Books / Guaranteed Solutions For Lust Fear Worry... Bengali merged

54. প্রশ্ন : ঈশ্বরের সাথে আমাদের কিভাবে সম্মন্ধ স্থাপন করা উচিৎ?

# প্রশ্ন : ঈশ্বরের সাথে আমাদের কিভাবে সম্মন্ধ স্থাপন করা উচিৎ?

সম্বন্ধ স্থাপন করার জন্য ভগবান কোন আলাদা অস্তিত্ব নয়। সেটা প্রথমে বোঝা তিনি তোমার মাথার ওপরে স্বর্গ নামক কোন জায়গায় বসে নেই এবং তুমি তাঁর সাথে সম্বন্ধ স্থাপন করবে বলে তিনি অপেক্ষা করছেন না। তিনি ব্রক্ষাণ্ডের প্রতি টি জিনিষে আছেন। তিনিই তো সব সৃষ্টি করেছেন।

তিনি স্ন্টা, সষ্টি এবং সষ্ট (creator, creation, created)। তিনিই অভিজ্ঞতা ও অভিজ্ঞ (experiencer, experience, experienced)। ভগবান নামটা আমরা অস্তিত্বকে দিয়েছি, ব্যাস। এটা বুঝলে, তুমি ঈশ্বরকে উপলব্ধি করা শুরু করেছ: তাহলে ঈশ্বরের সাথে সম্বন্ধ স্থাপনের কোন প্রশ্ন ওঠে না।

লোকেরা আমায় জিজ্ঞাসা করে যে আমি ভগবানের নৈতট্য অনুভব করি কিনা। আমি তাদের বলি আমিই ভগবান ! আমি তাদের বলি যে তারাও ভগবান! কিন্তু অবশ্যই তারা তা গ্রহণ করতে রাজী নয়। তারা জানতে চায় ভগবানের সমীপ কিভাবে হওয়া যায়। সমীপ হওয়ার অর্থ তো তোমার ও ভগবানের মধ্যে একটু তফাৎ থাকবেই। আমি তোমাদের বলি তুমিই ভগবান ! তাহলে সমীপে যাওয়ার প্রশ্ন কোথা থেকে আসে? আমি কি বলতে চাইছি বুঝতে পারছ কিছুই নয়, অঙ্কিতুকে তোমার দেওয়া একটা নাম এবং তমি সেই অস্তিতের অংশ।

যখন অস্তিতের সাথে ঐকতানে বাস কর, যখন তুমি অন্ডিতের সাথে তোমার সংযোগ জানতে পেরেছ, তুমি ভগবান হয়েছ, ব্যাস। যখন তোমার নিকটে আসা যে কোন মানুষের সাথে আনন্দোচ্ছলতার অনুভূতি নিয়ে বাস কর ্য তুমি বিশুদ চৈতন্য হয়েছ। যখন তোমার চতুপার্শে চেনা অচেনা সকলের দিকে একই প্রেম অনুভব কর, তুমি তোমার অন্তরে ঈশ্বরের অভিজ্ঞতা প্রাপ্ত করছ। এই সহজ মাপদন্ড দ্বারা বুঝতে পার যে তুমি ঈশ্বর -চৈতন্য থেকে অত দুরে আছে।

তুমি যখন অস্তিত্বের সাথে ঐক্যান শুরু কর, তখন তোমার অন্তরের আওয়াজ শুনতে শুরু করবে। তখন কোন গাইড লাগবে না। অন্য কাউকে তোমাকে বলার প্রয়োজন কি করতে হবে আর কি না করতে হবে। তুমি সহজেই জানবে : তোমার রদিন তা তোমায় গাইড করতে থাকেবে। একজন মাস্টার তোমার অন্তরের আওয়াজকে জাগরিত করতে পারেন। তিনি তোমার বুদ্ধি জাগরণের জন্য তোমার ওপরে কাজ করেন।

আমাদের মধ্যে অধিকাংশেরই প্রেম করার একটা কারণ থাকে। আমাদের আমিত এতই কঠিন। যখন তমি এমনটি করে , পরিষ্কার করে বুঝে নাও যে তুমি ভগবান থেকে অনেক দুরে আছ! আমরা দাবী করি আমরা আমাদের পরিবার ও বন্ধজনের ওপরে প্রেমবর্ষণ করি। পথীগ্রহে এখন পর্যন্ত হওয়া মাস্টারদের দিকে তাকাও। কোন সাধারণ গুণমান তাঁদের মিশনের দিকে আকর্ষিত করেছে? পরিত্র প্রেম, ব্যাস। তাঁরা যদি তোমাদের মত গতানুগতিক প্রেম নিয়ে থাকতেন, তাহলে কি তাঁরা তাঁদের মিশন প্রতিষ্ঠা করতে সফল হতেন?

বিশ্বব্যাপী মিশন প্রতিষ্ঠা কি কেবল গতানুগতিক প্রেম হারা করা সম্ভব ? গতানুগতিক প্রেম কতটা বল যোগাবে? তা তোমাকে শীঘ্র পরিশ্রান্ত করে ফেলবে। প্রতিটি মানুষের সাথে দিব্যপ্রেম ও একত অনুভব করার জন্যই মাস্টারেরা বারবার পথিবীতে অবতীর্ণ হয়ে

বহু মানুষের কাছে পৌঁছে তাদের রূপান্তরিত করতে পেরেছেন।

আসলে তমি যদি তাঁদের জীবনী পড়, দেখবে যে তাঁদের প্রায় সবাই নিজের পরিবার থেকে বেডিয়ে এসেছিলেন, পরিবারের কোধের মুখোমুখি হয়েছিলেন এবং বিশ্বের মানুষের কাছে পৌঁছেছিলেন। পরিবার সর্বদা বাংলা করে বাধা দেয়। অবশ্য পরে পরিপক্ষতা ও সজাগতা এলে পরিবারের লোকেরাও বিশ্বের বাকীদের মত তাঁকে গ্রহণ করে ও অনুসরণ করে।

যা কিছু তোমাকে ভগবান থেকে আলাদা করে অনুভব করায়, তা হ'ল অহংভাব। অহংভাব থাকলে তুমি উপযুক্তভাবে ও সর্বদা একই গভীরতা সহকারে প্রেম করতে পারে প্রেম খবই বিষয়ীকেন্দ্রিক হবে এবং তা চরমসীমার মধ্যে দুলতে থাকেবে।

মাস্টারদের শরীরের ভাষা লক্ষ্য করে তুমি জানবে যে দিব্যপ্রেমের সাথে অনুরণন মানে কি। অস্তিত্বের সাথে ঐকতানের সবচেয়ে সহজ পথ হল মাস্টারের ভাষা লক্ষ্য করা। একজন মাস্টার সর্বদাই অস্তিতের সাথে সুরে বাঁধা থাকেন। তিনি সর্বদাই প্রেম ছড়িয়ে দিতে থাকেন, সামনে কেউ বা থাকুক। তাঁর শরীরের ভাষা লক্ষ্য করলে তুমি সেই ভাষার গুণমান আত্মভূত করতে পারবে।

যদি মাস্টারকে সময়কাল ধরে লক্ষ্য করে যে তিনি কিভাবে এক নদীর মত প্রবাহিত হন ্দ্র সঙ্গে ব এত ছেলোময় হয়ে, এত সমলয়ে, অস্থিতের সরে সর মিলিয়ে। তাঁর সব কাজই অস্তিতের সাথে নিখঁত সমলয়ে ঘটে। তাই তাকে দেখতে এত ভাল লাগে! শুধুমাত্র মাস্টারকে লক্ষ্য করে তুমি অস্তিতের সৌন্দর্য ও প্রবাহকে উপলব্ধি ও অনুভব করতে পার।

যেহেতু মাস্টার আমিত-হীন, তাই তিনি কোন বাধা ছাড়াই প্রবাহিত হন। তাঁর 'আমি' ও 'আমার' সম্বন্ধে চেতনা নেই বলে তিনি প্রবাহমান হন। যেহেত তিনি কেবল প্রেম বিকিরণ করেন। নিরাময় করেন। নিরাময় হল ঘনীভত প্রেম। সেইজন্য সময়কালে বারবার আমরা মাস্টারদের অলৌকিক নিরাময়ের শক্তির কথা শুনি। তাই মাস্টারদের ভগবান হিসাবে দেখা হয়। পরিষদর করে বোঝা : মাস্টারেরা হলেন জীবন্ত ভগবান। তাঁরা পরম শক্তির সর্বোচ্চ সুপ্রকাশ।

তাই ঈশ্বরের সাথে সম্বন্ধ স্থাপনের জন্য উদ্বিগ্ন হতে হবে না। অন্তিতের সুরের সাথে সুর মেলানো শুরু করে এবং ভগবান হও।

মনে রেখে : তুমি অস্তিত্বকে জয় করতে পার না। তুমি অঙ্কিত দ্বারা বিজিত হতে পার। যখন তোমার আমিতু সম্পূর্ণ মুছে যায় , তুমি বিজিত হলে, ব্যাস! যখন তুমি এক সময়ত গর্ভ হয়ে যাও, তিনি তোমার ভিতরে অধিষ্ঠান করবেন। প্রথম দিকে তমি অতিথি এবং তিনি নিয়ম্বণকর্তা। সবশেষে তোমাকে নিয়ন্ত্রণকর্তা হতে হবে: তাঁকে অভ্যর্থনা করে গ্রহণ করে গ্রহণ করার জন্য তোমাকে জরায় হতে হবে। জরায় হওয়া মানে গলে যাওয়া এবং নমনীয় হওয়া। নমনীয় হওয়া মানে তোমার সম্পর্ণ আমিতুকে মুছে ফেলা এবং ঈশ্বরে বা অস্তিতে দ্রবীভত হয়ে যাওয়া। তখন জীবন হয় সঙ্গীত এবং চিরন্তন উদযাপন।

আমরা এখন এক সন্দর ও খব কার্যকর ধ্যান-প্রক্রিয়া করব। আজ্ঞাচক্রের জন্য এই ধ্যানের নাম দিব্যনেত্র-ধ্যান।

আবেগ : আমিত্য
চক্র : আজ্ঞা-চক্র
অবস্থান : ভ্রদ্বয়ের মাঝে
সংস্কৃতে আজ্ঞা মানে 'ইচ্ছা' বা 'আদেশ।' আজ্ঞা-চক্রকে চক্ররাজ হিসাবে জানা যায়।
वर कक भी बना उ वासिए माना जानावक शादक। वादि मनलण, मरखण, बूफिसजा मरकारव बन
আমিত্বকে মুছে ফেলে প্রস্ফুটিত করা যায়।
সরল ও আমিত্বহীন সত্তা হবার জন্য ধ্যান-প্রক্রিয়া :
দিব্যনেত্র-ধ্যান - জরাপ্রুস্টের ধ্যান-প্রক্রিয়া

। আজ্ঞা িক্র বা ত্মিনয়ন মায়া এবং কামরক ধ্বংে করি। এটা সতামাি ত্মভতরিি অত্মত

। তু ত্মম সমামবাত্মতও বযবহাি কিরত পাি