24. সচেতনভাবে মৃত্যু-অভিজ্ঞতা
# সচেতনভাবে মৃত্যু-অভিজ্ঞতা
আমরা সবাই মৃত্যুভয় নিয়ে আছি। আমরা মত্যুকে যে কোন প্রকারে এড়িয়ে যেতে তৈরি এবং তাকে আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু বলে ভাবি।
গ্রীক দার্শনিক সেক্রেটিস সম্বন্ধে একটা ছোট গল্প :
সর্জেটিসকে হেমলক নামে বিষাক্ত লতার রস খাইয়ে মারা হয়। বিষপান করার ঠিক আগে তাঁর এক শিষ্য তাঁকে জিজ্ঞাসা করে, 'মাস্টার, আপনি কি মরতে ভয় পান না? আপনাকে কত শান্ত লাগছে।'
সত্রেটিস উত্তর দিয়েছিলেন, 'কেন ভয় পাব? আমি জানি যে মরার পর দুটি জিনিষ হতে পারে। হয় আমি অন্য কোন রূপে বা নামে বিদ্যমান থাকব অথবা আমার অস্তিতুই থাকবে না। প্রথম ক্ষেত্রে দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে দুশ্চিন্তা করার জন্য কে থাকবে? তাই দুটি ক্ষেত্রেই ভয়ের কোন কারণ নেই!'
মত্যু সম্মন্ত্রে পরিষদ ধারণা ও তার ফলাফল জানার জন্য সাক্রেটিস মৃত্যু সম্পর্কে নির্ভয় ছিলেন। মৃত্যুকে সর্বদাই শেষ হয়ে যাওয়া হিসাবে দেখা হয় এবং তাই মানুষেরা মৃত্যু দেখলে কষ্ট পায়।
মত্য থেমে যাওয়া বা শেষ হয়ে যাওয়া নয়। এটা অন্য রূপে চলমান থা কা অথবা পূর্ণরূপে মুক্তি লাভ করা। মানুষ এটা বুঝলে মত্যুর জন্য কষ্ট পাওয়াকে বোকামি মনে করবে।
মানুষ শারীরিক আকারের সাথে খুব সংযুক্ত এবং তাই সে এত কষ্ট পায়। শরীর তো আত্মার বাহনমাত্র। এই জিনিষটা স্বচ্ছভাবে বুঝতে হবে।
বা কা কে বা কেনা কে বা কেনা কে বিশ্বাস করে পারে। তবে পারে কি আর কে আর কিছু হয়। মানুষ বিষয়ে এটাই সবচাইতে বিস্ময়কর জিনিষ।
একটা ছোট গল্প :
এক মহিলা তার একশ'তম জন্মদিন উদযাপন করছিল। তার সমগ্র পরিবার অনুষ্ঠানে উপস্থিত। তারা সমস্ত পরিজন ও वक्तूबर का र (श्टक भाउया से भरावणूलि थुला हिन जनर मन थोणिक्त कार्डशनि भएकिल। তারা মহিলাটিকে ৯৪ বছরের এক পুরান বন্ধুর পাঠানো কার্ড দেখাল। মহিলাটি বিস্ময়ে চেঁচিয়ে বলে উঠল, 'হে ভগবান! সে এখনও বেঁচে আছে!'
আমরা নিজের ছাড়া অন্য সবার মত্যু সম্বন্ধে ভাবতে পারি! আমরা জীবনে নিজেদের মৃত্যু ছাড়া সব কিছুর জন্য প্রস্তত। কিন্তু অবাক ব্যাপার হ'ল মতু্ ছাড়া অন্য কোন কিছু সম্বন্ধে ভবিষ্যৎবাণী করা যায় না। জীবনে একমাত্র নিশ্চিত জিনিম হ'ল মতু্। কিন্তু আমরা শুনতে চাই না যে কোন না কোন সময়ে আমাদের মৃত্যু হবে।
ভগবান রামানা মহার্ষি মত্যুকে সচেতনভাবে অভিজ্ঞতা করে বুদ্ধত লাভ করেছিলেন। ছোটবেলায় দক্ষিণ ভারতে মাদ্বরাইতে মামার বাড়ীতে একদিন রামানা বিছানায় শুয়ে ছিলেন। হঠাৎ তাঁর ভাবনা এল যে তিনি মরে যেতে চলেছেন! তিনি দেখলেন মত্যু তাঁর নিকটে আসছে।
বেছে নেবার জন্য তাঁর জুটি সম্ভাবনা ছিল - হয় ভাবনাটাকে আটকাতে হবে, অথবা মৃত্যুকে মেনে নিয়ে তার সঙ্গে চলতে হবে। সাধারণত লোকেরা ভাবনাটাকে আটকায়, তাই তারা কোমায় চলে যায় এবং অচেতন অবস্থায় শরীর ছেড়ে যায়।
৯৯% মানুষেরা অচেতন অবস্থায় শরীর ছেডে যায়।
জন্ম থেকে যদিও আমরা জানি যে আমাদের এই জীবন মত্যুতে পৌঁছাবে, আমরা কখনই তা প্রত্যক্ষবৎ স্মরণ করার চেষ্টা করি না। আমরা কখনও সম্ভাবনাকে বলে ভাবি না; আমরা তাকে স্বাগত করি না। কমপক্ষে একবার যদি সচেতনভাবে তার মধ্য দিয়ে যাও, তার প্রতি ভীতি চলে যাবে।
রামানা দ্বিতীয় পথটি বেছে নেবার জন্য সাহসী ছিলেন। তিনি তাঁর ভাবনার সাথে সাথ দিয়েছিলেন। তিনি মৃত্যুকে चारण मिलन उ मन्नाव भटव कि रय जा दिन करनन। जिन जाँच मनोदवन बन्ना वर्णन भव बनने वरणस পরিষ্কারভাবে মরে যেতে দেখলেন। ধীরে ধীরে তাঁর সমস্ত শরীরের মৃত্যু হ'ল। তিনি তাঁর পুরো শরীরকে ভস্মীভূত হতে দেখলেন।
তিনি হঠাৎ বুঝলেন যে মৃত্যুর পরেও তাঁর কিছু একটা রয়ে গেছে; যাকে বিনাশ করা যায় না। তিনি হঠাৎ বুঝলেন যে দেহ ও মন ছাড়িয়ে তিনি বিশুদ্ধ চেতনা। তিনি নিজের মৃত্যুকে কেবল সাক্ষী হয়ে প্রত্যক্ষ করলেন !
এই জ্ঞান ছিল অতি শক্তিশালী এবং সেটা তাঁকে কখনও ছেড়ে যায় নি এবং যখন তিনি তাঁর শরীরে ফিরে এলেন, তিনি হলেন ভগবান রামানা মহর্ষি - জীবনমুক্ত মাস্টার।
তুমি যখন মৃত্যুভয়কে জয় কর, তুমি মৃত্যুকেই জয় কর, কারণ মৃত্যুও কেবল আরও একটি কল্পনা! ঠিক যেভাবে আমাদের বাসনা বিশ্বকে বাস্তব থেকে আরও বেশী সুন্দর কল্পনা করায়, সেভাবে আমাদের ভয় মৃত্যুকে বাস্তব থেকে আরও বেশী ভয়ঙ্কর হিসাবে কল্পনা করায়।
আমরা বাসনা ও ভয়ের চশমা পড়ি এবং বাস্তব দেখতে পারি না। মানসিকভাবে মত্যু অভিজ্ঞতা করলে তুমি ভয়-শক্তিকেন্দ্র স্বাধিষ্ঠান চক্রে তালাবদ্ধ শক্তিকে বিষয়ক করবে। স্বাধিষ্ঠান চক্র ও মণিপুরক (নাভিকেন্দ্র) চক্রের মাঝখানে অবস্থিত। এই শক্তিকেন্দ্র সক্রিয় হলে তোমার জীবনের সমস্ত গুণগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত হবে।
মত্যুকে 'অন্যরূপে অবিরাম চলমানতা' হিসাবে গ্রহণ করার সামর্থ্যের জন্য তোমার জীবনকে উপভোগ করার সামর্থ্য পরিবর্তিত হয়। তোমার সমস্ত শরীর আরাম করে; তোমার চেতনা প্রসারিত হয়, তোমার বেঁচে থাকার সামর্থ্য বাড়ে। মৃত্যু ও মৃত্যুতয়কে বুঝে তোমার জীবন সমদ্ধ হয়: হয়ত বিত্তবান নয়, কিন্তু সমদ্ধ। জীবনে সমন্ধি সবচাইতে গুরুতপর্ণ।
কিন্তু তোমাদের এসব বললে এখন আমায় বিশ্বাস করবে না। ভাববে আমি সব অবাস্তব কথা বলছি।
একটা ছোট গল্প :
এক ডাক্তার এক জন্মান্ধ ব্যক্তিকে ভাল করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিল।
ডাকার বলেন, 'এই অপারেশনের পরে আপনি আপনার দুষ্টিশক্তি ফিরে পাবেন। আপনাকে আর লাঠি ব্যবহার করতে হবে না!'
সে কথা শুনে অন্ধ লোকটি ভয় পেয়ে গেল। সে বলল, 'ডাক্তারবাবু, বুঝলাম যে আমি আমার দুষ্টি ফিরে পাব। কিন্তু লাঠি ছাড়া হাঁটব কি করে?'
लांगि घक वाणित एक घटकरण घरन रूटा (गटर जबर र बूबाट्रि भावर ना रा रम लांगि छाड़ारे क्लाक भारत ! जन्मास्क কিভাবে বোঝাবে যে দাষ্টিশক্তি ফিরে পেলে কোন লাঠির দরকার হয় না ? এখন সে খুব ভীত। এখন তাই তুমি কেবল অপারেশন করতে পার এবং পরে তাকে নিজে থেকে বুঝতে দাও। সে নিজেই লাঠি ছুঁড়ে ফেলে দেবে।
একইভাবে, আমি যদি বলি যে তোমার সব ভয়ের মূল হ'ল মৃত্যুভয় এবং তোমার আত্মা অমর অবিনশ্বর, কেবল তোমার শরীর নশ্বর, তবুও তুমি তোমার আগের ভয়ের ভাবনাতে সেঁটে থাকবে, কারণ তুমি অবিনশ্বরতার অভিজ্ঞতা লাভ কর নি।
সচেতন হয়ে মত্যুর অভিজ্ঞতা না হ'লে ভয় তোমাকে কখনও ছেড়ে যাবে না। কিন্তু তুমি একটা জিনিম করতে পার। বারবার এই কথাগুলি শোন। এই সম্বন্ধে দূঢ় প্রত্যয় গড়ে তোল। কিভাবে তোমার প্রধান ভীতিগুলি কিভাবে প্রকল্পক্ষে মত্যভয়ের সাথে জড়িত তা লক্ষ্য করার চেষ্টা কর। দৈনন্দিন সমস্ত ভয়গুলিতে স্পষ্টতা নিয়ে এস। দেখ ভয়গুলি কিভাবে পরস্পরের সাথে সম্পর্কিত। ভয়গুলিতে সচেতনতা নিয়ে এস। তাহলে তুমি নিয়মিতভাবে বিকশিত হবে ও সত্যের নির্কটর্নী হতে থাকবে।