित कान व्यायाजन নেই কারণ তোমার তো তখন হয়ে গেছে! প্রথম ধাপটি হল 'যম', তাতে আচার আচরণের সঙ্কেতাদি আছে। যদি তমি কেবল এটাতেই দক্ষতা অর্জন করতে পার তোমার অন্য धामुखलिव मनकान दिनरे। जानान वान वना कान (यात्र वा माम नियल्वर्तन वर्याजन (नरे! कार बजे बाजा, वाणि वाकियान थ्रणिजिये वाल्डविक वायरस काना का जन्म राज्य कारव পরিপূর্ণ প্রক্রিয়া। সেগুলি অনুক্রমিক ধাপ নয়।
একইভাবে, প্রক্রিয়াগুলি, যেমন যেটা मण्डकासक दिन उद्या रायणिक, माण्डलि मन्नल মানুষদের দেওয়া হয় যারা চতুর হওয়া থেকে भविष्यात्र। থেকে পরিশ্রান্ত'।
চতুরতা কি? সেটা বুদ্ধিমতার বিপরীত। তুমি হয় চতুর নয়ত বুদ্ধি মতাসম্পন্ন, কখনও पूर्ण व वकमाथि राज राज ना। कठूनजा ভেদ্যতার বিপরীত। যখন তুমি চতুর হও, তুমি ভেদ্য হতে পার না। ভেদ্য হলে তুমি শিশুর মত भविव र र उ। वकणी मिल वूकिस वामस्थन्न उ
मन्न वक्रमार्थ रूट Bharat। मतदाकाटन जान वूकिस व वृद्दि व भार्य, किलु मार्य, किलु मन्नल ज वाणिकासशीनजादव घूटन भिर्य करण्डवण রায় याया। जनवर वाद्य मिलन सर भविव व्याभावणी शारक ना। मासाजिक नियन्त्वन वूक्तिस्ठान वर्षा मन्नजादक यदि मिन्छद्व कार्मन सर ( छूटड़ क् कथ्या रूय, তারা সরল থেকে যাবে। কিন্তু আমরা তাদের এত কিছু শেখাই যে তারা সামাজিক পশু হয়ে याया। বিরাট দায়িত্ব আমাদের আছে।
শিশুদের সম্পর্কে কবি খালিল গিব্রান বলেন :
তুমি তাদের তোমার প্রেম দিতে পার, কিন্তু ভাবনা নয়,
কারণ তাদের নিজের ভাবনা আছে।
তুমি তাদের দেহকে ঘর দিতে পার, কিন্তু তাদের আত্মাকে নয়।
কারণ তাদের আত্মা আগামীকালের ঘরে বাস করে,
यथाटन जूनि याटन भाव ना, মূল्यू উ নয়।
তুমি তাদের মত হতে চেষ্টা করতে পার, কিন্তু তাদের তোমার মত নয়।
कावर कोवन গতকালের জন্য অপেক্ষা করে না।
তুমি জীবন্ত নিক্ষিপ্ত তীর।
ধনুকধারী অসীমের পথে লক্ষ্য দেখেন,
এবং তোমাকে তাঁর শক্তি দিয়ে বাঁকা করেন যাতে তাঁর তীর ধাবিত হয়।
ধনুকধারীর হাতে তোমার বাঁকানো আনন্দের জন্য হোক:
কারণ ভালবাসেন,
। য জায়ি িা এটা যোি যখিা বা তার অংলগুদ দে দে অথবা তায়ে মুয়খ যিা ঠিে দেিা। তার যচাখ যেব পূণভরূয়প যিখয়ত জায়ি
। এেবার িদড়টা ধয়র যেয়
।
নেব এবং তোমাকে সেখানে যেতে দেব না? আমি বন্ধ করব বলতে কি বলতে চাইছ?'
এটাই চতুরতা। সে আমায় বলল, 'না, আমি নিজেকে আপনার কাছে সমর্পণ করেছি, তাই আপনি এটার যত নেবেন।' আমি তাকে বললাম যে এটা একটা ভাল গল্প! তারপর আমি তাকে বললাম, 'তুমি এখনি আমাকে वलटन कूलि मर्वकिष्ठू वासाय मत्र्थन करव मिट्यूछ। ठिक घाटू, जार्रटन वर्णाटन वम उ ध्यान कवा' ल्या जिस्वामा करव, 'वाभनि कि বলছেন স্বামীজী?' আমি তাকে বললাম, 'তুমিই এখুনি বললে যে তুমি আমাকে সবকিছু সমর্পণ করেছ! তাহলে আমি যা বলছি তা কর। এখান থেকে নড়বে না, কেবল বসে থাক।' সে তা করতে রাজী হল না!
একটা ছোট গল্প :
নদীগুলি একদিন একত্র হয়ে সাগরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করল। তারা সাগরকে জিজ্ঞাসা করল, 'আমাদের সত্তেজ ও পানীয় জলের প্রবাহ তোমার মধ্যে মিলিয়ে গেলে তা কেন নোনা ও পান করার অযোগ্য হয়ে যায়?'
নিন্দিত সাগর উত্তর দিল, 'এসো না। তাহলে তোমরা নোনা হবে না।'
যদি তৈরি না হও, বুঝে নাও তোমরা একটা চতুর। পরিশ্রান্ত না হও, তোমাকে সাহায্য করা যাবে না। কোনও প্রক্রিয়াতে তোমাকে সাহায্য করা যাবে না কারণ তোমার চতুরতা প্রতিটি প্রক্রিয়া থেকে পালাবার উপায় জানে। লোকেরা আমার কাছে এসে বলে, 'আপনি যা কিছু বলছেন তা মণ্ড, কিন্তু ... '। যেই মুহূর্তে তুমি 'কিন্তু' বল, সব শেষ। তুমি তোমার চতুরতা সহকারে পালাবার প্রচেষ্টা করছ।
কিছু মানুষ আমাকে বলে, 'আপনি যা কিছু বলেন তা আমাকে দিয়ে করান।' তুমি কি বলতে চাও? আমাকে কি দুই তিনটে লোককে অবিরাম তোমার পাহারায় রাখতে হবে? তোমার চতুর খেলাগুলি ছাড়, তাহলে তুমি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাস করতে পারবে। চতুরতা হল তোমার অজ্ঞানতার সারবস্তু। তুমি তা আমার সাথে খেলতে পার না।
যখন কঠিন কারণের সম্মুখীন হও, তখন আন্তরিকতা ঘটে এবং তুমি শীঘ্রই জীবনমুক্ত হবে। আবার শুদ্ধা সহকারে তুমি কোন প্রকার পরচর্চায় লিপ্ত হবে না। পরচর্চা চতুরতারই এক প্রকাশ। যখন তুমি এত চতুর যে মানুষটিকে সরাসরি কিছু বলতে পার না, তুমি তার পিছনে কথা বল।
যখন কিছু লোক চতুরতা থেকে পরিশ্রান্ত হয়ে বেরিয়ে আসতে চায়, তারা আমায় প্রশ্ন করে, 'কি করে আমি করব?' তুমি যা করতে পার না কারণ তুমি তাকে গুপ্তভাবে প্রতিপালন কর। সেইজন্য তুমি তাকে বন্ধ করতে চাও বলে ভান কর এবং তোমার জন্য তাকে বন্ধ করার জন্য আমাকে তাড়না দাও। তুমি এক ঘুমিয়ে থাকা মানুষকে জাগাতে পার কিন্তু যে মানুষটি ঘুমের ভান করে থাকে, তুমি তাকে জাগাতে পারবে না। যতক্ষণ তুমি ঘুমের ভান করে থাক, তুমি কোনও জিনিস শিখতে শুরু করতে পারবে না। চতুরতাকে থামাবার উপায় আছে এবং তা একদম সহজসাধ্য। যখন তুমি জান আগুন জুলছে, তুমি যাতে আগুনে হাত না দাও, তার জন্য কি প্রার্থনা করবে? না! তাহলে তুমি যখন জান তুমি চতুর, তুমি কেন চতুরতাকে ফেলে দিচ্ছ না?
চতুরতাকে ফেলে দিলে স্বতঃস্ফূর্ততা আসে। চতুরতা হল সরলতার বিপরীত। বুদ্ধিমত্তার সাথে সরলতা যোগ হলে স্বতঃস্ফুর্ততা হয়। স্বতঃস্ফুর্ততা হল তোমার সরলতার প্রবহমান রূপ। যাকে 'সহজ' বলা হয় - কোন বোঝা ছাড়া নিজের সাথে থাকা। ভার বা বোঝা হল অবিরাম গণনা করার বোঝা।
চতুরতার সাথে তুমি অনেক কিছু পাচ্ছ, কিন্তু সরলতা হারাচ্ছ। সরলতা হারানো অর্থ তোমার সমস্ত জীবনকেই হারিয়ে ফেলা। তুমি যেকোন জিনিষ হারাতে পার, কিন্তু তোমার সরলতা নয়।
চতুরতার সাথে তুমি তোমার সহজ অবস্থা হারিয়ে ফেল, যে সহজ অবস্থা তোমার সহজাত স্বতঃস্ফূর্ততা। কারণ তুমি সর্বদাই অন্য কেউ একটা হতে চাইছ। যখন তুমি অন্য কেউ হবার ভান কর, তুমি কেবল নিজেকে প্রতারণা কর তা নয়, কিন্তু তুমি নিজের সুগন্ধ হারাবার বিপদেও আছ। অস্তিতের অন্য সমস্ত সৃষ্টির মত তোমারও নিজের একটা সুন্দর সুগন্ধ আছে। সেটা 'সহজ'-এর সুগন্ধ। সেটা তোমার নিজের স্বাভাবিক সরলতার সুগন্ধ যা তোমাকে অনন্য, অদ্বিতীয় করে।
যখন তুমি মূর্খ, একূলি কান সিদ্ধান্ত ছাড়াই থাক। সব সময়ে সিদ্ধান্ত থেকে কার্য করার কোন প্রয়োজন নেই। বুদ্ধি হল প্রবহনশীল ও সজনশীল। সেটা বর্তমান মুহূর্তের সৃষ্টি। মূর্খতা এক মূল্যবান জিনিস। মূর্খতাবাদ হল রাজকীয় ভাব। সমাজ আমাদের সর্বদা সিদ্ধান্তের সাথে বাস করতে শিক্ষা দেয় এবং আমরা আমাদের মনকে সবকিছুতে প্রয়োগ করার চেষ্টা করি। আমরা আমাদের মনকে একটন মিষ্টি ও জেনুইন রাখি কারণ মন সর্বদা পুনরাবর্ত প্যাটার্নে সুখী।
অস্তিত্ব কখনও প্যাটার্ন পুনরাবৃত্তি করে না। প্রতিটি দিন ভিন্ন। প্রতি রাত ভিন্ন। কেউ কি বলতে পারে এটা একই দিন বা রাত? না। এই ঘটনা কখনও এক নয়। সেটাই অস্তিতের এক বিরাট সৌন্দর্য। তাহলে আমরা প্যাটার্ন কেন খুঁজি? কারণ মানুষ বাস্তবিক জীবনে স্বতঃস্ফূর্ত থাকে। তারপর সমাজ তাদের ওপরে ছাপ সৃষ্টি করা শুরু করে।
এক সরিফ রাস্তায় এক বালককে ধূমপান করতে দেখে থামল ও তাকে জিজ্ঞাসা করল, 'বাবা, তোমার মা কি জানে যে তুমি রাস্তায় ধুমপান কর?'
বালকটি জিজ্ঞাসা করে, 'তোমার স্বামী কি জানে যে তমি রাস্তায় অপরিচিত তরুণদের সাথে কথা বলার জন্য থাম?'
বাচ্চারা এই প্রকার! তারা বিব্রতবোধ করে না। তারা কেবল স্বতঃস্ফূর্ত।
এক 'ধূমকেতু কি?'
অপরজন উত্তর দেয়, 'একটা স্টার (তারা)।'
শিক্ষক প্রশ্ন করে, একটা নাম বলতে পার?'
ছেলেটি উত্তর দেয়, 'মিকি মাউস।'
বাচ্চারা ভয় পায় না। তারা কেবল প্রকাশ করে, ব্যাস। কেউ বলতে পারে না বাচ্চারা পরের মুহূর্তে কি বলবে। সেটাই তাদের স্বতঃস্ফূর্ততা। আমরা বড়দের স্বতঃস্ফূর্ততাকে নিতে পারি না। আমরা মানসিক দিক থেকে ছোটদের একটা স্থান দিই, কারণ আমরা স্বীকার করি যে তারা ভিন্ন তল থেকে আসে। কিন্তু বডরা আমাদের সাথে একই তলে আছে বলে মনে করি এবং তাই আমরা তাদের সহ্য করতে পারি না।
ছোটরা তোমাকে মেরেও পার পেয়ে যায়। একজন প্রাপ্তবয়স্ক তোমায় মারলে কি তুমি একই রকম অনুভব করার কল্পনা করতে পার? শিশুর সরলতার জন্য তার আঘাত করার কাজকেও সুন্দর দেখায়। শিশুর কার্যের পিছনে পূর্ণরূপে তার সরল শক্তি থাকে। আর একজন বয়স্কের কার্যের পিছনে তার মন থাকে। সেটাই পাৰ্থক্য।
একজন দিচ্ছিলেন। এমন সময় এক সমালোচক চীৎকার করল, 'তার কথা শোন! আর তার বাবা গাধা দিয়ে টানা মালগাড়ী চালাত।'
শিক্ষক উত্তর দিলেন, 'ঠিক কথা! আজ আমার বাবা নেই ও মালগাড়ীও নেই। কিন্তু দেখতে পাচ্ছি গাধাটা আমাদের মধ্যে এখনও রয়ে গেছে।'
তুমি সমালোচকের অবস্থা কল্পনা করে নিতে পারছ!
সরলতা, সমগ্রতা, পরিপক্ষতা
ধম্মপদ বলেন :
নিজের ভিতরে আলোক জুালা ও; প্রাজ্ঞতা লাভ করার জন্য প্রাণপণে চেষ্টা কর। পবিত্র ও সরল হও এবং আলোকের দুনিয়ায় বাস কর।
যখন সৃষ্টি তোমাকে সরলতার সৌন্দর্য বিকিরণ করেছিলে, তারপর সমাজ তোমাকে মন প্রদান করে। এখন তুমি তোমার মন থেকে মুক্তি চাও এবং আবার সরল হতে চাও। কেবল বিশ্বাস কর যে তুমি এক সময় সরল ছিলে। স্বতঃস্ফূর্ততা এখনও তোমার মধ্যে আছে। তাহলে সেটা বিকিরণ করার প্রক্রিয়া শুরু করবে।
সমগ্রতা হল অগাধ সরলতা থেকে কার্য করা এবং মুহূর্তটিতে নিজেকে পূর্ণরূপে প্রদান করা। সেখানে কোন মতামত নেই, কোন বিচার নেই, তোমার মধ্যে কোন খণ্ড নেই। কেবল মুহূর্তের জন্য উন্মক্ততা হল সরলতা। আবার সরল হবার জন্য শুধু একটা জিনিষের দরকার আছে। না। দেখ কোথায় কোথায় তুমি লুকাচ্ছ এবং তোমার প্রকৃত আত্মাকে প্রকাশ করার জন্য দৃঢ় সংকল্প নাও। এটাই জীবনমুক্তির মনোভাব। তুমি লুকাচ্ছ, সেটা জানাই প্রথম ধাপ। সেখান থেকে বাইরে আসার জন্য বলিষ্ঠ নির্ণয় নেওয়া পরের ধাপ। তাহলে তুমি দেখবে যে সরলতা ও পরিপক্ষতা ঘটা শুরু হয়েছে।
পরিপক্ষ হবার জন্য তোমাকে প্রথমে ভিতরে প্রবেশ করতে হবে, কারণ পরিপক্ষতা হল তোমার সত্য প্রকৃতির সাথে কোন ভঙামি ছাড়াই সহজ হওয়া। তোমার প্রকৃত স্বরূপকে তোমার প্রকৃতি করাই পরপক্ষতা। নিজের প্রকৃত স্বরূপ হবার জন্য সবচেয়ে ভাল উপায় হল তোমার অন্তঃকরণকে সহজ রাখা। তুমি যেখানেই থাক না কেন অথবা যাই কর না কেন, তোমার অন্তঃকরণ যেন সর্বদা সহজ থাকে। তুমি যা কিছুই কর না কেন, তোমার অন্তঃকরণে প্রকৃত স্বরূপকে সর্বদা অনুভব কর কোন চাপ ছাড়াই, কোন প্ৰচেষ্টা ছাড়াই বা কোন ভণ্ডামি ছাড়াই।
মিথ্যার সমস্যা আসে কারণ সমাজ তোমাকে সব সময়ে বিশেষ কেউ একজন হতে শেখায়। সব সময়ে বিশেষ কেউ হবার কোনও প্রয়োজন নেই। সব সময়ে বিশেষ কেউ হবার ধারণা এক ভয়াবহ ধারণা। এক ভয়াবহ ধারণা ত্যাগ করলে মন রিল্যাক্স করে। যা আরামবোধ ই সরলতার জন্ম দেয়।
ঠিক এখন তুমি সরলতার জন্য সংগ্রাম করছ কারণ তমি তোমার মনকে শান্ত করতে পারছ না। যদি তুমি এই বোধের সাথে সহায়তা কর যে মন তোমার সরলতা ফিরে পেতে বাধা দিচ্ছে, তবে সংগ্রাম শেষ। অপরদিকে যদি তুমি সেই বোধকে বাধা দাও, তখন তুমি সংগ্রাম করবে।
মনকে প্রকাশে দিলে মুক্তি। মুহূর্তটিতে এসে যাও। মনকে আশ্রয় দেবার জন্য তোমাকে অতীত অথবা ভবিষ্যতে ভ্রমণ করতে হবে। শিশু সর্বদা বর্তমানে থাকে। সে তার স্মতিতে অতীতকে ধরে রাখার জন্য যতুশীল হয় না। তার কাছে সেটা কোন কাজের নয়। সে কেবল মুহূর্তটিকে উপভোগ করতে ইচ্ছুক। অতীতকে ধরে রাখার কোন প্রয়োজন নেই। যখন আমরা কিছু স্মরণ করি আমরা স্মৃতিকে স্মরণ করি না, আমরা কেবল পুরোনো স্মৃতিকে স্মরণ করি, ঠিক কিনা? কেন প্রতিটি মুহূর্তকে স্মরণ করার যোগ্য কেন বানাও না? কেন অতীত ও ভবিষ্যতের দিকে ছোট? কেবল খাঁটি যুক্তি!
তোমার সরলতাকে ফিরে পাবার প্রবল আকাঙ্ক্ষা অনুভব করার জন্য তোমাকে হয়ত বিপথে যেতে হতে পারে, কারণ যখন তুমি বিপথে যাও তখন তুমি তোমার প্রয়োজনীয়তা দেখায়। নিজেকে বিপথে যাবার জন্য দ্বার দিও না। নিজেকে স্মরণ করিয়ে চিরন্তন সঠিক পথে নিয়ে আসার জন্য কেবল মনকে নিযুক্ত কর। যদি বিভ্রমণ এইভাবে ঘটে, তবে তা যথাযথ ও উত্তম।
তোমাকে আর বিভ্রান্ত না করার জন্য বিভ্রমণ এক বলিষ্ঠ নির্ণয় নিতে বাধ্য হল চেতনাকে জাগ্রত করার জন্য। এটা তোমাকে সততার সাথে সংহত করার জন্য। এটা ঘটলে তুমি আবার শিশু হয়ে যাও। শৈশবে তুমি সরল ছিলে কিন্তু সেই সরলতা সচেতনতা সহকারে ছিল না। বড় হবার প্রক্রিয়ায় কোথাও তুমি মনকে হারিয়েছ। তুমি যা হারিয়েছ কিন্তু এখন তা ফিরে পাচ্ছ। নতুন সরলতা পূর্ণ সচেতনতা সহকারে হবে এবং সেটাই প্রকৃত সরলতা।
তুমি যদি মনকে জিতে পার, তুমি যদি এই বোধের সরকারে মুক্তি পাও যা শিশুসুলভ হবার চেয়ে আর কোন মূল্যবান জিনিষ নেই। সেটাই জীবনমুক্তির প্রক্রিয়া।
সেইজন্য একটি শিশুর সরলতাকে খুব যত্নর সাথে প্রতিপালিত করতে হয়। যদি আমরা তাতে আমাদের জ্ঞান না চাপাই, শিশু তাহলে মনকে সংরক্ষণ করবে ও বড় হবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি শিশু প্রশ্ন করে, 'আকাশ কেন মাঝে মাঝে নীল ও মাঝে মাঝে সাদা?', তখন শিশুকে বল যে আকাশ কখন নীল হয় ও কখন সাদা হয়। সে তো বড় হয়ে যে করেই হোক তা স্কুলে শিখবে। কিন্তু যদি তুমি তাদের বল যে আকাশ ঠিক সেরকমই, তাহলে শিশু প্রকৃতির স্বতঃস্ফর্ততা সরাসরি ব্যবহার করবে। সে তার সরলতাকে আর হারাবে না।
যখন মনোযোগের মধ্যে কোনও মধ্যস্থতাকারী থাকে বা ঘটনা ঘটে, ব্যক্তির মধ্যে সরলতা রক্ষা পায়। সে প্রকৃতিকে বিচার করার সুত্রটি ধরে ফেলে না। সে তাতে শব্দ প্রয়োগ না করে দেখতে শেখে। যখন মহুর্তে শব্দাবলী নিয়ে আসা হয়, সরলতা হারিয়ে যায়। তখন আর দেখার কাজ হয় না। মনের রূপায়ণ জ্ঞানবর্জিত সৌন্দর্য তখন হারিয়ে যায়।
বড় হওয়াকে সর্বদা এক গম্ভীর ব্যাপার বলে গণ্য করা হয়। যদি তমি গম্ভীরতার সাথে বড় হও, তবে তুমি বোকা হওনা যদি তুমি কৌতূহলপূর্ণ হও, তুমি জীবনকে উপভোগ কর। শিশুরা, পশুরা ও অন্যান্য প্রাণীরা কি করছে তা কখনো কখনো দেখা ভাল, কারণ তারা সরল। তাতে সরলতাকে বুঝতে ও তার সাথে পুনরায় সংযোগ সাধন করতে সহায়তা হয়।
একটা ছোট গল্প :
একটি সিংহ জঙ্গলে কে সবচেয়ে মহান তা নির্ণয় করার জন্য ভোট নিচ্ছিল।
সে একটা গণ্ডারকে দেখে প্রশ্ন করে, 'জঙ্গলের রাজা কে?'
গণ্ডার উত্তর দিল, 'অবশ্যই আপনি!'
সিংহ খুশী হল ও এগিয়ে চলল। পরে সে একটা জেব্রা দেখল।
সে জেব্রাকে প্রশ্ন করল, 'বল, জঙ্গলের রাজা কে?'
জেরা সাথে সাথে উত্তর দিল, 'আপনি, হে রাজন্!'
মিষ্টি বিজয়ের স্বপ্নে বিভোর সিংহ এবার একটা হাতী দেখল।
সে হাতীকে জিজ্ঞাসা করল, 'আমাকে বল, জঙ্গলের রাজা কে?'
হাতী তাকে শুঁড় দিয়ে তুলে একটা বড় গাছে আছড়ে মারল। সিংহটি মাটিতে পডে গেল এবং বলল, 'ঠিক উত্তর জান না বলে এত রাগের কি আছে?'
সরলতা হল জীবনে চলার উপায়! যেই মহুর্তে তমি উপলব্ধি কর যে তোমাকে সরলতা ফিরে পেতে হবে, তমি রূপান্তরের জন্য তৈরি। তোমার সরলতা ফিরে পাবার মাপকাঠি হল, জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করা। শিশুরা সর্বদা কতই না বিস্ময়পূর্ণ হয়ে থাকে। যদি তুমি জিনিসগুলোকে বিস্ময় সহকারে দেখতে সমর্থ হও, তবে তোমার মধ্যে সরলতা ঘটে। যখন তুমি বিশ্বাস কর যে বিদ্যমান সমস্ত জ্ঞান তোমার কাছে থাকা সত্ত্বেও তোমার নির্মল ও সরল কার্য স্বাভাবিক। সরলতা অনেক প্রকার হয়।
মিথ্যে মূলত মন যা কেবল কিছু আবিষ্কার করে কিন্তু তার বেশী কিছুই বুঝতে পারে না। অপরদিকে নিষ্ঠা হল মন যা অজ্ঞ যে কে কি করছে। শিশুরা মনন দ্বারা নতুন জিনিসগুলোকে আবিষ্কার করতে খুব ভালবাসে।
শিশুসুলভ সরলতা সুন্দর কিন্তু যথেষ্ট নয়। যারক জীবনন কাटक शार राव वर्ष তাকে সম্পূর্ণ সচেতনতা ও পরিপক্ষুতার সাথে আবার ফিরে পেতে হবে।
বলা হয় অতীন্দ্রিয়বাদীকে একই রকম দেখতে। উভয়ের কাজের মধ্যেও একই প্রকার বাধ্যবাধকতা কার্য করে। কিন্তু তারা একই বর্ণচ্ছটার দুটি শেষ চরম প্রান্ত! চরমদের সব এক দেখতে লাগে। বাইরে থেকে যেমন মনে সতন रयू, बामा बन्दर्शनवर একটি শিশু ও একটি সন্তকে সরলতার দিক থেকে এক মনে হয়, কিন্তু তারা বর্ণচ্ছটার দুটি চরম প্রান্ত। শিশু তার সরলতা ফিরে পাবার কাজ শুরুই করে নি, আর সন্ত সেই কাজ সমাপ্ত করেছেন।
ভিন্ন মনন রূপ জিন বিমান, যা লালন मार्थ करव निर्द्य वर्त्या वर्त्या वर्त्या वास्कारिया। শিশুর সরলতা তার জীবন থেকে ফিরে পাওয়া মনন নয়। শিশুদের সরলতাকে সংরক্ষণ করা যায়, অন্যদিকে সন্তের সরলতাকে কখনও নষ্ট করা যায় না। সরলতাকে বিঘিত করা এবং তাকে স্থায়ীভাবে ফিরে পাবার জন্য কার্য করাই পরিপক্ষতার প্রক্রিয়া। সেটা হল বর্ণচ্ছটার অন্য চরম প্রান্তে চলে যাওয়া ও সন্ত হওয়া।
যদি শিশুকে প্রেমের সাথে লালন করা হয়, তাহলে শিশুর সরলতাকে রক্ষা করা হয়। তখন সে তার হৃদয় দিয়ে ঘুরে বেড়ায়, মস্তিষ্ক দ্বারা নয়। সে হয়ত তার মস্তিষ্ককে উপযোগিতা হিসাবে ব্যবহার করবে কিন্তু কার্য করবে হাদয় থেকে। তার অর্থ এই নয় যে শিশুটি অকাজের হবে। না। তার সরলতা জ্ঞান দ্বারা দুষিত হবে না, বরং জ্ঞান তার মধ্যে প্রবেশ করবে, ব্যাস। জ্ঞান নিজে কোন সমস্যা নয়। কিন্তু যে মনোভাব সহকারে জ্ঞানকে বহন করা হয়, সেটাই কেবল সমস্যা।
তোমার সরলতা তোমাকে কেবল ভেদ্য করে দেবে তা নয়, তা তোমাকে সংহত অর্থাৎ অখণ্ডও করবে। জ্ঞানের প্রভাবে তুমি নিজের নিকটে না আসতে পার। সরলতা ফিরে পেলে তুমি সত্যসঙ্গ হবে। সেই সততা তোমার চোখ থেকে বিকিরিত হবে এবং অন্যকে স্পর্শ করবে। সেই সততা হল পরিপক্ষতা।
মনের অভাব বোধ যা তোমার ভিতরে যা তুমি নও তাকে ধ্বংস করবে। কিন্তু প্রক্রিয়া সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত তোমার গুরুতপূর্ণ। চতুরতা ছাড়া আন্তরিক ও সত্যসম্ধ হবার জন্য, এই ইচ্ছা এক অবিশ্রাম স্মারকের কার্য করে। এই প্রক্রিয়া সম্পর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিশ্রাম না করার নির্ণয় নাও।
পরিপূর্ণতা তোমাকে মানুষ হয়ে অথবা অন্য সময়ে একজন শিশু হয়ে কার্য করতে দেবে। তা তোমাকে সহজেই একটা থেকে অন্যটায় প্রবাহিত হতে দেয় যাতে তুমি পূর্ণের সাথে পুরোপুরি ঐকতানে থাক।
তোমার সরলতা ফিরে পেলে তোমাকে বলা হয় দ্বিজ, পুনর্জাত, পরিপক্ষ। সরলতা ফিরে পাবার চাবিকাঠি। এই যাত্রাকে কোন কোন সময়ে হতাশাজনক লাগতে পারে, কারণ তাতে সময় লাগবে এবং ঘটছে না। এটার কারণ সমাজ তোমাকে নানা স্তরে নিয়ন্ত্রণ করে রেখেছে। পেঁয়াজের কেন্দ্রে যাবার জন্য তাকে স্তরে স্তরে ছাড়াতে হবে। রূপান্তরের সাথে ফেটে পড়ার জন্য তোমাকে বিশ্রাম করতে হবে না। চিন্তা করবে না, সেটাই যথেষ্ট। সেটা ঘটবে। স্মরণে রেখ, সরলতা ইতিমধ্যে তোমার ভিতরে আছে। এটা বাইরের কোন শেষ উদ্দেশ্য নয়। কেবল এই স্মরণই তোমাকে প্রতিটি হতাশার পরে স্বস্তি প্রদান করবে।
প্রতিদিন কেবল কিছু সময় ধরে বসো, সরল হও। তোমার সত্তা ও মনকে সরলতার মধ্যে উন্মুক্ত কর। স্বাভাবিক উচ্ছ্বাসকে অনুভব কর। তাকে তোমার শরীর, মন ও সত্তাতে ছড়াতে দাও। অনুভব কর, তোমার সরলতায় তুমি কত সুন্দর। এটা রোজ কর। শীঘ্রই দেখবে, তুমি এটার সাথে তোমার ক্ষুধাকে আর নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না এবং প্রকৃত 'তুমি' উদ্ভূত হবে।
মনকে ঘৃণা না করে ভালবাসতে সমর্থ হওয়াকে বলে করুণা। সেইজন্য জীবনমুক্ত মাস্টারদের সর্বদাই এত করুণাময় ও সুন্দর মনে হয়। দর্শকের চোখে সরলতা নিজেকে বিস্ময়কর ও মনোরম করে তোলে।
সরল হওয়া যেন একদম তোমার সহজ কার্য করা। সজাগতা। তার আগে পর্যন্ত তুমি তোমার মন থেকে কার্য কর। যদি তুমি বসো ও তোমার মধ্যে উদয় হওয়া প্রতিটি চিন্তার উৎসকে লক্ষ্য কর, তবে তুমি সরল। কিন্তু এই সময় সেটা হবে পরিপক্ষের সরলতা। চিন্তাবিনা সজাগতা তোমার জ্ঞানে কিছু যোগ করে না। সেটা কেবল তোমার সরলতাকে গভীরতর করে এবং ব্রক্ষাণ্ডকে আরও সম্ভব ও বিস্ময়ের সাথে তোমাকে দেখায়। সরলতা কোন বিপরীত দেখে না। তা কেবল দেখে, ব্যাস্। তার সৌন্দর্য হল তার বিচারবিনা দৃষ্টিতে।
এক যুবক বহুদিন পরে তার মেয়ে বন্ধুকে দেখতে গেল।
ভাই যে মেয়েটির থেকে বয়সে অনেক ছোট ছিল, সে বসে টেলিভিশন দেখছে ও কিছু জলখাবার খাচ্ছে।
যুবকটি তার পাশে বসল এবং তাকে বলল, 'তুমি জান? যদি তুমি ছাদের ওপরে যাও এবং রাস্তা দেখতে থাক, লাল রঙের টুপি পরা প্রতিটি লোকের জন্য আমি তোমার পঞ্চাশ পয়সা দেব।'
ছেলেটি দৌডে ছাদে গিয়ে বসল।
যুবকটি মেয়েটির পাশে বসল।
দশ মিনিট পরে, সে যখন মেয়েটির সাথে ঘনিষ্ঠ হচ্ছিল, ছেলেটি ঘরে দৌড়ে ফিরে এল।
যুবকটি খুব ক্ষুণ্ণ হল এবং জোর গলায় বলল, 'আমি তোমাকে ছাদে গিয়ে লাল টুপি পরা মানুষ গুনতে বলি নি? '
বালকটি হাঁপিয়ে বলল, 'আমি জানি! একটা কুচকাওয়াজ এইমাত্র চলে গেল। সেই প্যারেডে লাল টুপি পরা মানুষের গুণতি হিসাবে তুমি আমাকে এক হাজার দেব!'
আমরা সর্বদা ভাবি ছোটরা অপরিপক্ক। আমরা ভাবি বড়রা যারা কাঁদে, অপরিপক্ক। অপরিপক্কতা - এই বলে আমাদের বিশ্বাস नियंत्रित করা হয়। আবেগ প্রকাশ করা সরলতার লক্ষণ। চতুর মানুষেরা তাদের আবেগকেও সম্পাদনা করে। কখন সখন লোকের সামনে কাঁদা ভাল। তাতে কি ভুল? কেবল তোমার আসল অনুভূতি প্রকাশ করছ। সেখানে লুকাবার কি আছে? সমস্যা হল সমাজ আমাদের আসল অনুভূতি লুকোতে বাধ্য করে। তাই সময়ের সাথে আমরা আমাদের প্রকৃতিকে ভুলে যাই।
শিক্ষক-পিতামাতা বলে, 'বাচ্চাটা খুব ভাল। সে কেবল আবেগের দিক থেকে একটু অপরিপক্ক। কিন্তু ও ঠিক হয়ে যাবে।'
বাবা তার দিকে তাকাল এবং প্রশ্ন করল, 'তিন বছর বয়সে আপনি তার কাছ থেকে আর কি আশা করছেন?'
খেলার সাথীর মত থেকে সরলতায় ফিরে যাওয়া যায়। যখন তুমি তাদের সাথে থাক শিশু হওনা কেন। সমস্যা হল, সমাজ আমাদের যা শেখায় আমরা তাই করি। কিন্তু আমাদের চরিত্র ব্যক্তিত্ব থেকে আলাদা। চরিত্র হল প্রকৃত বা বাস্তব। ব্যক্তিত হল তৈরি করা এক প্রতিচ্ছবি। যদি আমরা চরিত্র গঠনের জন্য কার্য করি, আমরা বাস্তব অঞ্চলে কার্য করছি। যদি বাসনাগুলিকে ঘনীভূত করার জন্য কার্য করি, আমরা স্বপ্ন অঞ্চলে কার্য করছি।
তুমি হয়ত লক্ষ্য করে বাচ্চাদের সাথে টেবিলে বসে খাবার সময়, তারা প্রতিটি আলুর চিপসকে ধরে ও তাদের প্রতিটির আকার দেখে মুগ্ধ হয় ও তারপরে খায়। জীবনের চিরন্তন রহস্য ও বিস্ময়গুলিতে তাদের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। তারা চিন্তা করে না, তারা কেবল উপভোগ করে, ব্যাস। যখন শিশু আলুর চিপসের দিকে আমাদের ধ্যান আকর্ষণ করে, আমরা তাদের সেটা তাড়াতাড়ি থামিয়ে দিই ও তাদের সরল রহস্যগুলিতে প্রবেশ করার মুহূর্তকে হারিয়ে ফেলি। আমরা নিজেদের সরলতায় হুমড়ি খেয়ে পড়ার সুযোগ হারাই।
তোমার ভিতরের শিশুকে পুনরায় খুঁজে পাওয়ার জন্য সেমায় যাও। লুকোচুরি খেল বা বিস্কুট বানানো শেখো বা টম এণ্ড জেরি কার্টুন দেখ বা বিভিন্ন রঙের তুলোর ক্যাণ্ডি খাও বা মাটির পুতুল বানাও! এই সমস্ত কার্য তোমাকে সরলতায় আনবে। তোমার কঠিন পরিচয় গলে যাবে। তুমি নদীর মত তরল হবে ও প্রবাহিত হবে। তোমার গম্ভীরতার ভার চলে যাবে এবং তুমি হালকা ও আনন্দময় হবে।
গম্ভীরতা হল আমিত্ব। যখন তুমি ব্যাথা পেতে ভয় পাও, যখন তুমি তোমার নিয়ন্ত্রণ বা ক্ষমতা হারাতে ভয় পাও, তখন সরল হওয়ার পথে নির্জনতা তোমার পথে আসে। যখন তুমি শুদ্ধ মন ও হৃদয় ব্যবহার করার সাহস করতে পার, তুমি হঠাৎ নিজেকে গভীর বিশ্বাস ও ভরসায় মুক্তি দিতে পার। সেই বিরামে তুমি উপলব্ধি করবে কোন কিছুই আঁকড়ে থাকার নেই। কেবল স্বাধীন আত্মা বাঁচে।
ওপরে সচেতনভাবে কার্য করতে পারবে এবং পর্শ সরল ও আন্তরিক হবার দিকে এগিয়ে যাবে।
সরলতা হল চেতনাকে হৃদয় স্তরে রাখা, তাকে মস্তিকে জমে যেতে না দেওয়া।
তুমি সমষ্টিগত চেতনার এক অংশ
আমরা এখন আরেকটু জটিল বিষয়ে প্রবেশ করি। আমরা যা দেখি তা দেখি কেন? আমরা যা দেখি তা কিভাবে দেখি? আমরা অস্তিত্বের প্রকল্পে কিভাবে উপযুক্ত হব?
বস্তু, শক্তি এবং তাদের ছাড়িয়ে
ইন্দ্রিয়, দেখা, শোনা, ঘ্রাণ নেওয়া, আস্বাদন করা ও স্পর্শ করা, এগুলি এই বিশ্বকে উপলব্ধি করার জন্য প্রবেশদ্বার। তারা বলে এই বিশ্ব বিভিন্ন আকার, আকৃতি, রং ও পদার্থ বা বস্তু দ্বারা নির্মিত।
আমরা নিজেদের এক তিন মাত্রার পৃথিবীতে বাস করতে দেখি যা পঞ্চভূত বা পাঁচটি মূল উপাদানে তৈরি - মাটি, জল, অগ্নি, বায়ু ও আকাশ। আমরা দেখি যে বিশ্বের প্রতিটি বস্তু সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়। তারা সবাই সময়ের সাথে সৃষ্টি, স্থিতি ও লয়ের মধ্য দিয়ে যায়।
ক্ল্যাসিকাল পদার্থবিদ্যা বা ফিসিক্স আমাদের বলে, পদার্থ ফিসিক্সের সূত্রগুলি দ্বারা শাসিত হয়, যেমন, তিনটি গতিসূত্র (law of motion), মাধ্যাকর্ষণ সূত্র, ফ্লুইড গতিবিদ্যার সূত্র এবং আরও কত কি। সমস্ত বস্তু অণু দ্বারা গঠিত, অণু আবার পরমাণু দ্বারা গঠিত এবং পরমাণু তিন প্রকার কণা দ্বারা নির্মিত -(প্রোটন, নিউট্রন ও ইলেক্ট্রন)। আমরা এই মৌলিক জিনিষগুলি স্কুলে শিখেছি।
কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান বলে বিশ্ব মৌলিকভাবে পদার্থ দ্বারা গঠিত নয়। মৌলিক কণাগুলি ধারণা ও রেলওয়ের ন্যায়। আধুনিক বিজ্ঞান বলে যা পদার্থ নয় প্রকৃতপক্ষে এক শক্তি!
বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের বিখ্যাত সূত্র, E = mc2 (যেখানে E হ'ল শক্তি, m হল বস্তুর ভর ও c হল আলোর গতি) বস্তু ও শক্তির সমার্থকতা প্রমাণ করে। আইনস্টাইনের সূত্রকে রিলেটিনিস্টিক ললিফপ কার্যকারিতা হিসাবে ধরা হয়। অবাক ব্যাপার হল গ্লুওনের ভর হল শন্য এবং কোয়ার্কের ভর কেবল পাঁচ শতাংশ। অধ্যয়নটি বলে, বাকী ৯৫ শতাংশ ভর আবেশ গতিশক্তি ও গ্লুওন দ্বারা উৎপন্ন হয়েছে। তাই শক্তি ও ভর হল সমতুল্য।
কয়েক দশক আগে বিজ্ঞানের আবিষ্কৃত হওয়ার আগে উপনিষদে প্রাচ্যের ঋষিরা ঘোষণা করেছিলেন। কয়েক হাজার বছর আগে লিখিত ঈশা ভাষ্যম উপনিষদে প্রথম লাইন বলে, ঈশা ভাষ্যম ইদম সর্বম অথবা যা কিছু বিদ্যমান তা সবই শক্তি!
কোয়ান্টাম বিশ্ব
আজ আমরা কোয়ান্টাম বিশ্বের যুগে। আমরা কোয়ান্টাম ফিসিক, কোয়ান্টাম লাফ এবং কোয়ান্টাম চিন্তার কথা বলি। 'কোয়ান্টাম' শব্দটির সঠিক অর্থ কি?
কোয়ান্টাম মানে হল এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় সরাসরি চলে যাওয়া। আজ মধ্যবর্তী অবস্থার মধ্য দিয়ে যাওয়া যায় না। বাসনাগুলিকে কোয়ান্টাম ফল চাই।
একটা ছোট গল্প :
এক ব্যক্তি ঘুমাতে পারছিল না এবং সে ডাক্তারের কাছে গেল। সে ডাক্তারকে কড়া ওষুধ দিতে বলল। ডাক্তার বললেন, 'দাঁড়ান, বেশি ওষুধ চাই না। এই ওষুধের অর্ধেক নেবেন, দেখবেন খুব ভাল ঘুম হবে।'
লোকটি ঘরে গিয়ে ওষুধের বড়িটি পুরো গিলে ফেলল। সে চাইছিল যাতে খুব ভাল ঘুম আসে। সকালে সে উঠে পড়ল ও তার নিজেকে খুব সতেজ ও প্রফুলিত অনুভব করল।
সে তৈরি হয়ে অফিসে গেল। সে বস্ এর কাছে গিয়ে গিয়ে বলে, 'আমি আজ যেকোন কিছু করার জন্য তৈরি! আমি সুন্দর ঘুমিয়েছি এবং আজ সকালে শিশুর মত অনুভব করে উঠেছি!'
বসু বলল, 'ভাল কথা, কিন্তু আপনি গতকাল কোথায় ছিলেন?'
আমরা সবকিছুতেই কোয়ান্টাম ফল চাই!
বিষয়টি কঠিন। বায়বীয় পদার্থগুলো রিজিড নয়। রিজিডিটি ব্যতিরেকে নিরপেক্ষ নিউট্রন আবর্তিত হতে থাকে।
আমরা ইলেক্ট্রনগুলি কক্ষপথে থাকে (কক্ষপথ হল তার নিয়মিত ব্যতাকার ভ্রমণপথ)। কিন্তু যদি তাকে তাপ অথবা কোন রাসায়নিক বিক্রিয়া দ্বারা উত্তেজিত করা হয়, তা মুক্তি প্রকাশ করে ও উচ্চতর কক্ষপথে লাফ দেয়। যদি ইলেক্ট্রন শক্তি ত্যাগ করে, সেটা তখন নিমতর কক্ষপথে লাফ দেয়। এখানে যে লক্ষণ করা দরকার তা হল, ইলেক্টন এক কক্ষপথ থেকে অন্য কক্ষপথে লাফ দেবার সময় সেটা দুই কক্ষপথের মাঝে স্থান দিয়ে যায়ই না। এক মূহুর্তে এক কক্ষপথ দ্বারা যায় এবং অন্য মূহুর্তে অন্য কক্ষপথ দ্বারা যায়! ওজন করে দেখলে কার্বনের ন্যায়। কোয়ান্টাম লাফ হল এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় পরিবর্তন এবং সেই পরিবর্তন হয় এই দুই অবস্থার মাঝে কোন কিছুর মধ্য দিয়ে না গিয়েই।
পদাৰ্থ হল স্পন্দমান শক্তি
প্রকৃতপক্ষে পদার্থ হল বিভিন্ন কম্পাক্ষেত্রের স্পন্দন। স্পন্দন খালি চোখে দেখতে পারি না কারণ এই স্পন্দনের কম্পাঙ্ক খুবই দ্রুত হলে, তাকে চোখ স্বতন্ত্র কাঠামোতে দেখতে পায় না। তাই আমরা তাকে একটার ওপরে আরেকটা অনবর্ত মিশে যেতে দেখি।
একইভাবে শক্তির স্পন্দন চোখ বুঝতে পারে না। কারণ ঘন পদার্থ বলে মনে হয়! শক্তির স্থল আকার হল পদার্থ। পদার্থ সুক্ষ্ম আকারে হয়ে যায় শক্তি। দেহ হল সম্ময় মনের স্থল প্রকাশ। মন হল স্থল দেহের সূক্ষ্ম প্রকাশ। এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিষ বোঝার আছে যা বিদ্যমান। প্রত্যেকটি বিশ্ব রূপ কারণ একটি ভিন্ন ভিন্ন রূপে কার্য করে!
এমনকি মানুষের মধ্যে পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়াগুলিও ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া। উদাহরণস্বরূপ, নিউক্লিয়াসের চারিদিকে ইলেক্টুনের মেঘ দ্বারা বেষ্টিত একটি পরমাণ্যকে একটি ফুটবল মাঠের সাথে তলনা করা যায়। সেই তুলনায় নিউ ক্লিয়াস হল মাঠের মধ্যে রাখা একটি কোনা। আর মাঠের ইলেক্ট্রনের মেঘ যেন সেই মাঠের শন্য স্থান। আধুনিক বিজ্ঞানীরা বলেন, যদি পৃথিবীর গ্রহের সমস্ত পরমাণুর শন্য স্থান সরিয়ে ফেল, বাকী পদার্থ কেবল একটি চিনির ঢেলার (sugar cube) মত লাগবে!
এই উদাহরণের ফুটবল মাঠের মত আমরা যাকে ঘনীভূত পদার্থ হিসাবে দেখি, তা আসলে ইলেক্ট্রন মেঘ অথবা বিশাল শন্য স্থান মাত্র। এখানে কিছু শক্তি প্রদান করলে তবে তাদের মধ্যে ক্রিয়া - প্রতিক্রিয়া করবে। এক্ষেত্রেও ব্যক্তি ও বস্তুর মধ্যে পারস্পরিক সিঙ্ক্রোনাইজেশন ও স্থানান্তর গমন মুক্তি সিঙ্ক্রোনাইজেশন।
অসীম সম্ভাবনার মহাবিশ্ব
এখন তাহলে পদার্থ ও শক্তির উৎস কি? শরীর ও মনের উৎস কি? কোথা থেকে আমরা এলাম? তবে এই মহাবিশ্বের আসল স্বরূপ বা বাস্তবতা কি? যদি আমরা আমাদের ইন্দ্রিয় দ্বারা বাস্তবতা যেভাবে আছে সেভাবে উপলব্ধি না করতে পারি, তাহলে বাস্তবতার প্রকৃতি কি?
এর উত্তরে বৈদিক শাস্ত্র জীবনমুক্তির বিজ্ঞান 'শিবসূত্র' এ করা হয়েছে। এখানে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে, 'এই বিস্ময়ে ভরা ব্রক্ষাণ্ডের প্রকৃতি কি?' এরপর জীবনমুক্তির প্রক্রিয়া প্রদান করেন যেগুলিকে অভ্যাস করলে, উত্তরকে সরাসরি অভিজ্ঞতা হিসাবে পাওয়া যায়!
বাস্তবতা সম্পর্কে প্রশ্ন আমাদের পদার্থ ও শক্তি ছাড়িয়ে, স্থান ও কালের সীমাবদ্ধতা ছাড়িয়ে অন্য দুনিয়ায় নিয়ে যায়। অসীম সম্ভাবনা এই দুনিয়ায় বীজ হয়ে অবস্থান করে। এগুলি হল বস্তু জগতে ঘটনাগুলির সুগন্ধসার ও উৎস।
এখানে বিশ্ব শাসিত হয় না। সেখানে কারণ-ফলাফল সম্পৰ্কতা বিদ্যমান থাকে না। একটা ঘটনা অন্য ঘটনা ঘটার কারণ হয় না, কিন্তু সেটার অন্যান্য ঘটনাগুলির সাথে পারম্পর্য আছে। এই পারম্পর্য স্থান ও কালের ওপরে নির্ভর করে না। তাই আমরা যাকে বীজ বলি তা অসীম সম্ভাবনার মহাসাগর যেখান থেকে ঘটনাবলীর ঢেউয়ের উদয় হয়।
এই সমগ্র অস্তিত্ব এবং তার সমস্ত ঘটনাবলী মহাসাগরের ওঠা ঢেউয়ের ন্যায়। প্রতিটি হল আনন্দ ও উচ্ছুাসের এক মহাসাগর। অস্তিত্বের মহাসাগরে কারণহীন উচ্ছুসিত আনন্দ থেকে ‘সৃষ্টি’ - জিনিষগুলি ঘটে। ‘স্থিতি’ হল অসংখ্য ব্ৰহ্মাণ্ডে জীবন ও জীবিত বর্তাদের মধ্যে বৈশ্ববিক লীলা। সেই লীলা সমাপ্ত করা এবং নিজের মধ্যে আরাম করা হল ‘লয়’। লয় হল পরব্রহ্ম অবস্থায় যুক্তিমন্মণ কারণ শাঙ্কার, ম্রাজার, স্মৃে লীলা ইত্যাদি শুরু হয়...! এটা চলতে থাকে। আমরা যা বর্তমানে দেখছি, তা হল মহাবিশ্বের অসীম ঘটনাগুলির ঘটা।
বাস্তব প্রকৃতি
আমরা অস্তিত্বের এই কারণহীন এবং আনন্দময় লীলাকে নিজেদের প্রত্যক্ষকরণের মধ্য দিয়ে দেখি! আমাদের প্রত্যক্ষকরণ এই সুন্দর ঘটনাকে এক যুক্তিসম্মত বাস্তবে ভেঙ্গে ফেলে। প্রতিটি ব্যক্তি এই সুন্দর ঘটনাকে তার নিজের বাস্তবতায় নামিয়ে আনে।
কেউ আপনাকে জিজ্ঞাসা করতে পারে, 'আপনি কিভাবে বলতে পারেন এই টেবিলটা বাস্তব নয়?' দয়া করে বোঝ, যেটাকে তুমি এই টেবিল হিসাবে দেখছ তাকে অন্যজন একই টেবিল হিসাবে দেখছে না! এই ঘরের প্রত্যেকে এই টেবিলকে আলাদা ভাবে দেখে! এটাই সত্য। সেটাই আমি এখানে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছি।
যতক্ষণ মন প্রত্যক্ষকরণ করার চেষ্টা করে, যা প্রত্যক্ষ করা হচ্ছে তা চরম বাস্তব নয়। কেবল একজন অসীম সত্তা বাস্তব যেমন ঘটছে তা প্রত্যক্ষ করতে পারেন। আবার তিনি সেটা ভাষায় ব্যাখ্যা করতে পারেন না, কারণ স্থান ও কাল ছাড়িয়ে ব্যাপারগুলিকে শব্দ বর্ণনা করতে পারে না। তিনি কেবল সেটাকে তোমার নিজের অভিজ্ঞতা হয়ে যাবার জন্য তোমাকে অপেক্ষা করতে বলতে পারেন! সেইজন্য শিব দর্শনশাস্ত্র দ্বারা উত্তর প্রদান করেন না কিন্তু প্রক্রিয়া প্রদান করে অভিজ্ঞতা প্রদান করেন। তিনি মনকে বাস্তবতা, বন্দকারউন ব্যক্তিবাদী কওয়ানোর জন্য মননমি ক্রিয়া প্রদান করেন।
আমাকে এই ধারণাটিকে শক্তি-পদার্থের ধারণার ভিত্তিতে ব্যাখ্যা করতে দাও। আমরা মানাম যে পদার্থ হল স্পন্দনকাময়।
- হেইসেনবার্গ অনিশ্চয়তা নীতি।
তুমি সন্দেহাতীত সত্য পথে পৌঁছাতে চাও, নির্জনতাকে অনুভব কর। তুমি তাকে ভাল বা ভাল-নয় কোনও নাম দেবে না।'
উপলব্ধির শারীরবত্ত
কোনকিছু আমাদের শারীরিক স্তরে কি ঘটে তা দিয়ে শুরু করা যাক।
যখন শারীরিক বাস্তবতার প্রত্যক্ষকরণ হয়, তখন মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশে স্বাভাবিক কার্যে পরিবর্তন দেখায় ও স্নায়ুতন্তের মৌলিক রূপ বদলায় সেগুলোর মূল অবস্থান থেকে। এই থেকে বাস্তব অভিজ্ঞতা তৈরি হয় যাকে নির্দিষ্ট আকার ও আক্রতিতে দেখা যায়। এইভাবে আমাদের প্রতিটি ইন্দ্রিয়ের যোগান থেকে আমরা শব্দ, স্পর্শ, গন্ধ, স্বাদ বা দৃশ্যের অভিজ্ঞতা হিসাবে অনুভব করি।
তুমি যদি এখন পিছনে গিয়ে তাকাও, দেখবে যে নিরীক্ষণ বা প্রত্যক্ষীকরণের পর্বে, বিশ্ব দ্রুতগতিশীল ও বিশৃঙ্খল কার্যকলাপের অবস্থায় ছিল। বিন্যাসের কারণে কার্যকারিতা বিশেষভাবে কার্বোরেটেড ও সুষমঞ্জস্যপূর্ণ হতে শুরু করে। একই সময়ে দ্রষ্টার দেখার প্রক্রিয়া (সায়তন্তে কার্যকলাপ) শুরু হয়ে যায়। যা দেখা হয়েছে তার সম্ভাবনা এক নির্দিষ্ট আকারে পতিত হয়।
ভগবদ্গীতায় ভগবান ও মাস্টার কৃষ্ণ অর্জুনকে নিজের বিশ্বরূপ দেখিয়েছিলেন। তার আগে পর্যন্ত অর্জুন কুষ্ণুকে কেবল একজন মানুষ হিসাবে দেখেছিল। কিন্তু অর্জুনের মিনতির পরে যখন কৃষ্ণ দেখলেন যে অর্জুন বিশ্বকূপ অভিজ্ঞতা পাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়েছে, তিনি তাকে দেখিয়ে দেবার নির্ণয় নিলেন। অর্জুন তখন কৃষ্ণুকে দেবতা বিশ্বকর্মের অংশ হিসাবে দর্শন করে।
তিনি বললেন, 'হে প্রভু! আমি আপনার শরীরে সমস্ত দেবতাদের দেখতে পাচ্ছি। আমি সব সন্তদের ও ঐশ্বরিক সর্পদের দেখতে পাচ্ছি। হে মহাবিশ্বের প্রভু, আমি বহু বাহু, পেট, মুখ, চোখ এবং আপনার অসীম আকারের দ্বারা পরিবেষ্টিত। হে বিশ্বজনীন আকার, আমি আপনার শুরু, মধ্যম অথবা শেষ দেখতে পারছি না।'
অর্জুন এটা হজম করতে পারছিল না কারণ সে জিনিষগুলির ওপরে তার ব্যক্তিগত কিছু নিয়মাবলী খাটাচ্ছিল। প্রার্থনা করে ভারসাম্যের জন্য, তার অর্থ, সে মনকে আবার তার বুদ্ধিবৃত্তিক নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনতে চাইল। ফলাফল জানতে চায়, কারণ সেই অভিজ্ঞতা তাকে কারণ-ফলাফল অনুভূতির যুক্তি থেকে ছিঁড়ে সরিয়ে ফেলে।
যতক্ষণ কারণ-ফলাফল যুক্তি তোমার নিয়ন্ত্রণে আছে, ততক্ষন তুমি নিজেকে সুরক্ষিত অনুভব করছ! তোমার আমিত বলবান ও জড়। কিন্তু যখন এই যুক্তিকে ঝাঁকুনি দেওয়া হয়, তুমি প্রচণ্ড ভয় অনুভব কর। তুমি যেন রূঢ় বাস্তবতার এক বিক্ষিপ্ত রূপ দেখছ। অর্জুন যা ফেস করছিল তা হল রূঢ় বাস্তবতা, কিন্তু সে সেই বাস্তব সম্পর্কে ভীত হল কারণ সেটা তার যুক্তির অনুবর্তী ছিল না। সে মিনতি
করতে থাকে তার পঞ্চ-ইন্দ্রিয় দ্বারা অনুভূত আগের অবস্থায় ফিরে যাবার জন্য, যে অবস্থায় সে নিজের নিটোল পরিচয় ও নিটোল আমিত নিয়ে থাকতে পারে।
স্থান-কালের উপলব্ধি
স্থান কি তা বিশ্লেষণ করা যাক।
এক দুই ও তিন মাত্রার বিশ্ব
একটা মৌলিক জিনিষ, বিন্দুকে নাও। বিন্দু হল মনে সবচেয়ে স্বাভাবিক জিনিষ। যখন একটি বিন্দু কান ২ক ফিটকে ছুঁল (মানে ২ক মনোমাত্র্থা তৈরি করে।
মবনদ্বধা একদিকে চলমান বিন্দ
মন্নবর্থান বন্কাণি মাজা वाट্য। वर्থন বকণী মননাবশাদ্ গণিশয়রক দ্বারা यांक। মন্নাवरण জান वर्णाव मिटक कलटक শাकाल মणো বক মনন্দ্রবার রাজ। যদি মনলত্বনা আড়াআড়িভাবে চলে একটি তল বা পষ্ঠ তৈরি হয়।
একইভাবে একটি তল তার নিজের তলের বাইরের দিকে চলতে থাকলে একটি ঘন वा स्थान रेववि রया चन जिन-মাজাव जिनिष।
তাহলে একটি রেখার অসীম সংখ্যক বিন্দু আছে। একটি তলের অসীম সংখ্যক রেখা আছে। একটি ঘন অসীম সংখ্যক তল দিয়ে তৈরি। একইভাবে আমরা কল্পনা করতে পারি একটা চার মাত্রার স্থান যেটা অসীম সংখ্যক ঘন বা স্থান দিয়ে তৈরি।
এখন যেভাবে নিম্ন মাত্রা দ্বারা এই উচ্চ মাত্রাগুলি তৈরি হল, আমরা নিম্ন মাত্রাদের উচ্চ মাত্রাগুলির কর্তিতাংশ বা প্রস্তচ্ছেদ হিসাবেও দেখতে পারি।
जेमार्वजनসम्बद्धन, पूर्णि वर्णा व्यक्तिष्ठ्यूम করলে সেখানে একটি বিন্দু হয়। তাই বিন্দু হল একটি রেখার কর্তিতাংশ।
Point - Intersection of two lines
বक्কো ব্লथा रूल বक्কি छटनव वर्ष्म। একটা তল হল ঘনের বা স্থানের অংশ বা প্রস্থচ্ছেদ।
এটাকে প্রসারিত করে বলা যায়, ঘন হল এক চার মাত্রার জিনিয়ের প্রস্তুচ্ছেদ। আমাদের তিন মাত্রার আকাশ হল চার মাত্রার शाতव বিশ্বरण्डম। वि दि उर्वरण्यकि जान 'টার্টিয়াম অর্গানাম' বইয়ে এটাকে সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি আরও প্রসারিত করে বলেছেন জিনিষগুলি, এমনকি মানুষও বস্তুত হয়ত কোন একটি চার মাত্রা শরীরের অংশ বা প্রস্থচ্ছেদ!
তিনি এটাকে একটা সহজ উদাহরণ দ্বারা ব্যাখ্যা করেছেন। ধর পথিবীর তলের সাথে সমান্তরাল একটা অনুভূমিক তল (horizontal plane) একটা গাছের ওপর দিকে মধ্যচ্ছেদ करवा व्यव वरे वनुस्त्रिक वर्ल व्यक्ति वर्ण वर्णिणि ডালকে আলাদা মনে হবে, যেন প্রতিটি ডাল बढ़क वानाव मार्थ मर्श्यूक नया। किलु, जिन মাত্রার জগৎ থেকে, আমরা দেখতে পারি যে জন্মूनিত কর্ণिक वर्ष्युलि वकरे वर्षकत অংশ।
স্থান-কালের চার মাত্রার বিশ্ব
আমাদের চার মাত্রার জগতে স্থানের সর্বোচ্চ কেবল তিনটে মাত্রা হতে পারে। আমরা मुমাबूक छूटर्थ साजा বলटक भाजि। জারে কাब মাত্রার জগৎকে স্থান-কালের চলমানশীলতা হিসাবে দেখা যায়। বলা যায় যে স্থানের চতুর্থ মাত্রা হল সময় বা কাল।
আমরা সময়কে তিন আকারে বুঝি -অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ। আমরা ভাবি অতীত হয়ে গেছে এবং আর বিদ্যমান নেই। ভবিষ্যৎ এখনও ঘটে নি, তাই তার বিদ্যমানতা নেই। वर्णसान घटणे ব্যবিদ্যাसान कविष्णुटकन মারথ আরেক অবিদ্যমান অতীতের সঙ্গমস্থলে।
তিন মাত্রার বিশ্বে আমরা দেখি যে আপাতদষ্টিতে দুই মাত্রার জগতে দেখা গাছের আলাদা অংশগুলি প্রকতপক্ষে मश्यूक। वकरेजादव यदि वासना कब्रना कवि এমন একটি চেতনা যা আমাদের জীবনের তল থেকে ওপরে উঠতে পারে, তখন সেই চেতনা চতুর্থ মাত্রা কালের চলমানশীলতা দেখতে পারে ও দেখে যে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ একই সাথে বিদ্যমান। এই চেতনা ঘটনাগুলির বকরে মতদা ঘণে দ্বার্থ, याণারক মাধাवर চেতনা সময়সীমা দ্বারা পথ কীকত স্বতন্ত্র ঘটনা হিসাবে দেখে।
একটা তিন মাত্রার বস্তু সময়ের সাথে গতিশীল হয়ে এক চার মাত্রার বস্তু তৈরি করে। ममत्यन मार्थ वामना গণিতক এনশ্টক भावि যখন আমরা শৈশব থেকে তরুণ ও প্রাপ্তবয়স্ক রায় वार्तवान करना यारे। কিলু মোর্সিক প্রত্যক্ষকরণের জন্য সেই 'চার মাত্রার শরীর'-কে আমরা দেখতে বা অনভব করতে পারি না। বকরে কিন সাজাদ অভটক विमासान রায় আমরা চার মাত্রার শরীরের কেবল প্রস্থচ্ছেদ
দেখি এবং সেটা হল আমাদের এই তিন মাত্রার সাধারণ স্থল শরীর। সেটা সেটা মেন সিনেমার ফিল্মের রোলে পরপর ছবিগুলির মধ্যে একটা ছবিমাত্ৰ।
जिन মাজাव জনরণ কিलाव কাव মাত্রার জগৎকে উপলব্ধি করা যায়, তা বোঝার জন্য, প্ৰথমে দেখা যাক কিভাবে একটা তিন মাত্রার ঘটনাকে দুই মাত্রার জগৎ থেকে দেখা হয়।
विवरण व्या রুখ্যা रूट्य वाविर्ड উ ব্যমনা শাখ (ময়া যাদব
ধর, তুমি একটি দুই মাত্রার জগতে আছ। সেই জগৎ তল ও পৃষ্ঠের জগৎ। তোমার জীবন, তোমার উপলব্ধি কেবল তলের ধারণায় মোরিক। वर्थन মটন কব, বक्কো কাকা ঘাটক याव কাকাব ভারিএলি (স্মাক) বিজিন্ন बढ़ রঞ্জিত এবং সেই চাকাটি তোমার বাসস্থান তলের লম্বালম্বি হয়ে ঘরছে।
कृति কাকাব বরে भण्टिक किलाস্ব উপলব্ধি করবে? যখন চাকার একটি পাখি তোমার তলকে ছেদ করবে, তুমি চাকার পাখি ও তলের প্রতিচ্ছেদে একটা বিশেষ রঙের রেখা দেখবে। তারপর একটা পাখি বা স্পোক চলে গেলে, একটা বিরতি আসবে যখন সেখানে তুমি আর কিছুই দেখবে না। তারপর অন্য রঙের একটা পাখি সেই তল ছেদ করে যাবে। তাই, তুমি সেই তল থেকে চাকার গতিকে উপলব্ধি করবে যেন একই সময়ের ব্যবধানে বিভিন্ন রঙের রেখা দৃশ্যমান হচ্ছে।
या राष्ट्र কা বনकूल, निम्न মাজাদ্ জন্মরণ্ড মোমিক জেননকিটক মাত্রদ্ব मार्থ ভবিবর্ণিক কवरण্! যেহেত তমি স্থানের তিনটি মাত্রার মধ্যে কেবল पूर्णि मावादक द्वारा भाष्य, একূলি जनवरी कृतीया মাত্রাকে তোমার তলে কেবল সময়ের সাথে প্রকাশিত হলে দেখতে পার। তাই তুমি তাকে তোমার দুই মাত্রার স্থানের সাথে অসম্পর্কিত शिमारव द्वार वर्तः জুনि জন্ম मार्यन्न मार्थ াৰ পৰা আৰু প্ৰকাশ কৰিছিল। তেওঁ পাৰে প্ৰথম বিশ্বাস কৰিছিল আৰু প্ৰথম বিশ্বকাপ কৰিছিল। তেওঁ প্ৰথম বিশ্বাস কৰিছিল। তেওঁ পাৰে প্ৰথম বিশ্বাস কৰিছিল আৰু প্ৰথম আৰু প্ৰথম আৰু প্ৰথম
এখন কল্পনা কর যখন একটা সবজ স্পাক বা পাখি সেই তল দিয়ে যায়, তখন বকরে मार्थ वान উ वक्ति मण्ड ঘण्डना ঘটনা, ধর একটি কুকুরের ডাক। দুই মাত্রার জগতে তখন সবুজ রেখার আবির্ভাব হওয়া ও কুকুরের জন, বরে ফুণিভ মাস্যা भावरमनিক মम्भক আছে বলে মনে হবে, যখন বাস্তবে তা নয়!
पूरे सावाद মणाव করণ্য বাণ বিশ্বাম করা সম্ভব নয় যে তার উপলব্ধির তলের বাইরে ঘণ্যাবলীन সেফয় রাজ শাদ্ভব। वन वर्थ কিন মাত্রার জগৎকে বুঝতে গেলে, সে দুই মাত্রার
চেতনাতে থাকলে চলবে না, তাকে তিন মাত্রার চেতনাতে উত্থান করতে হবে। একইভাবে চার মাত্রার জগৎকে বুঝতে গেলে আমাদের চার মাত্রার চেতনার অধিকারী হতে হবে।
বজে কি মখব? ক্ব্বল জিন মাজাब অভিজ্ঞতা অতিক্রম করে কি আমরা আরও উচ্চতর সেননকি থাं কवरण भावि? मतদाव ব্যায়া কেবল বাস্তবতার নিছক ঝলক দেখা ছাড়া কি আমরা বাস্তবতাকে বস্তুত দেখতে পারি? উত্তর হল হ্যাঁ।
গভীর গবেষণা ও উন্নয়নের মধ্য দিয়ে প্রাচ্যের অতীন্দ্রিয়বাদীরা ও ঋষিরা আবিষ্কার কवरणून ব্য বাস্ত্রव ठिक য়ুজাদ্ব ঘাটক ঠারক সেভাবে বোঝা সম্ভব, অভিজ্ঞতা করাও সম্ভব। সেটা স্বাভাবিক জীবনপথে ঘটেতে পারে, কেবল একটা অকস্মাৎ ঘটনা হিসাবে নয়। এই অভিজ্ঞতা তাদের মধ্যে ঘটেছে।
ধ্যানের মধ্য দিয়ে আমরা সচেতনতার এই অবস্থা প্রাপ্ত করতে পারি।
একটা সুন্দর জেন গল্প :
একবার উডতে দেখল। তাদের মধ্যে একজন বলল, 'পতাকা নডছে।' দ্বিতীয়জন বলল, 'না, বাতাস ওটাকে নাডাচ্ছে।'
একজন জেন মাস্টার যাবার সময় তাদের তর্ক শুনতে তাদের ঝগডার মীমাংসা করার জন্য মাস্টারকে অনুরোধ করল।
একজন 'মাস্টার, আমি বলছি পতাকা নড়ছে। কিন্তু ও বলছে বাতাস সেটাকে নাডাচ্ছে। কোনটা সত্য?'
মাস্টার বলেন, 'তোমরা কেউ সঠিক নও। কেবল চেতনা চলে চলেছে।'
এখন পর্যন্ত আমরা আমাদের জীবনে যাটক সেটাও এক অর্ধসত্য (virtual) বাস্তবতা। স্থান-কালে জিনিষগুলির আলাদা হওয়া কেবল একপ্রকার উপলব্ধি। যদি গভীরভাবে দেখ। জন্মদ্ব মশবিশ্ব মन्ভटक वामार्मन সে ভনক্তি কিরকম সন্দেহজনক। চেতনার যে গুণমান থেকে আমরা বিশ্বকে দেখি, সেটাই আমাদের বাস্তবতা বলে মনে হয়, তা পরম বাস্তবতা নয়।
বাস্তবতা এগার মাত্রার
আমরা মনে করি আমরা তিন মাত্রার বিশ্ব এবং চতুর্থ মাত্রার সময়ে বাস করি। যাই शाक, বখুক বানানা জাএ। त्योगिक মাত্রাগুলি হল দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, গভীরতা, সময় ও চেতনা। উচ্চতর মাত্রাগুলি হল এই মৌলিক মাত্রাগুলির মিশ্রণ।
जेमार्वास्त्रतान, वक्रण লাंঠিত देवा, भू উ লেक्का वाट्ड। बजे काल उ श्रात আছে। এখন যদি আমরা দৈর্ঘ্য প্রস্থ রেখে ক্ব্বল स् সেफ्टাटक মनिष्ठ করনি. জারদল লাংগ্রিটক एक्शा यादव, किन्तु রাজ ট্রাউ লারে লাংগ্রিজ মধ্য मिट्य কটন यादव। জमि দেষ্ঠণারক ব্য मिट्य ফির্মা ভূম্ मनित्य किलाজ ভাব। জাशल কিকূর দিয়া यादव না, কিলু রাজ রনশাदन मिट्य निया यावाद क्या कबटन কিছू বক্রণার আটকে যাবে।
बरेबादव মানাশুলিত বিজিন্ন सिंहन (শ्टक वर्णाव साज्या रेवनि রায় विभুवन्यां निर्मित রূপ। জামান বর্ণসান সেমলক্ষি ক্ববা চার মাত্রার স্থান-কাল থেকে উচ্চতর স্তরে গেলে তুমি এই এগার মাত্রা দেখতে পার, তুমি বাস্তবতাকে সেইভাবে দেখতে পারবে যেভাবে একজন জীবনমুক্ত সত্তা দেখেন।
বিশুঙখলা হ'ল শুঙখলা, শুঙখলা হ'ল বিশ্বজ্ঞালা
মণে ভবতানুন মণि শাক ব্যবা ব্যকারণ্ডন মণ্ডি শাক, বিরাট বিশঙখলা আছে। সেই বিশঙখলার মধ্যে, একটা শুঙ্খলা আছে যা তুমি কল্পনাও করতে পার না।
যখন বিশৃঙ্খলা এক শৃঙখলায় চলে, তা সৃষ্টি করে চেতনা ও বুদ্ধিমত্তা।
বিশ্বকালাই শক্তি
যা কিছু বিশ্ৰেখলায় আছে, তা উন্মত্ত ও শক্তিপূৰ্ণ। যা কিছু শুঙ্খলায় আছে, তা নিষ্প্ৰভ। আমাদের জীবনে আমরা দেখতে পারি : যা কিছু विभाज्यनाय घाटक, या किछू সেনিউজা, যা শক্তি বিকিরণ করে। তোমরা দেখতে পার যখন শিশুদের স্বাধীনভাবে থাকতে দেওয়া হয়, তারা কত উন্মত্ত হয়। তারা কত শক্তি বিকিরণ করে। বাসারমন্ন জীवरन यदि कान वारिन কাশ্द्ध দেওয়া হয়, আমরা কত আনন্দ অনুভব করি। আমরা কত শক্তি বিকিরণ করি। বিশ্বজ্ঞলা মনামবি স্বাধীনতা ও নিয়ম দ্বারা বাঁধা না পড়া - এই
কারণে কোন পদক্ষেপ না মেপে স্বাধীনভাবে নত্য করার সময় আমরা এত শক্তিপূর্ণ অনুভব করি।
যেই মুহূর্তে আমরা জানি যে আমরা वক্কটন बाँধা, वासना निष्मुण रूट्य यारे। निष्मुण्ड রাজ্য মণ্ডलान वायासम्बन विकास প্রবেশ করে, যদিও তা আমাদের সরাসরি মানবিকলাব व বিজ্ঞান করণ ভাৱত না। মুখ্যন্ত্র , জান যে এই হলটি খোলা আছে এবং যদি জান য় রুসি या কান মতদা वर्थान (শুটক কাটল याটক ভাব, কূলি জার্দন মজোভ, মটণ্ড উ খুশিতে থাকবে। হঠাৎ যদি তমি খবর পাও যে এই হলটিকে তালাবন্ধু করা হয়েছে, তমি কি স্বস্তিতে বসে থাকতে পারবে? না!
য় কান বিধিনিয়াস সরকারণ শर्व করव, মণ্ডি শুণ করवা। য়া কান নিয়ल्वन জানাব শক্তিকে কম করে। এমনকি তোমার বাড়ীতেও, यदि করে बटन, ' ' ' আয়ানাটক वমद्व না', তোমার শুধুমাত্র সেখানে বসার ইচ্ছা হবে। কিন্তু যতক্ষণ না সেই নিয়মটা বানানো হচ্ছে, তমি সেখানটায় বসার জন্য বিব্রত হবে না!
এমনকি ধূমপান করার মত অভ্যাসও বজায় রাখা হয় সুক্ষ্ম মানসিক সন্তপ্তির জন্য যে তুমি উন্মত্ত ও তুমি বন্ধনে নাই। যদি নিজেকে মट्ठकनজাদ্ শুण्टিয়া দ্বারা करण्या वा कार्याव ব্য তোমার সমস্ত সুখ তখনই আসে যখন তুমি কিছু নিয়ম ভাঙ্গ, যখন তুমি বিশ্যঙ্খলায় আছ!
বিশ্বজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ৰ প্ৰথম প্ৰথম প্ৰথম বিশ্বাস কৰিছিল। তেওঁ প্ৰথম বিশ্বাস কৰিছিল। তেওঁ প্ৰথম বিশ্বাস কৰিছিল আৰু প্ৰথম বিশ্বাস কৰিছিল। তেওঁ প্ৰথম বিশ্বাস কৰা হৈছে। তেওঁ
মাম বাসিকূর বিমুখ্যনা। মশবিদ্য কজ থর ঘুনর ঘুনট্ট। লাথাটন কান জোশিক সিগন্যাল, পুলিশ বা সাইনবোর্ড নেই! তা
- । মাদবশ্ব যেব এে ব force
। ব্রহ্মাে দিয়জই স্রিা োরণ তার দিয়জর বুদিমত্তা আয়ছ। ব্রহ্মাে এে জীবন্ত লদক্ত। তু দম এে জীবন্ত লদক্তর দভতয়র বা েরছ।
জীবন কেরণ্যা ক্বান জনা জাতান কিছূরে নেই। 'জোর যার মুলুক তার' হবে চড়ান্ত নিয়ম।
মহাবিশ্বকে কেবল জড় বলে বিশ্বাস ক্বার লোলিক জালি। ভयोग्यটর বরে জালির মতল বাজকবাদ উ রিশ্মান মুল। য়ূর্বমিন আমরা বিশ্বকে মত জড় বলে বিশ্বাস করি, ততদিন ক্ষমতার জন্য বেশী ও আরও বেশী তৃষ্ণা উৎপন্ন হবে। যদি আমরা অনুভব করি যে মাম বিশ্ব বিশ্ব বিভাজনা, জার টল স্বাভাবিকভাবে আমরা ভাবব, 'যখন সবকিছুই বিশ্বব্যু, আমাকে যা ইচ্ছা নিয়ে বাঁচতে দাও ও যতটা পারি বাঁচি।' আমরা 'জোর যার মুলুক তার' ধারণায় বাঁচতে অনুপ্রাণিত হব।
বারবার মহাজাগতিক বুদ্ধিমতা প্রমাণ করে যে সে আমাদের চিন্তায় সাড়া দেয়। শত শত পরীক্ষা করা হয়েছে, কেবল উদ্ভিদ ও প্রাণীদের নিয়ে নয়, পাথর, আগুন ও জল निर्याउ কवा রায়ট্ট। বরে মতল জিনিয়াগুলি আমাদের চিন্তায় সাড়া দেয়। জাপানী বিজ্ঞানী মাসারু এমোতোর পরীক্ষা প্রমাণ করে জল কর মূক্কবাদব বাসারমন কিলায় মাজা দ্বার বন্দ বিজিন্ন কিলান বাবশাখ্যায়া কিলাব্য ল তার গঠন পরিবর্তন করে।
কেবল যখন আমরা উপলব্ধি করি যে মশবিশ্বন্ত নির্জন য়ূকিত্ৰাণ वाद्य, য়ূথন আমরা মহাজগৎকে উপলব্ধি করি আধ্যাত্মিক সত্তা হিসাবে, তখন শান্তির বীজ বপন করা হয়। কেবল যখন আমরা বুঝি যে আমাদের চিন্তায় কেউ সাড়া দেয়, আমাদের জীবনপথ পুরস্কৃত, আমাদের প্রার্থনায় উত্তর পাওয়া যায়, বক জীবন্ত য়ূকিসাজমীল বল ঘাটক ববশ বিশ্বাসায় এক শঙখলা আছে, কেবল তখন আমরা শান্তি, পরমানন্দ ও আধ্যাত্মিকতার উপলব্ধি করতে পারি এবং সেগুলির জন্য কার্য করতে পারি। তখন কোন সীমারেখার মালিক হওয়া পরিবর্তে আমরা আমাদের চেতনা প্রসারিত করার চেষ্টা করব। যেই মুহুর্তে আমরা বিশ্বাস কवरण उन कवि व्य सराविश्व वक বর্ষিক্ষণ, আমরা সহজেই তার ওপরে আস্থা রেখে আরাম করতে পারি।
শিল্পী বিশ্বাসা কৰিছিল। তেওঁ প্ৰথম বিশ্বাস কৰা হয়। তথ্যসূত্ৰ
একটা সুন্দর জেন গল্প আছে :
এক শিষ্য এক জেন মাস্টারের কাছে য়াংর উ জিখ্খামা করব, 'মাঞ্জ্জীন, প্রয়া করव আমায় ব্যাখ্যা করে বলুন আপনি কিভাবে শুরু কবটোনন, কিলারি ভাবানভ भर्थ कलटनन, কিলারি वा वार्षानि করলেন।'
মাম্রোঁন বটলন, 'য়ূথন বাসি করলাম, পর্বতমালা ছিল এক পর্বতমালা, নদী ছিল এক নদী এবং বৃক্ষ ছিল এক বৃক্ষ। যখন পথ চলছিলাম পৰ্বতমালা পৰ্বতমালা ছিল না, নদী নদী ছিল না এবং বৃক্ষ এক বৃক্ষ ছিল না। আবার যখন পরম প্রাপ্তি হল পর্বতমালা হয়ে গেল এক পর্বতমালা, নদী হয়ে গেল এক নদী এবং বৃক্ষ হয়ে গেল এক বৃক্ষ। '
পরমপ্রাপ্তির আগে যদিও তুমি নিজেকে ব্যমাসাবন মটন কব, কূলি মাধাवर শাক। প্রাপ্তির পরে, যদিও তুমি অসাধারণ, তুমি বোঝা যে তুমি সাধারণ।
বক্কো মুল্যন বিমুখ্যনা वाट्ड য়াদক তুমি 'শঙখলা' বল, তা হল তোমার দেহ, মন ও সত্তা। যখন উপলব্ধি কর যে ব্রক্ষাণ্ডের विभুख्यनाय বক মুখ্যলা वाट्ड, য়ূসি জনवर
।
- -
seer (seen) - - (seeing)।
দ্রষ্টা তার মধ্যে সম্পূর্ণরূপে আনন্দে না থাকলে সে অস্থির হয় ও লাফায়। যখন সে লাফায়, সে দুশ্যকে জীবন প্রদান করে। যেহেতু সে দুশ্যকে জীবনপ্রদান করে, লাফ দেওয়ার এই প্রক্রিয়া 'দৃষ্টি' হয়ে যায়।
য়ূর্বেজাদ্ব মুষ্টি ব্যক্তিয়াদ্ব বাদ এক্যা য়ায়া। মুষ্টি ব্যক্তিয়াদ্ব বক্ত ক্বান জনা রায় দ্রষ্টাকে, নয়ত দৃশ্যকে বাদ দিতে হবে।
যখন দশ্যকে ত্যাগ করা হয়, তা দ্রষ্টার ওপরে তার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। লাফাবার কোন অর্থই নেই কারণ দুষ্টিগোচর করার জন্য কিছুই নেই। যখন লাফাবার জন্য কোন জায়গা शाদক না, দ্বারা মুখ্যান কিয়েটন বানাস করব, য়্যন মুষ্টি ঘটনে না। য়াথন মৃষ্ঠি তরে, জুষ্টা জীবনমুক্ত হয়।
মুझा মুক্राटক श्रिव রখ
য় বালি মুমারক বাদ মিট্য বরে লায় বক্ত করव ল এক জাংচি, ল्म বক মন্নামী। কান কিছূ দিশাদ্ব রেশ্ঠা টন সুইট্ড করন, ল বিশ্বাম করব য় জান কাটণ রেলিয়াগ্রা য়াদকান বসুद्ध কান सूला তরে। মুনা জাটক সেটছিলিয়ে করতে পারে না এবং লাফ দেওয়া বন্ধ হয়। সে জান করव জীবনসূক রূয়। বাজেরে মণ্ড আত্মজ্ঞান।
জ্ঞাণনন জোভনট্ক ভূর্বকর্ত वजन বিজ্ঞান বিজ্ঞ्ज्य করে। এইভাবে সে বাস্তবতাকে আবিষ্কার করার চেষ্টা করে। আসল উদ্দেশ্য হল এক তীক্ষ্ণ ও বিদ্যক য়ূকিতাউন বিকাশ য়াদ্ব মথা मिट্য বাস্তবতাকে অভিজ্ঞতা করা যায়। ভারতবর্ষের মহান পরমজ্ঞানী সন্ত আদি শঙ্করাচার্য জ্ঞানের ভট্য করণণিটলন वবর জীবনসূক রায়ণ্ডিলন। জিনি বাণ্যস্কান সমরকা মনাকর্ণা মুনচীন উ স্পষ্ট শাস্ত্রসকল রচনা করেছিলেন।
দুশ্য
মুংহি মুंगाटक सूट्र (করল
অপরদিকে দুষ্টা নিজেকে বাদ দেয়, যা থেকে যায়, তা হল দুশ্য এবং এটা হলেও দ্রষ্টা ও দশ্যের মধ্যে লাফ দেওয়া বন্ধ হয়। বাস্তবকে মন্যা য়ায়া। মুণ্ডী করিন মথা मिट्या জীবনসূক হয়।
য়াথন দ্বেষ্টাভ ভবিষ্যৎ सूटण য়ায়, য়াথন মুখ্যা মটনা দ্ববীড়ক রুট্য য়ায়, জন্মন বাস্ত্রাজ্যव প্রতি অগাধ ভক্তি ঘটে! তার কাছে সবকিছুই বাখির্জণ বক মন্যাটন জান ভবিষ্যৎ বাদ शाদক না। ল অস্তিতের সাথে মিশে যায়। সেইজন্য ভাৱতে মীরাবাঈয়ের মত সন্তেরা ভক্তিপথে নিজেদের ভनिष्ठয় কুटल শিষ্য কে মুद्रवन करणनाয় फरव সর্বদাই সমাধিতে থাকতেন। মীরাবাঈ কোন রকম আত্ম-সচেতনতা ছাড়াই রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে কেবল ঈশ্বর বন্দনার গান করে চলতেন।
জারে ব্যকারবরে (শক, রূপ মুংহিটক অথবা দুশ্যকে বাদ দিতে হবে। একমাত্র তবেই মুখ্য উ মটনাভ মদ্য লায়ালাসিক বক্ত রখ। লাফালাফি বন্ধ হলেই দৃষ্টির প্রক্রিয়া বন্ধ হবে।
মুক্তিয়া वर्थवा মুট্যা, ব্যানার করণাটনরে কূলি আটকে থাক না কেন, পূর্ণরূপে আটকে থাক এবং তুমি পরমজ্ঞানপ্রাপ্তি করবে! যদি তুমি দ্রষ্টা ও দুশ্যের মধ্যে লাফালাফি করতে থাক, পূর্ণিত সर्था कानानिज स्विन ना रख, য়ূসি তাহলে দ্রষ্টা ও দুশ্যের পথক অস্তিত্তের এক বাহিরণ শাকরব। বर्द लক্কবাম्यर জাতাব ব্যক্তিগত দৃষ্টি হয়ে প্রতীয়মান হয়।
য়াথন মুট্যান কম্ভাক দ্বারা কম্ভারকव চেয়ে বেশী হয়, দ্রষ্টাব্কে পরিবর্তিত করা যায় वश्वा मुम्बा मुन्दा माना भविषा लिএ রূয়। য়াথন মুখ্যন্ত কম্ভাক মুम्বাদ কম্ভারকन কর্ম बनी
र्य, মুমারক ভববর্ণিক ক্বা য়ায वश्वा দ্বার দশ্যকে নিজ উদ্দেশ্য সাধনে পরিচালনা করে।
চেতনার দ্রষ্টা ও দুশ্যে রূপান্তর
আমরা কারণহীন উচ্ছুসিত আনন্দ থেকে অস্তিত্বের মহাসাগরে 'সঙ্টি'-র ঢেউ ওঠে। অসংখ্য ব্রহ্মাণ্ডে গণনাতীত প্রকাশের সাথে দিব্যের লীলাকে বলে 'স্থিতি'। সেই লীলা বন্ধু করা ও নিজের মধ্যে আরাম করাকে বলে 'লয়'। সেটা হল গুণাতীত পরম অবস্থায় ফিরে যাওয়া। তারপর কোন যুক্তিগত কারণ বিনা সেই লীলা আবার শুরু হয়। এইভাবে মহাজাগতিক চেতনা অগণ্য আকার ধারণ করে ও এইব্লুপে অসংখ্য দ্রষ্টা ও দশ্য সৃষ্টি করে! এটাই জড় বিশ্বের উৎস।
সমষ্টিগত চেতনা
আমরা আমাদের ভাবা মত অসংযুক্ত নই এবং পথক পথক দ্বীপ নই। হয়ত জড় স্তরে আমাদের সবাইকে আলাদা আলাদা দ্বীপ বলে মনে হয়। কিন্তু আমরা পছন্দ করি কি না করি, স্বীকার করি কি না করি, আমরা তা চাই কি না চাই। আমরা সবাই সমষ্টিগত চেতনা দ্বারা পরস্পরের সাথে সংযুক্ত।
এটা এই প্রকার : যদি খাবার বিষাক্ত হয়, যে সেটা খায় কেবল সে ভোগে, সবাই নয়। ব্যক্তিত্ব বলে মনে করতে পার। কিন্তু অস্তিত্বের পরস্পরসংযুক্তি আরও স্পষ্ট দেখতে পার। উদাহরণস্বরূপ, যদি বাতাস বিষাক্ত হয়, যারা তাকে শ্বাসে গ্রহণ করে, তারা অনেক দূরে শ্বাসপ্রশ্নাসের স্তরে। তার অর্থ সূক্ষ্মতর শক্তির স্তরগুলিতে আমাদের মধ্যে দূরত্ব কমে যায়।
শারীরিক ও শ্বাসের স্তর চেয়ে মানসিক স্তরে আমরা আরও বেশী সংযুক্ত। মানসিক স্তর বলতে আমি চিন্তার স্তরকে বোঝাচ্ছি। আমাদের চিন্তা তোমার সর্দির চেয়ে অনেক বেশী সংক্রামক। বস্তুত লোকেরা হয়তো তোমার সর্দি থেকে বেঁচে যাবে, কিন্তু তারা তোমার চিন্তাগুলি থেকে পালাতে পারবে না।
একটা সহজ উদাহরণ নাও - কলেজে রবিবারের ফুটবল ম্যাচ দেখতে যাওয়া। যখন তুমি সেই স্টেডিয়ামে প্রবেশ কর, তুমি দেখ যে সেখানকার খুশির মেজাজে প্রভাবিত হয়ে যাও। যেমন ধর্মীয় লড়াই বা ঘরে কেউ মারা যাওয়ার মত সমষ্টিগত শোক, সেই মেজাজ তোমাকে প্রভাবিত করে।
যদি আসা চিন্তাসমূহ দ্বারা আক্রান্ত হও, তুমি মানসিকভাবে কষ্টভোগ কর। একইভাবে তুমি যদি কান ওয়া কিন মন দূষিত হয়, তাহলে সে কেবল নিজে নয়, শহরের নেতা হলে তার নেওয়া নির্ণয়গুলির জন্য পুরো শহর কষ্টভোগ করে! তার অস্থির মন থেকে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং তা সমস্ত শহরের জন্য ক্ষতিকর হবে।
এক ধাপ এগিয়ে বলা যায়, যদি একটা মুখিক ভাবনা (শটাক কান কার্য রুয়, ট্রাউ কার্য কেবল সেই ব্যক্তিকে প্রভাবিত করবে তা নয়, তাতে বিরাট জনসংখ্যার ওপরে প্রভাব পড়তে পারে।
উদাহরণস্বরূপ, পরমাণু বোমের কথা নেওয়া যাক। এটা কেবল পরমাণবিক তত্ত্বের এক আইনস্টাইনের আবিষ্কৃত বিখ্যাত সূত্র E=mc2 হল পরমাণু বোমের ভিত্তি। কিন্তু এই সূত্রের দ্বারা সম্পূর্ণ পৃথিবীকে ধ্বংস করা যায়। আমরা সবাই এখন এই তত্ত্বে, এই ভাবিকাত বাণিকা।
যখন আমরা স্বতন্ত্র, অসংযুক্ত ও অপরের সাথে অসম্পর্কিত থাকি। আমরা স্বার্থপর, গোঁড়া ও হিংস হয়ে উঠি। যখন আমরা কেবল ব্যক্তিগত চেতনা নিয়ে থাকি, আমরা ব্যবচ্ছেদ করি, আমরা জিনিষগুলিকে ভাগে ভাগে কাটে ও বিশ্লেষণ করি। এই প্রকার যুক্তি জিনিষগুলিকে চেতনা - সাথে - সুর - বাঁধলে - আমরা জিনিষগুলিকে একীভূত করি।
কেবল মানসিক স্তরে নয়, বাসনাকি স্তরেও তুমি গভীরে যাবে তত গভীরভাবে তুমি সংযুক্ত হবে। এখানে এই রেখাচিত্রটি দেখ। এই রেখাচিত্রটির মাধ্যমে আমি তোমাদের সত্য ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করব।
Part 11: Living Enlightenment (Gospel of THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM)
এই সাতটি ব্যু আমাদের মধ্যে সাতটি শক্তি-স্তর বর্ণনা করে। প্রথম স্তরটি হল স্থল শরীর, যে শরীরকে তুমি তোমার হাত, পা ইত্যাদি হিসাবে অনুভব কর। দ্বিতীয় স্তরটি হল ভাগ মনীন। এইভাবে সাতটি শক্তি স্তর দিয়ে সম্পূর্ণ শরীর তৈরি হয়, যেখানে স্কুল শরীর কেবল একটা স্তর।
এখন স্থূল স্তরে, 'তুমি', 'ঈশ্বর' ও 'আমি'-কে তিনটে ভিন্ন বিন্দু দ্বারা বৃত্তে প্রতীক করা যায়। স্থুল স্তরে আমাদের মধ্যে এই দূরত্ব খুব বেশী।
আরেকটু গভীরে মন শরীরে গেলে দুরত্ব আরও ঘোচে। যখন তুমি গভীরে, আরও গভীরে চলে যাও, সেখানে কোন দূরত্ব নেই। সেটা স্থূল স্তরেও সত্য! কেবল তোমার প্রত্যক্ষকরণের জন্য তুমি ভাব যে তুমি অস্তিত্ব থেকে পৃথক।
তোমার ভাবা মত তুমি স্বতন্ত্র সত্তা নও। যখন তুমি কাউকে ঘনিষ্ঠভাবে ভালবাস, তার প্রেম ও কষ্ট তোমাকে প্রভাবিত করে। তা তোমার সত্তা থেকে আসে ও যায়। তার কারণ, গভীরতর স্তরে তোমার কোন আলাদা অস্তিত্ব নেই। তুমি কষ্টভোগ চাও না, কিন্তু যে করেই হোক তুমি তা থেকে পালাতে পার না। বারংবার তুমি আধ্যাত্মিক বন্ধন অভিজ্ঞতা করতে থাক। তার কারণ তুমি সচেতন নও যে তুমি সমষ্টিগত চৈতন্যেরই অংশ। একবার তুমি যদি উপলব্ধি কর চৈতন্যের অংশ এবং তোমার কোন ব্যক্তিগত বাসিকূ তরে, জানাব কান পৃথক বাসিকূ নেই, তাহলে তুমি কষ্টভোগ করবে না।
অস্তিতে পথক, স্বতন্ত্র পরিচয় বলে কিছুই নেই। একবার তুমি তা অভিজ্ঞতা করে ময়া কর।
তোমার কি মনে হয় যে তুমি অবিশ্রাম ? একটা সুন্দর কথা আছে :
মানুষ নিয়মমাফিক এক বোকা, গরমের সময় ঠান্ডা চাইছে, ঠান্ডার সময় গরম চাইছে, সর্বদাই যা নেই, চাইছে তাকেই!
আমি হিমালয়ের ভীষণ ঠান্ডায় কম কাপড়ে থেকেছি। দেহ কখনও অস্থির হয় নি। আমার কখনও মতমান হয়নি। কখনও রু ল বাসি নির্জা আবহমণ্ডল থেকে কখনও পৃথক ভাবছিলাম না। প্রকৃতি থেকে নিজেকে পৃথক হবার কোন ভাবনাই আমার ছিল না। আমি হিমালয়ে বহু সন্ন্যাসীদের দেখেছি যারা ঠিক এই জিনিসটার করেন।
যখন তুমি আবহমণ্ডল থেকে আলাদা, তুমি তাকে বাধা অভ্যাস তুমি এখন নিতে পার। যদি তুমি ঠান্ডা অনুভব করে, নিজের সাথে একদম স্বস্তিতে থাক। কোন জায়গায় ঠান্ডা লাগছে তা নিরূপণ কন। বাতাসকে বাধা দেবে না। তাপমাত্রাকে বাধা দেবে না। কেবল নিজেকে বলতে থাক, 'আমি ভূকাজিটক বাসা ফিট্ঠ য়ান্ড্রি না। বাসি জানসাবাদক বাধা মিট্ঠ য়ান্ডি না। বাসি বাসিকুটক বাশা ফিট্ঠ য়াণি না। বাসি ত্যন মেখিটক থাকি।' একটা মটন্ডন নির্মাণ নাও। তুমি দ্বার্থট্ব ব্য এক বানাস কান্না ব্যবস্থা মজলজান শাদবা বাদ্য বা শাদ্যা রায়া রায়া রায়া কুলি সম্পূর্ণরূপে স্বস্তিপূর্ণ হলে।
যখন আমি এটা বলি, লোকেরা আমায় প্রশ্ন করে, 'এটা এখানে অভ্যাস করাটা ঠিক ওয়ার্ড, কিলু বক্রমল কব্রত বাবশাখায় কি হবে?' মন সর্বদাই চরম জিনিষ সম্পর্কে ভাবা ভূক করব, যদি উ রণণে कथनউ घটেটাক যাত্রক না। ভবিষ্যতান করব বায়, বসনাকি কবস ব্যবহারণ উ কুলি বাজা কবারণ ভাব, যদি কুসি পূর্ণতার সাথে এর জন্য প্রচেষ্টা হও। এখনকার সমস্যা হল তোমার ততটা পূর্ণতা নেই, ততটা
স্পষ্টতা নেই। যদি প্রকৃতির সাথে একদম সুর মিলিয়ে থাক, নিশ্চিত তুমি চরম অবস্থাতেও সম্বন্ধে থাকরবা বর্ণু সানুष জা করব হর বর্তর তুমিও পারবে।
আরেকটা জিনিষ হল বাতালে সমস্ত প্রকার জীবাণু, ব্যাক্টেরিয়া ও ভাইরাস আছে। কিন্তু প্রকৃতির সাথে পূর্ণকর্পে সুর বেঁধে ঐকতানে থেকে ভাইরাস বা ব্যাক্টেরিয়া তোমার ভিতরে প্রবেশ করলেও তুমি উপদ্রুত হবে না! যেই মুহূর্তে তুমি ভাবা শুরু কর যে তুমি কেউ একটা, তুমি অস্তিত্ব থেকে আলাদা এক সত্তা, তখন সম্পূর্ণ অস্তিত্ব তোমার কাছে শত্রু হয়ে যায়। সে তোমার একমাত্র আস্থাভাজন পিতা, মাতা, বন্ধু ও শিক্ষক।
যখন মূল সিলিট্য শাক, যখন কুসি মর্বাষ্টিভণ কেজন্মণ বর্ষ্ব রায় রায়, থুকুনি জানাব সাথে থাকে। প্রকৃতি তোমার বন্ধু হয়ে যায় এবং সে তোমাকে রক্ষা করে।
যদি তুমি সামাজিক বা আর্থিক দিকে সফল হবার ইচ্ছা কর, কেবল যখন তুমি সমস্ত দলের সাথে নিজেকে একই সুরে বাঁধা অনুভব কর, কেবল যখন তুমি সমষ্টিগত চেতনার সাথে ঐকতানে থাক, তখন তুমি যা অর্জন করতে চাও তা অর্জন করতে সমর্থ হবে। যতক্ষণ তুমি ধারণা রাখতে কা উ য় কুলি ' করে বকলন', বক ' ভবিষ্যৎ', জারুটল স্মেষ্ঠ রূপয় যা উ, জুসি বাসা ভারত বনার তুমি বাধা দিতে থাকবে। সেটা ঘর, অফিস বা
ছুটি কাটানো যাই হোক না কেন, এটাই ঘটবে। যদি জুনী মরাষ্ট্রিশন কে তোমাকে বারংবার রক্ষা করা হবে ও তোমার মুক্তি মিলবে। কুলি ভূষ ময়লণ বর্জন করবে, কেবল সামাজিক বা আর্থিক দিক দিয়ে নয়, অনুভূতি হিসাবে। সেই অনুভূতি ব্যাখ্যাতীত, অব্যাখ্যেয়। যেই মুহূর্তে বাধা দেওয়া শুরু কর, তুমি তা থেকে নরক তৈরি করা শুরু কর।
একটা ছোট গল্প :
এক ব্যক্তিকে একদল লোক বলে যে তার স্ত্রী নদীতে পড়ে গেছে। তাই ব্যক্তিটিকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে স্ত্রীকে বাঁচাতে হবে। সে সঙ্গে সঙ্গে ঝাঁপ দিল ও প্রোতের উল্টোদিকে সাঁতার কাটতে লাগল।
সকলে অবাক হল তাকে বলল, 'ওহে! তুমি প্রোতের বিপরীতে কেন যাচ্ছ? তোমার স্ত্রী নিশ্চয়ই স্রোতের নীচের দিকে চলে গেছে।'
ব্যক্তিটি উত্তর দিল, 'তোমরা আমার বউকে জান না। নদীতে পড়ে গেলেও সে তার স্বভাবমত বিপোরিতেই যাবে!'
যতক্ষণ তুমি স্নোতকে বাধা দাও, সেটা তোমার কর্মস্থল বা তোমার ঘর বা তোমার কোম্পানি বা অন্য যে কোন জায়গাই হোক না কেন, যতক্ষণ তুমি সমষ্টিগত চেতনায় অদৃশ্য হচ্ছ না, তুমি অবিশ্রাম নিজের জন্য ও অপরের জন্য নরক সৃষ্টি করতে থাকবে। এমনকি স্থল স্তরেও যদি ভাব যে তুমি বিশেষ কেউ একটা, জারুল স্মেষ্ঠ করব (বাধ্য, কুলি ব্যমূন্ত্রণাটাক আমন্ত্রণ করবে।
মানসিক স্তরে যদি তুমি ভাব যে তুমি এক পথক সত্তা, তাহলে বারবার তমি হিংসার বীজ বপন করবে। তুমি নিজেকে স্বতন্ত্র অনুভব করলে হিংসার বীজ সৃষ্টি করা হবে। সমষ্টিগত কেজনা মৎকারব রুসি বুকীলুক রখ, কিলু ব্যক্তিগত চৈতন্য সহকারে তুমি ব্যবচ্ছেদ কর, তুমি জিনিষগুলিকে টুকরো টুকরো করে কেটে ফেল। ইউকি (logic) মনমমত অন্তর্জ্ঞান বা স্বজ্ঞা (intuition) সর্বদা একীভূত করে।
যদি সুরূর্ণ কৃতি বাদা ব্য কৃতি ভজীভনাদব মণুক, মুর্শকার মণ্ডল ম মশ্যক, বেকালিকারব মাস মটনব মার্শ্ব বনাএকা ভ সংযুক্ত, সমস্ত ব্রহ্মাণ্ডের সাথে সংযুক্ত, তাহলে কেবল পরমানন্দ অভিজ্ঞতা করবে তা নয়, তুমি জীবন্ত হওয়া শুরু কর। তুমি তোমার সত্তার বিভিন্ন মাত্রা উন্মক্ত করতে শুরু কর।
ঠিক যখন কুলি কাটক বানু, জনবন্তণ বশ্যুন বানু, জামাদক বার্তনক কিলা কবারণ রাজ্য বার্ক বার্কণী কর নির্য়া জাতারক করণ কিলান না কবারণ রাজ্য। জানি কর কিছু সে কা বা কা বর্ণ ভাব। যখন কুলি মর্বাষ্টি ভএ চেতনাতে অদৃশ্য কল্পনাতীত তোমার অনেক মাত্রা ও অনেক সম্ভাবনা হবে! দেখ, এখন একটা দেহের জন্য তোমার খুশীর অনুভূতি আছে এবং তুমি কত উপভোগ করছ। কল্পনা কর, তোমার দুটি দেহ থাকলে তুমি কি করতে পারবে? আর কেবল কল্পনা কর, তোমার অনেকগুলি দেহ থাকলে তুমি কি প্রকার অনুভব করতে পার! সমষ্টিগত কেজনাণ বর্ষ রুটল কুলি বারে ওয়ার্ড বান্ডিকারে লাভ করবে।
যখন বুকীলুক রবাভ ব্যবহারন বানুস্ত্র বা সমষ্টিগত চেতনা অভিজ্ঞতা কর, তুমি তোমার নাম, সম্পদ, সামাজিক প্রতিষ্ঠা ও সম্মানের মূল বিদ্যম জুটল যা উ। যা কিছূটক 'তুমি' বলে মনে কর, তা একদম অদৃশ্য হয়। তুমি যা, তা প্রকাশিত হয়।
চিন্তার সমস্থানিকতা
যদি জুনি সাঁতার কাটতে বা এক ঝাঁক পাখিকে একসাথে সেফটাক কানিকন মমলায় কথরব। রাজ বক্রম' পাশী একসাথে v-আকার রচনা করে উড়ছে, কিন্তু যখন তাদের দিক পরিবর্তন করতে হয়, তারা সবার জনভর মণ্ড মান্য করব ববর বাদর জারণ কোন বিভ্রান্তি অথবা সময়ের ব্যবধান থাকে না! বিজ্ঞানীরা वायाव करण करण बजे কিভাবে সম্ভব। এমনকি কীটপতঙ্গ ও পশুদের অধ্যয়ন করে দেখা গেছে, ভয় পেলে তাদের ভবিকিয়া বজ মূল্ক রূপ য়া জা মাধভর যোগাযোগের প্রক্রিয়া দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায় না।
কুকুরদের ওপরে চিন্তার ক্ষমতাকে অধ্যয়ন করার জন্য একটি চিত্তাকর্ষক পরীক্ষা করা হয়। কুকুরগুলির মালিকদের কোন নির্দিষ্ট আয়ানায়া য়াবাদ কান লেক্টনা ছাডারে বাড়ি (শ্ক কটন ব্যটক বনা রয়া। বাজি ছাডান ভটব তাদের নির্দিষ্ট কিছু কিছু জায়গায় যাবার নির্দেশ मिन्या রুয় বনার য়া কান মতদ্য রুঠাএ জামেন ফিরে আসতে বলা হয়। দেখা গেছে, মালিকের বাজি কির্দ্ব বামান মতদা, থায়া থণ্ডবাদর কুকুর দরজার সামনে যাবে এবং মালিকের জন্য অপেক্ষা করবে।
হিন্দু আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের বিধ্বংসী সুনামির ঘটনায় করণ (ভট্ট য় মুনাসি মোট্ট বামান ঘাটন ভিন্নাজ হাদি মার মল বাপিনা মতুম জন (শরক সেক্টর ব্যা
মূলকিক আয়নায় করন যায়। ঘটনক ঘণ্ডনায় দেখা গেছে যে ভূমিকম্প হবার কয়েক মিনিট আগে পশু ও পোকামাকড় ভুমিকম্প আসছে বলে বুঝে যায়। আমাদের ও এই প্রাণীদের মধ্যে কি পার্থক্য? সেটা হল তাদের প্রকৃতির মার্ঘ মর্য়াগ! ভূকাজিন মার্ঘ মূল বিদ্য বমবাম কবাদ জনা জানা বক্কিত মটক্কি বুঝতে পারে। মানুষের ক্ষেত্রে, আমাদের পরিচয় ও আমিত্বের মিথ্যা বোধের কারণে, আমরা ভূকাজিব মার্ঘ মর্য়াগ শাবিদ্য করনাই ব্যবস্ প্রকৃতির অনুভূতিহীন হয়ে গেছি।
উচ্চতর বুদ্ধিমত্তায় সুর বাঁধা
ইতিহাসে অনেক ঘটনা দেখবে, এমন সব মানুষ্যনা বন্দ বাবিকান বন্নে মতদা ভশ্রিবীন জিন্নি জিন্নি জায়নায়া করবতণ য়াওয়া পরস্পরকে জানেই না। তার কারণ ধারণাগুলি সমষ্টিগত চেতনায় ভেঙ্গে বেড়াচ্ছে। এটা এই রকম : আকাশে শত শত তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ আছে, কিন্তু তোমার টেলিভিশন কেবল সেই কম্ভারকভ উনকরক ধন্ব য়াব মাথ যাএথ জাতক টিউন করা হয়েছে। একইভাবে, যে সমস্ত মন তৈরি ও ভাসমান ধারণাগুলির জন্য অপেক্ষা করছে, সেই মনগুলি সুর বাঁধবে ও সম্ভাবনাকে বাস্তবতায় রূপান্তরিত করবে।
যখন বাসারমন ভুনববৃদ্ধিতৃত্বক কিঞ্ছা থাকে, তখন আমরা সেই সমস্ত চিন্তা তরঙ্গ প্রেরণ ও গ্রহণ করি যেগুলি একই প্যাটার্নের হ্য। বায়বা বাসারমন কিলান জাল বায় বাণীক মানুষের জীবন নির্বাহ হয়। কিন্তু বুদ্ধিমতাশীল ব্যক্তিরা সব সময়ই নিয়মগুলো বুঝতে পারে।
সৃজনশীলতা ও নতুনত্বের গতিপথ বা চ্যানেল হবার জন্য উচ্চতর বুদ্ধিমতাতে সুর বাঁধে ।
ঠিক যেভাবে ব্রহ্মাণ্ড নিজেকে এক সত্তা হয়ে বিদ্যমান হবার জন্য অনেক ইঙ্গিত প্রদান করে, বাস্তববাদ মন্ডল মন্ডক বায়বা প্রকৃতি থেকে আভাস পেতে পারি। ১৯২০ সালে পর পর কতগুলি পরীক্ষায় দেখা গেছে, রেন্দ্রদ্বন সমিত্যান ব্য কান বর্ণ মনিষ্ঠ ফেললেও ইঁদুর সার্জারীর আগে শেখা জটিল কার্য করার স্মৃতি বজায় রেখেছে। বস্তুত ইঁদুরের মুখিক 'শ্রলাভায়েকিক' স্থাণি ব্যমর্ফন করন। বিজ্ঞানীরা প্রস্তাব রাখে যে স্মৃতিগুলি স্নায়ুকোষে মটকটর লিয়া তরহ, কিলু মায়া স্মুল্নব ভগ্রাজার্ব সখিরক কিন্মকন্ন আজাবািণিকাস্বকরব ওয়াটার লেসার আলোকরশ্যুর পরস্পরবেক ক্রিসক্রস করে হলোগ্রাম গঠন করার মত। এটা হয়ত ব্যাখ্যা করে কিভাবে দুটি মুষ্টির মুষ্টির আকারের মানুষের ছোট মস্তিষ্ক হাজার কোটি তথ্য সঞ্চিত রাখতে পারে!
বিশ্বব্রহ্মাণ্ড এক হলোগ্রাম এবং আমরা মনে র রলাশার্মিত বা বাক বর্ণ। রালাভারত, টনাথার্মন বিবিধি বর্ষ্বকরক তা সেই হলোগ্রামের সমগ্রতাকে প্রতিফলিত করে। সমগ্রতাকে প্রতিফলিত করি। ব্রহ্মাণ্ড জীবিত ও মণ্ ভার্থন সর্ব্বুগালা নয়। বর্ষণ উক্ বিশাল পরস্পরসংযুক্ত 'পূর্ণ'। তুমি তোমার বার্তনার্থন মনকিকুন মার্ঘরে মশুক -গাছপালা, পশুপাখি, পৃথিবী ও অন্যান্য গ্রহের পাথর, তারা, ব্রহ্মাণ্ডের নীহারিকা বা গ্যালাক্সি - সব কিছুই। তুমি তা উপলব্ধি কর কি না কর, তা নির্ভর করে তুমি চেতনার কোন স্তর থেকে তাদের উপলব্ধি করছ।
প্রশ্নোত্তর পর্ব
প্রশ্ন : বিজ্ঞাননব সার্ক মানা রুল পদার্থের অনুপস্থিতি। কিন্তু আপনার মতে শন্য হল শক্তি। পদার্থ বা বস্তু হল শক্তির প্রকাশ। আপনি শন্যের সংজ্ঞা কিভাবে দেবেন?
উত্তর : দয়া করে বোঝা বিজ্ঞান তার দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তন করবরণ। যখন বিজ্ঞানীরা এক স্বচ্ছ ধারণা নিয়ে আসছে যে 'শন্য' বলে কান কিছু মণ্ডি কান্না যায় না। ব্যবস্থিত মহাকাশে যেখানে তুমি বল যে শুন্য বিদ্যমান, সেখানে ঈথার আছে। ঈথার শক্তির স্থল রূপ। বিজ্ঞান এই সত্য নিয়ে আসছে যে ঈথারও এক পদার্থ। তাকে মাপা যায় ও নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিজ্ঞান বর্তমান এক ভয়ার্থা বিবর্ষিক রায়রণ ব্যখ্যান বিজ্ঞান ব্যাস্ত্রাণিক সত্যকে কিছুটা অনুধাবন করতে পারে। তারা বুঝতেক মানা নয়। অনুপস্থিতি। পাঁচটি প্রধান উপাদান আছে -মাটি, জল, অগ্নি, বায়ু ও আকাশ (পঞ্চভূত : ক্ষিতি, অপ, তেজ, মরূৎ ও ব্যোম)। শুন্য হল এদের মধ্যে চারিটির অনুপস্থিতি - মাটি, জল, অগ্নি ও বায়। ব্যাস। সেটা পদার্থের অনুপস্থিতি নয়, সেটা চার উপাদানের অনুপস্থিতি।
রাজা রাজা বর্ণনা বাটন থাটকাব অধিষণ বাসুনামু বিজ্ঞান ব্রাহ্মনা করবানি কান। বারে বিজ্ঞান বাসারমন থানারিক জীবনন কিভাবে ঈথারের শক্তিকে কাজে লাগানো যায় তা শেখানো হয়। সেটা ঘরবাড়ি বানাবার এমন প্রক্রিয়া যাটক কেশব মণ্ডিক ঘটনব মধ্যে সম্ভবমত সবচেয়ে ভাল করে আবদ্ধ করা যায়। আজ বিজ্ঞানীরা ঈথারকে কিভাবে ব্যবহার করা যায় তা নিয়ে কাজ করছে!
তাই আমার মতে এবং বিজ্ঞান অনুসারে, শন্য হল শক্তি, পদার্থের অনুপস্থিতি শন্য নয়।
প্রশ্ন : বলা হয় ব্যক্তির নিজের মনের ওপরে নিয়ন্ত্রণ আছে। তার অর্থ কি বাইরের মনগুলি ব্যক্তির মনকে ও চিন্তার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে? আমরা কিভাবে তা নিয়ন্ত্রণ করি এবং ক্রোধ ও বিষণ্নতা থেকে মুক্ত হই?
উত্তর : সুন্দর প্রশ্ন। তোমার কি তোমার মনের ওপরে নিয়ন্ত্রণ আছে?
প্রশ্নকর্তা : কখনো কখনো আমার তা কঠিন লাগে...
ঠিক ঘাটক। বারে লেখনাণি বাসি ভার্য মন আয়নাটক ভারে। বক বাকিন জান মতনব ওপরে নিয়ন্ত্রণ আছে - এই উক্তি কেবল বলা হয়, কখনও অভ্যাস করা হয় না এবং কখনও বালিখ্যা কওয়া রুস না। ভটবন্নং, বার্ডব্যন মনগুলি ব্যক্তির মন ও চিন্তার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।
তুমি কি বিবাহিত?
প্রশ্নকর্তা : হ্যাঁ!
তাহলে তুমি স্বীকার করবে যে তোমার भণি कवरण Bharat। त्या व करण करनन जान कथा म्बाबा रूय, जा नय, वसनकि वनाजादव उ ज ঘটে!
উদাহরণস্বরূপ, ধরা যাক তুমি এখানে ধ্যান করার জন্য আসতে চাও। তুমি তাকে বল
তমি ধ্যান করার জন্য যেতে চাও। সে প্রতিবাদ করে না, কিন্তু মুখভার করে থাকে। কেবল তার সেই মুখভারের স্মৃতি এখানে তোমার ধ্যানকে প্রভাবিত করতে পারে। এখানে বসে তুমি তার ভার করা মুখের ধ্যান করবে! এমনকি তুমি এখানে আসার সময় সে শহরে না থাকলেও কেবল তার ভার করা মুখের স্মুখের স্মৃতি অথবা আগের বার তার কাছে অনুমতি চাইবার সময় তার দ্বারা বিকিরণ করা শক্তিই যথেষ্ট - ধ্যান করার সময় এখানে তোমার মেজাজ বিষণ্ণ হয়ে যাবে।
তাই বোঝ, অন্যেরা তাদের চিন্তা প্রকাশিত না করেও তোমার মনকে প্রভাবিত করতে পারে।
প্রশ্ন : কিভাবে মনের প্রভাবকে নিয়ন্ত্রণ করি?
উত্তর : ধ্যান দ্বারা!
তুমি একটা পেঁয়াজের মত। পেঁয়াজকে उद्व उद्य राज़ादन जिज्जन कि भाउ? क्वचल শন্যতা! পেঁয়াজ ভাবে তার ভিতরে নিরেট কিছু আছে, কিন্তু তাকে যখন স্তরে স্তরে ছাড়ানো रया, जा गना। बकरेबादव मानव बादव क वाकिशत करणना, किलु यदि वासना वाकिश्ण उनुल काज़ार, का वजिज्ज्ञा कवादव क মহাজাগতিক চেতনা, সমষ্টিগত চৈতন্য! অপরের থেকে, অপরের মাধ্যমে, অপরের দ্বারা তোমার চেতনাতে কোধ বা বিষণতা ছড়িয়ে भड़ा विविद्वास कवाद जना बजेर बक्ताव উপায়। ধ্যান করলে তোমার সজাগতা বুদ্ধি পাবে এবং তুমি ব্যক্তিগত চেতনার প্রত্যক্ষদর্শী
হবে। যা কিছু তুমি ব্যক্ত কর, তা মহাজাগতিক চৈতন্যে দ্রবীভূত হয়ে যাবে।
প্রশ্ন : আমাদের কষ্টভোগ কেন করতে হবে? শৈশবে আমাদের অন্যদের থেকে আলাদা হবার শিক্ষা দেওয়া হয়। স্কুলে আমাদের কিছু একটা হবার শিক্ষা দেওয়া হয়। বড় হলে আমাদের অন্যদের সাথে यदि भवत मण्ड बाजेर रूख व्य वासना मवार वक, वासना मवारे भव्रमानम्, তাহলে সমষ্টিগত চৈতন্য এই আনন্দ, শান্তি ও প্রেমবের প্রতিফলিত করছে না কেন?
উত্তর : এটা একটা সুন্দর প্রশ্ন। আমি এটাকে ধাপে ধাপে উত্তর দেব। এই প্রশ্নটির অনেক সম্ভাবনাময় অৰ্থ আছে।
জীবনমুক্ত ব্যক্তিরা जीवनमुक्त নয়। প্রাচীন শিক্ষাব্যবস্থাকে বলা হয় গুরুকুল এবং তা সঙ্গি করেছিলেন ঋষিগণ। দুর্ভাগ্যবশত, আজকে তা আর নেই।
এই জীবনমুক্ত মাস্টারদের দ্বারা শুরু করা বলতে দাও। এই ব্যবস্থায় শিশু হল মাস্টারের! মাস্টার তার যত্ন নেন। পিতামাতারা শিশুর জন্মের কয়েক বছর পরে তাকে মাস্টারকে প্রদান করে।
এই শিক্ষাব্যবস্থায় বাচ্চাদের কিছু বছর বয়স পর্যন্ত কাপড় পরার জন্য জোর করা হয় না। কাপড় না পরার জন্য তাদের স্বতন্ত্র দেহের ধারণা তৈরি হয় না! তাদের সরাসরি অস্তিত্বের সাথে মিশে যেতে দেওয়া হত। তাদের ফুল, বন, বুক্ষ, পৃথিবীর সাথে সম্পর্কস্থাপন করতে দেওয়া হত। তারা যে কেউ একজন সেই ধারণা দেওয়া হত না।
তাদের কোনো ব্যবিল ধারণা দেওয়া হত না। প্রকৃতপক্ষে পুরুষেরা ৫১ শতাংশ পুরুষ ও ৪৯ শতাংশ মহিলা। মহিলারা ৫১ শতাংশ মহিলা ও ৪৯ শতাংশ পুরুষ। কিন্তু সমাজ মানুষ মানুষকে ক্ষুদ্র করে রেখেছে এবং তাদের বোঝানো হয় যে তারা পুরোপরি ভিন্ন।
শিশুদের বড় করার সময় তোমাকে কিছু স্লোলিক জিনিষ অনুসরণ করতে হবে। যদি তাদের শরীরে কালি কামড় বসানো হয় বা মিথ্যা তাদের ওপরের ও নীচের শরীর ঢাকা যায়। যদি তাদের ওপরের ও নিতম্বের নীচের শরীরকে পথক করে। এছাড়া তাদের ক্রমাগত ধারণা দেবে না যে তারা কেউ একজন। অবশ্যই তা করতে পার, কিন্তু কমপক্ষে তুমি সর্বোত্তমভাবে প্রচেষ্টা করতে পার।
যদি কেউ ধারণা পেয়ে থাকে যে তারা ছেলে বা মেয়ে, তারা এই ধ্যান প্রক্রিয়াকে ব্যবহার করতে পারে ও মনে বসানো সেই ভাবনাকে নিজেজ করতে পারে। এই ধ্যান প্রক্রিয়া তাদের বিধৌত করে সেই ভাবনাগুলিকে বিতাড়ন ক'রে এবং বারংবার তাদের সমষ্টিগত চৈতন্যের সাথে সুর
বিশ্বশান্তি তোমার থেকে শুরু হয়
যখন আমরা আমাদের ভূমিকা উপলব্ধি করি, তখন আর আমরা আমাদের চারিদিকে আলাদা অনুভব করতে পারি না। যখন আমরা আমাদের ভূমিকা সম্পর্কে অজ্ঞ, যখন আমরা অনবহিত, কেবল তখন আমরা পথক অনুভব করি।
জীবনমুক্ত মানুষেরা এক বিশেষ শ্রেণী সুষ্টি করার সময় পথীগ্রহে এসে গেছে। কেবল বেশী বেশী করে মানুষকে জাগ্রত ক'রে, সমষ্টিগত প্রভাবকে ধরংস করা যায়। পৃথিবীর চারদিকে সমস্ত বিপর্যয় কেবল অচেতন মনুষ্য দ্বারা মুষ্টি রয়েছে। বিশ্বব্যাপী সংকীর্ণ, বর্ণ বিদ্বেষ, ধর্মীয় গোঁড়ামি এবং পারমাণবিক অস্ত্রের স্তপ, সবই এই নকারাত্মকতার জন্য। আজ আমরা আনন্দপূর্ণ, পরমজ্ঞানালোকে আলোকিত সমাজ মুষ্টি না করলে পৃথ্বীগ্রহকে রক্ষা করতে সমর্থ হব না।
আমার মিশন হল এক শান্তিপূর্ণ, খুশীতে ভরা, আনন্দপূর্ণ, সচেতন জীবনমুক্ত সমাজ সুষ্টি করা।
বিশ্বশান্তি - ব্যক্তিগত পরমানন্দের এক উপজাত (বাই-প্রোডাক্ট)
পরস্পর বিরোধী চিন্তা
বস্তুত আমাদের বেশীরভাগই নিজেদের সাথে লড়াইতে ব্যস্ত। আমরা পরস্পরবিরোধী। আমাদের চিন্তা ও কথা অনেক শক্তিশালী, কিন্তু আমরা তাদের কতই না অসতর্কভাবে ব্যবহার করি।
উদাহরণস্বরূপ, ধর তোমার মাথাব্যাথা করছে। তুমি কি করবে? তুমি নিজে থেকে বল, 'আমার খুব ইচ্ছা এই মাথাব্যাথাটা চলে যাক!' তুমি বোঝ না যে প্রতিটি শব্দ ইচ্ছা ও বাস্তবায়নের মধ্যে বিরোধ করছে। এটাকে আমি বলি পরস্পরবিরোধী চিন্তা। তুমি তোমার মূল ইচ্ছাকে বিরোধ করছ। এমনকি তোমার সকারাত্মক অভিপ্রায় লড়াইয়ে আটকে যাচ্ছে, যা হল উভয়সংকট। মনের প্রকৃতি হল উভয়সংকট।
কেবল বল, 'আমি নিরাময় হয়ে যাই!' ব্যাস।
মন কেবল নকারাত্মক শব্দ চিন্তা করতে এত অভ্যস্ত হয়ে গেছে, সেটাই সমস্যা।
আমাদের পরস্পরবিরোধী চিন্তাগুলি আমাদের সমস্ত কষ্টভোগের মূল কারণ। আমাদের সমস্ত কষ্টভোগের উদয় হয় আমাদের অজ্ঞানতা থেকে। আমরা এই সত্য সম্পর্কে অবগত নই যে আমরা অস্তিত্তেরই এক অংশ এবং সেই জন্য যদি আমরা বুদ্ধি ও অভিজ্ঞতা দ্বারা তা বুঝতে পারি, আমরা সচেতনভাবে ও প্রবলভাবে দেখতে পাব আমাদের পরস্পরবিরোধী চিন্তাগুলি নিজ-নিরাময় চিন্তা দ্বারা প্রতিস্থাপিত হচ্ছে।
যখন আমাদের সিস্টেমে নিরাময় চিন্তা বারংবার প্রবিষ্ট করাই, তখন সকারাত্মক শব্দ ও চিন্তাকে ক্ষমতা দেওয়া হয়। সেগুলি তখন খারাপ মেজাজ ও বিষণ্ণতার সময় এই নিরাময় আসে এবং আমাদের মনমরা মেজাজ থেকে বার করে আনে। আমরা নিজেই এই মনমরা মেজাজ থেকে নিজেদেরকে বার করতে পারি।
ব্যক্তিগত শান্তির প্রকৃতি হল বিশ্বকে স্পর্শ করা
বন্ধের জীবন থেকে একটা সুন্দর গল্প :
বুদ্ধের খুড়তুত ভাই দেবদত্ত বুদ্ধের সন্নাস ক্রমে যোগদান করে। সে কমতা প্রতিষ্ঠার জন্য ক্ষুধার্ত ছিল। সে বুদ্ধের সন্ত্র্যাস ক্রমের প্রধান হতে চাইল। কিন্তু বুদ্ধ এই রকম
একজন অপরিণত মানুষ, যে জীবনমুক্তির বদলে প্রতিষ্ঠার পিছনে দৌড়াচ্ছে, তাকে তাঁর মিশনকে নেতৃত্ব নিতে দেবেন না। তাই দেবদত্ত বুদ্ধের ওপরে সর্বান্বিত ছিল ও তাঁর ওপরে মন্দ ভাবনা রাখত। দেবদত্ত বুদ্ধকে মেরে ফেলার জন্যও অনেকবার চেষ্টা করেছিল।
একবার দেবদত্ত এক রাজ-মাহুতকে একটা জোর করল। হাতিকে মত করা হল ও বুদ্ধ যে রাস্তায় নিয়মিত যেতেন সেখানে সেই হাতিকে দৌড়াতে লাগল। লোকেরা ত্রস্ত হয়ে চারিদিকে পালাতে লাগল।
বিপদের মধ্যেও শান্তভাবে একই প্রকার শান্তি চারিদিকে বিকিরণ করতে করতে হাঁটতে লাগলেন। তাঁর আনন্দ ও শান্তি মত হাতির ভয়ে প্রভাবিত হলে না। হাতি বুদ্ধের দিকে ক্ষিপ্ত উন্মত্ত হয়ে তেড়ে এল। একবার বুদ্ধের সামনে তার উম্মত্ত স্বভাব বুদ্ধের জীবনমুক্ত উপস্থিতিতে মিলিয়ে গেল। বুদ্ধ হাতির কপালে হাত দিলেন এবং হাত বুলিয়ে দিলেন। হাত বোলানো তে শান্ত হয়ে হাতি হাঁটু ভেঙ্গে বসে পড়ল ও বুদ্ধের কাছে নত হল।
লোকেরা এই দুশ্য দেখে খুব অবাক হল।
এক শান্ত ব্যক্তির বিকিরণ করা পরমানন্দের তরঙ্গ স্বতক্ষলভাবে মনুষ্য, প্রাণী, বুক্ষ ও প্রস্ত র, সব
কিছুকেই স্পর্শ করে, আশেপাশের সবকিছুকে প্রভাবিত করে।
সমগ্ৰ পথিবীৰে আনন্দিত ও খুশী করার জন্য তোমাকে কিছুই করতে হবে না। কেবল তোমার কেন্দ্র পরিবর্তিত কর। যখন একটা কমেডি সিনেমায় গেলে দেখবে কিভাবে তোমার সমগ্র বিশ্ব পরিবর্তিত হয়ে যায়!
যখন অন্তর্জাগরণ ঘটে, উচ্চতর আবেগ ঘটে। যা ঘটতে, তাকে বারণ বা রক্ষা করতে যাও, তোমাকে কেবল নিজেকে রক্ষা করতে হবে!
তুমি সেইপ্রকার দুনিয়াকে আকর্ষিত করবে ও তোমার সামনে প্রকাশিত হবে। একই প্রকার মানুষ ও পরিস্থিতিকে আকর্ষিত করবে।
এমনকি জীবনমুক্তির জন্য সংগ্রামী চেতনা উত্থিত করেন।
সমষ্টিগত চেতনা
কেবলমাত্র সমাজে আমরা সবাই একে অপরের সাথে সংযুক্ত তা নয়, মহান সত্য হল
এই যে আমরা সবাই পূর্ণ বা সমষ্টিগত চৈতন্যেরই অংশ।
আমাদের চিন্তা, আমাদের আবেগ ও আমাদের অনুভূতি কেবল আমাদের নয়, তা বাকী সমস্ত বিশ্বকেও প্রভাবিত করে।
আমরা অস্তিতের মহাসাগরে কেবল তরঙ্গ। অস্তিত্ব নিজে বিশুদ্ধ বুদ্ধিমতাশীল শক্তি। আমরা সবাই জীবনে সফল হই ও পরিপূর্ণতা লাভ করি। যখন আমরা সেটা উপলব্ধি করি, আমরা সহজেই আমাদের ভয়, বাসনা, ঈর্ষা, বেদনা ও বিভ্রান্তিতে স্বস্তিতে থাকতে পারি।
যদি আমরা উপলব্ধি করি, আমরা দেখব যে আমাদের প্রত্যেকে কিভাবে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বা অস্তিত্বের অংশ।
ভিতরে দেখা
যদি তুমি ভিতরের দিকে তাকাও, দেখবে যে ভিতরের শত্রুই সমস্ত সমস্যার কারণ। আমরা অস্তিত্বের আনন্দময় অংশ।
আমরা আমাদের চারিদিকে লোকেদের ও সমগ্র বিশ্বকে প্রভাবিত করে। কড়া কথা, ক্রোধের অনুভূতি,
সমাজে সমষ্টিগত চাপ, ঘুণা ও হিংসা বাড়ায়! তা থেকে মানুষের সজাগতা কমে এবং তাতে প্রকৃতির বিরুদ্ধে আরও হিংসার কার্য হয়। আমাদের এই চক্রকে ভাঙ্গতে হবে, নতুবা তাতে আরও প্রাকতিক ও ও মন্যষ্যসঙ্গ উভয়প্রকার বিপর্যয় ঘটবে, কারণ প্রকৃতির চক্র আর বেশী হিংসা সহ্য করতে পারে না।
তাই বিশ্বশান্তির বস্তুত কোন অর্থ নেই। ব্যক্তির ভিতরে শান্তি ও আনন্দ থেকে সরাসরি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিশ্বশান্তি, সমদ্দি ও সমন্বয়ের দিকে নিয়ে যাবে।
বিশ্বের দুঃখকষ্টকে কিভাবে দেখবে
প্রথমত, আমাদের বুঝতে হবে যে কমতা ও শাসনব্যবস্থার উচ্চতর স্তরে নেওয়া প্রতিটি প্রধান - প্রধান - নির্ণয় - হল - সমষ্টিগত সকারাত্মকতা বা সমষ্টিগত নকারাত্মকতার প্রকাশ, কারণ সর্বজনীন চেতনা বা সমষ্টিগত চেতনাই নেতা বা লীডারদের সঙ্টি করে। তাই অন্যদের যেমন কর্মকর্তাদের নিন্দা করার আগে যদি আমরা নিজেদের দিকে একটি শক্তি দিই এবং নিজেদের অন্তর্দেশে আরও সকারাত্মক চেতনা সঙ্টি করার জন্য কার্য করতে শুরু করি, তাহলে আমরা সত্যি কিছু সার্থক জিনিষ করব।
কোন জিনিয়কে দুইভাবে নেওয়া যায়। এক হল, তাদের সম্পর্কে কেবল কথা বলা এবং অন্যটি হল, প্রকৃতপক্ষে জিনিষণ্ডলিকে করা।
যদি তুমি করতে না পার, তাহলে তুমি তোমার আশেপাশের সবাইকে করতে থাকবে, তোমার প্রতিবেশী থেকে শুরু করে রাজনীতিবিদ, অগ্রণী ব্যবসায়ী ও বিশ্বের নেতাদের সবাইকে। সবাইকে নিন্দা করে ও সমালোচনা করে সরাসরি কোন উপকার হবে না। কেবল তাই নয়, সেটা শুধুমাত্র তোমার শক্তিকে হাস করবে। সাধারণত লোকেরা অকার্যকরী।
দ্বিতীয়টি এই প্রকার : যদি তুমি সত্যি আন্তরিক হবে এবং তাকে পরিবর্তন করার জন্য কিছু একটা করবে। তুমি আরও সমষ্টিগত সকারাত্মক শক্তি সঙ্গি করার জন্য কাজ করবে, প্রথমে নিজের ভিতরে এবং তারপর বিশ্বে।
সময় হয়েছে ...
চলো, আমরা আমাদের দিক থেকে আরও সকারাত্মক শক্তি সষ্টি করি।
চলো, আমরা আমাদের কার্যে আরও প্রেম নিয়ে আসি।
চলো, আমরা আমাদের চেতনার কম্পাঙ্ক বাড়াই।
বিচলিত হবার পরিবর্তে, কেবল সকারাত্মক শক্তি সুষ্টি কর যাতে তোমার আশেপাশে ও সারা পথিবীর মানুষেরা এই সকারাত্মক চেতনা দ্বারা প্রভাবিত হয়। যখন বেশী বেশী করে লোকেরা রূপান্তরিত হতে আরম্ভ করবে, সমষ্টিগত সকারাত্মকতাকে সঠিক রাজনীতিবিদ্ ও যোগ্য নেতাদের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত করা সম্ভব হবে।
উপলব্ধি জনসাধারণের সঙ্গি সমষ্টিগত সকারাত্মক তা বা নকারাত্মকতার চ্যানেল বা মাধ্যম। তারা জনসাধারণ দ্বারাই পরিচালিত হয়।
পূর্বের জিনিষগুলিকে বসে বসে নিন্দা করা অথবা আরও সকারাত্মক শক্তি সষ্টি করার জন্য কার্য করা। নিন্দা ও সমালোচনা না করে, বিরুক্ত ও বিচ্ছিত না হয়ে, একজন আন্তরিক মানুষকে আরও সকারা তাক শক্তি সুষ্টি করার দিকে কার্য করা উচিত।
তুমি বিরুক্ত ও বিচলিত হলে কি ঘটবে? কিছুই ঘটবে না, কেবল তুমি আরও বিষণ্ণতা, আরও নকারাত্মকতা যোগ করবে। আর সেইজন্য তুমি বিশ্বে আরও নকারাত্মকতা যোগ করবে, তুমি সমষ্টিগত নকারাত্মক চেতনাকে আরও কিছু কমতা দেবে।
তাই বিপ্লব পথ নয়। বিবর্তন হল সঠিক পথ।
প্রতিটি বিপ্লব সত্য অথবা চরম সমাধানে পৌঁছায়নি। কিন্তু যদি ফিরে তাকাও তাহলে কি দেখতে পাবে? পথীগ্রহের গত ৭০০০ বছরের ইতিহাসে কমপক্ষে ৯০০০ ধরণের বিপ্লব হয়েছে। গড়ে গড়তা বয়স মাত্র ৮ বছর!
এতে মনে হয় যে মানুষেরা আর কিছু করত না, কেবল যুদ্ধ করত! তার কারণ হল আমরা বিপ্লবে বিশ্বাস করেছি। এখন ব্যক্তিগত বিবর্তনে বিশ্বাস করার সময় এসেছে। সার্বজনীন বিপ্লব কেবল আরও একটা সিস্টেম দ্বারা পরিচালিত হয়। তাই এখন সকারাত্মকতা যোগ করা। একটি মানুষ কেবল এটাই করতে পারে।
ভারতী মানুষদের শ্রমের মালিক হওয়াতে আসতে হবে। তবেই তা ফুলের সগকের মত ছড়াবে এবং সমস্ত পথ্যীগ্রহকে রূপান্তরিত করবে। চলো, আমরা নিজেদের সত্তায় সৎ হই এবং নির্ভেজাল মানুষ হই। তাহলে আমরা সমষ্টিগত সকারাত্মক চেতনায় অবদান করব।
কেবল সকারাত্মক শক্তি সুষ্টি কর যাতে তোমার চারিদিকে ও সমস্ত পথিবীর মানুষেরা এই সকারাত্মক চেতনা দ্বারা প্রভাবিত হয়। তাহলে তুমি দেখবে যে সেটা নেতৃবৃন্দের মধ্য দিয়েও বিকিরণ হচ্ছে।
বিশ্বের দুঃখকষ্টকে কিভাবে দুর করা যায়
বেশীর ভাগই আমাদের অতীতের কার্যের ফলাফল। কমপক্ষে বর্তমান এই মুহূর্তে আমরা যেন আরও বেশী সকারাত্মক চেতনা ও শক্তি সঙ্গি করতে পারি যাতে আমরা ভবিষ্যতে একই চ্যালেঞ্জ ও বিপর্যয় এড়াতে পারি।
যদি আমরা উত্তেজিত ও বিরুক্ত হই, তাহলে আমরা ঘটনে থাকা হিংসাকে থামানোর প্রচেষ্টাতে আরও হিংসা ও নকারাত্মকতা সঙ্টি করব। হিংসা হিংসাকে বন্ধ করতে পারে না। এক প্রকার যুদ্ধ কখনও অন্য প্রকার যুদ্ধকে বন্ধ করতে পারে না। বুদ্ধ সুন্দরভাবে বলেন, যদি আমরা 'একটা চোখের জন্য আরেকটা চোখ' এই চিন্তাধারা শুরু করি তাহলে মन्ভूर्ण পশিবী অন্ধ হয়ে যাবে! যদি আমরা 'একটা চোখের জন্য আরেকটা চোখ' এই যুক্তি অনযায়ী কার্য করা শুরু করি, তবে এই দলের একজন অন্য দলের একটা চোখ উপড়ে নেবে और दूसरे दल के किसी एक का आँखे फोड़ देगा। তাহলে তো সমস্ত পথিবী অন্ধ হয়ে যাবে!
একমাত্র জিনিষ যা তুমি করতে পার তা হল, তোমার সত্তার মধ্যে বেশী বেশী করে সকারাত্মক ও শান্তিপর্ণ পরিবেশ সষ্টি কর এবং অবিশ্রাম তোমার ক্ষেত্রের বাইরে শান্তি ও প্রেম প্রেরণ করার জন্য কার্য করতে থাক। লিঙ্গরে একমাত্র সম্ভাব্য সমাধান।
কেবল নিৰ্ণয় নাও, 'হ্যাঁ, এই মহুতে আমার যা ক্ষমতা আছে, আমার যা আছে, তা দিয়ে আমি একটু সেবা করব। আমি শান্তিপর্ণ প্রার্থনা, চিন্তা ও সকারাত্মক শক্তি প্রেরণ করব। আমার দেহ ও মনের নিয়ন্ত্রণে যা কিছু আছে, তাকে আমি সকারাত্মক করব।'
যদি উত্তেজিত হয়ে যুদ্ধ ঘোষণা কর, তাহলে তা ফলপ্রস হবে না। উত্তেজিত মানুষেরাই যুদ্ধ ঘোষণা করে। যদি আমরা অন্য জানুয়ারিতে যাই, তাহলে আমরা সমস্যার সমাধান কিভাবে করব? আমরা তো আরও সমস্যা যোগ করব। একমাত্র উপায় হল যা কিছু কর উত্তেজিত না হয়ে কর।
একমাত্র পথ হল 'এখানে ও এখন' হয়ে সমগ্র চৈতন্যকে আরও বেশী খুশী, আনন্দ ও নীরবতা প্রদান করা।
यात्रा यात विश्लद्वन भर क्ष्ण करवरण, তারা কেবল সৃষ্টি করেছে আরও একটি সিস্টেম, আরও একটি প্রথা এবং আরও একটি ক্ষমতার খেলা। তাতে আরও যুদ্ধ শুরু হয়। তাই একমাত্র পথ হল বুদ্ধের পথ, শান্তির পথ, নীরবতার পথ, শিবের পথ।
নিজেদের ওপর কাজ করা, আমাদের নিজেদের মাস্টার হওয়া, উত্তেজিত না হয়ে যা করা উচিত তা করা, এটাই সঠিক পথ। আমাদের ফলপ্রসূ মানুষ হতে হবে, উত্তেজিত মানুষ নয়। শান্তি, নীরবতা এবং পরমানন্দের জন্য যতটা পারি আমাদের করা উচিত এবং यात्रा यूफ उ मन्यूटक भण्डिक रूय घाटक छाटक छाटमन সাহায্য করা উচিত। আমাদের নিজের চেতনায় विभी करव मालि निर्द्य वटन ন্য়াস न्यामन চেতনাতে শান্তি নিয়ে আসা উচিত।
অপরকে সাহায্য করার জন্য আমাদের করুণা প্রদর্শন করা চাই। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ জিনিষ হল আমরা নিজেরা কষ্টভোগ করতে শুরু করব না।
मुख्यक्तूबर, यदि बक सनी बाल्कि जान সমস্ত ধনসম্পদ গরীবদের বিতরণ করে দেয়, তাহলে কি হবে? আমরা আরও একজন গরীব মানুষ পাব! কারণ সে তার সমস্ত সম্পদ विलिट्य मिट्यूट्ड। क्वल कार्र नय, याना ট্র সম্পদ পেল, তাদের হয়ত সেই সম্পদ রক্ষা कवाद उ वर्षिक कवान जना वर्याजनीय বুদ্ধিমত্তা নেই। এইভাবে অনেক সময়ে অপর ব্যক্তিটিকে উত্থিত করার পরিবর্তে বস্তুত তুমিই ক्टेब्जान कवरण उन कव। ( व्युक्त প্রকাশ কর, কিন্তু নিজে কষ্টভোগ করতে শুরু
করবে না। যদি তুমি সত্য প্রেম শেয়ার করতে শুরু কর, তুমি অন্যদের প্রকৃতপক্ষে আরও ভাল পছন্দ দিতে পারবে। আরও ভাল পছন্দ कवाव अना वनारमन व वूकित्रण विमान कव, তোমার সেই সাহায্যই সর্বশ্রেষ্ঠ।
সমষ্টিগত সকারাত্মকতা বাড়িয়ে বিশ্বজ্ঞান কমানো
যদি তুমি কোন সিস্টেমের তাপমাত্রা क्राउ, উত্তেজনা কম হয়। উদাহরণস্বরূপ, তাপমাত্রা কমালে তরল জল কঠিন বরফ হয়। আবার मरे मिट्ठित्यन वर्णक्षणा करता। यदि कृति নোনা জলকে ঠাণ্ডা করে জমালে দেখবে যে লবণ নীচে থাকে, ও কেবল জল বরফ হয়েছে। একইভাবে, যখন সমাজের সমষ্টিগত চেতনা রূপান্তরিত হয়, বিশৃঙ্খল কমে এবং সিস্টেম নিজেই নিজেকে শুদ্ধ করতে থাকে।
মালিব उभरव धार्मनव বিজ্ঞানवन অধ্যয়ন
সমাজের পরিমাপ করা নিয়ে অনেক অধ্যয়ন করা হয়েছে। কেউ এক দল মানুষের প্রভাব লক্ষ্য করে (Transcendental Meditation™) প্রক্রিয়াকে वादशव करव। वर्द व्यायाटन ल्या याय, व्य শহরে এই গোষ্ঠী-ধ্যান করা হল সেখানে ৮ শতাংশ অপরাধ করে যায়। অন্যান্য রিপোর্ট দেখায় ১৭ শতাংশ কম হিংসা এবং সমবায় ও माशयासूनक कार्य ৪০ মণারণ বৃদ্ধি। ইউফ -পীড়িত অঞ্চলে যুদ্ধমৃত্যু ৫০ শতাংশ কমে ও
यूटक वारण मरथा ২৪ মণার্টনব বর্ষো করত। গোষ্ঠী-ধ্যান সম্পর্কে সামগ্রিক পরিসংখ্যান मन्याया व्य वरण वर्ष वर्ष वायर বর্ণনা करता, शमनाजादल कम सर्वि রয়, रिश्मा करत बनর জীবনের গুণমান সামগ্রিকভাবে বাড়ে।
বিশ্বশান্তি ধ্যান
২৩৮व मটन्फ्लेम्बरक वाल्र्ज़ाजिक मालि দিবস হিসাবে উদযাপন করা হয়। লাখে লাখে মানুষ একসাথে প্রার্থনা, ধ্যান, উদ্যাপন ও मर्याणिका करव বিশ্বमालि उ विश्वमार्वद्यव জন্য একত্র হয়।
এই উপলক্ষে প্রতি বছর THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM सिमटनव भशिवी जूटड़ करणुलि (शास्त्री - शान भविष्णलना करव। वकव राय (गाणी-शान করলে সমষ্টিগত চেতনা অনেক অনেক বেশী শক্তিশালীভাবে উত্থিত হয়।
यथन वखुटक व्ययाव कवा रूय जा আকারে ছোট হয়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ, যদি একটা আপেলকে চার জনের মধ্যে শেয়ার করতে হয়, তাকে চার খণ্ডে ভাগ করতে হবে, তা আকারে ছোট হয়।
विद्युरूमाकिन विवाद विवाद कार्टिकर्क শেয়ার করলে তা কমে না, তা একই থাকে। সেফারवासद्वन, वक्ति विद्युट्टन जादव ভোল্ট থাকলে, একজন লোক তাকে ছুঁলে ১০ ভোল্ট অনুভব করবে এবং চার জন ছুলেও সেই একই ১০ ভোল্ট অনুভব করবে।
কিন্তু ধ্যানের ক্ষমতাবান সূক্ষ্ম শক্তির কেলে এটা আলাদা। যখন এক দল মানুষ वक्रमाट्य धान करव का वर्ष्टन वाढ़! উপকার কমা বা একই থাকার পরিবর্তে সেই উপকারগুলিকে সম্পূর্ণ দলটির মধ্যে ও সেই দলকে ছাড়িয়ে শেয়ার করা হয় ও বর্ধিত করা হয়। যদি একজন মানুষ ভোল্ট শক্তি উৎপন্ন করে, তাহলে ১০০ জন একসাথে গোষ্ঠী-ধ্যানে বলে ১০ x ১০০ বা ১০০০ जेसनन करे मकिन जज या आयानारण करे ধ্যান করা হল তাকে বিশুদ্ধ করবে।
সেইজন্য জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়।
এটাকে সাধারণ আলোক ও লেসার রশিয়র মধ্যে পার্থক্যের সাথে তুলনা করা যায়। লেসারে সঙ্গতি ও সঙ্গবদ্ধতার প্রভাবে প্রগাঢ়তা বর্ধিত হয়।
জীবনমুক্ত সত্তার অপরিহার্য প্রেমস্পর্শ
জীবনমুক্ত মাস্টার বুদ্ধের জীবন থেকে একটা গল্প :
অঙ্গুলিমালা নামে এক ডাকাত ছিল। সে এক জঙ্গলে বাস করত যেখানে দিয়ে অনেক মানুষকে অতিক্রম করতে হত। সে অতর্কিতে লোকেদের আক্রমণ করত ও তাদের মূল্যবান দ্রব্য লুটপাট করত। তারপর সে लांक्रिज़ कनिर्छ वाण्ट्रल करण्ड करण्ड करण्ड करण्ड करण्ड करण्ड करण्या का कारण कर का कारण कर का कारण कर का कारण कर का कारण कर का कारण कर का कारण कर का कारण कर का कारण कर का कार তাদের আঙ্গুলগুলি দিয়ে মালা বানাত, সেইজন্য তাকে অঙ্গলিমালা বলা হয়।
একবার পদযাত্রার সময়ে বুদ্ধকে সেই জঙ্গল অতিক্রম করতে হবে, লোকেরা তাঁকে ভয়ংকর অঙ্গুলিমালা সম্পর্কে সাবধান করল। কিন্তু বুদ্ধ অবিচলিত ও চলতে থাকলেন। জঙ্গলের গভীরে অঙ্গুলিমালা ঝোপ থেকে লাফ मिट्य मासतन वल उ वुफ्फरक कव्य फिशिय চীৎকার করল, 'শান্ত হয়ে দাঁড়াও!'
বুদ্ধ থামলেন ও উত্তর দিলেন, আমি শান্ত। তুমিও শান্ত হও। '
জীবনে मणाय बाँकूनि वनून वन कवल। वूएफन्न कान একটা কিছু তাকে গভীরভাবে স্পর্শ করল। সে বুদ্ধকে আক্রমণ করতে পারল না। তার হাত জেমে গেল। সে কেঁদে বুদ্ধের পায়ে পড়ল ও ক্ষমাপ্রার্থনা করল!
जोवनसूक वाखित भूजादवन मण्ड वरे भन्न वर्षना करव। भूटकणे वा वाजिश्वाय शाण वक्रजन জীবনসূক মণা वानक मालि उ করুণা বিকিরণ করেন যা সহজেই অপরকে রূপান্তরিত করার ক্ষমতা রাখে।
बरे भुजव कवन सानूर्यव स्था मोसिक नया। वसनकि भण्डना अन्य जीवनसूक ব্যক্তির বিকিরণ করা প্রেম ও করুণা দ্বারা প্রভাবিত হয়। সেই শক্তিক্ষেত্রের উচ্চ কম্পাঙ্কে অনাবত হলে সমস্ত জিনিষই পরিবর্তিত হয়।
প্রাচীন ভারতের পরমজ্ঞানোক প্রাপ্ত মাস্টার আদি আদি শঙ্করাচার্যের জীবনের সুন্দর গল্প :
দক্ষিণ শংকরাচার্য ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। একদিন তাঁর সামনে একটা অদ্ভূত ও সুন্দর দুশ্য ঘটল : দুটি ব্যাঙ একটা পাথরে বসেছিল। খুব গরম লাভরিল, জारे ফুটि व्यां७ जटल लाय मिट्ठ যাচ্ছিল। ঠিক সেই সময়ে একটা গোখরা সাপ ফণা তুলল এবং ব্যাঙ দুটিকে ছায়া দি ল। ব্যাঙ দুটি ঠাণ্ডা ছায়া ছায়া উপভোগ করল ও কিছুক্ষণ बট्म वर्डल। किफूक्त भट्न जाना जटल बाँभ
দিল। সাপটিও তার ফণা গুটিয়ে নিয়ে চলে গেল।
मश्कवा वजी प्रण्डिलन उ व्यवाक হলেন। তিনি তীক্ষাধী ছিলেন এবং ঘটনাটিকে সেখানে ছেডে দিলেন না। তার বুদ্ধিসত্তা अविलस्व वूबाट व भावल प्रमुदे म्यानाजि निष्ठयरे কোন উষ্ণতর শক্তি দ্বারা পবিত্র হয়েছে, নয়ত প্রাণীদের তাদের নিজেদের মধ্যে শত্রুতা ভুলে এত সুন্দরভাবে একসাথে বাস করা সম্ভব নয়। তিনি চারিদিকে গিয়ে সেই স্থানটির বিবরণ নিলেন। তিনি জানতে পারলেন যে কিছু সময় পূর্বে এক মহান জীবনমুক্ত সন্ত সেখানে তাঁর আশ্রম নির্মাণ করেছিলেন ও সেখানে বহু বছর ছিলেন!
শংকরা আন্দোলিত হয়েছিলেন যে তিনি ঠিক করলেন যে কান না कान मिन जिनि जाँव सिंगन সেখানেই जिनि यूथन वकर आयुना फिट्या याण्डिलनन, তিনি সেখানে থামলেন ও তাঁর প্রথম আশ্রম প্রতিষ্ঠা করলেন, তার নাম ছিল শঙ্গেরী মঠ। আজ প্রাজ্ঞতার এক অন্যতম প্রধান পীঠ!
একজন জীবনমুক্ত সত্তা বিনা -প্রচেষ্টায় তাঁর চতুর্দিক-পরিবেষ্টিত অন্তর্দেশ বিকিরণ করেন এবং তা থেকে সকারাত্মকতার সৃষ্টি হয়।
भव्यक्ति व वर्ड व्यक्त वा वानमट्व बटलर्टन, ' ' जीवनमुख मण्डान के मन्त्रि के कि विकिट्ठ এমনকি স্বাভাবিক শতক্ররাও শত্রুতা ভুলে যায়।'
वशि निर्जन वालारक भूर्ष ववर छा সর্বভুক, কিন্তু তা কোন কিছু দ্বারা দূষিত হয়ে না। অগ্নির উত্তাপে যা প্রবেশ করে তা শুদ্ধ হয়, किलु जूनटर शाका जिनित्यन उनमान (शटक वाशि वर्ष्मुष्ठ शादक। वकरेणारव जीवननसूक
সত্তাগণ সামনে আসা লোকেদের খারাপ বা ভাল গুণমান দ্বারা অস্পৃষ্ট থাকেন। তাঁদের सेमस्टिकि वर्ण्ड वर्णाड़ व्य काँद्रमन (श्वस उ करणा मवारेटक ও সবকিছূকে স্পর্শ করन। সেই প্রেম ও করুণাই তো তাদের সত্য প্রকৃতি।
বিশ্বশান্তির সরাসরি ও একমাত্র উপায় হল এই প্রকার আরও জীবনমুক্ত চেতনা সৃষ্টি করা। আমার সম্পূর্ণ মিশনের সেটাই উদ্দেশ্য।
The Supreme Pontiff Of Hinduism Bhagawan Sri Nithyananda Paramashivam মিশন
আমার পথ্যীগ্রহে আবির্ভাব হয়েছে वाकिशत करणनाव नजून करक মুष्टि करत সমষ্টিগত চেতনাকে অতিচেতনা অঞ্চলে নিয়ে যাবার জন্য।
সেটা অর্জন করার জন্য,
এক লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষকে মুক্ত ব্যাপারে বাংলাদেশ করে পারে। भव्यक्वानालाक বাস করার জন্য দীক্ষা দেওয়া হবে
এবং
একশ কোটি মানুষকে নিত্য ধ্বাদে মোকিত कबा रख - काटक भशिबीटक वालिशाण চেতনার সকারাত্মক পরিবর্তন হবে।
বিশ্বশান্তির জন্য ধ্যান প্রক্রিয়া
विश्वनाखित से भारत रून वाकिशन मालि मण्डि कवा। विश्वनाखित जना थान रून बक সমষ্টিগত ধ্যান। এটা খুবই সহজ কিন্তু খুবই শক্তিশালী ধ্যান।
সন্ন্যাস সর্বশেষ ঝুঁকি জীবনমুক্তি হল শেষ ঝুঁকিতে সার্থক হওয়া
অন্যদের সাথে ও অস্তিত্তের সাথে আমাদের সুর বাঁধার সামর্থ্য পুরোপুরি নির্ভর করে আমরা কিভাবে আচরণ করি তার ওপরে। মণে वासारमन जिला जा जा करण निर्णय निर्णय অগ্রাধিকারের ওপরে নির্ভর করে। আমরা বেছে না নিলে কি হবে? আমাদের কাছে জিনিষগুলি যাযাadev घटने रमजादव स्वीकान करव निटल कि হয়?
এখন সন্ন্যাস সম্পর্কে কথা বলার সময় এসেছে। সন্ন্যাস জীবন থেকে পালিয়ে যাওয়া নয়। मन्नाम रून কান वासा ना फिट्स जीवननन माथ विवारिण र রण्या। मरमुण मन्न 'मन्नाज' অস্তিতের সাথে এই আস্থাপূর্ণ অবস্থাকে নির্দেশ करव वर्त वर वर्द वर्त वर्तना जना সবকিছুকে ত্যাগ করায়।
সন্ন্যাস...
বুদ্ধের জীবনে এক সুন্দর গল্প আছে :
জীবনমুক্তি প্রাপ্তির পরে বুদ্ধ তার ধর্ম ও শিক্ষা প্রচার এবং মানুষকে আধ্যাত্মিক জীবনে দীক্ষা দেবার জন্য অনেক জায়গায় যান।
চলার কপিলাবস্তুতে প্রবেশ করলেন। তিনি গেরুয়া বস্ত্র পরিধান করে নিজের শিষ্যদের নিয়ে
রাস্তায় হেঁটে চললেন। সবাই তাঁদের বিরাট বিস্ময়ে দেখতে থাকল।
বুদ্ধের স্ত্রী যশোদরা রাস্তায় আওয়াজ শুনে কি হয়েছে জিজ্ঞাসা করেন। তাঁর দাসীরা बटन या जाँव सांसी जोवनसुक वाण्या वा वुक्क হয়ে ফিরে এসেছেন। যশোদরা স্বামীর কাছে গেলেন না। পরিবর্তে তিনি তার পুত্র রাহুলকে ডাকলেন। রাহুল সেই রাতে জন্মান, যে রাতে বুদ্ধ জীবনমুক্তির জন্য ঘর ছেড়ে যান।
যশোদরা রাহুলকে বললেন, 'তুমি' কি ঐ জ্যোতির্ময় পুরুষকে ভিক্ষাপাত্র হাতে দেখতে পাচ্ছ, অথচ তাকে রাজার মত দেখতে? তিনি তোমার উত্তরাধিকার চাও।'
বালকটি সিঁড়ি দিয়ে দৌড়ে নেমে গেল এবং লোকজনদের ঠেলে বুদ্ধের কাছে গেল। সে वुक्किन भार्य पड़ल व श या वर्ला वा वटन শिल वा সাহস নিয়ে পুনরাবৃত্তি করল।
वूक এবং তার দিকে তাকালেন। তিনি বালকের সোনার পাড়ের কাপড় খুলে ফেললেন এবং তাকে একটা গেরুয়া কাপড় পরিয়ে দিলেন।
সাত বছর বয়সের বালককে তার উত্তরাধিকার দেওয়া হল। সে ছিল বুদ্ধের সম্প্রদায়ের প্রথম ও একমাত্র শিশু।
কেউ আমায় জিজ্ঞাসা করেছিল, 'যদি জীবনে मन किछूरे विवर्जन वर्किया बाजा म्याचाविकलात्व विवर्णिक रूय, व्यसन वानव থেকে মনুষ্য এবং মন্দ থেকে উত্তম, তাহলে कि मनुष्ठ मनटनार्स जेन्नूद्व विवर्णिक রूरव ना? जारूटल थान ও मन्नारमन कि भुरयाजन ... তাহলে প্রেরণার দরকার কোথায়?'
আমি উত্তর দিই, 'বানর থেকে মানুষ হতে পাঁচ হাজার বছর লেগেছিল এবং মানুষকে ঈশ্বর হতে গেলে ঐ একই লম্বা সময় লাগবে। যদি তুমি অতদিন অপেক্ষা করতে ইচ্ছুক হও, তাহলে সেটা আমার কাছে ঠিক আছে!'
অপরদিকে, জীবন, বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের নিয়ম ও গঠন এবং ধ্যান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নিয়ে সচেতনভাবে তুমি জীবনযাপন করার নির্ণয় নিতে পার। তোমার বিবর্তনের প্রক্রিয়ায় তমি বিপ্লব নিয়ে আসতে পার। সঠিক বিপ্লব বিবর্তন वा जीवनसुकित मिटक निर्द्य याया। म्मणोरे मन्नाम, वाकिन मर्वाउत्त विश्व। विश्लव। त्यांनी পরমহংস হয়ে বাস করা, এক জীবনমুক্ত সত্তা হয়ে জীবনযাপন করা।
ভারতবর্ষের জীবনমুক্ত মাস্টার আদি শংকরাচার্য তার রচিত 'বিবেকচূড়ামণি'-তে সুন্দরভাবে বলেছেন :
সমস্ত প্রাণীদের মধ্যে মনুষ্যজন্ম বিরল, আরও বিরল হল সাত্ত্বিক মনোভাব পাওয়া,
আরও বিরল আধ্যাত্মিক কার্যে একনিষ্ঠ হওয়া
বেদে এটা বলা হয়েছে...
मरकबाद बरे कथालुलि शाजाब वर्ष्व পরে ভারতের আরেকজন জীবনমুক্ত মহান মাস্টার বিবেকানন্দের জীবনে খুবই শক্তিশালী
প্রভাব ফেলে। বিবেকানন্দ যখন তার আইন পরীক্ষার জন্য তৈরি হচ্ছিলেন, এই কথাগুলি তাঁর ওপরে বজুপাতের মত ঘটল। তিনি আর পড়তে পারলেন না। তিনি বইপত্র ফেলে রাস্তা मिट्य फोटड़ याटक लागलन। जिनि याण्डिलन তাঁর মাস্টার শ্রী রামকম্প পরমহংসের কাছে। দৌড়াবার সময় শংকরাচার্যের কথার সত্য তাঁর মণ্ডায় व्यविधानिक राष्ट्रिल। जिनि शादननन, 'আমি এই তিনটিই পেয়েছি : আমি মন্য হয়ে জন্মণি, घासि मुक्तिन वामना था करवाणि। আমার এক মহান মাস্টার আছেন... তাহলে আমি কেন এখনও জীবন নষ্ট করছি? আমি কেন আমার জীবন অযথা অপচয় করছি? বারবার এই শব্দগুলি তাঁকে তাড়া করছিল। বিবেকানন্দ জীবনমন্ত হলেন এবং রামককেঞ্জর মিশন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিলেন।
সন্নাস হল তাদের পথ যারা নিজেদের ওপরে জয়প্রাপ্ত করতে চায়, যারা ঈর্ষা, ক্রোধ, চাপ ও বিষণ্ণতার দ্যুদামুষ্টি থেকে চিরতরে মুক্ত হতে চায়। লোকেরা ভাবে, জীবনে হেরে গিয়ে भारत मन्नाम भूक्ल करव। না। ব্যवनार, কখনো কখনো অনেকে জীবনে কি করতে হবে তা জানে না ও সন্ন্যাস গ্রহণ করে। কিন্তু সেটা সন্ন্যাসের উদ্দীপনা নয়।
সন্ন্যাস হল প্রথমবার সচেতন হবার এবং মনুষ্যরূপে তোমার গঠনवनानी मन्भटक মट्ठकन रवाव वर्षाक्रमा। তুমি অস্থিতে বই অংশ। অস্তিত্ব তার নিজের গঠনপ্রণালীতে ও নিজের সঙ্গীতের সাথে চলে। তার সাথে সুর বাঁধাই সন্মাস - বিজ্ঞান। সন্ন্যাস খালাখলি সম্বন্ধতায় থাকা, সম্পর্ণ অস্থিতের मार्थ মून ब्रिट्स शाका। জ্ঞান जीवननन সফলতার জন্য নিকটতম পথ।
অস্তিতের তোমাকে সঠিক আকাশের দিকে যেতে হবে। সেই আকাশকে পাবার জন্য প্রথমে তুমি অন্য যা কিছু জান তা ফেলে দিতে হবে এবং সেই মণীজ গণীতা मजानजान मार्थ मनवर कवरण रव। जनवर करि का भारत। लड़े वाकार्य জীবন নদীর মত সাগরের দিকে বয়ে চলবে। অন্য যে কোন পথ আরও বেশী সময় নেবে।
জীবন প্রবহমান নদী হলে তাকে সাগরে মিলিয়ে যেতে হবেই। আর কোন পথ নেই। সন্যাস হল অস্তিতের প্রাকতিক গতিপথে প্রবাহিত হয়ে শেষে অস্তিতে মিলিয়ে যাওয়ার বিজ্ঞান।
নদীর মত প্রবাহিত হও
নদী কেবল সাগরের দিকে বয়ে চলে। তা কোথাও থামে না। একজন সন্ন্যাসী কেবল তার জীবনমুক্তির লক্ষ্যের দিকে ধেয়ে চলে। কোনও চিত্তবিক্ষেপ তার জানা নেই। নদীর পথে যাই ছোঁড়া হোক না কেন, নদী কিন্তু वानरम्यू वर्वारिक रूट शादक। क्रू किछू जिनिष नमीटक एकला रूय - यून, जानभाला, খাদ্য, পশু, পাখী, মৃতদেহ ইত্যাদি। নদী কিন্তু চলতেই থাকে, কোন কিছুতে বিব্রত না হয়ে।
একইভাবে, একজন সন্ন্যাসী আনন্দে চলতে থাকেন এবং পথে কোন কিছুই তাঁকে স্পর্শ করতে পারে না। স্রোত নদীকে বাধা পার कवाय ववर সাগরের দিকে প্রবাহিত হয়। পরম লক্ষ্যর দিকে যাवाद মতদা মশलाभिक वुक्तिस्ता मन्नामीटक বাধা অতিক্রম করতে সাহায্য করে। সে জানে না বাধা কি। তার জন্য বাধাগুলি আনন্দের পথের সোপান।
পরিব্রাজ্যার সময় আমি দুটি জায়গায় নয় মাস কাটিয়েছি - উত্তর ভারতে পবিত্র নদী গঙ্গার তীরে এবং আরেক পবিত্র নদী নর্মদার তীরে। এই সময়ে আমি প্রতিদিন ভোর হবার वादश केটठे नमीटक मान করव नमीणीटव বসতাম। আমি কেবল নদীর প্রবাহ দেখতাম। সর্য উঠবে। যখন আমি নদীকে প্রবাহিত হতে দেখতাম, মন শান্ত হত, চিন্তাগুলি উত্তরোত্তর কমে যেত এবং ভাষারূপ স্তব্ধ হয়ে যেত। আমি পवारिक नमीन मार्थ वर्ष घण्णे धरव वकीलुक হয়ে যেতাম।
কেবল তাই নয়, যখন তমি নদীকে অবিশ্রাম লক্ষ্য কর, তুমি ভয় মুছে ফেলতে থাক। নদীতে কত কিছু ভাসতে থাকবে। যখন তুমি মতদেহ ভাসতে দেখ, তুমি পরিষ্কার দেখ যে একদিন তমিও ঐভাবে ভাসতে পার। নদীর भ्रवार्यन्त मार्थ मिर्मा (गटन गर्न गণীनजारव (शामिञ जयुनि मूल्य यावि।
এক জেন মাস্টারকে প্রশ্ন করা হয়, 'জেন কি?'
তিনি বলেন, 'চলে চলা!'
জেন বৌদ্ধরা সুন্দরভাবে বলে, জীবন এক नमीन मण या भवारिक राय मनकिकूटक ভরে দেয় এবং তার সামর্থ্য বাড়াবার জন্য निर्जन मोसावक्तवादक श्राविक करव। बजेर जोवनन ও मन्नामन মूनकान। मन्नाम रन চলমান জীবনে কার্যের মধ্য দিয়ে শিক্ষালাভ করা, দার্শনিক মতবাদ নয়। এটা একটা বল কোন মতবাদ নয়। প্রকৃত সন্মাসীর জীবন मरखड़रे माठिक मिटक করन। कनाव भट्य শিক্ষালাভ হয়, আলাদা করে তা হয় না।
একটা ছোট গল্প :
।
। এমিদে দিশ্চতার ময় েবাপথ খুাঁয়জ যিার জিয েদতবয়ন্ধর চাদরদিয়ে চায়েরা থােয়ব। োন্ত া বয় দেছুই যিই।
। তার তয়িযরা তা দবশ্বা েরদছ িা।
।
। যচাখ বন্ধ ের েতযে ের যয যতামার মস্ত দজদিগুদ অদস্তয়ের। যোি দেছুই যতামার ি। অদস্তে এতই েরুণাম যয যতামায়ে তা দিয়ত দিয়য়ছ। যতামার দভতয়র অদস্তয়ের জিয েৃতজ্ঞতা েবাদত া অিভু ব ের। এটা েবভায়ব স্পিভায়ব অিুভব ের। যিখয়ব ঠাৎ বদেছু উয়টা
অর্জন করায় খুব বিশ্বাস রাখত। তিনি তার মধ্য দিয়েই আধ্যাত্মিকতা অভ্যাস করেছিলেন। অন্যজন করেছিলেন। তাঁরা দুই প্রকার জীবনের কথা আলোচনা করতে রাত হয়ে হয়ে গেল ও তাঁরা এক নদীর সামনে এলেন ও সেই নদীকে অতিক্রম করতে হবে।
ত্যাগে বিশ্বাসী সাধুর কাছে কোন টাকাকড়ি নেই। তিনি বললেন, 'নদী অতিক্রম করার জন্য আমাদের কাছে টাকা নেই। রাতটা তাই এখানেই কাটিয়ে দেওয়া যাক এবং কাল সকালে কেউ আমাদের নদীর ওপারে নিয়ে যাবে।'
বনাজন নयা। वर्थातन वाण काणिटल वासारमन्न जन्मानि জানোয়ারা খেয়ে ফেলবে। আমার কাছে টাকা আছে। ওখানে মাঝিকে কিছু টাকা দিয়ে নদী পার করা যাক।'
তারা ভালভাবে নদী পার করার পরে তিনি তাঁর সাথীকে প্রশ্ন করলেন, 'এখন তো আপনি টাকার মূল্য বুঝলেন? যদি আমিও ত্যাগের পথের মানুষ হতাম, তাহলে আমাদের কি হত?'
প্রথমজন্য উত্তর দিলেন, 'আপনার ত্যাগই আমাদের নিরাপদে নদী পার করিয়েছে। নদী পার করার জন্য তো আপনি আপনার টাকা ত্যাগ করলেন!'
ত্যাগীর কাছে 'আমার কাছে আছে' এই ধারণা ছাড়াই 'থাকে' এবং 'আমি ত্যাগ করছি' এই ধারণা ছাড়াই সে 'ত্যাগ' করে। নতুবা তুমি কিছুই পাবে না। তুমি 'আমার'-কে উৎসর্গ করে 'বাসনা' ত্যাগ কর। যদি তুমি উপলব্ধি থেকে ত্যাগ কর, তবে ঠিক আছে। নয়ত, যেখানেই যাবে সেই 'আমার' ব্যাপারটা তোমার সাথে সেঁটে থাকবে। কেবল তাই নয়, যদি তুমি 'আমার'-কে ত্যাগ করছ -এই ধারণা সহকারে ত্যাগ কর, তাহলে সন্ন্যাসী হতে পারবে না। সন্ন্যাস হল অন্তরের মানসিক গঠনের রূপান্তর, বাইরের বস্তুগত গঠনে পরিবর্তন নয়। বাইরের ধনসম্পদ ত্যাগ করে সন্ন্যাসী হওয়া হল ভুল কারণে ঠিক কাজ করা।
একটা ছোট গল্প :
পাগলাগারদে তিন ব্যক্তি ছিল। একদিন তারা ডাক্তারের কাছে গেল এবং বলল যে তারা ছাড়া পাবার জন্য প্রস্তুত।
ডাক্তার অবাক হল! সে বলল, 'ঠিক আছে, আমার সাথে আসুন। আমরা একটা ছোট পরীক্ষা করে দেখব যে আপনারা ছাড়া পেয়ে বাইরে নিরাপদে বাস করার জন্য ভাল হয়ে গেছেন কিনা।'
সে তাদের একটা এমন সুইমিং পুলে (জলাশয়) নিয়ে গেল যেখানে কোন জল নেই। সে প্রথম ব্যক্তিকে পুলে ঝাঁপাতে বলল ও সাঁতার কাটতে বলল। লোকটি আহত হল ও তার হাত পা মচকে গেল।
ডাক্তার বলল সে ছাড়া পাবার জন্য তৈরি নয়।
পাখীর স্ব-ধ্বংসকরণ কার্য সহ্য করতে পারল না। সে পাখীকে তা বন্ধ করতে বলল।
ময়ূর তাকে বলে, 'আমি বন্ধ করব না। আমার যে পেখমকে তুমি এত তারিফ কর, তা আমার মনিবের বিপদের কারণ। শিকারীরা সর্বদা আমাকে এটার জন্য অনুসরণ করে এবং সেইজন্য আমার মনির খুবই সমস্যাতে আছেন। তাই নিজের চঞ্চু দিয়ে পালকগুলিকে ঠুকরে ফেলে দেওয়াই সঙ্গত। তাতে আমাকে কদর্য দেখাবে এবং তারা আমায় তাড়া করবে না।'
বাইরের সৌন্দর্য ও ধনসম্পদ সন্ন্যাসের পথে শত্রু নয়। তারা একে অপরের পরিপূরক। সন্ন্যাস তোমার বাইরের সম্পদ ও সৌন্দর্যে অন্তরের সম্পদ ও সৌন্দর্য যোগ করে। সন্ন্যাস আমাদের বাইরের সম্পদ ও সৌন্দর্যের সাথে সম্পর্কিত কোন কষ্ট ছাড়াই সেই সম্পদ ও সৌন্দর্যকে ব্যবহার করার বুদ্ধিমত্তা প্রদান করে।
বাস্তবে বাস কর!
সন্ন্যাস বিশ্বের অথবা জড় বনাম অধ্যাত্মিকতার খেলা নয়।
প্রথম জিনিষ তোমার বোঝা প্রয়োজন যে জড় ও আধ্যাত্মিক বলে কিছুই নেই। বিশ্ব কেবল এক। মিলিইয়া, সন্ন্যাস এক মতবাদ নয়। এটা কষ্ট বিনা পৃথিবীতে বাস করার মনের কৌশল, কিভাবে বাস করা যায়, তার বোধ। জীবনে যতটা সম্ভব বাস্তবতায় বাস করার জন্য সন্ন্যাস এক সচেতন নির্ণয়, কারণ বাস্তবে বাস করাই সর্বোত্তম জীবনযাপন।
বাস্তবে বাস করা কি?
একজন বাসনার বশবর্তী হয়ে বলেন 'আপনি বলেন যে বর্তমানে আমাদের জাগ্রত অবস্থা বাস্তব নয়, সেটাও এক স্বপ্ন। কিন্তু তা কি করে হয়? যখনই বাসনা ঘুমারে বন্ধ থাকে, আধ্যাত্মিক অবস্থায় ফিরে বাসনা বাসনার সামনে জিনিষগুলিকে একই দেখি - বাড়ী, জিনিষপত্র, মানুষ ইত্যাদি। কিন্তু আমরা যখন স্বপ্ন অবস্থায় যাই, তখন জিনিষগুলি এক থাকে না। তাই জীবনের বাসনা থেকে সরে আসলে তবেই বোঝা যায় স্থূল বা গভীর অবস্থা বাস্তব।'
এখন আমি যা বলতে যাচ্ছি তা মন দিয়ে শোন…
কখনো কখনো তুমি এক রাতের স্বপ্নেই জীবনের দশ থেকে বারো বছরের স্বপ্ন দেখবে। ঠিক কিনা? তুমি তোমার কলেজ থেকে শুরু কর এবং যখন তোমার ঘুম ভাঙ্গে, তোমার মনে হবে যেন দশ বছর কাটিয়ে দিলে! একরাতে যেন দশ বছর কাটিয়ে দিলে!
তার অর্থ কি?
জান বর্ষ ধরে তুমি মনন ঘটাচ্ছ জীবনের দশ বছর কাটালে। ঠিক কিনা? কিন্তু সেই স্বপ্নে তুমি মানব জীবনের থেকে এগিয়ে যাওয়া অনুভব কর না। তুমি একদম স্পষ্ট যে জীবনের মনন বর্ষ ধরে একই গতিতে কাটাচ্ছ। কিন্তু হঠাৎ জেগে উঠলে, তুমি তুমি বোঝ যে তুমি মাত্র দশ ঘণ্টা ঘুমিয়েছ!
একইভাবে যে কোন মুহূর্তে তুমি জেগে উঠতে পার এবং অনুভব করতে পার যে তুমি সাত ঘণ্টাই কাটিয়েছ!
আমায় ব্যাখ্যা করতে দাও।
মনে কর, ৯-ই মে ও ১০-ই মের মধ্যে তুমি স্বপ্ন দেখেছ যেন তুমি দশ বছর কাটিয়েছ। মনে ঘণ্টায় ঘণ্টায় নির্মাণ করে তুমি কলেজে পড়ছ এবং রোজ কিছু ঘণ্টা ঘুমাও ও জেগে ওঠ। পুরো দশ বছর ধরে তুমি তো না ঘুমিয়ে থাকতে পারবে না, ঠিক তো? তাই তুমি স্বপ্নে দেখ যে তুমি ঘুমাতেও যাও এবং নিয়মিত জীবনযাপন করে।
এখন একটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিষ বোঝা। ৯ তারিখের রাত থেকে ১০ তারিখের সকাল পর্যন্ত দশ বছরের জীবনের এক একটানা স্বপ্নে তুমি তোমার জীবনের দশ বছর বাস করেছ। অনেক সময় তুমি সেই স্বপ্নের মধ্যেই ঘুমিয়েছ ও জেগে উঠেছ। স্বপ্নের মধ্যের এই ঘুম থেকে ওঠার সময় আবার সেই স্বপ্নের মধ্যে ঘুমের আগের পরিচয় নিয়েই ওঠ। ঠিক কিনা? তার মানে, স্বপ্নে যদি ঘুমিয়েও যাও, তাহলে সেই স্বপ্নে কলেজের ছাত্র হয়েই জেগে ওঠ। সেইজন্য কলেজ থেকে শুরু করে পরের ধাপে... পরের ধাপে... পরের ধাপে এবং এইভাবে কোন বিভ্রান্তি ছাড়াই এগিয়ে গেছ।
তার মানে কি? জাগ্রত অবস্থার মতই, তুমি একই পরিচয়ে প্রত্যেকবার ফিরে এসেছ। তাই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ভবিষ্যতে ফিরে আসা, তোমার বলা মত একই জিনিষপত্র, একই স্থান ও মানুষ ইত্যাদির কাছে ফিরে আসা দেখে বলা যায় না কোনটা স্থায়ী বাস্তবতা! ঠিক কিনা?
তার অর্থ কি? তার অর্থ, ঘুমিয়ে পড়ে ও ঘুম থেকে উঠে একই ব্যাঙ্ক ব্যালান্স, গাড়ি, বাড়ী ও স্ত্রীর কাছে ফিরে আসার অর্থ এই নয় যে তুমি বাস্তবে আছ!
উপলব্ধি তোমাকে তোমার জীবন সম্পর্কে এক তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ করাতে পরিচালিত করতে পারে। তুমি বহু জিনিষে স্পষ্টতা লাভ করবে।
যদি তুমি সবকিছু ত্যাগ করতে না পার, তুমি কিছুই ত্যাগ করবে না। তুমি সব কিছুর সাথেই থাকবে এবং কোন কিছুতেই উপদ্রুত হবে না।
কারণ, স্বপ্নেরা যেমন দশ ঘন্টায় ঘটে, সেইভাবেই কোন আলাদা ক্যালেণ্ডার থাকতে পারে যেখানে ৭০ বছর, উদাহরণস্বরূপ ১৯৫০ থেকে ২০২০, হয়তো ভিন্ন এক স্থানে অন্য কারো জন্য কেবল সাত ঘণ্টা!
যদি তুমি দ্রুততার সাথে সময় অতিবাহিত হয়, তুমি অনুভব করবে যেন তুমি বেশী সময় ধরে বাস করছ। উদাহরণস্বরূপ, যদি কারো সাথে বসে থাক, যার সাথে তুমি সম্পূর্ণক্ষণে একই সুরে আছ, তুমি অনুভব করবে যে সময় খুব তাড়াতাড়ি চলে যাচ্ছে কারণ সেই সময় প্রতি সেকেন্ডে তোমার চিন্তাসংখ্যা খুব কম হবে। কিন্তু তুমি যদি এমন একজনের সাথে বসে থাক যার সাথে তুমি সংযুক্তি অনুভব কর না, তুমি প্রতি পাঁচ মিনিটে কি করবে? তুমি ঘড়ি দেখবে এবং প্রতি মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করবে। কারণ তোমার চিন্তাসংখ্যা বেশী হবে। তুমি অস্থির হবে। তাই তুমি অনুভব করবে যেন অনেক সময় চলে গেছে।
সেইজন্য বৈদিক প্রথায় সময়ের একক হল ক্ষণ। তাকে কালানুক্ৰমিক সেকেন্ডে মাপা হয় না। কালানুক্ৰমিক মূল্যকে মন থেকে ক্লাস্টার করুন।
হঠাৎ তুমি উপলব্ধি েরয়ব যয জাগ্রতাবস্থা একটা দবভ্রম।
একা হওয়া নিঃসঙ্গতা থেকে ভিন্ন। মাঝেমধ্যে তোমার বাড়ীতে বা ক্লাবে বা পার্টিতে বা সম্মেলনে যাওয়ার থেকে ভালো হয় যদি তুমি এই মহাবিশ্বের সাথে ডুবে যেতে পার।
ত্যাগী হওয়া ভালো।
যা পাওয়া যায় - জ্ঞান, পালা, কাজ, ডিগ্রি সবকিছু লোক দেখানো। যাত্রা কঠিন ছিল, কিন্তু যে করেই হোক সে অন্যদিকে পৌঁছাল।
বুদ্ধ 'অন্যদিকে পৌঁছে লোকটি নৌকাটিকে রেখে দেবে নাকি ছেড়ে দেবে?' শিষ্যেরা বিভিন্ন উত্তর দিতে লাগল।
বুদ্ধ বলতে গ্রহণকারী ব্যক্তি নৌকাটি ছেডে দেবে কারণ সে জানে যে ভবিষ্যতে যা প্রয়োজন তা তাকে দেওয়া হবে। সংসারের মানুষ সেটা রেখে দেবে যাতে সে ফিরে যেতে চাইলে তার প্রচেষ্টা বথা না যায়!'
এক সন্ন্যাসী তার চিন্তা অস্তিতে রেখে বলে। সংসারী কিভাবে বিদ্যমান থাকা যায় সেই চিন্তা নিয়ে চলে। সন্ন্যাসী নৌকাটিকে জীবনসাগর পার করার জন্য ব্যবহার করে। সংসারী, যতক্ষণ দরকার তার পরেও সেই নৌকা বহন করে, লাগে আর না লাগে। সেটাই পার্থক্য। এখানে ঠিক বা ভুল বলে কিছুই নেই। এটা জীবনের দুটি ভিন্ন পথ।
'কর্ম' দাও কারণ সন্ন্যাস হল কর্মকে নিঃশেষ করার সোজাপথ।
কর্ম হল জন্ম নেওয়ার কারণ। কার্যসমূহ এবং সেগুলিকে পূর্ণ করার জন্য তুমি বারংবার জন্ম নাও। এটাই জন্ম-মৃত্যু চক্রের কারণ। তাই তুমি পৃথিবীতে জন্ম নিতেই থাক যতক্ষণ না সেগুলি নিঃশেষ হয়।
তিন প্রকার কর্ম আছে - সঞ্চিত, প্রারব্ধ ও আগম্য। সঞ্চিত কর্ম হল তোমার অপরিত কার্যের (কর্ম) পুরো ভান্ডার। প্রারব্ধ কর্ম হল সঞ্চিত কর্মের এক অংশ যা নিঃশেষ করার জন্য প্রতিবার জন্ম নেওয়ার সময় তুমি প্রারম্ভ হিসাবে সঞ্চিত কর্মের এক ঝাঁপি জ্ঞান নিয়ে তাকে নিঃশেষ করতে আস। তাতে থাকে তোমার সমস্ত অপুরিত বাসনা, কাম, কোম, ক্রোধ, ভয় ইত্যাদি। তৃতীয় কর্ম বা আগম্য কর্ম হল এই জন্মে নতুন অপূরিত কার্যের জন্য তোমার সংগঠন করা হয়।
পরিণামে, সমস্ত কর্ম নিঃশেষ করার জন্য এই তিনটি জিনিষ করা উচিত। প্রথমত, নতুন আগম্য যেন আর বৃদ্ধি না হয় কারণ জীবনের শেষে সঞ্চিত কর্মের ব্যালেন্স বাড়ায়। দ্বিতীয়ত, যা প্রারম্ভে নির্ধারণ হয়েছে, তা যেন কোন ত্রুটি না থাকে। তৃতীয়ত, যেভাবেই হোক সঞ্চিতের পরিমাণকে দগ্ধ করতে হবে যাতে তোমার পুনরায় জন্মের সংখ্যা কমে। জীবনকালে এটা ঘটে ঘটে কোন আগম্য সংগ্রহ না করে প্রারব্ধ পূরণ করে।
যদি প্রারব্ধ মালিক না হতে চায়, আগম্য সৃষ্টি হতে দেবে না। একবার মুক্তিদাতা যা প্রারম্ভকে নিঃশেষ করে, তা নতুন আগম্য সৃষ্টি হতে দেয় না। মানুষ মুক্তি পেতে পারে THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর করুণা দ্বারা।
যখন ভবিষ্যতের কর্ম (প্রারব্ধ) : যদি প্রারব্ধের অতিকল্পনা তোমার বুদ্ধিমত্তার চেয়ে বেশী হয়, তবে সংসার (বিবাহ) তোমার পথ। যদি প্রারব্ধের অতিকল্পনা জ্ঞানের বিকিরণ থেকে কম হয়, তাহলে সন্ন্যাস তোমার পথ! সন্ন্যাসের পথে, তোমার বুদ্ধিমত্তা প্রারব্ধকে জয় করে এবং তাকে নিঃশেষ করার নিশ্চয় করে। সংসারের পথে জীবন তোমায় নানাভাবে শিক্ষা প্রদান করে এবং ধীরে ধীরে কর্ম নিঃশেষ করে।
পতঞ্জলির যোগসূত্রে জীবনমুক্তি নিমিত্ত অষ্টাঙ্গ যোগের কথা বলা হয়েছে। সমস্ত আটটি পথকেই একসাথে অনুসরণ করা উচিত। তার মধ্যে তিনটে অঙ্গ হল প্রত্যাহার, ধারণা ও ধ্যান। পাঁচ ইন্দ্রিয় থেকে মনকে ভিতরে করা হল প্রত্যাহার। পরেরটি হল ধারণা, অর্থাৎ মনকে অন্তরাত্মায় লীন করা। তৃতীয়টি ধ্যান।
মনকে তখনই পাঁচ ইন্দ্রিয় থেকে আলাদা করা যায় যখন মন অন্তরাত্মার সাথে মিলিত হয়। তুমি সরে যেতে পারবে, তুমি তখনই সিঁড়ি থেকে পা উঠিয়ে নিতে পার যখন উপরের ডালটিকে ধরে থাকবে, তাই না? তুমি নীচের ডালকে তখনই ছেড়ে দিতে পার যখন তুমি উপরের ডালটিকে ধরে থাকো। বাহ্য মন আর জানবে না যা কেবল জড়জগতের আসক্তি মিটে যাবার পরে আমরা ভগবানকে পাব। সাথে হল ভগবানকে পাওয়ার মতনই। যখন তুমি THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM বা জড়জগতের অতিকল্পনাগুলিকে ঝেড়ে ফেলতে পারবে।
যদি তুমি মটন্ডন রু এবং লেক্টের ডালকে মুক্তি দাও, তুমি নতুন বাসক বা আরও মরাজ (স্বরাজ) করে মুক্তি পাওয়ার কথা জানবে। সচেতনতাকেই সন্ন্যাস বলে। এটা হল উচ্চতর ধাপ জানার ও সে সেখানে যাবার প্রক্রিয়া এবং নীচের ধাপটিকে ছেড়ে যাওয়ার যাত্রা। ফলত, জ্ঞান এক সহজাত রায় ঘটে। কারণ তুমি উপলব্ধি কর যে আরও ওপরে আরোহণ করার জন্য তোমার কিছুই চাই না, কেবল নিজেকে চাই! যা কিছু তুমি নিজের সাথে নাও তাতে তোমার ওঠার কার্য কঠিন হবে।
একটা ছোট জেন গল্প :
রাজত্ব ছেড়ে দিয়ে এক রাজা এক জেন্ মাস্টারকে তাঁর শিষ্য হিসাবে গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করল।
মাস্টার তাকে তোমাকে গ্রহণ করব, কিন্তু আমার মনে হয় তোমাকে অপেক্ষা করতে হবে যতক্ষণ না আরও পরিপকুতা অর্জন করছ।'
রাজা এত অধীর ছিল যে সে অপেক্ষা করার জন্য তৈরি নয়। সে মাস্টারকে খুব অনুরোধ করল। মাস্টার শেষে রাজী হলেন, কিন্তু এক শর্ত রাখলেন যে রাজা অন্য এক বনে গিয়ে বাস করবে। রাজা মাস্টারের কথা অনুসরণ করল।
কিছুদিন জঙ্গলে থেকে রাজা মশা সহ্য করতে পারছিল না। সে একটি মশার জাল কিনে নিজেকে রক্ষা করতে লাগল। কিছুদিন পরে সে অনুভব করল যে একটা খাট থাকলে বসে ধ্যান করতে সুবিধা, তাই সে একটি খাট কিনতে গেল।
তারপর সে দেখল যে বৃষ্টিতে খাট নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টি থেকে খাট বাঁচাবার জন্য সে একটি ছোট কুটির বানিয়ে ফেলল এবং তার ভিতরে খাটটিকে রাখল। কিছু সময় পরে পরে সে অনুভব করল যে ঘর ঘর পরিষ্কার করার জন্য একজন সহকারী চাই। তারপর সেই সহকারীকে ব্যস্ত রাখার জন্য সে আরও একটি লোক রাখল।
এটা হতেই থাকল এবং অবশেষে সে বনে একটা রাজত্ব সৃষ্টি করল!
ভারতীয় রাজার জন্ম হয় ও এক রাজত্ব সৃষ্টি করে।
একজন সংসারী অস্তিতের সৌন্দর্যকে দেখতে বিভিন্ন স্থানে যায়। এক সন্ন্যাসী তার কার্যকারী সবকিছুকে চিনে ও মুক্তি দেয়। যখন THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM পৃথিবীতে কন্যা হন, তখন তিনি সন্ন্যাসী হন। যতক্ষণ না সে তার জন্য প্রচণ্ড আবশ্যকতা অনুভব না করে, সে যা করে যেন তা উন্মুক্ত না হয়। সন্ন্যাসীর ক্ষেত্রে, মন সর্বদাই আনন্দে। সে যা পায় তাই সে চায়। সে সর্বদাই কৃতজ্ঞতাপূর্ণ ও সাদরে স্বীকৃতির ভাব নিয়ে থাকে। সংসারীর ক্ষেত্রে মন বহু দ্বন্দ্বে ভরা। সে যা চায় তা পাবার জন্য চেষ্টা করতে থাকে। বুদ্ধিমতার সাথে সংসারী এই সত্যকে জাগ্রত করতে পারে : সে সেই মুহূর্তে যা পছন্দ করে তার চরম পরিপর্শতার জন্য আবশ্যক।
এক সন্ন্যাসী পাহাড় অঞ্চলে বাস করতেন। পশুপাখীরা তার সাথে কথা বলত ও তিনি সাড়া দিতেন। তারা তাঁর কুটিরের সামনে সারাদিন কাটাত এবং রাত হলে তাদের ঘরে ফিরে যেত। সপ্তাহে তিনবার সন্ন্যাসী বাজারে যেত ও ধর্মপ্রচার করতেন। দরিদ্র হবার ভয় ছাড়া অপরের সাথে কিভাবে তোমার সর্বস্ব শেয়ার করা যায়, তিনি সে সম্পর্কে অনেক বলতেন। তিনি শিক্ষা দিতেন যে এটা বিশ্বাস করে কার্য করলে অস্তিত অতিপ্রাচ্য প্রদান করে।
একদিন তিনি দেখলেন যে তিন ব্যক্তি পাহাড়ের কুটিরের দিকে আসছে। তারা এল ও তাঁকে জিজ্ঞাসা করল, 'আপনি সর্বদা আমাদের যা আছে তা শেয়ার করতে বলেছেন এবং তা কত সুন্দর। এখন আমাদের ব্যবসা করার জন্য টাকা চাই। আপনি কি আমাদের কিছু টাকা দিতে পারবেন? আমাদের ব্যবসা একটু উঠলেই আমরা তা শোধ করে দেব।'
সন্ন্যাসী অবাক হলেন। তিনি তাদের তাঁর কুটীরে নিয়ে গেলেন ও দেখালেন তাঁর একটা মাদুর, একটা কাপড় ও এক জগ জগ জল আছে। তিনি বললেন, 'তোমাদের ইচ্ছা হলে এগুলি নিয়ে যাও। আমার কাছে তোমাদের সোনা বা রূপা দেবার জন্য কিছুই নেই। '
লোকেরা রেগে গেল ও তাঁর দিকে চীৎকার করে বলল, 'তাহলে আপনি এমন জিনিষ শিক্ষা দেন ও প্রচার করেন যা আপনি নিজেই অনুসরণ করেন না! '
সংসারী জড় জিনিষের ব্যাপারে উদ্বিগ্ন থাকে এবং জীবন সীমিতভাবে বাঁচে। সন্ন্যাসী মনের ভিতরে যা সম্ভব তাকে দেখে - মানে কি ভুল যা সে নয় : আমিত্ব, মালিকানা, কাম, ক্রোধ, ভয়, ঈর্ষা ও অসন্তুষ্টি। সে জানে সে বাহ্যনি অনুসন্ধান একবার সে তা পেলে সে মইয়ের ওপরের ধাপ খুঁজে পেয়েছে এবং সে ছেড়ে দিতে পারে নীচের ধাপকে যেখানে আছে এই সব আবেগ ও জড় জিনিষের অবিশ্রাম টানাছেঁচড়া।
'আমি কে?' এই প্রশ্নের উত্তরের খোঁজই সন্ন্যাস। প্রশ্নের উত্তর আবিষ্কার করার দিকে দেয়। যদি লোকেরা তোমায় জিজ্ঞাসা করে, 'তুমি কে?' তুমি সাধারণত উত্তর দেবে, 'আমি অমুকের পুত্র, বাসি বড় হয়ে একজন ইঞ্জিনিয়ার, বাসি একজন প্রযুক্তিবিদ।' কিন্তু সেই শব্দগুলি সমাজের সাথে তোমার সম্পর্ককে বর্ণনা করে।
মহান বিশ্বসর্বাধুনিক বিবর্তন করেছেন যাঁরা ব্যক্তি জিনিষ বারংবার বলেছেন : হিন্দু প্রথায় 'অহম ব্রহ্মাস্মি' বা 'আমিই সে', অথবা খ্রিস্টান প্রথায় 'পিতা রু এবং ঈশ্বর এক বা যিনি বাসির জন্ম', অথবা 'অনল-হক' বা 'আমিই সত্য'। তুমিই যে ঈশ্বর - সেটা অভিজ্ঞতা করাই মনুষ্য জীবনের উদ্দেশ্য।
একবার এই উদ্দেশ্য অভিজ্ঞতা করলে, যা মহাবিশ্বের ভগবৎসত্ত্বা বলেন এবং মহান মাস্টারেরা বলেন, তা ঘটা শুরু হয়। তখন তখন তুমি বুঝতে পার বহির্জগৎ এক সুন্দর মঞ্চ যেখানে দিব্য নাটক হচ্ছে। সমস্ত জড় সমস্যা থেকে পরম স্বাধীনতা পাওয়া যায়। তুমি কর এবং আবার তুমি কর না, তুমি বল এবং আবার তুমি বল না। তুমি কাঁদ এবং আবার তুমি কাঁদ না। তোমার অন্তরাজ্য অস্পষ্ট হয়ে থাকে। তুমি শান্ত থাক।
সমস্যা হল লোকেরা সাধারণত ভাবে সন্ন্যাস পৃথিবীর জীবনে এক বাধা। তারা ভাবে সন্ন্যাস হল গম্ভীরতা। না! সন্ন্যাস হল জীবনকে সর্বোত্তম উপায়ে যাপন করার এক বিশেষ তার সম্পূর্ণ সম্ভাবনাতে যাপন করতে দেবে না। কেবল আন্তরিকতা ও হাস্য সাহায্য করবে। হাসি সবচেয়ে মহান আধ্যাত্মিক গুণমান।
এক মাস্টার তাঁর শিষ্যদের সাথে বসে ছিলেন এবং শিষ্যেরা তাঁকে দিব্যজ্ঞান লাভের পথে তিনি কোন কোন স্তর দিয়ে গিয়ে গিয়েছিলেন তা জিজ্ঞাসা করার নির্ণয় নিল।
মাস্টার সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করা শুরু করলেন...
'ঈশ্বর আমার হাত ধরে রেখেছিলেন এবং প্রথমে আমাকে কার্যের দেশে নিয়ে গেলেন। আমি সেখানে বহু বছর থাকলাম। তারপর ঈশ্বর ফিরে এলেন ও আমাকে দুঃখের দেশে নিয়ে গেলেন। আমি অনেক দুঃখে ডুবে গেলাম কিন্তু অবশেষে তাদের অতিক্রম করলাম। বাসি দেখলাম ঈশ্বর আমাকে প্রেমের দেশে নিয়ে গেছেন। আমি বহু আবেগের মধ্য দিয়ে গেলাম এবং নিজেকে পুরোপুরি শোধন করলাম। তারপর তিনি আমায় নিয়ে গেলেন নীরবতার দেশে। সেখানে আমি জীবন ও মৃত্যুর রহস্যের শিক্ষা পেলাম।'
শিষ্যেরা প্রশ্ন করল, 'সেটা কি আপনার খোঁজের শেষ স্তর?'
মাস্টার বললেন, 'না। একদিন ঈশ্বর বললেন, আজ আমি তোমাকে আমার হৃদয়ে নিয়ে যাব...এবং তিনি আমাকে হাস্যজগতে নিয়ে গেলেন।'
তাই বোঝা সন্ন্যাস তোমারই শক্তি। তা কিভাবে কোন কিছুর বাধা হতে পারে? কেবল তাই নয়, সন্ন্যাসের শক্তির সাথে তুমি সর্বদাই যুবা হয়ে থাক। সন্ন্যাস মনকে সবসময় জীবনের চ্যালেঞ্জগুলির জন্য প্রস্তুত।
াৰ বাবে কেন্দ্ৰীয় কৰিছিল। তেওঁ প্ৰকাশ কৰে। এটা এই কল্পনার গুণমান। কেউ মহাবীরকে জিজ্ঞাসা করেছিল. 'কে বেশী শ্রেয়, সংসারী নাকি সন্ন্যাসী?'
তিনি সবচেয়ে শ্রেয়! এক সংসারীর এক সন্ন্যাসীর চেয়ে কখনো কখনো বেশী আত্মশঙ্খলা থাকতে Bharat।' मया करव (वाद्य, वायामास्थला व्याण्य -निर्याणन नया। बजे जानाव किञ्चव घणी वक সুন্দর বিশ্রাম। সেটা তোমার মনের ও বিশ্বের भवकणि मामरण एक गणीन से भनवि (शटक घटणे। ব্যাস্। সেটা তোমার অন্তর থেকে ঘটে।
আমি यूখन वर्ड धावना द्वायाव कवि, লোকেরা আমায় প্রশ্ন করে, 'তাহলে আমরা সংসারে থেকে সন্ন্যাসীর চেতনায় থাকতে পারি
ना कन?' मान्य, मानूस्यन्न व्यकृति व्यवन्त्र यूक्शन मटण्डन निर्णय ना त्वा क्कनारण वक शादी का मालत निर्द्य वामा কঠিন। সন্ন্যাস চেতনাকে রূপান্তরিত করার জন্য এক সচেতন নিৰ্ণয়। সন্ন্যাস এক সচেতন নির্ণয়। সেইজন্য সন্ন্যাসকে গ্রহণ করা দরকার। बक मटण्डन निर्णय मरकारव शायी मजागण थाटक। शायी मजागणा भण्डिक रवाव मूयांग কমায়। সন্ন্যাস ছাড়া মানুষকে সেই পথে বেঁধে রাখা যায় না ও সহজেই পথভ্রষ্ট হওয়া যায়।
मन्नाम मरकारव रूसि या कवड़ जारे করতে থাকবে কিন্তু আরও ভাল ভাবে, আরও वाज्यविद्याम मरकारव, वावर अजनमोल राय করবে, যেন ঈশ্বরের আরও নিকটে আছ। সঙ্টি रून जेन्द्रव वा वर्षिट्ठन उन्तान। वर्षिकू वविद्यात मुष्टि करवा मन्नाम रल वाखिट्ठू ब গুণমানকে আত্মভূত করা এবং জানা যে সবকিছুই অস্তিত্বের সৃষ্টি।
একটা ছোট গল্প :
এক মহিলা তার নিজের গ্রাম থেকে পাশের গ্রামে হেঁটে যাচ্ছিল। যেতে যেতে যেতে সে এক সোনার কুমড়ার মাঠে এল ও মাঠের কোণায় এক বিরাট ওক গাছ দেখল।
ক্লান্ত থাকার জন্য সে সেই ওক গাছের নীচে বিশ্রাম নেবার জন্য বসল।
অকস্মাৎ সে ওপরে তাকাল ও ওক গাছের বিরাট শাখাগুলি ভরে ছোট্ট ছোট্ট ছোট্ট ওক ফল দেখল। সে একটু আগে ছোট লতাগুলিতে বুড বুড কমডা দেখেছিল।
সে মনে মনে মনে ভাবল, 'এমনকি ভগবানও তার সুষ্টিতে ভুল করেন। তাঁর ছোট্ট ওক ফলগুলিকে ঐ ছোট ক্ষেতে ও ওখানকার বড় কুমড়াগুলিকে এই ওকে গাছে রাখা উচিত ছিল।'
কিছুক্ষণ পর সে তার পা মেলে দিল এবং ওক গাছের নীচে ঘুমাবার মনস্থির করল। সে ঘুমিয়ে পড়ল।
খুব জোরে বাতাস বওয়া শুরু হল। একটা ছোট্ট ওকে ফল তার গালে পড়ার জন্য সে জেগে গেল। সে তার গালে হাত বোলাতে লাগল ও বলল, 'হয়ত ভগবান সঠিক সুষ্টিই করেছেন!'
मन्नाम रूल वर्षिट्ठ मर्वकिष्ठून मूल्यन সহাবস্থান দেখা। সন্ন্যাস হল পদ্মপাতায় জলের ( भन्नभाजाय जनव विकू वाट्ड, किलु भाजा থেকে বিন্দু অস্পৃষ্ট থাকে। সন্ন্যাস হল অস্পষ্ট (शटक मम्मूकाणा थाका। बन्दी मुक्ति व्यक्ति भूका कि विकास करणार को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को کسی کو کسی ধারণা হল, সন্ন্যাস সম্বন্ধতা ত্যাগ করা। না। সন্ন্যাস সম্বন্ধতাগুলিকে সমৃদ্ধ করে।
সন্নাস পথে আসা আমার অনেক শিষ্য আমাকে বলে, 'স্বামীজী, দীক্ষার পর স্বামী-স্ত্রী मन्नका करण मुन्मन्नजादव विक्कृतिक রাयरণ। এখন আমরা সত্যি পরম্পরের সাথে ও আমাদের আশেপাশের সবকিছুর সাথে সুর বেঁধে আছি।'
সন্ন্যাস সহকারে তুমি সমস্ত কিছু লক্ষ্য কवरण उद्भ करा कूलि एक वजन कार्मानमी र उ। এই প্রত্যক্ষ করার জন্য তুমি ও অন্য ব্যক্তির माध्या बढ़ बाद मालि रूपि रूय। बरे बावधानारकरे 'ত্যাগ' বলে ভুল বোঝা হয়। লক্ষ্য করে দেখবে बरे वादशान वाट्य रिल ना। व्यव्यादक भट्याकन मत घाण्टिक मिष्किल। वर्थन त्यारे ব্যবধান আছে। এই ব্যবধান দূরত্তের ব্যবধান নয় কিন্তু সজাগতার ব্যবধান।
সজাগতা হল তোমার মনে নিয়ে আসা এবং কোন বিচার না করে প্রত্যক্ষ করা। এটা খুবই সুক্ষ্ম কার্য এবং শীঘ্রই তা তোমার মধ্যে একটানা হয়। সেটাই সন্ন্যাস। মুহূর্তগুলিতে একটানা সচেতনতা নিয়ে আসাই সন্ন্যাস। সচেতনতার সাথে, কষ্টভোগের মল সম্মোধন করা হয়। কষ্টকে সম্মোধন করা হয় কারণ তুমি প্রত্যক্ষ করছ। সজাগতা বিনা কষ্টভোগ হবেই।
সন্ন্যাস হল ভিতরের সম্প্রী অথবা ভিতরের পুরুষের ভার ছাড়া বাস করা। ভিতরের স্ত্রী বা ভিতরের পুরুষ বলতে কি বোঝায়? সেটা তো কেবল তোমার মনের মধ্যে লুকানো কামনা বা রিরংসা, যে অতিকল্পনাগুলি তুমি তোমার মনে সুষ্টি করেছ। তবে শিব সন্দরভাবে বলেন, যে পুরুষ তার ভিতরের মনে মহিলাকে পরিত্যাগ করেছে সে সন্ন্যাসী, যদিও সে পরিবারে থাকে। অপরদিকে যদি সন্মাসীর মনে মহিলার চিন্তা থাকে তাকে সন্ন্যাসী বলা याय ना। वक्खन मन्नामी किना वर्णारे जान পরিমাপ।
বদ্ধের শিক্ষায় চারটি মহান সত্যের मद्या मिलीयाणि कर्ख्यन्त कानव द्वारा जिनि সুন্দরভাবে বলেছেন জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আমাদের চাহিদাই কষ্টের কারণ। সেটা যেন কলাগাছ থেকে আম চাইবার মত। কেবল यून मजागणा निर्द्य वाणि, वायवा वर्ता वर्त অভ্যাসটিকে বুঝতে পারি।
কেবল তাই নয়, যখন তুমি লক্ষ্য কর, তুমি সম্বন্ধতায় কিভাবে লেনদেন ঘটেছে তা দেখতে শুরু কর। তুমি দেখ কিভাবে প্রত্যাশা এই পুরো জিনিষটাকে চালিত করছে। তুমি দেখ সবকিছুতেই কেমন প্ৰচ্ছন্ন উদ্দেশ্য আছে।
আমার বারো বছর বয়সের এক ঘটনা স্মরণে আসছে। আমার এক ঠাকমা যখন মারা याय उখন जान जयन दिल थाया ४०८। जान निर्जन कान আমার এক কাকা দেখাশুনো করত। আমার কাকা ও তার স্ত্রী ঠাকুমার যত্ন করতে খুশী ছিল না। তারা ঠাকুমা সম্পর্কে অভিযোগ করত এবং তার যত্ন ঠিকভাবে করত না। ঠাকুমাও এক कठिन मम्भावि शाकरल उ लग ছিল প্রায়ই আমাকে তামাক কিনে আনতে বলত। আমি টাকা চাইলে সে আমাকে আমার বাবার কাছ থেকে নিতে বলত! এমনকি গ্রীষ্মকালে সে তার প্রতিবেশীদের নিজের কুয়ো থেকে জল পৰ্যন্ত নিতে দিত না।
यथन ट्रा माना (शन, भविवादव कड़े कॉमल ना। किलु बाज़ीव लाटकवा काभड़ পরিবর্তন করে সস্তা শাড়ি পরল, গয়না খুলে ফেলল বন্ধুরান্ধুর ও প্রতিবেশীদের গ্রহণ করার জন্য देवनि राय (गल। यूरे व्यविशिता वाट्यू, मरिलावा काँमट्ठ उन करव। व्यक्वाव किछू नजून वाण्योग्य वाट्म, वाद मनारे सिल्ल ट्राउ কানা আবার শুরু হয়। আমি সেই পরিস্থিতির ভণ্ডামিতে হতবাক হয়ে গেলাম।
यथन मण्डमर घटन घटन दिल 3 वाण्योग्यवा আসছিল, নিকট আত্মীয়েরা মৃত মহিলার ঘরে গেল যেখানে তার বিছানার নীচে গয়নাগাটি রাখা আছে। তারা সবাই সেই গয়নাগাটিতে निर्जन निर्जन लाग मारी कवरण लाभन वरश মতদেহ ঠাণ্ডা হবার আগেই নিজেদের মধ্যে मधार्मण उ मनामनि कवरण उन कबल! গয়নাগাটির মূল্য নির্ধারণ করার জন্য তারা একজন স্বর্ণকারকে ডেকে আনল।
।
। এেজি ন্নযাী মস্ত অদস্তয়ের জিয িাদে যি। দতদি তাাঁর পদরবার বােী দবয়শ্বর ময়ধয পাথভেয জায়ি িা। বই এে। তাাঁর পয়থ যযই আুে িা যেি দতদি তাাঁর মুদক্ত োমিা েয়র।
।
ज्याणिकोटक वासाव कार्श्वी वानावाद जनग ডাকা হয়। জ্যোতিষ্ঠী তা অধ্যয়ন করেন এবং वटलन (य वासि बढ़क बाज़मन्नामी रव। यदि সন্ন্যাসকে সঠিক ভাবনায় গ্রহণ করা হয়, তা এক রাজার মর্যাদা প্রদান করে। সন্ন্যাস হল চরম রাজকীয়তা, কারণ তা কোন সাজসজ্জা ছাড়াই সমন্ধ! একজন রাজা তার বাইরের ধনসম্পদের জন্য ধনী। একজন সন্মাসী তার वार्डवन्द्र मुम्भूमिन जन्मा ধনসম্পদের বিপদ হল যে কোন সময়ে তমি बक लिशानी राय व्याक भाव। वाद्य व्यवन्त সম্পদ সহকারে তুমি সর্বদা ধনী হয়ে থাক।
বলা হয় বুদ্ধ যখন ভিক্ষা করতে যেতেন তাঁকে এক রাজার মত দেখতে লাগত এবং यात्रा जाँदक सिक्का मिल जामन बिशानीन মত বৈশিষ্ট্য। অবশ্যই বদ্ধ সেই সময় জীবনমুক্ত किटनन। किलु मन्नाम मानारकरे (मरे श्रुनमान मिन। जा मरखड़र बाजकीय मकि विकितन করবে।
कवल जारे नया, वाल्वनव मामकि वारेदवन मवकिछूटक ममु कि माना वाजिक्का করায়। একজন সন্যাসী অস্তিতের অসীম Bharat कर सोकान करनन। जान मनमण्डि मशासमुद्रवार। जिनि मरकोर्न धावनाया वाणिक নেই। তিনি সম্পূর্ণ অস্তিত্বকে এক হিসাবে উপলব্ধি করেন। তিনি নিজেকে পর্ণের অংশ অনুভব করেন। সেইজন্য তিনি সম্মদ্ধ। যে ধনী ব্যক্তি কিছু একর জমির মালিক বলে অনুভব করে, সে আসলে ধনী নয়। যে ব্যক্তি অস্তিত্বের প্রাচুর্য অনুভব করে সে প্রকৃত ধনী।
একটা ছোট গল্প :
একদিন এক ধনী ব্যক্তি তার পুত্রকে নিয়ে গ্রামের দিকে গেল। তার উদ্দেশ্য পুত্রকে
দেখানো কিভাবে গরীবেরা বাস করে। তারা কিছুদিন এক চাষীর পরিবারের সাথে থাকল।
ফেরার পথে পিতা পুত্রকে জিজ্ঞাসা করে, 'তাহলে আমাদের এই যাত্রাটা কেমন লাগল?'
পুত্র উত্তর দিল, 'খুব ভাল বাবা।'
বাবা প্রশ্ন করে, 'তুমি কি দেখলে গরীব মানুষেরা কিভাবে থাকে? '
পুত্র উত্তর দিল, 'হ্যাঁ, দেখলাম।'
বাবা জিজ্ঞাসা করল, 'বলতে পার, এই যাত্রা থেকে কি শিখলে?'
পুত্র উত্তর দিল, 'আমি দেখলাম যে আমাদের একটা কুকুর এবং তাদের চারটে কুকুর। আমাদের বাগানের মাঝো একটা পুল (कवित्त जलानंद्र) वाट्ड, वाद्र जान जारमन घाटक একটা নদী যার কোন শেষ নেই। আমাদের বাগানে বিদেশী লাইট (আলো) আছে, কিন্তু তাদের রাতের আকাশ নক্ষত্রখচিত। আমাদের উঠান সামনের রাস্তায় এসে ঠেকেছে, তাদের সম্পূর্ণ দিগন্ত আছে। আমাদের বাস করার জন্য এক চিলতে জমি, আর তাদের আছে ক্ষেত যাকে দুষ্টি দিয়ে ধরা যায় না।
আমাদের চাকরবাকরেরা আমাদের সেবা করে, কিন্তু তারা অন্যদের সেবা করে। আমরা আমাদের খাদ্য কিনি, কিন্তু তারা নিজেদের খাদ্য ফলায়। আমাদের জমিকে আমরা দেওয়াল দিয়ে রক্ষা করি, আর তাদের বন্ধুবান্ধবেরা রক্ষা করে।'
বাবা হতবাক হয়ে গেল! পুত্র সবশেষে বলল, 'আমরা কত গরীব তা দেখানোর জন্য ধন্যবাদ বাবা।'
বোঝ যে 'ধনী' শব্দটাকেই ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। একজন বাংলাবাড়ীর মালিকানা উপভোগ করে কিভাবে ধনী হয়? সে তা হতে পারে না। ধনী ব্যক্তি সে. যে তার চারিদিকে সবকিছু অনবরত উপভোগ कवरण। जान धनाणाणा ममाथ व्यक्ति व्यविद्युन ধনাঢ্যতা। কোনকিছুতে আসক্তি না রেখে সে সমস্ত কিছুই উপভোগ করে।
স্বতন্ত্ৰতায় জাগ্ৰত হও
(बड़) भर्यायाणिक जनवर्ष्यन स्वान জীবনমন্ত মাস্টার স্বামী বিবেকানন্দের কবিতা 'সন্ন্যাসীর গীতি'-র THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM দ্বারা वार्था व्यवस्थान करना रायरण। मिमटनव र्श्यकायाणित আশ্রমে আশ্রমবাসীদের এক ছোট দলের मासतन जिनि वर्लाकिटलन, किन्तु जाँव श्लावटन करे मलाणि विव्यन्ति को नोवरणय सन्न रूप। जिनि व्याक्तका থামেন এই বলে যে তিনি পরে আবার বলবেন। साजा वर्षकर्त मन्नुभूलि करे कविण (श्टक নেওয়া।
निज्जानक वार्था करवरणून किलास् তিনি ব্রক্ষচারী ও ব্রহ্মচারিনীদের (সন্ন্যাসের পথে বালক বালিকারা) ওপরে কাজ করেন এবং প্রক্রিয়াটিকে বুঝে কিভাবে তারা সেই প্রক্রিয়াটিকে দ্রুততর করতে পারে।]
( साली विद्यकानत्मन ১৮৯৫ - সালের - জুলাই - মাসে - নিউ - ইয়র্কে 'থাউসেণ্ড আইল্যাণ্ড পার্ক'-এ কিছু মনোনীত শিষ্যদের সামনে রচিত। ইংরাজীতে রচিত কবিতাটি 'দ্য সং অফ সন্ন্যাসিন্?' নামে প্রসিদ্ধ।
স্বামী শুদ্ধানন্দ দ্বারা কৃত বঙ্গানুবাদ এখানে নেওয়া হয়েছে।
উঠাও সন্ন্যাসি. উঠাও সে তান, হিমাদ্রি-শিখরে উঠিল যে গান-গভীর অরণ্যে, পর্বত-প্রদেশে, সংসারের তাপ যথা নাহি পশে. যে সঙ্গীত-ধ্বনি-প্রশান্ত-লহরী সংসারের রোল উঠে ভেদ করি: কাঞ্চল কি কাম কিংবা যশ-আশ যাইতে না পারে কভু যার পাশ: যথা সত্য-জ্ঞান-আনন্দ-ত্ৰিবেণী -সাধ যায় স্নান করে ধন্য মানি, উঠাও সন্মাসি, উঠাও সে তান, গাও গাও, গাও, গাও সেই গান-ওঁ তৎ সৎ ওঁ
ভেঙে ফেল শীঘ্র চরণ-শঙ্খল-সোনার নির্মিত হ'লে কি দুর্বল, হে ধীমান, তারা তোমার বন্ধনে? ভাঙ শীঘ্ন তাই ভাঙ প্ৰাণপণে। ভালবাসা-ঘণা, ভাল-মন্দ-দ্বন্দ্ব, ত্যজহ উভয়ে, উভয়েই মন্দ। আদর' দাসেরে, কশাঘাত করে, দাসত-তিলক ভালের উপর: স্বাধীনতা-বস্তু কখন জানে না, স্বাধীন আনন্দ কভু তো বুঝে না। তাই বলি, ওয়ে সন্ন্যাসিপ্রবর, দুর কর দুয়ে অতীব সত্যর: কর কর গান, কর নিরন্তর-ওঁ তৎ সৎ ওঁ
তোমাকে কশাঘাত করা হোক, একজন গোলাম কেবল এক গোলাম।
বোঝা : বর্তমানে তোমার আমিত কিছু आयानाया वनड़ रूट्य (गट्ड। जानाव वासिए গর্ব, কাম, ক্রোধ, ধনসম্পদ, সামাজিক গুরুত্ব, वाकिश्वर वासीनाजा ववर व्यवस्था विवाद को वित्तीय के विश्व करण कर को कारण कर को किस्तान को किस्तान को किस्तान को किस्तान को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किस्तान को क यजना रूसि वर्णुलि माना भ्रणविक र रय वाम কর, তা তুমি তোমার বাসনা পরিপূর্ণ কর কি না কর, বিষণ্ণতা তোমার ভিত্তি হবে। আমিতের যে কোন প্রকাশ বিষণতার কারণ হয়, হয় সম্মভাবে বা বিরাট ভাবে। ব্যবহার পারছ কি? আমার মনে হয় এই কবিতাটি তোমাদের সবার জন্য আলোচনা করছি…!
ভালবাসা আদর' দাসেরে, কশাঘাত কর...
তোমাকে মাস্টার প্রেম দর্শন করান বা তুমি তাঁর দ্বারা কশাঘাত পাও, যতক্ষণ তুমি তোমার আমিতু-ভিত্তিক রুটিন, আমিত্য-ভিত্তিক জীবনযাত্রা অনুসরণ কর, তুমি গোলাম হয়েই থাকবে।
সোনার নির্মিত, হ'লে কি দুর্বল
বোঝা, 'তাৎক্ষণিক স্বতন্ত্রতা' বলে কিছু वारण। वजा वनकम : याथन कुलि जल्टन उठे, তুমি তোমার ইচ্ছামত কার্য করতে থাক। তুমি रेफ्शन क ममत्य चूत श्रद्क उठे, ज्ञानाव ইচ্ছামত বিভিন্ন কার্য কর, ইচ্ছামত খরচা কর। এগুলি হল তাৎক্ষণিক স্বতন্ত্ৰতা। কেবল যখন তুমি এই তাৎক্ষণিক স্বতন্ত্ৰতাকে ঝাঁকাও, তোমার মধ্যে জ্ঞানীয় পরিবর্তন (cognitive shift) ঘটবে। 'আমি' ও 'আমার' ভাবনাগুলি ধাক্কা খাবে। পরিবর্তন ঘটেবে।
যদি তোমরা আমি কি করি তা দেখ, मन्यदव वासि मर्वमारे जानारमन जारकाणिक স্বতন্ত্রতাকে ঝাঁকিয়ে চলেছি! আর কিছুই নয়। বর্তমানে তুমি তোমার সমস্ত ব্যক্তিত্ব তোমার
जाना করেছ। আমি একদম সেটাকেই ঝাঁকাই!
আমাকে এটাকে यारज वायरस वा विकास जानारमन जनवरी को वानवन প্রসঙ্গে বুঝতে পার।
वर्णमान जारता रायण जान भाँठ्रो থেকে মধ্যরাত্র পর্যন্ত আশ্রমের রুটিন অনুসরণ করছ। আগামীকাল থেকে আমি যদি তোমাদের দশদিনের ছুটি দিই আর বলি যে তোমাদের ঐ কয়েক দিন আশ্রমের রুটিন অনুসরণ করতে হবে না, তাহলে তোমরা কি করবে? প্রথম চার দিন ধরে লম্বা ঘুম দেবে, বিছানার চারদিকে গড়াগড়ি করবে! তারপর কি ঘটবে? তোমার নিজের বাসনা তোমার ওপরে চেপে বসবে এবং তুমি নিজের ইচ্ছামত কার্য করতে শুরু করবে।
আমার তোমাদের চেতনাকে উন্নীত করার জন্য তৈরি कवा रायरण, किसु ज्याणी जानारमन्न जना একঘেয়ে লাগবে। যখন তোমরা একটা বিরতি পাও, তোমরা কয়েকদিন স্বতন্ত্র অনুভব করবে। किलु जानमद्व कि घटने? जानाव निकटनव আগাছাগুলি, তোমার অচেতন বাসনাগুলি তোমাকে টেলে তোলে ও তোমাকে নিয়ম্লণ করবে। তোমার জ্ঞান ছাড়াই পুনরায় তুমি গোলাম হয়ে যাবে - তোমার বাসনাগুলির গোলাম।
বর্তমানে তুমি কি অনুভব করা? তুমি সন্দেহ কর যে প্রতিদিন ভোর থেকে রাত পর্যন্ত मर्वमा গোলামের মত কাজ করার কোন প্রয়োজন আছে কিনা। কিন্তু সেই রুটিন থেকে ছাড়া भाउयाव काव मिन भटव कूलि कि कवट्ठ থাকবে? তুমি তোমার নিজের বাসনার গোলাম হয়ে যাবে! ব্যাস।
যখন তুমি নিজের বাসনাকে অনুসরণ কর, তমি তোমার রুটিনকে পিছিয়ে দিতে থাকবে ও তাকে সরল করতে থাকবে। তোমার খাবার সময়, তোমার ঘুমানোর সময়, তোমার পরো রুটিন সরলীকত হতে থাকবে। যখন তমি তা কর, বিষণাতার একটা মোটা স্তর তোমার সত্তায় তৈরি হতে থাকবে। যখন তোমার খেয়াল निर्जन द्रणिनटक তোমার জ্ঞান বিনা তোমার মধ্যে বিষণতা তৈরি হতে থাকে। কিন্তু আমি যে জীবনশৈলী প্ৰদান করি, তাতে সেই বিষণতার সেই মোটা স্তর তৈরি হবে না। দিনের পর দিন, তোমার যুক্তি ছাড়িয়ে, লয় থেকে লয়তর একটা মেজাজ তোমাকে আবুত করতে শুরু করবে! এই দুটি পথের মধ্যে এটাই বিরাট পার্থক্য।
যাক অন্ধকার, যাক সেই তমঃ, আলেয়ার মত বুদ্ধির বিভ্রম ঘणेट्य वाँसाव रहेटक वाँसारव ल'য়ে যায় এই ভ্রান্ত জীবাতায়ারে। জীবনের এই তথা চিরতরে মিটাও জ্ঞানের বারি পান করে। এই তম-রজ্জু জীবাত্মা-পশুরে জন্মমত্য-মাঝে আকর্ষণ করে। সে-ই সব জিনে - নিজে জিনে যেই, ফাঁদে পা দিও না - জেনে তত্ত্ব এই। বলহ সন্মাসি, বল বীর্যবান -করেহ আনন্দে করে এই গান -ওঁ তৎ সৎ ওঁ
এটাকে সযতে বোঝা : মৃত্যু ও পরের জীবনের মাঝে, যে বলে, 'আহা, আমি ভালই কাজ করেছি ও চলে এসেছি,' সে-ই সন্ন্যাসী। জন্ম ও মত্যুর মাঝে, যাকে জীবন বলা হয়, যে ভাবে, 'আহা, আমি ভাল কিছু করছি, ' সে হল সংসারী! বুঝতে পারলে?
মত্য ও পরের জন্মের ব্যবধানে আত্মা তার পর্বের কার্যসমহ পর্যালোচনা করে। আত্মা जन्म वनुस्त करव यदि टन जान भूववर्णी জীবন বাস্তবতার একদম সন্নিকটে বাস ক'রে शादक। वाया विज्ञतम वाम कब्राल वनुक्त অনুভব করে। সন্ন্যাসী সে -ই, যে মত্যু ও পরের জন্মের মাঝে জীবনে ভাল কার্য করেছে বলে অনুভব করে এবং বেড়িয়ে আসে কারণ সে বাস্তবতার একদম কাছে থেকে বাস করেছে।
অপরদিকে সংসারী জন্ম ও মৃত্যুর মাঝে জীবনে মায়াময় কতিতের জন্য গর্ব করে এবং উপসংহারে আসে সে ভাল কাজ করছে। বোঝ : যখন আমি সংসারী বলছি আমি বিবাহিত ব্যক্তি বোঝাচ্ছি না। আমি মায়াময় विद्यन्न मानमिक गर्छनटक वाद्याण्डि। मणि পরিষ্কার ব্যবহার হবে।
जोवटनव व वरे कुया कित्रणद्व মিটাও... আকর্ষণ করে
जोवर्तनव ज़्मा कथनउ करण्ड तर्फ ना। जा সর্বদা ঘটতে থাকে। অনেক জন্ম নেবার পরে बदर विद्यक रूढ़ा, 'माल रखया'-(क वासि वलि 'অনুভব' - - জীবনের - পরম - অভিজ্ঞতা। জীবনমুক্ত মাস্টার কোটি জন্ম নেবার পর ক্লান্ত रुट्य स्वर माल रन उ व्यमन बक मण्डि विकितन करवन करन करे जोटक ल्यटलरे जाँदक সারা জীবন আঁকড়ে ধরে! সেটাই জীবনমুক্ত মাস্টারের চিহ্ন। এইভাবেই মাস্টার ও শিষ্যের মধ্যে সম্বন্ধতা ঘটে। শিষ্য মাস্টারকে শিষ্যের यूकि वर्णिक्तम करव द्वार वर्वर जारे ल মাস্টারকে আঁকড়ে ধরে!
वाद्य, या किछू वर्ष्ण्ड वाल्क वर्तक मध्य मिट्य (गणि उ वर्थन वर्थाटन वर्षाटन वर्त्याणि আমাকে তোমরা 'বরিষ্ঠ আত্মা' বলতে পার।
নতবা, তোমরা কি আমার ৩১ বছর বয়স ও যে আত্মা এর ভিতরে আছে তার মধ্যে কোন সামঞ্জস্য দেখতে পার? না! এতে কোন সংযোগ নেই!
वविक्त वाशादक द्वाराव सुरूर्ण, मिरे অভিজ্ঞতাকে গ্রহণ করা ও নিজেকে উন্নীত করাই সন্মাস! বিবেকানন্দ এখানে সেটাই বলেছেন। সন্ন্যাস হল জীবনমুক্ত মানুষকে দেখা वर निर्फ़टक स्पेन्नोज कवान जना जाँदक আঁকড়ে ধরা।
সে-ই সব জিনে - নিজে জিনে যেই, ফাঁদে পা দিও না - জেনে তত্ত এই। বলহ সন্মাসী, বল বীৰ্যবান -করহ আনন্দে করে এই গান -ওঁ তৎ সৎ ওঁ
'কত কর্মফল ভুঞ্জিতে হইবে, ' বলে লোকে, 'হেতু কার্য প্রসবিবে, শুভ কর্মে - শুভ, মন্দে - মন্দফল, এ নিয়ম রোধে নাই কারো বল। এ মর-জগতে সাকার যে জন, শঙ্খল তাহার অঙ্গের ভঙ্গের ভয়ণ। ' সত্য সব, কিন্তু নামরূপ-পারে নিত্যমুক্ত আত্মা আনন্দে বিহুরে। জানো 'তত্ত্বমসি', করো না ভাবনা, করহ সন্ন্যাসি, সদাই ঘোষণা -ওঁ তৎ সৎ ওঁ
কেবল একটা নিয়ম বা এক পরিস্থিতি থেকে পলায়ন করে কখনও ভেবো না যে তুমি সত্যি পালাতে পেরেছ। যদি কোন সমস্যা সামনে আসে, একদম তোমার সত্তায় চলে যাও। 'আমি আত্মন' বলে নিজেকে নিরাময় কর এবং অনুভব কর যে যে সেই সমস্যার জন্য তোমার ভিতর থেকে সাড়া জাগছে, তা সে সমস্যা যতই কঠিন হোক না কেন। সেই সাড়া অনুযায়ী কার্য কর। সেটাই স্বাধীনতা। বর্তমানে তোমার সমস্যা হলে তুমি কি কর? তুমি সেই পরিস্থিতি থেকে বা সেই ব্যক্তি থেকে বা সেই স্থান থেকে পালিয়ে যাও। ঠিক কিনা? পালিয়ে তুমি ভাব তুমি স্বতন্ত্র। বিবেকানন্দ এখানে সেটাই অস্বীকার করছেন!
সত্য সব, কিন্তু নামরূপ-পারে নিত্যমক্ত আত্মা আনন্দে বিহুরে। জানো 'তত্ত্বমসি', করো না ভাবনা...
তোমার ভিতরে, তোমার সত্তাতে গভীর জীবন-সমাধান জাগ্রত হবে। সেই স্বতন্ত্রতা যা তোমার অন্তরের গভীরতা থেকে আসে, সেটাই প্রকৃত স্বতন্ত্রতা। কেবল সেটাই তোমাকে পরম স্বতন্ত্রতায় নিয়ে যাবে। সেটা ছাড়া অন্য কোন উপায়ে যদি তুমি স্বতন্ত্রতার দিকে যাবার চেষ্টা কর, তা তোমাকে কেবল আরও বেশী বন্ধনের দিকে নিয়ে যাবে।
'কত কর্মফল ভুঞ্জিতে হইবে ,' বলে লোকে, 'হেতু কার্য প্রসবিবে, শুভ কর্মে - শুভ, মন্দে - মন্দফল, এ নিয়ম রোধে নাই কারো বল। এ মর-জগতে সাকার যে জন্য, শৃঙ্খল তাহার অঙ্গের ভঙ্গুর ভয়ণ।'
দ্যাখ : যেই তুমি এক আকার ধারণ কর, যেই তুমি জন্ম নাও, আর স্বাধীনতা পাবার জন্য তুমি যা কিছু করার চেষ্টা কর, তা সেটা কোন কিছু থেকে পলায়ন করেই হোক স্বাধীনতা কখনও ঘটে না। যেন একটা চেন (শৃঙ্খল) তৈরি করতে হবে। সেটাকে বারবার খোঁচা দিয়ে কি তাকে নিরাময় করতে পারবে? না! একইভাবে
অভিজ্ঞতার প্রথম স্তর হল তুমি যা দেখছ তা দেখতে পাওয়া। জানি যে তুমি যা দেখছ তা দেখতেই পাচ্ছ। দয়াকরে এই সত্য স্মরণ করে স্বাধীনতা জাগ্রত কর। এটাই প্রকৃত স্বতন্ত্রতা। এটাই পরম স্বাধীনতা।
সদাই যাহারা দেখয়ে স্বপন-পিতা মাতা জায়া অপত্য বান্ধব-আত্মা তো কখন নহে এই সব; নাহি তাহে কোন লিঙ্গালিঙ্গভেদ, নাহিক জনম, নাহি খেদাখেদ। কার পিতা তবে, কাহার সন্তান? কার বন্ধু শত্রু কাহার ধীমান? একমাত্র যেবা - যেবা সর্বময়,
তোমার মনে প্রতি মুহুর্তে হাজার চিন্তা আসে। চিন্তা হল মন দ্বারা সৃষ্ট শূন্য স্বপ্ন, বিভ্রম। সমস্ত সম্বন্ধতা এবং সমস্ত আবেগগুলি কেবল মায়া। তুমি এই পৃথিবীতে কেবল তোমার কর্ম নিঃশেষ করে জীবনমুক্ত আত্মা হওয়ার পরে তুমি শূন্যগর্ভ স্বপ্ন যেমন সম্বন্ধতা, আবেগ ও এই প্রকার জিনিসে আটকে গেছ। এই শূন্যগর্ভ স্বপ্নগুলি তোমার মনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় তোমার ওপরে প্রচণ্ড অত্যাচার ঘটে চলেছে। তুমি তা আর সহ্য করতে পার না। বোঝ, যদি তোমার এই দমবন্ধ ভাব অনুভব হয়, তার অর্থ, তুমি বাস্তবতা থেকে দূরে আছ। তুমি ভয় পাচ্ছ বাস্তবতা দেখতে। কিন্তু তুমি কি করে? তুমি স্বপ্ন পরিবর্তন কর! তুমি পরিস্থিতি পরিস্থিতি পরিবর্তন করে! তারপর কি হয়? তুমি সেই স্বপ্ন মৃদুভাবে চালিয়ে যাও। তুমি সত্যকে দেখার সুযোগ হারাও।
যখন আমি তোমাদের জন্য ভয়ংকর করি, বোঝ যে আমি তোমাদের জাগ্রত করছি! আলু সেদ্ধ করার সময় যদি বেশী আলো দেওয়া হয়, তাহলে আলুটার কি হবে? সেটা খারাপ হয়ে যাবে! একইভাবে যখন আমি বেশী করে সেদ্ধ করা শুরু করি, যদি তোমরা বাইরে না এসে ভিতরে থেকে যাও এবং কি ঘটতে যাচ্ছে দেখার জন্য মনস্থির কর, সেটাই যথেষ্ট! সেটাই 'সিদ্ধ' হওয়া, আধ্যাত্মিক প্রাজ্ঞতা প্রাপ্ত হওয়া।
সত্য কিবা তারা জানে না কখনও, সদাই যাহারা দেখয়ে স্বপন-পিতা মাতা জায়া অপত্য বান্ধব-আত্মা তো কখন নহে এই সব: নাহি তাহে কোন লিঙ্গালিঙ্গভেদ, নাহিক জনম, নাহি খেদাখেদ। কার পিতা তবে, কাহার সন্তান? কার বন্ধু, শত্রু কাহার ধীমান? একমাত্র যেবা - যেবা সর্বময়, যাহা বিনা কোন অস্তিত্বই নয়, 'তত্ত্বমসি' ওহে সন্ন্যাসিপ্রবর, উচ্চরবে তাই এই তান ধর-ওঁ তৎ সৎ ওঁ
কেবল স্বপ্নটাকে সম্প্রসারিত করছ। দ্যাখ, সেটা এক ভীষণ স্বপ্ন না হলে তুমি জেগে উঠবে না! যদি সেটা কেবল এক কোমল স্বপ্ন হয়, তুমি জাগবে না। যদি আমি তোমার জীবনকে এক ভীষণ স্বপ্নে পরিবর্তিত করছি, দয়া করে বোঝ যে আমি তোমাদের জাগাচ্ছি! আমি তোমাদের আনন্দ দিচ্ছি। যদি তুমি চীৎকার কর, 'না! আমাকে ছেড়ে দিন স্বামীজী!' এবং তুমি তোমার পরিস্থিতি পরিবর্তন কর, তাহলে জীবন এক কোমল স্বপ্ন হয়ে যাবে। তখন তুমি কি করবে? তুমি সেই স্বপ্ন চালিয়ে যেতে থাকবে। তুমি চালিয়ে যেতে থাকবে।
একমাত্র মুক্ত জ্ঞাতা আত্মা হয়, অনাম অরূপ অক্কেদ নিশ্চয়: তাঁহার আশ্রয়ে এ মোহিনী মায়া দেখিছে এসব স্বপনের ছায়া: সাক্ষীর স্বরূপ - সদাই বিদিত, প্রকৃতি-জীবাত্মারূপে প্রকাশিত: 'তত্ত্বমসি' ওহে সন্ন্যাসিপ্রবর, ধর ধর ধর, উচ্চে তান ধর-ওঁ তৎ সৎ ওঁ
সুখতরে গৃহ করো না নির্মাণ, কোন্ গৃহ তোমা ধরে, হে মহান ? গৃহছাদ তব অনন্ত আকাশ, শয়ন তোমার সুবিস্তৃত ঘাস; দৈববশে প্রাপ্ত যাহা তুমি হও, সেই খাদ্যে তুমি পরিতপ্ত রও: ভঞ্জহ সকলি হয়ে আবিকত। শুদ্ধ আত্মা যেই জানে আপনারে, কোন খাদ্য-পেয় অপবিত্র করে? হও তুমি চল-স্প্রোতস্বতী মত. স্বাধীন উন্মুক্ত নিত্য-প্রবাহিত। উঠাও আনন্দে, উঠাও সে তান, গাও গাও গাও সদা এই গান-ওঁ তৎ সৎ ওঁ
এইরূপে বন্ধো, দিন পর দিন, করমের শক্তি হয়ে যাবে ক্ষীণ: আত্মার বন্ধুন ঘুচিয়া যাইবে, জননম তাহার আর না হইবে:
বিবেকানন্দ বলেন, 'প্রতিদিন এইভাব বাস কর যেন তা জাগরণের এক সম্ভাবনা।'
কিন্তু তুমি কি কর? যদিও তুমি আমার কাছে এই প্রবল প্রেরণা নিয়ে আস, কিছু সময় পরে তুমি ভুলে যাও যে প্রতিদিন আমার কাজ কেবল তোমাকে সেদ্ধ করা ও জাগ্রত করা। তুমি ভুলে যাও যে প্রতিটি দিন হচ্ছে কেবল তোমাকে সেদ্ধ করার জন্য। তখন তখন তুমি কি কর? তুমি একটা নীরস মনোভাব নিয়ে থিতিয়ে পড়। তুমি ভাব, 'আর কি আছে? এতে আছেই বা কি? ওতে আছেই বা কি?' তুমি এই সব ধারণা নিয়ে থাকতে শুরু কর এবং জীবনকে অবধারিত বলে ধরে নিতে শুরু করে।
এইরূপে বন্ধো, দিন পর দিন, করমের শক্তি হয়ে যাবে ক্ষীণ: আত্মার বন্ধুন ঘুচিয়া যাইবে, জননম তাহার আর না হইবে: 'আমি' বা 'আমার' কোথায় তখন? ঈশ্বর - মানব - তুমি - পরিজন -সকলেতে 'আমি', আমাতে সকল -আনন্দ, আনন্দ, আনন্দ কেবল। সে আনন্দ তুমি, ওহে বন্ধুবর, তাই হে আনন্দে ধর তান ধর -ওঁ তৎ সৎ ওঁ
ভেবো না দেহের হয় কিবা গতি, থাকে কিম্বা যায় - অনন্ত নিয়মতি: কার্য অবশেষে হয়েছে উত্তার, এবে ওতে প্রারক্ষের অধিকার; কেহ বা উহারে মালা পরাইবে, কেহ বা উহারে পদ প্রহারিরে;
চিত্তের প্রশান্তি ভেঙো না কখনও. সদাই আনন্দে রহিব মগন: কোথা অপযশ - কোথা বা সখ্যাতি? স্তাবক-স্তাব্যের একত-প্রতীতি, অথবা নিন্দুক-নিন্দ্যের যেমতি। জানি এ একত-আনন্দ অন্তরে গাও হে সন্ন্যাসী, নির্ভিক অন্তরে -ওঁ তৎ সৎ ওঁ
পশিতে পারে না কভু তথা সত্য, কাম-লোভ বশে যেই হেদি মতঃ কামিনীতে করে স্ত্রীবুদ্ধি যে জন, হয় না তাহার বন্ধন-মোচন: কিম্বা কিছু দ্রব্যে যার অধিকার, হউক সামান্য - বন্ধন অপারে: ক্রোধের শৃঙ্খল কিম্বা পায়ে যার, হইতে না পারে কভু মায়া পার। ত্যজ অতএব, এসব বাসনা, আনন্দে সদাই কর হে ঘোষণা -ওঁ তৎ সৎ ওঁ
দাও দাও দাও সবারে অভয়. বল 'প্রাণিজাত, করো নাকো ভয়: ত্রিদিব পাতাল থাকো যে যেখান, সকলের আত্মা আমি বিদ্যমান: স্বরগ-নরক ইহামুত্র-ফল আশা ভয় আমি ত্যজিন সকল। ' এই রূপে কাটো মায়ার বন্ধন, গাও গাও গাও করে প্রাণপণ -ওঁ তৎ সৎ ওঁ
অন্বেষিছ মুক্তি কোথা বন্ধুবর? পাবে না তো হেথা, কিম্বা এর পর; শাস্ত্রে বা মন্দিরে বৃথা অন্ধেষণ; নিজ হৃদয়ে কর নিরীক্ষণ। ত্যজ অতএব বৃথা শোকরাশি, ছেড়ে দাও রজ্জু, বল হে সন্ন্যাসি -ওঁ তৎ সৎ ওঁ
বিবেকানন্দ বলেন, 'পুস্তক বা মন্দির তোমাকে সঠিক জ্ঞান প্রদান করে না। সত্যে প্রতিষ্ঠিত গুরুর হাতই তোমাকে জ্ঞান প্রদান করে। সেই হাত ধর। তাকে ছেডে দিও না। তারপরে তোমার কোনও দুঃখ নেই।'
বিবেকানন্দ, প্রকৃত সন্ন্যাসী, ছিলেন! তিনি করেছিলেন। তিনি আত্মপ্রকাশের বিজ্ঞানকে পুনর্নির্মাণ করেন। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ রূপে প্রকাশ করেন। গীতিগুলি নিজের মধ্যে স্বচ্ছতা নিয়ে আসার কাজকে বারংবার ত্বরান্বিত করে। তিনি বলেন, তার মধ্য থেকেই আমাদের অন্বেষিত স্বাধীনতা নির্গত হয়।
তাই বোঝ, বিষণতার বাইরে আসার জন্য পরিস্থিতিকে পরিবর্তন করবে না। পরিস্থিতিকে পরিবর্তন করলে তুমি আরও বিষণতায় চলে যাবে। বিষণততার সময় তুমি যা কিছু নির্ণয় নাও, তা আরও বেশী বিষণ্ণতার জন্য মঞ্চ নির্মাণ করবে। কেবল কল্পনা কর, বিষণ্ণতায় থাকার সময় সঠিক নির্ণয় নেবার জন্য কোন কিছু ঠিকমত পরিচালনা করার জন্য তোমার যথেষ্ট স্পষ্টতা থাকবে কি? না! তা তোমার থাকবে না। ঐ সময় তুমি যা কিছু কর তা যেন আরও চার পাঁচটা চাবি দিয়ে চেষ্টা করছ যা দরজার সাথে মেলে না। এক মাতাল একটা দড়ি পেলে সে অচেতনভাবে তা দিয়ে নিজেকে আরও জড়িয়ে বেঁধে ফেলবে, আর সে ভাববে সে নিজেকে জট থেকে খুলে ফেলছে! বিষণ্ণতার সময় নেওয়া সমস্ত নির্ণয় এইপ্রকার।
বিষণ্ণতা থেকে বাইরে আসার একমাত্র উপায় হল নিজের ভিতরে স্পষ্টতা নিয়ে আসা। সাহসের সাথে প্রত্যক্ষ কর ও উঠে পড়। তখন প্রকৃত স্বাধীনতা ঘটা শুরু হবে।
সন্ন্যাসে মাস্টারের ভূমিকা কি?
মহাবীর জৈন এক মহান জৈন মাস্টার ছিলেন। তিনি জৈনদের শিক্ষাগুলিকে 'জেন সূত্র'-তে সঙ্কলন করেন। শ্লোক শুরু হয়, 'নমো আরিহান্ত'। 'নমো আরিহান্ত'-এর অর্থ 'আমি শ্রদ্ধার সাথে প্রণত হই সেই আরিহান্তদের জন্য যিনি মহান জীবনমুক্ত মাস্টারদের কথা বলছেন।
এই মাস্টারেরা কেবল সেই সত্য প্রাপ্ত করেন তা নয়, তাঁরা সেই সত্যকে এমনভাবে বিকিরণ করেন যা অন্য মানবেরাও তা প্রাপ্ত করার জন্য অনুপ্রাণিত হয়!
আরিহান্ত অর্থ এই নয় যে যিনি শিক্ষা প্রদান করেন। না! বাদিশাখ তিনিই যিনি প্রেরণা যোগান দেন। শিক্ষা প্রদান করে তুমি জীবনমুক্ত মানুষ সৃষ্টি করতে পার না। যদি তা পারতাম, তাহলে আমরা তা বহু আগেই বিক্রি করতে শুরু করতাম! আমরা দোকান নির্মাণ করতাম। আমাদের ওয়েবসাইটে আসুন ও জীবনমুক্তি লাভ করুন!' 'এখানে গ্যারান্টি দিয়ে জীবনমুক্ত পাওয়া যায়' নাম দিয়ে আমরা দোকান খুলে বসতাম। দুর্ভাগ্যবশত, তুমি শিক্ষা দিয়ে কোন সত্তার মধ্যে জীবনমুক্তি সৃষ্টি করতে পার না। কেবল অনুপ্রেরণা দ্বারাই তোমাকে জীবনমুক্ত মানুষ সঙ্গি করতে হবে।
আরিহান্ত সত্যকে উচ্চ ক্ষমতা সহকারে ও প্রবলভাবে বিকিরণ করেন। তাঁর উপস্থিতি এতই প্রগাড়, কেউ তাঁর সামনে কিছু মিনিট কাটালেও অনুভব করবে যেন আলো প্রজ্বলিত হয়। আলোক প্রেরণ করা হয়। তারা অনুভব করতে থাকে এটাই জীবনযাপন করার মহত্তম অবস্থা। বিদ্যমান থাকার জন্য এই স্থানটিই সর্বোত্তম। আমার জীবনে ঘটার এটাই সর্বশ্রেষ্ঠ জিনিস। দয়া করে বোঝ, যদি তুমি এক জীবনমুক্ত সত্তার নিকটে যাও, তাঁর পাশে কেবল দুই তিন মিনিট কাটালেও, অকসাৎ তোমার জীবনে সর্বোত্তম ঘটনা ঘটবে।
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM তোমাকে অতিকল্পনা হয়ে যাবেন। তিনি তোমাকে অনেক অনুপ্রেরণা যোগাবেন। তিনি তোমার অন্তর্দেশে বীজ বপন করবেন যা তোমাকে সেই অবস্থা অর্জন করার জন্য কাজ শুরু করতে সাহায্য করবে অথবা তুমি তাতে অসমর্থ। যদি তুমি ভাব যে তুমি তা করতে অসমর্থ, ঠিক আছে। কমপক্ষে তুমি প্রথম পদক্ষেপটা নিয়েছ। তুমি শুরু করেছ।
প্রথম পদক্ষেপটা হল জীবনমুক্তির দিকে প্রথম ধাপ। তার অর্থ তুমি সেই অবস্থা চাও। সাধারণত তুমি ভাবাদুর্শের সাথে সম্মত না হলে তা শ্রদ্ধা করবে না। সেই ভাবাদুর্শের জন্য তোমার একটু সংযুক্তি বা অনুভূতি না থাকলে, কমপক্ষে তুমি জিনিসটাকে মুগ্ধ করবে না। উদাহরণস্বরূপ, তুমি যদি শারীরিকভাবে সুন্দর কোন ব্যক্তিকে কদর কর, স্পষ্ট করে বোঝা, সেই অবস্থায় যাবার জন্য ও সেই গুণমান অর্জন করার তোমার এক সূক্ষ্ম ইচ্ছা আছে। একইভাবে যদি তুমি এক ধনী ব্যক্তিকে কদর কর, তোমার ভিতরে ধনসম্পদ অর্জন করার এক সূক্ষ্ম বাসনা আছে। যা কিছু তুমি কদর কর, তা দেখায় যে সেটা তোমার অন্তর্দেশে প্রবেশ করেছে।
যখন আমি বলি, 'সত্তাদের প্রতি শ্রদ্ধায় প্রণত হই,' তার অর্থ তুমি জীবনমুক্তিকে কদর করছ। এখানে তুমি এমন কারো কাছে প্রণত হচ্ছ না যিনি তোমাকে কিছু দেবেন। না। তুমি এক রাজার কাছে প্রণত হচ্ছ না। তুমি এক ধনী ব্যক্তির কাছে প্রণত হচ্ছ না যে যে তোমাকে টাকাপয়সা দেবে। না। তুমি এমন কারো কাছে নতমস্তক হচ্ছ না যে তোমাকে যুক্তি অথবা দর্শনশাস্তের জ্ঞান বা নিছক শব্দাবলী দেবে। না। তুমি এখানে কোন ব্যক্তিকে অনুসরণ করছ না। তুমি সেই ব্যক্তির কাছে প্রণত হচ্ছ যিনি তোমার ভিতরে জীবনমুক্তির বীজ বপন করেন, যিনি তোমাকে জীবনমুক্তি পেতে সাহায্য করেন! কোথাও তুমি অনুভব করে যে সেই মানুষটির সাথে বিদ্যমান থাকাই যথেষ্ট। জীবনমুক্তি ঘটবেই। বাদশাহত ব্যক্তি এই প্রকার।
একটা সুন্দর ভাষ্য আছে, যখন তুমি এক বাদশাহের, এক भव्य কোন মঠাধক্ষ্যের সামনে বসে থাক, তোমার অজান্তে তোমার সচেতন উপলব্ধি ছাড়াই তোমার সমগ্র সত্তা সেই ব্যক্তি থেকে কেন্দ্রিত আলোক গ্রহণ করে, যেন তুমি তোমার ভাবা মত এক সত্তা নও। তোমার মাথা তোমাকে একদিকে টানছে। তোমার চোখ তোমায় অন্যদিকে টানছে। তোমার কান তোমাকে ভিন্ন দিকে টানছে। এই বিভিন্ন ভগ্ন অংশগুলিকে একত্রিত করাই সন্ন্যাস।
সন্ন্যাস হল রূপান্তরিত হবার জন্য সংকল্প। সাধারণত জীবনমুক্ত সন্যাসিরা তা জাগাতে পারেন।
সন্ন্যাস লাভ করার রুঢ় হওয়ার দরকার নেই! যদি তুমি আলো হও, তুমি তা বিকিরণ করতে পার এবং অন্যেরা তা তোমার হাঁটা, বার্তালাপ ও চলাফেরার ধরণ দেখে বুঝতে পারবে। তুমি হবে এক স্বতঃস্ফূর্ত ভিড়-আকর্ষণকারী। তুমি এক অভাবনীয় মাধুর্য ও শক্তি বিকিরণ করবে। সন্ন্যাসীর মধ্যে রাজার থেকেও বেশী কিছু ঘটা উচিত, কারণ সন্ত্যাস হল অন্তরের সৌন্দর্য প্রকাশ করা। সন্ন্যাসীর জীবনে থাকা উচিত করুণা ও পরমানন্দ।
সম্পূর্তি (অখণ্ডতা) - এক সন্ন্যাসীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য
তপস শব্দটার অর্থ নিজেকে একীভূত করা, নির্জনতা খোঁজা। তুমি জিজ্ঞাসা করতে পার, 'আমরা কি এখন সেই রকম নই?' যদি কাছ থেকে দেখ, তুমি দেখবে যে আমরা বিভিন্ন খণ্ডে বিদ্যমান, কখনও এক সাথে নয়। সাধারণত জীবনে মন কিছু বলছে, কেবল অখণ্ডতা নেই।
যদি তুমি শরীরের দুর্বলতা অনুভব কর, যন্ত্রণার সাথে কথা বলছে। যেই মুহূর্তে মন বলে, 'ব্যায়াম করা যাক', শরীর সঙ্গে সঙ্গে বলবে, 'না, ব্যায়াম করব না!' শারীরিক ক্রিয়া ও অন্তরের ব্যক্তির মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু করে।
penance।
অবিলম্বে কুমীর তার গ্রাস ছেড়ে দিল! শংকরা মহানন্দে তাঁর মায়ের কাছে দৌডে গেলেন। সেই মুহুর্তে অন্বেষিত সত্যটির সাথে তিনি একীভূত ছিলেন... আরোগ্য লাভ করল।
দেখ, তিনটে জিনিস আছে :
১. সত্য চিন্তা করা ২. সত্য কথা বলা ৩. সত্যনিষ্ঠ হয়ে জীবনযাপন করা
প্রথম দুটো অনুসরণ করা সহজ। কিন্তু তৃতীয়টি, সত্যনিষ্ঠ হয়ে জীবনযাপন করা, কঠিন। আমার ভাবি, তা নিয়ে জীবনযাপন করার সাহসই সন্ন্যাস। আমরা সত্য কথা বলার ওপরে গুরুত্ব দিই। কিন্তু সত্যনিষ্ঠ রূপে জীবন যাপন করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যদি তুমি তোমার সত্য নিয়ে বাঁচ, তোমার নিজের ওপরে শ্রদ্ধা বেড়ে যাবে। সেটাই তার সৌন্দর্য।
যখন সমস্যা নিয়ে আস, আমি কখনো কখনো তোমাদের সান্ত্বনা দিই এবং বলি সেটা ঠিক আছে। তোমাদের সেগুলিকে নিয়ে বাস করার ও সমাধান করার অখণ্ডতা নেই! তাই আমাকে তোমাদের সান্ত্বনা দিতে হয়। যখন তুমি নিজের সাথে নিজেকে আরও বেশী মূল্যায়ন কর, যখন তুমি নিজের আত্ম-অবস্থান ও অবস্থার বিশ্বাস করতে শুরু করে, সেটা জীবনে সবচেয়ে মঙ্গলময় ব্যাপার। স্বর্গদ্বার খুলে গেছে!
যা তুমি বলছ তা না করাই ভণ্ডামি। ভণ্ডামি হল অনেক জায়গায় লুকিয়ে থাকা যাতে লোকেরা বুঝতে না পারে তুমি প্রকৃতপক্ষে কে। তোমার খণ্ডগুলি একে অপরের সাথে লড়াই করছে এবং বিজয়প্রাপ্ত হওয়ার জন্য একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে। যখন তুমি নিজের খণ্ডগুলির সাথে লড়াই কর এবং বিজয়ী হও, তাহলে তুমি 'শীন', এক সাহসী ব্যক্তি! অপরের সাথে সংগ্রাম করে বিজয়ী হলে তুমি 'বীর', এক যোদ্ধা। কিন্তু নিজের সাথে সংগ্রাম করা জীবনের চরম কার্য। নিজেকে ক্লান্ত না হলে তুমি সংগ্রাম কর না। একমাত্র যখন তুমি ক্লান্ত, তুমি স্বীকার কর যে তোমার সংগ্রাম শুরু করা প্রয়োজন।
একবার একীভূত হলে প্রথমবার বুঝতে भाव या कूलि वक्कवरण का मतल সুৰ্থাম খুলে পড়ে যায়। তুমি নিজেকে সম্বন্ধতায় উন্মুক্ত कवरण भुख्य। (Authentic) হও। তুমি হঠাৎ উপলব্ধি কর তুমি 'তোমার' জন্যই জিনিষগুলি হারাচ্ছিলে! সন্ন্যাস रूल वावर यशार्थ रुआ। यशार्थ मानव वासि वाद्याण्ड्रि या कृति विकितन कवर्त, बाकिए नया। थांडिक राय थाकटन कूलि करन बढ़क बालिकू। वर्थ उठा मरकारव उसे बक सकत वर्ष वाखिए। सरक्ष वास्तिक वा मणा रून निर्जन यथा था कारक (Authenticity, শ্রদ্ধা) নিজের চোখ দিয়ে দেখা। वाकितू मामार्जनव कार्ट्य वक वानारना প্রতিচ্ছবি। মাস্টারের কাজ হল তোমার ভিতরে बतन बक वाकान देवनि कवा व्यथाटन তোমাকে তোমার ব্যক্তিত্বকে পাহারা দিতে হবে ना, याशादन रूसि माधीन रूट भाव, याथात्व উপলব্ধিমাত্র রূপান্তর ঘটাতে পারে।
Integrity - ।
Part 12: Living Enlightenment (Gospel of THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM)_Bengali_part_12.md
Integrity
সেনাধ্যক্ষ মাস্টারের সম্পর্কে কৌতুহলী হয়ে মন্দিরে গেল। মাস্টার সেনাধ্যক্ষকে অভিবাদন করলেন না। সেনাধ্যক্ষ খুব রেগে গেল। সে তো সবার কাছ থেকে সম্মান পেতে অভ্যস্ত।
সে তার তলোয়ার বার করে চীৎকার করে বলল, 'মুখ! তুমি কি উপলব্ধি করতে পাচ্ছ না যে তুমি এমন ব্যক্তির সামনে দাঁড়িয়ে যে তোমাকে চোখের পাতা না ফেলেই শেষ করে দিতে পারে?'
মাস্টার শান্ত হয়ে ছিলেন ও প্রশ্ন করলেন, 'আর তুমি কি উপলব্ধি করতে পা রছ যে তুমি এমন এক মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে याटक দেওয়া যায়?'
অখণ্ডতার স্বাধীনতা ও আনন্দ। স্বাধীনতা ও আনন্দ थाकरल वर्ल्ड कर वरिष्णुनरण कान क्य নেই!
জীবন পরমজ্ঞানালোকপ্রাপ্তির (জীবনমুক্তি) জন্য!
जोवरनव लक्त र र व वनस्कानाटनाक প্রাপ্ত করা, জীবনমুক্ত হওয়া। তোমার হয়ত অন্য লক্ষ্য থাকতে পারে, কিন্তু জ্ঞাতসারে বা वज्जादव मार्ड मार्गनि कवन जीवनसूर्खिन লক্ষ্যেরই ভিন্ন ভিন্ন নাম। একইভাবে তুমি অন্য यारे किछू वरवरण कव ना कन, कूलि প্ৰকৃতপক্ষে সন্মাসকেই খুঁজছ। কিন্তু তুমি তা জান না, সেটাই সমস্যা!
তুমি ভাবতে পার তোমার লক্ষ্য হল আরও টাকা উপার্জন এবং আরও সম্বন্ধতা। সত্য হল যে টাকাকড়ির খোঁজে আছে সে বস্তুত জীবনমুক্তিই অন্ধেষণ করছে! দ্যাখ, কেবল पूरणा जिनिष घाटक। बक्को रूल जाकाकड़ि वरश অন্যটা হল নাম-যশ। নাম-যশ অধিক কিছু नय, जा रल वाद्य मण्डक मन्नाना। या किछू वालिका कूलि जाकाकड़ि वा मन्नक्षणाव मधा मिट्य भारव वटल जानक, जा कूलि कवन জীবনমন্ত্রির মধ্য দিয়েই পাবে!
তাই জীবনমুক্তি না ঘটা পৰ্যন্ত আত্মা कथनउ विद्यास करव ना। कान भविषाण जाकाकड़ि वार्याटक मनुष्ठे कबरण भारत ना। कान मम्मूका वाश्वादक भविष्ण करव ना। यथन করে না, তখন সেটাকে বলে 'সফলতার বিষণ্ণতা'। কেরিয়ার বা পেশার চরম শীর্ষে উঠে যাবার পর এটাই হয়। লোকেরা আমার কাছে আসে ও বলে, 'আমি যা কিছু অর্জন করতে कार का वर्षण करवाणि, किलु ' या जना' वासि তা অর্জন করতে চেয়েছি, তা অর্জন করা হয় নি। আমি অপূর্ণ অনুভব করি।' বোঝা, এটা তোমার সত্তার ডাক যা জীবনমুক্তি ছাড়া অন্য कान लक्का व्यवस्था करव ना। वर्ष्क माज़ा দেওয়াই সন্ন্যাস।
जोवतनव लक्का मण्डिकडात्व दुवारण ना পারা হল সব সমস্যার মূল কারণ। সন্ন্যাস হল नकारक ठिकलाव फिनटन माना वनर जा वर्ष वा वर्षकन कनान जना वकील्क र 3 या। जोवरन व्य कान लटकान मिटक कूसि फोड़ाउ ना कन -টাকাকড়ি বা সম্বন্ধতা বা যাই হোক না কেন, তোমার চরম লক্ষ্য হল পরমানন্দ। জীবনে আর কোন ভিন্ন লক্ষ্য নেই!
কেবল দুই ধরনের মনুষ্য আছে। এক দল পরমানন্দ বা জীবনমুক্তি শব্দ জানে ও তা র পথও জানে। তারা সেইভাবে জীবনযাপন করে। অন্য দল সেই শব্দটি অথবা পথ জানে না, তাই তারা ব্যতাকারে ঘোরে। ব্যাস ! প্রথমজন সন্ন্যাসী, পরের জন সংসারী।
মাইসোর ব্যাঙ্গালোরে যাওয়া ঠিক করলে তুমি শর্টকাট বা निक्तेज्य वास्त वर्ष्ण वर्षाटन विद्य কিলোমিটার পরে পৌঁছাতে পার। নিকটতম রাস্তা না জেনে তুমি ঘুরে বেড়াবে এবং হয়ত ৩০,০০০ किलासिणान भट्न পৌঁছাবে। यात्रा শর্টকাট জানে না তারা তো ঘুরতেই থাকবে।
भव्यासम्बद्धानन व वालाक জীবনমুক্তির লক্ষ্য ছাড়া অন্য যে কোন লক্ষ্য তোমাকে প্রক্রিয়ার মাঝে ছেড়ে দেবে। অন্য যে কোন লক্ষ্য তোমাকে পূর্ণরূপে পরিতপ্ত করবে না। কেবল জীবনমুক্তির লক্ষ্যের শক্তি তোমার मार्थ করলে তোমাকে পরিপূর্ণ করবে।
তুমি হয়ত এই শরীরে ৭০ বা ৮০ বছর वाँकरव। ठिक किना? मिर्च वर्ष वर्ष्वाधनित्व प्रकूलि जामान का कार्याय वा साथ नोक অবস্থায় রাখতে পার। তুমি যে কোনভাবে তা (श्रण्ड भाव। क्वजनात्क डेँछ वर्थवा नोक অবস্থায় রাখার স্বাধীনতা তোমার কাছে ৭ ০ থেকে ৮০ বছর পর্যন্ত আছে। গভীরভাবে বোঝা, যদি তুমি অন্য কোন উপহার পাও ও সেটা নষ্ট कन्न, जा ठिक वाट्ड। किन्ह यदि कूमि फ्रूणि फ्रूजान উপহার পাও এবং তা অপচয় কর, সেটা এক সবচেয়ে বড় ক্ষতি।
काटकव घटनक जिनिष वाट्ड। किलु তাদের মধ্যে কয়েকটিমাত্র সুযালোক পাবার জন্য বিশেষভাবে যথাস্থানে আছে। একইভাবে काणि काणि वाणी वाद्या जारमन जनवर মহাজাগতিক চেতনা গ্রহণ করার ও তা প্রতিফলিত করার অবস্থায় নেই। কেবল মানুষের সেই মহাজাগতিক চৈতন্য কে নিজের মধ্যে 'আমি' হিসাবে প্রতিফলিত করার ক্ষমতা আছে। সেই প্রতিফলন আমাদের ওপরে ঘটার जना वासना वानक वामीनांदादश भयोग्यटर সেটাই সর্বোত্তম সম্ভাবনা।
যদি কাচের দিক পরিবর্তন হয় বা কাচ जन्म यायु, लड़े मुखावना वान्न शादक ना। मनाकर्या बड़ करणि रूल काठ यादि मूर्यटक প্রতিফলিত করার সুযোগ হারায়। মনুষ্য সেই काफ: ल्म वर्षिकलिक कवाद करण बन्द মহাজাগতিক চৈতন্যকে গ্রহণ করার জন্য সঠিক গঠন দ্বারা আশীর্বাদপুষ্ট। কেবল মানব চেতনার জীবনমুক্তিতে প্রস্ফটিত হবার সর্বোত্তম সম্ভাবনা আছে।
সাধারণত আমি কারোর ওপরে কোন জিনিষ জোর করে চাপাই না। কিন্তু যখন আমি দেখি যে মানুষ তার জন্মের সর্বোচ্চ সম্ভাবনা অপচয় করছে, আমার তাদের জন্য খারাপ লাগে। সবাইকে যেন জঙ্গলে চোখ বেঁধে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ও তারা সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে। वनार्मन वासिकू एक कवान जना जना ব্যতাকারে ঘুরতে থাক। নিজের আমিতকে সন্তপ্ট कवाद কেবল অন্য কারো আমিতকে তপ্ত করার জন্য मोड़ाज्यू! जानाव जीवन बरेबादवर करन যাচ্ছে। তুমি জানই না তুমি কেন দৌড়াচ্ছ।
তুমি মানবদেহ লাভ করেছ এবং সেটা केक्टना बाँभ কাচ ইতিমধ্যে সূর্যালোক প্রতিফল ন করছে। এখন সেই কাচকে সেই প্রতিফলনের উৎসকে দেখতে হবে। ব্যাস! উৎসের সাথে মিশে या उद्यादक वासि वनि जीवनसूर्छि, वार्किशाण চেতনার মহাজাগতিক চেতনায় মিশে যাওয়া।
यदि का घटने, जारटन जीवर्तन बन्का, य केटकर्मा काटकन मुष्टि रायरण, जा वर्षण
হয়। তখন কাচ ভেঙে গেলেও কোন সমস্যা নেই। কিন্তু তা অর্জন না করে যদি কাচ ভেঙ্গে যায়, সেটা সবচেয়ে বড় ক্ষতি। যদি মানবদেহ জীবনমুক্তি পাবার আগে বিনষ্ট হয়, তার চেয়ে বড় ক্ষতি আর কিছু হতে পারে না।
সন্মাস জীবনমুক্তি অর্জন করার উপায়। সন্নাস জীবনের শেষ নয়। সেটা জীবনের শুরু। সন্ন্যাস হল জীবনমুক্তির দিকে এগিয়ে যাওয়া बदर लाणेर जा जीवरनव वक्राख उ অপরিবর্তনীয় উদ্দেশ্য।
নিয়ন্ত্রণই (কণ্ডিশনিং) অপরাধী
यदि जोवरनव केटकना रूप जीवनसुरक्ति जारल वासना वर्थन काशाय वाण्टिक (गणि? আমাদের জীবনের কোন কোন কোন ক্ষেত্রে আমরা ভুল দিকে চলছি? বোঝা, সমস্যা হল সঠিক लक्कारक फिलटक भारता। नका ठिक रल जमि जा জীবনমুক্তি অর্জন করেছ। যদি তোমার লক্ষ্য ठिक रूय, जान वर्थ कृति रेणिस्था जा निर्द्य জীবনযাপন করছ।
সন্নাস সঠিক লক্ষ্য সম্পর্কে স্বচ্ছতা সঙ্গি করে। লোকেরা হারিয়ে ফেলে কারণ লক্ষ্য मम्भटक जामन सफ्टर न যে ব্যক্তি এক মুক্ত জীবন যাপন করে। নিজের लक्का मन्भर्क जान सम्मूण वाटण वर्तर वर्ष वर्ष वर्ष वर्ष वर्ष वृद्धि মহুর্তে সে তার চেতনা একমাত্র সেই লক্ষ্যের জন্য ঢেলে দেয়।
'নিয়ন্ত্রণ' হল একমাত্র কারণ যার জন্য তুমি লক্ষ্য হারাও। জন্মানোর সময় তুমি এসেছ এক মুক্ত পাখী হয়ে, পরমহংস বা মহত্যম হংস হয়ে, পরমানন্দে ডানা মেলে উদ্ড় যেতে এবং मतम वर्षिकुटक सेफरण केफरण कमि वज्जादक भश्रीमद्र निर्मा এসেছ। সেটাই সমস্যা। এইপ্রকার নেমে আসা পাখীদের ধরার জন্য অনেক লোক অপেক্ষা করছে! সমাজ তোমাকে দেশ, ধর্ম, জাতি, म्बनी उ मन्त्रमार्यन्न काठारमाटक सानानमर् বানাবার জন্য অপেক্ষা করে।
পথীগ্রহে নেমে আসার সময় তুমি ছিলে बक सिंह वाण्या। कुलि रिकु ছিলে ना, रेखिनीयाव वा सऊपून हिटल ना। किलु बजे वाद्य, ममाज रेक्षिनीयाव उ सज्जून काया। ममाज जानाव क्वजनान जना विवरण नया। বস্তুত, তোমার পিতামাতা বা সমাজ কেউই চেতনা বলে কিছু আছে বলে সচেতন নয়। তাদের সেই বুদ্ধিমতা নেই। তারা তোমাকে সেটাই শেখায় যেটা তাদের শেখানো হয়েছে। ব্যাস। তাদের নিয়ন্ত্রণ তোমাকে সীমাবদ্ধ রাখার বা পরিচালনা করার এক সুচিন্তিত প্রয়াস নয়।
नियल्वन वक व्यवास्त्रिक योजनक या वर्तक रखात्रविज कवा रायरस्य व्यवस्थ भवारा माणाभिणान নিয়ন্ত্রণ। তারপর সমাজিক নিয়ন্ত্রণ। এই দুটির सिलिटक নৈতিকতা সষ্টি কর। সেটা হল নিজের চাপানো नियलवा, जासान निर्जन धर्म, नायनिष्ठीन তোমার নিজের পথ।
यार्श्य वासना नियम्बर्धन बज वर्षो স্তর সঙ্টি করে ফেলি, আমরা সত্যকে সরাসরি দেখতে পারি না। আমরা লক্ষ্যকে সরাসরি হুদয়ঙ্গম করতে পারি না। আমরা লক্ষ্যটি নিয়ে জীবনযাপন করতে পারি না। আমরা নিয়ন্ত্রণে আটকে যাই ও আমরা সত্যি কে তা ভুলে যাই। নিয়ন্ত্রণ আমাদের মধ্যে কিছু সীমাবদ্ধতা নিয়ে আসে व वर প্রকৃতপক্ষে সেই সীমাবদ্ধতা। এমনকি আমাদের পরিধান করা কাপড়গুলিও আমাদের
नियन्त्रण करव वासारमन विश्वाम कवायर व्य আমরা সেই কাপডগুলি!
সমাজে অনেকগুলি নিয়ন্ত্রণ সেটি श्ट्यू विद्यालय का मशास्त्रान कवान जन्मान जन्मा। উদাহরণস্বরূপ, সহজে যোগাযোগ করার জন্য অনেক ভাষা শেখানো হয়। কোন ভাষা শেখা খারাপ নয়, কিন্তু তাকে নিয়মন্ত্রণ করতে দেওয়া बदर लड़ कायादक जासान जीवन वानिय्य ফেলা এবং নিজের ও অপরের জন্য দুঃখ সঙ্টি করা ঠিক নয়। সেই মানসিকতা ঠিক নয়। কত মানুষ ভাষার জন্য জীবন বলিদান করেছে। ভাষা দ্বারা সেই নিয়ন্ত্রণ না থাকলে এতগুলি মত্য অন্যভাবে লেখা হত। নিয়ন্ত্রণই মানুষের মধ্যে আতংকবাদের কারণ। আজকাল, नियलवा-ভিত্তিক-বিভাজন থেকে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল সুষ্টি হয়।
তোমাদের বলি, যেই মুহুর্তে তোমার ভিতরে নিয়ন্ত্রণ বপন করা হয়, সেই মুহূর্তে মত্যুদেবতা যমের ফাঁস তোমার ওপরে পড়ে। ভেবো না সেটা কেবল তোমার মত্যুর সময় भट्ड। यूथन नियल्वन मिथर्व (शौँणाय, जनवर সবশেষে দেহের মত্যু হয়, ব্যাস। মৃত্যু হল नियन्त्रत्वद्व मोर्यविन्द्र। याद्रा नियल्वरण वाण्टिक গেছে, তারা তাদের জীবনের প্রতিটি মিনিটে মত্যুর অভিমুখে চলেছে। যারা জীবনমুক্ত মাস্টারের গাইডে চলছে, তারা তাদের জীবনের भूजिमि सिनिष्ठ साधीनजान मिटक कलट्य। वक দল যমের দিকে যায়, আরেক দল শিবের দিকে याया! यदि नियल्वर्टन भाक मिटनव भन्न मिन वाफ़्टक शादक, एक्सि यात्मन मिटक याष्ट्र। यदि সেই পাক দিনের পর দিন ঢিলা হতে থাকে, कूसि मिरवन मिटक करना। कूमि निर्जनक নিয়ন্ত্রণ থেকে বেশী ও আরও বেশী করে মুক্ত হচ্ছ।
मन्नाम ফেলে দিয়ে নতুন দুনিয়াতে প্রবেশ করার প্রথম সচেতন পদক্ষেপ নাও। অতীত পরিচিত, তাই তুমি তাকে বহন করতে পছন্দ কর। মন সর্বদা পরিচিত ছক (প্যাটার্ন) পছন্দ করে। আবার, সমাজ তোমাকে অতীত বহন করতে শিক্ষা প্রদান ঘটনাগুলির ওপরে নির্ভর ক'রে তোমার ভিতরে অপরাধবোধ ও ভয় ঢোকাতে পারে। অতীত হল অযাচিত বোঝা। সন্ন্যাস হল অতীতের সাথে সংযোগ ছিন্ন করা। যখন তুমি অতীতের मार्थ मश्याग चनित्राटक या उ, व वर्षटता र जन्मान्न कड़ान्ड निवाभणारीनजा थाकरव। मन्नाम নিরাপতাহীনতা। চরম অসুরক্ষায় असुरক্ষায় আঁকডে ধরার জন্য কিছুই পাবে না, তাই তুমি ঈশ্বরকে পাবে!
আমি তোমাদের আধ্যাত্মিক নাম কেন দিই, তোমাদের কি মনে হয়? আমি তোমাদের আধ্যাত্মিক নাম দিই তোমাদের অতীত থেকে मरखा मर्याण रिन्न कवाद मार्शय्याव जना। यथन क्ले जामार्मन नाम धरन खादक, वरिलस्व তোমার সজাগতা তোমাকে আঁকড়ে ধরে ও তুমি সাড়া দাও। এইভাবে তোমার নাম তোমার वार्कान वजन को बाद তোমার मट्ठकनणा निर्द्य वाट्या। यदि ক্লাসরুমে বসে ঝিমাও অথবা শিক্ষককে শোন, তখন শিক্ষক হঠাৎ তোমার নাম ডাকলে তমি मरे किसान भाजान ফিরে আসবে। মানছ কিনা? তোমার নাম তোমাকে কেন্দ্রিত করার জন্য এতই অর্থপূর্ণ।
নতুন যে নাম আমি তোমাদের দিই, তা তোমাদের ভিতরে ঘটা মনস্তাত্তিক বিপ্লবকে অবিশ্রাম স্মরণ করাবে, তোমার ভিতরে যে
নতুন উপলব্ধি ঘটেছে তা মনে করাবে। তোমার সহজাত প্রকৃতির ওপরে নির্ভর করা সেই নাম তোমার ব্যক্তিগত আধ্যাত্মিক পথকে সুচিত করবে এবং তোমাকে তোমার চেতনার চরম বিকাশের জন্য পরিচালিত করবে।
এক সন্ন্যাসী বর্তমান মুহূর্তের জন্য কার্য करव। टन जान भूता जीवन वर्खिकू दक দেবার জন্য কাজ করে এবং ফলের জন্য বিব্রত शादक ना। फलायल निर्जन शटक रूटक शादक। मणिर जान भय। टन क्वल सूर्यूक आदन, वाद किछूरे ल्या आटन ना। জারে লা ব্যकिণি सुरूर्ण वर्षिक श्रद्ध निका वर्ण करवा जारे তার কোন মতবাদ নেই, কোন ধর্ম নেই। সে সমগ্র অস্তিত্বের সাথে সামঞ্জস্য রেখে চলতে থাকে ও তার মধ্য দিয়ে শেখে।
बक मूर्यि वाणी वाट्ड, 'मूणि रूल सूर्यूर्जन मन्ठान।' मूर्किटमन कथाय विविधि सुरूर्क मान वला रूय। मूर्यिद्यनन भारमन জাতি' বলা হয়, কারণ তারা যে কোন भविष्ठिकित्व विजिन् द्रामिन मामिन मण्डा मजानजा সহকারে বাস করে। তাদের মতে প্রতিটি মুহূর্তে बक नजून वाण्या वानसन करन। लजार সন্ন্যাসের উদ্দীপনা - প্রতিটি মুহুর্তে সতেজ। মুহূর্তে বাস করা ব্যক্তি মুহূর্ত থেকে শেখে। তার জন্য অস্তিত্বই শিক্ষক।
মহান সুফি অতীন্দ্রিয়বাদী হাসান মারা যাবার সময় কেউ জিজ্ঞাসা করেছিল, 'হাসান, তোমার মাস্টার কে ছিল?'
তিনি বলেন, 'আমার অনেক মাস্টার। यदि वासि यदि रामि ठाटमन नाम बलटक थांकि তাহলে মাসের পর মাস লেগে যাবে বা বহু বছর লেগে যাবে, আর এখন অনেক দেরী হয়ে গেছে। আমি যে কোন সময়ে মারা যাব। আমি তোমাকে তিন মাস্টারের কথা বলব।
প্রথমজন ছিল এক চোর। একবার আমি যখন মরুভূমিতে পথ হারাই এবং এক সামনের গ্রামে পৌঁছাই, তখন দেরী হয়ে যায় ও मवकिछू वक्त रूट्य शिष्याणित्या मवर्टनार्थ वासि একটা লোককে দেখলাম। সে একটা বাড়ীর দেওয়ালে গর্ত করার চেষ্টা করছিল। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম আমি রাত কাটানোর জন্য কোথায় থাকতে পারি। সে বলল, 'রাতের এই সময়টা কঠিন। যদি তুমি একটা চোরের সাথে থাকতে কিছু মনে না কর, তুমি আমার সাথে থাকতে পার।'
আমি সেই লোকটার সাথে একমাস ছিলাম। প্রতিটি রাতে সে আমায় বলবে, 'এখন আমি আমার কাজের জন্য যাচ্ছি। তমি বিশ্রাম কর ও আমার জন্য প্রার্থনা কর।' যখন সে ফিরে আসে, আমি তাকে জিজ্ঞাসা করি, 'কিছু পেলে?' সে বলত, 'আজ রাতে হল না। ঈশ্বর কপাময়। আগামীকাল আবার চেষ্টা করব।' সর্বদাই সে ছিল খুশী ও আশাবাদী, কখনও নিরাশ হত না!
यूथन व्यासि वर्णू वर्णन धर्मान कवर्णिलास वर किछूरे राष्ट्रिल ना, वर्लक সময়ে এমন এমন এমন মুহুর্ত আসত, আমি এত मनिया रणाम, बज निवाम रणाम या वासि ভাবতাম আমার এইসব ছাইভস্য বন্ধ করা जेकिए। वक्रमार वासि टिकड़ फान्क स्वन्ध করতাম যে প্রতি রাতে বলত, 'ঈশ্বর কুপাময়, আগামীকাল তা ঘটবে।'
আমার দ্বিতীয় মাস্টার ছিল একটা कुक्रव। वक्रमित वासि वक नमीटक एक्स्वा सिंजेंटि याण्डिलास। वक्रण कुकून वल वर्षः मि उप्रार्थ रिल। टन नमीटक जाकाल बन्न সেখানে আরও একটা কুকুর দেখল, আসলে যেটা ছিল তার নিজের প্রতিবিম্ব। সে ভয় পেয়ে গেল। সে ঘেউ-ঘেউ করে দৌড়ে পালাত, কিন্ত
। তখি আদম দজজ্ঞাা েরাম ।
। আদম যমঘয়ে
।
।
। যতামার চাদরদিয়ে দজদিগুদ এে ুন্দর স্বয়ের মত য়ত থায়ে।
।
भुरयाजन, लग जान करवा जनवर वर्मी भारा। সে এক রাজার মত বাস করে।
একটা ছোট গল্প :
এক ধনী ব্যক্তির ভূগভর্স ভাণ্ডার (সেলার) ছিল। সেখানে অনেক মদ (ওয়াইন) রাখা থাকত।
এক জগ বিশেষ ওয়াইন সে সুরক্ষিত রেখেছিল এবং তা খোলে নি।
একবার রাজ্যের রাজ্যপাল তার সাথে দেখা করতে এল। সে ভাবল, 'এই ওয়াইন গভর্নরের চেয়ে বেশী বিশিষ্ট। তাই আমি অন্য कान वाज्य निवार किछू मामय भट्व রাজপরিবারের এক সদস্য তার সাথে দেখা করতে এল। সে ভাবল, 'আমার মনে হয় না এমন কি এই ব্যক্তিরাও এই ওয়াইনের যোগ্য নয়। আমি এটাকে আরও কোন বিশিষ্ট ব্যক্তির जना विद्य मिरे।' म्म मांसाबून उद्यारेन পরিবেশন করল।
তারপর পরিবারে এক বিবাহ হল এবং সে তার প্রিয় পরিজনদেরও সেই ওয়াইন পরিবেশন করবে না। সবশেষে সে মারা গেল वर ওয়াইনের সাথে প্রতিবেশী চাষীদের পরিবেশন করা হল। কেউ জানল না যে সেটা একটা বিশেষ ওয়াইন ছিল।
গোপনে সঞ্চিত না করলে তুমি সহজে भवारिक रखा जीवन व्यवारिक रवाव जना পরিকল্পিত। অস্তিত্বের প্রোত জীবনকে প্রবাহিত कवाय - मन्नाम वरे मजानजा প্রবাহিত হওয়া। এই মনোভাবই অস্তিত্বের সদাশয়তাকে আকর্ষণ করে।
ক্ষণকালীনতাকে উপভোগ কর!
कान व वक রাজহস্তী পরের শাসককে পছন্দ করবে। সেই शाणि जाटक यादव व वर र जन्माटन कर र र वाकिटक সর্বসম্মতিক্রমে রাজা বলে ঘোষণা করা হবে।
এই উপলক্ষে হাতিটি একবার জঙ্গলের मिटक या उया হাতিটিকে অনুসরণ করল। হাতি এক সন্তের বাসস্থানে গেল। সে দ্বিধাহীনভাবে তাঁকে তুলল ও পিঠে বসিয়ে রাজপ্রাসাদে নিয়ে এল!
সন্ত রাজা হতে চাইছিলেন না। যাই হোক অনেক অনুনয়ের পর তিনি রাজী হলেন ও সিংহাসনে বসলেন।
সন্ত হবার জন্য তিনি লোভ ও ভয় দ্বারা চালিত হচ্ছিলেন না। কেবল তাঁর অবস্থার শক্তিমতার দ্বারা তিনি তাঁর দেশের সম্মের কারণ হলেন। মন্ত্রীদের ও জনসাধারণের কাজে কোন ফাঁকি মারার সুযোগ থাকল না।
প্রতিবেশী রাজা এই রাজ্য সম্পর্কে শুনেছিল এবং সে আক্রমণ করার জন্য মনস্থির করল।
किन्छ मन्ठरक টলানো গেল না। তিনি রাজ্য চালাতে লাগলেন এবং রাজা যুদ্ধক্ষেত্রে এলেন ও বিপক্ষের কোন সেনা দেখতে পেল না। সে অবাক ও উৎসুক হল এবং রাজ্যে প্রবেশ করে সেই রাজার সাথে मिथा कवरण ग्ला का शिष्या जाँदक वलल, 'আমি আপনার সাথে যুদ্ধ করতে চাই। '
সন্ত জিজ্ঞাসা করলেন, 'কি জন্য?'
রাজা উত্তর দিল, 'আমি আপনার রাজ্য চাই।'
সন্ত উত্তর দিলেন, 'নিয়ে নিন।'
রাজা হতবাক হয়ে গেল! সে চীৎকার करव वलल, 'कि वलट्टून? (कांन यूफ्न ना করেই?'
সন্ত বললেন, 'অবশ্যই!'
রাজা তাঁর পায়ে পড়লেন এবং ঘোষণা করলেন, 'আমি আমার নিজের রাজ্য শাসন করার জন্যও উপযুক্ত নই। আপনি দয়া করে সেটাকে নিয়ে নিন।'
সন্যাস হল সবকিছুর ক্ষণকালীনতাকে বোঝা। সমস্ত বাসনা, অধিকার ও আবেগ চলে যায়। কোন বাসনা পরিপূর্ণ হবার আগে তাকে বিরাট পর্বতের মত লাগে। কিন্তু সেই বাসনা পুরণ হবার পর সেটা একটা ছোট বিন্দুর মত লাগে। যা অতি দ্রুত তোমার জীবন থেকে চলে যায়। একবার সেই বাসনা পূরণ হয়ে গেলে দেখবে বাসনাও মিটমিট করে চলে যাও! এটা বোঝা যে এই প্রক্রিয়াই প্রমাণ করে বাসনাগুলি ক্ষণস্থায়ী ও নয়। সেগুলি অতিকল্পনা।
সন্ন্যাস দ্বারা বাসনাগুলি সৃষ্টি হওয়া বন্ধ হয়। তখন, সেই বাসনাগুলিকে আর ভালো লাগে না। মূলের কারণ হল অজ্ঞানতা। যদি অজ্ঞানতা চলে যায়, তবে আর কিছু থাকে না। তুমি তাকে অধিকার করতে ইচ্ছা কর না। তুমি কেবল দেখতে থাক। ব্যাস্। সেটাই সন্ন্যাস।
অন্যান্য বিষয় পোড়ানো হয়, সন্ন্যাস তার মতই কাজ করে। সন্ন্যাস দ্বারা মন পোড়ানোর মতই। সন্ন্যাস একটা সাধনী।
আদি শংকরা তার বিখ্যাত গান ভজ গোবিন্দমে সুন্দরভাবে বলেছেন :
এমনকি যখন দিন ও রাত, শীত ও বসন্ত চলে যায় আর জীবন শেষ প্রান্তে আসে, বাসনার দঢ়মুষ্ঠি তখনও আছে!
বাসনার অচেতন স্তরে এত টান আছে যে তার থেকে মুক্ত হওয়াই একজনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় মুক্তি।
একটা ছোট গল্প :
এক ব্যক্তি পাথর কাটত। সে তার জীবনের অবস্থায় সন্তুষ্ট ছিল না। একদিন সে এক ধনী সওদাগরের বাড়ীতে অনেক মুল্যবান সামগ্রী দেখল। সওদাগর নিশ্চয় খুব কমতাশালী হবে। সে ঈর্ষান্বিত হল ও ইচ্ছা করল সেই সওদাগরের মত হবার।
বিস্ময়ের ব্যাপার। কর্তনকারী হঠাৎ এক সওদাগর হয়ে গেল। সে কল্পনার চেয়েও অনেক বেশী বিলাসিতা ও ক্ষমতা উপভোগ করতে লাগল।
একদিন সে রাস্তায় দাঁড়িয়েছিল। সে একজন উচ্চপদের সরকারী ব্যক্তিকে যেতে দেখল। তাকে এক সুন্দর চেয়ারের বসিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সৈন্যরা কাসর ঘণ্টা বাজিয়ে শোভাযাত্রার সামনে নত হচ্ছিল।
সে ভাবল, 'এই আমলা কতই না ক্ষমতাবান! আমি যদি এইরকম উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হতে পারতাম!'
সঙ্গে সঙ্গে সে এক উচ্চপদস্থ আমলা হয়ে গেল এবং তাকে চেয়ারে বসিয়ে নিয়ে যাওয়া হত।
একদিন প্রচণ্ড গরম ছিল এবং সে তার চেয়ারে খুব অস্বস্তি অনুভব করল। সে ভাবল, 'সূর্য কতই না ক্ষমতাবান! আমি যদি সূর্য হতাম! '
তখন সে সূর্য হয়ে গেল এবং সে সব কিছুর ওপরে তার ক্ষমতা উপভোগ করতে লাগল।
একদিন তার ও পৃথিবীর মাঝে এক ঘন কালো মেঘ এল এবং নীচে কোন কিছুই আর সূর্যের আলোয় চমকাচ্ছে না। সে ভাবল, 'মেঘ কত ক্ষমতাবান! আমি যদি সেই মেঘ হতে পারতাম!'
সে ঝড়ের মেঘ হয়ে গেল ও মাঠঘাট ও গ্রামগুলিকে প্লাবিত করল।
হঠাৎ সে দেখল এক বিরাট বল তাকে ঠেলে দিচ্ছে। সে উপলব্ধি করল সেটা হল বায়ু। সে ভাবল, 'বায়ু কত শক্তিশালী! আমি যদি বায়ু হতাম!'
সে বায়ু হয়ে গেল এবং প্রবলবেগে অনেক বাড়ীর ছাদ উডিয়ে নিল এবং বনজঙ্গল দিয়ে প্রবলবেগে বইতে লাগল।
একদিন সে এমন এক জিনিষের সামনে আসল যে নড়বেই না, তা সে যত জোরেই ধাক্কা দিক না কেন। সেটা ছিল এক বিরাট পাথর। সে ভাবল, 'এই পাথরটা কত ক্ষমতাবান! আমি যদি এরকম একটা পাথর হতাম!'
তারপর সে পাথর হয়ে গেল, সেটা পৃথিবীতে যে কোন জিনিষের চেয়ে শক্তিশালী। কিন্তু যখন সে সেখানে দাঁড়িয়ে সে তার কঠিন শরীরের ছেনি হাতুড়ির আওয়াজ শুনতে পেল ও বুঝতে পারল যে তাকে পরিবর্তন করা হচ্ছে। সে ভাবল, 'পাথরের চেয়ে ক্ষমতাবান কি হতে পারে?'
সে নীচে তাকাল ও দেখল একজন পাথর কর্তনকারী!
এটাই হল সেই দৃষ্টান্ত, কিভাবে মন সর্বদা ভাবে যে যেটা অর্জন করা হয় নি, সেটা যা অর্জন করা হয়েছে তার চেয়ে মহত্তর। অপরের ঘাসকে সর্বদাই বেশী সবুজ মনে হয়। কিন্তু জানো তো ব্যাপারটা কি হয়? আমরা দেখি যে আগের পারের ঘাসেই বেশী সবুজ! আমরা এক জিনিষ থেকে অন্য জিনিষের দিকে লাফাতে থাকি, এক বাসনা থেকে অন্য বাসনাতে, এক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অন্যটায়, কিন্তু আমরা কদাচিৎ খুশী।
মনের জন্য, বাসনা নিরসন করাই যথেষ্ট। আমাদের কেবল সেটাতে জাগ্রত হতে হবে। যদি মনের গভীরে জাগতে পারো, আমাদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। নতুবা, চলেফিরে ও অন্যেষণ করে আমরা কেবল সময় অপচয় করব।
সন্ন্যাসী স্পষ্টভাবে দেখেন, সবকিছু সর্বদাই পরিবর্তনশীল। তাই তিনি নিজের চোখ পরিষ্কার করতে উদ্যত হন। চোখ হল মনের জানালা, মনের আলো অন্তঃকরণে। লাল রঙের কাচ দিয়ে দুনিয়াকে দেখলে সবকিছু লাল দেখায়। সবজ রঙের কাচ দিয়ে দেখলে দুনিয়াকে সবুজ দেখায়। পরিষ্কার চোখ দিয়ে দেখলে সবকিছুকে স্বচ্ছু ও সুন্দর মনে হয়। অস্তিত্ব সর্বদাই সুন্দর, কিন্তু আমরা তাকে দেখতে ভুল করি। সন্ন্যাস হল পরিষ্কার চোখ দিয়ে দেখার নির্ণয়।
জীবন যদি সর্বদাই পরিবর্তনশীল হয়, তাহলে আমরা কেন তাকে আকার প্রদান করতে চেষ্টা করি? বুদ্ধ তাঁর ধম্মপদে বলেছেন, 'জীবন হল আকাশে এক বিদ্যুত-ঝলকের মত।' জীবন ক্ষণকালীন। তাহলে আমরা কি করার চেষ্টা করছি? আমরা এক অসম্ভব কাজ করার চেষ্টা করছি। আমাদের কাজ হল দেখা, উপভোগ করা ও এগিয়ে চলা। যদি সবকিছুই অস্তিতের চলমান প্রকাশ হয়, তাহলে আমিত্ব বা ভয় বা লোভের সুযোগ কোথায়? সন্ন্যাস প্রকৃতপক্ষে কিছুই পরিবর্তন করে না। সবকিছু একই থেকে যায়। কিন্তু তুমি কিভাবে দেখ তা পরিবর্তন করে দেয়। সন্ন্যাস তোমার মধ্যে ঘটে। বহির্জগতের সাথে সন্ন্যাসের কিছুই করার নেই।
একটা ছোট গল্প :
একবার এক আধ্যাত্মিক গুরু রাজার সাথে দেখা করতে এলেন। কেউ গুরুকে থামাল না এবং তিনি সোজা রাজদরবারে সিংহাসনে বসা রাজার সামনে এলেন।
রাজা তাঁকে জিজ্ঞাসা করল, 'আপনি কি চান?' গুরু উত্তর দিলেন, 'এই হোটেলে ঘুমাবার জন্য জায়গা পেলে ভাল হত। '
রাজা বলে, 'এটা আমার প্রাসাদ, হোটেল নয়।' গুরু তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, 'আপনার আগে এই প্রাসাদটার মালিক কে ছিল?'
রাজা বলল, 'আমার পিতা এই প্রাসাদের মালিক ছিলেন, কিন্তু এখন তিনি মৃত।' গুরু প্রশ্ন করেন, 'তার আগে কে এটার মালিক ছিল?'
রাজা উত্তর দিলেন, 'আমার পিতামহ। তিনিও তো মৃত।' গুরু বললেন, 'এই স্থানটিতে লোকেরা অল্প সময় বাস করে ও চলে যায়। তবুও আপনি বলবেন যে এটা হোটেল নয়! '
সন্ন্যাস হল সারথিকে জাগ্রত করা। মানুষের চেতনা হল সারথি। সারথি গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন এবং রথ ঘোড়াগুলি দ্বারা চালিত হচ্ছে। পাঁচটি ঘোড়া হল পাঁচ ইন্দ্রিয়, তাদের প্রত্যেকের ভিন্ন ভিন্ন ধারণা থাকে। তাদের একটাও সত্য নয়। সেগুলি কেবল ক্ষণকালীন ধারণা!
বাসনাকে মনে রেখো না। অপরদিকে এক সংসারী যেখানেই যায়, সে তার সাথে সফলতা ও ব্যর্থতাকে বহন করে। সেখানেই সমস্যার শুরু হয়।
সমর্পণ, প্রেম, করুণা, সন্ন্যাস
সন্ন্যাস হল অস্তিত্বকে 'হ্যাঁ' বলা। সমর্পণকে 'হ্যাঁ' বলা। প্রেম ও করুণাকে 'হ্যাঁ' বলা।
মানুষের মন সবসময়ে 'না' বলতে প্রশিক্ষিত। 'না' ব'লে আমিত্বকে জোরদার করা যায়। 'হ্যাঁ' বললে আমিত্ব কমে যায়, তাই মন 'না' বলতে থাকে। সন্ত্যাস হল অস্তিত্বকে হ্যাঁ' বলা। অস্তিত্ব তোমাকে সৃষ্টি করেছে। সে তার ঐশ্বরিক লীলা তোমার মধ্য দিয়ে প্রকাশ করতে চায়। 'হ্যাঁ' বলে সেই ঐশ্বরিক লীলাকে তোমার মধ্য দিয়ে ঘটতে দাও। যদি তুমি 'হ্যাঁ' বলো, জিনিষগুলি ঠিক ঘটতে শুরু করবে। যখন মনের কথা শোনো তখন সমস্যা হয়। মনের কথা শোনো না, কেবল বিশ্ব ও অস্তিত্বের সাথে একাত্ম হও এবং তার সাথে ঐকতানে কার্য করা। সেটা হল সমর্পণ। সেটা হল অস্তিতের প্রতি আনুগত্য।
'হ্যা' বলার প্রচেষ্টায় তুমি নমনীয় হতে শুরু কর। সন্ত্র্যাস হল নমনীয় হওয়া সম্পর্কে। যতক্ষণ তুমি 'না' বল, তুমি কঠিন হয়ে থাক। যখন তুমি 'হ্যাঁ' বলার জন্য মনস্থির করো, তুমি নমনীয় হওয়া শুরু করো। 'হ্যাঁ' বলার জন্য সচেতন সিদ্ধান্ত নিলে সেটা শুরু হয়। সেখানেই মাস্টারের ভূমিকা আছে। সন্ন্যাস হ'ল কোন ব্যাখ্যা না চেয়েই মাস্টারকে 'হ্যাঁ' বলা। যখন তুমি মাস্টারকে সম্পূর্ণরূপে বিশ্বাস করতে শুরু কর, তোমার মধ্যে সন্যাস শুরু হয়।
তুমি বুঝতে পারো যে মাস্টার তোমার চেয়ে বেশী জানেন। তখন তোমার মনকে ছেড়ে দিতে আরম্ভ করে এবং মাস্টারের হাত ধরা শুরু কর। মাস্টারের হাত সর্বদাই বিস্তারিত, কিন্তু তুমি তা সব সময় খুঁজে পাও না। একবার 'হ্যাঁ' ঘটা শুরু হলে তুমি তাঁর হাত ধর।
যখন তুমি সম্পূর্ণরূপে মুক্তি পাও তখন প্রেম ঘটতে শুরু করে। কেবল তুমি 'হ্যাঁ' বলতে পারো তাই নয়, তুমি অন্য মানুষটিকেও তোমাকে প্রেম করতে দাও। তখন তোমার অন্তর্দেশ, যেটা আগে পাথরের মত ছিল, তরলের মত হতে থাকে! তা প্রেমে সিঞ্চিত হয়ে যায়। প্রেমের কোন কারণ বা উদ্দেশ্য নেই। সেটা এক উচ্ছ্বসিত অনুভূতি। তুমি বুকের সাথে একীভূত হওয়া অনুভব করো, তোমার একীভূত হওয়া শুরু করো। তুমি অনুভব করো : জীবন এক গান, সেই অস্তিতের গান যার তুমি এক অংশ। সবসময় এই মেজাজে থাকো। সেই একই মেজাজ তোমার জীবনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে।
একটা ছোট গল্প :
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM সমাজের এক মিটিংয়ে হাজির হলেন। তিনি দেখলেন তাঁর আগমনের পূর্বাভাসে সবাই সেই জায়গাটাকে ঝাড়পোছ ও সাফাই করছে। তারা তাঁকে দেখে অবাক হল কারণ তাঁর একদিন পরে আসার কথা।
তিনি সোজা আসন গুটিয়ে তাদের কাজে যোগদান করলেন। তারা বিশ্বাস করতে পারল না যে তিনি তাদের সাহায্য করতে চাইবেন, তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, 'আমার আগমনের বিশেষ দিনটির জন্য আমিও কেন প্রস্তুত হতে পারি না?'
অস্তিত্বের সাথে অনুরণন করলে তুমি নিজের জন্য কোন কিছুর জন্য কোন আলাদা কারণ দেখ না। অনেক লোক প্রকৃতির সাথে একাত্মবোধ করে, কিন্তু মানুষের সাথে সেরকম অনুভব করে না। মানুষের সাথে তাদের একাত্মবোধও প্রকৃত নয়। কেবল প্রকৃতির জন্য অনুভব করা প্রেম পরিমাপ করার মাপদণ্ড নয়।
লোকেরা আমায় বলে ইতিমধ্যে প্রকৃতির সাথে একাত্মবোধ করছে। গাছ ও প্রাণী তোমার জন্য সমস্যা সৃষ্টি করে না। তাই তুমি তাদের সাথে একাত্মবোধ করার ভান করো। তুমি তাদের কাছে যেকোন কিছু প্রকাশ করতে পারো। তুমি তোমার অনুভূতি তাদের ওপরে চাপাতে পার, সেই অনুভূতিকে টেলে বার করতে পার এবং ভাল লাগাতে পার, ব্যাস। সেটা আমিত্বের এক বিকাশ। মানুষের সাথে একাত্মবোধ করার সামর্থ্যে সুগন্ধসার আছে। যদি পৃথিবীতে যদি তুমি সবকিছুকে সুন্দর সৃষ্টি করতে পারো তবেই তুমি একাত্মবোধ করছ।
এক কবি একবার একটা প্রেমের গান লিখে তার বন্ধুদের পাঠাল। কিছুদিন পরে সে এক মহিলার কাছ থেকে চিঠি পেল। সেই মহিলাটিকে সে কবিতাটি পাঠিয়েছিল।
মহিলাটি তাকে লেখে, 'আমি আপনার কবিতা পড়ে খুবই মুগ্ধ। দয়া করে আমাদের বাড়ীতে আসুন, আমার পিতামাতার সাথে দেখা করুন এবং জিজ্ঞাসা করুন আপনি আমাকে বিয়ে করতে পারেন কিনা।'
কবি ভয় পেয়ে গেল। সে জবাবে লিখল, 'সেটা আমার হৃদয় থেকে এক প্রেমের কবিতা যা আমি কিছু মানুষকে গেয়ে শোনাতে চেয়েছি। তার বেশী কিছু নয়! '
মহিলাটি উত্তরে লিখল, 'তুমি এক ভণ্ড। তোমার জন্য আমি আমার জীবনে আর কোন কবিকে কখনও হৃদয়ে পোষণ করব না।'
আসলে মানুষ সবকিছু ঘটায় বিশেষ কারণের সাথে। প্রেমকে নামিয়ে আনা হয়েছে কেবল কামনালালসায়। সেটাই সমস্যা। প্রকৃত প্রেম হল উচ্ছ্বসিত শক্তির এক প্রকাশ যা তোমার মধ্যে জেগে ওঠে যখন তুমি 'হ্যাঁ' বলা আরম্ভ করে।
বিখ্যাত কবি খলিল জিবরান বলেন যখন প্রেম তোমাকে চেপে ধরে, দ্বিতীয়বার ভাববে না। কেবল ঝাঁপ দাও। যদি তুমি চিন্তা করা শুরু কর, সেটা যেন তোমার চোখে গভীর নিদ্রা আসার সময় তোমার বালিশ সাজানোর কাজ। তিনি বলেন, 'যদি ভালবাসার অভাবে কাঁদতে হয়, তুমি কেন তার জন্য কাঁদবে!'
মাস্টার তোমার জন্য বহু জন্ম অপেক্ষা করছেন। কিন্তু তিনি তোমাকে বন্ধনে থাকার স্বাধীনতা প্রদান করেন। তিনি অপেক্ষা করছেন। একবার তুমি 'হ্যাঁ' বললে তিনি তোমাকে জাগাতে বাধ্য নন।
কেবল মাস্টারই তোমায় প্রেমের ক্ষমতা প্রদর্শন করতে পারেন।
একটা ছোট গল্প :
সদাশিব ব্রহ্মেন্দ্র মহান সন্ত ছিলেন। তিনি এক শিশুর মত বাস করতেন। তিনি কখনও কাপড় পরতেন না। তিনি সর্বদাই পরমানন্দে থাকতেন।
একদিন তিনি যখন পরমানন্দে হেঁটে যাচ্ছিলেন, তখন সেই রাজ্যের নবাব তার পাশ দিয়ে ঘোডায় চড়ে গেল। তিনি এমনই আনন্দে ছিলেন যে নবাবকে যেতে লক্ষ্য করলেন না এবং তাকে অভিবাদনও না। নবাব রেগে তার একটা হাত কেটে দিলেন। যা ঘটেছে তার জন্য কোন রকম প্রতিক্রিয়া না করেই সদাশিব ব্রহ্মেন্দ্র হাঁটতে লাগলেন।
তাঁর এক ভক্ত সেই দৃশ্য দেখে খুব কষ্ট পেল। সে কাঁদতে লাগল, 'ও মাস্টার! নবাবকে অভিবাদন না করার জন্য আপনি আপনার এক হাত হারিয়েছেন।'
তিনি হেসে হাতটা নিয়ে আসতে বললেন। তিনি তারপর সেই হাতটিকে শরীরে লাগালেন এবং তা একদম জুড়ে গেল। ভক্ত তা দেখে হতবাক।
সদাশিব বললেন, 'নবাবের ঘৃণা যা করতে পারল না, তোমার প্রেম সেটাকে নিরাময় করে দিল!'
একজন জীবনমুক্ত সত্তার করুণার কোন সীমা নেই। সন্ন্যাস হল এক জীবনমুক্ত সত্তার মত বাস করা। সেটা জীবনমুক্তি যাপন করা।
এক সন্ন্যাসী অন্তর্জগতে প্রেম ও করুণায় পরিপূর্ণ থাকেন। তিনি এক নির্দলণা থাকেন। যখন তিনি তাঁর চোখ বন্ধ করেন, বহির্জগৎ আর থাকে না। যখন তিনি তাঁর চোখ খোলেন, তাঁর কার্য হয় পরিপূর্ণ, তিনি এক পিতা, এক মাতা, এক ভ্রাতা এবং এক বন্ধু, একই সাথে সবই।
তিনি ভিতরের বুদ্ধিমত্তা দ্বারা চালিত হন। তাই তিনি সর্বদা বর্তমান মুহূর্তে থাকেন। তিনি মুহূর্তে সাড়া দেন। সেটাই দায়িত্বের পরম অনুভূতি। প্রকৃত প্রেম ও করুণা হল মুহূর্তে স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া দেওয়া। সেইজন্য তাঁরা মানুষ ও পরিস্থিতি নির্বিশেষে আসেন।
একটা গল্প :
এক ব্যক্তি এক জেন আশ্রমে গেল ও মাস্টারকে বলল, 'মাস্টার, আমি আমার জীবনের বাকী সময় জেন অভ্যাস করতে ইচ্ছা করি, কিন্তু আমি বেশিদিন ধরে কিছুই করতে পারি নি। আমি সর্বদাই সবকিছুর জন্য ছোট রাস্তা খুঁজি। জীবনমুক্তির জন্য কি কোন সংক্ষিপ্ত রাস্তা আছে?'
মাস্টার তাকে বললেন, 'তোমাকে এই আশ্রমে দুইদিনের জন্য গ্রহণ করা হবে। এই দুইদিনে তোমাকে জীবনমুক্তির সংক্ষিপ্ত রাস্তা শেখানো হবে। তুমি কি বিশেষভাবে কিছু করতে চাও?'
ব্যক্তি বলল, 'যেহেতু আমি কিছুই লম্বা সময় ধরে করতে পারি না, আমি কাঠ কাটতে পারব না, বাসন মাজতে পারব না, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করতে পারব না, অথবা বাগানও করতে পারব না।'
মাস্টার বললেন, 'ঠিক আছে! চিন্তা করো না। আমি তোমাকে কোন কাজ করতে বলব না। আমি তোমাকে শুধু একটা ঘরে বসতে বলব। তুমি শুধু চোখ বন্ধ করে বসবে। তাহলে তোমার সমস্ত কর্ম দ্রুত শেষ হয়ে যাবে।'
লোকটি রাজি হল। মাস্টার তাকে একটা ঘরে বসিয়ে দরজাটা বন্ধ করে দিলেন।
প্রথম দিনটা ভালোই কাটল। কিন্তু দ্বিতীয় দিন দুপুরবেলা সে অস্থির বোধ করতে লাগল। সে ভাবল, 'আমি জানি মাস্টার এক মহান জ্ঞানী। কিন্তু হয়ত তিনি ভুলে গেছেন যে আমি এই ঘরে আছি। হয়তো তিনি আমাকে বার করতে ভুলে গেছেন!'
সে দরজায় ধাক্কা দিল।
মাস্টার জিজ্ঞাসা করলেন, 'কি হয়েছে?'
লোকটি বলল, 'আমি এখানে একা থাকতে আর পারছি না। আমাকে বার করুন!'
মাস্টার বললেন, 'আমি তোমাকে বার করতে পারব না। আমি তোমাকে একটি সংক্ষিপ্ত রাস্তা দেখিয়েছি কিন্তু তুমি তাতে থাকতে চাইছ না। তাই সেটা আর সংক্ষিপ্ত রাস্তা নেই।'
লোকটি অনুনয় করল, 'আমি আর কখনও সংক্ষিপ্ত রাস্তা চাইব না! আমি প্রতিজ্ঞা করছি!'
মাস্টার বললেন, 'ঠিক আছে' এবং দরজা খুলে দিলেন।
মাস্টার বললেন, 'এখন তুমি কি করতে চাও?'
লোকটি বলল, 'আমি তোমার সাথে কাজ করতে চাই। আমি তোমাকে সাহায্য করতে চাই। আমি এখন আর অলস থাকতে চাই না। আমাকে একটা কাজ দিন।'
মাস্টার বললেন, 'আমি কিভাবে তোমাকে বিশ্বাস করতে পারি? তুমি তো সবসময় সংক্ষিপ্ত রাস্তা খোঁজ!'
লোকটি বলল, 'আমি প্রতিজ্ঞা করছি। আমি তোমাকে কথা দিচ্ছি। আর কখনও এরকম হবে না।'
মাস্টার বললেন, 'ঠিক আছে। আমি তোমাকে বিশ্বাস করব। কিন্তু আমি তোমাকে কঠিনতম কাজ দেব। যদি তুমি এটা করতে পারো, আমি তোমাকে আমার শিষ্য হিসাবে গ্রহণ করব।'
লোকটি বলল, 'আমি রাজি। আমি যে কোন কিছু করতে রাজি আছি।'
মাস্টার বললেন, 'তুমি কি জানো আমাদের এখানে কি কাজ চলছে?'
লোকটি বলল, 'আমি জানি তোমরা দরিদ্রদের খাওয়াচ্ছ ও অসুস্থদের সেবা করছ। আমি জানি তোমরা অনেক ভালো কাজ করছ।'
মাস্টার বললেন, 'হ্যাঁ, কিন্তু আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল এই পাহাড়ে একটি মন্দির তৈরি করা। আমি তোমাকে সেই কাজটা দেব।'
লোকটি খুব উত্তেজিত হয়ে গেল। সে বলল, 'আমি একজন পাথর কাটার কাজ শিখেছিলাম। আমি সেই কাজ খুব ভালো করতে পারি।'
মাস্টার বললেন, 'আমি জানি। সেই জন্যই আমি তোমাকে এই কাজটা দিচ্ছি। আমি চাই তুমি এই পাহাড়ের উপরে মন্দিরটা তৈরি কর। কিন্তু একটাই সমস্যা আছে। এই পাহাড়ে কোন পাথর নেই। তোমাকে পাথর অন্য পাহাড় থেকে নিয়ে আসতে হবে।'
লোকটি বলল, 'আমি রাজি। আমি পাথর নিয়ে আসব।'
মাস্টার বললেন, 'কিন্তু তোমাকে নিজের হাতে করে পাথর নিয়ে আসতে হবে।'
লোকটি বলল, 'আমি রাজি। আমি নিজের হাতে করে পাথর নিয়ে আসব।'
মাস্টার বললেন, 'কিন্তু অন্য পাহাড়টা এখান থেকে অনেক দূরে। তোমাকে রোজ যেতে ও আসতে হবে। তুমি কি পারবে?'
লোকটি বলল, 'আমি রাজি। আমি রোজ যাব ও আসব। আমি পাথর নিয়ে আসব ও মন্দির তৈরি করব।'
মাস্টার বললেন, 'ঠিক আছে। তাহলে শুরু কর।'
লোকটি অন্য পাহাড়ে গেল ও পাথর খুঁজতে শুরু করল।
সে একটা বড় পাথর খুঁজে পেল ও সেটাকে কাঁধে তুলে নিল। পাথরটা ছিল এত ভারী যে তার পক্ষে হাঁটা কঠিন হয়ে গেল। কিন্তু সে হাল ছাড়ল না। সে হাঁটতে লাগল।
সে আশ্রমে ফিরে এল ও পাথরটা মাটিতে নামিয়ে রাখল।
মাস্টার বললেন, 'ভালো করেছ। এখন তুমি বিশ্রাম নিতে পারো।'
লোকটি বলল, 'না, আমি বিশ্রাম নেব না। আমি আরেকটা পাথর নিয়ে আসব।'
মাস্টার বললেন, 'তুমি কি নিশ্চিত? তুমি তো খুব ক্লান্ত।'
লোকটি বলল, 'আমি ক্লান্ত নই। আমি আরেকটা পাথর নিয়ে আসব।'
সে আরেকটা পাথর নিয়ে এল। তারপর আরেকটা ও আরেকটা।
দিনের শেষে সে এত পাথর নিয়ে এল যে তাতে মন্দির তৈরি করা যেতে পারে।
মাস্টার বললেন, 'তুমি খুব ভালো কাজ করেছ। এখন তুমি বিশ্রাম নিতে পারো।'
লোকটি বলল, 'না, আমি বিশ্রাম নেব না। আমি আগামীকাল আবার পাথর নিয়ে আসব।'
মাস্টার বললেন, 'তুমি কি নিশ্চিত? তুমি তো খুব ক্লান্ত।'
লোকটি বলল, 'আমি ক্লান্ত নই। আমি আগামীকাল আবার পাথর নিয়ে আসব।'
পরের দিন সে আবার পাথর নিয়ে এল। তারপরের দিনও।
সে রোজ পাথর নিয়ে আসত ও মন্দির তৈরি করত।
কিছুদিনের মধ্যেই মন্দিরটা তৈরি হয়ে গেল।
মাস্টার খুব খুশী হলেন। তিনি লোকটিকে বললেন, 'তুমি আমার সবচেয়ে ভালো শিষ্য। তুমি জীবনমুক্তির সংক্ষিপ্ত রাস্তা খুঁজে পেয়েছ।'
লোকটি বলল, 'আমি কোন সংক্ষিপ্ত রাস্তা খুঁজে পাইনি। আমি শুধু পরিশ্রম করেছি ও নিজের কাজ করেছি।'
মাস্টার বললেন, 'তুমি ঠিক বলেছ। জীবনমুক্তির কোন সংক্ষিপ্ত রাস্তা নেই। তোমাকে পরিশ্রম করতে হবে ও নিজের কাজ করতে হবে। কিন্তু যদি তুমি নিজের কাজে আনন্দ পাও, তাহলে সেটাই জীবনমুক্তির রাস্তা।'
মাস্টার তাঁকে জীবনমুক্তির দীক্ষা দিলেন।
লোকটি একজন মহান সন্ন্যাসী হয়ে গেলেন।
উন্মুক্ত হও, তুমি তোমার চারপাশে অলৌকিক ঘটনা ঘটতে দেখবে।
একটা ছোট গল্প :
এক ব্যক্তি যিনি তখনও জীবনমুক্ত ছিলেন না। তিনি কেবল বালকদের গাইড করছিলেন। সেই দলে এক নতুন শিষ্য যোগদান করল। সে এত নম্র, এত পবিত্র ও শ্রদ্ধাশীল ছিল যে অন্য শিষ্যদের তার ওপরে ঈর্ষা হল। তারা ভাবল সেই হয়ত মাস্টারের উত্তরাধিকারী হবে। অনেক রাজনীতি হল এবং তারা তাকে মেরে ফেলতে চেষ্টা করল।
একদিন তারা তাকে বলল, 'যদি তুমি সত্যি সত্যি মাস্টারকে বিশ্বাস কর, তুমি কি পাহাড় থেকে লাফাতে পারবে? যদি তোমার বিশ্বাস সত্য হয়, তোমার কোন ক্ষতি হবে না।' শিষ্যটি সঙ্গে সঙ্গে পাহাড় থেকে লাফ দিল।
বাকীরা উপত্যকায় দৌড়ে গেল। তারা তার ছড়ানো হাড়গোড় ওঠাতে গেল। কিন্তু সেখানে পদ্মাসনে বসেছিল ও তাকে খুশী দেখাচ্ছিল।
সে তার চোখ খুলে বলল, 'তোমরা ঠিকই বলেছ, আস্থা রক্ষা করে!'
তারা ভাবল সে হয়ত কোনভাবে বেঁচে গেছে এবং তাকে মারা জন্য আরেকটা ষড়যন্ত্র করল। একদিন এক বাড়ীতে আগুন লেগেছিল এবং লোকেরা ভিতরে আটকে পড়া মানুষদের বাঁচানোর চেষ্টা করছিল। তারা তাকে বলল, 'যদি তুমি আমাদের মাস্টারকে আস্থা সহকারে বিশ্বাস কর, শিশুটিকে বাঁচাও।'
শিষ্যটি দৌড়ে ভিতরে গেল ও কয়েক মিনিটের মধ্যে সেই মহিলা ও শিশুটিকে নিয়ে বেড়িয়ে এল।
তারা তা সত্ত্বেও হাল ছাড়ল না। একদিন তারা কোথাও যাচ্ছিল এবং তাদের একটা নদী পার করতে হবে। তারা তাকে বলল, 'তোমাকে নৌকাতে করে যেতে হবে না। তোমার এত বিরাট আস্থা, তুমি তো নদী হেঁটেই পার করতে পার।'
শিষ্য নদীতীরে এল ও নদীর ওপর দিয়ে হাঁটতে শুরু করল! তারা হতবাক হয়ে গেল।
সেটা ছিল প্রথমবার যখন মাস্টার তাকে দেখল। তিনি জানতেন না যে তাকে খাদে লাফ দিতে ও জ্বলন্ত বাড়ীতে ঢুকতে বলা হয়েছিল। সে তাকে নদীর ওপরে হাটতে দেখল এবং জিজ্ঞাসা করল, 'তুমি কি করছ? এটা তো অসম্ভব!'
শিষ্যটি উত্তর দিল, 'মাস্টার, এটা অসম্ভব নয়! মাস্টার, আমি তো এটা আপনার শক্তি দ্বারাই করছি!'
মাস্টার ভাবল, 'যদি আমার নাম ও অস্তিত্বের ওপরে বিশ্বাস এতকিছু ঘটাতে পারে, তাহলে কল্পনা কর আমি নিজে কি করতে পারি!' সে উঠল এবং নদীতে হাঁটার চেষ্টা করল ও ডুবে গেল!
আস্থার অদ্ভুত ক্ষমতা আছে। তা যুক্তি ছাড়িয়ে কাজ করে, যা সরাসরি সত্য। তা কখনও অসফল হয় না। যখন তুমি মাস্টারকে বিশ্বাস কর, যখন তুমি মাস্টারের কাছে সমর্পণ কর, তুমি তাঁকে তোমার দায়িত্ব দিচ্ছ। তিনি কখনও অসফল হন না! তার মানে এই নয় যে
তুমি তাঁর কাছে সমর্পিত হবে ও মুখের মত কাজ করবে। না! প্রথমে বোঝার জিনিষ হল যে সমর্পণ ঘটলে, তা তোমাকে কখনও মুখের মত করাবে না। কেবল সমর্পণের নামে সমর্পণ মুখের মত জিনিষগুলি করানোর প্রয়াস করে। প্রকৃত সমর্পণ হল এক চেতনা, পরীক্ষা করার জন্য কোন ধারণা নয়।
সন্ন্যাস এক চেতনা যা মাস্টারের উপস্থিতিতে এক দল মানুষের মধ্যে প্রস্ফুটিত হয়। সমষ্টির মধ্যে হয়েছে। সমস্ত মহান মাস্টারেরা একদল সন্ন্যাসীকে বরণ করেছেন। যখন একদল মানুষ প্রেমে মিশে যেতে শুরু করে, সন্ন্যাস তখন ঘটে। এই প্রক্রিয়াটি গভীরভাবে রহস্যপূর্ণ ও সুন্দর। সমকালীনতার স্রোত প্রবাহিত হতে শুরু করে। কোন কারণ বিনাই এক অব্যাখ্যেয় অনুভূতি থাকে।
এটা এমন নয় যে অস্তিত্ব আরও সুন্দর হয়েছে। অস্তিত্ব সর্বদাই এক। তুমি তাতে সাড়া দিতে শুরু করলে, তোমার মানবিক গুণমান অনেক সমৃদ্ধ হয়েছে। সেটাই সন্ন্যাস! তুমি যখন অস্তিত্বকে সমৃদ্ধ গুণমান দিয়ে সাড়া দিতে শুরু কর, যখন তুমি তার জন্য ব্যাকুল হও, সন্ন্যাস তোমার মধ্যে ঘটা শুরু হয়।
যখন সন্ন্যাস ঘটে, তুমি অস্তিত্বতে আরও সৌন্দর্য যোগ কর। তুমি এক সৃজনশীলতাকে ত্যাগ করা। না। সন্ন্যাস হল ঈশ্বর হলেন পরম স্রষ্টা। সন্যাসের শক্তিই হল সঙ্গি। এটা সন্ন্যাসের সম্পর্কে কম জানা তথ্য।
যখন সন্ন্যাস ঘটে, মুহূর্তটি সঠিক...
একটা ছোট গল্প :
একদিন এক যুবক গ্রীক দার্শনিক সেক্রেটিসের কাছে গেল ও বলল, 'হে মহান সেক্রেটিস, আমি আপনার কাছে জ্ঞানলাভ করার জন্য এসেছি।' সক্রেটিস লোকটিকে সমুদ্রে নিয়ে গেলেন ও কয়েক সেকেণ্ড তার মাথা জলের নীচে চেপে রাখলেন।
তিনি যখন তাকে ছেড়ে দিলেন, যুবকটি শ্বাস নেবার জন্য হাঁপাচ্ছিল। সেক্রেটিস সে যা চায় তা পুনরায় বলতে বললেন। যুবা বলল, 'আমি জ্ঞান চাই।'
সক্রেটিস তাকে আবার জলে চোবালেন, এইবার আরও লম্বা সময় ধরে। তারপর তিনি তাকে ছেড়ে দিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, 'তুমি কি চাও?' লোকটি উত্তর দিল, 'জ্ঞান।'
সক্রেটিস তা কয়েকবার করলেন।
কয়েকবার করার করার পরে, সেক্রেটিস আবার প্রশ্ন করলেন, 'তুমি কি চাও?' লোকটি হাঁপিয়ে বলল, 'বাতাস, আমি বাতাস চাই!'
সেকেটিস বললেন, 'ভাল। বাতাস যেভাবে চাইছ সেভাবে জ্ঞান চাইলে তুমি তা পাবে।'
সন্ন্যাস এক তীব্র আকাঙ্কমা যা তোমার ভিতর থেকে ওঠে। এটা এক গভীর আকুলতা। সেই আকাঙ্কা স্থান-কাল হিসাবে সমান নয়। তুমি প্রস্তুত। একবার তুমি ঝাঁপ দিলে প্রকৃতির আপনা আপনি যত্ন নেওয়া হয়ে যায়।
রূপান্তরিত করার ও তোমার সমস্ত শক্তিকে জীবনমুক্তির দিকে চালিত করার আলকেমি হল সন্ন্যাস। যখন আসে, যখন আধ্যাত্মিকতাকে আলিঙ্গন করার প্রথম চিন্তা আসে, বুদ্ধিমত্তাশীল মানুষেরা সন্ন্যাসে ঝাঁপ দেয়। সন্ন্যাস হল শর্টকাট, হুস্বতর পথ।
একটা ছোট গল্প :
এক পঞ্চাশ বছরের জীবনমুক্তির ছাত্র এক জেন মাস্টারের কাছে গিয়ে বলে, 'আমি কিভাবে ঘাস ও গাছকে জীবনমুক্ত করতে পারি?'
মাস্টার জিজ্ঞাসা করলেন, 'ঘাস ও গাছ কিভাবে জীবনমুক্ত হয় তা আলোচনা করে কি লাভ? প্রশ্ন হল তুমি কিভাবে জীবনমুক্ত হতে পার। তুমি কি কখনও তা ভেবেছ? '
লোকটি সেভাবে ভাবি নি।'
মাস্টার বললেন, 'তাহলে ঘরে যাও ও ভাব।'
সন্ন্যাস হল তুমি এখন যা করতে যাচ্ছ এবং নিজেকে সম্পূর্ণরূপে শোধিত করছ।
তোমার দেখা, শোনা, কথা বলা ও অনুভব করা কিন্তু তোমাকে এক নতুন করবে। সন্ন্যাসের সঙ্গল তোমার জন্য সেটাই করে। কেবল শক্তিস্তরে একত্র সঙ্ঘটনের সাথে, তোমার যুক্তিকে পাশ কাটিয়ে তুমি যখন সন্ন্যাস নাও, দেখবে যে তোমার জীবনে জাদু ঘটে। সন্ন্যাসকে কঠিন ভাবার দরকার নেই, সেই বীজ তোমার মধ্যে বপন করা হয়। ভিতরে ও বাইরে রূপান্তর।
সন্নাস ভবিষ্যতের একমাত্র সমাধান হতে চলেছে, কারণ কেবল সন্ন্যাসই তোমাকে বহির্জগতে খেলাচ্ছলে, খুশী হয়ে, পরমানন্দে কার্য করতে শেখায়। সন্ন্যাস তোমাকে কোন ভূমিকার সাথে নিজেকে সনাক্ত না করেই বহু ভূমিকা নেওয়ায়। তা তোমাকে সর্বদা অবিচ্ছিন্ন মাতন ও পরমানন্দে রাখে। তা তোমাকে করায়।
নিত্যানন্দত্বন (অনুস্মরণ)
(এই পর্যায়টি THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর ছেলেবেলার এক বন্ধুর বিবৃতির নিষ্কর্ষ।
সেই বন্ধুর নাম সম্পত। THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর জীবনমুক্তির আগে সে তাঁর সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত জীবনমুক্তির জন্য অবর্ণনীয় আকুলতা সম্পত অভিহিত করেন।)
তাঁর পলিটেকনিক বছরগুলির শেষের দিকে, স্বামী এক পর্যায়ে পৌঁছান যেখানে তিনি কিছু ভিখারীকে বরণ করতেন, কিন্তু তাদের বরণীয়াত্ব অনুভব করতেন না। তখন তিনি এক শিশুর মত হয়ে গেলেন। যদি কোনকিছু পাবার সেই চিন্তা আমাদের আসে, আমরা অন্য সব জিনিষ বর্জন করব এবং কেবল সেটার দিকেই ধাবিত হব - ঠিক বালকের মত। যতক্ষণ আমরা যা চাই, তা না পাই, আমরা খেতে ও ঘুমাতে অস্বীকার করি। তিনি সেরকমই হয়ে গিয়েছিলেন।
আমাদের শহর তিরুভান্নামালাই এক বাস্তবিকভাবে সৃষ্টিমাসনকম্ বর্তঃ। এখানে অনেক সাধু সন্ন্যাসী জন্মেছেন। তাঁরা বিভিন্ন জায়গায় ছিলেন ও ভিন্ন ভিন্ন পথ অবলম্বন করেছিলেন। তাঁর জীবনের সেই সময়ে তিনি তাঁর কাছে আসা সন্মাসীদের কাছে প্রার্থনা করতে শুরু করতেন। বলতেন, 'দয়া করে আমার জন্য কিছু করুন। আমি আপনার সাথে যাব। দয়া করে আমায় আপনার সাথে নিয়ে চলুন।'
একবার এক ব্যক্তি এসেছিলেন। যদি তোমরা তাকে দেখতে, ভাবতে সে যেন সাক্ষাৎ শিব! তার হয়ত কুড়ি থেকে ত্রিশের মধ্যে বয়স। তার ছিল জড়ানো। তার কানে ছিল সোনার দুল ও গলায় এক মহিমান্বিত রুদ্রাক্ষের মালা। তাকে একদম শিব বলে মনে হচ্ছিল। তাকে দেখলে তোমাদের তার পায়ে পড়ার ইচ্ছা হত। তার ছিল এমন দীপ্তি। সে সুন্দরভাবে পুরাতন লোকজ্ঞান থেকে গান করছিলেন। সে গাইলে লোকেরা চোখের জলে গলে যেত।
সে সবসময় ভিক্ষা করত। সে কেবল এক মাধবন্ পরিব্রাজক ছিল। কিন্তু তার বাইরের চেহারা ছিল শিবের মত। তাকে দেখে স্বামী নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতেন! তিনি যেন তাঁর মধ্যে শিবকে দেখতে পান! যেই তিনি এই ভিক্ষুককে দেখলেন, তিনি তার পায়ে পড়লেন ও তার চোখ দিয়ে জল গড়াতে লাগল।
তিনি তাকে অনুরোধ করলেন, 'স্বামী। আমি পারছি না...আমাকে আপনার সাথে নিয়ে চলুন। আমায় নিয়ে চলুন। আমি আপনার সাথে থেকে কিছু করুন।' আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম।
এরকম তিনি যখনই কোন পরিব্রাজক ভিক্ষুক দেখতেন, তিনি প্রার্থনা করেছে থাকতেন, 'আমার জন্য কিছু করুন। আমার জন্য কিছু করুন।' সেই পরিব্রাজক ভিক্ষুকেরা তাঁকে গাইড করার জন্য যোগ্যতাসম্পন্ন নয়। তারা স্পষ্ট দেখত যে তিনি এক সম্পর্ণ ভিন্ন আকাশ থেকে এসেছেন। তারা তাঁকে গাইড করতে পারবে না বলে চলে যেত।
যখন আমি তাঁর সংগ্রাম দেখেছি, তখন তাঁর অবর্ণনীয় তীব্র আকাঙ্কার অবস্থা আমার নিজের স্তর থেকে বুঝেছি। যখন আমি দেখলাম সে কিভাবে সেই পরিব্রাজক ভিক্ষুকদের কাছে কাঁদত ও তাঁকে নিয়ে যেতে বলত, আমি উপলব্ধি করলাম অসীমের সাথে মিশে যাওয়ার জন্য তাঁর কতই না তীব্র আকাঙ্ককা ছিল। যদি আমি তোমার জন্য তাঁকে নকল করি, তুমি তা হজম করতে পারবে না।
সেই কয়েকটা ঘটনা আমার সম্মতিতে গভীরভাবে খোদিত হয়ে গেছে। আমি সেগুলি কখনও ভুলতে পারব না। আমি প্রায়ই অবাক হতাম, 'ও কেন ঐভাবে কাঁদছে? আধ্যাত্মিকতা কি? ও কেন এইসব করে? কেবল এখন আমি যা বুঝতে পারছি। নির্মাণিত্ব নিকট নিকটতর আমার কাঠের মাথা ছিল। এমনকি এইসব জিনিষ বোঝার জন্য মাস্টারদের করুণা চাই। যখন তাঁরা কোন ধারণা আমাদের সাথে শেয়ার করেন, এমনকি সেই ধারণাকেও আমাদের ভিতরে ঢোকানোর জন্য সাহায্য কামনা করে। বাইরে নির্জন কাটে, কেবল ভেতরেই বাস করতাম আমি কি এইসব জিনিষ বুঝতে পেরেছি।
আমি প্রায়ই তাঁকে প্রশ্ন করতাম, 'তুমি এমন কেন কর?'
তিনি বলতেন, 'আমি পারছি না।...আমি কোন কিছুতেই মনোযোগ দিতে পারছি না। আমি জানি না আমি এখানে আর বেশী সময় থাকতে পার কিনা। সময় এসে গেছে। আমাকে চলতে হবে।'
সেই সময় আমার কোন ধারণা ছিল না যে এই জীবন থেকে ভিন্ন কোন জীবন আছে। আমি জানতাম না যে জীবনমুক্তিই জীবনের লক্ষ্য এবং সেইজন্য আমাদের জন্ম হয়েছে।
আবার তিনি সংগ্রাম করছিলেন যেন তাঁকে সাহায্য করার কেউ নেই। সেই অবস্থায়, আমিও সবসময় তাঁর সাথে যাব বলে অনুভব করতাম, কিন্তু আমার কোন সাহস বা সঙ্গল্প ছিল না।
সেই দিনগুলিতে, তিনি অতিথি সবকিছুতে শামিল করতেন কারণ আমি তাঁর বন্ধু ছিলাম। একদিন THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM আমাকে বললেন, 'আমি এখন চলে যাবার চিন্তা করছি।' আমি কেবল বললাম, 'ঠিক আছে। ঠিক আছে।' এমনকি মার্গম কি আলোচনা করার জন্যও আমার মধ্যে কিছু আন্দোলিত হল না।
প্রকৃত প্রেম পথরোধ করে না
এক প্রকৃত মাতা সঠিক সময়ে তার সন্তানকে যেতে দেয়। যে সাঁজানো সম্পাদকে খুবই আঁকতে থাকে, প্ৰথমত হয়ত তাকে জন্ম দিতেও সে দ্বিধা করেছিল! এমনকি জন্ম নেওয়ার সময়ও কেবল যে মা পরের স্তরের বিস্ফোরণের জন্য তৈরি, যে মা ছেড়ে দিতে তৈরি, যে মা অন্প্রেরণা দিতে তৈরি, কেবল সেই মা প্রকৃত মা হতে পারে।
যদি তুমি যদি তোমার সন্তানকে যাওয়ার পথে বিষণ্ণতা অনুভব করাও, তাহলে তোমার জন্ম দেওয়া উচিত নয়! তোমার তাকে সর্বদাই নাভিরজ্জ দিয়ে খাবার খাওয়ানো উচিত। নাভিরজ্জুর সংযোগ সর্বদাই রেখে দেওয়া উচিত! ঠিক যেভাবে শিশু নয় মাস পরে বহির্জগতে এসে শারীরিকভাবে বদ্ধি পায়, ঠিক সেভাবে তোমার থেকে ছাড়া পেয়ে সে মানসিকভাবে বদ্ধি পেতে পারে।
শারীরিক বিযুক্তি হল জন্ম। মনস্তাত্ত্বিক বিযুক্তি হল সন্ন্যাস।
সেইভাবে দেখতে গেলে আমি খুবই ভাগ্যবান। যখন আমি মাকে গিয়ে বললাম যে আমি সন্ন্যাসী হতে চাই ও ঘর ছেড়ে যেতে চাই, তখন রাত হয়ে গিয়েছিল, প্রায় এগারোটা বাজে। আমি মন্দিরে গেলাম, যথারীতি কিছু সময় কাটালাম এবং আমার স্বাভাবিক সময়ে ঘরে এলাম। আমি আমার চাবি দিয়ে ঘর খুললাম এবং ভিতরে গেলাম। আমি পায়ে কাঠ্যের স্যান্ডেল পড়তাম। সাধারণত সেগুলি খুব জোরে আওয়াজ করত! আমার মার মার রোজ নিয়ম ছিল জন্ম উঠেই বাসন ধোয়া এবং খাবার বানানো এবং যেই মহুর্তে আমি ঘরের প্রবেশ করতাম মা পরিবেশন করতেন। যদি আমার দেরী হত তাহলে দুজনেই ঘুমাতে যেতাম।
সেই নির্দিষ্ট রাতে মা উঠে পড়লেন ও খাবার বানাতে যাচ্ছিলেন। আমি তাঁকে ডাকলাম ও বললাম, 'আমি ঠিক করেছি আমি সন্মাসের জন্য ঘর ছেডে যাব। তুমি আমাকে খাবার দিতে পার যদিও আমি খেয়ে আসেছি। আমি এখন খাব কারণ আগামীকাল আমি চলে যাব।'
আমার দিকে থেকে সেটা ছিল এক সরল ঘোষণা। বাস্তবে, মা স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি কিছুই বললেন না। একটা জিনিষ আমার পরিবারের সবাই প্রথম থেকে জানত যে আমার সাথে কথা বলে বা আমাকে জোর করে বোঝানোর চেষ্টা করে কোন লাভ হয় না। তারা জানত যে কোন কিছু বলার আগে আমি আমার ভিতর থেকে একদম সিদ্ধান্তে থাকি। যখন কিছু জেনে আমি তা জোরে বলব। আমি কিছু বলছি মানে সেটা হতে চলেছে, ব্যাস।
তার চোখ দিয়ে জল গড়াতে লাগল। আমি তার দিকে তাকালাম এবং করলাম, 'তুমি কেঁদে কি বোঝাচ্ছ? তুমি কি বলতে চাইছ যা আমি যাব না?'
তিনি মাথা নাড়ালেন, 'না, আমি বলছি না যে তোমার যাওয়া উচিত নয়। আমি কাঁদছি কারণ আমি নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছি না। ব্যাস। আমি বলতে পারি না যে তুমি যেতে পার না।'
বড় হয়ে ওঠার থেকেই জানতেন। কোন না কোন একদিন আমি ছেডে যাবই। সেটা আমার কুষ্ঠিতে বলা ছিল। তার সৌন্দর্য ছিল যে তিনি কখনও 'না' বলতেন না! তিনি আমাকে যেতে বারণ করলেন না। তিনি আমার বাবাকে গিয়ে খবরটা দিলেন। আমার বাবা ভাবলেন মা আমাকে বকাবকি করছেন ও কিছু সমস্যার সৃষ্টি করছেন সেই কারণে আমি চলে যেতে চাইছি। তিনি মাকে জিজ্ঞাসা করলেন, 'তুমি কি ওর ওপরে চীৎকার করেছ? তুমি কি কোন সমস্যা সঙ্গি করেছ? তুমি তো জান ও কেমন ছেলে! '
আমার মা বললেন, 'না, আমি চীৎকার করি নি, কিছুই করি নি। ও স্বেচ্ছায় এল ও আমাকে এই কথা বলল।' তাতে আমার বাবা শান্ত হলেন।
সেটা ছিল একটা সহজ সরল ঘোষণা। আমার বাবা আমার কাছে এলেন, বসলেন ও জিজ্ঞাসা করলেন, 'স্বামী, তোমার মা আমাকে তোমার কিছু কথা বলল। তা কি সত্য? '
মজার ব্যাপার হল সেই সময়েও তাঁরা আমাকে স্বামী বলত !
আমি তাঁদের বললাম, 'হ্যাঁ, আমি ঠিক করেছি সন্ত্যাস নেবার জন্য ও জীবনমুক্ত হবার জন্য আমাকে গহত্যাগ করতে হবে।'
তিনি হতবাক হয়ে গেলেন। কিন্তু তিনি দেখলেন যে আমি একদম স্বচ্ছ, স্থির, ঠাণ্ডা ও শান্ত। তিনি একটিও কথা বললেন না। তিনি বললেন, 'অসুস্থ হলে আমাদের খবর দিও। আমরা তোমার যত্ন করতে চাই।' ব্যাস। তিনি কেবল বললেন, 'তোমার পরিব্রজ্যার সময় যদি তুমি কোথাও অসুস্থ হয়ে পড়, আমাদের খবর দিও। আমরা তোমার সেবা করব। আমরা কেবল সেটাই চাই, আর কিছু নয়। এ ছাড়া যা ইচ্ছা করে।'
আমার মাতাপিতা কখনও আমার পথে বাধা দেয় নি। বাবা যে স্বাধীনতা ও সম্মানতা সহ যে কোন সম্মক্ষতা এক সুস্থ সম্বন্ধতা তখনই হয় যখন মানুষটি পরের ধারণি রুট দেয়। আমি দেখেছি যারা এই পথ অনুসরণ করার জন্য যথেষ্ট ভাগ্যবান ও সাহসী। কিন্তু তাদের মাতাপিতার জন্য তারা এই পথ পরীক্ষা করারও সুযোগ পায় না।
মাতাপিতারা জীবনের স্বাভাবিক পথেই পড়ে থাকে। অন্যদের আমিতুকে সন্তুষ্ট করার জন্য জীবন যাপন করে। কম সংখ্যক কিছু মানুষ তাদের সন্তানদের প্রেরণা ও সাহস পায়। বোঝার চেষ্টা কর, আমি তোমাদের সন্তানদের স্বামী হবার জন্য প্রশিক্ষণ দিতে বা জ্ঞান দিতে বলছি না। না! আমি বলতে চাইছি, যদি কোনভাবে তারা সন্ন্যাসের দিকে আকৃষ্ট হয়, তাদের বাধা দিও না। তাদের পথে বাধা না হয়ে তুমি আশীর্বাদপ্রাপ্ত হবে।
সন্তানের পছন্দ করা পথকে দেখার বুদ্ধিমতা রাখ। সে পরম পথকে পছন্দ করেছে। যদি ও কঠোর পরিশ্রম করে ও স্বার্থত্যাগ করে, তাতে ভুল কিছু নেই। তা নিয়ে ভয় করবে না। আমি হয়ত আমার আগের দশটা জন্মে ব্যর্থ হয়েছি! একটা জিনিষ : সন্ন্যাসের জন্য সংগ্রাম করলে জীবনমুক্তি না পেলেও, সেটা অসফলতা নয়। সর্বদা এক বিশেষত্ব থাকে, কারণ তুমি কৃষি ক্ষেত্রে কাজ করছ। তোমাকে সম্পূর্ণরূপে লক্ষ্য করে। প্রতিটি ধাপে তোমার যত্ন নেওয়া হয়। তাই বোঝা, চেতনার ক্ষেত্রে যে কোন অন্ধেষণ, যে কোন গবেষণা, যে কোন ঝুঁকিকে উৎসাহ ও অনুমতি দেওয়া উচিত ও সাহায্য করা উচিত।
আমার পথে বাধা না দেওয়ার জন্য আমি আমার পিতামাতার ওপরে চিরদিন কতজ্ঞতা অনভব করি।
জীবনমুক্তি তোমার রাজ্যের চাবিকাঠি
জীবনমুক্তি হল যায়াদা মনমানুভব রাজ্যকিত্ব মাসউস।
আমরা এখন চড়ান্তে পৌঁছেছি, আমি যাকে পরম অভিজ্ঞতা বলি। আমরা কে এবং আমাদের এই মহাবিশ্বে ভূমিকা কি, সেই পরম জ্ঞানের উপলব্ধি ও অভিজ্ঞতা আমরা পাই। অজ্ঞানের অন্ধকার থেকে আমরা সত্যের আলোকে প্রবেশ করি। আমরা পরমজ্ঞানালোক প্রাপ্ত করি, আমরা জীবনমুক্ত হই।
পথীগ্রহে জীবনমুক্ত সত্তা কেন ঘটে
যখন দেখ, তুমি তিনটি জিনিষ বোঝা। প্ৰথম জিনিয় হল, সাঁতার কাটা সম্ভব এবং একজন মানুষের জীবনে সাঁতার কাটার প্রবল তীব্র আকাঙ্কা হয়, 'যদি সে পারে, আমি কেন পারব না? আমি কেন নয়? আমি অবশ্যই পারব।' ততীয় জিনিষটা হল, 'চল, আমি ঝাঁপ দিই!' তুমি প্রেরণা ও সাহস পাও!
একইভাবে যখন তুমি এক জীবনমুক্ত সত্তাকে দেখ, যখন তাদের চারপাশে বাস কর, তুমি তিনটে জিনিষ বোঝা। প্ৰথম জিনিষটা হল, জীবনমুক্তি সম্ভব। তুমি এই পথীগ্রহে ঈশ্বরের মত বাস করতে পার। দ্বিতীয়টা হল, 'যদি তিনি জীবনমুক্ত হতে পারেন, আমি কেন নয়?' কারণ তিনি এমন সরলতা ও শৃঙ্খলা বিকিরণ করেন যা তোমার
মানব প্রকৃতির কাছাকাছি। তুমি স্বাভাবিকভাবে আত্মবিশ্বাস পাও যে সেটা তোমার পক্ষেও সম্ভব। তৃতীয় জিনিষটা হল সাহস, 'চল, ঝাঁপ দিই!' এই জিনিসগুলি তখনই ঘটে যখন এক জীবনমুক্ত মাস্টারের আশেপাশে বাস কর এবং অবিশ্রাম তাঁর শরীরের ভাষা লক্ষ্য কর। অন্য কিছুই তা তোমার মধ্যে শুরু করতে পারে না।
পাঁচটি সার্বলৌকিক ক্রিয়া
পাঁচটি সার্বলৌকিক ক্রিয়াকে পঞ্চক্রিয়া বলা হয়। সেগুলি হল সুষ্টি করা, রক্ষণাবেক্ষণ করা, ধ্বংস করা, মায়া ও করুণার মাধ্যমে জীবের মুক্তি দান করা। বলা হয় ঈশ্বর এই পাঁচ কার্য সম্পাদন করেন।
নটরাজ বা নর্তকরূপী শিবের চারটি হাত আছে। তাঁর উপরের ডান হাতকে ডমরু বলা হয়, যা সৃষ্টিকে প্রতীকায়িত করে। বিশ্বাস করা হয় যে সমগ্র সুষ্টির উৎস হ'ল শব্দতরঙ্গ। নীচের বাঁ হাতকে অগ্নী বলা হয়, যা প্রতীকায়িত করে ধ্বংস। তাঁর গলায় জড়ানো সাপ 'মায়া'-কে বোঝায়। সেই মায়ার ভিতরে মানুষ মুক্তির পূর্বে প্রবেশ করে। তাঁর পায়ের
লোকেরা আমাকে ধ্যান প্রোগ্রামের সময় জিজ্ঞাসা করে, 'ধ্যান করার সময় আমি এক গভীর শান্তি অনুভব করেছি। তার মানে কি আমার জীবনমুক্তি নিকটে?'
প্রথমে আমি চাই তোমরা এটা বোঝ, আমরা সবাই জীবনমুক্তির সামনে। সেটাই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা সর্বদাই জীবনমুক্তির দোরগোড়ায়। এটা মনে করা মূর্খতা ও ভুল ধারণা যে আমরা জীবনমুক্তির নিকটে। কেবল দুটি শ্রেণী আছে, হয় তুমি জীবনমুক্ত অথবা নও, ব্যাস্। যদি তুমি এখনও জীবনমুক্ত না হয়ে থাক, তাহলে অন্যান্যদের মত সন্নিকটে আছ।
যদিও তুমি ৯৯.৯ শতাংশ জীবনমুক্ত হও, তুমি বস্তুত জীবনমুক্ত নও! জীবনমুক্তি এক সম্পূর্ণ ও সমগ্র পরিবর্তন। জল যেভাবে ১০০ ডিগ্রী সেলসিয়াসে বাষ্পীভূত হয়, এমনকি ৯৯ ডিগ্রীতেও তা কেবল জল, বাষ্প নয়। কেবল ১০০ ডিগ্রীতে তা বাষ্প হয়। যে কোন সময়ে দেখতে গেলে, তা হয় জল, না হয় বাষ্প, পূর্ণ বা আংশিক নয়। এমনকি গরম জলও আগুন নেভাতে পারে। তার মানে তা তখনও জলের গুণমান বহন করে। বাষ্প কি আগুন নেভাতে পারবে? না। তাই জলকে গরম করে বাষ্প করা হলেও, বাষ্পে জলের গুণমান নেই। একইভাবে যে কোন সময়ে তুমি হয় জীবনমুক্ত অথবা নও; কখনও দুটো একসাথে নও এবং 'প্রায় জীবনমুক্ত' কখনও নও।
বোঝা জীবনমুক্তি তোমার ধারাবাহিকতা নয়। তা তোমার ক্রমবিকাশ কখনও নয়। সেটা বিকাশ, কিছু উন্নতি, স্পষ্টতা, অন্তরের নিরাময় তোমাকে কেবল ইঙ্গিত দেয় যে তুমি সঠিক পথনির্দেশ দেখছ। 'লস এঞ্জেলস ১০০ মাইল', তা সবসময় একটা সহায়ক সংকেত। তুমি জান যে তুমি সঠিক রাস্তায় আছ, ব্যাস। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে তুমি পৌঁছে গেছ।
আমরা সর্বদা চাই যে কেউ আমাদের কিছু সান্তনার কথা বলুক। তোমরা তাদের সাহায্য তাদের প্রদান কর। কিন্তু মাস্টারের তোমার সাহায্যের প্রয়োজন নেই, তাই তিনি সোজাসুজি তোমাকে আসল সত্য বলেন।
৯৯.৯ জীবনমুক্তির খুব কাছে বা প্রায় জীবনমুক্ত বলে কোন জিনিষ নেই। হয় তুমি জীবনমুক্ত বা তুমি তা নও।
জীবনমুক্তি যেন এক সম্পূর্ণ 'হ্যাঁ' বা সম্পূর্ণ 'না'। জীবনমুক্তি ধাপে ধাপে ঘটা কোন প্রক্রিয়া নয়। জীবনমুক্তি যেন গ্যাস সিলিণ্ডারের বদল করা, সিলিণ্ডারকে যথাস্থানে রাখা হয়!
বানর থেকে নর - এই অভিব্যক্তি হবার পরে, আমাদের পরবর্তী স্তর বা চড়ান্ত স্তরের জন্য কোয়ান্টাম লাফ দেবার সময় এখন জীবনমুক্তির আসল লক্ষ্য।
যখন তেওঁ পথ আছে, তোমাকে থামাতে হবে না এবং তোমার অতীত সম্পর্কে রেকর্ড দেখতে হবে না। যদি তুমি তোমার অতীতের রেকর্ড দেখছ বা তার হিসাব নিচ্ছ, স্পষ্ট করে বোঝা, ব্যুহভেদ করা এখনও হয় নি।
যখন স্পষ্ট ব্যুহভেদ বা কোয়ান্টাম লাফ ঘটে, তোমাকে যাচাই করে দেখতে হবে না বা কতটা বুদ্ধি পেয়েছ। সেই লাফ তোমার যুক্তি অতিক্রম করে হবে।
কিন্তু তোমার সমস্ত অন্তর্জেশ হবে ভিন্ন। তোমার জীবনশৈলী সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়ে যাবে।
১) অসীম নিরবচ্ছিন্নতাকে অভিজ্ঞতা করা
অসীম নিরবচ্ছিন্নতা সহকারে বাস করা হল জীবনমুক্তি। সীমাহীন নিরবচ্ছিন্নতা ঘটনে পরিচয় মুছে ফেলে আরাম কর।
যদি তুমি অবিশিষ্ট থাক ও মনের রাজ্যে বাস কর, তাহলে তুমি জীবনমুক্ত হয়ে বাস করছ। যদি তুমি জাগতিক ব্যক্তির মত ভাবো না, কিন্তু ক্ষমতার কাজ জানো ও বিজ্ঞান ব্যবহার করছ, তাহলে তুমি 'সারাংশবি' ব্যবহার করেছ।
২) জীব, জগৎ ও ঈশ্বরের উপলব্ধি
জীবনমুক্তির জন্য যে মূল জিনিষ চাই তা হল এক 'মনস্তাত্ত্বিক বিপ্লব', জীব, জগৎ ও ঈশ্বর সম্পর্কে এক নতুন স্পষ্টতা।
তোমাকে জীবনে অনুপ্রেরণা কি দেয় - এই বোধ হল 'জীব' সম্পর্কে স্পষ্টতা।
তোমার বাসনাগুলিকে এই পৃথিবীতে কিভাবে পূরণ করা যায়, পৃথিবী দ্বারা চাপানো নিয়ম ও অন্যান্য জিনিষগুলিকে তুমি কিভাবে বোঝো - এটার ওপর নির্ভর করে জগৎ সম্পর্কে স্পষ্টতা।
জীব ও জগৎ, উভয়ের উৎস সম্পর্কে বোধগম্যতা। সেই উৎসকে অর্জন করা ও এই তিনটিকে জানাই জীবনমুক্তি।
যখন জাগতিক স্থলে (বাস করার সময়), তুমি কেন কাও ও কিভাবে চাও, সেটাই বাসরে তোমাকে জীব সম্পর্কে অভিজ্ঞতা প্রদান করে। যখন তুমি বাধ্য, কিভাবে কি করা ও লালনের মাধ্যমে বিশ্বের সাথে সংযোগসাধন করা যায়, কিভাবে অপ্রয়োজনীয় জিনিষকে এড়ানো যায়, তখন তুমি বিশ্ব সম্পৰ্কে এক স্পষ্ট অভিজ্ঞতা লাভ কর। তৃতীয়টি হল জীব ও জগতের উৎস ঈশ্বরকে অভিজ্ঞতা করা।
জীব, জগৎ ও ঈশ্বরের সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা লাভ করাই জীবনমুক্তি।
৩) বিনা কারণে তীব্র উদ্দীপনা
লোকেরা আমায় 'জীবনমুক্তির পরে জীবনমুক্ত সত্তা কি উপভোগ করে?' আমি বলি, একমাত্র জীবনমুক্তির পরেই তুমি উপভোগ করতে পার! তার আগে, তার আগে, তুমি কেবল ভাবতে পার বা কল্পনা করতে পার যে তুমি উপভোগ করছ।
জীবনমুক্তির পরে উপভোগ করার জন্য তোমার ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য বস্তুর প্রয়োজন নেই। তুমি কেবল সর্বদাই উপভোগ করতে থাকবে। কোন কারণ ছাড়াই এক তীব্র উদ্দীপনা থাকবে।
যদি আমি বাসকারী জীবনসুরক্ষিক পূর্ণিমা নন্দে দ্বারা সংজ্ঞায়িত করতে বলা হয়, আমি বলব, সেটা হল বিনা কারণে 'তীব্র উদ্দীপনা', 'প্রবল অনুরাগ' কিন্তু কোন জিনিষের প্রতি নয়। কোন বস্তু নেই, কিন্তু প্রবল অনুরাগ আছে। কোন কারণ নেই, কিন্তু জীব স্বতঃস্ফূর্তভাবে বাস করে - সেটাকেই আমি জীবনমুক্তি বলি।
লোকেরা বার বার জিজ্ঞাসা করে, 'কারণ বিনা বাস করা কিভাবে সুখী হয়?' আমি তাদের বলি, তোমরা কেবল একটা রহস্য জান, কিভাবে কারণ বিনা অসুখী হওয়া যায়। তোমরা সেই অভ্যাস ভাল করে আয়ত করেছ। সেই বিষয়ে তোমাদের ডক্টরেট আছে! কেবল একটু পরিবর্তন কর, ব্যাস্। যখন আমরা এটা জানি, তাহলে অন্যটা শিখতে পারি না কেন?
বর্তক মণ্ডা যদি কেউ বিষণ্ণ থাকে, কিন্তু তুমি সেই বিমর্ষ মেজাজের কারণ খোঁজ না! তুমি তার কারণ শনাক্ত করতে পার না, কিন্তু তুমি বিমর্ষ থাক। তোমার রসায়নই কোন কারণ বিনাই বিমর্ষতায় চলে যাবার জন্য পরিকল্পিত হয়ে গেছে। কারণ, কোন কারণ বর্ণনা না করে তুমি নিশ্চিত যাচ্ছ। তোমার রসায়ন এই অভ্যাস শিখে গেলে। তখন তোমার আর কোন কারণের দরকার হয় না। কেবল রসায়নের দ্বারা, গঠিত সিস্টেমের মাধ্যমে তুমি বিমর্ষ হয়ে পড়।
জীবনমুক্তি মানে কোথাও পালানো নয়। জীবনের আস্বাদন এখানে ও এখন করাকেই আমি জীবনমুক্তি বলি।
৪) অন্যদের নিজের মত করে দেখা
আমি যাকে জীবনমুক্তি বলি তা হল, নিজের ভিতরের জীবনের প্রগাঢ়তা যতটা অনুভব করা, ঠিক ততটা প্রত্যেক মানুষের ভিতরেও অনুভব করা। তুমি কেবল তোমার শরীরের ভিতরে জীবন্ত নও। তুমি প্রতিটি ব্যক্তির মধ্যে জীবন্ত, জগৎ ও ভারতেও বিদ্যমান। শরীরের ওপরে তোমার অধিকারে রূপান্তরিত হয়ে যায়! তুমি যথার্থই বর্ণে কার্য জীবন্ত রূপ। প্রতিটি কোষই সম্পূর্ণ ও মহাজগতের পরিপূর্ণ অংশ।
বেদে ভক্তিমূলক স্তোত্র 'পুরুষ সুক্তম'-এ প্রথমে সুন্দর বলা হয়েছে,
ওঁ সহস্র শীর্ষা পুরুষ সহস্রাক্ষ সহস্রপদ।
স ভূমিং বিশ্বতো বৃত্বাত্যতিষ্ঠদ্দশাঙ্গুলম।।
এই বিশ্বকে উদ্দীপ্ত এক বর্ণক্রম আকারের বর্ণনা করে এবং সেই আকারকে বলা হয় 'পুরুষ' - যিনি ব্যক্তিত্ব (সর্বব্যাপী)। ব্যক্তিত্বই সর্বজনীন। সেটাই জীবনমুক্তির অভিজ্ঞতা।
বোঝা, আমি আমার ভিতরের যেমন সজীব, ঠিক ততটাই আমি জগতের বাইরেও সজীব। আমার শরীরে কোটি মস্তিষ্ক, অক্ষি ও পদে এবং সমস্ত কোটি সত্তাতে জীবন্ত।
এটা অর্জন করার জন্য তোমার অতীতের খোদিত স্মৃতি বা এন্গ্রামগুলিকে না এনে সবকিছুকে এইভাবে দেখা শুরু কর যেন তা প্রথমবার দেখছ। তখন তুমি তোমার শরীরের বাইরেও শরীরের ভিতরের মতই একই জীবন ও স্পৃহার অনুভব করবে। ১০ দিন চেষ্টা কর। একবার তার ঝলক পেলে তুমি আর তা হারাবে না! তুমি দেখবে যে তুমি বিনা কারণে কেঁপে উঠছ। তুমি কোন কারণ জিনিষের প্রতি বিদ্বেষ অনুভব করবে না। তুমি সর্বদাই আনন্দে থাকবে।
৫) আনক্লাচড় হওয়া
এখন পর্যন্ত তুমি তোমার অতীত জীবনের সমস্ত অভিজ্ঞতাগুলিকে সংযুক্ত করছ এবং একটা শাফট (দণ্ড) তৈরি করছ। তোমার ভবিষ্যতের সমস্ত অভিজ্ঞতাগুলির ওপরে নির্ভর করে তোমার এই শাফট নির্মাণ করার ওপরে। সেগুলি নির্ভর করে, অতীতের কোন কোন নিয়মাবলী নির্মাণ ও কিভাবে মানিয়ে নিয়েছ, তার ওপরে। তোমার ভবিষ্যতের আবেগ, প্রতিক্রিয়া, চিন্তা ও শব্দাবলী সম্পূর্ণরূপে এই শাফটের ওপরে নির্ভর করে। কিন্তু জীবনমুক্তির পরে জীবন যেন (শাটক) বক্রভাবে সৃজন হতে চায়। কিভাবে জন্ম হয় যদি কার্য কারবারণ চায়, দেহ চিন্তার অনুবর্তী হয়। একবার কার্য সমাধান হয়ে গেলে, কিভাবে বিশ্রাম হয়। শরীরের বার বার কিছু করার প্রয়োজন হলে আবার চিন্তার আশ্রয় নেয় এবং পুনরায় বক্রভাবে কারবার করে। পূর্বের
জিনিষ্গুলি নিশ্চিত (শাটক) মুক্ত মুক্তভাবে গঠন থাকে। সেখানে কোনও শাফট নেই।
যখন বাসনা বিষণ্ণ না (শারক) দ্বিধাদ্বন্দ্বের বিভিন্নতা বিদ্যালয় অর্জনের শক্তি বহন করি। কোন না কোন বিরক্তি আমরা নিরবচ্ছিন্নভাবে বহন করি। আমরা লোকেদের ওপরে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য তৈরি থাকি। জীবনসূক্তি বিভিন্নসূক্তি ঘটে, অবিশ্রাম ভয় বা অপরাধবোধ বা বাসনা বা বাস্তবিক জীবনযাত্রা বিদ্যমান করে, যা বাস্তব থাকে না। যখন তুমি ট্রার মার্কের দিকে সুরক্ষার জন্য জনকার অনুভব কর, তুমি জীবনমুক্তির এক ঝলক পাও।
এক লটকরুন এক বনার্থ কারবার কারবার মার্কের (শাটক) স্থান পরিবর্তন ঘটনে। যদি তুমি ভিন্ন কাজ জানো - সেই বহুমূল্য মুহূর্তটিকে ধরে ফেলতে পার। আমাদের সমস্ত তপস্যা ও আধ্যাত্মিক প্রশিক্ষণ, কেবল এই পরিবর্তনটিকে ধরে ফেলার জন্যই আমাদের প্রস্তুত করছে। সেই পরিবর্তন অনেক বার হয়। তোমাকে কেবল প্রকৃতপক্ষে সজাগ থাকতে হবে এবং জানতে হবে নাগাল (পেতে) যাচ্ছে। তুমি যখন স্থায়ীভাবে সেই শাফুট্ (দণ্ড) থেকে আনক্লাচ কর, তুমি জীবনমুক্ত হও।
৬) চারটি স্থায়ী পরিবর্তন
আমি বলতে পারি জীবনমুক্ত হবার পরে আমার মধ্যে চারটি স্থায়ী পরিবর্তন ঘটে।
প্রথমটা হল, ভিতরের সব কিচিরমিচির বন্ধ হয়ে গেছে। লিকিরবান কিচিরমিচির বলতে আমি ভিতরের অবিশ্রাম শব্দাবলী বা কথাকে বোঝাচ্ছি। আমার শব্দগুলির মাঝে বিরতিতে, আমি এখন যেভাবে কথা বলছি, সেই কয়েক সেকেণ্ডেও আমার ভিতরে কোন শব্দ বা কিচিরমিচির নেই। নীরবতা।
দ্বিতীয় জিনিষ্ঠা হল, এই দেহে আমার সীমানা শেষ হওয়ার ও দেহের বাইরে বহির্জগৎ শুরু হবার ধারণা অদৃশ্য হয়ে গেল। সীমানার সংজ্ঞাগণ শূন্য। আমি আকার - তা আমি অনুভব করি না। আমি দেখি ও নিজেকে সবকিছুতে অনুভব করি। যদি তোমরা আমাকে লক্ষ্য করে থাক, ফটো জানা বা হওয়ার পরে বা রেখনের বায়রন বাষান ফটোগ্রাফগুলিকে আমিই প্রথমে উপভোগ করি! আমি তাদের সাথে চার পাঁচ দিন ধরে খেলতে থাকি।
লোকেরা আমায় জিজ্ঞাসা করে, 'এটা কি হচ্ছে, স্বামীজী? আপনি বলে বসে নিজের ফটোগুলিকে উপভোগ করছেন!' আমি তাদের বলি, 'তাতে কি হয়েছে? আমি তো নিজেকে এই ছয় ফুটের আকার বলে মনে করি না। ঠিক যেভাবে তোমরা এই আকৃতিকে দেখ, আমিও তাকে দেখি ও উপভোগ করি! আমি এটাকে বাহ্যিকভাবে এক বর্ণ সীমারেখা হিসেবে ভাবি। ঠিক যেভাবে তোমরা কর!' প্রকৃতপক্ষে তোমরা নির্দ্বিধায় কারণে বাস্তবে অনুভব কর, কারণ তীব্রভাবে অনুভব কর! আমার ক্ষেত্রে আমার আকার সম্পর্কে সেই পৃথক অনুভূতি নেই, তাই আমি নির্মাণ করা মনোভঙ্গী উপভোগ করি।
তৃতীয় জিনিষগুলি হল, যদি বাস্তবিক দেহটা পুরুষের, অন্তরের পুরুষ বা স্ত্রীর পরিচয় অদৃশ্য হয়ে গেছে। 'আমি পুরুষ' অথবা 'আমি স্ত্রী', এই মনস্তাত্ত্বিক ধারণা আমার মধ্যে আর বিদ্যমান নেই।
চতুর্থটি হল, জীবনে এক অবিভাগ উদ্দীপনা, সবকিছুই উদ্দীপনা দেয়। এমনকি ছোট জিনিষও বিরাট উদ্দীপনা প্রদান করে। এমনকি একটা সহজ সরল জিনিষও তীব্র উদ্দীপনা ও আনন্দ দেয়।
যে কোন ছোট জিনিষ, কিছু মূর্তি - এক ছোট শিবমূর্তি বা ছোট বুদ্ধমূর্তি অথবা একটা তুলো ভরা নরম খেলনা বিরাট উদ্দীপনার উৎস হয়ে যায়! প্রতিটি ছোট ছোট জিনিষ বিরাট উদ্দীপনা প্রদান করে। সবচেয়ে গুরুতপূর্ণ জিনিষ হল, কোনকিছুই আমার একঘেয়ে লাগে না। গত পাঁচ বছর ধরে, আমি ধ্যান-প্রোগ্রামের শত শত সভা করেছি। আমি কখনও একঘেয়েমি অনুভব করি নি, কারণ আমার কর্মে অতিরিক্ত মনোযোগ রায় নিরে। অতীতকে ঘনীভূত করার জন্য জন্য তোমাদের একঘেয়েমি অনুভব কর। তুমি অনুভব কর যে তুমি আগে সবকিছুই দেখেছ। আমি যেকোন মুখ দেখলেই উদ্দীপনা অনুভব করি, ব্যাস্। অবিশ্রাম উদ্দীপনা আছে।
আমি বলতে পারি, জীবনমুক্তির পরে আমার মধ্যে এই চারটি স্থায়ী পরিবর্তন ঘটেছে।
৭) চূড়ান্ত কিন্তু সর্বশেষ নয়
আমার মনে হয় (বাবা), জীবনমুক্তি শেষ নয়। সেটা হল চড়ান্ত অভিজ্ঞতা, কিন্তু সর্বশেষ অভিজ্ঞতা নয়।
তোমার এই শব্দদুটিকে বোঝা দরকার, 'চড়ান্ত' ও 'সর্বশেষ', তারা একদম আলাদা। উদাহরণস্বরূপ, এই প্রোগ্রামের প্রথম দিনের শেষে একজন আমার কাছে আসে ও বলে, 'আমাদের আরেকটা ক্লাসের প্রয়োজন কি?
গতকাল আরেকজন বলে, 'স্বামীজী, প্রথমদিনে আমি ভেবেছিলাম আপনি আমাদের আরও গভীরে নিয়ে যেতে পারবেন না, তা হয়ে গেছে। আজ অকস্মাৎ আমি অনুভব করলাম আপনি আমাদের নিয়ে গেছেন এবং আপনি আমাদের আরও গভীরে নিয়ে যেতে পারবেন না। রোজ আমি ভাবি যে আপনি আমাদের আরও গভীরে নিয়ে যেতে পারবেন না, কিন্তু বাস্তবে সজীব (শ্রদ্ধা জ্ঞান রাজার যাদ্রি।' মানুষটি তার অভিজ্ঞতাকে চূড়ান্ত বলে অনুভব করেছিল।
চড়ান্ত অর্থ প্রতিটি মুহুর্তে সমগ্র ও পর্শক্তপে বাঁচা। চন্ডান্ত সর্বশেষ নয়। চড়ান্তের আধুনিকীকরণ সম্ভব।
এই দুটি শব্দের মধ্যে বিরাট পার্থক্য আছে, চড়ান্ত ও সর্বশেষ। যদি তা চড়ান্ত হয়, তা প্রতিটি মুহূর্তেই ঘটছে, তা সর্বশেষ নয়।
লোকেরা আমাকে দেবনা বাধ্য বিকৃতিকার করেন না। আমি তোমাদের বলি, জীবনমুক্তির পরে কেবল যে তাঁদের অবিশ্রাম আধুনিকীকরণ হয় তা নয়, তাদের প্রতিটি মুহূর্তে বিকাশ ঘটছে ও প্রসারণ ঘটছে। ঈশ্বর বুদ্ধি পেতে থাকেন, তাঁর বিকাশ হয়। কোন কেন্দ্রে বিকাশ হয়, বাধ্য কিছুণ বিকাশ রায় না।
তোমার আকাশে তুমি ভাবতে পার তোমার বিকাশ হচ্ছে। কিন্তু প্রকৃত বিকাশ ও প্রসারণ কেবল মহাজাগতিক শক্তিতে হয়।
যখন এক সত্তা জীবনমুক্ত হয়, তখন সে যে কেবল তার সম্ভাবনাকে অভিজ্ঞতা করে তা নয়, কিন্তু সে আরও জীবনমুক্ত সত্তা সৃষ্টি করতে শুরু করে। সে আরও জীবনমুক্ত সত্তা সৃষ্টি করার সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে আরম্ভ করে।
৮) কোন ভাষারূপ দান নয়, কোন প্রত্যক্ষীকরণ নয়
জীবনমুক্ত হলে তোমার নাভি ও গলার মধ্যে কোন অক্ষর বা শব্দ বা চিন্তার চলাচল হবে না। শব্দাবলী কেবল গলা থেকে আসবে। আমি বলতে পারি, এটা হল জীবনমুক্তির এক যথাযথ বর্ণনা। নাভি ও গলায় সর্বদা কোন শব্দ, চিন্তা, অক্ষর বা ধ্বনির চলাচল হবে না।
কেবল কথা বলার সময় শব্দাবলী থাকবে। যখন তুমি কথা বলছ না, জীবনে কোন শব্দই থাকবে না। কেবল শক্তির চলাচল থাকবে। কোন চিন্তা থাকবে না, কোন ভাষারূপ ব্যবহার করা হবে না, জীবনে কোন কিচিরমিচির হবে না।
তোমার ভিতরের কিচিরমিচির তোমার মধ্যে জীবন পালমাল করে না। বেশির ভাগ মানুষের জন্য খুব কঠিন। তারা সর্বদা থাকলে, আমি আমার দৈনন্দিন জীবন কিভাবে পরিকল্পনা করব? আমি আমার ব্যবসা কিভাবে চালাব? আমি কিভাবে বাঁচতে সমর্থ হব?
বোঝা, কিচিরমিচির থাকে না, সেটা এক মত নীরবতা নয়। সেটা এক প্রগাঢ় শক্তি! সেই শক্তি থেকে যা কিছু কথা স্ফটিকের মত স্বতঃস্ফূর্তভাবে রায় রায়, সেটাই মূল্যবান। যদি ভিতরের কিচিরমিচির থাকে, তা লাইনের পর লাইন হয়ে আসবে - 'সকাল, আমাকে উঠতে হবে। তারপর, আমাকে আমার অফিসে যেতে হবে। সেখানে, আমি নতুন শাস্ত্রালক্কিত্র জন্য কাজ করব। সন্ধ্যাবেলা, ফিরে আসব। তারপর,
হয়ত নৈশভোজের জন্য বাইরে যেতে পারি...' রৈখিক ভাবে একের পর এক চিন্তা ও শব্দ আসতে থাকে।
যখন যাত্রীরা কোন নির্জন মার্গে বাস করে, জীবনের সম্পূর্ণ প্রত্যক্ষীকরণ একটিমাত্র মোড়ক হয়ে বর্টেম, যেখানে সবাই একসাথে যাত্রা করে। আমরা বলি স্বজ্ঞা বা অন্তর্জ্ঞান ( intuition)। যা কিনা ভিতরের কিচিরমিচির বলা হয়, সেটা হল যদি কিছু কাজ জানে কি করতে হবে। কিচিরমিচির না থাকলে জিনিষগুলি তোমার মধ্যে স্বজ্ঞাতভাবে সরাসরি প্রতিফলিত হতে উদ্ভূত করে।
৯) সাহস
জীবনমুক্তি সমস্যার অবিদ্যমানতার দিকে নির্দেশ করে না। যা সমস্যা মোকাবিলা করার সাহস প্রদান করে।
১০) সত্তার শীর্ষ
যখন বুদ্ধি পরিপক্ব হয় ও শীর্ষে পৌঁছায়, তা বুদ্ধিজ্ঞানে রূপান্তরিত হয়ে যায়। যখন আবেগ পরিপক্ষ হয় ও শীর্ষে পৌঁছায়, তা হয়ে যায় বাস্তবতা। যখন মানুষ পরিপক্ষ হয় ও জ্ঞানে মোর্সে উপনীত হয়, তা জীবনমুক্তি হয়ে যায়।
১১) একীভূত ভিতরের কিচিরমিচির এবং বাইরের শব্দাবলী
যে ব্যক্তি নির্জন বিজ্ঞান বিকাশ করার জন্য ভণ্ডামি সরিয়ে ফেলেছে, সে জীবনমুক্তি অভিজ্ঞতা করবে।
ভারতের শ্রীরামকম্বর পরমহংস সুন্দর বলেছেন, 'তোমার ভিতরের কথা ও তোমার বলা কথার একাঙ্গীভবনই - জীবনমুক্তি।' - তিনি - বলেন, তোমার ভিতরের কিচিরমিচির ও তোমার বলা শব্দাবলীকে এক করুন। জীবনে ভূমিকম্প এক হতে দাও এবং তুমি জীবনমুক্ত হবে।
আমি তোমাদের বলি, এমন এক দেহে যেখানে এক, সেই দেহে বাস করা স্বর্গ। আর কোন কিছুই তোমাকে তেমন আনন্দ দিতে পারে না যেখানে তুমি নিজের কাজে বিশ্বাস করবে না, যেখানে ভিতরের কিচিরমিচির ও বলা কথা একীভূত। যখন এক বিশুদ্ধ ক্ষেত্রে অবিচ্ছিন্ন উচ্ছ্বাসন্দেকেই আমি বলি নিত্য আনন্দ বা চিরন্তন আনন্দ। যদি তুমি এমন এক শরীরের ভিতরে বাস কর যেখানে ভিতরের কিচিরমিচির ও কথিত শব্দাবলী একীভূত, একই সুরে বাঁধা, অকস্মাৎ দেখবে যে তুমি একটি ফাঁপা বাঁশের ভিতরে বাস করছ। তুমি এক শূন্য অন্তরাকাশ সহকারে বাস করছ!
১২) নিজেকে মহাজাগতিক আকাশ বলে অনুভব করা
নিজেকে মহাকাশ বলে অনুভব করাই জীবনমুক্তি। জীবনের স্থানে তুমি নিজের নিজের 'চিত্তাকাশ'-এর বদলে 'মহাকাশ' বলে অনুভব কর।
১৩) মনে তোমার পরিচয় না রেখে স্বস্তিতে থাকা
বহির্জগতে বর্ণনার মানে কার্টনের নিজের পরিচয় তুমি প্রকাশ কর, তা না করে স্বস্তিতে থাকলে যা হয় তাকে বলে 'প্রথম অভিজ্ঞতা' বা সারাংশবি। দ্বিতীয় ব্যক্তি বা বিজ্ঞানিক ব্যক্তি তুমি।
১৪) অতিচেতন সজাগতা থেকে গবেষণা ও উন্নয়ন
কেউ জীবনমুক্তি লাভ করার পরে তার অতিচেতন সজাগতার সাথে গবেষণা, পরীক্ষা THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM জীবনমুক্তির পরেও, আমি বহু পরীক্ষা ও বহু অভ্যাস বহির্জগৎ ও অন্তর্জগতের বিজ্ঞানীদের সাথে এবং নিজে করে চলেছি।
১৫) মানব অবস্থাকে অতিক্রম করা
কেউ আমায় প্রশ্ন করে, 'জীবনমুক্তি কি সাধারণ মানব অবস্থা অথবা মানব অবস্থাকে অতিক্রম করে যাওয়া?'
অবশ্যই, জীবনমুক্তি মানব অবস্থা থেকে অতিক্রান্ত হওয়া। তুমি যা কিছুকে মানব বলো, তা শুধুমাত্র এক বীজ, এক সম্ভাবনা। তুমি এক গাছ নও। জীবনমুক্তি।
তোমার সম্ভাবনার অবস্থায় তোমাকে মানুষ বলা হয়। তোমার আপ্ত বা সিদ্ধ (realized) অবস্থায়, তোমাকে জীবনমুক্ত বলা হয়। একদম স্পষ্ট হয়ে যাও, তুমি আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা সহকারে এক মানব সত্তা নও, তুমি মানবিক অভিজ্ঞতা সহকারে এক আধ্যাত্মিক সত্তা।
১৬) যোগশক্তি ছাড়িয়ে
যখন যোগশক্তি বা সিদ্ধি পেতে পার। কিন্তু যখন THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM জীবনমুক্তি ঘটে। জীবনমুক্তি হল এইসব ক্ষমতাগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করার সামর্থ্য, আবার প্রয়োজন মত তাদের ফেলে দেওয়ার বুদ্ধিমত্তা।
সেদিন আমি বেসান্ট ও চার্লস লীডবিটারের বিভিন্ন পদার্থের আপবিক গঠন সম্পর্কে গবেষণা সংকলিত 'অকাল্ট কেমিস্ট্রি' বা 'অতিপ্রাকত রসায়ন' পড়ছিলাম। তাঁরা (Theosophist) লোটাস (পদার্থ) পারমাণবিক গঠন নির্ণয় করেছিলেন এবং 'কোয়ার্ক' সম্পর্কেও জানতেন! কোয়ান্টাম ফিসিকে কোয়াক এক মৌলিক কণা।
কোয়ান্টাম ফিসিক্সের জন্ম হবার আগে কোন আধুনিক যন্ত্রপাতি ছাড়াই তাঁরা এটা করেছিলেন? ভারত এর জীবনমুক্ত মাস্টার ও যোগীরা 'সিদ্ধি' অথবা 'অনিমা' নামক নিগূঢ় ক্ষমতা দিয়ে এটা করতে পারতেন। পতঞ্জলি 'অনিমা'-কে বর্ণনা করে অনিমাকে বলেছেন - 'অতিপ্রাকত ক্ষমতার (superphysical faculty) আলোক অর্জন করার সামর্থ্য'।
যোগের প্রশিক্ষণ দ্বারা, তাঁরা অতিক্ষুদ্র বস্তু যা সাধারণ চোখে দেখা যায় না, তার চাক্ষুষ প্রতিচ্ছবি অভিজ্ঞতা করতে পারতেন। তাঁরা কোয়ার্কের বিস্তারিত গঠন ছাড়িয়ে সাব-কোয়াক খুঁজে পান এবং তার দর্শন বিজ্ঞান এর অধ্যয়ন করেন। আবিষ্কার পৃথিবীর কমপক্ষে তিন জায়গায় ভিন্ন ভিন্ন সময়ে এই প্রকার অতিপ্রাকত ক্ষমতার দ্বারা হয়।
তাঁরা সিদ্ধান্তে আসেন যে সমস্ত জড়পদার্থ সুক্ষ্ম অদৃশ্য সুতায় গাঁথা মুক্তা সকল। রিপোর্ট বলে গবেষকেরা সেই অতিপারমাণবিক কণাগুলিকে কেবল পার্টিকেল অ্যাক্সিলারেটর' চাই যার জন্য কোটি কোটি ডলার চাই।
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM বলেন এই প্রকার সিদ্ধি বা ক্ষমতা আছে এবং সেই ক্ষমতা ধ্যানের ফলাফল হিসাবে আসে। সেগুলি ভাল যদি না তুমি তাতে আটকে যাও। নতুবা তুমি জীবনমুক্তির চড়ান্ত লক্ষ্য হারিয়ে ফেলবে।
১৭) স্বচ্ছ, নির্বিঘ্ন শান্তি
জীবনমুক্তি হলে ভিতরে এত প্রবল ও স্বচ্ছ শান্তির অনুভূতি হয় তাকে বিরক্ত করতে পারে না।
ভেবো না যে জীবনমুক্ত মাস্টারদের কোনো দুঃখ নেই। মন এত সুবিশাল যে মন এক নগণ্য অংশ। তোমার ক্ষেত্রে তোমার কাছে দশ একর মন থাকলে, সমস্ত দশ একর একটা চিড়িয়াখানার মত। একজন জীবনমুক্ত মাস্টারের কয়েক লক্ষ একর জমি আছে, কিন্তু তাতে কেবল দশ একর চিড়িয়াখানা। কোটি কোটি একরের মধ্যে যদি দশ একরে কিছু নড়াচড়া হয়, তুমি কি জানতে পারবে? না! মন নগণ্য। সেটা কাৰ্যতঃ প্ৰায় সাধারণ মানুষ অনুভব করে 'আমি একটা দেহ' কিন্তু এক জীবনমুক্ত সত্তা অনুভব করে, 'আমি এই দেহটাও'।
এটা এই নয় যে 'আমি দেহ' ধারণা মুছে যায়। সেটা শুধুমাত্র প্রসারিত হয়ে যায় -'আমি এই দেহটাও'।
১৮) শক্তির প্রাকৃতিক প্রবাহকে দেহের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হতে দেওয়া
জীবনমুক্তি হল, কোন প্রতিরোধ ছাড়াই শক্তির প্রাকৃতিক প্রবাহকে মটরের সাথে মিশিয়ে ব্যবহারিক রাস্তায় দিক পরিবর্তন করে তুমি কেলেছ। যে ব্যক্তি জীবনমুক্তিকে বেছে নেয়, তার পক্ষে রুটিন কার্যের থেকে নতুন জ্ঞান লাভ করা সেটা ঘটে। এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধি।
জীবনমুক্তির ধারণায় আসক্তি
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM বলেন খুব কমই জীবনমুক্তির চড়ান্ত অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। যারা করেন, তারা জীবনে জীবনমুক্তি সম্পর্কে কিছু ধারণা ঘটান। সেই ধারণার ভিত্তিতে যে কার্যকে সঠিক ভাব, তা বেছে নাও।
যখন তুমি সর্বদাই জীবনমুক্তির পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া বা জীবনমুক্তির থেকে আলাদা থাকতে চাও, তখন তোমার জীবনমুক্তি সম্পর্কে ধারণা ও লোভ নির্মিত হয়। জীবনমুক্তির বাহ্য গুণমান ও শক্তি দেখে।
সেটা জীবনমুক্তির জন্য আসক্তি নয়। THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM বলেন, তিনি জানেন জীবনমুক্ত কে, এবং তিনি প্রমাণ জারকীকে একটা স্বর্ণ-সিংহাসন দেবে। তুমি কেবল সেই মানব মিশ্রণকে বানিয়ে রাখ। তুমি কেবলমাত্র জীবনমুক্তিতে আসক্ত হতে পার না।
তুমি জীবনমুক্তির প্রতি কিভাবে আসক্ত হবে? জীবনমুক্তির ওপরে তোমার এখন যা কিছু ধারণা আছে তা জীবনমুক্তি নয়, সেগুলি জীবনমুক্তি 'সম্পর্কিত' ধারণা। জীবনসুরক্ষিত সম্পর্কিত তুমি ছেড়ে জীবনসুরক্ষার দিকে যাও। তুমি কখনই সেই ধারণাতে আসক্ত হতে পার না।
যদি স্পষ্ট করে বোঝা, জীবনমুক্তি সম্পর্কে তোমার ধারণা বিশুদ্ধ নয়, তবে তোমার জারক বিদ্যসিক রুটে রূপান্তর হবে। জীবনমুক্তি সম্পর্কে তোমার স্বচ্ছতর ধারণা চাই। আধ্যাত্মিক রচনা পড়, мастеров কথা মনন কর। জীবনমুক্তি সম্পর্কে একটা স্বচ্ছ ধারণা পাও।
জীবনমুক্তি সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণাটি হল জীবনমুক্তি! কারণ কিছু সময় পরে, একবার মাস্টারের সাথে লড়াই করা যখন তুমি বন্ধ কর, তিনি তোমাকে যা বলেন তা এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু হয়ে যায়। যখন যোগাযোগ সংযুক্ত হয়, তাঁর প্রকাশিত সমস্ত কথা সরাসরি তোমার অভিজ্ঞতা হয়ে যায়। তাই এক স্বচ্ছতর মন মুক্তি সৃষ্টি করে। জারক জারকতার জীবনসুরক্ষার দিকে নির্দেশ্য বাদ দেয় এবং আসক্তি মুছে যাবে।
১৯) সজাগ হওয়া, করা ও সমর্পণ করা
সজাগ হওয়া, সঠিক কার্য করা এবং ঈশ্বরের সামনে সমর্পণ করা - জীবনমুক্তি বলতে বোঝায়। যতক্ষণ তুমি এই তিনটিকে আলাদা কর তুমি জীবনমুক্ত হও নি। যখন তুমি উপলব্ধি কর যে এই তিনটি জিনিষ এক, এই তিনটি জিনিষ্ঠ একইসাথে ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে ঘটে, তমি জীবনমুক্ত হয়েছ। যখন তুমি সজাগ থাকো, তুমি সর্বদাই সঠিক কার্য করবে!
২০) পরমানন্দ ছাড়িয়ে
'সর্বদা তৃপ্ত থাকা' এক জীবনমুক্ত মাস্টারের প্রধান ছাপ। যখন তুমি সেই ছাপ দেখ, তুমি তাকে 'আনন্দ' বা 'সুখ' বলে বোঝা। তোমাকে সত্য বলছি, আমি নিজে নিজেকে এক আলাদা আনন্দময় সত্তা বলে অনুভব করি না। আমার মধ্যে অসাধারণ কিছু খুব গভীর ভাবে (বৈকালিকভাবে) ঘটছে। কোন বাইরের ব্যক্তি সেটাকে 'আনন্দ' বলে অনুভব করে। প্রকৃতপক্ষে সেটা 'আনন্দ'-ও নয়। এটা একটা গুণমান যাকে বর্ণনা করা যায় না, যাকে মন দ্বারা ধারণা করা যায় না।
২১) অভিজ্ঞতাকারীর একীভবন
এখন অবধি তুমি তিনটি ভিন্ন জিনিষ - মন, বর্ণনাকারী, বর্ণন এবং বিশিষ্ট (যাকে বর্ণনা করা যায়)। তুমি এই বইটা এখন পড়ছ। তুমি পড়ছ, তাই তুমি অভিজ্ঞতাকারী: অভিজ্ঞতা হল বইটা পড়ার; আর অভিজ্ঞিত হল বইটা, যাকে তুমি অভিজ্ঞতা করছ। যখন তুমি জীবনমুক্ত হও, এই তিনটিই - অভিজ্ঞতাকারী, অভিজ্ঞতা ও মালিকিত, এক হয়ে যায়। তুমি এক অভিজ্ঞতাকারী যে নিজেকে অভিজ্ঞতা করছে, আবার তুমিই সেই অভিজ্ঞিত!
১) - শরীরের - কাঠামোতে - মহাবিশ্বের বিশঙখলা উপভোগ করা
এখন পর্যন্ত তুমি তোমার শরীরের কাঠামোতে বিশঙখলাকে, মহাবিশ্বকে ধরে রাখার জন্য যথেষ্ট পরিণত নও। তোমাকে মহাবিশ্ব ঠিক যেমন আছে তাকে তেমনিভাবে গ্রহণ করতে অসমর্থ। তোমার শরীরের ছয় ফুট কাঠামোটা বিশ্বঙ্খলা যেমন আছে তেমনিভাবে ধরে রাখার জন্য, অভিজ্ঞতা করার জন্য ও উপভোগ করার জন্য যথেষ্ট পরিণত নয়।
জাগ্রত দেহ, মন ও মস্তিষ্ক সহকারে যা আছে তাকে সেভাবে অভিজ্ঞতা করার জন্য সমন্বয়পূর্ণ করে রাখা হল জীবনমুক্তি জীবনযাপন।
তার জন্য দেহ, মন ও মস্তিষ্ককে তৈরি হতে হবে। দেহকে নিজ্যাত্নন মন প্রক্রিয়া দ্বারা তৈরি করা যায়।
মন এক সফট্ ওয়ারের মত। তাতে আছে সচেতন মন ও অচেতন মন। সঠিক শিক্ষা দ্বারা, ভুল ধারণা অপসারণ দ্বারা এবং স্পষ্ট ও সঠিক ধারণা আত্মভূত করা দ্বারা সচেতন মনকে শোধিত করা যায়। অচেতন মনকে ধ্যান প্রক্রিয়া দ্বারা শোধিত করা যায়।
কিন্তু ভবিষ্যতে, মেরুদণ্ড আদিবাসী পরিবর্তন হবার জন্য, হার্ডওয়ারকেও পরিবর্তন হতে হবে। জীবনসুরক্ষার ভাল দিককারক ধরে রাখার জন্য ও বিকিরণ করার জন্য তোমার মুখিকন খাঁজগুলিকেও পরিবর্তিত হতে হবে। সেটা হতে পারে দীক্ষা দ্বারা, মাস্টারের স্পর্শ দ্বারা। ফোঁকা হুন মনমণি মুক্তিকে মধ্যবিষয়ে করা এবং তারপরে তোমার বিভিন্ন মাত্রাগুলি জাগ্রত হতে শুরু করবে।
২) দ্বন্দ্বমুক্ত জীবনযাপন করা
জীবনমুক্ত হয়ে বিরোধিক জীবন বা কোশর্যব কোন সম্পর্ক নেই। সেটা কেবল এক দ্বন্দ্ববিহীন জীবনযাপন করা যেখানে তোমার কার্য ও জ্ঞান তোমার বাসনাগুলির সাথে সুরে বাঁধা।
৩) চিন্তাসংখ্যার হ্রাস হওয়া
কোন কিছুকে কখনও করা কোনো উপায় নয়, সর্বনাশীল কর্মফল বিনাশ না হয় - জারকর বাটন সম্পূর্ণভাবে মধ্যভূমি থাকলে সেটাই জীবনমুক্ত জীবনযাপন। যখন তোমার সমস্ত কার্য চিন্তা বিনাই করতে পারছ, তখন তুমি জীবনমুক্ত হয়েছ।
৪) সত্ত্বতে কেন্দ্রিত হওয়া
'মন' বা মকাবণ্যক মনটিকে (কম্পিণে) থেকে তুমি সুন্দরভাবে ও অনায়াসে তোমার কার্য নির্বাহ করতে সক্ষম হবে - তোমার পেশা, তোমার ব্যবসা, তোমার সম্বন্ধতা, তোমার মানব জীবনের সাথে। মনাবাণ্যক বর্ণিক ক্রিকেট (শ্রদ্ধ কম্ফি মনকিষ্ঠূর বিকাশনা করবে। তাকেই আমি বলি জীবনমুক্তি - বেঁচে থাকাকালীনও তমি এক মক সত্তা।
৫) মুখিক্তন ব্যাপক বিশ্বস্তারক আচরণ করা
সত্ত্ব বা সকারাত্মক শক্তিতে কেন্দ্রিত থাকলে 'জীব' সম্পর্কে তোমার স্পষ্ট ধারণা হয়। 'জগৎ'-এর সাথে কিভাবে সম্বন্ধতা করতে হবে, সেটা সম্পর্কে তোমার স্পষ্ট ধারণা হবে। জীব ও জগৎ-এর সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা হবার জন্য তুমি স্বভাবতই পৌঁছে যাবে উৎস বা ঈশ্বরে।
সেই বোধগম্যতা তোমাকে সম্পষ্টতা প্রদান করবে। সেই স্পষ্টতা তোমার মস্তিষ্কের অযান্ত্রিক অংশকে স্বতক্ষলভাবে জাগ্রত করবে। সেই জাগরণ ঘটলে তোমার রুটিনে এক বিশ্বাসা ঘটা শুরু হবে। নিজে থেকেই তোমার রুটিনে পুনর্বিন্যাস হতে আরম্ভ করবে। কেবল তার সাথে সহযোগিতা কর। তাকেই আমি বলি প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়।
৬) জাগরণের সাথে সহযোগিতা করা
যদি তুমি তোমার মধ্যে ঘটা এই নতুন উচ্ছাসের সাথে সহযোগিতা না কর এবং যদি তুমি নিজের ওপরে সেই পুরানো নীরস রুটিন কাভার কর, তাহলে তুমি নিজেকে সেই আগের পুরানো মানুষটির কাছে, আগের নিস্তেজতার কাছে, আবার নিয়ে যাবে। তোমার মধ্যে ঘটা জাগরণের সাথে সহযোগিতা করলে তুমি শিষ্য হও বা জীবন মুক্তি নিয়ে বাস কর।
৭) মহান সত্যগুলি নিয়ে বাস করা
জীবনমুক্তি সঠিক শব্দ। যখন তুমি এই দর্শন মনটিকে নির্দেশ দিয়ে বাস কর রূপি পরমজ্ঞানালোকপ্রাপ্ত হয়েছ, ব্যাস।
লোকেরা ভাবে যে জীবনমুক্তি পাওয়া অর্থ সমস্ত দায়িত চলে গেছে এবং তোমাকে আর কিছুই করতে হবে না। তারা ভাবে সে টা এক লম্বা ছুটি এবং তুমি কেবল বেলাভূমিতে শুয়ে থাকতে পার এবং কিছুই করার প্রয়োজন নেই।
তুমি কি চাও এবং তোমার জীবনে যা কিছু পাও নি, সেগুলি সম্পর্কে তোমার অনেক অতিকল্পনা থাকে। তুমি সেগুলিকে অভিক্ষেপ কর ও সেগুলিকে জীবনমুক্তি হিসাবে দেখ। স্বর্গ সম্পর্কে তমি তোমার নিজের ধারণাকে অভিক্ষেপ কর ও ভাব যে সেটাই জীবনমুক্তি। 'জীবনমুক্তি পাওয়া' এক ভুল কথা, 'জীবনমুক্ত জীবনযাপন' ঠিক কথা।
তোমাকে সত্যসকল সহকারে বাস করতে হবে। দর্শন মনটিকে নির্দেশ দিয়ে জীবনযাপন করা হল জীবনমুক্তি। মাস্টার তোমাকে জীবনমুক্তি হাতে পাইয়ে দিতে পারেন না। সেটা আলাদা কোন জিনিষ নয় যা তিনি দিতে পারেন। তিনি কেবল তোমাকে তোমারে জীবনমুক্তি অভিজ্ঞতা করার জন্য হাতিয়ার বা সাধনী দিতে পারেন। তিনি কেবল পথ দেখাতে পারেন। তোমাকে সেই সত্যগুলি সহকারে বাস করা তাদের অভিজ্ঞতা করতে হবে।
জীবনমুক্তি মানে এই নয় যে কর্মি তোমার দেহ ছেড়ে চলে যাবে ও মারা যাবে। না! তুমি এমন এক কেন্দ্রে বাস করবে যা পঞ্চ ইন্দ্রিয়াদক বিকৃত ক'রে দেয়, কিন্তু ভক্ত রেসিয়ান কগনিটিভ শিফট। এটাই আদম বদ জীবিমুক্ত।
আন্তরিক চাহিদা চাই, অন্য কোন যোগ্যতা নয়
লোকেরা আমায় জিজ্ঞাসা করে, 'শিষ্য যোগ্য হোক কি না হোক, মাস্টার চাইলে কি তাকে জীবনমুক্তি দিতে পারেন?'
একজন জীবনমুক্ত মাস্টার যে কোন মানুষকে কেবল এক স্পর্শ দ্বারাই জীবনমুক্তি দিতে পারেন - কেবল স্পর্শ নয়, কোন ব্যক্তি কিলান যাথা কিনা কিছুও প্রয়োজন নেই। তিনি যে কোন মানুষকে মুক্তি দিতে পারেন।
এই পৃথিবীতে সবচেয়ে মহান ঘটনা হল এক জীবনবদ্ধ সত্তা এক জীবনমুক্ত সত্তার সাথে বসে আছে ও জীবনমুক্তি প্রাপ্ত করছে।
মাস্টার সহজেই জীবনমুক্ত শারীরবত্তির সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে পারেন। যখন তুমি সম্পূর্ণকরণ কেন্দ্রে থাক, তখন জীবনমুক্তি সহজেই ডাউনলোড করা যায়। তোমার শরীর শেখে যে শরীর এখনকার চেয়ে ভাল হতে পারে। তোমার যেন কেবল বিকির্ত্ব মুখ্যন শিক্ষকপ্রাপ্ত করে।
জীবনমুক্ত মাস্টার বুদ্ধের জীবনের এক ছোট গল্প :
বুদ্ধকে 'আপনি কেন সবাইকে জীবনমুক্তি প্রদান করেন না?' তিনি বলেছিলেন, 'দয়া করে গ্রামে গিয়ে জিজ্ঞাসা কর কে জীবনমুক্তি চায়। তাদের আমার সামনে নিয়ে এস এবং আমি তা দেব।'
সেই ব্যক্তিটি সারাদিন গ্রামে কে জীবনমুক্তি চায় তা জানার জন্য জিজ্ঞাসা করতে লাগল। সে সন্ধ্যাবেলা বুদ্ধের কাছে ফিরে এল। বুদ্ধ বললেন, কি হল? (কেউ জীবনমুক্তি চায় না, তাই কি?'
ব্যক্তিটি একটু আনন্দের সাথে বলল, 'না, না, দুই জন জীবনমুক্তি চায়।' বুদ্ধ বলেন, 'ঠিক আছে, তাদের এক্ষুনি নিয়ে এস। আমি তাদের জীবনমুক্তি দেব।'
ব্যক্তিটি খুব দুঃখ নোটক করে বলল, 'না, তারা এখানে আসতে চায় না। যদি আপনি সেটা তাদের জায়গায় পাঠিয়ে দেন, তারা তা নিয়ে নেবে!'
প্রকৃত অর্থে কেউ জীবনমুক্তি চায় না! তারা কেবল সেটাকে একটা উপযোগিতা বা সাজিয়ে রাখার জিনিষের মত দেখে!
বোঝ, ঈশ্বর তোমাকে বন্ধনে থাকার জন্য জোর করে না কারণ স্বাধীনতা তোমার জন্মগত অধিকার। তোমার ওপরে জোর করা যায় না। যদি তা জোর করা হয়, সেই স্বতন্ত্রতাও এক বন্ধন হয়ে যাবে।
দুটি জিনিষ আছে, যোগ্যতা ও চাহিদা।
জীবনমুক্ত হবার জন্য কোন যোগ্যতার প্রয়োজন নেই, কিন্তু গভীর অনুভূতি, আন্তরিক কারিয়া বা 'বাসনা যা কার্য', লাগার প্রয়োজন।
দয়া করে স্পষ্ট করে বোঝা, আমারও সব সমস্যাগুলি ছিল যেগুলি এখন তোমাদের আছে, যেমন অস্তিত্বকে বিশ্বাস না করতে পারা বা নিজেকে বিশ্বাস না পারা। আমারও ঘরে মন মতামতগুলি ছিল। আমি কেবল বলতে পারি যে জীবনমুক্তির জন্য কোন যোগ্যতার প্রয়োজন নেই। কারোর জীবনমুক্ত হবার জন্য তার কোন যোগ্যতার প্ৰয়োজন নেই।
এটা যেন লটারী জেতা! কেউ কি বলতে পারে, 'আমি একটা লটারী পাবার জন্য কাজ করেছি, আমি টিকিট কিনেছি, তাই আমি লটারী পাবার যোগ্য'? না! ১০ কোটি ডলারের লটারীর জন্য যোগ্যতা কি? তোমাকে কেবল একটা টিকিট কিনতে হবে, ব্যাস! যে কাজ তুমি করলে তা ফলাফলের চেয়ে অনেক ছোট। তোমার প্রচেষ্টা ফলাফলের সমান নয়। তাই জীবনমুক্তি সর্বদাই এক লটারীর মত। আধ্যাত্মিক পথে তোমার সমস্ত প্রচেষ্টার চেয়ে তোমার অভিজ্ঞতা অনেক অনেক বেশী হয়।
একবার বাল্মীকি গাছতলায় বসে ছিলেন, যখন নারদ তাঁকে দেখতে এসেছিলেন। তিনি নারদকে জিজ্ঞাসা করলেন, 'আমি কিভাবে জীবনমুক্ত হব?' নারদ বললেন, 'বাল্মীকি, তুমি এত বছর ধরে রামায়ণ রচনা করেছ, সেটা যথেষ্ট।' বাল্মীকি বললেন, 'আমি কিভাবে বিশ্বাস করতে পারি যে এর মাধ্যমে আমি আলোকিত হব? আমি তো এত কিছু করেছি, আমি সৎ জীবনযাপন করেছি, আমার এত সৎ উদ্দেশ্য थाकिल, कया वास्विगि गनि निविलेकिता मनिवाणत? তিনি বললেন, যাই কর না কেন, তা কেবল লটারীর টিকিট কেনা। যে ব্যক্তি লটারীর টিকিট কেটেছে, সে বলতে পারে না যে সে তার কঠিন শ্রমের জন্য লটারী জিতেছে।
দক্ষিণ তিরুভান্নামালাইতে শিব অরুণাচল নামে এক ব্যক্তি ছিলেন। রমানা মহার্ষি সেই অরুণাচলের মহিমার এক সুন্দর গান গাইতেন। তিনি গাইতেন, 'আমি আমাকে নিলামে জিতল? কে বেশী বুদ্ধিমান? '
নিজেকে বিক্রি করে বা প্রদান করে জীবনমুক্তি পাওয়া যেতে পারে। নিজেকে প্রদান করে দেওয়া, তুমি যা পাও তার সমতুল্য নয়। এখানে তোমার কোনো প্রচেষ্টা বা মূল্য নেই।
সেটা ঘটার পরে, তুমি বুঝবে যে পুরো রূপান্তরের ফল এত বড় ও মহান হবে যে তুমি কোন কারণ খুঁজে পাবে না কেন তোমাকে তার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে, কেন তা তোমার ওপরে বর্ষিত হয়েছে! কোন যোগ্যতার দরকার নেই, কিন্তু আন্তরিক চাহিদা ও অন্যেমণ প্রয়োজন। পরিপূর্ণতা সর্বদাই একটা উপহার। একটা উপহার পাবার জন্য যোগ্য হওয়া বলে কিছু নেই।
জীবনমুক্তি অত্যাকাঙ্কাকে অত্যাবশ্যক হতে হবে।
জীবনমুক্ত মাস্টার রামকৃষ্ণ পরমহংস বলতেন, 'ধর, তুমি দারিদ্র্যে বাস করছ, কোন খাদ্য ও কাপড ছাড়াই মরণাপন হয়েছ। কিন্তু যে করেই হোক, তুমি জান যে পাশের ঘরে অনেক ধনসম্পদ তালাবদ্ধ করে রাখা আছে। যদিও তমি তা নিয়ে নাও, কেউ জানতে পারবে না। তুমি কি শান্তিতে ঘুমাতে পারবে? হয় তুমি দরজা খোলার চেষ্টা করবে অথবা দরজাটা ভেঙে ফেলবে। যতক্ষণ না পর্যন্ত সেই সম্পদ তমি তোমার নিয়ন্ত্রণে না নিয়ে আসছ, তমি ঘুমাতে পারবে না।'
তুমি এখন আধ্যাত্মিক দরিদ্রতায় আছ। তোমার অটেল ধনসম্পদে ভরা ঘর তালাবদ্ধ করা আছে। লড়ে যাও, দরজার সামনে নাছোড়বান্দা হও, লড়ে যাও। প্রগাঢ়তা, সেই মেজাজ এক মৌলিক প্রয়োজনীয়তা। তার সাথে অন্ধেষণ তোমার সমস্ত জীবন রূপান্তরিত করে ফেলতে পারে।
তোমার উৎসর্জন যথেষ্ট শক্তিশালী এবং তা করবে।
কিছু জিনিষ জানতে হবে, কিছু জিনিষ সরাতে হবে। তোমাকে প্রগাঢ় অন্ধেষণ যোগ করতে হবে। যা কিছু প্রয়োজনীয়, যা সত্য এবং জীবনমুক্তি ঘটবে!
কমশ বনাম অকমাৎ জীবনমুক্তি
আমি বলতে পারি যে সমস্ত প্রধান আধ্যাত্মিক প্রথাগুলিকে দুই শ্রেণীতে ভাগ করা যায়। সেখানে এক স্পষ্ট ও স্বচ্ছ পথ থাকে যা পাঁচটি নিয়মানুবর্তিতা - যম (শঙখলা), নিয়ম (স্ব-শৃঙ্খলা), আসন (শারীরিক ভঙ্গি), প্ৰাণায়াম (শ্বাসপ্রশ্বাস) প্রত্যাহার(অপসারণ)। সেটা সাধারণ মনকে আকর্ষিত করবে। তুমি শুরু করতে পার এবং ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে পার। এটা শুরু করা সোজা কিন্তু শেষ করা শক্ত, অর্জন করা কঠিন।
অন্য প্রথা তোমাকে সরাসরি অভিজ্ঞতা প্রদান করবে, বিশেষত শিব প্রদত্ত 'শিব-সুত্র'। এগুলি হল প্রক্রিয়া এবং তোমায় সরাসরি জীবনমুক্তি দিতে পারে। কিন্তু শুরু করা কঠিন কারণ তুমি কিছুই বুঝতে পার না।
সময় তোমাকে প্রগাদক পে সজাগ হতে হবে এবং তুমি জীবনমুক্ত হয়ে যেতে পার! কার্যত তোমাকে জীবনমুক্তি দিতে পারে! তুমি কিভাবে তা বিশ্বাস করতে পার? যুক্তিগতভাবে তুমি সন্তুষ্ট হতে পার না, যুক্তি দিয়ে বুঝতে পার না।
কিছু পদ্ধতি আছে, কিছু প্রক্রিয়া আছে, যেমন শিব-সূত্রে দেওয়া আছে। এই অকস্মাৎ জীবনমুক্তি জন্য এক জিনিষ হল সাহস এবং অস্তিত্ব বা তোমার মাস্টারের সাথে অনভিতর সংযুক্তি।
এমনকি তিব্বতীয় বৌদ্ধদের 'বার্দো'-র ধারণা আছে - জন্ম ও মৃত্যুর মধ্যবর্তী অবস্থা, যেখানে জীবনমুক্তির সম্ভাবনা খুবই বেশী।
ক্রমণ জীবনসুরক্ষিত প্রথাগুলি আমাদের নিঃসন্দেহে অনেক অবদান করেছে। নতুন অন্ধেষণকারীদের জন্য শুরু করার জন্য সেটা সত্যি। কিন্তু এখানে 'ক্রমণ পথ'-এও বিপদ আছে। সেগুলি তোমাকে চুড়ান্ত ব্যহভেদ, চুড়ান্ত উন্মুক্ততা প্রদান নাও করতে পারে কারণ আধুনিক মন খুব শীঘ্রই ক্লান্ত হয়ে যায়। আধুনিক মন হল ইনস্ট্যান্ট কফির মত!
তুরিত বা আকস্মিক জীবনমুক্তির পদ্ধতিগুলি উত্তম কারণ সেগুলি তোমাকে তখন তোমার বহু সংশয় ও সমস্যা থাকবে না। তোমার সমস্যা হল এই প্রকার সন্দেহ।
বাস্তশাস্ত্র বিজ্ঞান, শিক্ষাব্যবস্থার অনন্য গুরুকুল, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত পরম্পরাগত সকল অনুষ্ঠান - জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিটি কার্য ছিল মহান সন্তদের জীবনমুক্তির প্রকাশ ও জীবনমুক্তি পাবার উপায়।
ভারতবর্ষ - আধ্যাত্মিক ইনকিউনেটর
ভারতবর্ষ জীবনমুক্ত মাস্টারদের এক আধ্যাত্মিক অকালজাত শিশুর জন্য একটি ইনকিউবেটর চাই যেখানে সঠিক বাতাবরণ, অক্সিজেন. খাদ্য, তাপমাত্রা পরিচালনা করা যায় এবং সেই শিশুর যত্ন করা যায় যতক্ষণ না সে নিজে বাঁচতে পারে।
একইভাবে একজন জীবনমুক্ত সত্তার জীবনমুক্তিকে পূর্ণরূপে প্রকাশ ও পথ্যীবাসীদের শেয়ার করার জন্য একটি ইনকিউবেটর চাই। ভারতবর্ষ এক ইনকিউবেটর এক বিশ্ববিদ্যালয়। তার প্রতিষ্ঠান বিশ্বাস করে জীবনমুক্ত সত্তাবে প্রতিপালন করে কারণ প্রাচীন ভারতের সামাজিক গঠন একমাত্র অন্তর্জগতের গবেষণা ও জীবনমুক্তির জন্য সুষ্টি করা হয়েছিল।
ব্যক্তিগত অথবা পেশাগত, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্র ছিল একমাত্র চড়ান্ত অবস্থা অর্থাৎ জীবনমুক্তিকে অভিজ্ঞতা করার জন্য। আজ পর্যন্ত হিন্দু সমাজ জীবনমুক্তির বীজ পরিপুষ্ট করা ও জীবনমুক্ত সত্তাদের প্রতিপালন করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত।
সময় পরিক্ষিত চড়ান্ত শক্তি
পথীগ্রহে কোনও দর্শনশাস্ত্র, কোন সিস্টেম, কোন তত্ত্ব, কোন ভাবাদর্শ এক প্রজন্মের বেশী টেকে না যদি না সেটা জীবনমুক্তিতে ভিত্তি না করে থাকে, যদি না তার মধ্যে কোন জীবনমুক্ত সত্তার অনুপ্রেরণা না থাকে।
ভাষাহীন জানোয়ারের রাজ্যেও বিভিন্ন মতবাদ ছিল। ৩০০০ রাজা রাজত করেছেন। যে রাজা বা রাজ্যকে THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM গাইড করেন নি, সেই রাজা বা রাজ্য কখনও উন্নতিলাভ করতে পারে নি।
এমনকি যদি তুমি আজকেও দক্ষিণ ভারতের গ্রামে গ্রামে যাও, তুমি জীবনমুক্ত সত্তাদের মন্দির গুলিকে দেখতে পাবে। কিন্তু সেই সময়ের রাজাদের নির্মিত রাজপ্রাসাদগুলি আর বিদ্যমান নেই।
বুঝে নাও, একই রাজা ও একই স্থপতি যারা জীবনমুক্তির শক্তিকে ধরে রাখার জন্য মন্দির নির্মাণ করে, তারাই রাজার বাসস্থানের জন্য রাজপ্রাসাদ নির্মাণ করেছিল। কেউ ভাবতে পারে, রাজা তার নিজের প্রাসাদের জন্য বেশী ভাল সামগ্রী ব্যবহার করে থাকবে। কিন্তু আজ মন্দির গুলি আজও দাঁড়িয়ে আছে আর রাজপ্রাসাদগুলি সময়ের সাথে অদৃশ্য হয়ে গেছে।
কারণ তিরুভান্নামালাইতে আমার জন্ম ও বাল্যকাল কাটে। সেখানে এক ২৫ একর জমিতে স্থাপিত এক মন্দির আছে। একই রাজার নির্মিত প্রাসাদ আর নেই, কেবল তার ধরংসাবশেষ আছে।
जीवनमूकि रल न्नुजन-वन्द्र वानावश्राय थावग
পরবর্তী চারটি অধ্যায়ে ও পরে বর্ণিত ধ্যানপ্রক্রিয়াগুলিতে আমি তোমাদের আমাদের আলোচিত সত্যসকলকে অভিজ্ঞতা করার পথ প্রদর্শন করব। কেন?
আমরা এসেছি। সমস্ত বোধগম্যতা কেবল তত্ত্বীয় থেকে যাবে যদি না তাকে ব্যবহারিক করা যায়।
জীবনের প্রকৃত লক্ষ্য কি?
তোমার জীবনে চূড়ান্ত লক্ষ্য কি?
আরও উপার্জন করা?
সর্বদা যুবা, স্বাস্থ্যবান ও সুন্দর থাকা?
আরও ভাল, আরও দীর্ঘস্থায়ী সম্বন্ধতা পাওয়া?
তোমার ব্যক্তিত্বের উন্নতিসাধন করা?
যুক্তি-তর্কবাদ বিতর্কিত থেকে যাবে। ব্যবহারিক জ্ঞান না থাকলে শান্তি থাকবে না।
কিন্তু প্রতিটি লক্ষ্যই কোন ব্যতিক্রম বিনা একই জিনিষ নির্দেশ করে : আনন্দে থাকা বা সুখী হওয়া। কেই কি বলতে পারে, 'আমি সুখী হতে চাই না, আমি পরিপূর্ণ হতে চাই না?' না!
বাসনা কিন্তু আমরা বিভিন্ন উপায়ে খুঁজছি। উপায়গুলি যতই যুক্তিবাদিক বা যতই অলীক কল্পনা প্রকাশ করি না কেন, আমরা সবাই পরমানন্দ খুঁজি। কেন আমাদের বাসনাগুলি ভিন্ন?
কিন্তু সাধারণ মানুষ সচেতন নয় যে আমাদের সত্য লক্ষ্য হল পরমানন্দ! যেহেতু আমরা অনবহিত, আমরা পরমানন্দকে আমাদের বাইরে অন্ধেষণ করি। বাইরের একজন সাধারণ মানুষ তাই বিভিন্ন জিনিষকে রূপ খুঁজে বেড়ায়। যা আমাদের ভিতরেই আছে, তাকে তো কেবল আবিষ্কার করতে হবে।
একটা ছোট গল্প :
এক ব্যক্তি তার আঙ্গিনাতে কিছু একটা ভীষণভাবে খুঁজছিল। তার স্ত্রী জিজ্ঞাসা করল সে কি খুঁজছে। সে বলল একটা স্বর্ণমুদ্রা পড়ে গেছে। তার স্ত্রীও সেই খোঁজে লেগে গেল। শীঘ্রই অন্যেরা
একসাথে হল এবং বাস্তবিকভাবে প্রতিবেশীগণ সেই মুদ্রাটিকে খুঁজতে লাগল।
হঠাৎ একজন প্রতিবেশী তাকে জিজ্ঞাসা করল, 'তুমি নিশ্চিত যে তুমি সেটা এখানেই হারিয়েছ?' কিভাবে হয় যে আমরা এখন অবধি সেটাকে খুঁজে পেলাম না?'
ব্যক্তিটি উত্তর দেয়, 'ওহু, আমি মুদ্রাটি ঘরের ভিতরে হারিয়েছি।'
তারা জিজ্ঞাসা করল, 'তাহলে আমরা এখানে খুঁজছি কেন?'
ব্যক্তিটি উত্তর দিল, 'সমস্যা হল ঘরের ভেতরে আলো নেই। তাই আমি এখানে রাস্তার আলোয় খুঁজতে শুরু করেছি। '
আমাদের জীবনেও আমরা ঠিক একই জিনিষ করি। আমরা সবাই ভুল জায়গায় উত্তর খুঁজি। আমরা মনে করি পরমানন্দ খুঁজি, টাকাপয়সা, ক্ষমতা, সম্বন্ধতা, মতাদর্শ, কিন্তু আমরা একটা সুস্পষ্ট দিকে যাই না - অন্তর্দেশে।
পরমানন্দ কি?
জীবনে সবাই কিছু মুহূর্তের বিরাট সুখ অনুভব করে। কিন্তু যা সর্বদা একইরকম থাকে না। বাজে মুহূর্তে মুক্ত অনুভূতি কিন্তু তাতে দুটি বিরক্তিকর গুণমান আছে : অনুভূতি স্থায়ী হয় না এবং সেটা কোন কারণ বা হেতুর ফলাফল। তুমি খুশী কারণ তুমি কিছু কিনেছ; তুমি খুশী কারণ তুমি কোন রোগ থেকে নিরাময় পেয়েছ;
তুমি খুশী কারণ তুমি নতুন কিছু কিনেছ।
কিন্তু সুখ স্থায়ী হয় না। যা ক্ষণস্থায়ী এবং যখন সেটা পরিবর্তিত হয় বা চলে যায়, তুমি আবার বেদনা অনুভব কর। কেবল যে সুখ কারণ বিনাই তুমি অভিজ্ঞতা কর, যেটা কোন কারণের জন্য চলে যায় না, সেটাই প্রকৃত এবং স্থায়ী সুখ। সেটাকে বলে পরমানন্দ। এইপ্রকার সুখ তোমার বাইরের কোন জিনিষের ওপরে নির্ভর করে না।
'আনন্দ' শব্দটির অর্থ 'যাকে কমানো যায় না, যাকে হারানো যায় না'। 'সুখ' বলা যায় না। আনন্দের থেকে সুখ খুব ছোট। কারণ সুখ হল 'যাকে কমানো বা হারানো যায় না'। পরমানন্দ হল সেই জিনিষ যা কোন কারণেই কমে যায় না।
ধ্যান কি?
আকাশের সাথে সম্বন্ধ রাখা - একমাত্র উপাদান যা চৈতন্যকে প্রতিফলিত করে
ধ্যান হল মুক্তিপথ, শ্রেষ্ঠত্বের পথ। এটা হল তোমার স্বাভাবিক অবস্থা, তোমার পরমানন্দের স্বাভাবিক অবস্থা। রমণে হল ভবতের কৈজন্মান সাথে সংযোগ স্থাপন করা।
দ্যাখ, বিশ্বব্রহ্মাণ্ড পাঁচটি উপাদানে (পঞ্চভূত) গঠিত - ক্ষিতি, অপ, তেজ, মরুৎ ও ব্যোম। ক্ষিতি (পথ্যী), অপ (জল), তেজ (অগ্নি), মরুৎ (বায়ু) ও ব্যোম (আকাশ)। একইভাবে আমাদের শরীর বা ক্ষুদ্র জগৎও একই রকম। সুতরাং, এই শরীরের মাধ্যমে, ভক্তির মাধ্যমে, কেন্দ্রের মাধ্যমে, সম্পূর্ণরূপে স্থাপন করে আমরা জীবন ধারণ করি। উপাদানের সাথে সম্পর্কতা স্থাপনা করে ক্ষুদ্র -জগৎ নিখিল-জগৎকে অভিজ্ঞতা করতে পারে।
ক্ষিতি অর্থাৎ পথিবী উপাদানের মাধ্যমে নিখিল বিশ্বের সাথে সম্পর্কিত হওয়া হল মূর্তির মাধ্যমে বিশ্বকে পূজা করা। পথিবী উপাদান যেমন মাটি, পিতল, তামা ইত্যাদি দিয়ে বিগ্রহ নির্মিত হয়। তাই তাদের মধ্য দিয়ে পূজা করা হল ক্ষিতি উপাদানের মধ্য দিয়ে উপাসনা করা। অপ অর্থাৎ জল উপাদানের মধ্য দিয়ে সম্পর্কিত করা হল অভিষেক করা, বিশ্বরূপের শান্তি কামনা এবং পবিত্র নদীতে আমাদের স্নান করা। তেজ বা অগ্নি উপাদানের মধ্য দিয়ে সম্পর্ক স্থাপন করা হল হোম ও যজ্ঞের অনুষ্ঠান করা। মরুৎ বা বায় উপাদানের মধ্য দিয়ে সম্পর্ক স্থাপন করা হল মন্ত্রোচ্চারণ করা। ব্যোম বা আকাশ উপাদানের মধ্য দিয়ে সম্পর্ক স্থাপনা করা হল ধ্যান। এই ভাবে আমরা আমাদের ক্ষুদ্র জগৎ তথা নিখিল জগতের সাথে সম্পর্ক স্থাপনা করতে পারি।
এই পাঁচটি উপাদানের মধ্যে একমাত্র আকাশ চৈতন্যকে প্রতিফলিত করতে পারে। চারটি স্থলতর উপাদান পথ্যী, জল, অগ্নি ও বায়ু চৈতন্যের সাথে সম্পর্ক স্থাপনা করতে পারে না অথবা তেজকে প্রেরিত করতে পারে না। একমাত্র আকাশই চৈতন্যকে প্ৰতিফলিত করতে পারে। আর সেই আকাশের শক্তির সাথে সম্পর্ক স্থাপন করাই ধ্যান।
চেতনাকে উন্নীত করার প্রক্রিয়া
যা কোন চেতনাকে উন্নীত করে তা হল ধ্যান।
ধ্যান যে কোন প্রকার হতে পারে। সেটা একটি শব্দকে বারবার বলা হতে পারে অথবা কেবলমাত্র বসে থাকাও হতে পারে। জেন প্রথায় কেবল বসে থাকা হল ধ্যান। তুমি মনে করতে পার সেটা করা সবচেয়ে সহজ কিন্তু আসলে কোন গঠন ছাড়া থাকা হল সবচেয়ে কঠিন ধ্যান। যে কোন জিনিষই ধ্যান হতে পারে যদি তা ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়।
বর্তমানে প্রগাঢ়ব্লপে আনন্দময়
ধ্যান হল মুহূর্ততে আনন্দময় হওয়া। যখন তুমি বর্তমান মুহূর্তে সম্পর্ণরূপে শান্তিতে আছ, তুমি ইতিমধ্যেই ধ্যানাবস্থায় আছ।
তোমার জীবনের কোন মুহূর্ত স্মরণ কর যখন তুমি চরম সৌন্দর্য অভিজ্ঞতা করেছ : একটি সুন্দর সূর্যোদয় অথবা যখন তুমি কোন সন্তার্থের সান্নিধ্যে ছিলে। তুমি সম্পূর্ণরূপে স্থির ও শান্ত ছিলে। সেই মুহূর্তে তুমি আর কিছু ভাবতে পার নি। চিন্তাবিহীন সজাগতায় তুমি নীরব ও স্বচ্ছন্দে ছিলে। তুমি সেই মুহূর্তে সম্পূর্ণরূপে দ্রবীভূত হয়ে গিয়েছিলে। সেই মুহূর্তটি হল ধ্যান!
কয়েক মুহূর্ত পরে তোমার ভিতরের সমালোচক বলে, 'কি সুন্দর সূর্যোদয়!' যেই মুহূর্তে শব্দের উদয় হয়, ধ্যানভঙ্গ হয়! তুমি হয় চিন্তা করতে পার অথবা ধ্যান করতে পার। দুটি জিনিস কখনও একসাথে করতে পার না।
ধ্যান হল কেবল বিদ্যমান থাকা। সেটা হল বর্তমান মুহূর্তকে কোন বাধা না দিয়ে অভিজ্ঞতা করা।
ধ্যান অভিমুখে সঠিক পথ কি?
প্রথম জিনিষ হল, আন্তরিক হও। খোলা মন নিয়ে থাক। পরীক্ষা করার জন্য উন্মুক্ত থাক। অত্যুৎসাহী হও।
জেন প্রথাতে মনোভাবকে বর্ণনা করার জন্য একটা সুন্দর কথা আছে - আরম্ভকারীর মন। তার অর্থ, জীবনের প্রতিটি জিনিষকে নতুন করে দেখা, তাই জীবনের প্রতিটি জিনিষ তোমাকে উদ্দীপনা প্রদান করে।
মিলিয়ন জিনিসের থেকেও, স্বাভাবিক রূপ। ধ্যান বিষয়ে একদম না জানলেও তোমার পক্ষে পরমানন্দ পাওয়া একেবারেই সম্ভব।
একবার এক ব্যক্তি মহান জীবনমুক্ত মাস্টার রামানা মহর্ষির কাছে গেল ও তাঁকে জিজ্ঞাসা করল, 'ভগবান, আমি কি আধ্যাত্মিক জীবনের জন্য যোগ্যতাসম্পন্ন?'
রামানা তাকে একটি প্রশ্ন দ্বারা উত্তর দিলেন, 'তুমি কি জীবন্ত?'
লোকটি অবাক হয়। লোকটি বলল, 'হাঁ, নিশ্চয়ই!'
রামানা উত্তর দেন, 'সেটাই যথেষ্ট। আধ্যাত্মিকতার জন্য ইতিমধ্যেই তোমার আবশ্যক যোগ্যতা আছে?
মানবজীবনের লক্ষ্যই হল জীবনমুক্তি। জীবনমুক্ত হবার সম্ভাবনা 'কুণ্ডলিনী শক্তি'-তে আছে। সেটা হল এক অসাধারণ সম্ভাবনাময় শক্তি যা তোমাকে নিয়ে যাবে চেতনার এক ভিন্ন স্তরে, অস্তিত্বের এক ভিন্ন স্তরে।
কেবল মানব সত্তার মধ্যে ভিন্ন চেতনার সত্তা হবার সম্ভাবনা আছে। পশুদের জীবনমুক্ত হবার সম্ভাবনা নেই, ভিন্ন চেতনার সত্তা হবার সম্ভাবনা নেই।
তৃতীয়টি হল, ক্রীড়াপর (সকৌতুক) হও! জীবনের প্রতিটি উপায়ে হারিয়ে ফেলা। ধ্যানকে উদ্যাপন কর। তাকে সহজেই উপভোগ কর!
চতুর্থ জিনিষ হল, ধৈর্য রাখা। ধ্যান শুরু করেই ফলের জন্য উদ্বিগ্ন হবে না।
একটা ছোট গল্প :
তিনটি বানর একটা পাকা রসাল আম পেল। অন্য সমস্ত বানরের মত তারা কিছুক্ষণ সেই আমটির জন্য লড়াই করল। তারপর যে করেই হোক, তাদের মুহূর্তের জন্য স্পষ্টতা ও বুদ্ধি হল।
আমটি না খেয়ে তারা সেই আমটিকে বপন করার নির্ণয় নিল। তারা জানত একবার এই বীজ থেকে একটি বৃক্ষ জন্মাবে তারপর সেই গাছে তাদের তিনজনের জন্য যথেষ্ট আম হবে।
আমগাছটির যত্ন নেবার জন্য প্রত্যেকে কিছু না কিছু দায়িত্ব নিল।
প্রথম বানর বলে, 'আমি গাছটিতে জল দেব।'
দ্বিতীয় বানর বলে, 'আমি মাটিকে সতেজ ও সমুদ্ধ রাখব, তাতে সার দেব পার দেব ও নিশ্চিত করব যাতে গাছটি তাড়াতাড়ি বড় হয়।'
তৃতীয় বানর বলে, 'আমি গাছটিকে সবরকমের আবহাওয়া ও অন্যান্য পশুদের থেকে নিরাপদে রাখব।'
এক মাস চলে গেল, তারপর দুই ও তিন মাসও পেরিয়ে গেল। মাটি থেকে গাছ বাইরে আসার কোন চিহ্ন নেই।
তিনটি বানর ব্যাপারটা আলোচনা করার জন্য একটা জরুরী মিটিং তলব করল।
প্রথম বানরটি ঘোষণা করল, 'আমার কথামত আমি প্রতিদিন বীজটাকে জল দিচ্ছি।'
'কথামত আমি নিশ্চিত করছি বীজটি সতেজ ও সজীব আছে।'
তৃতীয় বানরটি বলে, 'কথামত, আমি বীজটিকে রক্ষা করছি। কেবল তাই নয়, আমি রোজ বীজটাকে তুলে দেখছি বীজটি অঙকুরিত হচ্ছে কিনা!'
যদি তুমি তাৎক্ষণিক ফলাফলের জন্য লোভী হও, তুমি প্রক্রিয়াটিকে তোমার সিস্টেমে কার্যকরী হবার জন্য বাধা দাও। তুমি নিজেই নিজের ক্ষতি করছ।
পঞ্চমটি হল, একাকীত উপভোগ কর। নির্জন কোন বিশ্রাম স্থানে ধ্যান করার জন্য নিজেকে সুযোগ দাও। ধ্যান যখন তোমার
এক অংশ হয়, পরমানন্দ স্বভাবত প্রস্ফটিত হবে।
চেতনার চার অবস্থা
তোমাদের একটি সহজ রেখাচিত্র দিই যা তোমাদের বুঝতে সাহায্য করতে পারে ও ধ্যান কেন করা উচিত।
আমরা দৈনন্দিন জীবনে মনের দুটি অবস্থা বিশেষভাবে জানি, একটি হল চিন্তা সহকারে, অপরটি চিন্তা বিনা। আমরা জানি যে জাগ্রত অবস্থায় সাধারণ মানুষ চিন্তা করে। গভীর নিদ্রা বা সুখনিদ্রায় কি সাধারণ মানুষ চিন্তা করে? না। তাই মনের দুটি অবস্থা আছে : চিন্তা সহ এবং চিন্তা বিনা।
আমাদের সত্তার দুটি অবস্থা
আমাদের সত্তাও দুটি অবস্থা অভিজ্ঞতা করে। এক অবস্থাতে আমাদের 'আমি'-র সমষ্টি থাকে। আরেক অবস্থাতে 'আমি' থাকি না। প্রথমটিতে, আমাদের নিজেদের পরিচয় আছে - আমি এই শরীর, আমি এই মন। আমাদের 'আমি' সচেতনতা সর্বদা সতেজ থাকে। কিন্তু দ্বিতীয় অবস্থাতে আমাদের নিজেদের কোন পরিচয় থাকে না। আমরা যখন গভীর নিদ্রা বা সুষুপ্তিতে, আমাদের 'আমি'-র সজাগতা থাকে না।
সত্তাতেও আমরা দুটি অবস্থা অভিজ্ঞতা করি, একটি 'আমি'-র ভবিষ্যৎ, অন্যটি 'আমি'-র পরিচয় ছাড়া।
এখন দেখা যাক মনের দুটি অবস্থা এবং সত্তার দুটি অবস্থা কিভাবে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত হয়ে বিভিন্ন অবস্থা সৃষ্টি করে।
প্ৰথম অবস্থা হ'ল জাগ্রত অবস্থা, যখন আমাদের 'আমি'-র সচেতনতা থাকে এবং চিন্তাও থাকে। জাগ্রত অবস্থায় আমরা নিজের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে খুব সচেতন থাকি। জাগ্রত অবস্থায় 'আমি'-র কম্পাঙ্ক চিন্তার কম্পাক্ষের চেয়ে বেশী থাকে। সেইজন্য প্রবল 'আমি' সচেতনতা দ্বারা আমরা আমাদের চিন্তাগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। যদি আমরা চাই, আমরা একটা চিন্তাকে সরিয়ে দিতে পারি, জাটক নিন্ত্রণ করতে পারি। এটা জাগ্রত অবস্থায় সম্ভব।
দ্বিতীয় অবস্থাটি হল স্বপ্ন। স্বপ্নে 'আমি' সচেতনতা থাকে না, কিন্তু চিন্তা থাকে। আমরা স্বপ্নে আমাদের পরিচয় সম্পর্কে সচেতন নই, কিন্তু চিন্তা থাকে। তাই সম্ভবত স্বপ্নে তুমি হয়ত স্কুলে পড়ছ। এটা দেখায় যে স্বপ্নাবস্থায় তোমার কোন স্পষ্ট স্থান নেই। স্বপ্নাবস্থায় সচেতনতার কম্পাঙ্ক চিন্তার কম্পাক্ষের চেয়ে কম। সেজন্য তুমি চিন্তাগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পার না। সেজন্য তোমার ঘনঘন অসংযত ও অযৌক্তিক চিন্তাগুলি হয়।
জাগ্রত অবস্থায় 'আমি'-র কম্পাঙ্ক বেশি থাকে বলে আমরা আমাদের চিন্তাগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। স্বপ্নাবস্থায় 'আমি'-র কম্পাঙ্ক কম্পাক্ষের চেয়ে কম থাকে এবং তাই আমাদের চিন্তাগুলিকে স্বপ্নের সময় নিয়ন্ত্রণ করা যায় না।
ততীয় অবস্থাটি গভীর নিদ্রা। সেখানে 'আমি' চেতনা নেই, আবার চিন্তাও নেই। এই অবস্থায় মানুষ মুক্তি বোধ করে। এখানে কোন চিন্তা থাকে না, আবার কোন পরিচয়ও থাকে না।
আমাদের জীবনে আমরা এই তিনটি অবস্থা অবিশ্রাম অভিজ্ঞতা করি - জাগ্রতাবস্থা, স্বপ্নাবস্থা ও সুষ্যুপ্তি।
কিন্তু চতুর্থ অবস্থাটি আছে যা আমরা অভিজ্ঞতা করি নি। তাকে বলে তুরীয়। এই অবস্থায় 'আমি'-র (আসছি না) সচেতনতা থাকে কিন্তু কোন চিন্তা থাকে না। এটাকে বলে চিন্তাবিহীন সচেতনতা। খুব কম মানুষ এটাকে তাদের জীবনে অভিজ্ঞতা করতে পারে। কিছু ব্যক্তি এটাকে কিছু সেকেণ্ডের জন্য অভিজ্ঞতা করে এবং তারপর তাদের নিয়মিত জাগ্রত অবস্থায় ফিরে যায়।
যদি তুমি প্রকৃতির সাথে পূর্ণরূপে স্বচ্ছন্দে থাকো, যখন তুমি মগ্ন হয়ে কয়েকটি মুহূর্তে তুমি চিন্তাবিহীন সচেতনতাকে লাভ করতে পারো। ভবিষ্যৎ জীবনে, 'আমি' সচেতনতা জীবন্ত, কিন্তু কোন চিন্তা নেই। এটাই তুরীয় অবস্থা বা চতুর্থ অবস্থা।
আমাদের সমস্ত শারীরিক ও মানসিক সমস্যার মূলে স্বপ্নাবস্থা থাকে। স্বপ্নাবস্থা সুষ্ঠি ও জাগ্রত অবস্থাকে ভেদিত ও আবৃত করতে থাকে।
যদি স্বপ্ন জাগ্রত অবস্থাকে ভেদ করে, তাকে বলে দিবাস্বপ্ন। আমরা আফররস্ত জিনিষ যা করতে চাই তার অলীক কল্পনা ও চিন্তা করি। স্বপ্ন যদি আমাদের গভীর নিদ্রাকে ভেদ করে, তাকে বলে বিঘ্নিত নিদ্রা।
দিনের বেশিরভাগ সময় স্বপ্নাবস্থা আমাদের বিভক্ত করে রাখে। যখন আমাদের সুষ্ঠি অবস্থা স্বপ্ন দ্বারা বিশ্লেষিত হয়, তখন দুরারোগ্য অবসাদ এবং অনিদ্রারোগ হয়। যখন আমাদের জাগ্রত অবস্থা স্বপ্ন দ্বারা বিঘ্নিত হয়, তখন আমরা বর্তমানে বিশ্বের সম্পর্ক সচেতন হয়ে আমরা দিবাস্বপ্ন দেখব।
হয়ত অভিজ্ঞতা করেছ, কখনো কখনো তুমি তোমার অফিসে পৌঁছাও। কেবল যখন তুমি পার্কিং লটে এসেছ, হঠাৎ তুমি উপলব্ধি কর যে তুমি এত মাইল গাড়ি চালিয়েছ! তুমি গাড়ীতে ওঠার পর অ্যাক্সিলারেটার চাপা, গাড়ী ঘোরানোর সংকেত দেওয়া বা ট্রাফিক লাইটে থামা ইত্যাদি। তুমি এতগুলি নির্ণয় নিয়েছ, কিন্তু সেগুলির জন্য কোন সচেতনতা ছাড়াই। হঠাৎ তুমি উপলব্ধি কর, 'ওহু! আমি অফিসে পৌঁছেছি!' যখন এটা ঘটে, স্বপ্নাবস্থা জাগ্রত অবস্থাকে ভেদিত বা আবৃত করছে।
স্বপ্নাবস্থা জাগ্রত অবস্থাকে যত বেশী ভেদ করে, আমাদের চেতনার কম্পাক্ষ ততই কমে যায়। আমরা হয়ত আমাদের মানবদেহে বাস করি, কিন্তু আমরা এক সত্য মানবজীবন যাপন করছি না।
যখন চেতনার কম্পাঙ্ক কমে যায়, আমরা সম্পূর্ণভাবে সচেতন হব না। কি প্রকার কথা আমরা ভাবছি সে সম্পর্কে আমরা সজাগ থাকব না। আমরা কিভাবে কি রাষ্ট্র করছি সে সম্পর্কে আমরা সজাগ থাকব না। যেন আমরা একটা বাড়ীতে বাস করছি, কিন্তু সেই বাড়ীর ভিতরে কি হচ্ছে তা আমরা জানি না।
স্বপ্নাবস্থায় বাস করাকে আমি বলি নরকে বাস করা।
আমাদের শারীরিক ও মানসিক ব্যাধিগুলির সরাসরি কারণ হল স্বপ্নাবস্থা দ্বারা সৃষ্ট। যখন জাগ্রতাবস্থা ও সুষুপ্তি উভয়ই স্বপ্নাবস্থা দ্বারা ভেদিত হলে, আমাদের শারীরিক বা মানসিক ব্যাধি হবে।
জাগ্রত অবস্থা কারণবশত হয়ে থাকে। স্বপ্ন বিভাগ কি বিশ্ব কারণ ভেদ করলে যে অবস্থার সঙ্গি হয় তাকে বলে বিষণ্ণতা, কারণ তখন আমাদের নবীন সতেজ চিন্তাগুলির সাথে কোন সম্পর্ক থাকে না। আমরা নকারাত্মক চিন্তার প্যাটার্ন অতিক্রম করার জন্য আমাদের স্বাধীনতা বা মুক্তি থাকে না। নিশ্চিত রূপে আমাদের মনন হয় এবং সমস্ত দরজা বন্ধ, সমস্ত সম্ভাবনা নিঃশেষিত।
তুমি জিজ্ঞাসা কর, 'আমি কেন ধ্যান করব?' তোমার জাগ্রতাবস্থা ও সুষুপ্তিতে গভীর সচেতনতা সঞ্চার করার জন্য ধ্যান প্রয়োজন। স্বপ্নাবস্থা দ্বারা জাগ্রতাবস্থা ও সুষুপ্তি কে ভেদ করার পরমানন্দের অবস্থা জাগ্রত ও সুষুপ্তি অবস্থাকে ভেদ করা শুরু করবে!
জীবনের বিভিন্ন সুরক্ষার জন্য ধ্যান কর।
আমরা যত ধ্যান করি, আমাদের সচেতনতা চতুর্থ বা তরীয় অবস্থার চেতনার দিকে আমরা ততই এগিয়ে যাই। চতুর্থ অবস্থার কোন যথার্থ নাম নেই। এটাকে আরও নামে জানা যায় : সমাধি, জীবনমুক্তি, living enlightenment ।
- ।
।
-
intellect to intelligence to intuition ।
স্ব-নিরাময়কারী চিন্তাসকল
তোমার হয়ত চিকিৎসাবিজ্ঞান সম্মত দৃশ্য মনে হচ্ছে, যা তুমি পুরোপুরি সুস্থ। অবশ্যই আমার লক্ষ লক্ষ মানুষ মন্যায় বিশ্বাসী (শতকরা নিরানব্বই শতাংশ মানুষ যাদের সিস্টেমে 'স্ব-নিরাময় স্পষ্টতা' নেই, তারা কখনও শারীরিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে পারে না।
'স্ব-নিরাময় স্পষ্টতা' বলতে আমি বোঝাচ্ছি, যখন বিষণততা তোমার চেতনাকে আকিছে ধরে তখন নিজেকে বিষণ্নতা থেকে বার করে আনার বোধগম্যতা।
এক বহৎ ঘটনা যা আমি সম্প্রতি গবেষণা করি। আমি একদল মানুষ বেছে নিই যারা কোন ধ্যান অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং কিছু আধ্যাত্মিক অধ্যয়ন করেছে। আমি তাদের বিশ মিনিট ধরে মনে যা আসে তা কোনেরকম সম্পাদনা না করে লিখতে বললাম। তারপর আরেকদল মানুষ যারা কোন আধ্যাত্মিকতায় সময় প্রদান করে নি, তাদেরকেও বিশ মিনিট ধরে মনে যা আসে তা কোনরকম সম্পাদনা না করে লিখতে বললাম। আমার পরীক্ষার ফলাফল ছিল অবাক করার।
যারা আধ্যাত্মিকতার জন্য কোন সময় দেয় নি, তারা একশ' চিন্তা লিখলে তার মধ্যে আশিটির বেশী তাদের আরও বেশী বিষণতার দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। কেবল বিশটি চিন্তা তাদের স্ব-নিরাময়ের ছিল বা তাদের বিষণততা থেকে বার করে আনছিল। কিন্তু যারা আধ্যাত্মিকতা ও ধ্যানের মধ্য দিয়ে গেছে, আমি দেখলাম তাদের 'স্ব-নিরাময়'-এর জন্য তাদের বিষণ্ণতাকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা ছিল। ধ্যানের প্রভাব! ধ্যান তোমাকে পূর্ণরূপে স্বাস্থ্যবান রাখে।
জ্ঞান – বিষণ্ণতাকে দমন করার অস্ত্র
সত্যের জ্ঞানকে আমি বলি জ্ঞান-অস্ত্র বা শাস্ত্র-শস্ত। শাস্তু অর্থ সত্য, জ্ঞান: শস্ত্র অর্থ অস্ত্র। শাস্ত্র-শস্ত্র হল সত্যের এমন অস্ত্র যা তোমার সত্তার বিষণ্ণতাকে ধ্বংস করতে পারে।
যখনই বিষণ্নতা বা দুঃখ তোমাকে আক্রমণ করে, তোমার মন তোমার সামনে বিভিন্ন দৃশ্য নিয়ে আসে। সেই সব মুহূর্তে শাস্ত-শস্ত্রসকল এত ক্ষমতাশালী হতে পারে যে তুমি চিন্তাগুলি তোমাকে দুঃখকষ্ট অতিক্রম করতে সাহায্য করবে। তাই কখনও জ্ঞান না ফেলে সত্যকে ভিতরে প্রবেশ করানো খুব কঠিন। তাকে হজম করার, আত্মভূত করার চেষ্টা কর এবং তাকে তোমার ভিতরে এক কোণাতে রেখে দাও। তাকে তোমার ভিতরে শাস্ত্র-শস্ত্র হিসাবে সঞ্চিত রাখ।
তোমার যত বেশী শাস্ত্র-শস্ত্র থাকবে, বিষণতা তোমাকে তত ভয় পাবে! যদি তোমার বিশাল সৈন্যবাহিনী থাকে, স্বভাবত শত্রু দেশ তোমাকে অক্রমণ করতে ভয় পাবে। কেবল তোমার স্তপীকত অস্ত্র সকল দেশে দেশে তোমাকে আক্রমণ করার আগে দুইবার ভাববে। একই ভাবে তুমি যত বেশী করে স্ব -নিরাময়ের চিন্তা, জ্ঞান-বিমূ, জ্ঞানের ভাণ্ডার একত্রিত কর, বিষণতা তত বেশী করে তোমার মাসতন কামরণ কম বিবাহ ব্যবহারণ, তোমাকে অত্যাচার করার মত বিষণা-চিন্তা কম হবে এবং স্ব-নিরাময়কারী চিন্তাগুলি তাদের জন্য প্রতিষেধক হয়ে যাবে।
স্বাধীনতা
ধ্যান তোমাকে আরও বেশী ভাল করে, আরও স্পষ্টতা এবং প্রগাদতা অর্থাৎ ঐকান্তিকতা সহকারে যাপন করতে সাহায্য করবে। তুমি এক গভীর ও নির্বিঘ্ন নীরবতা অভিজ্ঞতা করবে।
তুমি আর করবে না, কেবল যে ধ্যানের এটাই সম্পূর্ণ রহস্য - লক্ষ্যকারী হয়ে যাওয়া, প্রত্যক্ষদর্শী বা সাক্ষী হয়ে যাওয়া।
তোমার নিজের কার্যের সাক্ষী হওয়া শুরু করলে তুমি উপলব্ধি করবে যে তোমার ভিতরে কেউ একজন আছে যে পরিবর্তিত হয় না, যা হ্রাসিক হয় না, দুঃখ পায় না, যা টাকাপয়সা বা সুরক্ষা বা যশ সম্পর্কে কোনভাবেই যত্নশীল হয় না।
সেটাই সত্য তুমি! সত্য তুমি! সত্য তুমিকে কখনও তোমার চারপাশে কেবল এক ব্যক্তিত বানিয়েছ।
যদি তুমি সচেতন হও যে সত্য-তুমি সে নয় যে কার্য করে, সত্য -তুমি সে নয় যে কোধিত বা ব্যাথিত বা বিষণা হয়, তখন মুক্তিলাভ কর। সেটা ধ্যানের মাধ্যমে হবে। সেটাই সত্য স্বাধীনতা।
আমাদের সমস্ত জীবন আমরা স্বাধীনতা খুঁজে চলেছি। আমরা সেটা বুঝতে পারি কি না পারি, বাসনা আমাদেরকে স্বাধীনতা শুরু করার। আমরা মনে করি আমাদের স্বাধীনতা অপরের ওপরে নির্ভরশীল। এখন তুমি জান, অন্য ব্যক্তি তোমার স্বাধীনতার ওপরে কোনভাবেই সংযুক্ত নয়।
আমরা আমাদের সাধারণ জীবনে যা শুরু করি, 'কিছু না জন্য স্বাধীনতা' অথবা 'কিছু থেকে স্বাধীনতা'।
আমাদের ইচ্ছামত করা, পাওয়া ও হওয়ার জন্য স্বাধীনতা, আমাদের নিজেদের কল্পনার মত জীবনযাপন করার স্বাধীনতা।
আমরা যা কিছু ঘুণা করি তা থেকে স্বাধীনতা - অসুখ, দুর্নাম, রাগ, কাম, ক্রোধ, আত্মগ্লানি, বেদনা প্রভৃতি।
আমরা ভাল কোনকিছুর জন্য লোভ ও খারাপ কোনকিছুর জন্য ভয়ের মাঝে আটকে গেছি। আমাদের সম্পূর্ণ জীবন লোভ ও ভয়ের এই দুটি রশি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। কিন্তু লোভ ও ভয়ের এই দুটি রজ্জু যখন আমাদের নিয়ন্ত্রণ করবে, তখন আমরা আমাদের স্বাধীনতাকে ভুলে যাই।
কর্তৃক মুস্কার ওয়াচিং ওয়াচিং আমার সাথে কথা বলছিল। সে এক শিল্পী। সে আমাকে বলছিল কেন সে ধ্যান অপছন্দ করে।
সে বলল, 'আমি বরদাব নিয়ম ও শৃঙ্খাগুলিকে ঘুণা করি। আমি যেভাবে চাই সেভাবে আমার জীবন পরিচালিত করার জন্য স্বাধীনতা চাই। আমি সকাল দশটায় উঠি, প্রথমে আমি কফিপান করি, তারপর ইচ্ছে হলে সাঁতার কাটতে যাই...' সে আমাকে তার পুরো দিন বর্ণনা করল।
তারপর আমি তাকে জিজ্ঞাসা করি, 'কেউ তোমাকে সকাল ছটায় জাগিয়ে দিলে কি হবে? অথবা ভাইরাস বিকাশিন সকালে তোমার বিছানাতে কফি না এসে পৌঁছালেই বা কি হবে?'
'উফ, তাহলে তো আমি পাগল হয়ে যাব!' সে বলল ও হাসল।
'আর বাইরে বুষ্টি হবার জন্য তুমি তোমার সাঁতারে যেতে না পারলে কি হবে?' আমি প্রশ্ন করলাম।
'হ্যাঁ, তাহলে খুব খারাপ লাগবে। যদি সাঁতারে যেতে না পারি তাহলে সারাদিন খুবই বাজে লাগে।'
তারপর আমি জিজ্ঞাসা করি, 'যদি তোমার স্বাধীনতা এতগুলি শর্তের ওপরে নির্ভর করে, তাহলে কি তুমি সত্যই স্বাধীন? '
সে হতবাক হয়ে গেল! সত্য স্বাধীনতা হল, যা কিছুই হোক না কেন স্বাধীন থাকা।
সেটাকেই আমি বলি প্রকৃত স্বাধীনতা, 'কিছু না জন্য স্বাধীনতা' বা 'কিছু থেকে স্বাধীনতা' নয়। সত্য স্বাধীনতা আসে পূর্ণরূপে বর্তমান মুহূর্তে বাস করে। যে স্বাধীনতা বাইরের কোন ও পরিস্থিতির ওপরে নির্ভর করবে না, স্থান কৰিছিল। তেওঁ প্ৰায় প্ৰথম বিশ্ববিদ্যালয় অসমৰ প্ৰথম বিশ্ববিদ্যালয় অসমৰ প্ৰথম বিশ্বকাপ কৰিছিল। তেওঁ প্ৰথম বিশ্বকাপ কৰিছিল। তেওঁ পাৰে প্ৰথম বিশ্বকাপ কৰিছিল। তেওঁ পাৰে প ধ্যানের মাধ্যমে অভিজ্ঞতা করবে।
কোন কারণবিনা প্রেম ও হর্ষ
তুমি অবাক হয়ে যাবে যে ধ্যানে প্রবেশ করলে প্রেম কতই না উথলে উঠে তোমার সত্তাকে প্লাবিত করে। ধ্যানের মাধ্যমে তোমার সত্তা ও 'তুমি'-র সাথে যোগাযোগের এমন এক মাত্রাকে অভিজ্ঞতা করবে, যা তুমি আগে ছুঁতে পারো নি। যখন তুমি রাশিয়ান আনন্দ অভিজ্ঞা কর, যাকে বাইরের কোন পরিস্থিতি পরিবর্তন করতে পারে না, তার অর্থ, তুমি গভীরভাবে ভিতরে প্রবেশ করছ। যারই সাথে দেখা হবে তুমি সেই আনন্দ তার সাথে শেয়ার করতে পারবে। যাত্র করে মানিক কার্যের দ্বারাও উপচে পড়ে ও অন্য মানুষটিকে স্পর্শ করে, তাকে বলে প্রেম।
ঠিক স্বাধীনতার মত, এই প্রেম তোমার অভিজ্ঞতা করা আগের সমস্ত প্রেমের থেকে ভিন্ন হবে। জীবনভোর তুমি কোন না কোন কারণে প্রেম করেছ ও প্রেম পেয়েছ। এমনকি যা সাধারণত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, যেমনকি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে, পিতামাতা ও সন্তানদের মধ্যে, প্রেম করার লুক্কায়িত কারণ থাকে। ঈর্ষা, অধিকার করার প্রবণতা এবং প্রত্যাশা দ্বারা আমাদের সমস্ত প্রেম কলঙ্কিত থাকে।
ধ্যান দ্বারা তুমি প্রথমবার বুঝতে পারবে কোন কারণবিনা প্রেম করার অর্থ কি। প্রথমবার তুমি পাবার প্রত্যাশা না করে কিছু দেবে। তুমি প্রেম দেবে, যেহেতু দেবার জন্য তোমার কাছে ঘটানোর মত যথেষ্ট আছে! তুমি পৃথিবীতে প্রেম বর্ষণ করবে যে ভাবে বর্ষার মেঘ থেকে বর্ষণ হয় অথবা তুমি যেন মূলক সম্পর্কিত কারণে নিজেকে করবে কারণ তুমি কতই না পূর্ণ ও উচ্ছুসিত!
লীলাচ্ছলে কার্য কর
আমাদের বেশীরভাগই অনুভব করি আজকাল জীবন এত প্রতিযোগিতামূলক ও চাপের হয়ে গেছে যে আমাদের ইচ্ছামত কিছু করার সময় নেই। বস্তুত, যদি তুমি পরিস্থিতির সত্যকে দেখ, এটা কম সময় অথবা বেশী কাজের বিষয় নয় বরং তোমার মনোভাব এই তারতম্য তৈরি করে।
কেবল এটা চেষ্টা কর : যা কিছু কর, সজাগতা সহকারে কর। খাবার সময় সজাগ হয়ে খাও। এটা করার জন্য কোন অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন নেই। বস্তুত তাতে খাবার জন্য বরং সময় কম লাগবে কারণ সজাগ হয়ে খেলে, তুমি শরীরের দরকার মত খাবে এবং অতিরিক্ত রুক্ষ স্বভাবের পরিচয় দেবে না।
সজাগতার অগাধ জ্ঞান আছে। তোমার প্ল্যানিং বা পরিকল্পনার চেয়ে সজাগতা অনেক বেশী ভাল কামাল (অদ্ভূত কাণ্ড) করতে পারে। সজাগতা বিরুদ্ধাচরণ করে না, তা পরিকল্পনার পরিপরক। তাতে সম্ভাবনার বদ্ধি হবে।
যখন তুমি সজাগ, 'তুমি' অনুপস্থিত। তুমি সজাগ থাকতে পারো, কিন্তু নিজেকে যেন সরিয়ে রাখতে না পারো। যখন তোমার আমিত্ব বিদ্যমান, সজাগতা বিদ্যমান থাকতে পারে না। 'তোমার অবিদ্যমানতা' তোমাকে জীবনমুক্ত জীবনযাপন করাবে।
সজাগ থাকলে তুমি লাভজনক কার্য করবে ও তোমার শক্তিকে সুদক্ষতার সাথে ব্যবহার করতে পারবে। কাজের শেষেও তুমি সকালের মতই সতেজ থাক। দ্যাখ, তোমার কাজ তোমাকে নিঃশেষিত করে না। সেটা করে তোমার মন, তোমার মনোভাব।
একটা সহজ উদাহরণ নাও। তোমার অফিসের জন্য দুই মাইল হেঁটে যাবার সঙ্গে ছুটির অবকাশে সমুদ্রসৈকত ধরে দুই মাইল হেঁটে যাওয়ার তুলনা কর। তোমার অফিসের জন্য হেঁটে যাওয়া যেন একটা কাজ এবং তুমি ক্লান্ত হয়ে যাও। কিন্তু মাশরুমের কারণ সাঁজো সালোয়ার কামিজ ড্রেসের ডিজাইন করে কাজ করো বিক্রেতাদের প্রতি বিনীত ব্যবহারের বদলে উন্নত করো।
জিনিষগুলি করার সময় পুরো জিনিষটাই নির্ভর করে তোমার মানসিক অবস্থার ওপরে।
ধ্যানের পুরনো সম্বন্ধ নিয়ে মন থেকে বাদ দাও এবং জীবনের বিষয়গুলিকে এক মূল্যবান লীলা হিসাবে দেখা।
জীবনে ধ্যান' থেকে 'ধ্যানে জীবন'-এ
প্রথমে তোমার জীবনে ধ্যান অভ্যাস করতে হবে। তোমাকে সচেতনভাবে তোমার জীবনযাত্রাকে ধ্যানের জন্য উৎসর্গ করতে হবে। কোনও একটা প্রক্রিয়া বেছে নিয়ে তাকে দিনে আধা বা এক ঘণ্টা অভ্যাস করতে থাক। দেখ কেমন অনুভব করছ। যদি কোন প্রক্রিয়া উপভোগ কর, কোন ফলাফল আশা না করে সেটা কমপক্ষে দশদিন ধরে করতে থাক। যদি কোন প্রক্রিয়া তোমাকে ছুঁয়ে থাকে, কোন না কোনভাবে সেটা তোমাকে রূপান্তরিত করবেই। কখনো কখনো সেই রূপান্তর খুবই সক্ষ্ম হবে এবং কখনো কখনো অন্যেরা সেটা তোমার চেয়ে বেশী দেখতে পারে।
সাধনার (মুক্তি প্রদান) আনন্দের কেবল এক ঝলকই তোমার জন্য যথেষ্ট। জানবে তুমি বাধ্য জিজ্ঞাসা করবে না যতক্ষণ ঘণ্টি থামানোর দরকার হবে। যখন তুমি জেগে ওঠ, তোমার প্রথম চিন্তা হবে ধ্যান। সকালে, খাওয়ার মাঝে, তুমি মনে কিছু না যোগ করে সজাগতার সাথে করবে যা তোমার প্রতিটি মুহূর্তই ধ্যানের সাথে সজীব হয়ে উঠবে। তুমি তখন ধ্যানে জীবন যাপন করা শুরু করবে।
ধ্যান কখন করা উচিত?
পরের প্রশ্নটি হল ধ্যান কখন কখন করতে হবে।
সবাই ভাবে এক রকম দিক বিশ্বে! কম বয়সে আমার যখন জীবন পুরোপুরি করার থাকবে না তখন আমি বুড়ো বয়সে ধ্যান করতে পারি।' সব বয়স্ক ব্যক্তিরা ভাবে, 'কম বয়সে যখন সতেজ ও শক্তিশালী ছিলাম তখন আমার ধ্যান করা উচিত ছিল।'
কার भुগ করवल बजे नया व्य मिटन करणकर थान कवरण रख, ধন্ন বাজার বাণা বাণাউ व्य কখন তোমার রুঠিনে ধ্যান অভ্যাসকে অন্তর্ভুক্ত করার নির্ণয় নিতে হবে।
ধ্যান হল গাড়ী চালানো শুরু করার আগে গাড়ীর ম্যানয়াল পড়া। যে ব্যক্তি গাড়ীর ম্যানয়াল না পড়ে গাড়ী চালাতে যায়, সে দুর্ঘটনায় পড়বে। একইভাবে ধ্যান হল তোমার শরীর ও জীবনের জন্য সারগ্রন্থ (ম্যানুয়াল)। যে ব্যক্তি জীবনে প্রবেশ করার আগে ধ্যান করে নি, জীবনে কোন না কোন সময়ে সে দুঃখকষ্ট ও বিষণতার পডবে।
দয়া করে বোঝ প্রতিটি জীবনের জন্য ব্যান একটা মৌলিক আবশ্যকতা। এটা কোন বিকল্প নয়, এটা একটা মৌলিক আবশ্যকতা।
সাত বছর হবার পর তোমার ধ্যানের প্রয়োজন, কারণ করে মমতা দয়া প্রকৃতিতে তুমি ধ্যানমগ্ন অবস্থাতেই থাক। সাত বছর বয়সের পরে তুমি সমাজ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হওয়া ছেড়ে যাও।
ধ্যানকে বোঝার জন্য ও তাতে প্রবেশ করার জন্য তোমার ভিতরে একটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিষ ঘটা প্রয়োজন - মনস্তাত্ত্বিক বিপ্লব।
মনস্তাত্ত্বিক বিপ্লব হল জীব, জগৎ ও ঈশ্বর সম্পর্কে এক স্পষ্ট ধারণা।
এখন পর্যন্ত, জীবন সম্মন্ধে যে ধারণা তোমার আছে তার থেকে সম্পূর্ণ নতুন। যারে কুলি তোমার সিস্টেমে এক শান্তিপূর্ণ, আরামদায়ক অনুভূতি অভিজ্ঞতা করতে সমর্থ হও না। যখন আমি বলি 'মনস্তাত্ত্বিক বিপ্লব', আমি বোঝাচ্ছি জীব, জগৎ ও ঈশ্বর সম্বন্ধে স্বচ্ছ ধারণা পোষণ করা। তা হল জীবের উৎস, জগতের উৎস ও ঈশ্বরের উৎস সম্বন্ধে স্পষ্ট বোধগম্যতা।
যে সমস্যা সমাধান করতে পার, যার মধ্য দিয়ে তুমি জীবন-সমাধান পাও, তাকেই বলে মনস্তাত্ত্বিক বিপ্লব।
একমাত্র যে ব্যক্তি মনস্তাতিক বিপ্লবের মধ্য দিয়ে গেছে, সে ধ্যান করতে পারে। সেই প্রক্রিয়াকে কোন সময়ে বিফল হচ্ছে বলে মনে হবে।
লোকেরা আমার কাছে এসে বলে, 'যেই সুরูณ বাসি, তখন চিন্তা সংখ্যা ধ্যান না করা সময়ের থেকে বেড়ে যায়। যদি বাসি, কিছু কম হয়। যেই মুহূর্তে আমি চোখ বন্ধ করি ও ধ্যান করার চেষ্টা করি, আমার চিন্তা বেড়ে যায়।' তার মানে মনস্তাত্ত্বিক বিপ্লব ঘটে নি।
স্বপ্নাবস্থা দ্বারা অনবর্তন জাগ্রতাবস্থা ও সুষুপ্তি অবস্থাকে ভেদ করার জন্য বেশী করে ভুল বোঝাবুঝি হয়, আরও বেশী নীরসতা ও আলস্য ঢুকে বিশেষ করে যেখানে স্পষ্টতার ঘাটতি থেকে ধ্যানের অভাব হয়।
যদি জাগ্রত ও সুষুপ্তি অবস্থাকে ভেদ করে, তাহলে আমরা পরিপর্শতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। এটা একটা ধর্মচক্র যেখানে স্পষ্টতা ধ্যানের দিকে নিয়ে যায় এবং ধ্যান স্পষ্টতার দিকে নিয়ে যায়।
যদি ধ্যান করা শুরু কর, তোমার চিন্তা সংখ্যা বাড়তে পারে। তাই প্রাথমিক স্তরে আমি সর্বদা এমন প্রক্রিয়া দিই যেটা সরাসরি ধ্যান নয়, কিন্তু সেটা যেন মনোনিবেশ করা। যখন তুমি সেই প্রক্রিয়াটি দ্বারা কার্য কর, তা তোমাকে চিন্তাবিহীন অবস্থায় সরাসরি নিয়ে যায় না। তা তোমায় আরও বেশী করে স্পষ্টতার দিকে নিয়ে যায়।
মনস্তাত্ত্বিক বিপ্লব হল যেখানে তুমি তোমার বোধগম্যতাকে বিশ্লেষণ করতে পার, তোমার নির্ণয়গুলিকে বিবেচনা করে বারবার তোমার বাসনা, ভয়, দুশ্চিন্তা ও তোমার জীবনের বিবেচিত ভিত্তিগুলিকে পুনরায় ভেবে দেখতে পার।
বস্তুত অনেক সময়ে আমরা জানিই না যে আমাদের বাসনাগুলি কি।
একটা ছোট গল্প :
তিন বয়স্কা মহিলা বসেছিল ও ও নিজেদের ছেলেদের সম্পর্কে বড়াই করছিল। তাদের একজন বলছিল, 'তোমরা আমার ছেলে সম্পর্কে জান না। সে আমাকে এত ভালবাসে, সে নিজে আমাকে এক ট্রাভেল এজেন্সির কাছে নিয়ে গেল ও একুশ দিনের ছুটির অবকাশের জন্য ফেলল।'
দ্বিতীয় মহিলাটি বলে, 'তোমারা জান না আমার ছেলে কি করেছে। সে তো আমাকে ট্রাভেল এজেন্সির কাছে নিয়ে গেল, আর একটা প্রাইভেট ফ্লাইটের বন্দোবস্ত করে দিল। আমার এক মাস ছুটির অবকাশের জন্য সে কত কিছুই না বন্দোবস্ত করল! '
তৃতীয় মহিলাটি বলল, 'সেটা তো আমার ছেলে যা করেছে তার কাছে একেবারেই কিছু নয়। সে আমাকে সবচেয়ে ব্যয়বহুল মনোচিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেল এবং শুধুমাত্র আমার সম্পর্কে কথা বলতে থাকল! '
অনেক সময় তুমি যাকে জীবন বলে ভাব অথবা তুমি যাকে মহান জীবন বলে বডাই কর, রাজ ভারত মাগ্রলি জীবনের কোনভাবেই কিছু যোগ করছে না।
যারে বাস্তবিক উদ্যোগ, যে ব্যক্তি তোমাকে জাগ্রত করতে পারে ও তোমার মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক বিপ্লব ঘটাতে পারে, সেই প্রক্রিয়া শুরু করাই তোমার পক্ষে সবচেয়ে ভাল।
এখানে ও এখন ধ্যান করা শুরু কর। ধ্যানকে সুশৃঙ্খল বাধার জন্য বয়স ও সময় কোন কারণ হতে পারে না।
পরের প্রশ্ন লোকেরা করে যে সকাল বা সন্ধ্যা, কখন তাদের ধ্যান করা উচিত।
আমার উত্তর হল, ধ্যানকে জীবনের এক পরিমাণ না বানিয়ে তাকে জীবনের এক গুণমান বানানোই লক্ষ্য।
তিন প্রকার ধ্যান আছে।
প্রথমটি হল সজাগতার সম্পৃক্ততাকে তোমার জীবনে নিয়ে আসা।
দিনের চব্বিশ ঘন্টাই ধ্যান করা উচিত। শ্বাসপ্রশ্বাস সম্পর্কিত প্রক্রিয়াগুলি যেমন 'বিभाजना' বা বর্তমান মুহূর্তে সর্বদা সজাগতা নিয়ে আস, সেগুলি এই শ্রেণীর ধ্যানে পড়ে। এটা তোমার রুটিনের অংশ নয়। এটা তোমার রুটিনের অংশ। তুমি যা কিছু করতে পার, যেমন, লেখা, পড়া, রান্না, আলোচনা, কিন্তু একইসাথে ধ্যানের সূত্রটি অন্তঃস্রোতের মত হতেই থাকবে।
দ্বিতীয়, নির্দিষ্ট কিছু সময় তোমার জন্য লাগবে, যেমন করিছিল। তেওঁ পাৰে পাৰে প্ৰথম বা সন্ধ্যাবেলা এক ঘণ্টা বা অন্য কোন সুবিধাজনক সময়ে।
নিয়মিত ধ্যান, যেখানে তুমি কিছু মিনিটের জন্য ধ্যান কর ও তারপর কিছু মিনিটের জন্য মাস্কির মত থাক, বর্তমানে এক রেফারেন্স। এই ধরনের ধ্যান আরেকটি উদাহরণ হল নিত্যধ্যান (নিত্যধ্যান (নিত্যধ্যান), যেটুকু বাজেটকে ক্রনিকিত কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অভ্যাস করা হয়।
তৃতীয় ধরনের ধ্যান হল, যেখানে চিরন্তন সত্যের বাণীসকল যথেষ্ট।
তার উদাহরণ হল চিরন্তন সত্যের বাণীসকল। যখন তুমি খুবই পরিণত অবস্থায় থাক, তোমার কোন আলাদা প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হয় না। তোমাকে সারাদিন অথবা কোন নির্দিষ্ট সময়ে আলাদা করে সত্যগুলির স্মরণ করাই তোমাকে উচ্চ অবস্থায় নিয়ে যায়। এই হল তৃতীয় ধরনের ধ্যান। এগুলো সংক্ষেপে লেখা নিগূঢ় সত্যসকল। কেবল অঞ্চলে নিয়ে যাবে!
উপনিষদে একটা সুন্দর গল্প আছে যে এক শিষ্য মাস্টারের কাছে গিয়ে জীবনমুক্তির প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি চায়। মাস্টার কেবল বলেন. 'তত্ত্বমসি, তত্ত্বমসি, তত্ত্বমসি' - 'তুমিই সে, তুমিই সে, তুমিই সে' বা 'তুমিই সত্য' এবং গল্পটি বলে যে শিষ্যটি জীবনমুক্তি লাভ করে!
বাজেটকে বড্ড গন্ন মটন রাজ ভারত। মাস্টার কেবল কয়েকটি শব্দ পুনরাবত্তি করেন। সেটা কিভাবে সম্ভব? এটা তো অবিশ্বাস্য মনে হয় যদি বাসনা ছেড়ে সৃষ্টি করে, যে ব্যক্তি সারাদিন করতে হয় অথবা যে প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট সময়ে করতে হয়, তখন সেই অভ্যাস দ্বারা পরিপক্ষতা ঘটার জন্য মাস্টারের কাছ থেকে অভিজ্ঞতা করবে!
ধ্যান সম্বন্ধে প্রচলিত ভয়গুলি
বর্তনে অনেক বিশ্বাস আছে যে ধ্যান বিপজ্জনক হতে পারে। লোকেরা সেটাকে ভয় পায়। তারা আমার কাছে এসে বলে, 'আমি ভয় পাচ্ছি যে আমি হয়ত ধ্যানের সাথে বেশী আসক্ত হয়ে যেতে পারি।'
।
। যতামার বাস্তবে এে িবজন য়ব
master key । cognitive shift ।
যখন চলে এলে, তুমি বুঝতে পার যে স্বপ্নাবস্থা বিভ্রম ছিল, তা সত্য নয়। কেবল তাই নয়, জাগ্রত বর্তনা যাবে!
এখন তোমাকে জাগ্রত অবস্থা থেকে তুরীয় অবস্থায় টেনে আনার জন্য এক প্রবল প্রেরণা চাই। ধ্যান সেটাকে প্রদান করে। তা তোমার চেতনাকে ক্রমশ উন্নীত করে যাতে তুমি তরীয় অবস্থায় চলে যেতে পার। ধ্যানের তিনি তোমাকে তরীয় অবস্থায় নিয়ে যাবার জন্য প্রেরণা দেবার নিশ্চিত এক বিরাট ভূমিকা রাখতে পারেন।
কিছু কথা হল অধিকারিয়া ছিল!
বোঝ, কোন মাপদণ্ড নেই, কোন প্রমাণ আছে সেটা এক প্রামাণিক বাস্তবতা। কিন্তু মনে রেখ, বারবার বারংবার তুমি এই সত্যের ঝলক যখন মুখোমুখি হও বা মনখারাপ কর।
গভীর বোধগম্যতা তোমার ভিতর থেকে উদয় হতে পারে, কিন্তু বাসনা আমাদের ভিতরে সেই সময় ঘটে না। যে জীবনকে আমরা আঁকড়ে আছি তা বিপন্ন। আমরা মনস্তাত্ত্বিক বিপ্লবকে ভয় পাই।
সমস্যা হল, যদি আমরা মনস্তাত্ত্বিক বিপ্লবকে নিয়ে কাজ করি, জানি ফলাফল পুরোপুরি অজানা। আমরা জানি না আমাদের লালিত বাসনা, লক্ষ্য, মতাদর্শ ও ভাবনাগুলি কি। বাসনা কি পারে আমাদের হয়ত সবকিছু ফেলে দিতে হবে। তাই ঘটনা না পারে, সেইভাবে আমরা পরিচালনা করি।
বিপ্লব ঘটানোর সুযোগ, কিন্তু আমরা সেই সুযোগ বারবার হারিয়ে ফেলি।
যেই মুহূর্তে তুমি বিভ্রম বা মায়া শব্দটা শোন, তুমি ভয় পাও। তুমি ভয় পাও যে তুমি সবকিছু জীবন কঠোরভাবে পরিবর্তিত হতে পারে। আমি তোমাদের বলি, তুমি কেবল একটাই জিনিষ হারাবে এবং সেটা হল তোমার দুঃখকষ্ট, আর কিছুই হারাবে না!
তোমার হয়ত স্বপ্নাবস্থায় সজাগ থাকার এক বিরল অভিজ্ঞতা হয়েছে, 'হ্যাঁ, আমি স্বপ্ন দেখছি!' সেই সজাগতার কারণে তুমি স্বপ্নের কিছু জিনিষ পরিবর্তন করতে পারছিলে। বোঝ, তুমি স্বপ্ন দেখছ এবং তুমি তোমার ইচ্ছামত চালাচ্ছিলে। কিন্তু যদি তবুও তুমি দেখো, তুমি তোমার স্বপ্ন থেকে জেগে উঠবে।
যদি সম্বন্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়, তোমার অভিজ্ঞতা হবে যে এই জীবনটাও এক 'জাগ্রত স্বপ্ন' এবং সাথে সাথে তোমার জীবনের ঘটনাগুলিকে তুমি ইচ্ছামত চালাতে সমর্থ হবে! সেটাকেই আমরা বলি সিদ্ধি অর্জন করা।
তাই বোঝ, যখন 'আমি' সচেতনতার অবস্থাকে জাগ্রত স্বপ্ন বলে অভিজ্ঞতা করা শুরু করবে স্বাধীনতা থাকবে।
কিন্তু যখন তা ঘটা শুরু হয়, যদি তুমি তোমার জীবনের ঘটনাগুলিকে পরিবর্তন করার কাজে আটকে যাও, ক্রমশ তোমার 'আমি' সচেতনতা হ্রাস পাবে এবং তুমি আবার সেই জাগ্রত অবস্থায় ফিরে আসবে এবং সেই বিশেষ ক্ষমতাগুলিও অদৃশ্য হয়ে যাবে। কিন্তু যদি তুমি আকৃষ্ট না হও এবং তোমার চৈতন্যুকে যাও।
স্বপ্নাবস্থা থেকে জাগ্রতাবস্থায় জেগে ওঠা অথবা জাগ্রতাবস্থা থেকে জীবনমুক্ত অবস্থায় জেগে ওঠা - উভয় ক্ষেত্রে প্রক্রিয়াটি এক।
যখন মনস্তাত্ত্বিক বিপ্লব ঘটে। মনস্তাত্ত্বিক বিপ্লবের সাথে যদি পদ্ধতিগুলি অভ্যাস করা যায়, তাহলে স্বভাবত বাইরের নিরাময়ও ঘটে।
মনস্তাত্ত্বিক বিপ্লব ছাড়া প্রক্রিয়াগুলিকে অভ্যাস করলে তাদের বলে ক্রিয়া বা যোগ -কেবল শারীরিক বিচলন।
মনস্তাত্ত্বিক বিপ্লবের সাথে যদি যোগ করা হয়, তাহলে ধ্যান রুটে যায়। মনস্তাতিক বিপ্লব সহকারে এমনকি আচার-অনুষ্ঠান উদ্যোগ নেওয়া যায়। মনস্তাতিক বিপ্লব বিনা এমনকি ধ্যানও এক অনুষ্ঠান হয়ে যায়।
বাস্তবে নিজের সাথে যদি ধ্যান তোমার অন্তর্দেশে যোগ করা যায়, দেখবে যে প্রতিবার ধ্যান করার সময় সেই স্পষ্টতা গভীর থেকে গভীরতর হতে থাকে। প্রতিবার তুমি তোমার জীবনের জন্য নির্ণয় নাও, তা তোমাকে বেশী বেশী করে বোধগম্যতা দেবে।
যদি তুমি সজাগ হও, কখনো কখনো দেখবে যে তোমার জাগ্রতাবস্থাতেও, কিছু সময় ধরে, ধর, আধা ঘণ্টা ধরে তোমার সচেতনতা ছাড়াই তোমার চারপাশে অনেক কিছু ঘটে। তোমার স্বপ্নাবস্থা জাগ্রতাবস্থাকে প্রভাবিত করেছে, তাই তোমাকে দিবাস্বপ্নের অবস্থার দিকে টেনে নিয়ে গেছে।
যখন সহকারে ফিরে আস, তুমি উপলব্ধি করবে যে আধা ঘণ্টা চলে গেছে যখন তোমার নিয়ন্ত্রণে সত্যিই কিছুই ছিল না। তুমি জাগ্রত ছিলে, তোমার চোখ খোলা ছিল এবং তোমার শরীর কার্য করছিল, কিন্তু কি হচ্ছে সে সম্পর্কে তুমি সজাগ ছিলে না। তুমি জাগ্রতাবস্থা ও স্বপ্নাবস্থার মধ্যে কাটিয়েছিলে। বেশিরভাগ অনেকেই দিনের আশি শতাংশ সময় এইভাবে কাটায়।
কখনও ভেবো না যেহেতু তুমি বিছানা পার না এবং তোমার জীবনধারণের জন্য তোমাকে বিছানা থেকে উঠে পড়তে হবে, তাই।
নিজেকে পর্ণরূপে জাগ্রত, স্বপ্ন ও সুষুপ্তি বলি ধ্যানস্থ হওয়া।
স্বপ্নের মত বাস্তব
তুমি অবাক হতে পার, 'এটা কি করে হয় যা রোজ আমি যখন জাগ্রত অবস্থায় ফিরে আসি, আমি রোজ একই জগৎ দেখি, কিন্তু রোজ রাতে স্বপ্নাবস্থায় ফিরে গেলে আমি একই দেখি না? এই জগতে আসা মাধ্যমের ধারণা বাস্তব'।
চলো, আমরা এক রাতের স্বপ্নকে বিশ্লেষণ করি। উদাহরণস্বরূপ, ধর তুমি চৌদ্দ তারিখের সকালে উঠে পড়লে। তুমি দশ ঘণ্টা ঘুমাও। তুমি জীবনের দশ থেকে কুড়ি বছরের জীবন অভিজ্ঞতা করেছ।
হয়ত তোমার কলেজের দিনগুলি দিয়ে তোমার স্বপ্ন শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে তোমার বিবাহ হয়, তোমার ছেলের জন্ম হয়, তোমার জীবনের কুড়ি বছরের বেশী এক রাতে স্বপ্ন দেখো, ঠিক বললা কিনা? যদি বাজে কমপক্ষে একবার অভিজ্ঞতা করে থাক, আমি তোমাকে বলতে পারি তুমি জানতে পারবে।
দ্যাখ, ঘুমাবার সময় আমরা স্বপ্ন ও চলে যাই। তারপর তুমি স্বপ্নাবস্থায় চলে যাও এবং কিছু স্বপ্ন দ্যাখ। আবার তুমি সুষ্ঠুপ্তি অবস্থায় চলে যাও। স্বপ্নাবস্থাতে ফিরে আস। এইভাবে তুমি স্বপ্নাবস্থা ও গভীর নিদ্রাবস্থার মধ্যে ঘুরতে ফিরতে থাক।
জীবনের কুড়ি বছর কাটিয়েছো। প্রথমে বিয়ে কর। স্বপ্নের তৃতীয় পর্বে তোমার বিয়ে হচ্ছে, যে তোমার ছেলের বিয়ে হচ্ছে।
বিভিন্ন পর্ব, যখন তুমি ঘুমোও ঘুমোও স্বভাবতই তুমি বারবার একই জিনিষ পুনরাবত্তি কর, এই বিভিন্ন পর্বে তুমি তোমার স্বভাবের সাথে। তুমি ঠিক তো? কখনো সখনো স্বপ্নাবস্থাতেও তুমি একই বিশ্ব দেখ নিশ্চয়ই।
যদি এই ধারণাটা যদি একবারও বুঝতে পার, তাহলে এটা তোমাকে এক বিরাট স্পষ্টতার দিকে নিয়ে যাবে এবং জীবন সম্পর্কে তোমার চিন্তাগুলির, জীবনের সমস্যা সমাধান করার প্রচেষ্টাগুলির আমুল পরিবর্তন হবে।
কল্পনা কর বাঘ তাড়া করছে এবং সে চীৎকার করছে, 'ওহু, একটা বাঘ আমায় তাড়া করছে। বাঁচাও বাচাও!' তার স্ত্রী। তখন জানা উচিত, 'আমার কি করা উচিত?' তার কেবল স্বামীকে বলা উচিত, 'হে, জেগে ওঠ!' তার পরিবর্তে, সে যদি যদি স্বামীকে বাঘ মারার জন্য কোন অস্ত্র দেওয়ার চেষ্টা করে তাহলে কি হবে? সে অন্য কোন সমাধান খুঁজে বার করতে চাইলে, তাতে আরও সমস্যা হতে পারে। স্বামীকে তো কেবল জেগে উঠতে হবে।
যদি তুমি এই মৌলিক জিনিষগুলি, তাহলে তোমার সিদ্ধান্ত নেওয়াতে আমল পরিবর্তন এসেছে। তোমার সমস্যা স্থানীয় পরিবর্তন ঘটাবে। করার, নির্ণয় নেওয়ার, সমাধান বার করার জন্য কার্য করা শুরু করবে।
দিবাস্বপ্ন দেখার সময় দশ ঘণ্টার মধ্যে তুমি কুড়ি বছর সহজেই বাস করতে পার। তুমি বহুবার ফিরে আস। যখনই তুমি সুমুষ্ঠি থেকে বিরতি হয়, তুমি একই বিশ্ব দ্যাখ। তাই তোমাকে পরিষ্কার করে বুঝতে হবে, স্বপ্নের বিশ্ব দ্বার বাস্তব গুণমান হতে পারে না। কেবল যখন তুমি স্বপ্ন দেখ, তুমি কেবল দশ ঘন্টার মধ্যে জীবনের বিশ বছর 'বেঁচেছিলে'।
যখন তুমি যখন তুমি জেগে ওঠো, জীবন হয়ত আরেকটা লম্বা স্বপ্ন!
যখন তুমি কোন স্বপ্নে আছ, তুমি ভাব তুমি সত্যি। তুমি যেখানে যাচ্ছ, সেটাকে সেই মুহূর্তে তোমার বাস্তব বলে মনে হয়। বাস্তবে তুমি কখনও কল্পনা করতে পার না 'এটা একটা স্বপ্ন'। বাস্তবে তুমি কখনও ভাবতে পার না, 'এটা আরও একটা স্বপ্ন।' যখন তুমি স্বপ্ন থেকে বার হয়ে আস, স্বপ্নকে স্বপ্ন বলে মনে হয়। কিন্তু যখন তুমি সেই স্বপ্নে আছ, সেটাকে স্বপ্ন মনে হয় না।
যদি তুমি জাগ্রত জীবন সম্পর্কে স্মরণ কর, তুমি সেটাকে স্বপ্ন বলে মনে কর। বাস্তবে যদিও তুমি স্বপ্নকে স্মরণ কর, তুমি সেটাকে স্বপ্ন বলেই ভাব। সেজন্য এর ওপরে। বাস্তব বা স্বপ্ন ব্যাখ্যা করার জন্য আর কোন মাপদণ্ড নেই।
এই জাগ্রত অবস্থাটির যে আরও একটা লম্বা স্তর রয়েছে। শুধুমাত্র ধ্যান ও বোধগম্যতা তোমার মনোযোগ ভিন্ন দিকে প্রবাহিত হওয়া থেকে বাঁচাতে পারে। যখন বাস্তবিকতা বোধগম্য হবে, জাগতিক ব্যবহার স্বপ্ন প্রতীত হবে।
বাস্তবতাকে দেখা এটাই মনস্তাত্ত্বিক বিপ্লবের প্রথম ধাপ।
সাধারণ যুক্তিবোধের অভাব বোধ হলে মানুষ বিবৃতি প্রদান করে - তুমি বাস্তবে বাস করছ না।
বর্তমানের অভিজ্ঞতা আরেকটা প্রশ্নের সম্মুখীন করে, 'আমি এই বিশ্বকে একভাবে দেখছি, অন্যদিকে যারা আশেপাশে বাস করে, তারাও একই বিশ্ব দেখছে। আপনি কি করে বলেন যে এটা একটা স্বপ্ন?'
যদি স্বপ্নে তুমি কোনো শহর দ্যাখ এবং যদি সেই স্বপ্নে তুমি তোমার পুরো পরিবার নিয়ে যাও, তখন কেবল তুমিই নও, তোমার স্বপ্নের ভিতরে পরিবারের সবাই সেই একই শহরকে দেখবে, কারণ তারাও তোমার মনেরই অভিক্ষেপণ!
তাই, যেহেতু তোমার আশেপাশের লোকেরা তোমার মত একই দৃশ্য দেখছে, তার অর্থ এই নয় যে সেই দৃশ্যটি বাস্তব। তোমার আশেপাশের লোকগুলিও হয়তো একই দৃশ্যের অভিক্ষেপণ!
তোমার স্বপ্নজগৎ যে উপাদান দিয়ে নির্মিত, সেই একই উপাদান দিয়ে তোমার জাগ্রত জগৎও নির্মিত।
তোমার মনোযোগ সমানভাবে চেতনা বৃদ্ধি করে, যা থেকে শারীরিক স্বাস্থ্য, মানসিক সুস্থতা ও স্পন্দমান জীবন তুমি পাবে।
আমি বলি জীবনমুক্তি।
তুমি জীবনমুক্তি চাও কি না চাও, তুমি পরমজ্ঞানালোক চাও কি না চাও, সেটা গৌণ ব্যাপার। কিন্তু যদি তুমি তোমার একটু মনোযোগ 'আমি' চেতনার দিকে প্রদান কর,
সত্যের দিকে প্রদান কর, কেন্দ্রের দিকে প্রদান কর, হঠাৎ তুমি দেখবে যে অসাধারণ অন্তর -নিরাময় ঘটছে।
উদাহরণস্বরূপ, যদি তুমি কিছু বিরাট সমস্যা বা বিষণ্নতার মুখোমুখি হয়েছ, যদি তুমি আরামদায়ক অনুভূতি বা অন্তর-নিরাময় ঘটা অভিজ্ঞতা করবে। সেই অন্তর-নিরাময়কে আমি বলি ধ্যান। তোমার মধ্যে ঘটা সেই প্রশান্ত সজাগতাকে আমি বলি 'সাতোরি' বা সমাধির প্রথম ঝলক।
তুমি যা দেখছ তা তোমার ভাবা মত বাস্তব নয়, এই সহজ বোধগম্যতার সাথে এক মৌলিক জ্ঞানীয় পরিবর্তন অথবা এক মৌলিক মনস্তাত্ত্বিক বিপ্লব তোমার ভিতরে অসাধারণ সজাগতা নিয়ে আসতে পারে।
ধ্যানের ওপরে বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফল
বিজ্ঞান গঠনের সম্পর্ক পরিবর্তনের বিরাট ক্ষমতার ফল। ধ্যান জীবনের সমস্ত স্তরে - শারীরিক, মানসিক, আবেগ-সংক্রান্ত, আধ্যাত্মিক গুণগত পরিবর্তন আনে। ধ্যান সহজেই জীবনের গুণমান পরিবর্তিত করে দিতে পারে।
মস্তিষ্কের বর্ধিত ক্ষমতা
এখন পর্যন্ত বিশ্বাস করা হত যে মস্তিষ্ক শৈশবে নির্ধারিত হয়ে যায় এবং তা পরিবর্তন হয় না, তাই মস্তিষ্কের বুদ্ধি ছোটবেলাতেই বন্ধ হয়ে যায়। এখন বিজ্ঞানীরা দেখছে মস্তিষ্ক বস্তুত বৃদ্ধি পায় এবং সমস্ত জীবনভর নতুন নতুন সামর্থ্য অর্জন করে। বিজ্ঞানীরা এই সামর্থ্যকে বলে নিউরোপ্লাস্টিসিটি।
একদিন আমি পড়ছিলাম (ওয়াশিংটন পোস্ট, ৩ জানুয়ারী, ২০০৭) ধ্যান ও বিজ্ঞানের সম্পর্ক বিষয়ে কিছু গবেষণা করেছে। এই গবেষণা একদল নিয়মিত ধ্যান করে এমন বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের ওপরে করা হয় যারা বহু বছর ধরে ধ্যান করেন। আবার সেই গবেষণা একদল ছাত্রদের ওপরেও করা হয় যারা সাম্প্রতিক ধ্যান শিখেছে ও শুরু করেছে।
গবেষকেরা লক্ষ্য করল যে ধ্যানে নবীন ছাত্রদের চেয়ে ধ্যানরত সন্ন্যাসীদের সজাগতা অনেক বেশী ও মস্তিষ্কের কার্যকলাপ দ্রুততর এবং অনেক বেশী সংগঠিত ও সমন্বিত। কেবল তাই নয়, মস্তিষ্কের যে অঞ্চলগুলি ইতিবাচক চিন্তা ও আবেগের সাথে সংযুক্ত, তা সন্ন্যাসীদের মধ্যে ছাত্রদের চেয়ে অনেক বেশী সক্রিয়।
আরেকটা গবেষকেরা দেখল যে ধ্যান শুরু করার আগেই, পারদর্শী সন্ত্যাসীদের মস্তিষ্কের কার্যকলাপ সেই ছাত্রদের চেয়ে অনেক বেশী সুসংহত ও সংগঠিত। তাই ধ্যানের উপকার প্রকৃতপক্ষে স্থায়ী হয়। ধ্যান সহজেই মস্তিষ্কের সাকিট ও তার ভিতরের কার্যকলাপ পরিবর্তন করতে পারে।
আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয় এবং এমআইটি (ম্যাসাচুসেট্স) ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি), তারাও ধ্যানের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করেছে।
এমআরআই (ম্যাগনেটিক রেসোনেল ইমেজিং) ব্যবহার করে গবেষণাতে দেখা গেছে যে ধ্যান মস্তিষ্কের কয়েকটি অঞ্চলের আকার ঐতিহ্যগতভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে, যে অঞ্চলগুলি সজাগতা ও সংবেদনশীলতা এবং আবেগসংক্রান্ত সুস্থতার সাথে সম্পর্কিত।
গবেষকেরা দেখল যে ধমনীগুলি আরও চওড়া হয়ে যায়, পরিপোষণের কাঠামোগুলি সংখ্যায় বাড়ে এবং তাদের আরও বেশী শাখা ও সংযুক্তি হয়ে যায়।
ধ্যান বনাম নিদ্রা
একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা হয় যেখানে মানুষের সজাগতার ওপরে নিদ্রালুতার কি প্রভাব হয়, তা পরীক্ষা করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের একটা পর্দায় তাকাতে বলা হয় এবং যখনই পর্দায় আলো আসবে, তাদের একটা বোতাম টিপতে বলা হয়। সাধারণত যে ভাল ঘুমিয়েছে তার থেকে যার ঘুম কম হয়েছে, তার সাড়া দিতে বেশি সময় লাগে। কখনও কখনও আলো আসার পরেও সেটাকে দেখতে পারে না।
গবেষকেরা অংশগ্রহণকারীদের নিদ্রা, ধ্যান, পড়া বা কোন হাল্কা কাজ করার চল্লিশ মিনিট আগে ও পরে পরীক্ষা করে।
তারা দেখে যে ধ্যান করলে প্রতিটি ক্ষেত্রেই মানুষ ভাল ফল করে। এমনকি যারা ঘুমায়, জাগার পরে তাদের সাড়া দেওয়া আরও ভাল হয়!
উন্নততর একাগ্রতা ও সাড়া দেওয়ার গতি
উপলব্ধি নির্ভুলতায় ধ্যানের প্রভাব বোঝার জন্য অনেক গবেষণা করা হয়েছে।
ইংল্যান্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু পরীক্ষা করা হয়। একটি পরীক্ষাতে অংশগ্রহণকারীদের অক্ষরের লাইন দেওয়া হয় ও তাতে অক্ষরগুলির ওপরে বিভিন্ন স্থানে ড্যাশ বসানো থাকে। যাদের অক্ষরের ওপরে একাধিক ড্যাশ আছে, তাদের সেটাকে যত শীঘ্র সম্ভব কেটে ফেলতে হবে।
পরীক্ষাতে আরেকটা অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন রঙে লেখা 'লাল', 'নীল' বা 'সবুজ' শব্দগুলি দেখানো হয়। তাদের যত শীঘ্র সম্ভব রঙটার নাম বলতে হবে। সাধারণত এটা কঠিন কারণ তোমার মস্তিষ্ক লিখিত শব্দের রঙ না দেখে ও সনাক্ত না ক'রে সেই শব্দটাকে পড়তে অভ্যস্ত!
তারা দেখল যে যারা ধ্যান করে তারা দ্রুততর এবং যারা ধ্যান করে না তাদের চেয়ে অর্ধেক ভুল করেছে।
ধ্যান সজাগতা, মনোনিবেশ, স্মৃতি, একাগ্রতা, সাড়া দেওয়ার গতি, আবেগসংক্রান্ত সুস্থতা এবং সাধারণ স্বাস্থ্যের উন্নতিসাধন করে।
হিন্দু বিজ্ঞানীরা ধ্যানের উপকারের বিস্তৃত মাত্রা অনুসন্ধান করতে কেবলমাত্র শুরু করেছে। প্রাচ্যের অন্তর্বিজ্ঞানীরা হাজার হাজার বছর আগে ধ্যান নিয়ে গবেষণা করছেন। বর্তমানকালে বাস্তবভিত্তিক মডেল ও বিজ্ঞান উভয়েই বৈদিক সংস্কৃতিকে ভিত্তি করে। এই কারণে মানুষ ধ্যানের উপকারিতা উপভোগ করে, ধ্যানই তো চড়ান্তের দিকে চড়ান্ত পথ! নিজেকে উপলব্ধি করার জন্য এটা এক অব্যর্থ এবং সময় পরীক্ষিত প্রক্রিয়া।
নিত্যধ্যান - লাইফ ব্লিস্ মেডিটেশন
জীবনমুক্ত জীবনযাপনের জন্য নিত্যধ্যান হল দৈনন্দিন ধ্যান।
শ্রেষ্ঠতম প্রক্রিয়া
কিছু ধ্যান সময় ও ব্যক্তি নির্দিষ্ট এবং কিছু ধ্যান হল সর্বজনীন। নিত্যধ্যান হল আজকালকার অন্বেষণকারীদের জন্য। এটা হল সাইবার-এজ্ (Cyber age) ধ্যান।
এটি একটি মজবুত প্রক্রিয়া যা সম্পূর্ণ মনোযোগের উপর কার্য করে এবং জাগতিক রূপান্তরিত জীবনসূচিত করে। এই প্রক্রিয়াটির প্রতিটি বিভাগ অন্য বিভাগগুলির পরিপূরক এবং তা ব্যক্তিগত কেন্দ্রগুলির কারণসমূহকে চিহ্নিত করে। এটা প্রাত্যহিক ধ্যান চিরন্তন আনন্দের জন্য - নিত্য আনন্দ।
নিত্যধ্যানের জন্ম
প্রথমে কিভাবে এই নিত্যধ্যান প্রক্রিয়া ঘটে, এগার বছর বয়স পর্যন্ত আমি বহু ধ্যান প্রক্রিয়া নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করি। বার বছর বয়সে আমার পরমাত্মার সাথে বাস্তবিকভাবে সাক্ষাত হয়। তারপর থেকে বহু বছর যাবত আমি বিভিন্ন ব্যক্তির থেকে পাওয়া গুলিস্ক (Gulisku) ও বিশ্লেষণ করি। আমার জীবনমুক্তির পর তিন বছর ধরে, আমি একটা পরিপূর্ণ প্রযুক্তি সৃষ্টি করার জন্য কার্য করি যাতে অন্যদের জীবনমুক্তির এই অভিজ্ঞতা প্রদান করা যায়। বর্তমানে এই সমস্ত অভিজ্ঞতা ও সুগন্ধসার নিত্যধ্যান প্রক্রিয়ায় সূত্রবদ্ধ হয়েছে।
চক্র সজাগতা
এই প্রক্রিয়াটি বোঝার জন্য আমাদের 'চক্র' বা সূক্ষ্ম শক্তিকেন্দ্রগুলি সম্পর্কে একটা ধারণা রাখা উচিত। মানুষের প্রত্যেকটি চক্রের ওপর কার্য করা যেন শক্তির নতুন ধারা (চ্যানেল) জাগ্রত করা। একে ফাইন টিউনিং (fine tuning) এর সাথে তুলনা করা যায়।
মানুষ কেবল এই সাতটি চক্রের ওপরে ভিত্তি করে চিন্তা করতে পারে। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে, কামনা, বাসনা, স্পর্শ প্রধান। অন্য কারো জন্য ভয় তাদের চালিত করে। বাসনার মতো আবেগ ক্ষণকাল স্থায়ী। কিন্তু তোমাকে প্রেমের মতো অন্য মাত্রাকে অভিজ্ঞতা করতে হবে। তোমাকে বুঝতে হবে যে কেবল অন্তরের শক্তি দ্বারা সক্রিয় থাকা সম্ভব।
যদি তুমি আবেগগুলির উদ্ধে চলে যেতে পারো এবং মানসিক গঠন থেকে মুক্ত হতে পারো। তুমি এক স্বাধীন সত্তা হয়ে কার্য করবে। যদি তুমি তোমার মানসিক গঠন থেকে মুক্ত হও, কেবল তাহলে তুমি স্বাধীনতার মূল্য বুঝতে পারবে।
যখন তুমি মুক্ত হবে, তুমি এক নতুন জন্ম বোধ করবে। যে পরিচয়ের ওপরে তোমার ব্যক্তিত্ব দাঁড়িয়ে আছে অথবা যে ধারণার ওপরে তোমার জীবন দাঁড়িয়ে আছে, তা একদম গলে যাবে। তুমি এক নতুন শক্তি অভিজ্ঞতা করবে।
উদাহরণস্বরূপ, হঠাৎ তুমি যদি শেয়ার মার্কেটের ব্যবসায় ঢুকে পড়, তুমি টেলিভিশন, ম্যাগাজিন ও লোকেরা ইত্যাদিদের কাছ থেকে শেয়ার মার্কেটের সর্বশেষ খবর নেবার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়বে। এক মাস পরে তুমি অনুভব করতে শুরু কর যে সমস্ত পৃথিবী শেয়ার মার্কেট সম্পর্কে আরও সজাগ হয়ে যাচ্ছে এবং নিজেকে শেয়ার মার্কেট সম্পর্কিত মানুষের দ্বারা আরও বেশী পরিবেষ্টিত অনুভব কর। তার মানে এই নয় যে পৃথিবী পরিবর্ত ন হয়েছে। যখন শক্তি কেন্দ্র স্থানান্তরিত কর, তুমি সেই প্রকার মানুষ তোমার চারপাশে একত্র করতে আরম্ভ কর।
মানুষ স্বাভাবিকভাবে বিশ্বকে নিজের মতো করে দেখতে শুরু করে। সেইজন্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেন, "মানুষ বিশ্বকে নিজের কারণের মাধ্যমে মানে।" এটাকেই তারা নির্দেশ করে - সাতটি আবেগ যা নির্ণয় করে তুমি কিভাবে বিশ্বকে দেখ।
নিত্যধ্যান - ধ্যানপ্রক্রিয়া
এটা পাঁচ ধাপের প্রক্রিয়া, প্রতিটি ধাপ সাত মিনিটের।
১) বিশৃঙ্খল শ্বাসপ্রশ্নাস
সময় : সাত মিনিট
বজ্রাসনে বসতে পারো (হাঁটু ভাঁজ করে, পায়ের পাতা পেছনের দিকে)। সাধারণত আমাদের শরীরে সহস্রার চক্র থেকে মূলাধার চলে শক্তি প্রবাহিত হয়। বজাসন সেই প্রবাহকে প্রতিরোধ করে এবং এতে শক্তি ঊর্ধ্বদিকে চলে।
মাঝে মাঝে বসতে কষ্ট হতে পারে, তাই কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে পারো। গভীরভাবে ও বিশৃঙ্খল ভাবে শ্বাস ভিতরে নাও ও বাইরে ছাড়, তাতে যেন কোন প্রকার ছন্দ না থাকে। কেবল শ্বাসের দিকে নজর দাও। তোমার সমস্ত সত্তা যেন শ্বাসপ্রশ্নাস হয়ে যায়।
এই প্রথম ধাপটি খুবই শারীরিক -বজ্রাসনে বসে প্রগাঢ়ভাবে ও বিশৃঙ্খলভাবে শ্বাস নাও ও ছাড়। যাদের যদি কোন হজমের সমস্যা থাকে, তা সম্পূর্ণরূপে নিরাময় হবে। তোমার দেহ প্রস্তুত হবে।
যখন মনোযোগ নিবিড়ভাবে স্পন্দিত হতে শুরু করবে, তোমার শরীরের ভিতরে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের জন্য।
একটা গুরুতপূর্ণ জিনিষ্য তোমাকে বুঝতে হবে যে শ্বাসপ্রশ্নাসের গুণমান তোমার মনের অবস্থার ওপরে নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। যখন তুমি কেন্দ্রিত থাক, তোমার শ্বাস পরিবর্তিত হয়। ক্লাসিক হলে তোমার শ্বাসের পরিবর্তন হয়। যখন তুমি কোন চাপে আছ, যদি তুমি একটা গভীর শ্বাস নাও, হঠাৎ তোমার নিজেকে হালকা ও স্বচ্ছদ্দে মনে হবে এবং চাপ চলে যাবে।
শ্বাস ও মন পরস্পর সম্পর্কিত। একটাকে পরিবর্তন করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্যটা বদলায়। আবেগ হয়ত আমাদের হাতে নেই, কিন্তু শ্বাসের ওপর আমাদের অধিকার আছে। যদি আমরা আমাদের শ্বাসকে নিয়ন্ত্রণ করি অথবা শ্বাসের প্যাটার্নে কিছু পরিবর্তন নিয়ে আসি, আমরা সরাসরি আমাদের আবেগ ও মনের অবস্থাকে প্রভাবিত করব।
আমাদের শরীরের ভিতরে আমাদের অতীতের অনেক স্মৃতি আবদ্ধ থাকে। আমাদের অতীতের সংস্কারগুলি শরীরে তালাবদ্ধ আছে ও সেগুলি এক নিৰ্দিষ্ট প্রকার শ্বাসের প্যাটার্ন সৃষ্টি করে। ফলে আমরা একই প্রকার আবেগ ও সংস্কার আকর্ষণ করি। বাসনা এক ফুল্কির মতো, যা আমাদের সংস্কার শ্বাসের প্যাটার্ন সৃষ্টি করে এবং সেই একই প্রকার সংস্কার ও ঘটনা আকর্ষিত করে। এই দুষ্টচক্রটাকে ভাঙ্গতে হবে।
নিত্যধ্যান বিশৃঙ্খল শাসপ্রশ্নাস দ্বারা শুরু হয়। এখানে কোন স্থায়ী প্যাটার্ন বা ছন্দ নেই। মনের যে প্যাটার্ন মনকে বিদ্যমান করে ও মনকে প্রকাশ করে, সেই প্যাটার্ন এখানে ভেঙে যায়। যে প্যাটার্ন এতদিন ও এত বছর ধরে অনুসরণ করছিল, তা আর অনুসরণ করতে পারে না।
মাংসপেশী আমাদের অতীতের সমস্ত স্মৃতির ভান্ডার। শরীরের পেশীর চাপ (টেনশন) মুক্ত করতে শুরু করবে এবং শরীর হালকা ও বিভিন্ন স্তরের জন্য প্রস্তুত হবে। আমাদের শরীরের ভিতরে প্রতিটি আবেগ এক নিৰ্দিষ্ট শ্বাসের প্যাটার্ন সৃষ্টি করে। যখন শিশুরা জন্ম নেয়, তারা আনন্দের সাথে শ্বাস গ্রহণ করে। কিন্তু তারা বড় হতে থাকলে সমাজ থেকে বেদনা, সুখ, অপরাধবোধ, বিশ্বাস ইত্যাদির ধারণা কুড়িয়ে নেয়। জানুয়ারী থেকে জানুয়ারী তাদের শ্বাসের গুণমানের সম্পূর্ণ পরিবর্তন হয়। এই প্যাটার্ন যা অভ্যাসগতভাবে চাপা আবেগ দ্বারা তৈরি হয়েছে, তাকে ঝাঁকুনি দেবার জন্য, আমাদের বিশৃঙ্খলাবে প্রবেশ করাতে হবে। আরেকটা প্যাটার্ন প্রবেশ করানো কোন সমাধান নয়।
শরীরে শান্তি আনার জন্য তোমাকে তোমার সিস্টেমে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে হবে। তাই এই ধ্যানে কোন ছন্দোবদ্ধ শ্বাসের প্যাটার্ন সুপারিশ করা হয়নি। কেবল বিশৃঙ্খল ভাবে শ্বাস নাও ও ছাড়। তোমার সমস্ত আসক্তিকে এই বিশৃঙ্খল শাসপ্রশ্নাস ধ্বংস করবে।
এটা যেন, শুকনো পাতা বিশিষ্ট কোন একটা গোছকে বাঁকানো। সমস্ত শুকনো পাতাগুলি পটপট করে ঝরে যাবে। বিশৃঙ্খল শ্বাস বিভিন্ন স্থানের স্মৃতিগুলিকে বিমুক্ত করবে।
গভীর বিশৃঙখল শ্বাসপ্রশ্নাস শরীরে বহু পরিমাণে অক্সিজেন প্রবেশ করায় এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ করে। এর ফলে বায়ু-ক্লান্তি সৃষ্টি হয় এবং শরীর মুক্তি ও স্পন্দন অনুভব করতে সক্ষম হয়।
ব্যক্তিত্বের মূল ক্রিয়াকলাপ যা জৈব-রাসায়নিক (bio-energy) রূপে শরীরে সমস্ত দিকগুলি জীবিত ও সতেজ হয়ে ওঠে। এর সাথে যে সমস্ত জিনিস মিশে থাকে কিম্বা সংস্কারজনিত যা থাকে, তা মুছে ফেলতে আরম্ভ করবে এবং তুমি হালকা, শক্তিমান ও আনন্দময় অনুভব করবে।
২) প্ৰগাঢ় গুঞ্জন
সময় : সাত মিনিট
স্বাভাবিকভাবে বসতে পারো। তালু ওপরদিকে রেখে 'চিন মুদ্রা' গঠন কর এবং তোমার হাত হাঁটুতে রাখ।
এবার ঠোঁট দুটো একসাথে বন্ধ করে এক গুঞ্জনধ্বনি কর, যত জোরে পার কর ও যত লম্বা সম্ভব কর।
তোমার 'মমমম ...' অ্যালুমিনিয়ামের বাসনের ভিতরে মুখ ঢুকিয়ে কথা বললে যেমন আওয়াজ হয়, অনেকটা সেই রকম আওয়াজ হবে। লক্ষ্য কর, এটা 'হমম...' অথবা 'ওমম...' নয়, এটা হল তোমার ঠোঁটদুটো একসাথে করা ও 'মমম...' ধ্বনি বার করা। দুটি শ্বাসের মধ্যে এই গুঞ্জন যতটা পারা যায় লম্বা কর। গুঞ্জন যেন গভীর হয় এবং নাভি অঞ্চল থেকে আসে। গুঞ্জন যত সজোরে পার কর। মাঝে গভীর শ্বাস নেবার প্রয়োজন নেই। দরকার মত শরীর নিজে থেকে সঠিক পরিমাণে শ্বাস নেবে।
তোমার সমস্ত সজাগতা গুঞ্জনের ওপরে রাখো। কথা বলো না। এই গুঞ্জন ভিতরের কিচিরমিচির কমানোর জন্য এক খুব সুন্দর প্রক্রিয়া। ভিতরের কিচিরমিচির আর কিছুই নয়, সেটা কেবল আমাদের মধ্যে চলা স্বতন্ত্র চিন্তাগুলির প্রকাশ। যখন গুঞ্জন করা শুরু কর, তুমি হালকা অনুভব করা শুরু কর, যেন তুমি ভাসছ। তুমি দেহে ভারী অনুভব কর না কারণ গুঞ্জন মনের কম্পনকে দেহের কম্পনের সাথে মিলিয়ে এক অভিন্ন অভিজ্ঞতা করা আরম্ভ করো।
আঙুল শক্ত করে রেখো না। আরাম ক'রে কর। তোমার পূর্ণ সত্তা ও শক্তিকে এই স্পন্দন সৃষ্টি করার জন্য নিবিষ্ট কর। দুটি গুঞ্জনধ্বনির মধ্যের সময় কমানোর চেষ্টা কর। কিছুক্ষণ পরে তুমি অনুভব করবে
যেন বাতাস বুকের ভিতরে গুঞ্জন করছে এবং তুমি কেবল এক শ্রোতা হয়ে গেছ। দেহ ও মন সেই গুঞ্জনধ্বনির সাথে অনুরণিত হওয়া শুরু করে।
গুঞ্জন ভিতরে এক সুস্থ বাক্যালাপ সৃষ্টি করবে এবং এক সুস্থ ও উন্নীত আবেগসংক্রান্ত সজাগতা সৃষ্টি করবে।
৩) চক্র সজাগতা
সময় : সাত মিনিট
বজ্রাসনে বহাল থাক অথবা ইচ্ছা হলে স্বাভাবিকভাবে বসতে পারো। তালু ওপরদিকে রেখে 'চিন মুদ্রা'-য় রাখ। এখন মূলাধার চক্র থেকে সহস্রার চক্র পর্যন্ত মনোযোগ নির্দেশ করো। ইচ্ছা হলে মুক্তিদায়ক মণ্ডলের নির্দেশনা অনুসরণ করতে পারো। প্রতিটি শক্তিকেন্দ্র অনুভব কর যেন তোমার সমস্ত সত্তা সেই শক্তিকেন্দ্র হয়ে গেছে।
এই সাত চক্রের প্রতিটি, একটি বিশেষ আবেগের সাথে সংযুক্ত। কিলিয়ান ফটোগ্রাফি এই চক্রগুলিকে ধরতে পেরেছে এবং শক্তিস্তরে जामन विष्ठूटक विष्ठान करवार। वर्तन्त्र वर्द वार्वश्रुलि रून व्यकोटक मकिक পরিস্থিতি ও লোকেদের সাথে একই পুরানো উপায়ে প্রতিক্রিয়া করার জন্য টানে এবং সেই প্রতিক্রিয়াকে বলে আবেগগুলি নির্দিষ্ট শক্তিকেন্দ্রকে অবরোধ করে এবং শারীরিক ও মানসিক ব্যাঘাত ঘটায়। তাই এই ধাপে মেরুদণ্ডের গোড়া থেকে শুরু করে মাথার তালু পর্যন্ত প্রতিটি শক্তিচক্রে আমরা আমাদের পূর্ণ সজাগতা কেন্দ্রিত করি। যখন
কোন কিছুকে আমাদের সজাগতা দ্বারা প্লাবিত कवि, जान किञ्जन नकानाण्यकणा सुरू याया। यदि আমাদের শরীরের কোন অংশে বেদনা থাকে এবং যদি আমরা সেই অংশকে সজাগতা দ্বারা প্লাবিত করি, আমরা দেখব যে বেদনা একটা বিন্দুতে সংকুচিত হয় ও অদৃশ্য হয়ে যায়!
विविधि मण्डिक्क्स्कर एक वक वक सिनिष्ठ ধরে সচেতনতা দ্বারা প্লাবিত কর। অনুভব কর সমস্ত পৃথিবীতে কেবলমাত্র সেই শক্তিকেন্দ্রটিই বিদ্যমান। অন্য কিছু নেই। পূর্ণরূপে অনুভব কর যেন তোমার সমগ্র সত্তা সকারাত্মকতা ও হালকা-ভাব দ্বারা পরিপূর্ণ। তুমি অনুভব করবে।
वाद्य उभवन्द करण्डलिट्ठ स्वेण्ड केठेटर থাকলে তোমার সতেজতা ও প্রগাঢ়তাও বৃদ্ধি পাবে। এই প্রত্যক্ষীকরণ এক সুস্থ মন ও আবেগ, অন্তরে সুস্থ বাক্যালাপ এবং উন্নীত আবেগ সংক্রান্ত সজাগতা সৃষ্টি করতে সহায়তা করে। ও হালকা অনুভব করবে।
यदि সহকারে কেন্দ্রিত হও, তোমার মন অত সহজে घरव विज़ादव ना, मन शिव राव कानन वर्णुलि জীবন্ত মণ্ডিকল্যা यदि कूलि मनीत्वन वना কোন অংশে মনোনিবেশ করার চেষ্টা কর, তোমার মন সহজেই ঘুরেফিরে বেড়াতে পারে।
সময় : সাত মিনিট
এই वासनामाणा मर शाक व्य जानाव किलागुलि व्यमर्यूक, व्योकिक उ वान क्लाकड़। यदि তোমার চিন্তা থাকে, তাদের চেপে রাখতে যেও না, আবার তাদের জন্য প্রতিক্রিয়াও করতে যেও না। চিন্তাগুলি যে আনক্লাচ্ছড় (অসংযুক্ত), কেবল সেই বোধগম্যতা সহকারে তাদের লক্ষ্য কর। স্বতঃশ্চলভাবে প্রত্যক্ষদর্শী চৈতন্য তোমার মধ্যে গঠনে আরম্ভ করবে।
এটা বুঝে নাও, তুমি উপলব্ধি করতে পার কি না পার, তুমি স্বীকার করে কি না কর, তুমি ইতিমধ্যেই জীবনমুক্ত। তোমার প্রকৃতি वनुयायी रूसि रूटल वान्क्लाफूड़। नीवन राय वटमा ववर वानक्लाफूड़ वर्तन्त्रा वाणिख्या कव, সেটা তো বিশুদ্ধ সত্তা ও পরমানন্দের অবস্থা। জীবনমুক্ত অবস্থা অভিজ্ঞতা করার জন্য এটাই চড়ান্ত প্রক্রিয়া।
নিত্যযোগ - দেহ, মন ও তাদের ছাড়িয়ে
জীবনমুক্তি হল প্রতিটি মুহূর্তে যোগে থাকা।
যোগ কেবল শারীরিক স্বাস্থ্য-সবলতার জন্য নয়। দেহ, মন ও আত্মাকে একত্র করার অর্থ বোঝার জন্য শরীরকে তৈরি করাও যোগ। এই একত্র করার জন্য পতঞ্জলির শারীরিক जाराद्य विकल्लिक व्यकिया रूल निज्यायांग। আমরা যা বলেছি, একইভাবে নিত্যযোগ হল জেট-প্রজন্মের (jet-age) যোগ।
যোগ কি?
প্রাচীন যোগবিজ্ঞানের পিতা পতঞ্জলি প্রদত্ত 'পতঞ্জলি যোগসূত্র' যোগশাস্ত্রে' যোগশাস্ত্রের বুনিয়াদ। তিনি তাঁর যোগসূত্রের শুরুতেই বলেন :
যোগঃ চিত্তবৃত্তি নিরোধঃ
তিনি বলেন, 'যোগ হল মনের নিবৃত্তি।' বোঝ, তার মানে এই নয় যে যোগ মনের निवृद्धित माट्य द्वास रूट्य याया, वन्द्रक व्यांन সেখানে শুরু হয় যেখানে মন সমাপ্ত হয়।
প্রকৃতপক্ষে যোগ কখনও সমাপ্ত হয় না, অবিশ্ৰাম ঘটনা ঘটা।
যোগ কিভাবে এক অবিশ্ৰাম ঘটনা, তা বোঝার জন্য আমাদের একটা গুরুত্বপূর্ণ মঙ্গলময়।
बकफम भविष्कान करव वाद्य, व्यणिजि অভিজ্ঞতা তোমার চেতনাকে উন্নীত করে এবং তোমাকে আরও পরিণত করে। এমনকি নিজের সত্যকে আত্মভূত করতে সমর্থ হও, তুমি হঠাৎ জীবনকে প্রতিটি মুহূর্তে ঘটা এক সুন্দর ঘটনা হিসাবে দ্যাখ।
একটা ছোট গল্প :
মহাসাগরে একবার একটা জাহাজ চলছিল। হঠাৎ জাহাজের ক্যাপ্টেন সামনে উজ্জ্বল আলো দেখল এবং জাহাজের সবাইকে সতর্ক করে জাহাজের মুখ ঘোরাতে চাইল। সে তাড়াতাড়ি সেই আলোর দিকে ঘোষণা করল, 'দয়া করে পনের ডিগ্রী উত্তরে জাহাজ ঘোরাও, নয়ত ধাক্কা লাগতে পারে।'
একটা আওয়াজ ফিরে বলল, 'আমরা भवासर्व জাহাজের গতিকে ঘোড়াও।'
এখন জাহাজের ক্যাপ্টেন রেগে গেল वर श्रक्टव उ क्यू फिशिया बलल, 'বাजा দেশের সবচেয়ে বড় জাহাজ। আমাদের সাথে তিনটে ডেস্ট্রয়ার বা যুদ্ধজাহাজ, সুরক্ষার জিনিষপত্র আছে। আমি আদেশ দিচ্ছি তুমি তোমার গতি भटनव দिश्ची देखदन याज़ा उ নजूना वर् वा वर् জাহাজের সুরক্ষার জন্য পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
কষ্ঠস্বর সোজাসুজি উত্তর দিল, 'এটা একটা লাইটহাউস!'
এবং সেই অস্তিত্ব তোমাকে গাইড করছে যাতে সবচেয়ে ভাল করে ঘটে। তার সাথে একদম সুর বেঁধে নাও - সেটা ই সর্বোত্তম পথ! যোগ হল সেই সুর বাঁধার পথ, টিউন করার পথ, টিউন করা হয়।
शारीरिक অঙ্গভঙ্গি - কিভাবে শরীরকে বেঁকানো যায় ও তাকে চালনা করা যায়।
একদিন আমি এই রসিকতা শুনলাম :
একটা গুহার ছাদে একদল বাদুর ঝুলছিল। তারা দেখল একা একটা বাদুর গুহার মাটিতে সোজা দাঁড়িয়ে আছে।
বাদুরগুলি অবাক হল এবং জিজ্ঞাসা করল, 'তুমি ওখানে কি করছ?'
বাদুরটি জোরে উত্তর দিল, 'যোগ!'
লোকেরা মনে করে যোগ হল শরীরকে মোচড়ানো এবং শারীরিক সুস্বাস্থ্যের জন্য करना। দয়া করে বোঝ, যোগ কোন লক্ষ্য নয়, এটা একটা ক্ৰমাগত ঘটা ঘটনা।
'यात्र' मटकन वाकितिक वर्थ रूल 'সংযুক্ত করা'।
বাস্তবতা ও স্বপ্নের মধ্যে ব্যবধান কমানো
প্রথমটা হল, আমরা যে স্বপ্নের জীবন বাঁচতে চাই। অন্যটা হল, বাস্তবতার জীবন, যে জীবন আমরা এখন যাপন করছি। এই দুটি জীবনের মিলনকে আমরা বলি 'যোগ'।
সংযুক্ত করা যায়?
তুমি দুটিকে সংযুক্ত করতে পার হয় স্বপ্ন ও কল্পনাগুলির গভীরতা কম করে অথবা তোমার শক্তির প্রকাশকে বুদ্ধি করে, যাতে
বাস্তবতা ও স্বপ্ন পরস্পরের কাছাকাছি আসতে পারে।
যদি তুমি কল্পনার গভীরতা কম কর, আসবে। অন্যদিকে যদি তুমি বাস্তবতার মাধ্যমে প্রকাশিত শক্তিকে বর্ধিত কর, বাস্তব তল স্বপ্ন তলের কাছাকাছি আসবে। এই দুটি তলের যোগ।
অতিকল্পনাগুলির (ফ্যান্টাসি) গভীরতা কমানো অথবা বাস্তবে প্রকাশিত শক্তিকে বাড়ানোর জন্য অবিশ্রাম কিছু করা হল যোগ।
একটা গুরুতপূর্ণ ব্যাপার, যখন স্বপ্ন ও যোগ ঘটে। কিন্তু তা সেখানেই শেষ হয় না, যোগ সেখানে কেবল আরম্ভ হয়!
সাধারণত যোগ বলতে বোঝা হয় কিছু অঙ্গভঙ্গিকে আয়ত করা বা এক বিশেষ অবস্থা প্রাপ্ত করা। যোগ অঙ্গবিন্যাস আয়ত্ত করা নয়, আবার কোন বিশেষ অবস্থা প্রাপ্ত করাও নয়। ঘটনাগুলিতে জাগ্রত হওয়া।
যে ব্যক্তি 'বাস্তব জগৎ'-কে তার স্বপ্নের দিকে নিয়ে যায়, সে হল জড়বাদী বা দেহাত্মবাদী। সে জীবনে যা স্বপ্ন দেখে সেটাকে বাস্তবে রূপান্তরিত করতে চায়। কিন্তু আসল মানে হল, জানো স্বপ্ন সত্যি নয়। যখন তুমি স্বপ্নকে কার্য করে তুলতে যাও, লক্ষ্য অবিশ্ৰাম চলমান হয়।
যে গভীরতাকে কম ক'রে স্বপ্ন-তলবে বাস্তব-তলের নিকটে নিয়ে আসার চেষ্টা করে, সে যেন এক ত্যাগী যে নিজের বাসনাগুলিকে দমন করে সত্যকে অনুধাবন করার চেষ্টা করে।
কিন্তু আমার মনে হয় যে, দমন করে সত্যের দিকে যাওয়া যায় না, আবার প্রকাশিত করেও সত্যকে পাওয়া যায় না। দমন করা বা ত্যাগ করা, আবার শক্তিকে প্রকাশ করা ও স্বপ্নকে অনুসরণ করাতে কাজ হয় না। এটা একটা অতি সুক্ষ্ম লীলা। আমি এটা বলতে পারি যে এখানে বুদ্ধের মধ্যপন্থা র শিক্ষা আমাদের সাহায্যে আসে।
মধ্যপন্থাকে বলা যায় জাগরণের সুগন্ধসার অথবা আবেগগুলির চরমসীমা দ্বারা বিদীর্ণ হও না, তুমি সহজেই তাদের প্রত্যক্ষ করে এবং মধ্যপথ অনুসরণ কর।
সত্তা-অবস্থা
যোগ হল সত্তা-অবস্থা। যখন মন অবস্থান কর। সেটা 'মন-নেই' অবস্থা, পরম চৈতন্য বা জীবনমুক্তির অবস্থা।
যখন 'মন-ত্বের' অভাবের অবস্থা অভিজ্ঞতা করা হয়, তুমি জীব, জগৎ ও ঈশ্বর সম্পর্কিত বোধগম্যতা ও উপলব্ধির এক সম্পূর্ণ মানসিক বিশ্লেষণে সক্ষম হও। তুমি উপলব্ধি কর যে এই তিনটি জিনিষ পৃথক নয়, একই ঈশ্বরের অংশ।
আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা পাবার জন্য কোন মন্য সত্তা প্রাপ্তকারী এক আধ্যাত্মিক সত্তা।
পতঞ্জলি - যোগের প্রতিষ্ঠাতা
পতঞ্জলি প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ছিলেন প্রথম মাস্টার যিনি জীবনমুক্তি অভিজ্ঞতা করার জন্য এক স্বচ্ছ বিজ্ঞানসম্মত, যুক্তিগত প্রণালী সৃষ্টি করেন।
পতঞ্জলির আগে পর্যন্ত জীবনমুক্তি ছিল তোমার অভিজ্ঞতা হতে পারে বা নাও হতে পারে! এটা যেন পাশা খেলার মত, তুমি খেলেছ কিন্তু জেতার কোন নিশ্চয়তা নেই।
পতঞ্জলি ছিলেন প্রথম মাস্টার অথবা আমি বলতে পারি 'আধ্যাত্মিক সুদক্ষ-নাবিক', যিনি জীবনমুক্তির জন্য সম্পূর্ণ দিক নির্দেশিকা প্রদান করেন। তিনি পরিষ্কার ভাবে চলার পথ দেখান, জীবনমুক্তির অভিজ্ঞতা পাবার জন্য ধাপে ধাপে পদ্ধতি বাতলান। ঠিক যেভাবে বিজ্ঞানীরা বহির্বিশ্বের ঘটনা গুলিন ব্যাখা করেন, পতঞ্জলিও সেভাবে অন্তর্জগতের বোধগম্যতা বা জীবনমুক্তি উপলব্ধির পুনর্গঠনের জন্য এক নতন রাস্তা সৃষ্টি করেন।
রঘুপতি যোগী - যোগীবর
আমার বিরাট ভাগ্য যে আমি যোগের এক জীবন্ত মাস্টারের কাছে ছিলাম। তাঁর নাম যোগীরাজ যোগানন্দ পরী। তিনি রঘপতি যোগী নামেও সুপরিচিত ছিলেন। তিনি পতঞ্জলি দ্বা রা আবিষ্কৃত করেছিলেন।
তিনি যোগের সমস্ত অভিমুখগুলি আয়ত করেছিলেন - শরীরকে বক্র করে বিভিন্ন আসন বা হঠযোগের শারীরিক অভিমুখ, প্রাণ বা জীবনীশক্তি নিয়ে কার্য করা, মনকে নিয়ে কার্য করা, প্রত্যক্ষীকরণের ওপরে কার্য করা, আবেগ ও যোগের সমস্ত মাত্রার সাথে কার্য করা। যোগের মূল সত্যগুলি সম্পর্কে তাঁর এক গভীর অন্তর্দেষ্টি ছিল।
কিন্তু যে শারীরিক-ভাষা তিনি প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন, তা লিপিবদ্ধ করা যায় নি। যে সে কার্য তিনি বাতলান নি।
কেবল অভিজ্ঞতা করেছেন, তিনি পতঞ্জলিকে জীবন্ত করেছিলেন। আমি এমন এক মাস্টারের সাথে ছিলাম যিনি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন।
তাঁর অকল্পনীয় শারীরিক ক্ষমতা ছিল এবং সেগুলি তিনি অনায়াসে প্রকাশ করতেন। তিনি একটি তার বুকে একটা লোহার রশি বাঁধতেন এবং
Biology Of Belief
আচরণ করি। ডঃ লিপটন তার গবেষণার পরে একদম উল্টো বলেন - আমাদের আচরণ অনুযায়ী আমাদের জিনগুলি তৈরি হয়।
সঙ্গল্প ও প্রত্যক্ষীকরণের সামর্থ্যের মাধ্যমে বাস্তব হয়ে গেছে! উদাহরণস্বরূপ, লোকেরা নিরাময় করেছে অথবা নিজের সীমারেখাকে অতিক্রম করে শারীরিক অপূর্ণতা অতিক্রম করেছে। সঙ্গল্পের ক্ষমতার মাধ্যমে মৌলিক স্মতিকে রূপান্তরিত করে।
এই প্রাচীন সত্য এখন আধুনিক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারগুলি দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে। দেখা গেছে, যা কিছু আমরা গভীরভাবে ও মানসিক ও আধ্যাত্মিক বিষয়ে সেগুলির গভীর প্ৰভাব আছে।
জীবনমুক্তির শক্তিকে ধরে রাখার জন্য শরীরকে তৈরি করা
তের বছর বয়স পর্যন্ত রঘুপতি যোগী আমার দেহ ও মনকে জীবনমুক্তির অভিজ্ঞতা পাবার জন্য ও তাতে বিদ্যমান থাকার জন্য প্রস্তুত করেছিলেন। অভিজ্ঞতায় প্রবেশ করা, মন-ত্বের অভাব ঘটানো আনক্লাচিং প্ৰকতপক্ষে কঠিন নয়। কিন্তু সেই গুরুতপূর্ণভাবে, সেই শক্তিকে তোমার শরীরের মাধ্যমে প্রকাশ করার জন্য তোমার দেহ-মনকে প্রস্তুত করতে হবে।
জীবনমক্তির এক ঝলক পাওয়া কোন বড় ব্যাপার নয়: যে কেউ তা পেতে পারে। কিন্তু দীর্ঘকাল মুক্তি রাজ্যে বিদ্যমান শক্তিকে প্রকাশিত ও বিকিরণ করার জন্য দেহ ও মনের প্রস্তুতি প্রয়োজন।
আমি যে প্রশিক্ষণ পাই তা জীবনমুক্তির প্রচণ্ড শক্তিকে ধরে রাখার জন্য আমার মায়তন্ত্র সহ দেহকে প্রস্তুত করেছিল। এক জীবনমুক্ত দেহ প্রচণ্ড শক্তি ধরে রাখে। আমি একটা উপমা দিই, যেন কাপে করে পারমাণবিক চুল্লীর শক্তিকে ধরে রাখার চেষ্টা করা! এটা একটা পারমাণবিক চুল্লীর মত। এমনকি আমার শরীরের স্বাভাবিক মানুষের থেকে এক -দুই ডিগ্রী বেশী।
জীবনমুক্তির চূড়ান্ত - চড়ান্ত - শক্তিকে - ধারণ করার জন্য যোগ এইভাবে আমার শরীরকে প্রস্তুত করেছিল।
নিত্যযোগের উদ্দেশ্য
এটা এক বিজ্ঞান, একটা সূত্র যা অন্যদের জীবনমুক্তির সেই অভিজ্ঞতা দেবে যা আমার মধ্যে ঘটেছে।
ভেতরের অন্তর্দেশ অনুযায়ী যোগকে প্রকাশিত করছে। পরমানন্দকে অভিজ্ঞতা ও প্রকাশ করা। নিত্যযোগের মাধ্যমে অন্তর্দেশে অভিজ্ঞতা করার সামর্থ্য বহুগুণ বেড়ে যাবে। তোমার শরীরে পরমানন্দকে বিকিরণ করার সামর্থ্য ঘটা শুরু হবে।
এখন পর্যন্ত তোমার সিস্টেম হয়ত সেই জীবনমুক্ত স্থানে বিদ্যমান থাকার জন্য এবং সেই শক্তি অবিশ্ৰাম বিকিরণ করার জন্য প্রস্তুত নয়। আমি অভিজ্ঞতা ও বিকিরণ করা এবং সেখানে বিদ্যমান থাকার জন্য শরীরকে তৈরি করে।
তোমার মন পরমানন্দ অথবা আনন্দ-উত্তেজনায় থাকার জন্য সক্ষম নয়। তোমার সিস্টেম উচ্চ উত্তেজনা ও প্রগাঢ় শক্তিতে থাকার জন্য সক্ষম নয়। তোমার সিস্টেম প্রশিক্ষিত নয়, সমর্থও নয়। নিত্যযোগের মাধ্যমে আমি অন্ধেষণকারীদের কেবল পরমানন্দ অভিজ্ঞতা করার জন্য প্রশিক্ষণ দিচ্ছি তা নয়, কিন্তু সেই অভিজ্ঞতাবে তাদের মধ্যে স্থায়ী করতেও প্রশিক্ষণ দিচ্ছি।
নিত্যযোগ মানুষকে আনক্ষাত করতে ও নিত্য আনন্দ অভিজ্ঞতা করতে সাহায্য করা। মানুষেরা হয়ত শারীরিক হিসাবেও দেখতে পারে। কিন্তু স্পষ্ট করে বোঝা অনেক কিছু। শারীরিক স্বাস্থ্য যোগের কেবল একটা উপকার। আবেগসংক্রান্ত উপকারগুলিও উপজাতেরই (বাই-প্রোডাক্ট) মত।
একইভাবে ধ্যান কেবল মানসিক সুস্থতার জন্য নয়। মানসিক সুস্থতা ধ্যানের মধ্য দিয়ে ঘটা এক পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া মাত্র। তাই আমরা যোগ ও মানসিক আনতে চাই না। এটা আরও গভীরতর উদ্দেশ্যের জন্য - চিরন্তন আনন্দ্, নিত্যানন্দের এক সম্পর্ণ ভিন্ন স্থান অভিজ্ঞতা করার জন্য।
এই নতন সিস্টেমে নিত্যযোগের মাধ্যমে বাসনা রূপান্তরিত করি! এই সিস্টেমকে আমি প্রাচীনতম সিস্টেমও বলতে পারি। হয়ত এটাকে নতন সিস্টেম বলা ঠিক নয়, এটা প্রাচীনতম সিস্টেম! যেভাবে পতঞ্জলি এই বিজ্ঞানকে, এই অভিজ্ঞতাকে প্রকাশিত করেছেন, আমরাও নিত্যযোগের মাধ্যমে একই জিনিষকে জীবনপ্রদান করছি।
নিত্যযোগের লক্ষ্য হল তোমার সমগ্র জীবনকে, সকল কার্যকলাপকে পরমানন্দে রূপান্তরিত করে দেওয়া।
আজ নিত্যযোগ বিশ্বব্যাপী করা হয়। আসন, প্রাণায়াম, মুদ্রা ইত্যাদি সমস্ত উপাদানগুলি সমেত পতঞ্জলির অষ্টাঙ্গ যোগের আটটি - অঙ্গকে - একসাথে - নিয়ে - এসে নিত্যযোগ বিদ্যালয়ে - মন- ও শরীরের মিলনকে গভীরতর করে।
নিত্যযোগ তোমার জীবনে আরও বেশী সংযোজিত করে।
যদি তুমি বর্তমানে উপস্থিত থাক, যদি তুমি সজাগ হও এবং যে কোন কিছু করার সময় তুমি যদি পূর্ণরূপে সেই মুহূর্তে বিদ্যমান থাক, তাহলে সেটা হল যোগ - নিত্যযোগ।
দৈনন্দিন পরমানন্দের জীবনের জন্য আটটি অঙ্গ (ধাপ)
জীবনমুক্তি হল প্রতিটি মুখূর্তে প্রগাঢ় পরমানন্দে থাকা।
পরমানন্দে বাস করা
আনন্দময় হাসি
পরমানন্দে বাস করার জন্য আনন্দ অষ্টঙ্গ :
- ১) আনন্দময় হাসি
- ২) আনন্দময় দুঢ়বচন
- ৩) আনন্দময় পরিশোধন
- ৪) আনন্দময় যোগ
- ৫) আনন্দময় ধ্যান
- ৬) আনন্দময় সাধনী
- ৭) আনন্দময় শক্তি
- ৮) আনন্দময় স্তব
জীবনমুক্তির জন্য আটটি অঙ্গের পথ হল আত্মীভূত করার প্রয়োজন বিনা, এগুলি এমন সহজ পদ্ধতি যা তোমাকে সরাসরি অভিজ্ঞতায় নিয়ে যায়।
হাসির ধ্যান অথবা হাস্যধ্যান
ধ্যান
হাসতে শুরু করার আগে পাঁচ মিনিট ধরে হাস! কেবল নিজের ওপরে হাস। কোন কারণ ছাড়াই হাস!
হাসি এক সুন্দর ধ্যান প্রক্রিয়া। মাস্টার হাসির মাধ্যমে 'মন-নেই' স্থানকে ছুঁয়ে ফেলা। আমরা বিশ্বাস করি কি না করি, হাসি কাজ করে। অন্য প্রক্রিয়ার সাথে, আমাদের ফল পাবার জন্য অভ্যাস করতে হবে, কিন্তু হাসির জন্য অভ্যাস করার কোন প্রয়োজন নেই। হাসি প্রথম বারেই ফল প্রদান করে ও প্রতিবারই তা করে। তা গভীরে যায় এবং আমাদের শরীর ও মন নিরাময় করে।
হাসির জন্ম হয় স্বাস্থ্য থেকে এবং হাসি স্বাস্থ্য সৃষ্টি করে। এটা এক উচ্ছুাসিত শক্তি। তা আবেগসংক্রান্ত নিগ্রহগুলিকে মুক্ত করে।
হাসলে আমরা হয়ে যাই বুদ্ধ - জীবনমুক্ত। বন্ধ হল 'মন-নেই'। যখন আমরা হাসি, আমরা সেই কয়েক মুহূর্ত মন -নেই অবস্থায় থাকি। হাসির সময়, সেই মুহুর্তে আমাদের মন অদৃশ্য হয় এবং আমরা অস্তিতের শক্তির সাথে এক হয়ে যাই। হাসির সময় কি আমরা ভবিষ্যৎ অনুভব করি? না! সেই অবিদ্যমান থাকা হল মুহুর্তের জন্য মন-ত্বর বর্ত্তমান ও বর্ত্তিত্ব স্থিতিশীল। তাই আমাদের আরও বেশী করে হাসা উচিত। নিজের অবিদ্যমানতার মুহূর্তকে প্রসারিত করা যায় যাতে আমরা আমাদের ভবিষ্যৎকে সম্পূর্ণরূপে একীভূত হয়ে বাস করি।
হাস্য বিভিন্ন রোগ নিরাময় করে বলে জানা যায়। আন্তরিক ক্ষণ্ডকাওক নিয়ে আসে।
আনন্দের সংকল্প অথবা আনন্দ-সংকল্প
আনন্দ অর্থ পরম সুখ। সংকল্প অর্থ শপথ বা প্রতিজ্ঞা। আনন্দ সংকল্প অৰ্থ হল আনন্দের প্রতিজ্ঞা।
তুমি আনন্দময় হবার নির্ণয় নিতে পার। তোমার করা এক পছন্দ নয়। যদি তুমি মনোভাবের বিকাশ সাধন করা যায়।
আবদুল্লা তাঁর সর্বদা হাস্যমুখের জন্য সুবিদিত ছিলেন। এমন কি মৃত্যুশয্যাতেও তিনি হাসছিলেন। শেষে তাঁর শিষ্যরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করে তিনি কিভাবে এত আনন্দময় হয়ে থাকেন। তারা প্রশ্ন করে, 'মাস্টার, মৃত্যুর ব্যাপারে হাসির কি আছে?'
তখন আবদুলা নিজের মাস্টারের কাছ থেকে তাঁর শিষ্যদের জন্য প্রকাশ করলেন। তিনি বলেন, 'মনে রেখ, তোমার সুখ সর্বদা তোমারই হাতে আছে। প্রতিনিমি জীবন তোমাকে খুশী অথবা অখুশী হবার সুযোগ প্রদান করে। তুমি কোনটা পছন্দ কর, সেটা তোমার ওপরে নির্ভর করে!'
ধ্যান প্রক্রিয়া
এর চেয়ে আর সহজ ধ্যান প্রক্রিয়া নেই। যা মূহুর্তেই ফলপ্রসূ।
রোজ সকালে ঠিক উঠে পড়ার সময় চোখ না খুলেই বিছানাতে বসে পড়।
ব্যবহার কর... উত্তম পুরুষে), 'আজ আমি কি অভিজ্ঞতা করতে চাই? আমি কি সুখ না দুঃখ পছন্দ করি?'
স্বভাবত সকালে প্রথমে তুমি দুঃখবে পছন্দ করতে যাবে না। তাই তোমার মন বলবে, 'আমি সুখ পছন্দ করি'।
তোমার নাম), সুখী হও, ব্যাস !'
তখন কয়েক মিনিটের জন্য তোমার অনুমতি ছাড়া কিছুই তোমাকে কষ্ট দিতে পারবে না। তোমার ভিতরে সেই ক্ষমতা আছে যার দ্বারা তুমি সর্ব্বদা সুখী থাকতে পার। চোখ খোল এবং তোমার এই সঙ্গল্প নিয়ে বাঁচ!
তোমার সংকল্পের জোরে, তুমি তোমার মনের পরিবর্তন ঘটাতে পারবে। কিভাবে আগে অন্যদের দোষারোপ করতে। বস্তুত, তোমার সেই মনোভাব হবে না, সেটা হবে ভবিষ্যতের নির্ণয়। তুমি খুশী, ব্যাস্।
তেল টানা
বলা হয়, দেহে কি হচ্ছে তার নির্দেশক হল আমাদের জিহ্বা বা জিভ। জিভকে পরীক্ষা করে ও তার রঙ দেখে ব্যক্তির স্বাস্থ্যের অবস্থা বোঝা যায়। জিভের নির্দিষ্ট অংশ দেহের নির্দিষ্ট কোন অংশের সাথে যুক্ত, যেমন কিডনি, ফুস্ফুস্ ইত্যাদি। যখন আমরা
molar teeth
oil pulling
সমস্ত প্রত্যঙ্গ, সিস্টেম ও চলেকের ওপরে কার্য করে। পরিবর্তনশীল ও ছন্দময় অনুক্রম এবং তা যথাযথ শ্বাসপ্রশ্নাস সহকারে করা হয়।
রোজ সকালে তুমি ছয় থেকে বারো বার সুর্য নমস্কারের অভ্যাস করতে পার যাতে যোগের সমস্ত অঙ্গবিন্যাসের মধ্যে সুর্য নমস্কারকে সবচেয়ে কার্যকরী উপায় বলে গণ্য করা হয়। সুর্য নমস্কারকে সমস্ত অঙ্গবিন্যাসের রাজা বলা হয়।
সর্য নমস্কার মন্ত্রের তাৎপর্য
মন্ত্র হল অক্ষর, শব্দ, শব্দসমষ্টি বা বাক্যাংশ যা আমাদের মনের ওপর প্রভাব ফেলে। সর্য নমস্কার মন্ত্রে এক বীজ মন্ত্র ও এক ধনকর্জণ মন্ত্র নিহিত। বর্ণনায় ভগবানের গুণকীর্তন করা হয়।
বীজ মন্ত্রের উচ্চারণে সৃষ্ট স্পন্দন মনুষ্য সিস্টেমে খুবই শক্তিশালী। আধুনিক বিজ্ঞানীদের দ্বারা ব্যাখ্যা করা 'স্পন্দনতত্ত্ব'-কে আমাদের বৈদিক ঋষিরা বা অন্তর্জগতের বিজ্ঞানীরা হাজার হাজার বছর আগেই সরাসরি প্রয়োগ করছিলেন!
জাপানের ডঃ মাসারু এমোতো দ্বারা মানবদেহের ষাট শতাংশ জল, এটা সহজবোধ্য যে মন্ত্র আমাদের মন-প্র সিস্টেমকেও প্রভাবিত করতে পারে ও করে।
অচেতন চিন্তা ও আবেগ সঞ্চিত স্মৃতি অথবা সংস্কারের রূপে আমাদের মধ্যে প্রবল স্পন্দন সৃষ্টি করে। সজাগতা দ্বারা আমাদের তাদের মুছে ফেলা উচিত। তবেই আমাদের গভীরে ইতিমধ্যে বিদ্যমান পূর্ণ সকারাত্মক চেতনাকে আমরা অভিজ্ঞতা করব।
ছয়টা বীজ মন্ত্র আছে। সেগুলি হল :
ওম হ্রাম্ ওম হ্রীম ওম হ্রম্ ওম হ্রৈম্ ওম হ্রৌম্ ওম হ্রঃ
গুণগুলিতে গুরুত আরোপ করে। প্রথমটি থেকে প্রতিটি আবর্তের পূর্বে সম্পূর্ণ সজাগতা দরকার। এক স্বাভাবিক অভ্যাসকারী এই মন্ত্র দ্বারা গুণকীর্তনের একই অনুভব করতে পারে। এর মধ্যে সেই ক্ষমতা আছে।
এই কতগুলি সহজ ভঙ্গিমার মাধ্যমে আমরা উপলব্ধি করতে পারি যে বাইরের সর্য আমাদের অন্তরের জ্যাতির্ময় বুদ্ধিমত্তাকে বুঝতে পারি।
সুর্য নমস্কার মন্ত্রগুলি (বীজ মন্ত্র ও গুণকীর্তন মন্ত্র মিলিত হয়ে সৃষ্ট)
১) ~ ওম্ হ্রাম্ মিত্রায় নমঃ
যিনি সবার বন্ধু, তাঁর বন্দনা করি
২) ~ ওম ই্রীম রবয়ে নমঃ
যিনি জ্যোতির্ময়, তাঁর বন্দনা করি
৩) ~ ওম্ হ্রমু সূর্যায় নমঃ
যিনি কার্য তাঁর বন্দনা করি
৪) ~ ওম হৈয়ে ভানবে নমঃ
যিনি উদ্ভাসিত করেন, তাঁর বন্দনা করি
৫) ~ ওম় হ্রৌম খগায় নমঃ
যিনি মুক্ত ভবন করেন, তাঁর বন্দনা করি
৬) – ওম্ হ্ৰাং পুষ্কে নমঃ
যিনি বল ভূমান করেন, তাঁর বন্দনা করি
৭) ~ ওম হ্রাম হিরণ্যগর্ভায় নমঃ
যিনি স্বর্ণগর্ভ ধারণ করেন, তাঁর বন্দনা করি
৮) ~ ওম্ হ্রীমূ মরীচায় নমঃ
যিনি ঊষার প্রভু, তাঁর বন্দনা করি
৯) ~ ওম্ হ্ৰম্ আদিত্যায় নমঃ
যিনি অনন্ত মহাজগতের মাতা অদিতির পুত্র, তাঁর বন্দনা করি
১০) ~ ওম্ হৈছম্ সাবিত্তে নমঃ
যিনি সদাশয়া মাতা, তার বন্দনা করি
১১) -
যিনি প্রশংসনীয়, তাঁর বন্দনা করি
১২) ~ ওম হ্রাঃ ভাস্করায় নমঃ
যিনি জীবনসুরকির নিদর্শক, তাঁর বন্দনা করি
শ্বাস নিয়ন্ত্রণ
সুর্য শ্বাসপ্রশ্নাসের সাথে সুসংগত করা হয়। প্রতিবার স্পষ্টভাবে প্রত্যক্ষ কর যে তুমি পরমানন্দের শক্তি তোমার দেহ-মনে নবজীবন সঞ্চার করছে।
ধ্যান প্রক্রিয়া
সকালে করা বাঞ্ছুনীয়।
সূর্য নমস্কারের আসনের অনুক্রম :
১) দাঁড়াও ও ভারসাম্য রাখার জন্য পা বুকের সামনে রেখে নমস্কারের ভঙ্গি কর। সুর্য নমস্কার করার সময় চোখ যেন খোলা থাকে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্র উচ্চারণ কর।
২) শ্বাস ভিতরে নাও এবং কমনীয়তা মেরুদণ্ডকে পিছন দিকে ধনুকাকারে বাঁকাও।
৩) শ্বাস ছাড় এবং হাত দুটিকে সামনে ও নোটক ঘুরিয়ে আন যাতে ভার্সাম্য থাকে। কপাল হাঁটুর সামনে থাকবে।
৪) শ্বাস ভিতরে নাও, ডান পা যতটা কেন্দ্ৰকে ওঠাও। সামনে দ্যাখ।
«) বাম পা পিছনে কর এবং মেরুদণ্ড, ঘাড় ও মাথা এক সরলরেখায় নিয়ে আসুন। তোমার কাঁধের নীচে সোজা অবস্থায় এবং চোখ নীচে মেঝেতে তাকিয়ে।
৬) শ্বাস ছাড়, হাঁটু, বুক ও থুতনি নীচে করুন। শ্বাস নেবার সময় হাতকে, নিজের ওপর ওঠানোর সময় এবং কনুই দুটি ভিতরে গুটিয়ে নেওয়া থাকে।
- শ্বাস নাও, হাতের আঙ্গুল বাইরের দিকে নির্দেশ কর, পেট আরাম করে মেঝেতে স্পর্শ করবে, কনুই নব্বই ডিগ্রী কোণে থাকবে। তারপর ধীরে তোমার হাত দিয়ে বুক ঠেলা দাও।
৮) নিঃশ্বাস নাও, আবার অধোমুখ হও। যদি স্বাস্থ্য ভালো না থাকে, বিবরণ দাও। গোড়ালি দিয়ে মেঝে ছোঁবার জন্য তোমার অবস্থান পরিবর্তন করবে না।
৯) মাথা দিয়ে কপাল মাটিতে ঠেকিয়ে দাও। হাঁটু একই সরলরেখায় রাখ। তোমার থুতনি ও বুক ওঠাবার সময় শ্বাস ভিতরে নাও।
১০) বাঁ পা সামনে নাও ও ডান পায়ের সাথে মেলাও, তোমার হাঁটু একটু বাঁকা হলে হাঁটুর সন্নিকটে নিয়ে আস।
১১) শ্বাস ভিতরে নাও, হাত ঘুরিয়ে মাথা ওপরের দিকে নাও এবং ধনকাকারে নিয়ে আস ও সর্যকে নমস্কার কর।
১২) শ্বাস ছেড়ে হাত নীচে নিয়ে আস এবং হৃদয়ের সামনে হাতকে প্রার্থনার অবস্থানে ফিরিয়ে নিয়ে আস।
প্রতিটি আবহুতে দুটি চালন আছে এবং আবর্তের প্রথম অর্ধে, তোমার ডান পা (ধাপ ৪ ও ৯) এগিয়ে দেবে। আবর্তের পরের অর্ধে বাম পা আগে যাবে।
কমপক্ষে ৬টা এই প্রকার আবর্ত করবে এবং শুরু করার আগে মন্ত্র অনুক্রমে উচ্চারণ করবে।
লাইফ ব্লিস ধ্যান অথবা নিত্য ধ্যান
এগার ঐতিহ্যগত অসংখ্য ধ্যান প্রক্রিয়া নিয়ে পরীক্ষা করেছি। গভীর আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা হয়। বারো থেকে বছর ধরে আমি উপকারগুলিকে সচেতনভাবে খুঁটিয়ে দেখেছি ও বিশ্লেষণ করেছি। আমার জীবনমুক্তির পরে তিন বছর ধরে আমি এমন এক প্রযুক্তিকে সৃষ্টি ও করেছি যা জীবনমুক্তির অভিজ্ঞতা অন্যদের মধ্যে পুনর্গঠন করবে। আজ পর্যন্ত অন্তর্জেশের এই সমুদয় গবেষণার সুগন্ধসার নিত্যধ্যান প্রক্রিয়ায় সূত্রবদ্ধ করা হয়েছে।
নিত্যধ্যান এমন এক সূত্র প্রক্রিয়া যা সমস্ত সত্তাকে রূপান্তরিত করার জন্য কার্য করে এবং সত্তাকে জীবনমুক্তির অভিজ্ঞতা পাবার জন্য প্রস্তুত করে। ব্যক্তির চৈতন্যকে উন্নীত করায় সহায়তা করার জন্য এক বর্ণনীত ধ্যান চিরন্তন আনন্দের জন্য - নিত্য আনন্দ।
নিত্যধ্যান বিবরণ
এটা এক পাঁচ ধাপের প্রক্রিয়া, প্রতিটি ধাপ সাত মিনিটের জন্য। ধ্যানের নির্দেশাবলীর জন্য দয়া করে নিত্যধ্যান অধ্যায়ে ফিরে যাও।
আনন্দময় সাধনী
জ্ঞানরূপী অস্ত্র অর্থাৎ শাস্ত্র-শস্ত্র
ধ্যান প্রক্রিয়া
রোজ আধা ঘন্টার জন্য এক জীবনমুক্ত মাস্টারের বই পড় বা তাঁর ধর্মোপদেশ শ্রবণ কর।
একজন মাস্টারের কথাগুলি সরাসরি শাস্ত্র, চরম অস্ত্র বা সত্য।
যে অস্ত্র দিয়ে তোমার অজ্ঞানতাকে বধ করা হয়, তাকে বলে শস্ত্র।
যে কথাগুলি অজ্ঞানতাকে বধ করা হয়, তাদের বলে শাস্ত্র-শস্ত্র অথবা জ্ঞান-অস্ত্র!
মাস্টারের কথাগুলি হল জ্ঞান-অস্ত্র এবং তা সরাসরি অজ্ঞানতা দুর করে। একজন মাস্টার অনবরত বহু ধারণা প্রকাশ করেন। অকস্মাৎ কোন ধারণা তোমার জন্য ক্লিক করে। সরিয়ে নিয়ে যাবে। তা তোমাকে কোন সমস্যার সমাধান প্রদান করবে। সেটা হল একটা ক্লিক। সেই ক্লিককে বলে 'দীক্ষা'।
যে ব্যক্তি তাঁর কথা, প্রক্রিয়া ও শরীরের ভাষা দ্বারা এই জ্ঞান-অস্ত্র প্রদান করেন, তিনিই মাস্টার।
একজন মাস্টার তাঁর মধ্যে ঘটা পরম অভিজ্ঞতা অন্যদের মধ্যে ঘটানোর জন্য এক ব্যক্তি। জ্ঞান-অস্ত্রগুলির বারংবার উচ্চতর চেতনায় উন্নীত করা হয়। আমাদের অন্তরে স্থিত এই জ্ঞান-অস্ত্রগুলির সমগ্রতা হল আমাদের অন্তরের মাস্টার। যখন না বাহ্যিক মাস্টার আমাদের ওপরে কার্য করেন। তিনি কথা, প্রক্রিয়া ও তাঁর শরীরের ভাষার মাধ্যমে কার্য করেন এবং আমাদের সেই জ্ঞান ব্যবহার করার এবং সর্বোপরি এক জীবনমুক্ত প্রদান করেন।
যারা জীবনমুক্ত হওয়ার কিক পেয়েছে, তারা ধন্য। এই ক্লিক যুক্তির মাধ্যমে হয় না। মাস্টারের কিছু কথা হঠাৎ আমাদের হৃদয়ের সাথে সংযুক্ত হবে। প্রথমবার যখন এটা ঘটে, অকস্মাৎ আমরা বুঝতে পারি যে তিনি আমাদের মাস্টার, এটাই আমাদের পথ। সেই কিক হল প্রথম দীক্ষা। যারা মাস্টারের কথা, থ্রকিয়া, শরীরভাষা, প্রক্রিয়া, ও মনোযোগ দেয়, তারা ধন্য।
বোঝা বীজ বিদারিত হবার জন্য সর্বদাই ভীত। কিন্তু কেবলমাত্র যে বীজ বিদীর্ণ হয় এবং উন্মুক্ত হয়, সেই কেবলমাত্র বক্ষ হয়। তখন বক্ষ অন্যান্য বীজদের এই বলে সাহস যোগায়. 'ভয় পেয়ো না, তুমি বিদীর্ণ হয়ে কখনও মারা যাবে না, তুমি কেবল জীবন্ত হবে। তুমি আমার মতো কেবল বিদ্যমান থাকবে। কিন্তু যতক্ষণ না বীজ বর্ষাকালে উন্মুক্ত হবার অপেক্ষায়! সেটাই সমস্যা।
আমি সত্য জেনে কথা বলছি। ও! অমৃতের পুত্রগণ, অঙ্কুরিত হওয়া ও বক্ষু হবার সাহস রাখ!
সবচেয়ে রোমাঞ্চকর অভিযান। একবার
মাস্টার আমাদের অন্তর্দেশে প্রবেশ করলে, আমাদের শুধুমাত্র আস্থা, সাহস ও আত্মবিশ্বাস সহকারে উঠে দাঁড়াতে হবে।
বারংবার ক্লিকগুলিকে ব্যবহার কর। ব্যবহার না করা যে কোন অস্ত্র আমাদের ওপরে তার শক্তি হারাবে না, কিন্তু আমরা সেটাকে ব্যবহার করাও ভুলে যাব। যা আমাদের জন্য স্পষ্টতা ও সাহস নিয়ে আসবে এবং সেগুলিকে ব্যবহার করার বুদ্ধিও আমাদের হবে।
মাস্টারের কথা শ্রবণ করে তোমার জীবনের সাথে ক্লিক সংযোজিত কর। তাদের তোমার অন্তর্দেশে যুক্ত কর। ভবিষ্যতে, আমরা জ্ঞান -আস্তগুলিকে ব্যবহার করার জন্য অবিশ্রাম সাহস ও প্রেরণা পাব।
আরেকটা মাস্টারকে কথা বলতে লক্ষ্য করি, আমরা এক জীবনমুক্ত মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করি। একজন মানুষের শরীরের ভাষা তাঁর নিজের মনোযোগ আকর্ষণ করে। একজন মাস্টার অস্তিত্বের পরম সত্যের মূর্তপ্রকাশ। তার শরীরিক-ভাষা হল অস্তিতের শারীরিক-ভাষা। তাঁকে লক্ষ্য করলে সত্য আমাদের ওপরে যুক্তি অতিক্রম করে কার্য করবে।
ঘুমাতে যাবার আগে এই ধ্যান অভ্যাস করা সবচেয়ে ভাল। এটাকে সকালেও করা যায় কিন্তু জানানোর কমভরক বিশ্রাম করা চাই নতুবা ধ্যানের প্রভাবে তুমি এক নেশার ঘোরে থাকবে। এই ধ্যান তোমাকে শক্তিধারণার সাথে মিলিত করবে। শক্তিধারণার গুরুত হল, এটা তোমাকে তুরীয় নিয়ে যায়। তুরীয় অবস্থায় তো তুমি পূর্ণরূপে সজাগ, কিন্তু তোমার কোন চিন্তা থাকে না।
ধ্যান প্রক্রিয়া
শরীর সোজা ও মেরুদণ্ড ভাল করে সন্তুলিত রাখ। নিতম্বের ওপরে বসবে না। চোখ বন্ধ কর এবং দুই হাত ওপরে তোল। তোমার মাথা একটু ওপর দিকে কাত কর।
এই অবস্থায় অনুভব কর যে অস্তিত্তের শক্তি তোমার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রত্যক্ষ কর যে অস্তিত্বের এক আলোক-স্তম্ভ তোমার
অস্তিত্বের শক্তির আহরণ অথবা শক্তি-ধারণ
बरे भूकियाणिटक छन्न मास (कुलार्जव তন্ত্র) থেকে নেওয়া হয়েছে। অস্তিত্তের শক্তির মধ্য मिट्य भवारिक राज्य। उन्हाण जूनि कान जीवनसूक साम्रोटिवन कवरण भाव। ठिक राज्य व वक कृषण वालि টাকা গোনার সময় তার শক্তির শীর্ষে থাকে অথবা এক প্রেমিকা তার প্রেমীর সাথে থাকার মতদা জান মুকিন मोट्य शादक, ठिक लजादवरे এক মাস্টার যখন হাসেন তিনি তাঁর শক্তির मोद्य शादकन। জারে वासि जासि जामार्मन जाँव আনন্দময় মুখমণ্ডলকে স্মরণ করতে এবং তোমার মধ্য দিয়ে শক্তিকে প্রবাহিত হতে দিতে বলি। তোমার বিক্ষিপ্তচিত্ত হওয়া ও অন্য কিছু চিন্তা করার চেয়ে মাস্টারের চিন্তা করা অনেক ভাল।
অস্থিতের শক্তি তোমার বাহু দিয়ে নীচ্ছে भवारिक रवाव मासय कूमि निर्जन किएदब অনুভব করবে এক শিহরণ, এক মনু স্পন্দন অথবা একটু কম্পন। সেটা যেন একটা সতেজ পাতা বাতাসে নত্য করছে। সেই কম্পনবেক र्रज मां । তোমার সমস্ত শরীরকে সেই শক্তিতে কম্পিত र्श्ट मा उ। या किछू घटने का घण्टेट मा घण्टर का उ ঘটতে সাহায্য কর। তুমি অনুভব করতে পার यन नोटक भूशिवी उ उभद्व वाकाम सिटल याटक्य, यन भूक्य 3 नानी मजि सिर्म याटक्छ। कूसि वनून कबर्द भाव यान एकन कूलि कामण वश्वा सिट्य याण्ड। या कान वनुकृष्णि घाटम আসুক, কেবল নিজেকে সম্পর্ণকাপে ছেড়ে দাও। কোন 'তুমি' নেই। তুমি একদম অস্তিতে দ্রবীভূত হয়ে গেছ।
पूरे অনুভব কর যে তোমার সত্তা অস্তিত্বের শক্তিতে পর্ণরূপে ভরে গেছে, নত হও, তোমার ক নুই ও অগ্রবাহ্ণুর ওপরে ভর দিয়ে পথিবীকে চুমু খাও वश्वा कमभटक স্পর্শ কর। তোমার দ্বারা আকৃষ্ট ঐশ্বরিক শক্তি
তোমার মধ্য দিয়ে প্রবহমান হয়ে পথীশতিকর সাথে এক হয়ে যাবার জন্য তমি এক মাধ্যম शय या या उ। जानाव मण्ड माकित्क भूशिवी मार्यन्न मद्या व्यवाशिक राय करना व्यटक माउ। बरे वक्तविनारम कूलि राज राज मान्जादवन চরণযুগলকে প্রত্যক্ষবৎ স্মরণ করতে পার। मण्डि निर्वाकरनव मण्ड भूश्विवी सार्यन्न काटक मर्भट्टाव स्वास्थ्य शाकरण बाजा मशयूका করবে।
এখন তোমার আগের অঙ্গবিন্যান্সে ফিরে যাও এবং এই আবর্ত ছয় বার পুনরাবত্তি কর। তুমি মোট সাতটি আবর্ত করবে।
এই ধ্যান শরীরের শক্তির সঞ্চালনে वर्तक রকম সমস্যা এই ধ্যান করার জন্য সহজেই অদৃশ্য হয়ে যাবে, কারণ এতে শক্তি সরাসরি মেরুদণ্ডের একদম নীচে মূলাধার চতে চলে যায়।
এই ধ্যান সমাপ্ত করার পর, তুমি একই ধ্যানস্থ মেজাজে ঘুমাতে যেতে পার। এই ध्यान कवाद भन्न निर्मा भुगाड़ उ स्वभूशिन रूरव।
यथन रूसि भट्नव मिन मकाटल ज़्टन उठे, एसि विद्याण मटण्ड का उ व किशर्मण व विज्ञा করবে।
এটা খুবই ক্ষমতাশালী প্ৰক্ৰিয়া। এটাকে नियमिक कवटन बक नजून जीवन, बक नजून অর্থ, এক নতুন সত্য তোমার দিকে প্রবা হিত হতে শুরু করবে। অস্তিত্ব ও তোমার মধ্যে এক সন্দর ও সজীব সংযোগ সষ্টি হবে। তুমি অনেক আনন্দ অভিজ্ঞতা করবে এবং প্রতিটি দিন এক উৎসব উদ্যাপন হয়ে উঠবে!
আনন্দ মন্ত্র অথবা পুরশ্চরণম স্তব করা
মন্ত্ৰগুলিকে বৈদিক ভাষা সংস্কৃতে উচ্চারণ করা হয়। সংস্কৃতের সৌন্দর্য হল সমস্ত मखाना मक वकान्ताणि वर्षकर्त वर्षण रायर्थ। मरकुछ অর্থের সাথে তার উচ্চারণধ্বনিও এক বিশেষ স্পন্দন সঞ্চারিত করে। মন্ত্রের অর্থ না বুঝতে ભાવलाउ जान করবে।
প্রাচ্যে দীক্ষার জন্য সংস্কৃত মন্ত্র ব্যবহৃত হয়। মাস্টার এক মন্ত্র উচ্চারণ করবেন এবং মন্ত্র নিজেই শিষ্যকে জাগরণের দীক্ষা দেবে। সেই স্পন্দন সরাসরি তার সত্তায় প্রবেশ করবে এবং কার্য করা শুরু করবে।
গুরুমন্ত্র হল :
ওম হ্ৰীম্ নিত্যানন্দায় নমঃ
হিন্দু চিন্তাধারায় প্রতিটি কার্য একাধিক বোধগম্যতার স্তর দ্বারা সিক্ত। ব্যক্তির চেতনার मजानजान उत्पन्न उनव उभव निर्डन करवन बरे
বোধগম্যতা ঘটে। 'ওম' অনেক কিছু বোঝায়।
उत रूल वादि मद्म। विश्वाम कवा रय যে সমস্ত সষ্টির উৎপত্তি তার থেকে হয়েছে। এটাতে তিনটি উচ্চারণ হয় - অ, উ এবং ম। 'অ' অক্ষর ব্রহ্মাণ্ডের সঙ্গিকর্তা ভগবান ব্রহ্মাকে বোঝায়; 'উ' বোঝায় ব্রহ্মাণ্ডের পালনকর্তা ভগবান বিষয়কে এবং 'ম' বোঝায় ভগবান শিবকে যিনি পনরায় সষ্টির জন্য ধ্বংস করে আকাশের সঙ্গি করেন। সমবেত শব্দ ওম তাই সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের প্রকাশ।
গভীরতর স্তরে ভগবানেরা হলেন সুষ্টি, স্থিতি ও নবতেজোদ্দীপ্ত করার শক্তির উপস্থাপনা এবং তা আমাদের ব্যক্তিগত বিশ্বের, আমাদের দেহ-মনের বিদ্যমানতায় কোষীয় স্তরে ঘটে।
उत्त केफावर कवटन जान मन्दन আমাদের পথিবী মায়ের স্থিত -সঙ্গল্প প্রদান करव। মনঃশারীরিক ব্যধি দূর করে। তা আমাদের পথিবী মায়ের প্রসারণশীলতা ও অসীমতা দিয়ে ভরিয়ে দেয়। তা মনকে নকারাত্মক চিন্তা থেকে मुक्त करन। जा सखिरक भूकून गरिक सुरू करव এবং মস্তিষ্ণকে নবতেজোদ্দীপ্ত করে। তা মনে শান্তি প্রদান করে এবং একাগ্রতার প্রবল শক্তি দেয়। মনকে শান্ত ক'রে আত্মায় প্রবেশ করার জন্য এটা একটা জাম্পিং-বোর্ড (ঝাঁপ দেবার জন্য তজ্ঞা)।
श्रीम रूल फ्वीन वीजसल्व। प्रवी रूटनन পবিত্র নারীতত্ত।
भाषामीन जानटकन माल्वा वर्द वादि শব্দগুলির উচ্চারণ অভ্যাস করেছিলেন এবং जामन मन, एकर उ मणाव उन्हानिर्ण
Part 14: Living Enlightenment (Gospel of THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM)_Bengali_part_14.md
গভীরভাবে অভিজ্ঞতা করেছিলেন। তাঁরা এই অভ্যাস মনুষ্যজাতিকে উপহার দেন যাতে মানুষেরা মহান সন্তদের সেই অভিজ্ঞতা প্রাপ্ত করতে भारत। देविक मतदा (शटक खनुरुनि रूल बरे সকল সন্তদের গবেষণার অভিজ্ঞতার প্রতি প্রেম-বশত এই সন্তরা সেগুলিকে মনুষ্যজাতির সাথে শেয়ার করেন।
ওম্ ও হ্রীম একসাথে উচ্চারণ বা স্তব করলে আমাদের ভিতরের পুরুষ ও নারী শক্তি জাগ্রত হয়।
'নিজ্গানক' উচ্চারণ বা স্তব করে পরম मटण्ड विकास रिमारव साम्रोस्तव नामटक আবাহন করা হয়। এটা এক পূর্ণ মূলমন্ত্র কারণ बजे ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' ' - সোজাপথ। শক্তি হল বস্তুগত বা জড় জগতে সফলতা এবং শিব হল মহাবিশ্বে সফলতা -সেটাই জীবনমুক্তি।
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM শব্দের অর্থ হল 'চিরন্তন আনন্দ'। এটা স্তব করে আমাদের চিরন্তন আনন্দ বা জীবনমুক্তির চড়ান্ত বাসনা সম্পর্কে আমাদের সত্তা ও মহাবিশ্বকে এক স্পষ্ট সংকল্প প্রদান করি।
নমঃ অর্থ 'আমি নই'। 'আমি নেই' ব'লে वासना निर्ज़लमन वासिकूटक वर्ष्ठिकू वश्वा वर्षिट्यून भविव वाकान माम्जेबरक সমর্পণ मतर्भरणव वर्णिख्याटक আমাদের মধ্যে বিনয়তা ও শ্রদ্ধা নিয়ে আসে।
ধ্যান প্রক্রিয়া
उन्हाल वनाविद्य सर्व वर्णिमिन फूयान বার স্তব কর অথবা যখনই মনে পড়ে ক্রমাগত কর। স্তব জোরে করা যায় বা নীরবে মনে মনেও করা যায়। স্তব করার গতি মানুষ থেকে মানুষে ভিন্ন হয়।
তোমার অন্তর্দেশে শক্তি সঞ্চার করার ও অযাচিত চিন্তার উদয় হওয়া বন্ধ করার গুণ মন্ত্রের আছে। নীরব শব্দ হয়ে চিন্তাসমূহ নাভি অঞ্চলে স্থিত জীবন্ত শক্তিকেন্দ্র মণিপুরক চক্র থেকে উদ্দিত হয়। গুরুমন্ত্র স্তব করলে মণিপুরক চক্র সম্পর্ণরূপে বিশোধিত হয়। তাতে সমস্ত पूर्णित्वा, नकानाण्यक किला उ वारवन मण्डर স্বতক্ষলভাবে দুরীভূত হয়।
শুরুমন্ত্র কথার (বাক) উৎসের শক্তিকে उन करव, जारक बटल वाकरण्डि। जा मण्डिन অবিশ্রাম টগবগানি এবং জীবনের জন্য প্রগাঢ উৎসাহ ও উদ্দীপনার কারণ হয়।
এই মন্ত্রের স্পন্দন সত্তার স্পন্দন ও कम्भाक জিনিষ হল মন্ত্রে সচেতনতা রাখা। যখন মেলে श्राय़ीकर्तटन আস, তখন তুমি তোমার অন্তরের চেতনার আরও নিকটে চলে যাও।
একটা জলের ট্যাক্সের নীচে নীল পাউডার রাখলে ওপরে ওঠা বুদ্বদগুলি যেভাবে नील रूय, बकरेंडारव यथन कृति वरे सम्बद्ध তোমার চেতনার কেন্দ্রে রাখ, তোমার সমগ্র চিন্তার সিস্টেম শোধিত হবে।
शोदव शीदव दिन्द्र प्रमान व्यान व्यक्ति ছাড়াই নিজে থেকে ঘটেকে শুরু করবে। আর তুমি এক স্বাভাবিক ধ্যানস্থ অবস্থায় চলে যাবে।
মন্ত্রটি যখন এক নির্দিষ্ট দুট়বচন সহকারে করা হয়, তা এক ঐকান্তিক প্রার্থনা হয়ে যায়। দেহ, মন ও আত্মার ওপরে ধ্যানের উল্লেখযোগ্য প্রভাবকে মেডিকাল রিসার্চ প্রমাণ করেছে।
আমেরিকার বিশিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলি গবেষণায় দেখেছে, প্রার্থনার কারণে হৃদরোগ ও क्राणार्व मार्जाबीन भट्व कम्बानीन वाँकान मासावना চোদ্দগুণ বাড়ে, বয়স্কদের সেটাক হবার সম্ভাবনা वर्थक रूय मतदा किन मशार भर्यन्त करता। रेन्जाबरनाज প্রার্থনার সকারাত্মক প্রভাবকে প্রতিপাদন করার জন্য বহু তথ্য আছে।
মাস্টার হলেন মানবদেহে অধিষ্ঠিত জীবনমুদ্রির নিরাকার শক্তি
'চিত্রং বটতরোর্মূলে বুদ্ধাঃ শিষ্যা গুরু যুবাঃ গুরস্ত মৌনম ব্যাখ্যানং শিষ্যস্ত ছিন্নসংশয়ঃ'
বটবুক্ষের নীচ্চে তারা বসে আছে শিষ্যেরা বদ্ধ, গুরু যুবক মাত্র! গুরু কেবল নীরবতা দ্বারা কথা বলেন किन्तु मार्थ! मिष्ठार्मन भ्रमावली निर्ज থেকেই মুছে যাচ্ছে!
প্রক্রিয়াগুলিকে মাস্টারের উপস্থিতি প্রভাবিত না করলে, বুঝতে পারা ধারণাগুলি भारित्यान जान राव राव वर व्यक्तियाणिलि उ রূপান্তর করার ক্ষমতা ছাড়া কেবল সাধনী শ्यून (शटक यादव। मेनवर्क से कबाद জন্য মাস্টারের প্রয়োজন।
বৈদিক প্ৰথায় আধ্যাত্মিক শিক্ষক, গুৰু বা মাস্টার ঈশ্বরের চেয়ে বেশী গুরুতপূর্ণ। শাস্ত্র वटल साम्रोव रूटनन माणा, भिजा उ जनवर, সবকিছু একে এবং সবকিছু ছাড়িয়ে।
বেশীরভাগ মানুষের জন্য ঈশ্বর এক ধারণামাত্র। কিছু মানুষ আছেন যারা তাঁদের वाण्डिक्कण कवा प्रेशनिक उपभोगविक सम्भटक मूनिम्मिण्डादव वलटक ভারতন। बला रूय, व्य वालिख्या करव ल टन बनान कबर्ज भारत ना এবং যে প্রকাশ করে সে অভিজ্ঞতা করে নি। मान्जान व्यवन वक्रजन, यिनि व वर्षिक्खण करवरणून व वर याविनि व्यवाद्यवन करण्यन्न करे वाणिक वादक আবার তার শারীরিক ভাষা ও জীবনশৈলী দ্বারাও তা প্রকাশ করেন।
ব্যক্তির ঐশ্বরিক অভিজ্ঞতার প্রবেশপথ रूल मान्जान। जिनि याज मशकारव निष्ठाटक मिर्वाव व्यक्तव प्रवर्तन क्वालिक मण्ड वालिख्या कवाद अना भविषानित करवन। बरे প্রক্রিয়ায় শিষ্য একজন মাস্টার হয়ে যান ও এই চক্র চলতে থাকে।
জীবনমুক্তির এই ধর্মচক্র ব্যক্তিকে তার সত্য প্রকৃতি অভিজ্ঞতা করায় এবং আমাদের বন্ধনের কারণ বাসনা ও দুঃখকষ্টের দুষ্টিচক্রকে ভেঙে ফেলে। অনেক গভীর বোধ থেকে বুদ্ধ वटलकिटलन व्य मतल वामनार पूर्वर करे বাসনাগুলিকে ইন্দ্রিয়দ্বারা পূরণের খোঁজ করা -মানুষের এই স্বভাবকে বুদ্ধ নির্দেশ করছিলেন। তা কখনও হতে পারে না। বাসনা বারংবার কেবল সম্ভাবনার বোধগম্যতা থেকে উদ্গত অন্তরের भवतानत्मन व विज्ञान करण মানূষের ফুঃখকষ্টকে দূর করতে পারে, যে দুঃখকষ্ট মানুষের স্বভাব হয়ে গেছে।
মাস্টার এক দর্পন বা আয়না। তিনি শক্তির এক বুদ্ধমত্তাসম্পন্ন আয়না এবং আমরা কে তা আবিষ্কার করার জন্য তিনি আমাদের
পরিচালিত করেন। চল, আমরা এই যাত্রা আরম্ভ করি।
সিংহ ও শাবকের গল্প
একটা ছোট গল্প :
এক সময়, খাবারের সন্ধানে এক গৰ্ভবতী সিংহী এক পাল ছাগলকে আক্ৰমণ করে। একটি ছাগলের ওপরে লাফ দেবার সময় সিংহীর ওপরে এত চাপ পডল যে সিংহী মারা গেল। মরার সময় সে একটি শাবকের জন্ম দেয়।
नवजार খুলতে পারছিল না। সে কিছু আওয়াজ করল এবং মাটিতে অসহায়ের মত চলাফেরা করতে লাগল। ছাগলেরা অনাথ শাবকটিকে দেখল ও তার প্রতি করুণা তাদের করুণা হল।
তোমরা অবাক হতে পার ছাগলেরা কিভাবে একটা সিংহ-শাবকের ওপরে করুণা করবে। বোঝা, যখন শত্রু তোমাকে বিরক্ত করা ना 3 वाघाण करवन ना ववर रूप्ति वजन উপস্থিতিতে কোনভাবেই আতঙ্কিত হও না, তুমি তার প্রতি করুণা কর, এমনকি সে म्स्जावनमण जातान गर्दक रूटल उ। बकरें डादव, ছাগলেরা শাবকটি থেকে ভয় না পাওয়ার জন্য তাকে প্রেম প্রদর্শন করতে শুরু করল।
ছাগলেরা অনুভব করল যে শাবকটি তাদের আক্রমণ করবে না এবং তাই তারা তার ওপরে করুণা প্রদর্শন করতে পারল। তারা তার যত্ন করল, তাদের জানা শ্রেষ্ঠ উপায়ে তাকে বড় করল। তারা তাকে ঘাস খেতে শেখাল, ছাগলের দুধ খেতে শেখাল, তাদের মত বাস করতে, এমনকি তাদের মত ভ্যা-ভ্যা করতেও শেখাল!
मिश्रमावक শিখে ফেলল। জন্ম থেকে কেউ তাকে বলে নি যে সে এক সিংহ, তাই সে কখনও জানত না य ल वक मिश्रू। जारे मानकाणि शाभूलन মতই বাস করতে লাগল।
ছোট শাবকটি বড় হতে লাগল, সে নিজের স্বাভাবিক শক্তি প্রকাশ করতে লাগল। অন্যান্য ছোট ছাগলেরা তার সাথে লড়াই করলে শাবকটি তাদের জোরে মারত। ছোট ছাগলেরা মা-ছাগলকে নালিশ করত, 'ও আমাদের মারছে!' মা-ছাগল তার সাধ্যমত ছাগলগুলিকে সান্তুনা দিয়ে তাদের বাগড়া মেটানোর চেষ্টা করত এবং সেই লড়াই ভুলে যেতে বলত।
একদিন একটা সিংহ সেই ছাগলের পালকে আক্রমণ এদিক ওদিকে বিক্ষিপ্ত হয়ে গেল। সিংহ তখন मिश्रमावकणिक করতে করতে পালিয়ে যেতে দেখল। সিংহ তার চোখকে বিশ্বাস করতে পারল না! সিংহ বুঝতে পারল না অন্য সিংহটি তাকে দেখে কেন পালিয়ে করছিল।
পরের দিন সিংহটি ফিরে এল, এবার শিকার করার জন্য নয়, কেবল শাবকটিকে পেল, সে আস্তে তার পিছনে গিয়ে তাকে ধরে ফেলল। শাবকটি ধরা পড়েই চীৎকার করতে লাগল, 'আমাকে ছেড়ে দাও! আমাকে ছেড়ে দাও! ভ্যা, ভ্যা...'
সিংহ বলল, 'মুখ! ভয় পাবে না। আমি তোমাকে মারব না। তমি কি জান না হয়ে क ? मावक्रि करण वटन, "वासि वक्कण ছাগল। আমাকে ছেড়ে দাও! ছেড়ে দাও আমাকে!'
সিংহ বলল, 'বোকা! তমি ছাগল নও। আমাকে ভয় আতঙ্কিত ছিল এবং অন্য কিছু শুনতে প্রস্তুত ছিল না। কোন প্রকারে সে নিজেকে ছাড়িয়ে নিল ও দৌড়ে পালাল।
পরের আড্ডায় ফিরে ধরতে পারল। এবার সে তাকে শক্ত করে ধরল।
भावकाणि कवर्णिल, किलु जान मटनव बक वर्ण वर्ण जाटक भालांट्य वल्रिल, वना वर्श्व मिश्रद्रव स्वर्थ আরাম অনুভব করছিল। সিংহের আশ্বস্ত ও আরামদায়ক স্পর্শের অনুভূতি শাবকের গভীরে কিছু একটা জাগ্রত করল। শাবকের ধ্বস্তাধ্বস্তি লক্ষ্য করে সিংহ তাকে ছেড়ে দিল এবং বলল, 'আমি আগামীকাল আবার আসব। কিন্তু সেই সময় আমি তোমাকে তাড়া করব না।' সিংহ বনে ফিরে গেল।
मिश्रमावक मानावार তার ঘুম আসছিল না। তার মন অনেক চিন্তায় ভরা... 'সিংহ আমাকে যা বলেছে আমি তা স্বীকার করতে পারি না', 'কিন্তু আমার মনে হয় সে যা বলছে তাতে কিছু সত্য আছে ', 'না! না! না! আমার মনে হয় না, সে যা বলেছে সব সত্যি। আমি জানি আমি একটা ছাগল। আমার জন্ম থেকে আমি সেটা জানি। ও যা বলছে তার কোন অর্থই আমার জন্য হয় না। সে কেবল আমার থেকে কিছু পাবার জন্য মিথ্যা বলছে। '
বোঝা, শাবকের অভ্যন্তরে সিংহ প্রবেশ করেছে এবং শাবকের যুক্তিকে অতিক্রম করেই তা ঘটেছে। আমাকে স্পষ্ট করে বলতে দাও, यदि व्यक्तिक्त करव जातारक भ्रणाविक करव, তাহলে তোমার ভিতরের মাস্টার ইতিমধ্যে জাগরিত হয়ে গেছে!
जूसि मिश्टरव माट्य मश्यूकि वनुस्त করতে পার না, যদি না তোমার ভিতরের সিংহ জাগ্রত না হয়ে থাকে। মাস্টার বা সিংহের স্পর্শ घाना यदि रुसि डेफ्ट्रुसिण वांस कन्न, श्रां क অনভব কর এবং যদি দ্যাখ যে তমি সিংহের সাথে থাকার সময়কার অনুভূতিকে বারবার भुनवावा उन कर्वाद्य कवर वर वर वा यदि প্রত্যক্ষীকরণের মধ্য দিয়ে হয়, একদম স্পষ্ট করে বোঝা, সিংহ তোমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে! তোমার একটা অংশ ইতিমধ্যে শান্ত श्टर অনুভব করতে শুরু করেছে মাস্টারের কথাতে কিছু তো আছে।
পরের দিন যখন সিংহ আসে, শাবকটি তার জন্য অপেক্ষা করছিল। জঙ্গলের এক কোণাতে শাবকটি সিংহটির জন্য ধৈর্যসহকারে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু সিংহটিকে দেখতে পেয়ে শাবকটি তার কাছ থেকে দুরে সরে ছাগলের পালের দিকে যেতে লাগল। কিন্তু সে এবার সিংহের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় নি, কারন সে সিংহটিকে দুষ্টির বাইরে করতে চাইছিল না!
সে কেবল পিছনে কয়েকটা পদক্ষেপ निर्य मिश्रूटक वलल, 'जूमि याथाटन वाड, সেখানেই থাক এবং আমি এখানেই দাঁড়িয়ে থাকব। আমরা কথা বলতে পারি। সত্যি আমি তোমাকে ভুলতে পারছি না। কিন্তু আমাদের মধ্যে এই দুরতু বজায় থাকুক।' সিংহ উত্তর
। যেব এটা যথয়ে যবাঝ যয যতামার দভতয়র দেছু এেটা ঘটয়ছ। আমার জিয এখায়ি যতামার অয়পো েরার দে েয়াজি য়ত পায়র
।
।
বুঝতে পারল, কিন্তু সে দেখল যে সে তাতে আর একদমই বিব্রত হচ্ছে না। সিংহের মদু স্পর্শ তার এখন খুবই আরামদায়ক লাগছিল! সে প্রতিবাদ করল না।
मिश्र वटल र्यटण लांगल ववर मावक বলছিল, 'ও! সেটা খুব সুন্দর... সেটা খুবই আকর্ষণীয়…' সিংহ এখন শাবককে প্রায় ধরে ফেলেছে, किन्तु मानक मिश्र्ट्यन (श्ट्यून (श्टलव्यनाव ছোট ছোট গল্পে পুরো মগ্ন।
यर वाद्या नमीटज भारण भार्णाल, मिश्र শাবককে ধরে ফেলল এবং তাকে জলে নিয়ে গেল। শাবক এখন বুঝতে পারল আর পালাবার উপায় নেই। কিন্তু সে অবাক হয়ে গেল যে তার আর পালাবার ইচ্ছাও নেই!
বোঝা, শাবক এখন বুঝতে পারল যে তার পালাবার আর উপায় তো নেইই, আবার তার পালাবার ইছাও নেই! কিন্তু তখন তার ভিতরে লুকিয়ে থাকা একটু আমিত্ম তাকে বিরক্ত করল ও বলল, 'না! না! আমাকে যেতে দাও! আমার সাথে কি করছ? আমাকে কেন ধরে আছ?' শাবকের ভিতরে তখনও কিছু ভয় ছিল। তাই সে জিজ্ঞাসা করল, 'আমার সাথে কি করছ? দয়া করে বল না, কি করছ আমার সাথে?'
সিংহ উত্তর দিল, 'আমি তোমার সাথে কিছুই করছি না। কেবল জলের দিকে তাকাও। ' শাবকটি জলে তাকাল ও বলল, 'ঠিক আছে,
আমি জলে দেখছি।' সিংহ প্রশ্ন করে, 'জলে কি দেখছ? তমি কি দুজনকে দেখতে পাচ্ছ? ' শাব্ বলে, 'হ্যাঁ।'
সিংহ বলল, 'দ্যাখ, একটা সিংহ হল আমি এবং অন্য সিংহটা তমি। '
भावकाणि वकरे कथा वलल, 'घूणि প্রতিচ্ছবি : একটা আমার আর আরেকটা তোমার।' তখন হঠাৎ সে বুঝতে পারল সে কি বলছে। সে তা বিশ্বাস করতে পারল না এবং জোরে জোরে বলতে লাগল, 'হয়ত নয়। না! না! না! জলে দুটো প্রতিবিম্ব নিশ্চয় তোমারই!'
मिश्र फीएकान कवल, 'तुर्थ! जांका उ! वासि প্রতিবিম্ব হাত ওঠাচ্ছে।' শাবকটি জলের দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে বলল, 'একমাত্র ঐ প্রতিবিম্বটা হাত ওঠাচ্ছে।' সিংহ বলল, 'ঠিক আছে, এখন তুমি তোমার হাত ওঠাও। '
শাবক তার নিজের হাত ওঠাল, জলে প্রতিবিম্ব দেখল এবং চীৎকার করল, 'হ্যাঁ! হ্যাঁ! হ্যাঁ! দেখেছি। দেখেছি।' তারপর আস্তে ও বিভ্রান্ত গলায় সে প্রশ্ন করল, 'কিন্তু... আমি কি ক'রে সিংহ হতে পারি? আমি কি ছাগল নই?'
मिश्र जान मिटक मरखजादव जाकिया বলল, 'আমি এখানে তোমার সাথে খেলা করতে আসি নি।' তখন শাবকটির মধ্যে এক উচ্ছুাসের অনুভূতির উদয় হল। সে অনুভব করতে পারছিল যে অবিশ্বাস্য কিছু ঘটেতে যাচ্ছে।
কিন্তু সে আবার তার মন প্রবেশ করল এবং তার মেজাজ বিষণ্ণতার দিকে যেতে লাগল এবং সে মনে মনে সন্দেহ করতে লাগল, 'আমার মনে হচ্ছে আমাকে সম্মোহন করা হয়েছে। এটা আমার প্রকৃত প্রকৃতি নয়! আমার
মধ্যে কিছু একটা ঘটেছে। এটা আমি নই। আমি কখনও এত আনন্দপূর্ণ, এত উচ্ছুসিত অনুভব করি নি! এটা আমি নই! সে আমার সাথে কিছু করছে। সে আমার সাথে ইতিমধ্যে কিছু করে ফেলেছে! '
তখনও শাবকটি বাধা দিতে থাকল। সে পালাবার জন্য ধ্বস্তাধ্বস্তি করল, কিন্তু সেটা ছিল খুব শিথিল প্রয়াস, বস্তুত একটা নাটক, কারণ প্রকৃতপক্ষে তার পালাবার কোন ইচ্ছা ছিল না।
শাবক প্রতিবাদ করতে থাকে, 'না! না! না! আমাকে যেতে দাও! আমায় যেতে দাও! আমি জানি তুমি হলে সিংহ। তোমার কাছে নৈবেদ্য হিসাবে আমি যে ঘাস রোজ খাই তা নিয়ে আসব। যে দুধ আমি রোজ খাই তা নিয়ে আসব। আমি তোমাকে সেবা করার জন্য সময় দেব।'
व्यवटनार्थ मिश्र जावन, 'वासि वर्थन একে ছেড়ে দিই। এখন অবধি ও কেবল এইটুকই বুঝবে।' তাই সে তাকে বলল, 'ঠিক আছে, স্পষ্ট করে বুঝে যাও, কাল আবার আমাদের এখানে দেখা হবে। আমি জঙ্গলের সীমানাতে তোমাকে নিয়ে আসেতে যাব না। আমি আমার নিজের ঘরে থাকব। যদি আমার সাথে দেখা করতে চাও, বার কর আমি কোথায় থাকি এবং আমার সাথে দেখা করার জন্য নিজে সেখানে এস। তোমার কাছে গিয়ে তোমাকে এখানে আনার জন্য আমি সময় নষ্ট করতে পারব না! যদি নিজের প্রচেষ্টায় তুমি আসতে না চাও, তাহলে তাই হোক!' সিংহ তাকে এই কথা বলে চলে গেল।
এইবার সিংহশাবক আগের মত দৌড়ে পালাল না। সে ধীরে ধীরে হেঁটে ফিরে গেল। সে ফিরে যেতে চাইছিল না, কিন্তু তার মনের
वना दिक जादक शान श्रीलंब काटक जानाबिल। সিংহ-শাবকের তিনটি পা চলছিল না। কেবল वकणी भा कलाकिल। वर्द विफाय्यन्न जनवर्ता व অশ্রুর বড় বড় বড় ফোঁটা তার চোখ দিয়ে গড়াতে লাগল।
পরের দিন সিংহ তার বাড়ীতে রাজকীয় ভঙ্গিতে বসেছিল। ধীরে, খুব ধীরে, শাবক তার কাছে তাজা সবুজ ঘাস নিয়ে গেল। সে जावा दिल, 'वाजी या कान आयानाया भारउया সবচেয়ে ভাল ঘাস' এবং তা সিংহেহের সামনে অর্পণ করে বলল, 'দয়া করে আমার আনা এই নৈবেদ্যকে স্বীকার কর।'
मिश्र एथल 3 डावल, प्रिंक वाट्ड, यदि वासि वरे घाम निरे, मावकृणि वात्रांव माथि मश्युक्त वनुच्य कवरवा कवरवा जन रुग्ण वर्ड मन्नकारक वाविड विविड़ राज फिरवा वाजा করে সে হয়ত আমার সাথে আরও বেশী সংযুক্ত হতে পারবে।' এই ভেবে, যদিও সিংহ কখনও ঘাস খায় না, সে ঘাস উঠিয়ে মুখে দিল ও খেতে শুরু করল! সে শাবকটিকে প্রশংসা করে বলল, 'তোমার আনা এই ঘাস সত্যি খুব সুস্বাদু!' শাবকটি খুব খুশী হল। সিংহ ঘাস খাওয়া নিবিড় হতে আরম্ভ করল।
বোঝা, সিংহ নেমে আসে ও ঘাস খায় কেবল তার ঘোচাবার জন্য। যদিও সে ঘাস খায় না, সে অভিনয় করতে থাকে যেন সে তা খাচ্ছে ও ভালো লাগছে।
धीदव शीदव भावक उ मिश्टरव व वर्था সম্বন্ধতা বাড়ল। কখনও শাবক ঘাস নিয়ে এলে সিংহ চীৎকার করত, 'মুখ! তুমি কি জান না কি ধরনের ঘাস তোমার নিয়ে আসা উচিত? এটা কি রকম ঘাস? এখন পর্যন্ত তোমার বোঝা উচিত আমি কি খাই। পরের বার আমার জন্য সঠিক ঘাস নিয়ে আসবে!'
সিংহশাবক ভাবতে শুরু করে, সে রেগে যাচ্ছে। আমিও কখনও রাগি। তাই সে আমার ভাষাই বলে এবং আমি তার ভাষা বলি। ও তো আমারই মত!'
यून मिश्र घाम थाय़, एम जान उन्न থেকে নেমে আসে শাবকের নিকটে আসে, তার চেতনা থেকে অবতরণ করে শাবকের সাথে সংযোগসাধন করে।
শাবক অবিলম্বে খুব আরামবোধ করে। সে এখন সিংহের সাথে সংযোগসাধন করতে পারছে। এখন শাবক নির্ণয় করল, 'আমাকে भवनव वाद माठिक घाम 3 जाजा पूर्थ निर्या আসতে হবে। আমাকে জিনিষগুলি সঠিকভাবে করতে হবে। হয়ত আমাকে ঘাসগুলিকে ভাল করव भारक करव वानटक रख।' मानकाणि भविकल्लना कवल, ट्रा डावण्डिल मिश्र जाटक ঠিকমত কাজ না করার জন্য বকেছে! এইভাবে मिश्र उ वावरकव मध्या मन्नकाण उन्नू रुग्ना এখন সিংহশাবক স্বাধীন অনুভব করতে আরম্ভ কवल वव वर यूथनरे रेष्ण कवण लग अज्ञाल সিংহকে দেখতে আসত। শাবক সিংহের পাশে খুবই স্বস্তিবোধ করতে লাগল। সে তো আর 'মাস্টার' সিংহের 'মাস্টারপ্ল্যান' জানত না।
একদিন যখন শাবকটি যথারীতি ঘাস ও দুধ নিয়ে এল, সে দেখল যে সিংহ তার সামনে মাংসের একটা বড় টুকরা নিয়ে বসে আছে। যেই সে মাংস দেখল সে ভয়ে চীৎকার করতে থাকল, 'তোমার প্লেটে মাংস কেন? এটা কি হল? তুমি কি মাংসাশী? আমি জানতাম না তুমি মাংসাহারী! তুমি এত প্রেমময় ও প্রতিভাসম্পন্ন ব্যক্তি। তুমি মাংসাশী হতে পার না! তুমি এইসব ভয়ানক জিনিষ খাও! আমি
তো শাকাহারী! আমি এটা হজম করতে পারছি না!'
এইবার সিংহ আর ব্যাখ্যা করার জন্য কোন সময় ও শক্তি অপচয় করল না। সে একদম শাবকের ঘাড় ধরল, একটু মাংস ওঠাল এবং জোর করে শাবকের মুখে ঢুকিয়ে দিল। যেই মুহূর্তে মাংস তার মুখে ঢুকল, শাবক রক্তের স্বাদ পেয়ে পেল এবং তার মধ্যে অকস্মাৎ কিছু একটা ঘটল।
भावक वूबर्ट वावल ना कि राष्ट्रा শাবক প্রথমবার মাংসের স্বাদ পেল! সে তার মধ্যে ঘটা অনুভূতিতে উচ্ছুসিত হয়ে গেল। भन्नानात्मन विश्व विधियाय वजोरे रुग् এটাকে বলে সাতোরি! যখন তুমি তা অভিজ্ঞতা কর, তুমি তা বুঝতে পারবে!
মাংস চেখে দেখে, मावक्रि मिश्र्ट्यून মত গর্জন করে উঠল! সে গর্জন করে তার সত্য প্রকৃতি ঘোষণা করা শুরু করল। সে তার भक्त थक्कि थकान कवल। वर्थन मिश्र শাবকের চোখের দিকে সিধা তাকিয়ে বলল, 'তৎতুমসি' - তুমিই তিনি। দীক্ষা ঘটল। সিংহ मिश्र रूट्य (शन। व्यामा या मिश्र निर्जाक ছাগল ভাবত, সে সিংহ হয়ে গেল!
মাস্টারের তাৎপর্য
মাস্টারের প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পারা, विद्याव करव वासूनिक सत्वन भटक, यूवरे কঠিন।
মাস্টার বাস্তবতার ঝলক প্রদান করেন, তুমি কে সেই সম্পর্কে সত্য প্রদান করেন। তিনি এখানে শুধু শিক্ষা প্রদান করার জন্য আসেন নি। তিনি এখানে জাগ্রত করার জন্য এসেছেন।
মাস্টার হল একমাত্র জীবন্ত শাস্ত্র।
ঈশ্বরকে সমর্পণ করা কঠিন কারণ তুমি জান না ঈশ্বর কোথায় অথবা ঈশ্বর কে। ঈশ্বর তোমার জন্য এক নিছক ধারণা। কিন্তু मान्जान भर्टनव मार्थ वक। जिनि কড়ारখ (भौर्णूटरून। जाँव काटक मेशन वास्वजा। जिनि ঈশ্বর অথবা অস্তিত্ব অথবা যা কিছু তুমি বলতে চাও, তার সাথে বাস করেন। আর, মাস্টার তোমার কাছে বাস্তব। তিনি ধরা-ছোঁয়ার মধ্যে। তাই তিনি তোমার জন্য ঈশ্বরে প্রবেশ করার জন্য প্রবেশদ্বার হতে পাড়েন।
তাঁর মধ্য দিয়ে তুমি কোয়ান্টাম ঝাঁপ দিয়ে ঈশ্বরের বাহুতে যেতে পার।
वक्ताव व्य जिनिष ( 'कूलि' व वर्वर তোমার পরমানন্দ বা ঈশ্বরের সত্য প্রকৃতির मद्या माँफ़िय्य वाट्ड, जा रल जानाव वासिए। শিষ্য হবার প্রক্রিয়া হল তোমার আমিত্বকে ত্যাগ করার প্রক্রিয়া। আমিতুকে ফেলে দেওয়া वर्ष कठिन। वासिठूटक (कटल फिड्या वर्थ, তোমার এত বছর ধরে বহন করা নিরেট পরিচয়কে হারিয়ে ফেলা, যে পরিচয়কে তুমি निर्जन जीवनसावर्तन जना वनिवाय वनिवाय व्यवन कवरण। वासिकूटक सूटर एक्लाटक सुरू वटल
মনে হয়, অথচ আমিতুই 'তুমি' ও জীবনের মাঝে দাঁডিয়ে থাকে।
मान्जादवन वर्णि नजीव वास्था, ( भ्रम उ শ্রদ্ধার সম্বন্ধ দ্বারা আমিতুকে মুছে ফেলা সম্ভব। তুমি ধীরে ধীরে সাহস সঞ্চয় কর এবং সারা जोवन सद्ब वाँकरण शाका वासिक्टक वर्ष् ফেলার ঝুঁকি নাও। যখন তুমি পূর্ণরূপে জান যে তোমার আমিত মুছে ফেললে, তুমি পড়ে (गटन उ. मान्जीवन भी वर्षिट्ठन ( करूनाव व्यमीस मूनका-जार्नव मद्यार जन्मार जून भड़व, जथन रूसि वासिकूटक क्यून मिट्ठ পার।
এখন পর্যন্ত, তোমার সত্যতে যত অভিজ্ঞতা প্রদান কর তা থেকে আরও বেশী जय 3 लाल उद्यन्न रूय। भविवर्टर, या कान वालिख्या रणामान मणारण वान उ वल उ সচেতনতাও প্রদান করতে পারে। এটা তোমার মধ্যে মাস্টারের ঘটানো এক জ্ঞানীয় পরিবর্তন, এক মনস্তাত্ত্বিক বিপ্লব, যার ফলে তোমার পূর্ণ রূপান্তর ঘটে।
মাস্টারের থেকে শেখা
তুমি প্রশ্ন করতে পার, 'আমার মাস্টার কেন চাই? আমি তো জীবন থেকে শিক্ষা নিতে পারি।'
माम्णेदवन वालिखाना रया। त्या वक मान्ना वानत्का वाण्डिका साम्रोव व वर्थट्स কোলে নিয়ে তোমার আমিতের টিউমার অপারেশন করার আগে তোমায় প্রেমরূপী অসাড়করণের রসায়ন (অ্যানেস্তেসিয়া) প্রদান করেন। যেহেতু তিনি তাঁর প্রেম বর্ষণ করেন,
তমি রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাবার বেদনা ব্যবহার পারবে না। যদিও তাতে একটু বেদনা হয়, ত মি তা মাস্টারের সঙ্গে থাকার আনন্দ ও সজাগতা সহকারে সহ্য করবে।
माम्णेन रूटनन विशाण़ ज़ोनन। जिनि কেবল তোমাদের শিক্ষা প্রদান করেন, তা নয়, তিনি নিশ্চিত করেন যে তমি এই রূপান্তরের मम्भूर्ण व्यकियान मथा मिट्य वानत्कन माथ যাও।
একটা ছোট গল্প :
একটি ছোট বালকের পিতা তাকে একটা বড় পাথর সরাতে বলছিল। বালকটি যথাসাধ্য চেষ্টা করল, কিন্তু সফল হল না। সে পরো ক্লান্ত হয়ে দাঁডিয়ে রুইল। তার পিতা বলল, 'তুমি তোমার সম্পূর্ণ সম্ভাবনা ব্যবহার কর নি। তোমার সমস্ত সম্ভাবনা শক্তি ব্যবহার কর।'
ভূव পিতাকে জোরে জোরে বলল, 'তমি কি বলতে চাইছ? তুমি বলছ আমি আমার সম্ভাব্য শক্তি ব্যবহার করি নি। আমি ক্লান্ত। তুমি কি তা দেখতে পাচ্ছ না?'
পিতা বলল, 'কেন, তুমি তো আমাকে বলতে পারতে। আমিও তো তোমারই শক্তি!'
একইভাবে তুমিও মাস্টারের উপস্থিতি वावश्व कवरण भाव। ময়া করব वावा, कूलि আমাকে জিজ্ঞাসা করতে পার। তমি মাস্টারের সহায়তা নিতে পার। তুমি তা কখনও কর নি। তুমি मुख्यना बटल काव नि। कर मशयूण सेमलक्ष আছে, তোমার অনেক প্রাচুর্য আছে, কিন্তু তুমি কখনও জিজ্ঞাসা কর না অথবা তুমি কখনও তা নাও না।
জীবন নিজেই তোমার মাস্টার হতে পারে। কিন্তু তখন সেটা কঠিন হবে যে কোথা (शटक मिक्का लटव, कि मिथर्व बनर कान काण् থেকে শিখবে। মহান মাস্টার দত্তাত্রেয় বলেন, 'আমার কখনও মাস্টার ছিল না, কারণ জীবন मर्यमारे वासान माम्राव रिल। वासि वक শিকারীর কাছ থেকে একাগ্রতা শিখলাম যে পাখীকে একাগ্রতার সাথে দেখছিল। পিঁপড়েদের দেখে আমি শিখলাম কিভাবে ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করা যায়!' জীবন এক মাস্টার হয়ে याटक भारत यदि जोवन (शटक माठिक जिनिष जिंठिया नवान जना जानाव वूकिसाउन शादक। কিন্তু বহু সময় তৃণি ভুল জিনিষ উঠিয়ে নাও।
একটা ছোট গল্প :
রাজা मटण्ड उभरव जिलि करव विकिथिटनन। रविक्तम्मून गुल्ल वाट्ड व्य विनि मण्डावामी ছিলেন এবং সত্যনিষ্ঠ থাকার জন্য তিনি তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের পর্যন্ত বিক্রি করে দিয়েছিলেন।
একবার এক গ্রামে এক ধর্মপ্রচারক रविक्तम्बून ग्रन्न वल्लू वल्लिटनन। पन्न वनाज भट्व তিনি এক ব্যক্তিকে প্রশ্ন করেন, 'তুমি এই গল্প (शुक्क कि मिथल्ल?' लांक्रि वटन, 'वासि শিখলাম যে জীবনে যাই হোক না কেন আমি मनमत्वय मण्ड बलव।' व्यक्तिक धुनी रू'ल। ज्यन विनि वना वक्रुअन कर भुग्न कवलन, 'তমি কি শিখলে?'
मिश्रीय व्यक्ति वलल, 'वासि व्यांत्र वांत्र अ একটা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পেলাম। জরুরী অ বস্থায় স্ত্রীকে বিক্রি করা যায়, তাতে কোন ভুল হয় না!'
বোঝা, একই গল্প থেকে তুমি দুটি ভিন্ন জিনিষ শিখতে পার!
সম্পর্কতা কি?
সম্পর্কতা माजागुलिटक विकास करव, याउनित्क एक्सि জানতে না যে যে সেগুলি তোমার মধ্যে বিদ্যমান वारण। जा এবং প্রমাণ করে যে তমিও কাউন্ডে বা কোন কিছুকে প্রেম করার জন্য সক্ষম। তা দেখায় যে তুমিও প্রেম করতে পার এবং তুমিও কারো জন্য বিস্ময়করভাবে বলিদান করতে পার।
যখন আমরা জন্মাই, আমরা পর্ণতা সহকারে জন্মাই। কিন্তু আমরা আমাদের বহু माजागुलि मम्भटक मटण्डन नरे वर्षः याथन আমরা সচেতন নই, বহির্জগৎও সেটা জানে ना। मन्दर्शन करण वजना माजागुनित्क জাগ্রত করার, তাদের অভিজ্ঞতা করার ও তাদের বহির্জগতে প্রদর্শন করানোর ক্ষমতা আছে।
সম্পর্কতা তোমার ভিতরের অজানা মাত্রাগুলিকে জাগরিত করে।
কারো সাথে অথবা কোন কিছুর সাথে मन्त्रकणा, लग यारे (शक ना वा या किछूरे ( मान्जादवन मार्थ कड़ाल मम्भकणाव मिटकरे পরিচালিত করবে।
यथन जुलि मरिला वर्थवा मिळ, विश्वर वा साम्मीन - यारे হোক না কেন, তুমি নিজের এমন মাত্রাগুলিকে দেখতে পাবে যা তুমি কখনও জানতে না যে जामान निकटन मण्डलि विकासान वार्ष्या এইপ্রকার প্রেমের প্রস্ফুটনে ততুমি আরও
मायिकुमील रूट्य या 3। रूसि जीवनन निर्याण অভিজ্ঞতা কর।
মাস্টার অস্তিতের সাথে এক এবং মাস্টারের সাথে সম্পর্কতা যে কোন অন্যান্য সম্পর্কতার থেকে গভীরতর। এটা সত্তা সত্তা সরের সংযোগ।
সাধারণত অন্য সমস্ত সমস্ত সম্পর্কতা वक्तनव मण्डि करव, किलु साम्र्णादवन मारथ সম্পর্কতা তোমাকে স্বতন্ত্রতার দিকে ও শেষে চিরন্তন আনন্দের দিকে নিয়ে যাবার ক্ষমতা রাখে। যদিও তুমি এই সম্পর্কে বন্ধন সঙ্গি করার চেষ্টা কর, তা কেবল সেই চিরন্তন আনন্দের দিকেই নিয়ে যাবে! এই সম্পর্কতায় বন্ধন কখনও হবে না।
মাস্টারের আকার হল পরম ও তোমার মধ্যে সেতু। যেহেত আকারটি পরমের মর্তপ্রকাশ, जारज सानव 3 जनवान सेन्द्रवाद सावाधुनि वार्ड। यूथन कुलि वाकारवन मार्थ मम्भक স্থাপন কর, আবার সেই আকারের সত্যের সাথেও সম্পর্ক স্থাপন কর, তখন তুমি পরমের জ্ঞান প্রাপ্ত কর।
মাস্টার সর্বাকার এবং নিরাকার। তিনি बकणि काठीत्याटक बन्दी रूटक, बकणे भारतव मुर्कि रूपय व्यटक वर्थवा চান না। মাস্টার হলেন আকার অতিক্রম করে, माजागुलिक व्यविक्त करवा जिनि वनव विनि वनन्त মাত্রাসম্পন্ন!
মাস্টারকে মা অথবা প্রেমীর একটা কাঠামোতে বেঁধে ফেলে তোমার পক্ষে তাঁকে वन्दी कवा 3 धर्ब नाथा मश्रूआ। जाँटक निर्या मरखड़र वावमा वा सार्वक्तिर कवा याया। किल्ह মাস্টার ব্যবসাতে আগ্রহী থাকেন না। তিনি চান তুমি বিভ্রান্ত থাক, যাতে করে তুমি অন্তরে দ্যাখ
এবং জীবনমুক্ত হও। তিনি তোমার মরণ চান, যাতে তেওঁ জানুৱাৰী বিশ্বাস হিয়া হৈছে। তেওঁ পাৰে পাৰে প্ৰায় প্ৰথম বিশ্বাস কৰিছিল। তেওঁ পাৰে প্ৰায় প্ৰথম বিশ্বাস কৰিছিল। তেওঁ পাৰে প্ৰায় প্ৰথম বিশ্বাস কৰিছিল। তেওঁ পাৰে প্
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর কাছে তোমার অজ্ঞতা নিয়ে এস। তিনি তোমাকে পথ দেখাবেন। তাঁর वाद्युक्त করবে না। তমি তাঁর সাথে অনেক উঁচতে উদ্দে পরমানন্দ প্রাপ্ত হবে।
মাস্টার আমাদের সাথে কাঠামো ও তলে সম্পর্ক স্থাপন করেন। সেই कार्यास्ता उ जनवर्लिन অন্তরাকাশে প্রবেশনাভে ভাগ্যবান প্রত্যেক সত্তার সাথে তাঁর সম্পর্কের অনন্য সৌন্দর্য ও প্রগাঢ়তা ব্যক্ত করে।
সত্য অন্ধেষণকারী মাস্টারের সাথে এক অনন্য সুন্দর পথ দিয়ে চলেন, আর মাস্টার তাদের অজ্ঞানের অন্ধকার (शरक खानन वालाटक निर्या यांना बजे बक मुक्यू विवरणिका। वाणा निकास वास्ता उ मश्यूकिट्ठ दूरे मणाव व्यवन वक्त मिलन व्य মাস্টারের সত্তার বহিলিখা লাফ দিয়ে শিয়ের শিষ্যের मणाय व्यवस्थान करवा। मटण्डनजान क्यूनिक्तटक এইভাবে প্রজুলিত করা হয়।
বিভিন্ন সম্পর্কতা তোমার ভিতরের ভিন্ন ভিন্ন মাত্রাগুলিকে অবারিত করে। এক প্রেমী তোমার মধ্যে প্রেমের অনুভূতিকে অবারিত করে। তোমার সকল বন্ধুরা তোমার বন্ধুতের অনুভূতিকে অবারিত করে। তোমার সন্তানের তোমার ভিতরে মাততের মাত্রাকে অবারি ত করে। তোমার বাবা-মা, দাদুদিদারা তোমার শৈশব-মাত্রাকে অবারিত করে। কিন্তু একমাত্র মাস্টার তোমার সমস্ত মাত্রাগুলিকে অবারিত করতে পারেন। মাস্টার তোমার ভিতরের অজানা জীবনমুক্ত-মাত্রাকে জাগ্রত জাগ্রত পারেন। মাস্টার ও শিষ্যের সম্পর্কতা তোমার মধ্যে কি রূপান্তর সঙ্গি করে, তা তমি পরিমাপ করতে পার না। মাস্টার নিজেকে বিভিন্ন মাত্রাতে প্রকাশ করেন এবং তোমাকে সেগুলিকে অতিক্রম করান আদান-প্রদানের (communion) মধ্য দিয়ে তোমাকে পরম অভিজ্ঞতা প্রদান করান।
ঈশ্বর ও মাস্টার
অতীন্দ্রিয়বাদী কবি কবির সুন্দর গান করেন,
'मान्जान उ जिन्नुन पूजनके वायाव मामतन वाविर्डूक राल वासि काटक थ्रनाम করব?
আমি মাস্টারকে প্রণাম করব। তিনি আমায় ঈশ্বরের সাথে সাক্ষাৎকার করিয়ে দিয়েছেন।'
একবার স্বামী বিবেকানন্দ শ্রীরামকক্ষ পরমহংসের অন্য শিষ্যদের সাথে আলোচনা করার সময় শ্রীরামকৃষ্ণকে ঈশ্বর বলে সম্মোধন করেন। একজন শিষ্য আপতি জানিয়ে বলল, 'এটা খুব বেশী হয়ে যাচ্ছে। আমি মানছি যে এই মাস্টার পরমজ্জানালোক প্রাপ্ত করেছেন, কিন্তু তিনি ঈশ্বর কিভাবে হতে পারেন?'
विद्यकानक जाटक थ्रन्न करवन, 'छूसि ঈশ্বর সম্পর্কে কি জান?' শিষ্য বলল, 'ও, ঈশ্বর হলেন সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞ ও সর্বব্যাপী।'
বিবেকানন্দ জিজ্ঞাসা করলেন, 'ঈশ্বর সর্বব্যাপী বলতে তুমি কি বোঝাচ্ছ?' শিষ্যটি वलल, 'জেન્દ્ર' जनव विज्ञाजन, जिनि मन জায়গাতে আছেন।' বিবেকানন্দ বলেন, 'তাহলে নিশ্চয় এখন তুমি তাকে দেখতে সমর্থ হচ্ছে। ' শিষ্যটি ঘাবডে গেল এবং এরপরে আর কি বলা যায় ব্রঝতে পারল না।
विद्यकांनक जारक बलटनन, ' কাছে ঈশ্বর এক ধারণা, ঈশ্বরকে তুমি দেখতে পার না। তোমার কাছে ঈশ্বর একটা অভিমত য়া তৃত্যি এমনকি জান না, বোঝা না। কিন্তু এখানে তোমার সামনে মাস্টার আছেন যিনি বাস্তবে ঈশ্বর।'
কেউ আমায় জিজ্ঞাসা করে, 'ঈশ্বর ও মাস্টারের মধ্যে পার্থক্য কি?'
আমি তাকে জিজ্ঞাসা করি, 'তুমি ঈশ্বর সম্বন্ধে কি জান? তুমি জান কতগুলি শব্দসমষ্টি ও ধারণা। ঈশ্বরের উল্লেখ করার সময় তোমার (कान धावनारे (नरे जूमि कि वनर। जानाव कारण जिनि कवन वक धावना, वक कल्लना, যাকে তুমি বিশ্বাস করে বল এক পরমশক্তি ও বিশ্বজनीत के कितना व वा वा वा वा वा वा का ना का का का का कि वा कि वा कि वा कि वा कि वा कि वा कि वा कि वा कि विश्व कर किया कि वाली का किसी क জিনিষকে তুমি যে নামে আখ্যা দাও।
ব্রহ্মাণ্ড পুরাণ বলে,
মাস্টার হলেন তিনটি চোখ বিনা শিব, চারটি হাত বিনা বিষয়ু ও চারটি মাথা বিনা ব্রহ্মা। তিনি মানববেশে 'পরম শিব'।
মাস্টার হলেন বাস্তব। তিনি পরম মহাজাগতিক শক্তির বাস্তবতা। তিনি এখানে ও এখন আছেন। তিনি বর্তমানে আছেন, তিনিই বর্তমান। তুমি ও তোমার ঈশ্বরের ধারণার মধ্যে তিনি আছেন। সেই অর্থে তিনি ঈশ্বরের চেয়েও মহান।
লোকেরা আমায় প্রশ্ন করে, 'আপনি কি ভগবান?' আমি তাদের বলি, 'যদি তোমরা জেনে না থাক ভগবান কি ও কে, তোমরা কি করে জিজ্ঞাসা করতে পার আমি ভগবান কিনা?' ঈশ্বরের সংজ্ঞা দেওয়া যায় না। তাকে কেবল অভিজ্ঞতা করা যায়।
আমাকে তোমাদের একটা জিনিষ স্পষ্ট করে বলতে দাও, আমি এখানে এটা প্রমাণ করার জন্য আসি নি যে আমি ভগবান। আমি এখানে প্রমাণ করার জন্য এসেছি যে তমি ভগবান। আমি এখানে আমার ঈশ্বরত প্রমাণ কवाद अना वाणि नि। वासि वर्थाटन वाणि তোমার ঈশ্বরত প্রমাণ করার জন্য।
মাস্টার যেন নদীর এক পারে ঘটা এক দাবানলের মত। শিষ্য নদীর অন্য পারে আছে। মাস্টার ও শিষ্যের মধ্যে যদি যে কোন উপাদান দিয়ে একটি সেতু নির্মিত থাকে, তাহলে আগুন শিষ্যের কাছে পৌঁছাতে পারে। সেতুটি কোন উপাদান নিৰ্মিত তা তাৎপৰ্যহীন। তা কাঠ বা সিমেন্ট দিয়ে তৈরি হতে পারে, কিন্তু দাবানলের সেই সেতু দিয়ে অতিক্রম করার ক্ষমতা আছে। একইভাবে, THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর সাথে যে কোন প্রকার সম্পৰ্ক নিৰ্বিশেষে, সেই সম্পৰ্কতায় কেবল সম্পূর্ণভাবে দ্রবীভূত হয়ে যাও।
যদি তুমি তাতে দ্রবীভূত হয়ে যাও, তা সহজেই তোমার অনুভূতিকে পরিপর্ণ করবে এবং তোমাকে চিরন্তন আনন্দের পরম অবস্থায় পরিচালিত করবে। যদি তুমি এটা বুঝতে পার এবং এটা এই সংকল্পের সাথে অভ্যাস কর, 'মাস্টার-শিষ্যের সম্পর্কতায় মিলিয়ে যাব', তা তোমাকে সেই অবস্থায় নিয়ে যাবে। ভেবো না এটা স্বতক্ষলভাবে হবে। মাস্টার-শিষ্যের মধ্যে ঘটা দ্রবীভবনের ওপরে কেন্দ্রিত হলে মাস্টার ও THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এ মিলিয়ে যাবে।
মাস্টারের (গুরু) সাথে সম্পর্কিত হবার পাঁচ উপায়
পাঁচটি মনোভাবের সাথে সম্পর্কিত হওয়া যায়। প্রতিটি মনোভাবের মধ্য দিয়ে ভিন্ন পথেTHE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM সেই পথ তোমাকে তোমার আরও নিকটে নিয়ে যায়।
একটা পথ হল মাস্টারকে তোমার শিশুর মত দেখা, তাঁর ওপরে মায়ের মনোভাব পোষণ করা। এটাকে বলে 'বাৎসল্যভাব'। যশোদা কৃষ্ণের বাৎসল্য ভাব নিয়ে সম্পর্কিত ছিলেন।
আরেকটা হল মায়ের প্রতি শিশুর মনোভাব। এটাকে বলে 'মাতভাব'। এইভাবে শ্রীরামকৃষ্ণ দেবী কালীর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন, শ্রীরামকৃষ্ণ মাস্টারকে মা বলে দেখেছিলেন।
তৃতীয়টি হল এক বন্ধুর মনোভাব, মাস্টারকে তোমার বন্ধু হিসাবে দেখা। এটাকে বলে 'সখ্যভাব'। এইভাবে কুচেলা (সুদামা) ও অর্জুন কৃষ্ণের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন।
চতুর্থটি হল এক প্রভুর প্রতি দাসের মনোভাব। সেটাকে বলে 'দাসভাব'। মাস্টার-THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM এর সম্পর্কটায় নিষ্ঠা মানুষের জীবনে এক নতুন মানে নিয়ে আসে। হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণে বানর ভগবান হনুমান তাঁর মাস্টার রামের সাথে এই ভাবে সম্পর্কে স্থাপন করেছিলেন।
অন্তিমে হল এক প্রেমিকের মনোভাব। সেটাকে বলে 'মধুরভাব'। রাধা এই ভাব সহকারেই কৃষ্ণকে দেখতেন। কৃষ্ণ সম্বন্ধে রাখা প্রেমিকার ভাব সহকারে ছিলেন। একটা জিনিস স্পষ্ট করে বলি, এই মনোভাবের তুমি স্ত্রী না পুরুষ তা কোনও ভাবে সম্বন্ধিত নয়। এটা সম্পূর্ণরূপে দেহের ঊর্ধ্বে। এটা সত্তার স্তর থেকে হয়।
মাস্টার যদি পুরুষ হয় এবং তুমিও যদি পুরুষ হও, তাহলে ও মধুর ভাব ঘটতে পারে। অথবা মানুষেরা যদি সরিলা হয় এবং তুমিও যদি একজন সরিলা হও, তাহলে ও স্থূল ভাব ঘটতে পারে। মধর ভাবের সাথে লিঙ্গের কোন সম্পর্ক নেই।
সর্বশেষে হল 'মহাভাব'। এটা আগের সমস্ত পাঁচটি ভাবে সমষ্টি ও আরও বেশী কিছু! গুরু-শিষ্যের সম্পর্ক সেটাই। কখনও মাস্টারের সাথে তুমি অনুভব করবে তিনি তোমার পিতা। কখনও তুমি তাঁকে তোমার মায়ের মত অনুভব করবে। কখনও তুমি অনুভব করবে তিনি তোমার প্রভু। অন্য সময়ে তুমি তাঁর বন্ধুর মত অনুভব করবে। কখনও তুমি অনুভব করবে যে তিনি তোমার সান্তনাকারী প্রেমিকা। মাস্টারের সাথে সম্পর্কের এই পাঁচটা সম্পর্ক এবং আরও বেশী কিছু।
তুমি মাস্টারের সাথে এই পাঁচটি ভাবের যে কোন একটি দ্বারা অথবা পাঁচটির সমষ্টি সহকারে সম্পর্ক স্থাপন ক'রতে পার।
মাস্টার-শিষ্যের সম্পর্কতার স্তরগুলি
শোন-THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM সম্পর্কের কয়েকটি স্তর আছে। প্রথমটি হল কেবল বুদ্ধিবৃত্তির স্তরে, অন্যকিছুর চেয়ে কেবল মননশীল স্তরে বেশি কাজ করে। তুমি ভাব, 'হুঁ! তাঁর বয়স কেবল ত্রিশ বছর। তিনি কিভাবে মাস্টার হবেন? তাঁকে তো উচ্চশিক্ষিত বা জ্ঞানী মনে হয় না। কিভাবে হাজার হাজার মানুষ তাঁর কথা শুনছে?' জানার ধরনের ঘাটতি, তুমি শিক্ষাগত যোগ্যতার দিকে তাকাও। সম্পর্কতা কখনও বুদ্ধিবৃত্তির স্তরে ঘটে না।
দ্বিতীয় বুদ্ধিমত্তাতে। সন্দেহের নকারাত্মকতা থেকে তুমি এগিয়ে যাও ও বল, 'এই প্রোগ্রামটিতে অংশগ্রহণ করা যাক, দেখা যাক এই মানুষটি বাস্তবে কি করছেন?' 'তিনি কি করতে পারেন?' - এই প্রশ্ন নিয়ে এগোও না। যদি তুমি সত্যিই শিষ্য হতে চাও, 'মনে হচ্ছে, তিনি কিছু একটা বলতে চাইছেন। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি না, আবার অবিশ্বাসও করি না। ঠিক আছে, দেখা যাক' ব্যক্তি ও বুদ্ধিমত্তা হয়ে যেতে আরম্ভ করে।
তারপরে যদি তুমি ভিতরে তাকানো বজায় রাখ, তুমি বুদ্ধিমত্তা থেকে ভাবাবেগসহ বুদ্ধিমত্তার দিকে এগিয়ে যাও, এখানে ৬০% বুদ্ধিমত্তা ও ৪০% ভাবাবেগ। তুমি অনুভব কর যে মাস্টার একজন ভাল বন্ধু। তুমি মনে কর যে, 'তিনি সেখানে একটু গাইড করতে পারেন। আমার জীবনটাকে কিভাবে উন্নত করতে হয় সে সম্পর্কে আমার এক ধারণা আছে, তাই তাঁকে আমার সবকিছু জানানোর দরকার নেই। বাস্তবতাকে কিছু নির্ণয় নিতে হয়, তাই তাঁকে সামান্য নির্ণয় পাঠাচ্ছি।' একে বলে মাস্টারকে এক বন্ধুর মত দেখা। এটাকে বলে সখ্যভাব।
যদি এমন লাগে যে কেউ তোমাকে গাইড করছে, তখন তুমি যখন আস্তে আস্তে দেখো বিষণ্নতা রেজাল্ট হিসেবে তুমি খুবই সুখী নও, তখন কোনও কারণে ভাব না, তুমি তাঁকে জিজ্ঞাসা কর, 'আপনার শিক্ষাগুলি মহান, কিন্তু এই মুহূর্তে আমি তাদের অনুসরণ করতে পারছি না। আমি কি করি?' তখন তিনি তোমাকে মানসিকভাবে ও মনস্তাত্ত্বিকভাবে সহায়তা করেন। যেন তুমি সেই মর্মে উপনীত হও যে কেবল জানানোই যথেষ্ট নয়, তোমার আরও কিছু সহায়তা চাই। তখন তুমি তাঁর হাতের দিকে হাত বাড়াও এবং তাঁর সহায়তায় তুমি আবার হাঁটতে শুরু কর। যখন তাঁর প্রতি তোমার কৃতজ্ঞতা বাড়ে।
যদি তাহলে সেটা বন্ধুত্বের মনোভাব, বুদ্ধিমতাসম্পন্ন অনুভূতির মনোভাব। যদি তুমি তাঁর হাত ধর, তিনি তোমাকে উঠতেও সাহায্য করেন, যেন হৃদয়ের গভীরে তুমি অনুভব কর। ধীরে ধীরে তুমি বুদ্ধিমত্তা থেকে 'ভাবাবেগ সহ বুদ্ধিমত্তা'-র দিকে এগিয়ে যাও, এখানে ৭০% অনুভূতি ও ৩০% বুদ্ধিমত্তা। এই মনোভাবের তুমি বলতে পার, মাস্টারকে পিতা বা মাতার মত অনুভব করা।
তখন তিনি হয়ে যান পিতা বা মাতা। ধীরে, খুবই ধীরে সেই সম্পর্কতা গভীর হয়। তুমি স্থির হও ও ভাব, 'তিনি কেবল এক বন্ধু নন। তিনি আমাকে কেবল পরামর্শ ও ধারণা প্রদান করেন না। তিনি আমাকে আমার সমস্যার সমাধানও করেন।'
তারপর বারংবার যখন তোমার আশার ছাড়িয়ে তুমি তাঁর সহায়তা পাও, তাঁর প্রতি তোমার ভিতরের অনুভূতি বিশুদ্ধ ভাবাবেগ হয়ে যায়। তোমার হৃদয়কে ভরে দেন। তাঁকে ভোলা কঠিন হয়ে যায়। তখন কখনও তুমি তাঁর সেবকের মত নত হতে চাও, সেটা লজ্জার সাথে নয়, কিন্তু শ্রদ্ধা ও নম্রতার সাথে কারণ তুমি এমন একজনকে পেয়ে গেছ যার কাছে তোমার সমস্ত সমস্যাগুলিকে সমর্পণ করা যায়। ভারতের মহাকাব্য রামায়ণে হনুমান তাঁর মাস্টার রামের প্রতি এই প্রকার অনুভব করেছিলেন। তিনি রামের প্রতি প্রতি পুর্ণরূপে জীবন সমর্পণ করেছিলেন। এই ধরনের সম্পর্কের মাঝে এক ধরনের গভীর সংযোগ ঘটে। এই মনোভাব আগের চেয়ে আরও বেশী স্বতঃস্ফূর্ত। বুদ্ধিমত্তার মিশ্রণ।
তারপর কালক্রমে তুমি আবেগের আরও গভীরে যাও এবং তুমি মাস্টারের মনোযোগ ও সাহায্য পাবার চেয়ে তুমি তাঁর সহায়তা করতে চাও, তাঁকে ভালবাসতে চাও এবং তাঁর যত্ন নিতে চাও। তোমার মনোভাব এক যাজনীয় মানুষের মত হয়ে যায়। একে বলে বিশুদ্ধ আবেগের অবস্থা। মিশ্রণ করার আবশ্যকতা। বুদ্ধিমত্তা, বুদ্ধিমত্তা -ভাবাবেগ, ভাবাবেগ-বুদ্ধিমত্তা ও পূর্ণ ভাবাবেগ, এই চারটি অবস্থায়, মাস্টারের জীবনের থেকে স্বতন্ত্র। তুমি কেবল তাঁর থেকে সাহায্য নাও তোমার জীবনকে সহায়তা করার জন্য, তোমার জীবনকে সমৃদ্ধ করার জন্য, ব্যাস্।
যখন গভীরতা ও সততা যোগ হয়, তুমি অনুভব করতে শুরু কর যে তোমার জীবন তাঁর জীবন থেকে পথক নয়। তুমি তখন আবেগের স্তর থেকে সত্তার স্তরে চলে যাও। তোমার প্রবল ইচ্ছা হয় নিজের বলিদান করে তাঁর যত্ন করার জন্য এবং তোমার জীবন তাঁকে সমর্পিত করার জন্য। সত্তা স্তরে এক একীভবন হয় এবং সেটা এমনকি মা-শিশুর ভালোবাসার চেয়েও বেশি কিছু। এটা নিবিড় প্রেমের এক সংযুক্তি, এতে কোন লিঙ্গ ভেদাভেদ নেই। এখানে ভালবাসা, আবেগ (ভাব) ও সত্তা স্তরের মনোভাবের এক কবিছিল।
যখন সমুদ্রের বাতাসের রূপ, তখন তুমি অভিজ্ঞতা কর যে 'তিনি' ও 'তুমি' বলে কিছু নেই। দুটি ভিন্ন সত্তা নেই। তুমি ও তিনি এক এবং অভিন্ন। তুমি মধুরভাব অভিজ্ঞতা করা শুরু কর, নিজেকে মাস্টার বলে অভিজ্ঞতা কর। তমি পরম অভিজ্ঞতা লাভ কর, তৎতমসি - তুমিই সে।
প্রথমে বুদ্ধিবৃত্তি, তারপর ৭০% বুদ্ধিবৃত্তি ও ৩০% ভাবাবেগ, তারপর ৬০% ভাবাবেগ ও ৪০% বুদ্ধিমত্তা, তারপর ১০০% ভাবাবেগ, তারপর ৬০% ভাবাবেগ ও ৪০% সত্তা।
এভাবে তুমি ধারণা করতে শুরু কর এবং গুরু-শিষ্যের সম্পর্ক বৃদ্ধি (হতে শুরু করে)। কিন্তু কার কেমন মনোভাব তা স্পষ্ট হবে।
গুরু অনেক শিষ্য পেতে পারেন, তবুও প্রত্যেকের সাথে মাস্টারের সম্পর্ক হল অনন্য। সেটাই এর সৌন্দর্য! সেটাকে রাম হনুমানের মধ্যে দাসভাবের সম্পর্কতা, অথবা যশোদা ও কৃষ্ণের মধ্যে বাৎসল্যভাব, অথবা কৃষ্ণ ও অর্জুনের মধ্যে সখাভাবের সম্পর্কতা, অথবা রামকৃষ্ণ ও কালীর মধ্যে মাতভাবের সম্পর্ক, অথবা রাধা ও কৃষ্ণের মধ্যে মধুর ভাবের সম্পর্ক- মানুষের সম্পর্কতায় প্রতিটি ভাবই অনন্য। প্রতিটি শিষ্য তার বাস্তবতার অন্ধেষণে মাস্টারের সাথে এমন এক পথে এগিয়ে চলে যে পথ তার জন্য সর্বোত্তম।
মাস্টারের সাথে কিভাবে থাকা উচিত - উন্মুক্ত হও
শোন - তুমি - মাস্টারের সাথে থাকো, পুরোপুরি উন্মুক্ত হয়ে থাকো। দ্বিধা যুক্ত হয়ে থাকবে না। বোঝা যে জীবন যুক্তির চেয়ে অনেক বেশী কিছু। তোমার যুক্তিকে ফেলে দাও এবং সম্পূর্ণরূপে উন্মুক্ত ও সজাগ হও।
যখন এক বিশ্ব বিশিষ্ট ও সংযুক্ত হয়, মানুষ তখন এক নতুন মানুষ হয়। তুমি শোনো, তুমি এক নবীন ব্যক্তি হবে এবং তুমি এক নবীন চেতনা হয়ে যাবে।
আমি এটা একটা কথায় বলতে পারি : তুমি নবীন হবে! তুমি হবে 'নিউ' (নবীন) ও 'ক্লিন' (পরিষ্কার), একসাথে হবে 'নিউ ক্লিন'!
তুমি হালকা অনুভব করবে। তোমার বহন করা 'টিউমার'-গুলির ওজন হয়ত আর নেই। এগুলো যা যা অনুভব করেছিলে না, সেগুলি ছিল তোমার ভিতরের অস্থিরতা। যে জিনিসগুলোর জাগতিক বিকৃতি ঘটেছিল রুপায়ণ করত, এগুলো যা অনুভব বৈশিষ্ট্য রাখত না। সেটা যদি অস্থিরতা হয়, তাহলে সেটা কখনও তোমার অংশ হবার জন্য ছিল না। তাই কেবল উন্মুক্ত হও যাতে 'মাস্টার সার্জন' তোমার মন থেকে টিউমারগুলিকে অপসারণ করতে পারেন।
তুমি সমগ্রতা সহকারে থাক। মাস্টার তোমাকে যা কিছু বলেন, তাতে রাজী হওয়া বা না হওয়ার প্রশ্ন এটা নয়। তোমাকে মতে মতৈক্য ও মানসিকতাকে তৈরি করে নিতে হয়। যখন তুমি সূর্যকে উদয় হতে দ্যাখ, তুমি কি বলতে পার যে তুমি তাতে রাজী হও কি হও না? না! এটা হয়, ব্যাস। একবার সেই অনুভূতি তোমার স্পর্শ হয়ে যায়, তার থেকে শ্রদ্ধা বোধ কিছুটাও কম হয় না। যখন তুমি নিজেকে প্রকাশিত করার জন্য তুমি মাস্টারকে অনুমতি দিয়ে দিয়েছ।
নিষ্ঠা ও উপায়ে সম্পূর্ণরূপে উন্মুক্ত হওয়া, কোনভাবেই ভীত হওয়া নয়, কোনভাবেই লুকিয়ে থাকা নয়, একদম অন্তঃস্থল পর্যন্ত শ্রদ্ধাশীল হয়ে থাকা।
তাহলে মাস্টার তোমার ওপরে তাঁর কার্য করতে পারবেন। তিনি তোমাকে এমন মুহূর্তে পাঠাবেন যেখানে কখনও কিছু কম হবে না। তিনি তোমাকে এমন সব মুহূর্তে ও পরিস্থিতিতে পাঠাবেন, যেখানে তুমি উপলব্ধি করবে যে নিজের সীমানা অবিশ্রাম প্রসারিত করতে থাকবেন যতক্ষণ না তুমি উপলব্ধি কর যে সীমানা বলে কিছুই নেই, নিজের বলে সেখানে কিছুই নেই। যখন তুমিও তাঁর মত হয়ে যাও। তুমিও এক পূর্ণাঙ্গ স্বতন্ত্র, মুক্ত, সীমাহীন পরমহংস হয়ে যাও!
তোমাকে কেবল মাস্টারের সাথে, অস্তিতের সাথে উন্মুক্ত হতে হবে। তুমি উন্মুক্ত হলে প্রকাশ করছ। তুমি ও অস্তিতের মধ্যে সুন্দর সেতু নির্মাণের জন্য এই আস্থার প্রয়োজন।
একটা ছোট গল্প :
এক শিষ্য গঙ্গাতে পড়ে গেল। তার গুরু গঙ্গাতীরেই বসেছিলেন। তাঁকে দেখে শিষ্য চীৎকার করল, 'বাঁচাও! বাঁচাও! ভগবান, আমাকে বাঁচাও! গুরুদের, আমাকে বাঁচান!'
গুরু উত্তর দিলেন, 'মূর্খ! দাঁড়িয়ে পড়। নিজেকে বাঁচাও।' শিষ্য কাঁদতে কাঁদতে বলল, 'ভগবান, দয়া করুন! প্রথমে তো আমাকে বাঁচান। আমার জীবন বিপন্ন। আমায় বাঁচান!'
মাস্টারের কোনও নড়াচড়া নেই। তিনি একই কথা বললেন, 'মূর্খ! নিজেকে বাঁচাও! দাঁড়িয়ে পড়।' শিষ্য জোর গলায় বলল, 'আমি আপনাকে আমার মাস্টার বলে ভেবেছিলাম। বাঁচান, আমায় বাঁচান!' এবার মাস্টার খুবই জোর গলায় বললেন, 'বুদ্ধু! দাঁড়িয়ে পড়!'
শিষ্য পড়ল...এবং দেখল যে যে জল কেবল তার কোমর পর্যন্তই ছিল!
তুমিও ধরসাধারস্তি করছ কারণ তুমি 'জলে পড়ে গেছ' কিন্তু জান না যে সেই জল কেবল তোমার কোমর পর্যন্তই! কেবল যখন তুমি মাস্টারের কথা শোন ও দাঁড়িয়ে পড়, তুমি বুঝতে পার যে জল কেবল তোমার কোমর পর্যন্ত ও তুমি স্বস্তিবোধ কর। সমস্ত দুর্বলতাগুলি, যা ঘটছে বলে তুমি ভাবছিলে, প্রকৃতপক্ষে তাদের তো বাস্তবে কোন অস্তিত্ব নেই। সেগুলি তো কেবল তোমার কল্পনা। সেগুলি কখনও সত্য হয় না।
তাই বোঝ, যখন আমি বলি 'আমি যত্ন নেব', আমি আসলে তোমাকে একটা লাঠি দিচ্ছি যার সাহায্যে তুমি দাঁড়াতে পারবে। যখন মাস্টার বলেন, 'আমি যত্ন নেব', যদি তুমি সেটাকে সন্দেহ কর, তুমি উঠে দাঁড়াবার একটা সহজ সুযোগ নষ্ট কর।
তোমার সংস্কারগুলিকে মাস্টারের উপস্থিতিতে দগ্ধ কর
জীবনমুক্ত মাস্টার রামানা মহর্ষির জীবনের এক সুন্দর ঘটনা :
এক 'রামানা পুরাণ' গাঁথা লিখছিল। কিন্তু তাকে 'লেখকের সামনে বন্ধ দ্বার'-এর সামনা করতে হয় এবং সে আর লিখতে পারছিল না। যে করেই হোক, যখনই তুমি আমিত সহকারে লিখবে, 'লেখকের সামনে বন্ধ দ্বার' ঘটবে। যাই হোক (সেদিন) শিষ্য রামানা মহর্ষির কাছে গেল এবং বলল, 'ভগবান আমি তো আর লিখতে পারছি না। দয়া করে আমায় সহায়তা করুন।' ভগবান বললেন, 'এখন অন্য প্রধান কাজ আছে। আমি তোমার সাথে পরে কথা বলব।'
শিষ্য কাগজ রেখে চলে গেল। পরের দিন যখন সে ফিরে এল, সে দেখল যে পুরো কবিতাটা সম্পূর্ণ হয়ে গেছে! রামানা মহর্ষি নিজে ৩০০ লাইন লিখেছিলেন। যখন পুস্তকটি ছাপা হয় লেখক সেই ৩০০ লাইনকে উদ্ধৃতি চিহ্নের মধ্যে রাখেন এবং নীচে টীকা লেখেন, 'এই ৩০০ লাইন ভগবান নিজে লিখেছেন।'
ভগবান সেই বইটা দেখলেন ও জিজ্ঞাসা করলেন, 'ও! তাহলে অন্য লাইনগুলি তুমি লিখেছ? ঠিক আছে! '
শিষ্যটি পরে বলে, 'তিনি সেটা বলার সময় আমার ভিতরে কিছু একটা চুরমার হয়। অশ্রুধারা গড়িয়ে পড়ল এবং আমি ভগবানের পায়ে পড়ে গেলাম এবং আর কখনও উঠলাম না।'
কেবল সেই একটা মন্তব্য মুরুগানার নামে সেই শিষ্যের জন্য যথেষ্ট ছিল, মুরুগানার জীবনমুক্ত হয়ে গেলেন!
বোঝা, মুরুগানারের লেখকের আমিতের মত একটি এনগ্রাম বা খোদিত স্মৃতির মত তুমিও বহু এনগ্রাম বহন কর। যখন তুমি ব্যক্তির অনুগামী হতে যাও, জন্মগতভাবে মাস্টারের উপস্থিতিতে থাক। তুমি সেটা থেকে পূর্ণরূপে নিরাময় হবে।
বড় সমস্যা হল, এনগ্রাম তোমাকে সুযোগ দেবে না যে তুমি তোমার দুর্বলতা জানতে পারবে। এনগ্রাম প্রতিপাদন করতে থাকবে কারণ সেটা তার টিকে থাকার প্রশ্ন।
সেজন্য আমি সর্বদা লোকেদের বলি, যখন তুমি অনুশাসনে আসা যাওয়ার রুক্ষতা অনুভব কর, যখন তুমি ক্রোধ, কাম, লোভ, ভয়, বিষণ্নতা বা ঈর্ষা ইত্যাদি মাখানো বর্তমানের কালকথলি মনে আচ্ছন্ন হও, তখন কখনও কোন বৃহত্তর নির্ণয় নেবে না। তখন কেবল মাস্টারের উপস্থিতিতে থাক। সেই সুন্দর সুযোগ কখনও হারাবে না। তোমার পুরোপুরি নিরাময় হবে এবং তুমি সেটা থেকে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে আসতে পারবে। যখন অনুশাসন মানা যাওয়ার রুক্ষতা রাখ, কখনও সাম্যতা থেকে পলায়ন করবে না।
যখন কেউ বিষণ্নতায় কাতর হয়ে আমায় ছেড়ে যায়, আমি তার জন্য অনেক অনুভব করি। এটা এর জন্য নয় যে আমার মিশনে একজন মানুষ কম হয়ে গেল। না! তার কারণ সে আমাকে বিষণ্নতার সময় ছেড়ে গেছে। যদি সে আনন্দ ও সুখী থাকার সময় আমায় ছেড়ে যায়, তো ঠিক আছে। সেটা একটা স্বাভাবিক সম্পর্কতা। সে যেখানেই যাবে আমাকে বহন করবে। কিন্তু সে যদি বিষণ্ন অবস্থায় থাকে, তার কোন প্রকার উন্নতি হবে না এবং সে কখনও সেই এনগ্রাম থেকে বার হতে পারবে না। ঠান্ডা জল খাওয়া ব্যক্তির মুখের ভেতর যদি ফোস্কা পড়ে, তবে সে কখনই ডিমের সামনে যাবে না।
বিষণ্ন অবস্থায় কখনও কোন নির্ণয় নেবে না। বিষণ্ণ মেজাজ স্বভাবত তোমার মাসতুতো বোনকে বিক্রি করে দেওয়ার মত কাজ করবে। সঠিক সিদ্ধান্ত নেবার জন্য যা যা আবশ্যক তার যোগান দেবার মতো সেই মেজাজ নয়। তোমার মেজাজ ভাল হবার জন্য অপেক্ষা করবে এবং তুমি জিনিসগুলি স্পষ্ট দেখতে পাবে। যখন মনোভাবে আছ, কেবলমাত্র তখনই বড় সিদ্ধান্ত নাও। ঠিক যেমন তুমি তাড়াহুড়ো করে বা নির্মাণকালে নির্মাণ শেষ না করে বাড়ী তৈরী করলে তা ভেঙ্গে যায়, একইভাবে সচেতন থাকার সময় নির্ণয় নাও, অশান্তিতে নির্ণয় নেবে না।
বদমেজাজও চলে যাবে যেভাবে খুশী মেজাজ চলে গিয়েছিল। মনের বাজার বসানোর প্রকৃতি, এটা এক চক্রের মত। যেটা নীচে আছে তা উঠে আসবে। ওপরে বা নীচে, কোনটাই একটার চেয়ে বেশী সত্য নয়। তারা উভয়ই আছে, ব্যাস্। তোমার কাছে সকারাত্মকতাকে বেশী বিশ্বাস করার পছন্দ আছে।
বিষণ্ণ মেজাজে থাকার সময় কেউ যদি চলে যাবার নির্ণয় নেয়, তখন সমস্যা হল তার মন আবার প্রফুল্লতায় ফিরে আসবে এবং তখন সে তার নির্ণয়ের জন্য পরিতাপ করবে। তখন তার পক্ষে ফিরে আসা কঠিন হবে কারণ সে অপরাধবোধে থাকবে এবং ফিরে আসার জন্য নিজেকে যোগ্য মনে করবে না।
আমি সর্বদা লোকেদের বলি, বিষণ্ণ অবস্থায় কখনও যেও না। যদি তুমি বিষণ্ণ হও, সেটাই আমার সাথে থাকার জন্য সঠিক সময়। এনগ্রামে আটকা পড়ে থাকার সময় আমার কাছে আসতে চাও না, সেটা তো ডাক্তারের সঙ্গে থাকার সঠিক সময়!
দীক্ষা কি?
যখন তুমি নিজেকে নিরাময় করতে চাও, তোমাকে নিজেকে জীবনীশক্তিতে আবার জীবিত করতে হবে। যখন তুমি দেখো, বহির্জগৎ অথবা তোমার অতীত স্মৃতির একটা সাধারণ অস্থিরতা তোমার শক্তি অপচয় করতে পারে।
আরেকটা জিনিষ যেটা তোমার শক্তিকে ব্যয় করে, তা হল অনেক বেশী নির্ণয় নেওয়া। তুমি এটা চেষ্টা করতে পার। তোমার যদি অনেক বেশী কাজ থাকে, কেবল পাঁচ বা ছয়টা মুখ্য নির্ণয় নাও। দেখবে তুমি ক্লান্তবোধ করবে।
যে শব্দ, ভাবনা বা মানুষেরা তোমাকে ক্লান্তি বা বিষণ্নতা থেকে বার করে আনে এবং তোমাকে শক্তি যোগায়, তাদের আমি বলি শাস্ত্র-শস্ত্র বা জ্ঞান-অস্ত্র।
যে সত্য তোমাকে বিষণ্নতা থেকে বার করে নিয়ে আসে এবং তোমার বিষণ্নতার উৎসকেও বরাবরের মত ধ্বংস করে, তাকে বলে মন্ত্র। যে শব্দাবলী মানুষকে পথ দেখায় তাকে মন্ত্র বলে।
যখন কোন মন্ত্র জীবনমুক্তির অভিজ্ঞতা প্রাপ্ত বিশুদ্ধ অন্তর্দেশের অধিকারী কোন সত্তা থেকে আসে, তুমি জান না, কিন্তু তুমি অকস্মাৎ দ্যাখ যে সেটা কাজ করছে। জ্ঞানী ক্লিক করছে! এটাকে স্তব হবার দরকার নেই। সেটা কয়েকটা শব্দের সমষ্টি হতে পারে, কিন্তু সেটা তোমার ভিতরে, তোমার চেতনায় বিস্ফোরিত হয়। তুমি সেটা ভুলতে পার না। শ্রবণ করতে করতে তুমি সেটাকে নিয়ে বাস করা শুরু কর। তোমার জীবন কোন প্রচেষ্টা ছাড়াই পরিবর্তিত হয়। এটা হল মন্ত্রের শক্তি।
তোমার যুক্তির এক অংশ তার সাথে প্রথমে লড়াই করতে থাকে, কারণ যদি তুমি সেই সত্যকে স্বীকার কর ও তাকে তোমার জীবনে প্রকাশ করা শুরু কর, তোমার সমস্ত কায়েমি স্বার্থগুলি ও বহু জিনিষ যেগুলিকে তুমি জীবন বলে গ্রহণ করেছিলে, তা সব সমস্যায় পড়বে। কিন্তু তোমার অন্তঃস্থল, তোমার সত্তা বলে, 'আমি জানি উনি যা বলছেন তা সত্য।' তোমার মনের কোণাতে সন্দেহ থাকতে পারে, কিন্তু তোমার সত্তা সেই সত্যের সাথে সংযুক্ত। তুমি শ্রবণ দ্বারা বুঝতে পার না, কিন্তু হঠাৎ তোমার সত্তা সেই শব্দাবলীর সাথে, সেই অভিব্যক্ত সত্যের সাথে যুক্ত হয়।
সেই অকস্মাৎ ক্লিক অথবা মাস্টারের স্পর্শকে আমি বলি 'দীক্ষা'।
যদি দীক্ষা অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে সঞ্চার করা যায়, যদি তুমি তোমার যুক্তিকে ছাড়িয়ে শক্তিশালী এক অভিজ্ঞতার কমপক্ষে এক ঝলক পেয়ে থাক, তাহলে মোক্ষ ঘটা সম্ভব, তুমি মুক্তি পাও।
যখন তুমি 'মোক্ষ' শব্দটা ব্যবহার করি, তখন বহু সন্দেহ হয় যেমন, 'আমি তো আরও একজন মাস্টারের কাছ থেকে দীক্ষা নিয়েছি, তাহলে কি আমি THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর কাছেও মোক্ষ নিতে পারি? যদি আমি মোক্ষ পাই, তাহলে কি অন্যান্য মাস্টারদের কাছে যেতে পারি এবং নতুন কিছু শিখতে পারি?'
একদম ঠিক আছে, তাতে কিছুই ভুল নেই! আমি সবসময়ে লোকেদের বলি, সমস্ত মাস্টারদের থেকে সুন্দর মালা তৈরি কর যা তুমি নিজে পরবে। এটা তো কোন দোকানের মত নয় যেখানে তুমি একবার গেলে দোকানদার তোমাকে দোকানে রাখার জন্য চেষ্টা করবে যতক্ষণ না তোমার কেনা শেষ হয়! মানুষের আমিত্ব এমন যে সেই আমিতুকে কমপক্ষে দশ বারো জন মাস্টার পেটানোর পরেই মরবে! তাই উদ্বিগ্ন হবে না, বিভিন্ন মাস্টারের কাছে যাওয়ায় কোন ভুল নেই। সমস্ত উৎস থেকে সব ভাল জিনিষ শেখ ও তোমার জীবনকে সমৃদ্ধ কর। কেবল এক ধরণের জিনিষ (সেরেন্ডা শপিং) করবে না। সেটা বিপজ্জনক, কারণ তাহলে তুমি কারো কাছ থেকে কিছুই শিখবে না।
প্রথম দীক্ষা তখন ঘটে, যখন মাস্টার তোমাকে জ্ঞান দেন এবং তোমার বিক্ষিপ্ত কেন্দ্র সরিয়ে আনেন।
একবার জ্ঞান 'কিছু সম্বন্ধে জানা' থেকে 'জানা'-তে সরে যায়। তুমি সেই জন্য মাস্টারকে মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার কর।
মাস্টারের যত নিকটে আস, মাস্টার তোমাকে নিজেকে জানা ছাড়িয়ে পরের স্তরে নিয়ে যান। নিজেকে নিয়ে তোমার আবিষ্টতা (Obsession) হল তোমার আমিত্ব। তাই যখন তুমি আমিতুকে ফেল, আমিত্বকে মাস্টারের চরণে সমর্পণ কর, চড়ান্ত ঘটে। ঠিক সেইক্ষণে তুমি নিজেকে আবিষ্কার করবে!
চূড়ান্ত প্রেমলীলা
এক মাস্টার তোমার সত্তার আকাঙ্ক্ষা পূরণ করেন। জীবনের সবচেয়ে বড় প্রেমলীলা।
সাধারণত: পুরুষ মানুষ বনাম মহিলা মানুষ
সাধারণত, গ্রহণ করার ব্যাপারে পুরুষ মানুষের প্রধান বাধা হল আমিত্ব। প্রকৃতি অনুযায়ী পুরুষ বশীভূত হয় এবং সে বুদ্ধিবৃত্তি দ্বারা কার্য করার জন্য কাউকে মাস্টার বলে স্বীকার করা প্রায় অসম্ভব। যখন সে মন নিয়ে পড়ে থাকে, তখন তার কাছে সমর্পণ করার অর্থ হয় ব্যক্তিত্ব হারানো, পরিচয় বিলীন হয়ে যাওয়া। কিন্তু সচেতনতা সহকারে এবং কোথায় হারিয়ে যেতে হবে, সে বিষয়ে অবগত থেকে সমর্পণ করা সম্ভব।
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর কাছে পৌঁছানোর জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ হল তার অধিকার করার প্রবণতা ও ঈর্ষা। একজন মহিলাকে মাস্টারের আকারকে ছাড়িয়ে নিরাকারকে গ্রহণ করতে হবে, মহিলাকে কোন ঈর্ষা ছাড়া মাস্টারের প্রেম ও করুণা সবার সাথে শেয়ার করার বাস্তবতায় স্থিত হতে হবে। প্রথম প্রথম অধিকার করার প্রবণতা ও ঈর্ষার ভাবনা ঠিক আছে। বস্তুত, কেবল যখন এই সব আবেগ তোমার সামনে প্রকট হয়, তখন সেগুলি তোমায় ছেড়ে যেতে পারে! যদি সেগুলি গভীরভাবে লুক্কায়িত থাকে, সেগুলি তোমায় ছেড়ে যেতে পারে না। কিন্তু মাস্টারের সাথে সম্পর্কতা বৃদ্ধি পাবার সময়, বুদ্ধিমতাসম্পন্ন মানুষেরা সেই দুটিরই রূপান্তর নির্মল প্রেমে ঘটায় এবং মাস্টারের নির্মল প্রেম অভিজ্ঞতা করে! তখন পর্যন্ত, মাস্টারের নির্মল প্রেম অভিজ্ঞতা করার ব্যাপারটি ছাঁকনির মত কাজ করে।
মাস্টার এক নদীর মত। যদি তুমি তোমার হাত খোলা রাখ এবং তোমার মধ্যে প্রবাহিত হতে দাও, জল তোমার সাথে সর্বদাই থাকে। যদি তুমি জলকে হাতের মুঠোয় ধরতে চাও, জল হারাবে! তোমার যতটা প্রয়োজন, মাস্টারের প্রেম তোমার মধ্য দিয়ে ততটাই কোন বাধা ছাড়া প্রবাহিত হবে। যেই মুহূর্তে তুমি তোমার ছোট তালুতে নদীকে ধরে রাখার আশা করে তোমার হাত বন্ধ কর, তুমি নদীকে হারিয়ে ফেল, তুমি মাস্টারকে হারিয়ে ফেল। তোমাকে সেই জীবনপ্রবাহের এক সুন্দর অংশ হতে হবে এবং মাস্টারের প্রেমকে উপভোগ করতে হবে।
তোমার জীবনের উদ্দেশ্যে জাগ্রত হওয়া এবং মাস্টার
বোঝ, শিষ্য কখনও তার অজ্ঞানতা সম্বন্ধে জানতে পারবে না, কারণ সে তো অন্ধকারে আছে। যে মানুষটি আলোকে আছে সে অন্য মানুষটিকে নয়।
একটা ছোট গল্প :
একজন জন্মান্ধ ব্যক্তি হিমালয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। সে নিজের সুবিধার জন্য একটা লাঠি খুঁজছিল। সে একটা জমাটবাঁধা সাপের ওপরে হোঁচট খেল। সে সেটাকে একটা লাঠি ভাবল এবং আনন্দে সেটিকে লাঠি হিসাবে ব্যবহার করতে লাগল।
একজন জীবনমুক্ত মাস্টার তা দেখল ও চীৎকার করে বলতে লাগল, 'মূর্খ! ওটা একটা সাপ, ফেলে দাও ওটাকে।' অন্ধ ব্যক্তিও চীৎকার করে বলল, 'না! মনে হয়, তোমার কোন লাঠি নেই। তাই তুমি আমাকে এটা ফিরিয়ে দিতে বলছ! '
মাস্টার বললেন, 'মূর্খ! আমার ওটা চাই না। তুমি যেটা বহন করছ সেটা লাঠি নয়, সেটা একটা সাপ। শীঘ্র সূর্য উঠবে, সাপটি জীবিত হবে এবং তোমাকে কামড়াতে পারে।' অন্ধ ব্যক্তি সেটাকে ফেলতে চাইছিল না। তখন মাস্টার বললেন, 'যদিও তুমি আমাকে বিশ্বাস না কর, এখন তোমাকে রক্ষা করা আমার দায়িত্ব।' তাই তিনি সাপটিকে ছিনিয়ে নিলেন ও ফেলে দিতে গেলেন। অন্ধ ব্যক্তি সেই সাপটি দিয়ে মাস্টারকে মারতে শুরু করল।
মাস্টার বললেন, 'যদি তুমি আমাকে পেটাও, ঠিক আছে। তোমাকে রক্ষা করা আমার দায়িত্ব কারণ তুমি তো ব্যাপারটা জানই না।' তিনি সাপটা নিয়ে ছুঁড়ে ফেলে দিলেন।
তুমি জান না কত জন্ম ধরে তুমি এক মাস্টার পাবার জন্য সংগ্রাম করেছ অথবা প্রার্থনা করেছ। তুমি তোমার প্রকৃত আকাঙ্ক্ষার প্রতি একদমই সচেতন নও। বোঝা, তোমার জীবনে THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর ঝলক পাবার জন্য তুমি কত জন্ম ধরে সংগ্রাম করেছ এবং ঐকান্তিকভাবে প্রার্থনা করেছ। তোমার জীবনে মাস্টারকে পেয়ে জাগ্রত হওয়া, তোমার জীবনের আকাঙ্ক্ষা ও উদ্দেশ্যতে জাগ্রত হওয়া।
জীবনের উদ্দেশ্য বনাম এনগ্রামগুলি
লাইফ ব্লিস প্রোগ্রামের দ্বিতীয় স্তরে আমি লোকেদের বলি যে এই শরীরকে ছেড়ে যাবার সময় অর্থাৎ মৃত্যু ঘটার সময়, অকস্মাৎ এই পৃথিবীর যা জিনিষগুলি তুমি উপভোগ করছিলে তাদের সাদাকালো দেখাবে। তাদের উপভোগ করার সময় যেমন রঙ লেগেছিল সেরকম রঙীন আর মনে হবে না।
মনে হয় যেন বাদ্যযন্ত্র নীরব হয়ে গেছে এবং এই জগৎকে সাদাকালো মনে হওয়া। যখন ঘুম ভাঙে, যেমন রুক্ষ্ম বর্ণহীন লাগে, জন্মের পরের জীবনও সাদাকালো।
একইভাবে যখন তুমি এই শরীর ত্যাগ কর, সম্পূর্ণ অতীত জীবন সাদাকালো দেখাবে। সেই সময়ে, জীবনের আধ্যাত্মিক দিক থেকে নেওয়া সচেতন নির্ণয়গুলিকে বহু রঙে রঙে রঙিন দেখাবে! দেহ ও মন সম্পর্কিত যে কোন সুখ তখন সাদাকালো দেখাবে। চেতনার দিকে তুমি যা কিছু করেছিলে সেগুলি উদ্ভাসিত হবে!
এখন অবধি, মাস্টার, আধ্যাত্মিকতা, তোমাকে আকর্ষণ করে না, কারণ তুমি ভাবো তোমার কাছে অনেক সময় আছে। মাস্টার যেন অবসর (রিটায়ার্ড) জীবনের বিনোদন। মাস্টার যেন এই জীবনের এক পছন্দমাত্র। শরীর ছেড়ে যাবার সময় তুমি জানবে যে সচেতনভাবে তুমি যা নির্ণয় নিয়েছিলে, সেগুলি চেতনার শক্তির সাথে ছিলে, মাস্টার ও তাঁর মিশন মার্গের সাথে ছিলে, সেগুলি বর্ণাঢ্য ও বর্ণময় হয়ে ওঠে। এই জগতের সমস্ত বর্ণময় জিনিষ মামুলি লাগে।
সেই সময় তুমি অনুভব করবে, 'হে ভগবান! আমি তো পুরো জিনিষটাই হারিয়েছি! আমার এই জন্ম ব্যর্থ!' মৃত্যুর প্রক্রিয়ার সময় যখন এই তীব্র বেদনা অনুভব কর, তুমি তখন গম্ভীরভাবে পরের জন্ম সম্বন্ধে নির্ণয় নাও, 'পরের বার আমি আর মাস্টারকে হারাব না।' পরের জন্ম নেওয়ার সময় জন্মের সময়ের বেদনার জন্য তুমি এক কোমা অবস্থার মধ্য দিয়ে যাও এবং তোমার মনে থাকে না।
অতএব, যদিও জীবনে THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM ঘটে, তবুও তোমার কোন ধারণাই নেই যে তুমি তাঁকে আগে কতবার হারিয়েছ। তুমি ভুলে গেছ এবং কালের নিয়মে আবার সেই একই স্মৃতিগুলি ও সমস্যার পুনরাবৃত্তি ঘটতে থাকে, কারণ তুমি ভুলে গেছ এবং তুমি মাস্টারকে আগের মতই আবার হারাও। পুনরায়, এই দেহ ত্যাগ করার সময় তুমি তাঁকে আরও একবার হারাবার তীব্র বেদনা অনুভব কর।
মাস্টার ও তোমার মধ্যে আস্থার সেতু
এখন পর্যন্ত আমরা মাস্টার, ধ্যান, অথবা আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা অন্বেষণ করার জন্য অনুসরণ করি তা নয়, সেটা করি কারণ আমাদের হাতে সময় আছে। যেদিন তোমার শরীর ছেড়ে দেওয়ার সময় এসে যাবে, সেইদিন সমস্ত পৃথিবী এবং তার ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য অভিজ্ঞতা বিবর্ণ রূপ ধারণ করবে ও মামুলি দেখাবে। কেবল মাস্টারের সাথে মুহূর্তগুলিকে, এই প্রকার আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে সচেতন যাত্রার মুহূর্তগুলিকে রঙিন ও সতেজ দেখাবে।
সেইজন্য এখন মাস্টার ও ধ্যানের সাথে সম্পর্কিত সব কিছুকে এখন অত চিত্তাকর্ষক বা সতেজ মনে হবে না। মৃত্যুর সময় যখন এই সব অতিকল্পনাগুলি শেষ হয়ে যায়, তখন শরীর, মন ও মস্তিস্কের সাথে সম্পর্কিত সব কিছু মৃত হবে ও সাদাকালো হয়ে যাবে এবং মাস্টার ও ধ্যানের মত সুস্ম চেতনার সবকিছু রঙিন ও সতেজ হয়ে যাবে।
যেহেতু আমি তোমার দেহ ছেড়ে যাবার মুহূর্ত দেখতে পাচ্ছি, তাই আমি জানি মাস্টার সম্বন্ধে কিছু কথা বলা মায়াবী। সেজন্য যখন কেউ আমাকে প্রায় হারাতে যায়, আমি সর্বদাই অনুভব করি, 'হে ঈশ্বর! আবার আরও একটি আত্মা আমাকে হারাতে বসেছে!' মাস্টারের সাথে থাকার গুরুত্ব আমি তাদের সাধ্যমত বোঝাবার চেষ্টা করি।
দেখ, তোমরা তোমাদের শরীরে থাকার কেবল ৭০-৮০ বৎসর দেখতে পার। সেই কারণে মাস্টার তোমাদের জন্য কেবল এক ভাষ্যকার তো ঘটে, নতুবা, সেটার ব্যাপারে ভুলে যাও। কিন্তু আমি তো বৃহত্তর ব্যাপ্তি দেখি।
এটা অনেকটা এই প্রকার : যদি তুমি রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাক, তাহলে তুমি তোমার চারিপাশের কয়েকটা বাড়িকে দেখতে পারবে। তুমি এই দূরত্বের মধ্যে বাস করছ। কিন্তু আমি হিমালয়ের চূড়াতে দাঁড়িয়ে আছি, তাই আমি রাস্তার বাঁ ও ডান দিক দেখতে পাচ্ছি। তোমার দৃষ্টিগোচর হবার অনেক আগেই আমি দেখতে পাই।
তোমার চরিত্রাবলী এবং জীবন এটা নাটক মাত্র। দয়া করে স্পষ্ট করে বোঝা, যা কিছু সম্পর্ক হিসাবে আছে।
তোমার সত্যকে বোঝা দরকার। তুমি এক পরিবারে জন্ম নাও, সেখানে কেউ তোমার মা, কেউ তোমার বাবা, ভাই ও বোন হয় এবং তুমি পরিবারের সদস্যদের সাথে খেলা কর। কোন শিশু কয়েকটা পুতুল নিয়ে তাদের সাজাবে। একটিকে বাবা, অন্য একটিকে মা ও অন্য দুটি পুতুলকে ভাই ও বোনের মত পোশাক পরাবে। তারপর সে তাদের সাথে সেই দিনটার নাটক করবে। সে এমন আওয়াজ করবে যেন বাবা কাজে যাচ্ছে, ভান করবে যেন মা রান্নাঘরে কিছু রান্না করছে, ভাই যেন স্কুলে যাচ্ছে এবং বোন যেন স্কুলে যেতে না চেয়ে কাঁদছে। শিশুটি এই সবকিছু সৃষ্টি করে খেলাটা উপভোগ করবে।
এখন কেবল তোমার জীবনের দিকে তাকাও। তুমিও বেশী ও আরও বেশী করে অধিকার করার চেষ্টা কর, তা জন্মগত সম্পর্কতাই হোক বা বস্তুগত জিনিষই হোক। তুমি তোমার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বৃদ্ধি করার চেষ্টা কর এবং হঠাৎ তোমার মৃত্যুর সাথে সেই নাটক শেষ হয়ে যায়।
আবার তুমি অন্য কোন পরিবারে ভিন্ন পিতামাতা, ভাইবোনের ঘরে জন্ম নাও এবং একই খেলা আবার খেল। আমাদের সমস্ত জীবন বাচ্চাদের পুতুল খেলা থেকে একেবারে ভিন্ন নয়। একমাত্র যে মাস্টার-শিষ্যের পূর্ণ সম্পর্কতা অভিজ্ঞতা করেছে, তার জীবনে এই নাটক পুনরায় ঘটবে না।
সেদ্ধ হতে দাও এবং জীবনমুক্ত হও
কেউ আমায় প্রশ্ন করেছিল, 'আমার পুরজন্ম থেকে সাথে করে আনা সংস্কারগুলি কি আমার পথে বাধা?'
সংস্কারগুলি নিজে থেকে কোন বাধা নয়। কিন্তু যখন THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM তাদের ওপরে কাজ করেন ও তাদের অপারেশন করতে উদ্যত হন, তোমার বোঝা উচিত যে তিনি তোমার ওপরে কাজ করছেন, কারণ তুমি তাঁকে বারংবার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অনুরোধ করেছ।
যখন THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM কাজ করি, তুমি ভাবতে পার আমার ভয় বা লোভের কায়েমী স্বার্থ আছে। স্পষ্ট করে বোঝ, যখন তুমি আমার সম্পর্কে এরকম ভাব, তুমি শুধুমাত্র তোমার ভয় ও লোভকে আমার ওপরে চাপাচ্ছ, কারণ জীবনমুক্ত মাস্টারদের কোন ভয় বা লোভ থাকে না। আমি তোমার এন্গ্রামের ওপরে কাজ করি কারণ তুমি হাজার জন্ম ধরে আমাকে হাজারবার অনুরোধ করেছ!
তোমার সংস্কারগুলি সমস্যা নয়। আমি তাদের ওপরে কাজ করার সময় তুমি বাধা না দিলে ঠিক আছে। আমার সেগুলির ওপরে কাজ করার সময় তোমার দেওয়া বাধাই হল সমস্যা।
তোমার সংস্কারগুলি সমস্যা নয়, তোমার সেগুলিকে আঁকড়ে থাকার প্রচেষ্টাই হল সমস্যা। যদি তুমি THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর সাথে প্রস্তুত থাক, আমি সেগুলির ওপরে কাজ করার সময় সেটা কোন সমস্যা হবে না। তুমি যদি বোঝা যে কেবল তোমার টিউমার সরানো হচ্ছে এবং THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM কাজ করার জন্য তুমি আমাকে সহায়তা কর, সেটা সুন্দর। কিন্তু যদি তুমি বল, 'না! নেবার জন্য তোমাকে কাটছি!' তুমি অভিযোগ করা শুরু কর, তুমি আমায় বাধা দেওয়া শুরু কর এবং আমাকে দোষারোপ করা শুরু কর।
यथन मिश्र ३ मावटकव गटन मिश्र মাংস খাচ্ছিল, শাবকটি অভিযোগ করছিল, 'कि! वासि जाननाम कूलि करण भविव, कण মহান। তুমি আমাকে কত কত আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছ। তুমি আমাকে कवर्णिटल। किलु वासि कथन उ डाविनि মাংস খাবে। আমি ভেবেছিলাম তুমিও আমার মতই - নিরামিষাশী!' - তোমার তথাকথিত অপরিণত নৈতিকতা অথবা তোমার অপরিণত বোধগম্যতাকে, তোমার নিজের ভাবধারাকে মান্जाদवन उभरव वाणिक्किश कन ववर विनि তোমার সংস্কারের ওপরে কাজ করলে তাঁকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা কর।
সংস্কারগুলি নিজে কোন সমস্যা নয় কাवन মাস্টারের কাছে আস। তোমার সংস্কার না थाकटन তুমি তো তাহলে ইতিমধ্যেই জীবনমুক্ত!
তুমি ম্মून जानकार को विकास कवित्त याथन जूसি তোমার সংস্কারগুলির সাথে আছ, তুমি যেভাবে আছ সেরকম নও। তুমি তোমার নরকে কষ্ট পাচ্ছ। भाष्या वासि रमरे नवकणोटक আমি তোমার সেই কারাগারটিকে ধ্বংস করি, তুমি ভাব আমি তোমাকে ভাঙ্গছি। তুমি বাধা দেওয়া শুরু কর ও সমস্যাগুলিকে সৃষ্টি কর।
কখনো কখনো আমার কাছে এলে তুমি भूक গাकि उ वानत्कन কেফয়া রাজ্য রাজ্য वटल অনুভব কর। কখনো কখনো তুমি প্রচণ্ড ক্রোধ ও বিষণ্ণতার উদয়ও অনুভব কর। কিন্তু শীঘ্রই विषभूणा सिलिट्य यादव। यथन मासन वाम, ছूलि बक भुगाड़ मजिटকাद्य আসছ যা তোমার নকারাত্মকতাকে মুছে ফেলে। সেজন্য তুমি এত মিশ্র ও প্রগাঢ় আবেগগুলিকে অনুভব কর।
मार्श, साम्जेदवन এক ব্যন বাস্তবকি বক ভাবসাংগবকি মন্ডক্যিा। यथन কूसি জাँव মামतन वाम, জামান নিক্তवन মাস वारवणणुलि রমদ্ব रख्या उनक रूय। ल्मणे व्यन যদি তুমি ফুটন্ত জলে আলু রাখ, আলু চারদিকে লাফাতে থাকবে! আলু নিজে নাচছে না। তা নীচের আগুনের জন্য নাচছে।
আমি সর্বদা লোকেদের বলি, সংস্কার থাকা সমস্যা নয়। আলু समस्या नয়। আলু যেন পালিয়ে না যায়। কেবল সেটার যত্ন নিতে হবে! ভার্বव রুত্য यादव! 'मिन्न' मन्नोवन मरकुटक फूणि वर्थ আছে, একটা হল ফোটা বা স্ফুটন হওয়া, অন্য অর্থ হল 'জীবনমুক্ত'। তাই পরিষ্কার করে বোঝ। यदि वालू भाज (শटक लायिक्ट्य वारेदव ना কাটল যায়, यदि जा ভার্বव চিকরवर (শटक याय, জ্যন ক্লো (কবল मिफ्न वालू रख जा नया, কিন্তু সেটা জীবনমুক্ত আলু হবে!
সমর্পণ – চূড়ান্ত প্রক্রিয়া
ভগবদ্গীতায় অর্জুন পুরোপুরি বিভ্রান্ত যে তার কোন পথ অনুসরণ করা উচিত। শেষ অধ্যায়ে কষ্ণ দ্বারা অর্জনকে দেওয়া পরম শিকার भव्यक सेवनकि कवान मर्वाउत भुजिया। थान, छूकि उ ज्ञानन प्रण विजिन्न भूकिया जनवाद भट्न मनटनार कुछ थकान करवन मरख, निकित उ रुफ़ाल ব্যकिया वर्षঃ সেটা হল সমৰ্পণ।
म्भेष्ट करव वावा, बক্কন জীবনসূক মাস্টারের কাছে সমর্পণ করলে তুমি এমন বক্করনব কাটক मार्मण कवर याँव कान আমিত্ব, কোন পরিচয় নেই এবং তাই তাঁর নির্জন কান কার্যাসী সार्थ নরে। जिनि जा वाखिट्यून मार्थ वकीलूक उ সেক্ট্রুমিণ। জাँव শাण ধরव जानारक करने भव्रतानक मानवन নিয়ে যেতে তাঁকে অনুরোধ কর।
দুশ্চিন্তা ও চাপ আসে যখন তুমি ভাব যে তুমি কার্যকর্তা। তখন তুমি শীঘ্রই কল্পন্ত রুত্য যা উ। কিলু यदि कूलि मालिकानाव অনুভূতিকে আরও উচ্চতর শক্তিতে স্থানান্তরিত করে নিজের কাজ আনন্দময় হয়ে চালিয়ে যাও, তুমি ভীষণ স্বচ্ছন্দ্বোধ করবে!
একটা ছোট গল্প :
কোথাও এক ব্যাঙ্ক ম্যানেজার ছিল এবং সে রোজ দিনের শেষে নগদ টাকা ঘরে নিয়ে যেত। পরের দিন আবার সেই নগদ টাকা ব্যাঙ্কে নিয়ে ফিরে আসত। সে প্রায় এক মাস ধরে এটা করতে থাকল এবং আর তা করতে পারছিল না।
গাড়ী চালিয়ে ঘরে ফেরার সময় সেময় সে কাঁপত এবং তার হেফাজতে এত টাকার সাথে সে রাতে ঘুমাতে পারত না। শেষে সে তার ওজন কা কা ক কাंकवि বলল যেহেতু সে তার চাপ আর সহ্য করতে পারছিল না।
जात वजन वाटक वলল ব্য জোকা হারালেও সে তাকে দোষারোপ করবে না এবং তাকে চাকরি করে যেতে পারে। ম্যানেজার সেইদিন থেকে আরামে ঘুমাত।
তার মধ্যে কি পরিবর্তন হল? সে তো একই চাকরি করছিল, কিন্তু তাহলে আর কোন ভয় ও চাপ কেন ছিল না? কারণ দায়িত্ব আরও একজন উচ্চতর কর্তৃপক্ষের ওপরে স্থানান্তরিত श्यू (শট্ড, বাণা ট্রম या कवर्णिल कवरण থাকল।
यथन মতর্ভব कव, রুসি कथनউ নিশ্টমায়িण उ वर्तनामध्यु वनून কবরव ना কানুন कूलি সরাসরি এমন একজনের সাথে সংযুক্ত হয়েছ যিনি वजी व किन सूर्जन मत भर्त व প্রারে উপহার।
সমর্পণের প্রগাদতা
यदि রুসি वाণूनरक जान मा- गरून कारण কেবল দশ মিনিট থাকতে দাও, বাছুর কেবল দুধ খাবে ও ফিরে আসবে। কিন্তু যে মশা গরুর उभरव कवित्व घण्डा वटन, ল্য क्वन भवनव রক্তই খাবে। তুমি হয়ত THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর সাথে চব্বিশ ঘণ্ণে ওয়াণ किन्तु জা মঠূ উ জাँव মাধ্য মর্যুক্তি অনুভব কর না। আবার তুমি হয়ত THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর (শ্রক মূদव ঘাणू, জনूत মর্যূকি মর্যূকি মर्वफারে অনুভব কর। এটা তাঁর শারীরিক উপস্থিতির নিকটে থাকা নিয়ে নয়। সেটা অন্বেষণের কার্যে বিদ্যাव कृतिका থুরুव করव না। ব্যব্যवाद्यव গভীরতাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
রামকৃষ্ণ খুব সুন্দরভাবে বলেন, 'যে কোন কিছুতে সমর্পণ কর। সমর্প ণ গুরুত্বপূর্ণ, কিসে বা কার কাছে সমর্পণ, সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। যদি তুমি একটা পাথরের কাছেও সমর্পণ কর, এমনকি সেটাও ভগবান হয়ে যাবে ও তোমাকে পথ দেখাবে।
বিশাস ভাইরাস না শাকরণ না শাকরণ বিভাগ करण्यान তোমার কাছে এলেও তুমি তাঁর পরিচয় পত্র মन्त्र कार्रेटवा वायरसवा वर्षण বর্ণ वक्ति ছোট্ট পাথরও তোমাকে শিক্ষা দিতে পারে।
আমার ভিতরের জীবনীশক্তি বাইরেও বিকাশন। ভারাত उ আমি শন্য হয়েছি, জীবনীশক্তি আমার ভিতরে ভবন करव मণোক রুত্য निर्नक রুয়। জারে यदि একই গভীরতার অন্তেষণ তোমার ভিতরে ঘটা শুরু হয়, তাহলে নাসিকা দিয়ে যে বায়ু প্রবেশ করव মাকমিলি वनुम्बना उ মকা রুত্য ব্যাটক ভারত। কথা এখন শোন, দুদিন পরে তুমি তা স্মরণে রাখতে পারবে না।
একটা সুক্ষ্ম বিষয় তোমাকে পরীক্ষা করে দেখতে হবে। নিরীক্ষণ করে যে মাস্টারের কথায় তোমার মন অস্বীকার করলে তুমি তাঁকে মুवन कव কিনা। यदि সেউন শাँ রয়़, এসি সমর্পণ করেছ। নতুবা তুমি মাস্টারকে অনুসরণ করছ কেবল যখন তার কথা তোমার মন সোকাव करवा! बजे ক्वलমাव বক আকস্মিক যোগাযোগ যে তিনি কখনো কখনো এমন কিছু বলেন যা তোমার মন স্বীকার করে।
মাস্টারের কাজের বেলায় তোমার আগ্রহী বা সকারাতাক মনোভাবের কোন দরকার নেই। একমাত্র সমর্পণ ও মাস্টার যা বলেন তা করার স্বীকৃতির প্রয়োজন, কারণ সমর্পণ সত্তার গভীরতর স্তর থেকে আসে এবং সেটা মনের অগভীর স্তর থেকে আসে না।
প্রকৃতপক্ষে মাস্টার সমর্পণের এক মাধ্যম, এক অজুহাত কারণ তুমি সরাসরি সমগ্র অস্তিত্বের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারছ না। তুমি আকাশের অসীম ব্যাপ্তির দিকে যাকারণ ক্যা পাউ। জারে কুলি আনালা মিট্য वाकार्टनव মিটক আকাশের জন্য মাস্টার যেন তোমার জানালা।
সমর্পণের তিন স্তর
আমি এখন তোমাদের সমর্পণের তিন उन वार्था कवन : বুদ্ধিবৃত্তির সমর্ম্পণ, আবেগের সমর্পণ ও তোমার ইন্দ্রিয়গুলির সমর্পণ।
প্রথমে হল বুদ্ধিবৃত্তির সমর্পণ। তার অর্থ মাস্টারের বুদ্ধিকে নিজের বুদ্ধিবৃতি থেকে বেশী বিশ্বাস করা। बजे ক্বवল বুক্তিবর্ণित मतदान कर ভারাত को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को कि বরে ভर्याয় रूसি সাম্রাজ भूমর্মিক জীবनদनी অনুসরণ করে।
मिलीयाणि रूल সাম্রেজনवर वार्वाद्यव उभरव निर्जन वार्वर्टनव करवा वनी वास्था রাখা। তার অর্থ এটা বিশ্বাস করা যে মাস্টারের সাথে সম্পর্ক হল চড়ান্ত সম্পর্ক, সেটা অন্য যে কান সম্পর্কের চেয়ে বড়। यदि ভগবান তোমার সামনে আবির্ভূত হয়ে জিজ্ঞাসা করেন য বরে ভশ্রীশ্বর্টর কুলি শাাঁড়া वावर कवन बन्द कर कर विक शाকরণ মটল करते का कारक পছন্দ করবে? যদি তুমি মাস্টারকে পছন্দ কর, তাহলে আবেগগত সমর্পণ তোমার মধ্যে ঘটেছে।
অবশ্যই মাস্টারকে কখনও ধ্বংস করা যায় না, किन्तु जनवर ना व्य व्यট्यू কুলि भए करवण वटन তিনি বেঁচে আছেন! তুমি পছন্দ কর কি না কর তিনি সজীব থাকবেন।
यदि প্রতি তোমার আবেগ অন্য যে কোন আবেগের চেয়ে বেশী, তাহলে তোমার মধ্যে আবেগগত সমর্পণ ঘটেছে। স্পষ্ট করে বোঝা, ৯৯% মানুষ প্রথম স্তরে থাকে। কেবল এদের মধ্যে ২০% থেকে ৪০% আরও গভীরে গিয়ে দ্বিতীয় স্তরে যায়া। বাকীনা ব্যথাটন শিল মাথাটনরে মাंজিয়्य থাকে।
তৃতীয়টি হল ইন্দ্রিয়গুলির সমর্পণ।
ক্রম্ভব জোवটন वক্রণ মূल्न घाजना আছে।
মহাভারতের যুদ্ধের পরে যখন কষ্ণ ও অর্জুন আরাম করছিলেন, কষ্ণ বলেন, 'হে! অর্জুন, দ্যাখ, ওখানে একটা সবুজ কাক! '
অর্জুন বলেন, 'সুন্দর! কি সুন্দর সবুজ রঙের কাক!; কষ্ণ বলেন, 'মূর্খ! ওটা কালো, সবুজ নয়।' অর্জুন বলেন, 'হ্যাঁ কষ্ণ! ওটা কালো, সবুজ নয়।'
কষ্ণ বলেন, 'তোমার কি হয়েছে? যখন আমি বলি সবুজ, তুমি বল সবুজ। যখন আমি বলি কালো, তুমি বল কালো। তোমার মধ্যে হচ্ছে কি?'
অর্জুন বলেন, 'কষ্ণ, সত্য কথা বলি। আমি জানিই না কাকটি কি রঙের। কিন্তু যখন তুমি বললে সেটা সবুজ, আমি তাকে সবুজ মন्यनास। ভद्रव রুসি কাটনা वলটন, वाসি সেটাকে কালো দেখলাম। আমি তো কিছুই জানি না!'
वर्जूननन রেल्ভিয়াগুলि কক্কর বিশ্বাস কवण। निर्जन রেसियाण्डलिव करवा वर्मी বিশ্বাস করেছিলেন।
ভ্রণमित्वा ভ্রণव वा वावड কিছू?
মেডিক্যাল বা চিকিৎসাশাস্ত্রে 'প্ল্যাসিবো প্রভাব' বলে একটা কথা আছে। রোগীকে মেকি ওষুধ দেওয়া হয়, কিন্তু দেখা যায় রোগীটি সেরে উঠেছে। উপ्रुध द्वाउन्ना श्यू, किलु जाटक वना रूय ব্য ওষুধটি খাঁটি এবং তার রোগ সেরে যায়! কিন্তু मन्यूकि ভটবর্ষারণ দ্য়া যায় যা ব্য ভ্লামিত্বা প্রভাব আরও অনেক রহস্যভেদ করছে।
ইটালীর তরীন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞানীরা একটি পরীক্ষা করে। वहां वर्रामी क তারা এক পরীক্ষা করে। সেখানে মানুষকে ইলেক্ট্রোডের সাথে সংযুক্ত করা হয় এবং তাকে नियन्त्रिक रेलर्किक मक दिन उन्हां रूपा व्यक्त তারা মানুষটি সবচেয়ে কম কত বিদ্যুৎপ্রবাহ অনুভব করতে পারে ও সর্বোচ্চ কত বেশী विद्युष्थवार मश कवरण ভারাত, जान उभर्दव निर्डन করव সानूसজিন विकास মান मान्य প্রতিষ্ঠিত করে।
এখন কোন শক দেওয়ার আগে একটা লাল বা সবুজ আলো মানুষটির সামনে একটি পর্দাতে দেখা যাবে। সবুজ আলো হল শক মদু দেওয়া হবে। লাল আলো অর্থ শক আরও বেশী যাদব দিন দিন কো वानूसমিদ্রক জনवर থেকে জোরে, ১ থেকে ১০ এর মাপদণ্ডে শক-এর বেদনাকে নম্বর দিতে হবে।
cognitive shift ।
মাস্টারের উপস্থিতি
मार्श, याथन माम্রোত্বন্ন मार्थ ধ্যান প্রক্রিয়া করা হয়, সেটা এক অ্যাল্কেমি প্রক্রিয়া হয়। যদি তুমি সেটা ঘরে বসে একাকী কর সেটাকে ধ্যান বলা হয়। যখন তুমি সেটা মাস্টারের সাথে কর, মাস্টারের উপস্থিতিতে কর, মাস্টারের পরিচালনায় কর, সেটা হয়ে যায় অ্যাল্কেমি। সেটা যেন তোমাকে সেদ্ধ করা। প্রক্রিয়াণ रूस्य যায় বনক সজীব ও শ্রুণাণ।
একটা ছোট গল্প :
এক কমবয়সী মহিলা রান্না করতে জানত না। সে এক নৈশভোজের পার্টির জন্য কিছু রান্না করতে চাইল। সে একটি রান্নার বই নিয়ে কিছু ডেসার্ট (মিষ্টান্ন) বানাতে গেল।
নির্দেশাবলী বলে, 'চলাতে পাত্র রাখা।' সে তা করল। তারপর বইটা বলে, 'আধা কাপ ময়দা ঢাল।' সে ঢালল। তারপর, 'আধা কোপ কাপ জল যোগ কর, একটু চিনি দাও এবং বিশ মিনিট ধরে - নাড়াও।' - সে - সমস্ত - নির্দেশাবলী যথাযথভাবে অনুসরণ করল কিন্তু বিশ মিনিট পরে কিছুই হল না।
কেন? কারণ বইতে লেখা ছিল না যে চুলার আগুন জুালাতে হবে!
একইভাবে যখন তুমি নিজে নিজে ধান করड़, कथना करणना करणना करण्यন জ্বালাতে ভুলে যেতে পার। মাস্টারের উপস্থিতি হল এক আগুন। যা নিশ্চিত করে যে খেলায়ালা ঘটবে, অ্যালেঞ্জমি ঘটবে।
লোকেরা আমায় প্রশ্ন করে, 'স্বামীজী, আপনি মাস্টারের উপস্থিতির ওপরে এত জোর দেন কেন?' অবশ্যই, তোমরা আমার কথা বৈশ্বিক मिली উ বিশ্নিত করণ उनटक ভাব। কিলু যখন এখানে বসবে, যে সততা আমার চোখে বিকিরণ ঘটে, আমার শারীরিক ভাষায় যে সত্য প্রকাশিত হয়, তা তোমাকে ধরে ফেলবে। তুমি তা ধরে ফেলবে। তুমি ঠিক অনুভব করবে, মর্যূকি वनून कवरव, 'शौ, जेनि সত্যিই বলছেন।'
यदि उ ठूलि मटन्सर कबरण का उ, রঠिए দেখবে যে তোমার যুক্তির তোমার ওপরে আর কান ক্ষমতা নরে। সাম্রোস্তवन मनावली তোমার যুক্তি ছাড়িয়ে তোমার ভিতরে প্রবেশ করে। কवरण। बजे বকসাव माम্রোद्वन সে भूমিকित्व वटन শাকারलরে ঘোরटर। বায়वा মণ্ডা मণোরক 'উপনিষদ' বলি - কেবল আশেপাশে থাকা, বসা এবং মাস্টারের কাছে উন্মুক্ত হওয়া।
নির্জাক বাসুন মার্थ জেনেুক করव धन এবং নিজে আস্থায় ঝাঁপ দাও। দেখবে মাস্টার সেখানে তোমাকে ধরে ফেলার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন। তোমার মস্তিষ্ক থেকে নিজেকে ফেলে मा उ বর रुफ़र्यन वजन गर्वतन বাঁভ मा উ। সেখানে মাস্টার তোমাকে ধরে ফেলার জন্য থাকবেন এবং তোমাকে জীবনমুক্ত করবেন, ব্যাস।
উপনিষদ
উপনিষদ অর্থ বসা। যখন এক শিষ্য মাস্টারের উপস্থিতিতে বসে, তখন মাস্টারের মধ্যে ঘটা বিষয়গুলি শিষ্যের মধ্যে স্থানান্তরিত ও পুনর্গঠন করা হয়।
य এবং যদি তার ভিতরে মাস্টার পুনর্গঠিত হয়ে থারকन, মিर्চ निर्जन निर्जन स्थानि उ জনরে
law of intuition law of synchronicity ।
সন্দেহ ও বিশ্বাস
यथनরে জাताव ক্বान মৎकूल शादक, সন্দেহ ও বিশ্বাস উভয়কে মাস্টারের চরণে সমর্পণ কর। দ্যাখ, মাস্টার তোমাকে বিশ্বাস প্রদান করवन वर्वर जिनिरे জাतारक मटनार প্রদান করেন। যখন তুমি সন্দেহ দ্বারা আটকে যাও, মাস্টারকে মানসিকভাবে বল, 'মাস্টার, আপনি আমাকে আপনার ওপরে আমার বিশ্বাস প্রদান করেছেন, আবার আপনিই আমাকে আপনার ওপরে সন্দেহ প্রদান করেছেন। আমি দুটোকেই আপনার চরণে সমর্পণ করছি। আমি এই খেলা খেলতে চাই না। আমি এই খেলা নিয়ে অনেক ভুগেছি। দয়া করে রক্ষা করুন।'
যুন যুনি জানাव মটনार उ বিভাগम উভয়কেই মাস্টারের চরণে সমর্পণ কর, তুমি দেখবে তোমার মধ্যে আস্থা উৎপন্ন হচ্ছে, যেটা মটনवर নয়, वावाद विश्वाम उ नया। लाणे রল সত্যকে নিয়ে পরীক্ষা করার সাহস।
গভীর আস্থা
এক জেন মাস্টার তাঁর উত্তরাধিকারীর জন্য একটি ছোট বালককে ছোটবেলা থেকেই লালনপালন করছিলেন। এই ছোট ছেলেটির মাস্টারের সাথে খুব গভীর সংযুক্তি ছিল, কিন্তু ছেলেটি ছিল খুব দুষ্ট্র। সে তার মাস্টারের মত ব্যবহার করার চেষ্টা করত। সে মাস্টারকে অনুকরণ করার চেষ্টা করত এবং মাস্টারের পিছনে দাঁড়িয়ে মাস্টারকে নিয়ে কৌতুক করত। মাস্টার কোন ব্যাপারে জোর দিতে চাইলে তাঁর বুড়ো আঙ্গল ওপরে করতেন। এই বালকটিও তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে একই জিনিষ করত!
একদিন মাস্টার রেগে গেলেন এবং তাঁর বহন করা একটা চাক বার করলেন ও ছেলেটির বুড়ো আঙ্গুল কেটে ফেললেন। বোঝা : গল্পটি সুন্দরভাবে বলে যে বালকটির আস্থা ও অনুভূতির সংযোগ এত গভীর ছিল সে এ ক মুহুর্তের জন্যও ভাবল না যে তার জন্য খারাপ কিছু করা হয়েছে। বালক শিষ্যটি খুব স্বচ্ছতার মার্थ বনুস্ত করবরিল, यदि সাম্রোত কষ্ঠু করেন সেটা নিশ্চয়ই বালকটির নিজের ভালোর জন্য। গল্পটি বলে, প্রচণ্ড বেদনার সময় তার এই গভীর আস্থার জন্য সে সেই মুহূর্তেই জীবনমক্তি লাভ করে।
এখানে দুটি গুরুতপর্ণ জিনিষ বোঝ। প্রথমটি, বালকটির মধ্যে মাস্টারের প্রতি কতই না মর্যূকি उ আস্থা সমস্ত প্রকার কষ্ট, বেদনা ও যে কোন প্রকার তপস্যার মধ্য দিয়ে যেতে ইচ্ছুক ছিল। তপস্যা হল যে কোন প্রক্রিয়া অভ্যাস করার জন্য প্রস্তুতি যেহেতু জীবনমুক্তি হল অগ্রাধিকার। অবশ্যই এই প্রক্রিয়া তাদের জন্য যারা জীবনমুক্তিকে প্রথম অগ্রাধিকার বলে গণ্য করেছে।
তোমার পরিচয়কে সন্দেহ কর, মাস্টারকে নয়
यक लारव कूसि कान मणामर्म वा কোন ব্যক্তিকে ধরে থাকবে, তত গভীর হবে জামান বিষণ্ণতা यदि রুসি कान वাকटक আঁকড়ে ধর, তোমার ছেলে বা মেয়ে বন্ধু বা পতি বা পত্নী, তোমার ছেলে বা ভাই বা পিতা তুমি সম্পর্কতা আন্দোলিত হওয়াতে বাঁধা পড়টव बनर রুসি নিঃমर्ভयাসারव বিষণ্ণায় করन यादव उ রমরে वाলटक लाय मिट्ठ उनक कवर्त। বিষণ্ণা ঠिক वर्ड বরেबादव ঘটে। वকরেজাদव यदि রুসি জ্ঞानान वाসিকু वा পরিচয় বা মতাদর্শ নিয়ে পড়ে থাক, তাহলেও তুমি বিষণতায় পড়বে।
যথন আমিতের জন্য বিষণাতায় পড়, তুমি সমস্ত পথিবীকে দোষারোপ করতে আরম্ভ কর, কারণ তখন কোন দ্বিতীয় ব্যক্তিকে দোষারোপ করা যায় ना! কুলি মতদা বিদিয়ন उभरव ভ্রণ হারাও। তুমি সমস্ত বিশ্বের ওপরে আস্থা হারিয়ে ফেল। তুমি সেই বিষণতার কারণ পর্যন্ত জান না बनর রুসি মতদা বিশ্বরক কাংস मिट्ठ শাক। বক মূड़ মজামर्म वर्थवा मजबूर भविष्य मरকারव वाम কना রুন মাখানা নিকুষ্টেঁছস নরকে থাকা।
যখন তুমি এইভাবে বিষণা হও, তখন তোমার সৃষ্ট সেই পরিচয়কে বিষণ্ণতার সাথে সংযুক্ত করে দেখার বুদ্ধিমতা তোমার থাকবে না। তোমার সেই বুদ্ধমত্তা থাকবে না যা দিয়ে তুমি বুঝতে পারতে যে তোমার বিষণ্ণতার কারণ হল তোমার সৃষ্ট পরিচয়। তুমি সবাইকে মটনवर কवरण उ দ্ওয়ায়াদওয়ার কवरण उनक কবরव। জনা वক্রজন वाकिटक का फायादवाभ কवाদ তোমার জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে। আমিত্বভিত্তিক এই পরিচয়ের সাথে এটা বিরাট সমস্যা।
তুমি সর্বদা ভাব, তোমার কোন মজবুত भविष्य ना शाकरल घटनावा जाताब ঠातारक ठेকারव। কিন্তু এটা বোঝ, যদি অন্যেরা তোমাকে ঠকায়, জানা বড় জান রখণ জাतारक করवक চনো ঠকারव। প্রকার্ত यदि কুলि वन জনা निर्जन একটা মজবুত পরিচয় গঠন কর, সেই পরিচয় তোমাকে তোমার সমস্ত জীবন ধরে প্রতারিত করবে। সেটা তোমার সাথে থাকবে তোমার জাগ্রণ বর্ষায়, স্বশাभরণায় उ মূ মূর্শি व्यवस्थाय; এবং তুমি সেটার সম্বন্ধে একেবারেই অনবহিত शाकरव। জারে নির্জন ভবিষ্যৎ माना भ्रাণानিক হবার চেয়ে অন্যের দ্বারা প্রতারিত হওয়া ভাল।
সর্বদা একটা জিনিষ মনে রাখবে :
মাস্টারকে কখনও সন্দেহ করবে না, निर्जाक मটन्मर कन्न। निर्जन व्य ভন্নিষ্ঠয় বরন করছ তাকে সন্দেহ কর। সেটা করাই ঠিক কাজ।
ভালবাসা ও ঘূণার চরকা
প্রথমে তুমি মাস্টারের কাছে ভালবাসা मर्কারव ও वामा यथन माम्मेन জাनाव আমিতের টিউমারে অপারেশন করা শুরু করেন, হঠাৎ চরকা ঘুরে যায় এবং ভালবাসা হয়ে যায় ঘুণা, কোধ ও মাস্টারের বিরোধিতা। यथन কেजना ঘটনে, কুলি মটনव বিজিন্ন ক্রুজ (খেলা) বুঝতে পার। তখন তুমি ভালবাসা ও ঘুণা কেজর্য়ন সেটর্স যা উ। সম্পর্ক বাवर गर्छ गर्छीन হয় এবং ভালবাসা शादक ना। ছারে কুলি यदि কাर्यन्न সূर्थामू থि রখ, ক्वल দেশয় ধন্যা জানুয়ারি रवाव मण्य আসবে।
বোঝ, সংগ্রাম তুমি ও তোমার মনের মধ্যে नया। मশ্চায় র র র জাताव মনন উ মাস্টারের মধ্যে। তুমি কার দিকে যাবে সেটা তোমার পছন্দ।
यदि वक्तू भजोद्व मार्थ, रूसि एन्यटव যে লড়াই হচ্ছে কারণ তোমার মন জানে যে মন একটা হারার লড়াই করছে। মন তাই টিকে থাকার জন্য সবরকম ছল চাতুরী করে। बजे बतन बक्के लड़ारे व्यणी शब्रान कूलि জিতবে!
মাস্টারের দ্বারা পরাজিত হওয়া অর্থ 'মিথ্যা তমি'-কে 'সত্য তমি' দ্বারা পরাজিত করা। সেটা তোমার নিজের বিজয়। তোমার মনের চুরি করা ঈশ্বরের রাজ্য তুমি ফিরে পাও।
মাস্টারের উপস্থিতিতে 'কেবল থাক'... এবং সেটা ঘটনা
যখন তুমি মাস্টারের উপস্থিতিতে ঝাঁপ माउ. यूथन वाम्पोदवन के के मुश्रिष्ठित्व विकास करण्ड অস্তিত্বকে উপভোগ ও উদযাপন কর, যখন তাঁর ও তোমার উপস্থিতিকে তুমি উদ यাপন কর, যখন তুমি কেবল উদযাপন কর, তখন जिनियश्टलि मराजरे जानान माध्या घण्टर उन করবে, আর কিছু নয়। সেটাই উত্তর, প্রযুক্তি, প্রণালী, প্রক্রিয়া এবং মাস্টার-শিষ্যের সত্য সম্পর্ক ঘটাবার সমাধান।
যখন তুমি সেটা বুঝতে পার না, তখন আমাকে কথা বলতে হয়, তোমার প্রশ্নগুলির सेखन मिट्ठ रूय, वावर विश्व विभी वर्णी करव मतमान मुष्टि कबटक रूय, वाण्ड। यदि वासि তোমার প্রশ্নগুলির উত্তর দিই, কি হবে? তুমি जिज्जामा कबर्ब किशादव मण्डलि कबरण रखत? তার জন্য প্রক্রিয়া কি? তারপর তোমাকে সেই প্রক্রিয়া করার জন্য আরও একটি প্রক্রিয়া দিতে হবে। তারপর, কিভাবে সেই প্রক্রিয়া করা যায়...? সেটা চলতেই থাকবে।
প্রশ্ন কেবল আরও প্রশ্ন উৎপন্ন করে। সেইজন্য দর্শন কোন প্রশ্নের উত্তর পর্ণকর্পে मिटक भारत नि। भन्नरक कथनउ सेजव दिन एवं या याय ना। मासाधानरक वर्ष्यन्त्र उलटक व्यविद्यक्त করে যেতে হবে। তাহলে আর কোন প্রশ্ন থাকে ना, लागुलि मराजने मनोड़क 3 वर्मना राय যায়।
মাস্টারের উপস্থিতিকে কেবল উদযাপন কর, গান গাও, নত্য কর। তাহলে এই সমস্ত সন্দেহগুলি. প্রশ্নগুলি ও সবকিছু মিলিয়ে যাবে।
যদি তোমার সন্দেহ ও প্রশ্ন থাকে, তুমি উদযাপন করতে পারবে না। উদযাপন ও मटनवर वर्कवाद्वर विभवीण, बटक वर्षावन বিরুদ্ধে। উদযাপন করলে প্রশ্ন ও সন্দেহ অদশ্য হবে। সন্দেহগুলি মিলিয়ে যাবার পরে উদযাপন করবে বলে অপেক্ষা করবে না। তা কখনও घण्टेव ना। क्वल सेफ्याभन कव, एक्श्वरव প্রশ্নগুলি অদশ্য হবে।
রামকর্ত পরমহংস সুন্দর বলেন, 'যদি তুমি একটা গাছের নীচে বসে তালি বাজাও, সেই গাছের সব পাখী উড়ে যাবে।' একইভাবে, কেবল নত্য কর, তোমার শরীরের সমস্ত बनुभारत केटड़ यादव 3 वर्मा रूट्य यादव! তোমার শরীরে বসে থাকা সমস্ত সন্দেহগুলি केटड़ यादव 3 सिलिट्य यादव। जारे वज भवन গতিতে ঝাঁপ দাও যে সমস্ত পাখিগুলি উডে গিয়ে অদশ্য হবে এবং কখনও ফিরে আসার চিন্তা করবে না। এমনকি পাখিগুলি উড়ে যাবার भट्न এমনভাবে ঝাঁপ দাও যে সমস্ত বাসাগুলিও भटड़ यादव! যা কিছু জিজ্ঞাসা করতে চাও मनकिछू কেবল যেন পড়ে যায় ও অদশ্য হয়ে যায়।
তোমাকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য আমাকে তোমার আমিতুকে আঘাত করতে হবে, किलु बकमल स्थक्ष करन (बाद्य, वासि কখনও তোমাকে আমার থেকে সরিয়ে দিই না। আমি কেবল তোমাকে আমার দিকে টানি। তাই भट्ड़ ( गटन उ जूसि আমি আঘাত করলে দুটি জিনিষ হতে পারে :
।
।
TPS: thoughts per second
আমাকে সকালের সৎসঙ্গে বসতে দিলেন। তিনি শিষ্যদের এক এক করে জিজ্ঞাসা করছিলেন, 'তমি কি এই প্রক্রিয়াটা অভ্যাস করেছ? ' বোঝা (शुल, किछुदिन व वाट्टन व जिनि व निष्ठार्मन शिषालयनव मार्थ मश्युकि वनुस्त कन्नाव প্রক্রিয়ায় দীক্ষা দিয়েছিলেন। তাদের একটানা মনে করতে হত যে হিমালয় তাদের শরীরেরই এক অংশ।
वक মাস্টার. এখন আমি সম্পূর্ণকরপে সংযুক্তি वनुक्त कवण्ड।' उथन वाण्णाव व वक्रमत व्यव्यामिक्कादव बलटनन, भूठक वाट्ड, वे পাথরটা সরাও।' বুঝে নাও, আমি সত্যি বলছি যে আমি আমার চোখ দিয়ে দেখলাম যে শিষ্য হাত নাড়াল এবং সেই পাথরটা সরে গেল। যুক্তি দিয়ে এটা বোঝা খুব কঠিন।
আমিও অবাক হলাম ও যা ঘটেছে তা দেখে কেঁপে উঠলাম। মাস্টার আমার দিকে তাকালেন ও বললেন, 'তুমি কি মনের শক্তি फ्राज পাথরটা সরিয়েছিল তাকে আমার হাত ধরতে বলল। তিনি আমাকে বললেন, 'এখন তোমার হাত নাড়াও।' আমি আমার হাত নাড়ালাম এবং পাথর তার আগের জায়গায় ফিরে এল। সেটা আমার জন্য এক বিরাট ধাক্কা ছিল।
তারপর তিনি সুন্দরভাবে বললেন, 'এটা এমন নয় যে এটা কেবল এই শিষ্যটি করতে পারবে এবং তুমি করতে পারবে না। না! যে কেউ সেই সংযুক্তির অংশ হতে পারে, সে পর্বতকে সরাতে পারবে।'
আমি বলছি না যে আমাদের পাথর মনारण रख। घासि वरे वर्कियाणित वाणारव বলছি কেবল এই প্রক্রিয়াটির ক্ষমতার কথা বলার জন্য।
একটা জিনিষ যেটা তুমি হারাতে পার না
মাস্টারকে প্রেম করা শুরু করলেন তুমি যে তাঁকে কেবল ঈশ্বর বলে অনুভব করবে তা नय, केन्द्रवाद से मुश्रिष्ठित या मन घटनोकिक ঘটনাবলী ঘটা অনভব বা আশা কর সেগুলিও মাস্টারের সামনে ঘটবে, তাঁর উপস্থিতিতে ঘটবে। কিন্তু যখন সেই প্রেম হারিয়ে যায়, যখন जामान कर ( वालोकिक घर्मनाथलिक जाँव সে সেम्ब्रिजिट्ट घण्टर वटल क्यावर्ट भावरव ना। जूसि র্যূক একই ব্যক্তি, তিনিও একই ব্যক্তি, কিন্তু সেই অলৌকিক ঘটনাগুলি ঘটনা কৰিছিল। তেওঁ প্ৰথম বিশ্বাস কৰা হয়। তথ্যসূত্ৰ মাহৰণাৰ বাবে পাৰে। তথ্যসূত্ৰ
কেউ আমায় জিজ্ঞাসা করেছিল কেন এমন হয়। মাস্টার কি তাঁর জীবনমুক্তি হারিয়ে करलन? ना, जिनि जा शब्रान ना। कूलि জীবনমুক্তিকে চেনা ও জীবনমুক্তির সাথে मश्यूक रुआव मासर्था शविद्य क्यान। यथन लारकवा वासाय जिल्लामा करव वासि में में ब किना, वासि जारमन बलि या ज्ञाण जामन ওপরে নির্ভর করে!
আমি অনবরত লভ্য, উন্মুক্ত। যদি তুমি আমার সাথে একজন শিক্ষক হয়ে সংযুক্ত হতে চাও, তুমি আমার সাথে সংযোগসাধন করে সমস্ত জ্ঞান নিয়ে যেতে পার। যদি তুমি আমার माथि চাও, তমি তার দীক্ষা নিতে পার। দ্যাখ্, কেবল একজন মাস্টার দীক্ষা দিতে পারেন, শিক্ষক পারে না। শিক্ষক শিক্ষা প্রদান করেন, মাস্টার मोका विकान भारतन। यदि कूलि क्रिमेन मेश्वव वा भव्यक्ति राज्या मास्यानमासन कव, जूनि কেবল দীক্ষা নয়, অভিজ্ঞতাও নিয়ে যাবে।
बजे निर्डन करव जाताव कणणा অন্তর্দেশ আমার জন্য প্রাপ্তিসাধ্য তার ওপরে, वार्णा यदि कूमि (कवल वूकिनुद्धि घाना मन्भर्क
म्यामन कन, छूलि ख्वान निर्या यादव। जूसि यदि वकणू वादवन बढ़कर ( क्यू मरकारव मन्भूक স্থাপন কর, তুমি দীক্ষা নিয়ে যাবে। তার অর্থ, যা আমি শব্দাবলী দ্বারা প্রকাশ করতে পারি না, তাও তামার মধ্যে যাবে। আবে। আমার পুরো मयुक्त वावाद कामान मद्या ( भवित्र रखा। यदि তুমি সত্তার সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত হতে পার, তোমার দীক্ষার দরকার নেই। সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা जानाव माध्या ( भवित्र रत्व। মया उद्यान उ वनगना व्याशित्कनन 3 (विविक रूरव! मण्डा वाकिन उभरव निर्डन करव, लग कान उद्य मश्यूक रूय ववर कान खरव का वजन व विज्ञ जा করে।
আমি সবসময়ে লোকেদের বলি, ভক্তি অথবা মাস্টারের সাথে সংযুক্তির অনুভূতি এক চড়ান্ত সম্পর্কতা। যদি কখনও জীবনে সে मुख्यान भाउ, जा कथनउ सिम कब्रत्व ना। কখনও তা হারাবে না। সেটা হারিয়ে ফেলা খুব বড় ভুল। যদি তুমি বহির্জগতের জিনিষ হারাও, তা ঠিক আছে। যদি তুমি তো মার অন্তর্জগতে বহন করা ধারণাগুলিকে হারাও, সেটাও ঠিক আছে।
रेश्वाजीटक वकणी भुवाम घाटक : यदि তুমি তোমার ধনসম্পদ হারাও, তাহলে কিছুই শवाया नि; यदि ट्वासान साम्रा शादा हवा उ, किछू बकणी शविद्यूक; यदि जानाव कविव शवाउ, मवकिष्ठू शविद्या था। वालि मटन कवि यदि उपनि उन्हो जामान कविव शादा , किछूरे शवाय नि। वक्ताव यदि रूसि साम्रोत्वन मार्थ मम्भक शवाउ, जारलरे मनकि कू शविद्या ।
बजे बज गणीन बक मन्भर्कता। बजे চড়ান্ত আশীর্বাদ। যদি কখনও তা পেয়ে থাক, তা কখনও হারিও না। যদি তুমি অনুভব কর य जाँव मार्थ मर्थूक शाकान नियाण वनून्दृद्धि তোমার মধ্যে ঘটেছে, তা কোনভাবেই হারিও
না। তুমি ও তাঁর মধ্যে যে সমস্ত ধারণা আসে मागुलिटक फूँटड़ एकटल मां उ। व्यव्यान किछू शनाना व्यटक भारत, किलु बरे मश्यूकिटक হারানো চলে না।
वाद्वकणी जिनिष, बाजा बरे नया व्य তুমি আমার থেকে অসংযুক্ত হবে। তুমি আমার সত্য প্রকৃতির সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত থা করে। (প্রেমে তুমি নিজেকে সংযুক্ত অনুভব করবে। वाद्य घुवाय कूलि व्यमश्यूक वनुस्त कवर्त। ভক্তিতে তুমি সংযুক্তি ও অসংযুক্তির ঊর্ধ্বে চলে यादव। कवरव व वर वासान वायाविक विवाद के मशिष्ठि নির্বিশেষে তা অভিজ্ঞতা করবে।
यथन वासि बलि ( তার মানে এই নয় আমি ঘৃণা করতে বা वजनस्यूक वनून कवरण बला ना जाति বলছি প্রেমকে ভক্তি হতে দাও। তুমি অনুভব কवर्त य অনুপস্থিতির বেদনা ছাড়া তুমি সেই উপস্থিতি একদম অনুভব করবে। তিনি তোমাকে তাঁর मिटक एक्वान जना मर्चना मानव कवित्य म्मूवन। তিনি তোমাকে কোন প্রকার বন্ধনে ফেলবেন না।
यथनरे कूलि बढ़क वाकिन सेमाशिकि वाणिकाणा कवरण उन कव ववर जान मारथ সংযুক্তি ও প্রেমের অনুভূতি সুষ্টি করার জন্য वानक मुकि लाभाउ, ज्यन कवल व्य कूसि जान उभरव निर्डनमील राय याउ जा नय, जनकरण करे बालिए जामान उभरव निर्डनमोल रूट्य भड़त्व। यदि कड़े जामान उभरव निर्डन ना करव शाकरण भारतन ववर যতক্ষণ না তুমি স্বতন্ত্ৰ হতে প্ৰস্তুত হও ততক্ষণ তিনি তোমায় তাঁর ওপরে নির্ভর করে থাকতে অনুমতি প্রদান করেন, সেই ব্যক্তি জীবনমুক্ত। এক জীবনমুক্ত সত্তা কখনও তোমার ওপরে
নির্ভরশীল হবেন না। তাই তোমাকে নিয়মন্ত্রণে রাখার, তোমাকে আঙ্গলের নীচে রাখার কোন কায়েমী স্বার্থ তাঁর থাকে না।
যখন সময় আসে, যখন তিনি দেখেন কूसि निर्जन मिटक घूनरण मार्थ, विनि তোমাকে নিজের দিকে ঘরে যেতে বলবেন। তিনি নিশ্চিত করবেন যে নানাভাবে বিনিয়োগ করা শক্তি সম্পর্শক্তরপে তোমার মধ্যে কেন্দ্রিত হ्ट्यूट्यू व वकवाद व विनि या यथन का मट्यन কেন্দ্রীভবনের কার্য সমাপ্ত, তিনি সঙ্গে সঙ্গে পরের পদক্ষেপ নিয়ে ফেলেন। তিনি তোমাকে বলবেন, 'এখন যথেষ্ট। আমার অনুপস্থিতিতে কাজ উপস্থিতিতে কাজ কর। '
মাস্টার রাজী হবেন ও তোমাকে मर्याणिका कवरवन यादण याटक অনুপস্থিতি অনভব করতে পার এবং তিনি সমস্ত শক্তিকে তোমার ভক্তির দিকে স্থানান্তরিত করবেন। তিনি তোমাকে বন্ধনে ফেলবেন না। মাস্টারের প্রেমে পড়ার সেটাই মহানতা।
মাস্টার হলেন এমন এক ব্যক্তি যিনি তোমার ওপরে নির্ভরশীল হবেন না কিন্তু যিনি প্রথমদিকে তোমাকে তাঁর ওপরে নির্ভর করতে দেবেন। সঠিক সময় এলে তিনি তোমাকে পরম স্বতন্ত্রতায় মুক্ত করেন। তিনি তোমার সমস্ত শক্তিকে তোমার কাছে ফিরিয়ে দেন এবং 'विभाग ' वटनन। जिनि পরমকে অভিজ্ঞতা করতে দেন।
হার্ডওয়ার ও সফটওয়ার পরিবর্তন
মনের অচেতন সফটওয়ারের মত, তাকে ধ্যান দ্বারা পরিষ্কার
করা যায়। দর্শন বা মাস্টারের অনুগ্রহ দ্বারা হার্ডওয়ার বা মস্তিষ্ক সেই নতুন সফ ট্রওয়ারকে ধরে রাখার জন্য সুর বাঁধে।
যখন তুমি চেতন ও অচেতনকে ধ্যান দ্বারা শোধিত কর এবং তোমার নিজের মধ্যে এক পরিবর্তন নিয়ে আস. হার্ডওয়ার প্রথম मिन (शरकरे जान बनाव बढ़त बाथटक वर्ष বজায় রাখতে নাও পারে। যদি মাস্টারের দর্শন ও আশীর্বাদ ঘটে, সেই প্রভাব ধরে রাখার জন্য शर्म उद्यान उ भविवर्णिक रया। यादि एक्सि लिर আশীর্বাদ না পাও, নিয়মিত ধ্যান ও শিক্ষা অবশেষে সেই হার্ডওয়ার পরিবর্তনে সহায়তা করবে।
यदि रार्डअयाव भुजाजन रुयु, बकवाद नजून मर्कण्डयान रेनम्जेल कब्रा राजन হার্ডওয়ারেরও ক্রমশ আধুনিকীকরণ হবে। যাই श्राक. जलि शार्ड उद्यादव व्यविलास्य भविवर्णन চাইলে দর্শন হল সঠিক জিনিষ। অবিলম্বে তা হার্ডওয়ার পরিবর্তিত করে দেবে।
কখনো ইনস্টল না করেই হার্ডওয়ারকে পরিবর্তন করা যায় এবং ব্যক্তি সরাসরি নতুন সফ টওয়ারের গুণমান বিকিরণ করতে আরম্ভ করবে। এটা হতে পারে যখন কোন শিষ্য মাস্টারের কাছে मम्भूर्वकरण रेल्यूक रूय। कथरना कथटना मिश्रा কোন কারণ বিনাই মাস্টারের প্রেমে পড়ে। সে श्यण जाँव सेमरणनार्थनित्व वाकर्षिक रूप ना वश्वा मण्डलिन मार्थ भविष्ठ नय, लग रयाण स्यान সেগুলির সাথে সুপরিচিত নয়, কিন্তু সে কেবল (প্রেমে পড়ে। যদি সে মাস্টারের সাথে কোন কারণ বিনা প্রেমে পড়ে, মাস্টার সফটওয়ারের माथ मनामवि जान रार्ड उपानदक भविवर्णिक করে দিতে পারেন। এই উপদেশগুলি ও ধ্যানের
কিছু না শিখেই সেগুলির গুণমান এই শিষ্যেরা সরাসরি বিকিরণ করতে থাকে।
এখন পর্যন্ত হার্ডওয়ার ও সফটওয়ার উভয়ই বহির্জগতের দিকে, জড়জগতের দিকে পরিচালিত। উপদেশ ও শিক্ষাগুলি শ্রবণ করে সফটওয়ারের সচেতন অংশ অন্তর্জগতের দিকে घूटन সফটওয়ারের অচেতন অংশ মোড নেয়। কিন্তু मयाज उद्यान किञ्जनव मिटक स्वास निर्लाउ शर्म उद्यान का স্বভাবত হার্ডওয়ার আগের মত থাকার প্রবল চেষ্টা করবে। যদি সফটওয়ার খুব সবল হয় এবং একই সুরে থাকে, তাহলে হার্ডওয়ার भविवर्णिक रूरव। किन्तु अविलत्म्य यदि मिक्ता उ धान भूमान कवाद भटव मर्मन 3 वामोवीम भाउया याय, जारदन शर्म रार्ड उयान उ भविवर्णिक হয় এবং তা পরিবর্তন ধরে রাখতে শুরু করে। অভিজ্ঞতা ধরে রাখার জন্য সেটা তৈরি হবে।
ডিএনএ অশরীরী প্রভাব
আমেরিকার ইন্সটিটুউট অফ হার্টম্যাথ এক কৌতুহলোদীপক পরীক্ষা করে।
এই পরীক্ষায় একটা আলোক-বিচ্ছুরণ भुरकारके वालाक कर्मिका काण्टनन ब्रेनिष्ठा অধ্যয়ন করা হয়। ফোটনের গতিকে চিত্রিত করা গ্রাফ পাওয়া গেল।
তারপর সেই প্রকোষ্ঠে একটা ডিএনএ স্যাম্পেল রাখা হল। ডিএনএ ও ফোটনের মধ্যে सिश्किया मिशिष्य वर्थन भविवर्णिक थायक পাওয়া গেল।
প্রকোষ্ঠ থেকে ডিএনএ সরিয়ে নেওয়া হল। ডিএন্এ সরানো হলে তুমি আশা করবে
প্রকোষ্ঠে ভিএনএ রাখার আগের মত গ্রাফ कित्व वामरव। वाम्र्यूजनकजादव दिन्दनव मनित्य कलाव भट्वन वायर जिवनव वायाव वार्टनव वार्ष्कव (शटक वक्रमल जिन्न भाउया গেল।
जिवनव मनिष्ठ करण मण्डल का আলোককণা ফোটনগুলির আচরণ প্রভাবিত করছিল। তা কেবল সরিয়ে ফেলার ঠিক পরেই নয়, কিন্তু আরও কয়েকদিন ধরে ফোটনগুলির ওপরে ডিএনএ-র প্রলম্বিত প্রভাব থেকে যায়।
একটা আকর্ষণীয় পর্যবেক্ষণ হল এই প্রভাব নিমতর চেতনার আকারের ডিএনএ-তে मन्या याय ना। जारे मिफ्राटल वामा याय व्य কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি অথবা নির্দিষ্ট বস্তুর চেতনা সর্বদাই বিকিরণ করছে এবং সেটা তার নিজের প্রভাব অবদান করে। আমরা প্রকৃতিতে এটাও লক্ষ্য করতে পারি, উচ্চতর চেতনার আকার তাদের উপস্থিতি দ্বারা অন্যান্য নিম্নতর চেতনার वाकावा विद्यक विक करव। रेजोवरनाट ডিএনএ অশরীরী প্রভাব (DNA phantom effect) সম্বন্ধে অনেক তথ্য পাবে।
তমি তাহলে কল্পনা করতে পার किलारव वक जीवनसूक मण्डान व्यविक्तिकन শক্তি তাঁর চারপাশে সবকিছু ও সবার চেতনা প্রভাবিত করতে পারে।
রূপান্তর ধরে রাখার শক্তি
बक जीवनसूक मण्डान के मशिष्टिक्ट থাকলে রূপান্তর, সফটওয়ার ও পুরো প্রক্রিয়া ধরে রাখার জন্য সরাসরি হার্ডওয়ার পরিবর্তন হয়।
বোঝা, এমনকি তোমার দেহতত্তও भविवर्णिक रूय। यथन করেন, তাঁর জীবনমুক্ত দেহততের সফ ট্রওয়ার তোমার মধ্যে ডাউনলোড হয়ে গিয়ে তোমার দেহতত্ত্বকে পরিবর্তিত করে।
যখন তমি মাস্টারের দিব্যস্পর্শের সময় সম্পূর্ণরূপে উন্মুক্ত হও, জীবনমুক্ত দেহতত্ত্বের সফটওয়ার তোমার মধ্যে ডাউনলোড় যায়। তোমার দেহ শেখে যে তা এখনের চেয়ে আরও ভাল হতে পারে! তোমার জৈবস্যুতি মिकाभुरुव करव व्य स्वन्त्रणजन विकासनवाद সম্ভাবনা আছে।
বসুবৈৰ কুটুম্বকম
মাস্টারের প্রতি প্রেমের সাথে প্রেম হয়ে যায় তাঁর শিষ্যদের সাথেও। 'আমি' আর থাকে না, হয়ে যায় 'আমরা'। সাথী শিষ্যদের সাথে এক সংযুক্তিকরণ ঘটে, এমনকি সেটা भाविवादिक मरयुक्ति (शरक 3 वर्षक 3 व्यवल रूয়। মাস্টারের সুদরপ্রসারী প্রেমের প্রয়োজন বিনা बनारत वना विकान वर्ण नरे। স্বতক্ষলভাবে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। কম্পেঞ্জর দুরদৃষ্টি 'বসুবৈব কুটুম্বকম' যার অর্থ সমগ্র বিশ্ব আমাদের এক পরিবার, সত্য হয়।
তোমরা শক্তিতে সমষ্টিগতভাবে বাড়তে शाक, वावाद विद्याकन मार्थ मान्य मान्यादवन मम्भूक विविद्य शादक। वश्वा कुमय (शटक उनक राज भारत। यूव मोर्युरे সেটা আরোহণ করে সত্তার সম্বন্ধে। যখন এক সত্তা অন্য এক সত্তার সাথে মিশে যায়, শিষ্যের সত্তা মাস্টারের সত্তার সাথে মিশে যায়, তখন সেটা মুক্তি, চিরস্থায়ী আনন্দ।
জীবনমুক্তিতে বাস করা হল মাস্টারের সাথে বাস করা...সেটা এত সহজ!
প্রশ্ন : মাস্টার কি শিয়াকে বেছে নেন অথবা শিষ্য মাস্টারকে বাছে?
প্রথমে বলি, বস্তুত শিষ্য মাস্টারকে বাছে। কারণ মাস্টার কখনও বাছাবাছি করেন না। মাস্টার কেবল বর্ষণ করেন। তিনি পবিত্র গঙ্গানদীর মত। তিনি কেবল প্রবাহিত হন। তুমি চাইলে নদীতে নামতে পার, ডুব দিতে পার, পান করতে পার ও খেলা করতে পার - যা ইচ্ছা তাই করতে পার। কিন্তু গঙ্গা নিজে কেবল প্রবাহিত হতে থাকেন এবং কোন পছন্দ কোন পছন্দ বা वाण्याणि करवन ना। साम्रोवर कर वर्कान। मान्जान श्टलन भड़करीन मजि, भूक्करशीन আনন্দ।
তাই আমি বলতে পারি যে সম্পর্কতা मियार व्यक्तिक करवा मिर्वाव काटक काटक कड़ाल सज्ज्ञा वाट्ड, THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM मण्डर मम्भक স্থাপনের সর্বশেষ স্বতন্ত্রতা। সেটা স্থাপনা করার পরে তার সমস্ত স্বতন্ত্রতা মিলিয়ে যাবে কারণ সে তখন জীবনমুক্ত হবে! সর্বশেষ কার্য যেটা जूसि कवरण भाव, त्या भण्डन व्यणे कूलि তোমার জীবনে করতে পার, তা হল তোমার মাস্টারকে বেছে নেওয়া, ব্যাস। যেই মুহূর্তে তুমি মাস্টারকে বেছে নাও, তুমি 'তুমি' থেকে व्यमना राय या उ। जनवर कुलि वाव बढ़कि থাক না। তমি মাস্টার হয়ে যাও।
প্রশ্ন : মাস্টার ও শিষ্যের মধ্যে কিভাবে আস্থা বিকশিত হয়? শিষ্যের কি মাস্টারের কাছে প্রমাণ দাবী করা ঠিক অথবা মাস্টার কি শর্তহীন সমর্পণ প্রত্যাশা করেন?
প্ৰথমত, শিষ্য শৰ্তহীনভাৱে সমৰ্পণ করতে পারে না, আবার সে প্রমাণ চাওয়াও থামাতে পারে না। শিষ্য অর্থ সে মাস্টারের কাছ (श्टक निर्द्वाज कार्रवाद कर राजनि विष्णुक्त। मिणीयूज, যোগ্যতা তার থাকবে না। সেই হল শিষ্য।
সে এক নিখুঁত শিষ্য হবে না কিন্তু সে मान्जादवन काटक निर्शुण माण्डाद्वन उन्हानिनी कार्रवा। लाणेर मिर्वाव उनमान। লাणा निर्द्य উদ্বিগ্ন হবে না।
মাস্টারের গুণাবলী হল এই যে তিনি শর্তহীন সমর্পণ চাইবেন না এবং অনবরত किनि भूसान फिट्ठ शाकरवन व्य किनि भवकूल মাস্টার। সেটাই মাস্টারের যোগ্যতা।
একটা জিনিষ, যদি তুমি প্রমাণ চাও অথবা নিঃশর্ত সমর্পণের জন্য প্রস্তুত না হও, ठिक वाट्ड। निःमर्ण मर्मण कवाव कान প্রয়োজন নেই। তুমি তা দিতেও পারবে না। या उ, ত মি তা পাৰে।
প্ৰমাণ পেতে থাকলে, শতহীন সম্পৰ্শ সহজেই তোমার মধ্যে ঘটবে।
भन्न : या कुले कि माम्जेन रूट भारत, নাকি তাঁকে বাছাই করা হয়?
অন্য কারো তোমাকে বাছাই করার দরকার নেই। তোমাকে নিজেকে বাছাই করতে
হবে, ব্যাস। বোঝ, সৌভাগ্যবশত মাস্টারদের গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচিত করা হয় না। কাউকে তাঁদের নির্বাচিত করার জন্য ভোট দিতে হবে না! তোমাকে কেবল নিজেকে ভোট দিতে হবে।
সচেতনভাবে নির্ণয় নাও, আজ থেকে আমি বাস্তবতাকে নিয়ে বাস করব, আমার সত্তার সত্যকে নিয়ে বাস করব। কেবল সেই নির্ণয় নাও, ব্যাস।
আমি সর্বদা লোকেদের জানাতে থাকি যেদিন জীবনমুক্ত হলাম, ভেবো না আমার সিস্টেমে কিছু একটা হয়ে গেল। অবশ্যই কিছু একটা হয়েছে, কিন্তু সেটা গুরুতপর্ণ নয়, আমি তো তোমাকে গুরুতপূর্ণ অন্যকিছু জানাতে চাইছি।
প্ৰথমত যেটা ঘটে, তা হল জীবনমুক্ত হয়ে বাস করব। যখন আমি সেই নির্ণয় নিলাম, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসাবে আমার কিছু ঘটে। তারপর তুমি নির্ণয় নাও। না! প্রথমে নির্ণয় ঘটবে।
প্রশ্ন : স্বামীজী, আমাদের জীবন, বিশ্ব, ব্রহ্মাণ্ড ও আমাদের ঈশ্বরের উদ্দেশ্য আমি জানতে চাই।
যদি জান, তুমি অন্য তিনটি আপনা আপনি জানতে পারবে।
তোমার জীবনের উদ্দেশ্য হল ব্রক্ষাণ্ডের উদ্দেশ্য। জীবনের উদ্দেশ্য হল ঈশ্বরের উদ্দেশ্য।
উদ্দেশ্য আবিষ্কার কর, তবেই তুমি ঈশ্বরের উদ্দেশ্য আবিষ্কার করতে পারবে। দুর্ভাগ্যবশত আমি তোমাকে তোমার জীবনের উদ্দেশ্য বলতে পারি না।
আরেকটা গুরুতুপূর্ণ ব্যাপার, তোমার জীবনের উদ্দেশ্য বলে যা মনে কর, তার ওপরে ভিত্তি করে তুমি সেই প্রকার ব্রক্ষাণ্ড তোমার চারিদিকে আকর্ষিত করবে। তুমি তোমার চারিদিকে সেই প্রকার এক বিশ্ব সঙ্গি করবে। তুমি সেই প্রকার ঈশ্বরের ভক্তি করবে। বোঝ, তোমার জীবনের উদ্দেশ্য নির্ণয় করবে তোমার বিশ্বের উদ্দেশ্য, তোমার ব্রক্ষাণ্ডের উদ্দেশ্য এবং তোমার ঈশ্বরের উদ্দেশ্য।
যদি হয়, তুমি তোমার চারপাশে সেইপ্রকার কর্পোরেট বিশ্ব সচ্চি করবে, তুমি সেই প্রকার বুঝবে।
তাই তোমার জীবনের উদ্দেশ্য নির্ণয় করাটাই প্রধান উদ্দেশ্য।
যদি তুমি জীবনমুক্তি কেন্দ্রিক হও, যদি তুমি অনুভব কর যে তোমার জীবনের উদ্দেশ্য টাকাকড়ি নয় কিন্তু জীবনমুক্তি, হঠাৎ দেখবে তুমি তোমার চারিদিকে আক্রামিত কর সেই প্রকার সমাজ, সেই প্রকার ব্রহ্মাণ্ড ও সেই প্রকার ঈশ্বর যা তোমাকে জীবনমুক্তি প্রদান করবে বলে তুমি বিশ্বাস কর।
যদি তুমি জীবনমুক্তি হিসাবে টাকাকড়ি চাও, তখন তোমার ব্রক্ষাণ্ড সেই প্রকার হবে। তুমি তোমার চারপাশে সেই প্রকার বিশ্ব সঙ্গি করবে। তাই আমি বলতে পারি তোমার জীবনের উদ্দেশ্যই প্রধান মর্মবস্তু বা সত্র। দুর্ভাগ্যবশত ... আমি দুঃখিত, সৌভাগ্যবশত, আমি তোমাকে সেটা শেখাতে পারি না! একমাত্র তোমাকে সেটা আবিষ্কার করতে হবে।
প্রশ্ন : এই কথাটা কি ঠিক, 'যখন ছাত্র প্রস্তুত, মাস্টার আবির্ভূত হন'?
হ্যাঁ, কথাটা ঠিক। যখন ছাত্র প্রস্তুত মাস্টার আসেন। কখনো কখনো, ছাত্র প্রস্তুত না হলেও কখনো কখনো মাস্টার আবির্ভূত হন। তিনি এক সম্ভাবনা প্রদান করেন। এমনকি যে মানুষেরা প্রস্তুত নয়, তারাও এক কোয়ান্টাম লাফ দিতে পারে। তাই সম্ভাবনার জন্য আমি আমার হাত বাড়াই।
কিন্তু এই লোকেরা মাঝেমধ্যে আমার ক্ষতি করে! কি করা যায়? যাও আমি তাদের বলি, 'কামড়াও। এটা তোমার প্রকৃতি। কিন্তু আমি আমার হাত বাড়াবো এবং সহায়তা করব।
Part 15: Living Enlightenment (Gospel of THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM)_Bengali_part_15.md
যদি তুমি বাসনার পরে উপলব্ধি কর, 'একজন জীবনমুক্ত সত্তার বেদনা নেবার আগে যা করেছিলাম তা আদৌ বেদনা নয়, তা হল আনন্দ - কিন্তু যখন সে ঘরের লোক হলে!
তাহলে এখন তুমি জান কিভাবে শিষ্য হওয়া যায়। আমার দায়িত অনুভব কর, যেটা হল অস্তিত্বের দায়িত্ব, তবেই তুমি এক শিষ্য হবে।
প্রশ্ন : একজন অন্ধেষণকারী কিভাবে বুঝবে সে মাস্টারের কাছে পৌঁছেছে কিনা অথবা তার কি বহু মাস্টার থাকতে পারে?
যখন তুমি আমাকে এই প্রশ্ন, 'ইনি আমার মাস্টার কিনা' তা মিলিয়ে যাবে। তাই স্পষ্ট করে বোঝা, লোকেরা আমায় জিজ্ঞাসা করে, 'আমাদের কি আপনাকে মাস্টার হিসাবে গ্রহণ করা উচিত? আমি তাদের বলি, 'কখনও সেই ভুল করবে না। না। আমি কখনও নিজেকে প্রমোট করি না। আমি তোমাকে কখনও বলতে পারি না যে আমাকে মাস্টার হিসাবে গ্রহণ কর।'
আমি যদি তোমার মাস্টার হই, তাহলে তোমার বুদ্ধিবত্তি ছাড়িয়ে কিছু একটা থাকবে -তুমি আমাকে ভুলতে পারবে না। আমি এখন চ্যলেঞ্জ করছি, যদি তুমি আমাকে ভুলতে পার, তো ভুলে যাও। তাহলে আমি তোমার মাস্টার নই। আরাম কর ও তোমার অন্বেষণ চালিয়ে যাও। হতে হবে না।
যদি তবেই আমি তোমার মাস্টার।
আমি সর্বদা লোকেদের বলি, আমাকে কখনও মাস্টার হিসাবে গ্রহণ করবে না। যদি আমি তোমাদের মাস্টার হই, আমি তোমাদের মনে সমস্ত দিন ও সমস্ত রাত থাকব। এমনকি আমি তোমাদের স্বপ্নেও আসব। যদি আমার চিন্তা তোমার দিন ও রাত পরিপূর্ণ করে, তবেই আমি তোমার মাস্টার।
লোকেরা আমায় জিজ্ঞাসা করে, 'স্বামীজী, আমাদের কি আপনাকে মনে রাখা উচিত? আপনাকে কি ধ্যান করা উচিত?' আমি তাদের বলি, 'না। আমাকে ভোলা একটা সমস্যা হবে। আমাকে মনে করা কোন সমস্যা হবে না। কেবল তবেই আমি তোমার মাস্টার। যদি তুমি আমাকে ভুলতে পার, তাহলে ভুলে যাও ও তোমার যাত্রা চালু রাখ। সেটা তোমার জন্য উত্তম।'
যদি বাসনার জুঁইটও না ভাব উৎপন্ন হয় তবেই আমি তোমার মাস্টার। যদিও তোমার মনের কোণাতে কোন সন্দেহ থাকে, সেটাই একটা সংকেত। আরাম কর। লড়াই করবে না। কষ্ট পাবে না। সুন্দরভাবে বিদায় বল ও চলে চল। তোমার জন্য যিনি সঠিক মাস্টার, তাঁর কাছে যাতে তুমি পৌঁছতে পার, সেই ব্যাপারে আমার প্রেম। ঘটনাগুলো সুন্দরভাবে ঘটবে, তুমি সঠিক সময়ে সঠিক স্থানে পৌঁছাবে। তুমি সুন্দরভাবে নিষ্কামভাবে ঘটবে। তুমি বর্তমানের সাথে সন্তুষ্ট থাকবে।
যদি তুমি বাসনা দোকানে আস, তোমাকে অন্য দোকানে যেতে দেওয়া হবে না। এটা তো কোন ব্যবসা নয়।
যদি তোমরা আমার শিষ্য হও, অন্যান্য মাস্টারদের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা থামাবে না। অনেক বাগান থেকে ফুল তোল এবং নিজের জন্য একটা সুন্দর মালা গাঁথ। মোটের ওপরে, জীবনকে তো সমদ্ধ করতে হবে।
প্রথমত এই প্রশ্নটা যে তুমি আমার শিষ্য কিনা তা তোমার মধ্যে আসবে না যদি আমি তোমার মাস্টার হই। যদি তোমার সেই সন্দেহ থাকে, স্পষ্ট করে বোঝা আমি তোমার মাস্টার নই। তোমার অন্বেষণ চালিয়ে যাও।
যদি তুমি জরে মৎসর ভূত্বাভূনি কেটে গেছে এবং তুমি ভাব যে আমি তোমার মুক্তি কর, তা সত্তেও অন্যান্য সমস্ত উৎস থেকে, অন্য সমস্ত মাস্টারদের থেকে শিক্ষাগ্রহণ করা বন্ধ করবে না। সম্ভাব্য সমস্ত উৎস থেকে শিক্ষা গ্রহণ কর।
প্রশ্ন : আপনার সাথে দুই তিন বছর থাকার পরে লোকেরা কেন ছেড়ে চলে যায়? আপনি তাদের রাখেন না কেন?
তিনি কখনও তোমার মগজধোলাই করেন না। তিনি তোমাকে সমস্ত প্রকার সম্ভাবনা প্রদান করেন। তুমি দশ বছর পরেও ছেড়ে যেতে পার। দ্বারগুলি খোলাই থাকে।
একজন সাধারণ শিক্ষক যাতে তুমি ছেডে না যাও তার জন্য কিছু জিনিম নির্মাণ করার, কিছু জিনিষ শেখানোর, সিস্টেম ও সেট্আপ তৈরি করার চেষ্টা করেন। কিন্তু মাস্টার তোমাকে কেবল সম্ভাবনা প্রদান করেন। সমস্ত প্রকার সম্ভাবনা উন্মুক্ত - ভিতরে থাকা অথবা চলে যাওয়া। সমস্ত সম্পর্কতা প্রেম, স্বতন্ত্রতা, উন্মুক্ততা ও করুণার ওপরে নির্মিত। যখন তুমি প্রেমময় হও, তুমি এই সত্য দেখ।
কেবল যখন তুমি ভিতরে আস, যখন তুমি আমার দ্বারা পরিচালিত হতে চাও, আমি হস্তক্ষেপ করি। নতুবা, আমি দুরত্ব বজায় রাখি।
দ্যাখ, যখন লোকেরা আমার কাছে আসে, তারা নিজেদের উভয়সঙ্কট থেকে পালাতে চায়। তারা একটা গাইডের খোঁজ করছে। কিন্তু মাঝেমাঝে তাদের অচেতন মন গাইড (পথ) চায় না। যদি তুমি তাদের গাইড কর, তারা ভাবে যে তারা গাইড পাচ্ছে না, অথবা আমি তাদের গাইড করলে আবার তারা অনুভব করে যে তাদের স্বতন্ত্রতা হারিয়ে গেল। তাই যখন এই ধরণের জিনিষ ঘটে, আমি তাদের বলি, 'অপেক্ষা কর। ধীরে ধীরে ধীরে যা কিছু বিকশিত হওয়ার কথা তা বিকশিত হবে।'
আমি তাদের বলি যে তাদের পুনরায় ফিরে আসার অথবা পথনির্দেশ চেয়ে পেয়েছিল সেটাকে অবমাননা না করে। ওই সময়ের ঘটনাগুলিকে তাদের এমন মন দ্বারা বিচার করা উচিৎ নয় যে মনে সেই প্রেম অনুপস্থিত।
জীবনমুক্ত জীবনযাপনের জন্য ধ্যানসকল
জীবনমুক্ত জীবনযাপনই চূড়ান্ত ধ্যান প্রক্রিয়া
১) ত্রিনয়ন ধ্যান
সম্পূর্ণ বিশ্বকে একটা স্বপ্ন হিসাবে দ্যাখ এবং তোমার ভিতরের উচ্চতর বুদ্ধিমতাকে জাগ্রত কর।
সময় : প্রযোজ্য নয়
এই ধ্যান ঘুমাতে যাবার আগে করতে হবে।
তোমার বিছানাতে সোজা বস। চোখ বন্ধ কর। ত্রিনয়ন বা আজ্ঞা চক্র সম্মদ্ধে সচেতন হও। আজ্ঞা চক্র তোমার ভরুদ্বয়ের মাঝে এক সুক্ষ্ম শক্তিকেন্দ্র। একাগ্র হতে হবে না, চাপে থেকো না। কেবল পূর্ণরূপে সজাগ থাক এবং একদম আরাম করে থাক।
আজ্ঞাচক ও প্রাণ চলাচল সম্মদ্ধে সজাগ রাখ। লাগতে পারে, ভিতরে প্রবেশ করা শ্বাস আরও শক্তি আনে এবং নির্গত হওয়া শ্বাস আরও রিল্যাক্স করায়। কেবল তা অনুভব কর।
অতএব, ক্লোকৃত রাখ না। আরাম করে আজ্ঞাচক্র সম্বন্ধে এবং ভিতরে ও বাইরে চলা শ্বাস সম্বন্ধে সচেতন হও।
অতএব ঘুমানোর চলতে চলতে করতে পার। ঘুমিয়ে পড়ার মত যখনই ত্রিনয়ন সম্মদ্ধে সজাগ থাকা যখন বিছানায় শুয়ে পড়, নির্ণয় নাও, 'হ্যাঁ, বর্তমান খালি ঘুমিয়ে পড়ব।' যখন তোমার চেতনা ব্যাপ্ত হয়, কখন তুমি ঘুমিয়ে যাচ্ছ।
ঘুমাতে যাবার আগে, যদি তুমি তোমার ত্রিনয়ন সম্মদ্ধে সজাগ রাখ, লাগবে যাথি, কারণ জাগ্রতাবস্থায় তোমার প্রাণ সেখানে চলছিল। তুমি ঘুমিয়ে পড়লে, প্রাণ ত্রিনয়ন থেকে নীচের দিকে চলতে শুরু করবে।
পরে সারাদিন ধরে যখনই তোমার স্থানান্তর ঘটে, চিন্তা কর যে এই বিশ্ব বাস্তব নয়, যে তুমি কেবল এক স্বপ্ন দেখছ, যা কিছু দেখছ তা কেবল এক স্বপ্ন। সচেতনভাবে মনে কর, কুঁলি যা কিছু করছ -খাওয়া দাওয়া, ঘুমানো, হাঁটা, গাড়ী চালানো, অফিসে বসে থাকা - সমস্ত কিছুই এক স্বপ্ন।
সঙ্গে সঙ্গে তুমি মনে মনে বলবে, 'কি করে আমি চিন্তা করি যে এই পথিবী এক স্বপ্ন? এটাই তো এক বাস্তব বিশ্ব।' মনে কর স্মরণে রাখ, বাস্তব ও স্বপ্নের মধ্যে পার্থক্য বারণ। 'সর্শ্ব বিশ্ব এক সূত্র' রাজ জানে না জানে বাস্তব নয়, কারণ যে মাপকাঠি দিয়ে কোনকিছু বাস্তব কিনা তনি পরিমাপ কর, সেই মাপদণ্ডটাই তো যথাযথ নয়!
একবার তুমি এই প্রক্রিয়া অভ্যাস করার চেষ্টা করলে, তুমি কয়েকদিনের মধ্যে এই কথাগুলির পিছনে সত্য ব্যবহতে পারবে। তা তোমাকে সত্যের দিকে নিয়ে যাবে। সেটা হয়ত তোমার যুক্তিবাদী মনের জন্য বাস্তব না লাগতে পারে, কিন্তু সেটা এক গভীরতর স্তরে বাস্তব ও সত্য।
যখন মানামিন ধরদ যানরে ব্যবস্থা আসে, নিজেকে বল, 'এই বিশ্ব একটা স্বপ্ন, যা কিছু আমি উপলব্ধি করছি তা এক স্বপ্ন।' ধীরে ধীরে দ্বৈরথ যা মাস ব্যা জিল্লুন বিলীন হয়ে যায়। যেখানে এই সমস্ত স্বপ্নটা চলছে!
অতএব বর্তমানে যা কিছু ঘটছে তা ধর। তোমার সামনে যা কিছু ঘটছে, যা কিছু তুমি করছ, যা এক পরিবর্তনশীল স্বপ্ন। কেবল সেটা মনে রাখ, ব্যাস্।
একটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিষ জানার আছে. যদি তুমি রাজকার অবিশ্রাম স্মরণে রাখ, তা তোমার স্বপ্নাবস্থাকে ভেদ করবে। যখন তুমি স্বপ্ন দেখছ তুমি জানবে যে তুমি স্বপ্ন দেখছ। স্বপ্নে যদি তুমি স্মরণে রাখ যে তুমি স্বপ্ন দেখছ, তুমি জাগ্রত হবে।
অনবরত এগারো দিন ধরে যদি তুমি নিজেকে বল যে তুমি এক ডাক্তার, কিন্তু বস্তুত তুমি এক সেই ক্ষেত্রে তুমি নিজেকে এক ডাক্তার বলে দেখবে। যদি তুমি নিজের ভবিষ্যৎ বদলাতে চাও, বর্তমানে দিন যাথি। করতে শুরু করবে।
যদি সত্তাকে ভেদ করে, স্বপ্নাবস্থাকে ভেদ করে, তুমি দেখবে যে তোমার সমগ্র সত্তার এক দারুণ নিরাময় হয়েছে। এই একটা অভিজ্ঞতাই যথেষ্ট. তুমি তোমার দৈনন্দিন জীবনে অনেক সন্তুলিত হবে। কেবল কারে নয়, রুকার জন্মদ্ব, কৃতি যাদক বাস্তব বাত কবাদ মণ্ডি তুমি কখনও পরিবর্তন করতে পারবে না বলে জানতে, তা পরিবর্তিত রাজ শকরব। যা পর্দায় সমস্ত স্বপ্নটাকে তুমি অভিক্ষেপ করে ও দ্যাখ তাকে আমি বলি চেতনা। যে পর্দায় তুমি মতল স্থিতি বিজিতকন কর তেনরে প্রমাণের দেখতে শুরু করলে, তুমি সচেতনতা সহকারে দেখতে পারবে।
পরের যে প্রশ্ন মন জিজ্ঞাসা করে তা হল, 'যদি আমি স্বপ্ন দেখি, আমি এসব কেন করতে থাকব?' যদিও এটা সবই স্বপ্ন, তুমি তাও কাজ করে যেতে পার, তাতে কোন ভুল নেই। তুমি কার্য চালিয়ে যেতে চাও না কারণ তুমি নিজেকে গম্ভীরভাবে নাও। যদি স্মরণে রাখ যে তুমি স্বপ্ন দেখছ, তাহলে তোমার স্বপ্ন বা না-পূরণ করতে যাবে না। তুমি তখন স্বস্তিতে থাকবে ও জীবনকে ঘটেতে দেবে। তুমি কুঁলি জীবনে যাচ্ছ প্রবাহিত হবে।
অকস্মাৎ তোমার বুদ্ধিমত্তা জাগ্রত হবে। পূর্ব যা জিনিষ্ঠোর যা জানাবার ব্যক্তি ক্ষণ -তুমি সেই সত্যের সাথে জাগরিত হবে। তখন তুমি আর একই ব্যক্তি থাকবে না কারণ তুমি সত্যদর্শন করবে।
এখন ধীরে, খুব ধীরে আগের সোজা বর্তমান কির্তন বাম ব্যথাটন উনিহি জানান ওজন আর অনুভব কর না।
যত ভর কমে যাচ্ছে সামান্য মনশ্চক্ষে মনোযোগ দাও যেখানে তুমি ভারহীন অনুভব কর। কয়েকবার করার পরে তুমি সঠিকভাবে সেই অনুভব করতে পারবে যেখানে তুমি ভারহীন।
যে বিন্দুতে তুমি ভারহীন অনুভব কর, সেই অবস্থানে থাক। কোন কিছু স্মরণ করার বা কোন কিছুতে একাগ্র হবার কোন প্রয়োজন নেই। ভারহীন অনুভব করার সেই স্থানে পূর্ণরূপে সুষম (ব্যাল্যাঙ্গড় ) অবস্থায় থাক।
বাড়িতে তোমার শরীরকে কমপক্ষে দশ মিনিট ধরে চেষ্টা কর। দশ দিন যাবৎ চেষ্টা কর এবং তুমি দক্ষতা অর্জন করবে এবং তখন তুমি সারাদিন একই ভারহীন অবস্থানে বসে থাকতে শুরু করবে!
যে অবস্থানে যাওয়া যায় তখন অবিচলিত ও আরাম অনুভব করবে তা নয়, তোমার মনও দেহ থেকে মুক্ত হবে! তুমি সেই স্থান অভিজ্ঞতা করবে যেখানে তুমি পূর্ণরূপে মুক্ত, যা সাধারণত কুঁলি রুখি রুখি বৃদ্ধি ও বাড়াবাড়ি করে, যা সাধারণত কুঁলি পরিচিত 3 নির্জনক দেখানো পরিচয়ের ঊর্ধ্বে।
কেবল দেহের ভারসাম্য (ব্যালাঙ্গ) বজায় রেখে তুমি গভীর শান্তি অনুভব করবে। আর কিছুই করার নেই। তুমি হয়ত ভাবতে পার, 'কেবল দেহে ভারসাম্য নিয়ে এসে আমি কিভাবে মুক্তি অনুভব করব?' কবে তুমি বুঝতে পারবে!
- ৫) দেহকে ছোট ছোট বৃত্তে ঘোরানো
সময় : প্রযোজ্য নয়
এই প্রক্রিয়া করার সময়, বিবেচনা করবে না, পরিমাপ করবে না এবং গণনা করবে না। তোমার মধ্যে ঘটা গতিবিধিকে ঘটতে দাও।
যদি বাসনা নির্জাফর ভিতরে আমরা দেখতে পারি আমাদের মধ্যে অল্প অল্প গতিবিধি হয়ে চলেছে এবং সেগুলি এক অদৃশ্য ভাবে ঘটছে। কেবল সেই গতিবিধিগুলির সাথে থাক এবং তাদের ঘটেতে দাও। যখনই আমরা লর গতিবিধিগুলি ঘটছে এর উপলব্ধি করব আমরা নিরেট দেহ নই, আমরা প্রবাহিত শক্তি।
নিজামন অভিজ্ঞতা করাকে আমি বলি জীবনমুক্তি অথবা পরম অভিজ্ঞতা।
হঠাৎ আমরা উপলব্ধি করব আমরা কেবল একা নই। বায়ুরূপ ফুটার বাম করছি, কিন্তু আমরা দেহ নই।
এই ধ্যান বাসনার স্থান সম্মন্ধে মনে করা যাক আমরা কি করছি, তথাপি রুল জীবনীশক্তি বা শক্তি মৃত্যুর মণ্ডিও যা বাসনার দেহের ভিতরে চলাচল করছে। আমরা এত অমনি বর্তমানে (নাড়ি) যা বর্তমানের উদয় মণ্ডিও বান্ডিক্সন করা কঠিন রুখ। প্রথম প্রথম বাসনার পর কর কে মনে করা যাক কুন্না জেমিক সর্বশ ছোট ছোট অদৃশ্য বৃত্ত ও ছোট গতিবিধি সৃষ্টি করে দেহের সাথে সহযোগিতা করা উচিত।
সোজা হয়ে বস এবং চোখ বন্ধ কর। যতটা সম্ভব ধীরে ও গভীরভাবে শ্বাস নাও ও ছাড়।
দেহকে খুব ধীরে ছোট বৃত্তে ঘোড়াও। জিনিষটাকে তুমি কেবল মনশ্চকুতে দেখলেও ঠিক কারণ জনসা রাশিয়ান মন্ত্রের সাথে একাগ্র বাल्क वाल्ड जारख जनस कुलि मनरे भण्डिन माथ আরামবোধ করছ। সে অবস্থায় থাক এবং গতিবিধি ঘটতে দাও।
প্রাণের উৎস মণিপুরক চক্র বা নাভিকেন্দ্রে একাগ্রতা নিয়ে আস। তুমি দেখবে যে তোমার পুরো দেহ ছোট ছোট অদৃশ্য বৃত্তে ঘুরছে এবং তুমি নাভিতে কেন্দ্রিত আছ।
যখন তুমি ভাব। রোহ মন্ত্র রাশিয়ার কুলি করা অনুবাদ করলে কুঁলি কর অনিক্সন করন
এই প্রক্রিয়া কমপক্ষে এগারো দিন অভ্যাস কর। তুমি চেতনা র এক স্থানান্তরণ অভিজ্ঞতা করবে।
৬) একটি ছাড়া সবকিছুকে বাদ দিয়ে
চিরন্তন আনন্দতে কেন্দ্রিত হও।
সময় : প্রযোজ্য নয়
এই প্ৰক্ৰিয়ায় তিনিটি ধাপ আছে।
প্রথমে তোমার সামনে এক বস্তু বা ব্যক্তিকে অনুভব কর। সেই বস্তু বা ব্যক্তিকে কেবল দেখতে থেকো না, তাদের অনুভব কর, তাদের মধ্যে সম্পর্ণভাবে হারিয়ে যাও।
দ্বিতীয়, অন্যান্য শাসনের মাতা মাত বা যা কিছু অনুভব কর। অন্য সবকিছুকে বাদ দাও। একমাত্র সেই এক বস্তু বা ব্যক্তিতে নিমগ্ন থাক ।
ততীয়, যখন তুমি সত্যি অনুভব কর যে অন্য কোন বস্তু বা ব্যক্তি নেই, যখন তুমি সবকিছু ও সবাইকে বর্জন করার অবস্থা অর্জন করেছ, তখন একমাত্র সেই বস্তু বা ব্যক্তি থেকেও আনক্লাচ কর।
তারপর, সেই বস্তু অনুভতি (সেই এক বস্তুতে নিমগ্ হওয়া) এবং অনুপ্রিতি অনুভতিকে (একমাত্র বস্তুটিও অনুপস্থিত) সরিয়ে রাখ ও নিজেকে উপলব্ধি কর। নিজের মধ্যে অদৃশ্য হয়ে যাও। অকস্মাৎ দেখবে যে তুমি কেন্দ্রিত হয়ে আছ নিজের মধ্যে, তোমার আরও গভীরে, তোমার চৈতন্য, তোমার সত্তাতে।
যদি তুমি কোন বস্তু বা ব্যক্তিকে ভালবাস, এই প্রক্রিয়াটি চেষ্টা কর। প্রথমে সেই বস্তু বা ব্যক্তির উপস্থিতি এবং অন্য সমস্ত বস্তু ও ব্যক্তির অনুপস্থিতি অনুভব কর। তারপর সেই বস্তু বা ব্যক্তির অনুপস্থিতি অনুভব কর এবং তুমি চিরন্তন আনন্দে কেন্দ্রিত হবে।
৭) তোমার মধ্যে সবকিছুকে অন্তর্ভুক্ত কর
তোমার চেতনাকে সম্প্রসারিত কর।
মোট সময় : ২১ মিনিট
প্রথম ধাপ : সময় : ২ মিনিট
সোজা হয়ে বসো। স্পষ্টভাবে তোমার দেহের সীমা অনুভব কর। যে ঘরে বসে আছ তাকে দ্যাখ।
দ্বিতীয় ধাপ : সময় : ৫ মিনিট
এখন তোমার চোখ বন্ধ কর এবং সেই স্থানটিকে ভিতরে অনুভব কর। তোমার আকাশ তোমার দেহের সীমা ছাড়িয়ে সেই জায়গাটিকে অন্তর্ভুক্ত করে সম্প্রসারিত হয়েছে।
তৃতীয় ধাপ : সময় : ২ মিনিট
তোমার চোখ খোল, বাইরে যাও এবং তোমার চারপাশের গাছ ও ইমারতগুলির দিকে তাকাও।
চতুর্থ ধাপ : সময় : ৫ মিনিট
এখন চোখ বন্ধ কর এবং অনুভব কর যে তুমি সবকিছুকে অন্তর্ভুক্ত করেছ।
পঞ্চম ধাপ : সময় : ২ মিনিট
চোখ খোল ও উন্মুক্ত আকাশের দিকে তাকাও।
ষষ্ঠ ধাপ : সময় : ৫ মিনিট
এখন চোখ বন্ধ বন্ধ কর এবং তোমার ভিতরে সমগ্র আকাশকে অনুভব কর।
তোমার চারপাশে সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
উদাহরণস্বরূপ, কাজের জিনিষ ও যন্ত্রপাতিগুলিকে তোমার অংশ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত কর, তোমার চেতনার গোলক সম্প্রসারিত কর। ধর, তুমি চেয়ারে বসে আছ। চেয়ারটিকে তোমার অংশ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত কর। তোমার চোখ বন্ধ কর এবং তাদের তোমার অংশ হিসাবে অনুভব কর।
সবাইকে তোমার অংশ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত কর। যদি তোমার পুরো দল এই ধ্যান অভ্যাস করে, তাহলে ব্যক্তি-চেতনা সুন্দরভাবে গলে যাবে এবং মীমাংসা হয়ে যাবে।
৮) উৎসকে খোঁজ
তোমার চিন্তাগুলির উৎসকে খোঁজ এবং চরম উৎস অর্থাৎ অস্তিত্বতে জাগ্রত হও।
সময় : প্রযোজ্য নয়
যখন তুমি কেবল বসে থাক, দেখ যে প্রতিটি চিন্তা দ্বারা দেহের কোন অংশ গতিবিধি বা অনভিত অভিজ্ঞতা করছে।
তুমি দেখবে একটার পর একটা প্রতিটি চিন্তা তোমার দেহের ভিতরের কোন না কোন অঙ্গে কিছু অনুভূতির সঙ্গি করছে। অনুভব করার চেষ্টা কর কোন চিন্তা তোমার দেহের ভিতরের কোন অঙ্গটি অনুভূতি অনুভব করছে, কোন অঙ্গটির উৎপন্ন করা চিন্তা তোমার মনেতে আসছে, দেহের ভিতরে সেই অঙ্গের স্থান নির্ণয় কর। এটা প্রতিটি চিন্তার সাথে কর।
যদি তা চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে ক্লিক করে, এই প্রক্রিয়াটি তোমার জন্য। যদি তা না হয় তবে অন্য প্রক্রিয়া অভিজ্ঞতা দিতে পারে।
৯) পালকের মত চোখের পাতাদুটিকে স্পর্শ কর
এটা কুণ্ডলিনী শক্তি জাগ্রত করার জন্য এক শক্তিশালী প্রক্রিয়া। কুণ্ডলিনী শক্তি তোমার অনুভূতিশীলতা বিকশিত করার জন্য এক সুন্দর প্রক্রিয়া।
সময় : ৩০ মিনিট
তোমার চোখ বন্ধ কর এবং তর্জনী দুটি দ্বারা খুব আলতোভাবে দুটি চোখের পাতা স্পর্শ কর, তর্জনী যেন পাখির পালক। ইচ্ছা হলে তুমি আসল পালকও ব্যবহার করতে পার। চোখ স্পর্শ করার সময় পালক যেন বেঁকে না যায়। বেশী চাপ দিচ্ছ। বেশী চাপ এই প্রক্রিয়ায় কাজ করবে না। তোমাকে কেবল পালকের ছোঁয়ায় ছুঁতে হবে।
এটা যেন তুমি স্পর্শ করছ কিন্তু করছ না। যেন তোমার আঙ্গুল চোখের পাতায় আছে, কিন্তু স্পর্শ করছ না। ভারসাম্য ঠিক করে রাখ এবং চোখের পাতাদুটিকে তর্জনী দ্বারা ছোঁও। তোমার হাত...
আকাশে সূর্য উদয় হবার সময় স্পষ্টভাবে অনুভব কর যে তোমার ভিতরেও সূর্য উদয় হচ্ছে, অনুভব কর যে সূর্য তোমার নাভিতে পৌঁছেছে। সূর্য ধীরে ধীরে উঠতে থাকলে অনুভব কর যে ভিতরের সূর্য প্রগাঢ়তা অর্জন করছে।
১০ থেকে ১৫ মিনিটের শেষে, তোমার চোখ বন্ধ কর। তোমার ভিতরের উজ্জ্বল নীরব সূর্যের অনুভূতিকে উপভোগ করে সম্পূর্ণরূপে মিলিয়ে যাও।
১২) বাইরের ও ভিতরের আকাশ দেখ ও হারিয়ে যাও
ভয় ও নিরাপত্তাহীনতা ভেঙ্গে বার হয়ে আস।
১১) ভক্তি
কাউকে সম্মানীয় ও করুণাভিষিক্ত হও।
সময় : প্রযোজ্য নয়
প্রথমে সেই মানুষটিকে বাছাই করে কিছু মুহুর্ত কাটাও যার অবদান তোমার জীবনে সবচেয়ে বেশী, এমন একজন যে তোমার কাছে সবচেয়ে গুরুতপূর্ণ।
তাকে পরিষ্কারভাবে স্মরণ করে অনুভব কর। স্মরণ কর, কিভাবে সে তোমার মধ্যে, তোমার জীবনে বিরাট রূপান্তরের কারণ হয়েছে।
তার সাথে, সেই সত্তার সাথে তোমার সত্তাতে কত কিছু যোগ করেছে।
সময় : প্রযোজ্য নয়
কোন জিনিষ নিয়ে বসো। তার দিকে তাকাও। যদি তুমি কারো ফটো নিয়ে বসেছ, তোমার সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতাতে ভরিয়ে দাও। সেই ব্যক্তির কাছে নিজেকে সমর্পণ করতে দাও।
বিশ্রাম কর ও অক্রিয়ভাবে অপেক্ষা কর, ব্যাস। ঘমানোর চেষ্টা করবে না। ঘুমিয়ে পড়লে অপরাধী বা বিব্রত অনুভব করবে না।
কেবল অপেক্ষা কর। অপেক্ষা করার সময় তোমার সচেতনতা থাকবে না।
একটা গুরুতপূর্ণ জিনিষ বোঝ : তুমি প্যাসিভ (passive) ও সক্রিয়ভাবে কিছু করছ না। সেইজন্য বিকর্মিক হও। এক প্রার্থনাপূর্ণ অথবা অক্রিয় মেজাজ তোমাকে সচেতনতায় নিয়ে আসবে। একদম অক্রিয় মেজাজে থাক। এমনকি তুমি নিদ্রাকে দেবী হিসাবে ভাবতে পার। উপনিষদে আছে! তুমি সুষুপ্তি বা গভীর -নিদ্রাবস্থাকে এক দেবী বলে মনে করতে পার। তোমার মধ্যে তাঁর আবির্ভাব ঘটার জন্য ও তাঁর আশীর্বাদ পাবার জন্য তুমি এক প্রতীক্ষার মেজাজে থাক।
এখন সেই জিনিষ থেকে তোমার দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে চোখ বোজ। অন্তর আকাশে সেই বস্তু বা ব্যক্তিকে কয়েক মিনিট ধরে অন্তর্দেশে দেখ।
প্রথমে সেই বস্তু বা ব্যক্তিকে বাইরে ও ভিতরের আকাশে দেখ। তারপর সেটা কেবল ভিতরের আকাশে দেখ। তারপর সেটাকেও সরিয়ে ফেল এবং কেবল তোমার সত্তার সাথে বিদ্যমান থাক। সচেতনভাবে চিন্তাগুলি মুছে ফেলার নির্ণয় নাও এবং কেবল বিদ্যমান থাক।
১৩) ঘুমিয়ে পড়ার সময় সচেতনতা
সহজভাবে সচেতনতায় প্রবেশ করে।
সময় : প্রযোজ্য নয়
এই প্রক্রিয়াটি যখন তুমি ঘুমোতে যাওয়ার কথা তখন নয় অথবা তোমার ঘুমানোর নির্ধারিত সময়ে নয়। যখন তোমার দেহ নিদ্রার জন্য প্রস্তুত, তখন এই ধ্যান কর।
Whirling
ধীরে ঘোরো। ঘূর্ণন অনুভব হবে, সবকিছু আবছা হবে। তাদের চলে যেতে দাও। কোন কিছুকে ক্লিক করার চেষ্টা করবে না। কেন্দ্রিত হবার চেষ্টা করলে তোমার মাথা ঘুরতে পারে ও বমি বমি লাগতে পারে।
ধীরে গতি বাড়াও এবং ঘূর্ণন হয়ে যাও। বৃত্তের পরিধিতে কার্য ও চলন হবে কিন্তু কেন্দ্রে তুমি স্থির থাকবে। তুমি অনুভব করবে যেন তুমি এই ঘুরণের এক সাক্ষী বা প্রত্যক্ষদর্শী।
বিশ্রাম
যখন তুমি ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত বোধ করবে ও দেখবে যে তুমি সোজা দাঁড়াতে পারছ না, তোমার দেহকে ছেড়ে দাও। কোন রকম পরিকল্পনা করবে না।
যেই পড়ে যাও, তোমার পেটের ওপরে এভাবে ঘুরে পড় যেন তোমার নাভি মাটিতে স্পর্শ করে। অনুভব কর যে তুমি পৃথিবীর সাথে এক হয়ে গেছ।
তোমার চোখ বন্ধ রাখ। একই অবস্থানে অক্রিয় ও নীরব হয়ে কমপক্ষে পনের মিনিট থাকে।
এই ধ্যানের পরে কয়েক ঘণ্টা ধরে শান্ত ও ধ্যানস্থ হয়ে থাকে।
৩) বাত-পিত্ত-কফ ধ্যান সকল
শরীরের তিনটি প্রধান শক্তির ভারসাম্য রক্ষা করে।
প্রাচীন আয়ুর্বেদ মতে বাত (চলাচলের শক্তি), পিত্ত (পাচন বা বিপাকের শক্তি) এবং কফ (পিচ্ছিলকরণ ও গঠনের শক্তি) আমাদের শরীরে তিনটি শক্তি এবং সুস্থ থাকার জন্য তাদের ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে।
যাই হোক, আমাদের সবার মধ্যে মধ্যে এই তিনটি বলের সাধারণত ভারসাম্য থাকে না এবং একটা উপাদান সব সময়ে বেশী থাকে। নিম্নলিখিত ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য।
এই প্রক্রিয়াগুলি ঐকান্তিকভাবে করলে ক্যান্সারকে পর্যন্ত প্রতিরোধ করা যায়।
এই ধ্যানগুলি খালি পেটে করা হয়। তাই এগুলিকে খুব সকালে করাই শ্রেয়।
বাত ধ্যান
মোট সময় : ৩১ মিনিট
প্রথম ধাপ : সময় : ১০ মিনিট
বজ্রাসনে বসো। গভীরভাবে শ্বাস নাও এবং শ্বাস ছাড়। প্রতিবার শ্বাস গ্রহণ করার সময় অনুভব করছ যেন তুমি তোমার দেহের উপরিভাগ ও নিম্নভাগের মধ্যে এক সংযোগ প্রতিষ্ঠিত করছ। প্রতিবার শ্বাস ছাড়া সময় 'হু' উচ্চারণ কর। প্রতিবার শ্বাস গ্রহণ করার সাথে আবার শুরু কর, শ্বাস ছাড়ার সময় যতক্ষণ পার সেই উচ্চারণটি কর।
দ্বিতীয় ধাপ : সময় : ২১ মিনিট
বজ্রাসনে বসো। হাত হাঁটুর ওপর রাখো। হাঁটু মুড়ে কপাল দিয়ে মাটি স্পর্শ কর। এই অবস্থানে 'হু' উচ্চারণ করতে থাক।
পিত্ত ধ্যান
মোট সময় : ৩১ মিনিট প্রথম ধাপ : সময় : ১০ মিনিট
বজ্রাসনে বসো। হাত নিতম্বের ওপরে। গভীরভাবে শ্বাস নাও। প্রত্যক্ষ কর যে সাদা আলোক তোমার মধ্যে প্রবেশ করছে, মাথার ওপর থেকে বার হচ্ছে এবং তোমার মধ্যে বৃত্তাকারে ঘুরছে। 'হু' উচ্চারণের সময় সেই বৃত্তাকারে চালিত শ্বেত আলোককে প্রত্যক্ষ করতে থাক।
দ্বিতীয় ধাপ : সময় ২১ মিনিট
বজ্রাসনে বসে থাক। হাত নিতম্বে রেখে হাঁটু মুড়ে কপাল দিয়ে মাটি স্পর্শ কর। এই অবস্থানে 'হু' উচ্চারণ করতে থাক। স্পষ্টভাবে দেখতে থাক যে এক শ্বেত আলোক তোমার মধ্যে উদিত হচ্ছে, তোমার মাথার ওপর থেকে নির্গত হচ্ছে এবং বৃত্তাকারে তোমার কাছে ফিরে আসছে, ঠিক আগের মত।
কফ ধ্যান
মোট সময় : ৪১ মিনিট
সামনে স্বামীজীর একটি ফটো চোখের সামনে রাখ।
প্রথম ধাপ : সময় : ১০ মিনিট
বজ্রাসনে বসো। হাত নিতম্বে রাখ এবং গভীরভাবে শ্বাস নাও। অনুভব কর যে এক আলোক বৃত্তাকারে তোমার মধ্যে প্রবেশ করছে, তোমার মাথার ওপর থেকে নির্গত হচ্ছে এবং বৃত্তাকারে তোমার মধ্যে ফিরে আসছে।
দ্বিতীয় ধাপ : সময় : ২১ মিনিট
বজ্রাসনে বসে থাক। হাত হাঁটুর ওপর রাখো। হাঁটু মুড়ে কপাল দিয়ে মাটি স্পর্শ কর। এই অবস্থানে 'হু' উচ্চারণ চালিয়ে যেতে থাক। স্পষ্টভাবে প্রত্যক্ষ করে যেতে থাক যে এক শ্বেত আলোকের তোমার মধ্যে উদয় হচ্ছে, মাথার ওপর থেকে নির্গত হচ্ছে এবং বৃত্তাকারে তোমার মধ্যে ফিরে আসছে।
তৃতীয় ধাপ : সময় : ১০ মিনিট
চোখ খোল। তোমার ত্রিনয়নের মাধ্যমে ছবিতে THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর ত্রিনয়নকে দেখ। পরিষ্কার করে প্রত্যক্ষ কর THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর ত্রিনয়ন থেকে এক আলোক রশ্মি তোমার ত্রিনয়নে প্রবেশ করেছে।
এই ধ্যান হল মন্ত্র-তন্ত্র-যন্ত্রের একসাথে সমন্বয়।
মন্ত্র অর্থ শরীরকে স্থুলভাবে ব্যবহার করে অভীষ্ট ফল অর্জন করা, যেমন নির্দিষ্ট আসনে বসা ও উচ্চারণ করা।
তন্ত্র অর্থ দেহ ও মনকে একসাথে ব্যবহার করে অভীষ্ট ফল লাভ করা, যেমন শ্বেত করা।
যন্ত্র অর্থ বাইরে কোন বস্তু ব্যবহার করে অভীষ্ট ফল লাভ করা, যেমন THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর নয়নের ছবি ব্যবহার করা।
৪) পিতের ভারসাম্য রক্ষা করা
শরীরের অগ্নি ও জল উপাদান দুটির ভারসাম্য রক্ষা করে। শরীরের অব্যবহৃত শক্তিকেন্দ্রগুলিকে জাগ্রত কর।
মোট সময় : ৩০ মিনিট
এই ধ্যান ভোজন করার কমপক্ষে তিন ঘণ্টা পরে কর।
প্রথম ধাপ : সময় : ১০ মিনিট
দাঁডিয়ে পড়। সমস্ত দেহকে ঝাঁকাতে থাক যেন একটা গাছকে তার মূল থেকে ঝাঁকানো হচ্ছে। খুব দ্রুত শরীরকে ওপর-নীচ করে ঝাঁকাও। এইভাবে শরীরকে ঝাঁকালে ভেতরের সমস্ত অপ্রয়োজনীয় আবর্জনা মুক্ত হয়ে বেরিয়ে আসে।
দ্বিতীয় ধাপ : সময় : ১০ মিনিট
যেখানেই থাক বসে পড়। তোমার মনে যা কিছু আবর্জনা আছে তা উগরে দাও। সেটা হবে গিবারিশ (gibberish), কোন শব্দ (words) নয়। সেটা লুকানো বিরক্তি অথবা ঘৃণা যা তুমি তোমার সিস্টেমে বহন করলে তোমার পিতের ভারসাম্য হারিয়ে যাবে, তাই তাদের পুরোপুরি নির্গত হতে দাও।
তৃতীয় ধাপ : সময় : ১০ মিনিট
নীরব হয়ে বসো। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে নীরবতায় বা একা মনন অবস্থায় কাটানো যায়। যা কিছু ঘটছে ঘটুক, তাতে অংশ নেবে না, ধরে রাখবে না, মুছে ফেলবে না বা বিচার করবে না।
শ্বাস-সম্পর্কিত প্রক্রিয়া
শ্বাসকে নিরন্তর লক্ষ্য করা এক সরলতম ধ্যান। অন্যান্য ধ্যানের চেয়ে এই ধ্যানে অনেক বেশী মানুষ জীবনমুক্তি পেয়েছে। শ্বাসকে খুব ভালভাবে লক্ষ্য করলে সচেতনতা বাড়ে। সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে অন্তর -জাগরণ ঘটে এবং পরমানন্দ আসে।
১) শ্বাসের ও তাদের মধ্যে বিরতির সচেতনতা
মোট সময় : ৩৫ মিনিট
একদম আরাম করে বসো। তোমার শরীর যেন সম্পূর্ণরূপে আরাম করে।
প্রথম ধাপ : সময় : ৫ মিনিট
তোমার শ্বাসপ্রশ্বাস লক্ষ্য করা শুরু কর। তোমার শ্বাসপ্রশ্বাস প্রত্যক্ষ করা আরম্ভ কর। তোমার শ্বাসের দৈর্ঘ্য বাড়াবে না। কেবল তোমার সাধারণ শাস ও প্রশ্বাসকে প্রত্যক্ষ করতে থাক।
দ্বিতীয় ধাপ : সময় : ৫ মিনিট
এখন কেবলমাত্র ভিতরে প্রবেশকারী শ্বাসকে লক্ষ্য কর। বাইরে নির্গত হওয়া শ্বাসকে লক্ষ্য করতে হবে না। একমাত্র ভিতরে যাবার শ্বাসকে প্রত্যক্ষ কর।
তৃতীয় ধাপ : সময় : ৫ মিনিট
এখন কেবল বাইরে নির্গত হওয়া শ্বাসকে লক্ষ্য করে এবং ভিতরে প্রবেশকারী শ্বাসকে লক্ষ্য করার জন্য বিব্রত হতে হবে না। পূর্ণ সচেতনতা সহকারে নির্গত হওয়া শ্বাসকে লক্ষ্য করে।
চতুর্থ ধাপ : সময় : ৫ মিনিট
এখন সবকিছু শূণ্য। ভিতরে আসা শ্বাস ও বাইরে বার হওয়া শ্বাসের মাঝে বিরতি সম্পর্কে সজাগ হও।
পঞ্চম ধাপ : সময় : ৫ মিনিট
এখন ভিতরে প্রবেশ করা শ্বাস, বিরতি এবং বাইরে বার হওয়া শ্বাস - এই তিনটির মধ্যে সংযোগ স্থাপন কর। তিনটি সম্পর্কেই সজাগ হও। অনুভব কর যে তোমার সমস্ত দেহ নবতেজোদ্দীপ্ত ও সতেজ হয়ে উঠেছে এবং তুমি স্পন্দিত হচ্ছ।
ষষ্ঠ ধাপ : সময় : ৫ মিনিট
এবার ভিতরে প্রবেশ করা ও বাইরে নির্গত হওয়া শ্বাসের মাঝের বিরতিকে প্রত্যক্ষ কর। প্রত্যেক বিরতি সম্পর্কে সজাগ হও। তোমার মনে হতে পারে তুমি একদম শ্বাস নিচ্ছ না, সেই অনুভূতিকেও প্রত্যক্ষ কর।
সপ্তম ধাপ : সময় : ৫ মিনিট
চোখ বন্ধ কর ও আরাম কর। ধ্যান করবে না। কেবল আরাম করে। কোনকিছু সম্পর্কে সক্রিয়ভাবে চিন্তা করবে না। তোমার মনকে শান্ত হতে দাও।
রিল্যাক্স কর ও উচ্চশক্তি অঞ্চল থেকে ধীরে বার হয়ে এসো। পাঁচ মিনিটের শেষে খুব আস্তে আস্তে চোখ খোল।
সময় : ৩০ মিনিট
আরাম করে বসো। চোখ বন্ধ কর। নিজের শ্বাসপ্রশ্বাসকে লক্ষ্য কর - প্রবেশকারী শ্বাস বহির্গামী শ্বাস হয়ে যায় অথবা বহির্গামী শ্বাস প্রবেশকারী শ্বাস হয়ে যায়। এই পরিবর্তনের স্থানটি সম্পর্কে সজাগ হও। এই মুহূর্তটিকেই সচেতনভাবে লক্ষ্য রাখতে হয়। ভিতরে ঢোকা শ্বাস নেবার ঠিক আগে।
বাসনা তোমার মধ্যে জীবন নিয়ে আসে। উদাহরণস্বরূপ, তুমি হয়ত বিছানাতে সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে ঘুমোও, কিন্তু শরীর সাড়া দেয় না। হঠাৎ তুমি কোন বন্ধুকে মনে করলে যাকে তুমি বহু বছর ধরে দেখনি এবং তোমার শরীর সজীব হয়ে ওঠে। এই বাসনা থেকে জীবনের সৃষ্টি হয়। যা ঘটছে সেই বিষয়ে সচেতন থাকো। এই ধরণের ঘটনা নিরপেক্ষ অঞ্চলে ঘটে।
একইভাবে যখন তোমার থেকে কিছু ছিনিয়ে নেওয়া হয়, তুমি বুদ্ধিমতা দ্বারা প্লাবিত হও। যদি তুমি কিছু হারাও, অবিলম্বে তোমাকে জীবন সম্পর্কে কোন বোধ, কোন বার্তা দেওয়া হয়, সেটা তোমার বুদ্ধিমতা হয়ে যায়। সচ্চেতন হও কখন তুমি বুদ্ধিমত্তা দ্বারা প্লাবিত হও।
নিরপেক্ষ অঞ্চলে তুমি শক্তি ও বুদ্ধি উভয়কেই পাবে। যদি এই বিষয়ে তুমি সচেতনতা নিয়ে আসতে পার, সমস্ত দিন তুমি অবিশ্রাম শক্তিতে ভরপুর থাকবে। যখন তুমি তোমার শ্বাসের উভয় বিরতি লক্ষ্য কর, যখন তুমি উভয় বিরতি সম্পর্কে সজাগ হও, তুমি প্রতিনিয়ত শক্তি ও বুদ্ধিমত্তাতে প্লাবিত থাকবে।
যদি আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিষ বুঝতে পারবে : প্রতি মুহূর্তে তোমার চিন্তা ও আছে। 'শূন্য ও এক'-এর সম্পূর্ণ বাইনারি সিস্টেম চিন্তা ও শক্তির দৈততার ওপরে ভিত্তি করা আছে। শক্তি ও চিন্তা, চিন্তা ও শক্তি, শক্তি ও চিন্তা, চিন্তা ও শক্তি - দুটোই সরাসরি সংযুক্ত।
বস্তুত, এক মুহূর্তে তুমি ইচ্ছাশক্তিতে (বাসনা) প্লাবিত হও, পরের মুহূর্তে তুমি ক্রিয়াশক্তি (কার্যের শক্তি) দ্বারা প্লাবিত হও। এক সম্পূর্ণরূপে খালি মুহূর্তে তুমি ক্রিয়াশক্তি দ্বারা প্লাবিত থাকতে পারো। এই দুটিই ব্রহ্মাণ্ডের উপাদান - জড় ও শক্তি।
জাताव वार्त्वर्तन वर्विवास अड़ उ मणि नृणा कबर्ण। यदि कूलि लारे विवरण मम्भटक मजान रख, रूसि किन्नुल फ्रानारक অভিজ্ঞতা করতে পারবে।
বাসনা ও কার্যের শক্তি উভয়ই তোমার वार्डर्मटन नजा कबर्ड। यदि एकूलि विवरण मम्भटक मजान रख, जूनि ज्वानमण्डि वर्ष्णन कवरवा मण्डि व्यविद्यास निर्जालय निर्जालय के कारणान করছে, অন্তর্দেশে প্রকাশিত করছে। কেবল এই বিরতি সম্পর্কে একটু সজাগ হও এবং তুমি ঐশ্বরিক চেতনাতে প্লাবিত হয়ে যাবে।
৩) শরীর চালনা করে নিরপেক্ষ স্থান সম্বন্ধে সচেতনতা
মোট সময় : ৩০ মিনিট
সোজা হয়ে বসো। মাটিতে বসাই वाश्वनीया। कार वाज। यद शीदव भाव, याज গভীরভাবে পার, শ্বাসপ্রশ্নাস নাও।
প্রথম ধাপ : সময় : ৩ মিনিট
धोदव, यूव धोदव, उन्हुलाज किकाव প্রবেশকারী শ্বাসকে লক্ষ্য করে। প্রবেশকারী শ্বাসের প্রতি সজাগ হও।
দ্বিতীয় ধাপ : সময় : ৩ মিনিট
এখন ধীরে, তোমার লক্ষ্য বহির্গামী শ্বাসের প্রতি নিয়ে আস।
তৃতীয় ধাপ : সময় : ৩ মিনিট
এবার প্রবেশকারী ও বহির্গামী শ্বাস সম্বন্ধে ভুলে যাও। ধীরে, খুব ধীরে, দুই শ্বাসের মাঝে মনোনিবেশ কর। শ্বাসপ্রশ্নাসের মাঝে मने निवरणक शादन करे विन्ना ममद्रक সজাগ হও। তোমার মনোযোগ শ্বাসের মাঝে বিরতিতে রাখ।
চতুর্থ ধাপ : সময় : ৩ মিনিট
দুটি শ্বাসের মাঝে তোমার লক্ষ্য রাখ। সেই নিরপেক্ষ স্থানে রিল্যাক্স কর। যখন তুমি बरे मार्न, बरे क्वनाय थाक, छूणि शाण्टक নাড়াবার চেষ্টা কর। হাত নাড়াবার সময় যদি তমি অনভব করে যে তমি সেই নিরপেক্ষ शानव मटण्यनजा (शटक वाद्र रूप्य वर्त्य वर्त्य वर्त्य वर्त्य वर्त्य वर्त्य वर्त्य वर्त्य वर्त्य वर्त्य वर्त्य वर्त्य वर्त्य वर्त्य वर्त्य वर्त्य वर्त्य वर्त्य वर्त्य वर्त्य वर्त्य निर्जाक वावाद निवरणक राजन किनित्य निर्य আস। निवरणक राजन किर्दन वटन जानाव राज নাডাও।
পঞ্চম ধাপ : সময় : ৩ মিনিট
निवरण के शुटन (शटक, जाटक ना शविद्य, माँफ़ावाद क्रिकेट कब। यदि जमि वनस्व कन (य कूमि (मरे निवरणक शानटक शनित्य ফেলেছ, বসে পড়। আবার নিরপেক্ষ স্থানে আস। बनाव लड़े विवर्णित मटण्डनजा ना शब्दिय्य দাঁড়াবার চেষ্টা কর।
তোমার চোখ বন্ধ থাকুক। একবার माँज़िट्या भड़टल उ ग्राटमन माट्या ट्रकरे विनास সম্পর্কে সজাগতা বজায় রাখ। তোমার সজাগতাকে দুটি শ্বাসের মাঝে সেই নিরপেক্ষ স্থানে রাখা। সেখানে থাক যেখানে মন অবিদ্যমান।
ষষ্ঠ ধাপ : সময় : ৩ মিনিট
।
। যতামার ময়িাদিয়বল িুটি শ্বায়র মায়ঝ দিয় আ। তারপর আবার যতামার পা িাড়ায়িার যচিা ের।
। যতামার ময়িায়যাে িুটি শ্বায়র মায়ঝ রাখ। দিরয়পে স্থ্ায়ি যতামার েয রাখ।
৪) গভীর ভক্তি সহকারে শাসের মাঝে বিরামে সজাগতা
মোট সময় : ২১ মিনিট
এই প্রক্রিয়াকে গভীর ভক্তির অনুভূতি मरकारव कवरण रख। कृति कारवाद उन्तर्व গভীর ভক্তি অনুভব করতে পার, হয়ত তোমার জীবনে কোন ব্যক্তির সাথে খুব গভীরভাবে সংযুক্ত অনুভব কর যেমন, ভগবান, মাস্টার, भिजामाणा, वक्तू, मिक्क, बक (भवनामायाक লীডার অথবা এমন একজন মানুষ যে তোমার जोवटन म्यूनवीय व्यवमान करवरण। जूनि একাধিক ব্যক্তিকেও স্মরণ করতে পার, দুই বা তিনজন যারা তোমার কাছে খুবই অর্থপূর্ণ যেমন তোমার সুন্দর মা, তোমার বিস্ময়কর মাস্টার, তোমার সমাদৃত দেবতা অথবা এক অত্যন্ত প্ৰিয় বন্ধু।
काथ वक्त कव। माजा रूप्य वर्णा। তাদের স্মরণ কর যারা তোমার ভিতরে অগাধ ভক্তির সঙ্টি করে, যারা তোমার হুদয়ে বাস करव, याद्यवन्द मार्थ অনুভব কর, যারা তোমার অনুপ্রেরণার উৎস, আধাত্মিকভাবে নিজেকে নবতেজোদ্দীপ্ত করার জন্য তমি যাদের কাছে যাও।
তাদের সমরণ করে অথবা তোমার जोवटन जामन व्यवमान मानव कव। जामन সাথে তোমার সম্পর্ণ সত্তা সহকারে গভীরভাবে সংযুক্ত অনুভব কর। সেই ব্যক্তি বা সত্তার সাথে পরম ভক্তি অনুভব কর। তোমার সম্পর্ণ সত্তাকে ভক্তিতে গলে যেতে দাও।
এই গভীর ভক্তির সাথে, প্রবেশকারী শ্বাস ও বহির্গামী শ্বাসের মাঝে বিরতি সম্পর্কে मजान रखा वर्णिणि भवननकानी उ वरिणामी শ্বাসের মাঝে, আত্মচেতনা (self) উদ্ভাসিত
रुग्न मण्ड निर्जाक भवनान करन। जारे बरे বিরতিতে সজাগতা নিয়ে আসার জন্য জোর मिन्या रायरण। वर्र विवरणिक्तित्व मजानजा निय्य वटन मण्ड मरकारव जनवर जान्यज रवान সম্ভাবনা অনেক বেশী হয়।
৫) বিপাসনা
विभाजना वर्थ मण्डल धार्थ धार्थ উপলব্ধি করা। তিনভাবে বিপাসনা করা যায় :
তোমার দেহ, কার্য, মন ও হৃদয় সম্পর্কে গভীর সচেতনতা
সময় : যে কোন সময়ে, যে কোন স্থানে
यथन নাড়াও, যখন তুমি হাস, সবকিছু সচেতনতা সহকারে কর। ভাল করে জান যে তুমিই সেই কার্যগুলি করছ। সজাগ হও। কোন নড়াচড়া বা চলন যেন অচেতন অবস্থায় না হয়। তোমার দেহের কোন কার্য যেন তোমার সচেতনতা বিনা না ঘটে।
ঠিক তোমার দেহের মত, তোমার হৃদয় 3 मनटक लक्ष्ठ कना रामट्य जेमिक थ्रणिजि আবেগ সম্পর্কে সচেতন হও। মনের ভিতরে ও বাইরে চলা প্রতিটি চিন্তা সম্পর্কে সচেতন হও। মতামত রাখবে না, কোন কিছুর মূল্যনির্ধারণ করবে না। কেবল এক সাক্ষী হও।
তোমার শ্বাসকে লক্ষ্য কর
সময় : যে কোন সময়ে, যে কোন স্থানে
প্রতিটি শ্বাস গ্রহণ করা ও ছাড়ার সময় তোমার পেটকে উঠতে ও নামতে অনুভব কর। তোমার জীবনীশক্তির উৎস, নাভি পেটের অঞ্চলে থাকে। তাই যখন নাভিতে মনোনিবেশ কর, তুমি তোমার শরীরে জীবনীশক্তি প্রবাহ मन्नाका मजान रखा (भाजे मामला या मजाग হও, দেখবে, তোমার হৃদয় ও মন শান্ত হয়ে গেছে!
প্রবেশ করার সময় শাসকে লক্ষ্য করে -তোমার শরীরে, নাসিকাছিদ্দে
সময় : যে কোন সময়, যে কোন স্থানে
নাসিকাছিদ্দে ঠাণ্ডা বায়ু সম্পর্কে সজাগ रुआ व्य मरखणव माथि नामिकाणित्व भाज প্রবেশ করে ও নির্গত হয় তা অনুভব কর।
বসা বা হাঁটা, উভয় অবস্থায় বিপাসনা অভ্যাস করা যায়।
বসা
মোট সময় : ৬০ মিনিট
আরাম ভঙ্গিতে বসো, মেরুদণ্ড সোজা, সামনের দিকে সোজা দেখছ। চোখ বন্ধু করে রাখ এবং স্বাভাবিকভাবে অবিচল ও স্থির হয়ে বলো এবং ভঙ্গি পরিবর্তন করবে না।
শ্বাস গ্রহণ করা ও ছাড়ার সময় পেটের उठी उ नामा लक्का कव। मारमन उभरव মনোযোগ দেবে না কিন্তু শান্তভাবে তা প্রত্যক্ষ কর। যদি তমি অন্যান্য চিন্তা, অনুভতি বা শারীরিক উত্তেজনার উদয় হচ্ছে লক্ষ্য কর, जारमन राज मां का किरिकन जना मण्डलि প্রত্যক্ষ কর এবং তারপর শ্বাসকে লক্ষ্য করায় ফিরে আস।
সাক্ষী হবার বা লক্ষ্য করার প্রক্রিয়াই उन्हाभूर्ण, कि लक्ष्ण कवर जा नया। मवकिणू প্রত্যক্ষ করে।
এটা ৪৫ মিনিট ধরে কর এবং ১৫ মিনিট বিশ্রাম কর।
হাঁটা
মোট সময় : ৩০ মিনিট
এখানে তোমার সচেতনতা সম্পূর্ণরূপে মাটিতে স্পর্শ করা তোমার পায়ের পায়ের ওপরে থাকে।
আগে বা পিছনে প্রায় পনেরটি পদক্ষেপে তুমি বতাকার বা সরলরেখায় হাঁটতে পার। তোমার বাড়ীর ঘর থেকে ঘরে অথবা
সোজা হয়ে আরাম করে বসো। চোখ বন্ধু করে এবং শরীর একদম না নাডিয়ে এইভাবে আরাম করে বলে থাক। শরীরের চালনা চিন্তার সুষ্টি করবে, তাই যদি তোমার শরীর কোন নড়াচড়া না করে স্থির হয়, তা তোমাকে আরও গভীর নীরবতায় নিয়ে যেতে পারবে।
খুব সচেতনভাবে এক বলিষ্ঠ নির্ণয়ের मार्थ वर्णाण्डाद्व व क मकुल्लन मण्डि कन व्य তুমি এই মুহূর্তে বহির্জগতে ও অন্তর্জগতে যে প্রকার আছ, নিজেকে সেভাবেই স্বীকার করছ।
নিজেকে বল, 'আমার বহির্জগতে যথেষ্ট আছে - অনেক সুন্দর ধনসম্পদ। আমার অন্তর্জগতে যথেষ্ট আছে - বহু সকারাত্মক গুণ। আমি নিজেকে সম্পর্ণরূপে স্বীকার করছি। আমাকে বহিজগতে ও অন্তর্জগতে বিকশিত করার আমিতু আছে, তো ঠিক আছে। যদি আমার व वर्षस्वास शादक, ज्या ठिक वाट्ड। यदि আমার ভয় আছে, তো ঠিক আছে। যদি আমার লোভ আছে, তো ঠিক আছে। অন্যেরা আমার मम्भटक या वटनट्ड, जाउ ठिक घाट्ड। वासि मवकिष्ठू घरण कवण्ड, ठिक वा वाठिक। वासि সবকিছু স্বীকার করছি।'
তোমার মন যা কিছু আপতি করে, 'না, না, না, আমি এটা বা ওটা স্বীকার করতে চাই না,' কমপক্ষে সম্পর্শরূপে স্বীকার করে নাও যে তুমি তা স্বীকার করতে পারছ না। সেটাকেও স্বীকার কর!
বর্তমান মুহূর্তকে স্বীকার কর। সমস্ত ভবিষ্যৎ মুহূর্তকে স্বীকার কর। যা কিছু তোমার মন তোমার জীবনে সম্ভাব্য সবচেয়ে খারাপ ঘটনা কল্পনা করে, সেই সম্ভাবনাকেও স্বীকার করে নাও। যদি তা ঘটে তুমি তা এড়িয়ে যেতে
তোমার বাগানে এই ধ্যান অভ্যাস করতে পার
का विकिथना का वास्तान विवाद व वर्षः মাটিতে ও পায়ে কেন্দ্রিত থাকবে। যেভাবে বসে (श्टक थाटन (भोटक लक्ष्ण कन्न, वर्णाटन फूणि পায়ের সাথে মাটির সংস্পর্শ সম্পর্কে সজাগ रुआ यदि वनगाना किला उ कार्कना वाट्म, जामनव वायर जा जा कान किशुरकर किछविटक वटन भार कबरव ना। यथन कूमि प्रक्लजा वा फिल्मादक वजन कवा (मय करवण, আবার তোমার পা দুটিকে প্রত্যক্ষ করায় ফিরে যাও।
এটা ২০ মিনিট ধরে করে এবং ১০ মিনিট বিশ্ৰাম নাও।
শক্তিশালী তাৎক্ষণিক ধ্যান
১) স্বীকৃতি
मम्भूर्वकर्ता वर्णयान उ अन्यवाद सूर्यूजुलिन व वर्षास्त्राविका स्वीकाव कव। जूसि এক গভীর প্রশান্তি অভিজ্ঞতা করবে যা তুমি কল্পনাও করতে পার না।
মোট সময় : ২১ মিনিট
भावरव ना। जा जनगरखानी। व्यवसारमा विजादक বোঝা ও তাকে স্বীকার কর। যেই মুহূর্তে তুমি নিজেকে সম্পূর্ণরূপে গ্রহণ করতে পারবে, আর कान किलान जिमय राव ना, मन नीनव रख। সেই নীরবতাকে উপভোগ কর!
২) একদম থাম!
वर्णयान मट्ठकनण निर्द्य वाजाव अजना वजना वाणी न शूव শক্তিশালী প্ৰক্ৰিয়া।
সময় : যে কোন সময়ে, যে কোন স্থানে
'একদম থাম!' প্ৰক্ৰিয়াকে জীবনমুক্ত মাস্টার জর্জ গুর্ডজিফ ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেছেন।
যেই তোমার কিছু করার তাড়না হয়, থাম। তোমার ধূর্ততাও এক প্রকার তাড়না -তোমার বেঁচে থাকে জন্য এক তাড়না। তুমি সর্বদা চিন্তা কর যে বেঁচে থাকার জন্য তোমাকে ধূর্ত হতে হবে ও সর্বদা হাতিয়ার নিয়ে তৈরি शाकरण रख। ववाद करे मूर्णजादक मनिष्ठ ফেল। সরল ও আস্থাশীল হও।
मिणीय धार, यथनरे जानाव कान তাড়না হয় যেমন ক্ষুধা, তৃষ্ণা বা হাঁচি অথবা অন্য যে কোন প্রকার কার্যের তাড়না, যখন সেটা ঘটতে যায় অথবা যখন তুমি প্রায় কার্য করতে যাও, একদম থেমে যাও। 'করা'-র আকাশ থেকে 'বিদ্যমান থাকা'-র (সত্তার) আকাশে চলে যাও।
৩) আবেগপূর্ণ স্মৃতিগুলির ওপরে ধ্যান কর
আবেগপূর্ণ স্মৃতিগুলির বেদনা থেকে মুক্ত হও
সময় : প্রযোজ্য নয়
यथनरे म्बाना वाणिक याउ, ज्यण्टिक निर्या वटना उ সেটার মধ্য দিয়ে সচেতনভাবে গিয়ে তার ওপরে ধ্যান কর। সেটা ভয় বা ভালোবাসা বা लाड यारे (शक ना कन, जान माध्या मम्भूर्वकर्त या । शीदव जनानाव व्यवादा व्यवासाय मने वाद्यद्वान स्थूर्णि (श्टक व्यमश्यूक राय विद्यासिक रूरव। याजका भयात करे मण्ड करे मुश्किब সাথে কোন শক্তি বা মূল্য সংযুক্ত থাকে, তার उभरव धान कवरण थाक। कूसि मोमुर लड़
मण्टिक वर्णिक्कम करव यादव वर जानाव অন্তরাকাশে প্রবেশ করতে পারবে।
यथन जूसि व्यवर्टिनटक भूनकम्बाद कन्न, जूसि मतदानारक (थन कबरण ममर्थ रख, जानाव रुफय जनायाटन भटल याया। यदि कूलि দেখতে পাৰে।
৪) পরিবর্তন - অপরিবর্তনীয় ঘটনা
मजान र उ या वर्षविवर्णनीय क्वजना হল পরম বাস্তবতা
সময় : যে কোন সময়ে, যে কোন স্থানে
य भविवर्जन घण्टेड का वावा ववर भविवर्जनक भविवर्तनव जूसि भवत वर्षानिवर्णनीय करणनाटक शुरू ज পাবে।
তমি অনবরত - চিরন্তন - শক্তিকে भविवर्जन कवण्ड। भविवर्जनमील वरिर्जनरक थाम करव कल। भविवर्जनमोल व्यवस्थान व्यन भविवर्णनमोल वरिजन्त्र वाण करव करना। विमुख्यनाटक विभाज्यना थाम कवरण मा । विमास्थलाटक विभाज्यना माना वाण्यामिक राज मा । विमास्थलारक विमान्यना माना जनव व्याण मांउ। मालिशुर्त, गजीव भूमाल मटणनजाय ক্রान्सिक হও।
তারপর ছানাদের লালনপালন করে, নির্ণয় নাও : भविवर्जनटक भविवर्जन माना थाम कवाद वर् वास्टक वासि लालन कब्रवा वविद्याम भ्रणाम कन (य ) जानान व्यवन्त मनिवर्जनगील मन भविवर्जनगील वरिर्ण र क वाँकरड़ व धरव धाम করছে।
তুমি যাই কর না কেন, তোমার অন্তর্জগৎ অথবা তোমার বহির্জগতের ওপরে वास्त वायटन विमुख्यनाटक वास्त्रा वाथा राव।
सेफार्वजनस्वद्भ, जूसि सावटक भाव, 'वासान वाज़ीन का गाटक वरे मूक्यन कूटल व भार्डो भूर्याजन,' वर रू कुलि भार्य लड़े नाष्ट्रणाटक তোমার বাড়ীর সেই কোনাতে লাগাতে যাচ্ছ। সেই গাছটিকে বসানো ও তাকে উপভোগ করা শুরু করার সময়ে তোমার মনের পুরো অবস্থা र्याण भविवर्णन राय (गट्ड। एक्सि निर्णय निर्ण भाव य वरे भाष्णेटक जना कान कायनाया রাখলে ভাল! এটা এক খুবই সাধা রণ অভিজ্ঞতা।
আরেকটা উদাহরণ : ধর, তুমি বাড়ী পাল্টাতে নির্ণয় নিলে। নতুন বাড়ী পছন্দ করে बनर लड़े बाज़ी कनान भट्न रखाए करि উপলব্ধি কর যে তুমি বাড়ীটিকে একদম চাও ना। वन्र रू कुलि (कान क्राण्ड (व्याभार्टेस्सन्छे) থাকতে চাও অথবা আশ্রমে এসে থাকতে চাও।
मवकिष्णू वनवन्त व भविवर्जन राय यात्रण्ड। से के बाद कर बन जारक भविवर्णनमोल वरिर्जनपटक তাহলে কিছুই তোমাকে স্পর্শ করবে না।
এখন তুমি এটাকে বা ওটাকে ঠিক করতে চেষ্টা করছ। সেটা যেন দুটি নৌকাতে যাত্রা করা। এক নৌকায় একটা পা, অন্য পা আরেক নৌকায়। তুমি এই দুটি নৌকার মধ্যে ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করছ। কিন্তু এই পদ্ধতি कथनउ काज कवर्त ना। बाँभ मा उ वर्ष প্রবাহিত হতে শুরু কর, প্রোতের সাথে সাঁতার কাটা আরম্ভ কর!
যখন তমি বোঝা যে ভিতরে ও বাইরে जन्म शान वनवन्त भविवर्णिक राज्य, जनवर পরিবর্তনকে পরিবর্তন দ্বারা গ্রাস কর এবং এই বোধবে অপরিবর্তনীয়, নির্বিকার চেতনাই হল পরম বাস্তবতা।
এই বোধকে লালন করলে তুমি প্রচণ্ড শক্তি অভিজ্ঞতা করবে। দেখবে যে আন্তরিকতা ও প্রগাঢ়তা তোমার জীবনে, তোমার সত্তাতে যুক্ত হবে। যখন সেই আন্তরিকতা ও প্রগাঢ়তা তোমার মধ্যে যুক্ত করা হয়, তার অর্থ তুমি জীবনমুক্তি সহকারে জীবনযাপন করছ।
जीवनसूक्टिक वाम वाम कवा व वर्थ यथार्थवादव मुद्राटनाल राज्य वाम करना। জীবনমুক্তিতে বাস অভিজ্ঞতাগুলিকে লালন করা, যথার্থ জ্ঞান ও যথার্থ কার্যকে লালন করা।
এক সম্প্রসারিত চেতনা অভিজ্ঞতা কর
সময় : ২১ মিনিট
চোখ বোজ। স্থির হবার জন্য ধৈর্য ধরে কিছুক্ষণ সময় নাও।
তুমি সচেতনভাবে সজাগতা অভ্যাস করতে যাচ্ছ। প্রথমে, যে চেয়ারে বলে আছ সেটাকে নিয়ে শুরু কর কারণ সেটা তোমার সবচেয়ে নিকটের বস্তু। প্রত্যক্ষ কর যে তুমি চেয়ারের ভিতরে সজীব। অনুভব কর যে তুমি তোমার চেয়ারের ভিতরে সজীব যেভাবে তুমি নিজের তুকের ভিতরে সজীবতা অনুভব কর। यज्या मजोव रूसि जामान कूटकन किएटब অনুভব কর, ঠিক ততটা সজীব তুমি সেই চেয়ারের ভিতরেও অনুভব কর। যে জীবন তোমার তুরকের ভিতরে দ্যুতিমান, সেই একই জীবন চেয়ারেও দ্যুতিমান।
তোমার চারপাশে বসা লোকেদের অনুভব কর এবং তাদের প্রত্যেকের ভিতরে निर्जाक मजोव वनून कब्र। जूसि रण वर्णि व वाकिन सद्या मजोव रूप्य वाणू, मण्डे वाण्डि वाणिश्वाया সহকারে তা প্রত্যক্ষ করার জন্য কিছু মুহূর্ত নাও। অনুভব কর যে তুমি সবকিছুতে সজীব হয়ে আছ - দেওয়াল, ফার্নিচার, মানুষ, ফল, ঘর এবং এমনকি মেঝে পর্যন্ত।
৬) ফাঁপা বাঁশ
এটা এক সুন্দর 'শূন্যতা ধ্যান'। নিজের ভিতরে সবকিছু খালি করে ফেল এবং ঐশ্বরিক माकि ग्रुवा कवाद जना भ्रष्ठ रखा प्रेमनिक হয়ে যাও।
সময় : ২১ মিনিট
শান্ত নীরব হয়ে বসো। তোমার দেহ मम्भटक मजान रखा निर्जन करण्डन मार्थ স্বচ্ছন্দতা অনুভব কর।
এখন কল্পনা কর, তোমার দেহ একটা ফাঁপা বাঁশ হয়ে গেছে। তোমার সমস্ত দেহ তোমার তুক, পেশী ও হাড়, সবই সেই বাঁশের অংশ। এই স্থানের ভিতরে কিছুই নেই, আছে কেবল শন্যতা, ফাঁকা ও নীরবতা।
তোমার মনকে অক্রিয় হয়ে যেতে দাও। কোন অভিজ্ঞতার জন্য অপেক্ষা করবে না, কেবল বিদ্যমান থাক।
वकर्माष्ट कुलि द्वारा व ভিতরে শক্তি ভরা হচ্ছে। যখন নিজেকে ফাঁপা कन्न, यूथन पेनविक मण्डि कामान किक्टन म्ववारिक राज শুরু করে। ঈশ্বরের সংগীতের জন্য তুমি একটা বাঁশী হয়ে যাও। যদি তুমি এক মাস্টারের সাথে কার্য कवर, एक याँभा बाँगी राय याउ, याव দ্বারা মাস্টার লীলা করতে পারেন।
প্রথমে তুমি ফাঁপা বাঁশ হবে, তারপর वाँग वामुना रख.... बदर कुलि प्रेशनिक रू उ! 'তুমি' আর থাক না।
। তু দম অিুভব েরয়ব যতামার লদক্ত বস্তুর দিয়ে েবাদত য়ে। তু দম যিখছ এবং যতামার েদতেিয়ে যিখা য়ে।
-
closed the circuit -
।
এখন তোমার কোমবে আস, তারপর পেটে আস। তোমার পেটের পেশিগুলিকে যতটা পার - টানটান - কর। - স্বতক্ষলভাবে - তোমার কুঁচকির পেশীও টানটান হবে।
তারপর তোমার বুক ও পিঠে যাও। जामान भिट्ठेन त्यन्त्रणयन मनकाणि वश्श्विक টানটান কর। তোমার বাহু ও হাতকে টানটান कव, शार्वव वालुल (शटक उन्ह करव वर्षः তোমার বাইসেপস পেশীতে যাও। কাঁধের হাড়, घाड़ उ गलाव (भोगुलिक वॉजिमाँज कब। বিশেষ করে তোমার ঘাড়ের পেশীতে চাপ ধরে রাখ।
তোমার মুখ নাড়াও। তোমার মুখে কত পেশী আছে বলে তুমি সজাগ আছ, বস্তুত তার (शटक विशी (भनी सुर्थ वाट्र) जाट्र। जाराब মুখগহ্বর, নাসিকাছিদ্দ, চোখ, জ, কপাল ও গালের পেশীগুলিকে আঁটসাঁটি কর। চোখের পাতা চেপে বন্ধ কর। তোমার দাঁতগুলিকে আঁটিসাঁট কর। তোমার সমস্ত মুখমণ্ডলকে চেপে একটা বল (ball) বানাও। স্মরণে রাখ, এই সময়ে তোমার বাকী শরীরকে আরাম করতে দেবে না।
এই প্রকার টানটান অবস্থায় যতক্ষণ পার থাক। যখন তুমি তোমার শ্বাসকে আর ধরে রাখতে পার না, তাকে এক বিরাট তোড়ে বার করে দাও, একইসাথে তোমার শরীরকে একদম রিল্যাক্স করতে দাও।
बक सिनिष्ठ धरव बरे मानीविक उ मानमिक स्वस्थित व्यवस्थाय थाक। वरे भ्राकिया मर 3 मन से क्यातक वानास एयर वर्ष তোমাকে কেবল দুই মিনিটে সতেজ করে দেয়। যদি সময় থাকে, এই প্রক্রিয়া তিনবার কর।
৯) আমি আছি
निर्जन माथा किटन या उ वर मण्ड 'তুমি'-র ঝলক পাও!
मान का वा कार कर का कारण कर का कारण कर का कारण कर का कारण कर का किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी को किसी क জায়গায়
প্রতি মুহূর্তে প্রতি কার্যে নিজের সম্বন্ধে मजाग रवाव जना जरे वर्किया। जातारक কেবল নিজেকে স্মরণ করতে হবে, স্মরণ কর 'আমি বিদ্যমান' - যখন তুমি খাও, পান কর, शाँग, कथा वल। मजान रख व्य 'वासि वाणि' बदर जाताव निर्जन वाण्याय वक कित्रखन প্রবাহ অবিষ্কার কর।
তোমার সমস্ত আমোদপ্রমোদ কেবল নিজেকে ভুলে থাকার চেষ্টা। নিজেকে ভোলার किष्ठो कबरव ना। निर्जादक छूटल शाकान करेंग তোমার জীবনে আরও বেশী করে সমস্যা নিয়ে আসবে।
তুমি নিজের সম্বন্ধে যা জান অথবা যা কিছু তোমাকে তোমার সম্বন্ধে শেখানো হয়েছে, जामन (शटक विलास्क कवाव क्वाव क्वा कवा कवा একমাত্র মনে রাখ 'আমি বিদ্যমান'।
নিজেকে স্মরণ রাখা চিন্তা করা নয়, সেটা হল সচেতনতা। যদি তুমি চিন্তা কর। শব্দগুলিকে বারবার বলি, 'আমি আছি'। তোমাকে তোমার দেহ, মন সম্বন্ধে, তোমার প্রতিষ্ঠা ও সামাজিক পদমর্যাদা সম্বন্ধে চিন্তা করতে হবে না, কোন চিন্তার দরকার নেই।
যখন তুমি হাঁটছ, এক মুহূর্ত থাম এবং সজাগ হও যে তুমি বিদ্যমান। যখন কিছু স্পর্শ কর, সেই অনুভূতি অনুভব কর। যখন কেউ তোমাকে স্পর্শ করে, সেই স্পর্শ অনুভব কর এবং যাকে স্পর্শ করা হচ্ছে তাকে অনুভব কর - সেটা তো তুমি। তোমার চেতনা আরও বাড়াও।
এই সচেতনতাকে তোমার সাথে সব জায়গায় বহন করে নিয়ে যাও। সজাগ হও যে তুমি তোমার মুখমণ্ডলে সূর্য ও তোমার চুলে অনুভব কর, তার সম্বন্ধে সজাগ হও। একদম অনুভব কর, আমি বিদ্যমান। এক মুহূর্তের জন্য তুমি তোমার মধ্যে জোরে ফিরে আসবে। গভীর ভাবে অনুভব করবে।
১০) কেবল বসো
মন-নেই অবস্থার ঝলক পাও
সময় : ২১ মিনিট
এই ধ্যানটি জেন থেকে নেওয়া। জেন সবচেয়ে কঠিন ব্যাপার হল কেবল বসে থাকা, কিছুই না করা। এই প্রক্রিয়া না করার জন্য তোমার মন নানা রকম তর্ক, কারণ বা অজুহাত নিয়ে এগিয়ে আসবে।
মন দৃঢ় প্রত্যয় উৎপাদন করার চেষ্টা করতে পারে।
এই ধ্যানের পুরো উদ্দেশ্য হল মনকে ইচ্ছামত সমস্ত রকম খেলা খেলা খেলতে দেওয়া। একদিন মন তোমার সাথে এই খেলা খেলতে উপলব্ধি করবে যে সে তার খেলা খেলে আর তোমাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। মন তখন স্বেচ্ছায় একদমই পড়ে যাবে।
বারে বারে এমন জায়গায় বসতে পার যেখানে বিরক্ত জবে না। যদি বেশী নড়াচড়া হয়, তা তোমাকে বিরক্ত করবে। আরামদায়ক ভঙ্গী বা আসন খুঁজে বার কর যেটাতে তুমি না নড়ে কমপক্ষে আধা ঘণ্টা বসে থাকতে পার।
তোমার মেরুদণ্ড সোজা রাখ। প্রয়োজন হলে অবলম্বন ব্যবহার কর। পারলে সেটা ছাড়াই করার চেষ্টা কর। একটা তালু অন্য তালুর ভিতরে রাখ, বুড়ো আঙ্গুলছুটি এবেক অপরকে স্পর্শ করে ব্যতাকার গঠন কর।
প্রকৃতিকে লক্ষ্য করা এক ভাল পছন্দ। এমনকি ঘরের ভিতর থেকে তুমি জানালা দিয়ে আকাশ দেখতে পার। অথবা তুমি একটা সাদা দেওয়ালের দিকে মুখ ক'রে বসতে পার। অথবা তুমি ঘরের কোণার দিকে মুখ করেও বসতে পার।
কোনকিছুতে তোমার মনোযোগ দিও না। মনোনিবেশ মুছে ফেলে তোমার চোখ আধা খোলা রাখ। তোমার দৃষ্টি হালকাভাবে দূরে রাখ। তা তোমাকে আরাম দেবে। তোমার শ্বাসপ্রশ্নাস স্বচ্ছন্দ ও স্বাভাবিক রাখ।
সজাগ ও সচেতন থাক। তোমার মনোযোগকে কোন নির্দিষ্ট বস্তুতে কেন্দ্রিত হতে না দিয়ে গ্রহণোম্মুখ হয়ে থাক। মুহূর্তে বিদ্যমান থাক, মুহূর্ত থেকে মুহূর্তে।
প্রথম প্রথম কিছুই না করে কেবল বসে থাকতে অসুবিধা হবে। স্তরে স্তরে প্রকৃতপক্ষে তুমি মনের চলে যাওয়া বন্ধ করবে। 'মন-নেই' অবস্থার ঝলক পাবে।
১১) সচেতনতা
তোমার সচেতনতা বাড়াও
সময় : যখনই খাও ও পান কর
সাধারণত আমরা খাবার চিবিয়ে খাই না, আমরা খাবার কেবল গলা দিয়ে গিলে ফেলি। আমরা খাবারের স্বাদ প্রায় নিই না।
এখন যখনই তুমি খাবে, সচেতনতার সাথে খাও। মনঃসংযোগে খাওয়ার ঘ্রাণ নাও। স্বাদ হয়ে যাও। যখন সত্যি তুমি খাবারের মিষ্টত্ব অনুভব কর, তুমি তাকে কেবল মুখের মধ্যে অনুভব করবে তা নয়, তা তুমি সমস্ত শরীরে অনুভব করবে।
জল পান করার সময়, জলের শীতলতা তোমার গলা দিয়ে জল পাকস্থলীতে নামার সময় অনুভব কর। চোখ বন্ধ কর এবং তা ধীরে ধীরে পান কর, প্রতিটি চুমুক উপভোগ কর। কেবল মুখে নয়, তা সমস্ত শরীরে অনুভব কর।
১৩) 'হ্যা' বল
উচ্চতর বুদ্ধিমত্তার কাছে নমনীয় হও, গলে যাও, সমর্পণ কর
সময় : যেকোন সময়ে, যেকোন স্থানে
যদি 'না' বলতে পার, তবে তোমার ব্যক্তিত্ব ও আমিতত্ত্বের এক দারুণ অনুভূতি হয়। 'না' বললে নিজেকে কিছু একটা মনে হয়। 'হ্যা' বলতে তোমার আমিত্ব হীনবোধ করে, মনে হয় যেন কারো অধীনে চলে যাচ্ছ।
এখন এটাকে ঠিক উল্টো করতে শুরু করার চেষ্টা কর। নির্ণয় নাও যে পরের চব্বিশ ঘন্টায় তুমি যতবার পার 'হ্যা' বলবে। দেখবে, কিভাবে 'না' নামক স্থাপত্যটা ভেঙ্গে যাচ্ছে। যে কোন পরিস্থিতিতে তোমার মন 'না' বলতে চায়, তাকে ফেলে দাও। সচেতনভাবে বল 'হ্যাঁ'।
তুমি নিজেকে নমনীয় ও দ্রবীভূত অনুভব করবে এবং তুমি নিজের মধ্যে এক নতুন রাজ্যত্ব আবিষ্কার করবে। দেখবে যে তুমি অনেক নমনীয় ও উন্মুক্ত হয়েছ।
১৪) তোমার দেহ ও মনকে লক্ষ্য করে ও আরাম কর
যে কোন চাপ থেকে রিল্যাক্স কর। যা কিছু কর তাতে প্রেম অনুভব কর।
সময় : যেকোন সময়ে, যেকোন স্থানে
প্রতিটি মিনিটে তোমার দৈনন্দিন কার্য সম্পর্কে সজাগ হও। যা কিছু কর না কেন তা সচেতনভাবে আরাম করে কর। দেহের কোন অংশে কাজ করবে বা বিশ্রাম করবে সচেতনভাবে আরাম করে।
জীবনে উপহার নিয়ে আসার জন্য প্রতিটি মুহূর্তনে স্বীকার ও স্বাগত কর।
তুমি যা কিছু করছ, তা প্রেম ও আনন্দ সহকারে কর। যা কিছু কর বা অনুভব কর তাতে পূর্ণ ও শ্রদ্ধাশীল হও। তোমার 'বিদ্যমান থাকা' ও 'করা'-র গুণমান একেবারে পরিবর্তিত হয়ে যাবে।
১৫) তুমি আছ নাকি?
বর্তমানে লাফ দাও!
সময় : ঘুমানোর সময় অথবা যেকোন সময়ে যেকোন স্থানে
নিজেকে প্রশ্ন কর, 'তুমি আছ নাকি?'
যখনই তুমি নিজেকে জিজ্ঞাসা কর, চিন্তা বন্ধ হবে। এখন তোমার প্রশ্নের উত্তর দাও, 'হ্যাঁ।' তাতে তোমার সচেতনতাকে সরাসরি বর্তমানে নিয়ে আসবে!
এটা তুমি বিশেষ করে ঘুমানোর আগে চেষ্টা করতে পার। নতুবা, যেকোন সময়ে এবং যেকোন বার করা ঠিক আছে।
১৬) শব্দাবলীকে অতিক্রম করে
শব্দাবলী যা বর্ণনা করতে পারে, তাকে অতিক্রম কর। তখন জীবন চিরন্তন আনন্দের হয়ে যায়।
সময় : যেকোন সময়ে, যেকোন স্থানে
কোন - শব্দাবলী - না - নিয়ে - এসে জিনিষগুলোর দিকে তাকাও।
যখন তাকাচ্ছ, একদম তাকাও। 'কি সুন্দর গোলাপ!' - এই প্রকার কোন শব্দাবলী প্রয়োগ সশব্দে বা নিঃশব্দে করবে না। কেবল একটি, পূর্নতর্কথন শোনো। তাহলে তুমি গোলাপের সাথে সম্পর্কিত হতে পারবে। কেবল তখন গোলাপ তার বাস্তবতা তোমার কাছে প্রকাশ করে।
রাতের আকাশে চাঁদকে দেখ। চাঁদকে পান কর। কেবল লক্ষ্য কর, ভেবো না সেটা গ্রহ, নক্ষত্র বা সেরকম অন্য কিছু।
মাঝেমধ্যে তুমি নিজেকে আয়নাতে দেখ। শুধু লক্ষ্য কর, শুধু প্রত্যক্ষ করা দেখবে অস্তিত্ব ও তার সৃষ্টি কত সুন্দর এবং কিভাবে তোমার নামিয়ে আনে।
১৭) সমালোচনা
ঠিক করে সমালোচনা কর!
সময় : যেকোন সময়ে, যেকোন স্থানে
যখন তুমি সমালোচনা অনুভব কর, এটা চেষ্টা কর।
সমালোচনা করার আগে ব্যক্তির যে বিষয়ে তুমি খুঁত ধরছ তার একটা সকারাত্মক বিকল্প আবিষ্কার কর। যদি তুমি কোন সকারাত্মক বিকল্প বার না করতে পার, তবে অপেক্ষা কর। কাউকে অগঠনমূলক প্রতিক্রিয়া জানানো কোন কাজের হয় না। সকারাত্মক বিকল্প খুঁজে বার কর এবং তারপর ব্যক্তিটিকে সমাধানও প্রদান কর। সমালোচনা উপযোগী ও গঠনমূলক হবে।
১৮) বাইরের ও ভিতরের উদ্দেশ্যহীন বিচরণ
উদ্দেশ্যহীন বিচরণ প্রত্যক্ষ কর এবং আসল 'তুমি'-তে রিল্যাক্স কর
সময় : ২১ মিনিট
চোখ বন্ধু কর। একদম আরাম করে বসো।
মনকে নিয়ন্ত্রণ করার কোন প্রয়োজন নেই।
যদি তোমার মন বাইরের কোন কিছুতে যায়, 'তুমি' ছাড়া অন্য কোন কিছুতে বাস করে, তাকে বলে, বাইরের উদ্দেশ্যহীন বিচরণ। কেবল মনে রাখবে তুমি এখানে এবং তোমার মন বিচরণ করছে। যেই মুহূর্তে তুমি 'তুমি'-কে স্মরণ কর, তুমি তোমার নাম বা তোমার সম্পর্কিত কোন ধারণা স্মরণ কর, সেটাও ভিতরের বিচরণ।
বাইরের ও ভিতরের বিচরণকে লক্ষ্য কর। তোমার সম্পর্কে তোমার ভিতরে যে কোন ধারণা এলে সেটাও বিচরণ, ভিতরের বিচরণ। এই বিচরণগুলিকে লক্ষ্য কর, তাদের থেকে রিল্যাক্স কর। যদি সেই চিন্তা দ্বারা অস্থির হও, ফিরে আস। আবার বাইরের ও ভিতরের বিচরণ স্মরণে রাখ। আরাম কর এবং বাইরের বিচরণ ও ভিতরের বিচরণ সম্পর্কে সজাগ হও।
যা তুমি নও, কিন্তু যাকে তুমি 'তুমি' ব'লে মনে করছ, তার ওপরে অনবরত মনোযোগ দাও, তাহলে তুমি 'তুমি'-র ঝলক পাবে, যা হল নিখিল জগৎ বা সমগ্ৰ মহাবিশ্ব।
১৯) সবকিছুকে বাইরে রাখ
সমস্ত জানাকে সরিয়ে ফেল এবং পরম স্বাধীনতা অভিজ্ঞতা কর
সময় : ১০ মিনিট
যা জানো সবকিছুকে সরিয়ে ফেল - যা কিছু তুমি শুনেছ, দেখেছ বা পড়েছ। সবকিছুকে বাইরে রাখ, তোমার অন্তর্জগতে কি হয়। যদি কোন চিন্তার উৎপত্তি হয়, দেখবে এটা অন্য কোন জানা-জিনিষ বা স্মৃতির উপজাত। যদি কোন জানা জিনিষকে সরিয়ে না ফেল, তাহলে তোমার স্মৃতি বা তোমার চিন্তাসমূহের উপজাত (বাইপ্রোডাক্ট)।
যা কিছু শিখেছ, ধারণা গুলিকে অন্তর থেকে, সবকিছু বাইরে বার কর। জানাকে নিষ্ক্রিয় করুন। আকাশকে খালি হতে দাও। যদি তুমি এই পদ্ধতি অভ্যাস করার পারদর্শীতা পেয়ে যাবে।
কয়েক মিনিটের জন্য সবকিছুকে বাইরে কর, দেখবে তোমার ভিতরে বিরাট শান্তি ও নীরবতা ঘটেছে।
এক স্পষ্ট সঙ্কল্প রাখ যে তোমার মাথায় প্রবেশ করানো সমস্ত শিক্ষা, ধারণা ও শব্দাবলীকে তুমি তোমার অন্তরাকাশের বাইরে বার করবে, বসনতঃ বর্তমানে সেই মনকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাবার মত উপাদান যোগাবে না! কোন শব্দ (word), কোন শিক্ষা, কোন ধারণা, কোন মিথ্যা, কোন সত্য, কোন পবিত্রতা বা অপবিত্রতার অনুভূতি দেবে না। তাহলে পরম স্বতন্ত্রতায় থাক, তুমি চাপ মুক্ত হও এবং তোমার মাথায় ঢোকানো ধারণাগুলি থেকেও মুক্ত হও। পুনরায় নিজেকে আবিষ্কার কর, সেটাই তো তোমার প্রকৃত প্রকৃতি যা তুমি হারিয়ে ফেলেছিলে।
২০) শত্রুদের সামলানো
মানসিকভাবে ক্ষমাশীল থাক
সময় : চব্বিশ ঘণ্টা
মনে তোমার শত্রুদের ছবি নিয়ে আস। যেই মুহূর্তে তুমি তাদের ছবি নিয়ে আস, তুমি ঘৃণা অনুভব করবে এবং বহু কথা আসবে - যে কথা তুমি তাদের বলতে চেয়েছিলে কিন্তু বলার সুযোগ পাও নি। মাঝেমাঝে এমনও হয় যে তোমার অনেক কথা বলার আছে এবং সুযোগ পেয়ে তুমি অর্ধেক কথা বলতে পেরেছ, কিন্তু বাকী অর্ধেক মাথা গরম হবার জন্য ভুলেই গেছ।
তাই এখন তোমার শত্রুদের ছবি নিয়ে আস এবং যখন সেই কথা ও অনুভূতি তোমার ভিতরে ফুলে ফেঁপে উঠেছে, গভীর ভাবে শ্বাস নিয়ে স্থির হও ও রিল্যাক্স কর।
তোমার অন্তর্দেশে ছবিটিকে ধরে রাখ, মন যা বলে চীৎকার করতে চায় তা করতে দিও না। কয়েক মিনিটের জন্য ধরে রাখো, দেখবে চীৎকার করে কথার সংখ্যা কমে গেছে তা নয়, তুমি তোমার সমস্যার ভিতরে আরও পরিষ্কারভাবে তাকাতে শুরু করেছ।
নীরবতার সাথে তোমার ঘৃণার পাত্রের ছবিটি অন্তর্দেশে ধরে রাখলে শত্রুতা, হিংসা ও প্রতিশোধপরায়ণতা কমে যাবে।
অকস্মাৎ তুমি দেখবে তোমার ভিতরে আর কোন হিংসতা নেই। এমনকি যখন তুমি সেই ব্যক্তিটিকে সরাসরি দেখ, সেই ভয়ের বা super consciousness individual consciousness।
২২) রেলিয়ালিটি নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা কর
'মন নেই'-এর পরমানন্দ অভিজ্ঞতা কর
সময় : ১০ মিনিট
যারে সুরুনো কুনি কিছু रेलिআলিতिक कर, যেই মুহূর্তে তুমি সেটা সম্পর্কে চিন্তা করতে সমর্থ হও, তা অতীত হয়ে গেছে।
উদাহরণস্বরূপ, তোমাকে যখন তোমার চিন্তার ঊর্ধ্বে কিছু চিন্তা করতে বলা হয়েছিল, তুমি হয়ত সম্পূর্ণ সৌরজগৎ সম্বন্ধে চিন্তা করেছ। যেই মুহূর্তে তুমি সৌরজগৎ সম্পর্কে চিন্তা করেছ, তুমি সেটাকে আরও একটা চিন্তা বানিয়ে ফেলেছ! তাই এখন সেটা ছেড়ে দাও। তারপর তারও উদ্ধের কিছু চিন্তা কর। তুমি হয়ত সৌরজগৎ ছাড়িয়ে কোন নক্ষত্রমণ্ডলী বা গ্যালাক্সি চিন্তা করবে। যখন তুমি নক্ষত্রমণ্ডলী চিন্তা করতে সমর্থ হও, সেই চিন্তাটিও তোমার মনকে বেঁধে রাখবে।
বোঝা, যেই মুহূর্তে তুমি কিছু করায়ত করতে পারছ এবং সেটা সম্মন্ধে চিন্তা করছ. তুমি ইতিমধ্যে তাকে বানিয়ে ফেলেছ অতীতে, তোমার মূল্যহীন করেছ। তাই রিলাক্স কর। যা চিন্তা করতে পার তাকে ছাপিয়ে চিন্তা করতে থাক। এমনকি যদি তুমি যা চিন্তা করতে পার না -সেটা চিন্তা করছ, সেই চিন্তাটিকেও ছেড়ে দাও। মন সর্বদা সবকিছুকে ধরে রাখার চেষ্টা করবে এবং তাদের জমিয়ে রাখবে, যাতে সেগুলিকে মন ষাঁড়ের মত আস্তে আস্তে ভক্ষণ ও রোমন্থন করতে পারে! তাই তুমি যা ইতিমধ্যে করায়ত করেছ সেটাকে আবার মনেতে ফিরিয়ে আনবে না। তাদের অনবরত ছেড়ে দাও।
যা কিছুকে তুমি তোমার জীবনের চরম বলে মনে কর, তা ছেড়ে দাও এবং তোমার চিন্তাশক্তিকে আরও বড় থেকে বড় জিনিষকে বিস্তারিত কর। যখন বারবার জানা জিনিস বা জ্ঞান কান কিছুইকে করায়ত করবে। কিন্তু মনকে সেই ধারণা ধরে রাখতে দেবে না, সেটাকেও ছেড়ে দাও। তোমার মন অনবরত বলবে, 'যদি আমি প্রতিটি মুহূর্তকে ছেড়ে দিই, তাহলে আমার কি হবে? কোথায় সেটা শেষ হবে?'
বারে বারে মানসিক বিদ্বেষ রাখবে না। বারে বার ছেড়ে দাও, জানা এবং মন কোন ধারণা বা কোন কিছু আঁকড়ে ধরার কেবল চেষ্টা করছে। অভ্যাসটি শুরু করার আগেই তোমার মন তোমাকে প্রমাণ করতে বলছে। সেই অনুমতি দেবে না। মন্যাটারিকে তুমি প্রনোদিত রাখো, তুমি অনবরত প্রতিটি সীমারেখা, প্রতিটি চিন্তা মুছে ফেলবে এবং সবকিছু ছাড়িয়ে যাও।
প্রকৃত মাস্টার বা প্রকৃত মহাবিশ্ব বা ঈশ্বরকে কেন্দ্রীভূত করা যায় না। যদি তুমি ঈশ্বরের সারমর্ম করায়ত করতে পার তুমি ঈশ্বরের সারমর্ম করায়ত করেছ, কিন্তু তা কখনও হতে পারে না, কারণ তোমার মন কখনও প্রকৃত ঈশ্বরকে করায়ত করতে পারে না! যদি তোমার মন ঈশ্বরকে করায়ত্ত করতে পারে, তার অর্থ তোমার मनिक ईश्वर। তাই তুমি যা করায়ত্ত করবে তা কেবল তোমার ধারণা। সেই ধারণাকে ছেড়ে দাও। বারবার চিন্তা কর। জানা কর্মকে বর্জন করে কিছুকে ধরার চেষ্টা কর।
অবিশ্রাম পরম সত্যকে ধরার চেষ্টা কর। বোঝা, যখন তুমি কোন নির্দিষ্ট ধারণা তোমার মন থেকে ফেলে দাও, তখন সেই ধারণার সাথে সাথে তোমার মনের হাড়ের গঠনের থেকেও একটা হাড় ফেলে দেওয়া হয়। প্রতিবার মন থেকে কিছু চিন্তাকে ফেলে দেওয়া হলে, মনের ভিত্তি-গঠন থেকে এক একটা করে হাড়কে ফেলে দেওয়া হয়। তাই এইভাবে ফেলে দিতে থাকলে, সবশেষে অস্থি-গঠনের আর কোন হাড় বাকী থাকবে না। হঠাৎ তুমি দেখবে তোমার পুরো মনকে ফেলে দেওয়া হয়েছে! তুমি 'মন নেই'-এর পরমানন্দ অভিজ্ঞতা কর।
২৩) তোমার ইন্দ্রিয়গুলিকে প্রত্যাহার কর
তোমার অন্তর্দেশকে অভিজ্ঞতা কর
সময় : দিনে ৫ মিনিট বা ১ থেকে ২ মিনিট, দিনে পাঁচবার
এটি একটি মজার খেলা। উদাহরণস্বরূপ তুমি হয়ত এই ধ্যান একবারে পাঁচ মিনিটের বেশী করতে পারবে না। তুমি সময় কমিয়ে এক থেকে দুই মিনিট করতে পার, কিন্তু এটা প্রতিদিন পাঁচবার করার চেষ্টা কর। সকালে জলখাবারের আগে, একবার দুপুরের ভোজনের আগে, একবার রাতের ভোজনের আগে এবং দুটি ভোজনের মাঝে দুইবার।
ঢিলা কাপড় পর; যেন পোশাক তোমার দেহ স্পর্শ করছে না।
তোমার চোখ ও মুখ চেপে বন্ধ কর। এখন তোমার কান হাত দিয়ে বন্ধ কর। সমস্ত ইন্দ্রিয়গুলিকে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ কর, যা কান, ত্বক, চোখ, কান, মুখ ও স্পর্শানুভূতি। স্বভাবতই তোমার ভিতরের চিন্তাগুলি বার হতে থাকবে, যেমন, গতকাল কি রান্না হয়েছিল, গতবার কি রান্না হয়েছিল, কাল সকালে কি হবে। এই মন চিন্তাগুলি তোমার মনে চলে চলে দৌড়াতে থাকবে। সেগুলিকে নিয়ে বিব্রত হবে না। তাদের তিন ক্ষণের বেশী জীবন থাকবে না। তাদের তিন ক্ষণ জীবন থাকবে না।
যদি না নতুন তথ্য তোমার ইন্দ্রিয়গুলির মধ্য দিয়ে গিয়ে প্রক্রিয়া ঘটে, প্রক্রিয়ার সিস্টেম তিন ক্ষণের বেশী স্থায়ী হবে না। তুমি ভাবতে পার, 'না, না, আমি বসে চিরকাল চিন্তা করতে পারি।' না! লড়াই কর্ম কারণ তুমি নিশ্চিতভাবে ইন্দ্রিয়গুলির মধ্যে মিথ্যে জানা মিশিয়েছ। আমার মনে হয় যেন তোমার জিহ্বাকে। তিন ক্ষণের মধ্যে তিন বা চারটি চিন্তা আসতে পারে। পঞ্চম চিন্তা ঘটতে পারবে না।
এটি একটি ক্রিয়ার সময় বাজানো নামক মানসিক রুটিন। কয়েক মুহূর্তের জন্য দেখবে, যেখানে কোন চিন্তা নেই।
যদিও তিনি পেছিলেন। তিনি প্রায় দুই কি তিন মিনিটের মধ্যে বর্ণনা করতে পারবে, যা তোমাকে এত শক্তিপ্রদান করবে, যেন তুমি আট-দশ ঘন্টা ঘুমিয়েছ!
এটা খুবই শক্তিশালী প্রক্রিয়া। এটাকে প্রতিদিন দিনে পাঁচ বার করে অভ্যাস কর। কমপক্ষে পাঁচ ছয় মিনিটের মধ্যে তুমি ঝলক পেয়ে যাবে।
প্রকৃতপক্ষে সংযোগ স্থাপন করা একটি কঠিন নয়। যাই হোক, সেটা তো তোমারই অন্তরাকাশ। কেবল আমরা কোন প্রক্রিয়া পাই নি, অথবা আমাদের ধৈর্য বা চেষ্টা করার অনুপ্রেরণা ছিল না, ব্যাস। সেইজন্য যেই মহুর্তে তুমি সত্য সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জন কর, ঘটৎসক কার্য করা যায়। বাকি সব মুখস্ত রাখা ও তালিকা করা।
শব্দ (আওয়াজ)
একটি সূক্ষ্ম শব্দটি পরিব্যাপ্ত করে - একটা অনাহত শব্দ। অনেক ঋষিরা শব্দটি শুনেছেন এবং অনুভব করেছেন। যখন তুমি সেই শব্দ শুনতে পাও, তুমি অস্তিত্বের সংগীত শুনেছ!
১) শব্দের উৎসকে অনুসরণ কর
সবকিছুর উৎসতে একীভূত হয়ে যাও
মোট সময় : ২০ মিনিট
চোখ বন্ধু কর। যতটা পার ধীরে ধীরে শ্বাস ভিতরে ও বাইরে নিতে থাক।
প্রথম ধাপ : সময় : ৫ মিনিট
এখন শব্দের কম্পন 'ওওওওমমমম' প্রগাঢ়ভাবে সৃষ্টি কর, কিন্তু সজোরে নয়। সেটা তোমার নাভিকেন্দ্র থেকে সৃষ্টি কর।
দ্বিতীয় ধাপ : সময় : ৫ মিনিট
এখন আগের মতই শব্দ সৃষ্টি করতে থাক, কিন্তু জ্ঞান সেইরকম (শোনা যাচ্ছে)। স্পন্দন সৃষ্টি করা চালু রাখ কিন্তু উৎসকে সন্ধান কর, যেখান (থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে) হচ্ছে, যেখান থেকে শব্দ আসছে। উৎসে চলে যাও, উৎসকে অন্বেষণ কর।
তৃতীয় ধাপ : সময় : ৫ মিনিট
শব্দে প্রবেশ কর। এই উৎসে প্রবেশ কর যেখান থেকে এই শব্দ আসছে, যেখান (থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে শোনা যাচ্ছে)। জ্ঞান অভাব বোধ কম কর। থামবে না, কিন্তু শব্দের উৎসে প্রবেশ করার সময় শব্দ কমাতে থাক। শব্দ হয়ে যাও।
চতুর্থ ধাপ : সময় : ৫ মিনিট
এখন চোখ বুজে আরাম কর। কোন শব্দ সৃষ্টি করবে না, কিন্তু সেই উৎসে চলে যাও যেখান থেকে শব্দ আসছে। সেই উৎসে স্থিত হও। সেখানেই সবকিছু বিদ্যমান থাকে।
অনাহত ধ্বনি শ্রবণ কর ও রূপান্তরিত হও
এই প্রক্রিয়ার জন্য কোমলাঙ্গের সংগীত বাজাতে হবে।
তোমার চোখ বন্ধ কর ও খুব স্বস্তিতে বসো।
(সংগীত চালিয়ে দাও)
তোমার মস্তিষ্কের ভিতরে সেই স্থানের অভিজ্ঞতা কর। বোঝ, আওয়াজ হয়ত তোমার মস্তিষ্কের ভিতরে অভিজ্ঞতা কর। শ্রবণ কেবল তোমার মস্তিষ্কের ভিতরে ঘটে। সেই স্থানটিকে মনে রাখ যেখানে তুমি শব্দকে অভিজ্ঞতা কর। শ্রবণের সেই স্থানটিকে অনুভব কর যেখানে তুমি বাজানো সেই সংগীতকে শুনছ।
সেটা ভাল কি খারাপ তা নিয়ে চিন্তা করবে না। সংগীতের সাথে তুলনা করা শুরু করবে না। এখন পর্যন্ত তোমার শোনা বিভিন্ন সংগীতকার সম্বন্ধে চিন্তা করবে না।
দেখা, স্পর্শ করা, স্বাদ নেওয়া, গন্ধ নেওয়া অথবা মস্তিষ্কের ভিতরে যেখানে তুমি শব্দকে অভিজ্ঞতা করছ সেই স্থানকে অনুভব কর।
সংগীত শ্রবণ কর, বাইরে থেকে নয়, তোমার মস্তিষ্কের ভিতর থেকে। সেই আকাশে চিন্তাকে অনুমতি দেবে না।
সংগীত থেকে চলে চলে যেয়ো না। সংগীতের ভিতরে যাও। সুরগুলির মধ্যে একটা কেন্দ্রধ্বনি আছে, একটা তাল আছে, সেটাই সংগীতের মেরুদণ্ড, সেটাকে অনুভব করার চেষ্টা কর, তুমি সেই সংগীতের ভিত্তিগত তালে আরাম করবে।
যৌগিক ধ্বনিকে শ্রবণ কর। তার ভিতরে চলে যাও।
তোমার মস্তিষ্কের ভিতরে সেই ধ্বনির স্পন্দন অনুভব কর। আবার, কোন চিন্তা করার অনুমতি নেই। বর্তমান মুহূর্ত থেকে সরে যাবে না। বর্তমান মুহূর্তে থাক, সেই সংগীতে থাক।
প্রক্রিয়াটি নিয়ে খেল। কোন সংগীত বাজাও এবং সেই সংগীতে প্রবেশ কর, চিন্তা করতে শুরু করবে না। সংগীতের জ্ঞান ও সম্মোহিত জ্ঞানের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারবে। সময় পেলেই এই প্রক্রিয়া নিয়ে খেল এবং তা কমপক্ষে একমাস ধরে কর। সেটা তোমার মধ্যে এক শক্তিশালী রূপান্তর নিয়ে আসবে।
যেতে দিও না। সেই ধরণীতে কেন্দ্রিত হও, সেই ধরণীর কেন্দ্রে চলে যাও।
দ্বিতীয় ধাপ : সময় : ১০ মিনিট
আরাম কর ও চোখ খোল।
এই ধ্যান কেবল দশ দিন চেষ্টা কর। দেখবে তুমি কোন চিন্তা ছাড়াই বসতে পারছ। সেই ধরণী দ্বারা, তোমার সঙ্গী সেই স্পন্দন দ্বারা স্পন্দনের বাইরে যাবে না।
৪) অনাহত ধরনি
জ্ঞান অনুভব কর। শক্তিতে পূর্ণ হও।
সময় : ২১ মিনিট
চোখ বন্ধ আঙ্গুল দিয়ে কান বন্ধ কর। তাদের পুরোপুরি
৩)
চিন্তাবিহীন অঞ্চলে প্রবেশ কর
সময় : ২১ মিনিট
চোখ বন্ধু কর এবং একদম আরাম করে বসো।
প্রথম ধাপ : সময় : ১১ মিনিট
নাভিকেন্দ্রে স্থিত হও। নাভিকেন্দ্রে সজাগতা নিয়ে আসার জন্য কয়েক মুহূর্ত নাও। শরীরের অন্য সমস্ত অংশ ভুলে যাও, কেবল নাভিকেন্দ্র মনে রেখো।
এখন তোমার নাভি থেকে ওঙ্কার বা উদ্গম উচ্চারণ কর। তোমার নাভিকেন্দ্র থেকে শব্দ শুরু কর, যত গভীরভাবে পার কর। মনকে অন্য কোথাও বন্ধ কর যাতে তোমার ভিতরে সেই অনাহত ধ্বনি বা সৃষ্টি না করা ধরণীকে শুনতে পার। যারা ধ্যান করে তারা শ্রবণ করতে পারে।
তোমার সম্পূর্ণ অন্তর্দেশকে অশ্রুত বা অনাকর্ণিত শব্দ দ্বারা ভরে যেতে দাও। একবার তুমি যদি অনুভব কর, তোমার পুরো শরীর সেই অনাকর্ণিত শব্দে ভরে গেছে, তোমার পায়ুপথ সংকুচিত কর এবং সবরকম নড়াচড়া বন্ধ কর। এইভাবে যতক্ষণ পার থাক।
যখন তোমার হাত সরিয়ে নাও এবং কয়েক মুহূর্তের জন্য সম্পূর্ণ বিশ্রাম না করা পর্যন্ত, ছেড়ে দিও না। যতক্ষণ পার খুব চেষ্টা করে ধরে রাখা।
যদি তোমার দেহ রিল্যাক্স করে, কয়েক মিনিট বিরাম নাও এবং চোখ ও কান বন্ধ করে শোন, পায়ুপথ সংকুচিত কর এবং যখন দরকার রিল্যাক্স কর।
এই প্রক্রিয়াটি পাঁচবারের বেশী করতে হবে না। প্রত্যেকবার করার পরে, কমপক্ষে বিরতির সময়েও তোমার চোখকে বন্ধ থাকতে দাও। ধ্যান দ্বারা স্বয়ংক্রিয় হওয়া, কিছুক্ষণ কাঁধ বুজে বসে থাক এবং সমস্ত শরীর দিয়ে শক্তি প্রবাহ ঘটা অভিজ্ঞতা কর। তাতে রিল্যাক্স কর।
জীবনমুক্তিতে প্রবেশ কর
সময় : ১০ মিনিট
তোমার চোখ বন্ধ কর ও কেবল বসো। প্রথমে একটি শব্দ বা শব্দাবলী পছন্দ কর যা THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর দেওয়া কোন আধ্যাত্মিক নাম থাকে, সেটাই সবচেয়ে ভাল অথবা সেই দেবতা বা মহাজাগতিক শক্তির সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত অনুভব করা।
যদি জানা কোন নাম থাকে, সেই প্রক্রিয়া খুবই শক্তিশালী হতে পারে। বোঝা, সংস্কৃত কেবল যোগাযোগের জন্য এক ভাষা নয়, জ্ঞানের ধ্বনিবিজ্ঞানেরও এক স্পন্দন সংক্রান্ত মূল্যও আছে। তার অর্থ এই যে পবিত্র ধ্বনি বিজ্ঞান ঘটে। জানা নাম তোমার এক অনন্য মন্ত্র বা স্তব। জীবনমুক্ত মাস্টারদের দ্বারা প্রকাশিত মন্ত্র উচ্চারণ করা বা কেবল মন্ত্রোচ্চারণ শ্রবণ করার কার্য, মন্ত্রটি যা পাওয়া যায়, THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর নাম যা পাওয়া যায়, তার প্রভাব তোমার মধ্যে সৃষ্টি করবে।
পছন্দ করা নামের ভিতরে প্রবেশ করে। বোঝা : তাকে জোরে জোরে পুনরাবৃত্তি করবে না, তাকে কেবল ভিতরে পুনরাবৃত্তি কর। স্তব যেন ভিতরে প্রবেশ করবে। তোমার জিহ্বা যেন না নড়ে।
নামের শব্দকে একটা স্পন্দনের মত সৃষ্টি কর এবং ভিতরে সেই শব্দকে পুনরাবৃত্তি করতে থাক। ঠিক মন যেখানে জ্ঞান বা বুদ্ধি যা আছে। তোমার সম্পূর্ণ অন্তরাকাশকে সেই শব্দ দ্বারা ভরে যেতে দাও।
সেই শব্দকে প্রগাঢ়ভাবে পুনরাবৃত্তি কর এবং এক উচ্চ কম্পাঙ্কে। তোমার মনে যেন কোন চিন্তার উদয় না হয়।
দেখবে, হঠাৎ তুমি এক শব্দহীন স্থানে আছ। তুমি শব্দহীনতায় আছ।
এই প্রক্রিয়া নিয়ে কেবল এক মাস খেলা কর, রোজ সকালে এটা নিয়ে দশ মিনিট খেলা কর এবং আবার সন্ধ্যায় দশ মিনিট কর। বসনকালে যখন তুমি সৃষ্টি কালাসক, বাইরে থেকে (খালা চোখে করতে পার। তোমার গাড়ী চালানোর সময়, হাঁটা, বসা ও নিজের সাথে কয়েক মিনিট নিয়ে থাকার সময় এটাকে চেষ্টা কর।
তুমি তোমার জন্য এই বিশেষ মন্ত্রের, জ্ঞান অকস্মাৎ তুমি দেখবে তোমার চেতনার নতুন নতুন মাত্রা খুলে যাচ্ছে যার মধ্যে প্রবেশ করবে যাকে আমরা বলি জীবনমুক্তি।
সময় : ২১ মিনিট
আমরা সর্বদাই শব্দাবলীর এক ঝড়ের মধ্যে বাস করি। বিভিন্ন বিশ্বাসের বাসরগণ, বিভিন্ন বাসনার মধ্যে উদ্ভব বাসনা ভরিত। কিন্তু ঘরে মন-বাঞ্চ্ছান কেন্দ্র এক নীরবতা আছে, যা আমরা শুনি নি। এই ধ্যান মন-বাঞ্চ্ছান কেন্দ্র অনুভব আমাদের সচেতনতা দেবে।
কোথাও বসে পড়, যেকোন জায়গাতে। এক কোলাহলপূর্ণ যায়গাতে, জ্ঞান লাগায়া জানোয়ারি কা বিকাশ কারনার বিভিন্নতা ঘটানো নাও। লাল প্রাকতিক আওয়াজ হতে পারে, যেমন নদীর কলকলানি সমুদ্রসৈকতে ঢেউগুলির আছড়ে পড়া বা রেল স্টেশন বা বাজার।
জীবনে শব্দ তৈরি হয়। সব দিকে (থেকে তোমার দিকে আসা আওয়াজগুলিকে শব্দ তরঙ্গ হিসাবে অনুভব কর। তোমার দিকে ধেয়ে আসা সমস্ত শব্দগুলির সাথে অনুভব কর যে খুশি বেড়ে মন্দ-বাঞ্চ্ছান কেন্দ্র ঘানো। খুশি কেন্দ্র ঘানো বার বার মন্দগুলি জামান বিভিন্নতা ঘটানো। যদি কেন্দ্র অনুভব না থাকে, তুমি বাইরের শব্দগুলিকে শুনতে সমর্থ হবে না। মন্দগুলি করছে, তোমাকে ভেদ করছে, কিন্তু সেগুলি কেন্দ্রে থেমে যাচ্ছে।
জামান বিভিন্নটনের এক বিক্ষু বিক্ষু ঘটে যায় যেখানে এটা মারাঠি গয়া (থেকে যায়)। লাল বিক্ষু থেকে মন্দতে ধ্যান রাখা। লাগে কেন্দ্রটির অবস্থান নির্ণয় কর।
জ্ঞান ব্যবস্থান নির্ণয় করতে রুটিয়ে তোমার সচেতনতা বহির্জগতের শব্দ থেকে অন্তর্জগতে ঘুরে যাবে। তুমি সেই কেন্দ্রে থাকবে যেখানে নীরবতা বিদ্যমান বিদ্যালয়ের নয়, যা বিন্দুরণ মন ভবন করতে ভারত না। লাল বিন্দুরণী রুল তোমার কেন্দ্র।
তুমি একবার সেই নীরবতা শুনলে, তুমি অন্য কোন শব্দ দ্বারা বিরক্তবোধ করবে না, তোমাকে শব্দ কখনও স্পর্শ করবে না।
আমরা সর্বদা মনে করি আমরা কান দিয়ে শুনি। বাইরে প্রক্রিয়া মানা একুলি আবিষ্কার কর যে শব্দ কানে বা এমনকি মস্তিষ্কে শোনা হয় না। মন্দতে সর্বমারে নাজি কেন্দ্রে শোনা হয়, সেটাই শব্দের কেন্দ্র।
বাইরে প্রক্রিয়া খুশি মনে মিথ্যা কলি করতে পারবে না কারণ গানের কথা তোমার কাছে কিছু অর্থ নিয়ে আসবে এবং তুমি সেই অর্থতে মনোনিবেশ করবে। তাই এটার জন্য কেবল কোন কোলাহল চাই।
শব্দের মধ্য দিয়ে পরমানন্দ অনুভব কর
মোট সময় : ২১ মিনিট
তোমার চোখ বন্ধ বন্ধ কর। আরাম করে বসো।
প্রথম ধাপ : সময় : ১০ মিনিট
প্রথমে যে শব্দ নিয়ে কাজ করতে চাও তাকে পছন্দ কর। তা যেকোন কিছু হতে পারে, তাই নির্ণয় কর, কোন শব্দ তোমাকে সবচেয়ে বেশী উত্তেজনা ও আনন্দ প্রদান করে।
সেই শব্দকে সজোরে সৃষ্টি কর এবং সেটার সৃষ্টি করা অনুভূতিকে উপভোগ কর। কোমলভাবে তোমাকে সেই শব্দটিকে সৃষ্টি করে শ্রবণ করতে ও অনুভূতিকে উপভোগ করতে পারতে হবে। সেই শব্দকে অবিশ্রাম সৃষ্টি কর এবং তার অনুভূতিকে উপভোগ কর। সেই অনুভূতিতে কেন্দ্রিত হও।
দ্বিতীয় ধাপ : সময় : ১১ মিনিট
তোমার সঙ্গী শব্দকে কোন আওয়াজ দিও না। আওয়াজ দিলে নাড়িয়ে বাজিয়ে জারক ভিতরেই পুনরাবৃত্তি করতে থাক ও অনুভতিকে অভিজ্ঞতা কর। শব্দটির চেয়ে অনুভূতির ওপরে বিভিন্ন কান্ডিক রুয়া জনরে মন মানা সৃষ্টি উত্তেজনার ওপরে কেন্দ্রিত হও।
১) আলোককে মনশ্চকুতে প্রত্যক্ষ কর
মুহূর্তের পর মুহূর্ত আনন্দে বাস কর
সময় : দিনে চব্বিশ ঘণ্টা, ২১ দিনের জন্য
মনশ্চকুতে দেখা যে যে তুমি আলোক, ভিতরে ও বাইরে আর কিছুই নেই। কেউ নেই, কোন বিশ্ব নেই, কেবল প্রগাঢ় আলো আছে। যা কিছু কর না কেন, জন্ম ওঠা (থেকে ঘুমিয়ে পড়া পর্যন্ত এই আলোককে মনশচক্ষুতে প্রত্যক্ষ কর।
ধীরে, কিছুদিন পরে সেটা তোমার নিদ্রা ও স্বপ্নাবস্থাকে ভেদ করতে শুরু করবে। স্বপ্নেও তুমি বসনকালে গ্রীষ্ম নির্মাণ নির্ফাটক আলোক বলে মনে রাখবে। তুমি এক চিরন্তন উজ্জল আলোক হবে।
এই প্রক্রিয়া এতই শক্তিশালী যে এটা তোমাকে এক অভিজ্ঞতা দেবে যে তুমি কখনও -
intellect
intelligence
Part 16: Living Enlightenment (Gospel of THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM)_Bengali_part_16.md
৩) শূন্য হয়ে যাও
হালকা হও এবং বর্তমানে অবস্থান কর
সময় : ২১ মিনিট
বসো তোমার ওজন মেরুদণ্ডে দিও না। তুমি নিজের ভার হাত দিয়ে সামলাতে পার।
মনশ্চকুতে দেখ যে যে তোমার চোখ, নাক, জিহ্বা, কান ও জনগানা রেলভিয়া মিত্যে শক্তি তোমার শরীর ছেড়ে যাচ্ছে। তুমি পূর্ণরূপে শূন্য হচ্ছ।
মনশ্চকুতে দেখ যে তুমি এখন শুন্য হয়েছ। অনুভব কর যে তুমি শূন্য হয়েছ। যা কিছুকে ইতিমধ্যে চলে গেছে। তুমি একদম শূন্য।
যখন খুশি জেনে নিন যা শু শু শু শু শু শু শু শু শু শু শু শু শু শু শু শু শু শু শু শু শু শু শু শু শু শূন্য, সেই শূন্যতা প্রত্যক্ষ করা বন্ধ কর। এক মার্কা রূপ যা ও বর্তমান জওয়ামান ফিল্ম ও ফিলা নির্মাণ মারওয়ার বিতরণী পূজাফ কর। জ্ঞান ফিল্ম সৃষ্টি করতে না বিশ্ব বা জ্ঞান কিন্ন মটন কিনাও না। জ্ঞান জামান মাধ্যমে ফিলাউনি ও ফিলাগ্রানিত মাত্র নির্মাণ মন্ড করতে থাক।
৪) অন্তরের পর্দা পরিষ্কার কর
অন্তরে তাকানোর জন্য এবং তুমি দেহ থেকে আরও বড় কিছু, সেটা বোঝার জন্য এটা একটা শক্তিশালী ধ্যানপ্রক্রিয়া।
সময় : ২১ মিনিট
যখন রে খুশি কিউটন জায়গা ও খুশি কেবল বহির্জগতের সিনেমা অন্তরের পর্দায় দেখ। তাই প্রথমে আমাদের ভিতরের পর্দাকে পরিষ্কার করতে হবে।
চোখ বন্ধ কর। সোজা হয়ে বসো। যত ধীরে ভাব ও ইউ গজীবনীর ভাব মান মান কিছু না নাও ও বাইরে ছাড়তে থাক।
প্রত্যক্ষ কর তোমার অন্তরের পর্দা একটা ব্ল্যাকবোর্ড। সেই অন্তর্দেশের ব্ল্যাকবোর্ডে যা কিছু দৃশ্যমান হয়, তাকে প্রত্যক্ষভাবে মুছে ফেলতে বাজন বাওশন করবে ব্লকারওয়ার্ড স্বাণা রুয়, একইভাবে অন্তরের ব্ল্যাকবোর্ড বা পর্দাকে মুছে সাফ কর।
এখন অন্তরের পর্দায় '৩' সংখ্যাটিকে প্রত্যক্ষ কর। তাকে স্পষ্টভাবে প্রত্যক্ষ করে এবং পরে সেটাকে ধীরে ধীরে মুছে ফেল।
তারপর অন্তরের পর্দায় '২' সংখ্যাটিকে ভবিষ্যৎ কবে বিভিন্ন ওয়াজ কর কিউটক শোদব ঘোটব ঘুটক ফেল।
এরপর '১' সংখ্যাকে প্রত্যক্ষ কর এবং একইভাবে সেটাকে ধীরে ধীরে মুছে ফেল।
যখন বার বার ব্যক্তির আনুগত্য সৃষ্টি কবে, আরও একবার সংখ্যা '৩' দিয়ে শুরু কর, পরে '২' এবং শেষে '১'।
তারপর কেবল শুন্য পর্দাবে প্রত্যক্ষ কর। কোন চিন্তা সৃষ্টি করবে না, বজায় রাখবে না ও মুছে ফেলবে না। কেবল খালি পর্দাকে প্রত্যক্ষ করে।
কিছুক্ষণ নিজের সাথে থাক।
যখন বহির্জগতের কোন সিনেমা ছাড়া তাকাও, তখন খুশি যা একশ্র কেবল সম্মণী জিন্না শ্রদ্ধা যা নেয়া, এমনকি দ্রষ্টাও ভিন্ন হয়ে যাবে। বহির্জগতে দ্রষ্টা ও দৃশ্য দুটো ভিন্ন জিনিষ। অন্তরাকাশে দ্রষ্টা ও দৃশ্য উভয়ই এক।
৫) শব্দ থেকে অনুভূতি থেকে সত্তা
স্পন্দনশীল নীরবতার অন্তর্দেশকে স্পর্শ কর
সময় : ২১ দিন
এই প্রক্রিয়ার জন্য প্রথমে তোমার অন্তর্দেশকে শোধন করা দরকার।
শোধন প্রক্রিয়া
চোখ বন্ধ কর। বলো ও নিজের দিকে তাকাও। প্রথমে সততার সাথে তোমার জীবনের সমস্ত অভিমুখ পরখ কর। নিজেকে প্রশ্ন কর, জানা জীবনে কি কারণগুলি করছেনা কৃতি মিথ্যার ওপরে পরিচয় নির্মাণ করেছ? কখন তুমি এমন এমন সব কথা জেনেশুনে বলেছ ও প্রতিশ্রুতি দিয়েছ যা তুমি নিজেই মান না বা সেগুলিকে পরিপূর্ণ করে না?
বাইরে প্রক্রিয়া যাউড়ে വിമনাमायाक থাক না কেন, বাইরে প্রক্রিয়া মন্ডব মাথ কবে। সততার সাথে নিজের মুখোমুখি হওয়া এড়িয়ে যেও না। বাজেটকে ব্যবর্মন্তন্ব জন বাণ-বিশ্লেষণের এক সুন্দর সুযোগ বলে গ্রহণ কর। কমপক্ষে নিজের কাছে স্বীকার করতে সমর্থ হও, কোথায় তুমি তোমার পরিচয় মিথ্যার ওপরে ভিত্তি করে বানিয়েছ।
এখন পরের ২১ দিন, এমন কোন কথা বলবে না যা তুমি নিজে মান না। কথা ব্যবহার করে এমন কোন প্রতিশ্রুতি দেবে না যা তুমি জান যে পূরণ করতে পারবে না। ভেবো না যে
কেউ তোমাকে কোণঠাসা করতে পারবে। তোমার সমস্ত সম্পর্কতা ও মিথস্ক্রিয়াতে একদম অকপট ও সাদাসিধা হও। তাহলে এই প্রক্রিয়া তোমার ওপরে সুন্দরভাবে কাজ করবে।
প্রধান প্রক্রিয়া
একনি মন্দকে বিজ্ঞাপ কবে, যেমন, 'প্রেম', 'আনন্দ' বা 'পরমসুখ'। এমনকি নকারাত্মক শব্দও চলবে। তাই সকারাত্মক বা নকারাত্মক, কোন বারন বন্ধু নির্বাচন করার জন্য পছন্দ কর।
শব্দটিকে প্রত্যক্ষ কর। প্রথমে সেটাকে বক্ত স্বর ওজন কবে ওজন কে কেমার্বজনসংক্রত, পরমসুখের জন্য, প -র-ম-সু-খ।
তারপর অক্ষরগুলিকে প্রত্যক্ষ করা বন্ধ কর। মননাজিক লিখটন কোন কোনটি রিমারব পুনরাবৃত্তি কর। সেই ধ্বনিকে শোন।
তারপর ধরনি থেকেও রিল্যাক্স কর। সেই শব্দের অনুভূতি সহকারে বিদ্যমান থাক। কেবল অনুভূতিকে স্মরণে রাখ, অক্ষরগুলি নয়, ধ্বনিও নয়, কেবল অনুভতি। তোমার সমস্ত চেতনা অনুভূতিতে লাগিয়ে দাও।
যখন মিডিয়া মানুষ কৃতি থেকে বিশ্রাম কর। একদম নীরব হয়ে যাও। সেই অক্ষরের চিন্তা বা ধ্বনি বা অনুভূতি সৃষ্টি করবে না, কেবল নিজের সাথে বিদ্যমান থাক।
এটা এমন এক শক্তিশালী প্রক্রিয়া যা তোমাকে একদম সরাসরি রূপান্তরিত করে ফেলতে এবং তোমায় নীরবতা ও পরমানন্দে নিয়ে যায় ভারত।
। িতু বা তু দম অদবরত দিয়জয়ে ভারী বয় অবিুভব েরয়ব। যতামার পুয়রা যিয়ে আরাম েরয়ত িা। েতযে ের যয তু দম এে ভারীি ত্তা।
দিনে দশ মিনিট ক'রে দশ দিন এই ধ্যান কর। তুমি আবিষ্কার করবে তুমি ভারহীন! তুমি কিভাবে জানতে পারবে এই ধ্যান কাজ করছে? মানসিকভাবে তুমি অনুভব করবে তোমার দেহ এই পথিবীতে নেই, যেন তুমি वजर शनका व्य भशिवीद्ज नामान जना निर्ज़टक जेटन निर्जन वक्ति एक घाटक बटन मटन रखन না। এই প্রক্রিয়া দশ দিন কর, এতে অন্তত কাজ হবে।
৭) আকাশীয় সংযোগ
তোমার চেতনাকে প্রসারিত কর ও তোমার আবেগগুলিকে জয় কর
সময় : ২১ মিনিট
প্রত্যক্ষ কর তুমি আলোকের এক মানিদ্র। সিমিট্যে সম্পর্কতাগুলি তোমার আলোক-শরীরের অংশ। এই আলোক শরীরকে আকাশ-শরীরও বলে। যদি থাকে, ধর অন্য দেশে, প্রত্যক্ষ কর যে তোমার এক বিরাট শরীর আছে যা সেই দেশে প্রসারিত হয়েছে এবং সেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিরাও তোমার আলোক-শরীরের ভিতরে আছে!
সমস্ত আবেগের সংযোগগুলি, ঘৃণার বা ভালোবাসার, যেন তোমার আকাশীয় শরীরের ভিতরে থাকে। দ্বিতীয়ত, আকাশীয় শরীরের প্রত্যক্ষীকরণ সহ তোমার কেন্দ্রের সজাগতা যোগ করে।
৮) তোমার কণ্ডিশনিংগুলিকে দগ্ধ কর
নিজেকে তোমার মানসিক গঠন থেকে মুক্ত কর ও মুক্ত হও
সময় : ২১ মিনিট
ভবিষ্যৎ কবে যে মানুষ, ভবিষ্যতে কি, বালিকানা, যে কোন জিনিষ ও সব কিছু জিনিষ সম্পর্কে তোমার ভিতরের সমস্ত চিন্তা ও অনুভূতিগুলি দগ্ধ হচ্ছে! অনবরত প্রত্যক্ষ কর যে তুমি বিশ্ব বা যেকোন কিছু সম্পর্কে যা চিন্তা কর তা সব দগ্ধ হচ্ছে...তা আর বিদ্যমান নেই। তোমার মনোভাব, তোমার অগ্রহ, তোমার ভাবাবেগ, তোমার লোভ, তোমার বাসনা এবং তোমার ভয় আগুনে পড়ে যাচ্ছে।
বাজে জাতাভ কারিয়ানির্শনিৎক কর্তৃত্ববজনব ভেঙ্গে দেবে এবং তোমাকে জীবনমুক্তির দিকে পরিচালিত করবে।
जीवनमुक्त जीवनयामानव वर्क देनार रन निक आध्यात्मिक शैली
এই নিত্য আধ্যাত্মিক নিরাময় আমি আমার জীবনমুক্তির সঙ্গে উপহার হিসাবে পাই। या वासि जाराद्यव (প্রাগ্রাম নয়। এটা এক দীক্ষা যা THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM তোমাকে দেয়। দীক্ষা তোমাকে অস্তিতের শক্তির সুরের সাথে সুর মিলিয়ে রাখে এবং তোমাকে নিরাময় করার শক্তি প্রদান করে।
নিরাময় কি?
जीवनसूक साम्राज व वूक वूक निवासय़' শব্দটির এক সুন্দর ব্যাখ্যা বা সংজ্ঞা প্রদান करवन। जिनि वटनन कार्ता मास्य ভूनवरूকাव করার জন্য আমাদের করুণা প্রকাশ করার ও কারো যত্ন করার এক উপায় হল নিরাময় (হীলিং)।
निवासय राज राज কান মানুष्टक वाद्य শারীরিক, মানসিক ও আবেগগত সুস্বাস্থ্য ফিরে পাবার জন্য সাহায্য করা।
স্বাস্থ্য
উত্তম তা হল স্বচ্ছন্দ ও সুস্থতার উপস্থিতি। আমরা निक्क वर्तन सानूष নরে याटक व्यমून्यू राज्य হবে এবং পরে সুস্থ হতে হবে। আমরা আনন্দের मुर्जना। मण्डास्टव मर्वमा व्यानक्य व्यवस्था का विष्णा का विष्णा का कारण कि সহকারে বাস করার জন্যই আমরা সৃষ্ট হয়েছি। এটাই উত্তম স্বাস্থ্যের অর্থ।
চক্র ও নিরাময়ের বিজ্ঞান
জীবনমুক্ত মাস্টার ও যোগের পিতা পতঞ্জলির মতে আমাদের শরীরে সাতটি প্রধান চক্র বা সুক্ষ্ম শক্তি কেন্দ্র আছে।
बरे माणणि माकित्कक वायासम्ब শারীরিক, কার্যকলাপকে প্রভাবিত করে। সেগুলি আমাদের মধ্যে অধিবিদ্যামূলক তলে ( metaphysical plane) বিদ্যমান এবং আমাদের স্থল শরীরের সাতটি প্রধান গ্রন্থির (গ্ল্যাণ্ড) সাথে সংযুক্ত। এই का कुल मर्मिष्ठ व्युक्ति व कार्य व्यवलाज প্রভাবিত করে।
নিতে পারছি না!' এই প্রকার অভিব্যক্তি সারা
আমাদের প্রতিটি চক্র কোন না কোন
আবেগের সাথে সম্পর্কিত। দুষ্টান্তস্বরূপ, প্রেম
হল হৃদয় অঞ্চলের শক্তিকেন্দ্র অনাহত চলের মাथ मामकित्त। नालि व्यक्तल मणिक्किक्य
मणिश्रवक
म्मूना जूनि यादि कान
पूर्णित्वाधित रज. व्यथर्स ज्वासान (भण्ड वाघाण
পাবে। তুমি বলবে, 'আমি এটা হজম করতে
भावणि ना!' व्यथवा 'वासि वरे धवनणे (भट्टे
পৃথিবীতে বহু ভাষায় দেখা যায়।
কির্লিয়ান ফটোগ্রাফি চক্রের ওপরে এই আবেগগুলির প্রভাব রেকর্ড করেছে। যদি কোন वार्विक माठिकलावर भविष्णानना কवा याয, সংশিষ্ট চক্র ভালভাবে কাজ করে, এমনকি তা ब्रश्वव काकाव मण बड़ रूय। यदि वारवनटक ঠিকমত পরিচালনা না করা যায়, সংশ্লিষ্ট চক্র কোটের বোতামের আয়তনে সংক্রচিত হয়ে याয বনর जान जना मिट्स्प्टिस मण्डि क्रू रूप। मिकित वरे कम रूट्य याउया (भट्य কর - মন সিস্টেমে রোগ হয়ে প্রকাশ পায়।
विजिन्न कावन यमन দিনम्बद्ध मतम्मा, সমাজের নিয়ন্ত্রণ, খারাপ অভ্যাস, শারীরিক ও আবেগজনিত মনোযোগের অভাব চক্রগুলির মধ্য দিয়ে শক্তির প্রবাহকে প্রভাবিত করে।
কেবল আক্রান্ত হয়, আমরা অসুস্থ হই। যদি আমাদের দেহ ও মন একে অপরের সাথে অবাধে থাকে, আমরা এই সহজতাকে স্বচ্ছন্দতা বলে অনুভব করি। যদি আমাদের দেহ ও মন পরস্পরের সাথে সহজতার সাথে না থাকে, আমরা অসুস্থতা অনুভব করি। চক্রগুলির অবস্থা আমাদের সুস্থতা বা অসুস্থতার স্তর প্রকাশিত করে।
দেহের ওপরে মন
मर यान रार्ड उयान, वाद मन সফটওয়্যার। আমরা হার্ডওয়ার ঠিক করতে চাই যখন সফ্টওয়্যার সমস্যার কারণ! সফট্টওয়ার কোরাপ্ট (বিকৃত) হয়েছে, তাই সেটা অবিশ্রাম शर्म उद्याव वा फरटक ছूल निर्मिन मिट्य কटनटर। দয়া করে বোঝ এটা আমাদের মানসিক গঠন যা রোগের এবং আমাদের দেহ-মন সিস্টেমে অসন্তলনের (imbalance) মূল কারণ।
শক্তি নিরাময়
অসম্ভ, রোগী ব্যক্তি বা যে শক্তিহীন অনুভব করছে তাকে শক্তি প্রদান করার বিজ্ঞানকে আমরা বলি নিরাময় করা। যেকোন চক্র যেখানে শক্তির দরকার তাতে শক্তি প্রদান করা যায় এবং সেই শক্তিকেন্দ্র (চক্র) তাতে সাড়া দেবে।
यदि वासना मण्डिक वर्षकिया (ভট্য यारे ও তা ব্যবহার করা জন্য পর্যাপ্ত সময় দিই, আমরা নিজেদের নিরাময় করতে পারি ও চক্রকে তার শক্তির ভারসাম্যে ফিরিয়ে আনতে পারি এবং ভারসাম্যতা না থাকায় যে অসুস্থতা শ्यूकिल का श्रद्क वाव रूट्य वामटण भावि। এটা সবসময় কেন করতে পারি না তার জন্য विजिन्न কাवन थाकरण ভারত। वायवा राज्य সঠিক প্রক্রিয়া জানি না অথবা ধ্যান করার जना याथि मतदा दिरे ना। रयाण व्याण व्याक वर्णान জন্য ধ্যান ও আধ্যাত্মিক অভ্যাস করার জন্য যথেষ্ট শক্তি আমাদের নেই।
वन्द्रकरण वर्तन्त्र व्यक धानी ধ্যান করতে পারে ও আমাদের মধ্যে শক্তি প্রদান করতে পারে, তাতে চক্রে চক্রে সক্তিসঞ্চার হবে এবং शास्त्रा कितन भाउया यादव। मुक्ति निवासय বিজ্ঞানের এটাই সুগন্ধসার।
নিত্য আধ্যাত্মিক নিরাময় কি?
নিত্য আধ্যাত্মিক মহাবিশ্বের মহাজাগতিক বিভিন রূপ থেকে পৃথক, যেমন, বিদ্যুৎশক্তি। বিদ্যুষ্যাকিন निर्जन वूक्करण नরে। রেলর্কিক সকেটে একটা আলোর বালব লাগালে, বিদ্যুৎ প্রবাহিত হবে এবং বালব জ্বলবে। তুমি সেই रेटलाकिक मटकराज वालूल मिटल कर बकरे विद्युष्थवार ইলেক্টিক শক পাবে! প্রবাহিত হবার সময় কি করা উচিত, তা নির্ণয় করার বুদ্ধিমতা विद्युर्थाकिन तरे। किलु मশাখাভণিক मण्डি হল বিশুদ্ধ বুদ্ধিমত্তা।
यामि उ सराजानाजिक मण्डिटक व्यवस्था সময় বিদ্যুৎশক্তির সাথে তুলনা করা হয়, প্রকৃতপক্ষে তা পুরোপুরি আলাদা, মহাজাগতিক শক্তি কখনও কোন ভুল করতে পারে না কারণ তার স্বতন্ত্র বুদ্ধিমত্তা আছে।
কে শক্তি গ্রহণ করতে পারে? যার হৃদয় ও মন উন্মুক্ত
কে শক্তি গ্রহণ করতে পারে? যে কোন वाकि याव मण्डिन थুर्याजन, लग मणि धरण করতে পারে। এটা কোনভাবেই সীমাবদ্ধ নয়। वाकि किशाद মুক্তবাদव मण्डि ध्रुश कवरण পারে তার জন্য কিছু নির্দেশ আছে। যারা যুক্তি वावश्व क'द्व वरे मंजितक মत्मूर करव, তাদের থেকে উন্মুক্ত হচ্যু ও উন্মুক্ত মনের ব্যক্তি অনেক সহজভাবে ও তাড়াতাড়ি এই শক্তি গ্রহণ করতে পারে।
অনেকে আমাকে প্রশ্ন করে, 'নিরাময় হবার জন্য কি আমাদের বিশ্বাসের প্রয়োজন?'
আমি তাদের বলি বিশ্বাসের কোন প্রয়োজন নেই। একটা আপেল সুস্বাদু জানার जना विश्वास्मन भট্যাजन नরে। क्वन वक्रण কামড় দাও, তুমি জানবে, ব্যাস ! সূর্য পূর্বদিকে উদয় হয় জানার জন্য তোমাকে বিশ্বাস করতে হবে না। চোখ খোল এবং দ্যাখ, তুমি নিজেই জানতে পারবে। অন্ধভাবে বিশ্বাস করার কোন প্রয়োজন নেই। নিরাময় গ্রহণ করার জন্য বিশ্বাসের প্রয়োজন নেই। তোমার কেবল একটা জিনিষ চাই : এক উন্মুক্ত মন, গ্রহণ করার রেफ्শা। यदि जानाव मन সেन्यूক रूय, एस. जूसि নিরাময় শক্তিকে বাধা দেবে না।
विषयणा वावाद्य कड़ा कब वर जान ভিতরে সম্পূর্ণ আন্তরিকতা সহকারে প্রবেশ কর, তাহলেই যথেষ্ট। পরীক্ষা করার আগেই অভিজ্ঞতার প্রমাণ না চেয়ে পরীক্ষা করার সাহস ও উন্মুক্ততা রাখ। তোমার চিন্তা, বুদ্ধি, আবেগ ও আত্মাকে একীভূত কর এবং তাদের এই ধারণার দিকে সারিবদ্ধ করে।
নিত্য আধ্যাত্মিক নিরাময়কারী হবার দীক্ষা
निका वास्ताज्यिक निवासयकानी रवाव मोका मनामवि जीवनसूकिन मार्थ মम्भर्कিত। অন্যদের নিরাময় করা জীবনমুক্তি প্রক্রিয়ার এক পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া বা উপজাত। প্রধান প্রভাব হল, যখন তুমি এক নিরাময়কারী হয়ে সেবা কর, তুমি নিজের সত্তার গভীরতম স্তরের সাথে সম্পর্কস্থাপন কর।
উদাহরণস্বরূপ, লাইফ ব্লিস প্রোগ্রাম লেভেল ১ - আনন্দ ক্ষুরণ প্রোগ্রামে তুমি আনন্দময় জীবনের এক ঝলক পাও। লাইফ ব্লিস প্রোগ্রাম লেভেল ২ - নিত্যানন্দ স্ফরণ প্রোগ্রামে তুমি শক্তি বা চেতনার ঝলক পাও। নিত্য আধ্যাত্মিক নিরাময়ে, তুমি নিরাময়কারী হয়ে এক চিরন্তন আনন্দময় অবস্থায় প্রবেশ কর। কারণ একবার দীক্ষা নিলে, তুমি তোমার মধ্যে মহাজাগতিক শক্তিকে অবিশ্রাম প্রবাহিত হওয়া অনুভব করবে। তুমি অনবরত তোমার সত্তার সংস্পর্শে থাক। নিরাময় হল সচেতন ঘनीच्य व्यवा। वरे मन्त्रिय मण्डलानाव অন্যদের নিরাময় করে।
কল্পনা কর, তুমি এক বিশাল হিমশৈলে बক शिँभड़ा बन्द कूलि नोटक जल्ल (मौँछावान जना गर्छ करव याण्ड। कर राजाव जोवन सरव তুমি তা করতে থাকবে? তুমি সেটা কল্পনাই করতে পারবে না!
किलु व माम्णेन रेजिस्था জন্ম আছেন, সহজেই জলের নীচ থেকে বরফের মধ্যে वानिद्या वानिद्या करण्ड भारतন ववर তোমাকে টেনে নিতে পারেন! তুমিও সেই জলে প্রবেশ করে উপভোগ করতে পার! নিত্য আধ্যাত্মিক নিরাময়কারীর দীক্ষায় ঠিক এটাই ঘটে।
নিত্য আধ্যাত্মিক নিরাময়কারী দীক্ষায় THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM 'আনন্দগন্ধা' চক্রের শক্তির দ্বার খুলে দেন।
আনন্দগন্ধা চক্র
আনন্দগন্ধা শক্তিকেন্দ্র যার ভিতরে আমাদের সাতটি চক্র ও भारता का विनित्य याया। वाणादक व्यवस्था वाजादक व्यवन
একটা তল বলে মনে করা হয় যেখানে জড় ও मण्ड सिलिक रूय। बजे लड़े जलन सक याचारन शिक्रमेन उ जन नोटा जन सिलिक হয়। এই শক্তিস্থলে জীবনমুক্ত মাস্টারেরা বাস करवन। वाणि मतल मण्डिन केश्म वर्ष भवनব্যাপী মহাজাগতিক শক্তির সাথে সরাসরি সংযুক্ত। আনন্দগন্ধা স্থল শরীরের বিদ্যমান থাকে না, এটার অধিবিদ্যামূলক তাৎপর্য আছে।
यथन वक वालि कोवनसुरू के के विनाम সহকারে কোন নিরাময়কারীকে দীক্ষা প্রদান करवन, जिनि वानक्कनका काजवाद पुर्वन স্টবন, জারে वर्णि सूर्यूटर्ज वेश्वविक मण्डिटक भवनाविकान शादक। যখন তুমি वानक्का का कारण का कारण का कारण कर किया था। कि मान कर कि मान कर कि मान कर किया गया है कि मान कर कि मान कर कि मान कर किया है कि मान কর कि मान कर कि मान कर किया है कि মান থাক, তুমি জীবনমুক্ত হয়ে থাক, কারণ তুমি মহাজাগতিক শক্তির সাথে একীভূত হয়ে থাক।
মাস্টার আনন্দগন্ধায় বাস করেন। সেই শক্তির উৎসের সাথে সংযোগ সাধন হয় যখন আমরা আনন্দগন্ধায় নিরাময়ের শক্তি এক নতুন জীবন, নতুন শক্তি দিতে পারে ও রোগ সারাতে পারে।
আগে উল্লেখ করেছিলাম, সমস্ত সাত চক্র যে বিন্দুতে মিলে যায় সেটা আনন্দগন্ধা চক্র। আনন্দগন্ধা চক্রের পথ হল অনাহত ও सर्शिवर्क कटकन मार्ट्य, जान साटन कुमय वक्कल उ ना जि व अटल চক্র সেখানে অবস্থিত নয়, কেবল তার পথ মন्याटन शादक। निजा वास्ताधिक निवासद्य, তুমি সচেতনভাবে আনন্দগন্ধায় যাও। অন্য मल्य कुकुण्डलि সूल वरश ध्यान माना फेन्युक कवा याया। किन्तु वरे এক জীবনমুক্ত মাস্টার উন্মুক্ত করতে পারেন।
আমাদের সাতটি শক্তি-শরীর আছে. যথা, বাইরের স্থল শরীর, ভিতরের প্রাণ শরীর, তারপর
।
TPS thoughts per second ।
।
घण्णी वर्षित्र रायण। किलु कूलि वानक्कनकार থাকলে. ঠিক যতটা দরকার ঠিক ততটা ক্রোধ ব্যবহার করার জন্য তোমার স্পষ্টতা মट्ठकनजा शाकरव। जूकि वाटक व्यवस्था जनवर বেশী ব্যবহার করবে না। প্রয়োজনের বেশী ব্যবহার না করার জন্য সেই ক্রোধ তোমাকে ভিতরে জুলাবে ना वयवा जार जानाव अवस्था অপরাধবোধের কারণ হবে না। তুমি সেটা থেকে একেবারেই প্রভাবিত হবে না। যে ব্যক্তি তোমার ক্রোধ গ্রহণ করছে, সেও ততটা গ্রহণ করবে যতটা তার গ্রহণ করা উচিত, তাই সে অসঙ্গতভাবে অস্থির হবে না।
सेमार्वजनवर वर्ष यदि कार्ता কারवा कान কাজের জন্য তোমার দশ ডলার দেবার দেবার কথা, তুমি কি তাকে কুড়ি ডলার দেবে। না! তুমি क्शन उ वर्षी মাত্র फरव ना, वासि ठिक किना? তাহলে যখন তোমাকে কাউকে কিছু পরিমাণে जनस द्यारण रख, जूसि जाटक জান (শरक विभी जनवर क्वन দ্বार्थाटव? यज्ञा मন্নकान ততটাই দেখাও! তাহলে তোমার ও তার কোন के दिन व शाद करवा ना। वानक्या विद्यासान থাকলে এই কার্য করার স্পষ্টতা হয়।
নিত্য আধ্যাত্মিক নিরাময় এক 'একের-মধ্যে-দুই' প্রক্রিয়া। নিরাময়কারী হিসাবে তুমি পরমসুখ অনুভব করবে এবং যে ব্যক্তি নিরাময় গ্রহণ করছে তার নিরাময় হবে। সেইজন্য এটা এক পরম প্রক্রিয়া।
নিত্য আধ্যাত্মিক নিরাময়ের স্বাস্থ্যগত উপকার
১) क्राणाव, भूवाजन शौभानि, সাইনুসাইটিস, হার্নিয়া, পায়ুরোগ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, মাইগ্রেন, চর্মরোগ, অনিদ্রা ইত্যাদি বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতা থেকে মুক্তি
২) फूम्णिला, विष्ठान्त्रण, ভয় রেণ্ডামি মানসিক সমস্যা থেকে মুক্তি
৩) শারীরিক আঘাত থেকে শীঘ্র নিরাময়
৪) खोजनान, बन्ना र रणारि सम्बन्धकीय সমাধান
সেবা
নিত্য বিশ্বব্যাপী হাজার কেন্দ্রে বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। वाणि नियमिक निवासय निविन्तुलन्द्र अ विनासुल्य क्राण राय। वर्ल्ड सर्श भारत करण्डा करण्या कि व निवासद्यव वनना विकिया निवास निवासयकावी उ निवासयाध्यकावी এর কোন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই এবং পুরোপুরি সুরক্ষিত।
আনন্দ দর্শন
(আনন্দ দর্শন হল সেই সময়, যখন তুমি মাস্টারের উচ্ছ্বসিত শক্তির উপস্থিতিতে থাক। তোমার আজা চক্রে স্পর্শ করেন, এইভাবে তিনি জীবনমুক্তির শক্তি ও অভিজ্ঞতা তোমার মধ্যে সঞ্চার করেন।)
দর্শন অর্থ 'দৈব কিছু দেখা'। আনন্দ দর্শন অর্থ 'वानक्य मरकारव द्वारा। यांचन वासिरजन्न मुकि कान वाकारव व्यवन्त व्यवन्त्र व्यवन्त्र विभाग कि विद्यालय का कारण करण्या का कारण कर किया कि वास करण कर किया कि वास करण कर किया कि वास करण कर किया कि वास करण कर ভূकूণिक रूय या जानाव কার্য करण करण ভারত এবং চেতনা উপলব্ধি করতে পারে এবং যখন তা তোমার মধ্যে এক রূপান্তর নিয়ে আসে, তাকে বলে আনন্দ দর্শন! যে আকার তুমি দেখ সেটা জীবনমুক্ত মাস্টারের আকার - যিনি যুগে যুগে পৃথিবীগ্রহে ঘটেন।
क्कि कुल वासारक जिज्जामा करव, 'व्यक्तिर्णून मुकि वटल किछू वाट्ड कि?' रणौ, वारण, किन्तु जा वासारमन वूकिनुद्धित केर्शन । যখন বায়वा वासारमन বিকित्व মোদ্য পৌঁছাই, আমরা বুঝব যে কিছু একটা আছে যা আমরা আমাদের বুদ্ধিবৃত্তি দ্বারা উপলব্ধি করতে भावि ना। वर्तू विज्ञानी यात्रा जाटमन वर्षिवर्णित শীর্ষে পৌঁছেছেন, তারা পরের ধাপকে নিজেদের शास्त्रिया वर्षिट्युन वर्णीय मण्डि রিमारव দেখেছেন। অনুভূতিশীলতা দ্বারা এই শক্তির বিদ্যমানতা অনুভব করা যায়।
এক দল মানুষ সর্বদাই থাকে যারা বলে য मतदा विश्ववक्ता उ वर्षिट्यून मण्डिकन মিवालीলা। किन्तु वावर वक मल वाट्र यांना बटल मसम्ब विश्ववस्था एल এক वाकस्थिक ঘটনা এবং তার পিছনে কোন শক্তি বা বুদ্ধিমতা तरे। मिलीय मल थुव মূবিধাसक जारमन মणामण्डक निर्जामन यार्थ वावश्व करव অসংখ্য অস্ত্র নির্মাণ করে এবং তারা পৃথিবীতে নানা প্রকার ধ্বংসের কারণ হয়। তারা বিশ্বের কোন কিছুর জন্য কোন প্রকার সংবেদনশীলতা বিকাশ করে না, কারণ, তাদের ধারণা হল এই বিশ্বवका उ जाना विकासान (শटक याय 3 সूल उत्पन्न উপলব্ধি নিয়ে থাকে।
यदि স্বতক্ষলভাবে এক সূক্ষ্ম স্তরে প্রবেশ কর এবং बरे বিদ্যन्न मास जिनित्यन्न থণি, থণিणि ভারত, गार 3 थापीन थणि वक গণীन मुफ्ता विकर्मिक कव। গণীत স্বक्त बক সেथाल ढ़क जानाव जिज्जन उद्य। जानाव जीवन वक मून्न भवार कालिक रूय, यन बक मार्शव (surfer) व्यक्तिर्णून एक्सेट्यन उभरव करण्ड সার্ফিং করছে।
मवकिष्ठूर वक वजनीत उ व ভজীব वूकिता माना कालिक शुक्छ - মানूष व्यटरणू এই স্পষ্টতা পেয়েছে, তাই সে এমন এক জীবনশৈলী সৃষ্টি করতে সমর্থ হয়েছে, যার দ্বারা
মানুষ অস্তিতের লীলায় সুন্দর ও মধুরভাবে মিশে যেতে পারে।
সমগ্র অস্তিত্ব এক সজীব সত্তা এবং তা তোমার প্রতিটি শব্দ, অনুভূতি ও প্রার্থনাতে माझा मिस्रा वर्षिक व्यक्ति विश्वरूद्र मायिष्ठून সাথে তোমার চেতনাতে সাড়া দেয়। তোমাকে ব্যমনাকারव মাড়া দ্বাवन জनान, যাटक जूसि শুনতে পার, দেখতে পার এবং বুঝতে পার, वाखिक युव युव यून वर्तन জীবনসुरू माम्णेर्विव वाकाव थर्श करवा। भूश्विवीटक লাथ लाथ মানুষের অন্বেষণ ও প্রার্থনা এক প্রচণ্ড আকর্ষণ সৃষ্টি করव वर जर कावटन जोवनमुळ मांज्यादवना धनार्वजन वाविर्डूक रन, व्याकारव এক নিম্নচাপ অঞ্চল স্বাভাবিকভাবে ঝড়ের সঙ্গি করে।
এক মাস্টারের দর্শন যেন অস্তিতের মহাসাগরে এক বিরাট ঢেউ ওঠা। ঢেউ কখনও সাগর একইসময়ে নিজেকে এক ভীষণ সক্রিয় শক্তি হিসাবে প্রকাশিত করে। বোঝা : একটা নদীও মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত, কিন্তু তার ঢেউয়ের সক্রিয় শক্তি নেই। সে কেবল নিশ্চেষ্টভাবে বয়ে চলে, ব্যাস। কিন্তু আনন্দ দর্শন অস্তিতের আনন্দময় মহাসাগরে ওঠা এক সক্রিয় ঢেউ। সেটা এক মন্থন সৃষ্টি করে এবং সেটা তোমাকে সম্পূর্ণরূপে রূপান্তরিত করতে পারে।
वर्थन ट्रक বালুকণা কল্পনা কর। তার মধ্যে কি কোন বর্ণকাণ शाकरण भारत? ना! मानि माम्भूर भविद्य रूटव कावन लाणि মজিয়া क्या करण्याव मण्डिक्करवित्र किञ्चन घाटण। बकरेणारव, याथन जूसि मर्मदनव जना वाम, वनकामिक মজিন্য মণ্ডি घाना भूर्तित्व जानाव वाउनाकाम उन्ह श्य याया। মर्मटनव मतदा कूलि ट्रार वास्त्राजन শক্তির উৎসের মধ্যে আছ। সূর্যের উপস্থিতিতে
কমল উপস্থিতিতে তোমার চৈতন্য প্রস্ফুটিত হয়।
তোমাকে কেবল সহায়তা করতে হবে। প্রকৃতপক্ষে তুমি সহায়তা না করলেও, শক্তি তোমাকে ভেদ করবে। এটা এই প্রকার : সাগরের ঢেউয়ে ঝিনুক সহায়তা করুক কি না করুক, ঢেউ তাকে নিয়ে চলে। একইভাবে তুমি মহাসणा कव कि ना कन्न, मण्डि जामारक আবত করবে এবং যা করা প্রয়োজন তা করবে। কিন্তু যে ঝিনুক খেলাচ্ছলে ঢেউয়ের সহায়তা করে, সেটি ঢেউয়ের আনন্দময় গতির সাথে নৃত্য করে। তা বিশোধিত হয় এবং শেষে जार विनिय्य याया! वनामिट्क य्य विनुक ঢেউকে বলে, 'আমি তোমাকে এত সহজে বিশ্বাস করতে পারছি না', সেটি সুরক্ষার জন্য কিছু নুড়ি নিয়ে নিজের চারদিকে এক দেওয়াল খাড়া করে এবং বাধাদানে ভোগে। কিন্তু শক্তি-এक्टियन निष्क करणा निर्जन माथ निर्द्य তাকে চলে ও পরমানন্দে নিয়ে যায় এবং এটাই পরিণাম।
य वालि करण्डेयन्न काटण মানল्य সমর্পণ করে, তার সম্পূর্ণ জীবন আনন্দ দর্শন হয়ে যায় এবং সেটা কেবল এক মহতের জন্য হয়, তা নয়। বুঝে নাও : তোমার চেতনা কোন মুमाया विष्ठित्वन वानक्य वर्कान वर्शार মাস্টারের দিকে ঘুরে থাকলে, তোমার আনন্দ मर्शन रूय! वसनकि जारादक नात्रीनिक कारव মাস্টারের নিকটে থাকার দরকার নেই। যদি তুমি অবিশ্রাম তোমার চেতনাকে সেই শক্তির প্রকাশে রাখ, তোমার জীবনই আনন্দ দর্শন হয়ে যাবে। অন্যদিকে বাধা প্রদানকারী ব্যক্তি माकिन मार्थ मिट्स यावाद সেফয়াভন शानाय, কিন্তু অন্তিমে সেও মিশে যায়।
দর্শনের সময় মাস্টারের থেকে ভীষণ मणि বিকিতन रूय। कूलि वरे কেষ্ণু मिळ मणि किलाव थर्श कवर्त? क्वल भवन संवल केश्मार् সহকারে, গভীর প্রার্থনাপূর্ণ মেজাজ সহকারে, कामल रुफय मश्कारव, एक छाण्ड मिल राय আস, সেটাই যথেষ্ট। সমাজ প্রার্থনার ক্ষমতা क्षरम करवर। कूलि या राज राज काउ, जारण পূর্ণরূপে তোমাকে রূপান্তরিত করার ক্ষমতা প্রার্থনার আছে।
প্ৰাৰ্থনা কি? যখন তুমি কিছু অৰ্জন করতে চাও, তুমি তাতে তোমার অভিপ্রায় ও প্রপগাঢ়তা ইচ্ছামত কেন্দ্রিত কর। সেটাকে বলে 'তোমার সঙ্কল্প'। শীঘ্রই তুমি বুঝতে পারবে যে তাকে পুরণ করার জন্য তোমার কোন জেদ বা মাৎসর্য্যের প্রয়োজন নেই। যখন তুমি দেখবে এটা ঘটছে, জানবে প্রার্থনা কাজ করছে। তুমি সেই শক্তির কাছে প্রার্থনা করা শুরু কর। 'আমি এটা করতে পারি' হল এক সঙ্কল্প। 'আমার এটা করা প্রয়োজন' হল প্রার্থনা। সব সময় প্রার্থনাপূর্ণ মেজাজ নিয়ে আসো।
যখন একজন জীবনমুক্ত মহাজীবনের উপস্থিতিতে তোমার অনুভূতিগুলিকে উন্মুক্ত কর, তা যেন কোন প্রোজেক্টরের সামনে একটি স্লাইড রাখার মত। স্লাইডে যা আছে, পর্দায় তা এক বাস্তবতা হিসাবে দেখা যায়। একইভাবে তোমার ও অপরের ভালোর জন্য তোমার যে বাসনাগুলির পুরণ হওয়া দরকার, তা হবে। যে বাসনাগুলির পুরণ হবার প্রয়োজন নেই সেগুলি দগ্ধ হবে ও সাথে বাসনাগুলির প্রতি আসক্তিও দগ্ধ হবে। হয় বাসনার পূরণ হয় অথবা তোমার মন বাসনা সম্পর্কে ভুলে যায়। হয় বাসনার বীজ অঙ্কুরিত হয় অথবা তা ভস্মীভূত হয়ে যায়। এই দুটোর ভেতরেই তুমি পরিপূর্ণতা অভিজ্ঞতা কর।
তুমি অনেক বাসনা বহন কর যাদের পূরণ হবার দরকার নেই। এটা পরিচালনা করার জন্য মাস্টারের শক্তি নিছক বুদ্ধিমত্তা হিসাবে কার্য করে।
একটা ছোট গল্প :
একবার এক ক্লান্ত পথিক গাছের নীচে বিশ্রাম করছিল। জায়গাটা ছিল এক কল্পতরু। কল্পতরুতে ইচ্ছা পরিপূর্ণ হয়। বিশ্রাম করার সময় তার এক চিন্তা এল, 'কি ভালো হত যদি আমি এখন কিছু খাবার পেতাম!' যেই মুহুর্তে সেই চিন্তা এল, এক প্লেট সুস্বাদু খাবার তার সামনে এসে গেল। সে খুব উৎফুল্ল হল এবং প্রাণ ভরে খেল।
তৃপ্তিকর ভোজন করে সে ভাবল, 'খুব ভালো হত যদি এখানে একটি আরামদায়ক বিছানা পেতাম।' সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গে এক বিলাসবহুল বিছানা আবির্ভূত হ'ল। সে বিষ্মিত হল ও বিছানায় শুয়ে পড়ল।
যেই সে বালিশে মাথা দিল, সে ভাবল খুব সুন্দর হবে যদি আমি ঘুমাবার সময় কেউ এসে আমাকে বাতাস করত। তৎক্ষণাৎ একটা ছোট বালিকা হাতে একটা পাখা নিয়ে অবির্ভূত হল ও তাকে বাতাস করতে লাগল।
অকস্মাৎ পথিকের মাথায় একটা চিন্তা এল, 'আমি তো একটা জঙ্গলের মাঝে! হঠাৎ একটা বাঘ এলে কি হবে?' যেই মুহূর্তে সেই চিন্তা এলো, একটা বাঘ তার সামনে এসে গেল, তার ওপরে লাফ দিল ও তাকে খেয়ে ফেলল!
তোমার বাসনাগুলি পূরণ করার আগে, তোমাকে তাদের মধ্যে স্পষ্টতা নিয়ে আসতে হবে। বাসনাগুলিকে স্বত:স্ফূর্তভাবে স্পষ্টতা প্রাপ্ত করতে হবে। সেইজন্য আমি কল্পতরু বাসনাগুলিকে আমার কাছে ভাষায় প্রকাশ করতে বলি। ভাষায় প্রকাশ করার সময় তুমি নিজের জন্য প্রয়োজনীয় বাসনাগুলিকে জানতে পার এবং অন্যদের জন্য ক্ষতিকারক বাসনাগুলিকে ত্যাগ করতে পারো। যদি বাসনা অন্যদের জন্য ক্ষতিকারক হয় তবে তা ত্যাগ করাই বুদ্ধিমানি।
কল্পতরু প্রোগ্রাম তোমার মধ্যে এই বীজগুলি বপন করে :
শক্তি : যে জিনিষগুলির পরিবর্তন করা প্রয়োজন তাদের পরিবর্তন করার শক্তি,
বুদ্ধি : যা জিনিষগুলি অপরিবর্তনীয় তাদের স্বীকার করার বুদ্ধি,
যুক্তি : যা কিছুই অপরিবর্তনীয় হোক না কেন, অস্তিত্ব নিজেই এক চিরন্তন পরিবর্তিত হতে থাকা স্বপ্ন!
মুক্তি : ওপরের তিনটি অভিজ্ঞতা করা ও পরমানন্দে বাস করা!
যা কিছু তুমি পরিবর্তন করতে পার ভাব, যে সহজ জিনিষগুলিকে তুমি পরিবর্তন করতে পার, কেবল তাদের জন্য শক্তি লাগাও। ভেবো না, 'ও, আমি দুটো অভ্যাস পরিবর্তিত করতে পারি, এতে আমার কি হবে?' যা পরিবর্তন করতে পার কেবল সেগুলিকে পরিবর্তন কর। তারপর স্বীকার কর যা পরিবর্তন করতে পার না। যখন তুমি তোমার শক্তিকে প্রকাশ করেছ, বদ্ধিমত্তা প্রস্ফটিত হওয়া শুরু হবে।
যা কিছু পরিবর্তন করা যায় না, তাকে স্বীকার করাই বুদ্ধিমত্তা। কিন্তু যতক্ষণ না তুমি যা পরিবর্তন করতে পার তার জন্য শক্তি প্রকাশ না কর, তুমি যা পরিবর্তন করতে পার না তা স্বীকার করার বুদ্ধিমতা প্রাপ্ত হবে না। প্রথমে যা পার পরিবর্তন করার চেষ্টা কর। তারপর দেখবে, যা তুমি পরিবর্তন করতে পার না, তা স্বীকার করার প্রবল ক্ষমতা হবে।
তৃতীয় বীজ হল যুক্তি। তুমি জিনিষগুলিকে যতই পরিবর্তন কর না কেন, যা কিছু তুমি পরিবর্তন কর না কেন, তা স্বত্ত্বেও সমগ্ৰ বিশ্ব নিজেই এক পৰিবৰ্তনীয় বাস্তবতা, এক পরিবর্তশীল স্বপ্ন। এটা এক স্বপ্ন যা বিনা কারণে অনবরত পরিবর্তিত হচ্ছে। এটা কোন কারণ -বিহীন। যেহেতু এটা কারণ-রহিত, তুমি এটাকে হয় কারণ-রহিত মঙ্গলময় শক্তি অথবা কারণ-রহিত বিশৃঙ্খলতা বলতে পার। যে এটাকে কারণ-রহিত মঙ্গলময় শক্তি হিসাবে দেখে, সে একজন ঘটনাবাদী। যে এটাকে কারণ-রহিত বিশৃঙ্খলতা হিসাবে দেখে, সে একজন জড়বাদী।
মাত্র কয়েক বছর আগে ঘটনাস্তিতাবাদী বা জড়বাদী উভয় পক্ষই ছিল ভারতে। যদি তুমি মনে কর যে এটা কারণ-রহিত মঙ্গলত, সেটা এক ঘটনাস্তিতাবাদী ভাব। নচেৎ, এটা একটা অভিশাপ।
দর্শনের সময় অনেকে মনশ্চক্ষে কিছু দেখে, কারো বা দিব্য বা আধ্যাত্মিক রূপ দর্শন হয়, কেউ গভীর আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা ও কারণ-রহিত পরমানন্দের অভিজ্ঞতা প্রাপ্ত করে। কেবল তাই নয়, মুক্তির এক শক্তিশালী ঢেউ অচেতন ভয়, অপরাধবোধ ও বাসনাও ধুয়ে দেয়। তুমি কি বিশ্বাস করবে না করবে তা তোমার ব্যাপার। ঘটনা যা ঘটার সেটাই ঘটবে। তুমি এইসবের কারণ হয়ত জান না কারণ সেগুলির উদ্গীরণ হয় ঢেউয়ের শক্তি দ্বারা গভীর অচেতন স্তর থেকে। দর্শনের সময় নিজেকে হালকা করুন এবং গভীর শ্বাস নিন কারণ দর্শনের সময় গভীর চিন্তা থেকে মুক্ত করার এক বিরল সুযোগ। উচ্ছ্বসিত
নদীতে ঝাঁপ দেওয়া ঢেউয়ের মত গভীর থেকে আসা চিন্তাগুলি সহজেই মুছে ফেলা যায়।
দর্শনের সময় তোমার সত্তা সজীব হয় এবং অস্তিত্ত্বের শক্তি তরঙ্গের সাথে উদযাপন করে। মনে কিছু মতাদর্শ জমা করে রেখো না। দর্শনের সময় গভীর ছাপ হয়ে যায়।
আমার কেবল একটা জিনিষ বলার ইচ্ছা। জীবন এক অস্তিত্বের ধনসম্পদের মত। সেটিকে - উপভোগ - করা ছেড়ো না! অস্তিত্বকে কেবল 'হ্যাঁ' বল এবং তার ভিতরে শিশুর মত প্রবেশ কর।
নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলার জন্য তোমাকে চেকে দস্তখত করতে হয়। একইভাবে, অস্তিত্ত্বের শক্তি গ্রহণ করার জন্য তোমাকে কেবল উন্মুক্ত হতে হবে, ব্যাস্।
মনে রেখ, কেবল যে ঝিনুক উন্মুক্ত হয় সে ঝিনুকে বৃষ্টির জল রত্ন উৎপাদন করে, কেবল সেই মূল্য দেয় যিনি কর্তা হতে রাজি। যখন তুমি মাস্টারের কাছে উন্মুক্ত হও, তাঁর থেকে কেবল এক প্রকার মাধুর্য্যই নির্গত হয়। যা যেন বৃষ্টির জল ঝিনুকের মধ্যে প্রবেশ করা ও মুক্তা তৈরি করা।
তোমার মধ্যে মাস্টারের উপস্থিতি কাজ করার জন্য, যা কিছু ঘটে তা ঘটতে দাও। চাপে থেকো না, বিরক্ত থেকো না বা বাধা দিও না। কোন কিছু আশা করবে না। যা কিছু ঘটে তা ঘটতে দাও। কেবল এক মহাসাগরের শক্তির করতে সেই ঢেউয়ের ওপরে নৃত্য করে!
শক্তি : জীবনে যা কিছু পরিবর্তন করা দরকার সম্মন্ধে বোঝার ও পরিবর্তন করার শক্তি
বুদ্ধি : জীবনে যা কিছু আমার পরিবর্তন - করার - দরকার - নেই সেগুলিকে বোঝার ও মেনে নেবার বুদ্ধি
যুক্তি : তুমি যতই পরিবর্তন কর না কেন, যাকে তুমি বাস্তবতা বলে দেখ তা নিজেই অবিশ্রাম পরিবর্তিত হচ্ছে -এটা জানার ও সেগুলোকে মেনে নেওয়ার যুক্তি
ভক্তি : যা অপরিবর্তনীয়, নিত্য ও ভবতীত, তার প্রতি সজীব সংযোগ অনুভব করার জন্য ভর্তি
মুক্তি : এই চারটির একাঙ্গীভবন ও জীবনমুক্তিতে পরম মুক্তি।
নিরাময়
১) আমি হেপাটাইটিস বি রোগে আক্রান্ত ছিলাম এবং মনে করা হত এটা নিরাময় হওয়া সম্ভব নয়। সব হাসপাতাল আশা ছেড়ে দিয়েছিল এবং আমি ছয় বছর ধরে মৃত্যুর সন্নিকটে ছিলাম।
আমার বন্ধুর প্রস্তাবে আমি THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর মহিমা জানতে পারলাম। তিনি ভারতে তামিলনাডুর ইরোডে অনেক মানুষকে নিরাময় করতেন। তিনি আমাকে কিছু বিভূতি দিলেন ও বললেন যে আমি যা কিছু খাই তাতে সেই বিভূতি মিশিয়ে দেব। আমি তাঁর কথা মত প্রতিদিন ধরে খেলাম ও পান করলাম। তাঁর নির্দেশ অনুসরণ করার পরে তৃতীয় দিন থেকেই আমি অনুভব করলাম আমার পেট নিরাময় হচ্ছে -লম্বা ছয় বছর পরে! সঙ্গে সঙ্গে তাঁর নির্দেশ মত আমি পুরো মশলাযুক্ত খাবারও করলাম - ছয় বছরে প্রথমবার। তারপর থেকেই
আমি এক সুস্থ ও আনন্দময় জীবন যাপন করছি এবং আমি আমার ঐশ্বরীয় মাস্টারকে সেবা করার জন্য সদা তৈরি।
২) ওভারিয়ান সিন্ড্রোম (PCOS) ধরা পড়ে এবং তার জন্য আমার হরমোনের সমস্যা হচ্ছিল। আল্ট্রাসাউণ্ডে তা ধরা পড়ে এবং দেখা যায় যে আমার ডিম্বাশয় ছোট ছোট সিস্ট (cyst) দিয়ে আচ্ছাদিত। আমি THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর এক ধ্যান প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করলাম এবং সেখানে THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-কে আমার সমস্যার কথা মুখে বলাই হয় নি!
একমাস পরে আমার চোদ্দ কেজি ওজন কমে গেল। আগে আমার প্রায় নব্বই কেজি ওজন কমানোর জন্য আমি লম্বা সময়
ধরে লড়াই করেছি এবং অল্পাহার ও ব্যায়াম করে আমি কোন ওজন কমাতে পারি নি। সেই সময় আমি উপলব্ধি করতে পারলাম আমার ওজন কমানোর বাসনা পরিবর্তনের সাথে সম্ভবিক কারণ তা হল এক ধরণের শুন্যতা যা আমরা বাইরে থেকে পুরণ করার চেষ্টা করি কিন্তু কখনও পূরণ করতে পারি না। প্রায় এক বছর পরে যখন আমি আল্ট্রাসাউণ্ড চেকআপ করতে যাই, ডাকারেরা অবাক হয়ে গেল এই দেখে যে আমার সিস্টগুলি একেবারেই চলে গেছে!
৩) সিঙ্গাপুরে আসে, তারা মালয়েশিয়ার তিয়োম্যান দ্বীপে বেড়াতে গিয়েছিল। যখন তারা স্কুবা ডাইভিং বা স্নরকেলিং করছিল, আপাতদৃষ্টিতে তাদের সমুদ্রের একটা খারাপ অভিজ্ঞতা হয়েছিল। স্নরকেলিং করার সময় তারা প্রায় ডুবে যাচ্ছিল। তারা জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল। ফিরে আসার পরে তারা প্রায় শক পাবার অবস্থায় ছিল। আমার মামার কাঁপুনি দিয়ে জরুরও হয়েছিল।
আমি তাকে শুয়ে পড়তে বললাম এবং তাকে নিত্য আধ্যাত্মিক নিরাময় প্রদান করতে বললাম। সে শীঘ্রই নিদ্রায় চলে গেল। পরের দিন সকালে যখন সে
উঠল, তার মনে হল যেন তার আগে কিছুই হয় নি।
- একজন ব্যক্তি আমাকে বলছিল যে তার স্ত্রীর সেভিন্সিজম (ভয়ংকর যন্ত্রণা) হয়। সে ভাবছিল নিত্য আধ্যাম্মিক নিরাময় মানসিক স্তরেও কাজ করবে কিনা। নিরাময়ের শক্তি যে বিশুদ্ধ বুদ্ধিমত্তা - সেটা আমি তাকে ব্যাখ্যা করলাম ও বললাম যে সেটা সর্বস্তরে কার্য করে। তারপর আমি প্রায় পনের মিনিট ধরে তাকে নিরাময় প্রদান করি। তার সমস্ত জিজ্ঞাসা দূর হয়ে গেল এবং সে জানতে চাইল জীবনে বর্তমানে আর কি কি ঘটছে। লাগাতার পরের দিন ফোন করে বলে নিরাময় করার সময় ও পরে সে এক গভীর শান্তি ও স্বচ্ছন্দ অনুভব করে এবং লম্বা চারটি বছর পরে সে রাত্রিবেলা খুব সুন্দর ঘুমিয়েছে।
«) আমি অনেক খুঁত যুক্ত। আমার বহু চিকিৎসাধীন মহিলাদের THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর কৃপা হয়েছে। সম্প্রতি এক মহিলা যক্ষ্মারোগে (টিবি) ভুগছিল। সে এতটাই খুব পাতলা হয়ে গিয়েছিল এবং এণ্ডোমেট্রিয়াম
পরবর্তী ধাপ - ইনার অ্যাওয়েবেকেলিং (অন্তর্জাগরণ)
সবচেয়ে স্বাভাবিক পরবর্তী ধাপ হল "ইনার অ্যাওয়েকেনিং প্রোগ্রাম"
জীবনের সকল অভিষুখে মানুষের পুরো সম্ভাবনাকে বাস্তবায়িত করার জন্য এটি একটি ২১ দিনের অনন্য, অদ্বিতীয় এবং প্রগাড় ধ্যান প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রামের প্রধান বৈশিষ্টগুলি হ'ল :
- ✔ যোগীর শরীর তৈরির জন্য নিত্যযোগ
- সানুষের মন ও আত্মাকে শুদ্ধিকরণ ও তাতে শক্তিসঞ্চার করার জন্য বিভিন্ন ধ্যান প্রক্রিয়ার মিশ্রণ (অতীত-জীবন প্রত্যাবর্তন (past-life regression) সহ|
- ✔ চিন্তার সীমিত ছকের বিশ্লেষণ
- র কিছু আলোকসম্পাতকারী ক্যাম্প -ফায়ার সেশন
- র ইন্টার অ্যাক্তিভ সেশন
- র শক্তি-দর্শন এবং ২১টি শক্তিশালী দীক্ষা ও ঐকান্তিক কুণ্ডলিনী জাগরণ
এই প্রোগ্রামটিকে আপনার রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে আরও গভীর করার জন্য এবং আপনার পর্ণ সম্ভাবনাকে নিশ্চিতভাবে বাস্তবায়িত করার জন্য রচনা করা হয়েছে।
বিজ্ঞান দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে যে এই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারীর মাইটোকখিয়াল কোষের শক্তি ১৩০০% বদ্ধি পায়। ইনার আওয়েকেনিং নানা প্রকার স্বাস্থ্যগত উপকার প্রদান করে , যেমন মধুমেহ বা ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ, রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ, ওজন-ভারসাম্য ও অনিদ্রা থেকে ত্ৰাণ ইত্যাদি।
The Supreme Pontiff Of Hinduism Bhagawan Sri Nithyananda Paramashivam মিশন সম্বন্ধে
পৃথিবী এক নতুন চেতনায় জাগছে এবং বস্তুগত জীবন ও আধ্যাত্মিক জীবন, অন্তরের বিকাশ ও বাইরের বিকাশ, এদের মধ্যে পথকীকরণ শীঘ্রই ভেঙ্গে পড়ছে। নতুন যুগের মানুষ এক সমন্বয়পূর্ণ বিশ্ব গড়ার চেষ্টা করছে যেখানে বস্তজগতে সাফল্য আধ্যাত্মিক বিকাশের পরিপূরক হয়, যেখানে পুরাতন প্রজ্ঞা ও আধুনিক বৈজ্ঞানিক জ্ঞান সুন্দরভাবে মিশ্রিত হয়ে সবার জন্য এক সমৃদ্ধতর ও আরও পরিতৃপ্তিকর জীবন সৃষ্টি করবে।
এই বৈপ্লবিক সত্যগুলি সমস্ত বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়াই THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM মিশনের প্রচেষ্টা। THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM মিশন এক বিশ্বজোড়া আন্দোলন এবং তা জাতি, লিঙ্গ ও দেশ নির্বিশেষে আমাদের গ্রহের সমস্ত মানুষের যথার্থ জাগরণ ঘটানোর জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আধুনিক জীবনের আলোকে প্রাচীন বৈদিক প্রাজ্ঞতা পুনরায় ব্যাখ্যা ক 'রে এই মিশন ব্যক্তির ও সমষ্টির শক্তিশালী রূপান্তরের সুযোগ সৃষ্টি করে চলেছে।
প্রোগ্রাম ও ওয়ার্কশপ সমূহ
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM ধ্যানপীঠম কোটি কোটি মানুষের দেহ, মন ও আত্মা স্তরের মঙ্গলসাধনের জন্য সারা বিশ্বে বিভিন্ন ধ্যান প্রোগ্রাম ও কর্মশালা পরিচালনা করে।
ইনার আওয়েকেনিং (Inner Awakening) :
জীবনের সকল অভিমুখে মানুষের পুরো সম্ভাবনাকে বাস্তবায়িত করার জন্য এটি একটি ২১ দিনের অনন্য, অদ্বিতীয় এবং প্রগাঢ় ধ্যান প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রামের প্রধান বৈশিষ্টগুলি হ'ল :
-
- প্রক্রিয়ার মিশ্রণ [অতীত-জীবন প্রত্যাবর্তন (past-life regression) সহ]
- শক্তি-দর্শন (energy-darshan) -
- কিছু আলোকসম্পাতকারী ক্যাম্প -ফায়ার সেশন ।
- ঐকান্তিক কুণ্ডলিনী জাগরণ এবং ধ্যান যোগের মাধ্যমে মানুষ অলৌকিক ক্ষমতা - (levitation) অভিজ্ঞতা লাভ করে
বিজ্ঞান দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে যে এই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারীর মাইটোকণ্ডিয়াল কোষের শক্তি ১৩০০% বদ্ধি পায়। ইনার আওয়েকেনিং নানা প্রকার স্বাস্থ্যগত উপকার প্রদান করে , যেমন মধুমেহ বা ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ, রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ, ওজন-ভারসাম্য ও অনিদ্রা থেকে ত্ৰাণ ইত্যাদি।
নি-ধনাঢ্যতা বা এন্ওয়েল্থ্ (Enwealth) :
সপ্তাহের শেষে THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর সাথে এক অসাধারণ ওয়ার্কশপ যেখানে তিনি ধনসম্পদ সৃষ্টির বিষয়ে গুহা বৈদিক রহস্য প্রদান করেন - যেমন সম্পদ আকর্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সঠিক অন্তর্দেশ গঠন, নিখুঁত ও দায়িত্বপূর্ণভাবে সিদ্ধান্তগ্রহণের ক্ষমতা , অনায়াস-সাফল্যের জন্য বন্দোবস্ত করার প্রক্রিয়া।
আরও বহু প্রোগ্রাম সম্বন্ধে জানার জন্য ওয়েবসাইটে বা অফিসে যোগাযোগ করুন
-
নিত্যানন্দ স্পিরিচুয়াল হিলিং ।
-
দ্য নিত্যানন্দ-অর্ডার এবং ইটস ট্রেনিং , ।
-
নিত্যানন্দ বিদ্যালয় : এখানে আধুনিক প্রযুক্তির সাথে প্রাচীন বৈদিক পদ্ধতি সংযুক্ত ক'রে জীবনমন্ত্রি কেন্দ্রিক শিক্ষা দেওয়া হয় এবং শিশুদের অবদমন , ভয় ও বড়দের চাপ ছাড়া প্রস্ফটিত হতে সাহায্য করা হয়।
-
কর্পোরেট ধ্যান প্রোগ্রাম : বিশ্বব্যাপী কর্পোরেট ফার্মদের জন্য বিশেষভাবে সংকল্পিত ও পরিচালিত প্রোগ্রাম। এতে মাইক্রোসফট, এটি অ্যান্ড টি, কোয়াল কম, জেপি মর্গান, পেটোব্রাস, পেপসি, অরাক্যাল, আমেরিকান এসোসিয়েসন অফ ফিসিশিয়ান অফ হিন্দু অরিজিন (AAPI) লাভ পেয়েছে। এই প্রোগ্রামে ফোকাস করা হয় স্বজ্ঞামলক পরিচালন (intuitive management), অধিনায়কতের দক্ষতা (Leadership Skill) এবং টীমওয়ার্ক।
-
নিত্যানন্দ শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান : ৩০০ জনেরও বেশী শিক্ষককে এই সব বিষয়ে শিক্ষা দেবার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে : রূপান্তরমলক ধ্যান প্রোগ্রাম , কোয়ান্টাম স্মতি প্রোগ্রাম, নিত্যযোগ, স্বাস্থ্য ও নিরাময় প্রোগ্রাম, আধ্যাত্মিক অভ্যাস প্রোগ্রাম এবং আরও অনেক।
-
গণমাধ্যম (Media) : নিত্যানন্দ-কথিত রূপান্তরিত হবার জন্য সন্দেশ ও রচনা দেশে ও বিদেশের সংবাদপত্র ও ম্যাগাজিনে প্রকাশ করা হয়।
-
নিত্যানন্দ পারিশার্স : ৫০০০ ঘন্টার বেশী সময়ের THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর বক্ততাগুলি আভ্যন্তরীণভাবে প্রতিলিপি করে সম্পাদিত ও প্রকাশিত করা হয়েছে এবং দোকানে বই, ডিভিডি ও সিডি বানিয়ে উপলব্ধ করা হয়েছে।
-
লাইফব্লিস গ্যালেরিয়াস : বিশ্বব্যাপী স্টোর ও চলমান দোকান থেকে ২৩টি ভাষায় THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর বক্ততার বই ও নিত্য কীর্তনের রেকর্ডিং বিক্রি করা হয়।
-
নিত্যানন্দ ধ্যান ও নিরাময় কেন্দ্র (Nithyananda Meditation end Healing Centers) : বিশ্বব্যাপী ধ্যান-সেবা ও নিরাময়-সেবা করা হয়।
-
নিত্যানন্দ সঙ্গীত অ্যাকাডেমি : সঙ্গীত, নত্য এবং অন্যান্য কলার শিক্ষাদান করা হয় এবং যুবা ও যুবা-মনের প্রৌটদের উৎসাহিত করা হয় - লাইভ এবং ইন্টারনেট দ্বারা।
-
বিজ্ঞানী ও গবেষকদের সহায়তা : আধ্যাত্মিক শক্তি ও হীলিংয়ের ওপর রিসার্চ দ্বারা ক্রমাগত বিজ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতার বিভেদ দর করা হচ্ছে।
-
নিত্যানন্দ ইন্টারন্যাশনাল ইয়থ ফাউণ্ডেশন (NIYE) : অনুপ্রাণিত যুবাদের এক সমষ্টি শান্তি ও জীবনমুক্তির সর্বজনীন ভাবাদর্শ দ্বারা দিব্য ও প্রগতিশীল সমাজ নির্মাণে লিপ্ত।
-
উইমেন্স এমপাওয়ারমেন্ট (WE) : জীবনমুক্তির সর্বজনীন ভাবাদশ সহকারে এক প্রগতিশীল মহিলাদের শাখা সমাজকে শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক স্তরে সেবা করছে।
-
নিত্য ধীরা সেবা সেনা : নিজের রূপান্তরের মাধ্যমে এই 'আনন্দ-সেবক' স্বেচ্ছাকর্মীরা মানবসেবার কাজ করে ও তার প্রশিক্ষণ দেয়। তারা কোন বিপর্যয়ের সময় পুনরুদ্ধারের জন্য ত্রাণকর্মী বা রিলিফ উইং হিসাবে সেবা করে।
'জীবনমুক্ত ম্যানেজমেন্ট - ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পথ' - চেন্নাইতে মাদ্রাস ম্যানেজমেন্ট এসোশিয়েশনে কথন
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM প্রাথমিক থেকে উচ্চতর ধ্যান প্রোগ্রামগুলি নিজে পরিচালিত করেন এবং তাতে বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করে
Intuitive Microsoft, AT&T, Qualcomm, JP Morgan, Petrobras, Oracle
ডিসেম্বর ২০০৫ সালে ভারতের বিদাদি আশ্রমে "নিত্যানন্দম্", একটি উচ্চতর ধ্যান প্রোগ্রাম
দক্ষিণ ভারতের কলেজে 'লাইফ ব্লিস ধ্যান প্রোগ্রাম - লেভেল ২'। হাজার ছাত্রছাত্রীরা অংশগ্রহণ করে।
মালয়েশিয়াতে কল্পতরু প্রোগ্রাম, ২০ নভেম্বর ২০০৮
২০০৮, ২১ ডিসেম্বরে তিরুভান্নামালাইতে বিশাল সৎসঙ্গে ভাষণ
২০০৭, ২০-২২ ডিসেম্বরে ভারতে ব্যাঙ্গালোরে তিন দিনের 'নিত্য ধ্যান প্রোগ্রাম'
২০০৮, ১-২১ ডিসেম্বরে প্রথম "ইনার অ্যাওয়েকেনিং" প্রোগ্রাম। জীবনমুক্ত জীবনযাপনের সূত্র সম্বন্ধিত ২১ দিনের এই প্রোগ্রাম ভারতের বিদাদিতে হয়।
২০০৬ সেপ্টেম্বরে লস এঞ্জেলসে যোগ সম্প্রদায়ের কাছে 'নিত্য যোগ' সম্বন্ধে প্রথম বক্তৃতা
আধুনিক মানুষের জন্য পুনরায় উপস্থাপিত মূল পতঞ্জলি যোগ হল 'নিত্য যোগ'। জীবনমুক্তির অভিজ্ঞতাকে ধরে রাখার জন্য দেহ-মন তৈর্ করার এক নিগূঢ় বিজ্ঞান হল 'নিত্য যোগ', এটা শুধু দৈহিক ব্যায়াম নয়।
শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম, বাক্হূর্ন, মার্কিণ যুক্তরাষ্ট্র THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM নিজে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও দীক্ষা দেন। তারা বিশ্বজুড়ে ধ্যান ও যোগ প্রোগ্রাম পরিচালনা করেন
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM পরম সত্যের বুদ্ধিগত ও অভিজ্ঞতামূলক, উভয়প্রকার বোধ প্রদানকারী শক্তিশালী ধ্যান প্রোগ্রাম পরিচালনা করেন
২০০৫, ৪-২৫ সেপ্টেম্বরে লস এঞ্জেলসে মালিবু হিন্দু মন্দি রে ভগবদ্গীতা কথা
২০০৭ সালে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে এবং ২০০৮, মার্চে বিদাদী আশ্রমে শিবসূত্র সম্বন্ধে কথা
জীবন সমাধান থেকে শাস্ত্রসমূহের সার - বহু বিষয়ে THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM ভাষণ দিয়েছেন। ভগবদ্গীতা, শিব-সূত্র, জৈন-সূত্র, অষ্টবক্রগীতা সম্বন্ধে সৎসঙ্গ করেছেন। রামায়ণ ও মহাভারতের গভীর সত্য নিয়েও ভাষণ দিয়েছেন।
২০০৫ নভেম্বরে ব্যাঙ্গালোরে অষ্টবক্র গীতা সম্বন্ধে সৎসঙ্গ
২০০৭ সালে ৬ ও ৭ মার্চ ক্যালিফোর্নিয়ার বেয়ুনা পার্কে জৈন মন্দির ও সংস্কৃতি কেন্দ্রে জৈন-সূত্ৰ নিয়ে সৎসঙ্গ
২০০৮ মার্চে ভারতের বিদাদি আশ্রমে শিব সূত্র নিয়ে সৎসগ
ধ্যান স্ফুরণ প্রোগ্রামের মুহূর্ত
বিশ্বব্যাপী অন্বেষণকারীদের জন্য THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM বিভিন্ন বিশিষ্ট ও উচ্চতর ধ্যান প্রোগ্রাম পরিচালনা করেন। কেবল বুদ্ধিগত বোধ নয়, এই প্রোগ্রামগুলি অভিজ্ঞতামূলক বোধও প্রদান করে।
২০০৮ জানুয়ারীতে চেন্নাইতে বই-মেলায় অংশগ্রহণ চিরন্তন সত্য ও সারা বিশ্বের জন্য বাণী সম্বলিত THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM-এর ২০০টির বেশী বই নিত্যানন্দ প্রকাশনা প্রায় ৩০ টি ভাষায় প্রকাশিত করেছে
নিত্যানন্দ গ্যালেরিয়াতে (অন্লাইন ও চলমান ভ্যানেও উপলব্ধ) নিত্যানন্দ মিশনের বিভিন্ন দ্রব্য পাওয়া যায়, যেমন বই, সিডি ও ডিভিডি (8900 ঘণ্টার সৎসঙ্গ), জীবনশৈলী দ্বব্য আয়ুৰ্বেদ ও হাৰ্বাল দ্ৰব্য ইত্যাদি।
ভারতে বিদাদিতে নিঃশুল্ক স্বাস্থ্য শিবির
স্বাস্থ্য শিবির, ওহায়ো, মার্কিণ যুক্তরাষ্ট্র, ২০০৭ সালে
নিত্যানন্দ মিশন স্কুলে, গ্রামাঞ্চলে, কারাগারে নানা সেবামূলক কার্যকলাপ করে - সচেতনতার শিবির, আশ্রমে ও চলমান সাধারণ ও বিশেষ চিকিৎসালয়, অন্ন-বস্ত্র দান ইত্যাদি।
ভারতের বিদাদি আশ্রমে LBT ক্লাস
লাইফ ব্লিস টেক্নোলজি (เBT) যুবাদের দায়িত্বশীল ও পূর্ণসত্তা হয়ে বিকশে সহায়তার জন্য জীবন-প্রযুক্তি ও জীবনমুক্তির বিজ্ঞান শিক্ষাদান নিমিত দুই বছরের এক নিঃশুল্ক অভূতপূর্ব আবাসিক প্রোগ্রাম।
কারাগারে ধ্যান প্রোগ্রাম
সবুজ পৃথ্বীমাতার জন্য উৎসাহপ্রদান
সংঘের প্রধান কেন্দ্র বিদাদিতে নিরাময়কারী পুরাতন পবিত্র বটবৃক্ষ। এটি আশ্রমে এক নিগৃঢ় শক্তিকেন্দ্র এবং জীবনমুক্তির শক্তি প্রকাশিত করে।
ভারতের বিদাদি আশ্রমে ধ্যান প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারীদের নিরাসস্থল আশ্রমের শক্তিক্ষেত্রে বিভিন্ন আবাসিক ধ্যান প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারীদের সুন্দর থাকার ব্যবস্থা আছে। ডর্মিটোরিও আছে।
বৈদিক মন্দির, ওহায়ো
বিশ্বজুড়ে ১২০০ জন সার্বক্ষণিক স্বেচ্ছাসেবী বিভিন্ন আশ্রম, বৈদিক মন্দির ও সংঘের কার্য করে।
বৈদিক মন্দির, মন্টকেলয়ার, মার্কিণ যুক্তরাষ্ট্র
ভারতে হায়দ্রাবাদ আশ্রম
বিশ্বজুড়ে নিত্যানন্দ সংঘের অনেক আশ্রম ও কয়েকশ ' কেন্দ্র সম্পূর্ণরূপে স্বেচ্ছাসেবক ভিত্তিক এবং ধ্যান-প্রোগ্রাম ও স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ক্ষেত্রে সমাজসেবায় লিপ্ত।
নিত্যানন্দ সংঘ, সেন্ট লুইস, মার্কিণ যুক্তরাষ্ট্র
Part 17: Living Enlightenment (Gospel of Paramahamsa Nithyananda)_Bengali_part_17.md
এখন পর্যন্ত ১০টির বেশী দেশে বিভিন্ন যোগ-স্টুডিও, কলেজ, বইয়ের দোকান, কারাগার ইত্যাদি স্থানে নিত্য যোগ কলস পরিচালনা করা হয়
অন্নদান
বিশ্বব্যাপী নিত্যানন্দ মন্দিরগুলি প্রতিদিন নিঃশুল্ক ভোজন প্রদান করে
অনাথাশ্রমে দান
নিত্যানন্দ ইয়ুথ ফাউণ্ডেশন সেবামূলক কার্য পরিচালনা করেছে। এতে আছে হাসপাতালে খাবার বিতরণ, ছাত্রছাত্রীদের বাইসাইকেল, স্কুলের বই, ব্যাগ, জুতো এবং বৃত্তি প্রদান, ধ্যানের ক্লাস, অন্ন -বস্ত্র বিতরণ, সড়ক সুরক্ষার ব্যারিকেড, রক্তদান শিবির, কৃত্রিম অঙ্গ দান, সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা ও পূজা, অনাথাশ্রমে প্রয়োজনীয় দ্রব্য দান, নিঃশুল্ক উপদেশ ও পরামর্শ, সবুজ পৃথিবীর জন্য উৎসাহপ্রদানে নিঃশুরু চারাগাছ প্রদান।
গ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য নিঃশুল্ক বাইসাইকেল
নিত্যানন্দ সম্প্রদায়ের এক বরিষ্ঠ স্বামী ক্যারিবিয়ানের গোয়াডালুপে লাইফ ব্লিস প্রোগ্রাম লেভেল ৩ পরিচালনা করছেন। ৩০০-র বেশী দীক্ষিত ধ্যান ও যোগের শিক্ষকগণ বিশ্বজুড়ে প্রাথমিক ও উচ্চতর প্রোগ্রাম পরিচালনা করেন
লাইফ ব্লিস প্রোগ্রাম লেভেল ১, নিউজিল্যান্ড
লাইফ ব্লিস প্রোগ্রাম লেভেল ১, দুবাই
বিশ্বশান্তি ও ধার্মিক সমন্বয়ের বার্তা প্রচার ও সচেতনতা সৃষ্টির জন্য নিত্যানন্দ বিভিন্ন ফোরামে ভাষণ প্রদান করেন
দ্বিতীয় কুম্ভমেলা, লস এঞ্জেলস, ৯ সেপ্টেম্বর ২০০৭ নিত্যানন্দ সংঘ পৃথ্বীগ্রহে সমষ্টিগত সকারাত্মকতা বৃদ্ধির জন্য ভারতে ও আমেরিকাতে কুম্ভমেলায় যোগদান করে
বাৎসরিক হিমালয় যাত্রা
হিমালয়, বারাণসী, আংকোর ভাট ইত্যাদি স্থানে নিত্যানন্দ ভজদের নিয়ে আধ্যাত্মিক যাত্রা করেন
বারাণসী যাত্রা, জুন ২০০৮
নিঃশুল্ক হীলিং (নিরাময়) দর্শন, বিদাদি, ভারত, মার্চ ১-৩১, ২০০৮
মহাজগতের শক্তি দ্বারা হীলিং করার এক অনন্য বিজ্ঞান হল নিত্য আধ্যাত্মিক হীলিং। THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM নিজে হীলিং করেন এবং ৫০০০ নিত্য আধ্যাত্মিক হিলারদের দীক্ষা দিয়েছেন। এই হিলারেরা (নিরাময়কারী) বিশ্বজুড়ে দিনে নিঃশুল্ক হীলিং প্রদান করছেন।
ভারতে বিদাদি আশ্রমে হিলারদের সম্ভাষণ
THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM নিয়মিতভাবে বিভিন্ন দলের সাথে দেখা করে - স্বেচ্ছাসেবক, দীক্ষিত হিলার, শিক্ষক ও ভক্তজন
ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে 'লাইফ ব্লিস প্রোগ্রাম লেভেল ২' - হাজার অংশগ্রহণকারী
একসাথে ধ্যান প্রোগ্রাম, পণ্ডিচেরি, ভারত ৩০০ জন দীক্ষিত শিক্ষক ৩০টি দেশে ধ্যান প্রোগ্রাম পরিচালনা করেন
২০০৬ সালে বিদাদি আশ্রমে হাস্যমন্দিরের (লাফিং টেম্পেল) সামনে একদল আশ্রমবাসীদের সাথে উপবেশন
এই বিরল উপহার হল উপনিষদ - মাস্টারের সাথে বসা, উপবেশন। এইভাবে উপবেশন মানুষকে সরাসরি জীবনমুক্তির দিকে পরিচালিত করতে পারে।
গুরুকুলে ছাত্রদের ক্লাস নেওয়া
নিত্যানন্দ গুরুত্বকুল এক অনন্য বৈদিক প্রথায় পরিচালিত। এটা আধুনিক বৈজ্ঞানিক সিস্টেমে শিক্ষাদান ও বৈদিক পদ্ধতির সমন্বয়। শিশুর সহজাত বুদ্ধির সুরক্ষা ও বিকাশ হয় এবং সে কোনপ্রকার চাপ, ভয় বা অন্যের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া এক আত্মবিশ্বাসী, দায়িতুশীল ও পরিপূর্ণ সত্তা হয়।
স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের জন্য ধ্যান প্রোগ্রাম
বিশেষভাবে পরিকল্পিত ধ্যান, যোগ ও স্মরণশক্তির প্রোগ্রামে হাজার হাজার উপকৃত হয়েছে
" वरे वरेणिटक वामि या वलि , या वलकि, या वलव अवर या किकू बल চাই কিন্তু হয়ত বলতে অসমর্থ, তার সুগন্ধসার অন্তর্ভুক্ত...
'প্রতিটি মানুষের ভিতরে অসাধারণ সম্ভাবনা প্রচ্ছন্ন আছে। সেই সম্ভাবনাকে জাগ্রত করলে তা তোমাদের মানব দেহ-মনের সীমাবদ্ধতাকে ছাড়িয়ে চেতনার এক অতি উচ্চতর স্তরে নিয়ে যাবে। এই व्यक्तिकनारक जन्म जनवर जासारमन भवत मण्डवायिक कन। सानवजीवनन একমাত্র লক্ষ্য – জীবনমাক হয়ে জীবনযাপনের চড়ান্ত বিলাসিতা। '
- THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM, একবিংশ শতাব্দীর এক জীবন্তু জীবনমক্ত মাস্টার
এই বইতে অন্তর্ভুক্ত বিষয়সমূহ :
- স্পষ্ট, সরল ও সম্পর্ণ জীবন সমাধান
- কি করে অপরাধবোধ কাটিয়ে ওঠা যায়?
- প্ৰকৃত প্ৰেম কি?
- দৈনন্দিন পরমানন্দের সোজা পথ
- ৰ প্ৰাত্যহিক সহজ ধ্যান ও যোগ সহ এক আনন্দময় জীবনশৈলী
- র ১০০টির বেশী শক্তিশালী ধ্যান প্রক্রিয়া এবং নিত্য সচেতনতা অভ্যাসসমুহ
- জীবনের চিরন্তন সত্যে বিরল সক্ষ্ম অন্তর্দাষ্টি
- কর্ম কি?
-
জীবনের উদ্দেশ্য কি?
- মাস্টারের (গুরু) মাত্রা সকল
- ১ মাস্টার (গুরু) কে?
- র মাস্টার আমাকে কিভাবে পরমকে উপলব্ধি করতে সহায়তা করতে পারেন?
গ্রন্থকার সম্মন্ত্রে
ভারতবর্ষের অসাধারণ অবতার মহাপুরুষ THE SUPREME PONTIFF OF HINDUISM BHAGAWAN SRI NITHYANANDA PARAMASHIVAM আমাদের সহস্রান্দে এক ওজস্বল আধ্যাত্মিক শক্তি হয়ে আবির্ভূত হয়েছেন। সমগ্র পথিবীতে কয়েক কোটি মানুষের সাথে কাজ ও শেয়ার করতে করতে, নিত্যানন্দ মানবজাতির পরবর্তী বিরাট সাফল্য, 'অতিচেতনা'-তে, আমাদের নিয়ে যাবার জন্য সাহায্য করতে বদ্ধপরিকর। তিনি এক আধ্যাত্মিক প্রতিভা এবং ম্যানেজমেন্ট থেকে মেডিটেশন বা ধ্যান, রিলেশনশিপ থেকে রিলিজিয়ন ও সাকসেস থেকে मन्नाम जाँव श्रुक घर्छनकि घाटका निज्यानक वासारमन जन्म रिशादा निर्मार निर्मार वर्लाकून वार्वशनिक थास्कण, यान-विकिया वर घरवद्व रायो कार्यालवन अना भक्ति मतर। शास्त्र হাজার মানুষের বিষণ্ণতা থেকে ক্যান্সারের মত রোগের নিরাময় বা হীলিংয়ের অভিজ্ঞতা হয়েছে -প্রায়ই কেবল তাঁর একটি ছোঁয়াতে। আজ আধ্যাত্মিক মাস্টারদের মধ্যে ইন্টারনেটে ইউ-টিউবে নিত্যানন্দকে সবচেয়ে বেশী দেখা হয় এবং তিনি একজন বেস্টসেলিং লেখক। তাঁর লেখা প্রায় ২০০টি বই আছে ও বইগুলি ২৫টি ভাষায় অনুবাদ হয়েছে।